আল্লাহর পথে লড়াই করো, উটনীর দু’বার দুধ দোহনের মধ্যবর্তী সময় পরিমাণও যদি কেউ আল্লাহর পথে জ…

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফকহ ও উসল ফকহ > আল্লাহর পথে লড়াই করো, উটনীর দু’বার দুধ দোহনের মধ্যবর্তী সময় পরিমাণও যদি কেউ আল্লাহর পথে জ…

হাদিস বর্ণনাকারী: এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।

হাসান

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 2 মিনিটের পাঠ

হাদিসের পাঠ: আল্লাহর পথে লড়াই করো, উটনীর দু’বার দুধ দোহনের মধ্যবর্ত…

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: مَرَّ رجُل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم بِشِعبٍ فيه عُيَيْنَةٌ من ماء عَذْبَة، فأعْجَبتْه، فقال: لو اعْتَزلت الناس فَأقَمْتُ في هذا الشِّعْبِ، ولنْ أفعل حتى أسْتأذِن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذَكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «لا تَفْعَل؛ فإن مُقام أحدِكم في سَبِيل الله أفضل من صلاته في بيته سَبْعِين عاماً، ألا تُحِبُّونَ أن يَغْفِر الله لكم، ويدخلكم الجنة؟ اُغْزُوا في سبيل الله، من قَاتَل في سبيل الله فُوَاقَ نَاقَةٍ وجَبَت له الجنة».

হাদিসের ব্যাখ্যা: আল্লাহর পথে লড়াই করো, উটনীর দু’বার দুধ দোহনের মধ্যবর্ত…

হাদীসের অর্থ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক সাহাবী একবার কোনো এক পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে অতিক্রম করলেন, সেখানে ছিলো একটি মিষ্টি পানির ঝর্ণা। এর সৌন্দর্য তাকে মুগ্ধ করল। তিনি মানুষ থেকে আলাদা হয়ে সে উপত্যকায় আল্লাহর ইবাদাতে মগ্ন থাকতে এবং সেখানকার পানি পান করে সেখানে বসবাস করতে চাইলেন। কিন্তু তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত কখনো তা করব না। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তা বললেন। তিনি বললেন, “এমন করো না। এর মাধ্যমে তাকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন। কেননা তার ওপর জিহাদ করা ফরয ছিলো। সুতরাং তার ওপর আরোপিত ফরয ছেড়ে নফল ইবাদাতের জন্য লোকালয় ত্যাগ করা ছিলো গুনাহের কাজ। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, “আল্লাহর পথে সামান্য সময় অবস্থান করা ঘরে বসে সত্তর বছর সালাত আদায় করার চেয়েও উত্তম।” অর্থাৎ আল্লাহর পথে জিহাদ করা ঘরে বসে সত্তর বছর নফল ইবাদাত করার চেয়েও উত্তম। কেননা জিহাদের উপকারিতা অপর পর্যন্ত পৌঁছে সালাতের বিপরীত, তার উপকারিতা সালাত আদায়কারীর ওপর সীমাবদ্ধ। “তোমরা কি চাও না যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন ও জান্নাতে প্রবেশ করাবেন?” অর্থাৎ তোমরা যদি পছন্দ কর যে, আল্লাহ তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করবেন ও তোমাদের জান্নাতে প্রবেশ করবেন তাহলে তোমাদের উচিত আল্লাহর পথে ধৈর্য সহকারে ও সাওয়াবের প্রত্যাশায় জিহাদ করা।

অতঃপর তিনি তার মর্যাদা বর্ণনা করলেন যে, “যে ব্যক্তি উটনীর ওলানে দু’বার টানের মধ্যবর্তী সময় পরিমাণ আল্লাহর পথে জিহাদ করে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়”। অর্থাৎ আল্লাহর কালেমাকে বুলন্দ করতে আল্লাহর রাস্তায় যে ব্যক্তি যুদ্ধ করে; যদিও তা সামান্য সময়ের জন্য, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।

বিভাগ : ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল · জিহাদ · ফিকহ ও উসূলে ফিকহ · জিহাদের ফযীলত

بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
الله أكبر আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত