ফিকহ ও উসূলে ফিকহ সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফিকহ ও উসূলে ফিকহ

«ফিকহ ও উসূলে ফিকহ» সম্পর্কে 905টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফিকহ ও উসূলে ফিকহ সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ “তিন ধরণের লোকের উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে: ঘুমন্ত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয়, নাবালেগ, যতক্ষণ না সে বালেগ হয় এবং পাগল, যতক্ষণ না জ্ঞানসম্পন্ন সহীহ আমি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সালাত আদায় করতাম। তাঁর সালাতও মধ্যম ধরনের হতো এবং তাঁর খুৎবাও মধ্যম ধরনের হতো। সহীহ “তোমরা প্রত্যেকে দায়িত্বশীল এবং তোমরা প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। সহীহ “মুহাম্মাদের পরিবারে কাছে অনেক মহিলা তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এসেছে। সুতরাং যারা স্ত্রীদেরকে প্রহার করে তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম নয়”। সহীহ যখনই কোনো মহিলা দুনিয়াতে নিজ স্বামীকে কষ্ট দেয়, তখনই তার সুনয়না হূর স্ত্রী (অদৃশ্যভাবে) ঐ মহিলার উদ্দেশ্যে বলে, ‘আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুন। তাকে কষ্ট দ সহীহ “তোমরা আল্লাহর আযাব দ্বারা কাউকে আযাব দিবে না” সহীহ (আল্লাহর পথে) খরচ করো, আর হিসাব করতে যেওনা, তাহলে আল্লাহ্ তোমার বেলায় হিসাব করে দিবেন। জমা করে রাখবে না, তবে আল্লাহও তোমার বেলায় জমা করে রাখবেন। সহীহ “প্রতিটি নেশা উদ্রেককারী বস্তু খমর (মদ), প্রতিটি নেশা উদ্রেককারী বস্তু হারাম। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করবে, এবং তাতে আসক্ত অবস্থায় তাওবা না করে মার সহীহ “আমি যদি কাউকে কারো জন্য সাজদাহ করার আদেশ করতাম, তাহলে নারীকে আদেশ করতাম, সে যেন তার স্বামীকে সাজদাহ করে।” সহীহ আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত: সে তার স্ত্রীকে মাসিক অবস্থায় তালাক দিয়েছিল। বিষয়টি উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লা সহীহ তোমাদের কারও জন্য উচিৎ হবে সে যেন কর্ম সচেতন থাকা কালে সালাত আদায় করে। অতঃপর সে যখন শ্রান্ত হয়ে পড়বে, তখন সে যেন শুয়ে যায়। সহীহ “কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্যে সঙ্গত নয়, তার কাছে ওয়াসিয়্যাত করার মতো সম্পদ আছে এমতাবস্থায় ওয়াসিয়্যাত লিখিত না রেখে তিন রাত অতিবাহিত করা” সহীহ কৃপণ ও দানশীল ব্যক্তির উদাহরণ এমন দু’ব্যক্তির ন্যায়, যারা বুক থেকে উভয় কণ্ঠাস্থি পর্যন্ত আঁটসাঁটভাবে লৌহ বর্ম পরিহিত। সহীহ লোকটিকে বলে দাও সে যেন কথা বলে, ছায়াতে যায়, বসে এবং তার সাওম সমাপ্ত করে। সহীহ যে তার হুবহু মাল এমন লোকের কাছে পেল, যে নিঃশ্ব হয়ে গেছে, সেই তার বেশি হকদার অন্যের চাইতে। সহীহ যে তাবীর (পরাগায়ন) করার পরে খেজুর গাছ বিক্রি করল তার ফল হবে বিক্রেতার জন্যে, অবশ্য ক্রেতা যদি (ফলের) শর্ত করে তবে সে পাবে। সহীহ ইমাম যখন আমীন বলবে, তখন তোমরাও আমীন বলবে; কেননা যে ব্যক্তির আমীন ফিরিশতাদের আমীনের সাথে মিলবে তার পূর্ব-জীবনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। সহীহ থামো! তোমরা সাধ্যমত আমল কর। আল্লাহর কসম! আল্লাহ ক্লান্ত হন না, যতক্ষণ না তোমরা ক্লান্ত হয়ে পড়।” আর সেই আমলই তাঁর নিকট প্রিয়তম, যেটা ব্যক্তি লাগাতার কর সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইরে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে সাক্ষাৎ করতে ও গ্রাম্য লোকের পক্ষ হয়ে শহুরে লোককে বিক্রিয় করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা থেকে নিষেধ করেছেন, আর তা হলো এমনভাবে বাগানের ফল বিক্রয় করা যে, যদি খেজুর হয় তাহলে মেপে শুকনো খেজুরে সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিগার নামক বিবাহ পদ্ধতি থেকে নিষেধ করেছেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘মুনাবাযা’ পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। আর তা হলো, বিক্রয় চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে ক্রেতার কাপড়টি সহীহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম রং ধারণ করার আগে ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। জিজ্ঞেস করা হলো, রং ধারণ করার অর্থ কী? তিনি বললেন, লাল বর্ণ সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাওয়ার উপযুক্ত হওয়ার আগে ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। তিনি ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই নিষেধ করেছেন। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসের উত্তরাধিকার (মীরাস বা রেখে যাওয়া সম্পদের অধিকার) বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পশুর গর্ভস্থ ভ্রুণের বাচ্চা ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ হে আল্লাহর রাসূল! আমার স্ত্রী একটি কালো ছেলে জন্ম দিয়েছে। তখন তিনি বললেন, তোমার কোন উট আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি বললেন, সেগুলোর রং কী? সে বলল, ল সহীহ তা তো রিযিক, তা আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জন্য বের করেছেন, আমাদেরকে খাওয়ানোর মতো তোমাদের কাছে তার কিছু মাংস আছে কি?” আমরা তাঁর নিকট কিছু মাংস পাঠালাম, সুত সহীহ (এ বিয়ে) কীভাবে সম্ভব? অথচ সে বলছে যে, সে তোমাদের দু’জনকে দুধ পান করিয়েছে? সহীহ যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খেজুর পরিমাণ সদকা করবে, (আল্লাহ তা কবুল করবেন) এবং আল্লাহ কেবল পবিত্র সম্পদ কবুল করেন। আর আল্লাহ তাঁর ডান হাত দিয়ে সহীহ “যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে নেয়। কেননা বিয়ে চোখকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে সংযত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম পালন করে। সওম তা সহীহ তোমাদের কেউ যখন সালাতের ইমামতি করে, সে যেন সালাত সংক্ষেপ করে; কেননা, তাদের মধ্যে রয়েছে দুর্বল, রোগী ও কর্মজীবি লোকে। তোমরা যখন নিজেরা একাকী সালাত আদায় সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ইয়াহূদীর নিকট থেকে কিছু খাবার কিনেন ও তার নিকট লোহার বর্ম বন্ধক রাখেন। সহীহ বিদায় হজের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার রুগ্ন অবস্থায় আমাকে দেখা করতে এলেন। সে সময় আমার শরীরে চরম ব্যথা ছিল। আমি বললাম, ‘হে আল্ সহীহ “সুনির্দিষ্ট অংশের হকদারদের মীরাস পৌঁছে দাও। অতঃপর যা বাকী থাকবে তা (মৃতের) নিকটতম পুরুষের জন্য”। সহীহ “তোমরা স্ত্রীলোকদের কাছে প্রবেশ করা থেকে দূরে থাক”। এক আনসারী সাহাবী জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! দেবর সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন, “দেবর তো সহীহ “স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ নগদ নগদ বিক্রি না হলে সুদ হবে, গমের বিনিময়ে গম নগদ নগদ এবং হাতে হাতে বিক্রি না হলে সুদ হবে, যবের বিনিময়ে যব নগদ নগদ না হলে সহীহ সোম ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমলসমূহ উপস্থাপন করা হয়। আমি পছন্দ করি যে, আমার আমলসমূহ (সিয়াম অবস্থায়) তুলে ধরা হোক। সহীহ তুমি কি দেখলে না, ধারণাকারী যায়েদ ইবন হারিসা ও উসামা ইবন যায়েদকে দেখে বলেছে: এই পাগুলোর একটি অপরটি থেকে সৃষ্ট মনে হচ্ছে? সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুখাবারা (জমিনের নির্দিষ্ট অংশের উৎপাদিত ফসলের বিনিময়ে জমি চাষ করা, যেমন ক্ষেতের উত্তরাংশে যা উৎপাদিত হবে তা কৃষকে সহীহ তোমরা (পণ্যবাহী) কাফেলার সাথে (শহরে প্রবেশের পূর্বে) সাক্ষাৎ করবে না। তোমাদের কেউ যেন কারো ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর ক্রয়-বিক্রয় না করে। তোমরা প্রতারণামূলক দ সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গ্রামবাসীর পক্ষে শহরবাসীকে বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন এবং তোমরা প্রতারণামূলক দালালী করবে না। কোন ব্যক্তি যেন সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাকীতে রুপার বিনিময়ে সোনা ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রৌপ্যের বিনিময়ে রৌপ্য ও স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ব্যতিরেকে ক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। আমরা যেভাবে চ সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাইবারের দিন মুতা‘ বিবাহ ও গৃহপালিত গাধার গোস্ত খেতে নিষেধ করেছেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ব্যক্তিকে বড় বা ছোট সেনা দলের অধিনায়ক নিয়োগ করে পাঠানোর সময় বিশেষভাবে তার জন্য আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বনের সহীহ তিনি ফজরের শেষ রাকা‘আতে রুকু‘ থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ الله لمن حَمِدَه رَبَّنا ولك الحَمْدُ বলার পর বলেন, “হে আল্লাহ তুমি অমুক অমুককে ধ্বংস কর”। তারপর সহীহ আমরা কোনো স্থানে অবতরণ করলে বাহনের পিঠ থেকে বোঝা নামিয়ে এর বিশ্রামের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত সালাত আদায় করতাম না। সহীহ আমরা অসুস্থ খাব্বাব ইবন আরাত্ত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে দেখতে গেলাম, তখন তিনি শরীরে (চিকিৎসা হিসেবে) সাতটি ছেঁকা ছিয়েছেন। সহীহ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথীদের মধ্যে দু’জন সাথীদের কল্যাণের ব্যাপারে আদৌ ত্রুটি করেন না। সহীহ অতি পবিত্র, মহা পবিত্র ফেরেশতামন্ডলী ও জিবরীল -এর রব। সহীহ যে সারা বছর সওম পালন করে সে যেন সওম পালন করে না। মাসে তিন দিন করে সওম পালন করা সারা বছর সওম পালনের সমতুল্য” সহীহ “তোমার শরীরের যে অংশ ব্যথাযুক্ত হয়, তার উপরে তোমার হাত রেখে তিনবার ’বিসমিল্লা-হ’ বলবে এবং সাতবার বলবে-أَعُوذُ بِاللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أ সহীহ তোমার ওপর ভরণ-পোষণের খরচাদি নেই। সহীহ “শর্তাবলীর মধ্যে যা পূরণ করার অধিক দাবী রাখে তা হল সেই শর্ত যার মাধ্যমে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের হালাল করেছ।” সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়াকে মুক্ত করেছেন, আর তাকে মুক্ত করাকেই তার মোহর নির্ধারণ করেছেন। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উৎপাদিত ফল অথবা শস্যের অর্ধেক প্রদানের চুক্তিতে খাইবারের জনগণকে কৃষিকাজে নিয়োগ করেছিলেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে জনৈক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে অপবাদ দিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দু’জনকে নির্দে সহীহ তার ওপর তোমার কোনো হক নেই, সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল আমার সম্পদ? তিনি বললেন, তোমার সম্পদও নেই, যদি তুমি সেটা তাকে মোহর হিসেবে দিয়ে থাক। তাহলে তা তার লজ সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট প্রবেশ করল, তখন আমার নিকট একজন মানুষ ছিল। তিনি বললেন, হে আয়েশা লোকটি কে? আমি বললাম, আমার দুধ ভাই।
بسم الله الرحمن الرحيم বৃহ 17 জুমাদাল উলা
الخميس 17 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.7 / 29.5
আলোকিতকরণ 90%
12 দিনে অমাবস্যা
حسبنا الله ونعم الوكيل আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, কতই না উত্তম অভিভাবক

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত