ইসলাম > Bn > হাদিস > ফকহ ও উসল ফকহ > রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক যিনাকারী অবিবাহিতা দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা…
সহীহ27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 1 মিনিটের পাঠعن أبي هُرَيْرة وزَيْدُ بْنُ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ رضي الله عنهما أنه سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الأَمَةِ إذَا زَنَتْ وَلَمْ تُحْصَنْ؟ قَالَ: «إنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا، ثُمَّ إنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا، ثُمَّ إنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا، ثُمَّ بِيعُوهَا وَلَوْ بِضَفِيرٍ».
قالَ ابنُ شِهابٍ: «ولا أَدري، أَبَعْدَ الثَّالِثَةِ أَوِ الرَّابِعةِ».
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবিবাহিত দাসীর যিনার শাস্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিলেন যে, দাসী যিনা করলে তাকে বেত্রাঘাত করবে। আর দাসীর বেত্রাঘাতের শাস্তি স্বাধীন নারীর শাস্তির অর্ধেক। সুতরাং দাসীর শাস্তি হবে পঞ্চাশ বেত্রাঘাত। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, “অতঃপর যখন তারা বিবাহিত হবে তখন যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তাহলে তাদের উপর স্বাধীন নারীর অর্ধেক আযাব হবে।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ২৫]
অতপর সে যদি আবার যিনা করে তবে আবার তাকে পঞ্চাশ বেত্রাঘাত করবে। এতে হয়ত সে অশ্লীল কাজ থেকে বিরত হবে। এরপরও যদি সে তৃতীয়বার যিনা করে, শাস্তি তাকে দমন না করে এবং সে তাওবা না করে আর তুমি তার দ্বারা আরো অশ্লীলতার আশঙ্কা করো তাহলে তাকে শাস্তি দিয়ে বিক্রি করে দাও, যদি তা সামান্য রশির বিনিময়েও হয়। কেননা তাকে রেখে দেওয়াতে কোন কল্যাণ নেই এবং শীঘ্রই তার সংশোধন হওয়ার সম্ভাবনা নেই; বরং তাকে কাছে রাখার চেয়ে দূরে সরিয়ে রাখা উত্তম। যাতে তার (মালিকের) বসবাসকারী গৃহে সে অকল্যাণের কারণ না হয়।
বিভাগ : শাস্তিসমূহ · ব্যভিচারের শাস্তি · ফিকহ ও উসূলে ফিকহ