ফযীলত ও শিষ্ঠাচার সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফযীলত ও শিষ্ঠাচার

«ফযীলত ও শিষ্ঠাচার» সম্পর্কে 689টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফযীলত ও শিষ্ঠাচার সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শত্রুদের দেশে কুরআন নিয়ে ভ্রমণ করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ হে আল্লাহর রাসূল, সবচাইতে উত্তম ব্যক্তি কে? সহীহ এক ব্যক্তি উপবনে হাঁট ছিল। সহীহ “তোমরা জুলুম- অত্যাচার করা থেকে বাঁচ। কেননা, জুলুম কিয়ামতের দিন বহু ধরনের অন্ধকারে পরিণত হবে। আর কৃপণতা থেকে দূরে থাক। কেননা, কৃপণতা তোমাদের পূর্ববর্ত সহীহ তোমরা আমাকে আমার চাদরখানি দাও। যদি আমার নিকট এসব (অসংখ্য) কাঁটা গাছের সমান উঁট থাকত, তাহলে আমি তা তোমাদের মধ্যে বণ্টন ক’রে দিতাম। অতঃপর তোমরা আমাকে কৃ হাসান “মুমিনদের মাঝে ঈমানে সেই পরিপূর্ণ, তাদের মাঝে যার চরিত্র সুন্দরতম। তোমাদের মধ্যে উত্তম হলো যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।” হাসান লিগাইরিহী তোমরা কি শুনতে পাও না? তোমরা কি শুনতে পাও না? নিশ্চয় পোশাক-পরিচ্ছদে নম্রতা প্রকাশ ঈমানের অঙ্গ। নিশ্চয় পোশাক-পরিচ্ছদে নম্রতা প্রকাশ ঈমানের অঙ্গ। সহীহ “নম্রতা যে জিনিসেই থাকে, তাকে তা সুন্দর বানিয়ে দেয় এবং তা যে জিনিস থেকেই বের করে নেওয়া হয়, তাকে তা অসুন্দর বানিয়ে দেয়।’’ সহীহ “হে আয়িশাহ্! আল্লাহ তা’আলা নম্র ব্যবহারকারী। তিনি নম্রতাকে পছন্দ করেন। তিনি নম্রতার ওপর যা দান করেন তা কঠোরতা ও অন্য কোনো কিছুর ওপর দান করেন না।” সহীহ “নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা ঐ বান্দাহর প্রতি সন্তুষ্ট হন, যে খাবার খায়, অতঃপর তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করে অথবা পানি পান করে, অতঃপর তার উপর আল্লাহর প্রশংসা ক হাদিসটি এর শাওয়াহেদ (বিভিন্ন সমার্থক হাদিস) থাকার কারণে সহীহ “নিশ্চয়ই মুমিন ব্যক্তি তার উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে (দিনের) সাওম পালনকারী ও (রাতের) তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারীর সমান মর্যাদা লাভ করতে পারে।” সহীহ “তোমাদের দু’টো বিশেষ গুণ রয়েছে, যা আল্লাহ পছন্দ করেন – ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা”। সহীহ “নিশ্চয় কিয়ামতের দিন তোমাদের থেকে আমার নিকট সবচেয়ে বেশি প্রিয় এবং মজলিসে আমার সবচেয়ে কাছের সেই হবে, যে তোমাদের ভেতর চরিত্রের বিচারে সবচেয়ে সুন্দর। সহীহ তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম যে নৈতিকতায় সর্বোত্তম।” হাসান আমি সে ব্যক্তির জন্য জান্নাতের নিকটবর্তী স্থানে একটি ঘরের যিম্মাদার, যে হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকা সত্বেও ঝগড়া পরিহার করে। সহীহ এরা আমাকে দু’টির মধ্যে একটি গ্রহণ করতে বাধ্য করেছে। হয় তারা আমার নিকট অভদ্রতার সাথে চাইবে অথবা তারা আমাকে কৃপণ আখ্যায়িত করবে, অথচ আমি কৃপণ নই। সহীহ জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওসাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, ‘ইসলামের কোন কাজটি উত্তম?’ তিনি বললেন, “খানা খাওয়াবে এবং পরিচিত ও অপরিচিত সবাইকে স সহীহ তার কিছু্ বাকী নেই? অর্থাৎ বকরির। তিনি বললেন, কাঁধ ছাড়া কিছু্ই বাকী নেই, তিনি বললেন, সবই বাকী আছে, কাঁধ ছাড়া। সহীহ “আল্লাহ তা’আলা যালিমদের ঢিল দিয়ে থাকেন। অবশেষে যখন তাকে ধরেন, তখন আর ছাড়েন না। হাদীসটির সনদ হাসান। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলনে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করা হল যে, ‘কোন্ আমল মানুষকে বেশি জান্নাতে নিয়ে যাবে? তিনি সহীহ হে বৎস! বিসমিল্লাহ বলো এবং ডান হাতে আহার কর আর তোমার কাছে থেকে খাও সহীহ “যখন তোমাদের কেউ খায়, তখন সে যেন ডান হাতে খায় আর যখন পান করে সে যেন ডান হাতে পান করে। কারণ, শয়তান বাম হাতে খায় ও বাম হাতে পান করে”। সহীহ “সে ব্যক্তি সফলকাম যে ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং তাকে পরিমিত রুযী দেওয়া হয়েছে, আর আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন তাতে তাকে তুষ্ট করেছেন।” হাসান আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! কার সঙ্গে আমি অধিক সদ্ব্যবহার করব? তিনি বললেন: “তোমার মায়ের সঙ্গে।” আমি বললাম: এরপর কার সঙ্গে? তিনি বললেন: “তোমার মায়ের স সহীহ “মুহাম্মাদের পরিবারে কাছে অনেক মহিলা তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এসেছে। সুতরাং যারা স্ত্রীদেরকে প্রহার করে তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম নয়”। সহীহ কিয়ামতের দিন প্রত্যেক হকদারকে অবশ্যই হক বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এমন কি শিংবিহীন ছাগলের জন্যে শিংযুক্ত ছাগল থেকে বদলা গ্রহণ করা হবে। সহীহ তোমরা এই পাপ আল্লাহ যা নিষিদ্ধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকো। যে কেউ এটা করে ফেলে, সে যেন আল্লাহর গোপনীয়তার সাথে নিজেকে গোপন করে এবং আল্লাহর কাছে তওবা করে সহীহ “আমি আমার মৃত্যুর পরে মানুষের মাঝে পুরুষদের জন্য নারীদের চাইতে অধিকতর ক্ষতিকর কোন ফিতনা রেখে যাইনি।” সহীহ দান-সদকার কারণে কোনো বান্দার সম্পদ হ্রাস পায় না। কোনো বান্দা যদি কোনো বিষয়ে অত্যাচারিত হয় আর তাতে সে ধৈর্য ধারণ করে তবে এতে আল্লাহ তা‘আলা অবশ্যই তার ই সহীহ কৃপণ ও দানশীল ব্যক্তির উদাহরণ এমন দু’ব্যক্তির ন্যায়, যারা বুক থেকে উভয় কণ্ঠাস্থি পর্যন্ত আঁটসাঁটভাবে লৌহ বর্ম পরিহিত। হাসান “তোমাদের মধ্যে যে লোক নিজের গৃহে নিরাপদে শারীরিক সুস্থতা সহকারে ভোর করে এবং তার কাছে সে দিনের প্রাণ রক্ষা পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য বিদ্যমান থাকে, তার জন্য য সহীহ সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে! যদি তোমরা সর্বদা এ অবস্থায় থাকতে, যে অবস্থাতে তোমরা আমার নিকটে থাক এবং সর্বদা আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকতে, তাহ সহীহ যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খেজুর পরিমাণ সদকা করবে, (আল্লাহ তা কবুল করবেন) এবং আল্লাহ কেবল পবিত্র সম্পদ কবুল করেন। আর আল্লাহ তাঁর ডান হাত দিয়ে সহীহ যুবাইর ইবনুল ‘আওয়াম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর মৃত্যু ও তার ঋণ পরিশোধের ঘটনা। সহীহ “তোমরা সহজ করো, কঠিন করো না, লোকদেরকে সুসংবাদ দাও, দূরে ঠেলে দিও না।” সহীহ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট পানাহ চাই অপারগতা, অলসতা, ভীরুতা, বখিলতা, বার্ধক্যতা এবং কবরের শাস্তি থেকে। হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে পরহেযগারিতা দান করুন সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শয্যা-গ্রহণ করতেন, তখন নিজ হাত দু’টিতে সূরা নাস ও ফালাক পড়ে ফুঁ দিতেন এবং তার দ্বারা নিজ সমগ্র শরীরে বুল সহীহ সেই আল্লাহর সমস্ত প্রশংসা যিনি আমাদেরকে পানাহার করিয়েছেন, তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট হয়েছেন এবং আশ্রয় দিয়েছেন। অথচ কত এমন লোক আছে যাদের যথেষ্ট-কারী ও আশ্ হাসান হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ক্ষুধা থেকে পানাহ চাচ্ছি। কারণ, সেটা খুব খারাপ সঙ্গী এবং তোমার নিকট খিয়ানত থেকেও পানাহ চাচ্ছি। কারণ, সেটা খুব খারাপ বন্ধু। হাসান তুমি বল, “হে আল্লাহ! তোমার হালালের মাধ্যমে আমাকে তোমার হারাম হতে বিরত রাখ বা দূরে রাখ এবং তোমার দয়ায় তুমি ব্যতীত অন্যের মুখাপেক্ষী হওয়া হতে আমাকে আ সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম অল্প শব্দে বহুল অর্থবোধক দো‘আ পছন্দ করতেন এবং তা ছাড়া অন্য দো‘আ পরিহার করতেন। হাসান তিন জনের দো‘আ গ্রহণযোগ্য, তাতে কোনো সন্দেহ নেই, অত্যাচারিতের দো‘আ। সহীহ আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তিন প্রকার লোকের সাথে কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের দিকে তাকাবেন না। সহীহ এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, ‘আমি ক্ষুধায় কাতর হয়ে আছি।’ সহীহ ‘হে হাসানের পিতা! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী অবস্থায় সকাল করলেন?’ তিনি বললেন, ‘আলহামদু লিল্লাহ, তিনি ভাল অবস্থায় সকাল করলেন। সহীহ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট অক্ষমতা, অলসতা, ভীরুতা, স্থবিরতা ও কৃপণতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে, আশ্রয় সহীহ “বল اللَّهُمَّ اهْدِنِي وَسَدِّدْنِي (হে আল্লাহ! আপনি আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন, আমাকে সোজা পথে পরিচালিত করুন)।” তিনি আমাকে আরও বলেছেন, “আপনার হিদায় সহীহ “যে ব্যক্তি কোন স্থানে নেমে এই দো’আ পড়বে, (أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ) অর্থাৎ আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের অসীলায় ত সহীহ “মিথ্যা কসম পণ্য চালু করে দেয় বটে, কিন্তু বরকত নিশ্চিহ্ন করে দেয়”। হাসান “একা (সফরকারী) আরোহী একটি শয়তান এবং দু’জন আরোহী দু’টি শয়তান। আর তিনজন আরোহী একটি কাফেলা।” সহীহ ওহে, আমি কি তোমাদের জানাবো চোগলখুরী কী? চোগলখুরী হচ্ছে মানুষের মাঝে কথা চালাচালি। সহীহ এভাবে উপত্যকা ও গিরিপথে তোমাদের বিক্ষিপ্ত হওয়া অবশ্যই শয়তানের পক্ষ থেকে সহীহ তিনজন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি সহীহ “তোমাদের মধ্যে কেউ (পূর্ণ) মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি তার কাছে তার পিতা, তার সন্তান-সন্ততি এবং অন্যান্য সকল মানুষ হতে প্রিয়তম হই।” সহীহ যখন তোমরা সবুজ-শ্যামল ঘাসে ভরা যমীনে সফর করবে, তখন উটকে তার যমীনের অংশ দাও (অর্থাৎ কিছুক্ষণ চরতে দাও)। আর যখন তোমরা ঘাস-পানি বিহীন যমীনে সফর করবে, তখন সহীহ তোমরা রাতে সফর কর। কেননা রাতে যমীনকে গুটিয়ে দেওয়া হয়। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে থাকতেন এবং রাতে বিশ্রামের জন্য কোথাও অবতরণ করতেন, তখন তিনি ডান পার্শ্বে শয়ন করতেন। আর তিনি ফজরের কি হাসান যখন তিন ব্যক্তি সফরে বের হবে, তখন তারা যেন তাদের একজনকে আমীর বানিয়ে নেয়। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে পিছনে চলতেন। তিনি দুর্বলকে চলতে সাহায্য করতেন, তাকে পিছনে বসিয়ে নিতেন এবং তার জন্য দো‘আ করতেন। সহীহ “তোমরা বাতাসকে গালি দিয়ো না, যখন তোমরা অপছন্দ কিছু দেখ, তখন বলো: হে আল্লাহ, তোমার নিকট এই বাতাস ও তার ভেতরে থাকা কল্যাণ এবং তাকে যে নির্দেশ করা হয়েছে,
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 91%
12 দিনে অমাবস্যা
سبحان الله আল্লাহর পবিত্রতা

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত