ফিকহ ও উসূলে ফিকহ সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফিকহ ও উসূলে ফিকহ

«ফিকহ ও উসূলে ফিকহ» সম্পর্কে 905টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফিকহ ও উসূলে ফিকহ সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

হাসান তোমাদের কাউকে একবার চিমটি কাটায় যতোটুকু ব্যথা পাও শহীদ তার শাহাদাতের সময় ততোটুকুই কষ্ট পায়। সহীহ আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদের উদাহরণ দিনের বেলায় সিয়াম পালনকারী এবং রাতে তাহাজ্জুদ নামাযে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াতকারীর ন্যায়, যে সিয়াম পালন করে ও সালাত আদা সহীহ যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ঈমান ও তার সমস্ত প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশ্বাস রেখে আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ঘোড়া প্রস্তুত রাখে, কিয়ামতের দিন তার আমলের পাল্লায় ঘো সহীহ ‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে রব বলে, ইসলামকে দ্বীন হিসাবে ও মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নবী হিসেবে মেনে নিলো, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে গেল। সহীহ “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করে, তার জন্য একটি গোলাম আজাদ করার সমান নেকী হয়।” সহীহ “যে ব্যক্তি এটা চায় যে, আল্লাহ তাকে কিয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি দিক সে যেন ঋণগ্রস্ত অক্ষম লোকের সহজ ব্যবস্থা করে কিংবা ঋণ মওকুফ করে দেয়”। সহীহ “যে ব্যক্তি রমযানে ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় সাওম পালন করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।” সহীহ “যে ব্যক্তি দু’টি ঠাণ্ডায় সালাত পড়বে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” সহীহ কোন মুসলিম যদি আল্লাহর রাহে এতটুকু সময় যুদ্ধ করে যতটুকু দু’বার উটনী দোহাবার মাঝে হয়, তাহলে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়। আর যে মুজাহিদকে আল্লাহর প সহীহ “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় লাইলাতুল ক্বদরে রাত জেগে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়।” সহীহ আব্দুল্লাহ ইবন উমার কতই না ভালো মানুষ হত, যদি সে রাতে সালাত পড়ত। সহীহ হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন, যদি আমি আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করে শাহাদত বরণ করি, তাহলে কি পাপরাশি মিটিয়ে দেয়া হবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর (জাবেরের) নিকট থেকে একটি উট ক্রয় করলেন। সুতরাং তিনি তার মূল্য পরিশোধ করার সময় (স্বর্ণ-রৌপ্য প্রাপ্য অপেক সহীহ “তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে যালিম হোক অথবা মাযলুম” সহীহ রেশম পরিধানকারীদের আখিরাতে কোনো অংশ নেই সহীহ কখনোই না। আমি তাকে জাহান্নামে দেখেছি একটি চাদর অথবা আংরাখা (বুক-খোলা লম্বা ও ঢিলা জামা) এর কারণে, যা সে (গনীমতের মাল থেকে) চুরি করেছিল। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন এবং রাতের শেষভাগে উঠে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করতেন। সহীহ হে আল্লাহর রাসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। আমি তাদের থেকে কাকে হাদিয়া দিব? তিনি বললেন: তাদের থেকে যার দরজা তোমার অধিক নিকটে তাকে। সহীহ কোন সদকার সাওয়াব সবেচেয়ে বড়? তিনি বললেন: সুস্থ ও সম্পদের প্রতি আকাঙ্খী থাকাবস্থায় সদকা করা। যখন তুমি অভাবী হওয়ার আশঙ্কা করবে এবং ধনী হওয়ারও আশা রাখবে। সহীহ সাবাস! সেটা তো খুব লাভজনক সম্পদ, সেটা তো খুব লাভজনক সম্পদ। তোমার কথা আমি শুনেছি। তবে আমি ভাল মনে করছি সেটা তুমি নিকট আত্মীয়দের মধ্যেই বণ্টন কর। সহীহ “এ দু’টি জিনিস আমার উম্মাতের পুরুষদের জন্য হারাম, তাদের নারীদের জন্য হালাল”। সহীহ সে আমাদের অনুসরণ করে চলে এসেছে। তুমি চাইলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিবে, অন্যথায় সে ফিরে যাবে। সহীহ “আমি যে ব্যাপারে তোমাদেরকে (বর্ণনা না দিয়ে) ছেড়ে দিয়েছি, সে ব্যাপারে তোমরা আমাকে ছেড়ে দাও (অর্থাৎ সে ব্যাপারে আমাকে প্রশ্ন করো না)। কারণ, তোমাদের পূর্ সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তিন আঙ্গুল দিয়ে খেতে দেখেছি।খাবার শেষে তিনি সেগুলো চেখে খেতেন। সহীহ “দুধ পান করানো সেইসব কে হারাম করে দেয় যা জন্মদানের (মাতৃত্ব) মাধ্যমে হারাম হয়।” সহীহ “নিশ্চই হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট সহীহ “আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বিষয়ে তোমাদের উপর ইহসান (সুন্দর রূপে আচরণ করা) অত্যাবশ্যক করেছেন। সহীহ “যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিনও সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তার মুখমণ্ডলকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে নেন”। সহীহ “লোকেরা যতদিন শীঘ্র ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে”। সহীহ আজকে ইফতারকারীরা (সিয়ামবিহীন লোকেরা) সাওয়াব নিয়ে গেল। সহীহ মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় (মক্কায়) প্রবেশ করেছিলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল সহীহ তিনি বাইতুল্লাহকে নিজের বামে রেখে এবং মিনাকে ডানে রেখে বললেন, এটিই ঐ সত্ত্বার দাঁড়ানোর স্থান, যার উপর সূরা বাকারাহ নাযিল হয়েছে। সহীহ তোমাদের কেউ যেন শুধু জুমআর দিন সিয়াম পালন না করে। কিন্তু তার পূর্বে অথবা পরে একদিন সাওম পালন করবে। সহীহ হে উমার! তুমি কি উপলব্ধি করছো না যে, কোনো ব্যক্তির চাচা তার পিতার সমতুল্য? সহীহ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় আমরা ছোট, বড়, স্বাধীন, ক্রীতদাস- প্রত্যেকের পক্ষ থেকে এক সা’ খাদ্য (অর্থাৎ গম) বা এক সা’ পনির সহীহ আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাহরী খাই এরপর তিনি সালাতের জন্য দাঁড়ান। (বর্ণনাকারী বলেন,) আমি জিজ্ঞেস করলাম, আযান ও সাহরীর মাঝে কতট সহীহ হে আনসারগণ! আমি কি তোমাদেরকে গুমরাহীর মধ্যে লিপ্ত পাইনি, পরে আল্লাহ আমার দ্বারা তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন? তোমরা ছিলে পরস্পর বিচ্ছিন্ন, অতঃপর আল্লা সহীহ যারা আমার সঙ্গে ই‘তিকাফ করেছে, তারা যেন শেষ দশকে ই‘তিকাফ করে। কারণ আমাকে স্বপ্নে লাইলাতুল কাদর দেখানো হয়েছিল। পরে আমাকে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবশ্য আ সহীহ মক্কা বিজয়ের পর সেখান থেকে আর হিজরত নেই; কিন্তু জিহাদ ও নিয়ত অবশিষ্ট রয়েছে। আর যখন তোমাদের জিহাদে যাওয়ার ডাক দেওয়া হবে তখন তোমরা বেরিয়ে পড়বে। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের শেষ দশক ই‘তিকাফ করতেন। তাঁর ওফাত পর্যন্ত এই নিয়মই ছিল। এরপর তাঁর সহধর্মিণীগণও (সে দিনগুলোতে) ই‘তিকাফ করতেন সহীহ “তোমরা সাহরী খাও, কেননা সাহরীতে বরকত রয়েছে”। সহীহ “ সফরে সওম পালনে কোন সওয়াব নেই” সহীহ একবার আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রামাযান মাসে সফরে বের হলাম। তখন অত্যন্ত গরম ছিলো; এমনকি আমাদের কেউ কেউ গরমের প্রচণ্ডতা থে সহীহ এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সফরে সাওম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে সাওম রাখ, আর যদি তোমার ইচ্ছা সহীহ “তোমরা কেউ রমাযানের একদিন কিংবা দু’দিন আগে হতে সাওম শুরু করবে না। তবে কেউ যদি এ সময় সিয়াম পালনে অভ্যস্ত থাকে তাহলে সে সেদিন সাওম পালন করতে পারবে”। সহীহ মুসলিমের ওপর তার ঘোড়া ও গোলামের মধে কোনো যাকাত নেই। সহীহ প্রত্যেক গোলাম, আযাদ, পুরুষ, নারী, প্রাপ্ত বয়স্ক, অপ্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিমের উপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদাকাতুল ফিতর হিসেবে খেজুর সহীহ “যে মহিলা আল্লাহ্ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে কোন মাহরাম পুরুষকে সাথে না নিয়ে একদিন ও এক রাত্রির পথ সফর করা জায়িয নয়”। সহীহ নিজ স্ত্রীর সাথে মিলন জনিত কারণে নাপাক অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সাওম পালন করতে সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই দিনের সাওম থেকে নিষেধ করেছেন। ফিতর ও নাহারের দিন। আর আপাদমস্তক এক কাপড়ে জড়িয়ে থাকা ও ইয়াহতিবা থেকে নি সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওমে বেসাল থেকে নিষেধ করলেন। লোকেরা বললো, আপনি যে সাওমে বেসাল পালন করেন! তিনি বললেন: আমি তোমাদের মতো নই, আম সহীহ “সিয়াম পালনকারী ভুলক্রমে যদি আহার করে বা পান করে, তাহলে সে যেন তার সাওম পূর্ণ করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে খাইয়েছেন এবং পান করিয়েছেন”। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি জুমু‘আর দিন সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সহীহ আমি একদা ঈদে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুই দিনে সাওম পালন করত সহীহ মুহরিম অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কীভাবে তাঁর মাথা ধৌত করতেন? আবূ আইউব রাদিয়াল্লাহু আনহু স্বীয় হাতকে কাপড়ের ওপর রেখে তা সরালেন। এতে সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে আমরা হজ্জের তালবিয়া পাঠ করতে করতে মক্কায় উপনীত হলাম। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহীহ যে ব্যক্তি মারা গেল অথচ তার ওপর রয়েছে সাওম, তার অভিভাবক তার পক্ষ থেকে সাওম পালন করবে। সহীহ আমার মা এক মাসের সাওম যিম্মায় রেখে মারা গেছেন, আমি কি তাঁর পক্ষ থেকে এ সাওম কাযা করতে পারি? তিনি বললেন, যদি তোমার মায়ের ওপর ঋণ থাকত তুমি তার পক্ষ থেকে সহীহ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুহরিমদের উদ্দেশে ‘আরাফাতে ভাষণ দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন: যার চপ্পল নেই সে মোজা পরিধান করবে আর যার লুঙ্গি নেই সহীহ চতুষ্পদ জন্তুর আঘাত দায়মুক্ত, কূপ (খননে শ্রমিকের মৃত্যুতে মালিক) দায়মুক্ত, খনি (খননে কেউ মারা গেলে মালিক) দায়মুক্ত। আর রিকাযে এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব।
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 91%
12 দিনে অমাবস্যা
حسبنا الله ونعم الوكيل আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, কতই না উত্তম অভিভাবক

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত