“কবীরা গুনাহ হলো: আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার নাফরমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ…

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফযলত ও শষঠচর > “কবীরা গুনাহ হলো: আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার নাফরমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ…

হাদিস বর্ণনাকারী: এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।

সহীহ

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 1 মিনিটের পাঠ

হাদিসের পাঠ: “কবীরা গুনাহ হলো: আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার না…

عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «الْكَبَائِرُ: الْإِشْرَاكُ بِاللهِ، وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ، وَقَتْلُ النَّفْسِ، وَالْيَمِينُ الْغَمُوسُ».

হাদিসের ব্যাখ্যা: “কবীরা গুনাহ হলো: আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার না…

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখানে কবীরা গুনাহর বর্ণনা করেছেন, আর তা হলো সেসব গুনাহর কারণে তাতে ব্যক্তিকে দুনিয়া ও আখিরাতের কঠিন শাস্তির ধমক শোনানো হয়েছে।

সর্বপ্রথম কবীরা গুনাহ হলো “আল্লাহর সাথে শরীক করা”: আর তা হলো কোনো প্রকার ইবাদতকে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য সাব্যস্ত করা এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে তাঁর ইবাদতের একত্বে, তাঁর একক প্রভুত্বে এবং নাম ও সিফাতসমূহে তাঁর সমকক্ষ করা।

দ্বিতীয় কবীরা গুনাহ হলো “পিতা-মাতার নাফরমানী করা”: আর তা হলো প্রত্যেক এমন বিষয় যা পিতা-মাতার কষ্টের কারণ হয়। সেটা কথা হোক অথবা কর্ম হোক, এবং তাদের প্রতি অনুগ্রহ করা থেকে বিরত থাকা।

তৃতীয় কবীরা গুনা হলো অন্যায়ভাবে “কাউকে হত্যা করা”, যেমন জুলম ও সীমালঙ্ঘন করে হত্যা করা।

চতুর্থ কবীরা গুনাহ হলো “মিথ্যা কসম খাওয়া”: আর তা হলো নিজ থেকে মিথ্যা জানার পরও মিথ্যা কসম করা। মিথ্যা কসমকে গামুস (ডুবিয়ে দেওয়া) নামকরণ করার কারণ হলো: এই কসম ব্যক্তিকে পাপে অথবা আগুনে ডুবিয়ে দেয়।

শিক্ষা: “কবীরা গুনাহ হলো: আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার না…

বিভাগ : কোমলতা আনয়ণকারী বিষয় ও উপদেশমালা · পাপের নিন্দা · ফযীলত ও শিষ্ঠাচার

بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
سبحان الله وبحمده আল্লাহর মহিমা ও প্রশংসা

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত