বিবিধ নাম ও বিধান সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > বিবিধ নাম ও বিধান

«বিবিধ নাম ও বিধান» সম্পর্কে 79টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

বিবিধ নাম ও বিধান সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ “প্রকৃত মুসলিম সে, যার মুখ ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে। আর প্রকৃত মুহাজির সে, যে আল্লাহ যা থেকে নিষেধ করেছেন তা ত্যাগ করে।” সহীহ “যে ব্যক্তি আমাদের উপর অস্ত্র উঠাবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়”। সহীহ “অন্ধকার রাতের টুকরোর মত ফিতনাসমূহ আসার পূর্বে নেকীর কাজ দ্রুত ক’রে ফেল। সহীহ ঈমানের সত্তর অথবা ষাটের বেশি শাখা রয়েছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম (শাখা) ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা এবং সর্বনিম্ন (শাখা) রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস (পাথর ক সহীহ আল্লাহ তা‘আলার বাণী : তোমরা জেনে শোনে আল্লাহর জন্য শরীক সাব্যস্ত করো না। ইবন আব্বাস আয়াত বিষয়ে বলেন, আল-আনদাদ: অর্থ হলো শির্ক। আর শির্ক হলো গভীর অন্ধক সহীহ “হে আল্লাহ! আমার কবরকে পূজনীয় মূর্তি বানিয়ে দিওনা। সহীহ “যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম ব্যতীত অন্য কিছুর নামে শপথ করল সে কুফরী করল অথবা শিরক করল।” সহীহ “মুনাফিকদের ওপর সবচেয়ে কঠিন সালাত হলো এশা ও ফজরের সালাত। তারা যদি তার ফযিলত জানতো তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হত সহীহ مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الْأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ تَبِعَهُ، لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا হাসান “আমি তোমাদের ওপর যে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভয় করি তা হচ্ছে ছোট শির্ক।” সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ছোট শির্ক কী? তিনি বলেন: রিয়া (লোক দেখানো) সহীহ الطِّيَرَةُ شِرْكٌ، الطِّيَرَةُ شِرْكٌ، الطِّيَرَةُ شِرْكٌ، -ثلاثًا-»، وَمَا مِنَّا إِلَّا، وَلَكِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكُّلِ ‘ সহীহ তারা কি তা হারাম করে না আল্লাহ যা হালাল করেছেন এবং তারা কি হালাল করে না আল্লাহ যা হারাম করেছেন? আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন, এটিই তাদের ইবাদত। সহীহ তুমি আহলে কিতাবের কাছে যাচ্ছ। কাজেই তাদের কাছে যখন পৌঁছবে তখন তাদেরকে এ কথার দিকে দাওয়াত দিবে- তারা যেন সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন মাবূদ নে সহীহ “হে মানব সকল! দীনের বিষয়ে বাড়াবাড়ি করা থেকে তোমরা সাবধান থাকো। কেননা তোমাদের পূর্বেকার লোকেদেরকে দীনের ব্যাপারে তাদের বাড়াবাড়ি ধ্বংস করেছে।” সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (জাহিলিয়্যাতের যুগে যাদু নষ্ট করার একটি পদ্ধতি) নুশরাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো? তিনি বললেন, তা শয়তানের সহীহ لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ، وَلاَ هَامَةَ وَلاَ صَفَرَ، وَفِرَّ مِنَ المَجْذُومِ كَمَا تَفِرُّ مِنَ الأَسَدِ : “কোন সংক্রামণ নেই, কোন পাখির গণনা নেই, হাসান যাদুকর ছাড়া কেউ যাদু খণ্ডন করতে পারে না। সহীহ কুলক্ষণ যাকে তার প্রয়োজন থেকে ফিরিয়ে রাখল সে শির্ক করল। সাহাবীগণ বললেন, তার কাফ্ফারা কী? তিনি বললেন, এ কথা বলা: হে আল্লাহ আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যা সহীহ “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকেও শরীক না করে সাক্ষাত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় তাঁর সাথে সাক্ষাত করবে যে, সে তাঁর সাথে সহীহ আল্লাহর বাণী: (অর্থ) “তোমরা তোমাদের ইলাহগুলোকে ছেড়ো না এবং তোমরা ছেড়ো না উদ, সুয়া‘, ইয়াঘূস, ইয়াউক ও নাসরকে”। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এ সম্পর্কে সহীহ নবী সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসার সাহাবীদের সম্পর্কে বলেছেন: “তাদেরকে কেবল মু’মিনরাই ভালোবাসে এবং তাদের প্রতি কেবল মুনাফিকেই বিদ্বেষ রাখে। যে ব সহীহ “আমার পূর্বে আল্লাহ তা’আলা যে নবীকেই কোন উম্মতের মধ্যে পাঠিয়েছেন, তাদের মধ্যে তাঁর জন্য একদল অনুসারী ও সাহাবা ছিল। তারা তাঁর সুন্নাতকে গ্রহণ করত এবং সহীহ যে ব্যক্তি ইসলামে ভাল রীতি চালু করবে, সে তার নিজের এবং ঐ সমস্ত লোকের সওয়াব পাবে, যারা তার (মৃত্যুর) পর তার উপর আমল করবে। তাদের সওয়াবের কিছু পরিমাণও কম সহীহ “লোকটি যদি সত্য বলে থাকে, তাহলে সফল হয়ে গেল।” সহীহ আমরা এমন এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বের হলাম, যাতে লোকজন খুব সংকটে পড়েছিল। সহীহ আমি মনে করি না যে, অমুক ও অমুক আমাদের দীন সম্পর্কে কিছু জানে। সহীহ “আমাকে লোকেদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে; যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া (সত্য) কোনো মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। আর সহীহ যখন সাদকা করার আয়াত নাযিল হল তখন আমরা (পারিশ্রমিকের বিনিময়ে) নিজের পিঠে বোঝা বহন করতাম (অর্থাৎ মুটে-মজুরের কাজ করতাম)। অতঃপর এক ব্যক্তি এল এবং প্রচুর হাদিসটি এর বিভিন্ন সূত্রের সমন্বয়ে সহীহ। “তুমি তো আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করেছো। তবে সেই ব্যক্তির জন্য এ ব্যাপারটা অতি সহজ যে ব্যক্তির জন্য আল্লাহ তা’আলা তা সহজ করে দেন সহীহ “যে ব্যক্তি আমাদের এ শরী‘আতে নাই, এমন কিছু চালু করলো তা প্রত্যাখ্যাত।” সহীহ না, তুমি তাকে হত্যা করবে না। কেননা, তুমি তাকে হত্যা করলে হত্যা করার পূর্বে তোমার যে মর্যাদা ছিল সে সেই মর্যাদা লাভ করবে, আর ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেয়ার সহীহ হে উসামা! সে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার পরেও তাকে হত্যা করেছ? সহীহ “পারস্পরিক দয়া, ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে মুমিনদের উদাহরণ একটি দেহের মতো। যখন শরীরের একটি অঙ্গ রোগাক্রান্ত হয়, তখন শরীরের সকল অঙ্গ-প্রত সহীহ “যারা (মৃত ব্যক্তির জন্য শোক প্রকাশে) গালে চপেটাঘাত করে, জামার বুক ছিড়ে এবং জাহিলিয়তের প্রথায় চিৎকার করে , তারা আমাদের দলভুক্ত নয়”। হাসান “সে ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয় (আমার উম্মাত নয়) যে শুভ- অশুভ নির্ণয় করে অথবা যার জন্য শুভ-অশুভ নির্ণয় করা হয়, অথবা যে ব্যক্তি ভাগ্য নির্ণয় করে অথবা যার সহীহ “যে ব্যক্তি গণকের কাছে যায় এবং (তার কথা সত্য ভেবে) কোন কথা জিজ্ঞেস করে, তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হয় না।” সহীহ “যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু শিক্ষা করলো, সে যেন যাদু বিদ্যার একটা শাখা আয়ত্ত করলো, এখন তা যতো বৃদ্ধি পাবে যাদুবিদ্যাও ততো বাড়বে।” সহীহ যে কোন ব্যক্তি জ্ঞাতসারে অন্যকে নিজের বাপ বলে দাবী করে, সে কুফরী করে। যে ব্যক্তি এমন কিছু দাবী করে, যা তার নয়, সে আমাদের দলভুক্ত নয়। আর সে যেন নিজের ব সহীহ “মানুষের মাঝে দুটি স্বভাব রয়েছে, যে দুটি তাদের ভেতর একধরনের(ছোট) কুফর বলে গণ্য: বংশের বদনাম করা এবং মৃতের জন্য বিলাপ করা”। সহীহ “ঈমানের সত্তরটিরও অথবা ষাটটিরও বেশি শাখা রয়েছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো এ সাক্ষ্য দেয় যে, ‘আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনো মাবূদ নেই।’ আর সর্বনিম্ন হলো রাস্ত সহীহ بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَ সহীহ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় কাজ দেখতে পাবে, সে যেন উক্ত অন্যায়কে তার হাত দিয়ে পরিবর্তন করে। যদি সে তা করতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার জিহ্বা সহীহ যে ইসলামে ভালো কর্ম করবে, সে জাহিলী যুগে যা করেছে তার জন্যে তাকে পাকড়াও করা হবে না। আর যে ইসলামে অন্যায় কাজ করবে, তাকে প্রথম ও শেষের (অপরাধের) জন্যে প সহীহ আপনি কী মনে করেন , যদি আমি ফরয সালাতসমূহ আদায় করি, রমাদানের সিয়াম পালন করি, হালালগুলোকে হালাল মানি এবং হারামসমূহকে হারাম মনে করি, সহীহ “পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। “الحمد لله” ‘আলহামদু লিল্লা ‘ মিযান-দাঁড়িপাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “سبحان الله والحمد لله” ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহ সহীহ , যেহেতু সে কোনদিনই বলেনি: “হে আমার রব, বিচার দিনে আমার ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিবেন।” সহীহ তোমরা কি জান যে, তোমাদের রব কী বলেছেন?” তারা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন তিনি বললেন: “আজকে আমার বান্দারা কেউ মুমিন আবার কেউ কাফির সহীহ আমরা আমাদের অন্তরে এমন অনেক কিছুর উদ্রেক লক্ষ করি, যা মুখে আনা আমাদের যে কারো জন্যই প্রায় অসম্ভব। তিনি বললেন: “তোমরা এমনটি বোধ কর?” তারা বললেন: হ্যাঁ, সহীহ “শয়তান তোমাদের মধ্য হতে একজনের কাছে আগমন করে জিজ্ঞাসা করতে থাকে: এটি কে সৃষ্টি করেছে? এটি কে সৃষ্টি করেছে? এক পর্যায়ে সে বলে: তোমার রবকে কে সৃষ্টি করে সহীহ “নিশ্চয় আল্লাহ কোন মুমিনের ভালোকাজের ব্যাপারে জুলুম করেন না সহীহ তুমি তোমার পূর্বের ভালোকাজের সাথেই ইসলাম গ্রহণ করেছ।” সহীহ “মুনাফিকের উদাহরণ হচ্ছে বিচরণকারী সেই ছাগীর মত, যে দুটি ছাগলের পালের মধ্যে ঘুরতে থাকে, একবার একটির কাছে আসে আবার অন্যটির কাছে যায়।” সহীহ “তোমাদের প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যে ঈমান পুরাতন হতে থাকে, যেভাবে কাপড় পুরাতন হতে থাকে, সুতরাং আল্লাহর কাছে তোমরা দু‘আ করতে থাক, যেন তিনি তোমাদের অন্তরে ঈম সহীহ “আমি হাউযের কাছে উপস্থিত হব, এমনকি আমি তোমাদের মধ্য হতে আমার নিকটে আগত ব্যক্তিদেরকে দেখতে পাব আর তারপরই একদল মানুষকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হবে। তখন আমি বলব সহীহ আমাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীস বর্ণনা করেছেন আর তিনি হচ্ছেন সত্যবাদী এবং সত্যবাদী হিসেবে প্রত্যায়িত: “নিশ্চয় তোমাদের যে কোন সহীহ এবং আমি বনু সা‘দ ইবনু বকরের ভাই দ্বিমাম ইবনু ছা‘লাবাহ। সহীহ الْيَهُودُ مَغْضُوبٌ عَلَيْهِمْ، وَالنَّصَارَى ضُلَّالٌ». “ইয়াহুদীরা হলো ক্রোধে নিপতিত, আর খৃস্টানরা হলো পথভ্রষ্ট।” সহীহ আপনি বলুন: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ তথা: আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মাবূদ নেই, তাহলে আমি আপনার জন্য কিয়ামাতের দিন সাক্ষ্য দেব। সহীহ আপনি যা বলেন এবং যেদিকে আহবান করেন, তা অতি উত্তম। আমাদের যদি অবগত করতেন, আমরা যা করেছি, তার কাফ্ফারা কী সহীহ “বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ছেড়ে দেয়া”।
بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
حسبنا الله ونعم الوكيل আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, কতই না উত্তম অভিভাবক

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত