সূরা إبراهيم শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা إبراهيم শব্দে শব্দে
إبراهيم (إبراهيم) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 52টি আয়াত, 830টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
830টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা إبراهيم আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 5 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা إبراهيم: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
الٓر ۚ كِتَـٰبٌ أَنزَلْنَـٰهُ إِلَيْكَ لِتُخْرِجَ ٱلنَّاسَ مِنَ ٱلظُّلُمَـٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ بِإِذْنِ رَبِّهِمْ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَمِيدِ
আলিফ-লাম-রা; এটি একটি গ্রন্থ, যা আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি-যাতে আপনি মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন-পরাক্রান্ত, প্রশংসার যোগ্য পালনকর্তার নির্দেশে তাঁরই পথের দিকে।
▶
الٓر ۚ
alif-lam-ra
আলিফ- লা-ম রা-
▶
كِتَـٰبٌ
kitābun
(এই) কিতাব
▶
أَنزَلْنَـٰهُ
anzalnāhu
তা আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
لِتُخْرِجَ
litukh'rija
যেন তুমি বের করো
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষকে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلظُّلُمَـٰتِ
l-ẓulumāti
অন্ধকারসমূহ
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلنُّورِ
l-nūri
আলোর
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতিক্রমে
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
صِرَٰطِ
ṣirāṭi
পথের
▶
ٱلْعَزِيزِ
l-ʿazīzi
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَمِيدِ
l-ḥamīdi
প্রশংসিত
আয়াত 2 - সূরা إبراهيم: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهِ ٱلَّذِى لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ وَوَيْلٌۭ لِّلْكَـٰفِرِينَ مِنْ عَذَابٍۢ شَدِيدٍ
তিনি আল্লাহ; যিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের সবকিছুর মালিক। কাফেরদের জন্যে বিপদ রয়েছে, কঠোর আযাব;
▶
ٱللَّهِ
al-lahi
আল্লাহ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
তিনিই
▶
لَهُۥ
lahu
জন্যে যার
▶
مَا
mā
যা কিছূু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ ۗ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَوَيْلٌۭ
wawaylun
এবং দুর্ভোগ
▶
لِّلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
কাফেরদের জন্যে
▶
مِنْ
min
হতে
▶
عَذَابٍۢ
ʿadhābin
শাস্তি
▶
شَدِيدٍ
shadīdin
কঠোর
আয়াত 3 - সূরা إبراهيم: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَسْتَحِبُّونَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا عَلَى ٱلْـَٔاخِرَةِ وَيَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ وَيَبْغُونَهَا عِوَجًا ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ فِى ضَلَـٰلٍۭ بَعِيدٍۢ
যারা পরকালের চাইতে পার্থিব জীবনকে পছন্দ করে; আল্লাহর পথে বাধা দান করে এবং তাতে বক্রতা অন্বেষণ করে, তারা পথ ভুলে দূরে পড়ে আছে।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَسْتَحِبُّونَ
yastaḥibbūna
প্রাধান্য দেয়
▶
ٱلْحَيَوٰةَ
l-ḥayata
জীবনকে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পার্থিব
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
وَيَصُدُّونَ
wayaṣuddūna
ও (মানুষকে) বাধা দেয়
▶
عَن
ʿan
থেকে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَيَبْغُونَهَا
wayabghūnahā
ও তাকে করতে চায়
▶
عِوَجًا ۚ
ʿiwajan
বাঁকা
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ضَلَـٰلٍۭ
ḍalālin
বিপথে
▶
بَعِيدٍۢ
baʿīdin
(বহু) দূরে
আয়াত 4 - সূরা إبراهيم: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَآ أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا بِلِسَانِ قَوْمِهِۦ لِيُبَيِّنَ لَهُمْ ۖ فَيُضِلُّ ٱللَّهُ مَن يَشَآءُ وَيَهْدِى مَن يَشَآءُ ۚ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
আমি সব পয়গম্বরকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে। অতঃপর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা, পথঃভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। তিনি পরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়।
▶
وَمَآ
wamā
এবং নি
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা পাঠাই
▶
مِن
min
কোনো
▶
رَّسُولٍ
rasūlin
রাসূলকে
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
بِلِسَانِ
bilisāni
দিয়ে ভাষা
▶
قَوْمِهِۦ
qawmihi
তার জাতির
▶
لِيُبَيِّنَ
liyubayyina
যেন সুস্পষ্ট করে বর্ণনা করেন
▶
لَهُمْ ۖ
lahum
তাদেরকে
▶
فَيُضِلُّ
fayuḍillu
অতঃপর পথভ্রষ্ট করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
وَيَهْدِى
wayahdī
ও সৎ পথ দেখান
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 5 - সূরা إبراهيم: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِـَٔايَـٰتِنَآ أَنْ أَخْرِجْ قَوْمَكَ مِنَ ٱلظُّلُمَـٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ وَذَكِّرْهُم بِأَيَّىٰمِ ٱللَّهِ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّكُلِّ صَبَّارٍۢ شَكُورٍۢ
আমি মূসাকে নিদর্শনাবলী সহ প্রেরণ করেছিলাম যে, স্বজাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনয়ন এবং তাদেরকে আল্লাহর দিনসমূহ স্মরণ করান। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা প্রেরণ করেছিলাম
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মুসাকে
▶
بِـَٔايَـٰتِنَآ
biāyātinā
দিয়ে আমাদের নিদর্শনাদি
▶
أَنْ
an
যে
▶
أَخْرِجْ
akhrij
"বের করো
▶
قَوْمَكَ
qawmaka
তোমার জাতিকে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلظُّلُمَـٰتِ
l-ẓulumāti
অন্ধকারসমূহ
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلنُّورِ
l-nūri
আলোর
▶
وَذَكِّرْهُم
wadhakkir'hum
এবং তাদেরকে উপদেশ দাও
▶
بِأَيَّىٰمِ
bi-ayyāmi
দিয়ে দিনগুলো
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর"
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَـَٔايَـٰتٍۢ
laāyātin
অবশ্যই নিদর্শনাবলী
▶
لِّكُلِّ
likulli
জন্যে প্রত্যেক
▶
صَبَّارٍۢ
ṣabbārin
পরম ধৈর্যশীল
▶
شَكُورٍۢ
shakūrin
পরম কৃতজ্ঞ ব্যক্তির
আয়াত 6 - সূরা إبراهيم: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَةَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ أَنجَىٰكُم مِّنْ ءَالِ فِرْعَوْنَ يَسُومُونَكُمْ سُوٓءَ ٱلْعَذَابِ وَيُذَبِّحُونَ أَبْنَآءَكُمْ وَيَسْتَحْيُونَ نِسَآءَكُمْ ۚ وَفِى ذَٰلِكُم بَلَآءٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ عَظِيمٌۭ
যখন মূসা স্বজাতিকে বললেনঃ তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর যখন তিনি তোমাদেরকে ফেরাউনের সম্প্রদায়ের কবল থেকে মুক্তি দেন। তারা তোমাদেরকে অত্যন্ত নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি দিত, তোমাদের ছেলেদেরকে হত্যা করত এবং তোমাদের মেয়েদেরকে জীবিত রাখত। এবং এতে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে বিরাট পরীক্ষা হয়েছিল।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং স্মরণ করো যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিলো
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মুসা
▶
لِقَوْمِهِ
liqawmihi
তার জাতিকে
▶
ٱذْكُرُوا۟
udh'kurū
"তোমরা স্মরণ করো
▶
نِعْمَةَ
niʿ'mata
অনুগ্রহ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
أَنجَىٰكُم
anjākum
তোমাদের তিনি রক্ষা করেন
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
ءَالِ
āli
সম্প্রদায়
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরাউনের
▶
يَسُومُونَكُمْ
yasūmūnakum
তোমাদের উপর তারা প্রয়োগ করতো
▶
سُوٓءَ
sūa
নিকৃষ্ট
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তি
▶
وَيُذَبِّحُونَ
wayudhabbiḥūna
এবং তারা জবেহ করতো
▶
أَبْنَآءَكُمْ
abnāakum
তোমাদের পুত্রসন্তানদেরকে
▶
وَيَسْتَحْيُونَ
wayastaḥyūna
ও তারা জীবিত রাখতো
▶
نِسَآءَكُمْ ۚ
nisāakum
তোমাদের মেয়েদেরকে
▶
وَفِى
wafī
এবং মধ্যে (ছিলো)
▶
ذَٰلِكُم
dhālikum
এর তোমাদের জন্যে
▶
بَلَآءٌۭ
balāon
পরীক্ষা
▶
مِّن
min
থেকে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
عَظِيمٌۭ
ʿaẓīmun
বিরাট"
আয়াত 7 - সূরা إبراهيم: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ تَأَذَّنَ رَبُّكُمْ لَئِن شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ ۖ وَلَئِن كَفَرْتُمْ إِنَّ عَذَابِى لَشَدِيدٌۭ
যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
تَأَذَّنَ
ta-adhana
ঘোষণা করেন
▶
رَبُّكُمْ
rabbukum
তোমার রব
▶
لَئِن
la-in
"অবশ্যই যদি
▶
شَكَرْتُمْ
shakartum
তোমরা কৃতজ্ঞ হও
▶
لَأَزِيدَنَّكُمْ ۖ
la-azīdannakum
এবং তোমাদের অবশ্যই অধিক দিবো
▶
وَلَئِن
wala-in
আর অবশ্যই যদি
▶
كَفَرْتُمْ
kafartum
তোমরা অকৃতজ্ঞ হও
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই (তবে)
▶
عَذَابِى
ʿadhābī
আমার শাস্তি
▶
لَشَدِيدٌۭ
lashadīdun
অবশ্যই কঠোর"
আয়াত 8 - সূরা إبراهيم: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ مُوسَىٰٓ إِن تَكْفُرُوٓا۟ أَنتُمْ وَمَن فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًۭا فَإِنَّ ٱللَّهَ لَغَنِىٌّ حَمِيدٌ
এবং মূসা বললেনঃ তোমরা এবং পৃথিবীর সবাই যদি কুফরী কর, তথাপি আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, যাবতীয় গুনের আধার।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলেছিলো
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মুসা
▶
إِن
in
"যদি
▶
تَكْفُرُوٓا۟
takfurū
অস্বীকার করো
▶
أَنتُمْ
antum
তোমরা
▶
وَمَن
waman
ও যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সকলেই
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবুও নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَغَنِىٌّ
laghaniyyun
অবশ্যই অভাবমুক্ত
▶
حَمِيدٌ
ḥamīdun
প্রশংসিত"
আয়াত 9 - সূরা إبراهيم: 37 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَبَؤُا۟ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ قَوْمِ نُوحٍۢ وَعَادٍۢ وَثَمُودَ ۛ وَٱلَّذِينَ مِنۢ بَعْدِهِمْ ۛ لَا يَعْلَمُهُمْ إِلَّا ٱللَّهُ ۚ جَآءَتْهُمْ رُسُلُهُم بِٱلْبَيِّنَـٰتِ فَرَدُّوٓا۟ أَيْدِيَهُمْ فِىٓ أَفْوَٰهِهِمْ وَقَالُوٓا۟ إِنَّا كَفَرْنَا بِمَآ أُرْسِلْتُم بِهِۦ وَإِنَّا لَفِى شَكٍّۢ مِّمَّا تَدْعُونَنَآ إِلَيْهِ مُرِيبٍۢ
তোমাদের কাছে কি তোমাদের পূর্ববর্তী কওমে নূহ, আদ ও সামুদের এবং তাদের পরবর্তীদের খবর পৌছেনি? তাদের বিষয়ে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না। তাদের কাছে তাদের পয়গম্বর প্রমানাদি নিয়ে আগমন করেন। অতঃপর তারা নিজেদের হাত নিজেদের মুখে রেখে দিয়েছে এবং বলেছে, যা কিছু সহ তোমাদেরকে প্রেরণ করা হয়েছে, আমরা তা মানি না এবং যে পথের দিকে তোমরা আমাদেরকে দাওয়াত দাও, সে সম্পর্কে আমাদের মনে সন্দেহ আছে, যা আমাদেরকে উৎকন্ঠায় ফেলে রেখেছে।
▶
أَلَمْ
alam
কাছে কি
▶
يَأْتِكُمْ
yatikum
আসে নি তোমাদের
▶
نَبَؤُا۟
naba-u
সংবাদ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِكُمْ
qablikum
পূর্ব তোমাদের (ছিলো)
▶
قَوْمِ
qawmi
জাতি
▶
نُوحٍۢ
nūḥin
নূহের
▶
وَعَادٍۢ
waʿādin
ও আদ
▶
وَثَمُودَ ۛ
wathamūda
ও সামুদ
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِهِمْ ۛ
baʿdihim
তাদের পর (এসেছে)
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُهُمْ
yaʿlamuhum
তাদেরকে কেউ জানে
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
جَآءَتْهُمْ
jāathum
তাদের কাছে এসেছিলো
▶
رُسُلُهُم
rusuluhum
তাদের রাসূলরা
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ
bil-bayināti
নিয়ে সুস্পষ্ট নিদর্শনাদী
▶
فَرَدُّوٓا۟
faraddū
অতঃপর তারা ফিরিয়েছে
▶
أَيْدِيَهُمْ
aydiyahum
তাদের হাতগুলো
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَفْوَٰهِهِمْ
afwāhihim
তাদের মুখগুলোর
▶
وَقَالُوٓا۟
waqālū
এবং তা বলেছিলো
▶
إِنَّا
innā
"নিশ্চয়ই
▶
كَفَرْنَا
kafarnā
আমরা অস্বীকার করলাম
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
أُرْسِلْتُم
ur'sil'tum
তোমরা প্রেরিত হয়েছো
▶
بِهِۦ
bihi
ঐ সম্বন্ধে
▶
وَإِنَّا
wa-innā
এবং নিশ্চয়ই আমরা
▶
لَفِى
lafī
অবশ্যই মধ্যে
▶
شَكٍّۢ
shakkin
সন্দেহের
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হ'তে যা
▶
تَدْعُونَنَآ
tadʿūnanā
আমাদের তোমরা ডাকছো
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তারই দিকে
▶
مُرِيبٍۢ
murībin
সন্দেহ উদ্রেককারী"
আয়াত 10 - সূরা إبراهيم: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ قَالَتْ رُسُلُهُمْ أَفِى ٱللَّهِ شَكٌّۭ فَاطِرِ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ يَدْعُوكُمْ لِيَغْفِرَ لَكُم مِّن ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرَكُمْ إِلَىٰٓ أَجَلٍۢ مُّسَمًّۭى ۚ قَالُوٓا۟ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا بَشَرٌۭ مِّثْلُنَا تُرِيدُونَ أَن تَصُدُّونَا عَمَّا كَانَ يَعْبُدُ ءَابَآؤُنَا فَأْتُونَا بِسُلْطَـٰنٍۢ مُّبِينٍۢ
তাদের পয়গম্বরগণ বলেছিলেনঃ আল্লাহ সম্পর্কে কি সন্দেহ আছে, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তোমাদের কিছু গুনাহ ক্ষমা করেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তোমাদের সময় দেন। তারা বলতঃ তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ! তোমরা আমাদেরকে ঐ উপাস্য থেকে বিরত রাখতে চাও, যার এবাদত আমাদের পিতৃপুরুষগণ করত। অতএব তোমরা কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ আনয়ন কর।
▶
۞ قَالَتْ
qālat
বলেছিলো
▶
رُسُلُهُمْ
rusuluhum
রাসূলরা তাদের
▶
أَفِى
afī
"কি আছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (সম্বন্ধে)
▶
شَكٌّۭ
shakkun
কোনো সন্দেহ
▶
فَاطِرِ
fāṭiri
যিনি সৃষ্টিকর্তা
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۖ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
يَدْعُوكُمْ
yadʿūkum
তিনি ডাকছেন তোমাদেরকে
▶
لِيَغْفِرَ
liyaghfira
মাফ করে দেয়ার জন্যে
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের
▶
مِّن
min
থেকে
▶
ذُنُوبِكُمْ
dhunūbikum
তোমাদের পাপসমূহ
▶
وَيُؤَخِّرَكُمْ
wayu-akhirakum
এবং অবকাশ দিবেন তোমাদের
▶
إِلَىٰٓ
ilā
পর্যন্ত
▶
أَجَلٍۢ
ajalin
কাল
▶
مُّسَمًّۭى ۚ
musamman
নির্দিষ্ট"
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলেছিলো
▶
إِنْ
in
"নও
▶
أَنتُمْ
antum
তোমরা
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
بَشَرٌۭ
basharun
মানুষ
▶
مِّثْلُنَا
mith'lunā
আমাদের মতো
▶
تُرِيدُونَ
turīdūna
তোমরা চাচ্ছো
▶
أَن
an
যে
▶
تَصُدُّونَا
taṣuddūnā
তোমরা আমাদের বিরত রাখবে
▶
عَمَّا
ʿammā
ঐ বিষয়ে যা
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
يَعْبُدُ
yaʿbudu
ইবাদত করে আসছে
▶
ءَابَآؤُنَا
ābāunā
আমাদের পূর্ব-পুরুষরা
▶
فَأْتُونَا
fatūnā
অতএব আমাদের কাছে আসো
▶
بِسُلْطَـٰنٍۢ
bisul'ṭānin
নিয়ে কোনো প্রমাণ
▶
مُّبِينٍۢ
mubīnin
সুস্পষ্ট"
আয়াত 11 - সূরা إبراهيم: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَتْ لَهُمْ رُسُلُهُمْ إِن نَّحْنُ إِلَّا بَشَرٌۭ مِّثْلُكُمْ وَلَـٰكِنَّ ٱللَّهَ يَمُنُّ عَلَىٰ مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ ۖ وَمَا كَانَ لَنَآ أَن نَّأْتِيَكُم بِسُلْطَـٰنٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ ٱلْمُؤْمِنُونَ
তাদের পয়গম্বর তাদেরকে বলেনঃ আমারাও তোমাদের মত মানুষ, কিন্তু আল্লাহ বান্দাদের মধ্য থেকে যার উপরে ইচ্ছা, অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর নির্দেশ ব্যতীত তোমাদের কাছে প্রমাণ নিয়ে আসা আমাদের কাজ নয়; ঈমানদারদের আল্লাহর উপর ভরসা করা চাই।
▶
قَالَتْ
qālat
বলেছিলো
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
رُسُلُهُمْ
rusuluhum
তাদের রাসূলরা
▶
إِن
in
"নই
▶
نَّحْنُ
naḥnu
আমরা
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
بَشَرٌۭ
basharun
মানুষ
▶
مِّثْلُكُمْ
mith'lukum
তোমাদের মতো
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَمُنُّ
yamunnu
ধন্য করেন
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
مِنْ
min
মধ্য হ'তে
▶
عِبَادِهِۦ ۖ
ʿibādihi
তাঁর দাসদের
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
كَانَ
kāna
কাজ
▶
لَنَآ
lanā
আমাদের
▶
أَن
an
যে
▶
نَّأْتِيَكُم
natiyakum
তোমাদের কাছে আসবো আমরা
▶
بِسُلْطَـٰنٍ
bisul'ṭānin
নিয়ে কোন প্রমাণ
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতিক্রমে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَعَلَى
waʿalā
এবং উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَلْيَتَوَكَّلِ
falyatawakkali
ভরসা করা উচিত
▶
ٱلْمُؤْمِنُونَ
l-mu'minūna
মু’মিনদের
আয়াত 12 - সূরা إبراهيم: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا لَنَآ أَلَّا نَتَوَكَّلَ عَلَى ٱللَّهِ وَقَدْ هَدَىٰنَا سُبُلَنَا ۚ وَلَنَصْبِرَنَّ عَلَىٰ مَآ ءَاذَيْتُمُونَا ۚ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ ٱلْمُتَوَكِّلُونَ
আমাদের আল্লাহর উপর ভরসা না করার কি কারণ থাকতে পারে, অথচ তিনি আমাদেরকে আমাদের পথ বলে দিয়েছেন। তোমরা আমাদেরকে যে পীড়ন করেছ, তজ্জন্যে আমরা সবর করব। ভরসাকারিগণের আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত।
▶
وَمَا
wamā
এবং কি হয়েছে
▶
لَنَآ
lanā
আমাদের
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
نَتَوَكَّلَ
natawakkala
আমরা ভরসা করবো
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَقَدْ
waqad
অথচ নিশ্চয়ই
▶
هَدَىٰنَا
hadānā
আমাদের তিনি পথ দেখিয়েছেন
▶
سُبُلَنَا ۚ
subulanā
আমাদের পথসমূহে
▶
وَلَنَصْبِرَنَّ
walanaṣbiranna
এবং অবশ্যই আমরা ধৈর্য ধরবো
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَآ
mā
যা কিছু
▶
ءَاذَيْتُمُونَا ۚ
ādhaytumūnā
আমাদের তোমরা কষ্ট দিচ্ছো
▶
وَعَلَى
waʿalā
এবং উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَلْيَتَوَكَّلِ
falyatawakkali
ভরসা করা উচিত
▶
ٱلْمُتَوَكِّلُونَ
l-mutawakilūna
ভরসাকারীদের"
আয়াত 13 - সূরা إبراهيم: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِرُسُلِهِمْ لَنُخْرِجَنَّكُم مِّنْ أَرْضِنَآ أَوْ لَتَعُودُنَّ فِى مِلَّتِنَا ۖ فَأَوْحَىٰٓ إِلَيْهِمْ رَبُّهُمْ لَنُهْلِكَنَّ ٱلظَّـٰلِمِينَ
কাফেররা পয়গম্বরগণকে বলেছিলঃ আমরা তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেব অথবা তোমরা আমাদের ধর্মে ফিরে আসবে। তখন তাদের কাছে তাদের পালনকর্তা ওহী প্রেরণ করলেন যে, আমি জালিমদেরকে অবশ্যই ধ্বংস করে দেব।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলেছিলো
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছিলো
▶
لِرُسُلِهِمْ
lirusulihim
তাদের রাসূলদের
▶
لَنُخْرِجَنَّكُم
lanukh'rijannakum
তোমাদের অবশ্যই বের করবোই
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
أَرْضِنَآ
arḍinā
আমাদের দেশ
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
لَتَعُودُنَّ
lataʿūdunna
তোমরা অবশ্যই ফিরে আসবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
مِلَّتِنَا ۖ
millatinā
আমাদের ধর্মমতে"
▶
فَأَوْحَىٰٓ
fa-awḥā
অতঃপর ওহী করলেন
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের প্রতি
▶
رَبُّهُمْ
rabbuhum
তাদের রব
▶
لَنُهْلِكَنَّ
lanuh'likanna
"আমরা অবশ্যই ধ্বংস করবোই
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের
আয়াত 14 - সূরা إبراهيم: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَنُسْكِنَنَّكُمُ ٱلْأَرْضَ مِنۢ بَعْدِهِمْ ۚ ذَٰلِكَ لِمَنْ خَافَ مَقَامِى وَخَافَ وَعِيدِ
তাদের পর তোমাদেরকে দেশে আবাদ করব। এটা ঐ ব্যক্তি পায়, যে আমার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে এবং আমার আযাবের ওয়াদাকে ভয় করে।
▶
وَلَنُسْكِنَنَّكُمُ
walanus'kinannakumu
এবং তোমাদেরকে অবশ্যই আমরা প্রতিষ্ঠিত করবোই
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
দেশে
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِهِمْ ۚ
baʿdihim
তাদের পর
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
لِمَنْ
liman
(তার) জন্যে যে
▶
خَافَ
khāfa
ভয় করে
▶
مَقَامِى
maqāmī
আমার সামনে দাঁড়াতে
▶
وَخَافَ
wakhāfa
ও ভয় করে
▶
وَعِيدِ
waʿīdi
আমার শাস্তির"
আয়াত 15 - সূরা إبراهيم: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱسْتَفْتَحُوا۟ وَخَابَ كُلُّ جَبَّارٍ عَنِيدٍۢ
পয়গম্বরগণ ফয়সালা চাইতে লাগলেন এবং প্রত্যেক অবাধ্য, হঠকারী ব্যর্থ কাম হল।
▶
وَٱسْتَفْتَحُوا۟
wa-is'taftaḥū
এবং তারা জয়ী হয়ে চাইলো
▶
وَخَابَ
wakhāba
কিন্তু ব্যর্থ হলো
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
جَبَّارٍ
jabbārin
উদ্ধত
▶
عَنِيدٍۢ
ʿanīdin
স্বৈরাচারী (সত্যের দুশমন)
আয়াত 16 - সূরা إبراهيم: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مِّن وَرَآئِهِۦ جَهَنَّمُ وَيُسْقَىٰ مِن مَّآءٍۢ صَدِيدٍۢ
তার পেছনে দোযখ রয়েছে। তাতে পূঁজ মিশানো পানি পান করানো হবে।
▶
مِّن
min
থেকে
▶
وَرَآئِهِۦ
warāihi
তার পিছন (রয়েছে)
▶
جَهَنَّمُ
jahannamu
জাহান্নাম
▶
وَيُسْقَىٰ
wayus'qā
এবং পান করানো হবে
▶
مِن
min
থেকে
▶
مَّآءٍۢ
māin
পানি
▶
صَدِيدٍۢ
ṣadīdin
গলিত পুঁজের
আয়াত 17 - সূরা إبراهيم: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَتَجَرَّعُهُۥ وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُۥ وَيَأْتِيهِ ٱلْمَوْتُ مِن كُلِّ مَكَانٍۢ وَمَا هُوَ بِمَيِّتٍۢ ۖ وَمِن وَرَآئِهِۦ عَذَابٌ غَلِيظٌۭ
ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।
▶
يَتَجَرَّعُهُۥ
yatajarraʿuhu
তা সে ঢোক গিলবে
▶
وَلَا
walā
অথচ না
▶
يَكَادُ
yakādu
প্রায় সম্ভব হবে
▶
يُسِيغُهُۥ
yusīghuhu
তা গেলা
▶
وَيَأْتِيهِ
wayatīhi
এবং তার কাছে আসবে
▶
ٱلْمَوْتُ
l-mawtu
মৃত্যু(যন্ত্রণা)
▶
مِن
min
থেকে
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক
▶
مَكَانٍۢ
makānin
জায়গা (দিক)
▶
وَمَا
wamā
কিন্তু না
▶
هُوَ
huwa
সে (হবে)
▶
بِمَيِّتٍۢ ۖ
bimayyitin
মৃত
▶
وَمِن
wamin
এবং থেকে
▶
وَرَآئِهِۦ
warāihi
তার পিছন
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
غَلِيظٌۭ
ghalīẓun
কঠোর
আয়াত 18 - সূরা إبراهيم: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّثَلُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِرَبِّهِمْ ۖ أَعْمَـٰلُهُمْ كَرَمَادٍ ٱشْتَدَّتْ بِهِ ٱلرِّيحُ فِى يَوْمٍ عَاصِفٍۢ ۖ لَّا يَقْدِرُونَ مِمَّا كَسَبُوا۟ عَلَىٰ شَىْءٍۢ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلضَّلَـٰلُ ٱلْبَعِيدُ
যারা স্বীয় পালনকর্তার সত্তার অবিশ্বাসী তাদের অবস্থা এই যে, তাদের কর্মসমূহ ছাইভস্মের মত যার উপর দিয়ে প্রবল বাতাস বয়ে যায় ধূলিঝড়ের দিন। তাদের উপার্জনের কোন অংশই তাদের করতলগত হবে না। এটাই দুরবর্তী পথভ্রষ্টতা।
▶
مَّثَلُ
mathalu
দৃষ্টান্ত
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা (তাদের)
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
بِرَبِّهِمْ ۖ
birabbihim
তাদের রবের সাথে
▶
أَعْمَـٰلُهُمْ
aʿmāluhum
তাদের কাজসমূহ
▶
كَرَمَادٍ
karamādin
মতো ছাইভস্মের
▶
ٱشْتَدَّتْ
ish'taddat
প্রচন্ড চলে
▶
بِهِ
bihi
তার সাথে
▶
ٱلرِّيحُ
l-rīḥu
বাতাস
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
يَوْمٍ
yawmin
দিনের
▶
عَاصِفٍۢ ۖ
ʿāṣifin
ঝড়ের
▶
لَّا
lā
না
▶
يَقْدِرُونَ
yaqdirūna
তারা সমর্থ হবে
▶
مِمَّا
mimmā
তা হ'তে যা
▶
كَسَبُوا۟
kasabū
তারা উপার্জন করেছে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
شَىْءٍۢ ۚ
shayin
কিছুর
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
هُوَ
huwa
সেই
▶
ٱلضَّلَـٰلُ
l-ḍalālu
বিভ্রান্তি
▶
ٱلْبَعِيدُ
l-baʿīdu
দূরের
আয়াত 19 - সূরা إبراهيم: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ ۚ إِن يَشَأْ يُذْهِبْكُمْ وَيَأْتِ بِخَلْقٍۢ جَدِيدٍۢ
তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল যথাবিধি সৃষ্টি করেছেন? যদি তিনি ইচ্ছা করেন, তবে তোমাদেরকে বিলুপ্তিতে নিয়ে যাবেন এবং নতুন সৃষ্টি আনয়ন করবেন।
▶
أَلَمْ
alam
নি কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
خَلَقَ
khalaqa
সৃষ্টি করেছেন
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশমন্ডলী
▶
وَٱلْأَرْضَ
wal-arḍa
ও পৃথিবী
▶
بِٱلْحَقِّ ۚ
bil-ḥaqi
সাথে যথার্থতার
▶
إِن
in
যদি
▶
يَشَأْ
yasha
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
يُذْهِبْكُمْ
yudh'hib'kum
তোমাদের নিয়ে যাবেন
▶
وَيَأْتِ
wayati
ও আসবেন
▶
بِخَلْقٍۢ
bikhalqin
নিয়ে সৃষ্টি
▶
جَدِيدٍۢ
jadīdin
নয়া
আয়াত 20 - সূরা إبراهيم: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ بِعَزِيزٍۢ
এটা আল্লাহর পক্ষে মোটেই কঠিন নয়।
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
بِعَزِيزٍۢ
biʿazīzin
কঠিন
আয়াত 21 - সূরা إبراهيم: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَبَرَزُوا۟ لِلَّهِ جَمِيعًۭا فَقَالَ ٱلضُّعَفَـٰٓؤُا۟ لِلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوٓا۟ إِنَّا كُنَّا لَكُمْ تَبَعًۭا فَهَلْ أَنتُم مُّغْنُونَ عَنَّا مِنْ عَذَابِ ٱللَّهِ مِن شَىْءٍۢ ۚ قَالُوا۟ لَوْ هَدَىٰنَا ٱللَّهُ لَهَدَيْنَـٰكُمْ ۖ سَوَآءٌ عَلَيْنَآ أَجَزِعْنَآ أَمْ صَبَرْنَا مَا لَنَا مِن مَّحِيصٍۢ
সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম-অতএব, তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি আল্লাহ আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি-সবই আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই নেই।
▶
وَبَرَزُوا۟
wabarazū
এবং তারা উপস্থিত হবে (উন্মোচিত হবে)
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর কাছে
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সকলে
▶
فَقَالَ
faqāla
অতঃপর বলবে
▶
ٱلضُّعَفَـٰٓؤُا۟
l-ḍuʿafāu
দুর্বলেরা
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
তাদেরকে যারা
▶
ٱسْتَكْبَرُوٓا۟
is'takbarū
অহংকার করতো
▶
إِنَّا
innā
"আমরা নিশ্চয়ই
▶
كُنَّا
kunnā
ছিলাম
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
تَبَعًۭا
tabaʿan
অধীন
▶
فَهَلْ
fahal
তাহ'লে কি
▶
أَنتُم
antum
তোমরা
▶
مُّغْنُونَ
mugh'nūna
রক্ষাকারী হবে (বাঁচাতে)
▶
عَنَّا
ʿannā
আমাদেরকে
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
عَذَابِ
ʿadhābi
শাস্তি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مِن
min
কোনো"
▶
شَىْءٍۢ ۚ
shayin
কিছু"
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলবে
▶
لَوْ
law
"যদি
▶
هَدَىٰنَا
hadānā
আমাদের সৎ পথ দেখাতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَهَدَيْنَـٰكُمْ ۖ
lahadaynākum
অবশ্যই তোমাদের আমরা পথ দেখাতাম
▶
سَوَآءٌ
sawāon
সমান
▶
عَلَيْنَآ
ʿalaynā
আমাদের জন্যে
▶
أَجَزِعْنَآ
ajaziʿ'nā
আমরা ধৈর্য্যচ্যুত হই
▶
أَمْ
am
বা
▶
صَبَرْنَا
ṣabarnā
আমরা ধৈর্য্য ধরি
▶
مَا
mā
নেই
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্যে
▶
مِن
min
কোনো
▶
مَّحِيصٍۢ
maḥīṣin
পালানোর জায়গা"
আয়াত 22 - সূরা إبراهيم: 44 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ ٱلشَّيْطَـٰنُ لَمَّا قُضِىَ ٱلْأَمْرُ إِنَّ ٱللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ ٱلْحَقِّ وَوَعَدتُّكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ ۖ وَمَا كَانَ لِىَ عَلَيْكُم مِّن سُلْطَـٰنٍ إِلَّآ أَن دَعَوْتُكُمْ فَٱسْتَجَبْتُمْ لِى ۖ فَلَا تَلُومُونِى وَلُومُوٓا۟ أَنفُسَكُم ۖ مَّآ أَنَا۠ بِمُصْرِخِكُمْ وَمَآ أَنتُم بِمُصْرِخِىَّ ۖ إِنِّى كَفَرْتُ بِمَآ أَشْرَكْتُمُونِ مِن قَبْلُ ۗ إِنَّ ٱلظَّـٰلِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ
যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলবে
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
لَمَّا
lammā
যখন
▶
قُضِىَ
quḍiya
মীমাংসা হয়ে যাবে
▶
ٱلْأَمْرُ
l-amru
বিষয়টির
▶
إِنَّ
inna
"নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
وَعَدَكُمْ
waʿadakum
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তোমাদের
▶
وَعْدَ
waʿda
প্রতিশ্রুতি
▶
ٱلْحَقِّ
l-ḥaqi
সত্য
▶
وَوَعَدتُّكُمْ
wawaʿadttukum
এবং আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তোমাদের
▶
فَأَخْلَفْتُكُمْ ۖ
fa-akhlaftukum
কিন্তু আমি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছি তোমাদের
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
لِىَ
liya
আমার জন্যে
▶
عَلَيْكُم
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
مِّن
min
কোনো
▶
سُلْطَـٰنٍ
sul'ṭānin
কর্তৃত্ব
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَن
an
যে
▶
دَعَوْتُكُمْ
daʿawtukum
আমি ডেকেছিলাম তোমাদের
▶
فَٱسْتَجَبْتُمْ
fa-is'tajabtum
তখন সাড়া দিয়েছিলে তোমরা
▶
لِى ۖ
lī
আমার জন্যে
▶
فَلَا
falā
সুতরাং না
▶
تَلُومُونِى
talūmūnī
তোমরা তিরস্কার করো আমাকে
▶
وَلُومُوٓا۟
walūmū
তবে তোমরা তিরস্কার করো
▶
أَنفُسَكُم ۖ
anfusakum
তোমাদের নিজেদেরকে
▶
مَّآ
mā
নই
▶
أَنَا۠
anā
আমি
▶
بِمُصْرِخِكُمْ
bimuṣ'rikhikum
উদ্ধারকারী তোমাদের
▶
وَمَآ
wamā
এবং নও
▶
أَنتُم
antum
তোমরা
▶
بِمُصْرِخِىَّ ۖ
bimuṣ'rikhiyya
উদ্ধারকারী আমার
▶
إِنِّى
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
كَفَرْتُ
kafartu
অস্বীকার করছি
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
أَشْرَكْتُمُونِ
ashraktumūni
আমাকেে তোমরা শরীক করেছো
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلُ ۗ
qablu
পূর্ব
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে আছে
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
নিদারুণ"
আয়াত 23 - সূরা إبراهيم: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأُدْخِلَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ جَنَّـٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ ۖ تَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَـٰمٌ
এবং যারা বিশ্বাস স্থাপণ করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদেরকে এমন উদ্যানে প্রবেশ করানো হবে, যার পাদদেশ দিয়ে নির্ঝরিনী সমূহ প্রবাহিত হবে তারা তাতে পালনকর্তার নির্দেশে অনন্তকাল থাকবে। যেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে সালাম।
▶
وَأُدْخِلَ
wa-ud'khila
এবং প্রবেশ করানো হবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
جَنَّـٰتٍۢ
jannātin
জান্নাতে
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
থেকে
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার নিচ
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্ণাসমূহ
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা স্থায়ী হবে
▶
فِيهَا
fīhā
মধ্যে তার
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতিক্রমে
▶
رَبِّهِمْ ۖ
rabbihim
তাদের রবের
▶
تَحِيَّتُهُمْ
taḥiyyatuhum
তাদের অভিবাদন হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
سَلَـٰمٌ
salāmun
সালাম
আয়াত 24 - সূরা إبراهيم: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ ضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلًۭا كَلِمَةًۭ طَيِّبَةًۭ كَشَجَرَةٍۢ طَيِّبَةٍ أَصْلُهَا ثَابِتٌۭ وَفَرْعُهَا فِى ٱلسَّمَآءِ
তুমি কি লক্ষ্য কর না, আল্লাহ তা’আলা কেমন উপমা বর্ণনা করেছেনঃ পবিত্র বাক্য হলো পবিত্র বৃক্ষের মত। তার শিকড় মজবুত এবং শাখা আকাশে উত্থিত।
▶
أَلَمْ
alam
নি কি
▶
تَرَ
tara
তুমি লক্ষ্য করো
▶
كَيْفَ
kayfa
কিভাবে
▶
ضَرَبَ
ḍaraba
বর্ণনা করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَثَلًۭا
mathalan
উপমা
▶
كَلِمَةًۭ
kalimatan
বাক্য (কালেমা তাইয়েবা)
▶
طَيِّبَةًۭ
ṭayyibatan
পবিত্র
▶
كَشَجَرَةٍۢ
kashajaratin
(তা) একটি গাছের মতো
▶
طَيِّبَةٍ
ṭayyibatin
(যা) পবিত্র
▶
أَصْلُهَا
aṣluhā
তার মূল (শেকড়)
▶
ثَابِتٌۭ
thābitun
সুদৃঢ়
▶
وَفَرْعُهَا
wafarʿuhā
ও তার শাখাগুলো (ডালপালা)
▶
فِى
fī
থাকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
উপরে (বিস্তৃত)
আয়াত 25 - সূরা إبراهيم: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تُؤْتِىٓ أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍۭ بِإِذْنِ رَبِّهَا ۗ وَيَضْرِبُ ٱللَّهُ ٱلْأَمْثَالَ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ
সে পালনকর্তার নির্দেশে অহরহ ফল দান করে। আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্ত বর্ণণা করেন-যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে।
▶
تُؤْتِىٓ
tu'tī
দেয়
▶
أُكُلَهَا
ukulahā
তার ফল
▶
كُلَّ
kulla
প্রত্যেক
▶
حِينٍۭ
ḥīnin
মুহূর্তে (মৌসুমে)
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতিক্রমে
▶
رَبِّهَا ۗ
rabbihā
রবের তার
▶
وَيَضْرِبُ
wayaḍribu
এবং বর্ণনা করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْأَمْثَالَ
l-amthāla
দৃষ্টান্তসমূহ
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্যে
▶
لَعَلَّهُمْ
laʿallahum
তারা যাতে
▶
يَتَذَكَّرُونَ
yatadhakkarūna
শিক্ষা গ্রহণ করে
আয়াত 26 - সূরা إبراهيم: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍۢ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ ٱجْتُثَّتْ مِن فَوْقِ ٱلْأَرْضِ مَا لَهَا مِن قَرَارٍۢ
এবং নোংরা বাক্যের উদাহরণ হলো নোংরা বৃক্ষ। একে মাটির উপর থেকে উপড়ে নেয়া হয়েছে। এর কোন স্থিতি নেই।
▶
وَمَثَلُ
wamathalu
এবং উপমা
▶
كَلِمَةٍ
kalimatin
বাক্যের
▶
خَبِيثَةٍۢ
khabīthatin
নোংরা (অসার)
▶
كَشَجَرَةٍ
kashajaratin
মতো (তা) একটি গাছের
▶
خَبِيثَةٍ
khabīthatin
নোংরা (অসার)
▶
ٱجْتُثَّتْ
uj'tuthat
উপড়ে নেয়া হয়েছে
▶
مِن
min
থেকে
▶
فَوْقِ
fawqi
উপর
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
মাটির
▶
مَا
mā
নেই
▶
لَهَا
lahā
তার জন্যে
▶
مِن
min
কোনো
▶
قَرَارٍۢ
qarārin
স্থিতি
আয়াত 27 - সূরা إبراهيم: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يُثَبِّتُ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱلْقَوْلِ ٱلثَّابِتِ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَفِى ٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ وَيُضِلُّ ٱللَّهُ ٱلظَّـٰلِمِينَ ۚ وَيَفْعَلُ ٱللَّهُ مَا يَشَآءُ
আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন। পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং আল্লাহ জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা, তা করেন।
▶
يُثَبِّتُ
yuthabbitu
প্রতিষ্ঠিত করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
بِٱلْقَوْلِ
bil-qawli
দিয়ে বাণী
▶
ٱلثَّابِتِ
l-thābiti
সুদৃঢ়
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পার্থিব
▶
وَفِى
wafī
এবং মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
وَيُضِلُّ
wayuḍillu
এবং পথভ্রষ্ট করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ ۚ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের
▶
وَيَفْعَلُ
wayafʿalu
ও করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَا
mā
যা
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
আয়াত 28 - সূরা إبراهيم: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ بَدَّلُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ كُفْرًۭا وَأَحَلُّوا۟ قَوْمَهُمْ دَارَ ٱلْبَوَارِ
তুমি কি তাদের কে দেখনি, যারা আল্লাহর নেয়ামতকে কুফরে পরিণত করেছে এবং স্ব-জাতিকে সম্মুখীন করেছে ধ্বংসের আলয়ে।
▶
۞ أَلَمْ
alam
নি কি
▶
تَرَ
tara
তুমি লক্ষ্য করো
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
بَدَّلُوا۟
baddalū
বদলে দিয়েছে
▶
نِعْمَتَ
niʿ'mata
অনুগ্রহ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
كُفْرًۭا
kuf'ran
অকৃতজ্ঞতায়
▶
وَأَحَلُّوا۟
wa-aḥallū
এবং নামিয়ে এনেছে
▶
قَوْمَهُمْ
qawmahum
তাদের জাতিকে
▶
دَارَ
dāra
ঘরে
▶
ٱلْبَوَارِ
l-bawāri
ধ্বংসের
আয়াত 29 - সূরা إبراهيم: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا ۖ وَبِئْسَ ٱلْقَرَارُ
দোযখের? তারা তাতে প্রবেশ করবে সেটা কতই না মন্দ আবাস।
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামে
▶
يَصْلَوْنَهَا ۖ
yaṣlawnahā
তাতে তারা প্রবেশ করবে
▶
وَبِئْسَ
wabi'sa
এবং অতি নিকৃষ্ট
▶
ٱلْقَرَارُ
l-qarāru
আশ্রয়স্থল
আয়াত 30 - সূরা إبراهيم: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَجَعَلُوا۟ لِلَّهِ أَندَادًۭا لِّيُضِلُّوا۟ عَن سَبِيلِهِۦ ۗ قُلْ تَمَتَّعُوا۟ فَإِنَّ مَصِيرَكُمْ إِلَى ٱلنَّارِ
এবং তারা আল্লাহর জন্যে সমকক্ষ স্থির করেছে, যাতে তারা তার পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। বলুনঃ মজা উপভোগ করে নাও। অতঃপর তোমাদেরকে অগ্নির দিকেই ফিরে যেতে হবে।
▶
وَجَعَلُوا۟
wajaʿalū
এবং তারা বানিয়েছে
▶
لِلَّهِ
lillahi
জন্যে আল্লাহর
▶
أَندَادًۭا
andādan
সমকক্ষসমূহ
▶
لِّيُضِلُّوا۟
liyuḍillū
যেন তারা পথভ্রষ্ট করে
▶
عَن
ʿan
হ'তে
▶
سَبِيلِهِۦ ۗ
sabīlihi
তাঁর পথ (মানুষকে)
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
تَمَتَّعُوا۟
tamattaʿū
"তোমরা ভোগ করো
▶
فَإِنَّ
fa-inna
অতঃপর নিশ্চয়ই
▶
مَصِيرَكُمْ
maṣīrakum
তোমাদের ফেরার জায়গা
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
(জাহান্নামের) আগুনের"
আয়াত 31 - সূরা إبراهيم: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُل لِّعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ يُقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُنفِقُوا۟ مِمَّا رَزَقْنَـٰهُمْ سِرًّۭا وَعَلَانِيَةًۭ مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌۭ لَّا بَيْعٌۭ فِيهِ وَلَا خِلَـٰلٌ
আমার বান্দাদেরকে বলে দিন যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা নামায কায়েম রাখুক এবং আমার দেয়া রিযিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করুক ঐদিন আসার আগে, যেদিন কোন বেচা কেনা নেই এবং বন্ধুত্বও নেই।
▶
قُل
qul
বলো (হে নাবী)
▶
لِّعِبَادِىَ
liʿibādiya
আমার দাসদেরকে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
يُقِيمُوا۟
yuqīmū
তারা যেন প্রতিষ্ঠা করে
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সালাত
▶
وَيُنفِقُوا۟
wayunfiqū
ও তারা ব্যয় করে
▶
مِمَّا
mimmā
তা হ'তে যা
▶
رَزَقْنَـٰهُمْ
razaqnāhum
আমরা জীবিকা দিয়েছি তাদের
▶
سِرًّۭا
sirran
গোপনে
▶
وَعَلَانِيَةًۭ
waʿalāniyatan
ও প্রকাশ্যে
▶
مِّن
min
থেকেই
▶
قَبْلِ
qabli
পূর্ব
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْتِىَ
yatiya
আসবে
▶
يَوْمٌۭ
yawmun
সেদিন
▶
لَّا
lā
না
▶
بَيْعٌۭ
bayʿun
কেনা-বেচা হবে
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
خِلَـٰلٌ
khilālun
বন্ধুত্ব (কাজে আসবে)
আয়াত 32 - সূরা إبراهيم: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَأَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ فَأَخْرَجَ بِهِۦ مِنَ ٱلثَّمَرَٰتِ رِزْقًۭا لَّكُمْ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلْفُلْكَ لِتَجْرِىَ فِى ٱلْبَحْرِ بِأَمْرِهِۦ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلْأَنْهَـٰرَ
তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল সৃজন করেছেন এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে অতঃপর তা দ্বারা তোমাদের জন্যে ফলের রিযিক উৎপন্ন করেছেন এবং নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে চলা ফেরা করে এবং নদ-নদীকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
(তিনিই) আল্লাহ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
خَلَقَ
khalaqa
সৃষ্টি করেছেন
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ
▶
وَٱلْأَرْضَ
wal-arḍa
ও পৃথিবী
▶
وَأَنزَلَ
wa-anzala
এবং বর্ষণ করেছেন
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
مَآءًۭ
māan
পানি
▶
فَأَخْرَجَ
fa-akhraja
অতঃপর বের করেছেন
▶
بِهِۦ
bihi
দিয়ে তা
▶
مِنَ
mina
(বিভিন্ন) ধরণের
▶
ٱلثَّمَرَٰتِ
l-thamarāti
ফল-মূলসমূহ
▶
رِزْقًۭا
riz'qan
জীবিকার জন্যে
▶
لَّكُمْ ۖ
lakum
তোমাদের
▶
وَسَخَّرَ
wasakhara
এবং অধীন করে দিয়েছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
জন্যে তোমাদের
▶
ٱلْفُلْكَ
l-ful'ka
নৌযান
▶
لِتَجْرِىَ
litajriya
যেন চলাচল করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبَحْرِ
l-baḥri
সাগরের
▶
بِأَمْرِهِۦ ۖ
bi-amrihi
নির্দেশক্রমে তার
▶
وَسَخَّرَ
wasakhara
এবং অধীন করেছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
জন্যে তোমাদের
▶
ٱلْأَنْهَـٰرَ
l-anhāra
নদীসমূহকে
আয়াত 33 - সূরা إبراهيم: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ دَآئِبَيْنِ ۖ وَسَخَّرَ لَكُمُ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ
এবং তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি ও দিবাকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন।
▶
وَسَخَّرَ
wasakhara
এবং অধীন করেছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
জন্যে তোমাদের
▶
ٱلشَّمْسَ
l-shamsa
সূর্যকে
▶
وَٱلْقَمَرَ
wal-qamara
ও চাঁদকে
▶
دَآئِبَيْنِ ۖ
dāibayni
যারা প্রতিনিয়ত একই নিয়মের অনুবর্তী
▶
وَسَخَّرَ
wasakhara
এবং অধীন করেছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
জন্যে তোমাদের
▶
ٱلَّيْلَ
al-layla
রাতকে
▶
وَٱلنَّهَارَ
wal-nahāra
ও দিনকে
আয়াত 34 - সূরা إبراهيم: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَءَاتَىٰكُم مِّن كُلِّ مَا سَأَلْتُمُوهُ ۚ وَإِن تَعُدُّوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ لَا تُحْصُوهَآ ۗ إِنَّ ٱلْإِنسَـٰنَ لَظَلُومٌۭ كَفَّارٌۭ
যে সকল বস্তু তোমরা চেয়েছ, তার প্রত্যেকটি থেকেই তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন। যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ।
▶
وَءَاتَىٰكُم
waātākum
এবং তোমাদের দিয়েছেন
▶
مِّن
min
থেকে
▶
كُلِّ
kulli
সবকিছু
▶
مَا
mā
যা
▶
سَأَلْتُمُوهُ ۚ
sa-altumūhu
তাঁর কাছে তোমরা চেয়েছো
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَعُدُّوا۟
taʿuddū
তোমরা গণনা করো
▶
نِعْمَتَ
niʿ'mata
অনুগ্রহসমূহ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لَا
lā
না
▶
تُحْصُوهَآ ۗ
tuḥ'ṣūhā
তার তোমরা সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْإِنسَـٰنَ
l-insāna
মানুষ
▶
لَظَلُومٌۭ
laẓalūmun
অবশ্যই অতিমাত্রায় সীমালঙ্ঘনকারী
▶
كَفَّارٌۭ
kaffārun
বড় অকৃতজ্ঞ
আয়াত 35 - সূরা إبراهيم: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَالَ إِبْرَٰهِيمُ رَبِّ ٱجْعَلْ هَـٰذَا ٱلْبَلَدَ ءَامِنًۭا وَٱجْنُبْنِى وَبَنِىَّ أَن نَّعْبُدَ ٱلْأَصْنَامَ
যখন ইব্রাহীম বললেনঃ হে পালনকর্তা, এ শহরকে শান্তিময় করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তান সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিলো
▶
إِبْرَٰهِيمُ
ib'rāhīmu
ইবরাহীম
▶
رَبِّ
rabbi
"হে আমার রব
▶
ٱجْعَلْ
ij'ʿal
বানাও
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই
▶
ٱلْبَلَدَ
l-balada
নগরীকে
▶
ءَامِنًۭا
āminan
নিরাপদ
▶
وَٱجْنُبْنِى
wa-uj'nub'nī
এবং আমাকে দূরে রাখো
▶
وَبَنِىَّ
wabaniyya
ও আমার সন্তানদেরকে
▶
أَن
an
(এ হ'তে) যে
▶
نَّعْبُدَ
naʿbuda
আমরা উপাসনা করি
▶
ٱلْأَصْنَامَ
l-aṣnāma
মূর্তিদেরকে
আয়াত 36 - সূরা إبراهيم: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبِّ إِنَّهُنَّ أَضْلَلْنَ كَثِيرًۭا مِّنَ ٱلنَّاسِ ۖ فَمَن تَبِعَنِى فَإِنَّهُۥ مِنِّى ۖ وَمَنْ عَصَانِى فَإِنَّكَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
হে পালনকর্তা, এরা অনেক মানুষকে বিপথগামী করেছে। অতএব যে আমার অনুসরণ করে, সে আমার এবং কেউ আমার অবাধ্যতা করলে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
▶
رَبِّ
rabbi
হে আমার রব
▶
إِنَّهُنَّ
innahunna
নিশ্চয়ই তারা
▶
أَضْلَلْنَ
aḍlalna
বিভ্রান্ত করেছে
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
অনেককে
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلنَّاسِ ۖ
l-nāsi
মানুষের
▶
فَمَن
faman
সুতরাং যে
▶
تَبِعَنِى
tabiʿanī
আমার অনুসরন করবে
▶
فَإِنَّهُۥ
fa-innahu
অতঃপর নিশ্চয়ই সে
▶
مِنِّى ۖ
minnī
আমার অন্তর্ভুক্ত
▶
وَمَنْ
waman
এবং যে
▶
عَصَانِى
ʿaṣānī
আমার অবাধ্য হবে
▶
فَإِنَّكَ
fa-innaka
অতঃপর নিশ্চয়ই তুমি
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 37 - সূরা إبراهيم: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَّبَّنَآ إِنِّىٓ أَسْكَنتُ مِن ذُرِّيَّتِى بِوَادٍ غَيْرِ ذِى زَرْعٍ عِندَ بَيْتِكَ ٱلْمُحَرَّمِ رَبَّنَا لِيُقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ فَٱجْعَلْ أَفْـِٔدَةًۭ مِّنَ ٱلنَّاسِ تَهْوِىٓ إِلَيْهِمْ وَٱرْزُقْهُم مِّنَ ٱلثَّمَرَٰتِ لَعَلَّهُمْ يَشْكُرُونَ
হে আমাদের পালনকর্তা, আমি নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি; হে আমাদের পালনকর্তা, যাতে তারা নামায কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবতঃ তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে
▶
رَّبَّنَآ
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
إِنِّىٓ
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
أَسْكَنتُ
askantu
বসবাস করিয়েছি
▶
مِن
min
থেকে (কতককে)
▶
ذُرِّيَّتِى
dhurriyyatī
আমার বংশধরদের
▶
بِوَادٍ
biwādin
উপত্যকায়
▶
غَيْرِ
ghayri
নয়
▶
ذِى
dhī
যোগ্য
▶
زَرْعٍ
zarʿin
চাষাবাদ
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
بَيْتِكَ
baytika
তোমার ঘরের
▶
ٱلْمُحَرَّمِ
l-muḥarami
(যা) মহান সম্মানিত
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
لِيُقِيمُوا۟
liyuqīmū
যেন তারা প্রতিষ্ঠা করে
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সালাত
▶
فَٱجْعَلْ
fa-ij'ʿal
অতএব বানাও
▶
أَفْـِٔدَةًۭ
afidatan
অন্তরসমূহ
▶
مِّنَ
mina
কিছু
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
تَهْوِىٓ
tahwī
অনুরক্ত হয় (যেন)
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
দিকে তাদের
▶
وَٱرْزُقْهُم
wa-ur'zuq'hum
এবং তাদেরকে জীবিকা দাও
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلثَّمَرَٰتِ
l-thamarāti
ফল-মূলসমূহ
▶
لَعَلَّهُمْ
laʿallahum
তারা যাতে
▶
يَشْكُرُونَ
yashkurūna
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে
আয়াত 38 - সূরা إبراهيم: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَآ إِنَّكَ تَعْلَمُ مَا نُخْفِى وَمَا نُعْلِنُ ۗ وَمَا يَخْفَىٰ عَلَى ٱللَّهِ مِن شَىْءٍۢ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِى ٱلسَّمَآءِ
হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি তো জানেন আমরা যা কিছু গোপনে করি এবং যা কিছু প্রকাশ্য করি। আল্লাহর কাছে পৃথিবীতে ও আকাশে কোন কিছুই গোপন নয়।
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
إِنَّكَ
innaka
নিশ্চয়ই তুমি
▶
تَعْلَمُ
taʿlamu
জানো
▶
مَا
mā
যা
▶
نُخْفِى
nukh'fī
আমরা গোপন করি
▶
وَمَا
wamā
ও যা
▶
نُعْلِنُ ۗ
nuʿ'linu
আমরা প্রকাশ করি
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَخْفَىٰ
yakhfā
গোপন থাকে
▶
عَلَى
ʿalā
কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مِن
min
কোনো
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুই
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশের
আয়াত 39 - সূরা إبراهيم: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى وَهَبَ لِى عَلَى ٱلْكِبَرِ إِسْمَـٰعِيلَ وَإِسْحَـٰقَ ۚ إِنَّ رَبِّى لَسَمِيعُ ٱلدُّعَآءِ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি আমাকে এই বার্ধক্যে ইসমাঈল ও ইসহাক দান করেছেন নিশ্চয় আমার পালনকর্তা দোয়া শ্রবণ করেন।
▶
ٱلْحَمْدُ
al-ḥamdu
প্রশংসা মাত্রই
▶
لِلَّهِ
lillahi
জন্যে আল্লাহর
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
وَهَبَ
wahaba
দান করেছেন
▶
لِى
lī
আমাকে
▶
عَلَى
ʿalā
অবস্হায়
▶
ٱلْكِبَرِ
l-kibari
বার্ধক্যের
▶
إِسْمَـٰعِيلَ
is'māʿīla
ইসমাঈলকে
▶
وَإِسْحَـٰقَ ۚ
wa-is'ḥāqa
ও ইসহাককে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রব
▶
لَسَمِيعُ
lasamīʿu
অবশ্যই শ্রবণকারী
▶
ٱلدُّعَآءِ
l-duʿāi
দোয়ার
আয়াত 40 - সূরা إبراهيم: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبِّ ٱجْعَلْنِى مُقِيمَ ٱلصَّلَوٰةِ وَمِن ذُرِّيَّتِى ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَآءِ
হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া।
▶
رَبِّ
rabbi
হে আমার রব
▶
ٱجْعَلْنِى
ij'ʿalnī
আমাকে বানাও
▶
مُقِيمَ
muqīma
প্রতিষ্ঠাকারী
▶
ٱلصَّلَوٰةِ
l-ṣalati
সালাত
▶
وَمِن
wamin
এবং থেকে
▶
ذُرِّيَّتِى ۚ
dhurriyyatī
আমার বংশধরদের
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
وَتَقَبَّلْ
wataqabbal
এবং তুমি কবুল করো
▶
دُعَآءِ
duʿāi
আমার দোয়া
আয়াত 41 - সূরা إبراهيم: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَا ٱغْفِرْ لِى وَلِوَٰلِدَىَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ ٱلْحِسَابُ
হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
ٱغْفِرْ
igh'fir
মাফ করো
▶
لِى
lī
আমাকে
▶
وَلِوَٰلِدَىَّ
waliwālidayya
ও আমার পিতামাতাকে
▶
وَلِلْمُؤْمِنِينَ
walil'mu'minīna
ও মু'মিনদেরকে
▶
يَوْمَ
yawma
যে দিনে
▶
يَقُومُ
yaqūmu
প্রতিষ্ঠিত হবে
▶
ٱلْحِسَابُ
l-ḥisābu
হিসেব"
আয়াত 42 - সূরা إبراهيم: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَحْسَبَنَّ ٱللَّهَ غَـٰفِلًا عَمَّا يَعْمَلُ ٱلظَّـٰلِمُونَ ۚ إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍۢ تَشْخَصُ فِيهِ ٱلْأَبْصَـٰرُ
জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হবে।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَحْسَبَنَّ
taḥsabanna
কখনই তুমি মনে করো (যেন)
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
غَـٰفِلًا
ghāfilan
উদাসীন
▶
عَمَّا
ʿammā
তা হ'তে যা
▶
يَعْمَلُ
yaʿmalu
করছে
▶
ٱلظَّـٰلِمُونَ ۚ
l-ẓālimūna
সীমালঙ্ঘনকারীরা
▶
إِنَّمَا
innamā
শুধুমাত্র
▶
يُؤَخِّرُهُمْ
yu-akhiruhum
তিনি অবকাশ দিচ্ছেন তাদেরকে
▶
لِيَوْمٍۢ
liyawmin
পর্যন্ত দিন
▶
تَشْخَصُ
tashkhaṣu
স্থির হবে
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
ٱلْأَبْصَـٰرُ
l-abṣāru
দৃষ্টিসমূহ
আয়াত 43 - সূরা إبراهيم: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مُهْطِعِينَ مُقْنِعِى رُءُوسِهِمْ لَا يَرْتَدُّ إِلَيْهِمْ طَرْفُهُمْ ۖ وَأَفْـِٔدَتُهُمْ هَوَآءٌۭ
তারা মস্তক উপরে তুলে ভীত-বিহবল চিত্তে দৌড়াতে থাকবে। তাদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে আসবে না এবং তাদের অন্তর উড়ে যাবে।
▶
مُهْطِعِينَ
muh'ṭiʿīna
ছুটোছুটি করবে
▶
مُقْنِعِى
muq'niʿī
উত্তোলনকারী হয়ে
▶
رُءُوسِهِمْ
ruūsihim
তাদের মাথাগুলো
▶
لَا
lā
না
▶
يَرْتَدُّ
yartaddu
ফিরবে
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের দিকে
▶
طَرْفُهُمْ ۖ
ṭarfuhum
তাদের পলক
▶
وَأَفْـِٔدَتُهُمْ
wa-afidatuhum
এবং তাদের অন্তরগুলো (হবে)
▶
هَوَآءٌۭ
hawāon
(আশা) শূন্য
আয়াত 44 - সূরা إبراهيم: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَنذِرِ ٱلنَّاسَ يَوْمَ يَأْتِيهِمُ ٱلْعَذَابُ فَيَقُولُ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ رَبَّنَآ أَخِّرْنَآ إِلَىٰٓ أَجَلٍۢ قَرِيبٍۢ نُّجِبْ دَعْوَتَكَ وَنَتَّبِعِ ٱلرُّسُلَ ۗ أَوَلَمْ تَكُونُوٓا۟ أَقْسَمْتُم مِّن قَبْلُ مَا لَكُم مِّن زَوَالٍۢ
মানুষকে ঐ দিনের ভয় প্রদর্শন করুন, যেদিন তাদের কাছে আযাব আসবে। তখন জালেমরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে সামান্য মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিন, যাতে আমরা আপনার আহবানে সাড়া দিতে এবং পয়গম্বরগণের অনুসরণ করতে পারি। তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে দুনিয়া থেকে যেতে হবে না?
▶
وَأَنذِرِ
wa-andhiri
এবং সতর্ক করো
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষকে
▶
يَوْمَ
yawma
সেদিনের
▶
يَأْتِيهِمُ
yatīhimu
তাদের আসবে
▶
ٱلْعَذَابُ
l-ʿadhābu
শাস্তি
▶
فَيَقُولُ
fayaqūlu
তখন বলবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ظَلَمُوا۟
ẓalamū
সীমালঙ্ঘন করেছিলো
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
"হে আমাদের রব
▶
أَخِّرْنَآ
akhir'nā
আমাদের অবকাশ দিন
▶
إِلَىٰٓ
ilā
পর্যন্ত
▶
أَجَلٍۢ
ajalin
(কিছু) কাল
▶
قَرِيبٍۢ
qarībin
নিকটবর্তী
▶
نُّجِبْ
nujib
আমরা সাড়া দিবো
▶
دَعْوَتَكَ
daʿwataka
তোমার ডাকে
▶
وَنَتَّبِعِ
wanattabiʿi
ও আমরা অনুসরণ করবো
▶
ٱلرُّسُلَ ۗ
l-rusula
রাসূলদের"
▶
أَوَلَمْ
awalam
"কি না
▶
تَكُونُوٓا۟
takūnū
করতে তোমরা ছিলে
▶
أَقْسَمْتُم
aqsamtum
তোমরা শপথ
▶
مِّن
min
থেকে
▶
قَبْلُ
qablu
আগে
▶
مَا
mā
নেই
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
زَوَالٍۢ
zawālin
পতন
আয়াত 45 - সূরা إبراهيم: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَسَكَنتُمْ فِى مَسَـٰكِنِ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ وَتَبَيَّنَ لَكُمْ كَيْفَ فَعَلْنَا بِهِمْ وَضَرَبْنَا لَكُمُ ٱلْأَمْثَالَ
তোমরা তাদের বাসভূমিতেই বসবাস করতে, যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছে এবং তোমাদের জানা হয়ে গিয়েছিল যে, আমি তাদের সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছি এবং আমি তোমাদেরকে ওদের সব কাহিনীই বর্ণনা করেছি।
▶
وَسَكَنتُمْ
wasakantum
এবং তোমরা বসবাস করছিলে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
مَسَـٰكِنِ
masākini
বাসভূমিসমূহের
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ظَلَمُوٓا۟
ẓalamū
সীমালঙ্ঘন করেছিলো
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদের উপর
▶
وَتَبَيَّنَ
watabayyana
অথচ স্পষ্ট ছিলো
▶
لَكُمْ
lakum
কাছে তোমাদের
▶
كَيْفَ
kayfa
কেমন (আচরণ)
▶
فَعَلْنَا
faʿalnā
আমরা করেছিলাম
▶
بِهِمْ
bihim
সাথে তাদের
▶
وَضَرَبْنَا
waḍarabnā
এবং আমরা বর্ণনা করেছি
▶
لَكُمُ
lakumu
জন্যে তোমাদের
▶
ٱلْأَمْثَالَ
l-amthāla
দৃষ্টান্তসমূহ"
আয়াত 46 - সূরা إبراهيم: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَدْ مَكَرُوا۟ مَكْرَهُمْ وَعِندَ ٱللَّهِ مَكْرُهُمْ وَإِن كَانَ مَكْرُهُمْ لِتَزُولَ مِنْهُ ٱلْجِبَالُ
তারা নিজেদের মধ্যে ভীষণ চক্রান্ত করে নিয়েছে এবং আল্লাহর সামনে রক্ষিত আছে তাদের কু-চক্রান্ত। তাদের কুটকৌশল পাহাড় টলিয়ে দেয়ার মত হবে না।
▶
وَقَدْ
waqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
مَكَرُوا۟
makarū
তারা চক্রান্ত করেছিলো
▶
مَكْرَهُمْ
makrahum
তাদের চক্রান্ত
▶
وَعِندَ
waʿinda
কিন্তু কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (ছিলো)
▶
مَكْرُهُمْ
makruhum
তাদের চক্রান্ত
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদিও
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
مَكْرُهُمْ
makruhum
তাদের চক্রান্ত (এমন ভয়ানক)
▶
لِتَزُولَ
litazūla
যেন টলে যেতো
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
ٱلْجِبَالُ
l-jibālu
পর্বতসমূহ
আয়াত 47 - সূরা إبراهيم: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَا تَحْسَبَنَّ ٱللَّهَ مُخْلِفَ وَعْدِهِۦ رُسُلَهُۥٓ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌۭ ذُو ٱنتِقَامٍۢ
অতএব আল্লাহর প্রতি ধারণা করো না যে, তিনি রসূলগণের সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করবেন নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
تَحْسَبَنَّ
taḥsabanna
নিশ্চয়ই তুমি মনে করবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
مُخْلِفَ
mukh'lifa
ভঙ্গকারী
▶
وَعْدِهِۦ
waʿdihi
তাঁর প্রতিশ্রুতি
▶
رُسُلَهُۥٓ ۗ
rusulahu
তাঁর রাসূলদের (কাছে)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَزِيزٌۭ
ʿazīzun
পরাক্রমশালী
▶
ذُو
dhū
সমর্থ
▶
ٱنتِقَامٍۢ
intiqāmin
প্রতিশোধ গ্রহণে
আয়াত 48 - সূরা إبراهيم: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ تُبَدَّلُ ٱلْأَرْضُ غَيْرَ ٱلْأَرْضِ وَٱلسَّمَـٰوَٰتُ ۖ وَبَرَزُوا۟ لِلَّهِ ٱلْوَٰحِدِ ٱلْقَهَّارِ
যেদিন পরিবর্তিত করা হবে এ পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং পরিবর্তিত করা হবে আকাশ সমূহকে এবং লোকেরা পরাক্রমশালী এবং আল্লাহর সামনে পেশ হবে।
▶
يَوْمَ
yawma
সেদিন
▶
تُبَدَّلُ
tubaddalu
পরিবর্তিত হবে
▶
ٱلْأَرْضُ
l-arḍu
(এই) পৃথিবী
▶
غَيْرَ
ghayra
অন্য
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃৃথিবীতে
▶
وَٱلسَّمَـٰوَٰتُ ۖ
wal-samāwātu
এবং আকাশমন্ডলী
▶
وَبَرَزُوا۟
wabarazū
এবং উপস্থিত হবে (উন্মোচিত হবে)
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর কাছে
▶
ٱلْوَٰحِدِ
l-wāḥidi
(যিনি) এক
▶
ٱلْقَهَّارِ
l-qahāri
পরাক্রমশালী
আয়াত 49 - সূরা إبراهيم: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَتَرَى ٱلْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍۢ مُّقَرَّنِينَ فِى ٱلْأَصْفَادِ
তুমি ঐদিন পাপীদেরকে পরস্পরে শৃংখলা বদ্ধ দেখবে।
▶
وَتَرَى
watarā
এবং তুমি দেখবে
▶
ٱلْمُجْرِمِينَ
l-muj'rimīna
অপরাধীদেরকে
▶
يَوْمَئِذٍۢ
yawma-idhin
সেদিন
▶
مُّقَرَّنِينَ
muqarranīna
কঠোরভাবে বাঁধা
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَصْفَادِ
l-aṣfādi
শেকলসমূহের
আয়াত 50 - সূরা إبراهيم: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
سَرَابِيلُهُم مِّن قَطِرَانٍۢ وَتَغْشَىٰ وُجُوهَهُمُ ٱلنَّارُ
তাদের জামা হবে দাহ্য আলকাতরার এবং তাদের মুখমন্ডলকে আগুন আচ্ছন্ন করে ফেলবে।
▶
سَرَابِيلُهُم
sarābīluhum
তাদের জামাসমূহ (হবে)
▶
مِّن
min
তৈরি
▶
قَطِرَانٍۢ
qaṭirānin
আলকাতরার
▶
وَتَغْشَىٰ
wataghshā
ও ছেয়ে ফেলবে
▶
وُجُوهَهُمُ
wujūhahumu
তাদের মুখসমূহকে
▶
ٱلنَّارُ
l-nāru
আগুন
আয়াত 51 - সূরা إبراهيم: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِيَجْزِىَ ٱللَّهُ كُلَّ نَفْسٍۢ مَّا كَسَبَتْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلْحِسَابِ
যাতে আল্লাহ প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিদান দেন। নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
▶
لِيَجْزِىَ
liyajziya
যেন প্রতিফল দেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
كُلَّ
kulla
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۢ
nafsin
ব্যক্তিকে
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَسَبَتْ ۚ
kasabat
সে উপার্জন করেছে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
سَرِيعُ
sarīʿu
দ্রুত
▶
ٱلْحِسَابِ
l-ḥisābi
হিসেব গ্রহণে
আয়াত 52 - সূরা إبراهيم: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هَـٰذَا بَلَـٰغٌۭ لِّلنَّاسِ وَلِيُنذَرُوا۟ بِهِۦ وَلِيَعْلَمُوٓا۟ أَنَّمَا هُوَ إِلَـٰهٌۭ وَٰحِدٌۭ وَلِيَذَّكَّرَ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَـٰبِ
এটা মানুষের একটি সংবাদনামা এবং যাতে এতদ্বারা ভীত হয় এবং যাতে জেনে নেয় যে, উপাস্য তিনিই-একক; এবং যাতে বুদ্ধিমানরা চিন্তা-ভাবনা করে।
▶
هَـٰذَا
hādhā
এটা
▶
بَلَـٰغٌۭ
balāghun
এক বার্তা
▶
لِّلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্যে
▶
وَلِيُنذَرُوا۟
waliyundharū
এবং তাদের যেন সতর্ক করা হয়
▶
بِهِۦ
bihi
দিয়ে তা
▶
وَلِيَعْلَمُوٓا۟
waliyaʿlamū
এবং যেন তারা জানে
▶
أَنَّمَا
annamā
প্রকৃতপক্ষে
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
إِلَـٰهٌۭ
ilāhun
ইলাহ
▶
وَٰحِدٌۭ
wāḥidun
একমাত্র
▶
وَلِيَذَّكَّرَ
waliyadhakkara
ও যেন শিক্ষা গ্রহণ করে
▶
أُو۟لُوا۟
ulū
সম্পন্নরা
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বোধ (লোকেরা)
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে