ফযীলত ও শিষ্ঠাচার সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফযীলত ও শিষ্ঠাচার

«ফযীলত ও শিষ্ঠাচার» সম্পর্কে 689টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফযীলত ও শিষ্ঠাচার সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ যদি তুমি মুসলিমদের গুপ্ত দোষগুলো খুঁজে বেড়াও, তাহলে তুমি তাদেরকে নষ্ট করে দিবে অথবা তাদেরকে নষ্ট করার উপক্রম করবে। সহীহ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তাঁর নিকট একটি লোককে নিয়ে আসা হল এবং তার সম্পর্কে বলা হল যে, ‘এ লোকটি অমুক। তার দাড়ি মদ টপকাচ্ছে।’ তিনি বললেন সহীহ ‘‘কোন মুসলিমের জন্য এ কাজ বৈধ নয় যে, তার কোন মুসলিম ভাইয়ের সাথে তিন দিনের ঊর্ধ্বে কথাবার্তা বন্ধ রাখবে। সুতরাং যে ব্যক্তি তিন দিনের ঊর্ধ্বে কথাবার্তা সহীহ যে ব্যক্তি কারো স্ত্রীকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অথবা ক্রীতদাসকে তার মনিবের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। সহীহ যে ব্যক্তি তার কোনো (মুসলিম) ভাইয়ের সঙ্গে বছরব্যাপী বাক্যালাপ বন্ধ করবে, তা হবে তার রক্তপাত ঘটানোর মতো। সহীহ “আরব ভূখণ্ডে মুসল্লীগণ শাইতানের (শয়তানের) উপাসনা করবে, এ বিষয়ে শাইতান (শয়তান) নিরাশ হয়ে পড়েছে। তবে তাদের একজনকে অন্যের বিরুদ্ধে উসকিয়ে দেয়ার ব্যা সহীহ ‘জেনে রেখো আবূ মাসঊদ! ওর উপর তোমার যতটা ক্ষমতা আছে, তোমার উপর আল্লাহ তাআলা আরো বেশি ক্ষমতাবান।’ আমি বললাম: আমি এর পর কখনো গোলামকে প্রহার করব না। সহীহ “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সেসব লোকেদের শাস্তি দিবেন, যারা এ জগতে মানুষকে (অন্যায়) শাস্তি দেয়”। সহীহ যে ব্যক্তি বিনা অপরাধে নিজের গোলামকে মারধর করে অথবা তাকে চপেটাঘাত করে, তাকে মুক্ত করে দেয়াই হচ্ছে তার কাফফারা। সহীহ রাস্তা-ঘাটে মজলিস করা তোমাদের অভ্যাস কেন? রাস্তাঘাটে বৈঠক করা তোমরা বর্জন করবে। সহীহ আল্লাহ আদম সন্তানের যিনার যে অংশ নির্ধারিত করেছেন, তা সে অবশ্যই করবে। আর দু’চোখের যিনা হলো দৃষ্টিপাত করা, কানের যিনা শ্রবণ করা, জিহ্বার যিনা কথোপকথন, সহীহ কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যার বিচার করা হবে, সে হচ্ছে এমন একজন যে শহীদ হয়েছিল। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং আল্লাহ তার নি‘আমত রাশির কথা তাকে বলবেন এবং সে তার সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার কী অভিমত, যে নেক আমল করে এবং লোকেরা তার প্রশংসা করে? তিনি বলল সহীহ যারা যুদ্ধে যায় নি, তাদের জন্য মুজাহিদদের স্ত্রীগণ এমন হারাম, যেমন তাদের জন্য তাদের মাতাগণ হারাম। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হটাৎ দৃষ্টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি আমাকে আমার দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিলেন। সহীহ “দুই প্রকার জাহান্নামী লোক আমি (এখন পর্যন্ত) প্রত্যক্ষ করি নি (অর্থাৎ, আমার পরে তাদের আবির্ভাব ঘটবে): (১) এমন এক সম্প্রদায় যাদের কাছে গরুর লেজের মতো চ সহীহ “এক পুরুষ আরেক পুরুষের সতরের দিকে তাকাবে না এবং এক নারীও আরেক নারীর সতরের দিকে তাকাবে না। সহীহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’কাযা’ আংশিক চুল কর্তন করা থেকে নিষেধ করেছেন।(১) সহীহ তোমরা পাত্র ঢেকে দাও,পানির মশকের মুখ বেঁধে দাও, দরজাসমূহ বন্ধ ক’রে দাও, প্রদীপ নিভিয়ে দাও। কেননা, শয়তান মুখ বাঁধা মশক খুলে না, বন্ধ দরজাও খুলে না এবং সহীহ ঘুমানোর সময় তোমরা তোমাদের ঘরে আগুন রেখে ঘুমাবে না। সহীহ হে মানব সকল! তোমাদের কেউ কোনো কথা জানলে সে যেন তা-ই বলে। আর যে না জানে সে যেন বলে-আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। কেননা এটাও জ্ঞানের অংশ যে, যে বিষয়ে জানবে সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষকে দাঁড়িয়ে জুতা পরতে নিষেধ করেছেন। সহীহ আমরা উমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর কাছে (বসা) ছিলাম। তখন তিনি বললেন: “আমাদের কৃত্রিমতা (লৌকিকতা) থেকে নিষেধ করা হয়েছে।” সহীহ ঘন্টা বা ঘুঙুর শয়তানের বাঁশি। সহীহ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এ মেঘের কল্যাণ কামনা করছি এবং এর মধ্যে যে সব কল্যাণ রয়েছে এবং যে কল্যাণের উদ্দেশ্যে প্রেরিত হয়েছে তাও এবং আমি আপনার আশ্রয় প্ সহীহ বায়ু আল্লাহর আশীষ, যা রহমত আনে এবং আযাবও আনে। কাজেই তোমরা যখন তা প্রবাহিত হতে দেখবে, তখন তাকে গালি দিও না; বরং আল্লাহর নিকট তার কল্যাণ প্রার্থনা কর এব সহীহ তোমরা মোরগকে গালি দিয়ো না। কারণ, সে সালাতের জন্যে জাগ্রত করে। সহীহ তুমি জ্বরকে গালি দিয়ো না। কেননা জ্বর আদম সন্তানের গুনাহসমূহ মোচন করে দেয়, যেভাবে কামারের হাঁপর লোহার মরিচা দূর করে দেয়। সহীহ তোমরা মুনাফিকদের সাইয়েদ বলবে না। কেননা তোমরা যদি তাদের সাইয়্যেদ বলো তবে তোমরা তোমাদের মহান রবকে অসন্তুষ্ট করবে।
بسم الله الرحمن الرحيم বৃহ 17 জুমাদাল উলা
الخميس 17 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.8 / 29.5
আলোকিতকরণ 90%
12 দিনে অমাবস্যা
اللهم صل على محمد হে আল্লাহ, মুহাম্মদের উপর দরূদ পাঠাও

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত