হজ ও উমরা সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > হজ ও উমরা

«হজ ও উমরা» সম্পর্কে 54টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

হজ ও উমরা সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ আল্লাহ তা’আলা এটা আদামের কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তুমি হাজ্জ পালনকারীগণ যা করে তাই কর কিন্তু পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করো সহীহ নিশ্চয় যামানা (কাল) নিজের ঐ অবস্থায় ফিরে এল যেদিন আল্লাহ তা‘আলা আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। (অর্থাৎ দুনিয়া সৃষ্টি করার সময় যেরূপ বছর ও মাসগুলো ছিল সহীহ “(এক) স্বামী কিংবা মাহরাম(যার সাথে কখনো বিবাহ জায়েয নেই) ব্যতীত কোন মহিলা দু’দিনের পথ সফর করবে না। সহীহ বিদায় হজে নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে আমাকে নিয়ে হজ করা হয়েছে। আমি তখন সাত বছরের ছেলে।’ সহীহ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহনে চড়ে হজ সমাধা করেন। আর ঐ বাহনটিই ছিল প্রয়োজনীয় যাবতীয় সাজ-সরঞ্জামের বাহক। সহীহ “যখন রমাদান আসবে তখন তুমি উমরাহ করবে; কেননা রমাদানে উমরাহ পালন করা হজের সমতুল্য।” সহীহ উক্কায, মাজিন্নাহ ও যুল-মাজায নামক স্থানগুলো (ইসলামপূর্ব) জাহেলী যুগের বাজার ছিল। ফলে সাহাবায়ে কেরাম সে মৌসুমগুলোতে ব্যবসা করাকে পাপ মনে করলেন। তার বৈ সহীহ “যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ পালন করলো এবং অশালীন কথা-কর্ম ও গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে এমনভাবে (নিষ্পাপ অবস্থায়) ফিরে যাবে, যেন তার মা তাকে ঐদিনে সহীহ হে আল্লাহর রাসূল, আমরা জিহাদকে সর্বশ্রেষ্ট আমল হিসেবে জানি, তাহলে আমরা কি জিহাদ করব না? তিনি বললেন: “না, তবে সর্বশ্রেষ্ট জিহাদ হচ্ছে- মাবরূর হজ।” সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ’বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবা সহীহ নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাত্হায় অবস্থিত সানিয়্যা ‘উলয়ার কাদা নামক স্থান দিয়ে মাক্কায় প্রবেশ করেন এবং সানিয়্যা সুফলার দিক দিয়ে বে সহীহ আমি অবশ্যই জানি যে, তুমি একখানা পাথর মাত্র, তুমি কারো অকল্যাণ ও কল্যাণ করতে পারো না। আমি যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তোমায় চুম্বন করতে না সহীহ বিদায় হাজ্জে নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের পিঠে আরোহণ করে তাওয়াফ করেন। তিনি লাঠির দ্বারা হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতেন। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুই রুকনে ইয়ামনি ছাড়া বাইতুল্লাহর আর কোন অংশকে স্পর্শ করতে দেখিনি। সহীহ তিনি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে আরাফার দিনে (মুযদালিফায়) ফিরছিলেন। এমন সময় নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিছন থেকে (উটকে) কঠিন ধমক সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মদীনা থেকে বাইরে গমনকালে) শাজারা নামক জায়গার রাস্তা ধরে বের হতেন এবং ফিরার সময় (যুল হুলাইফার) মুআর্রাস মসজি সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় এসে সর্বপ্রথম জামরায় গেলেন এবং তাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করলেন। অতঃপর তিনি মিনায় তার মানযিলে (অবস্থান করার সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার উট পরিচালনা করার নির্দেশ দেন। আর তিনি নির্দেশ যে, আমি যেন তার গোস্ত, চামড়া, জীনপোষ সাদকা করে দিই সহীহ মুতআর আয়াত —অর্থাৎ হজ্জে তামাত্তুর আয়াত নাযিল হলো। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করার জন্য আমাদের আদেশ দিলেন। তারপর এমন কোন আয়াত না সহীহ ইবন আব্বাসকে মুত‘আ (তামাত্তু হজ্জ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি তা করতে আমাকে আদেশ দেন। আর আমি তাকে হাদী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বলেন, তাতে উট, সহীহ মুহরিম শিকারকৃত জন্তুর গোস্ত ভক্ষণ করল যা তার জন্যে শিকার করা হয়নি এবং শিকার করতে সে সাহায্যও করে নি। সহীহ হাজীদের পানি পান করানোর আব্বাস ইবন আব্দুল মুত্তালিব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট মিনার দিনগুলোতে মক্কায় রাত কাটানোর অনুমতি প্রার সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একবার একটি ছাগল হাদীয়াহ দেওয়া হলো। সহীহ আমি নিজ হাতে নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর আমি সেটি চিহ্নিত করলাম এবং তিনি তাকে কিলাদা পরা সহীহ আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর। সে বলল, এ তো কুরবানীর উট। তিনি ব সহীহ এক ব্যক্তি আরাফায় অবস্থান করছিল হটাৎ সে তার উটের পিঠ থেকে পড়ে গেল, ফলে উট তার ঘাড় ভেঙ্গে দিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে কুলপাতা ম সহীহ লোকদেরকে সবশেষে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করে বিদায় হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে; তবে ঋতুবতী নারীর জন্য এ তাওয়াফ শিথিল (মাফ) করা হয়েছে। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যখন তিনি মক্কায় আগমন করেন তাওয়াফের শুরুতে হাজরে আসওয়াদকে চুমু দেন এবং প্রথম তিন চক্করে রমল করে সহীহ হে আল্লাহর রাসূল! লোকদের কী হল, তারা ‘উমরাহ শেষ করে হালাল হয়ে গেল, অথচ আপনি ‘উমরাহ হতে হালাল হচ্ছেন না? তিনি বললেন, আমি মাথায় আঠালো বস্তু লাগিয়েছি এবং সহীহ তিনি বাইতুল্লাহকে নিজের বামে রেখে এবং মিনাকে ডানে রেখে বললেন, এটিই ঐ সত্ত্বার দাঁড়ানোর স্থান, যার উপর সূরা বাকারাহ নাযিল হয়েছে। সহীহ মক্কা বিজয়ের পর সেখান থেকে আর হিজরত নেই; কিন্তু জিহাদ ও নিয়ত অবশিষ্ট রয়েছে। আর যখন তোমাদের জিহাদে যাওয়ার ডাক দেওয়া হবে তখন তোমরা বেরিয়ে পড়বে। সহীহ “যে মহিলা আল্লাহ্ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে কোন মাহরাম পুরুষকে সাথে না নিয়ে একদিন ও এক রাত্রির পথ সফর করা জায়িয নয়”। সহীহ মুহরিম অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কীভাবে তাঁর মাথা ধৌত করতেন? আবূ আইউব রাদিয়াল্লাহু আনহু স্বীয় হাতকে কাপড়ের ওপর রেখে তা সরালেন। এতে সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে আমরা হজ্জের তালবিয়া পাঠ করতে করতে মক্কায় উপনীত হলাম। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহীহ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুহরিমদের উদ্দেশে ‘আরাফাতে ভাষণ দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন: যার চপ্পল নেই সে মোজা পরিধান করবে আর যার লুঙ্গি নেই সহীহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া ছিল এরূপ: “আমি হাযির হে আল্লাহ! আমি হাযির, আমি হাযির; আপনার কোনো অংশীদার নেই, আমি হাযির। নিশ্চয় সকল প্ সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো। তখন আমার চেহারার উপর দিয়ে মাথার উকুন ঝরে পড়ছিল। তিনি বললেন, আমি মনে করতাম ন সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর সহাবীগণ চার তারিখ সকালে মক্কায় আগমন করেন। তখন তিনি তাদের ইহরামকে উমরায় পরিণত করার নির্দেশ দেন। তারা সহীহ বিদায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কেমন গতিতে পথ চলেছিলেন? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সাধারণ গতিতে চলতেন আর যখন প্রশস্ত ফাঁকা জায়গা পেতেন, তখন দ্র সহীহ পাঁচ প্রকার প্রাণী; সবগুলোই ক্ষতিকর। এগুলোকে হারামেও হত্যা করা যাবে। কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর ও হিংস্র কুকুর। সহীহ জামা, পাগড়ী, পাজামা, টুপি এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু জুতা না পেলে চামড়ার মোজা পরতে পারে, তবে টাখনুর নিচ থেকে কেটে ফেলবে। (যাতে মোজা দু’টি পায়ের গ সহীহ আমি পরে যা জানতে পেরেছি তা যদি আগে জানতাম, তাহলে কুরবানীর পশু সাথে আনতাম না। আমার সাথে কুরবানীর পশু না থাকলে অবশ্যই ইহরাম ভঙ্গ করতাম। সহীহ আকরা, হালকা (বিরক্তি প্রকাশক শব্দ), সেকি কুরবানির দিন তাওয়াফ করেছে? বলা হলো হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে রওয়ানা দাও। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুতবাহ দেন। অতঃপর যবেহ্ করেন এবং তিনি বলেন, সালাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ্ করব সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (শিকার করা) এক জংলী গাধা উপঢৌকন দিলাম। সহীহ “এমন কোন দিন নাই যাতে নেক আমল করা আল্লাহর নিকট এ দিনগুলো অর্থাৎ যিলহজ্জ মাসের দশ দিনের নেক আমল অপেক্ষা অধিক প্রিয় হবে। সহীহ بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَ সহীহ “মাসজিদুল হারাম ব্যতীত আমার এ মসজিদে সালাত আদায় করা অন্য মসজিদে এক হাজার সালাতের চেয়ে উত্তম”। সহীহ “তোমরা হজ ও উমরা একটির পর অপরটি করতে থাক। কেননা, এ দু’টি দারিদ্র্য ও গুনাহ দূর করে দেয়, যেমন কামারের হাপর লোহা, সোনা ও রূপার ময়লা দূর করে দেয়। আর মা সহীহ আল্লাহ মক্কা থেকে হস্ত বাহিনীকে বিরত রেখেছেন। তার ওপর তার রাসূল ও মু’মিনদের বিজয়ী করেছেন। আর এ শহর আমার পূর্বে কারো জন্য বৈধ ছিল না এবং আমার পরে কারো সহীহ بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَ সহীহ হে আল্লাহ! মাথা মুণ্ডনকারীদের প্রতি দয়া করুন। সহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! চুল খাটোকারীদের প্রতিও। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! মাথা মুণ্ডনকারীদের প্রতি সহীহ ‘আরাফার দিন অপেক্ষা এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আল্লাহ সর্বাধিক বেশি সংখ্যায় বান্দাকে জাহান্নামমুক্ত করেন। এ দিন তিনি (বান্দার) নিকটবর্তী হন, অতঃপর তাদের সহীহ যার কাছে এমন কুরবানীর পশু আছে যাকে যবেহ করার ইচ্ছা রাখে, সে যেন যুলহিজ্জার চন্দ্রোদয়ের পর থেকে কুরবানী যবেহ না করা পর্যন্ত নিজ চুল, নখ কিছু অবশ্যই না
بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.5 / 29.5
আলোকিতকরণ 97%
13 দিনে অমাবস্যা
لا حول ولا قوة إلا بالله আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত