সূরা الذاريات শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা الذاريات শব্দে শব্দে
الذاريات (الذاريات) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 60টি আয়াত, 360টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
360টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা الذاريات আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 2 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা الذاريات: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلذَّٰرِيَـٰتِ ذَرْوًۭا
কসম ঝঞ্ঝাবায়ুর।
▶
وَٱلذَّٰرِيَـٰتِ
wal-dhāriyāti
শপথ বিক্ষিপ্তকারীদের (অর্থাৎ বাতাসের)
▶
ذَرْوًۭا
dharwan
বিক্ষিপ্ত করার মতো (যা ধুলাবালি)
আয়াত 2 - সূরা الذاريات: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱلْحَـٰمِلَـٰتِ وِقْرًۭا
অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের।
▶
فَٱلْحَـٰمِلَـٰتِ
fal-ḥāmilāti
অতঃপর বহনকারীর
▶
وِقْرًۭا
wiq'ran
ভার (অর্থাৎ মেঘ)
আয়াত 3 - সূরা الذاريات: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱلْجَـٰرِيَـٰتِ يُسْرًۭا
অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের,
▶
فَٱلْجَـٰرِيَـٰتِ
fal-jāriyāti
অতঃপর বয়ে যাওয়া বাতাসের
▶
يُسْرًۭا
yus'ran
সহজে/ স্বচ্ছন্দে
আয়াত 4 - সূরা الذاريات: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱلْمُقَسِّمَـٰتِ أَمْرًا
অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের,
▶
فَٱلْمُقَسِّمَـٰتِ
fal-muqasimāti
অতঃপর বণ্টনকারীর
▶
أَمْرًا
amran
একটি বিষয়ের (অর্থাৎ বৃষ্টির)
আয়াত 5 - সূরা الذاريات: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَصَادِقٌۭ
তোমাদের প্রদত্ত ওয়াদা অবশ্যই সত্য।
▶
إِنَّمَا
innamā
প্রকৃতপক্ষে (যা)
▶
تُوعَدُونَ
tūʿadūna
তোমাদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে
▶
لَصَادِقٌۭ
laṣādiqun
সত্য অবশ্যই
আয়াত 6 - সূরা الذاريات: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنَّ ٱلدِّينَ لَوَٰقِعٌۭ
ইনসাফ অবশ্যম্ভাবী।
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
ٱلدِّينَ
l-dīna
কর্মফল দিবস
▶
لَوَٰقِعٌۭ
lawāqiʿun
অবশ্যই ঘটবে
আয়াত 7 - সূরা الذاريات: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلْحُبُكِ
পথবিশিষ্ট আকাশের কসম,
▶
وَٱلسَّمَآءِ
wal-samāi
শপথ আকাশের
▶
ذَاتِ
dhāti
সম্পন্ন
▶
ٱلْحُبُكِ
l-ḥubuki
বিভিন্নরূপ
আয়াত 8 - সূরা الذاريات: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّكُمْ لَفِى قَوْلٍۢ مُّخْتَلِفٍۢ
তোমরা তো বিরোধপূর্ণ কথা বলছ।
▶
إِنَّكُمْ
innakum
নিশ্চয়ই তোমরা
▶
لَفِى
lafī
মধ্যে অবশ্যই (লিপ্ত)
▶
قَوْلٍۢ
qawlin
কথার
▶
مُّخْتَلِفٍۢ
mukh'talifin
বিভিন্ন
আয়াত 9 - সূরা الذاريات: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ
যে ভ্রষ্ট, সেই এ থেকে মুখ ফিরায়,
▶
يُؤْفَكُ
yu'faku
মুখ ফিরিয়ে নেয়
▶
عَنْهُ
ʿanhu
তা হতে
▶
مَنْ
man
যে
▶
أُفِكَ
ufika
বিমুখ হয়েছে
আয়াত 10 - সূরা الذاريات: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُتِلَ ٱلْخَرَّٰصُونَ
অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক,
▶
قُتِلَ
qutila
ধ্বংস হয়েছে
▶
ٱلْخَرَّٰصُونَ
l-kharāṣūna
অনুমানকারীরা
আয়াত 11 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ هُمْ فِى غَمْرَةٍۢ سَاهُونَ
যারা উদাসীন, ভ্রান্ত।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা (এমন যে)
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
غَمْرَةٍۢ
ghamratin
মূর্খতার
▶
سَاهُونَ
sāhūna
উদাসীন হয়ে
আয়াত 12 - সূরা الذاريات: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَسْـَٔلُونَ أَيَّانَ يَوْمُ ٱلدِّينِ
তারা জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কবে হবে?
▶
يَسْـَٔلُونَ
yasalūna
তারা প্রশ্ন করে
▶
أَيَّانَ
ayyāna
"কখন (হবে)
▶
يَوْمُ
yawmu
দিবস
▶
ٱلدِّينِ
l-dīni
কর্মফলের"
আয়াত 13 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ هُمْ عَلَى ٱلنَّارِ يُفْتَنُونَ
যেদিন তারা অগ্নিতে পতিত হবে,
▶
يَوْمَ
yawma
(সেদিন হবে) যেদিন
▶
هُمْ
hum
তাদেরকে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
▶
يُفْتَنُونَ
yuf'tanūna
শাস্তি দেওয়া হবে
আয়াত 14 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذُوقُوا۟ فِتْنَتَكُمْ هَـٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تَسْتَعْجِلُونَ
তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর। তোমরা একেই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল।
▶
ذُوقُوا۟
dhūqū
"(বলা হবে) তোমরা স্বাদ নাও
▶
فِتْنَتَكُمْ
fit'natakum
তোমাদের বিপর্যয়ের
▶
هَـٰذَا
hādhā
এটা
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(সেই জিনিস) যা
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা ছিলে
▶
بِهِۦ
bihi
সেটাকে
▶
تَسْتَعْجِلُونَ
tastaʿjilūna
তাড়াতাড়ি চাইতে"
আয়াত 15 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّـٰتٍۢ وَعُيُونٍ
খোদাভীরুরা জান্নাতে ও প্রস্রবণে থাকবে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْمُتَّقِينَ
l-mutaqīna
মুত্তাকীরা
▶
فِى
fī
(থাকবে) মধ্যে
▶
جَنَّـٰتٍۢ
jannātin
জান্নাতের
▶
وَعُيُونٍ
waʿuyūnin
ও ঝর্ণাধারাসমূহের
আয়াত 16 - সূরা الذاريات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ءَاخِذِينَ مَآ ءَاتَىٰهُمْ رَبُّهُمْ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَبْلَ ذَٰلِكَ مُحْسِنِينَ
এমতাবস্থায় যে, তারা গ্রহণ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদেরকে দেবেন। নিশ্চয় ইতিপূর্বে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,
▶
ءَاخِذِينَ
ākhidhīna
গ্রহণকারী হয়ে
▶
مَآ
mā
যা
▶
ءَاتَىٰهُمْ
ātāhum
তাদেরকে দিবেন
▶
رَبُّهُمْ ۚ
rabbuhum
তাদের রব
▶
إِنَّهُمْ
innahum
তারা নিশ্চয়ই
▶
كَانُوا۟
kānū
ছিল
▶
قَبْلَ
qabla
পূর্বে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
مُحْسِنِينَ
muḥ'sinīna
সত্কর্মশীল লোক
আয়াত 17 - সূরা الذاريات: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَانُوا۟ قَلِيلًۭا مِّنَ ٱلَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ
তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত,
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল (এমন যে)
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
সামান্য (অংশ)
▶
مِّنَ
mina
কিছু অংশ
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
مَا
mā
যাতে
▶
يَهْجَعُونَ
yahjaʿūna
তারা নিদ্রা যেত
আয়াত 18 - সূরা الذاريات: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَبِٱلْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ
রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত,
▶
وَبِٱلْأَسْحَارِ
wabil-asḥāri
এবং রাতের শেষ প্রহরে
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَسْتَغْفِرُونَ
yastaghfirūna
ক্ষমা প্রার্থনা করত
আয়াত 19 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَفِىٓ أَمْوَٰلِهِمْ حَقٌّۭ لِّلسَّآئِلِ وَٱلْمَحْرُومِ
এবং তাদের ধন-সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক ছিল।
▶
وَفِىٓ
wafī
এবং মধ্যে (আছে)
▶
أَمْوَٰلِهِمْ
amwālihim
তাদের সম্পদ সমূহের
▶
حَقٌّۭ
ḥaqqun
অধিকার
▶
لِّلسَّآئِلِ
lilssāili
প্রার্থনাকারীর জন্যে
▶
وَٱلْمَحْرُومِ
wal-maḥrūmi
ও বঞ্চিতের
আয়াত 20 - সূরা الذاريات: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَفِى ٱلْأَرْضِ ءَايَـٰتٌۭ لِّلْمُوقِنِينَ
বিশ্বাসকারীদের জন্যে পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে,
▶
وَفِى
wafī
এবং মধ্যে (আছে)
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
ءَايَـٰتٌۭ
āyātun
নিদর্শন সমূহ
▶
لِّلْمُوقِنِينَ
lil'mūqinīna
দৃঢ় বিশ্বাসীদের জন্যে
আয়াত 21 - সূরা الذاريات: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَفِىٓ أَنفُسِكُمْ ۚ أَفَلَا تُبْصِرُونَ
এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও, তোমরা কি অনুধাবন করবে না?
▶
وَفِىٓ
wafī
এবং মধ্যে আছে
▶
أَنفُسِكُمْ ۚ
anfusikum
তোমাদের নিজেদের
▶
أَفَلَا
afalā
না তবে কি
▶
تُبْصِرُونَ
tub'ṣirūna
তোমরা (ভেবে) দেখ
আয়াত 22 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَفِى ٱلسَّمَآءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ
আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সবকিছু।
▶
وَفِى
wafī
এবং মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশের
▶
رِزْقُكُمْ
riz'qukum
তোমাদের জীবিকা
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تُوعَدُونَ
tūʿadūna
তোমাদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে
আয়াত 23 - সূরা الذاريات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَوَرَبِّ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ إِنَّهُۥ لَحَقٌّۭ مِّثْلَ مَآ أَنَّكُمْ تَنطِقُونَ
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের পালনকর্তার কসম, তোমাদের কথাবার্তার মতই এটা সত্য।
▶
فَوَرَبِّ
fawarabbi
অতএব রবের শপথ
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তা নিশ্চয়
▶
لَحَقٌّۭ
laḥaqqun
সত্য অবশ্যই
▶
مِّثْلَ
mith'la
(তার) মত
▶
مَآ
mā
যেমন
▶
أَنَّكُمْ
annakum
তোমরা
▶
تَنطِقُونَ
tanṭiqūna
কথাবার্তা বল
আয়াত 24 - সূরা الذاريات: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَٰهِيمَ ٱلْمُكْرَمِينَ
আপনার কাছে ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে কি?
▶
هَلْ
hal
(হে নবী) কি
▶
أَتَىٰكَ
atāka
তোমার কাছে এসেছে
▶
حَدِيثُ
ḥadīthu
বৃত্তান্ত
▶
ضَيْفِ
ḍayfi
মেহমানদের
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
ٱلْمُكْرَمِينَ
l-muk'ramīna
(যারা ছিল বড়) সন্মানিত
আয়াত 25 - সূরা الذاريات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ دَخَلُوا۟ عَلَيْهِ فَقَالُوا۟ سَلَـٰمًۭا ۖ قَالَ سَلَـٰمٌۭ قَوْمٌۭ مُّنكَرُونَ
যখন তারা তাঁর কাছে উপস্থিত হয়ে বললঃ সালাম, তখন সে বললঃ সালাম। এরা তো অপরিচিত লোক।
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
دَخَلُوا۟
dakhalū
তারা প্রবেশ করল
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার কাছে
▶
فَقَالُوا۟
faqālū
তারা তখন বলল
▶
سَلَـٰمًۭا ۖ
salāman
"সালাম (বর্ষিত হউক)"
▶
قَالَ
qāla
(ইবরাহীম) বলল
▶
سَلَـٰمٌۭ
salāmun
"সালাম (বর্ষিত হউক)
▶
قَوْمٌۭ
qawmun
(এসব) লোকজন
▶
مُّنكَرُونَ
munkarūna
অপরিচিত (মনে হচ্ছে)"
আয়াত 26 - সূরা الذاريات: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَرَاغَ إِلَىٰٓ أَهْلِهِۦ فَجَآءَ بِعِجْلٍۢ سَمِينٍۢ
অতঃপর সে গ্রহে গেল এবং একটি ঘৃতেপক্ক মোটা গোবৎস নিয়ে হাযির হল।
▶
فَرَاغَ
farāgha
অতঃপর সে চলে গেল
▶
إِلَىٰٓ
ilā
নিকট
▶
أَهْلِهِۦ
ahlihi
তার স্ত্রীর
▶
فَجَآءَ
fajāa
অতঃপর আনল
▶
بِعِجْلٍۢ
biʿij'lin
একটি বাছুর নিয়ে (তাজা)
▶
سَمِينٍۢ
samīnin
মোটা তাজা
আয়াত 27 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَقَرَّبَهُۥٓ إِلَيْهِمْ قَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ
সে গোবৎসটি তাদের সামনে রেখে বললঃ তোমরা আহার করছ না কেন?
▶
فَقَرَّبَهُۥٓ
faqarrabahu
তা অতঃপর কাছে আনল
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
أَلَا
alā
"না কেন
▶
تَأْكُلُونَ
takulūna
তোমরা খাচ্ছ"
আয়াত 28 - সূরা الذاريات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةًۭ ۖ قَالُوا۟ لَا تَخَفْ ۖ وَبَشَّرُوهُ بِغُلَـٰمٍ عَلِيمٍۢ
অতঃপর তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হলঃ তারা বললঃ ভীত হবেন না। তারা তাঁকে একট জ্ঞানীগুণী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।
▶
فَأَوْجَسَ
fa-awjasa
ফলে তিনি অনুভব করলেন
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের থেকে
▶
خِيفَةًۭ ۖ
khīfatan
ভয়
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলল
▶
لَا
lā
"না
▶
تَخَفْ ۖ
takhaf
ভয় করো"
▶
وَبَشَّرُوهُ
wabasharūhu
এবং তাকে তারা সুসংবাদ দিল
▶
بِغُلَـٰمٍ
bighulāmin
একটি ছেলের (জন্মের)
▶
عَلِيمٍۢ
ʿalīmin
(যে হবে) জ্ঞানী
আয়াত 29 - সূরা الذاريات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَقْبَلَتِ ٱمْرَأَتُهُۥ فِى صَرَّةٍۢ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌۭ
অতঃপর তাঁর স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এল এবং মুখ চাপড়িয়ে বললঃ আমি তো বৃদ্ধা, বন্ধ্যা।
▶
فَأَقْبَلَتِ
fa-aqbalati
তখন সামনে এল
▶
ٱمْرَأَتُهُۥ
im'ra-atuhu
তার স্ত্রী
▶
فِى
fī
অবস্থায়
▶
صَرَّةٍۢ
ṣarratin
চিৎকার
▶
فَصَكَّتْ
faṣakkat
এরপর চাপড়াল
▶
وَجْهَهَا
wajhahā
তার (নিজের) গালে
▶
وَقَالَتْ
waqālat
এবং বলল
▶
عَجُوزٌ
ʿajūzun
"(এই) বৃদ্ধা
▶
عَقِيمٌۭ
ʿaqīmun
বন্ধ্যার (সন্তান হবে!)"
আয়াত 30 - সূরা الذاريات: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ كَذَٰلِكِ قَالَ رَبُّكِ ۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْحَكِيمُ ٱلْعَلِيمُ
তারা বললঃ তোমার পালনকর্তা এরূপই বলেছেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলল
▶
كَذَٰلِكِ
kadhāliki
"এরূপই
▶
قَالَ
qāla
বলেছেন
▶
رَبُّكِ ۖ
rabbuki
তোমার রব
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
প্রজ্ঞাময়
▶
ٱلْعَلِيمُ
l-ʿalīmu
সবকিছু জানেন"
আয়াত 31 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا ٱلْمُرْسَلُونَ
ইব্রাহীম বললঃ হে প্রেরিত ফেরেশতাগণ, তোমাদের উদ্দেশ্য কি?
▶
۞ قَالَ
qāla
সে বলল
▶
فَمَا
famā
"কি তাহলে
▶
خَطْبُكُمْ
khaṭbukum
তোমাদের উদ্দেশ্য
▶
أَيُّهَا
ayyuhā
হে"
▶
ٱلْمُرْسَلُونَ
l-mur'salūna
প্রেরিত (ফেরেশতা) গণ"
আয়াত 32 - সূরা الذاريات: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوٓا۟ إِنَّآ أُرْسِلْنَآ إِلَىٰ قَوْمٍۢ مُّجْرِمِينَ
তারা বললঃ আমরা এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি,
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলল
▶
إِنَّآ
innā
"নিশ্চয়ই আমরা
▶
أُرْسِلْنَآ
ur'sil'nā
আমরা প্রেরিত হয়েছি
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
قَوْمٍۢ
qawmin
জাতির
▶
مُّجْرِمِينَ
muj'rimīna
অপরাধী
আয়াত 33 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِنُرْسِلَ عَلَيْهِمْ حِجَارَةًۭ مِّن طِينٍۢ
যাতে তাদের উপর মাটির ঢিলা নিক্ষেপ করি।
▶
لِنُرْسِلَ
linur'sila
যেন আমরা নিক্ষেপ করি
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
حِجَارَةًۭ
ḥijāratan
পাথর
▶
مِّن
min
তৈরি
▶
طِينٍۢ
ṭīnin
(পাকা) মাটির
আয়াত 34 - সূরা الذاريات: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِينَ
যা সীমাতিক্রমকারীদের জন্যে আপনার পালনকর্তার কাছে চিহিߦ#2468; আছে।
▶
مُّسَوَّمَةً
musawwamatan
চিহ্নিত (হয়ে আছে)
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
لِلْمُسْرِفِينَ
lil'mus'rifīna
সীমা লঙ্ঘনকারীদের জন্যে"
আয়াত 35 - সূরা الذاريات: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَخْرَجْنَا مَن كَانَ فِيهَا مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ
অতঃপর সেখানে যারা ঈমানদার ছিল, আমি তাদেরকে উদ্ধার করলাম।
▶
فَأَخْرَجْنَا
fa-akhrajnā
এরপর আমরা বের করলাম
▶
مَن
man
(তাদেরকে) যারা
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
مِنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদের
আয়াত 36 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمَا وَجَدْنَا فِيهَا غَيْرَ بَيْتٍۢ مِّنَ ٱلْمُسْلِمِينَ
এবং সেখানে একটি গৃহ ব্যতীত কোন মুসলমান আমি পাইনি।
▶
فَمَا
famā
না অতঃপর
▶
وَجَدْنَا
wajadnā
আমরা পেয়েছি
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
غَيْرَ
ghayra
এ ব্যতীত
▶
بَيْتٍۢ
baytin
একটি ঘর
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْمُسْلِمِينَ
l-mus'limīna
মুসলমানদের
আয়াত 37 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَتَرَكْنَا فِيهَآ ءَايَةًۭ لِّلَّذِينَ يَخَافُونَ ٱلْعَذَابَ ٱلْأَلِيمَ
যারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে ভয় করে, আমি তাদের জন্যে সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।
▶
وَتَرَكْنَا
wataraknā
এবং আমরা রেখেছি
▶
فِيهَآ
fīhā
সেখানে
▶
ءَايَةًۭ
āyatan
একটি নিদর্শন
▶
لِّلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্যে যারা
▶
يَخَافُونَ
yakhāfūna
ভয় করে
▶
ٱلْعَذَابَ
l-ʿadhāba
শাস্তির
▶
ٱلْأَلِيمَ
l-alīma
যন্ত্রণাদায়ক
আয়াত 38 - সূরা الذاريات: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَفِى مُوسَىٰٓ إِذْ أَرْسَلْنَـٰهُ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ بِسُلْطَـٰنٍۢ مُّبِينٍۢ
এবং নিদর্শন রয়েছে মূসার বৃত্তান্তে; যখন আমি তাকে সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে প্রেরণ করেছিলাম।
▶
وَفِى
wafī
এবং মধ্যে ( নিদর্শন আছে)
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মুসার (কাহিনীর)
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
أَرْسَلْنَـٰهُ
arsalnāhu
তাকে আমরা প্রেরণ করেছিলাম
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
بِسُلْطَـٰنٍۢ
bisul'ṭānin
প্রমাণসহ
▶
مُّبِينٍۢ
mubīnin
সুস্পষ্ট
আয়াত 39 - সূরা الذاريات: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَتَوَلَّىٰ بِرُكْنِهِۦ وَقَالَ سَـٰحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌۭ
অতঃপর সে শক্তিবলে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বললঃ সে হয় যাদুকর, না হয় পাগল।
▶
فَتَوَلَّىٰ
fatawallā
অতঃপর সে মুখ ফিরায়
▶
بِرُكْنِهِۦ
biruk'nihi
তার সভাসদগণসহ
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলেছিল
▶
سَـٰحِرٌ
sāḥirun
"(সে একজন) জাদুকর
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
مَجْنُونٌۭ
majnūnun
পাগল (জ্বিন আশ্রিত)"
আয়াত 40 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَخَذْنَـٰهُ وَجُنُودَهُۥ فَنَبَذْنَـٰهُمْ فِى ٱلْيَمِّ وَهُوَ مُلِيمٌۭ
অতঃপর আমি তাকে ও তার সেনাবাহিনীকে পাকড়াও করলাম এবং তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। সে ছিল অভিযুক্ত।
▶
فَأَخَذْنَـٰهُ
fa-akhadhnāhu
অবশেষে তাকে আমরা পাকড়াও করলাম
▶
وَجُنُودَهُۥ
wajunūdahu
ও তার সৈন্যদেরকে
▶
فَنَبَذْنَـٰهُمْ
fanabadhnāhum
এরপর তাদের আমরা নিক্ষেপ করেছিলাম
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْيَمِّ
l-yami
সমুদ্রের
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং সে (হয়েছিল)
▶
مُلِيمٌۭ
mulīmun
নিন্দিত
আয়াত 41 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَفِى عَادٍ إِذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ ٱلرِّيحَ ٱلْعَقِيمَ
এবং নিদর্শন রয়েছে তাদের কাহিনীতে; যখন আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম অশুভ বায়ু।
▶
وَفِى
wafī
এবং (আছে) মধ্যে (নিদর্শন)
▶
عَادٍ
ʿādin
আ'দ জাতির (ঘটনায়)
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা পাঠিয়ে ছিলাম
▶
عَلَيْهِمُ
ʿalayhimu
তাদের বিরুদ্ধে
▶
ٱلرِّيحَ
l-rīḥa
বায়ুপ্রবাহ
▶
ٱلْعَقِيمَ
l-ʿaqīma
অকল্যাণকর/ বিধ্বংসী
আয়াত 42 - সূরা الذاريات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَا تَذَرُ مِن شَىْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَٱلرَّمِيمِ
এই বায়ু যার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিলঃ তাকেই চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দিয়েছিল।
▶
مَا
mā
না
▶
تَذَرُ
tadharu
ছেড়েছিল
▶
مِن
min
কোনো
▶
شَىْءٍ
shayin
কিছুই
▶
أَتَتْ
atat
বয়ে গিয়েছিল
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
যার উপর (দিয়ে)
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
جَعَلَتْهُ
jaʿalathu
তাকে করেছিল
▶
كَٱلرَّمِيمِ
kal-ramīmi
যেন চূর্ণবিচূর্ণ
আয়াত 43 - সূরা الذاريات: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَفِى ثَمُودَ إِذْ قِيلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوا۟ حَتَّىٰ حِينٍۢ
আরও নিদর্শন রয়েছে সামূদের ঘটনায়; যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, কিছুকাল মজা লুটে নাও।
▶
وَفِى
wafī
এবং (আছে) মধ্যে (নিদর্শন)
▶
ثَمُودَ
thamūda
সামূদ জাতির (ঘটনায়)
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়েছিল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
تَمَتَّعُوا۟
tamattaʿū
"তোমরা উপভোগ করো
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
পর্যন্ত
▶
حِينٍۢ
ḥīnin
একটি নির্দিষ্ট সময়"
আয়াত 44 - সূরা الذاريات: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَعَتَوْا۟ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّـٰعِقَةُ وَهُمْ يَنظُرُونَ
অতঃপর তারা তাদের পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল এবং তাদের প্রতি বজ্রঘাত হল এমতাবস্থায় যে, তারা তা দেখেছিল।
▶
فَعَتَوْا۟
faʿataw
এরপরও তারা সীমালংঘন করল
▶
عَنْ
ʿan
ব্যাপারে
▶
أَمْرِ
amri
নির্দেশের
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
فَأَخَذَتْهُمُ
fa-akhadhathumu
অবশেষে তাদেরকে পাকড়াও করল
▶
ٱلصَّـٰعِقَةُ
l-ṣāʿiqatu
(আমার) বজ্রাঘাতে
▶
وَهُمْ
wahum
এ অবস্থায় যে তারা
▶
يَنظُرُونَ
yanẓurūna
দেখছিল
আয়াত 45 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمَا ٱسْتَطَـٰعُوا۟ مِن قِيَامٍۢ وَمَا كَانُوا۟ مُنتَصِرِينَ
অতঃপর তারা দাঁড়াতে সক্ষম হল না এবং কোন প্রতিকারও করতে পারল না।
▶
فَمَا
famā
অতঃপর না
▶
ٱسْتَطَـٰعُوا۟
is'taṭāʿū
তারা পেরেছিল
▶
مِن
min
থেকে
▶
قِيَامٍۢ
qiyāmin
উঠে দাঁড়াতে
▶
وَمَا
wamā
আর না
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
مُنتَصِرِينَ
muntaṣirīna
আত্মরক্ষা করতে সক্ষম
আয়াত 46 - সূরা الذاريات: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَوْمَ نُوحٍۢ مِّن قَبْلُ ۖ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمًۭا فَـٰسِقِينَ
আমি ইতিপূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি। নিশ্চিতই তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়।
▶
وَقَوْمَ
waqawma
এবং জাতিকে
▶
نُوحٍۢ
nūḥin
নূহের
▶
مِّن
min
থেকে
▶
قَبْلُ ۖ
qablu
ইতিপূর্বে (ধ্বংস করেছি)
▶
إِنَّهُمْ
innahum
তারা নিশ্চয়ই
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
قَوْمًۭا
qawman
জাতি
▶
فَـٰسِقِينَ
fāsiqīna
সত্যত্যাগী
আয়াত 47 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلسَّمَآءَ بَنَيْنَـٰهَا بِأَيْي۟دٍۢ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ
আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী।
▶
وَٱلسَّمَآءَ
wal-samāa
এবং আকাশ
▶
بَنَيْنَـٰهَا
banaynāhā
তা আমরা সৃষ্টি করেছি
▶
بِأَيْي۟دٍۢ
bi-aydin
(নিজের) হাত দিয়ে
▶
وَإِنَّا
wa-innā
এবং আমরা নিশ্চয়ই
▶
لَمُوسِعُونَ
lamūsiʿūna
অবশ্যই সপ্রসারণকারী
আয়াত 48 - সূরা الذاريات: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلْأَرْضَ فَرَشْنَـٰهَا فَنِعْمَ ٱلْمَـٰهِدُونَ
আমি ভূমিকে বিছিয়েছি। আমি কত সুন্দরভাবেই না বিছাতে সক্ষম।
▶
وَٱلْأَرْضَ
wal-arḍa
এবং ভূমিকে
▶
فَرَشْنَـٰهَا
farashnāhā
তা আমরা সমতল করে দিয়েছি
▶
فَنِعْمَ
faniʿ'ma
আর কতই না উত্তম
▶
ٱلْمَـٰهِدُونَ
l-māhidūna
সমতলকারী (আমরা)
আয়াত 49 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِن كُلِّ شَىْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ
আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।
▶
وَمِن
wamin
এবং থেকে
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক
▶
شَىْءٍ
shayin
বস্তুকে
▶
خَلَقْنَا
khalaqnā
আমরা সৃষ্টি করেছি
▶
زَوْجَيْنِ
zawjayni
জোড়ায় জোড়ায়
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমরা যাতে
▶
تَذَكَّرُونَ
tadhakkarūna
শিক্ষা গ্রহণ কর
আয়াত 50 - সূরা الذاريات: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَفِرُّوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ ۖ إِنِّى لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌۭ
অতএব, আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
▶
فَفِرُّوٓا۟
fafirrū
অতএব তোমরা দৌড়াও
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِنِّى
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّنْهُ
min'hu
তার পক্ষ হতে
▶
نَذِيرٌۭ
nadhīrun
একজন সতর্ককারী
▶
مُّبِينٌۭ
mubīnun
সুস্পষ্ট
আয়াত 51 - সূরা الذاريات: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَجْعَلُوا۟ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ ۖ إِنِّى لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌۭ
তোমরা আল্লাহর সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَجْعَلُوا۟
tajʿalū
তোমরা বানাবে
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِلَـٰهًا
ilāhan
উপাস্য
▶
ءَاخَرَ ۖ
ākhara
অন্য কোনো
▶
إِنِّى
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّنْهُ
min'hu
তাঁর পক্ষ হতে
▶
نَذِيرٌۭ
nadhīrun
একজন সতর্ককারী
▶
مُّبِينٌۭ
mubīnun
সুস্পষ্ট
আয়াত 52 - সূরা الذاريات: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَذَٰلِكَ مَآ أَتَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا قَالُوا۟ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ
এমনিভাবে, তাদের পূর্ববর্তীদের কাছে যখনই কোন রসূল আগমন করেছে, তারা বলছেঃ যাদুকর, না হয় উম্মাদ।
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবেই
▶
مَآ
mā
না
▶
أَتَى
atā
এসেছে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের কাছে) যারা
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِهِم
qablihim
তাদের পূর্বে (ছিল)
▶
مِّن
min
কোনো
▶
رَّسُولٍ
rasūlin
রাসূল
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যে
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলে ছিল
▶
سَاحِرٌ
sāḥirun
"(সে একজন) জাদুকর
▶
أَوْ
aw
বা
▶
مَجْنُونٌ
majnūnun
পাগল"
আয়াত 53 - সূরা الذاريات: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَتَوَاصَوْا۟ بِهِۦ ۚ بَلْ هُمْ قَوْمٌۭ طَاغُونَ
তারা কি একে অপরকে এই উপদেশই দিয়ে গেছে? বস্তুতঃ ওরা দুষ্ট সম্প্রদায়।
▶
أَتَوَاصَوْا۟
atawāṣaw
তারা পরস্পরে কি পরামর্শ করে নিয়েছে
▶
بِهِۦ ۚ
bihi
সে বিষয়ে
▶
بَلْ
bal
(না) বরং
▶
هُمْ
hum
তারা(ছিল)
▶
قَوْمٌۭ
qawmun
জাতি
▶
طَاغُونَ
ṭāghūna
দুর্বিনীত
আয়াত 54 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَآ أَنتَ بِمَلُومٍۢ
অতএব, আপনি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। এতে আপনি অপরাধী হবেন না।
▶
فَتَوَلَّ
fatawalla
তাই তুমি উপেক্ষা করো
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদের হতে
▶
فَمَآ
famā
আর নও
▶
أَنتَ
anta
তুমি
▶
بِمَلُومٍۢ
bimalūmin
তিরস্কৃত
আয়াত 55 - সূরা الذاريات: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَذَكِّرْ فَإِنَّ ٱلذِّكْرَىٰ تَنفَعُ ٱلْمُؤْمِنِينَ
এবং বোঝাতে থাকুন; কেননা, বোঝানো মুমিনদের উপকারে আসবে।
▶
وَذَكِّرْ
wadhakkir
এবং উপদেশ দাও
▶
فَإِنَّ
fa-inna
কেননা নিশ্চয়ই
▶
ٱلذِّكْرَىٰ
l-dhik'rā
উপদেশ
▶
تَنفَعُ
tanfaʿu
উপকার দিবে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদেরকে
আয়াত 56 - সূরা الذاريات: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا خَلَقْتُ ٱلْجِنَّ وَٱلْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
خَلَقْتُ
khalaqtu
আমি সৃষ্টি করেছি
▶
ٱلْجِنَّ
l-jina
জিনকে
▶
وَٱلْإِنسَ
wal-insa
ও মানুষকে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যে
▶
لِيَعْبُدُونِ
liyaʿbudūni
যেন আমাকে তারা ইবাদত করে
আয়াত 57 - সূরা الذاريات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَآ أُرِيدُ مِنْهُم مِّن رِّزْقٍۢ وَمَآ أُرِيدُ أَن يُطْعِمُونِ
আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার্য যোগাবে।
▶
مَآ
mā
না
▶
أُرِيدُ
urīdu
চাই আমি
▶
مِنْهُم
min'hum
তাদের নিকট হতে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
رِّزْقٍۢ
riz'qin
জীবিকা
▶
وَمَآ
wamā
আর না
▶
أُرِيدُ
urīdu
চাই আমি
▶
أَن
an
যে
▶
يُطْعِمُونِ
yuṭ'ʿimūni
আমাকে তারা খাওয়াবে
আয়াত 58 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلرَّزَّاقُ ذُو ٱلْقُوَّةِ ٱلْمَتِينُ
আল্লাহ তা’আলাই তো জীবিকাদাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلرَّزَّاقُ
l-razāqu
রিযকদাতা
▶
ذُو
dhū
আছে
▶
ٱلْقُوَّةِ
l-quwati
শক্তিসম্পন্ন
▶
ٱلْمَتِينُ
l-matīnu
প্রবল পরাক্রান্ত
আয়াত 59 - সূরা الذاريات: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ ذَنُوبًۭا مِّثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَـٰبِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ
অতএব, এই যালেমদের প্রাপ্য তাই, যা ওদের অতীত সহচরদের প্রাপ্য ছিল। কাজেই ওরা যেন আমার কাছে তা তাড়াতাড়ি না চায়।
▶
فَإِنَّ
fa-inna
অতএব নিশ্চয়ই
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
তাদের জন্যে
▶
ظَلَمُوا۟
ẓalamū
(যারা) সীমালঙ্ঘন করেছে
▶
ذَنُوبًۭا
dhanūban
(তাদের আছে) শাস্তির অংশ
▶
مِّثْلَ
mith'la
যেমনি
▶
ذَنُوبِ
dhanūbi
(প্রাপ্য ছিল) শাস্তির অংশ
▶
أَصْحَـٰبِهِمْ
aṣḥābihim
তাদের সাথীদের
▶
فَلَا
falā
না তাই (যেন)
▶
يَسْتَعْجِلُونِ
yastaʿjilūni
আমার কাছে তারা তাড়াহুড়া করে
আয়াত 60 - সূরা الذاريات: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَوَيْلٌۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِن يَوْمِهِمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ
অতএব, কাফেরদের জন্যে দুর্ভোগ সেই দিনের, যেদিনের প্রতিশ্রুতি ওদেরকে দেয়া হয়েছে।
▶
فَوَيْلٌۭ
fawaylun
অতঃপর দুর্ভোগ
▶
لِّلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্যে যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
مِن
min
ব্যাপারে
▶
يَوْمِهِمُ
yawmihimu
তাদের (সেই) দিনের
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যার
▶
يُوعَدُونَ
yūʿadūna
ভয় তাদের দেখান হয়েছে
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে