শরয়ী আদবসমূহ সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > শরয়ী আদবসমূহ

«শরয়ী আদবসমূহ» সম্পর্কে 165টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

শরয়ী আদবসমূহ সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে পিছনে চলতেন। তিনি দুর্বলকে চলতে সাহায্য করতেন, তাকে পিছনে বসিয়ে নিতেন এবং তার জন্য দো‘আ করতেন। সহীহ হে মুহাজির ও আনসারের দল! তোমাদের ভাইদের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে, যাদের কোনো মাল নেই, স্বগোত্রীয় লোকও নেই। সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকে যেন দুই অথবা তিনজন সহীহ আর নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগীকেই সাক্ষাৎ করতে যেতেন, তাকে বলতেন, অর্থাৎ, কোন ক্ষতি নেই, (গোনাহ থেকে) পবিত্র হবে, ইনশাআল্লাহ। সহীহ দু’জনের খাবার তিনজনের জন্যে যথেষ্ট ও তিনজনের খাবার চারজনের জন্য যথেষ্ট। হাসান তুমি আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো এবং প্রত্যেক উঁচু স্থানে ‘আল্লাহু আকবার’ তথা আল্লাহর তাকবীর বলো। হাসান একটা লোক বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্য থেকে কোন লোক তার ভাইয়ের সাথে কিম্বা তার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করলে তার সামনে কি মাথা নত করবে?’ সহীহ হে আল্লাহ, যেদিন আপনি আপনার বান্দাদের একত্রিত করবেন অথবা পুনরুত্থিত করবেন, সেদিন আপনার শাস্তি থেকে আমাকে রক্ষা করুন। উভয় বর্ণনাসহ সহীহ আমরা উপরে উঠলে বলতাম, আল্লাহু আকবর। আর নিচে নামলে বলতাম সুবহানাল্লাহ। সহীহ হে লোকসকল! তোমরা নিজেদের ওপর কোমলতা অবলম্বন কর। কেননা, তোমরা কোনো বধির ও অনুপস্থিতকে ডাকছ না। তিনি তো তোমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। তিনি সর্বশ্রোতা ও নিকটবর্ সহীহ কোনো মুসলিম যদি অপর কোনো মুসলিম রোগীকে সকাল বেলায় দেখতে যায় তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা দো‘আ করতে থাকেন। হাদিসটি এর বিভিন্ন সূত্রের সমন্বয়ে সহীহ। “দু’জন মুসলিম পরস্পর সাক্ষাৎ করার পর যখন মুসাফাহা করে, তখন তাদের বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগেই তাদের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়”। সহীহ “যে ইলমের দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা যায়, কোনো লোক যদি দুনিয়াবী স্বার্থ লাভের জন্য তা শিক্ষা করে, তবে সে কিয়ামতের দিন জান্নাতের সুগন্ধি পাবে হাদীসটির সনদ হাসান। ১৭৯৭- আনাস ইবনে সীরীন হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি অগ্নিপূজক সম্প্রদায়ের কিছু লোকের কাছে আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। এমন সহীহ “যে ব্যক্তি কসম করতে গিয়ে বলল, ‘লাত ও উয্যার(মূর্তির) কসম’, সে যেন ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে। আর যে ব্যক্তি তার সঙ্গীকে বলে, ‘এস তোমার সাথে জুয়া খেলি’ উভয় বর্ণনাসহ সহীহ আমরা ছোট শিশুদের সাথে (মদীনার উপকণ্ঠে অবস্থিত) ‘সানিয়াতুল ওদা‘’ নামক স্থানে তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলাম। সহীহ “প্রকাশ্যে কুরআন তেলাওয়াতকারী প্রকাশ্যে সদাকাকারীর ন্যায় আর গোপনে কুরআন তেলাওয়াতকারী গোপনে সদাকাকারীর ন্যায়।” সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিদিন রাতে যখন বিছানায় যেতেন, তখন তিনি তার দু হাতের তালু একত্রিত করে সূরা ইখ্লাস {قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ}, সূরা সহীহ “চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হচ্ছে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভা সহীহ “জেনে রাখো! তোমাদের প্রত্যেকেই স্বীয় রব্বের সাথে চুপিসারে আলাপে রত আছো। কাজেই তোমরা পরস্পরকে কষ্ট দিও না সহীহ তোমরা সাদা পোশাক পরো, কারণ এটি তোমাদের পোশাকের মধ্যে সর্বোত্তম এবং তোমাদের মৃতদেরকে এতে কাফন দাও। সহীহ “মুমীন দোষারোপকারী , অভিশাপ-কারী, নির্লজ্জ ও অশ্লীল-ভাষী হয় না।” সহীহ “তাকে লা’নত করো না। আল্লাহর কসম! আমি জানি যে, সে আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলকে ভালবাসে”। সহীহ “কোন ব্যক্তি যদি তার ভাইকে ‘কাফির’ বলে, তবে সেই কুফরির বিষয়টি তাদের যে কোন একজনের উপর বর্তাবে। যদি সে কাফির হয়, (তাহলে ঠিক আছে) অন্যথায় তা নিজের দিকেই সহীহ “আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন: আদম সন্তান আমাকে কষ্ট দেয়। সে যমানাকে গালি দেয়; অথচ আমিই যমানা, আমার হাতেই সকল কর্ম, আমিই রাত-দিনের পরিবর্তন ঘটাই।” সহীহ “তোমরা ক্রন্দনরত অবস্থা ছাড়া এমন লোকদের আবাস স্থলে প্রবেশ করো না যারা নিজেরাই নিজেদের উপর জুলুম করেছে সহীহ “যে ব্যক্তি আমাদের কাছ থেকে কিছু শোনে এবং যেমন শুনেছে তেমনভাবে তা পৌঁছে দেয়, আল্লাহ তাকে তরতাজা করুন, কারণ অনেক বাহক শ্রোতার চেয়ে বেশি জ্ঞানী”। সহীহ সবচেয়ে বানোয়াট মিথ্যা হলো, মানুষ যে স্বপ্ন দু’চোখে দেখে নি সেটাই দেখছে বলে প্রকাশ করা। সহীহ সিদ্দিকের জন্য অভিসম্পাতকারী হওয়া সঙ্গত নয়। হাসান তোমরা আল্লাহর অভিশাপ, আল্লাহর গযব বা জাহান্নাম দ্বারা অভিশাপ দিও না। সহীহ বান্দা যখন কাউকে অভিশাপ করে তখন অভিশাপটি আকাশের দিকে অগ্রসর হয়। অতঃপর তার জন্য তার দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। অতঃপর যমীনের দিকে নেমে আসে। তখন তার জন্ সহীহ ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফরে ছিলেন। আনসারী এক মহিলা এক উটন সহীহ আবূ বারযাহ নাধলাহ ইবন উবাইদ আসলামী -রাদিয়াল্লাহ আনহু- বলেন, একবার এক যুবতী মহিলা একটি উটনীর উপর সওয়ার ছিল। আর তার উপর লোকেদের (সহযাত্রীদের) কিছু আসবাব সহীহ অতীতে যা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে যা ঘটবে সে সমস্ত বিষয়গুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানালেন। অতএব আমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্ব সহীহ যে ব্যক্তি (গর্বভরে) বলে, লোকেরা ধ্বংস হয়ে গেল, সেই তাদের মধ্যে সর্বাধিক ধ্বংসপ্রাপ্ত। সহীহ গালাগালিতে রত দু’জন ব্যক্তি যে সব কুবাক্য উচ্চারণ করে, সে সব তাদের মধ্যে সূচনাকারীর উপরে বর্তায়; যতক্ষণ না অত্যাচারিত ব্যক্তি (প্রতিশোধ গ্রহণে) সীমা অ সহীহ যে ব্যক্তি তার কোনো (মুসলিম) ভাইয়ের সঙ্গে বছরব্যাপী বাক্যালাপ বন্ধ করবে, তা হবে তার রক্তপাত ঘটানোর মতো। সহীহ রাস্তা-ঘাটে মজলিস করা তোমাদের অভ্যাস কেন? রাস্তাঘাটে বৈঠক করা তোমরা বর্জন করবে। সহীহ “এক পুরুষ আরেক পুরুষের সতরের দিকে তাকাবে না এবং এক নারীও আরেক নারীর সতরের দিকে তাকাবে না। সহীহ তোমরা পাত্র ঢেকে দাও,পানির মশকের মুখ বেঁধে দাও, দরজাসমূহ বন্ধ ক’রে দাও, প্রদীপ নিভিয়ে দাও। কেননা, শয়তান মুখ বাঁধা মশক খুলে না, বন্ধ দরজাও খুলে না এবং সহীহ ঘুমানোর সময় তোমরা তোমাদের ঘরে আগুন রেখে ঘুমাবে না। সহীহ হে মানব সকল! তোমাদের কেউ কোনো কথা জানলে সে যেন তা-ই বলে। আর যে না জানে সে যেন বলে-আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। কেননা এটাও জ্ঞানের অংশ যে, যে বিষয়ে জানবে সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষকে দাঁড়িয়ে জুতা পরতে নিষেধ করেছেন। সহীহ তোমরা মোরগকে গালি দিয়ো না। কারণ, সে সালাতের জন্যে জাগ্রত করে। সহীহ তুমি জ্বরকে গালি দিয়ো না। কেননা জ্বর আদম সন্তানের গুনাহসমূহ মোচন করে দেয়, যেভাবে কামারের হাঁপর লোহার মরিচা দূর করে দেয়। সহীহ তোমরা মুনাফিকদের সাইয়েদ বলবে না। কেননা তোমরা যদি তাদের সাইয়্যেদ বলো তবে তোমরা তোমাদের মহান রবকে অসন্তুষ্ট করবে।
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.1 / 29.5
আলোকিতকরণ 94%
12 দিনে অমাবস্যা
اللهم صل على محمد হে আল্লাহ, মুহাম্মদের উপর দরূদ পাঠাও

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত