“হে বালক! আমি তোমাকে কয়েকটি কালিমা (বাক্য) শিক্ষা দিচ্ছি, তা হচ্ছে: তুমি আল্লাহর (বিধানসমূ…

ইসলাম > Bn > হাদিস > আকদ > “হে বালক! আমি তোমাকে কয়েকটি কালিমা (বাক্য) শিক্ষা দিচ্ছি, তা হচ্ছে: তুমি আল্লাহর (বিধানসমূ…

হাদিস বর্ণনাকারী: তিরিমিযীসহ অন্যান্যরা হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

সহীহ

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 2 মিনিটের পাঠ

হাদিসের পাঠ: “হে বালক! আমি তোমাকে কয়েকটি কালিমা (বাক্য) শিক্ষা দিচ্ছ…

عَنْ أَبِي العَبَّاسِ، عَبْدِ الله بْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كُنْت خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا، فَقَالَ: «يَا غُلَامِ! إنِّي أُعَلِّمُك كَلِمَاتٍ: احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَ، احْفَظِ الله تَجِدْهُ تُجَاهَكَ، إذَا سَأَلْتَ فَاسْأَلِ اللهَ، وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاَللهِ، وَاعْلَمْ أَنَّ الأُمَّةَ لَوْ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوكَ إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَكَ، وَإِنِ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوكَ إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيْكَ؛ رُفِعَتِ الأَقْلَامُ، وَجَفَّتِ الصُّحُفُ».
وَفِي رِوَايَةِ غَيْرِ التِّرْمِذِيِّ: «احْفَظِ اللهَ تَجِدْهُ أَمَامَكَ، تَعَرَّفْ إلَى اللهِ فِي الرَّخَاءِ يَعْرِفْكَ فِي الشِّدَّةِ، وَاعْلَمْ أَنَّ مَا أَخْطَأَكَ لَمْ يَكُنْ لِيُصِيبَكَ، وَمَا أَصَابَك لَمْ يَكُنْ لِيُخْطِئَكَ، وَاعْلَمْ أَنَّ النَّصْرَ مَعَ الصَّبْرِ، وَأَنْ الفَرَجَ مَعَ الكَرْبِ، وَأَنَّ مَعَ العُسْرِ يُسْرًا».

হাদিসের ব্যাখ্যা: “হে বালক! আমি তোমাকে কয়েকটি কালিমা (বাক্য) শিক্ষা দিচ্ছ…

ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু সংবাদ দিচ্ছেন যে, তিনি তখন ছোট ছিলেন। একদিন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আরোহী ছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আমি তোমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিচ্ছি যার দ্বারা আল্লাহ তোমার উপকার করবেন: "আল্লাহর হেফাজত করো" — অর্থাৎ, তাঁর আদেশসমূহ পালন করো এবং নিষেধসমূহ থেকে বিরত থাকো, যাতে তিনি তোমাকে ইবাদত ও নেক কাজের স্থানে পান, আর গোনাহ ও পাপের স্থানে না পান। যদি তুমি এমন করো, তাহলে এর প্রতিদান হবে—আল্লাহ তোমাকে দুনিয়া ও আখিরাতের সকল অকল্যাণ থেকে হেফাজত করবেন এবং যেদিকেই তুমি যাও, তোমার কাজগুলোতে তিনি তোমাকে সাহায্য করবেন। আর যখন তুমি কিছু চাওয়ার ইচ্ছে করবে, তখন আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে চাইবে না। কেননা তিনিই একমাত্র মাবূদ যিনি প্রার্থনাকারীর প্রার্থনায় সাড়া দেন। আর যদি তুমি সাহায্য চাও, তবে শুধু আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাও। তোমার মনে এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকা উচিত যে, যদি দুনিয়ার সব মানুষ একত্রিত হয়ে তোমার উপকার করতে চায়, তবুও তারা কিছুই করতে পারবে না — তবে আল্লাহ তোমার জন্য যা লিখে রেখেছেন। আবার, যদি তারা সবাই একজোট হয়ে তোমার ক্ষতি করতে চায়, তবুও তারা কোনো ক্ষতি করতে পারবে না — তবে আল্লাহ যা তোমার বিপক্ষে লিখে রেখেছেন। সকল বিষয় মহান আল্লাহ তার হিকমত ও ইলম অনুযায়ী আগেই নির্ধারণ করে দিয়েছেন এবং লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। আল্লাহ যা লিপিবদ্ধ করেছেন তার কোন পরিবর্তন হয় না। যে ব্যক্তি আল্লাহর আদেশ মান্য করে ও নিষেধ থেকে বিরত থেকে আল্লাহর হিফাযত করে, আল্লাহ তাআলা তার পাশে থাকেন—তিনি তার অবস্থা জানেন, তাকে সাহায্য করেন ও শক্তি দেন। মানুষ যদি স্বাচ্ছন্দ্যের সময় আল্লাহর আনুগত্য করে, তবে আল্লাহ তার জন্য সংকটের সময় মুক্তি ও উপায় এনে দেন। প্রত্যেক বান্দার উচিত, আল্লাহ যেটুকু ভাগ্যে লিখে দিয়েছেন—সেটি ভালো হোক বা মন্দ—তাতে সন্তুষ্ট থাকা। আর বিপদ ও পরীক্ষার সময় বান্দার কর্তব্য হলো ধৈর্য ধারণ করা, কারণ ধৈর্যই হলো মুক্তির চাবিকাঠি। যখন কষ্ট তীব্র হয়, তখন আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে স্বস্তি ও মুক্তি। আর যখন কষ্ট আসে, তখন আল্লাহ তার পরে সহজতা এনে দেন।

শিক্ষা: “হে বালক! আমি তোমাকে কয়েকটি কালিমা (বাক্য) শিক্ষা দিচ্ছ…

বিভাগ : আকীদা · আল্লাহর উপর ঈমান · তাকদীরের উপর ঈমান · তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ

بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.5 / 29.5
আলোকিতকরণ 97%
13 দিনে অমাবস্যা
أستغفر الله আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত