নিশ্চয় বিড়াল অপবিত্র (প্রাণী) নয়। এরা তোমাদের আশেপাশে ঘুরাফেরাকারী ও তোমাদের সংশ্রবে আশ্রি…

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফকহ ও উসল ফকহ > নিশ্চয় বিড়াল অপবিত্র (প্রাণী) নয়। এরা তোমাদের আশেপাশে ঘুরাফেরাকারী ও তোমাদের সংশ্রবে আশ্রি…

হাদিস বর্ণনাকারী: এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। - এটি দারিমী বর্ণনা করেছেন

সহীহ

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 1 মিনিটের পাঠ

হাদিসের পাঠ: নিশ্চয় বিড়াল অপবিত্র (প্রাণী) নয়। এরা তোমাদের আশেপাশে ঘ…

عن كبشة بنت كعب بن مالك -وكانت تحت ابن أبي قتادة-: أن أبا قتادة دخل فسَكَبَتْ له وَضُوءًا، فجاءت هرة فشربت منه، فأصغى لها الإناء حتى شربت، قالت كبشة: فرآني أنظر إليه، فقال: أتعجبين يا ابنة أخي؟ فقلت: نعم، فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إنها ليست بنجس، إنها من الطوافين عليكم والطوافات».

হাদিসের ব্যাখ্যা: নিশ্চয় বিড়াল অপবিত্র (প্রাণী) নয়। এরা তোমাদের আশেপাশে ঘ…

উপরোক্ত হাদীসে এসেছে, আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু অযু শুরু করলে একটি বিড়াল ঘরে প্রবেশ করল -সাধারণত বিড়াল গৃহে প্রবেশ করে, মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকে এবং আশেপাশে ঘুরাফেরা করে- বিড়ালটির পানি পান করার সুবিধার্থে আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু পাত্রটি কাত করে ধরলেন যাতে অযুর পানি থেকে পান করে। এতে তার ভ্রাতুষ্পুত্রী কাবশা আশ্চর্য হলেন। পাত্রের পানি শুধু অযু করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। সুতরাং তা স্বয়ং পবিত্র ও অন্যকে পবিত্রকারী হওয়া অত্যাবশ্যক। তখন আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কাবশাকে নিম্নোক্ত হাদীস বললেন যে, নিশ্চয় বিড়াল নাপাক প্রাণী নয়। সে পাত্র থেকে পানি পান করায় অবশিষ্ট পানিতে কোনো প্রভাব পড়ে নি। কেননা নিশ্চয় এরা সর্বদা মানুষের আশেপাশে ঘুরাফেরাকারী ও সংশ্রবে আশ্রিত প্রাণী।

বিভাগ : ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল · পবিত্রতা · আল্লাহর দিকে দাওয়াত · ইসলামে জীব-জন্তুর অধিকার · ফিকহ ও উসূলে ফিকহ · নাপাকী দূর করা · পাত্র · দা‘ওয়াহ্ (আল্লাহর পথে আহ্বান) ও হিসবাহ (সৎকাজের আদেশ-অসৎকাজের নিষেধ)

بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 16.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
سبحان الله وبحمده আল্লাহর মহিমা ও প্রশংসা

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত