ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল

«ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল» সম্পর্কে 670টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় সাওম হলো দাঊদ আলাইহিস সালামের নিয়মে সাওম পালন করা। আর আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় সালাত হলো দাঊদ আলাইহিস সালামের নিয়মে সালাত সহীহ পাঁচ প্রকার প্রাণী; সবগুলোই ক্ষতিকর। এগুলোকে হারামেও হত্যা করা যাবে। কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর ও হিংস্র কুকুর। সহীহ জামা, পাগড়ী, পাজামা, টুপি এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু জুতা না পেলে চামড়ার মোজা পরতে পারে, তবে টাখনুর নিচ থেকে কেটে ফেলবে। (যাতে মোজা দু’টি পায়ের গ সহীহ “আমি দেখছি শেষ সাত রাতে তোমাদের স্বপ্নগুলো মিলে গেছে। অতএব, যে ব্যক্তি এর সন্ধান প্রত্যাশী, সে যেন শেষ সাত রাতে তা সন্ধান করে।” সহীহ যখন রাত্র এদিক হতে ঘনিয়ে আসে এবং দিন এ দিক হতে চলে যায়, তখন সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে। সহীহ পাঁচ উকিয়ার কম রৌপ্যমুদ্রায় যাকাত নেই এবং পাঁচটি উটের কমের ওপর যাকাত নেই। পাঁচ ওয়াসাক এর কম শষ্যের ওপর যাকাত নেই। সহীহ হে আল্লাহর রাসূল! আমি জাহেলী যুগে মসজিদুল হারামে এক রাত অন্য বর্ণনায় এক দিন ই‘তিকাফ করার মানত করেছি। তিনি বললেন, তোমার মানত পূরণ কর। সহীহ “যখন তোমরা তা(চাঁদ) দেখবে তখন সিয়াম রাখবে, আবার যখন তা দেখবে তখন সিয়াম ছাড়বে। আর যদি আকাশ মেঘলা থাকে তবে সময় হিসাব করে (ত্রিশ দিন) পূর্ণ করবে”। সহীহ আমি পরে যা জানতে পেরেছি তা যদি আগে জানতাম, তাহলে কুরবানীর পশু সাথে আনতাম না। আমার সাথে কুরবানীর পশু না থাকলে অবশ্যই ইহরাম ভঙ্গ করতাম। সহীহ “আল্লাহ কি তোমাদের জন্য সাদকাহ করার মত জিনিস দান করেননি? নিঃসন্দেহে প্রত্যেক তাসবীহ সাদকাহ, প্রত্যেক তাকবীর সাদকাহ, প্রত্যেক তাহলীল সাদকাহ, ভাল কাজের সহীহ আমাদেরকে তিনি নির্দেশ দিতেন যে, আমরা সফররত অবস্থায় থাকলে এবং নাপাকির গোসলের প্রয়োজন না হলে তিন দিন ও তিন রাত পর্যন্ত যেন আমাদের মোজাদ্বয় না খুলি। মল সহীহ “পরুষের জামা‘আতের সঙ্গে সালাত পড়ার নেকী, তার বাজারে ও বাড়িতে সালাত আদায়ের চেয়ে বিশেরও বেশি গুণ নেকী। সহীহ হে ইয়াযীদ! তোমার জন্য তাই রয়েছে যা তুমি নিয়ত করেছ এবং হে মা‘ন! তুমি যা নিয়েছ তা তোমার জন্য হালাল। সহীহ আমার উম্মতের ভালো-মন্দ কর্ম আমার কাছে পেশ করা হলো। সুতরাং আমি তাদের ভাল কাজের মধ্যে ঐ কষ্টদায়ক জিনিসও পেলাম, যা রাস্তা থেকে সরানো হয়। আর তাদের মন্দ কর সহীহ দৈহিক ব্যথা বা অন্য কোন অসুবিধার কারণে যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের সালাত ছুটে যেত, তাহলে তিনি দিনের বেলায় ১২ রাকাত সালাত পড় সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে (এত দীর্ঘ) কিয়াম করতেন যে, তাঁর পা দু’খানা (ফুলে) ফেটে (দাগ পড়ে) যেত। একদা আমি তাঁকে বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে সব নারীর সাথে সম্পর্কচ্ছেদের কথা প্রকাশ করেছেন- যারা চিৎকার করে ক্রন্দন করে, যারা মস্তক মুন্ডন করে এবং সহীহ “যে ব্যক্তি রসুন বা পিঁয়াজ খায় সে যেন আমাদের হতে দূরে থাকে অথবা বলেছেন, সে যেন আমাদের মাসজিদ হতে দূরে থাকে আর নিজ ঘরে বসে থাকে” সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজ্জাসীর (গায়েবানা) জানাযার সালাত আদায় করেন। আমি দ্বিতীয় বা তৃতীয় কাতারে ছিলাম। সহীহ সাজদা সাহু বিষয়ে যুল ইয়াদাইনের হাদীস সহীহ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় জমি হল মসজিদ আর আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণ্য জমি হল বাজার। সহীহ যখন রমযানের শেষ দশক প্রবেশ করত, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নিজে জাগতেন, নিজ পরিজনদেরকেও জাগাতেন, কঠোর পরিশ্রম করতেন এবং লুঙ্গ সহীহ সে জাহান্নামী! লোকেরা তাকে দেখতে গেল আর তারা একটি আবা (বড় জামা) পেল যা সে আত্মসাৎ করেছিল। সহীহ যুদ্ধ হচ্ছে কৌশল। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে তো আমরা এরূপ খাদ্য খুব কমই পেতাম। আর যখন আমরা তা পেতাম, তখন আমাদের হতের কব্জি, হাতের বাহু ও পা ছাড়া কোনো রুম সহীহ ‘‘আচ্ছা তোমরা বল তো, যদি কারোর বাড়ির দরজার সামনে একটি নদী থাকে, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে, তাহলে তার শরীরে কোন ময়লা অবশিষ্ট থাকবে কি?’’ সহীহ শহীদ হলো পাঁচ প্রকার: মহামারীতে মৃত, পেটের পীড়ায় মৃত, পানিতে ডুবে মৃত, ধসে মৃত, আর হলো আল্লাহর রাস্তায় শহীদ। সহীহ হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত-মৃত, ছোট-বড়, নারী-পুরুষ, উপস্থিত ও অনুপস্থিত নির্বিশেষে সকলকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মধ্যে যাকে জীবিত রাখবেন তাকে সহীহ হে আল্লাহ! অমুকের পুত্র অমুক আপনার দায়িত্বে ও আপনার প্রতিবেশিত্বের নিরাপত্তায়। অতএব, তাকে আাপনি কবরের পরীক্ষা ও জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন। আপনি সহীহ নিশ্চয় চোখ অশ্রুপাত করছে এবং অন্তর দুঃখিত হচ্ছে, তবুও আমরা সে কথাই বলব, যা আমাদের রব আল্লাহকে সন্তুষ্ট করবে। হে ইবরাহীম! অবশ্যই আমরা তোমার বিরহে দুঃখি সহীহ আমার উম্মতের ভ্রমণ আল্লাহর পথে জিহাদ করার মধ্যেই সহীহ “তোমার জন্য রয়েছে এর বিনিময়ে কিয়ামতের দিন সাতশতটি উষ্ট্রী, যেগুলো সবই হবে নাকে রশিযুক্ত।” সহীহ আমরা সালাতে কথা বলতাম। সালাতে একজন মানুষ তার পাশের লোকের সাথে কথা বলত। অবশেষে এ আয়াত নাযিল হলো, “তোমরা আল্লাহর জন্যে চুপ করে দাঁড়াও”। ফলে আমাদের চুপ থ সহীহ জুমু‘আর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের সামনে খুতবাহ দিচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে অমুক! তুমি কি সালাত আদ সহীহ যাতুররিকা‘ যুদ্ধে সালাতুল খাওফ আদায়ের পদ্ধতি সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফর করেছি। তিনি সফরে (চার রাক‘আত বিশিষ্ট সালাতে) দু’রাক‘আতের বেশি আদায় করতেন না। আবূ বকর, উমার ও সহীহ আকরা, হালকা (বিরক্তি প্রকাশক শব্দ), সেকি কুরবানির দিন তাওয়াফ করেছে? বলা হলো হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে রওয়ানা দাও। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে এক মহিলার জানাযার সালাত আদায় করেছি যিনি নিফাস অবস্থায় মারা গিয়েছিল। তিনি তার জানাযার ঠিক মাঝখা সহীহ إِذَا جَآءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ সূরাহ অবতীর্ণ হবার পর নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম (রুকু’ ও সিজদাতে) নিম্নোক্ত দু’আটি পাঠ ব্যতীত (রুকু’ ও সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন লোককে সৈন্যদলের আমীর বানিয়ে পাঠান। সে সাথীদের নিয়ে পড়ত, তবে সূরা ইখলাস দ্বারা কিরাত শেষ করতেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সূর্য্য গ্রহণ হলো। তখন তিনি একজন আহ্বানকারীকে আহ্বান করতে প্রেরণ করলেন: সালাতের জন্যে উপস্থিত হোন। তা সহীহ চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহের দুটি নিদর্শন। কারো মারা যাওয়া বা জন্ম হওয়ার কারণে চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণ হয় না। যখন তোমরা তা দেখো আল্লাহকে ডাকো, ত সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর কিরাত ও আলহামদু লিল্লাহ রাব্বুল আলামীন দ্বারা সালাত আরম্ভ করতেন। আর তিনি যখন রুকূ করতেন তখন তিনি মাথা সহীহ আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সামনে ঘুমাতাম।আমার পদদ্বয় তাঁর ক্বিবলার দিকে থাকতো। তিনি যখন সাজদায় যেতেন তখন আমাকে খোঁচা দিতেন। ত সহীহ রাতের সব অংশেই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অর্থাৎ বিভিন্ন সময়ে) সালাত বিতর আদায় করতেন। রাতের প্রথমাংশে, মধ্যভাগে ও শেষাংশের সালাতে বি হাসান “তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্ততিদেরকে সালাতের আদেশ দাও; যখন তারা সাত বছরের হবে। আর তারা যখন দশ বছরের সন্তান হবে, তখন তাদেরকে সালাতের জন্য প্রহার কর এবং তা সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির জন্য দু‘আ করার উদ্দেশ্যে বের হলেন। অতঃপর কিবলামুখী হয়ে দু’আ করলেন। আর নিজের চাদর উল্টিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি সহীহ আমি ও ‘ইমরান হুসাইন ‘আলী ইবন আবূ ত্বলিবের পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি সাজদাহ্ করার সময় তাকবীর বলেছেন। উঠার সময় তাকবীর বলেছেন এবং দু’ রাক‘আত শেষে দাঁড় সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাদা ইয়ামনী কাপড়সমূহে কাফন দেওয়া হয়েছিল, তাতে কোন জামা ও পাগড়ী ছিল না। সহীহ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবে সূরা আত-তূর পড়তে শুনেছি। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহুমা খুতবার পূর্বে দুই ঈদের সালাত আদায় করতেন। সহীহ সফরে দ্রুত চলার সময় আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন আর মাগরিব ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন। হাসান তোমরা পানাহার করো, দান-খয়রাত করো এবং পরিধান করো অপচয় ও অহংকার মুক্ত হয়ে। সহীহ “তোমরা মৃতদেরকে গালি দিও না। কেননা তারা নিশ্চিতভাবে তাদের কৃতকর্মের ফল পেয়ে গেছে।” সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনাকে সালাম দেব তা জানলাম। তবে কীভাবে আপনার উপর সালাত সহীহ “যে ব্যক্তি ফাতিহা পড়ল না তার সালাত নেই।” সহীহ “ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত, তারা তাদের নবীদের সমাধিসমূহকে উপাসনালয়ে পরিণত করেছে।’’ সহীহ আমি কখনো কোন ইমামের পিছনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে অধিক সংক্ষিপ্ত ও পরিপূর্ণ সালাত আদায় করিনি। সহীহ আমি অবশ্যই তোমাদের নিয়ে সালাত আদায় করবো, বস্তুত আমার উদ্দেশ্য সালাত আদায় করা নয় বরং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি যেভাবে সালাত আদায় করতে সহীহ তুমি কেন সূরা আ‘লা, শামস এবং লাইল দ্বারা সালাত আদায় করো না। কারণ, তোমার পিছনে বুড়া, দূর্বল এবং জরুরত আছে এমন সব লোক সালাত আদায় করে।
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 91%
12 দিনে অমাবস্যা
أستغفر الله আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত