সূরা الجاثية শব্দে শব্দে

ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা الجاثية শব্দে শব্দে

الجاثية (الجاثية) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 37টি আয়াত, 488টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।

488টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা الجاثية আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।

30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 3 মিনিটের পাঠ

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

আয়াত 1 - সূরা الجاثية: 1 শব্দ

حمٓ

হা-মীম।

حمٓ hha-meem হা-মীম

আয়াত 2 - সূরা الجاثية: 6 শব্দ

تَنزِيلُ ٱلْكِتَـٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَكِيمِ

পরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ এ কিতাব।

تَنزِيلُ tanzīlu অবতীর্ণ করা
ٱلْكِتَـٰبِ l-kitābi এই কিতাব
مِنَ mina পক্ষ হতে
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
ٱلْعَزِيزِ l-ʿazīzi (যিনি) পরাক্রমশালী
ٱلْحَكِيمِ l-ḥakīmi প্রজ্ঞাময়

আয়াত 3 - সূরা الجاثية: 6 শব্দ

إِنَّ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّلْمُؤْمِنِينَ

নিশ্চয় নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলে মুমিনদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

إِنَّ inna নিশ্চয়ই
فِى fī মধ্যে রয়েছে
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ l-samāwāti আকাশমণ্ডলীর
وَٱلْأَرْضِ wal-arḍi ও পৃথিবীর
لَـَٔايَـٰتٍۢ laāyātin অবশ্যই নির্দশনাবলী
لِّلْمُؤْمِنِينَ lil'mu'minīna মু'মিনদের জন্যে

আয়াত 4 - সূরা الجاثية: 9 শব্দ

وَفِى خَلْقِكُمْ وَمَا يَبُثُّ مِن دَآبَّةٍ ءَايَـٰتٌۭ لِّقَوْمٍۢ يُوقِنُونَ

আর তোমাদের সৃষ্টিতে এবং চারদিকে ছড়িয়ে রাখা জীব জন্তুর সৃজনের মধ্যেও নিদর্শনাবলী রয়েছে বিশ্বাসীদের জন্য।

وَفِى wafī এবং মধ্যেও
خَلْقِكُمْ khalqikum তোমাদের সৃষ্টির
وَمَا wamā এবং যা কিছু
يَبُثُّ yabuthu তিনি (যমীনে) ছড়িয়ে দিয়েছেন
مِن min থেকে
دَآبَّةٍ dābbatin জীবজন্তু
ءَايَـٰتٌۭ āyātun নিদর্শনাবলী (রয়েছে)
لِّقَوْمٍۢ liqawmin লোকদের জন্যে
يُوقِنُونَ yūqinūna (যারা) দৃঢ় বিশ্বাস করে

আয়াত 5 - সূরা الجاثية: 20 শব্দ

وَٱخْتِلَـٰفِ ٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ وَمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مِن رِّزْقٍۢ فَأَحْيَا بِهِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا وَتَصْرِيفِ ٱلرِّيَـٰحِ ءَايَـٰتٌۭ لِّقَوْمٍۢ يَعْقِلُونَ

দিবারাত্রির পরিবর্তনে, আল্লাহ আকাশ থেকে যে রিযিক (বৃষ্টি) বর্ষণ করেন অতঃপর পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পর পুনরুজ্জীবিত করেন, তাতে এবং বায়ুর পরিবর্তনে বুদ্ধিমানদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

وَٱخْتِلَـٰفِ wa-ikh'tilāfi এবং পরিবর্তনে
ٱلَّيْلِ al-layli রাতের
وَٱلنَّهَارِ wal-nahāri ও দিনের
وَمَآ wamā এবং যা কিছু
أَنزَلَ anzala অবতীর্ণ করেন
ٱللَّهُ l-lahu আল্লাহ
مِنَ mina থেকে
ٱلسَّمَآءِ l-samāi আকাশ
مِن min মধ্য থেকে
رِّزْقٍۢ riz'qin আহার্য (অর্থাৎ পানি)
فَأَحْيَا fa-aḥyā অতঃপর জীবন্ত করেন
بِهِ bihi তা দিয়ে
ٱلْأَرْضَ l-arḍa পৃথিবীকে
بَعْدَ baʿda পরে
مَوْتِهَا mawtihā তার মৃত্যুর
وَتَصْرِيفِ wataṣrīfi এবং আবর্তনে
ٱلرِّيَـٰحِ l-riyāḥi বায়ুর
ءَايَـٰتٌۭ āyātun নির্দশনাবলী (রয়েছে)
لِّقَوْمٍۢ liqawmin লোকদের জন্যে (যারা)
يَعْقِلُونَ yaʿqilūna বুদ্ধিবিবেক কাজে লাগায়

আয়াত 6 - সূরা الجاثية: 12 শব্দ

تِلْكَ ءَايَـٰتُ ٱللَّهِ نَتْلُوهَا عَلَيْكَ بِٱلْحَقِّ ۖ فَبِأَىِّ حَدِيثٍۭ بَعْدَ ٱللَّهِ وَءَايَـٰتِهِۦ يُؤْمِنُونَ

এগুলো আল্লাহর আয়াত, যা আমি আপনার কাছে আবৃত্তি করি যথাযথরূপে। অতএব, আল্লাহ ও তাঁর আয়াতের পর তারা কোন কথায় বিশ্বাস স্থাপন করবে।

تِلْكَ til'ka এসব
ءَايَـٰتُ āyātu নির্দশনাবলী
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
نَتْلُوهَا natlūhā তার আবৃত্তি/ তিলাওয়াত করছি আমরা
عَلَيْكَ ʿalayka তোমার কাছে
بِٱلْحَقِّ ۖ bil-ḥaqi যথাযথভাবে
فَبِأَىِّ fabi-ayyi সুতরাং কোন
حَدِيثٍۭ ḥadīthin কথার (উপর)
بَعْدَ baʿda পরে
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
وَءَايَـٰتِهِۦ waāyātihi ও তাঁর আয়াত গুলোর
يُؤْمِنُونَ yu'minūna তারা বিশ্বাস করবে?

আয়াত 7 - সূরা الجاثية: 4 শব্দ

وَيْلٌۭ لِّكُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍۢ

প্রত্যেক মিথ্যাবাদী পাপাচারীর দুর্ভোগ।

وَيْلٌۭ waylun দুর্ভোগ
لِّكُلِّ likulli প্রত্যেকের জন্য
أَفَّاكٍ affākin ঘোর মিথ্যাবাদীর
أَثِيمٍۢ athīmin পাপীর

আয়াত 8 - সূরা الجاثية: 14 শব্দ

يَسْمَعُ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ تُتْلَىٰ عَلَيْهِ ثُمَّ يُصِرُّ مُسْتَكْبِرًۭا كَأَن لَّمْ يَسْمَعْهَا ۖ فَبَشِّرْهُ بِعَذَابٍ أَلِيمٍۢ

সে আল্লাহর আয়াতসমূহ শুনে, অতঃপর অহংকারী হয়ে জেদ ধরে, যেন সে আয়াত শুনেনি। অতএব, তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।

يَسْمَعُ yasmaʿu (যে) শুনে
ءَايَـٰتِ āyāti আয়াত সমূহ
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
تُتْلَىٰ tut'lā পাঠ করা হয় (যা)
عَلَيْهِ ʿalayhi তার কাছে
ثُمَّ thumma এরপর
يُصِرُّ yuṣirru অটল থাকে
مُسْتَكْبِرًۭا mus'takbiran ঔদ্ধত্যের সাথে
كَأَن ka-an যেন
لَّمْ lam নি
يَسْمَعْهَا ۖ yasmaʿhā তা শুনেই
فَبَشِّرْهُ fabashir'hu তাই তাকে সুসংবাদ দাও
بِعَذَابٍ biʿadhābin শাস্তির
أَلِيمٍۢ alīmin যন্ত্রণাদায়ক

আয়াত 9 - সূরা الجاثية: 11 শব্দ

وَإِذَا عَلِمَ مِنْ ءَايَـٰتِنَا شَيْـًٔا ٱتَّخَذَهَا هُزُوًا ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌۭ مُّهِينٌۭ

যখন সে আমার কোন আয়াত অবগত হয়, তখন তাকে ঠাট্টারূপে গ্রহণ করে। এদের জন্যই রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।

وَإِذَا wa-idhā এবং যখন
عَلِمَ ʿalima সে অবগত হয়
مِنْ min মধ্য হতে
ءَايَـٰتِنَا āyātinā আমাদের আয়াত সমূহের
شَيْـًٔا shayan কোনো কিছু
ٱتَّخَذَهَا ittakhadhahā সে গ্রহণ করে তা
هُزُوًا ۚ huzuwan বিদ্রুপ রূপে
أُو۟لَـٰٓئِكَ ulāika ঐসব লোক
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে রয়েছে
عَذَابٌۭ ʿadhābun শাস্তি
مُّهِينٌۭ muhīnun অপমানকর

আয়াত 10 - সূরা الجاثية: 19 শব্দ

مِّن وَرَآئِهِمْ جَهَنَّمُ ۖ وَلَا يُغْنِى عَنْهُم مَّا كَسَبُوا۟ شَيْـًۭٔا وَلَا مَا ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَوْلِيَآءَ ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ

তাদের সামনে রয়েছে জাহান্নাম। তারা যা উপার্জন করেছে, তা তাদের কোন কাজে আসবে না, তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছে তারাও নয়। তাদের জন্যে রয়েছে মহাশাস্তি।

مِّن min থেকে
وَرَآئِهِمْ warāihim তাদের পিছনে (রয়েছে)
جَهَنَّمُ ۖ jahannamu জাহান্নাম
وَلَا walā এবং না
يُغْنِى yugh'nī কাজে আসবে
عَنْهُم ʿanhum তাদের জন্যে
مَّا mā যা কিছু
كَسَبُوا۟ kasabū তারা অর্জন করেছে
شَيْـًۭٔا shayan (তার) কোন কিছুই
وَلَا walā এবং না
مَا mā যা কিছু
ٱتَّخَذُوا۟ ittakhadhū তারা গ্রহণ করেছে
مِن min মধ্য হতে
دُونِ dūni ছাড়া/ পরিবর্তে
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহকে
أَوْلِيَآءَ ۖ awliyāa অভিভাবক রূপে
وَلَهُمْ walahum এবং তাদের জন্যে রয়েছে
عَذَابٌ ʿadhābun শাস্তি
عَظِيمٌ ʿaẓīmun ভয়ানক

আয়াত 11 - সূরা الجاثية: 11 শব্দ

هَـٰذَا هُدًۭى ۖ وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِ رَبِّهِمْ لَهُمْ عَذَابٌۭ مِّن رِّجْزٍ أَلِيمٌ

এটা সৎপথ প্রদর্শন, আর যারা তাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে, তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

هَـٰذَا hādhā এই (কুরআন)
هُدًۭى ۖ hudan সৎপথের দিশারি
وَٱلَّذِينَ wa-alladhīna এবং যারা
كَفَرُوا۟ kafarū অস্বীকার করেছে
بِـَٔايَـٰتِ biāyāti নিদর্শনাবলীকে
رَبِّهِمْ rabbihim তাদের রবের
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে রয়েছে
عَذَابٌۭ ʿadhābun শাস্তি
مِّن min থেকে
رِّجْزٍ rij'zin (বড় কঠিন) শাস্তি
أَلِيمٌ alīmun যন্ত্রণাদায়ক

আয়াত 12 - সূরা الجاثية: 14 শব্দ

۞ ٱللَّهُ ٱلَّذِى سَخَّرَ لَكُمُ ٱلْبَحْرَ لِتَجْرِىَ ٱلْفُلْكُ فِيهِ بِأَمْرِهِۦ وَلِتَبْتَغُوا۟ مِن فَضْلِهِۦ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ

তিনি আল্লাহ যিনি সমুদ্রকে তোমাদের উপকারার্থে আয়ত্বাধীন করে দিয়েছেন, যাতে তাঁর আদেশক্রমে তাতে জাহাজ চলাচল করে এবং যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ তালাশ কর ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হও।

۞ ٱللَّهُ al-lahu (তিনিই) আল্লাহ
ٱلَّذِى alladhī যিনি
سَخَّرَ sakhara অধীন করে দিয়েছেন
لَكُمُ lakumu তোমাদের জন্যে
ٱلْبَحْرَ l-baḥra সমুদ্রকে
لِتَجْرِىَ litajriya যেন চলাচল করতে থাকে
ٱلْفُلْكُ l-ful'ku নৌযানসমূহ
فِيهِ fīhi তার মধ্যে
بِأَمْرِهِۦ bi-amrihi তাঁর নির্দেশের মাধ্যমে
وَلِتَبْتَغُوا۟ walitabtaghū এবং যেন তোমরা সন্ধান করতে পার
مِن min হতে
فَضْلِهِۦ faḍlihi তাঁর অনুগ্রহ
وَلَعَلَّكُمْ walaʿallakum এবং যাতে তোমরা
تَشْكُرُونَ tashkurūna কৃতজ্ঞ হও

আয়াত 13 - সূরা الجاثية: 16 শব্দ

وَسَخَّرَ لَكُم مَّا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًۭا مِّنْهُ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّقَوْمٍۢ يَتَفَكَّرُونَ

এবং আয়ত্ত্বাধীন করে দিয়েছেন তোমাদের, যা আছে নভোমন্ডলে ও যা আছে ভূমন্ডলে; তাঁর পক্ষ থেকে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

وَسَخَّرَ wasakhara এবং অধীন করে দিয়েছেন
لَكُم lakum তোমাদের জন্যে
مَّا mā যা কিছু
فِى fī মধ্যে আছে
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ l-samāwāti আকাশের
وَمَا wamā ও যা কিছু
فِى fī মধ্যে আছে
ٱلْأَرْضِ l-arḍi পৃথিবীর
جَمِيعًۭا jamīʿan সবকিছুকেই
مِّنْهُ ۚ min'hu তাঁর নিকট হতে
إِنَّ inna নিশ্চয়ই
فِى fī মধ্যে রয়েছে
ذَٰلِكَ dhālika এর
لَـَٔايَـٰتٍۢ laāyātin অবশ্যই নিদর্শনাবলী
لِّقَوْمٍۢ liqawmin লোকদের জন্যে (যারা)
يَتَفَكَّرُونَ yatafakkarūna চিন্তাভাবনা করে

আয়াত 14 - সূরা الجاثية: 14 শব্দ

قُل لِّلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ يَغْفِرُوا۟ لِلَّذِينَ لَا يَرْجُونَ أَيَّامَ ٱللَّهِ لِيَجْزِىَ قَوْمًۢا بِمَا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ

মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদেরকে ক্ষমা করে, যারা আল্লাহর সে দিনগুলো সম্পর্কে বিশ্বাস রাখে না যাতে তিনি কোন সম্প্রদায়কে কৃতকর্মের প্রতিফল দেন।

قُل qul (হে নাবী) বলো
لِّلَّذِينَ lilladhīna (তাদের)-কে যারা
ءَامَنُوا۟ āmanū ঈমান এনেছে
يَغْفِرُوا۟ yaghfirū তারা যেন ক্ষমা করে
لِلَّذِينَ lilladhīna (তাদের)-কে যারা
لَا lā না
يَرْجُونَ yarjūna প্রত্যাশা করে
أَيَّامَ ayyāma (খারাপ) দিনগুলোর
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
لِيَجْزِىَ liyajziya যেন প্রতিদান দেন তিনি
قَوْمًۢا qawman লোকদেরকে
بِمَا bimā এ বিষয়ে যা
كَانُوا۟ kānū তারা
يَكْسِبُونَ yaksibūna অর্জন করছিল

আয়াত 15 - সূরা الجاثية: 11 শব্দ

مَنْ عَمِلَ صَـٰلِحًۭا فَلِنَفْسِهِۦ ۖ وَمَنْ أَسَآءَ فَعَلَيْهَا ۖ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّكُمْ تُرْجَعُونَ

যে সৎকাজ করছে, সে নিজের কল্যাণার্থেই তা করছে, আর যে অসৎকাজ করছে, তা তার উপরই বর্তাবে। অতঃপর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে।

مَنْ man যে
عَمِلَ ʿamila কাজ করবে
صَـٰلِحًۭا ṣāliḥan সৎ
فَلِنَفْسِهِۦ ۖ falinafsihi তা তার নিজের জন্যে
وَمَنْ waman এবং যে
أَسَآءَ asāa মন্দ করবে
فَعَلَيْهَا ۖ faʿalayhā তা তার উপর পড়বে
ثُمَّ thumma এরপর
إِلَىٰ ilā দিকে
رَبِّكُمْ rabbikum তোমার রবের
تُرْجَعُونَ tur'jaʿūna তোমাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে

আয়াত 16 - সূরা الجاثية: 13 শব্দ

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْحُكْمَ وَٱلنُّبُوَّةَ وَرَزَقْنَـٰهُم مِّنَ ٱلطَّيِّبَـٰتِ وَفَضَّلْنَـٰهُمْ عَلَى ٱلْعَـٰلَمِينَ

আমি বনী ইসরাঈলকে কিতাব, রাজত্ব ও নবুওয়ত দান করেছিলাম এবং তাদেরকে পরিচ্ছন্ন রিযিক দিয়েছিলাম এবং বিশ্ববাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।

وَلَقَدْ walaqad এবং নিশ্চয়ই
ءَاتَيْنَا ātaynā আমরা দিয়েছিলাম
بَنِىٓ banī বনী
إِسْرَٰٓءِيلَ is'rāīla ইসরাইলকে
ٱلْكِتَـٰبَ l-kitāba কিতাব
وَٱلْحُكْمَ wal-ḥuk'ma ও কর্তৃত্ব
وَٱلنُّبُوَّةَ wal-nubuwata ও নবুয়ত
وَرَزَقْنَـٰهُم warazaqnāhum এবং তাদের আমরা জীবিকা দিয়েছিলাম
مِّنَ mina হতে
ٱلطَّيِّبَـٰتِ l-ṭayibāti উত্তম বস্তু
وَفَضَّلْنَـٰهُمْ wafaḍḍalnāhum এবং আমরা তাদেরকে মর্যাদা দিয়েছিলাম
عَلَى ʿalā উপর
ٱلْعَـٰلَمِينَ l-ʿālamīna সারা দুনিয়ার (মানুষের)

আয়াত 17 - সূরা الجاثية: 24 শব্দ

وَءَاتَيْنَـٰهُم بَيِّنَـٰتٍۢ مِّنَ ٱلْأَمْرِ ۖ فَمَا ٱخْتَلَفُوٓا۟ إِلَّا مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلْعِلْمُ بَغْيًۢا بَيْنَهُمْ ۚ إِنَّ رَبَّكَ يَقْضِى بَيْنَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ فِيمَا كَانُوا۟ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ

আরও দিয়েছিলাম তাদেরকে ধর্মের সুস্পষ্ট প্রমাণাদি। অতঃপর তারা জ্ঞান লাভ করার পর শুধু পারস্পরিক জেদের বশবর্তী হয়ে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তারা যে বিষয়ে মতভেদ করত, আপনার পালনকর্তা কেয়ামতের দিন তার ফয়সালা করে দেবেন।

وَءَاتَيْنَـٰهُم waātaynāhum এবং তাদেরকে আমরা দিয়েছি
بَيِّنَـٰتٍۢ bayyinātin সুস্পষ্ট প্রমাণ
مِّنَ mina সম্পর্কে
ٱلْأَمْرِ ۖ l-amri (দ্বীনের) নির্দেশ
فَمَا famā অতঃপর নি
ٱخْتَلَفُوٓا۟ ikh'talafū (মতবিরোধ করেছিল) বাড়াবাড়ি করে
إِلَّا illā কিন্তু
مِنۢ min মধ্য হতে
بَعْدِ baʿdi এরপরে
مَا mā যা
جَآءَهُمُ jāahumu তাদের কাছে এসেছিল
ٱلْعِلْمُ l-ʿil'mu (নির্ভুল) জ্ঞান
بَغْيًۢا baghyan বাড়াবাড়ি করে
بَيْنَهُمْ ۚ baynahum তাদের মাঝে
إِنَّ inna নিশ্চয়ই
رَبَّكَ rabbaka তোমার রব
يَقْضِى yaqḍī মীমাংসা করে দিবেন
بَيْنَهُمْ baynahum তাদের মাঝে
يَوْمَ yawma দিনে
ٱلْقِيَـٰمَةِ l-qiyāmati কিয়ামতের
فِيمَا fīmā সে বিষয়ে
كَانُوا۟ kānū তারা ছিল
فِيهِ fīhi যার মধ্যে
يَخْتَلِفُونَ yakhtalifūna মতবিরোধ করত

আয়াত 18 - সূরা الجاثية: 13 শব্দ

ثُمَّ جَعَلْنَـٰكَ عَلَىٰ شَرِيعَةٍۢ مِّنَ ٱلْأَمْرِ فَٱتَّبِعْهَا وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَآءَ ٱلَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ

এরপর আমি আপনাকে রেখেছি ধর্মের এক বিশেষ শরীয়তের উপর। অতএব, আপনি এর অনুসরণ করুন এবং অজ্ঞানদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করবেন না।

ثُمَّ thumma এরপর
جَعَلْنَـٰكَ jaʿalnāka তোমাকে আমরা প্রতিষ্ঠিত করেছি
عَلَىٰ ʿalā উপর
شَرِيعَةٍۢ sharīʿatin শরীয়তের
مِّنَ mina সম্পর্কিত
ٱلْأَمْرِ l-amri (দ্বীনের) নির্দেশ
فَٱتَّبِعْهَا fa-ittabiʿ'hā তাই তার অনুসরণ করো
وَلَا walā এবং না
تَتَّبِعْ tattabiʿ অনুসরণ করো
أَهْوَآءَ ahwāa খেয়াল খুশির
ٱلَّذِينَ alladhīna (তাদের) যারা
لَا lā না
يَعْلَمُونَ yaʿlamūna জানে

আয়াত 19 - সূরা الجاثية: 15 শব্দ

إِنَّهُمْ لَن يُغْنُوا۟ عَنكَ مِنَ ٱللَّهِ شَيْـًۭٔا ۚ وَإِنَّ ٱلظَّـٰلِمِينَ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَآءُ بَعْضٍۢ ۖ وَٱللَّهُ وَلِىُّ ٱلْمُتَّقِينَ

আল্লাহর সামনে তারা আপনার কোন উপকারে আসবে না। যালেমরা একে অপরের বন্ধু। আর আল্লাহ পরহেযগারদের বন্ধু।

إِنَّهُمْ innahum তারা নিশ্চয়ই
لَن lan কখনও না
يُغْنُوا۟ yugh'nū তারা কাজে আসবে
عَنكَ ʿanka তোমার জন্যে
مِنَ mina (পাকড়াও) হতে
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
شَيْـًۭٔا ۚ shayan কিছুমাত্র
وَإِنَّ wa-inna এবং নিশ্চয়ই
ٱلظَّـٰلِمِينَ l-ẓālimīna সীমালঙ্ঘনকারীরা
بَعْضُهُمْ baʿḍuhum তাদের একে
أَوْلِيَآءُ awliyāu বন্ধু
بَعْضٍۢ ۖ baʿḍin অপরের
وَٱللَّهُ wal-lahu এবং আল্লাহ
وَلِىُّ waliyyu বন্ধু
ٱلْمُتَّقِينَ l-mutaqīna মুত্তাকীদের

আয়াত 20 - সূরা الجاثية: 7 শব্দ

هَـٰذَا بَصَـٰٓئِرُ لِلنَّاسِ وَهُدًۭى وَرَحْمَةٌۭ لِّقَوْمٍۢ يُوقِنُونَ

এটা মানুষের জন্যে জ্ঞানের কথা এবং বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য হেদায়েত ও রহমত।

هَـٰذَا hādhā এটা
بَصَـٰٓئِرُ baṣāiru (সঠিক পথের) আলো
لِلنَّاسِ lilnnāsi সব লোকের জন্যে
وَهُدًۭى wahudan এবং পথনির্দেশ
وَرَحْمَةٌۭ waraḥmatun ও অনুগ্রহ
لِّقَوْمٍۢ liqawmin (এমন) লোকদের জন্যে
يُوقِنُونَ yūqinūna (যারা) দৃঢ় বিশ্বাস করে

আয়াত 21 - সূরা الجاثية: 17 শব্দ

أَمْ حَسِبَ ٱلَّذِينَ ٱجْتَرَحُوا۟ ٱلسَّيِّـَٔاتِ أَن نَّجْعَلَهُمْ كَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ سَوَآءًۭ مَّحْيَاهُمْ وَمَمَاتُهُمْ ۚ سَآءَ مَا يَحْكُمُونَ

যারা দুস্কর্ম উপার্জন করেছে তারা কি মনে করে যে, আমি তাদেরকে সে লোকদের মত করে দেব, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং তাদের জীবন ও মুত্যু কি সমান হবে? তাদের দাবী কত মন্দ।

أَمْ am কি
حَسِبَ ḥasiba মনে করেছে
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
ٱجْتَرَحُوا۟ ij'taraḥū লিপ্ত রয়েছে
ٱلسَّيِّـَٔاتِ l-sayiāti পাপকাজ
أَن an যে
نَّجْعَلَهُمْ najʿalahum তাদেরকে করব আমরা
كَٱلَّذِينَ ka-alladhīna (তাদের) মতো যারা
ءَامَنُوا۟ āmanū ঈমান এনেছে
وَعَمِلُوا۟ waʿamilū ও কাজ করেছে
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ l-ṣāliḥāti সৎ
سَوَآءًۭ sawāan (উভয়ে) সমান
مَّحْيَاهُمْ maḥyāhum তাদের জীবন
وَمَمَاتُهُمْ ۚ wamamātuhum ও তাদের মৃত্যু (এক রকম হবে)
سَآءَ sāa কত মন্দ
مَا mā যা
يَحْكُمُونَ yaḥkumūna তারা মীমাংসা করে

আয়াত 22 - সূরা الجاثية: 13 শব্দ

وَخَلَقَ ٱللَّهُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ وَلِتُجْزَىٰ كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ

আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন, যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি তার উপার্জনের ফল পায়। তাদের প্রতি যুলুম করা হবে না।

وَخَلَقَ wakhalaqa এবং সৃষ্টি করেছেন
ٱللَّهُ l-lahu আল্লাহ
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ l-samāwāti আকাশ
وَٱلْأَرْضَ wal-arḍa ও পৃথিবী
بِٱلْحَقِّ bil-ḥaqi যথাযথভাবে
وَلِتُجْزَىٰ walituj'zā এবং যেন প্রতিদান দেওয়া যায়
كُلُّ kullu প্রত্যেক
نَفْسٍۭ nafsin ব্যক্তিকে
بِمَا bimā ঐ বিষয়ে যা
كَسَبَتْ kasabat সে অর্জন করেছে
وَهُمْ wahum এবং তাদের (উপর)
لَا lā না
يُظْلَمُونَ yuẓ'lamūna যুলুম করা হবে

আয়াত 23 - সূরা الجاثية: 24 শব্দ

أَفَرَءَيْتَ مَنِ ٱتَّخَذَ إِلَـٰهَهُۥ هَوَىٰهُ وَأَضَلَّهُ ٱللَّهُ عَلَىٰ عِلْمٍۢ وَخَتَمَ عَلَىٰ سَمْعِهِۦ وَقَلْبِهِۦ وَجَعَلَ عَلَىٰ بَصَرِهِۦ غِشَـٰوَةًۭ فَمَن يَهْدِيهِ مِنۢ بَعْدِ ٱللَّهِ ۚ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ

আপনি কি তার প্রতি লক্ষ্য করেছেন, যে তার খেয়াল-খুশীকে স্বীয় উপাস্য স্থির করেছে? আল্লাহ জেনে শুনে তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তার কান ও অন্তরে মহর এঁটে দিয়েছেন এবং তার চোখের উপর রেখেছেন পর্দা। অতএব, আল্লাহর পর কে তাকে পথ প্রদর্শন করবে? তোমরা কি চিন্তাভাবনা কর না?

أَفَرَءَيْتَ afara-ayta তুমি (ভেবে) দেখেছ কি
مَنِ mani যে
ٱتَّخَذَ ittakhadha বানিয়েছে
إِلَـٰهَهُۥ ilāhahu তার ইলাহ
هَوَىٰهُ hawāhu নিজ প্রবৃত্তিকে
وَأَضَلَّهُ wa-aḍallahu এবং তাকে পথভ্রষ্ট করেছে
ٱللَّهُ l-lahu আল্লাহ
عَلَىٰ ʿalā ভিত্তিতে
عِلْمٍۢ ʿil'min জ্ঞানের
وَخَتَمَ wakhatama এবং মোহর মেরে দিয়েছেন
عَلَىٰ ʿalā উপর
سَمْعِهِۦ samʿihi তার কানের
وَقَلْبِهِۦ waqalbihi ও তার অন্তরের
وَجَعَلَ wajaʿala ও রেখে দিয়েছেন
عَلَىٰ ʿalā উপর
بَصَرِهِۦ baṣarihi তার চোখের
غِشَـٰوَةًۭ ghishāwatan আবরণ
فَمَن faman সুতরাং কে
يَهْدِيهِ yahdīhi তাকে সৎপথ দেখাবে
مِنۢ min মধ্য হতে
بَعْدِ baʿdi পরে
ٱللَّهِ ۚ l-lahi আল্লাহর
أَفَلَا afalā তবুও কি না
تَذَكَّرُونَ tadhakkarūna তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবে

আয়াত 24 - সূরা الجاثية: 21 শব্দ

وَقَالُوا۟ مَا هِىَ إِلَّا حَيَاتُنَا ٱلدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَآ إِلَّا ٱلدَّهْرُ ۚ وَمَا لَهُم بِذَٰلِكَ مِنْ عِلْمٍ ۖ إِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ

তারা বলে, আমাদের পার্থিব জীবনই তো শেষ; আমরা মরি ও বাঁচি মহাকালই আমাদেরকে ধ্বংস করে। তাদের কাছে এ ব্যাপারে কোন জ্ঞান নেই। তারা কেবল অনুমান করে কথা বলে।

وَقَالُوا۟ waqālū এবং তারা বলে
مَا mā "না
هِىَ hiya সেটা (অর্থাৎ পূনরুত্থান)
إِلَّا illā (যদি থাকে) তবে
حَيَاتُنَا ḥayātunā আমাদের এ জীবন
ٱلدُّنْيَا l-dun'yā দুনিয়ার
نَمُوتُ namūtu আমরা মরি
وَنَحْيَا wanaḥyā ও আমরা বাঁচি (তা সব এখানেই)
وَمَا wamā এবং না
يُهْلِكُنَآ yuh'likunā আমাদের ধ্বংস করে
إِلَّا illā এ ব্যতীত
ٱلدَّهْرُ ۚ l-dahru কালের (আবর্তন)"
وَمَا wamā এবং নেই
لَهُم lahum তাদের কাছে
بِذَٰلِكَ bidhālika এ সম্বন্ধে
مِنْ min কোনো
عِلْمٍ ۖ ʿil'min জ্ঞান
إِنْ in না
هُمْ hum তারা
إِلَّا illā এ ব্যতীত
يَظُنُّونَ yaẓunnūna অনুমান করে

আয়াত 25 - সূরা الجاثية: 16 শব্দ

وَإِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ ءَايَـٰتُنَا بَيِّنَـٰتٍۢ مَّا كَانَ حُجَّتَهُمْ إِلَّآ أَن قَالُوا۟ ٱئْتُوا۟ بِـَٔابَآئِنَآ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ

তাদের কাছে যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন একথা বলা ছাড়া তাদের কোন মুক্তিই থাকে না যে, তোমরা সত্যবাদী হলে আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে নিয়ে আস।

وَإِذَا wa-idhā এবং যখন
تُتْلَىٰ tut'lā আবৃত্তি করা হয়
عَلَيْهِمْ ʿalayhim তাদের কাছে
ءَايَـٰتُنَا āyātunā আমাদের আয়াতসমূহকে
بَيِّنَـٰتٍۢ bayyinātin সুস্পষ্ট
مَّا mā না
كَانَ kāna থাকে
حُجَّتَهُمْ ḥujjatahum তাদের যুক্তি
إِلَّآ illā এ ব্যতীত
أَن an যে
قَالُوا۟ qālū তারা বলে
ٱئْتُوا۟ i'tū "তোমরা উপস্থিত হও
بِـَٔابَآئِنَآ biābāinā আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে নিয়ে
إِن in যদি
كُنتُمْ kuntum তোমরা হও
صَـٰدِقِينَ ṣādiqīna সত্যবাদী"

আয়াত 26 - সূরা الجاثية: 18 শব্দ

قُلِ ٱللَّهُ يُحْيِيكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يَجْمَعُكُمْ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَـٰمَةِ لَا رَيْبَ فِيهِ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ

আপনি বলুন, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, অতঃপর মৃত্যু দেন, অতঃপর তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন একত্রিত করবেন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বোঝে না।

قُلِ quli বলো
ٱللَّهُ l-lahu "আল্লাহই
يُحْيِيكُمْ yuḥ'yīkum তোমাদেরকে জীবন দেন
ثُمَّ thumma এরপর
يُمِيتُكُمْ yumītukum তোমাদেরকে মৃত্যু দেন
ثُمَّ thumma এরপর
يَجْمَعُكُمْ yajmaʿukum তোমাদেরকে একত্র করবেন
إِلَىٰ ilā দিকে
يَوْمِ yawmi দিনের
ٱلْقِيَـٰمَةِ l-qiyāmati কিয়ামতের
لَا lā নেই
رَيْبَ rayba কোন সন্দেহ
فِيهِ fīhi তার মধ্যে"
وَلَـٰكِنَّ walākinna কিন্তু
أَكْثَرَ akthara অধিকাংশ
ٱلنَّاسِ l-nāsi মানুষই
لَا lā না
يَعْلَمُونَ yaʿlamūna তারা জানে

আয়াত 27 - সূরা الجاثية: 10 শব্দ

وَلِلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَيَوْمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ يَوْمَئِذٍۢ يَخْسَرُ ٱلْمُبْطِلُونَ

নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের রাজত্ব আল্লাহরই। যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন মিথ্যাপন্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

وَلِلَّهِ walillahi এবং আল্লাহরই জন্য
مُلْكُ mul'ku সার্বভৌমত্ব
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ l-samāwāti আকাশের
وَٱلْأَرْضِ ۚ wal-arḍi ও পৃথিবীর
وَيَوْمَ wayawma এবং যেদিন
تَقُومُ taqūmu সংঘটিত হবে
ٱلسَّاعَةُ l-sāʿatu কিয়ামত
يَوْمَئِذٍۢ yawma-idhin সেদিন
يَخْسَرُ yakhsaru ক্ষতিগ্রস্ত হবে
ٱلْمُبْطِلُونَ l-mub'ṭilūna মিথ্যাশ্রয়ীরা

আয়াত 28 - সূরা الجاثية: 14 শব্দ

وَتَرَىٰ كُلَّ أُمَّةٍۢ جَاثِيَةًۭ ۚ كُلُّ أُمَّةٍۢ تُدْعَىٰٓ إِلَىٰ كِتَـٰبِهَا ٱلْيَوْمَ تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

আপনি প্রত্যেক উম্মতকে দেখবেন নতজানু অবস্থায়। প্রত্যেক উম্মতকে তাদের আমলনামা দেখতে বলা হবে। তোমরা যা করতে, অদ্য তোমারদেরকে তার প্রতিফল দেয়া হবে।

وَتَرَىٰ watarā এবং তুমি দেখবে
كُلَّ kulla প্রত্যেক
أُمَّةٍۢ ummatin দলকে
جَاثِيَةًۭ ۚ jāthiyatan নতজানু অবস্থায়
كُلُّ kullu প্রত্যেক
أُمَّةٍۢ ummatin দলকে
تُدْعَىٰٓ tud'ʿā ডাকা হবে
إِلَىٰ ilā প্রতি
كِتَـٰبِهَا kitābihā তার আমলনামার
ٱلْيَوْمَ l-yawma "(বলা হবে) আজ
تُجْزَوْنَ tuj'zawna তোমাদের প্রতিফল দেওয়া হবে
مَا mā যা
كُنتُمْ kuntum তোমরা
تَعْمَلُونَ taʿmalūna কাজ করছিলে

আয়াত 29 - সূরা الجاثية: 11 শব্দ

هَـٰذَا كِتَـٰبُنَا يَنطِقُ عَلَيْكُم بِٱلْحَقِّ ۚ إِنَّا كُنَّا نَسْتَنسِخُ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

আমার কাছে রক্ষিত এই আমলনামা তোমাদের সম্পর্কে সত্য কথা বলবে। তোমরা যা করতে আমি তা লিপিবদ্ধ করতাম।

هَـٰذَا hādhā এই
كِتَـٰبُنَا kitābunā আমাদের (তৈরী করা) আমলনামা
يَنطِقُ yanṭiqu কথা বলছে
عَلَيْكُم ʿalaykum তোমাদের বিরুদ্ধে
بِٱلْحَقِّ ۚ bil-ḥaqi যথাযথভাবে
إِنَّا innā আমরা নিশ্চয়ই
كُنَّا kunnā আমরা ছিলাম
نَسْتَنسِخُ nastansikhu আমরা সংরক্ষণ করি
مَا mā যা কিছু
كُنتُمْ kuntum তোমরা ছিলে
تَعْمَلُونَ taʿmalūna তোমরা কাজ করতে"

আয়াত 30 - সূরা الجاثية: 13 শব্দ

فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فَيُدْخِلُهُمْ رَبُّهُمْ فِى رَحْمَتِهِۦ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْمُبِينُ

যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদেরকে তাদের পালনকর্তা স্বীয় রহমতে দাখিল করবেন। এটাই প্রকাশ্য সাফল্য।

فَأَمَّا fa-ammā আর
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
ءَامَنُوا۟ āmanū ঈমান আনবে
وَعَمِلُوا۟ waʿamilū ও কাজ করবে
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ l-ṣāliḥāti নেকীর
فَيُدْخِلُهُمْ fayud'khiluhum তখন তাদের প্রবেশ করাবেন
رَبُّهُمْ rabbuhum তাদের রব
فِى fī মধ্যে
رَحْمَتِهِۦ ۚ raḥmatihi তাঁর রহমতের
ذَٰلِكَ dhālika এটাাই
هُوَ huwa সেই
ٱلْفَوْزُ l-fawzu সাফল্য
ٱلْمُبِينُ l-mubīnu সুস্পষ্ট

আয়াত 31 - সূরা الجاثية: 12 শব্দ

وَأَمَّا ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَفَلَمْ تَكُنْ ءَايَـٰتِى تُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ فَٱسْتَكْبَرْتُمْ وَكُنتُمْ قَوْمًۭا مُّجْرِمِينَ

আর যারা কুফর করেছে, তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে, তোমাদের কাছে কি আয়াতসমূহ পঠিত হত না? কিন্তু তোমরা অহংকার করছিলে এবং তোমরা ছিলে এক অপরাধী সম্প্রদায়।

وَأَمَّا wa-ammā আর
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
كَفَرُوٓا۟ kafarū অস্বীকার করেছিল
أَفَلَمْ afalam "(তাদের বলা হবে) তবে কি
تَكُنْ takun "হয় নি
ءَايَـٰتِى āyātī আমার নিদর্শনগুলো
تُتْلَىٰ tut'lā পঠিত
عَلَيْكُمْ ʿalaykum তোমাদের নিকট
فَٱسْتَكْبَرْتُمْ fa-is'takbartum কিন্তু তোমরা অহংকার করেছিলে
وَكُنتُمْ wakuntum এবং তোমরা ছিলে
قَوْمًۭا qawman সম্প্রদায়
مُّجْرِمِينَ muj'rimīna অপরাধী"

আয়াত 32 - সূরা الجاثية: 22 শব্দ

وَإِذَا قِيلَ إِنَّ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقٌّۭ وَٱلسَّاعَةُ لَا رَيْبَ فِيهَا قُلْتُم مَّا نَدْرِى مَا ٱلسَّاعَةُ إِن نَّظُنُّ إِلَّا ظَنًّۭا وَمَا نَحْنُ بِمُسْتَيْقِنِينَ

যখন বলা হত, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কেয়ামতে কোন সন্দেহ নেই, তখন তোমরা বলতে আমরা জানি না কেয়ামত কি ? আমরা কেবল ধারণাই করি এবং এ বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।

وَإِذَا wa-idhā এবং যখন
قِيلَ qīla বলা হতো
إِنَّ inna "নিশ্চয়ই
وَعْدَ waʿda ওয়াদা
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
حَقٌّۭ ḥaqqun সত্য
وَٱلسَّاعَةُ wal-sāʿatu এবং কিয়ামত (এমন যে)
لَا lā নেই
رَيْبَ rayba কোনো সন্দেহ
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
قُلْتُم qul'tum তোমরা বলতে
مَّا mā "না
نَدْرِى nadrī আমরা জানি
مَا mā কি (জিনিস)
ٱلسَّاعَةُ l-sāʿatu কিয়ামত
إِن in না
نَّظُنُّ naẓunnu আমরা ধারণা করি
إِلَّا illā এ ব্যতীত
ظَنًّۭا ẓannan (সাধারণ) অনুমান নির্ভর কথা
وَمَا wamā এবং নই
نَحْنُ naḥnu আমরা
بِمُسْتَيْقِنِينَ bimus'tayqinīna দৃঢ় বিশ্বাসী"

আয়াত 33 - সূরা الجاثية: 11 শব্দ

وَبَدَا لَهُمْ سَيِّـَٔاتُ مَا عَمِلُوا۟ وَحَاقَ بِهِم مَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ

তাদের মন্দ কর্ম গুলো তাদের সামনে প্রকাশ হয়ে পড়বে এবং যে আযাব নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তা তাদেরকে গ্রাস করবে।

وَبَدَا wabadā এবং প্রকাশ হবে
لَهُمْ lahum তাদের কাছে
سَيِّـَٔاتُ sayyiātu মন্দ কাজগুলো
مَا mā যা কিছু
عَمِلُوا۟ ʿamilū তারা করেছিলো
وَحَاقَ waḥāqa এবং ঘিরে ফেলবে
بِهِم bihim তাদেরকে
مَّا mā যা
كَانُوا۟ kānū তারা ছিল
بِهِۦ bihi সে সম্বন্ধে
يَسْتَهْزِءُونَ yastahziūna বিদ্রুপ করত

আয়াত 34 - সূরা الجاثية: 14 শব্দ

وَقِيلَ ٱلْيَوْمَ نَنسَىٰكُمْ كَمَا نَسِيتُمْ لِقَآءَ يَوْمِكُمْ هَـٰذَا وَمَأْوَىٰكُمُ ٱلنَّارُ وَمَا لَكُم مِّن نَّـٰصِرِينَ

বলা হবে, আজ আমি তোমাদেরকে ভুলে যাব, যেমন তোমরা এ দিনের সাক্ষাৎকে ভুলে গিয়েছিলে। তোমাদের আবাসস্থল জাহান্নাম এবং তোমাদের সাহায্যকারী নেই।

وَقِيلَ waqīla এবং বলা হবে
ٱلْيَوْمَ l-yawma "আজ
نَنسَىٰكُمْ nansākum তোমাদেরকে ভুলে যাব আমরা
كَمَا kamā যেমন
نَسِيتُمْ nasītum তোমরা ভুলে গিয়েছিলে
لِقَآءَ liqāa সাক্ষাতকে
يَوْمِكُمْ yawmikum তোমাদের দিনের
هَـٰذَا hādhā এই
وَمَأْوَىٰكُمُ wamawākumu এবং তোমাদের আশ্রয়স্থল
ٱلنَّارُ l-nāru আগুন
وَمَا wamā এবং নেই
لَكُم lakum তোমাদের জন্য
مِّن min কেউ
نَّـٰصِرِينَ nāṣirīna সাহায্যকারীদের

আয়াত 35 - সূরা الجاثية: 16 শব্দ

ذَٰلِكُم بِأَنَّكُمُ ٱتَّخَذْتُمْ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ هُزُوًۭا وَغَرَّتْكُمُ ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَا ۚ فَٱلْيَوْمَ لَا يُخْرَجُونَ مِنْهَا وَلَا هُمْ يُسْتَعْتَبُونَ

এটা এজন্যে যে, তোমরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে ঠাট্টারূপে গ্রহণ করেছিলে এবং পার্থিব জীবন তোমাদেরকে প্রতারিত করেছিল। সুতরাং আজ তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে না এবং তাদের কাছে তওবা চাওয়া হবে না।

ذَٰلِكُم dhālikum এটা তোমাদের
بِأَنَّكُمُ bi-annakumu এ কারণে যে
ٱتَّخَذْتُمْ ittakhadhtum তোমরা গ্রহণ করেছিলে
ءَايَـٰتِ āyāti নিদর্শনাবলীকে
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
هُزُوًۭا huzuwan বিদ্রুপরূপে
وَغَرَّتْكُمُ wagharratkumu ও তোমাদেরকে ধোঁকা দিয়েছিল
ٱلْحَيَوٰةُ l-ḥayatu জীবন
ٱلدُّنْيَا ۚ l-dun'yā পার্থিব"
فَٱلْيَوْمَ fal-yawma সুতরাং আজ
لَا lā না
يُخْرَجُونَ yukh'rajūna তাদের বের করা হবে
مِنْهَا min'hā তা থেকে
وَلَا walā এবং না
هُمْ hum তাদেরকে
يُسْتَعْتَبُونَ yus'taʿtabūna সন্তুষ্টি লাভের সুযোগ দেওয়া হবে

আয়াত 36 - সূরা الجاثية: 8 শব্দ

فَلِلَّهِ ٱلْحَمْدُ رَبِّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَرَبِّ ٱلْأَرْضِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ

অতএব, বিশ্বজগতের পালনকর্তা, ভূ-মন্ডলের পালনকর্তা ও নভোমন্ডলের পালনকর্তা আল্লাহর-ই প্রশংসা।

فَلِلَّهِ falillahi সুতরাং আল্লাহর জন্যে
ٱلْحَمْدُ l-ḥamdu সকল প্রশংসা
رَبِّ rabbi (যিনি) রব
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ l-samāwāti আকাশের
وَرَبِّ warabbi ও রব
ٱلْأَرْضِ l-arḍi পৃথিবীর
رَبِّ rabbi রব
ٱلْعَـٰلَمِينَ l-ʿālamīna বিশ্বজগতের

আয়াত 37 - সূরা الجاثية: 8 শব্দ

وَلَهُ ٱلْكِبْرِيَآءُ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁরই গৌরব। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

وَلَهُ walahu এবং তাঁরই জন্যে
ٱلْكِبْرِيَآءُ l-kib'riyāu গৌরব-গরিমা
فِى fī মধ্যে
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ l-samāwāti আকাশের
وَٱلْأَرْضِ ۖ wal-arḍi এবং পৃথিবীর
وَهُوَ wahuwa এবং তিনিই
ٱلْعَزِيزُ l-ʿazīzu পরাক্রমশালী
ٱلْحَكِيمُ l-ḥakīmu প্রজ্ঞাময়

আরও দেখুন

সব সূরা শব্দে শব্দে

بسم الله الرحمن الرحيم সোম 22 রবিউস সানি
الاثنين 22 ربيع الآخر
هلال متناقص কমন্ত অর্ধচন্দ্র দিন 24 / 29.5
আলোকিতকরণ 31%
6 দিনে অমাবস্যা
الله أكبر আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত