Muhiuddin Khan
মুসহাফের পৃষ্ঠা 576-এ 30টি আয়াত রয়েছে। এটি জুজ 29, হিযব 58-এর অন্তর্ভুক্ত।
10 জুলাই 2026 তারিখ 03h52 এ আপডেট করা হয়েছে
coran.read_full_page : কুরআনের পৃষ্ঠা 576 পড়ুন →
إِنَّهُۥ فَكَّرَ وَقَدَّرَ ﴿١٨﴾
সে চিন্তা করেছে এবং মনঃস্থির করেছে,
فَقُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ﴿١٩﴾
ধ্বংস হোক সে, কিরূপে সে মনঃস্থির করেছে!
ثُمَّ قُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ﴿٢٠﴾
আবার ধ্বংস হোক সে, কিরূপে সে মনঃস্থির করেছে!
ثُمَّ نَظَرَ ﴿٢١﴾
সে আবার দৃষ্টিপাত করেছে,
ثُمَّ عَبَسَ وَبَسَرَ ﴿٢٢﴾
অতঃপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করেছে ও মুখ বিকৃত করেছে,
ثُمَّ أَدْبَرَ وَٱسْتَكْبَرَ ﴿٢٣﴾
অতঃপর পৃষ্ঠপ্রদশন করেছে ও অহংকার করেছে।
فَقَالَ إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا سِحْرٌۭ يُؤْثَرُ ﴿٢٤﴾
এরপর বলেছেঃ এতো লোক পরস্পরায় প্রাপ্ত জাদু বৈ নয়,
إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا قَوْلُ ٱلْبَشَرِ ﴿٢٥﴾
এতো মানুষের উক্তি বৈ নয়।
سَأُصْلِيهِ سَقَرَ ﴿٢٦﴾
আমি তাকে দাখিল করব অগ্নিতে।
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا سَقَرُ ﴿٢٧﴾
আপনি কি বুঝলেন অগ্নি কি?
لَا تُبْقِى وَلَا تَذَرُ ﴿٢٨﴾
এটা অক্ষত রাখবে না এবং ছাড়বেও না।
لَوَّاحَةٌۭ لِّلْبَشَرِ ﴿٢٩﴾
মানুষকে দগ্ধ করবে।
عَلَيْهَا تِسْعَةَ عَشَرَ ﴿٣٠﴾
এর উপর নিয়োজিত আছে উনিশ (ফেরেশতা)।
وَمَا جَعَلْنَآ أَصْحَـٰبَ ٱلنَّارِ إِلَّا مَلَـٰٓئِكَةًۭ ۙ وَمَا جَعَلْنَا عِدَّتَهُمْ إِلَّا فِتْنَةًۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِيَسْتَيْقِنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ وَيَزْدَادَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِيمَـٰنًۭا ۙ وَلَا يَرْتَابَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْمُؤْمِنُونَ ۙ وَلِيَقُولَ ٱلَّذِينَ فِى قُلُوبِهِم مَّرَضٌۭ وَٱلْكَـٰفِرُونَ مَاذَآ أَرَادَ ٱللَّهُ بِهَـٰذَا مَثَلًۭا ۚ كَذَٰلِكَ يُضِلُّ ٱللَّهُ مَن يَشَآءُ وَيَهْدِى مَن يَشَآءُ ۚ وَمَا يَعْلَمُ جُنُودَ رَبِّكَ إِلَّا هُوَ ۚ وَمَا هِىَ إِلَّا ذِكْرَىٰ لِلْبَشَرِ ﴿٣١﴾
আমি জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক ফেরেশতাই রেখেছি। আমি কাফেরদেরকে পরীক্ষা করার জন্যেই তার এই সংখ্যা করেছি-যাতে কিতাবীরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়, মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং কিতাবীরা ও মুমিনগণ সন্দেহ পোষণ না করে এবং যাতে যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা এবং কাফেররা বলে যে, আল্লাহ এর দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছেন। এমনিভাবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথে চালান। আপনার পালনকর্তার বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন এটা তো মানুষের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
كَلَّا وَٱلْقَمَرِ ﴿٣٢﴾
কখনই নয়। চন্দ্রের শপথ,
وَٱلَّيْلِ إِذْ أَدْبَرَ ﴿٣٣﴾
শপথ রাত্রির যখন তার অবসান হয়,
وَٱلصُّبْحِ إِذَآ أَسْفَرَ ﴿٣٤﴾
শপথ প্রভাতকালের যখন তা আলোকোদ্ভাসিত হয়,
إِنَّهَا لَإِحْدَى ٱلْكُبَرِ ﴿٣٥﴾
নিশ্চয় জাহান্নাম গুরুতর বিপদসমূহের অন্যতম,
نَذِيرًۭا لِّلْبَشَرِ ﴿٣٦﴾
মানুষের জন্যে সতর্ককারী।
لِمَن شَآءَ مِنكُمْ أَن يَتَقَدَّمَ أَوْ يَتَأَخَّرَ ﴿٣٧﴾
তোমাদের মধ্যে যে সামনে অগ্রসর হয় অথবা পশ্চাতে থাকে।
كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ رَهِينَةٌ ﴿٣٨﴾
প্রত্যেক ব্যক্তি তার কৃতকর্মের জন্য দায়ী;
إِلَّآ أَصْحَـٰبَ ٱلْيَمِينِ ﴿٣٩﴾
কিন্তু ডানদিকস্থরা,
فِى جَنَّـٰتٍۢ يَتَسَآءَلُونَ ﴿٤٠﴾
তারা থাকবে জান্নাতে এবং পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
عَنِ ٱلْمُجْرِمِينَ ﴿٤١﴾
অপরাধীদের সম্পর্কে
مَا سَلَكَكُمْ فِى سَقَرَ ﴿٤٢﴾
বলবেঃ তোমাদেরকে কিসে জাহান্নামে নীত করেছে?
قَالُوا۟ لَمْ نَكُ مِنَ ٱلْمُصَلِّينَ ﴿٤٣﴾
তারা বলবেঃ আমরা নামায পড়তাম না,
وَلَمْ نَكُ نُطْعِمُ ٱلْمِسْكِينَ ﴿٤٤﴾
অভাবগ্রস্তকে আহার্য্য দিতাম না,
وَكُنَّا نَخُوضُ مَعَ ٱلْخَآئِضِينَ ﴿٤٥﴾
আমরা সমালোচকদের সাথে সমালোচনা করতাম।
وَكُنَّا نُكَذِّبُ بِيَوْمِ ٱلدِّينِ ﴿٤٦﴾
এবং আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার করতাম।
حَتَّىٰٓ أَتَىٰنَا ٱلْيَقِينُ ﴿٤٧﴾
আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত।