ফিকহ ও উসূলে ফিকহ সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফিকহ ও উসূলে ফিকহ

«ফিকহ ও উসূলে ফিকহ» সম্পর্কে 905টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফিকহ ও উসূলে ফিকহ সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ অনুসরণ করার জন্যেই ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে। অতএব, তোমরা আমলে তার সাথে অনৈক্য করো না। যখন সে তাকবীর বলে তোমরাও তখন তাকবীর বল এবং যখন সে রুকু করে তোমরাও সহীহ স্বামী মারা গেলে নারীরা ছোট ঘরে প্রবেশ করত এবং সবচেয়ে খারাপ কাপড় পরিধান করত, কোনো সুগন্ধি স্পর্শ করত না, এমনিতে এক বছর কেটে যেত। অতঃপর চতুষ্পদী জন্তু সহীহ হে আল্লাহর রাসূল! আমি খায়বারে এমন একটি যমীন পেয়েছি, ইতোপূর্বে আমি কখনো তার চেয়ে অধিক প্রিয় কোন সম্পদ লাভ করি নি, আপনি তার বিষয়ে আমাকে কি নির্দেশনা দেন সহীহ হে আল্লাহর রসূল! আমি জনৈক মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কী দিয়েছ? তিনি বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। তিনি বললেন, আল্লাহ ত সহীহ আহ্, আহ্, হুবহু সুদ, হুবহু সুদ, এরূপ কর না, তবে যদি তুমি কিনতে চাও, তাহলে (তোমার) খেজুরকে অন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি কর, অতঃপর তার মূল্য দিয়ে এই খেজুর সহীহ তাহলে আমাকে সাক্ষী রেখো না। কারণ, আমি যুলুমের ব্যাপারে সাক্ষী হই না।” সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, পতিতার পারিশ্রমিক ও গণকের টাকা থেকে নিষেধ করছেন। সহীহ কুকুরের দাম, পতিতার পারিশ্রমিক এবং শিঙ্গার উপার্জন নিকৃষ্ট। সহীহ তুমি কি আমাকে ভেবেছ যে, আমি তোমার উট গ্রহণ করার জন্যে তোমার সাথে দরকষাকষি করেছি? তুমি তোমার উট নাও এবং তোমার দিরহামও নাও, সেটিও তোমার। সহীহ আমি রাফে‘ ইবন খাদীজকে স্বর্ণ রুপার বিনিময়ে যমীন ইজারা দেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন, তাতে কোনো অসুবিধা নেই। সহীহ “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আযলের বিষয়টি আলোচনা করা হলো, তিনি বললেন, তোমাদের কেউ সেটা কেন করে? কারণ, আল্লাহ যাকে সৃষ্টি করবেন, সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওসাক কিংবা তার চেয়ে কম খেজুরের ক্ষেত্রে আরায়ার ক্রয়-বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন। সহীহ “আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যার মালিককে অনুমতি প্রদান করেছেন তা অনুমানে বিক্রি করার।” সহীহ উসমান ইবন মাযউনের জন্য বৈরাগ্যকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি যদি তাকে অনুমতি দিতেন, আমরা অবশ্যই খাসি হয়ে যেতাম। সহীহ ইদ্দত সংক্রান্ত সুবাইয়্যাহ আসলামিয়্যাহর হাদীস সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কুড়িয়ে পাওয়া স্বর্ণ অথবা চাঁদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, তুমি তার বাঁধনের রশি এবং থলে-ঝুলি ভা সহীহ সালাতুল খাওফের পদ্ধতি যেমনটি তা বর্ণনা করেছেন যাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু সহীহ তুমি তা ক্রয় করো না এবং তোমার (দেওয়া) সাদকাহ ফিরিয়ে নিয়ো না; যদিও সে তোমাকে তা এক দিরহামের বিনিময়ে দেয়। কেননা, স্বীয় দান ফেরৎ গ্রহণকারী ব্যক্তি: নিজ ব সহীহ নিজের দান ফিরিয়ে নেওয়া নিজের বমি ফিরিয়ে নেওয়ার মতোই। সহীহ একবার অসুস্থাবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজগৃহে সালাত আদায় করেন সহীহ যদি সে আমার ঘরে পালক না হত, তবুও আমার জন্যে সে হালাল হত না। কারণ, সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে। আমাকে ও আবু সালামাকে সুআইবাহ দুধ পান করিয়েছেন। অতএব, তোমরা সহীহ যে ব্যক্তি খেজুরে সলম করতে চায় সে যেন নির্দিষ্ট মাপে, নির্দিষ্ট সময়ে এবং নির্দিষ্ট ওজনে সলম করে। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবন-স্বত্ব তার জন্য ফায়সালা করেছেন যাকে তা দান করা হলো। সহীহ যৌথমালিকানার যে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, তার মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুফ‘আর অধিকার প্রদান করেছেন। তারপর যখন সীমানা নির্ধারিত হয় সহীহ আনসারদের মধ্যে ফসলের জমি আমাদের বেশি ছিল। আমারা এ শর্তে জমি ইজারা দিতাম যে, জমির এ অংশ আমাদের আর এ অংশ তাদের। তখন দেখা যেত, কখনো এক অংশে ফসল হত আর অন্ সহীহ আমরা আযল করতাম অথচ তখন কুরআন অবতীর্ণ হচ্ছিল। যদি এটি নিষিদ্ধ হত, তবে অবশ্যই কুরআন আমাদের নিষেধ করত। সহীহ মৃত ব্যক্তির উপর কোনো নারী তিন দিনের বেশী শোক পালন করবে না, তবে স্বামীর উপর চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে সহীহ সমান পরিমাণ ছাড়া তোমরা সোনার বদলে সোনা বিক্রি করবে না, একটি অপরটি থেকে কম-বেশি করবে না। সমান ছাড়া তোমরা রূপার বদলে রূপা বিক্রি করবে না ও একটি অপরটি হত সহীহ বিবাহিত মহিলাকে তার নির্দেশ ছাড়া বিবাহ দেওয়া যাবে না। আর কুমারী নারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিবাহ দেওয়া যাবে না। তার বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তার অনুমতি কীভা সহীহ তুমি কি চাও পুণরায় রিফা‘আহ নিকট ফিরে যেতে? তবে তা তুমি পারবে না যতক্ষণ না তুমি তার স্বাদ এবং সে তোমার স্বাদ গ্রহণ না করবে। সহীহ একজন নারীকে তার ফুফু বা খালার সাথে জমা করা যাবে না। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আল্লাহর প্রতি এবং আখিরাত দিবসের প্রতি বিশ্বাস করে এমন কোনো মহিলার জন্য তার স্বামী ছাড়া কোনো মৃত ব্যক্তির ওপর তিন দিনের সহীহ কোনো প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে খুঁটি পুঁততে নিষেধ করবে না। তারপর আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, কী হলো, আমি তোমাদেরকে এ হাদীস থেকে উদ সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলার পর যতক্ষণ পর্যন্ত সিজদা্য় না যেতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কেউ পিঠ বাঁক সহীহ যখন কোনো ব্যক্তি নিজের অসুস্থতার অভিযোগ করত সহীহ সুন্নাত হলো যখন বয়স্ক স্ত্রীরের ওপর কুমারীকে বিবাহ করবে তার নিকট সাত থাকবে তারপর বন্টন করবে। আর যদি বয়স্ক বিবাহ করে তবে তার নিকট তিন দিন থাকবে তারপর ব সহীহ নিশ্চয় ক্রীতদাসের ওয়ালা মুক্তকারীর জন্যে সহীহ বিছানা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। সহীহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযাহ’র মেয়ে সম্পর্কে বলেছেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা বংশ কারণে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা সহীহ “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমস্ত লোকের চেয়ে অধিক দানশীল ছিলেন। আর মাহে রমযানে যখন জিব্রাঈল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরো বেশী সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোম ও বৃহস্পতিবারে সিয়াম রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন। হাসান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত পড়ার আগে কতিপয় টাটকা পাকা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের পরে কথাগুলো বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাবানের চাইতে বেশি সিয়াম কোনো মাসে রাখতেন না। সহীহ “এমন কোন ব্যক্তি কখনোই জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের পূর্বে সালাত ( ফাজর ও আসরের সালাত) আদায় করে”। সহীহ আগামী বছর যদি আমি বেঁচে থাকি, তাহলে মুহাররম মাসের নবম তারিখে অবশ্যই রোযা রাখব। সহীহ ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিবারবর্গের সহায়তা করতেন। আর সালাতের সময় হলে সালাতের জন্য চলে যেতেন। সহীহ “কোন মুসলিমের যখন কোন ফরয সালাতের ওয়াক্ত হয়, আর সে উত্তমরূপে সালাতের অযু করে, সালাতের নিয়ম ও রুকূকে উত্তমরূপে আদায় করে, তা হলে যতক্ষণ না সে কোন কা সহীহ “এমন কোন দিন নাই যাতে নেক আমল করা আল্লাহর নিকট এ দিনগুলো অর্থাৎ যিলহজ্জ মাসের দশ দিনের নেক আমল অপেক্ষা অধিক প্রিয় হবে। সহীহ “কতক জিকির রয়েছে প্রতিটি ফরয সালাতের পর, যে ব্যক্তি এগুলো পাঠ করবে সে বঞ্চিত হবে না। তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আল হামদু লিল্লাহ এবং চৌত্রিশব সহীহ যে ব্যক্তি ‘আসরের সালাত ছেড়ে দেয় তার ‘আমল বিনষ্ট হয়ে যায়।” সহীহ “যে ব্যক্তি অযু করে এবং তা উত্তমরূপে করে, তার দেহ থেকে সমুদয় গুনাহ বের হয়ে যায়, এমন কি তার নখের ভিতর থেকেও (গুনাহ) বের হয়ে যায়।” সহীহ মানুষের জন্যে সর্বোত্তম জীবন হলো ঐ ব্যক্তির জীবন যে আল্লাহর পথে জিহাদের জন্যে ঘোড়ার লাগাম ধরে থাকে। সহীহ “যে ব্যক্তি এমন কোনো রোগীকে দেখতে যায়, যার মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় নি, সে যেন তার নিকট বসে এ দু‘আটি সাতবার পাঠ করে, “أسأل الله العظيم، ربَّ العرشِ ال সহীহ “যে ব্যাক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনে বলবে: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِ সহীহ তোমাদের মধ্য হতে যে ব্যক্তি যুদ্ধে বের হওয়া ব্যক্তির পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদে কল্যাণের সাথে প্রতিনিধিত্ব করে, তার জন্য যোদ্ধার সাওয়াবের অর্ধেক সাওয়াব সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদের জন্য জাফরানী রঙ্গের কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ সাবালক হওয়ার পর ইয়াতীম বলা যাবে না এবং কোনো দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাক বন্ধ রাখা যাবে না। সহীহ কায়েস ইবন আবূ হাযেম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আহমাস গোত্রের যয়নাব নামক এক মহিলার নিকট এসে দেখলেন য সহীহ যে ব্যক্তি নিজ পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করে, অথচ সে জানে যে, সে তার পিতা নয়, তার জন্য জান্নাত হারাম।
بسم الله الرحمن الرحيم বৃহ 17 জুমাদাল উলা
الخميس 17 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.8 / 29.5
আলোকিতকরণ 90%
12 দিনে অমাবস্যা
سبحان الله আল্লাহর পবিত্রতা

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত