চোখ দু’টো হলো গুহ্যদ্বার বেধে রাখার রশি স্বরূপ। সুতরাং চোখ দু’টি যখন ঘুমায় তখন রশির বন্ধন …

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফকহ ও উসল ফকহ > চোখ দু’টো হলো গুহ্যদ্বার বেধে রাখার রশি স্বরূপ। সুতরাং চোখ দু’টি যখন ঘুমায় তখন রশির বন্ধন …

হাদিস বর্ণনাকারী: এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। - এটি দারিমী বর্ণনা করেছেন

হাসান

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 1 মিনিটের পাঠ

হাদিসের পাঠ: চোখ দু’টো হলো গুহ্যদ্বার বেধে রাখার রশি স্বরূপ। সুতরাং…

عن معاوية بن أبي سفيان رضي الله عنه ، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن العَيْنَين وِكَاء السَّه، فإذا نَامَت العَينان اسْتٌطْلِقَ الوِكَاءُ».

হাদিসের ব্যাখ্যা: চোখ দু’টো হলো গুহ্যদ্বার বেধে রাখার রশি স্বরূপ। সুতরাং…

হাদীসের অর্থ: “চোখ দু’টো হলো গুহ্যদ্বারের ঢাকনা স্বরূপ।” অর্থাৎ চোখ দু’টো জাগ্রত অবস্থায় গুহ্যদ্বারকে সংরক্ষণ করে এবং তা থেকে কোনো কিছু বের হতে বাঁধা দেয়। তা থেকে যদি কোনো কিছু বের হয় মানুষ তা টের পায়। “সুতরাং চোখ যখন ঘুমায় তখন গুহ্যদ্বার উন্মুক্ত হয়ে যায়।” অর্থাৎ যখন মানুষ ঘুমায় তখন তার শরীরের পেশীসমূহ ঢিল হয়ে যায়। এ সময় গুহ্যদ্বার বেঁধে রাখার রশি খুলে যায়। ফলে অনুভব করা ছাড়াই বায়ু নির্গত হয়। এ জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চোখকে ঐ রশির সাথে তুলনা করেছেন, যা দ্বারা পাত্রের মুখ বেঁধে রাখা হয়। দুচোখ খোলা থাকা অবস্থায় রশিটি দ্বারা গুহ্যদ্বার আটকানো থাকে। এসময় তা থেকে কোনো কিছু বের হলে মানুষ তা অনুভব করে। আর চোখ দু’টি ঘুমিয়ে পড়লে রশি ঢিল হয়ে যায়। তখন অনুভূতি ছাড়াই গুহ্যদ্বার দিয়ে ভিতর থেকে বায়ু নির্গত হয়। এখানে তাশবীহ তথা সাদৃশ্য করা হয়েছে। এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি অলংকারপূর্ণ সাদৃশ্য প্রদান। এদ্বারা শরীয়তের হুকুম মানুষের মস্তিস্কের নিকটবর্তী করে দেয়া হয়েছে। আর এটি হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রদত্ত ‘জাওয়ামিউল কালিম’ এর অন্তর্ভুক্ত। তাওদীহুল আহকাম (১/৩১৯), তাসহীলুল ইলমাম (১/২০৮)।

বিভাগ : ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল · পবিত্রতা · ফিকহ ও উসূলে ফিকহ · অযু · অযু ভঙ্গের কারণসমূহ

بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 16.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
اللهم صل على محمد হে আল্লাহ, মুহাম্মদের উপর দরূদ পাঠাও

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত