ইসলাম > Bn > হাদিস > সৎ কজর আদশ ও অসৎ কজ নষধ > “যখন লোকেরা অত্যাচারীকে (অত্যাচার করতে) দেখবে এবং তার হাত না ধরবে (বাঁধা দিবে না), তখন খুব…
সহীহ27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 1 মিনিটের পাঠআবু বাকর সিদ্দীক রদিয়াল্লাহু আনহু সংবাদ দিয়েছেন যে, মানুষ এ আয়াতটি তিলাওয়াত করে:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لاَ يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ : “হে ঈমানদারগণ, তোমরা তোমাদের নিজেরদেরকে রক্ষা করো। যদি তোমরা হিদায়াতের ওপর থাকো তবে যে গোমরাহ হলো সে তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।”
তারা এটি থেকে বুঝতে পারে যে, একজন ব্যক্তির কেবল নিজেকে সংশোধন করার চেষ্টা করাই যথেষ্ট এর পর যারা পথভ্রষ্ট হবে তা তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না, এছাড়াও তাদের জন্য সৎকাজের আদেশ এবং মন্দ কাজ হতে নিষেধ করা আবশ্যক নয়!
তিনি তাদেরকে জানালেন যে, ব্যাপারটি তেমন নয়। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: যখন মানুষ কোন যালিমকে যুলুম করতে দেখে ক্ষমতা থাকে সত্বেও তাকে যুলুম থেকে বাধা দেয় না, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর শাস্তিকে তাদের সকলের উপর ব্যাপক করে দেন, হোক সে অন্যায়কারী বা চুপ থাকা ব্যক্তি।
বিভাগ : সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ · সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করার হুকুম · দা‘ওয়াহ্ (আল্লাহর পথে আহ্বান) ও হিসবাহ (সৎকাজের আদেশ-অসৎকাজের নিষেধ)