ফাযায়েল সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফাযায়েল

«ফাযায়েল» সম্পর্কে 156টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফাযায়েল সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক না করে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে, সে জাহান্নামে প্রব হাসান “আমলসমূহ ছয় প্রকার ও মানুষ চার প্রকার। দুটি আবশ্যককারী কাজ এবং একটি এমন কাজ যা অপরটির সমান। একটি ভালোকাজ তার দশগুণ সমপরিমাণ আবার একটি ভালোকাজ সাতশত গু সহীহ “কিয়ামাতের আলামতসমূহের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে: ইলম উঠে যাওয়া, অজ্ঞতা বেড়ে যাওয়া, ব্যভিচার বৃদ্ধি পাওয়া, মদ্যপান বেড়ে যাওয়া, পুরুষের সংখ্যা কমে যাওয়া ও নার সহীহ “আল্লাহ আমার উম্মাতের মধ্য হতে একজনকে কিয়ামাতের দিন সমগ্র সৃষ্টিজগতের সামনে উপস্থিত করবেন। সহীহ লি-গাইরিহী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বিষয় উল্লেখ করে বললেন: “সেটা হচ্ছে ইলম উঠে যাওয়ার সময় সহীহ “তোমরা আলিমদের সাথে বড়াই করার জন্য ইলম শিখবে না, নির্বোধের সাথে বিতর্ক করার জন্যও নয়, সহীহ “আল্লাহ তা‘আলা সিরাতে মুস্তাকীমের একটি উদাহরণ পেশ করেছেন সহীহ “তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, সে যখন তার পরিবারের কাছে ফিরে যাবে, তখন সেখানে সে তিনটি বড় হৃষ্টপুষ্ট গর্ভবতী উটনী দেখতে পাবে? হাসান “কুরআনের ধারককে বলা হবে: তুমি পাঠ কর এবং উপরে উঠতে থাক। তারতীল সহকারে সুন্দর করে পাঠ করবে যেভাবে তুমি দুনিয়াতে তারতীল সহকারে সুন্দর করে পাঠ করতে। নিশ্ সহীহ “প্রকাশ্যে কুরআন তেলাওয়াতকারী প্রকাশ্যে সদাকাকারীর ন্যায় আর গোপনে কুরআন তেলাওয়াতকারী গোপনে সদাকাকারীর ন্যায়।” সহীহ আমি তোমাদেরকে আল্লাহভীতি এবং (আমীরের) কথা শোনা ও তার আনুগত্য করার উপদেশ দিচ্ছি; যদিও তোমাদের উপর কোন নিগ্রো দাস আমীর হয়। (স্মরণ রাখ) তোমাদের মধ্যে যে হাসান তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দশটি করে আয়াত পাঠ করতেন, তারপরে তারা পরবর্তী দশটি আয়াত আর গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না এ আয়াতগুলোর মধ্যে থ সহীহ হে আবুল মুনযির! তুমি কি জান, তোমার সাথে থাকা আল্লাহর কিতাবের কোন আয়াতটি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ? তখন আমি বললাম: اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْح সহীহ আপনি বলুন: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ তথা: আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মাবূদ নেই, তাহলে আমি আপনার জন্য কিয়ামাতের দিন সাক্ষ্য দেব। সহীহ “মুওয়াযযিন যখন ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার’ বলে, তোমাদের কোন ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে তখন তার জবাবে বলেঃ ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার সহীহ “তোমরা যখন মুওয়াযযিনকে আযান দিতে শুন, তখন সে যা বলে তোমরা তাই বল। অতঃপর আমার ওপর দুরূদ পাঠ কর সহীহ “মহান আল্লাহ বলেছেনঃ আমার এবং আমার বান্দার মাঝে সালাতকে অর্ধেক করে ভাগ করেছি। আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায় সহীহ এটা এক (প্রকারের) শয়তান— যার নাম ’খিনযিব’। যে সময় তুমি তার উপস্থিতি বুঝতে পারবে তখন (আউয়ুবিল্লাহ পড়ে) তার অনিষ্ট হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে তিনব সহীহ “নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তাআলা কোনো আমল কবুল করেন না, যতক্ষণ না তা একমাত্র তাঁর (আল্লাহ্‌র) জন্য হয় এবং এর দ্বারা তাঁরই সন্তুষ্টি কামনা করা হয়।”। সহীহ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছু শরীক না করে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তার কোন পাপ তার ক্ষতি করতে পারবে না, আর যে ব্যক্তি তাঁর সাথে কোন কিছু শরীক করে মা সহীহ “আল্লাহ কখনো নিদ্রা যান না। নিদ্রিত হওয়া তার সাজেও না সহীহ “তোমাদের চেয়ে আমিই আল্লাহকে অধিক ভয় করি ও বেশী জানি”। সহীহ “যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিন প্রকার আমল ছাড়া। সাদাকা জারিয়াহ্(চালু থাকে এমন) অথবা এমন ইলম যার দ্বারা উপকার হয় অথবা সহীহ “লোকেরা যদি আযান দেয়া ও সালাতের প্রথম কাতারে কী (ফযীলত) রয়েছে জানত, অতঃপর তা অর্জন করতে লটারির বিকল্প না পেত, তাহলে অবশ্যই তারা লটারি করত।” সহীহ “যে ব্যক্তি لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شيء قدير দিনে একশত বার বলবে সহীহ “নিশ্চই হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট সহীহ “তোমরা যদি প্রকৃতভাবেই আল্লাহ তা'আলার ওপর তাওয়াক্কুল কর, তাহলে পাখিদের যেভাবে রিযিক দেন সেভাবে তোমাদেরও রিযিক দেবেন। পাখিরা সকাল বেলা খালি পেটে বের হয সহীহ তোমার জিহ্বা যেন সর্বদা আল্লাহর জিকিরে সিক্ত থাকে সহীহ “যে ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে কিছু শোনে এবং যেমন শুনেছে তেমনভাবে তা পৌঁছে দেয়, আল্লাহ তাকে তরতাজা করুন, কারণ অনেক বাহক শ্রোতার চেয়ে বেশি জ্ঞানী”। সহীহ যিকিরের মজলিসের মর্যাদা সম্পর্কিত হাদীস সহীহ আল্লাহ বলেন, যখন আমার বান্দা কোনো খারাপ কর্ম করার ইচ্ছা করে, তোমরা তা না করা পর্যন্ত তার ওপর লিপিবদ্ধ কর না। যখন বাস্তবায়ন করে তখন তুমি কর্ম সমান গুনা সহীহ যে ব্যক্তি প্রথম আঘাতেই টিকটিকি হত্যা করে, তার জন্য একশত নেকী, দ্বিতীয় আঘাতে তার চাইতে কম (নেকী) এবং তৃতীয় আঘাতে তার চাইতে কম (নেকী) হয়। সহীহ আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন এক মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! কেবলমাত্র পুরুষেরাই আপনার সহীহ যে কোনো মুসলিমের তিনটি (নাবালক) সন্তান মারা যাবে, তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। কিন্তু (আল্লাহ) তাঁর কসম পূরা করার জন্যে (যা ঘটার তা ঘটবে) । সহীহ আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, কিছু লোক একটা জানাযা নিয়ে পার হয়ে গেল। লোকেরা তার প্রশংসা করল। নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “অবধারিত হয়ে গেল সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার কী অভিমত, যে নেক আমল করে এবং লোকেরা তার প্রশংসা করে? তিনি বলল
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 16.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
أستغفر الله আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত