পরিবার বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > পরিবার বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল

«পরিবার বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল» সম্পর্কে 94টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

পরিবার বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আযলের বিষয়টি আলোচনা করা হলো, তিনি বললেন, তোমাদের কেউ সেটা কেন করে? কারণ, আল্লাহ যাকে সৃষ্টি করবেন, সহীহ উসমান ইবন মাযউনের জন্য বৈরাগ্যকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি যদি তাকে অনুমতি দিতেন, আমরা অবশ্যই খাসি হয়ে যেতাম। সহীহ ইদ্দত সংক্রান্ত সুবাইয়্যাহ আসলামিয়্যাহর হাদীস সহীহ যদি সে আমার ঘরে পালক না হত, তবুও আমার জন্যে সে হালাল হত না। কারণ, সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে। আমাকে ও আবু সালামাকে সুআইবাহ দুধ পান করিয়েছেন। অতএব, তোমরা সহীহ আমরা আযল করতাম অথচ তখন কুরআন অবতীর্ণ হচ্ছিল। যদি এটি নিষিদ্ধ হত, তবে অবশ্যই কুরআন আমাদের নিষেধ করত। সহীহ মৃত ব্যক্তির উপর কোনো নারী তিন দিনের বেশী শোক পালন করবে না, তবে স্বামীর উপর চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে সহীহ বিবাহিত মহিলাকে তার নির্দেশ ছাড়া বিবাহ দেওয়া যাবে না। আর কুমারী নারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিবাহ দেওয়া যাবে না। তার বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তার অনুমতি কীভা সহীহ তুমি কি চাও পুণরায় রিফা‘আহ নিকট ফিরে যেতে? তবে তা তুমি পারবে না যতক্ষণ না তুমি তার স্বাদ এবং সে তোমার স্বাদ গ্রহণ না করবে। সহীহ একজন নারীকে তার ফুফু বা খালার সাথে জমা করা যাবে না। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আল্লাহর প্রতি এবং আখিরাত দিবসের প্রতি বিশ্বাস করে এমন কোনো মহিলার জন্য তার স্বামী ছাড়া কোনো মৃত ব্যক্তির ওপর তিন দিনের সহীহ সুন্নাত হলো যখন বয়স্ক স্ত্রীরের ওপর কুমারীকে বিবাহ করবে তার নিকট সাত থাকবে তারপর বন্টন করবে। আর যদি বয়স্ক বিবাহ করে তবে তার নিকট তিন দিন থাকবে তারপর ব সহীহ বিছানা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। সহীহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযাহ’র মেয়ে সম্পর্কে বলেছেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা বংশ কারণে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা সহীহ ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। আর সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদের জন্য জাফরানী রঙ্গের কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ যে ব্যক্তি নিজ পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করে, অথচ সে জানে যে, সে তার পিতা নয়, তার জন্য জান্নাত হারাম। সহীহ তোমরা তোমাদের পিতাদের থেকে বিমুখ হয়ো না। কারণ, যে কেউ স্বীয় পিতা থেকে বিমুখ হলো সে তো কুফুরী করলো। সহীহ “যখন ব্যক্তি তার পরিবারের জন্য সাওয়াবের উদ্দেশ্যে খরচ করে, তবে তা তার জন্যে সদাকা।” হাসান “তোমরা আল্লাহর বাঁদীদেরকে আল্লাহর ঘরে (মসজিদে) যেতে নিষেধ করো না। তবে তারা বের হওয়ার সময় যেন সুগন্ধি ব্যবহার না করে”। সহীহ তোমাদের নামগুলোর মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো 'আবদুল্লাহ' এবং 'আবদুর রহমান'। সহীহ “আমি স্ত্রীলোকের হাতে হাত মিলাই না। কেননা একজন নারীকে আমার বলাটা একশত নারীকে বলার মত সহীহ “আল্লাহ তা’আলা তিনটি কাজ পছন্দ করেন এবং তিনটি কাজ অপছন্দ করেন সহীহ “আমি কি তোমাদেরকে সিয়াম, সালাত ও সাদাকাহর চেয়েও ফাযীলাতপূর্ণ কাজের কথা বলবো না?” সহীহ “লুঙ্গির (কাপড়ের) যে অংশ টাখনুর নিচে হবে তা জাহান্নামে যাবে।” সহীহ আবুল আব্বাস সাহল ইবন সা’দ সায়েদী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সংবাদ পৌঁছল যে, আমর ইবন আউফ গোত্র সহীহ আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, একজন মহিলা বলল, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার এক সতীন আছে, সুতরাং স্বামী আমাকে যা দেয় না, তা নিয়ে যদি পরিতৃপ্তি প্রকাশ করি সহীহ আল্লাহর কিতাবে বর্ণিত তার ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গেছে। তাকে বিবাহের প্রস্তাব দাও। সহীহ আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন এক মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! কেবলমাত্র পুরুষেরাই আপনার সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেসব পুরুষকে অভিসম্পাত করেছেন যারা নারীর অনুরূপ পোশাক পরিধান করে এবং সেসব নারীকে অভিসম্পাত করেছেন যারা পুর সহীহ তোমরা মাথা মুণ্ডন করলে পুরোপুরি মুণ্ডন করবে অথবা পুরোপুরি ছেড়ে দিবে। সহীহ তোমাদের কারো যদি একটি জুতার ফিতা ছিড়ে যায়, তখন সে যেন তা মেরামত না করা পর্যন্ত এক জুতা পায়ে দিয়ে না হাঁটে। সহীহ এটি কোনো কিছু দিয়ে পরিবর্তন করে দাও; তবে কালো রং বর্জন করবে। সহীহ তোমরা পাকা চুল-দাঁড়ি উপড়ে ফেলো না। কেননা এগুলো মুসলিমের জন্য কিয়ামতের দিন উজ্জ্বল নূর হবে। সহীহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’কাযা’ আংশিক চুল কর্তন করা থেকে নিষেধ করেছেন।(১)
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 16.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
الله أكبر আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত