সূরা فصلت শব্দে শব্দে

ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা فصلت শব্দে শব্দে

فصلت (فصلت) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 54টি আয়াত, 794টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।

794টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা فصلت আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।

30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 4 মিনিটের পাঠ

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

আয়াত 1 - সূরা فصلت: 1 শব্দ

حمٓ

হা-মীম।

حمٓ hha-meem হা-মীম

আয়াত 2 - সূরা فصلت: 4 শব্দ

تَنزِيلٌۭ مِّنَ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

এটা অবতীর্ণ পরম করুণাময়, দয়ালুর পক্ষ থেকে।

تَنزِيلٌۭ tanzīlun অবতরণ করা (হয়েছে এটা)
مِّنَ mina (আল্লাহর) পক্ষ হ'তে
ٱلرَّحْمَـٰنِ l-raḥmāni (যিনি) অশেষ দয়াময়
ٱلرَّحِيمِ l-raḥīmi পরম দয়ালু

আয়াত 3 - সূরা فصلت: 7 শব্দ

كِتَـٰبٌۭ فُصِّلَتْ ءَايَـٰتُهُۥ قُرْءَانًا عَرَبِيًّۭا لِّقَوْمٍۢ يَعْلَمُونَ

এটা কিতাব, এর আয়াতসমূহ বিশদভাবে বিবৃত আরবী কোরআনরূপে জ্ঞানী লোকদের জন্য।

كِتَـٰبٌۭ kitābun এই কিতাব (এমন যে)
فُصِّلَتْ fuṣṣilat বিশদভাবে বিবৃত
ءَايَـٰتُهُۥ āyātuhu তার আয়াতসমূহ
قُرْءَانًا qur'ānan কুরআন
عَرَبِيًّۭا ʿarabiyyan আরবী (ভাষার)
لِّقَوْمٍۢ liqawmin (এমন) সম্প্রদায়ের জন্যে
يَعْلَمُونَ yaʿlamūna (যারা) জ্ঞান রাখে

আয়াত 4 - সূরা فصلت: 7 শব্দ

بَشِيرًۭا وَنَذِيرًۭا فَأَعْرَضَ أَكْثَرُهُمْ فَهُمْ لَا يَسْمَعُونَ

সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে, অতঃপর তাদের অধিকাংশই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তারা শুনে না।

بَشِيرًۭا bashīran (এই কিতাব) সুসংবাদদাতা
وَنَذِيرًۭا wanadhīran ও সতর্ককারী
فَأَعْرَضَ fa-aʿraḍa কিন্তু বিমুখ হয়েছে
أَكْثَرُهُمْ aktharuhum তাদের অনেকেই
فَهُمْ fahum সুতরাং তারা
لَا lā না
يَسْمَعُونَ yasmaʿūna শুনে

আয়াত 5 - সূরা فصلت: 17 শব্দ

وَقَالُوا۟ قُلُوبُنَا فِىٓ أَكِنَّةٍۢ مِّمَّا تَدْعُونَآ إِلَيْهِ وَفِىٓ ءَاذَانِنَا وَقْرٌۭ وَمِنۢ بَيْنِنَا وَبَيْنِكَ حِجَابٌۭ فَٱعْمَلْ إِنَّنَا عَـٰمِلُونَ

তারা বলে আপনি যে বিষয়ের দিকে আমাদের কে দাওয়াত দেন, সে বিষয়ে আমাদের অন্তর আবরণে আবৃত, আমাদের কর্ণে আছে বোঝা এবং আমাদের ও আপনার মাঝখানে আছে অন্তরাল। অতএব, আপনি আপনার কাজ করুন এবং আমরা আমাদের কাজ করি।

وَقَالُوا۟ waqālū এবং তারা বলে
قُلُوبُنَا qulūbunā "আমাদের অন্তরগুলো
فِىٓ fī মধ্যে (আছে)
أَكِنَّةٍۢ akinnatin পর্দাসমূহের
مِّمَّا mimmā তা থেকে যা
تَدْعُونَآ tadʿūnā আমাদেরকে তোমরা ডাকছো
إِلَيْهِ ilayhi তার দিকে
وَفِىٓ wafī এবং মধ্যে
ءَاذَانِنَا ādhāninā আমাদের কানসমূহের
وَقْرٌۭ waqrun বধিরতা (রয়েছে)
وَمِنۢ wamin মধ্য হতে
بَيْنِنَا bayninā এবং আমাদের মাঝে
وَبَيْنِكَ wabaynika ও তোমার মাঝে
حِجَابٌۭ ḥijābun পর্দা (রয়েছে)
فَٱعْمَلْ fa-iʿ'mal তুমি তাই কাজ করো
إِنَّنَا innanā নিশ্চয়ই আমরা
عَـٰمِلُونَ ʿāmilūna কাজ করে যাচ্ছি"

আয়াত 6 - সূরা فصلت: 16 শব্দ

قُلْ إِنَّمَآ أَنَا۠ بَشَرٌۭ مِّثْلُكُمْ يُوحَىٰٓ إِلَىَّ أَنَّمَآ إِلَـٰهُكُمْ إِلَـٰهٌۭ وَٰحِدٌۭ فَٱسْتَقِيمُوٓا۟ إِلَيْهِ وَٱسْتَغْفِرُوهُ ۗ وَوَيْلٌۭ لِّلْمُشْرِكِينَ

বলুন, আমিও তোমাদের মতই মানুষ, আমার প্রতি ওহী আসে যে, তোমাদের মাবুদ একমাত্র মাবুদ, অতএব তাঁর দিকেই সোজা হয়ে থাক এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। আর মুশরিকদের জন্যে রয়েছে দুর্ভোগ,

قُلْ qul (হে নাবী) বলো
إِنَّمَآ innamā "মূলতঃ
أَنَا۠ anā আমি
بَشَرٌۭ basharun একজন মানুষ
مِّثْلُكُمْ mith'lukum তোমাদেরই মতো
يُوحَىٰٓ yūḥā ওহী করা হয়
إِلَىَّ ilayya আমার প্রতি
أَنَّمَآ annamā এই যে
إِلَـٰهُكُمْ ilāhukum তোমাদের ইলাহ
إِلَـٰهٌۭ ilāhun ইলাহ
وَٰحِدٌۭ wāḥidun একই
فَٱسْتَقِيمُوٓا۟ fa-is'taqīmū সুতরাং তোমরা দৃঢ় হয়ে থাকো
إِلَيْهِ ilayhi তাঁর দিকে
وَٱسْتَغْفِرُوهُ ۗ wa-is'taghfirūhu ও তোমরা তাঁর কাছে ক্ষমা চাও"
وَوَيْلٌۭ wawaylun এবং দুর্ভোগ (রয়েছে)
لِّلْمُشْرِكِينَ lil'mush'rikīna মুশরিকদের জন্যে

আয়াত 7 - সূরা فصلت: 8 শব্দ

ٱلَّذِينَ لَا يُؤْتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَهُم بِٱلْـَٔاخِرَةِ هُمْ كَـٰفِرُونَ

যারা যাকাত দেয় না এবং পরকালকে অস্বীকার করে।

ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
لَا lā না
يُؤْتُونَ yu'tūna দেয়
ٱلزَّكَوٰةَ l-zakata যাকাত
وَهُم wahum এবং তারা
بِٱلْـَٔاخِرَةِ bil-ākhirati পরকালকে
هُمْ hum তারা
كَـٰفِرُونَ kāfirūna অস্বীকারকারী

আয়াত 8 - সূরা فصلت: 9 শব্দ

إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ لَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍۢ

নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

إِنَّ inna নিশ্চয়ই
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
ءَامَنُوا۟ āmanū ঈমান এনেছে
وَعَمِلُوا۟ waʿamilū ও কাজ করেছে
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ l-ṣāliḥāti নেক
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে
أَجْرٌ ajrun পুরস্কার রয়েছে
غَيْرُ ghayru ব্যতীত
مَمْنُونٍۢ mamnūnin শেষ হওয়া (অফুরন্ত)

আয়াত 9 - সূরা فصلت: 14 শব্দ

۞ قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْأَرْضَ فِى يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُۥٓ أَندَادًۭا ۚ ذَٰلِكَ رَبُّ ٱلْعَـٰلَمِينَ

বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থীর কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা।

۞ قُلْ qul বলো
أَئِنَّكُمْ a-innakum "তোমরা নিশ্চিত কি
لَتَكْفُرُونَ latakfurūna অস্বীকার করছো অবশ্যই
بِٱلَّذِى bi-alladhī (তাকে) যিনি
خَلَقَ khalaqa সৃষ্টি করেছেন
ٱلْأَرْضَ l-arḍa পৃথিবীকে
فِى fī মধ্যে
يَوْمَيْنِ yawmayni দু'দিনের
وَتَجْعَلُونَ watajʿalūna অথচ তোমরা দাঁড় করাচ্ছো
لَهُۥٓ lahu তাঁর জন্যে
أَندَادًۭا ۚ andādan সমকক্ষ (অন্যদেরকে)
ذَٰلِكَ dhālika তিনিই
رَبُّ rabbu রব
ٱلْعَـٰلَمِينَ l-ʿālamīna বিশ্বজগতের"

আয়াত 10 - সূরা فصلت: 15 শব্দ

وَجَعَلَ فِيهَا رَوَٰسِىَ مِن فَوْقِهَا وَبَـٰرَكَ فِيهَا وَقَدَّرَ فِيهَآ أَقْوَٰتَهَا فِىٓ أَرْبَعَةِ أَيَّامٍۢ سَوَآءًۭ لِّلسَّآئِلِينَ

তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।

وَجَعَلَ wajaʿala এবং তিনি স্হাপন করেছেন
فِيهَا fīhā তার মধ্যে (অর্থাৎ পৃথিবীতে)
رَوَٰسِىَ rawāsiya পর্বতমালা
مِن min থেকে
فَوْقِهَا fawqihā তার উপর
وَبَـٰرَكَ wabāraka এবং কল্যাণ দিয়েছেন
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
وَقَدَّرَ waqaddara এবং নির্ধারণ করেছেন
فِيهَآ fīhā তার মধ্যে
أَقْوَٰتَهَا aqwātahā তার খাদ্য (অর্থাৎ খাদ্যসম্ভার)
فِىٓ fī মধ্যে
أَرْبَعَةِ arbaʿati চার
أَيَّامٍۢ ayyāmin দিনের
سَوَآءًۭ sawāan সমানভাবে
لِّلسَّآئِلِينَ lilssāilīna প্রার্থীদের জন্যে

আয়াত 11 - সূরা فصلت: 16 শব্দ

ثُمَّ ٱسْتَوَىٰٓ إِلَى ٱلسَّمَآءِ وَهِىَ دُخَانٌۭ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ٱئْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًۭا قَالَتَآ أَتَيْنَا طَآئِعِينَ

অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।

ثُمَّ thumma এরপর
ٱسْتَوَىٰٓ is'tawā মনোযোগ দিলেন
إِلَى ilā দিকে
ٱلسَّمَآءِ l-samāi আকাশের
وَهِىَ wahiya তখন তা (ছিলো)
دُخَانٌۭ dukhānun ধোঁয়া
فَقَالَ faqāla অতঃপর (আল্লাহ) বললেন
لَهَا lahā তাকে
وَلِلْأَرْضِ walil'arḍi ও পৃথিবীকে
ٱئْتِيَا i'tiyā "উভয়ে আসো
طَوْعًا ṭawʿan ইচ্ছায়
أَوْ aw বা
كَرْهًۭا karhan অনিচ্ছায়"
قَالَتَآ qālatā উভয়ে বললো
أَتَيْنَا ataynā "আমরা আসলাম
طَآئِعِينَ ṭāiʿīna স্বেচ্ছায়"

আয়াত 12 - সূরা فصلت: 19 শব্দ

فَقَضَىٰهُنَّ سَبْعَ سَمَـٰوَاتٍۢ فِى يَوْمَيْنِ وَأَوْحَىٰ فِى كُلِّ سَمَآءٍ أَمْرَهَا ۚ وَزَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِمَصَـٰبِيحَ وَحِفْظًۭا ۚ ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ ٱلْعَزِيزِ ٱلْعَلِيمِ

অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে দু’দিনে সপ্ত আকাশ করে দিলেন এবং প্রত্যেক আকাশে তার আদেশ প্রেরণ করলেন। আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি। এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।

فَقَضَىٰهُنَّ faqaḍāhunna অতঃপর তাদেরকে পরিণত করলেন
سَبْعَ sabʿa সাত
سَمَـٰوَاتٍۢ samāwātin আকাশে
فِى fī মধ্যে
يَوْمَيْنِ yawmayni দু'দিনের
وَأَوْحَىٰ wa-awḥā এবং ওহী করলেন
فِى fī মধ্যে
كُلِّ kulli প্রত্যেক
سَمَآءٍ samāin আকাশের
أَمْرَهَا ۚ amrahā তাঁর বিধিবিধান
وَزَيَّنَّا wazayyannā এবং আমরা সাজালাম
ٱلسَّمَآءَ l-samāa আকাশকে
ٱلدُّنْيَا l-dun'yā নীচের
بِمَصَـٰبِيحَ bimaṣābīḥa প্রদীপমালা দ্বারা
وَحِفْظًۭا ۚ waḥif'ẓan এবং সংরক্ষণ (করলাম)
ذَٰلِكَ dhālika এটা
تَقْدِيرُ taqdīru ব্যবস্থাপনা
ٱلْعَزِيزِ l-ʿazīzi পরাক্রমশালীর
ٱلْعَلِيمِ l-ʿalīmi (যিনি) সবকিছু জানেন

আয়াত 13 - সূরা فصلت: 9 শব্দ

فَإِنْ أَعْرَضُوا۟ فَقُلْ أَنذَرْتُكُمْ صَـٰعِقَةًۭ مِّثْلَ صَـٰعِقَةِ عَادٍۢ وَثَمُودَ

অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলুন, আমি তোমাদেরকে সতর্ক করলাম এক কঠোর আযাব সম্পর্কে আদ ও সামুদের আযাবের মত।

فَإِنْ fa-in এখন যদি
أَعْرَضُوا۟ aʿraḍū তারা মুখ ফিরায়
فَقُلْ faqul তবে বলো
أَنذَرْتُكُمْ andhartukum "তোমাদেরকে আমি সতর্ক করছি
صَـٰعِقَةًۭ ṣāʿiqatan বেহুশকারী শাস্তির
مِّثْلَ mith'la মতো
صَـٰعِقَةِ ṣāʿiqati বেহুশকারী শাস্তি (এসেছিলো)
عَادٍۢ ʿādin আ'দের
وَثَمُودَ wathamūda ও সামূদের (উপর)"

আয়াত 14 - সূরা فصلت: 23 শব্দ

إِذْ جَآءَتْهُمُ ٱلرُّسُلُ مِنۢ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ وَمِنْ خَلْفِهِمْ أَلَّا تَعْبُدُوٓا۟ إِلَّا ٱللَّهَ ۖ قَالُوا۟ لَوْ شَآءَ رَبُّنَا لَأَنزَلَ مَلَـٰٓئِكَةًۭ فَإِنَّا بِمَآ أُرْسِلْتُم بِهِۦ كَـٰفِرُونَ

যখন তাদের কাছে রসূলগণ এসেছিলেন সম্মুখ দিক থেকে এবং পিছন দিক থেকে এ কথা বলতে যে, তোমরা আল্লাহ ব্যতীত কারও পূজা করো না। তারা বলেছিল, আমাদের পালনকর্তা ইচ্ছা করলে অবশ্যই ফেরেশতা প্রেরণ করতেন, অতএব, আমরা তোমাদের আনীত বিষয় অমান্য করলাম।

إِذْ idh যখন
جَآءَتْهُمُ jāathumu তাদের কাছে এসেছিলো
ٱلرُّسُلُ l-rusulu রাসূলগণ
مِنۢ min মধ্য হতে
بَيْنِ bayni থেকে
أَيْدِيهِمْ aydīhim সামনে তাদের
وَمِنْ wamin ও থেকে
خَلْفِهِمْ khalfihim তাদের পিছন
أَلَّا allā (এই বলে) যে না
تَعْبُدُوٓا۟ taʿbudū তোমরা ইবাদত করো
إِلَّا illā ছাড়া
ٱللَّهَ ۖ l-laha আল্লাহকে"
قَالُوا۟ qālū তারা বলেছিলো
لَوْ law "যদি
شَآءَ shāa ইচ্ছে করতেন
رَبُّنَا rabbunā আমাদের রব
لَأَنزَلَ la-anzala অবশ্যই পাঠাতেন
مَلَـٰٓئِكَةًۭ malāikatan ফেরেশতাদেরকে
فَإِنَّا fa-innā সুতরাং নিশ্চয়ই আমরা
بِمَآ bimā দিয়ে ঐ বিষয় যা
أُرْسِلْتُم ur'sil'tum তোমাদেরকে পাঠানো হয়েছে
بِهِۦ bihi প্রতি তার
كَـٰفِرُونَ kāfirūna তোমরা অস্বীকারকারী"

আয়াত 15 - সূরা فصلت: 25 শব্দ

فَأَمَّا عَادٌۭ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ وَقَالُوا۟ مَنْ أَشَدُّ مِنَّا قُوَّةً ۖ أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِى خَلَقَهُمْ هُوَ أَشَدُّ مِنْهُمْ قُوَّةًۭ ۖ وَكَانُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا يَجْحَدُونَ

যারা ছিল আদ, তারা পৃথিবীতে অযথা অহংকার করল এবং বলল, আমাদের অপেক্ষা অধিক শক্তিধর কে? তারা কি লক্ষ্য করেনি যে, যে আল্লাহ তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অপেক্ষা অধিক শক্তিধর ? বস্তুতঃ তারা আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করত।

فَأَمَّا fa-ammā আর অবস্থা (ছিলো)
عَادٌۭ ʿādun আ'দের (এমন যে)
فَٱسْتَكْبَرُوا۟ fa-is'takbarū পরে তারা অহংকার করলো
فِى fī মধ্যে
ٱلْأَرْضِ l-arḍi পৃথিবীর
بِغَيْرِ bighayri ব্যতীত
ٱلْحَقِّ l-ḥaqi কোন অধিকার
وَقَالُوا۟ waqālū এবং তারা বললো
مَنْ man "(আর) কে
أَشَدُّ ashaddu অধিক শক্তিশালী
مِنَّا minnā আমাদের চেয়ে
قُوَّةً ۖ quwwatan শক্তিতে"
أَوَلَمْ awalam দেখে নি কি
يَرَوْا۟ yaraw তারা (ভেবে)
أَنَّ anna যে
ٱللَّهَ l-laha আল্লাহ
ٱلَّذِى alladhī যিনি
خَلَقَهُمْ khalaqahum তাদের সৃষ্টি করেছেন
هُوَ huwa তিনিই
أَشَدُّ ashaddu অধিক শক্তিশালী
مِنْهُمْ min'hum তাদের চেয়ে
قُوَّةًۭ ۖ quwwatan শক্তিতে
وَكَانُوا۟ wakānū এবং তারা ছিলো
بِـَٔايَـٰتِنَا biāyātinā আমাদের নিদর্শনগুলোকে
يَجْحَدُونَ yajḥadūna অস্বীকার করতো

আয়াত 16 - সূরা فصلت: 19 শব্দ

فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًۭا صَرْصَرًۭا فِىٓ أَيَّامٍۢ نَّحِسَاتٍۢ لِّنُذِيقَهُمْ عَذَابَ ٱلْخِزْىِ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَخْزَىٰ ۖ وَهُمْ لَا يُنصَرُونَ

অতঃপর আমি তাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনার আযাব আস্বাদন করানোর জন্যে তাদের উপর প্রেরণ করলাম ঝঞ্ঝাবায়ু বেশ কতিপয় অশুভ দিনে। আর পরকালের আযাব তো আরও লাঞ্ছনাকর এমতাবস্থায় যে, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না।

فَأَرْسَلْنَا fa-arsalnā আমরা তাই পাঠালাম
عَلَيْهِمْ ʿalayhim তাদের বিরুদ্ধে
رِيحًۭا rīḥan বাতাস
صَرْصَرًۭا ṣarṣaran ঝড়ো
فِىٓ fī মধ্যে
أَيَّامٍۢ ayyāmin (কয়েক) দিনের
نَّحِسَاتٍۢ naḥisātin দুর্ভোগের
لِّنُذِيقَهُمْ linudhīqahum তাদেরকে আমরা ভোগ করাই যেন
عَذَابَ ʿadhāba শাস্তি
ٱلْخِزْىِ l-khiz'yi লাঞ্ছনার
فِى fī মধ্যে
ٱلْحَيَوٰةِ l-ḥayati জীবনে
ٱلدُّنْيَا ۖ l-dun'yā পার্থিব
وَلَعَذَابُ walaʿadhābu এবং অবশ্যই শাস্তি
ٱلْـَٔاخِرَةِ l-ākhirati পরকালের
أَخْزَىٰ ۖ akhzā অধিক অপমানকর
وَهُمْ wahum এবং তাদের
لَا lā না
يُنصَرُونَ yunṣarūna সাহায্য করা হবে

আয়াত 17 - সূরা فصلت: 14 শব্দ

وَأَمَّا ثَمُودُ فَهَدَيْنَـٰهُمْ فَٱسْتَحَبُّوا۟ ٱلْعَمَىٰ عَلَى ٱلْهُدَىٰ فَأَخَذَتْهُمْ صَـٰعِقَةُ ٱلْعَذَابِ ٱلْهُونِ بِمَا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ

আর যারা সামূদ, আমি তাদেরকে প্রদর্শন করেছিলাম, অতঃপর তারা সৎপথের পরিবর্তে অন্ধ থাকাই পছন্দ করল। অতঃপর তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদেরকে অবমাননাকর আযাবের বিপদ এসে ধৃত করল।

وَأَمَّا wa-ammā আর অবস্থা (ছিলো)
ثَمُودُ thamūdu সামূদের (এমন যে)
فَهَدَيْنَـٰهُمْ fahadaynāhum তাদেরকে আমরা অতঃপর পথ নির্দেশ করেছিলাম
فَٱسْتَحَبُّوا۟ fa-is'taḥabbū তারা কিন্তু পছন্দ করেছিলো
ٱلْعَمَىٰ l-ʿamā অন্ধতা
عَلَى ʿalā পরিবর্তে
ٱلْهُدَىٰ l-hudā সৎপথের
فَأَخَذَتْهُمْ fa-akhadhathum তখন তাদেরকে পাকড়াও করলো
صَـٰعِقَةُ ṣāʿiqatu বেহুশকারী
ٱلْعَذَابِ l-ʿadhābi শাস্তি
ٱلْهُونِ l-hūni অপমানকর
بِمَا bimā এ কারণে যা
كَانُوا۟ kānū তারা
يَكْسِبُونَ yaksibūna কামাই করেছিলো

আয়াত 18 - সূরা فصلت: 5 শব্দ

وَنَجَّيْنَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَكَانُوا۟ يَتَّقُونَ

যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল ও সাবধানে চলত, আমি তাদেরকে উদ্ধার করলাম।

وَنَجَّيْنَا wanajjaynā এবং আমরা উদ্ধার করেছিলাম
ٱلَّذِينَ alladhīna (তাদেরকে) যারা
ءَامَنُوا۟ āmanū ঈমান এনেছিলো
وَكَانُوا۟ wakānū ও
يَتَّقُونَ yattaqūna (গুমরাহী হ'তে) ভয় করেছিলো

আয়াত 19 - সূরা فصلت: 8 শব্দ

وَيَوْمَ يُحْشَرُ أَعْدَآءُ ٱللَّهِ إِلَى ٱلنَّارِ فَهُمْ يُوزَعُونَ

যেদিন আল্লাহর শত্রুদেরকে অগ্নিকুন্ডের দিকে ঠেলে নেওয়া হবে। এবং ওদের বিন্যস্ত করা হবে বিভিন্ন দলে।

وَيَوْمَ wayawma এবং (স্মরণ করো) যেদিন
يُحْشَرُ yuḥ'sharu সমবেত করা হবে
أَعْدَآءُ aʿdāu শত্রুদের
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
إِلَى ilā দিকে
ٱلنَّارِ l-nāri জাহান্নামের
فَهُمْ fahum অতঃপর তাদেরকে
يُوزَعُونَ yūzaʿūna নানা দলে ভাগ করা হবে

আয়াত 20 - সূরা فصلت: 12 শব্দ

حَتَّىٰٓ إِذَا مَا جَآءُوهَا شَهِدَ عَلَيْهِمْ سَمْعُهُمْ وَأَبْصَـٰرُهُمْ وَجُلُودُهُم بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

তারা যখন জাহান্নামের কাছে পৌঁছাবে, তখন তাদের কান, চক্ষু ও ত্বক তাদের কর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবে।

حَتَّىٰٓ ḥattā অবশেষে
إِذَا idhā যখন
مَا mā যা
جَآءُوهَا jāūhā সেখানে তারা আসবে (সবাই)
شَهِدَ shahida সাক্ষ্য দিবে
عَلَيْهِمْ ʿalayhim তাদের বিরুদ্ধে
سَمْعُهُمْ samʿuhum তাদের কান
وَأَبْصَـٰرُهُمْ wa-abṣāruhum ও তাদের চক্ষু
وَجُلُودُهُم wajulūduhum ও তাদের ত্বক
بِمَا bimā ঐ বিষয়ে যা
كَانُوا۟ kānū তারা
يَعْمَلُونَ yaʿmalūna কাজ করেছিলো

আয়াত 21 - সূরা فصلت: 18 শব্দ

وَقَالُوا۟ لِجُلُودِهِمْ لِمَ شَهِدتُّمْ عَلَيْنَا ۖ قَالُوٓا۟ أَنطَقَنَا ٱللَّهُ ٱلَّذِىٓ أَنطَقَ كُلَّ شَىْءٍۢ وَهُوَ خَلَقَكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍۢ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ

তারা তাদের ত্বককে বলবে, তোমরা আমাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে কেন? তারা বলবে, যে আল্লাহ সব কিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন, তিনি আমাদেরকেও বাকশক্তি দিয়েছেন। তিনিই তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে।

وَقَالُوا۟ waqālū এবং তারা বলবে
لِجُلُودِهِمْ lijulūdihim তাদের ত্বকগুলোকে
لِمَ lima "কেন
شَهِدتُّمْ shahidttum তোমরা সাক্ষ্য দিয়েছো
عَلَيْنَا ۖ ʿalaynā আমাদের বিরুদ্ধে"
قَالُوٓا۟ qālū তারা বলবে
أَنطَقَنَا anṭaqanā "আমাদের বাকশক্তি দিয়েছেন
ٱللَّهُ l-lahu "(সেই) আল্লাহ-ই
ٱلَّذِىٓ alladhī যিনি
أَنطَقَ anṭaqa বাকশক্তি দিয়েছেন
كُلَّ kulla সব
شَىْءٍۢ shayin কিছুকে
وَهُوَ wahuwa এবং তিনি
خَلَقَكُمْ khalaqakum তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন
أَوَّلَ awwala প্রথম
مَرَّةٍۢ marratin বার
وَإِلَيْهِ wa-ilayhi এবং তাঁরই দিকে
تُرْجَعُونَ tur'jaʿūna তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে"

আয়াত 22 - সূরা فصلت: 20 শব্দ

وَمَا كُنتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَن يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلَآ أَبْصَـٰرُكُمْ وَلَا جُلُودُكُمْ وَلَـٰكِن ظَنَنتُمْ أَنَّ ٱللَّهَ لَا يَعْلَمُ كَثِيرًۭا مِّمَّا تَعْمَلُونَ

তোমাদের কান, তোমাদের চক্ষু এবং তোমাদের ত্বক তোমাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দেবে না ধারণার বশবর্তী হয়ে তোমরা তাদের কাছে কিছু গোপন করতে না। তবে তোমাদের ধারণা ছিল যে, তোমরা যা কর তার অনেক কিছুই আল্লাহ জানেন না।

وَمَا wamā আর না
كُنتُمْ kuntum তোমরা
تَسْتَتِرُونَ tastatirūna লুকাতে (তখন জানতেন)
أَن an যে
يَشْهَدَ yashhada সাক্ষ্য দিবে
عَلَيْكُمْ ʿalaykum তোমাদের বিরুদ্ধে
سَمْعُكُمْ samʿukum তোমাদের কান
وَلَآ walā এবং না (জানতে)
أَبْصَـٰرُكُمْ abṣārukum তোমাদের চোখগুলো (সাক্ষ্য দিবে)
وَلَا walā আর না (জানতে)
جُلُودُكُمْ julūdukum তোমাদের ত্বকগুলো (সাক্ষ্য দিবে)
وَلَـٰكِن walākin কিন্তু
ظَنَنتُمْ ẓanantum তোমরা মনে করতে
أَنَّ anna যে
ٱللَّهَ l-laha আল্লাহ
لَا lā না
يَعْلَمُ yaʿlamu জানেন কিছুই
كَثِيرًۭا kathīran অনেক
مِّمَّا mimmā ঐ বিষয়কে যা
تَعْمَلُونَ taʿmalūna তোমরা কাজ করতে

আয়াত 23 - সূরা فصلت: 9 শব্দ

وَذَٰلِكُمْ ظَنُّكُمُ ٱلَّذِى ظَنَنتُم بِرَبِّكُمْ أَرْدَىٰكُمْ فَأَصْبَحْتُم مِّنَ ٱلْخَـٰسِرِينَ

তোমাদের পালনকর্তা সম্বন্ধে তোমাদের এ ধারণাই তোমাদেরকে ধ্বংস করেছে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছ।

وَذَٰلِكُمْ wadhālikum এবং সেটা (ছিলো)
ظَنُّكُمُ ẓannukumu তোমাদের ধারণা
ٱلَّذِى alladhī যা
ظَنَنتُم ẓanantum তোমরা ধারণা করেছিলে
بِرَبِّكُمْ birabbikum সম্পর্কে রব তোমাদের
أَرْدَىٰكُمْ ardākum (এটাই) তোমাদেরকে ধ্বংস করেছে
فَأَصْبَحْتُم fa-aṣbaḥtum এখন তোমরা হয়েছো
مِّنَ mina অন্তর্ভুক্ত
ٱلْخَـٰسِرِينَ l-khāsirīna ক্ষতিগ্রস্তদের

আয়াত 24 - সূরা فصلت: 11 শব্দ

فَإِن يَصْبِرُوا۟ فَٱلنَّارُ مَثْوًۭى لَّهُمْ ۖ وَإِن يَسْتَعْتِبُوا۟ فَمَا هُم مِّنَ ٱلْمُعْتَبِينَ

অতঃপর যদি তারা সবর করে, তবুও জাহান্নামই তাদের আবাসস্থল। আর যদি তারা ওযরখাহী করে, তবে তাদের ওযর কবুল করা হবে না।

فَإِن fa-in সুতরাং যদি
يَصْبِرُوا۟ yaṣbirū তারা ধৈর্য্য ধরে (আর নাই ধরে)
فَٱلنَّارُ fal-nāru জাহান্নাম তবুও
مَثْوًۭى mathwan আবাস
لَّهُمْ ۖ lahum তাদের জন্যে
وَإِن wa-in এবং যদি
يَسْتَعْتِبُوا۟ yastaʿtibū তারা অনুগ্রহ করতে চায়ও
فَمَا famā তবুও না
هُم hum তারা (হবে)
مِّنَ mina অন্তর্ভুক্ত
ٱلْمُعْتَبِينَ l-muʿ'tabīna অনুগ্রহ প্রাপ্তদের

আয়াত 25 - সূরা فصلت: 25 শব্দ

۞ وَقَيَّضْنَا لَهُمْ قُرَنَآءَ فَزَيَّنُوا۟ لَهُم مَّا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَحَقَّ عَلَيْهِمُ ٱلْقَوْلُ فِىٓ أُمَمٍۢ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِم مِّنَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ ۖ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ خَـٰسِرِينَ

আমি তাদের পেছনে সঙ্গী লাগিয়ে দিয়েছিলাম, অতঃপর সঙ্গীরা তাদের অগ্র-পশ্চাতের আমল তাদের দৃষ্টিতে শোভনীয় করে দিয়েছিল। তাদের ব্যাপারেও শাস্তির আদেশ বাস্তবায়িত হল, যা বাস্তবায়িত হয়েছিল তাদের পূর্ববতী জিন ও মানুষের ব্যাপারে। নিশ্চয় তারা ক্ষতিগ্রস্ত।

۞ وَقَيَّضْنَا waqayyaḍnā এবং আমরা নির্ধারণ করেছি
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে
قُرَنَآءَ quranāa (পথভ্রষ্ট) সঙ্গীদেরকে
فَزَيَّنُوا۟ fazayyanū আর তারা শোভন করে দেখায়
لَهُم lahum তাদেরকে
مَّا mā যা কিছু (আছে)
بَيْنَ bayna সামনে
أَيْدِيهِمْ aydīhim তাদের
وَمَا wamā এবং যা কিছু আছে
خَلْفَهُمْ khalfahum তাদের পিছনে
وَحَقَّ waḥaqqa এবং বাস্তব হলো
عَلَيْهِمُ ʿalayhimu তাদের উপর
ٱلْقَوْلُ l-qawlu সেই বাণী (যা কার্যকর হয়েছে)
فِىٓ fī উপর
أُمَمٍۢ umamin জাতিসমূহের (যারা)
قَدْ qad নিশ্চয়ই
خَلَتْ khalat অতীত হয়েছে
مِن min পূর্বের
قَبْلِهِم qablihim তাদের
مِّنَ mina মধ্য হ'তে
ٱلْجِنِّ l-jini জিনের
وَٱلْإِنسِ ۖ wal-insi ও মানুষের
إِنَّهُمْ innahum তারা নিশ্চয়ই
كَانُوا۟ kānū ছিলো
خَـٰسِرِينَ khāsirīna ক্ষতিগ্রস্ত

আয়াত 26 - সূরা فصلت: 11 শব্দ

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَا تَسْمَعُوا۟ لِهَـٰذَا ٱلْقُرْءَانِ وَٱلْغَوْا۟ فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَغْلِبُونَ

আর কাফেররা বলে, তোমরা এ কোরআন শ্রবণ করো না এবং এর আবৃত্তিতে হঞ্জগোল সৃষ্টি কর, যাতে তোমরা জয়ী হও।

وَقَالَ waqāla এবং বলে
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
كَفَرُوا۟ kafarū অবিশ্বাস করেছে
لَا lā "না
تَسْمَعُوا۟ tasmaʿū তোমরা শুনো
لِهَـٰذَا lihādhā এই
ٱلْقُرْءَانِ l-qur'āni কুরআন
وَٱلْغَوْا۟ wal-ghaw এবং গোলমাল সৃষ্টি করো তোমরা
فِيهِ fīhi তার মধ্যে
لَعَلَّكُمْ laʿallakum তোমরা সম্ভবতঃ
تَغْلِبُونَ taghlibūna জয়ী হবে"

আয়াত 27 - সূরা فصلت: 10 শব্দ

فَلَنُذِيقَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ عَذَابًۭا شَدِيدًۭا وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَسْوَأَ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

আমি অবশ্যই কাফেরদেরকে কঠিন আযাব আস্বাদন করাব এবং আমি অবশ্যই তাদেরকে তাদের মন্দ ও হীন কাজের প্রতিফল দেব।

فَلَنُذِيقَنَّ falanudhīqanna সুতরাং আমরা আস্বাদন করাবোই
ٱلَّذِينَ alladhīna (তাদেরকে) যারা
كَفَرُوا۟ kafarū অবিশ্বাস করেছে
عَذَابًۭا ʿadhāban শাস্তি
شَدِيدًۭا shadīdan কঠোর
وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ walanajziyannahum এবং আমরা তাদেরকে প্রতিফল দিবোই
أَسْوَأَ aswa-a নিকৃষ্ট কাজের
ٱلَّذِى alladhī যা
كَانُوا۟ kānū তারা
يَعْمَلُونَ yaʿmalūna কাজ করেছিলো

আয়াত 28 - সূরা فصلت: 14 শব্দ

ذَٰلِكَ جَزَآءُ أَعْدَآءِ ٱللَّهِ ٱلنَّارُ ۖ لَهُمْ فِيهَا دَارُ ٱلْخُلْدِ ۖ جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا يَجْحَدُونَ

এটা আল্লাহর শত্রুদের শাস্তি-জাহান্নাম। তাতে তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী আবাস, আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করার প্রতিফলস্বরূপ।

ذَٰلِكَ dhālika সেটা
جَزَآءُ jazāu প্রতিফল
أَعْدَآءِ aʿdāi শত্রুদের
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
ٱلنَّارُ ۖ l-nāru জাহান্নাম
لَهُمْ lahum এদের জন্যে (রয়েছে)
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
دَارُ dāru আবাস
ٱلْخُلْدِ ۖ l-khul'di স্থায়ী
جَزَآءًۢ jazāan প্রতিফলস্বরূপ
بِمَا bimā এ কারণে যা
كَانُوا۟ kānū তারা ছিলো
بِـَٔايَـٰتِنَا biāyātinā আমাদের নিদর্শনগুলোকে
يَجْحَدُونَ yajḥadūna অস্বীকার করতো

আয়াত 29 - সূরা فصلت: 16 শব্দ

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ رَبَّنَآ أَرِنَا ٱلَّذَيْنِ أَضَلَّانَا مِنَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ نَجْعَلْهُمَا تَحْتَ أَقْدَامِنَا لِيَكُونَا مِنَ ٱلْأَسْفَلِينَ

কাফেররা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! যেসব জিন ও মানুষ আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল, তাদেরকে দেখিয়ে দাও, আমরা তাদেরকে পদদলিত করব, যাতে তারা যথেষ্ট অপমানিত হয়।

وَقَالَ waqāla এবং বলবে
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
كَفَرُوا۟ kafarū অস্বীকার করেছিলো
رَبَّنَآ rabbanā "হে আমাদের রব
أَرِنَا arinā আমাদেরকে দেখিয়ে দিন
ٱلَّذَيْنِ alladhayni (সেই দুই প্রজাতির লোকদেরকে) যারা
أَضَلَّانَا aḍallānā আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে
مِنَ mina মধ্যে থেকে
ٱلْجِنِّ l-jini জিনদের
وَٱلْإِنسِ wal-insi এবং মানুষদের
نَجْعَلْهُمَا najʿalhumā উভয়কে আমরা পিষে ফেলবো
تَحْتَ taḥta তলায়
أَقْدَامِنَا aqdāminā আমাদের পায়ের
لِيَكُونَا liyakūnā উভয়ে হয় যেন
مِنَ mina অন্তর্ভুক্ত
ٱلْأَسْفَلِينَ l-asfalīna অপমানিতদের (সর্বনিম্নের)"

আয়াত 30 - সূরা فصلت: 19 শব্দ

إِنَّ ٱلَّذِينَ قَالُوا۟ رَبُّنَا ٱللَّهُ ثُمَّ ٱسْتَقَـٰمُوا۟ تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ أَلَّا تَخَافُوا۟ وَلَا تَحْزَنُوا۟ وَأَبْشِرُوا۟ بِٱلْجَنَّةِ ٱلَّتِى كُنتُمْ تُوعَدُونَ

নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ, অতঃপর তাতেই অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং বলে, তোমরা ভয় করো না, চিন্তা করো না এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ শোন।

إِنَّ inna নিশ্চয়ই
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
قَالُوا۟ qālū বলে
رَبُّنَا rabbunā "আমাদের রব
ٱللَّهُ l-lahu আল্লাহ-ই"
ثُمَّ thumma অতঃপর
ٱسْتَقَـٰمُوا۟ is'taqāmū তারা অবিচল থাকে
تَتَنَزَّلُ tatanazzalu অবতীর্ণ হয়
عَلَيْهِمُ ʿalayhimu তাদের উপর
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ l-malāikatu ফেরেশতারা (আর বলে)
أَلَّا allā "যে না
تَخَافُوا۟ takhāfū তোমরা ভয় করো
وَلَا walā আর না
تَحْزَنُوا۟ taḥzanū তোমরা চিন্তা করো
وَأَبْشِرُوا۟ wa-abshirū এবং তোমরা সুসংবাদ শুনে খুশি হও
بِٱلْجَنَّةِ bil-janati (সেই) জান্নাতের
ٱلَّتِى allatī যা
كُنتُمْ kuntum তোমাদের
تُوعَدُونَ tūʿadūna প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিলো

আয়াত 31 - সূরা فصلت: 16 শব্দ

نَحْنُ أَوْلِيَآؤُكُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَفِى ٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِىٓ أَنفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ

ইহকালে ও পরকালে আমরা তোমাদের বন্ধু। সেখানে তোমাদের জন্য আছে যা তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্যে আছে তোমরা দাবী কর।

نَحْنُ naḥnu আমরা
أَوْلِيَآؤُكُمْ awliyāukum তোমাদের বন্ধু
فِى fī মধ্যে
ٱلْحَيَوٰةِ l-ḥayati জীবনের
ٱلدُّنْيَا l-dun'yā দুনিয়ার
وَفِى wafī এবং মধ্যে
ٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ l-ākhirati পরকালের
وَلَكُمْ walakum এবং তোমাদের জন্যে (রয়েছে)
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
مَا mā যা
تَشْتَهِىٓ tashtahī চায়
أَنفُسُكُمْ anfusukum তোমাদের মন
وَلَكُمْ walakum এবং তোমাদের জন্যে
فِيهَا fīhā তার মধ্যে (রয়েছে)
مَا mā যা
تَدَّعُونَ taddaʿūna তোমরা দাবি করবে

আয়াত 32 - সূরা فصلت: 4 শব্দ

نُزُلًۭا مِّنْ غَفُورٍۢ رَّحِيمٍۢ

এটা ক্ষমাশীল করুনাময়ের পক্ষ থেকে সাদর আপ্যায়ন।

نُزُلًۭا nuzulan আপ্যায়ন
مِّنْ min (আল্লাহর) পক্ষ থেকে
غَفُورٍۢ ghafūrin (যিনি) ক্ষমাশীল
رَّحِيمٍۢ raḥīmin পরম দয়ালু"

আয়াত 33 - সূরা فصلت: 13 শব্দ

وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًۭا مِّمَّن دَعَآ إِلَى ٱللَّهِ وَعَمِلَ صَـٰلِحًۭا وَقَالَ إِنَّنِى مِنَ ٱلْمُسْلِمِينَ

যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন আজ্ঞাবহ, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?

وَمَنْ waman এবং কার
أَحْسَنُ aḥsanu উত্তম
قَوْلًۭا qawlan কথা (হতে পারে)
مِّمَّن mimman তার চেয়ে যে
دَعَآ daʿā ডাকে
إِلَى ilā দিকে
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
وَعَمِلَ waʿamila ও কাজ করে
صَـٰلِحًۭا ṣāliḥan সৎ
وَقَالَ waqāla এবং বলে
إِنَّنِى innanī "নিশ্চয়ই আমি
مِنَ mina অন্তর্ভুক্ত
ٱلْمُسْلِمِينَ l-mus'limīna আত্মসমর্পণকারীদের (অর্থাৎ মুসলমানদের)"

আয়াত 34 - সূরা فصلت: 17 শব্দ

وَلَا تَسْتَوِى ٱلْحَسَنَةُ وَلَا ٱلسَّيِّئَةُ ۚ ٱدْفَعْ بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ فَإِذَا ٱلَّذِى بَيْنَكَ وَبَيْنَهُۥ عَدَٰوَةٌۭ كَأَنَّهُۥ وَلِىٌّ حَمِيمٌۭ

সমান নয় ভাল ও মন্দ। জওয়াবে তাই বলুন যা উৎকৃষ্ট। তখন দেখবেন আপনার সাথে যে ব্যক্তির শুত্রুতা রয়েছে, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু।

وَلَا walā এবং না
تَسْتَوِى tastawī সমান হয়
ٱلْحَسَنَةُ l-ḥasanatu ভালো
وَلَا walā আর না
ٱلسَّيِّئَةُ ۚ l-sayi-atu মন্দ
ٱدْفَعْ id'faʿ প্রতিহত করো
بِٱلَّتِى bi-allatī সেই (জ্ঞান) দ্বারা
هِىَ hiya যা
أَحْسَنُ aḥsanu উত্তম
فَإِذَا fa-idhā ফলে (দেখবে) তখন
ٱلَّذِى alladhī যে
بَيْنَكَ baynaka তোমার মাঝে
وَبَيْنَهُۥ wabaynahu ও তার মাঝে
عَدَٰوَةٌۭ ʿadāwatun শত্রুতা (আছে)
كَأَنَّهُۥ ka-annahu সে যেন (হয়ে যাবে)
وَلِىٌّ waliyyun বন্ধু
حَمِيمٌۭ ḥamīmun অন্তরঙ্গ

আয়াত 35 - সূরা فصلت: 11 শব্দ

وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ٱلَّذِينَ صَبَرُوا۟ وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ذُو حَظٍّ عَظِيمٍۢ

এ চরিত্র তারাই লাভ করে, যারা সবর করে এবং এ চরিত্রের অধিকারী তারাই হয়, যারা অত্যন্ত ভাগ্যবান।

وَمَا wamā এবং না
يُلَقَّىٰهَآ yulaqqāhā তা (জুটে) লাভ করে
إِلَّا illā এ ব্যতীত
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
صَبَرُوا۟ ṣabarū ধৈর্য্য ধরে
وَمَا wamā এবং না
يُلَقَّىٰهَآ yulaqqāhā তা (জুটে) লাভ করে
إِلَّا illā এ ব্যতীত
ذُو dhū অধিকারী
حَظٍّ ḥaẓẓin ভাগ্যের
عَظِيمٍۢ ʿaẓīmin মহা

আয়াত 36 - সূরা فصلت: 11 শব্দ

وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ ٱلشَّيْطَـٰنِ نَزْغٌۭ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ ۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ

যদি শয়তানের পক্ষ থেকে আপনি কিছু কুমন্ত্রণা অনুভব করেন, তবে আল্লাহর শরণাপন্ন হোন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

وَإِمَّا wa-immā আর যদি
يَنزَغَنَّكَ yanzaghannaka তোমাকে উস্কানি দেয়
مِنَ mina পক্ষ হতে
ٱلشَّيْطَـٰنِ l-shayṭāni শয়তানের
نَزْغٌۭ nazghun (যে কোন) কুমন্ত্রণা
فَٱسْتَعِذْ fa-is'taʿidh তবে আশ্রয় চাও
بِٱللَّهِ ۖ bil-lahi আল্লাহর
إِنَّهُۥ innahu তিনি নিশ্চয়ই
هُوَ huwa তিনিই
ٱلسَّمِيعُ l-samīʿu সবকিছু শুনেন
ٱلْعَلِيمُ l-ʿalīmu সবকিছুু জানেন

আয়াত 37 - সূরা فصلت: 19 শব্দ

وَمِنْ ءَايَـٰتِهِ ٱلَّيْلُ وَٱلنَّهَارُ وَٱلشَّمْسُ وَٱلْقَمَرُ ۚ لَا تَسْجُدُوا۟ لِلشَّمْسِ وَلَا لِلْقَمَرِ وَٱسْجُدُوا۟ لِلَّهِ ٱلَّذِى خَلَقَهُنَّ إِن كُنتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ

তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে দিবস, রজনী, সূর্য ও চন্দ্র। তোমরা সূর্যকে সেজদা করো না, চন্দ্রকেও না; আল্লাহকে সেজদা কর, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা নিষ্ঠার সাথে শুধুমাত্র তাঁরই এবাদত কর।

وَمِنْ wamin এবং মধ্যে হ'তে
ءَايَـٰتِهِ āyātihi তাঁর নিদর্শনাবলীর
ٱلَّيْلُ al-laylu (রয়েছে) রাত
وَٱلنَّهَارُ wal-nahāru ও দিন
وَٱلشَّمْسُ wal-shamsu এবং সূর্য
وَٱلْقَمَرُ ۚ wal-qamaru ও চাঁদ
لَا lā না
تَسْجُدُوا۟ tasjudū তোমরা সিজদা করো
لِلشَّمْسِ lilshamsi সূর্যকে
وَلَا walā আর না
لِلْقَمَرِ lil'qamari চাঁদকে
وَٱسْجُدُوا۟ wa-us'judū এবং তোমরা সিজদা করো
لِلَّهِ lillahi আল্লাহর-ই
ٱلَّذِى alladhī যিনি
خَلَقَهُنَّ khalaqahunna তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন
إِن in যদি
كُنتُمْ kuntum তোমরা হও (বাস্তবিকই)
إِيَّاهُ iyyāhu তাঁরই শুধু
تَعْبُدُونَ taʿbudūna তোমরা ইবাদত করো

আয়াত 38 - সূরা فصلت: 12 শব্দ

فَإِنِ ٱسْتَكْبَرُوا۟ فَٱلَّذِينَ عِندَ رَبِّكَ يُسَبِّحُونَ لَهُۥ بِٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ وَهُمْ لَا يَسْـَٔمُونَ ۩

অতঃপর তারা যদি অহংকার করে, তবে যারা আপনার পালনকর্তার কাছে আছে, তারা দিবারাত্রি তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং তারা ক্লান্ত হয় না।

فَإِنِ fa-ini অতঃপর যদি
ٱسْتَكْبَرُوا۟ is'takbarū তোমরা অহংকার করো (তবে কোন পরোয়া নেই)
فَٱلَّذِينَ fa-alladhīna কারণ যারা (আছে)
عِندَ ʿinda কাছে
رَبِّكَ rabbika তোমার রবের
يُسَبِّحُونَ yusabbiḥūna তারা মহিমা ঘোষণা করছে
لَهُۥ lahu তাঁরই
بِٱلَّيْلِ bi-al-layli রাতে
وَٱلنَّهَارِ wal-nahāri ও দিনে
وَهُمْ wahum এবং তারা
لَا lā না
يَسْـَٔمُونَ ۩ yasamūna ক্লান্ত হয়

আয়াত 39 - সূরা فصلت: 22 শব্দ

وَمِنْ ءَايَـٰتِهِۦٓ أَنَّكَ تَرَى ٱلْأَرْضَ خَـٰشِعَةًۭ فَإِذَآ أَنزَلْنَا عَلَيْهَا ٱلْمَآءَ ٱهْتَزَّتْ وَرَبَتْ ۚ إِنَّ ٱلَّذِىٓ أَحْيَاهَا لَمُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰٓ ۚ إِنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ

তাঁর এক নিদর্শন এই যে, তুমি ভূমিকে দেখবে অনুর্বর পড়ে আছে। অতঃপর আমি যখন তার উপর বৃষ্টি বর্ষণ করি, তখন সে শস্যশ্যামল ও স্ফীত হয়। নিশ্চয় যিনি একে জীবিত করেন, তিনি জীবিত করবেন মৃতদেরকেও। নিশ্চয় তিনি সবকিছু করতে সক্ষম।

وَمِنْ wamin এবং মধ্য হ'তে
ءَايَـٰتِهِۦٓ āyātihi তাঁর নিদর্শনাবলীর
أَنَّكَ annaka (এগুলোও) যে
تَرَى tarā তুমি দেখো
ٱلْأَرْضَ l-arḍa জমিকে
خَـٰشِعَةًۭ khāshiʿatan ঊষর (তৃণলতাহীন)
فَإِذَآ fa-idhā অতঃপর যখন
أَنزَلْنَا anzalnā আমরা বর্ষণ করি
عَلَيْهَا ʿalayhā তার উপর
ٱلْمَآءَ l-māa পানি
ٱهْتَزَّتْ ih'tazzat উথলিয়ে উঠে
وَرَبَتْ ۚ warabat ও স্ফীত হয় (আর শস্য জন্মে)
إِنَّ inna নিশ্চয়ই
ٱلَّذِىٓ alladhī যিনি
أَحْيَاهَا aḥyāhā তা (অর্থাৎ যমীনকে) জীবিত করেন
لَمُحْىِ lamuḥ'yī অবশ্যই জীবন দানকারী
ٱلْمَوْتَىٰٓ ۚ l-mawtā মৃতদেরকে
إِنَّهُۥ innahu নিশ্চয়ই তিনি
عَلَىٰ ʿalā উপর
كُلِّ kulli সব
شَىْءٍۢ shayin কিছুর
قَدِيرٌ qadīrun সর্বশক্তিমান

আয়াত 40 - সূরা فصلت: 26 শব্দ

إِنَّ ٱلَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِىٓ ءَايَـٰتِنَا لَا يَخْفَوْنَ عَلَيْنَآ ۗ أَفَمَن يُلْقَىٰ فِى ٱلنَّارِ خَيْرٌ أَم مَّن يَأْتِىٓ ءَامِنًۭا يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۚ ٱعْمَلُوا۟ مَا شِئْتُمْ ۖ إِنَّهُۥ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ

নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহের ব্যাপারে বক্রতা অবলম্বন করে, তারা আমার কাছে গোপন নয়। যে ব্যক্তি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে সে শ্রেষ্ঠ, না যে কেয়ামতের দিন নিরাপদে আসবে? তোমরা যা ইচ্ছা কর, নিশ্চয় তিনি দেখেন যা তোমরা কর।

إِنَّ inna নিশ্চয়ই
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
يُلْحِدُونَ yul'ḥidūna বিকৃত অর্থ নেয়
فِىٓ fī মধ্যে
ءَايَـٰتِنَا āyātinā আমাদের আয়াতগুলোর
لَا lā নয়
يَخْفَوْنَ yakhfawna তারা অগোচরে
عَلَيْنَآ ۗ ʿalaynā আমাদের কাছে
أَفَمَن afaman তবে কি যাকে
يُلْقَىٰ yul'qā ফেলা হবে
فِى fī মধ্যে
ٱلنَّارِ l-nāri আগুনের
خَيْرٌ khayrun উত্তম
أَم am নাকি
مَّن man যে
يَأْتِىٓ yatī আসবে
ءَامِنًۭا āminan নিরাপদ অবস্থায়
يَوْمَ yawma দিনে
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۚ l-qiyāmati ক্বিয়ামাতের
ٱعْمَلُوا۟ iʿ'malū তোমরা কাজ করো
مَا mā যা
شِئْتُمْ ۖ shi'tum তোমরা ইচ্ছে করো
إِنَّهُۥ innahu নিশ্চয়ই তিনি
بِمَا bimā ঐ বিষয়ে যা
تَعْمَلُونَ taʿmalūna তোমরা কাজ করছো
بَصِيرٌ baṣīrun খুব দেখছেন

আয়াত 41 - সূরা فصلت: 9 শব্দ

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِٱلذِّكْرِ لَمَّا جَآءَهُمْ ۖ وَإِنَّهُۥ لَكِتَـٰبٌ عَزِيزٌۭ

নিশ্চয় যারা কোরআন আসার পর তা অস্বীকার করে, তাদের মধ্যে চিন্তা-ভাবনার অভাব রয়েছে। এটা অবশ্যই এক সম্মানিত গ্রন্থ।

إِنَّ inna নিশ্চয়ই
ٱلَّذِينَ alladhīna (তারা সেই লোক) যারা
كَفَرُوا۟ kafarū মেনে নিতে অস্বীকার করেছে
بِٱلذِّكْرِ bil-dhik'ri কুরআনকে
لَمَّا lammā যখন
جَآءَهُمْ ۖ jāahum এসেছে তাদের কাছে
وَإِنَّهُۥ wa-innahu এবং নিশ্চয়ই তা
لَكِتَـٰبٌ lakitābun অবশ্যই কিতাব
عَزِيزٌۭ ʿazīzun শক্তিমান

আয়াত 42 - সূরা فصلت: 13 শব্দ

لَّا يَأْتِيهِ ٱلْبَـٰطِلُ مِنۢ بَيْنِ يَدَيْهِ وَلَا مِنْ خَلْفِهِۦ ۖ تَنزِيلٌۭ مِّنْ حَكِيمٍ حَمِيدٍۢ

এতে মিথ্যার প্রভাব নেই, সামনের দিক থেকেও নেই এবং পেছন দিক থেকেও নেই। এটা প্রজ্ঞাময়, প্রশংসিত আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

لَّا lā না
يَأْتِيهِ yatīhi তার কাছে আসতে পারে
ٱلْبَـٰطِلُ l-bāṭilu অসত্য
مِنۢ min থেকে
بَيْنِ bayni সামনে
يَدَيْهِ yadayhi তার
وَلَا walā আর না
مِنْ min থেকে
خَلْفِهِۦ ۖ khalfihi তার পিছন
تَنزِيلٌۭ tanzīlun অবতীর্ণ করা (এই কুরআন)
مِّنْ min (আল্লাহর) পক্ষ হ'তে
حَكِيمٍ ḥakīmin (যিনি) প্রজ্ঞাময়
حَمِيدٍۢ ḥamīdin সুপ্রশংসিত

আয়াত 43 - সূরা فصلت: 17 শব্দ

مَّا يُقَالُ لَكَ إِلَّا مَا قَدْ قِيلَ لِلرُّسُلِ مِن قَبْلِكَ ۚ إِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغْفِرَةٍۢ وَذُو عِقَابٍ أَلِيمٍۢ

আপনাকে তো তাই বলা হয়, যা বলা হত পূর্ববর্তী রসূলগনকে। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার কাছে রয়েছে ক্ষমা এবং রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

مَّا mā (হে নাবী) না
يُقَالُ yuqālu বলা হচ্ছে
لَكَ laka তোমাকে
إِلَّا illā এ ব্যতীত
مَا mā যা
قَدْ qad নিশ্চয়ই
قِيلَ qīla বলা হয়েছে
لِلرُّسُلِ lilrrusuli রাসূলগণকে
مِن min পূর্বে
قَبْلِكَ ۚ qablika তোমার
إِنَّ inna নিশ্চয়ই
رَبَّكَ rabbaka তোমার রব
لَذُو ladhū অধিকারী
مَغْفِرَةٍۢ maghfiratin ক্ষমার অবশ্যই
وَذُو wadhū আবার অধিকারী
عِقَابٍ ʿiqābin শাস্তিদানের
أَلِيمٍۢ alīmin কষ্টদায়ক

আয়াত 44 - সূরা فصلت: 30 শব্দ

وَلَوْ جَعَلْنَـٰهُ قُرْءَانًا أَعْجَمِيًّۭا لَّقَالُوا۟ لَوْلَا فُصِّلَتْ ءَايَـٰتُهُۥٓ ۖ ءَا۬عْجَمِىٌّۭ وَعَرَبِىٌّۭ ۗ قُلْ هُوَ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ هُدًۭى وَشِفَآءٌۭ ۖ وَٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ فِىٓ ءَاذَانِهِمْ وَقْرٌۭ وَهُوَ عَلَيْهِمْ عَمًى ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ يُنَادَوْنَ مِن مَّكَانٍۭ بَعِيدٍۢ

আমি যদি একে অনারব ভাষায় কোরআন করতাম, তবে অবশ্যই তারা বলত, এর আয়াতসমূহ পরিস্কার ভাষায় বিবৃত হয়নি কেন? কি আশ্চর্য যে, কিতাব অনারব ভাষায় আর রসূল আরবী ভাষী! বলুন, এটা বিশ্বাসীদের জন্য হেদায়েত ও রোগের প্রতিকার। যারা মুমিন নয়, তাদের কানে আছে ছিপি, আর কোরআন তাদের জন্যে অন্ধত্ব। তাদেরকে যেন দূরবর্তী স্থান থেকে আহবান করা হয়।

وَلَوْ walaw এবং যদি
جَعَلْنَـٰهُ jaʿalnāhu তা আমরা অবতীর্ণ করতাম
قُرْءَانًا qur'ānan (অর্থাৎ) কুরআন
أَعْجَمِيًّۭا aʿjamiyyan অনারবী (ভাষায়)
لَّقَالُوا۟ laqālū অবশ্যই তারা বলতো
لَوْلَا lawlā "কেন না
فُصِّلَتْ fuṣṣilat বিশদভাবে বিবৃত হলো
ءَايَـٰتُهُۥٓ ۖ āyātuhu তার আয়াতগুলো
ءَا۬عْجَمِىٌّۭ āʿ'jamiyyun (আশ্চর্য নয়) কি অনারবী (কুরআন)
وَعَرَبِىٌّۭ ۗ waʿarabiyyun আর আরবী (রাসূল ও তাঁর জাতি)"
قُلْ qul বলো
هُوَ huwa "তা (অর্থাৎ কুরআন)
لِلَّذِينَ lilladhīna (তাদের) জন্যে যারা
ءَامَنُوا۟ āmanū ঈমান এনেছে
هُدًۭى hudan পথনির্দেশনা
وَشِفَآءٌۭ ۖ washifāon ও ব্যাধির প্রতিকার"
وَٱلَّذِينَ wa-alladhīna এবং যারা
لَا lā না
يُؤْمِنُونَ yu'minūna ঈমান আনে
فِىٓ fī মধ্যে (আছে)
ءَاذَانِهِمْ ādhānihim তাদের কানগুলোর
وَقْرٌۭ waqrun এবং বধিরতা
وَهُوَ wahuwa এবং তা
عَلَيْهِمْ ʿalayhim তাদের উপর (আছে)
عَمًى ۚ ʿaman অন্ধত্ব
أُو۟لَـٰٓئِكَ ulāika ঐ সব লোককে
يُنَادَوْنَ yunādawna ডাকা হচ্ছে তাদেরকে যেন
مِن min হ'তে
مَّكَانٍۭ makānin স্থান
بَعِيدٍۢ baʿīdin দূরবর্তী"

আয়াত 45 - সূরা فصلت: 18 শব্দ

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَـٰبَ فَٱخْتُلِفَ فِيهِ ۗ وَلَوْلَا كَلِمَةٌۭ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَقُضِىَ بَيْنَهُمْ ۚ وَإِنَّهُمْ لَفِى شَكٍّۢ مِّنْهُ مُرِيبٍۢ

আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম, অতঃপর তাতে মতভেদ সৃষ্টি হয়। আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে তাদের মধ্যে ফয়সালা হয়ে যেত। তারা কোরআন সমন্ধে এক অস্বস্তিকর সন্দেহে লিপ্ত।

وَلَقَدْ walaqad এবং নিশ্চয়ই
ءَاتَيْنَا ātaynā আমরা দিয়েছিলাম
مُوسَى mūsā মূসাকে
ٱلْكِتَـٰبَ l-kitāba কিতাব
فَٱخْتُلِفَ fa-ukh'tulifa অতঃপর মতভেদ ঘটেছিলো
فِيهِ ۗ fīhi তার মধ্যে
وَلَوْلَا walawlā এবং না যদি (হতো)
كَلِمَةٌۭ kalimatun একটি কথা
سَبَقَتْ sabaqat পূর্ব নির্ধারিত
مِن min পক্ষ হ'তে
رَّبِّكَ rabbika তোমার রবের
لَقُضِىَ laquḍiya মীমাংসা করেই দেওয়া হতো
بَيْنَهُمْ ۚ baynahum তাদের মাঝে
وَإِنَّهُمْ wa-innahum এবং তারা নিশ্চয়ই
لَفِى lafī অবশ্যই মধ্যে আছে
شَكٍّۢ shakkin সন্দেহের
مِّنْهُ min'hu তা সম্বন্ধে
مُرِيبٍۢ murībin বিভ্রান্তিকর

আয়াত 46 - সূরা فصلت: 11 শব্দ

مَّنْ عَمِلَ صَـٰلِحًۭا فَلِنَفْسِهِۦ ۖ وَمَنْ أَسَآءَ فَعَلَيْهَا ۗ وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّـٰمٍۢ لِّلْعَبِيدِ

যে সৎকর্ম করে, সে নিজের উপকারের জন্যেই করে, আর যে অসৎকর্ম করে, তা তার উপরই বর্তাবে। আপনার পালনকর্তা বান্দাদের প্রতি মোটেই যুলুম করেন না।

مَّنْ man যে
عَمِلَ ʿamila কাজ করবে
صَـٰلِحًۭا ṣāliḥan সৎ
فَلِنَفْسِهِۦ ۖ falinafsihi (সে করবে) তা নিজের জন্যে
وَمَنْ waman এবং যে
أَسَآءَ asāa মন্দকর্ম করবে
فَعَلَيْهَا ۗ faʿalayhā (পড়বে) তা তার উপর
وَمَا wamā আর নন
رَبُّكَ rabbuka তোমার রব
بِظَلَّـٰمٍۢ biẓallāmin অত্যাচারী
لِّلْعَبِيدِ lil'ʿabīdi দাসদের উপর

আয়াত 47 - সূরা فصلت: 28 শব্দ

۞ إِلَيْهِ يُرَدُّ عِلْمُ ٱلسَّاعَةِ ۚ وَمَا تَخْرُجُ مِن ثَمَرَٰتٍۢ مِّنْ أَكْمَامِهَا وَمَا تَحْمِلُ مِنْ أُنثَىٰ وَلَا تَضَعُ إِلَّا بِعِلْمِهِۦ ۚ وَيَوْمَ يُنَادِيهِمْ أَيْنَ شُرَكَآءِى قَالُوٓا۟ ءَاذَنَّـٰكَ مَا مِنَّا مِن شَهِيدٍۢ

কেয়ামতের জ্ঞান একমাত্র তাঁরই জানা। তাঁর জ্ঞানের বাইরে কোন ফল আবরণমুক্ত হয় না। এবং কোন নারী গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসব করে না। যেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, আমার শরীকরা কোথায়? সেদিন তারা বলবে, আমরা আপনাকে বলে দিয়েছি যে, আমাদের কেউ এটা স্বীকার করে না।

۞ إِلَيْهِ ilayhi তাঁরই কাছে
يُرَدُّ yuraddu ন্যস্ত রয়েছে
عِلْمُ ʿil'mu জ্ঞান
ٱلسَّاعَةِ ۚ l-sāʿati ক্বিয়ামাতের (অর্থাৎ তিনিই জানেন কখন তা হবে)
وَمَا wamā এবং না
تَخْرُجُ takhruju বের হয়
مِن min কোনো
ثَمَرَٰتٍۢ thamarātin ফলসমূহ
مِّنْ min হ'তে
أَكْمَامِهَا akmāmihā তার আবরণ
وَمَا wamā আর না
تَحْمِلُ taḥmilu গর্ভধারণ করে
مِنْ min কোন
أُنثَىٰ unthā নারী
وَلَا walā আর না
تَضَعُ taḍaʿu প্রসব করে সে
إِلَّا illā এ ব্যতীত
بِعِلْمِهِۦ ۚ biʿil'mihi তাঁর জানা (আছে)
وَيَوْمَ wayawma এবং যে দিন
يُنَادِيهِمْ yunādīhim তাদের তিনি ডেকে বলবেন
أَيْنَ ayna "কোথায়
شُرَكَآءِى shurakāī আমার শরিকরা
قَالُوٓا۟ qālū তারা বলবে
ءَاذَنَّـٰكَ ādhannāka "আপনাকে নিবেদন করছি
مَا mā (আজ) নেই
مِنَّا minnā আমাদের মধ্যে
مِن min কোনো
شَهِيدٍۢ shahīdin সাক্ষী (শরিকের পক্ষে)"

আয়াত 48 - সূরা فصلت: 12 শব্দ

وَضَلَّ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَدْعُونَ مِن قَبْلُ ۖ وَظَنُّوا۟ مَا لَهُم مِّن مَّحِيصٍۢ

পূর্বে তারা যাদের পূজা করত, তারা উধাও হয়ে যাবে এবং তারা বুঝে নেবে যে, তাদের কোন নিস্কৃতি নেই।

وَضَلَّ waḍalla এবং হারিয়ে যাবে
عَنْهُم ʿanhum তাদের থেকে
مَّا mā (ঐসব ইলাহ) যাদেরকে
كَانُوا۟ kānū তারা
يَدْعُونَ yadʿūna ডাকতে থাকতো
مِن min পূর্বে
قَبْلُ ۖ qablu ইতি
وَظَنُّوا۟ waẓannū এবং তারা ভাববে
مَا mā নেই
لَهُم lahum তাদের জন্যে (আছে)
مِّن min কোনো
مَّحِيصٍۢ maḥīṣin নিষ্কৃতি

আয়াত 49 - সূরা فصلت: 11 শব্দ

لَّا يَسْـَٔمُ ٱلْإِنسَـٰنُ مِن دُعَآءِ ٱلْخَيْرِ وَإِن مَّسَّهُ ٱلشَّرُّ فَيَـُٔوسٌۭ قَنُوطٌۭ

মানুষ উন্নতি কামনায় ক্লান্ত হয় না; যদি তাকে অমঙ্গল স্পর্শ করে, তবে সে সম্পূর্ণ রূপে নিরাশ হয়ে পড়ে।

لَّا lā না
يَسْـَٔمُ yasamu ক্লান্ত হয়
ٱلْإِنسَـٰنُ l-insānu মানুষ
مِن min থেকে
دُعَآءِ duʿāi দুআ
ٱلْخَيْرِ l-khayri ধন-সম্পদের (অথবা কল্যাণের)
وَإِن wa-in আর যদি
مَّسَّهُ massahu তাকে স্পর্শ করে
ٱلشَّرُّ l-sharu দুঃখদৈন্য
فَيَـُٔوسٌۭ fayaūsun তখন হতাশ হয়
قَنُوطٌۭ qanūṭun নিরাশ (হয়)

আয়াত 50 - সূরা فصلت: 32 শব্দ

وَلَئِنْ أَذَقْنَـٰهُ رَحْمَةًۭ مِّنَّا مِنۢ بَعْدِ ضَرَّآءَ مَسَّتْهُ لَيَقُولَنَّ هَـٰذَا لِى وَمَآ أَظُنُّ ٱلسَّاعَةَ قَآئِمَةًۭ وَلَئِن رُّجِعْتُ إِلَىٰ رَبِّىٓ إِنَّ لِى عِندَهُۥ لَلْحُسْنَىٰ ۚ فَلَنُنَبِّئَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِمَا عَمِلُوا۟ وَلَنُذِيقَنَّهُم مِّنْ عَذَابٍ غَلِيظٍۢ

বিপদাপদ স্পর্শ করার পর আমি যদি তাকে আমার অনুগ্রহ আস্বাদন করাই, তখন সে বলতে থাকে, এটা যে আমার যোগ্য প্রাপ্য; আমি মনে করি না যে, কেয়ামত সংঘটিত হবে। আমি যদি আমার পালনকর্তার কাছে ফিরে যাই, তবে অবশ্যই তার কাছে আমার জন্য কল্যাণ রয়েছে। অতএব, আমি কাফেরদেরকে তাদের কর্ম সম্পর্কে অবশ্যই অবহিত করব এবং তাদেরকে অবশ্যই আস্বাদন করাব কঠিন শাস্তি।

وَلَئِنْ wala-in কিন্তু অবশ্য যদি
أَذَقْنَـٰهُ adhaqnāhu আমরা তাকে আস্বাদন করাই
رَحْمَةًۭ raḥmatan অনুগ্রহের
مِّنَّا minnā আমাদের পক্ষ হতে
مِنۢ min মধ্য হতে
بَعْدِ baʿdi পরে
ضَرَّآءَ ḍarrāa বিপদাপদের
مَسَّتْهُ massathu (যা) তাকে স্পর্শ করেছিলো
لَيَقُولَنَّ layaqūlanna সে বলে অবশ্যই
هَـٰذَا hādhā "এটা
لِى lī আমারই (প্রাপ্য)
وَمَآ wamā এবং (বলে) না
أَظُنُّ aẓunnu মনে করি আমি
ٱلسَّاعَةَ l-sāʿata ক্বিয়ামাত
قَآئِمَةًۭ qāimatan ঘটবে
وَلَئِن wala-in এবং অবশ্যই যদি
رُّجِعْتُ rujiʿ'tu প্রত্যাবর্তিত হই আমি
إِلَىٰ ilā দিকে
رَبِّىٓ rabbī আমার রবের
إِنَّ inna নিশ্চয়ই
لِى lī আমার জন্যে
عِندَهُۥ ʿindahu তাঁর কাছে (থাকবে)
لَلْحُسْنَىٰ ۚ lalḥus'nā অবশ্যই খুব কল্যাণ"
فَلَنُنَبِّئَنَّ falanunabbi-anna আমরা অথচ জানিয়ে দিবোই
ٱلَّذِينَ alladhīna যারা
كَفَرُوا۟ kafarū অস্বীকার করেছে
بِمَا bimā ঐ বিষয়ে যা
عَمِلُوا۟ ʿamilū তারা কাজ করেছিলো
وَلَنُذِيقَنَّهُم walanudhīqannahum এবং তাদেরকে আমরা অবশ্যই আস্বাদন করাবোই
مِّنْ min থেকে
عَذَابٍ ʿadhābin শাস্তি
غَلِيظٍۢ ghalīẓin কঠিন

আয়াত 51 - সূরা فصلت: 13 শব্দ

وَإِذَآ أَنْعَمْنَا عَلَى ٱلْإِنسَـٰنِ أَعْرَضَ وَنَـَٔا بِجَانِبِهِۦ وَإِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ فَذُو دُعَآءٍ عَرِيضٍۢ

আমি যখন মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং পার্শ্ব পরিবর্তন করে। আর যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সুদীর্ঘ দোয়া করতে থাকে।

وَإِذَآ wa-idhā এবং যখন
أَنْعَمْنَا anʿamnā আমরা অনুগ্রহ করি
عَلَى ʿalā উপর
ٱلْإِنسَـٰنِ l-insāni মানুষের
أَعْرَضَ aʿraḍa সে মুখ ফিরিয়ে নেয়
وَنَـَٔا wanaā এবং এড়িয়ে চলে
بِجَانِبِهِۦ bijānibihi তার পাশ দিয়ে (অহংকার বশতঃ)
وَإِذَا wa-idhā এবং যখন
مَسَّهُ massahu তাকে স্পর্শ করে
ٱلشَّرُّ l-sharu দুঃখদৈন্য
فَذُو fadhū তখন
دُعَآءٍ duʿāin প্রার্থনার
عَرِيضٍۢ ʿarīḍin দীর্ঘ (করে)

আয়াত 52 - সূরা فصلت: 17 শব্দ

قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِن كَانَ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ ثُمَّ كَفَرْتُم بِهِۦ مَنْ أَضَلُّ مِمَّنْ هُوَ فِى شِقَاقٍۭ بَعِيدٍۢ

বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়, অতঃপর তোমরা একে অমান্য কর, তবে যে ব্যক্তি ঘোর বিরোধিতায় লিপ্ত, তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে?

قُلْ qul (হে নাবী) বলো
أَرَءَيْتُمْ ara-aytum "তোমরা (ভেবে) দেখেছো কি
إِن in যদি
كَانَ kāna হয় (এই কুরআন)
مِنْ min হতে
عِندِ ʿindi নিকট
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
ثُمَّ thumma এরপর
كَفَرْتُم kafartum তোমরা অস্বীকার করছো
بِهِۦ bihi তা
مَنْ man কে
أَضَلُّ aḍallu অধিক ভ্রান্ত (হতে পারে)
مِمَّنْ mimman তার চেয়ে
هُوَ huwa যে
فِى fī মধ্যে
شِقَاقٍۭ shiqāqin বিরোধীতার
بَعِيدٍۢ baʿīdin ঘোর (চলে গিয়েছে)"

আয়াত 53 - সূরা فصلت: 19 শব্দ

سَنُرِيهِمْ ءَايَـٰتِنَا فِى ٱلْـَٔافَاقِ وَفِىٓ أَنفُسِهِمْ حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ ٱلْحَقُّ ۗ أَوَلَمْ يَكْفِ بِرَبِّكَ أَنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ شَهِيدٌ

এখন আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী প্রদর্শন করাব পৃথিবীর দিগন্তে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে; ফলে তাদের কাছে ফুটে উঠবে যে, এ কোরআন সত্য। আপনার পালনকর্তা সর্ববিষয়ে সাক্ষ্যদাতা, এটা কি যথেষ্ট নয়?

سَنُرِيهِمْ sanurīhim তাদের আমরা শীঘ্রই দেখাবো
ءَايَـٰتِنَا āyātinā আমাদের নিদর্শন
فِى fī মধ্যে
ٱلْـَٔافَاقِ l-āfāqi দিগন্তসমূহের
وَفِىٓ wafī এবং মধ্যে
أَنفُسِهِمْ anfusihim তাদের নিজেদের
حَتَّىٰ ḥattā যতক্ষণ না
يَتَبَيَّنَ yatabayyana সুস্পষ্ট হয়ে যায়
لَهُمْ lahum তাদের কাছে
أَنَّهُ annahu (এ কথা) যে তা
ٱلْحَقُّ ۗ l-ḥaqu বাস্তবিকই সত্য
أَوَلَمْ awalam নয় কি
يَكْفِ yakfi যথেষ্ট
بِرَبِّكَ birabbika তোমার রব
أَنَّهُۥ annahu যে তিনি
عَلَىٰ ʿalā উপর
كُلِّ kulli সব
شَىْءٍۢ shayin কিছুর
شَهِيدٌ shahīdun সাক্ষী

আয়াত 54 - সূরা فصلت: 12 শব্দ

أَلَآ إِنَّهُمْ فِى مِرْيَةٍۢ مِّن لِّقَآءِ رَبِّهِمْ ۗ أَلَآ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍۢ مُّحِيطٌۢ

শুনে রাখ, তারা তাদের পালনকর্তার সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহে পতিত রয়েছে। শুনে রাখ, তিনি সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রয়েছেন।

أَلَآ alā জেনে রাখো
إِنَّهُمْ innahum তারা নিশ্চয়ই
فِى fī মধ্যে (আছে)
مِرْيَةٍۢ mir'yatin সন্দেহের
مِّن min বিষয়ে
لِّقَآءِ liqāi সাক্ষাতের
رَبِّهِمْ ۗ rabbihim তাদের রবের
أَلَآ alā জেনে রাখো
إِنَّهُۥ innahu নিশ্চয়ই তিনি
بِكُلِّ bikulli সব
شَىْءٍۢ shayin কিছুকে
مُّحِيطٌۢ muḥīṭun পরিবেষ্টনকারী (অর্থাৎ ঘিরে রেখেছেন)

আরও দেখুন

সব সূরা শব্দে শব্দে

بسم الله الرحمن الرحيم সোম 22 রবিউস সানি
الاثنين 22 ربيع الآخر
هلال متناقص কমন্ত অর্ধচন্দ্র দিন 24 / 29.5
আলোকিতকরণ 31%
6 দিনে অমাবস্যা
لا إله إلا الله আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত