ইসলাম > Bn > হাদিস > আল করআনল করম ও করআন সকরনত ববধ বদয > রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন লোককে সৈন্যদলের আমীর বানিয়ে পাঠান। সে সাথী…
সহীহ27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 1 মিনিটের পাঠعن عائشة رضي الله عنها «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث رجلا على سَرِيَّةٍ فكان يَقْرَأ لأصحابه في صلاتهم، فَيَخْتِمُ بـ«قل هو الله أحد» فلما رجعوا ذكروا ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: سَلُوهُ لأَيِّ شيء صَنَع ذلك؟ فسألُوه، فقال: لِأنَّها صِفَةُ الرحمن عز وجل ، فأنا أُحِب أَنْ أَقْرَأ بها، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : أَخْبِرُوه: أنَّ الله تعالى يُحِبُّه».
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সাহাবীকে সৈন্যদের পরিচালনা করা ও তাদের মধ্যে ফায়সালা করার জন্য আমীর বানালেন, যাতে কোন বিশৃংখলা দেখা না দেয়। তাদের মধে যে দীন, ইলম ও পরিচালনায় দক্ষ হতেন তাকেই তিনি নিযুক্ত করতেন। ফলে যিনি আমীর হতেন তিনিই সালাতের ইমাম হতেন এবং ইলম ও দীন বিষয়ে ফতওয়া দানকারী হতেন। তিনি প্রত্যেক সালাতের দ্বিতীয় রাকা‘আতে আল্লাহ এবং তার নামসমূহ ও সিফাতসমূহের মহব্বতে শুধু কুল হুয়াল্লাহু আহাদ পড়তেন। আর যে ব্যক্তি যাকে মহব্বত করে সে তার আলোচনা বেশি করে। তারপর যখন তারা তাদের যুদ্ধ থেকে রাসুল্লাহর কাছে ফিরে আসেন, তখন তারা বিষয়টি রাসূলুল্লাহর নিকট আলোচনা করলে তিনি বলেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞাসা করো কেন সে এমন করল? এটি কি আকস্মিকভাবে করছে না কোন কারণে করেছে? তারা তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তর দেন, আমি এটি করেছি কারণ, সূরাটি রহমানে গুণাগানকে সামিল করে। তাই আমি তাকে বার বার বলতে পছন্দ করি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে তোমরা জানিয়ে দাও যে, সে যেভাবে সূরাটিকে ভালোবেসে বারবার পড়েছে, কারণ এতে রয়েছে আল্লাহর মহান সিফাতসমূহ যা প্রকাশ করে তাতে উল্লিখিত নামসমূহ, আল্লাহ তা‘আলা অবশ্যই তাকে ভালোবাসেন। হায়! এ সূরার কতইনা ফযীলত।
বিভাগ : আল-কুরআনুল কারীম ও কুরআন সংক্রান্ত বিবিধ বিদ্যা · কুরআনের বিবিধ ফযীলত · ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল · সালাত · আকীদা · ফিকহ ও উসূলে ফিকহ · সূরা ও আয়াতসমূহের ফযীলত · সালাতের পদ্ধতি · আল্লাহর উপর ঈমান · তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত