আল্লাহর উপর ঈমান সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > আল্লাহর উপর ঈমান

«আল্লাহর উপর ঈমান» সম্পর্কে 135টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

আল্লাহর উপর ঈমান সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ “এই জুতাগুলো হাতে নিয়ে যাও। যে কারো সাথে এই বাগানের বাইরে দেখা হলে, যদি সে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বিশ্বাসের সঙ্গে অন্তর দিয়ে নিশ্চিতভাবে স্বীকার করে, ত সহীহ “এ স্ত্রীলোকটি তার সন্তানের উপর যতটা দয়ালু, আল্লাহ তাঁর বান্দার উপর তার চেয়েও অনেক বেশি দয়ালু”। সহীহ যে কোনো বান্দা আন্তরিকতার সাথে এ সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল, তার জন্ সহীহ একবার একটি কুকুর কোনো এক কূপের পাশে চক্কর দিচ্ছিল, এমতাবস্থায় যে পিপাসা তাকে মেরে ফেলার উপক্রম করছিল। ইত্যবসরে বনী ইসরাঈলের বেশ্যাদের এক বেশ্যা তাকে দ সহীহ হে রব! আমাকে সাহায্য করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না, আমাকে সহযোগিতা করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সহযোগিতা করো না, আমার জন্য কৌশল এঁটো, আমার সহীহ “আমাদের মহান ও বরকতময় রব প্রতি রাতে যখন তার শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে পৃথিবীর আসমানে অবতরণ করেন। সহীহ ঈমান ইয়ামনী, হিকমত ইয়ামনী। আর আমি রহমানের নিঃস্বাশ ইয়ামানের দিক থেকে পাচ্ছি। তবে কুফর, নাফরমানী ও অন্তরের কাঠিন্যতা চিৎকারী উট ও গরু-ছাগলের মালিকদের ভ সহীহ আবূ হুরায়রাহ থেকে একটি বর্ণনা বর্ণিত: তিনি বলেন, আল্লাহর রয়েছে নিরানব্বই নাম। এক কম একশ। যে ব্যক্তি এ গুলোর হিফাযত করবে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে সহীহ কবরস্থান এবং গোসল খানা ছাড়া সমগ্র যমীন মসজিদ। সহীহ “তোমরা কবরের উপর বসবে না এবং কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করবে না।” সহীহ এই সালাত এমন তাতে লোকেদের কোনো কথা যথাযথ নয়। (এতে যা বলতে হয়,) তা হল তাসবীহ, তাকবীর ও কুরআন পাঠ।” সহীহ “তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে তার রবের সাথে কানে কানে (ফিসফিস ক’রে কথা) বলে। আর তার রব তার ও কেবলার মধ্যস্থলে থাকেন। সুতরাং তোমাদের কেউ যেন ক সহীহ এরা এমন সম্প্রদায় যে, এদের মধ্যে কোন সৎ বান্দা অথবা বলেছেন কোন সৎ লোক মারা গেলে তার কবরের উপর তারা মসজিদ নির্মাণ করত। সহীহ “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তোমাদের পিতা-পিতামহের নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন।” সহীহ আমি কি তোমাদেরকে তিন ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেব ? তাদের একজন আল্লাহর দিকে এগিয়ে এসেছে, তাই আল্লাহ তাকে স্থান দিয়েছেন। অন্যজন (ভীড় ঠেলে অগ্রসর হতে অথবা সহীহ হে আল্লাহর রসূল! নিঃসন্দেহে আমি একে ভালবাসি।’ (এ কথা শুনে) নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, “তুমি কি (এ কথা) তাকে জানিয়েছ?” সে বলল, ‘না।’ সহীহ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন অবশ্যই মেহমানের পারিতোষিকসহ তার সম্মান করে। লোকেরা বলল, ‘তার পারিতোষিক কী? হে আল্লাহর রাসূল!’ ত সহীহ ইয়াহুদী ও নাসারাদের ওপর আল্লাহর অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়েছে সহীহ আমি অংশীদারদের চেয়ে অংশীদারিত্ব [শির্ক] থেকে অধিক অমুখাপেক্ষী। কেউ যদি এমন কাজ করে, যাতে সে আমার সঙ্গে অন্য কাউকে অংশীদার স্থাপন করে, তাহলে আমি তাকে ত সহীহ তোমাদের কেউ আমার খলীল (অন্তরঙ্গ বন্ধু) হওয়া থেকে আমি আল্লাহর কাছে নিষ্কৃতি চাইছি; কেননা আল্লাহ তা‘আলা আমাকে খলীলরূপে গ্রহণ করেছেন, যেমনিভাবে খলীলরূপে হাদিসটি এর বিভিন্ন সূত্রের সমন্বয়ে সহীহ। لَا تَقُولُوا: مَا شَاءَ اللهُ وَشَاءَ فُلَانٌ، وَلَكِنْ قُولُوا: مَا شَاءَ اللهُ ثُمَّ شَاءَ فُلَانٌ ‘তোমরা বলো না যে, আল্লাহ যা চান এবং অমুক লোক যা সহীহ আল্লাহর নামে মিথ্যা শপথ করা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে সত্য শপথ করার চেয়ে শ্রেয়। সহীহ আল্লাহ তায়ালা তার আত্নমর্যাদাবোধ প্রকাশ করেন এবং মুমিনগণও আত্নমর্যাদাবোধ প্রকাশ করে। আল্লাহর আত্নমর্যাদাবোধ উজ্জীবিত হয় যখন মুমিন এমন কিছু করে যা তিনি সহীহ এদেরকে কোন জিনিষটি বিভক্ত করল। তার সুস্পষ্ট বিষয়গুলোর সময় নমনীয় থাকে আর অস্পষ্ট বিষয়সমূহের সময় ধ্বংস হয়। সহীহ ইয়াহুদীদের একজন জ্ঞানী ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ, আমরা পেলাম যে, আল্লাহ আসমানসমূহ একটি আঙ্গুলের উপর, যমীনসমূহ একটি আঙ্গুলের উপর, সহীহ কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাঁর আকাশমণ্ডলীকে গুটিয়ে ফেলবেন। অতঃপর স্বীয় ডান দ্বারা তা ধরবেন। তারপর তিনি বলবেন, আমিই অধিপতি, প্রতাপশালীরা কোথায়? দাম্ভিকেরা কো সহীহ “তোমরা আমার বিষয়ে বাড়াবাড়ি করো না, যেমনটি খৃস্টানরা ঈসা ইবনু মারইয়াম সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করেছে। আমি তো কেবল তাঁর (আল্লাহর) বান্দা। তাই তোমরা বল, আল্লাহর আলবানী ইবনু তাইমিয়াহ কর্তৃক হাদীসটিকে সহীহ বলার হুকুম বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তিনি তার ত্রুটি ধরেননি। সাত আসমান ও সাত যমীন রহমানের হাতের তালুতে, তোমাদের কারো হাতে একটি শস্য দানার মতোই তুচ্ছ। সহীহ কুরসী ‘আরশের তুলনায় যমীনের বিশাল মরুভুমির উপর একটি লোহার আংটির মতো। সহীহ কিয়ামতের দিন আমার শাফাআত দ্বারা সর্বাধিক সৌভাগ্যশালী ঐ ব্যক্তি হবে যে খালেস অন্তর বা মনথেকে বলে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ) সহীহ তবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন; তার আমল যাই হোক না কেন।” সহীহ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন শরীক(ওলী ইত্যাদি) কে ডাকা অবস্থায় মারা যায়, সে জাহান্নামে যাবে। সহীহ “দ্বীনের ব্যাপারে নিজের পক্ষ থেকে কঠোরতা অবলম্বনকারীরা ধ্বংস হ। সহীহ “সংক্রমণ বলতে কোন কিছু নেই এবং কুলক্ষণও নেই। তবে আমকে খুশি করে ফাল (শুভ লক্ষণ)। তারা বলল, ফাল কি? তিনি বললেন, ভালো কথা।” সহীহ “তোমরা সব ব্যাপারে নিকটবর্তী ও মধ্যমপন্থা অবলম্বন করো। জেনে রাখো, তোমাদের কেউ আমলের দ্বারা নাজাত লাভ করতে পারবে না। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আ সহীহ তোমরা সুপারিশ কর তোমাদের সাওয়াব দেওয়া হবে, আর আল্লাহ তাঁর নবীর মুখে তাই ফায়সালা করবেন, যা তিনি পছন্দ করেন। সহীহ আমি সে রকমই, যে রকম বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি বান্দার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে সহীহ আল্লাহ তা‘আলা যখন কোনো উম্মাতের প্রতি রহমতের ইচ্ছা করেন, তখন তাদের নবীকে তাদের আগেই তুলে নেন এবং তাঁকে তাদের যুগের অগ্রগামী ও পূর্ববর্তী করেন। সহীহ “দুনিয়াতে কোনো বান্দা যদি অপর কোনো বান্দার দোষ-ত্রুটি গোপন করে তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা তার দোষ-ত্রুটি গোপন করবেন”। সহীহ সুতরাং এখন কোন কথার ওপর আপনার কাছে বাই‘আত করব?’ তিনি বললেন, “এ কথার ওপর যে, তোমরা এক আল্লাহরই ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরীক করবে না, পাঁচ সহীহ যে ব্যক্তি অভাবগ্রস্ত হলো আর সে তা মানুষের সামনে তুলে ধরল, তার অভাব দূর করা হয় না। আর যে ব্যক্তি তা আল্লাহর নিকট তুলে ধরল, আল্লাহ তাকে শীঘ্র অথবা বিলম ইমাম নববী বলেছেন: হাদীসটি হাসান। “নিশ্চয় আল্লাহ আমার উম্মাতের ভুল, বিস্মৃতি ও জোরপূর্বক যা করানো হয় তা ক্ষমা করে দিয়েছেন।” সহীহ তোমার চেয়ে সেরূপ করার আমিই বেশী হকদার, তোমরা আমার বান্দাকে ক্ষমা কর। সহীহ আল্লাহ রহমতকে একশ ভাগ করেছেন। তার মধ্যে নিরানব্বই ভাগ তিনি নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। আর পৃথিবীতে একভাগ অবতীর্ণ করেছেন। ঐ এক ভাগের কারণেই মখলুকেরা একে অ সহীহ একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন এবং একটি ঝুলন্ত মশকের মুখ থেকে দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। সুতরাং আমি উঠে তার (মশকের) মুখটা সহীহ “হে লোক সকল, আল্লাহ তা’আলা পবিত্র, তিনি পবিত্র ও হালাল বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না। আর আল্লাহ তা’আলা তার প্রেরিত রাসূলদের যে হুকুম দিয়েছেন মুমিনদেরকেও সহীহ আল্লাহ ভাল-মন্দ লিখে দিয়েছেন। এরপর সেগুলোকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন সৎ কাজের ইচ্ছা করল; কিন্তু তা বাস্তবে করল না, আল্লাহ তাঁর কাছে এর জন্ সহীহ “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের চেহারা ও ধন-সম্পদের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তিনি দৃষ্টি দিয়ে থাকেন তোমাদের অন্তর ও আমলের প্রতি।” সহীহ হে আমার বান্দারা! আমি আমার নিজ সত্তার উপর জুলুম করা কে হারাম করে নিয়েছি এবং তোমাদের মধ্যেও তা হারাম বলে ঘোষণা করছি। অতএব তোমরা একে অপরের উপর জুলুম-অত সহীহ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় জমি হল মসজিদ আর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণ্য জমি হল বাজার। সহীহ আল্লাহ যখন সৃষ্টিজগত তৈরি করলেন, তখন একটি কিতাবে লিখে রাখলেন, যা তাঁরই কাছে ‘আরশের উপর রয়েছে, “অবশ্যই আমার রহমত আমার গযবের উপর জয়ী হবে।” সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন লোককে সৈন্যদলের আমীর বানিয়ে পাঠান। সে সাথীদের নিয়ে পড়ত, তবে সূরা ইখলাস দ্বারা কিরাত শেষ করতেন। সহীহ আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর নিকট যখন আরোহণ করার উদ্দেশ্যে বাহন আনা হলো তখন তিনি বাহনের পাদানীতে স্বীয় পা রেখে ‘বিসমিল্লাহ’ বললেন। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম: আল্লাহর কাছে কোন গুনাহ সবচেয়ে বড়? তিনি বললেন: আল্লাহর জন্য শরীক সাব্যস্ত করা; অথচ তি সহীহ “ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত, তারা তাদের নবীদের সমাধিসমূহকে উপাসনালয়ে পরিণত করেছে।’’ হাসান হে আদম সন্তান! যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে এবং আমার কাছে (ক্ষমা পাওয়ার) আশায় থাকবে, তোমার গুনাহ যত অধিক হোক, তোমাকে আমি ক্ষমা করব, এতে কোন পরওয়া সহীহ দু’ব্যক্তি বিষয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা হাসবেন। যারা একে অপরকে হত্যা করে উভয়েই জান্নাতে প্রবেশ করবে। একজন আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হন। অতঃপর সহীহ “তোমাদের দু’টো বিশেষ গুণ রয়েছে, যা আল্লাহ পছন্দ করেন – ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা”। সহীহ “আল্লাহ তা’আলা যালিমদের ঢিল দিয়ে থাকেন। অবশেষে যখন তাকে ধরেন, তখন আর ছাড়েন না। সহীহ এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, ‘আমি ক্ষুধায় কাতর হয়ে আছি।’
بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.5 / 29.5
আলোকিতকরণ 97%
13 দিনে অমাবস্যা
لا حول ولا قوة إلا بالله আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত