ফযীলত ও শিষ্ঠাচার সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফযীলত ও শিষ্ঠাচার

«ফযীলত ও শিষ্ঠাচার» সম্পর্কে 689টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফযীলত ও শিষ্ঠাচার সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ “কিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তির সর্বাপেক্ষা লঘু ’আযাব হবে, যার দু’পায়ের তলায় রাখা হবে জ্বলন্ত অঙ্গার, তাতে তার মগয ফুটতে থাকবে”। হাসান “যখন আমাকে মি‘রাজে নিয়ে যাওয়া হলো, সে সময় এমন ধরনের কিছু মানুষের নিকট দিয়ে অতিক্রম করলাম, যাদের নখ ছিল তামার, তা দিয়ে তারা নিজেদের মুখমণ্ডল খামচে ক্ষত সহীহ ‘‘যে সরল পথ ও ইলম দিয়ে আমাকে পাঠানো হয়েছে তা ঐ বৃষ্টি সদৃশ যা যমীনে পৌঁছে সহীহ আগুন নিঃসন্দেহে তোমাদের চরম শত্রু। সুতরাং যখন তোমরা ঘুমাতে যাবে, তখন তা নিভিয়ে দাও। সহীহ তিনটি জিনিস মৃত ব্যক্তিকে অনুসরণ করে: তার আত্মীয়-স্বজন, তার সম্পদ ও তার আমল। অতঃপর দু’টি জিনিস ফিরে আসে এবং একটি জিনিস রয়ে যায়। তার আত্মীয়-স্বজন ও তার সহীহ “আরোহী পায়ে হাঁটা ব্যক্তিকে, পায়ে হাঁটা ব্যক্তি বসে থাকা ব্যক্তিকে এবং অল্প সংখ্যক লোক অধিক সংখ্যক লোককে সালাম দিবে।” সহীহ তোমরা কি চাহিদা মতো পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় পাচ্ছ না? অথচ আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি ক্ষুধা নিবারণের জন্য নিম্নম সহীহ কিয়ামতের দিন জাহান্নামীদের মধ্য থেকে এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে, যে দুনিয়াতে সবচেয়ে সুখী ও বিলাসী ছিল। অতঃপর তাকে জাহান্নামে একবার চুবানো হবে, তারপ সহীহ সাবাস! সেটা তো খুব লাভজনক সম্পদ, সেটা তো খুব লাভজনক সম্পদ। তোমার কথা আমি শুনেছি। তবে আমি ভাল মনে করছি সেটা তুমি নিকট আত্মীয়দের মধ্যেই বণ্টন কর। সহীহ আল্লাহ রহমতকে একশ ভাগ করেছেন। তার মধ্যে নিরানব্বই ভাগ তিনি নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। আর পৃথিবীতে একভাগ অবতীর্ণ করেছেন। ঐ এক ভাগের কারণেই মখলুকেরা একে অ সহীহ সে আমাদের অনুসরণ করে চলে এসেছে। তুমি চাইলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিবে, অন্যথায় সে ফিরে যাবে। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তিন আঙ্গুল দিয়ে খেতে দেখেছি।খাবার শেষে তিনি সেগুলো চেখে খেতেন। উভয় বর্ণনাসহ সহীহ যে ব্যক্তি মানুষকে পান করায় সে সবার শেষে পান করবে। হাসান আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যমযম পান করিয়েছি। তিনি দাঁড়িয়ে তা পান করেছেন। তিরমিযী বলেছেন: হাদীসটি হাসান। “তুমি যেখানে থাক আল্লাহকে ভয় কর, মন্দ কাজের পশ্চাতে ভাল কাজ কর, যা মন্দকে মুছে ফেলবে এবং মানুষের সাথে উত্তম আচরণ কর”। সহীহ “যখন দু’জন মুসলিম তলোয়ার নিয়ে পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তির অবস্থান হবে জাহান্নাম ইমাম নববী বলেছেন: হাদীসটি হাসান। “তুমি দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি অবলন্বন করো। তাহলে আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসবেন। মানুষের নিকট যা আছে, তুমি তার প্রতি অনাসক্ত হয়ে যাও, তাহলে তারাও তোমাকে ভালো সহীহ “পুণ্য হলো উন্নত চরিত্র। আর পাপ হলো যা তোমার অন্তরে দ্বিধা-দ্বন্ধ সৃষ্টি করে এবং লোকে তা জানুক তা তুমি অপছন্দ করো”। সহীহ তোমাদের পূর্বে যারা ছিলো তাদের মধ্যে এক লোক ছিলো যে নিরানব্বই জনকে হত্যা করেছিলো। সে পৃথিবীর সবচেয়ে জাননেওয়ালা ব্যক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলো। তাকে এক প সহীহ ধু ধু ময়দানে উট হারানোর পর পুনরায় পেয়ে তোমাদের কেউ যেরূপ খুশি হয়, আল্লাহ তার চেয়েও বেশী খুশি হন বান্দার তাওবায়। সহীহ “নিশ্চই হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট হাসান “নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা বান্দার তওবাহ সে পর্যন্ত কবুল করবেন, যে পর্যন্ত তার প্রাণ কণ্ঠাগত না হয়।” সহীহ “হে লোক সকল, আল্লাহ তা’আলা পবিত্র, তিনি পবিত্র ও হালাল বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না। আর আল্লাহ তা’আলা তার প্রেরিত রাসূলদের যে হুকুম দিয়েছেন মুমিনদেরকেও সহীহ “নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তার হাত রাতে প্রসারিত করেন যেন দিনের অপরাধীরা তাওবা করে এবং দিনে তার হাত প্রসারিত করেন যেন রাতের অপরাধীরা তাওবা করে, যে পর্যন্ত ন সহীহ “আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক বিষয়ে তোমাদের উপর ইহসান (সুন্দর রূপে আচরণ করা) অত্যাবশ্যক করেছেন। সহীহ হে আনসারগণ! আমি কি তোমাদেরকে গুমরাহীর মধ্যে লিপ্ত পাইনি, পরে আল্লাহ আমার দ্বারা তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন? তোমরা ছিলে পরস্পর বিচ্ছিন্ন, অতঃপর আল্লা সহীহ এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সফরে সাওম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে সাওম রাখ, আর যদি তোমার ইচ্ছা সহীহ “যে মহিলা আল্লাহ্ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে কোন মাহরাম পুরুষকে সাথে না নিয়ে একদিন ও এক রাত্রির পথ সফর করা জায়িয নয়”। সহীহ নিশ্চয় মানুষের রক্তের শিরায় শয়তান চলাচল করে। আমি শংকাবোধ করছিলাম যে, সে তোমাদের মনে কোন খারাপ ধারণা অথবা বললেন অন্য কিছু সৃষ্টি করে দেবে। সহীহ “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের চেহারা ও ধন-সম্পদের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তিনি দৃষ্টি দিয়ে থাকেন তোমাদের অন্তর ও আমলের প্রতি।” সহীহ মদিনাতে কিছু লোক এমন আছে যে, তোমরা যত সফর করছ এবং যে কোন উপত্যকা অতিক্রম করছ, তারা তোমাদের সঙ্গে রয়েছে। অসুস্থতা তাদেরকে মদিনায় আটকে রেখেছে। সহীহ “আল্লাহ কি তোমাদের জন্য সাদকাহ করার মত জিনিস দান করেননি? নিঃসন্দেহে প্রত্যেক তাসবীহ সাদকাহ, প্রত্যেক তাকবীর সাদকাহ, প্রত্যেক তাহলীল সাদকাহ, ভাল কাজের সহীহ “পূর্বেকার নবুওয়াতের বাণীসমূহ থেকে লোকেরা যা লাভ করেছে তন্মধ্যে একটি হচ্ছে: যখন তুমি লজ্জা করবে না তখন যা ইচ্ছা তাই কর।” সহীহ প্রত্যেক কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল। আর নিশ্চয় প্রতিটি মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে সহীহ “তুমি দুনিয়াতে থাক যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা পথচারী” সহীহ “তোমরা এক অপরের প্রতি হিংসা করো না, কেনাবেচাতে জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে এক অপরকে ধোঁকা দিয়ো না, একে অপরের প্রতি শত্রুতা রেখো না, একে অপর থেকে (ঘৃণাভরে) মু সহীহ তুমি রাগ করো না সহীহ “সর্বদা তোমার জিহ্বা যেন আল্লাহ তা’আলার যিকরের দ্বারা সিক্ত থাকে”। সহীহ “তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে”। সহীহ “যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযোগ্য তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখতে, তবে তিনি তোমাদেরকে রিজিক দান করতেন, যেমন পাখিকে তিনি রিযিক দান করে থাকেন। তারা সকালে ক্ষুধা সহীহ “মানুষ পেট হতে অধিক নিকৃষ্ট কোন পাত্র পূর্ণ করে না। মেরুদণ্ড সোজা রাখতে পারে এমন কয়েক গ্রাস খাবারই আদম সন্তানের জন্য যথেষ্ট। তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন সহীহ যে ব্যক্তি পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় হওয়ার পূর্বে তাওবা করবে, আল্লাহ তার তাওবা গ্রহণ করবেন। সহীহ “যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের কোনো পার্থিব দুর্ভোগ দূরীভূত করবে, আল্লাহ তার থেকে কিয়ামতের দিনের দুর্ভোগসমূহের মধ্যে কোনো একটি দুর্ভোগ দূর করবেন সহীহ আল্লাহর শপথ! আমি প্রত্যহ আল্লাহর কাছে সত্তর বারেরও বেশি ইস্তিগফার [ক্ষমাপ্রার্থনা] ও তাওবা করে থাকি। সহীহ “হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর সমীপে তাওবা কর ও তাঁর নিকট ক্ষমা চাও! কেননা, আমি প্রতিদিন এক শো বার তাওবা করি”। সহীহ “আমার সামনে জান্নাত ও জাহান্নাম উপস্থিত করা হয়। আজকের মতো ভাল এবং মন্দ আমি আর কখনো দেখিনি। আমি যা জানতে পেরেছি, তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই সহীহ জনৈক বান্দা পাপ করে বলল, হে আমার রব! আমার পাপ মার্জনা করে দাও সহীহ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দস্তরখানা গুটাতেন, তখন এই দো‘আ পড়তেন: আল্লাহর জন্য অগণিত পবিত্র ও বরকতপূর্ণ প্রশংসা। এ প্রশংসাই যথেষ্ট নয় এবং এট সহীহ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জিবরীল এসে বললেন, ‘বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরকে আপনারা আপনাদের মাঝে কিরূপ গণ্য করেন?’ তিনি বললেন, “সর্বশ্রেষ সহীহ একটি খেজুর গাছের গুঁড়ি (খুঁটি) ছিল। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবা দানকালে দাঁড়িয়ে তাতে হেলান দিতেন। তারপর যখন (কাঠের) মিম্বর (তৈরি করে) রাখা সহীহ মুমিন একই গর্তে দু’বার দংশিত হয় না। সহীহ “আল্লাহর নিকট যারা ন্যায়পরায়ণ তারা মহান রহমানের ডান পার্শ্বে নূরের মিম্বরের উপর অবস্থান করবে। আর তাঁর উভয় হস্তই ডান সহীহ “যাকে কোমলতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে , তাকে সব ধরনের মঙ্গল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।” সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে চলছিলাম, তখন তার গায়ে মোটা পেড়ে একখানি নাজরানী চাদর ছিল। অতঃপর পথে এক বেদুঈনের সঙ্গে দেখা হল। সে সহীহ আমি কি তোমাদেরকে বলে দিব, কে জাহান্নামের জন্য হারাম অথবা কার জন্য জাহান্নাম হারাম? জাহান্নাম হারাম হলো প্রত্যেক নিকটবর্তী, সহজ-সরল ও কোমল ব্যক্তির জন্ সহীহ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে হাঁটা অবস্থায় আহার করেছি এবং দাঁড়ানো অবস্থায় পান করেছি। সহীহ ‘‘আমি কেমন করে হাসিখুশি করব, অথচ শিঙ্গা ওয়ালা (ইস্রাফীল তো ফুৎকার দেওয়ার জন্য) শিঙ্গা মুখে ধরে আছেন। আর তিনি কান লাগিয়ে আছেন যে, তাঁকে কখন ফুৎকার দেওয় সহীহ ‘আলাইকাস সালাম’ বলো না। কেননা ‘আলাইকাস সালাম’ হচ্ছে মৃত লোকদের প্রতি সালাম। তুমি বলবে ‘আসসালামু আলাইকা’। সহীহ “যদি বানী আদমের স্বর্ণ ভরা দুটো উপত্যকা থাকে, তথাপি সে তার জন্য তৃতীয় উপত্যকা হওয়ার কামনা করবে সহীহ “মুসলিমের লুঙ্গি অর্ধ গোছা পর্যন্ত ঝুলানো উচিত। গাঁটের উপর পর্যন্ত ঝুললে ক্ষতি নেই। যে অংশ লুঙ্গি পায়ের গাঁটের নিচে ঝুলবে, তা জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.5 / 29.5
আলোকিতকরণ 92%
12 দিনে অমাবস্যা
الله أكبر আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত