কবরের নি‘আমত ও আযাবের আংশিক বর্ণনা

ইসলাম > Bn > হাদিস > আকদ > কবরের নি‘আমত ও আযাবের আংশিক বর্ণনা

হাদিস বর্ণনাকারী: এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।

হাসান

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 2 মিনিটের পাঠ

হাদিসের পাঠ: কবরের নি‘আমত ও আযাবের আংশিক বর্ণনা

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : إذا قُبِر الميت -أو قال: أحدكم- أتاه ملكان أسودان أزرقان، يقال لأحدهما: المُنكَر، وللآخر: النَّكِير، فيقولان: ما كنتَ تقول في هذا الرجل؟ فيقول: ما كان يقول: هو عبد الله ورسوله، أشهد أن لا إله إلا الله، وأن محمدا عبده ورسوله، فيقولان: قد كنا نعلم أنك تقول هذا، ثم يُفْسَح له في قبره سبعون ذِراعا في سبعين، ثم يُنَوَّر له فيه، ثم يقال له: نم، فيقول: أرجع إلى أهلي فأخبرهم، فيقولان: نم كنومة العروس الذي لا يوقِظه إلا أحب أهله إليه، حتى يبعثه الله من مَضْجعه ذلك، وإن كان منافقا قال: سمعتُ الناس يقولون، فقلت مثله، لا أدري، فيقولان: قد كنا نعلم أنك تقول ذلك، فيقال للأرض: التَئِمي عليه، فتَلْتَئِم عليه، فتختلف فيها أضلاعه، فلا يزال فيها مُعذَّبا حتى يبعثه الله من مَضْجعه ذلك.

হাদিসের ব্যাখ্যা: কবরের নি‘আমত ও আযাবের আংশিক বর্ণনা

যখন মৃতকে কবর দেওয়া হয়, তখন দুইজন কালো বর্ণের ফিরিশতা আসে তাদের একজনের নাম মুনকার এবং অপরজনের নাম নকীর। তারা দুইজন তাকে বলে, এ লোকটি সম্পর্কে তুমি কি বলতে? তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করেন। তখন সে বলে তিনি আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আর মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল। তখন তারা বলবে, আমরা জানতাম তুমি এ কথাই বলবে। তারপর তার জন্য সত্তুরের মধ্যে সত্তুর বাহু পরিমাণ কবরকে প্রসস্থ করা হয়। তারপর তার জন্য কবর আলোকিত করা হয়। তারপর তাকে বলা হবে ঘুমাও। তখন সে বলবে আমি আমার পরিবারে নিকট যেতে চাই। তারপর তাদের সংবাদ দেব যে, আমি ভালো আছি যাতে তারা শোনে খুশি হয় এবং আমার জন্য দুশ্চিন্তা না করে। তারা বলবে, তুমি নতুন দুলার মতো ঘুমাও যাকে একমাত্র তার সবচেয়ে প্রিয় লোকটি ছাড়া আর কেউ জাগায় না। তারপর সে খুব আরামের ঘুম ঘুমাবে যতক্ষণ না আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করেবেন। আর যদি সে মুনাফিক হয়, তখন সে বলে, আমি মানুষকে বলতে শুনেছি তারা একটি কথা বলত, আর তা হলো তিনি হলে আল্লাহর রাসূল। তাই আমিও তাদের মতো বলেছি। আমি জানি না তিনি বাস্তবে নবী কি নবী নয়। তখন তারা দুইজন বলবেন, আমরা জানতাম তুমি এ কথা বলবে। তখন যমীনকে বলা হবে, তার ওপর মিলে যাও ও একত্র হও এবং তার ওপর সংকীর্ণ হও। তখন তার অঙ্গগুলো একত্র হয়ে যাবে। এমনকি তার ওপর কঠিন চাপ, শক্তি প্রয়োগ ও তার অঙ্গগুলোকে সংকীর্ণ করার ফলে হাঁড়গুলো সঠিক অবস্থা থেকে সরে যাবে যে সঠিক অবস্থার ওপর ইতিপূর্বে ছিল এবং তার এক পাশ অপর পাশের মধ্যে ঢুকে যাবে। সে এ অবস্থায় শাস্তি পেতে থাকবে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যেদিন আল্লাহ তাকে উত্থিত করবেন।

বিভাগ : আকীদা · শেষ দিবসের উপর ঈমান · বারযাখী জীবন

بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
لا إله إلا الله আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত