পবিত্রতা সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > পবিত্রতা

«পবিত্রতা» সম্পর্কে 116টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

পবিত্রতা সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কোলে হেলান দিয়ে কুরআন পড়তেন অথচ আমি ঋতুবতী। সহীহ তিনি তাঁর এমন একটি ছোট ছেলেকে নিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এলেন যে তখনো খাবার খেতে শিখেনি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আল সহীহ যখন কোন ব্যক্তি স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে, অতঃপর তার সাথে সঙ্গম করে, তাহলেই গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। সহীহ “অযু নষ্ট হলে পুনরায় অযু না করা পর্যন্ত আল্লাহ তোমাদের কারো সালাত কবুল করবেন না।” সহীহ পায়ের গোড়ালিগুলোর জন্য জাহান্নামের ‘আযাব রয়েছে। সহীহ ‘তোমাদেরকে মিসওয়াক করার জন্য খুব বেশি তাকীদ করেছি।’ সহীহ “মিসওয়াক মুখের পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ ও আল্লাহর সন্তোষ লাভের উপায়।” সহীহ আমি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞাসা করে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে প্রবেশ করে কোন জিনিস দিয়ে আরম্ভ করতেন? তিনি বললেন, মিসওয়াক দ সহীহ “দশটি কাজ প্রকৃতিগত আচরণ; (১) গোঁফ ছেঁটে ফেলা। (২) দাড়ি বাড়ানো। (৩) দাঁতন করা। (৪) নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করা। (৫) নখ কাটা। (৬) আঙ্গুলের জোড়সমূহ সহীহ “যখন তোমাদের কেউ নিদ্রা যায় তখন তার গ্রীবাদেশে শয়তান তিনটি করে গিরা বেঁধে দেয়; প্রত্যেক গিরায় সে এই বলে মন্ত্র পড়ে যে, ‘তোমার সামনে রয়েছে দীর্ঘ রাত, অ সহীহ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য দাঁতন ও ওযূর পানি প্রস্তুত করে রাখতাম। অতঃপর আল্লাহর যখন রাতে তাঁকে জাগাবার ইচ্ছা হত, তখন তিনি সহীহ আমাদেরকে তিনি নির্দেশ দিতেন যে, আমরা সফররত অবস্থায় থাকলে এবং নাপাকির গোসলের প্রয়োজন না হলে তিন দিন ও তিন রাত পর্যন্ত যেন আমাদের মোজাদ্বয় না খুলি। মল সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে তো আমরা এরূপ খাদ্য খুব কমই পেতাম। আর যখন আমরা তা পেতাম, তখন আমাদের হতের কব্জি, হাতের বাহু ও পা ছাড়া কোনো রুম সহীহ “যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন নাপাকী থেকে ফরজ গোসলের ন্যায় গোসল করে এবং প্রথম প্রহরে মসজিদে গমন করে সে যেন একটি উট কুরবানী করল সহীহ “তোমাদের মধ্যে যে জুমু‘আয় উপস্থিত হয় সে যেন গোসল করে”। সহীহ তাকে ছেড়ে দাও এবং তার পেশাবের উপর এক কলস অথবা এক বালতি পানি ঢেলে দাও। কেননা তোমাদেরকে সহজ করার জন্য পাঠানো হয়েছে, কঠোরতা করার জন্য পাঠানো হয় নি। সহীহ “যে ব্যক্তি অযু করে এবং তা উত্তমরূপে করে, তার দেহ থেকে সমুদয় গুনাহ বের হয়ে যায়, এমন কি তার নখের ভিতর থেকেও (গুনাহ) বের হয়ে যায়।” সহীহ “পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ মিযান-দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক সালাতের সময় উযূ করতেন সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একবার উযূ করেছেন। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূতে দু’বার দু’বার করে ধুয়েছেন। সহীহ “তোমাদের কেউ যখন তার পেটে কোন কিছু অনুভব করে, তারপর তার সন্দেহ হয় যে, পেট থেকে কিছু বের হল কি না। তখন সে মসজিদ থেকে বের হবে না যতক্ষণ না শব্দ শোনে অথ সহীহ “প্রত্যেক মুসলিমের উচিত সাত দিনে এক দিন গোসল করা। এই দিন সে তার মাথা ও শরীর ধৌত করবে”। সহীহ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ইসলাম গ্রহণ করতে এলাম, তিনি আমাকে বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে গোসল করার নির্দেশ দিলেন। হাসান শরীর নাপাক না হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সর্বাবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করাতেন। সহীহ এক সা পানিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অপবিত্রতার গোসল সম্পন্ন হয়ে যেত এবং এক মুদ্ পানিতে ওযু হয়ে যেত। সহীহ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি পেশাব করেছেন, তারপর উযূ করেছেন এবং তাঁর উভয় মোযার ওপর মাসেহ করেছেন সহীহ আমাদের গোঁফ ছাঁটাই, নখ কাটা, বগলের লোম উপড়ে ফেলা এবং যৌনাঙ্গের লোম কামানোর জন্য একটি সময়সীমা দেওয়া হয়েছে যে, চল্লিশ রাতের বেশি আমাদের এগুলো রাখা উ সহীহ “পায়ের গোড়ালিসমূহের জন্য আগুনের শাস্তি। তাই তোমরা পূর্ণমাত্রাই ওযু করো।” সহীহ “পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ’ কালে সহীহ “সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং তার মৃত প্রাণী (খাওয়া) হালাল”। সহীহ পানি পবিত্র, তাকে কোনো জিনিস অপবিত্র করে না। সহীহ “পানি যখন দুই ‘কুল্লা’ হবে তখন তা নাপাক হবে না”। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নিজের স্ত্রী) মাইমূনা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার গোসলের অবশিষ্ট পানি দ্বারা গোসল করতেন। সহীহ নিশ্চয় পানি অপবিত্র হয় না। সহীহ নিশ্চয় বিড়াল অপবিত্র (প্রাণী) নয়। এরা তোমাদের আশেপাশে ঘুরাফেরাকারী ও তোমাদের সংশ্রবে আশ্রিত প্রাণী। হাসান কতিপয় কুরাইশ প্রায় গাধার সমান তাদের একটি বকরী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে দিয়ে টেনে হিঁচড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাত্র ফেটে গিয়েছিল, ফলে তিনি ফাটা স্থানে রুপার একটি টুকরা দিয়ে জোড়া লাগান। সহীহ “যখন তোমাদের কেউ তার ঘুম থেকে জাগ্রত হয় সে যেন তিনবার নাকে পানি দেয়। কারণ শয়তান তার নাসারন্ধ্রে রাত যাপন করে”। সহীহ “পরিপূর্ণরূপে অযু করবে, অঙ্গুলিসমূহ খিলাল করবে এবং নাকে উত্তমরূপে পানি পৌঁছাবে, তবে সিয়াম রত অবস্থায় নয়”। সহীহ আম্মার ইবন ইয়াসিরকে আমি ওযূ করতে দেখেছি, তিনি তা দাড়ি খেলাল করলেন। তখন তাকে বলা হল বা তিনি বললেন, আমি তাকে বললাম আপনি আপনার দাড়ি খিলাল করলেন? তিনি বলল সহীহ রাসূলুল্লাহর নিকট এক মুদের দুই তৃতীয়াংশ পানি আনা হলে তিনি তার বাহুকে ঘষতে আরম্ভ করেন। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অযু করলেন। আর অযুতে তিনি মাথার অগ্রভাগ এবং পাগড়ি ও মোজার উপর মাসাহ করলেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অযু করতেন তখন তার দুই কনুইর উপর পানি পৌঁছাতেন। হাদিসটি এর শাওয়াহেদ (বিভিন্ন সমার্থক হাদিস) থাকার কারণে সহীহ “এক ব্যক্তি অযু করল। কিন্তু সে তার পায়ের এক নখ পরিমাণ শুষ্ক রেখে দিল। রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি তা দেখে বললেন, তুমি ফিরে যাও এবং তোম সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সা‘ (৩লিটার)থেকে পাঁচ মুদ পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল করতেন এবং এক মুদ (750মিলিলিটার)পানি দিয়ে ওযু করতেন। সহীহ যে মুসলিম সুন্দরভাবে ওযু করে তারপর দাঁড়িয়ে দেহ ও মনকে পুরোপুরি আল্লাহর প্রতি নিবদ্ধ রেখে দু’ রাকাআত সালাত আদায় করে সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে” সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি তার মোজার উপরিভাগের ওপর মাসেহ করেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সৈন্যদল পাঠান যাদের ঠান্ডা পেয়ে বসল। তারপর যখন তারা রাসূলুল্লাহর নিকট গমন করলো, তিনি তাদের আদেশ দিলেন সহীহ “যখন তোমাদের কেউ অযু করে তার দু’টি মোজা পরিধান করে সে যেন তাতে সালাত আদায় ও তার ওপর মাসেহ করে তারপর তা জানাবত ছাড়া খুলবে না”। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সাহাবীগণ ইশার সালাত আদায়ের জন্য এতো অপেক্ষা করতেন যে তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে তাদের ঘাড়সমূহ নিচের সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো এক স্ত্রীকে চুম্বন করে অযু না করেই সালাতের জন্য বের হয়ে গিয়েছিলেন। সহীহ সেটি তো তার এক টুকরো গোশত বৈ কিছু নয়। সহীহ যে ব্যক্তি নিজের পুরুষাংগ স্পর্শ করবে সে যেন অযু করে। সহীহ সে বলল, বকরীর খোঁয়াড়ে/আস্তাবলে সালাত আদায় করব কি?তিনি বললেন, “হ্যাঁ” সে বলল, উটের খোয়াড়ে/আস্তাবলে সালাত আদায় করব কি? তিনি বললেন, “না” হাসান চোখ দু’টো হলো গুহ্যদ্বার বেধে রাখার রশি স্বরূপ। সুতরাং চোখ দু’টি যখন ঘুমায় তখন রশির বন্ধন খুলে যায়।
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.1 / 29.5
আলোকিতকরণ 94%
12 দিনে অমাবস্যা
لا حول ولا قوة إلا بالله আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত