মুহাম্মাদী চারিত্রিক গুণাবলী সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > মুহাম্মাদী চারিত্রিক গুণাবলী

«মুহাম্মাদী চারিত্রিক গুণাবলী» সম্পর্কে 87টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

মুহাম্মাদী চারিত্রিক গুণাবলী সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ ইয়াহূদীরা ঋতুবতী মহিলাদের সাথে ঘরে একত্রে খেত না এবং তাদের সাথে মেলামেশা করত না। তখন রাসূলের সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিষয়টি সম্পর সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমতাবস্থায় সালাত আদায় করতে দেখেছি যে, কান্নার কারণে তার বুকের মধ্যে চাক্কির আওয়াজের মতো আওয়াজ ছিল। সহীহ لَمْ يَكُنْ فَاحِشًا وَلَا مُتَفَحِّشًا وَلَا صَخَّابًا فِي الْأَسْوَاقِ، وَلَا يَجْزِي بِالسَّيِّئَةِ السَّيِّئَةَ وَلَكِنْ يَعْفُو وَيَصْفَحُ. “রাসূ সহীহ চুলওয়ালা, লাল পোশাক পরিহিত কোন লোককে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেয়ে সুন্দর দেখিনি সহীহ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জুতা পরা, মাথা আঁচড়ানো, পবিত্রতা অর্জন করা এবং তাঁর সকল কাজে ডান দিক পছন্দ করতেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ডান হাত তাঁর ওযূ ও আহারের জন্য ব্যবহার হত এবং বাম হাত তাঁর পেশাব-পায়খানা ও কষ্টদায়ক বস্তু স্পর্শ করার ক্ষ সহীহ নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাত্হায় অবস্থিত সানিয়্যা ‘উলয়ার কাদা নামক স্থান দিয়ে মাক্কায় প্রবেশ করেন এবং সানিয়্যা সুফলার দিক দিয়ে বে সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন তখন আমি ও আমার মত একটি ছেলে পানির পাত্র এবং ‘আনাযা’ (এমন লাঠি যার মাথায় লোহা লা সহীহ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এমনভাবে হাঁ করে হাসাবস্থায় দেখিনি যে, তাঁর আলা জিহ্বা দেখা যেত। তিনি কেবল মুচকি হাসতেন। সহীহ ”নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমি দশ রাক‘আত সালাত আমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রেখেছি। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে (সালাতের জন্য) উঠতেন তখন মিসওয়াক দিয়ে মুখ কচলিয়ে পরিষ্কার করতেন। সহীহ “তোমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে আমি কি এমন কথা বলব না, যা কোন নবীই তাঁর জাতিকে বলেননি? তা এই যে, সে হবে কানা। আর সে নিজের সাথে নিয়ে আসবে জান্নাত ও জাহান্ন সহীহ আমি নিজেকে স্বপ্নে দাঁতন করতে দেখলাম। অতঃপর দু’জন লোক এল, একজন অপরজনের চেয়ে বড় ছিল। আমি ছোটজনকে দাঁতনটি দিলাম, তারপর আমাকে বলা হল, ‘বড়জনকে দাও।’ সুতরা সহীহ “লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ"। (আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মাবূদ নেই) আরবের লোকেদের জন্য সেই অনিষ্টের কারণে ধ্বংস অনিবার্য যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের সহীহ ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্দরমহলে থাকা কুমারীর চেয়ে বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি কোন জিনিস অপছন্দ করতেন আমরা তাঁর চেহারায় তা বুঝ সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সফরে এশার সলাতের প্রথম দু‘ রাক‘আতের এক রাক‘আতে সূরাহ্ তীন ওযযাইতুন পাঠ করেন। আমি তার ছেয়ে অধিক সুন্দর আওয়াজ ও তি সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সলাতের সময় উভয় বাহু পৃথক রাখতেন। এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেতো। সহীহ আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমামাহ বিনতে যয়নাব বিনতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বহন করে সালাত আদায় করতনে। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে যেভাবে সলাত আদায় করতেন তোমাদের নিয়ে সেভাবে সালাত আদায় করতে আমি ত্রুটি করবো না। সহীহ নিশ্চয় আল্লাহ যা নিয়েছেন ও যা দিয়েছেন সব তারই। তাঁর নিকট সকল কিছুরই একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং সাওয়াবের অপেক্ষায় থাকে। সহীহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন তিনি তাঁর হাত অথবা কাপড় মুখের উপরে রাখতেন এবং তিনি তাঁর আওয়াজকে নিচু অথবা নমনীয় করতেন। হাসান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা ছিল পৃথক পৃথক, যারাই তা শুবণ করত বুঝে যেত। সহীহ আল্লাহ তাআলা গোটা যমীনকে একত্রিত করে আমার সামনে পেশ করলেন। তখন আমি যমীনের পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্ত দেখে নিলাম। পৃথিবীর ততটুকু স্থান আমাকে দেখানো হয়েছে আম সহীহ “আমার উম্মতের জন্যে যদি কষ্টসাধ্য না হতো, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম”। হাসান “আমি তোমাদের ওপর যে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভয় করি তা হচ্ছে ছোট শির্ক।” সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ছোট শির্ক কী? তিনি বলেন: রিয়া (লোক দেখানো) সহীহ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়ার হয়ে ও পায়ে হেঁটে (মসজিদে) কুবার যিয়ারত করতেন। অতঃপর তাতে দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন কথা বলতেন তখন তা বুঝে নেয়ার জন্য তিনবার বলতেন। আর যখন তিনি কোন গোত্রের নিকট এসে সালাম দিতেন, তাদের প্রতি তি সহীহ আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাপাক অবস্থায় একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে গোসল করতাম এবং তিনি আমাকে নির্দেশ দিলে আমি নিম্নাংশে ইযার পরে নিতাম। সহীহ আমার মনে পড়ল যে, কিছু (সোনা বা চাঁদি) আমাদের নিকট রয়ে গেছে। তাই আমাকে আল্লাহর স্বরণে সেগুলোর বাঁধা দেওয়াকে পছন্দ করলাম না, ফলে তা (দ্রুত) বন্টন করার আ সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম এমতাবস্থায় যে তিনি চর্মনির্মিত লাল রঙের শিবিরে অবস্থান করছিলেন। বিলাল তাঁর ওযূর পানি নিয়ে সহীহ এক রাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ইশার সালাত আদায় করতে দেরী করছিলেন, তখন ‘উমার ইব্নুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু উঠে গিয়ে আল্লাহর সহীহ তাকে তাই দিয়ে দাও। তোমাদের মধ্যে সেই সর্বোত্তম যে ঋণ পরিশোধের বেলায় উত্তম। সহীহ আমি একরাত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করলাম। তিনি সূরা আল-বাকারাহ শুরু করলেন। সহীহ “আমার বিশ্বাস তোমরা শুনেছ, আবূ উবাইদাহ বাহরাইন থেকে কোনো কিছু নিয়ে এসেছেন।” সহীহ কোন কোন মাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনভাবে রোযা ত্যাগ করতেন যে, মনে হত তিনি উক্ত মাসে আর রোযা রাখবেন না। অনুরূপভাবে কোন মাসে এমনভা সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কোনো কিছু চাওয়া হলে তিনি কখনো না বলতেন না। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পানি মেশানো দুধ পেশ করা হল।তখন তার ডান পাশে ছিল জনৈক গ্রাম্য লোক। বাম পাশে ছিল আবু বকর রাদিয়াল্লাহু সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন মাথায় কালো পাগড়ি পরিধান করে মক্কায় প্রবেশ করেছেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পান করার সময় তিনবার শ্বাস নিতেন। সহীহ আমি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে এক রাতে সালাত পড়েছি। তিনি এত দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে রইলেন যে, শেষ পর্যন্ত আমি একটা মন্দ কাজের ইচ্ছা করেছিলাম। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো কখনো নফল আমল করতে পছন্দ করা সত্ত্বেও এই ভয়ে ছেড়ে দিতেন যে, লোকেরা তা আমল করবে এবং তার ফলে তাদের ওপর ত সহীহ তোমার মশকে যদি রাতের পানি থাকে তাহলে আমাদের পান করাও। আর না থাকলে আমরা সরাসরি ঝর্ণায় মুখ লাগিয়ে চুমুক দিয়ে পান করব। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর (জাবেরের) নিকট থেকে একটি উট ক্রয় করলেন। সুতরাং তিনি তার মূল্য পরিশোধ করার সময় (স্বর্ণ-রৌপ্য প্রাপ্য অপেক সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন এবং রাতের শেষভাগে উঠে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করতেন। সহীহ আমি সালাতে দাঁড়াই এবং সেটাকে লম্বা করতে চাই, কিন্তু বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনতে পাই। তাই আমার সালাত দ্রুত করি, কারণ তার মাকে কষ্ট দিতে অপছন্দ করি। সহীহ আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তর থেকে দয়া উঠিয়ে নেন, তবে আমি কি পারব সেটা ফিরিয়ে আনতে? সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো এক সকালে বের হলেন, তখন তাঁর দেহে পালানের ছবি ছাপা কাল লোমের চাদর ছিল। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি নিতম্বের উপর ভর দিয়ে দুই হাঁটু দাঁড় করিয়ে খেজুর খাচ্ছেন। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, তার গায়ে দু’টি সবুজ কাপড় ছিল। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওমে বেসাল থেকে নিষেধ করলেন। লোকেরা বললো, আপনি যে সাওমে বেসাল পালন করেন! তিনি বললেন: আমি তোমাদের মতো নই, আম সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সবচেয়ে প্রিয় পোশাক ছিলো কামিস (সেলাই করা জামা)। সহীহ দৈহিক ব্যথা বা অন্য কোন অসুবিধার কারণে যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের সালাত ছুটে যেত, তাহলে তিনি দিনের বেলায় ১২ রাকাত সালাত পড় সহীহ একটি খেজুর গাছের গুঁড়ি (খুঁটি) ছিল। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবা দানকালে দাঁড়িয়ে তাতে হেলান দিতেন। তারপর যখন (কাঠের) মিম্বর (তৈরি করে) রাখা সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে চলছিলাম, তখন তার গায়ে মোটা পেড়ে একখানি নাজরানী চাদর ছিল। অতঃপর পথে এক বেদুঈনের সঙ্গে দেখা হল। সে সহীহ নিশ্চিয় আল্লাহ আমাকে ভদ্র বান্দা করেছেন উদ্ধত ও হঠকারী করেন নি। সহীহ “আমার কাছে যা কিছু (মাল) আসে তা আমি তোমাদেরকে না দিয়ে কখনই জমা ক’রে রাখব না। (কিন্তু তোমরা একটি কথা মনে রাখবে,) যে ব্যক্তি চাওয়া থেকে পবিত্র থাকার চেষ সহীহ আমার ও লোকদের উদাহরণ এমন লোকের মতো, যে আগুন জ্বালালো, তখন কীট-পতঙ্গসমূহ আগুনে পড়তে লাগলো। সে সেগুলোকে আগুন থেকে ফিরানোর চেষ্টা করল। আমিও তোমাদের কোমর সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আর দিন ফজরের সালাতে আলিফ লাম মীম তানযীলু সাজদাহ এবং সূরা আদ-দাহার পড়তেন। সহীহ “হে আল্লাহ ! যে আমার উম্মাতের কর্তৃত্ব লাভকারী যদি তাদের প্রতি রূঢ় আচরণ করে তুমি তার প্রতি রূঢ় হও, আর আমার উম্মাতের কর্তৃত্ব লাভকারী যদি তাদের প্রতি ন সহীহ যে দয়া করে না, তার প্রতি দয়া করা হয় না।
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.1 / 29.5
আলোকিতকরণ 94%
12 দিনে অমাবস্যা
سبحان الله وبحمده আল্লাহর মহিমা ও প্রশংসা

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত