ফিকহ ও উসূলে ফিকহ সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফিকহ ও উসূলে ফিকহ

«ফিকহ ও উসূলে ফিকহ» সম্পর্কে 905টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফিকহ ও উসূলে ফিকহ সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

হাসান “তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্ততিদেরকে সালাতের আদেশ দাও; যখন তারা সাত বছরের হবে। আর তারা যখন দশ বছরের সন্তান হবে, তখন তাদেরকে সালাতের জন্য প্রহার কর এবং তা সহীহ “যাদু, তাবীজ ও অবৈধ প্রেম ঘটানোর মন্ত্র শির্ক-এর অন্তর্ভুক্ত।”(১) সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির জন্য দু‘আ করার উদ্দেশ্যে বের হলেন। অতঃপর কিবলামুখী হয়ে দু’আ করলেন। আর নিজের চাদর উল্টিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি সহীহ আমি ও ‘ইমরান হুসাইন ‘আলী ইবন আবূ ত্বলিবের পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি সাজদাহ্ করার সময় তাকবীর বলেছেন। উঠার সময় তাকবীর বলেছেন এবং দু’ রাক‘আত শেষে দাঁড় সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাদা ইয়ামনী কাপড়সমূহে কাফন দেওয়া হয়েছিল, তাতে কোন জামা ও পাগড়ী ছিল না। সহীহ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবে সূরা আত-তূর পড়তে শুনেছি। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহুমা খুতবার পূর্বে দুই ঈদের সালাত আদায় করতেন। সহীহ সফরে দ্রুত চলার সময় আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন আর মাগরিব ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন। সহীহ হে আবু যার, যখন তুমি ঝোল রান্না করবে, তখন পানি বাড়িয়ে দাও এবং তোমার প্রতিবেশীদের হক রক্ষা কর। হাসান তোমরা পানাহার করো, দান-খয়রাত করো এবং পরিধান করো অপচয় ও অহংকার মুক্ত হয়ে। সহীহ “তোমরা মৃতদেরকে গালি দিও না। কেননা তারা নিশ্চিতভাবে তাদের কৃতকর্মের ফল পেয়ে গেছে।” সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনাকে সালাম দেব তা জানলাম। তবে কীভাবে আপনার উপর সালাত সহীহ “যে ব্যক্তি ফাতিহা পড়ল না তার সালাত নেই।” সহীহ “ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত, তারা তাদের নবীদের সমাধিসমূহকে উপাসনালয়ে পরিণত করেছে।’’ সহীহ আমি কখনো কোন ইমামের পিছনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে অধিক সংক্ষিপ্ত ও পরিপূর্ণ সালাত আদায় করিনি। সহীহ আমি অবশ্যই তোমাদের নিয়ে সালাত আদায় করবো, বস্তুত আমার উদ্দেশ্য সালাত আদায় করা নয় বরং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি যেভাবে সালাত আদায় করতে সহীহ তুমি কেন সূরা আ‘লা, শামস এবং লাইল দ্বারা সালাত আদায় করো না। কারণ, তোমার পিছনে বুড়া, দূর্বল এবং জরুরত আছে এমন সব লোক সালাত আদায় করে। সহীহ “যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন নাপাকী থেকে ফরজ গোসলের ন্যায় গোসল করে এবং প্রথম প্রহরে মসজিদে গমন করে সে যেন একটি উট কুরবানী করল সহীহ “তোমাদের মধ্যে যে জুমু‘আয় উপস্থিত হয় সে যেন গোসল করে”। সহীহ নাজাশী যেদিন মারা যান সেদিন-ই আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মৃত্যুর খবর দেন এবং তাদের নিয়ে জানাযার স্থানে পৌছান, তারপর তাদের সহীহ যে ব্যক্তি মৃতের জন্য সালাত আদায় করা পর্যন্ত জানাযায় উপস্থিত থাকবে, তার জন্য এক কীরাত, আর যে ব্যক্তি মৃতের দাফন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকবে তার জন সহীহ আমরা নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে জুমু‘আহর সালাত আদায় করতাম। অতঃপর আমরা ফিরে আসতাম। তখন দেয়ালের একটু ছায়াও দেখতাম না যার ছায়া দ্বারা আমর উভয় বর্ণনাসহ সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে দুই খুতবাহ দিতেন। আর তিনি উভয় খুতবার মাঝখানে বসার মাধ্যমে ব্যবধান করতেন। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুতবাহ দেন। অতঃপর যবেহ্ করেন এবং তিনি বলেন, সালাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ্ করব সহীহ “যে ব্যক্তি কসমের মাধ্যমে কোন মুসলিমের হক বিনষ্ট করে তার জন্য আল্লাহ জাহান্নাম ওয়াজিব করে রেখেছেন এবং জান্নাত হারাম করে রেখেছেন”। তখন জনৈক ব্যক্তি জি সহীহ “যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অযূ করল, অতঃপর জুমু‘আ পড়তে এল এবং মনোযোগ সহকারে নীরব থেকে খুতবাহ শুনল, সে ব্যক্তির এই জুমআ ও (আগামী) জুমআর মধ্যেকার এবং অতিরিক্ সহীহ “যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করলো সে আল্লাহর যিম্মাদারিতে থাকলো সহীহ যে ব্যক্তি সকাল অথবা সন্ধ্যায় মসজিদে গমন করে, আল্লাহ তার জন্য আপ্যায়নস্থল জান্নাতে প্রস্তুত করেন। সে যতবার সকাল অথবা সন্ধ্যায় গমনাগমন করে। সহীহ যে ব্যক্তি তীর সঙ্গে নিয়ে আমাদের কোনো মসজিদ অথবা কোনো বাজারের ভিতর দিয়ে অতিক্রম করবে, তার উচিৎ হবে, হাতের চেটো দ্বারা তার ফলাকে ধরে নেওয়া। যাতে কোনো ম সহীহ সিরকা কতই না চমৎকার তরকারি। সিকা কতই না ভালো দরকারি। সহীহ “সাদাকা করলে সম্পদ কমে যায় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। আর কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনীত হলে তিনি তার মর্যাদা উঁচুত সহীহ “হে লোকসকল! তোমরা সালামের ব্যাপক প্রচলন করো, আহার করাও, আত্মীয়তার সম্পর্ক বহাল রাখো এবং লোকজন যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন রাতের বেলা সালাত পড়ো। শান্তিতে জান্ সহীহ হে আল্লাহ! আপনি মানুষের রব, ব্যাধি নিবারণকারী, সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনি ব্যতীত আর কোনো সুস্থতা দানকারী নেই। এমন সুস্থতা (চাই) যা সহীহ “হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করে দিন। আরোগ্যতা দান করুন, আপনিই একমাত্র আরোগ্য দানকারী। আপনার আরোগ্য ব্যতীত অন্য কোন আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্যতা দান করুন যা স সহীহ “আশ‘আরীগণ যখন জিহাদের ময়দানে অবস্থান করত অথবা মদীনায় তাদের পরিবারের খাদ্য ঘাটতি দেখা দিত” সহীহ এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একটি (হাতে) বুনা চাদর নিয়ে এল। সহীহ জুহাইনা গোত্রের এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আগমন করল। সে যিনার কারণে গর্ভবতী ছিল। সহীহ “আল্লাহর নামে আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি- সে সব জিনিস হতে, যা আপনাকে কষ্ট দেয়, সব আত্মার খারাবী অথবা হিংসুকের কুদৃষ্টি হতে আল্লাহ আপনাকে মুক্তি দিন, আল্লা সহীহ ১৭৮৫- আবূ শা’সা’ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা (একবার) আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর সঙ্গে মসজিদে বসে ছিলাম। (এমন সময়) মুআয্যিন আযান দিল। তখন এক লোক ম সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (শিকার করা) এক জংলী গাধা উপঢৌকন দিলাম। সহীহ হে আল্লাহর রাসূল, সবচাইতে উত্তম ব্যক্তি কে? সহীহ এক ব্যক্তি উপবনে হাঁট ছিল। সহীহ যখন কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তার প্রয়োজনে আহবান করবে, তখন সে যেন (তৎক্ষণাৎ) তার নিকট যায়। যদিও সে উনানের কাছে (রুটি ইত্যাদি পাকানোর কাজে ব্যস্ত) থাকে। সহীহ যখন সালাত আদায় করা অবস্থায় তোমাদের কারো তন্দ্রা আসবে, তখন তার উচিত ঘুমিয়ে যাওয়া, যতক্ষণ না তার ঘুম চলে যাবে। সহীহ আল্লাহর কসম! তোমরা যে কেউ অন্যায় পন্থায় কোন কিছু গ্রহণ করবে, সে কিয়ামতের দিন তা বয়ে নিয়ে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে হাসান “মুমিনদের মাঝে ঈমানে সেই পরিপূর্ণ, তাদের মাঝে যার চরিত্র সুন্দরতম। তোমাদের মধ্যে উত্তম হলো যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।” সহীহ “দুনিয়া ভোগ্যপণ্য এবং দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ হল পুণ্যবতী নারী।” সহীহ “মহান আল্লাহ বলেন, খরচ কর, হে, আদম সন্তান ! আমিও খরচ করবো তোমার প্রতি।” সহীহ তাকে ছেড়ে দাও এবং তার পেশাবের উপর এক কলস অথবা এক বালতি পানি ঢেলে দাও। কেননা তোমাদেরকে সহজ করার জন্য পাঠানো হয়েছে, কঠোরতা করার জন্য পাঠানো হয় নি। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বিভিন্ন প্রয়োজনে (বিবাহ ইত্যাদি অনুষ্ঠানে) পাঠের জন্য খুৎবা শিক্ষা দিয়েছেন। সহীহ অভিভাবক ছাড়া কোনো বিয়ে নেই। সহীহ “কোনো নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তার সে বিয়ে বাতিল। তিনি একথাটি তিনবার বলেছেন। আর সে যদি তার সাথে সহবাস করে, তাহলে এজন্য তাকে মোহর দিবে। হাসান “যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করে সে অভিশপ্ত”। সহীহ আল্লাহ এমন পুরুষের দিকে তাকান না যে পুরুষ বা মহিলার গুহ্যদ্বার দিয়ে যৌন মিলন করে। হাসান একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ “তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকে সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরচুলা ব্যবহারকারী এবং এ পেশাধারী এবং উল্কি অঙ্কনকারী এবং তা গ্রহণকারী নারীদের অভিশাপ দিয়েছেন। সহীহ তার কিছু্ বাকী নেই? অর্থাৎ বকরির। তিনি বললেন, কাঁধ ছাড়া কিছু্ই বাকী নেই, তিনি বললেন, সবই বাকী আছে, কাঁধ ছাড়া। সহীহ যার দু'জন স্ত্রী আছে এবং সে তাদের একজনের দিকে ঝুঁকে গেল, সে কিয়ামতের দিন কাত হয়ে আসবে। সহীহ “যে দিনার তুমি আল্লাহর রাস্তায় খরচ করেছ, যে দিনার তুমি গোলাম আযাদ করতে খরচ করেছ, যে দিনার তুমি মিসকিনের উপর খরচ করেছ এবং যেটি তুমি পরিবারে খরচ করেছ, ত সহীহ “আল্লাহ আমার উম্মতের হৃদয়ে জাগ্রত বিষয়গুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন, যতক্ষণ না সে তা কার্যে পরিণত করে বা মুখে উচ্চারণ করে”।
بسم الله الرحمن الرحيم বৃহ 17 জুমাদাল উলা
الخميس 17 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.7 / 29.5
আলোকিতকরণ 91%
12 দিনে অমাবস্যা
سبحان الله আল্লাহর পবিত্রতা

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত