ইসলাম > Bn > হাদিস > লনদন বষয়ক মসআল মসয়ল > আল্লাহর কসম! তোমরা যে কেউ অন্যায় পন্থায় কোন কিছু গ্রহণ করবে, সে কিয়ামতের দিন তা বয়ে নিয়ে আ…
সহীহ27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 2 মিনিটের পাঠনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু সালিম গোত্র থেকে যাকাত আদায়ের জন্য ইবনে আল-লাতিবিয়া নামে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ করেছিলেন। যখন তিনি মদিনায় ফিরে আসেন, তখন তিনি যা গ্রহণ করেছেন এবং যা ব্যয় করেছেন তার হিসাব গ্রহণ করলেন। ইবনু আল-লাতিবিয়া বলেন: এটা আপনাদের সম্পদ যা আমি যাকাত থেকে সংগ্রহ করেছি আর এই সম্পদ আমাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: তুমি কেন তোমার পিতামাতার ঘরে বসে থাকলে না, যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তাহলে দেখতে পেতে তোমাদের হাদিয়া দেওয়া হয় কিনা? তুমি যে হকের (যাকাতের) জন্য কাজ করেছো, সেটাই হলো তোমাকে উপহার দেওয়ার কারণ। আর যদি তুমি তোমার ঘরে থাকতে, তাহলে তোমাকে কিছুই দেওয়া হতো না, তাই শুধু উপহার হিসেবে তোমার কাছে পৌঁছেছে বলেই এটাকে জায়েয মনে করা উচিত নয়। তারপর তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগান্বিত অবস্থায় খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে আরোহণ করলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানালেন, তারপর বললেন: অতঃপর, আমি তোমাদের মধ্য থেকে একজনকে যাকাত ও গণিমতের সম্পদ আদায়ে কর্মী ও দায়িত্বশীল হিসেবে নিযুক্ত করি, যার ওপর কর্তৃত্ব করার অধিকার আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন, তারপর সে তার কাজ থেকে ফিরে এসে বলে: এটা তোমাদের জন্য আর এটা আমার আমার হাদীয় যা আমাকে হাদীয় হিসেবে দেয়া হয়েছে! সে তার বাবা-মায়ের বাড়িতে বসে থাকল না কেন? যাতে তার হাদিয়া ঘরে চলে আসতো? আল্লাহর কসম, কেউ যদি অন্যায়ভাবে কিছু গ্রহণ করে, তবে কিয়ামতের দিন সে তা ঘাড়ে বহন করে আল্লাহর সাথে দেখা করবে, তার গ্রহণ করা প্রাণী যদি উট হয় তার গর্জন থাকবে, অথবা গরু হয় তার হুংকার থাকবে, অথবা ভেড়া হয় তার চিৎকার থাকবে। তারপর তিনি তাঁর হাত এত উঁচু করলেন যে সেখানে বসে থাকা লোকেরা তাঁর বগলের সাদা অংশ দেখতে পেল, তারপর বললেন: হে আল্লাহ, আমি আপনার হুকুম তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। এরপর আবু হামিদ আস-সাঈদী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: এটা এমন সংবাদ যা তার চোখ দেখেছে এবং তার কান শুনেছে।
বিভাগ : লেনদেন বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল · হেবা ও দান · শরয়ী নীতি · রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব-কর্তব্য · ফিকহ ও উসূলে ফিকহ · দা‘ওয়াহ্ (আল্লাহর পথে আহ্বান) ও হিসবাহ (সৎকাজের আদেশ-অসৎকাজের নিষেধ)