শরয়ী আদবসমূহ সম্পর্কে হাদিস

ইসলাম > Bn > হাদিস > শরয়ী আদবসমূহ

«শরয়ী আদবসমূহ» সম্পর্কে 165টি ব্যাখ্যাসহ নবীজির হাদিস: আরবি পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা, সহিহতার মান ও সূত্রসহ।

27 অক্টোবর 2026 তারিখ 14h02 এ আপডেট করা হয়েছে

শরয়ী আদবসমূহ সম্পর্কে হাদিসের তালিকা

সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তিন আঙ্গুল দিয়ে খেতে দেখেছি।খাবার শেষে তিনি সেগুলো চেখে খেতেন। উভয় বর্ণনাসহ সহীহ যে ব্যক্তি মানুষকে পান করায় সে সবার শেষে পান করবে। হাসান আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যমযম পান করিয়েছি। তিনি দাঁড়িয়ে তা পান করেছেন। সহীহ “যে মহিলা আল্লাহ্ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তার পক্ষে কোন মাহরাম পুরুষকে সাথে না নিয়ে একদিন ও এক রাত্রির পথ সফর করা জায়িয নয়”। সহীহ নিশ্চয় মানুষের রক্তের শিরায় শয়তান চলাচল করে। আমি শংকাবোধ করছিলাম যে, সে তোমাদের মনে কোন খারাপ ধারণা অথবা বললেন অন্য কিছু সৃষ্টি করে দেবে। সহীহ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে হাঁটা অবস্থায় আহার করেছি এবং দাঁড়ানো অবস্থায় পান করেছি। সহীহ “মুসলিমের লুঙ্গি অর্ধ গোছা পর্যন্ত ঝুলানো উচিত। গাঁটের উপর পর্যন্ত ঝুললে ক্ষতি নেই। যে অংশ লুঙ্গি পায়ের গাঁটের নিচে ঝুলবে, তা জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো কোনো খাবারের দোষ-ত্রুটি বলেন নি। ভালো লাগলে তিনি খেতেন এবং খারাপ লাগলে বর্জন করতেন। সহীহ যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে, তখন সে যেন তার হাত দিয়ে মুখ ঢেকে রাখে, অন্যথায় শয়তান প্রবেশ করবে। সহীহ “তোমরা কি জান, গীবত কী?” তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন:“ (গীবত হল) তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কিছু আলোচনা করা, যা সে অপছন্দ সহীহ “যখন তোমরা তিনজন হবে, তখন একজনকে বাদ দিয়ে বাকী দু’জনে কানাঘুষা করবে না; যতক্ষণ না অন্যান্য মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছ। কারণ, এটি অপর ব্যক্তিকে চিন্তিত কর সহীহ “মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের অধিকার ছয়টি”: বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল সেগুলো কী? তিনি বললেন, “তুমি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তাকে সালাম দাও, সে তোমাকে দাওয়া সহীহ “তোমরা ইহুদী ও খৃস্টানদের কে শুরুতে সালাম দিবে না, যখন তোমরা তাদের কারো সাথে সাক্ষাত করবে তাকে সংকীর্ণ রাস্তায় বাধ্য করবে”। সহীহ তোমাদের কেউ দাঁড়িয়ে পান করবে না। সহীহ কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে তার জায়গা থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসবে না, বরং তোমরা জায়গা প্রশস্ত করো ও নড়ে-চড়ে জায়গা করে বসো। সহীহ ছোট বড়কে, চলমান বসে থাকা ব্যক্তিকে এবং অল্প সংখ্যক অধিক সংখ্যককে সালাম দিবে। হাসান যখন তারা অতিক্রম করে তখন জামা‘আতের পক্ষ থেকে তাদের একজনের সালাম অন্যদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট হবে এবং জামা‘আতের পক্ষ থেকে একজনের উত্তর দেওয়া অন্যদের পক্ষ থ সহীহ তোমাদের কেউ যখন জুতা পরবে, তখন সে ডান পা দিয়ে শুরু করবে। আর যখন খুলবে, তখন সে বাম পা দিয়ে শুরু করবে। ডান পায়ের জুতা যেন আগে পরা হয় এবং পরে খোলা হয়। সহীহ “কোন ব্যক্তির জন্য হালাল নয় যে সে তার ভাই এর সাথে তিন দিনের বেশি এমনভাবে সম্পর্ক ছিন্ন রাখবে যে, দু’জনে সাক্ষাৎ হলেও একজন এদিকে আর অপর জন সে দিকে মুখ সহীহ যে ব্যক্তি অহংকারবশত তার পোশাক টেনে-হেঁচড়ে চলে আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। সহীহ “কিয়ামতের দিন মুমিনের জন্য মীযানের পাল্লায় সদ্ব্যবহারের চেয়ে অধিক ভারি আর কিছু হবে না। আল্লাহ তা’আলা অশ্লীল এবং কটুভাষীকে অবশ্যই ঘৃণা করেন।” সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনাকে সালাম দেব তা জানলাম। তবে কীভাবে আপনার উপর সালাত সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণের মাঝে কি মুসাফাহার প্রচলন ছিলো? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সহীহ সফর হলো শাস্তির অংশ। হাসান “যে ব্যক্তি মূল্যবান পোশাক পরার ক্ষমতা থাকা সত্বেও বিনয়বশতঃ তা পরিহার করল, আল্লাহ কিয়ামতের দিন সমস্ত মানুষের সামনে তাকে ডেকে স্বাধীনতা দেবেন, সে যেন ঈ সহীহ যে ব্যক্তি তীর সঙ্গে নিয়ে আমাদের কোনো মসজিদ অথবা কোনো বাজারের ভিতর দিয়ে অতিক্রম করবে, তার উচিৎ হবে, হাতের চেটো দ্বারা তার ফলাকে ধরে নেওয়া। যাতে কোনো ম সহীহ তোমাদের কেউ যেন কখনই দাঁড়িয়ে পান না করে। আর যদি ভুলে যায়, তাহলে সে যেন বমি করে দেয়। সহীহ নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশক অথবা পানির বড় পাত্রের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে বারণ করেছেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ বাঁকিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানীয় বস্তুতে ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাশ দিয়ে গেলাম এমতাবস্থায় যে, আমার লুঙ্গি বেশ ঝুলে ছিল। তিনি বললেন, “হে আব্দুল্লাহ! লুঙ্গি উঠিয়ে পর।” সহীহ “হে আল্লাহ! আপনি সা‘দকে আরোগ্য দান করুন, হে আল্লাহ!আপনি সা‘দকে আরোগ্য দান করুন” সহীহ তোমরা রাস্তায় বসা থেকে বিরত থাক। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! ওখানে বসা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই। আমরা ওখানে বসে আলাপ-আলোচনা করি। রাসূলুল্লাহ সাল্ হাসান যে ব্যক্তি মানুষকে হাসানোর জন্য মিথ্যা কথা বলে, তার জন্য রয়েছে ধ্বংস, অতঃপর তার জন্য ধ্বংস। সহীহ হে আল্লাহ! আপনি মানুষের রব, ব্যাধি নিবারণকারী, সুস্থতা দান করুন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনি ব্যতীত আর কোনো সুস্থতা দানকারী নেই। এমন সুস্থতা (চাই) যা সহীহ “হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করে দিন। আরোগ্যতা দান করুন, আপনিই একমাত্র আরোগ্য দানকারী। আপনার আরোগ্য ব্যতীত অন্য কোন আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্যতা দান করুন যা স সহীহ যখন কোনো মুসলিম তার মুসলিম ভাইয়ের রোগে দেখা-শুশ্রুষা করে তখন সে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত জান্নাতের ফলমূলে অবস্থান করতে থাকে। সহীহ একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে পানীয় পরিবেশন করা হলে তিনি তা থেকে পান করলেন, আর তাঁর ডান দিকে ছিল একটি বালক সহীহ তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে; কেননা (জীবিত থাকলে) সে পুণ্যবান হলে স‎ম্ভবত সে পুণ্য বৃদ্ধি করবে। আর পাপী হলে (পাপ থেকে) তাওবা করতে পারবে। উভয় বর্ণনাসহ সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খাবার খেতেন, তখন তার তিন আঙ্গুলই চাটতেন। সহীহ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলাম তখন তিনি খুতবা দিচ্ছিলেন সহীহ কুরআনের ধারকের উদাহরণ হলো বাঁধা উটের মালিকের মতো: যদি সে তাদের যত্ন নেয়, তবে সে তাদের রাখতে পারবে, কিন্তু যদি সে তাদের ছেড়ে দেয়, তবে তারা চলে যাবে। সহীহ আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু একবার বাচ্চাদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি তাদেরকে সালাম দিলেন এবং তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লা সহীহ “যার কাছে সুগন্ধি পেশ করা হবে, সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কারণ, তা বহনের দিক থেকে হালকা, গন্ধের দিক থেকে সুবাসিত।” সহীহ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো সুগন্ধি ফিরিয়ে দিতেন না। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন ব্যক্তিকে অপর এক ব্যক্তির প্রশংসা করতে শোনেন। আর সে প্রশংসায় বাড়াবাড়ি করছিল। তখন তিনি বললেন, তুমি তাকে সহীহ হায় হায়! তুমি তোমার সাথীর গর্দান কেটে ফেললে!’ সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শত্রুদের দেশে কুরআন নিয়ে ভ্রমণ করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ “নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা ঐ বান্দাহর প্রতি সন্তুষ্ট হন, যে খাবার খায়, অতঃপর তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করে অথবা পানি পান করে, অতঃপর তার উপর আল্লাহর প্রশংসা ক সহীহ জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওসাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, ‘ইসলামের কোন কাজটি উত্তম?’ তিনি বললেন, “খানা খাওয়াবে এবং পরিচিত ও অপরিচিত সবাইকে স সহীহ হে বৎস! বিসমিল্লাহ বলো এবং ডান হাতে আহার কর আর তোমার কাছে থেকে খাও সহীহ “যখন তোমাদের কেউ খায়, তখন সে যেন ডান হাতে খায় আর যখন পান করে সে যেন ডান হাতে পান করে। কারণ, শয়তান বাম হাতে খায় ও বাম হাতে পান করে”। সহীহ ‘হে হাসানের পিতা! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী অবস্থায় সকাল করলেন?’ তিনি বললেন, ‘আলহামদু লিল্লাহ, তিনি ভাল অবস্থায় সকাল করলেন। সহীহ “মিথ্যা কসম পণ্য চালু করে দেয় বটে, কিন্তু বরকত নিশ্চিহ্ন করে দেয়”। হাসান “একা (সফরকারী) আরোহী একটি শয়তান এবং দু’জন আরোহী দু’টি শয়তান। আর তিনজন আরোহী একটি কাফেলা।” সহীহ এভাবে উপত্যকা ও গিরিপথে তোমাদের বিক্ষিপ্ত হওয়া অবশ্যই শয়তানের পক্ষ থেকে সহীহ যখন তোমরা সবুজ-শ্যামল ঘাসে ভরা যমীনে সফর করবে, তখন উটকে তার যমীনের অংশ দাও (অর্থাৎ কিছুক্ষণ চরতে দাও)। আর যখন তোমরা ঘাস-পানি বিহীন যমীনে সফর করবে, তখন সহীহ তোমরা রাতে সফর কর। কেননা রাতে যমীনকে গুটিয়ে দেওয়া হয়। সহীহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে থাকতেন এবং রাতে বিশ্রামের জন্য কোথাও অবতরণ করতেন, তখন তিনি ডান পার্শ্বে শয়ন করতেন। আর তিনি ফজরের কি হাসান যখন তিন ব্যক্তি সফরে বের হবে, তখন তারা যেন তাদের একজনকে আমীর বানিয়ে নেয়।
بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 15 জুমাদাল উলা
الثلاثاء 15 جمادى الأولى
بدر পূর্ণিমা দিন 16.5 / 29.5
আলোকিতকরণ 96%
13 দিনে অমাবস্যা
الله أكبر আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত