মুহরিম অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কীভাবে তাঁর মাথা ধৌত করতেন? আবূ আইউব …

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফকহ ও উসল ফকহ > মুহরিম অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কীভাবে তাঁর মাথা ধৌত করতেন? আবূ আইউব …

হাদিস বর্ণনাকারী: মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।

সহীহ

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 1 মিনিটের পাঠ

হাদিসের পাঠ: মুহরিম অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কী…

عن عبد الله بن حنين أن عبد الله بن عباس رضي الله عنهما ، وَالْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ رضي الله عنهما اختلفا بِالْأَبْوَاءِ:
فقال ابن عباس: يغسل الْمُحْرِمُ رأسه.
وقال الْمِسْوَر: لا يغسل رأسه.
قال: فأرسلني ابن عباس إلى أبي أيوب الأنصاري رضي الله عنه فوَجَدْتُهُ يغتسل بين الْقَرْنَيْنِ، وهو يستر بثوب، فَسَلَّمْتُ عليه، فقال: من هذا؟ فقلت: أنا عبد الله بن حُنَيْنٍ، أرسلني إليك ابن عباس، يسألك: كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل رأسه وهو مُحرِمٌ؟ فوضع أبو أيوب يده على الثوب، فَطَأْطَأَهُ، حتى بَدَا لي رأسه، ثم قال لإنسان يَصُبُّ عليه الماء: اصْبُبْ، فَصَبَّ على رأسه، ثم حَرَّكَ رأسه بيديه، فأقبل بهما وَأَدْبَرَ. ثم قال: هكذا رأيته صلى الله عليه وسلم يغتسل».
وفي رواية: «فقال المسور لابن عباس: لَا أُمَارِيكَ أبدًا».

হাদিসের ব্যাখ্যা: মুহরিম অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কী…

মুহরিম মাথা ধৌত করতে পারবে কি না, এ বিষয়ে আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস এবং মিসওয়ার বিন মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বিতর্ক করছিলেন। এব্যাপারে সন্দেহের স্থল হচ্ছে যে, মুহরিম যদি গোসল অবস্থায় মাথার চুল নাড়ায়, তখন গোসলটি দু একটি চুল পড়ার কারণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইত্যবসরে আব্দুল্লাহ বিন হুনাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু আবূ আইউবের নিকট এসে তাকে গোসল অবস্থায় দেখেন। তারপর তিনি তাকে বললেন, মুহরিম অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কীভাবে গোসল করতেন -এ বিষয়টি জিজ্ঞেস করার জন্য আমাকে আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আপনার নিকট প্রেরণ করেছেন। তখন তিনি পর্দা সরিয়ে মাথা উন্মুক্ত করলেন। এতে আমার সামনে তার মাথা উন্মুক্ত হলো। যিনি তার উপর পানি ঢালছিল তাকে বললেন, পানি ঢাল। এরপর তিনি দু’হাত দিয়ে মাথা মাসেহ করে হাত দু’টি একবার সামনে আবার পেছনে টেনে নিলেন। এরপর বললেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এমন করতে দেখেছি। অতঃপর আব্দুল্লাহ বিন হুনাইন গিয়ে আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহুর মত সঠিক হওয়ার কথা তাদের জানালেন। তারা সত্যের সন্ধানী ছিলেন। তাই মিসওয়ার তার মত পরিহার করলেন এবং ইবনে আব্বাসের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি দিয়ে বললেন, আমি আপনার সাথে আর কখনো বিতর্কে লিপ্ত হবো না।

বিভাগ : ইবাদত বিষয়ক মাসআল-মাসায়েল · উসুলে ফিকহ/ফিকহের মৌলনীতি · হজ ও উমরা · ইজতিহাদ ও তাকলীদ · ফিকহ ও উসূলে ফিকহ · হজ ও উমরার মাসআলা ও বিধানাবলী

بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.5 / 29.5
আলোকিতকরণ 97%
13 দিনে অমাবস্যা
اللهم صل على محمد হে আল্লাহ, মুহাম্মদের উপর দরূদ পাঠাও

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত