সূরা طه শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা طه শব্দে শব্দে
طه (طه) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 135টি আয়াত, 1,335টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
1,335টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা طه আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 7 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা طه: 1 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
طه
তোয়া-হা
আয়াত 2 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَآ أَنزَلْنَا عَلَيْكَ ٱلْقُرْءَانَ لِتَشْقَىٰٓ
আপনাকে ক্লেশ দেবার জন্য আমি আপনার প্রতি কোরআন অবতীর্ণ করিনি।
▶
مَآ
mā
না
▶
أَنزَلْنَا
anzalnā
আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
ٱلْقُرْءَانَ
l-qur'āna
(এই) কুরআন
▶
لِتَشْقَىٰٓ
litashqā
তোমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্যে
আয়াত 3 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَّا تَذْكِرَةًۭ لِّمَن يَخْشَىٰ
কিন্তু তাদেরই উপদেশের জন্য যারা ভয় করে।
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
تَذْكِرَةًۭ
tadhkiratan
উপদেশ
▶
لِّمَن
liman
( তার ) জন্যে যে
▶
يَخْشَىٰ
yakhshā
ভয় করে
আয়াত 4 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تَنزِيلًۭا مِّمَّنْ خَلَقَ ٱلْأَرْضَ وَٱلسَّمَـٰوَٰتِ ٱلْعُلَى
এটা তাঁর কাছ থেকে অবতীর্ণ, যিনি ভূমন্ডল ও সমুচ্চ নভোমন্ডল সৃষ্টি করেছেন।
▶
تَنزِيلًۭا
tanzīlan
অবতীর্ণ করা ( হয়েছে )
▶
مِّمَّنْ
mimman
তাঁর পক্ষ হ'তে
▶
خَلَقَ
khalaqa
( যিনি ) সৃষ্টি করেছেন
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
পৃথিবীকে
▶
وَٱلسَّمَـٰوَٰتِ
wal-samāwāti
ও আকাশমণ্ডলীকে
▶
ٱلْعُلَى
l-ʿulā
( যা ) সমুচ্চ
আয়াত 5 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلرَّحْمَـٰنُ عَلَى ٱلْعَرْشِ ٱسْتَوَىٰ
তিনি পরম দয়াময়, আরশে সমাসীন হয়েছেন।
▶
ٱلرَّحْمَـٰنُ
al-raḥmānu
( তিনিই ) দয়াময়
▶
عَلَى
ʿalā
যিনি উপর
▶
ٱلْعَرْشِ
l-ʿarshi
আরশের
▶
ٱسْتَوَىٰ
is'tawā
সমাসীন হয়েছেন
আয়াত 6 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَمَا تَحْتَ ٱلثَّرَىٰ
নভোমন্ডলে, ভুমন্ডলে, এতদুভয়ের মধ্যবর্তী স্থানে এবং সিক্ত ভূগর্ভে যা আছে, তা তাঁরই।
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই ( মালিকানায় )
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশমণ্ডলীর
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু ( আছে )
▶
بَيْنَهُمَا
baynahumā
উভয়ের মাঝে
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু ( আছে )
▶
تَحْتَ
taḥta
নিচে
▶
ٱلثَّرَىٰ
l-tharā
সিক্ত মাটির
আয়াত 7 - সূরা طه: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن تَجْهَرْ بِٱلْقَوْلِ فَإِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلسِّرَّ وَأَخْفَى
যদি তুমি উচ্চকন্ঠেও কথা বল, তিনি তো গুপ্ত ও তদপেক্ষাও গুপ্ত বিষয়বস্তু জানেন।
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَجْهَرْ
tajhar
উঁচু গলায় বলো
▶
بِٱلْقَوْلِ
bil-qawli
কথাকে ( তাও তিনি শুনেন )
▶
فَإِنَّهُۥ
fa-innahu
তবে নিশ্চয়ই তিনি
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
ٱلسِّرَّ
l-sira
গুপ্ত
▶
وَأَخْفَى
wa-akhfā
এবং অব্যক্ত ( কথাও )
আয়াত 8 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ لَهُ ٱلْأَسْمَآءُ ٱلْحُسْنَىٰ
আল্লাহ তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য ইলাহ নেই। সব সৌন্দর্যমন্ডিত নাম তাঁরই।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ ( এমন সত্ত্বা যে )
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোন ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ ۖ
huwa
তিনি
▶
لَهُ
lahu
তাঁরই আছে
▶
ٱلْأَسْمَآءُ
l-asmāu
নামসমূহ
▶
ٱلْحُسْنَىٰ
l-ḥus'nā
সুন্দর
আয়াত 9 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَهَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ
আপনার কাছে মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি।
▶
وَهَلْ
wahal
আর কি
▶
أَتَىٰكَ
atāka
তোমার কাছে এসেছে
▶
حَدِيثُ
ḥadīthu
বৃত্তান্ত
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মূসার
আয়াত 10 - সূরা طه: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ رَءَا نَارًۭا فَقَالَ لِأَهْلِهِ ٱمْكُثُوٓا۟ إِنِّىٓ ءَانَسْتُ نَارًۭا لَّعَلِّىٓ ءَاتِيكُم مِّنْهَا بِقَبَسٍ أَوْ أَجِدُ عَلَى ٱلنَّارِ هُدًۭى
তিনি যখন আগুন দেখলেন, তখন পরিবারবর্গকে বললেনঃ তোমরা এখানে অবস্থান কর আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবতঃ আমি তা থেকে তোমাদের কাছে কিছু আগুন জালিয়ে আনতে পারব অথবা আগুনে পৌছে পথের সন্ধান পাব।
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
رَءَا
raā
সে দেখেছিলো
▶
نَارًۭا
nāran
আগুন
▶
فَقَالَ
faqāla
তখন বলেছিলো
▶
لِأَهْلِهِ
li-ahlihi
তার পরিবারবর্গকে
▶
ٱمْكُثُوٓا۟
um'kuthū
"তোমরা থাকো ( অপেক্ষা করো )
▶
إِنِّىٓ
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
ءَانَسْتُ
ānastu
দেখেছি
▶
نَارًۭا
nāran
আগুন
▶
لَّعَلِّىٓ
laʿallī
সম্ভবতঃ আমি
▶
ءَاتِيكُم
ātīkum
তোমাদের কাছে আমি আসবো
▶
مِّنْهَا
min'hā
তা থেকে
▶
بِقَبَسٍ
biqabasin
( কিছু ) অঙ্গার নিয়ে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
أَجِدُ
ajidu
আমি পাবো
▶
عَلَى
ʿalā
কাছে
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
▶
هُدًۭى
hudan
পথের"
আয়াত 11 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَمَّآ أَتَىٰهَا نُودِىَ يَـٰمُوسَىٰٓ
অতঃপর যখন তিনি আগুনের কাছে পৌছলেন, তখন আওয়াজ আসল হে মূসা,
▶
فَلَمَّآ
falammā
অতঃপর যখন
▶
أَتَىٰهَا
atāhā
তার কাছে আসলো
▶
نُودِىَ
nūdiya
তাকে ডাকা হলো
▶
يَـٰمُوسَىٰٓ
yāmūsā
"( বলা হলো ) হে মূসা
আয়াত 12 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنِّىٓ أَنَا۠ رَبُّكَ فَٱخْلَعْ نَعْلَيْكَ ۖ إِنَّكَ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًۭى
আমিই তোমার পালনকর্তা, অতএব তুমি জুতা খুলে ফেল, তুমি পবিত্র উপত্যকা তুয়ায় রয়েছ।
▶
إِنِّىٓ
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
أَنَا۠
anā
আমিই
▶
رَبُّكَ
rabbuka
তোমার রব
▶
فَٱخْلَعْ
fa-ikh'laʿ
অতএব খুলে ফেলো তুমি
▶
نَعْلَيْكَ ۖ
naʿlayka
তোমার জুতা জোড়া
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
بِٱلْوَادِ
bil-wādi
উপত্যকার মধ্যে
▶
ٱلْمُقَدَّسِ
l-muqadasi
পবিত্র
▶
طُوًۭى
ṭuwan
( যার নাম ) তুওয়া
আয়াত 13 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَنَا ٱخْتَرْتُكَ فَٱسْتَمِعْ لِمَا يُوحَىٰٓ
এবং আমি তোমাকে মনোনীত করেছি, অতএব যা প্রত্যাদেশ করা হচ্ছে, তা শুনতে থাক।
▶
وَأَنَا
wa-anā
এবং আমি
▶
ٱخْتَرْتُكَ
ikh'tartuka
তোমাকে বেছে নিয়েছি
▶
فَٱسْتَمِعْ
fa-is'tamiʿ
সুতরাং তুমি মনোযোগসহ শুনো
▶
لِمَا
limā
তাই যা কিছু
▶
يُوحَىٰٓ
yūḥā
ওহী করা হয়
আয়াত 14 - সূরা طه: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّنِىٓ أَنَا ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعْبُدْنِى وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ لِذِكْرِىٓ
আমিই আল্লাহ আমি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। অতএব আমার এবাদত কর এবং আমার স্মরণার্থে নামায কায়েম কর।
▶
إِنَّنِىٓ
innanī
আমি নিশ্চয়ই
▶
أَنَا
anā
আমিই
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোন ইলাহ
▶
إِلَّآ
illā
ছাড়া
▶
أَنَا۠
anā
আমি
▶
فَٱعْبُدْنِى
fa-uʿ'bud'nī
সুতরাং আমারই ইবাদত করো
▶
وَأَقِمِ
wa-aqimi
এবং প্রতিষ্ঠিত করো
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সালাত
▶
لِذِكْرِىٓ
lidhik'rī
আমার স্মরণের জন্যে
আয়াত 15 - সূরা طه: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلسَّاعَةَ ءَاتِيَةٌ أَكَادُ أُخْفِيهَا لِتُجْزَىٰ كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا تَسْعَىٰ
কেয়ামত অবশ্যই আসবে, আমি তা গোপন রাখতে চাই; যাতে প্রত্যেকেই তার কর্মানুযায়ী ফল লাভ করে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلسَّاعَةَ
l-sāʿata
ক্বিয়ামাত
▶
ءَاتِيَةٌ
ātiyatun
আসবেই
▶
أَكَادُ
akādu
রাখতে চাই আমি
▶
أُخْفِيهَا
ukh'fīhā
তা গোপন
▶
لِتُجْزَىٰ
lituj'zā
যেন প্রতিফল পায়
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۭ
nafsin
ব্যক্তি
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ের যা
▶
تَسْعَىٰ
tasʿā
সে চেষ্টা সাধনা করে
আয়াত 16 - সূরা طه: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَا يَصُدَّنَّكَ عَنْهَا مَن لَّا يُؤْمِنُ بِهَا وَٱتَّبَعَ هَوَىٰهُ فَتَرْدَىٰ
সুতরাং যে ব্যক্তি কেয়ামতে বিশ্বাস রাখে না এবং নিজ খাহেশের অনুসরণ করে, সে যেন তোমাকে তা থেকে নিবৃত্ত না করে। নিবৃত্ত হলে তুমি ধবংস হয়ে যাবে।
▶
فَلَا
falā
সুতরাং না
▶
يَصُدَّنَّكَ
yaṣuddannaka
তোমাকে নিবৃত্ত করে ( যেন )
▶
عَنْهَا
ʿanhā
তা থেকে
▶
مَن
man
সেই ব্যক্তি (যে )
▶
لَّا
lā
না
▶
يُؤْمِنُ
yu'minu
ঈমান আনে
▶
بِهَا
bihā
তার উপর
▶
وَٱتَّبَعَ
wa-ittabaʿa
এবং অনুসরণ করেছে
▶
هَوَىٰهُ
hawāhu
তার প্রবৃত্তির
▶
فَتَرْدَىٰ
fatardā
তাহ'লে তুমি ধ্বংস হবে
আয়াত 17 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا تِلْكَ بِيَمِينِكَ يَـٰمُوسَىٰ
হে মূসা, তোমার ডানহাতে ওটা কি?
▶
وَمَا
wamā
এবং ( আল্লাহ বললেন ) কি
▶
تِلْكَ
til'ka
ওটা
▶
بِيَمِينِكَ
biyamīnika
তোমার ডান হাতের মধ্যে
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
হে মূসা"
আয়াত 18 - সূরা طه: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ هِىَ عَصَاىَ أَتَوَكَّؤُا۟ عَلَيْهَا وَأَهُشُّ بِهَا عَلَىٰ غَنَمِى وَلِىَ فِيهَا مَـَٔارِبُ أُخْرَىٰ
তিনি বললেনঃ এটা আমার লাঠি, আমি এর উপর ভর দেই এবং এর দ্বারা আমার ছাগপালের জন্যে বৃক্ষপত্র ঝেড়ে ফেলি এবং এতে আমার অন্যান্য কাজ ও চলে।
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
هِىَ
hiya
"তা
▶
عَصَاىَ
ʿaṣāya
আমার লাঠি
▶
أَتَوَكَّؤُا۟
atawakka-u
ভর দিই আমি
▶
عَلَيْهَا
ʿalayhā
তার উপর
▶
وَأَهُشُّ
wa-ahushu
এবং পাতা পাড়ি আমি
▶
بِهَا
bihā
তা দিয়ে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
غَنَمِى
ghanamī
আমার ছাগল ( পালের )
▶
وَلِىَ
waliya
এবং আমার আছে
▶
فِيهَا
fīhā
তা দ্বারা
▶
مَـَٔارِبُ
maāribu
প্রয়োজনসমূহ
▶
أُخْرَىٰ
ukh'rā
আরও ( কিছু )"
আয়াত 19 - সূরা طه: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ أَلْقِهَا يَـٰمُوسَىٰ
আল্লাহ বললেনঃ হে মূসা, তুমি ওটা নিক্ষেপ কর।
▶
قَالَ
qāla
( আল্লাহ ) বললেন
▶
أَلْقِهَا
alqihā
"তা নিক্ষেপ করো
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
হে মূসা"
আয়াত 20 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَلْقَىٰهَا فَإِذَا هِىَ حَيَّةٌۭ تَسْعَىٰ
অতঃপর তিনি তা নিক্ষেপ করলেন, অমনি তা সাপ হয়ে ছুটাছুটি করতে লাগল।
▶
فَأَلْقَىٰهَا
fa-alqāhā
অতঃপর তা সে নিক্ষেপ করলো
▶
فَإِذَا
fa-idhā
সঙ্গে সঙ্গে
▶
هِىَ
hiya
তা ( হলো )
▶
حَيَّةٌۭ
ḥayyatun
সাপ
▶
تَسْعَىٰ
tasʿā
( যা ) ছুটোছুটি করতে লাগলো
আয়াত 21 - সূরা طه: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ خُذْهَا وَلَا تَخَفْ ۖ سَنُعِيدُهَا سِيرَتَهَا ٱلْأُولَىٰ
আল্লাহ বললেনঃ তুমি তাকে ধর এবং ভয় করো না, আমি এখনি একে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেব।
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
خُذْهَا
khudh'hā
"তা ধরো
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَخَفْ ۖ
takhaf
ভয় করো তুমি
▶
سَنُعِيدُهَا
sanuʿīduhā
অচিরেই তা ফিরিয়ে দিবো আমরা
▶
سِيرَتَهَا
sīratahā
তার অবস্থায়
▶
ٱلْأُولَىٰ
l-ūlā
পূর্বের
আয়াত 22 - সূরা طه: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱضْمُمْ يَدَكَ إِلَىٰ جَنَاحِكَ تَخْرُجْ بَيْضَآءَ مِنْ غَيْرِ سُوٓءٍ ءَايَةً أُخْرَىٰ
তোমার হাত বগলে রাখ, তা বের হয়ে আসবে নির্মল উজ্জ্বল হয়ে অন্য এক নিদর্শন রূপে; কোন দোষ ছাড়াই।
▶
وَٱضْمُمْ
wa-uḍ'mum
এবং চেপে ধরো
▶
يَدَكَ
yadaka
তোমার হাত
▶
إِلَىٰ
ilā
মধ্যে
▶
جَنَاحِكَ
janāḥika
তোমার বগলের
▶
تَخْرُجْ
takhruj
বের হবে তা
▶
بَيْضَآءَ
bayḍāa
উজ্জ্বল
▶
مِنْ
min
কোন
▶
غَيْرِ
ghayri
ছাড়াই
▶
سُوٓءٍ
sūin
দোষ
▶
ءَايَةً
āyatan
নিদর্শন
▶
أُخْرَىٰ
ukh'rā
অপর ( একটি )
আয়াত 23 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِنُرِيَكَ مِنْ ءَايَـٰتِنَا ٱلْكُبْرَى
এটা এজন্যে যে, আমি আমার বিরাট নিদর্শনাবলীর কিছু তোমাকে দেখাই।
▶
لِنُرِيَكَ
linuriyaka
তোমাকে যেন আমরা দেখাই
▶
مِنْ
min
মধ্য হ'তে
▶
ءَايَـٰتِنَا
āyātinā
আমাদের নিদর্শনাবলীর
▶
ٱلْكُبْرَى
l-kub'rā
বড় বড় ( কয়েকটি )
আয়াত 24 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
ফেরাউনের নিকট যাও, সে দারুণ উদ্ধত হয়ে গেছে।
▶
ٱذْهَبْ
idh'hab
তুমি যাও
▶
إِلَىٰ
ilā
কাছে
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
إِنَّهُۥ
innahu
সে নিশ্চয়ই
▶
طَغَىٰ
ṭaghā
সীমালঙ্ঘন করেছে"
আয়াত 25 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى
মূসা বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন।
▶
قَالَ
qāla
( মূসা ) বললো
▶
رَبِّ
rabbi
"হে আমার রব
▶
ٱشْرَحْ
ish'raḥ
প্রশস্ত করো
▶
لِى
lī
আমার জন্যে
▶
صَدْرِى
ṣadrī
আমার বক্ষ
আয়াত 26 - সূরা طه: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى
এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।
▶
وَيَسِّرْ
wayassir
এবং সহজ করো
▶
لِىٓ
lī
আমার জন্যে
▶
أَمْرِى
amrī
আমার কাজ
আয়াত 27 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى
এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন।
▶
وَٱحْلُلْ
wa-uḥ'lul
এবং খুলে দাও
▶
عُقْدَةًۭ
ʿuq'datan
গিরা (জড়তা)
▶
مِّن
min
থেকে
▶
لِّسَانِى
lisānī
আমার জিহবার
আয়াত 28 - সূরা طه: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَفْقَهُوا۟ قَوْلِى
যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।
▶
يَفْقَهُوا۟
yafqahū
তারা বুঝে ( যেন )
▶
قَوْلِى
qawlī
আমার কথা
আয়াত 29 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱجْعَل لِّى وَزِيرًۭا مِّنْ أَهْلِى
এবং আমার পরিবারবর্গের মধ্য থেকে আমার একজন সাহায্যকারী করে দিন।
▶
وَٱجْعَل
wa-ij'ʿal
এবং বানিয়ে দাও
▶
لِّى
lī
আমার জন্যে
▶
وَزِيرًۭا
wazīran
একজন সাহায্যকারী
▶
مِّنْ
min
মধ্য হ'তে
▶
أَهْلِى
ahlī
আমার পরিবারের
আয়াত 30 - সূরা طه: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هَـٰرُونَ أَخِى
আমার ভাই হারুনকে।
▶
هَـٰرُونَ
hārūna
হারুনকে
▶
أَخِى
akhī
( যে ) আমার ভাই
আয়াত 31 - সূরা طه: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱشْدُدْ بِهِۦٓ أَزْرِى
তার মাধ্যমে আমার কোমর মজবুত করুন।
▶
ٱشْدُدْ
ush'dud
সুদৃঢ় করো
▶
بِهِۦٓ
bihi
তাকে দিয়ে
▶
أَزْرِى
azrī
আমার শক্তি
আয়াত 32 - সূরা طه: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَشْرِكْهُ فِىٓ أَمْرِى
এবং তাকে আমার কাজে অংশীদার করুন।
▶
وَأَشْرِكْهُ
wa-ashrik'hu
এবং তাকে শরীক করো
▶
فِىٓ
fī
ক্ষেত্রে
▶
أَمْرِى
amrī
আমার কাজের
আয়াত 33 - সূরা طه: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَىْ نُسَبِّحَكَ كَثِيرًۭا
যাতে আমরা বেশী করে আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করতে পারি।
▶
كَىْ
kay
যেন
▶
نُسَبِّحَكَ
nusabbiḥaka
তোমার মহিমা ঘোষণা করতে পারি আমরা
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
অধিক (পরিমাণে)
আয়াত 34 - সূরা طه: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَنَذْكُرَكَ كَثِيرًا
এবং বেশী পরিমাণে আপনাকে স্মরণ করতে পারি।
▶
وَنَذْكُرَكَ
wanadhkuraka
এবং তোমাকে (যেন) স্মরণ করতে পারি আমরা
▶
كَثِيرًا
kathīran
অধিক
আয়াত 35 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّكَ كُنتَ بِنَا بَصِيرًۭا
আপনি তো আমাদের অবস্থা সবই দেখছেন।
▶
إِنَّكَ
innaka
নিশ্চয়ই তুমি
▶
كُنتَ
kunta
আছো
▶
بِنَا
binā
আমাদের উপর
▶
بَصِيرًۭا
baṣīran
দৃষ্টিবান"
আয়াত 36 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ قَدْ أُوتِيتَ سُؤْلَكَ يَـٰمُوسَىٰ
আল্লাহ বললেনঃ হে মূসা, তুমি যা চেয়েছ তা তোমাকে দেয়া হল।
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
قَدْ
qad
"নিশ্চয়ই
▶
أُوتِيتَ
ūtīta
তোমাকে দেয়া হলো
▶
سُؤْلَكَ
su'laka
তোমার চাওয়া
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
হে মূসা
আয়াত 37 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَيْكَ مَرَّةً أُخْرَىٰٓ
আমি তোমার প্রতি আরও একবার অনুগ্রহ করেছিলাম।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
مَنَنَّا
manannā
আমরা অনুগ্রহ করেছিলাম
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
مَرَّةً
marratan
একবার
▶
أُخْرَىٰٓ
ukh'rā
আরও
আয়াত 38 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰٓ أُمِّكَ مَا يُوحَىٰٓ
যখন আমি তোমার মাতাকে নির্দেশ দিয়েছিলাম যা অতঃপর বর্ণিত হচ্ছে।
▶
إِذْ
idh
(স্মরণ করো) যখন
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
আমরা ইঙ্গিত করেছিলাম
▶
إِلَىٰٓ
ilā
প্রতি
▶
أُمِّكَ
ummika
তোমার মার
▶
مَا
mā
(এভাবে) যা
▶
يُوحَىٰٓ
yūḥā
ওহী করা হয়।
আয়াত 39 - সূরা طه: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَنِ ٱقْذِفِيهِ فِى ٱلتَّابُوتِ فَٱقْذِفِيهِ فِى ٱلْيَمِّ فَلْيُلْقِهِ ٱلْيَمُّ بِٱلسَّاحِلِ يَأْخُذْهُ عَدُوٌّۭ لِّى وَعَدُوٌّۭ لَّهُۥ ۚ وَأَلْقَيْتُ عَلَيْكَ مَحَبَّةًۭ مِّنِّى وَلِتُصْنَعَ عَلَىٰ عَيْنِىٓ
যে, তুমি (মূসাকে) সিন্দুকে রাখ, অতঃপর তা দরিয়ায় ভাসিয়ে দাও, অতঃপর দরিয়া তাকে তীরে ঠেলে দেবে। তাকে আমার শক্র ও তার শক্র উঠিয়ে নেবে। আমি তোমার প্রতি মহব্বত সঞ্চারিত করেছিলাম আমার নিজের পক্ষ থেকে, যাতে তুমি আমার দৃষ্টির সামনে প্রতি পালিত হও।
▶
أَنِ
ani
"যে
▶
ٱقْذِفِيهِ
iq'dhifīhi
তাকে নিক্ষেপ করো (অর্থাৎ রেখে দাও)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلتَّابُوتِ
l-tābūti
সিন্দুকের
▶
فَٱقْذِفِيهِ
fa-iq'dhifīhi
অতঃপর তা নিক্ষেপ করো (অর্থাৎ ভাসিয়ে দাও)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْيَمِّ
l-yami
নদীর
▶
فَلْيُلْقِهِ
falyul'qihi
অতঃপর তা ঠেলে দিবে
▶
ٱلْيَمُّ
l-yamu
নদী
▶
بِٱلسَّاحِلِ
bil-sāḥili
তীরের দিকে
▶
يَأْخُذْهُ
yakhudh'hu
তা তুলে নিবে
▶
عَدُوٌّۭ
ʿaduwwun
শত্রু
▶
لِّى
lī
আমার
▶
وَعَدُوٌّۭ
waʿaduwwun
ও শত্রু
▶
لَّهُۥ ۚ
lahu
তার"
▶
وَأَلْقَيْتُ
wa-alqaytu
এবং আমি ঢেলে দিয়েছিলাম
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
مَحَبَّةًۭ
maḥabbatan
ভালবাসা
▶
مِّنِّى
minnī
আমার পক্ষ হ'তে
▶
وَلِتُصْنَعَ
walituṣ'naʿa
এবং তুমি লালিতপালিত হও যেন
▶
عَلَىٰ
ʿalā
সামনে
▶
عَيْنِىٓ
ʿaynī
আমার চোখের
আয়াত 40 - সূরা طه: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ تَمْشِىٓ أُخْتُكَ فَتَقُولُ هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَىٰ مَن يَكْفُلُهُۥ ۖ فَرَجَعْنَـٰكَ إِلَىٰٓ أُمِّكَ كَىْ تَقَرَّ عَيْنُهَا وَلَا تَحْزَنَ ۚ وَقَتَلْتَ نَفْسًۭا فَنَجَّيْنَـٰكَ مِنَ ٱلْغَمِّ وَفَتَنَّـٰكَ فُتُونًۭا ۚ فَلَبِثْتَ سِنِينَ فِىٓ أَهْلِ مَدْيَنَ ثُمَّ جِئْتَ عَلَىٰ قَدَرٍۢ يَـٰمُوسَىٰ
যখন তোমার ভগিনী এসে বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলে দেব কে তাকে লালন পালন করবে। অতঃপর আমি তোমাকে তোমার মাতার কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যাতে তার চক্ষু শীতল হয় এবং দুঃখ না পায়। তুমি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলে, অতঃপর আমি তোমাকে এই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেই; আমি তোমাকে অনেক পরীক্ষা করেছি। অতঃপর তুমি কয়েক বছর মাদইয়ান বাসীদের মধ্যে অবস্থান করেছিলে; হে মূসা, অতঃপর তুমি নির্ধারিত সময়ে এসেছ।
▶
إِذْ
idh
(স্মরণ করো) যখন
▶
تَمْشِىٓ
tamshī
চলেছিলো
▶
أُخْتُكَ
ukh'tuka
তোমার বোন
▶
فَتَقُولُ
fataqūlu
অতঃপর বলেছিলো
▶
هَلْ
hal
"কি
▶
أَدُلُّكُمْ
adullukum
তোমাদের খোঁজ দিবো
▶
عَلَىٰ
ʿalā
এ বিষয়ে (যে)
▶
مَن
man
কে
▶
يَكْفُلُهُۥ ۖ
yakfuluhu
তাকে লালন-পালন করতে পারে"
▶
فَرَجَعْنَـٰكَ
farajaʿnāka
তখন তোমাকে আমরা ফিরিয়ে দিলাম
▶
إِلَىٰٓ
ilā
কাছে
▶
أُمِّكَ
ummika
তোমার মায়ের
▶
كَىْ
kay
যেন
▶
تَقَرَّ
taqarra
জুড়ায়
▶
عَيْنُهَا
ʿaynuhā
তার চোখ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَحْزَنَ ۚ
taḥzana
দুঃখ পায়
▶
وَقَتَلْتَ
waqatalta
এবং (স্মরণ করো) তুমি হত্যা করেছিলে
▶
نَفْسًۭا
nafsan
এক ব্যক্তিকে
▶
فَنَجَّيْنَـٰكَ
fanajjaynāka
অতঃপর তোমাকে আমরা মুক্তি দিয়েছিলাম
▶
مِنَ
mina
হ'তে
▶
ٱلْغَمِّ
l-ghami
মানসিক কষ্ট
▶
وَفَتَنَّـٰكَ
wafatannāka
এবং তোমাকে আমরা পরীক্ষা করেছি
▶
فُتُونًۭا ۚ
futūnan
(কঠিন) পরীক্ষা
▶
فَلَبِثْتَ
falabith'ta
অতঃপর তুমি অবস্থান করেছিলে
▶
سِنِينَ
sinīna
(কয়েক) বছর
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَهْلِ
ahli
অধিবাসীদের
▶
مَدْيَنَ
madyana
মা'দয়ানের
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
جِئْتَ
ji'ta
তুমি এসেছো
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
قَدَرٍۢ
qadarin
নির্ধারিত সময়ের
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
হে মূসা
আয়াত 41 - সূরা طه: 2 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱصْطَنَعْتُكَ لِنَفْسِى
এবং আমি তোমাকে আমার নিজের জন্য তৈরী করে নিয়েছি।
▶
وَٱصْطَنَعْتُكَ
wa-iṣ'ṭanaʿtuka
এবং তোমাকে আমি প্রস্তুত করেছি
▶
لِنَفْسِى
linafsī
আমার নিজের (কাজের) জন্যে
আয়াত 42 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱذْهَبْ أَنتَ وَأَخُوكَ بِـَٔايَـٰتِى وَلَا تَنِيَا فِى ذِكْرِى
তুমি ও তোমার ভাই আমার নিদর্শনাবলীসহ যাও এবং আমার স্মরণে শৈথিল্য করো না।
▶
ٱذْهَبْ
idh'hab
যাও
▶
أَنتَ
anta
তুমি
▶
وَأَخُوكَ
wa-akhūka
ও তোমার ভাই
▶
بِـَٔايَـٰتِى
biāyātī
নিয়ে আমার নির্দেশনাবলী
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَنِيَا
taniyā
তোমরা দু'জনে আসল্য করো
▶
فِى
fī
ক্ষেত্রে
▶
ذِكْرِى
dhik'rī
আমার স্মরণের
আয়াত 43 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱذْهَبَآ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
তোমরা উভয়ে ফেরআউনের কাছে যাও সে খুব উদ্ধত হয়ে গেছে।
▶
ٱذْهَبَآ
idh'habā
দু'জনে যাও
▶
إِلَىٰ
ilā
নিকট
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
إِنَّهُۥ
innahu
সে নিশ্চয়ই
▶
طَغَىٰ
ṭaghā
সীমালঙ্ঘন করেছে
আয়াত 44 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَقُولَا لَهُۥ قَوْلًۭا لَّيِّنًۭا لَّعَلَّهُۥ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَىٰ
অতঃপর তোমরা তাকে নম্র কথা বল, হয়তো সে চিন্তা-ভাবনা করবে অথবা ভীত হবে।
▶
فَقُولَا
faqūlā
অতঃপর দু'জনে বলবে
▶
لَهُۥ
lahu
তার সাথে
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথা
▶
لَّيِّنًۭا
layyinan
নম্রভাবে
▶
لَّعَلَّهُۥ
laʿallahu
সে সম্ভবতঃ
▶
يَتَذَكَّرُ
yatadhakkaru
উপদেশ গ্রহণ করবে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يَخْشَىٰ
yakhshā
ভয় করবে"
আয়াত 45 - সূরা طه: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَا رَبَّنَآ إِنَّنَا نَخَافُ أَن يَفْرُطَ عَلَيْنَآ أَوْ أَن يَطْغَىٰ
তারা বললঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা আশঙ্কা করি যে, সে আমাদের প্রতি জুলুম করবে কিংবা উত্তেজিত হয়ে উঠবে।
▶
قَالَا
qālā
তারা (দু'জনে) বললো
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
"হে আমাদের রব
▶
إِنَّنَا
innanā
নিশ্চয়ই আমরা
▶
نَخَافُ
nakhāfu
আশংকা করি আমরা
▶
أَن
an
যে
▶
يَفْرُطَ
yafruṭa
ফিরআউন দুর্ব্যবহার করবে
▶
عَلَيْنَآ
ʿalaynā
আমাদের সাথে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
أَن
an
যে
▶
يَطْغَىٰ
yaṭghā
সে সীমালংঘন করবে"
আয়াত 46 - সূরা طه: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ لَا تَخَافَآ ۖ إِنَّنِى مَعَكُمَآ أَسْمَعُ وَأَرَىٰ
আল্লাহ বললেনঃ তোমরা ভয় করো না, আমি তোমাদের সাথে আছি, আমি শুনি ও দেখি।
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
لَا
lā
"না
▶
تَخَافَآ ۖ
takhāfā
তোমরা দু'জনে ভয় করো
▶
إِنَّنِى
innanī
আমি নিশ্চয়ই
▶
مَعَكُمَآ
maʿakumā
তোমাদের দু'জনের সাথে (আছি)
▶
أَسْمَعُ
asmaʿu
আমি শুনি (সবকিছু)
▶
وَأَرَىٰ
wa-arā
ও আমি দেখি (সবকিছু)
আয়াত 47 - সূরা طه: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأْتِيَاهُ فَقُولَآ إِنَّا رَسُولَا رَبِّكَ فَأَرْسِلْ مَعَنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَلَا تُعَذِّبْهُمْ ۖ قَدْ جِئْنَـٰكَ بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّكَ ۖ وَٱلسَّلَـٰمُ عَلَىٰ مَنِ ٱتَّبَعَ ٱلْهُدَىٰٓ
অতএব তোমরা তার কাছে যাও এবং বলঃ আমরা উভয়েই তোমার পালনকর্তার প্রেরিত রসূল, অতএব আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলকে যেতে দাও এবং তাদেরকে নিপীড়ন করো না। আমরা তোমার পালনকর্তার কাছ থেকে নিদর্শন নিয়ে তোমার কাছে আগমন করেছি। এবং যে সৎপথ অনুসরণ করে, তার প্রতি শান্তি।
▶
فَأْتِيَاهُ
fatiyāhu
সুতরাং তার কাছে দু'জনে যাও
▶
فَقُولَآ
faqūlā
অতঃপর দু'জনে বলো
▶
إِنَّا
innā
"নিশ্চয়ই আমরা
▶
رَسُولَا
rasūlā
দুই রাসূল
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
فَأَرْسِلْ
fa-arsil
সুতরাং পাঠাও
▶
مَعَنَا
maʿanā
আমাদের সাথে
▶
بَنِىٓ
banī
বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলকে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُعَذِّبْهُمْ ۖ
tuʿadhib'hum
তাদেরকে শাস্তি দিও
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
جِئْنَـٰكَ
ji'nāka
তোমার কাছে আমরা এসেছি
▶
بِـَٔايَةٍۢ
biāyatin
নিয়ে নিদর্শন
▶
مِّن
min
পক্ষ হ'তে
▶
رَّبِّكَ ۖ
rabbika
তোমার রবের
▶
وَٱلسَّلَـٰمُ
wal-salāmu
এবং শান্তি
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَنِ
mani
(তার) যে
▶
ٱتَّبَعَ
ittabaʿa
অনুসরণ করে
▶
ٱلْهُدَىٰٓ
l-hudā
সঠিক পথের
আয়াত 48 - সূরা طه: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّا قَدْ أُوحِىَ إِلَيْنَآ أَنَّ ٱلْعَذَابَ عَلَىٰ مَن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ
আমরা ওহী লাভ করেছি যে, যে ব্যক্তি মিথ্যারোপ করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার উপর আযাব পড়বে।
▶
إِنَّا
innā
আমরা নিশ্চয়ই (এমন যে)
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
أُوحِىَ
ūḥiya
ওহী করা হয়েছে
▶
إِلَيْنَآ
ilaynā
প্রতি আমাদের
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱلْعَذَابَ
l-ʿadhāba
শাস্তি
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَن
man
(তার) যে
▶
كَذَّبَ
kadhaba
মিথ্যারোপ করবে
▶
وَتَوَلَّىٰ
watawallā
ও মুখ ফিরাবে (অমান্য করবে)"
আয়াত 49 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ فَمَن رَّبُّكُمَا يَـٰمُوسَىٰ
সে বললঃ তবে হে মূসা, তোমাদের পালনকর্তা কে?
▶
قَالَ
qāla
(ফিরআউন) বললো
▶
فَمَن
faman
"তাহ'লে কে
▶
رَّبُّكُمَا
rabbukumā
তোমাদের দু'জনের রব
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
হে মূসা"
আয়াত 50 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ رَبُّنَا ٱلَّذِىٓ أَعْطَىٰ كُلَّ شَىْءٍ خَلْقَهُۥ ثُمَّ هَدَىٰ
মূসা বললেনঃ আমাদের পালনকর্তা তিনি, যিনি প্রত্যেক বস্তুকে তার যোগ্য আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন।
▶
قَالَ
qāla
মূসা বললো
▶
رَبُّنَا
rabbunā
"আমাদের রব
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
(তিনি) যিনি
▶
أَعْطَىٰ
aʿṭā
দিয়েছেন
▶
كُلَّ
kulla
প্রত্যেক
▶
شَىْءٍ
shayin
বস্তুকে
▶
خَلْقَهُۥ
khalqahu
তার সৃষ্টি কাঠামো
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
هَدَىٰ
hadā
পথ দেখিয়েছেন"
আয়াত 51 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ فَمَا بَالُ ٱلْقُرُونِ ٱلْأُولَىٰ
ফেরাউন বললঃ তাহলে অতীত যুগের লোকদের অবস্থা কি?
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
فَمَا
famā
"তাহ'লে কি (হবে)
▶
بَالُ
bālu
অবস্থা
▶
ٱلْقُرُونِ
l-qurūni
শত শত বছরের বংশধরদের
▶
ٱلْأُولَىٰ
l-ūlā
পূর্বের"
আয়াত 52 - সূরা طه: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ عِلْمُهَا عِندَ رَبِّى فِى كِتَـٰبٍۢ ۖ لَّا يَضِلُّ رَبِّى وَلَا يَنسَى
মূসা বললেনঃ তাদের খবর আমার পালনকর্তার কাছে লিখিত আছে। আমার পালনকর্তা ভ্রান্ত হন না এং বিস্মৃতও হন না।
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
عِلْمُهَا
ʿil'muhā
"তার জ্ঞান
▶
عِندَ
ʿinda
নিকট (আছে)
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রবের
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
كِتَـٰبٍۢ ۖ
kitābin
একটি কিতাবের (সংরক্ষিত)
▶
لَّا
lā
না
▶
يَضِلُّ
yaḍillu
ভুল করেন
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রব
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
يَنسَى
yansā
ভুলে যান"
আয়াত 53 - সূরা طه: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ مَهْدًۭا وَسَلَكَ لَكُمْ فِيهَا سُبُلًۭا وَأَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ فَأَخْرَجْنَا بِهِۦٓ أَزْوَٰجًۭا مِّن نَّبَاتٍۢ شَتَّىٰ
তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে শয্যা করেছেন এবং তাতে চলার পথ করেছেন, আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন এবং তা দ্বারা আমি বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি।
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
جَعَلَ
jaʿala
করেছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
জন্যে তোমাদের
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
পৃথিবীকে
▶
مَهْدًۭا
mahdan
বিছানা
▶
وَسَلَكَ
wasalaka
ও চালিয়ে দিয়েছেন
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
سُبُلًۭا
subulan
পথসমূহ
▶
وَأَنزَلَ
wa-anzala
এবং বর্ষণ করেছেন
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
مَآءًۭ
māan
পানি
▶
فَأَخْرَجْنَا
fa-akhrajnā
(আল্লাহ বলেন) অতঃপর আমরা বের করেছি
▶
بِهِۦٓ
bihi
তা দিয়ে
▶
أَزْوَٰجًۭا
azwājan
জোড়া জোড়া
▶
مِّن
min
থেকে
▶
نَّبَاتٍۢ
nabātin
উদ্ভিদ
▶
شَتَّىٰ
shattā
বিভিন্ন
আয়াত 54 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كُلُوا۟ وَٱرْعَوْا۟ أَنْعَـٰمَكُمْ ۗ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّأُو۟لِى ٱلنُّهَىٰ
তোমরা আহার কর এবং তোমাদের চতুস্পদ জন্তু চরাও। নিশ্চয় এতে বিবেক বানদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।
▶
كُلُوا۟
kulū
তোমরা খাও
▶
وَٱرْعَوْا۟
wa-ir'ʿaw
ও তোমরা চড়াও
▶
أَنْعَـٰمَكُمْ ۗ
anʿāmakum
তোমাদের গবাদি পশুগুলোকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে (রয়েছে)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَـَٔايَـٰتٍۢ
laāyātin
অবশ্যই নিদর্শনাবলী
▶
لِّأُو۟لِى
li-ulī
সম্পন্নদেরদের জন্যে
▶
ٱلنُّهَىٰ
l-nuhā
বিবেক
আয়াত 55 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ مِنْهَا خَلَقْنَـٰكُمْ وَفِيهَا نُعِيدُكُمْ وَمِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً أُخْرَىٰ
এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিব এবং পুনরায় এ থেকেই আমি তোমাদেরকে উত্থিত করব।
▶
۞ مِنْهَا
min'hā
তা (অর্থাৎ মাটি) হ'তে
▶
خَلَقْنَـٰكُمْ
khalaqnākum
তোমাদের আমরা সৃষ্টি করেছি
▶
وَفِيهَا
wafīhā
ও তার মধ্যে
▶
نُعِيدُكُمْ
nuʿīdukum
তোমাদের ফিরিয়ে আনবো আমরা
▶
وَمِنْهَا
wamin'hā
এবং তার মধ্য হ'তে
▶
نُخْرِجُكُمْ
nukh'rijukum
তোমাদের বের করবো আমরা
▶
تَارَةً
tāratan
একবার
▶
أُخْرَىٰ
ukh'rā
আরও
আয়াত 56 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ أَرَيْنَـٰهُ ءَايَـٰتِنَا كُلَّهَا فَكَذَّبَ وَأَبَىٰ
আমি ফেরাউনকে আমার সব নিদর্শন দেখিয়ে দিয়েছি, অতঃপর সে মিথ্যা আরোপ করেছে এবং অমান্য করেছে।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
أَرَيْنَـٰهُ
araynāhu
(ফিরআউনকে) তাকে আমরা দেখিয়েছি
▶
ءَايَـٰتِنَا
āyātinā
আমাদের নিদর্শনাবলী
▶
كُلَّهَا
kullahā
তা সবই
▶
فَكَذَّبَ
fakadhaba
কিন্তু সে মিথ্যারোপ করেছে
▶
وَأَبَىٰ
wa-abā
ও অমান্য করেছে
আয়াত 57 - সূরা طه: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ أَجِئْتَنَا لِتُخْرِجَنَا مِنْ أَرْضِنَا بِسِحْرِكَ يَـٰمُوسَىٰ
সে বললঃ হে মূসা, তুমি কি যাদুর জোরে আমাদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার জন্যে আগমন করেছ?
▶
قَالَ
qāla
(ফিরআউন) বললো
▶
أَجِئْتَنَا
aji'tanā
"আমাদের কাছে তুমি এসেছ কি
▶
لِتُخْرِجَنَا
litukh'rijanā
আমাদের তুমি বের করার জন্যে
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
أَرْضِنَا
arḍinā
আমাদের দেশ
▶
بِسِحْرِكَ
bisiḥ'rika
তোমার জাদুর বলে
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
হে মূসা
আয়াত 58 - সূরা طه: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَنَأْتِيَنَّكَ بِسِحْرٍۢ مِّثْلِهِۦ فَٱجْعَلْ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ مَوْعِدًۭا لَّا نُخْلِفُهُۥ نَحْنُ وَلَآ أَنتَ مَكَانًۭا سُوًۭى
অতএব, আমরাও তোমার মোকাবেলায় তোমার নিকট অনুরূপ যাদু উপস্থিত করব। সুতরাং আমাদের ও তোমার মধ্যে একটি ওয়াদার দিন ঠিক কর, যার খেলাফ আমরাও করব না এবং তুমিও করবে না একটি পরিষ্কার প্রান্তরে।
▶
فَلَنَأْتِيَنَّكَ
falanatiyannaka
সুতরাং আমরা তোমার কাছে অবশ্যই আসবো
▶
بِسِحْرٍۢ
bisiḥ'rin
জাদু নিয়ে
▶
مِّثْلِهِۦ
mith'lihi
তার অনুরূপ
▶
فَٱجْعَلْ
fa-ij'ʿal
অতএব স্থির করো
▶
بَيْنَنَا
baynanā
আমাদের মাঝে
▶
وَبَيْنَكَ
wabaynaka
ও তোমার মাঝে
▶
مَوْعِدًۭا
mawʿidan
নির্দিষ্ট সময়
▶
لَّا
lā
না
▶
نُخْلِفُهُۥ
nukh'lifuhu
তা আমরা ব্যতিক্রম করবো
▶
نَحْنُ
naḥnu
(না) আমরা
▶
وَلَآ
walā
আর না
▶
أَنتَ
anta
তুমি
▶
مَكَانًۭا
makānan
প্রান্তর
▶
سُوًۭى
suwan
সমতল"
আয়াত 59 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ مَوْعِدُكُمْ يَوْمُ ٱلزِّينَةِ وَأَن يُحْشَرَ ٱلنَّاسُ ضُحًۭى
মূসা বললঃ তোমাদের ওয়াদার দিন উৎসবের দিন এবং পূর্বাহেߠলোকজন সমবেত হবে।
▶
قَالَ
qāla
(মূসা) বললো
▶
مَوْعِدُكُمْ
mawʿidukum
"নির্দিষ্ট সময় তোমাদের
▶
يَوْمُ
yawmu
দিন
▶
ٱلزِّينَةِ
l-zīnati
উৎসবের
▶
وَأَن
wa-an
এবং (এও) যে
▶
يُحْشَرَ
yuḥ'shara
জমায়েত হবে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
জনতা
▶
ضُحًۭى
ḍuḥan
সূর্যোদয়ের সাথে"
আয়াত 60 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَتَوَلَّىٰ فِرْعَوْنُ فَجَمَعَ كَيْدَهُۥ ثُمَّ أَتَىٰ
অতঃপর ফেরাউন প্রস্থান করল এবং তার সব কলাকৌশল জমা করল অতঃপর উপস্থিত হল।
▶
فَتَوَلَّىٰ
fatawallā
অতঃপর চলে গেলো
▶
فِرْعَوْنُ
fir'ʿawnu
ফিরআউন
▶
فَجَمَعَ
fajamaʿa
অতঃপর একত্র করলো
▶
كَيْدَهُۥ
kaydahu
তার কলাকৌশল
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
أَتَىٰ
atā
আসলো
আয়াত 61 - সূরা طه: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ لَهُم مُّوسَىٰ وَيْلَكُمْ لَا تَفْتَرُوا۟ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًۭا فَيُسْحِتَكُم بِعَذَابٍۢ ۖ وَقَدْ خَابَ مَنِ ٱفْتَرَىٰ
মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেনঃ দুর্ভাগ্য তোমাদের; তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করো না। তাহলে তিনি তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ধবংস করে দেবেন। যে মিথ্যা উদভাবন করে, সেই বিফল মনোরথ হয়েছে।
▶
قَالَ
qāla
বললো
▶
لَهُم
lahum
তাদেরকে
▶
مُّوسَىٰ
mūsā
মূসা
▶
وَيْلَكُمْ
waylakum
"তোমাদের জন্যে দুর্ভোগ
▶
لَا
lā
না
▶
تَفْتَرُوا۟
taftarū
তোমরা আরোপ করো
▶
عَلَى
ʿalā
প্রতি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
كَذِبًۭا
kadhiban
মিথ্যা
▶
فَيُسْحِتَكُم
fayus'ḥitakum
তাহ'লে তোমাদের ধ্বংস করে দিবেন
▶
بِعَذَابٍۢ ۖ
biʿadhābin
শাস্তি দিয়ে
▶
وَقَدْ
waqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
خَابَ
khāba
ব্যর্থ হয়েছে
▶
مَنِ
mani
(সে) যে
▶
ٱفْتَرَىٰ
if'tarā
মিথ্যা রচনা করেছে"
আয়াত 62 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَتَنَـٰزَعُوٓا۟ أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ وَأَسَرُّوا۟ ٱلنَّجْوَىٰ
অতঃপর তারা তাদের কাজে নিজেদের মধ্যে বিতর্ক করল এবং গোপনে পরামর্শ করল।
▶
فَتَنَـٰزَعُوٓا۟
fatanāzaʿū
অতঃপর তারা মতবিরোধ করলো
▶
أَمْرَهُم
amrahum
কাজে তাদের
▶
بَيْنَهُمْ
baynahum
মাঝে তাদের
▶
وَأَسَرُّوا۟
wa-asarrū
এবং গোপনে করলো
▶
ٱلنَّجْوَىٰ
l-najwā
পরামর্শ
আয়াত 63 - সূরা طه: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوٓا۟ إِنْ هَـٰذَٰنِ لَسَـٰحِرَٰنِ يُرِيدَانِ أَن يُخْرِجَاكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِمَا وَيَذْهَبَا بِطَرِيقَتِكُمُ ٱلْمُثْلَىٰ
তারা বললঃ এই দুইজন নিশ্চিতই যাদুকর, তারা তাদের যাদু দ্বারা তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায় এবং তোমাদের উৎকৃষ্ট জীবন ব্যবস্থা রহিত করতে চায়।
▶
قَالُوٓا۟
qālū
(অবশেষে কিছু লোক) বললো
▶
إِنْ
in
"নিশ্চয়ই
▶
هَـٰذَٰنِ
hādhāni
এ দু'জন
▶
لَسَـٰحِرَٰنِ
lasāḥirāni
অবশ্যই দুই জাদুকর
▶
يُرِيدَانِ
yurīdāni
দু'জনে চায়
▶
أَن
an
যে
▶
يُخْرِجَاكُم
yukh'rijākum
দু'জনে বের করে দিবে তোমাদেরকে
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
أَرْضِكُم
arḍikum
তোমাদের দেশ
▶
بِسِحْرِهِمَا
bisiḥ'rihimā
জাদুর বলে তাদের দু'জনের
▶
وَيَذْهَبَا
wayadhhabā
এবং দু'জনে যাবে (নসাৎ করবে)
▶
بِطَرِيقَتِكُمُ
biṭarīqatikumu
নিয়ে তোমাদের জীবন ব্যবস্থাকে
▶
ٱلْمُثْلَىٰ
l-muth'lā
(যা হলো) আদর্শ
আয়াত 64 - সূরা طه: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَجْمِعُوا۟ كَيْدَكُمْ ثُمَّ ٱئْتُوا۟ صَفًّۭا ۚ وَقَدْ أَفْلَحَ ٱلْيَوْمَ مَنِ ٱسْتَعْلَىٰ
অতএব, তোমরা তোমাদের কলাকৌশল সুসংহত কর, অতঃপর সারিবদ্ধ হয়ে আস। আজ যে জয়ী হবে, সেই সফলকাম হবে।
▶
فَأَجْمِعُوا۟
fa-ajmiʿū
সুতরাং তোমরা একত্র করো
▶
كَيْدَكُمْ
kaydakum
কলাকৌশল তোমাদের
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱئْتُوا۟
i'tū
আসো
▶
صَفًّۭا ۚ
ṣaffan
সারি বেঁধে (একত্রিত হয়ে)
▶
وَقَدْ
waqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
أَفْلَحَ
aflaḥa
সফল হবে
▶
ٱلْيَوْمَ
l-yawma
আজ
▶
مَنِ
mani
যে
▶
ٱسْتَعْلَىٰ
is'taʿlā
প্রাধান্য বিস্তার করবে"
আয়াত 65 - সূরা طه: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ يَـٰمُوسَىٰٓ إِمَّآ أَن تُلْقِىَ وَإِمَّآ أَن نَّكُونَ أَوَّلَ مَنْ أَلْقَىٰ
তারা বললঃ হে মূসা, হয় তুমি নিক্ষেপ কর, না হয় আমরা প্রথমে নিক্ষেপ করি।
▶
قَالُوا۟
qālū
(জাদুকররা) বললো
▶
يَـٰمُوسَىٰٓ
yāmūsā
"হে মূসা
▶
إِمَّآ
immā
হয়
▶
أَن
an
যে
▶
تُلْقِىَ
tul'qiya
তুমি নিক্ষেপ করবে
▶
وَإِمَّآ
wa-immā
আর (না) হয়
▶
أَن
an
যে
▶
نَّكُونَ
nakūna
আমরা হবো
▶
أَوَّلَ
awwala
প্রথম
▶
مَنْ
man
যে
▶
أَلْقَىٰ
alqā
নিক্ষেপ করবে"
আয়াত 66 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ بَلْ أَلْقُوا۟ ۖ فَإِذَا حِبَالُهُمْ وَعِصِيُّهُمْ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ مِن سِحْرِهِمْ أَنَّهَا تَسْعَىٰ
মূসা বললেনঃ বরং তোমরাই নিক্ষেপ কর। তাদের যাদুর প্রভাবে হঠাৎ তাঁর মনে হল, যেন তাদের রশিগুলো ও লাঠিগুলো চুটাছুটি করছে।
▶
قَالَ
qāla
(মূসা) বললো
▶
بَلْ
bal
"বরং
▶
أَلْقُوا۟ ۖ
alqū
তোমরা নিক্ষেপ করো"
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর তখন
▶
حِبَالُهُمْ
ḥibāluhum
তাদের দড়াদড়ি
▶
وَعِصِيُّهُمْ
waʿiṣiyyuhum
ও তাদের লাঠিসোটাগুলো
▶
يُخَيَّلُ
yukhayyalu
মনে হলো
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তার দিকে
▶
مِن
min
কারণে
▶
سِحْرِهِمْ
siḥ'rihim
তাদের জাদুর
▶
أَنَّهَا
annahā
তা যে
▶
تَسْعَىٰ
tasʿā
ছুটোছুটি
আয়াত 67 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَوْجَسَ فِى نَفْسِهِۦ خِيفَةًۭ مُّوسَىٰ
অতঃপর মূসা মনে মনে কিছুটা ভীতি অনুভব করলেন।
▶
فَأَوْجَسَ
fa-awjasa
অতঃপর অনুভব করলো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
نَفْسِهِۦ
nafsihi
তার নিজের
▶
خِيفَةًۭ
khīfatan
ভয়
▶
مُّوسَىٰ
mūsā
মূসা (নিজেও)
আয়াত 68 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْنَا لَا تَخَفْ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْأَعْلَىٰ
আমি বললামঃ ভয় করো না, তুমি বিজয়ী হবে।
▶
قُلْنَا
qul'nā
আমরা বললাম
▶
لَا
lā
"না
▶
تَخَفْ
takhaf
ভয় করো
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
ٱلْأَعْلَىٰ
l-aʿlā
বিজয়ী (হবে)
আয়াত 69 - সূরা طه: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَلْقِ مَا فِى يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوٓا۟ ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا۟ كَيْدُ سَـٰحِرٍۢ ۖ وَلَا يُفْلِحُ ٱلسَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ
তোমার ডান হাতে যা আছে তুমি তা নিক্ষেপ কর। এটা যা কিছু তারা করেছে তা গ্রাস করে ফেলবে। তারা যা করেছে তা তো কেবল যাদুকরের কলাকৌশল। যাদুকর যেখানেই থাকুক, সফল হবে না।
▶
وَأَلْقِ
wa-alqi
এবং নিক্ষেপ করো
▶
مَا
mā
যা
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
يَمِينِكَ
yamīnika
তোমার ডান হাতের
▶
تَلْقَفْ
talqaf
গ্রাস করবে
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
صَنَعُوٓا۟ ۖ
ṣanaʿū
তারা বানিয়েছে
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলতঃ
▶
صَنَعُوا۟
ṣanaʿū
তারা বানিয়েছে
▶
كَيْدُ
kaydu
কলাকৌশল
▶
سَـٰحِرٍۢ ۖ
sāḥirin
জাদুকরের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُفْلِحُ
yuf'liḥu
সফল হয়
▶
ٱلسَّاحِرُ
l-sāḥiru
জাদুকর
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখান থেকেই
▶
أَتَىٰ
atā
আসুক (না কেন)"
আয়াত 70 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سُجَّدًۭا قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ هَـٰرُونَ وَمُوسَىٰ
অতঃপর যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল। তারা বললঃ আমরা হারুন ও মূসার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।
▶
فَأُلْقِىَ
fa-ul'qiya
অতঃপর পড়ে গেল
▶
ٱلسَّحَرَةُ
l-saḥaratu
জাদুকররা
▶
سُجَّدًۭا
sujjadan
সিজদায়
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বললো
▶
ءَامَنَّا
āmannā
"আমরা ঈমান আনলাম
▶
بِرَبِّ
birabbi
রবের উপর
▶
هَـٰرُونَ
hārūna
হারূনের
▶
وَمُوسَىٰ
wamūsā
ও মূসার"
আয়াত 71 - সূরা طه: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ ءَامَنتُمْ لَهُۥ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْ ۖ إِنَّهُۥ لَكَبِيرُكُمُ ٱلَّذِى عَلَّمَكُمُ ٱلسِّحْرَ ۖ فَلَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَـٰفٍۢ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ فِى جُذُوعِ ٱلنَّخْلِ وَلَتَعْلَمُنَّ أَيُّنَآ أَشَدُّ عَذَابًۭا وَأَبْقَىٰ
ফেরাউন বললঃ আমার অনুমতি দানের পূর্বেই? তোমরা কি তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে; দেখছি সেই তোমাদের প্রধান, সে তোমাদেরকে যাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতএব আমি অবশ্যই তোমাদের হস্তপদ বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব এবং আমি তোমাদেরকে খর্জুর বৃক্ষের কান্ডে শূলে চড়াব এবং তোমরা নিশ্চিত রূপেই জানতে পারবে আমাদের মধ্যে কার আযাব কঠোরতর এবং অধিক্ষণ স্থায়ী।
▶
قَالَ
qāla
(ফিরআউন) বললো
▶
ءَامَنتُمْ
āmantum
"তোমরা ঈমান এনেছো
▶
لَهُۥ
lahu
তার উপর
▶
قَبْلَ
qabla
পূর্বেই
▶
أَنْ
an
যে
▶
ءَاذَنَ
ādhana
আমি অনুমতি দিবো
▶
لَكُمْ ۖ
lakum
তোমাদেরকে
▶
إِنَّهُۥ
innahu
সে নিশ্চয়ই
▶
لَكَبِيرُكُمُ
lakabīrukumu
অবশ্যই তোমাদের প্রধান
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যে
▶
عَلَّمَكُمُ
ʿallamakumu
তোমাদেরকে শিখিয়েছে
▶
ٱلسِّحْرَ ۖ
l-siḥ'ra
জাদু
▶
فَلَأُقَطِّعَنَّ
fala-uqaṭṭiʿanna
সুতরাং অবশ্যই আমি কেটে দিবো
▶
أَيْدِيَكُمْ
aydiyakum
তোমাদের হাতগুলো
▶
وَأَرْجُلَكُم
wa-arjulakum
ও তোমাদের পাগুলো
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
خِلَـٰفٍۢ
khilāfin
বিপরীত দিক
▶
وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ
wala-uṣallibannakum
এবং অবশ্যই তোমাদেরকে আমি শুলে চড়াবোই
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
جُذُوعِ
judhūʿi
কাণ্ডের
▶
ٱلنَّخْلِ
l-nakhli
খেজুরের
▶
وَلَتَعْلَمُنَّ
walataʿlamunna
এবং তোমরা অবশ্যই জানবেই
▶
أَيُّنَآ
ayyunā
আমাদের মধ্যে কে
▶
أَشَدُّ
ashaddu
কঠোরতর
▶
عَذَابًۭا
ʿadhāban
শাস্তি দেওয়াতে
▶
وَأَبْقَىٰ
wa-abqā
ও অধিক স্থায়ী"
আয়াত 72 - সূরা طه: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ لَن نُّؤْثِرَكَ عَلَىٰ مَا جَآءَنَا مِنَ ٱلْبَيِّنَـٰتِ وَٱلَّذِى فَطَرَنَا ۖ فَٱقْضِ مَآ أَنتَ قَاضٍ ۖ إِنَّمَا تَقْضِى هَـٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَآ
যাদুকররা বললঃ আমাদের কাছে যে, সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে তার উপর এবং যিনি আমাদের কে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর উপর আমরা কিছুতেই তোমাকে প্রাধান্য দেব না। অতএব, তুমি যা ইচ্ছা করতে পার। তুমি তো শুধু এই পার্থিব জীবনেই যা করার করবে।
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিলো
▶
لَن
lan
"কখনও না
▶
نُّؤْثِرَكَ
nu'thiraka
তোমাকে প্রাধান্য দিবো আমরা
▶
عَلَىٰ
ʿalā
এর উপর
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَنَا
jāanā
আমাদের কাছে এসেছে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتِ
l-bayināti
সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী
▶
وَٱلَّذِى
wa-alladhī
এবং যিনি
▶
فَطَرَنَا ۖ
faṭaranā
আমাদের সৃষ্টি করেছেন
▶
فَٱقْضِ
fa-iq'ḍi
তাই তুমি বিচার করো
▶
مَآ
mā
যা কিছু
▶
أَنتَ
anta
তুমি
▶
قَاضٍ ۖ
qāḍin
বিচারক (করতে চাও)
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলতঃ
▶
تَقْضِى
taqḍī
তুমি তো বিচার করতে পারবে
▶
هَـٰذِهِ
hādhihi
এই
▶
ٱلْحَيَوٰةَ
l-ḥayata
জীবনে
▶
ٱلدُّنْيَآ
l-dun'yā
দুনিয়ার
আয়াত 73 - সূরা طه: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّآ ءَامَنَّا بِرَبِّنَا لِيَغْفِرَ لَنَا خَطَـٰيَـٰنَا وَمَآ أَكْرَهْتَنَا عَلَيْهِ مِنَ ٱلسِّحْرِ ۗ وَٱللَّهُ خَيْرٌۭ وَأَبْقَىٰٓ
আমরা আমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যাতে তিনি আমাদের পাপ এবং তুমি আমাদেরকে যে যাদু করতে বাধ্য করেছ, তা মার্জনা করেন। আল্লাহ শ্রেষ্ঠ ও চিরস্থায়ী।
▶
إِنَّآ
innā
নিশ্চয়ই আমরা
▶
ءَامَنَّا
āmannā
আমরা ঈমান এনেছি
▶
بِرَبِّنَا
birabbinā
আমাদের রবের উপর
▶
لِيَغْفِرَ
liyaghfira
যেন তিনি ক্ষমা করেন
▶
لَنَا
lanā
আমাদের
▶
خَطَـٰيَـٰنَا
khaṭāyānā
আমাদের পাপসমূহকে
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أَكْرَهْتَنَا
akrahtanā
আমাদেরকে তুমি বাধ্য করেছো
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
مِنَ
mina
কারণে
▶
ٱلسِّحْرِ ۗ
l-siḥ'ri
জাদুর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
وَأَبْقَىٰٓ
wa-abqā
ও চিরস্থায়ী"
আয়াত 74 - সূরা طه: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّهُۥ مَن يَأْتِ رَبَّهُۥ مُجْرِمًۭا فَإِنَّ لَهُۥ جَهَنَّمَ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ
নিশ্চয়ই যে তার পালনকর্তার কাছে অপরাধী হয়ে আসে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবে না এবং বাঁচবেও না।
▶
إِنَّهُۥ
innahu
(প্রকৃত কথা) তাই নিশ্চয়ই
▶
مَن
man
যে কেউ
▶
يَأْتِ
yati
আসবে
▶
رَبَّهُۥ
rabbahu
তাদের রবের কাছে
▶
مُجْرِمًۭا
muj'riman
অপরাধী হয়ে
▶
فَإِنَّ
fa-inna
অতঃপর নিশ্চয়ই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নাম
▶
لَا
lā
না
▶
يَمُوتُ
yamūtu
সে মরবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
يَحْيَىٰ
yaḥyā
বাঁচবে
আয়াত 75 - সূরা طه: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَأْتِهِۦ مُؤْمِنًۭا قَدْ عَمِلَ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمُ ٱلدَّرَجَـٰتُ ٱلْعُلَىٰ
আর যারা তাঁর কাছে আসে এমন ঈমানদার হয়ে যায় সৎকর্ম সম্পাদন করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে সুউচ্চ মর্তবা।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَأْتِهِۦ
yatihi
তাঁর কাছে আসবে
▶
مُؤْمِنًۭا
mu'minan
মু'মিন হয়ে
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
عَمِلَ
ʿamila
সে কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
অতঃপর ঐসব লোক
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদের জন্যে (রয়েছে)
▶
ٱلدَّرَجَـٰتُ
l-darajātu
মর্যাদাসমূহ
▶
ٱلْعُلَىٰ
l-ʿulā
সমুচ্চ
আয়াত 76 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
جَنَّـٰتُ عَدْنٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۚ وَذَٰلِكَ جَزَآءُ مَن تَزَكَّىٰ
বসবাসের এমন পুষ্পোদ্যান রয়েছে যার তলদেশে দিয়ে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে এটা তাদেরই পুরস্কার, যারা পবিত্র হয়।
▶
جَنَّـٰتُ
jannātu
জান্নাত
▶
عَدْنٍۢ
ʿadnin
স্থায়ী
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
থেকে
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার নিচ
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্ণাসমূহ
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা স্থায়ী হবে
▶
فِيهَا ۚ
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَذَٰلِكَ
wadhālika
এবং এটা
▶
جَزَآءُ
jazāu
পুরস্কার
▶
مَن
man
(তার) যে
▶
تَزَكَّىٰ
tazakkā
পরিশুদ্ধ হবে
আয়াত 77 - সূরা طه: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِى فَٱضْرِبْ لَهُمْ طَرِيقًۭا فِى ٱلْبَحْرِ يَبَسًۭا لَّا تَخَـٰفُ دَرَكًۭا وَلَا تَخْشَىٰ
আমি মূসা প্রতি এই মর্মে ওহী করলাম যে, আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিযোগে বের হয়ে যাও এবং তাদের জন্যে সমুদ্রে শুষ্কপথ নির্মাণ কর। পেছন থেকে এসে তোমাদের ধরে ফেলার আশঙ্কা করো না এবং পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয় করো না।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
আমরা ওহী করেছিলাম
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মূসার
▶
أَنْ
an
যে
▶
أَسْرِ
asri
"রাতে বেরিয়ে পড়ো
▶
بِعِبَادِى
biʿibādī
নিয়ে আমার দাসদের
▶
فَٱضْرِبْ
fa-iḍ'rib
অতঃপর (লাঠির) আঘাত করো (অবলম্বন করো)
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে
▶
طَرِيقًۭا
ṭarīqan
পথ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبَحْرِ
l-baḥri
সাগরের
▶
يَبَسًۭا
yabasan
শুকনো
▶
لَّا
lā
না
▶
تَخَـٰفُ
takhāfu
ভয় করো তুমি
▶
دَرَكًۭا
darakan
ধরা পড়ার
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
تَخْشَىٰ
takhshā
ঘাবড়ে যাও তুমি (ডুবে যাওয়ার)"
আয়াত 78 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَتْبَعَهُمْ فِرْعَوْنُ بِجُنُودِهِۦ فَغَشِيَهُم مِّنَ ٱلْيَمِّ مَا غَشِيَهُمْ
অতঃপর ফেরাউন তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল এবং সমুদ্র তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে নিমজ্জত করল।
▶
فَأَتْبَعَهُمْ
fa-atbaʿahum
অতঃপর তাদের পিছনে তাড়া করলো
▶
فِرْعَوْنُ
fir'ʿawnu
ফিরআউন
▶
بِجُنُودِهِۦ
bijunūdihi
নিয়ে তার সৈন্যবাহিনী
▶
فَغَشِيَهُم
faghashiyahum
অতঃপর তাদেরকে ছেয়ে ফেললো
▶
مِّنَ
mina
(তার) ভিতরে
▶
ٱلْيَمِّ
l-yami
সাগর
▶
مَا
mā
যা
▶
غَشِيَهُمْ
ghashiyahum
তাদেরকে ছেয়ে নিয়েছিলো
আয়াত 79 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَضَلَّ فِرْعَوْنُ قَوْمَهُۥ وَمَا هَدَىٰ
ফেরআউন তার সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করেছিল এবং সৎপথ দেখায়নি।
▶
وَأَضَلَّ
wa-aḍalla
এবং পথভ্রষ্ট করেছিলো
▶
فِرْعَوْنُ
fir'ʿawnu
ফিরআউন
▶
قَوْمَهُۥ
qawmahu
তার জাতিকে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
هَدَىٰ
hadā
সৎপথ দেখিয়েছিলো
আয়াত 80 - সূরা طه: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ قَدْ أَنجَيْنَـٰكُم مِّنْ عَدُوِّكُمْ وَوَٰعَدْنَـٰكُمْ جَانِبَ ٱلطُّورِ ٱلْأَيْمَنَ وَنَزَّلْنَا عَلَيْكُمُ ٱلْمَنَّ وَٱلسَّلْوَىٰ
হে বনী-ইসরাঈল! আমি তোমাদেরকে তোমাদের শক্রুর কবল থেকে উদ্ধার করেছি, তুর পাহাড়ের দক্ষিণ পার্শ্বে তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দান করেছি এবং তোমাদের কাছে ‘মান্না’ ও ‘সালওয়া’ নাযিল করেছি।
▶
يَـٰبَنِىٓ
yābanī
হে সন্তানগণ
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলের
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
أَنجَيْنَـٰكُم
anjaynākum
তোমাদেরকে আমরা উদ্ধার করেছি
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
عَدُوِّكُمْ
ʿaduwwikum
তোমাদের শত্রু
▶
وَوَٰعَدْنَـٰكُمْ
wawāʿadnākum
ও তোমাদেরকে আমরা ( উপস্থিতির) প্রতিশ্রুতি দিয়েছি
▶
جَانِبَ
jāniba
পাশে
▶
ٱلطُّورِ
l-ṭūri
তূর পাহাড়ের
▶
ٱلْأَيْمَنَ
l-aymana
ডানদিকের
▶
وَنَزَّلْنَا
wanazzalnā
এবং আমরা পাঠিয়েছি
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلْمَنَّ
l-mana
মান্না
▶
وَٱلسَّلْوَىٰ
wal-salwā
ও সালওয়া
আয়াত 81 - সূরা طه: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كُلُوا۟ مِن طَيِّبَـٰتِ مَا رَزَقْنَـٰكُمْ وَلَا تَطْغَوْا۟ فِيهِ فَيَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبِى ۖ وَمَن يَحْلِلْ عَلَيْهِ غَضَبِى فَقَدْ هَوَىٰ
বলেছিঃ আমার দেয়া পবিত্র বস্তুসমূহ খাও এবং এতে সীমালংঘন করো না, তা হলে তোমাদের উপর আমার ক্রোধ নেমে আসবে এবং যার উপর আমার ক্রোধ নেমে আসে সে ধবংস হয়ে যায়।
▶
كُلُوا۟
kulū
তোমরা খাও
▶
مِن
min
থেকে
▶
طَيِّبَـٰتِ
ṭayyibāti
পবিত্র বস্তুসমূহ
▶
مَا
mā
যা
▶
رَزَقْنَـٰكُمْ
razaqnākum
তোমাদেরকে আমরা জীবনোপকরণ দিয়েছি
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَطْغَوْا۟
taṭghaw
সীমালঙ্ঘন করো
▶
فِيهِ
fīhi
এর মধ্যে
▶
فَيَحِلَّ
fayaḥilla
তাহ'লে অবধারিত হবে
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
غَضَبِى ۖ
ghaḍabī
আমার রাগ
▶
وَمَن
waman
এবং যার (এমন)
▶
يَحْلِلْ
yaḥlil
অবধারিত হবে
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
غَضَبِى
ghaḍabī
আমার রাগ
▶
فَقَدْ
faqad
নিশ্চয়ই
▶
هَوَىٰ
hawā
সে ধ্বংস হয়ে যাবে
আয়াত 82 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنِّى لَغَفَّارٌۭ لِّمَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَـٰلِحًۭا ثُمَّ ٱهْتَدَىٰ
আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল।
▶
وَإِنِّى
wa-innī
এবং আমি নিশ্চয়ই
▶
لَغَفَّارٌۭ
laghaffārun
অবশ্যই ক্ষমাশীল
▶
لِّمَن
liman
(তার) জন্য যে
▶
تَابَ
tāba
তওবা করলো
▶
وَءَامَنَ
waāmana
ও ঈমান আনলো
▶
وَعَمِلَ
waʿamila
এবং কাজ করলো
▶
صَـٰلِحًۭا
ṣāliḥan
সৎ
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱهْتَدَىٰ
ih'tadā
সৎপথে অবিচলিত থাকলো
আয়াত 83 - সূরা طه: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَمَآ أَعْجَلَكَ عَن قَوْمِكَ يَـٰمُوسَىٰ
হে মূসা, তোমার সম্প্রদায়কে পেছনে ফেলে তুমি ত্বরা করলে কেন?
▶
۞ وَمَآ
wamā
"এবং কিসে
▶
أَعْجَلَكَ
aʿjalaka
তোমাকে তাড়াহুড়া করালো
▶
عَن
ʿan
থেকে
▶
قَوْمِكَ
qawmika
তোমার জাতি
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
হে মূসা"
আয়াত 84 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ هُمْ أُو۟لَآءِ عَلَىٰٓ أَثَرِى وَعَجِلْتُ إِلَيْكَ رَبِّ لِتَرْضَىٰ
তিনি বললেনঃ এই তো তারা আমার পেছনে আসছে এবং হে আমার পালনকর্তা, আমি তাড়াতাড়ি তোমার কাছে এলাম, যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও।
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
هُمْ
hum
"তারা
▶
أُو۟لَآءِ
ulāi
ঐ তো
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
উপর
▶
أَثَرِى
atharī
আমার চিহ্নের
▶
وَعَجِلْتُ
waʿajil'tu
এবং আমি তাড়াহুড়া করেছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার দিকে
▶
رَبِّ
rabbi
হে আমার রব
▶
لِتَرْضَىٰ
litarḍā
যেন তুমি সন্তুষ্ট হও"
আয়াত 85 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ فَإِنَّا قَدْ فَتَنَّا قَوْمَكَ مِنۢ بَعْدِكَ وَأَضَلَّهُمُ ٱلسَّامِرِىُّ
বললেনঃ আমি তোমার সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করেছি তোমার পর এবং সামেরী তাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে।
▶
قَالَ
qāla
(আল্লাহ) বললেন
▶
فَإِنَّا
fa-innā
"অতঃপর নিশ্চয়ই আমরা
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
فَتَنَّا
fatannā
আমরা পরীক্ষায় ফেলেছি
▶
قَوْمَكَ
qawmaka
তোমার জাতিকে
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِكَ
baʿdika
তোমার পর
▶
وَأَضَلَّهُمُ
wa-aḍallahumu
এবং তাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে
▶
ٱلسَّامِرِىُّ
l-sāmiriyu
সামেরী"
আয়াত 86 - সূরা طه: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَرَجَعَ مُوسَىٰٓ إِلَىٰ قَوْمِهِۦ غَضْبَـٰنَ أَسِفًۭا ۚ قَالَ يَـٰقَوْمِ أَلَمْ يَعِدْكُمْ رَبُّكُمْ وَعْدًا حَسَنًا ۚ أَفَطَالَ عَلَيْكُمُ ٱلْعَهْدُ أَمْ أَرَدتُّمْ أَن يَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ فَأَخْلَفْتُم مَّوْعِدِى
অতঃপর মূসা তাঁর সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গেলেন ক্রদ্ধ ও অনুতপ্ত অবস্থায়। তিনি বললেনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের পালনকর্তা কি তোমাদেরকে একটি উত্তম প্রতিশ্রুতি দেননি? তবে কি প্রতিশ্রুতির সময়কাল তোমাদের কাছে দীর্ঘ হয়েছে, না তোমরা চেয়েছ যে, তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার ক্রোধ নেমে আসুক, যে কারণে তোমরা আমার সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করলে?
▶
فَرَجَعَ
farajaʿa
অতঃপর ফিরে আসলো
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মূসা
▶
إِلَىٰ
ilā
কাছে
▶
قَوْمِهِۦ
qawmihi
তার লোকদের
▶
غَضْبَـٰنَ
ghaḍbāna
রাগান্বিত হয়ে
▶
أَسِفًۭا ۚ
asifan
অনুতপ্ত অবস্থায়
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
يَـٰقَوْمِ
yāqawmi
"হে আমার জাতি
▶
أَلَمْ
alam
নি কি
▶
يَعِدْكُمْ
yaʿid'kum
প্রতিশ্রুতি দেন তোমাদের
▶
رَبُّكُمْ
rabbukum
তোমাদের রব
▶
وَعْدًا
waʿdan
প্রতিশ্রুতি
▶
حَسَنًا ۚ
ḥasanan
উত্তম
▶
أَفَطَالَ
afaṭāla
কি সুদীর্ঘ হয়েছে তবে
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلْعَهْدُ
l-ʿahdu
প্রতিশ্রুতির সময়
▶
أَمْ
am
অথবা
▶
أَرَدتُّمْ
aradttum
তোমরা চেয়েছো
▶
أَن
an
যে
▶
يَحِلَّ
yaḥilla
অবধারিত হোক
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
غَضَبٌۭ
ghaḍabun
রাগ
▶
مِّن
min
পক্ষ হ'তে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
فَأَخْلَفْتُم
fa-akhlaftum
অতঃপর তোমরা ভঙ্গ করেছ
▶
مَّوْعِدِى
mawʿidī
আমার সাথে করা প্রতিশ্রুতি"
আয়াত 87 - সূরা طه: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ مَآ أَخْلَفْنَا مَوْعِدَكَ بِمَلْكِنَا وَلَـٰكِنَّا حُمِّلْنَآ أَوْزَارًۭا مِّن زِينَةِ ٱلْقَوْمِ فَقَذَفْنَـٰهَا فَكَذَٰلِكَ أَلْقَى ٱلسَّامِرِىُّ
তারা বললঃ আমরা তোমার সাথে কৃত ওয়াদা স্বেচ্ছায় ভঙ্গ করিনি; কিন্তু আমাদের উপর ফেরউনীদের অলংকারের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। অতঃপর আমরা তা নিক্ষেপ করে দিয়েছি। এমনি ভাবে সামেরীও নিক্ষেপ করেছে।
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বললো
▶
مَآ
mā
"না
▶
أَخْلَفْنَا
akhlafnā
আমরা ভঙ্গ করেছি
▶
مَوْعِدَكَ
mawʿidaka
তোমার সাথে করা প্রতিশ্রুতি
▶
بِمَلْكِنَا
bimalkinā
আমাদের ইচ্ছেমত
▶
وَلَـٰكِنَّا
walākinnā
কিন্তু
▶
حُمِّلْنَآ
ḥummil'nā
আমাদের উপর চাপানো হয়েছিলো
▶
أَوْزَارًۭا
awzāran
বোঝা সমূহ
▶
مِّن
min
তৈরি
▶
زِينَةِ
zīnati
অলংকারের
▶
ٱلْقَوْمِ
l-qawmi
লোকদের
▶
فَقَذَفْنَـٰهَا
faqadhafnāhā
ফলে তা আমরা ছুঁড়ে ফেলি
▶
فَكَذَٰلِكَ
fakadhālika
পরে ঐভাবে
▶
أَلْقَى
alqā
নিক্ষেপ করলো
▶
ٱلسَّامِرِىُّ
l-sāmiriyu
সামেরীও"
আয়াত 88 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَخْرَجَ لَهُمْ عِجْلًۭا جَسَدًۭا لَّهُۥ خُوَارٌۭ فَقَالُوا۟ هَـٰذَآ إِلَـٰهُكُمْ وَإِلَـٰهُ مُوسَىٰ فَنَسِىَ
অতঃপর সে তাদের জন্য তৈরী করে বের করল একটি গো-বৎস, একটা দেহ, যার মধ্যে গরুর শব্দ ছিল। তারা বললঃ এটা তোমাদের উপাস্য এবং মূসার ও উপাস্য, অতঃপর মূসা ভুলে গেছে।
▶
فَأَخْرَجَ
fa-akhraja
অতঃপর বের করলো
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
عِجْلًۭا
ʿij'lan
একটি বাছুর
▶
جَسَدًۭا
jasadan
অবয়ব
▶
لَّهُۥ
lahu
তার ছিলো
▶
خُوَارٌۭ
khuwārun
হাম্বা শব্দ
▶
فَقَالُوا۟
faqālū
তখন তারা বললো
▶
هَـٰذَآ
hādhā
"এটা
▶
إِلَـٰهُكُمْ
ilāhukum
তোমাদের উপাস্য
▶
وَإِلَـٰهُ
wa-ilāhu
ও উপাস্য
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসার
▶
فَنَسِىَ
fanasiya
(মূসা) আসলে ভুলে গিয়েছিলো"
আয়াত 89 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَلَا يَرَوْنَ أَلَّا يَرْجِعُ إِلَيْهِمْ قَوْلًۭا وَلَا يَمْلِكُ لَهُمْ ضَرًّۭا وَلَا نَفْعًۭا
তারা কি দেখে না যে, এটা তাদের কোন কথার উত্তর দেয় না এবং তারে কোন ক্ষতি ও উপকার করার ক্ষমতাও রাখে না?
▶
أَفَلَا
afalā
নি কি
▶
يَرَوْنَ
yarawna
তারা (ভেবে) দেখে
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
يَرْجِعُ
yarjiʿu
ফিরে আসে
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের দিকে (অর্থাৎ উত্তর দেয়)
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথার
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَمْلِكُ
yamliku
ক্ষমতা রাখে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে
▶
ضَرًّۭا
ḍarran
ক্ষতি (করতে)
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
نَفْعًۭا
nafʿan
উপকার (করতে)
আয়াত 90 - সূরা طه: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ قَالَ لَهُمْ هَـٰرُونُ مِن قَبْلُ يَـٰقَوْمِ إِنَّمَا فُتِنتُم بِهِۦ ۖ وَإِنَّ رَبَّكُمُ ٱلرَّحْمَـٰنُ فَٱتَّبِعُونِى وَأَطِيعُوٓا۟ أَمْرِى
হারুন তাদেরকে পুর্বেই বলেছিলেনঃ হে আমার কওম, তোমরা তো এই গো-বৎস দ্বারা পরীক্ষায় নিপতিত হয়েছ এবং তোমাদের পালনকর্তা দয়াময়। অতএব, তোমরা আমার অনুসরণ কর এবং আমার আদেশ মেনে চল।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
قَالَ
qāla
বলেছিলো
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
هَـٰرُونُ
hārūnu
হারূন
▶
مِن
min
থেকেই
▶
قَبْلُ
qablu
পূর্ব
▶
يَـٰقَوْمِ
yāqawmi
"হে আমার জাতি
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলত
▶
فُتِنتُم
futintum
তোমাদের পরীক্ষায় ফেলা হয়েছে
▶
بِهِۦ ۖ
bihi
তা দ্বারা
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
رَبَّكُمُ
rabbakumu
তোমাদের রব
▶
ٱلرَّحْمَـٰنُ
l-raḥmānu
দয়াময় (আল্লাহ)
▶
فَٱتَّبِعُونِى
fa-ittabiʿūnī
সুতরাং তোমরা আমাকে অনুসরণ করো
▶
وَأَطِيعُوٓا۟
wa-aṭīʿū
ও তোমরা আনুগত্য করো
▶
أَمْرِى
amrī
আমার আদেশের"
আয়াত 91 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ لَن نَّبْرَحَ عَلَيْهِ عَـٰكِفِينَ حَتَّىٰ يَرْجِعَ إِلَيْنَا مُوسَىٰ
তারা বললঃ মূসা আমাদের কাছে ফিরে আসা পর্যন্ত আমরা সদাসর্বদা এর সাথেই সংযুক্ত হয়ে বসে থাকব।
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিলো
▶
لَن
lan
"কখনও না
▶
نَّبْرَحَ
nabraḥa
বিরত হবো আমরা
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার কাছে
▶
عَـٰكِفِينَ
ʿākifīna
লেগে থাকা (বা পূজা করা হ'তে)_
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَرْجِعَ
yarjiʿa
ফিরে আসবে
▶
إِلَيْنَا
ilaynā
আমাদের কাছে
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসা"
আয়াত 92 - সূরা طه: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ يَـٰهَـٰرُونُ مَا مَنَعَكَ إِذْ رَأَيْتَهُمْ ضَلُّوٓا۟
মূসা বললেনঃ হে হারুন, তুমি যখন তাদেরকে পথ ভ্রষ্ট হতে দেখলে, তখন তোমাকে কিসে নিবৃত্ত করল ?
▶
قَالَ
qāla
(মূসা) বললো
▶
يَـٰهَـٰرُونُ
yāhārūnu
"হে হারূন
▶
مَا
mā
কিসে
▶
مَنَعَكَ
manaʿaka
তোমাকে নিষেধ করলো
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
رَأَيْتَهُمْ
ra-aytahum
তাদের তুমি দেখলে
▶
ضَلُّوٓا۟
ḍallū
তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে
আয়াত 93 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَّا تَتَّبِعَنِ ۖ أَفَعَصَيْتَ أَمْرِى
আমার পদাঙ্ক অনুসরণ করা থেকে? তবে তুমি কি আমার আদেশ অমান্য করেছ?
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
تَتَّبِعَنِ ۖ
tattabiʿani
আমার (আদেশের) অনুসরণ করলে
▶
أَفَعَصَيْتَ
afaʿaṣayta
তবে কি তুমি অমান্য করেছো
▶
أَمْرِى
amrī
আমার আদেশের"
আয়াত 94 - সূরা طه: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ يَبْنَؤُمَّ لَا تَأْخُذْ بِلِحْيَتِى وَلَا بِرَأْسِىٓ ۖ إِنِّى خَشِيتُ أَن تَقُولَ فَرَّقْتَ بَيْنَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَلَمْ تَرْقُبْ قَوْلِى
তিনি বললেনঃ হে আমার জননী-তনয়, আমার শ্মশ্রু ও মাথার চুল ধরে আকর্ষণ করো না; আমি আশঙ্কা করলাম যে, তুমি বলবেঃ তুমি বনী-ইসরাঈলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছ এবং আমার কথা স্মরণে রাখনি।
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
يَبْنَؤُمَّ
yabna-umma
"হে আমার মায়ের ছেলে (অর্থাৎ ভাই)
▶
لَا
lā
না
▶
تَأْخُذْ
takhudh
ধরো
▶
بِلِحْيَتِى
biliḥ'yatī
আমার দাড়ি
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
بِرَأْسِىٓ ۖ
birasī
আমার মাথার (চুল)
▶
إِنِّى
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
خَشِيتُ
khashītu
আশঙ্কা করেছি
▶
أَن
an
যে
▶
تَقُولَ
taqūla
বলবে তুমি
▶
فَرَّقْتَ
farraqta
"তুমি বিভেদ সৃষ্টি করেছো
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
بَنِىٓ
banī
সন্তানদের
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলের
▶
وَلَمْ
walam
এবং নি
▶
تَرْقُبْ
tarqub
তুমি মূল্য দাও
▶
قَوْلِى
qawlī
আমার কথা"
আয়াত 95 - সূরা طه: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ فَمَا خَطْبُكَ يَـٰسَـٰمِرِىُّ
মূসা বললেন হে সামেরী, এখন তোমার ব্যাপার কি?
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
فَمَا
famā
"তাহ'লে কি
▶
خَطْبُكَ
khaṭbuka
তোমার ব্যাপার
▶
يَـٰسَـٰمِرِىُّ
yāsāmiriyyu
হে সামেরী"
আয়াত 96 - সূরা طه: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ بَصُرْتُ بِمَا لَمْ يَبْصُرُوا۟ بِهِۦ فَقَبَضْتُ قَبْضَةًۭ مِّنْ أَثَرِ ٱلرَّسُولِ فَنَبَذْتُهَا وَكَذَٰلِكَ سَوَّلَتْ لِى نَفْسِى
সে বললঃ আমি দেখলাম যা অন্যেরা দেখেনি। অতঃপর আমি সেই প্রেরিত ব্যক্তির পদচিহেߦ#2480; নীচ থেকে এক মুঠি মাটি নিয়ে নিলাম। অতঃপর আমি তা নিক্ষেপ করলাম। আমাকে আমার মন এই মন্ত্রণাই দিল।
▶
قَالَ
qāla
(সামেরী) বললো
▶
بَصُرْتُ
baṣur'tu
"আমি দেখেছি
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
لَمْ
lam
নি
▶
يَبْصُرُوا۟
yabṣurū
তারা দেখে
▶
بِهِۦ
bihi
সে সম্পর্কে
▶
فَقَبَضْتُ
faqabaḍtu
অতঃপর আমি মুঠিতে নিয়েছি
▶
قَبْضَةًۭ
qabḍatan
এক মুঠো
▶
مِّنْ
min
হ'তে
▶
أَثَرِ
athari
পায়ের চিহ্ন
▶
ٱلرَّسُولِ
l-rasūli
রাসূলের (অর্থাৎ জিবরাঈল বা মূসা আঃ)
▶
فَنَبَذْتُهَا
fanabadhtuhā
অতঃপর তা আমি ছুঁড়ে ফেলেছি
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
এবং এভাবেই
▶
سَوَّلَتْ
sawwalat
উদ্বুদ্ধ করেছিলো
▶
لِى
lī
আমাকে
▶
نَفْسِى
nafsī
আমার মন"
আয়াত 97 - সূরা طه: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ فَٱذْهَبْ فَإِنَّ لَكَ فِى ٱلْحَيَوٰةِ أَن تَقُولَ لَا مِسَاسَ ۖ وَإِنَّ لَكَ مَوْعِدًۭا لَّن تُخْلَفَهُۥ ۖ وَٱنظُرْ إِلَىٰٓ إِلَـٰهِكَ ٱلَّذِى ظَلْتَ عَلَيْهِ عَاكِفًۭا ۖ لَّنُحَرِّقَنَّهُۥ ثُمَّ لَنَنسِفَنَّهُۥ فِى ٱلْيَمِّ نَسْفًا
মূসা বললেনঃ দূর হ, তোর জন্য সারা জীবন এ শাস্তিই রইল যে, তুই বলবি; আমাকে স্পর্শ করো না, এবং তোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়াদা আছে, যার ব্যতিক্রম হবে না। তুই তোর সেই ইলাহের প্রতি লক্ষ্য কর, যাকে তুই ঘিরে থাকতি। আমরা সেটি জালিয়ে দেবই। অতঃপর একে বিক্ষিপ্ত করে সাগরে ছড়িয়ে দেবই।
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
فَٱذْهَبْ
fa-idh'hab
"তাহ'লে তুমি যাও
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই এখন
▶
لَكَ
laka
তোমার জন্যে
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
(সারা) জীবনের
▶
أَن
an
(এই নির্দেশ) যে
▶
تَقُولَ
taqūla
বলবে তুমি
▶
لَا
lā
"না
▶
مِسَاسَ ۖ
misāsa
স্পর্শ করবে (আমাকে)"
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই (আছে)
▶
لَكَ
laka
তোমার জন্য
▶
مَوْعِدًۭا
mawʿidan
নির্দিষ্ট সময় (জিজ্ঞাসাবাদের)
▶
لَّن
lan
কখনও না
▶
تُخْلَفَهُۥ ۖ
tukh'lafahu
তার ব্যতিক্রম করা হবে
▶
وَٱنظُرْ
wa-unẓur
এবং দেখো
▶
إِلَىٰٓ
ilā
প্রতি
▶
إِلَـٰهِكَ
ilāhika
তোমার উপাস্যের
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যার
▶
ظَلْتَ
ẓalta
তুমি সর্বদা ছিলে
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার কাছে
▶
عَاكِفًۭا ۖ
ʿākifan
পূজারত
▶
لَّنُحَرِّقَنَّهُۥ
lanuḥarriqannahu
অবশ্যই আমরা জ্বালাবো
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَنَنسِفَنَّهُۥ
lanansifannahu
তাকে আমরা অবশ্যই বিক্ষিপ্তভাবে ছড়াবো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْيَمِّ
l-yami
সাগরের
▶
نَسْفًا
nasfan
বিক্ষিপ্ত করে"
আয়াত 98 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَآ إِلَـٰهُكُمُ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۚ وَسِعَ كُلَّ شَىْءٍ عِلْمًۭا
তোমাদের ইলাহ তো কেবল আল্লাহই, যিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই। সব বিষয় তাঁর জ্ঞানের পরিধিভুক্ত।
▶
إِنَّمَآ
innamā
প্রকৃতপক্ষে
▶
إِلَـٰهُكُمُ
ilāhukumu
তোমাদের ইলাহ
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
একমাত্র আল্লাহ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি (এমন যে)
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোন ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ ۚ
huwa
তিনি
▶
وَسِعَ
wasiʿa
পরিবেষ্টিত
▶
كُلَّ
kulla
সব
▶
شَىْءٍ
shayin
কিছু
▶
عِلْمًۭا
ʿil'man
(তাঁর) জ্ঞানে
আয়াত 99 - সূরা طه: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَذَٰلِكَ نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنۢبَآءِ مَا قَدْ سَبَقَ ۚ وَقَدْ ءَاتَيْنَـٰكَ مِن لَّدُنَّا ذِكْرًۭا
এমনিভাবে আমি পূর্বে যা ঘটেছে, তার সংবাদ আপনার কাছে বর্ণনা করি। আমি আমার কাছ থেকে আপনাকে দান করেছি পড়ার গ্রন্থ।
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এরূপে
▶
نَقُصُّ
naquṣṣu
বর্ণনা করছি আমরা
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার কাছে
▶
مِنْ
min
হ'তে
▶
أَنۢبَآءِ
anbāi
সংবাদ
▶
مَا
mā
যা
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
سَبَقَ ۚ
sabaqa
আগে ঘটেছে
▶
وَقَدْ
waqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
ءَاتَيْنَـٰكَ
ātaynāka
তোমাকে আমরা দিয়েছি
▶
مِن
min
হ'তে
▶
لَّدُنَّا
ladunnā
আমার নিকট
▶
ذِكْرًۭا
dhik'ran
উপদেশ
আয়াত 100 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّنْ أَعْرَضَ عَنْهُ فَإِنَّهُۥ يَحْمِلُ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ وِزْرًا
যে এ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, সে কেয়ামতের দিন বোঝা বহন করবে।
▶
مَّنْ
man
যে
▶
أَعْرَضَ
aʿraḍa
বিমুখ হবে
▶
عَنْهُ
ʿanhu
তা থেকে
▶
فَإِنَّهُۥ
fa-innahu
তবে সে নিশ্চয়ই
▶
يَحْمِلُ
yaḥmilu
বহন করবে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
وِزْرًا
wiz'ran
(দূর্বহ) ভার
আয়াত 101 - সূরা طه: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
خَـٰلِدِينَ فِيهِ ۖ وَسَآءَ لَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ حِمْلًۭا
তারা তাতে চিরকাল থাকবে এবং কেয়ামতের দিন এই বোঝা তাদের জন্যে মন্দ হবে।
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
চিরস্থায়ী হবে তারা
▶
فِيهِ ۖ
fīhi
তার মধ্যে
▶
وَسَآءَ
wasāa
এবং কত মন্দ হবে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
حِمْلًۭا
ḥim'lan
বোঝা
আয়াত 102 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ يُنفَخُ فِى ٱلصُّورِ ۚ وَنَحْشُرُ ٱلْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍۢ زُرْقًۭا
যেদিন সিঙ্গায় ফূৎকার দেয়া হবে, সেদিন আমি অপরাধীদেরকে সমবেত করব নীল চক্ষু অবস্থায়।
▶
يَوْمَ
yawma
যেদিন
▶
يُنفَخُ
yunfakhu
ফুঁ দেয়া হবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلصُّورِ ۚ
l-ṣūri
শিঙ্গার
▶
وَنَحْشُرُ
wanaḥshuru
এবং সমবেত করবো আমরা
▶
ٱلْمُجْرِمِينَ
l-muj'rimīna
অপরাধীদেরকে
▶
يَوْمَئِذٍۢ
yawma-idhin
সেদিন
▶
زُرْقًۭا
zur'qan
নীল-চোখ বিশিষ্ট (দৃষ্টিহীন অবস্থায়)
আয়াত 103 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَتَخَـٰفَتُونَ بَيْنَهُمْ إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا عَشْرًۭا
তারা চুপিসারে পরস্পরে বলাবলি করবেঃ তোমরা মাত্র দশ দিন অবস্থান করেছিলে।
▶
يَتَخَـٰفَتُونَ
yatakhāfatūna
তারা পরস্পরে চুপে-চুপে বলবে
▶
بَيْنَهُمْ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
إِن
in
"না
▶
لَّبِثْتُمْ
labith'tum
তোমরা অবস্থান করেছিলে
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
عَشْرًۭا
ʿashran
দশ (দিন)"
আয়াত 104 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
نَّحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَقُولُونَ إِذْ يَقُولُ أَمْثَلُهُمْ طَرِيقَةً إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا يَوْمًۭا
তারা কি বলে তা আমি ভালোভাবে জানি। তাদের মধ্যে যে, অপেক্ষাকৃত উত্তম পথের অনুসারী সে বলবেঃ তোমরা মাত্র একদিন অবস্থান করেছিলে।
▶
نَّحْنُ
naḥnu
আমরা
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানি
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলবে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলবে
▶
أَمْثَلُهُمْ
amthaluhum
তাদের মধ্যকার অপেক্ষাকৃত উত্তম ব্যক্তি
▶
طَرِيقَةً
ṭarīqatan
বুদ্ধিমত্তায়
▶
إِن
in
"না
▶
لَّبِثْتُمْ
labith'tum
তোমরা অবস্থান করেছিলে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
يَوْمًۭا
yawman
একদিন"
আয়াত 105 - সূরা طه: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْجِبَالِ فَقُلْ يَنسِفُهَا رَبِّى نَسْفًۭا
তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।
▶
وَيَسْـَٔلُونَكَ
wayasalūnaka
এবং তোমাকে তারা প্রশ্ন করে
▶
عَنِ
ʿani
সম্পর্কে
▶
ٱلْجِبَالِ
l-jibāli
পর্বতসমূহ
▶
فَقُلْ
faqul
অতঃপর বলো
▶
يَنسِفُهَا
yansifuhā
"তা উড়িয়ে দিবেন ধুলো করে
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রব
▶
نَسْفًۭا
nasfan
(খুব করে) উড়িয়ে দেয়া
আয়াত 106 - সূরা طه: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَيَذَرُهَا قَاعًۭا صَفْصَفًۭا
অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।
▶
فَيَذَرُهَا
fayadharuhā
অতঃপর তা পরিণত করবেন
▶
قَاعًۭا
qāʿan
সমতল
▶
صَفْصَفًۭا
ṣafṣafan
মসৃণ ময়দানে
আয়াত 107 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّا تَرَىٰ فِيهَا عِوَجًۭا وَلَآ أَمْتًۭا
তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।
▶
لَّا
lā
না
▶
تَرَىٰ
tarā
দেখবে তুমি
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
عِوَجًۭا
ʿiwajan
বাঁকা
▶
وَلَآ
walā
আর না
▶
أَمْتًۭا
amtan
অসমান (উঁচুনিচু)"
আয়াত 108 - সূরা طه: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَئِذٍۢ يَتَّبِعُونَ ٱلدَّاعِىَ لَا عِوَجَ لَهُۥ ۖ وَخَشَعَتِ ٱلْأَصْوَاتُ لِلرَّحْمَـٰنِ فَلَا تَسْمَعُ إِلَّا هَمْسًۭا
সেই দিন তারা আহবানকারীর অনুসরণ করবে, যার কথা এদিক-সেদিক হবে না এবং দয়াময় আল্লাহর ভয়ে সব শব্দ ক্ষীণ হয়ে যাবে। সুতরাং মৃদু গুঞ্জন ব্যতীত তুমি কিছুই শুনবে না।
▶
يَوْمَئِذٍۢ
yawma-idhin
সে দিন
▶
يَتَّبِعُونَ
yattabiʿūna
তারা অনুসরণ করবে
▶
ٱلدَّاعِىَ
l-dāʿiya
এক আহ্বানকারীকে
▶
لَا
lā
না থাকবে
▶
عِوَجَ
ʿiwaja
বক্রতা
▶
لَهُۥ ۖ
lahu
তার মধ্যে
▶
وَخَشَعَتِ
wakhashaʿati
এবং ক্ষীণ হবে
▶
ٱلْأَصْوَاتُ
l-aṣwātu
আওয়াজ সমূহ
▶
لِلرَّحْمَـٰنِ
lilrraḥmāni
দয়াময়ের সামনে
▶
فَلَا
falā
অতঃপর না
▶
تَسْمَعُ
tasmaʿu
শুনবে তুমি
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
هَمْسًۭا
hamsan
অস্পষ্ট ধ্বনি (পদ শব্দ)
আয়াত 109 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَئِذٍۢ لَّا تَنفَعُ ٱلشَّفَـٰعَةُ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحْمَـٰنُ وَرَضِىَ لَهُۥ قَوْلًۭا
দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দেবেন এবং যার কথায় সন্তুষ্ট হবেন সে ছাড়া কারও সুপারিশ সেদিন কোন উপকারে আসবে না।
▶
يَوْمَئِذٍۢ
yawma-idhin
সে দিন
▶
لَّا
lā
না
▶
تَنفَعُ
tanfaʿu
উপকার দিবে
▶
ٱلشَّفَـٰعَةُ
l-shafāʿatu
সুপারিশ
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
مَنْ
man
যাকে
▶
أَذِنَ
adhina
অনুমতি দিবেন
▶
لَهُ
lahu
তার জন্য
▶
ٱلرَّحْمَـٰنُ
l-raḥmānu
দয়াময় (আল্লাহ)
▶
وَرَضِىَ
waraḍiya
এবং পছন্দ করবেন
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথাকে
আয়াত 110 - সূরা طه: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِۦ عِلْمًۭا
তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পশ্চাতে আছে এবং তারা তাকে জ্ঞান দ্বারা আয়ত্ত করতে পারে না।
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
তিনি জানেন
▶
مَا
mā
যা কিছু (আছে)
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
أَيْدِيهِمْ
aydīhim
তাদের হাতের (সামনে)
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
خَلْفَهُمْ
khalfahum
তাদের পিছনে (আছে)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُحِيطُونَ
yuḥīṭūna
তারা আয়ত্ত্ব করতে পারে
▶
بِهِۦ
bihi
তাঁকে
▶
عِلْمًۭا
ʿil'man
জ্ঞানে
আয়াত 111 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَعَنَتِ ٱلْوُجُوهُ لِلْحَىِّ ٱلْقَيُّومِ ۖ وَقَدْ خَابَ مَنْ حَمَلَ ظُلْمًۭا
সেই চিরঞ্জীব চিরস্থায়ীর সামনে সব মুখমন্ডল অবনমিত হবে এবং সে ব্যর্থ হবে যে জুলুমের বোঝা বহন করবে।
▶
۞ وَعَنَتِ
waʿanati
এবং অবনমিত হবে
▶
ٱلْوُجُوهُ
l-wujūhu
মুখমণ্ডলসমূহ
▶
لِلْحَىِّ
lil'ḥayyi
কাছে চিরঞ্জীবের
▶
ٱلْقَيُّومِ ۖ
l-qayūmi
চিরস্থায়ীর
▶
وَقَدْ
waqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
خَابَ
khāba
ব্যর্থ হবে
▶
مَنْ
man
যে
▶
حَمَلَ
ḥamala
বহন করবে
▶
ظُلْمًۭا
ẓul'man
অত্যাচার (গুনাহের বোঝা)
আয়াত 112 - সূরা طه: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَعْمَلْ مِنَ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ وَهُوَ مُؤْمِنٌۭ فَلَا يَخَافُ ظُلْمًۭا وَلَا هَضْمًۭا
যে ঈমানদার অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, সে জুলুম ও ক্ষতির আশঙ্কা করবে না।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَعْمَلْ
yaʿmal
কাজ করবে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎকাজ
▶
وَهُوَ
wahuwa
এ অবস্থায়(যে) সে
▶
مُؤْمِنٌۭ
mu'minun
মু'মিন (হবে)
▶
فَلَا
falā
তাহ'লে না
▶
يَخَافُ
yakhāfu
সে ভয় করবে
▶
ظُلْمًۭا
ẓul'man
অত্যাচার
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
هَضْمًۭا
haḍman
ক্ষতির
আয়াত 113 - সূরা طه: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَذَٰلِكَ أَنزَلْنَـٰهُ قُرْءَانًا عَرَبِيًّۭا وَصَرَّفْنَا فِيهِ مِنَ ٱلْوَعِيدِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ أَوْ يُحْدِثُ لَهُمْ ذِكْرًۭا
এমনিভাবে আমি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি এবং এতে নানাভাবে সতর্কবাণী ব্যক্ত করেছি, যাতে তারা আল্লাহভীরু হয় অথবা তাদের অন্তরে চিন্তার খোরাক যোগায়।
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
আর এরূপে
▶
أَنزَلْنَـٰهُ
anzalnāhu
তা আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
قُرْءَانًا
qur'ānan
(অর্থাৎ) কুরআনকে
▶
عَرَبِيًّۭا
ʿarabiyyan
আরবী ভাষায়
▶
وَصَرَّفْنَا
waṣarrafnā
এবং আমরা বিশদভাবে বর্ণনা করেছি
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
مِنَ
mina
দিয়ে
▶
ٱلْوَعِيدِ
l-waʿīdi
সতর্কবাণী
▶
لَعَلَّهُمْ
laʿallahum
তারা যাতে
▶
يَتَّقُونَ
yattaqūna
তাকওয়া অবলম্বন করে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يُحْدِثُ
yuḥ'dithu
সৃষ্টি করবে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে
▶
ذِكْرًۭا
dhik'ran
উপদেশ(হুঁশজ্ঞান)
আয়াত 114 - সূরা طه: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَتَعَـٰلَى ٱللَّهُ ٱلْمَلِكُ ٱلْحَقُّ ۗ وَلَا تَعْجَلْ بِٱلْقُرْءَانِ مِن قَبْلِ أَن يُقْضَىٰٓ إِلَيْكَ وَحْيُهُۥ ۖ وَقُل رَّبِّ زِدْنِى عِلْمًۭا
সত্যিকার অধীশ্বর আল্লাহ মহান। আপনার প্রতি আল্লাহর ওহী সম্পুর্ণ হওয়ার পূর্বে আপনি কোরআন গ্রহণের ব্যপারে তাড়াহুড়া করবেন না এবং বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।
▶
فَتَعَـٰلَى
fataʿālā
সুতরাং মহান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْمَلِكُ
l-maliku
অধিপতি
▶
ٱلْحَقُّ ۗ
l-ḥaqu
সত্যিকার
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَعْجَلْ
taʿjal
তাড়াহুড়া করো
▶
بِٱلْقُرْءَانِ
bil-qur'āni
নিয়ে কুরআন (পাঠে)
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِ
qabli
এর পূর্ব
▶
أَن
an
যে
▶
يُقْضَىٰٓ
yuq'ḍā
সম্পূর্ণ করা হয়
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
وَحْيُهُۥ ۖ
waḥyuhu
তার ওহী(প্রেরণ)
▶
وَقُل
waqul
এবং বলো
▶
رَّبِّ
rabbi
"হে আমার রব
▶
زِدْنِى
zid'nī
আমাকে বাড়িয়ে দাও
▶
عِلْمًۭا
ʿil'man
জ্ঞান"
আয়াত 115 - সূরা طه: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ عَهِدْنَآ إِلَىٰٓ ءَادَمَ مِن قَبْلُ فَنَسِىَ وَلَمْ نَجِدْ لَهُۥ عَزْمًۭا
আমি ইতিপূর্বে আদমকে নির্দেশ দিয়েছিলাম। অতঃপর সে ভুলে গিয়েছিল এবং আমি তার মধ্যে দৃঢ়তা পাইনি।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
عَهِدْنَآ
ʿahid'nā
আমরা নির্দেশ দিয়েছিলাম
▶
إِلَىٰٓ
ilā
প্রতি
▶
ءَادَمَ
ādama
আদমের
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلُ
qablu
ইতিপূর্ব
▶
فَنَسِىَ
fanasiya
কিন্তু সে ভুলে যায়
▶
وَلَمْ
walam
এবং নি
▶
نَجِدْ
najid
আমরা পাই
▶
لَهُۥ
lahu
তার মধ্যে
▶
عَزْمًۭا
ʿazman
দৃঢ় সংকল্প
আয়াত 116 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ ٱسْجُدُوا۟ لِـَٔادَمَ فَسَجَدُوٓا۟ إِلَّآ إِبْلِيسَ أَبَىٰ
যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ তোমরা আদমকে সেজদা কর, তখন ইবলীস ব্যতীত সবাই সেজদা করল। সে অমান্য করল।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং(স্মরণ করো) যখন
▶
قُلْنَا
qul'nā
আমরা বলেছিলাম
▶
لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ
lil'malāikati
ফিরিশতাদেরকে
▶
ٱسْجُدُوا۟
us'judū
"তোমরা সিজদা করো
▶
لِـَٔادَمَ
liādama
জন্য আদমের"
▶
فَسَجَدُوٓا۟
fasajadū
তখন তারা সিজদা করলো
▶
إِلَّآ
illā
কিন্তু
▶
إِبْلِيسَ
ib'līsa
ইবলিস (করলো না)
▶
أَبَىٰ
abā
সে অমান্য করলো
আয়াত 117 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَقُلْنَا يَـٰٓـَٔادَمُ إِنَّ هَـٰذَا عَدُوٌّۭ لَّكَ وَلِزَوْجِكَ فَلَا يُخْرِجَنَّكُمَا مِنَ ٱلْجَنَّةِ فَتَشْقَىٰٓ
অতঃপর আমি বললামঃ হে আদম, এ তোমার ও তোমার স্ত্রীর শত্রু, সুতরাং সে যেন বের করে না দেয় তোমাদের জান্নাত থেকে। তাহলে তোমরা কষ্টে পতিত হবে।
▶
فَقُلْنَا
faqul'nā
তখন আমরা বললাম
▶
يَـٰٓـَٔادَمُ
yāādamu
"হে আদম
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
هَـٰذَا
hādhā
এটা
▶
عَدُوٌّۭ
ʿaduwwun
শত্রু
▶
لَّكَ
laka
জন্য তোমার
▶
وَلِزَوْجِكَ
walizawjika
এবং জন্য তোমার স্ত্রীর
▶
فَلَا
falā
অতএব না যেন
▶
يُخْرِجَنَّكُمَا
yukh'rijannakumā
তোমাদের দু'জনকে বের করে দেয়
▶
مِنَ
mina
হ'তে
▶
ٱلْجَنَّةِ
l-janati
জান্নাত
▶
فَتَشْقَىٰٓ
fatashqā
ফলে তুমি কষ্টে পড়বে
আয়াত 118 - সূরা طه: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ لَكَ أَلَّا تَجُوعَ فِيهَا وَلَا تَعْرَىٰ
তোমাকে এই দেয়া হল যে, তুমি এতে ক্ষুধার্ত হবে না এবং বস্ত্রহীণ হবে না।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
لَكَ
laka
জন্যে তোমার
▶
أَلَّا
allā
(এ ব্যবস্থা) যে না
▶
تَجُوعَ
tajūʿa
তুমি ক্ষুধার্ত হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
تَعْرَىٰ
taʿrā
তুমি উলঙ্গ হবে
আয়াত 119 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَنَّكَ لَا تَظْمَؤُا۟ فِيهَا وَلَا تَضْحَىٰ
এবং তোমার পিপাসাও হবে না এবং রৌদ্রেও কষ্ট পাবে না।
▶
وَأَنَّكَ
wa-annaka
এবং (এও) যে তুমি
▶
لَا
lā
না
▶
تَظْمَؤُا۟
taẓma-u
পিপাসার্ত হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
تَضْحَىٰ
taḍḥā
রোদে উতপ্ত হবে
আয়াত 120 - সূরা طه: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَوَسْوَسَ إِلَيْهِ ٱلشَّيْطَـٰنُ قَالَ يَـٰٓـَٔادَمُ هَلْ أَدُلُّكَ عَلَىٰ شَجَرَةِ ٱلْخُلْدِ وَمُلْكٍۢ لَّا يَبْلَىٰ
অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রনা দিল, বললঃ হে আদম, আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্তকাল জীবিত থাকার বৃক্ষের কথা এবং অবিনশ্বর রাজত্বের কথা?
▶
فَوَسْوَسَ
fawaswasa
কিন্তু কুমন্ত্রনা দিলো
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তার দিকে
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
يَـٰٓـَٔادَمُ
yāādamu
"হে আদম
▶
هَلْ
hal
কি
▶
أَدُلُّكَ
adulluka
তোমাকে আমি বলে দিবো
▶
عَلَىٰ
ʿalā
সমন্ধে
▶
شَجَرَةِ
shajarati
এই গাছের
▶
ٱلْخُلْدِ
l-khul'di
চিরন্তন জীবনের
▶
وَمُلْكٍۢ
wamul'kin
ও এমন রাজ্যের
▶
لَّا
lā
(যা) না
▶
يَبْلَىٰ
yablā
ক্ষয় হয়"
আয়াত 121 - সূরা طه: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَكَلَا مِنْهَا فَبَدَتْ لَهُمَا سَوْءَٰتُهُمَا وَطَفِقَا يَخْصِفَانِ عَلَيْهِمَا مِن وَرَقِ ٱلْجَنَّةِ ۚ وَعَصَىٰٓ ءَادَمُ رَبَّهُۥ فَغَوَىٰ
অতঃপর তারা উভয়েই এর ফল ভক্ষণ করল, তখন তাদের সামনে তাদের লজ্জাস্থান খুলে গেল এবং তারা জান্নাতের বৃক্ষ-পত্র দ্বারা নিজেদেরকে আবৃত করতে শুরু করল। আদম তার পালনকর্তার অবাধ্যতা করল, ফলে সে পথ ভ্রষ্ঠ হয়ে গেল।
▶
فَأَكَلَا
fa-akalā
অতঃপর উভয়ে খেলো
▶
مِنْهَا
min'hā
তা থেকে
▶
فَبَدَتْ
fabadat
তখন প্রকাশ হয়ে পড়লো
▶
لَهُمَا
lahumā
কাছে তাদের উভয়ের
▶
سَوْءَٰتُهُمَا
sawātuhumā
তাদের উভয়ের লজ্জাস্থানসমূহ
▶
وَطَفِقَا
waṭafiqā
এবং উভয়ে শুরু করলো
▶
يَخْصِفَانِ
yakhṣifāni
উভয়ে ঢাকতে
▶
عَلَيْهِمَا
ʿalayhimā
তাদের দুজনের উপর
▶
مِن
min
দিয়ে
▶
وَرَقِ
waraqi
পাতা
▶
ٱلْجَنَّةِ ۚ
l-janati
জান্নাতের
▶
وَعَصَىٰٓ
waʿaṣā
এবং অমান্য করলো
▶
ءَادَمُ
ādamu
আদম
▶
رَبَّهُۥ
rabbahu
তার রবকে
▶
فَغَوَىٰ
faghawā
অতঃপর সে বিভ্রান্ত হলো
আয়াত 122 - সূরা طه: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ ٱجْتَبَـٰهُ رَبُّهُۥ فَتَابَ عَلَيْهِ وَهَدَىٰ
এরপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন, তার প্রতি মনোযোগী হলেন এবং তাকে সুপথে আনয়ন করলেন।
▶
ثُمَّ
thumma
এরপরে
▶
ٱجْتَبَـٰهُ
ij'tabāhu
তাকে মনোনীত করলেন (সম্মানিত করলেন)
▶
رَبُّهُۥ
rabbuhu
তাঁর রব
▶
فَتَابَ
fatāba
অতঃপর ক্ষমা করলেন
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার প্রতি
▶
وَهَدَىٰ
wahadā
ও পথ দেখালেন
আয়াত 123 - সূরা طه: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ ٱهْبِطَا مِنْهَا جَمِيعًۢا ۖ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّۭ ۖ فَإِمَّا يَأْتِيَنَّكُم مِّنِّى هُدًۭى فَمَنِ ٱتَّبَعَ هُدَاىَ فَلَا يَضِلُّ وَلَا يَشْقَىٰ
তিনি বললেনঃ তোমরা উভয়েই এখান থেকে এক সঙ্গে নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু। এরপর যদি আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে হেদায়েত আসে, তখন যে আমার বর্ণিত পথ অনুসরণ করবে, সে পথভ্রষ্ঠ হবে না এবং কষ্টে পতিত হবে না।
▶
قَالَ
qāla
(আল্লাহ) বললেন
▶
ٱهْبِطَا
ih'biṭā
"উভয়ে নেমে যাও
▶
مِنْهَا
min'hā
তা থেকে
▶
جَمِيعًۢا ۖ
jamīʿan
এক সঙ্গে
▶
بَعْضُكُمْ
baʿḍukum
তোমরা একে
▶
لِبَعْضٍ
libaʿḍin
জন্যে অপরের
▶
عَدُوٌّۭ ۖ
ʿaduwwun
শত্রু (হবে)
▶
فَإِمَّا
fa-immā
অতঃপর যখন
▶
يَأْتِيَنَّكُم
yatiyannakum
তোমাদের কাছে আসবে
▶
مِّنِّى
minnī
আমার পক্ষ হ'তে
▶
هُدًۭى
hudan
পথনির্দেশ
▶
فَمَنِ
famani
তখন যে
▶
ٱتَّبَعَ
ittabaʿa
অনুসরণ করবে
▶
هُدَاىَ
hudāya
আমার পথনির্দেশ
▶
فَلَا
falā
ফলে না
▶
يَضِلُّ
yaḍillu
বিভ্রান্ত হবে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
يَشْقَىٰ
yashqā
কষ্ট পাবে
আয়াত 124 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَنْ أَعْرَضَ عَن ذِكْرِى فَإِنَّ لَهُۥ مَعِيشَةًۭ ضَنكًۭا وَنَحْشُرُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ أَعْمَىٰ
এবং যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব।
▶
وَمَنْ
waman
আর যে
▶
أَعْرَضَ
aʿraḍa
বিমুখ হবে
▶
عَن
ʿan
হ'তে
▶
ذِكْرِى
dhik'rī
আমার স্মরণ
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তবে
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে (হবে)
▶
مَعِيشَةًۭ
maʿīshatan
জীবন যাপন
▶
ضَنكًۭا
ḍankan
সংকুচিত
▶
وَنَحْشُرُهُۥ
wanaḥshuruhu
আর তাকে উঠাবো আমরা
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
أَعْمَىٰ
aʿmā
অন্ধ অবস্থায়"
আয়াত 125 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِىٓ أَعْمَىٰ وَقَدْ كُنتُ بَصِيرًۭا
সে বলবেঃ হে আমার পালনকর্তা আমাকে কেন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করলেন? আমি তো চক্ষুমান ছিলাম।
▶
قَالَ
qāla
সে বলবে
▶
رَبِّ
rabbi
"হে আমার রব
▶
لِمَ
lima
কেন
▶
حَشَرْتَنِىٓ
ḥashartanī
আমাকে আপনি উঠালেন
▶
أَعْمَىٰ
aʿmā
অন্ধ অবস্থায়
▶
وَقَدْ
waqad
অথচ নিশ্চয়ই
▶
كُنتُ
kuntu
আমি ছিলাম
▶
بَصِيرًۭا
baṣīran
চক্ষুষ্মান"
আয়াত 126 - সূরা طه: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ كَذَٰلِكَ أَتَتْكَ ءَايَـٰتُنَا فَنَسِيتَهَا ۖ وَكَذَٰلِكَ ٱلْيَوْمَ تُنسَىٰ
আল্লাহ বলবেনঃ এমনিভাবে তোমার কাছে আমার আয়াতসমূহ এসেছিল, অতঃপর তুমি সেগুলো ভুলে গিয়েছিলে। তেমনিভাবে আজ তোমাকে ভুলে যাব।
▶
قَالَ
qāla
তিনি বলবেন
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
"এমনিভাবেই
▶
أَتَتْكَ
atatka
তোমাদের কাছে এসেছিলো
▶
ءَايَـٰتُنَا
āyātunā
আমাদের নিদর্শনাবলী
▶
فَنَسِيتَهَا ۖ
fanasītahā
তখন তা তুমি ভুলে গিয়েছিলে
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
এবং এভাবেই
▶
ٱلْيَوْمَ
l-yawma
আজ
▶
تُنسَىٰ
tunsā
বিস্মৃত হয়েছো তুমি"
আয়াত 127 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَذَٰلِكَ نَجْزِى مَنْ أَسْرَفَ وَلَمْ يُؤْمِنۢ بِـَٔايَـٰتِ رَبِّهِۦ ۚ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَشَدُّ وَأَبْقَىٰٓ
এমনিভাবে আমি তাকে প্রতিফল দেব, যে সীমালঙ্ঘন করে এবং পালনকর্তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন না করে। তার পরকালের শাস্তি কঠোরতর এবং অনেক স্থায়ী।
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
এবং এরূপেই
▶
نَجْزِى
najzī
প্রতিফল দিই আমরা
▶
مَنْ
man
(তাকে) যে
▶
أَسْرَفَ
asrafa
বাড়াবাড়ি করে
▶
وَلَمْ
walam
এবং না
▶
يُؤْمِنۢ
yu'min
বিশ্বাস করে
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
নিদর্শনাবলীর প্রতি
▶
رَبِّهِۦ ۚ
rabbihi
তার রবের
▶
وَلَعَذَابُ
walaʿadhābu
এবং অবশ্যই শাস্তি
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
أَشَدُّ
ashaddu
কঠোরতর
▶
وَأَبْقَىٰٓ
wa-abqā
ও অধিক স্থায়ী
আয়াত 128 - সূরা طه: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّنَ ٱلْقُرُونِ يَمْشُونَ فِى مَسَـٰكِنِهِمْ ۗ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّأُو۟لِى ٱلنُّهَىٰ
আমি এদের পূর্বে অনেক সম্প্রদায়কে ধবংস করেছি। যাদের বাসভুমিতে এরা বিচরণ করে, এটা কি এদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করল না? নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
▶
أَفَلَمْ
afalam
নি তবে কি
▶
يَهْدِ
yahdi
পথ দেখায় (ইতিহাসের এ শিক্ষা)
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে
▶
كَمْ
kam
কতই (না)
▶
أَهْلَكْنَا
ahlaknā
আমরা ধ্বংস করেছি (জনপদ)
▶
قَبْلَهُم
qablahum
তাদের পূর্বে
▶
مِّنَ
mina
মধ্য হ'তে
▶
ٱلْقُرُونِ
l-qurūni
মানব গোষ্ঠির
▶
يَمْشُونَ
yamshūna
তারা চলছে (আজ)
▶
فِى
fī
মধ্য দিয়ে
▶
مَسَـٰكِنِهِمْ ۗ
masākinihim
তাদের বাসস্থানসমূহের
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে (রয়েছে)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَـَٔايَـٰتٍۢ
laāyātin
অবশ্যই নিদর্শনাবলী
▶
لِّأُو۟لِى
li-ulī
জন্যে অধিকারীদের
▶
ٱلنُّهَىٰ
l-nuhā
বুদ্ধি-বিবেকের
আয়াত 129 - সূরা طه: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْلَا كَلِمَةٌۭ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَكَانَ لِزَامًۭا وَأَجَلٌۭ مُّسَمًّۭى
আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত এবং একটি কাল নির্দিষ্ট না থাকলে শাস্তি অবশ্যম্ভাবী হয়ে যেত।
▶
وَلَوْلَا
walawlā
এবং যদি না
▶
كَلِمَةٌۭ
kalimatun
একটি বাণী
▶
سَبَقَتْ
sabaqat
পূর্বে নির্দিষ্ট হয়ে থাকতো
▶
مِن
min
পক্ষ হ'তে
▶
رَّبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
لَكَانَ
lakāna
অবশ্যই হতো (শাস্তি)
▶
لِزَامًۭا
lizāman
অবশ্যম্ভাবী
▶
وَأَجَلٌۭ
wa-ajalun
ও একটি কাল (যদি না থাকতো)
▶
مُّسَمًّۭى
musamman
নির্দিষ্ট
আয়াত 130 - সূরা طه: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱصْبِرْ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ ٱلشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا ۖ وَمِنْ ءَانَآئِ ٱلَّيْلِ فَسَبِّحْ وَأَطْرَافَ ٱلنَّهَارِ لَعَلَّكَ تَرْضَىٰ
সুতরাং এরা যা বলে সে বিষয়ে ধৈর্য্য ধারণ করুন এবং আপনার পালনকর্তার প্রশংসা পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে, সূর্যাস্তের পূর্বে এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন রাত্রির কিছু অংশ ও দিবাভাগে, সম্ভবতঃ তাতে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।
▶
فَٱصْبِرْ
fa-iṣ'bir
সুতরাং ধৈর্য ধরো
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَا
mā
যা
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলে
▶
وَسَبِّحْ
wasabbiḥ
ও মহিমা ঘোষণা করো
▶
بِحَمْدِ
biḥamdi
প্রশংসা সহ
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
قَبْلَ
qabla
পূর্বে
▶
طُلُوعِ
ṭulūʿi
উদয়ের
▶
ٱلشَّمْسِ
l-shamsi
সূর্য
▶
وَقَبْلَ
waqabla
ও পূর্বে
▶
غُرُوبِهَا ۖ
ghurūbihā
তার অস্তের
▶
وَمِنْ
wamin
এবং
▶
ءَانَآئِ
ānāi
কিছু অংশে
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
فَسَبِّحْ
fasabbiḥ
অতঃপর মহিমা ঘোষণা করো
▶
وَأَطْرَافَ
wa-aṭrāfa
ও প্রান্ত ভাগে
▶
ٱلنَّهَارِ
l-nahāri
দিনের
▶
لَعَلَّكَ
laʿallaka
সম্ভবতঃ তুমি
▶
تَرْضَىٰ
tarḍā
সন্তুষ্ট হবে
আয়াত 131 - সূরা طه: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعْنَا بِهِۦٓ أَزْوَٰجًۭا مِّنْهُمْ زَهْرَةَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا لِنَفْتِنَهُمْ فِيهِ ۚ وَرِزْقُ رَبِّكَ خَيْرٌۭ وَأَبْقَىٰ
আমি এদের বিভিন্ন প্রকার লোককে পরীক্ষা করার জন্যে পার্থিবজীবনের সৌন্দর্য স্বরূপ ভোগ-বিলাসের যে উপকরণ দিয়েছি, আপনি সেই সব বস্তুর প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন না। আপনার পালনকর্তার দেয়া রিযিক উৎকৃষ্ট ও অধিক স্থায়ী।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَمُدَّنَّ
tamuddanna
প্রসারিত তুমি করো
▶
عَيْنَيْكَ
ʿaynayka
তোমার দুচোখ
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
مَا
mā
যা
▶
مَتَّعْنَا
mattaʿnā
আমরা উপকরণ দিয়েছি
▶
بِهِۦٓ
bihi
সে সম্পর্কে
▶
أَزْوَٰجًۭا
azwājan
বিভিন্ন শ্রেণীকে
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যকার
▶
زَهْرَةَ
zahrata
সৌন্দর্য হিসেবে
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পার্থিব
▶
لِنَفْتِنَهُمْ
linaftinahum
যেন তাদের পরীক্ষা করি আমরা
▶
فِيهِ ۚ
fīhi
তার মধ্যে
▶
وَرِزْقُ
wariz'qu
আর জীবিকাই
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
وَأَبْقَىٰ
wa-abqā
ও স্থায়ী
আয়াত 132 - সূরা طه: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأْمُرْ أَهْلَكَ بِٱلصَّلَوٰةِ وَٱصْطَبِرْ عَلَيْهَا ۖ لَا نَسْـَٔلُكَ رِزْقًۭا ۖ نَّحْنُ نَرْزُقُكَ ۗ وَٱلْعَـٰقِبَةُ لِلتَّقْوَىٰ
আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাযের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোন রিযিক চাই না। আমি আপনাকে রিযিক দেই এবং আল্লাহ ভীরুতার পরিণাম শুভ।
▶
وَأْمُرْ
wamur
এবং নির্দেশ দাও
▶
أَهْلَكَ
ahlaka
তোমার পরিবারকে
▶
بِٱلصَّلَوٰةِ
bil-ṣalati
সালাত সম্পর্কে
▶
وَٱصْطَبِرْ
wa-iṣ'ṭabir
এবং দৃঢ় থাকো
▶
عَلَيْهَا ۖ
ʿalayhā
তার উপর
▶
لَا
lā
না
▶
نَسْـَٔلُكَ
nasaluka
তোমার কাছে চাই আমরা
▶
رِزْقًۭا ۖ
riz'qan
কোন জীবিকা
▶
نَّحْنُ
naḥnu
আমরাই
▶
نَرْزُقُكَ ۗ
narzuquka
তোমাকে জীবিকা দিই
▶
وَٱلْعَـٰقِبَةُ
wal-ʿāqibatu
এবং পরিণাম (শুভ)
▶
لِلتَّقْوَىٰ
lilttaqwā
জন্যে মুত্তাকীদের
আয়াত 133 - সূরা طه: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوا۟ لَوْلَا يَأْتِينَا بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّهِۦٓ ۚ أَوَلَمْ تَأْتِهِم بَيِّنَةُ مَا فِى ٱلصُّحُفِ ٱلْأُولَىٰ
এরা বলেঃ সে আমাদের কাছে তার পালনকর্তার কাছ থেকে কোন নিদর্শন আনয়ন করে না কেন? তাদের কাছে কি প্রমাণ আসেনি, যা পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহে আছে?
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলে
▶
لَوْلَا
lawlā
"কেন না
▶
يَأْتِينَا
yatīnā
আমাদের কাছে আসে
▶
بِـَٔايَةٍۢ
biāyatin
একটি নিদর্শন (অর্থাৎ মুজি'যা)
▶
مِّن
min
থেকে
▶
رَّبِّهِۦٓ ۚ
rabbihi
তার রবের"
▶
أَوَلَمْ
awalam
কি নি
▶
تَأْتِهِم
tatihim
তাদের কাছে আসে
▶
بَيِّنَةُ
bayyinatu
সুস্পষ্ট (শিক্ষা)
▶
مَا
mā
যা (আছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلصُّحُفِ
l-ṣuḥufi
কিতাব
▶
ٱلْأُولَىٰ
l-ūlā
পূর্ববর্তীদের
আয়াত 134 - সূরা طه: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْ أَنَّآ أَهْلَكْنَـٰهُم بِعَذَابٍۢ مِّن قَبْلِهِۦ لَقَالُوا۟ رَبَّنَا لَوْلَآ أَرْسَلْتَ إِلَيْنَا رَسُولًۭا فَنَتَّبِعَ ءَايَـٰتِكَ مِن قَبْلِ أَن نَّذِلَّ وَنَخْزَىٰ
যদি আমি এদেরকে ইতিপূর্বে কোন শাস্তি দ্বারা ধ্বংস করতাম, তবে এরা বলতঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি আমাদের কাছে একজন রসূল প্রেরণ করলেন না কেন? তাহলে তো আমরা অপমানিত ও হেয় হওয়ার পূর্বেই আপনার নিদর্শন সমূহ মেনে চলতাম।
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি (এমন হতো)
▶
أَنَّآ
annā
যে আমরা
▶
أَهْلَكْنَـٰهُم
ahlaknāhum
তাদের আমরা ধ্বংস করে দিতাম
▶
بِعَذَابٍۢ
biʿadhābin
দিয়ে শাস্তি
▶
مِّن
min
থেকে
▶
قَبْلِهِۦ
qablihi
তার পূর্ব
▶
لَقَالُوا۟
laqālū
অবশ্যই তারা বলতো
▶
رَبَّنَا
rabbanā
"হে আমাদের রব
▶
لَوْلَآ
lawlā
কেন না
▶
أَرْسَلْتَ
arsalta
তুমি পাঠিয়েছিলে
▶
إِلَيْنَا
ilaynā
আমাদের প্রতি
▶
رَسُولًۭا
rasūlan
কোন রাসূল
▶
فَنَتَّبِعَ
fanattabiʿa
আমরা তাহ'লে অনুসরণ করতাম
▶
ءَايَـٰتِكَ
āyātika
তোমার নিদর্শনাবলীর
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِ
qabli
এর পূর্ব
▶
أَن
an
যে
▶
نَّذِلَّ
nadhilla
লাঞ্ছিত হতাম আমরা
▶
وَنَخْزَىٰ
wanakhzā
ও আমরা অপমানিত হতাম"
আয়াত 135 - সূরা طه: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ كُلٌّۭ مُّتَرَبِّصٌۭ فَتَرَبَّصُوا۟ ۖ فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ أَصْحَـٰبُ ٱلصِّرَٰطِ ٱلسَّوِىِّ وَمَنِ ٱهْتَدَىٰ
বলুন, প্রত্যেকেই পথপানে চেয়ে আছে, সুতরাং তোমরাও পথপানে চেয়ে থাক। অদূর ভবিষ্যতে তোমরা জানতে পারবে কে সরল পথের পথিক এবং কে সৎপথ প্রাপ্ত হয়েছে।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
كُلٌّۭ
kullun
"প্রত্যেকেই
▶
مُّتَرَبِّصٌۭ
mutarabbiṣun
অপেক্ষাকারী
▶
فَتَرَبَّصُوا۟ ۖ
fatarabbaṣū
সুতরাং তোমরা অপেক্ষা করো
▶
فَسَتَعْلَمُونَ
fasataʿlamūna
অতঃপর তোমরা জানবে শীঘ্রই
▶
مَنْ
man
কারা
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিকারী
▶
ٱلصِّرَٰطِ
l-ṣirāṭi
পথের
▶
ٱلسَّوِىِّ
l-sawiyi
সরল সঠিক
▶
وَمَنِ
wamani
এবং কারা
▶
ٱهْتَدَىٰ
ih'tadā
সৎপথ অবলম্বন করেছে"
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে