ফযীলত ও শিষ্ঠাচার সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > ফযীলত ও শিষ্ঠাচার

«ফযীলত ও শিষ্ঠাচার» সম্পর্কে 689টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

ফযীলত ও শিষ্ঠাচার সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ “কিয়ামতের দিন জাহান্নামকে নিয়ে আসা হবে। সেদিন তার সত্তর হাজার লাগাম থাকবে। প্রতিটি লাগামের সাথে থাকবে সত্তর হাজার ফিরিশতা। তারা তা টেনে নিয়ে যাবে।” সহীহ “হে আল্লাহ! আপনি সা‘দকে আরোগ্য দান করুন, হে আল্লাহ!আপনি সা‘দকে আরোগ্য দান করুন” সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদার সময় এই দু'আ পড়তেন: «اللهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ دِقَّهُ، وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ و সহীহ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে মার্জনা কর, যে অপরাধ আমি পূর্বে করেছি এবং যা পরে করেছি, যা গোপনে করেছি এবং যা প্রকাশ্যে করেছি। হাদীসটির সনদ সহীহ। হে আল্লাহ আমরা তাদের মোকাবিলায় আপনাকেই তাদের গলায় রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। সহীহ “আল্লাহর নিকট অতিশয় ঘৃণিত মানুষ হচ্ছে অতিরিক্ত ঝগড়াটে ব্যক্তি।” সহীহ “আল্লাহর কাছে অধিকতর প্রিয় বাক্য চারটি: سُبْحَانَ اللَّهِ (আল্লাহ নিঙ্কলুষ পবিত্র), وَالْحَمْدُ لِلَّهِ (যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর) وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ ا হাসান সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোন আমল দ্বারা মানুষ বেশি জান্নাতে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন: “আল্লাহর তাকওয়া ও উত্তম শাওয়াহেদ (সমঅর্থে আরও) হাদীস থাকার কারণে সহীহ স্থায়ী সৎকর্মসমূহ হল, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, সুবাহানাল্লাহ, আল্লাহু আকবর, আল-হামদু লিল্লাহ আর লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ সহীহ লজ্জা ঈমানের অঙ্গ সহীহ “আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী দোয়া প্রত্যাখ্যান করা হয় না”। সহীহ “হে আল্লাহ! আপনি আমার দ্বীনকে শুধরে দিন যা আমার সকল কর্মের হিফাযতকারী সহীহ “হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার অনিচ্ছাকৃত গুনাহ, আমার অজ্ঞতা, আমার কাজের সকল বাড়াবাড়ি এবং আমার যেসব গুনাহ আপনি আমার চেয়ে অধিক জানেন। হে আল্লাহ! আ সহীহ ’’হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা চাই সহীহ হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে এ উসিলা দিয়ে প্রার্থনা করছি যে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আপনিই আল্লাহ, আপনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, আপনি এক ও মুখাপেক্ষীহীন, যিনি কাউ সহীহ “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আমার জানা-অজানা এখন ও পরে ইহকাল ও পরকালের যাবতীয় কল্যাণ প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আমার জানা-অজানা এখন ও পরে সহীহ হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই নি’আমাত দূর হয়ে যাওয়া হতে, তোমার দেয়া সুস্থতা এমনকি নিরাপত্তা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার অকস্মাৎ শাস্তি সহীহ হে আল্লাহ, আমি ঋণের বোঝা, শত্রুর জয়ী হওয়া এবং শত্রুদের উল্লাস থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হাসান “হে আল্লাহ! আপনার অনুগ্রহে আমরা ভোরে উপনীত হই, সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং বাঁচি ও মরি। আর আপনার দিকেই আমাদের প্রত্যাবর্তন” সহীহ হে আল্লাহ! আমার গঠন কে যেমন সুন্দর করেছেন অনুরূপ আমার চরিত্রকেও সুন্দর করুন। সহীহ “শক্তিশালী মুমিন দুর্বল মুমিন অপেক্ষা আল্লাহর কাছে অধিকতর উত্তম ও পছন্দনীয়। তবে তাদের প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। হাদীসটির সনদ হাসান। একজন মু’মিন তার মু’মিন ভাইয়ের আয়নাস্বরূপ সহীহ “অধিক অভিসম্পাতকারীগণ কিয়ামতের দিন শহীদ ও সুপারিশকারী হবে না”। সহীহ “দু’আই হল ইবাদত সহীহ “আল্লাহ তা‘আলা আমার নিকট অহী পাঠিয়েছেন যে, তোমরা পরস্পর বিনয়ী হও, যেন কেউ কারো উপরে অহংকার না করে এবং সীমালঙ্ঘনও না করে।” হাসান “নিশ্চয় তোমাদের রব চিরঞ্জীব, অতি দানশীল। তাঁর নিকট তাঁর কোনো বান্দা স্বীয় দু‘হাত উঠালে তিনি তা খালি ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন।” হাসান লিগাইরিহী “তোমরা মানুষকে সম্পদ দ্বারা খুশি করতে সক্ষম হবে না। বরং তাদেরকে হাস্যোজ্জল চেহারা ও উত্তম চরিত্র দ্বারা খুশি করো।” সহীহ তোমরা রাস্তায় বসা থেকে বিরত থাক। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! ওখানে বসা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই। আমরা ওখানে বসে আলাপ-আলোচনা করি। রাসূলুল্লাহ সাল্ সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে বেশি পড়া দো‘আ হলো,«اللَّهُمَّ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً، وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً، وَقِنَا ع সহীহ “সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার হচ্ছে, সহীহ “তোমরা সত্যকে ধারণ কর। কেননা সততা নেক কর্মের দিকে পথপ্রদর্শন করে, আর নেককর্ম জান্নাতের পথপ্রদর্শন করে সহীহ “দুটি কালেমা জিহ্বার উপর (উচ্চারণে) খুবই হালকা, মীযানের পাল্লায় অত্যন্ত ভারী, রাহমান (পরম দয়ালু আল্লাহ) এর কাছে খুবই প্রিয় সহীহ , “আমি তোমার অবর্তমানে চারটি বাক্য তিনবার বলেছি। তুমি আজ পর্যন্ত যা বলেছো যদি তা ওজন দাও, তাহলে বাক্য চারটি সেগুলোকে হালকা করে দিবে। হাসান “আল্লাহ তা‘আলার নিকট দু‘আর চেয়ে অধিক সম্মানিত কোনো বস্তু নেই।” সহীহ লিগাইরিহী আল্লাহর আযাব থেকে অধিক মুক্তিদানকারী আল্লাহর যিকিরের মতো অধিক কার্যকর আর কোনো আমল আদম সন্তান করে নি। সহীহ “যে সমস্ত লোক কোন দরবারে বসেছে অথচ তারা আল্লাহ তা’আলার যিকর করেনি এবং তাদের নবীর প্রতি দরূদও পড়েনি, তারা বিপদগ্রস্ত ও আশাহত হবে। আল্লাহ তা’আলা চাইলে সহীহ যে নিজেকে বড় মনে করে এবং চলার পথে অহংকার করে, সে আল্লাহর সাথে এমতাবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, তিনি তার ওপর ক্ষুব্ধ থাকবেন। সহীহ “যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্মানের উপর আঘাতকে প্রতিহত করে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিবসে তার চেহারা থেকে জাহান্নামের আগুন কে প্রতিহত করবেন।” সহীহ “যে ব্যক্তি প্রতিদিন একশত বার (سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ) ‘সুবাহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ বলবে তার গুনাহরাশি মাফ করে দেওয়া হবে; যদিও তা সমুদ্রের ফেন সহীহ যে ব্যক্তি বলবে: (لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ) “আল্লাহ ছাড়া সহীহ “আল্লাহ তা‘আলা যার দ্বারা কল্যাণ চান, তাকে দীনের জ্ঞান দান করেন। হাসান যে ব্যক্তি মানুষকে হাসানোর জন্য মিথ্যা কথা বলে, তার জন্য রয়েছে ধ্বংস, অতঃপর তার জন্য ধ্বংস। সহীহ “হে লোকসকল! তোমরা সালামের ব্যাপক প্রচলন করো, আহার করাও, আত্মীয়তার সম্পর্ক বহাল রাখো এবং লোকজন যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন রাতের বেলা সালাত পড়ো। শান্তিতে জান্ সহীহ লিগাইরিহী মহান আল্লাহ বলেন, আমি আমার বান্দার সাথেই আছি যতক্ষণ সে আমার যিকির করে এবং আমার যিকিরে তার দু’ঠোঁট নড়াচড়া করে। সহীহ হে আল্লাহ! আপনি মানুষের রব, ব্যাধি নিবারণকারী, সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনি ব্যতীত আর কোনো সুস্থতা দানকারী নেই। এমন সুস্থতা (চাই) যা সহীহ “হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করে দিন। আরোগ্যতা দান করুন, আপনিই একমাত্র আরোগ্য দানকারী। আপনার আরোগ্য ব্যতীত অন্য কোন আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্যতা দান করুন যা স সহীহ “নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা মুত্তাকী, আত্মনির্ভরশীল ও আত্মগোপনকারী (নিজের গুণ প্রকাশে অনিচ্ছুক) বান্দাকে ভালোবাসেন।” সহীহ যখন কোনো মুসলিম তার মুসলিম ভাইয়ের রোগে দেখা-শুশ্রুষা করে তখন সে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত জান্নাতের ফলমূলে অবস্থান করতে থাকে। সহীহ একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে পানীয় পরিবেশন করা হলে তিনি তা থেকে পান করলেন, আর তাঁর ডান দিকে ছিল একটি বালক সহীহ তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে; কেননা (জীবিত থাকলে) সে পুণ্যবান হলে স‎ম্ভবত সে পুণ্য বৃদ্ধি করবে। আর পাপী হলে (পাপ থেকে) তাওবা করতে পারবে। উভয় বর্ণনাসহ সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খাবার খেতেন, তখন তার তিন আঙ্গুলই চাটতেন। সহীহ উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু প্রথম স্তরের মুহাজিরদের জন্য বাৎসরিক চার হাজার দিরহাম ধার্য করলেন। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলাম তখন তিনি খুতবা দিচ্ছিলেন সহীহ কুরআনের ধারকের উদাহরণ হলো বাঁধা উটের মালিকের মতো: যদি সে তাদের যত্ন নেয়, তবে সে তাদের রাখতে পারবে, কিন্তু যদি সে তাদের ছেড়ে দেয়, তবে তারা চলে যাবে। সহীহ আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু একবার বাচ্চাদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি তাদেরকে সালাম দিলেন এবং তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লা সহীহ “যার কাছে সুগন্ধি পেশ করা হবে, সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কারণ, তা বহনের দিক থেকে হালকা, গন্ধের দিক থেকে সুবাসিত।” সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো সুগন্ধি ফিরিয়ে দিতেন না। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন ব্যক্তিকে অপর এক ব্যক্তির প্রশংসা করতে শোনেন। আর সে প্রশংসায় বাড়াবাড়ি করছিল। তখন তিনি বললেন, তুমি তাকে সহীহ হায় হায়! তুমি তোমার সাথীর গর্দান কেটে ফেললে!’ সহীহ ১৭৯০- হাম্মাম ইবনে হারেস হতে বর্ণিত, তিনি মিকদাদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণনা করেছেন; এক ব্যক্তি উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর সামনেই তাঁর প্রশংসা শুরু
بسم الله الرحمن الرحيم বুধ 16 জুমাদাল উলা
الأربعاء 16 جمادى الأولى
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 17.6 / 29.5
আলোকিতকরণ 91%
12 দিনে অমাবস্যা
حسبنا الله ونعم الوكيل আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, কতই না উত্তম অভিভাবক

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত