সূরা الحجرات শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা الحجرات শব্দে শব্দে
الحجرات (الحجرات) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মাদানী, মদীনাতে নায়িল, 18টি আয়াত, 347টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
347টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা الحجرات আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 2 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা الحجرات: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تُقَدِّمُوا۟ بَيْنَ يَدَىِ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ ۖ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌۭ
মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও রসূলের সামনে অগ্রণী হয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন ও জানেন।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
تُقَدِّمُوا۟
tuqaddimū
তোমরা অগ্রসর হয়ো (কোন বিষয়ে)
▶
بَيْنَ
bayna
আগে
▶
يَدَىِ
yadayi
আগে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَرَسُولِهِۦ ۖ
warasūlihi
ও তাঁর রাসুলের
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং ভয় করো
▶
ٱللَّهَ ۚ
l-laha
আল্লাহকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
سَمِيعٌ
samīʿun
সবকিছু শুনেন
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
সবকিছু জানেন
আয়াত 2 - সূরা الحجرات: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَرْفَعُوٓا۟ أَصْوَٰتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ ٱلنَّبِىِّ وَلَا تَجْهَرُوا۟ لَهُۥ بِٱلْقَوْلِ كَجَهْرِ بَعْضِكُمْ لِبَعْضٍ أَن تَحْبَطَ أَعْمَـٰلُكُمْ وَأَنتُمْ لَا تَشْعُرُونَ
মুমিনগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের উপর তোমাদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উঁচুস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উঁচুস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিস্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
تَرْفَعُوٓا۟
tarfaʿū
তোমরা উঁচু করো
▶
أَصْوَٰتَكُمْ
aṣwātakum
তোমাদের কন্ঠস্বরকে
▶
فَوْقَ
fawqa
উপর
▶
صَوْتِ
ṣawti
কন্ঠস্বরের
▶
ٱلنَّبِىِّ
l-nabiyi
নবীর
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَجْهَرُوا۟
tajharū
তোমরা উচ্চ করো (আওয়াজ)
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁর সাথে
▶
بِٱلْقَوْلِ
bil-qawli
কথা বলার ক্ষেত্রে
▶
كَجَهْرِ
kajahri
যেমন উচ্চ হয় (আওয়াজ)
▶
بَعْضِكُمْ
baʿḍikum
তোমাদের একে
▶
لِبَعْضٍ
libaʿḍin
অপরের (সাথে)
▶
أَن
an
(এমন না হয়) যে
▶
تَحْبَطَ
taḥbaṭa
নষ্ট হয়ে যায়
▶
أَعْمَـٰلُكُمْ
aʿmālukum
তোমাদের আমলগুলো
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এবং তোমরা
▶
لَا
lā
না
▶
تَشْعُرُونَ
tashʿurūna
টেরও পাবে
আয়াত 3 - সূরা الحجرات: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَغُضُّونَ أَصْوَٰتَهُمْ عِندَ رَسُولِ ٱللَّهِ أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ ٱمْتَحَنَ ٱللَّهُ قُلُوبَهُمْ لِلتَّقْوَىٰ ۚ لَهُم مَّغْفِرَةٌۭ وَأَجْرٌ عَظِيمٌ
যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, আল্লাহ তাদের অন্তরকে শিষ্টাচারের জন্যে শোধিত করেছেন। তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَغُضُّونَ
yaghuḍḍūna
নিচু রাখে
▶
أَصْوَٰتَهُمْ
aṣwātahum
তাদের আওয়াজ
▶
عِندَ
ʿinda
নিকট
▶
رَسُولِ
rasūli
রাসুলের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারাই) যাদের
▶
ٱمْتَحَنَ
im'taḥana
যাচাই করে নিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
قُلُوبَهُمْ
qulūbahum
তাদের অন্তরসমূহকে
▶
لِلتَّقْوَىٰ ۚ
lilttaqwā
তাকওয়ার জন্য
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে রয়েছে
▶
مَّغْفِرَةٌۭ
maghfiratun
ক্ষমা
▶
وَأَجْرٌ
wa-ajrun
ও পুরস্কার
▶
عَظِيمٌ
ʿaẓīmun
মহা
আয়াত 4 - সূরা الحجرات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يُنَادُونَكَ مِن وَرَآءِ ٱلْحُجُرَٰتِ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ
যারা প্রাচীরের আড়াল থেকে আপনাকে উচুস্বরে ডাকে, তাদের অধিকাংশই অবুঝ।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُنَادُونَكَ
yunādūnaka
তোমাকে ডাকাডাকি করে
▶
مِن
min
হতে
▶
وَرَآءِ
warāi
পেছন
▶
ٱلْحُجُرَٰتِ
l-ḥujurāti
কক্ষের
▶
أَكْثَرُهُمْ
aktharuhum
তাদের অধিকাংশই
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْقِلُونَ
yaʿqilūna
জ্ঞানবুদ্ধি রাখে
আয়াত 5 - সূরা الحجرات: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْ أَنَّهُمْ صَبَرُوا۟ حَتَّىٰ تَخْرُجَ إِلَيْهِمْ لَكَانَ خَيْرًۭا لَّهُمْ ۚ وَٱللَّهُ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
যদি তারা আপনার বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত সবর করত, তবে তা-ই তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হত। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি (এমন হতো)
▶
أَنَّهُمْ
annahum
যে তারা
▶
صَبَرُوا۟
ṣabarū
ধৈর্য ধরত
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
تَخْرُجَ
takhruja
তুমি বের হতে
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের দিকে
▶
لَكَانَ
lakāna
হতো অবশ্যই
▶
خَيْرًۭا
khayran
উত্তম
▶
لَّهُمْ ۚ
lahum
তাদের জন্যে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ্
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 6 - সূরা الحجرات: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِن جَآءَكُمْ فَاسِقٌۢ بِنَبَإٍۢ فَتَبَيَّنُوٓا۟ أَن تُصِيبُوا۟ قَوْمًۢا بِجَهَـٰلَةٍۢ فَتُصْبِحُوا۟ عَلَىٰ مَا فَعَلْتُمْ نَـٰدِمِينَ
মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
إِن
in
যদি
▶
جَآءَكُمْ
jāakum
তোমাদের কাছে আসে
▶
فَاسِقٌۢ
fāsiqun
কোনো সত্যত্যাগী
▶
بِنَبَإٍۢ
binaba-in
কোনো খবর নিয়ে
▶
فَتَبَيَّنُوٓا۟
fatabayyanū
তোমরা তখন পরীক্ষা করো
▶
أَن
an
(এমন না হয়) যে
▶
تُصِيبُوا۟
tuṣībū
তোমরা ক্ষতি করে বস
▶
قَوْمًۢا
qawman
সম্প্রদায়কে
▶
بِجَهَـٰلَةٍۢ
bijahālatin
অজ্ঞতার কারণে
▶
فَتُصْبِحُوا۟
fatuṣ'biḥū
তাহলে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
জন্য
▶
مَا
mā
যা
▶
فَعَلْتُمْ
faʿaltum
তোমরা করেছ
▶
نَـٰدِمِينَ
nādimīna
অনুতাপকারী/ লজ্জিত
আয়াত 7 - সূরা الحجرات: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ فِيكُمْ رَسُولَ ٱللَّهِ ۚ لَوْ يُطِيعُكُمْ فِى كَثِيرٍۢ مِّنَ ٱلْأَمْرِ لَعَنِتُّمْ وَلَـٰكِنَّ ٱللَّهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ ٱلْإِيمَـٰنَ وَزَيَّنَهُۥ فِى قُلُوبِكُمْ وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ ٱلْكُفْرَ وَٱلْفُسُوقَ وَٱلْعِصْيَانَ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلرَّٰشِدُونَ
তোমরা জেনে রাখ তোমাদের মধ্যে আল্লাহর রসূল রয়েছেন। তিনি যদি অনেক বিষয়ে তোমাদের আবদার মেনে নেন, তবে তোমরাই কষ্ট পাবে। কিন্তু আল্লাহ তোমাদের অন্তরে ঈমানের মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং তা হৃদয়গ্রাহী করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফর, পাপাচার ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। তারাই সৎপথ অবলম্বনকারী।
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রাখ
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
فِيكُمْ
fīkum
তোমাদের মধ্যে (আছে)
▶
رَسُولَ
rasūla
রাসুল
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لَوْ
law
যদি
▶
يُطِيعُكُمْ
yuṭīʿukum
তোমাদের মেনে নেয় সে
▶
فِى
fī
ভাগ
▶
كَثِيرٍۢ
kathīrin
বেশির
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْأَمْرِ
l-amri
ব্যাপারে
▶
لَعَنِتُّمْ
laʿanittum
তোমরা অবশ্যই কষ্ট পাবে
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
حَبَّبَ
ḥabbaba
প্রিয় করেছেন
▶
إِلَيْكُمُ
ilaykumu
তোমাদের কাছে
▶
ٱلْإِيمَـٰنَ
l-īmāna
ঈমানকে
▶
وَزَيَّنَهُۥ
wazayyanahu
এবং তা শোভন করে দিয়েছেন
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
قُلُوبِكُمْ
qulūbikum
তোমাদের অন্তরের
▶
وَكَرَّهَ
wakarraha
এবং অপ্রিয় করে দিয়েছেন
▶
إِلَيْكُمُ
ilaykumu
তোমাদের কাছে
▶
ٱلْكُفْرَ
l-kuf'ra
কুফরী/ অবিশ্বাস
▶
وَٱلْفُسُوقَ
wal-fusūqa
ও সত্যত্যাগ
▶
وَٱلْعِصْيَانَ ۚ
wal-ʿiṣ'yāna
এবং অবাধ্যতা (প্রতি)
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
এসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلرَّٰشِدُونَ
l-rāshidūna
সঠিক পথগামী
আয়াত 8 - সূরা الحجرات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَضْلًۭا مِّنَ ٱللَّهِ وَنِعْمَةًۭ ۚ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌۭ
এটা আল্লাহর কৃপা ও নিয়ামতঃ আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।
▶
فَضْلًۭا
faḍlan
অনুগ্রহে
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَنِعْمَةًۭ ۚ
waniʿ'matan
ও (তাঁর) অনুগ্রহ
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
সবকিছু জানেন
▶
حَكِيمٌۭ
ḥakīmun
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 9 - সূরা الحجرات: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن طَآئِفَتَانِ مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٱقْتَتَلُوا۟ فَأَصْلِحُوا۟ بَيْنَهُمَا ۖ فَإِنۢ بَغَتْ إِحْدَىٰهُمَا عَلَى ٱلْأُخْرَىٰ فَقَـٰتِلُوا۟ ٱلَّتِى تَبْغِى حَتَّىٰ تَفِىٓءَ إِلَىٰٓ أَمْرِ ٱللَّهِ ۚ فَإِن فَآءَتْ فَأَصْلِحُوا۟ بَيْنَهُمَا بِٱلْعَدْلِ وَأَقْسِطُوٓا۟ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلْمُقْسِطِينَ
যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে; যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে এবং ইনছাফ করবে। নিশ্চয় আল্লাহ ইনছাফকারীদেরকে পছন্দ করেন।
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
طَآئِفَتَانِ
ṭāifatāni
দুটি দল
▶
مِنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদের
▶
ٱقْتَتَلُوا۟
iq'tatalū
পরস্পরে যুদ্ধে লিপ্ত হয়
▶
فَأَصْلِحُوا۟
fa-aṣliḥū
তবে তোমরা মীমাংসা করে দাও
▶
بَيْنَهُمَا ۖ
baynahumā
তাদের উভয়ের মাঝে
▶
فَإِنۢ
fa-in
যদি অতঃপর
▶
بَغَتْ
baghat
সীমালংঘন করে
▶
إِحْدَىٰهُمَا
iḥ'dāhumā
তাদের একদল
▶
عَلَى
ʿalā
বিরুদ্ধে
▶
ٱلْأُخْرَىٰ
l-ukh'rā
অন্যের
▶
فَقَـٰتِلُوا۟
faqātilū
তবে তোমরা যুদ্ধ করো
▶
ٱلَّتِى
allatī
(তার বিরুদ্ধে) যে
▶
تَبْغِى
tabghī
সীমালংঘন করে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
تَفِىٓءَ
tafīa
ফিরে আসে
▶
إِلَىٰٓ
ilā
দিকে
▶
أَمْرِ
amri
নির্দেশের
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতঃপর
▶
فَآءَتْ
fāat
ফিরে আসে
▶
فَأَصْلِحُوا۟
fa-aṣliḥū
তবে তোমরা মীমাংসা করে দাও
▶
بَيْنَهُمَا
baynahumā
তাদের উভয়ের মাঝে
▶
بِٱلْعَدْلِ
bil-ʿadli
ন্যায়ানুগভাবে
▶
وَأَقْسِطُوٓا۟ ۖ
wa-aqsiṭū
এবং তোমরা সুবিচার করো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
পছন্দ করেন
▶
ٱلْمُقْسِطِينَ
l-muq'siṭīna
সুবিচারকারীদেরকে
আয়াত 10 - সূরা الحجرات: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَا ٱلْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌۭ فَأَصْلِحُوا۟ بَيْنَ أَخَوَيْكُمْ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
মুমিনরা তো পরস্পর ভাই-ভাই। অতএব, তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করবে এবং আল্লাহকে ভয় করবে-যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও।
▶
إِنَّمَا
innamā
প্রকৃতপক্ষে
▶
ٱلْمُؤْمِنُونَ
l-mu'minūna
মু'মিনরা
▶
إِخْوَةٌۭ
ikh'watun
(পরস্পরে) ভাই ভাই
▶
فَأَصْلِحُوا۟
fa-aṣliḥū
অতএব তোমরা মীমাংসা করে দাও
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
أَخَوَيْكُمْ ۚ
akhawaykum
তোমাদের দুই ভাইয়ের
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমাদের উপর সম্ভবতঃ
▶
تُرْحَمُونَ
tur'ḥamūna
অনুগ্রহ করা হবে
আয়াত 11 - সূরা الحجرات: 39 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا يَسْخَرْ قَوْمٌۭ مِّن قَوْمٍ عَسَىٰٓ أَن يَكُونُوا۟ خَيْرًۭا مِّنْهُمْ وَلَا نِسَآءٌۭ مِّن نِّسَآءٍ عَسَىٰٓ أَن يَكُنَّ خَيْرًۭا مِّنْهُنَّ ۖ وَلَا تَلْمِزُوٓا۟ أَنفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا۟ بِٱلْأَلْقَـٰبِ ۖ بِئْسَ ٱلِٱسْمُ ٱلْفُسُوقُ بَعْدَ ٱلْإِيمَـٰنِ ۚ وَمَن لَّمْ يَتُبْ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّـٰلِمُونَ
মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই যালেম।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
يَسْخَرْ
yaskhar
উপহাস করে (যেন)
▶
قَوْمٌۭ
qawmun
কোনো পুরুষ
▶
مِّن
min
মধ্য থেকে
▶
قَوْمٍ
qawmin
(অন্য) কোনো পুরুষের
▶
عَسَىٰٓ
ʿasā
হয়তো (যাদের বিদ্রুপ করা হচ্ছে)
▶
أَن
an
যে
▶
يَكُونُوا۟
yakūnū
তারা হবে
▶
خَيْرًۭا
khayran
উত্তম
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের চেয়ে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
نِسَآءٌۭ
nisāon
মহিলারা
▶
مِّن
min
মধ্য থেকে
▶
نِّسَآءٍ
nisāin
(অন্য) মহিলাদের
▶
عَسَىٰٓ
ʿasā
হয়তো
▶
أَن
an
যে
▶
يَكُنَّ
yakunna
তারা হবে
▶
خَيْرًۭا
khayran
উত্তম
▶
مِّنْهُنَّ ۖ
min'hunna
তাদের চেয়ে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَلْمِزُوٓا۟
talmizū
তোমরা দোষারোপ করো
▶
أَنفُسَكُمْ
anfusakum
তোমাদের নিজেদেরকে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَنَابَزُوا۟
tanābazū
তোমরা ডেকো পরস্পরে
▶
بِٱلْأَلْقَـٰبِ ۖ
bil-alqābi
(মন্দ) উপনামে
▶
بِئْسَ
bi'sa
অত্যন্ত খারাপ ব্যাপার
▶
ٱلِٱسْمُ
l-s'mu
নামযুক্ত হওয়া
▶
ٱلْفُسُوقُ
l-fusūqu
অন্যায় (কাজে)
▶
بَعْدَ
baʿda
পরে
▶
ٱلْإِيمَـٰنِ ۚ
l-īmāni
ঈমান (গ্রহণের)
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَتُبْ
yatub
বিরত থাকে
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
তবে ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلظَّـٰلِمُونَ
l-ẓālimūna
সীমালঙ্ঘঙ্কারী
আয়াত 12 - সূরা الحجرات: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱجْتَنِبُوا۟ كَثِيرًۭا مِّنَ ٱلظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ ٱلظَّنِّ إِثْمٌۭ ۖ وَلَا تَجَسَّسُوا۟ وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا ۚ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًۭا فَكَرِهْتُمُوهُ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ تَوَّابٌۭ رَّحِيمٌۭ
মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
ٱجْتَنِبُوا۟
ij'tanibū
দূরে থাক
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
অত্যাধিক
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱلظَّنِّ
l-ẓani
অনুমান করা
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
بَعْضَ
baʿḍa
কিছু
▶
ٱلظَّنِّ
l-ẓani
অনুমান
▶
إِثْمٌۭ ۖ
ith'mun
পাপ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَجَسَّسُوا۟
tajassasū
তোমরা দোষ খোঁজ করো
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَغْتَب
yaghtab
নিন্দা করো
▶
بَّعْضُكُم
baʿḍukum
তোমাদের কেউ
▶
بَعْضًا ۚ
baʿḍan
কাউকে
▶
أَيُحِبُّ
ayuḥibbu
পছন্দ করে কি
▶
أَحَدُكُمْ
aḥadukum
তোমাদের কেউ
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْكُلَ
yakula
সে খাবে
▶
لَحْمَ
laḥma
গোশত
▶
أَخِيهِ
akhīhi
তার ভাইয়ের
▶
مَيْتًۭا
maytan
(যে) মৃত
▶
فَكَرِهْتُمُوهُ ۚ
fakarih'tumūhu
বস্তুতঃ তা তোমরা ঘৃণাই কর
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ ۚ
l-laha
আল্লাহকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
تَوَّابٌۭ
tawwābun
তওবা কবুলকারী
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 13 - সূরা الحجرات: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَـٰكُم مِّن ذَكَرٍۢ وَأُنثَىٰ وَجَعَلْنَـٰكُمْ شُعُوبًۭا وَقَبَآئِلَ لِتَعَارَفُوٓا۟ ۚ إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ ٱللَّهِ أَتْقَىٰكُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌۭ
হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক পরহেযগার। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
মানুষ
▶
إِنَّا
innā
নিশ্চয়ই
▶
خَلَقْنَـٰكُم
khalaqnākum
আমরা তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি
▶
مِّن
min
হতে
▶
ذَكَرٍۢ
dhakarin
এক পুরুষ
▶
وَأُنثَىٰ
wa-unthā
ও এক মহিলা
▶
وَجَعَلْنَـٰكُمْ
wajaʿalnākum
এবং আমরা তোমাদেরকে বিভক্ত করেছি
▶
شُعُوبًۭا
shuʿūban
বিভিন্ন সম্প্রদায়
▶
وَقَبَآئِلَ
waqabāila
ও (বিভিন্ন) গোত্রে
▶
لِتَعَارَفُوٓا۟ ۚ
litaʿārafū
যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পার
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
أَكْرَمَكُمْ
akramakum
তোমাদের মধ্যে বেশি মর্যাদাসম্পন্ন
▶
عِندَ
ʿinda
নিকট
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَتْقَىٰكُمْ ۚ
atqākum
তোমাদের মধ্যে যে সর্বাধিক মুত্তাকি
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
সবকিছু জানেন
▶
خَبِيرٌۭ
khabīrun
খুব অবহিত
আয়াত 14 - সূরা الحجرات: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ قَالَتِ ٱلْأَعْرَابُ ءَامَنَّا ۖ قُل لَّمْ تُؤْمِنُوا۟ وَلَـٰكِن قُولُوٓا۟ أَسْلَمْنَا وَلَمَّا يَدْخُلِ ٱلْإِيمَـٰنُ فِى قُلُوبِكُمْ ۖ وَإِن تُطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ لَا يَلِتْكُم مِّنْ أَعْمَـٰلِكُمْ شَيْـًٔا ۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌ
মরুবাসীরা বলেঃ আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। বলুনঃ তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করনি; বরং বল, আমরা বশ্যতা স্বীকার করেছি। এখনও তোমাদের অন্তরে বিশ্বাস জন্মেনি। যদি তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য কর, তবে তোমাদের কর্ম বিন্দুমাত্রও নিস্ফল করা হবে না। নিশ্চয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।
▶
۞ قَالَتِ
qālati
বলে
▶
ٱلْأَعْرَابُ
l-aʿrābu
মরুবাসীরা
▶
ءَامَنَّا ۖ
āmannā
"আমরা ঈমান এনেছি"
▶
قُل
qul
বলো
▶
لَّمْ
lam
"নি
▶
تُؤْمِنُوا۟
tu'minū
তোমরা ঈমান আনো
▶
وَلَـٰكِن
walākin
বরং
▶
قُولُوٓا۟
qūlū
তোমরা বলো
▶
أَسْلَمْنَا
aslamnā
"আমরা বশ্যতা স্বীকার করেছি"
▶
وَلَمَّا
walammā
এবং এখনও না
▶
يَدْخُلِ
yadkhuli
প্রবেশ করেছে
▶
ٱلْإِيمَـٰنُ
l-īmānu
ঈমান
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
قُلُوبِكُمْ ۖ
qulūbikum
তোমাদের অন্তরসমূহের
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تُطِيعُوا۟
tuṭīʿū
তোমরা আনুগত্য করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَرَسُولَهُۥ
warasūlahu
ও তাঁর রাসুলের
▶
لَا
lā
না
▶
يَلِتْكُم
yalit'kum
তোমাদের কম করবেন (প্রতিফল দানে)
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
أَعْمَـٰلِكُمْ
aʿmālikum
তোমাদের কর্মসমূহের
▶
شَيْـًٔا ۚ
shayan
কিছুমাত্র
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 15 - সূরা الحجرات: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَا ٱلْمُؤْمِنُونَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوا۟ وَجَـٰهَدُوا۟ بِأَمْوَٰلِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلصَّـٰدِقُونَ
তারাই মুমিন, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং আল্লাহর পথে প্রাণ ও ধন-সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।
▶
إِنَّمَا
innamā
প্রকৃতপক্ষে
▶
ٱلْمُؤْمِنُونَ
l-mu'minūna
(তারাই) মু'মিন
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَرَسُولِهِۦ
warasūlihi
ও তাঁর রাসুলের (উপর)
▶
ثُمَّ
thumma
পরে
▶
لَمْ
lam
নি
▶
يَرْتَابُوا۟
yartābū
তারা সন্দেহ করে
▶
وَجَـٰهَدُوا۟
wajāhadū
এবং তারা জিহাদ করেছে
▶
بِأَمْوَٰلِهِمْ
bi-amwālihim
তাদের ধনসম্পদ দিয়ে
▶
وَأَنفُسِهِمْ
wa-anfusihim
এবং তাদের জানজীবন (দিয়ে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلصَّـٰدِقُونَ
l-ṣādiqūna
সত্যবাদী"
আয়াত 16 - সূরা الحجرات: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ أَتُعَلِّمُونَ ٱللَّهَ بِدِينِكُمْ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۚ وَٱللَّهُ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌۭ
বলুনঃ তোমরা কি তোমাদের ধর্ম পরায়ণতা সম্পর্কে আল্লাহকে অবহিত করছ? অথচ আল্লাহ জানেন যা কিছু আছে ভূমন্ডলে এবং যা কিছু আছে নভোমন্ডলে। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
▶
قُلْ
qul
(হে নবী) বলো
▶
أَتُعَلِّمُونَ
atuʿallimūna
"তোমরা কি জানাচ্ছ
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
بِدِينِكُمْ
bidīnikum
তোমাদের দীন (পালন) সম্পর্কে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
অথচ আল্লাহ
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশসমূহের
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلْأَرْضِ ۚ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِكُلِّ
bikulli
সম্পর্কে
▶
شَىْءٍ
shayin
সব জিনিসের
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
খুব জানেন"
আয়াত 17 - সূরা الحجرات: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَمُنُّونَ عَلَيْكَ أَنْ أَسْلَمُوا۟ ۖ قُل لَّا تَمُنُّوا۟ عَلَىَّ إِسْلَـٰمَكُم ۖ بَلِ ٱللَّهُ يَمُنُّ عَلَيْكُمْ أَنْ هَدَىٰكُمْ لِلْإِيمَـٰنِ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ
তারা মুসলমান হয়ে আপনাকে ধন্য করেছে মনে করে। বলুন, তোমরা মুসলমান হয়ে আমাকে ধন্য করেছ মনে করো না। বরং আল্লাহ ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদেরকে ধন্য করেছেন, যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাক।
▶
يَمُنُّونَ
yamunnūna
তারা অনুগ্রহ প্রকাশ করে
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার প্রতি
▶
أَنْ
an
যে
▶
أَسْلَمُوا۟ ۖ
aslamū
তারা ইসলাম গ্রহণ করেছে
▶
قُل
qul
বলো
▶
لَّا
lā
"না
▶
تَمُنُّوا۟
tamunnū
তোমরা অনুগ্রহ বলে মনে করো
▶
عَلَىَّ
ʿalayya
আমার প্রতি
▶
إِسْلَـٰمَكُم ۖ
is'lāmakum
তোমাদের ইসলাম গ্রহণের
▶
بَلِ
bali
বরং
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَمُنُّ
yamunnu
অনুগ্রহ করেছেন
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
أَنْ
an
যে
▶
هَدَىٰكُمْ
hadākum
তিনি তোমাদেরকে পথ দেখিয়েছেন
▶
لِلْإِيمَـٰنِ
lil'īmāni
ঈমানের দিকে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও
▶
صَـٰدِقِينَ
ṣādiqīna
সত্যবাদী (ঈমানের দাবিতে)
আয়াত 18 - সূরা الحجرات: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ غَيْبَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَٱللَّهُ بَصِيرٌۢ بِمَا تَعْمَلُونَ
আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের অদৃশ্য বিষয় জানেন, তোমরা যা কর আল্লাহ তা দেখেন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
غَيْبَ
ghayba
অদৃশ্য (সম্পর্কে)
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশসমূহের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۚ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بَصِيرٌۢ
baṣīrun
সবকিছু দেখেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়েও যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা করছ"
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে