সূরা طه শব্দে শব্দে

ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা طه শব্দে শব্দে

طه (طه) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 135টি আয়াত, 1,335টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।

1,335টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা طه আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।

30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে

📖 7 মিনিটের পাঠ

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

আয়াত 1 - সূরা طه: 1 শব্দ

طه

তোয়া-হা

طه tta-ha ত্বা-হা

আয়াত 2 - সূরা طه: 5 শব্দ

مَآ أَنزَلْنَا عَلَيْكَ ٱلْقُرْءَانَ لِتَشْقَىٰٓ

আপনাকে ক্লেশ দেবার জন্য আমি আপনার প্রতি কোরআন অবতীর্ণ করিনি।

مَآ mā না
أَنزَلْنَا anzalnā আমরা অবতীর্ণ করেছি
عَلَيْكَ ʿalayka তোমার উপর
ٱلْقُرْءَانَ l-qur'āna (এই) কুরআন
لِتَشْقَىٰٓ litashqā তোমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্যে

আয়াত 3 - সূরা طه: 4 শব্দ

إِلَّا تَذْكِرَةًۭ لِّمَن يَخْشَىٰ

কিন্তু তাদেরই উপদেশের জন্য যারা ভয় করে।

إِلَّا illā কিন্তু
تَذْكِرَةًۭ tadhkiratan উপদেশ
لِّمَن liman ( তার ) জন্যে যে
يَخْشَىٰ yakhshā ভয় করে

আয়াত 4 - সূরা طه: 6 শব্দ

تَنزِيلًۭا مِّمَّنْ خَلَقَ ٱلْأَرْضَ وَٱلسَّمَـٰوَٰتِ ٱلْعُلَى

এটা তাঁর কাছ থেকে অবতীর্ণ, যিনি ভূমন্ডল ও সমুচ্চ নভোমন্ডল সৃষ্টি করেছেন।

تَنزِيلًۭا tanzīlan অবতীর্ণ করা ( হয়েছে )
مِّمَّنْ mimman তাঁর পক্ষ হ'তে
خَلَقَ khalaqa ( যিনি ) সৃষ্টি করেছেন
ٱلْأَرْضَ l-arḍa পৃথিবীকে
وَٱلسَّمَـٰوَٰتِ wal-samāwāti ও আকাশমণ্ডলীকে
ٱلْعُلَى l-ʿulā ( যা ) সমুচ্চ

আয়াত 5 - সূরা طه: 4 শব্দ

ٱلرَّحْمَـٰنُ عَلَى ٱلْعَرْشِ ٱسْتَوَىٰ

তিনি পরম দয়াময়, আরশে সমাসীন হয়েছেন।

ٱلرَّحْمَـٰنُ al-raḥmānu ( তিনিই ) দয়াময়
عَلَى ʿalā যিনি উপর
ٱلْعَرْشِ l-ʿarshi আরশের
ٱسْتَوَىٰ is'tawā সমাসীন হয়েছেন

আয়াত 6 - সূরা طه: 12 শব্দ

لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَمَا تَحْتَ ٱلثَّرَىٰ

নভোমন্ডলে, ভুমন্ডলে, এতদুভয়ের মধ্যবর্তী স্থানে এবং সিক্ত ভূগর্ভে যা আছে, তা তাঁরই।

لَهُۥ lahu তাঁরই ( মালিকানায় )
مَا mā যা কিছু
فِى fī মধ্যে আছে
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ l-samāwāti আকাশমণ্ডলীর
وَمَا wamā ও যা কিছু
فِى fī মধ্যে আছে
ٱلْأَرْضِ l-arḍi পৃথিবীর
وَمَا wamā এবং যা কিছু ( আছে )
بَيْنَهُمَا baynahumā উভয়ের মাঝে
وَمَا wamā এবং যা কিছু ( আছে )
تَحْتَ taḥta নিচে
ٱلثَّرَىٰ l-tharā সিক্ত মাটির

আয়াত 7 - সূরা طه: 7 শব্দ

وَإِن تَجْهَرْ بِٱلْقَوْلِ فَإِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلسِّرَّ وَأَخْفَى

যদি তুমি উচ্চকন্ঠেও কথা বল, তিনি তো গুপ্ত ও তদপেক্ষাও গুপ্ত বিষয়বস্তু জানেন।

وَإِن wa-in এবং যদি
تَجْهَرْ tajhar উঁচু গলায় বলো
بِٱلْقَوْلِ bil-qawli কথাকে ( তাও তিনি শুনেন )
فَإِنَّهُۥ fa-innahu তবে নিশ্চয়ই তিনি
يَعْلَمُ yaʿlamu জানেন
ٱلسِّرَّ l-sira গুপ্ত
وَأَخْفَى wa-akhfā এবং অব্যক্ত ( কথাও )

আয়াত 8 - সূরা طه: 8 শব্দ

ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ لَهُ ٱلْأَسْمَآءُ ٱلْحُسْنَىٰ

আল্লাহ তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য ইলাহ নেই। সব সৌন্দর্যমন্ডিত নাম তাঁরই।

ٱللَّهُ al-lahu আল্লাহ ( এমন সত্ত্বা যে )
لَآ lā নেই
إِلَـٰهَ ilāha কোন ইলাহ
إِلَّا illā ছাড়া
هُوَ ۖ huwa তিনি
لَهُ lahu তাঁরই আছে
ٱلْأَسْمَآءُ l-asmāu নামসমূহ
ٱلْحُسْنَىٰ l-ḥus'nā সুন্দর

আয়াত 9 - সূরা طه: 4 শব্দ

وَهَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ

আপনার কাছে মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি।

وَهَلْ wahal আর কি
أَتَىٰكَ atāka তোমার কাছে এসেছে
حَدِيثُ ḥadīthu বৃত্তান্ত
مُوسَىٰٓ mūsā মূসার

আয়াত 10 - সূরা طه: 18 শব্দ

إِذْ رَءَا نَارًۭا فَقَالَ لِأَهْلِهِ ٱمْكُثُوٓا۟ إِنِّىٓ ءَانَسْتُ نَارًۭا لَّعَلِّىٓ ءَاتِيكُم مِّنْهَا بِقَبَسٍ أَوْ أَجِدُ عَلَى ٱلنَّارِ هُدًۭى

তিনি যখন আগুন দেখলেন, তখন পরিবারবর্গকে বললেনঃ তোমরা এখানে অবস্থান কর আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবতঃ আমি তা থেকে তোমাদের কাছে কিছু আগুন জালিয়ে আনতে পারব অথবা আগুনে পৌছে পথের সন্ধান পাব।

إِذْ idh যখন
رَءَا raā সে দেখেছিলো
نَارًۭا nāran আগুন
فَقَالَ faqāla তখন বলেছিলো
لِأَهْلِهِ li-ahlihi তার পরিবারবর্গকে
ٱمْكُثُوٓا۟ um'kuthū "তোমরা থাকো ( অপেক্ষা করো )
إِنِّىٓ innī নিশ্চয়ই আমি
ءَانَسْتُ ānastu দেখেছি
نَارًۭا nāran আগুন
لَّعَلِّىٓ laʿallī সম্ভবতঃ আমি
ءَاتِيكُم ātīkum তোমাদের কাছে আমি আসবো
مِّنْهَا min'hā তা থেকে
بِقَبَسٍ biqabasin ( কিছু ) অঙ্গার নিয়ে
أَوْ aw অথবা
أَجِدُ ajidu আমি পাবো
عَلَى ʿalā কাছে
ٱلنَّارِ l-nāri আগুনের
هُدًۭى hudan পথের"

আয়াত 11 - সূরা طه: 4 শব্দ

فَلَمَّآ أَتَىٰهَا نُودِىَ يَـٰمُوسَىٰٓ

অতঃপর যখন তিনি আগুনের কাছে পৌছলেন, তখন আওয়াজ আসল হে মূসা,

فَلَمَّآ falammā অতঃপর যখন
أَتَىٰهَا atāhā তার কাছে আসলো
نُودِىَ nūdiya তাকে ডাকা হলো
يَـٰمُوسَىٰٓ yāmūsā "( বলা হলো ) হে মূসা

আয়াত 12 - সূরা طه: 9 শব্দ

إِنِّىٓ أَنَا۠ رَبُّكَ فَٱخْلَعْ نَعْلَيْكَ ۖ إِنَّكَ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًۭى

আমিই তোমার পালনকর্তা, অতএব তুমি জুতা খুলে ফেল, তুমি পবিত্র উপত্যকা তুয়ায় রয়েছ।

إِنِّىٓ innī নিশ্চয়ই আমি
أَنَا۠ anā আমিই
رَبُّكَ rabbuka তোমার রব
فَٱخْلَعْ fa-ikh'laʿ অতএব খুলে ফেলো তুমি
نَعْلَيْكَ ۖ naʿlayka তোমার জুতা জোড়া
إِنَّكَ innaka তুমি নিশ্চয়ই
بِٱلْوَادِ bil-wādi উপত্যকার মধ্যে
ٱلْمُقَدَّسِ l-muqadasi পবিত্র
طُوًۭى ṭuwan ( যার নাম ) তুওয়া

আয়াত 13 - সূরা طه: 5 শব্দ

وَأَنَا ٱخْتَرْتُكَ فَٱسْتَمِعْ لِمَا يُوحَىٰٓ

এবং আমি তোমাকে মনোনীত করেছি, অতএব যা প্রত্যাদেশ করা হচ্ছে, তা শুনতে থাক।

وَأَنَا wa-anā এবং আমি
ٱخْتَرْتُكَ ikh'tartuka তোমাকে বেছে নিয়েছি
فَٱسْتَمِعْ fa-is'tamiʿ সুতরাং তুমি মনোযোগসহ শুনো
لِمَا limā তাই যা কিছু
يُوحَىٰٓ yūḥā ওহী করা হয়

আয়াত 14 - সূরা طه: 11 শব্দ

إِنَّنِىٓ أَنَا ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعْبُدْنِى وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ لِذِكْرِىٓ

আমিই আল্লাহ আমি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। অতএব আমার এবাদত কর এবং আমার স্মরণার্থে নামায কায়েম কর।

إِنَّنِىٓ innanī আমি নিশ্চয়ই
أَنَا anā আমিই
ٱللَّهُ l-lahu আল্লাহ
لَآ lā নেই
إِلَـٰهَ ilāha কোন ইলাহ
إِلَّآ illā ছাড়া
أَنَا۠ anā আমি
فَٱعْبُدْنِى fa-uʿ'bud'nī সুতরাং আমারই ইবাদত করো
وَأَقِمِ wa-aqimi এবং প্রতিষ্ঠিত করো
ٱلصَّلَوٰةَ l-ṣalata সালাত
لِذِكْرِىٓ lidhik'rī আমার স্মরণের জন্যে

আয়াত 15 - সূরা طه: 10 শব্দ

إِنَّ ٱلسَّاعَةَ ءَاتِيَةٌ أَكَادُ أُخْفِيهَا لِتُجْزَىٰ كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا تَسْعَىٰ

কেয়ামত অবশ্যই আসবে, আমি তা গোপন রাখতে চাই; যাতে প্রত্যেকেই তার কর্মানুযায়ী ফল লাভ করে।

إِنَّ inna নিশ্চয়ই
ٱلسَّاعَةَ l-sāʿata ক্বিয়ামাত
ءَاتِيَةٌ ātiyatun আসবেই
أَكَادُ akādu রাখতে চাই আমি
أُخْفِيهَا ukh'fīhā তা গোপন
لِتُجْزَىٰ lituj'zā যেন প্রতিফল পায়
كُلُّ kullu প্রত্যেক
نَفْسٍۭ nafsin ব্যক্তি
بِمَا bimā ঐ বিষয়ের যা
تَسْعَىٰ tasʿā সে চেষ্টা সাধনা করে

আয়াত 16 - সূরা طه: 10 শব্দ

فَلَا يَصُدَّنَّكَ عَنْهَا مَن لَّا يُؤْمِنُ بِهَا وَٱتَّبَعَ هَوَىٰهُ فَتَرْدَىٰ

সুতরাং যে ব্যক্তি কেয়ামতে বিশ্বাস রাখে না এবং নিজ খাহেশের অনুসরণ করে, সে যেন তোমাকে তা থেকে নিবৃত্ত না করে। নিবৃত্ত হলে তুমি ধবংস হয়ে যাবে।

فَلَا falā সুতরাং না
يَصُدَّنَّكَ yaṣuddannaka তোমাকে নিবৃত্ত করে ( যেন )
عَنْهَا ʿanhā তা থেকে
مَن man সেই ব্যক্তি (যে )
لَّا lā না
يُؤْمِنُ yu'minu ঈমান আনে
بِهَا bihā তার উপর
وَٱتَّبَعَ wa-ittabaʿa এবং অনুসরণ করেছে
هَوَىٰهُ hawāhu তার প্রবৃত্তির
فَتَرْدَىٰ fatardā তাহ'লে তুমি ধ্বংস হবে

আয়াত 17 - সূরা طه: 4 শব্দ

وَمَا تِلْكَ بِيَمِينِكَ يَـٰمُوسَىٰ

হে মূসা, তোমার ডানহাতে ওটা কি?

وَمَا wamā এবং ( আল্লাহ বললেন ) কি
تِلْكَ til'ka ওটা
بِيَمِينِكَ biyamīnika তোমার ডান হাতের মধ্যে
يَـٰمُوسَىٰ yāmūsā হে মূসা"

আয়াত 18 - সূরা طه: 13 শব্দ

قَالَ هِىَ عَصَاىَ أَتَوَكَّؤُا۟ عَلَيْهَا وَأَهُشُّ بِهَا عَلَىٰ غَنَمِى وَلِىَ فِيهَا مَـَٔارِبُ أُخْرَىٰ

তিনি বললেনঃ এটা আমার লাঠি, আমি এর উপর ভর দেই এবং এর দ্বারা আমার ছাগপালের জন্যে বৃক্ষপত্র ঝেড়ে ফেলি এবং এতে আমার অন্যান্য কাজ ও চলে।

قَالَ qāla সে বললো
هِىَ hiya "তা
عَصَاىَ ʿaṣāya আমার লাঠি
أَتَوَكَّؤُا۟ atawakka-u ভর দিই আমি
عَلَيْهَا ʿalayhā তার উপর
وَأَهُشُّ wa-ahushu এবং পাতা পাড়ি আমি
بِهَا bihā তা দিয়ে
عَلَىٰ ʿalā উপর
غَنَمِى ghanamī আমার ছাগল ( পালের )
وَلِىَ waliya এবং আমার আছে
فِيهَا fīhā তা দ্বারা
مَـَٔارِبُ maāribu প্রয়োজনসমূহ
أُخْرَىٰ ukh'rā আরও ( কিছু )"

আয়াত 19 - সূরা طه: 3 শব্দ

قَالَ أَلْقِهَا يَـٰمُوسَىٰ

আল্লাহ বললেনঃ হে মূসা, তুমি ওটা নিক্ষেপ কর।

قَالَ qāla ( আল্লাহ ) বললেন
أَلْقِهَا alqihā "তা নিক্ষেপ করো
يَـٰمُوسَىٰ yāmūsā হে মূসা"

আয়াত 20 - সূরা طه: 5 শব্দ

فَأَلْقَىٰهَا فَإِذَا هِىَ حَيَّةٌۭ تَسْعَىٰ

অতঃপর তিনি তা নিক্ষেপ করলেন, অমনি তা সাপ হয়ে ছুটাছুটি করতে লাগল।

فَأَلْقَىٰهَا fa-alqāhā অতঃপর তা সে নিক্ষেপ করলো
فَإِذَا fa-idhā সঙ্গে সঙ্গে
هِىَ hiya তা ( হলো )
حَيَّةٌۭ ḥayyatun সাপ
تَسْعَىٰ tasʿā ( যা ) ছুটোছুটি করতে লাগলো

আয়াত 21 - সূরা طه: 7 শব্দ

قَالَ خُذْهَا وَلَا تَخَفْ ۖ سَنُعِيدُهَا سِيرَتَهَا ٱلْأُولَىٰ

আল্লাহ বললেনঃ তুমি তাকে ধর এবং ভয় করো না, আমি এখনি একে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেব।

قَالَ qāla তিনি বললেন
خُذْهَا khudh'hā "তা ধরো
وَلَا walā এবং না
تَخَفْ ۖ takhaf ভয় করো তুমি
سَنُعِيدُهَا sanuʿīduhā অচিরেই তা ফিরিয়ে দিবো আমরা
سِيرَتَهَا sīratahā তার অবস্থায়
ٱلْأُولَىٰ l-ūlā পূর্বের

আয়াত 22 - সূরা طه: 11 শব্দ

وَٱضْمُمْ يَدَكَ إِلَىٰ جَنَاحِكَ تَخْرُجْ بَيْضَآءَ مِنْ غَيْرِ سُوٓءٍ ءَايَةً أُخْرَىٰ

তোমার হাত বগলে রাখ, তা বের হয়ে আসবে নির্মল উজ্জ্বল হয়ে অন্য এক নিদর্শন রূপে; কোন দোষ ছাড়াই।

وَٱضْمُمْ wa-uḍ'mum এবং চেপে ধরো
يَدَكَ yadaka তোমার হাত
إِلَىٰ ilā মধ্যে
جَنَاحِكَ janāḥika তোমার বগলের
تَخْرُجْ takhruj বের হবে তা
بَيْضَآءَ bayḍāa উজ্জ্বল
مِنْ min কোন
غَيْرِ ghayri ছাড়াই
سُوٓءٍ sūin দোষ
ءَايَةً āyatan নিদর্শন
أُخْرَىٰ ukh'rā অপর ( একটি )

আয়াত 23 - সূরা طه: 4 শব্দ

لِنُرِيَكَ مِنْ ءَايَـٰتِنَا ٱلْكُبْرَى

এটা এজন্যে যে, আমি আমার বিরাট নিদর্শনাবলীর কিছু তোমাকে দেখাই।

لِنُرِيَكَ linuriyaka তোমাকে যেন আমরা দেখাই
مِنْ min মধ্য হ'তে
ءَايَـٰتِنَا āyātinā আমাদের নিদর্শনাবলীর
ٱلْكُبْرَى l-kub'rā বড় বড় ( কয়েকটি )

আয়াত 24 - সূরা طه: 5 শব্দ

ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ

ফেরাউনের নিকট যাও, সে দারুণ উদ্ধত হয়ে গেছে।

ٱذْهَبْ idh'hab তুমি যাও
إِلَىٰ ilā কাছে
فِرْعَوْنَ fir'ʿawna ফিরআউনের
إِنَّهُۥ innahu সে নিশ্চয়ই
طَغَىٰ ṭaghā সীমালঙ্ঘন করেছে"

আয়াত 25 - সূরা طه: 5 শব্দ

قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى

মূসা বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন।

قَالَ qāla ( মূসা ) বললো
رَبِّ rabbi "হে আমার রব
ٱشْرَحْ ish'raḥ প্রশস্ত করো
لِى lī আমার জন্যে
صَدْرِى ṣadrī আমার বক্ষ

আয়াত 26 - সূরা طه: 3 শব্দ

وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى

এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

وَيَسِّرْ wayassir এবং সহজ করো
لِىٓ lī আমার জন্যে
أَمْرِى amrī আমার কাজ

আয়াত 27 - সূরা طه: 4 শব্দ

وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى

এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন।

وَٱحْلُلْ wa-uḥ'lul এবং খুলে দাও
عُقْدَةًۭ ʿuq'datan গিরা (জড়তা)
مِّن min থেকে
لِّسَانِى lisānī আমার জিহবার

আয়াত 28 - সূরা طه: 2 শব্দ

يَفْقَهُوا۟ قَوْلِى

যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

يَفْقَهُوا۟ yafqahū তারা বুঝে ( যেন )
قَوْلِى qawlī আমার কথা

আয়াত 29 - সূরা طه: 5 শব্দ

وَٱجْعَل لِّى وَزِيرًۭا مِّنْ أَهْلِى

এবং আমার পরিবারবর্গের মধ্য থেকে আমার একজন সাহায্যকারী করে দিন।

وَٱجْعَل wa-ij'ʿal এবং বানিয়ে দাও
لِّى lī আমার জন্যে
وَزِيرًۭا wazīran একজন সাহায্যকারী
مِّنْ min মধ্য হ'তে
أَهْلِى ahlī আমার পরিবারের

আয়াত 30 - সূরা طه: 2 শব্দ

هَـٰرُونَ أَخِى

আমার ভাই হারুনকে।

هَـٰرُونَ hārūna হারুনকে
أَخِى akhī ( যে ) আমার ভাই

আয়াত 31 - সূরা طه: 3 শব্দ

ٱشْدُدْ بِهِۦٓ أَزْرِى

তার মাধ্যমে আমার কোমর মজবুত করুন।

ٱشْدُدْ ush'dud সুদৃঢ় করো
بِهِۦٓ bihi তাকে দিয়ে
أَزْرِى azrī আমার শক্তি

আয়াত 32 - সূরা طه: 3 শব্দ

وَأَشْرِكْهُ فِىٓ أَمْرِى

এবং তাকে আমার কাজে অংশীদার করুন।

وَأَشْرِكْهُ wa-ashrik'hu এবং তাকে শরীক করো
فِىٓ fī ক্ষেত্রে
أَمْرِى amrī আমার কাজের

আয়াত 33 - সূরা طه: 3 শব্দ

كَىْ نُسَبِّحَكَ كَثِيرًۭا

যাতে আমরা বেশী করে আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করতে পারি।

كَىْ kay যেন
نُسَبِّحَكَ nusabbiḥaka তোমার মহিমা ঘোষণা করতে পারি আমরা
كَثِيرًۭا kathīran অধিক (পরিমাণে)

আয়াত 34 - সূরা طه: 2 শব্দ

وَنَذْكُرَكَ كَثِيرًا

এবং বেশী পরিমাণে আপনাকে স্মরণ করতে পারি।

وَنَذْكُرَكَ wanadhkuraka এবং তোমাকে (যেন) স্মরণ করতে পারি আমরা
كَثِيرًا kathīran অধিক

আয়াত 35 - সূরা طه: 4 শব্দ

إِنَّكَ كُنتَ بِنَا بَصِيرًۭا

আপনি তো আমাদের অবস্থা সবই দেখছেন।

إِنَّكَ innaka নিশ্চয়ই তুমি
كُنتَ kunta আছো
بِنَا binā আমাদের উপর
بَصِيرًۭا baṣīran দৃষ্টিবান"

আয়াত 36 - সূরা طه: 5 শব্দ

قَالَ قَدْ أُوتِيتَ سُؤْلَكَ يَـٰمُوسَىٰ

আল্লাহ বললেনঃ হে মূসা, তুমি যা চেয়েছ তা তোমাকে দেয়া হল।

قَالَ qāla তিনি বললেন
قَدْ qad "নিশ্চয়ই
أُوتِيتَ ūtīta তোমাকে দেয়া হলো
سُؤْلَكَ su'laka তোমার চাওয়া
يَـٰمُوسَىٰ yāmūsā হে মূসা

আয়াত 37 - সূরা طه: 5 শব্দ

وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَيْكَ مَرَّةً أُخْرَىٰٓ

আমি তোমার প্রতি আরও একবার অনুগ্রহ করেছিলাম।

وَلَقَدْ walaqad এবং নিশ্চয়ই
مَنَنَّا manannā আমরা অনুগ্রহ করেছিলাম
عَلَيْكَ ʿalayka তোমার উপর
مَرَّةً marratan একবার
أُخْرَىٰٓ ukh'rā আরও

আয়াত 38 - সূরা طه: 6 শব্দ

إِذْ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰٓ أُمِّكَ مَا يُوحَىٰٓ

যখন আমি তোমার মাতাকে নির্দেশ দিয়েছিলাম যা অতঃপর বর্ণিত হচ্ছে।

إِذْ idh (স্মরণ করো) যখন
أَوْحَيْنَآ awḥaynā আমরা ইঙ্গিত করেছিলাম
إِلَىٰٓ ilā প্রতি
أُمِّكَ ummika তোমার মার
مَا mā (এভাবে) যা
يُوحَىٰٓ yūḥā ওহী করা হয়।

আয়াত 39 - সূরা طه: 22 শব্দ

أَنِ ٱقْذِفِيهِ فِى ٱلتَّابُوتِ فَٱقْذِفِيهِ فِى ٱلْيَمِّ فَلْيُلْقِهِ ٱلْيَمُّ بِٱلسَّاحِلِ يَأْخُذْهُ عَدُوٌّۭ لِّى وَعَدُوٌّۭ لَّهُۥ ۚ وَأَلْقَيْتُ عَلَيْكَ مَحَبَّةًۭ مِّنِّى وَلِتُصْنَعَ عَلَىٰ عَيْنِىٓ

যে, তুমি (মূসাকে) সিন্দুকে রাখ, অতঃপর তা দরিয়ায় ভাসিয়ে দাও, অতঃপর দরিয়া তাকে তীরে ঠেলে দেবে। তাকে আমার শক্র ও তার শক্র উঠিয়ে নেবে। আমি তোমার প্রতি মহব্বত সঞ্চারিত করেছিলাম আমার নিজের পক্ষ থেকে, যাতে তুমি আমার দৃষ্টির সামনে প্রতি পালিত হও।

أَنِ ani "যে
ٱقْذِفِيهِ iq'dhifīhi তাকে নিক্ষেপ করো (অর্থাৎ রেখে দাও)
فِى fī মধ্যে
ٱلتَّابُوتِ l-tābūti সিন্দুকের
فَٱقْذِفِيهِ fa-iq'dhifīhi অতঃপর তা নিক্ষেপ করো (অর্থাৎ ভাসিয়ে দাও)
فِى fī মধ্যে
ٱلْيَمِّ l-yami নদীর
فَلْيُلْقِهِ falyul'qihi অতঃপর তা ঠেলে দিবে
ٱلْيَمُّ l-yamu নদী
بِٱلسَّاحِلِ bil-sāḥili তীরের দিকে
يَأْخُذْهُ yakhudh'hu তা তুলে নিবে
عَدُوٌّۭ ʿaduwwun শত্রু
لِّى lī আমার
وَعَدُوٌّۭ waʿaduwwun ও শত্রু
لَّهُۥ ۚ lahu তার"
وَأَلْقَيْتُ wa-alqaytu এবং আমি ঢেলে দিয়েছিলাম
عَلَيْكَ ʿalayka তোমার উপর
مَحَبَّةًۭ maḥabbatan ভালবাসা
مِّنِّى minnī আমার পক্ষ হ'তে
وَلِتُصْنَعَ walituṣ'naʿa এবং তুমি লালিতপালিত হও যেন
عَلَىٰ ʿalā সামনে
عَيْنِىٓ ʿaynī আমার চোখের

আয়াত 40 - সূরা طه: 34 শব্দ

إِذْ تَمْشِىٓ أُخْتُكَ فَتَقُولُ هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَىٰ مَن يَكْفُلُهُۥ ۖ فَرَجَعْنَـٰكَ إِلَىٰٓ أُمِّكَ كَىْ تَقَرَّ عَيْنُهَا وَلَا تَحْزَنَ ۚ وَقَتَلْتَ نَفْسًۭا فَنَجَّيْنَـٰكَ مِنَ ٱلْغَمِّ وَفَتَنَّـٰكَ فُتُونًۭا ۚ فَلَبِثْتَ سِنِينَ فِىٓ أَهْلِ مَدْيَنَ ثُمَّ جِئْتَ عَلَىٰ قَدَرٍۢ يَـٰمُوسَىٰ

যখন তোমার ভগিনী এসে বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলে দেব কে তাকে লালন পালন করবে। অতঃপর আমি তোমাকে তোমার মাতার কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যাতে তার চক্ষু শীতল হয় এবং দুঃখ না পায়। তুমি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলে, অতঃপর আমি তোমাকে এই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেই; আমি তোমাকে অনেক পরীক্ষা করেছি। অতঃপর তুমি কয়েক বছর মাদইয়ান বাসীদের মধ্যে অবস্থান করেছিলে; হে মূসা, অতঃপর তুমি নির্ধারিত সময়ে এসেছ।

إِذْ idh (স্মরণ করো) যখন
تَمْشِىٓ tamshī চলেছিলো
أُخْتُكَ ukh'tuka তোমার বোন
فَتَقُولُ fataqūlu অতঃপর বলেছিলো
هَلْ hal "কি
أَدُلُّكُمْ adullukum তোমাদের খোঁজ দিবো
عَلَىٰ ʿalā এ বিষয়ে (যে)
مَن man কে
يَكْفُلُهُۥ ۖ yakfuluhu তাকে লালন-পালন করতে পারে"
فَرَجَعْنَـٰكَ farajaʿnāka তখন তোমাকে আমরা ফিরিয়ে দিলাম
إِلَىٰٓ ilā কাছে
أُمِّكَ ummika তোমার মায়ের
كَىْ kay যেন
تَقَرَّ taqarra জুড়ায়
عَيْنُهَا ʿaynuhā তার চোখ
وَلَا walā এবং না
تَحْزَنَ ۚ taḥzana দুঃখ পায়
وَقَتَلْتَ waqatalta এবং (স্মরণ করো) তুমি হত্যা করেছিলে
نَفْسًۭا nafsan এক ব্যক্তিকে
فَنَجَّيْنَـٰكَ fanajjaynāka অতঃপর তোমাকে আমরা মুক্তি দিয়েছিলাম
مِنَ mina হ'তে
ٱلْغَمِّ l-ghami মানসিক কষ্ট
وَفَتَنَّـٰكَ wafatannāka এবং তোমাকে আমরা পরীক্ষা করেছি
فُتُونًۭا ۚ futūnan (কঠিন) পরীক্ষা
فَلَبِثْتَ falabith'ta অতঃপর তুমি অবস্থান করেছিলে
سِنِينَ sinīna (কয়েক) বছর
فِىٓ fī মধ্যে
أَهْلِ ahli অধিবাসীদের
مَدْيَنَ madyana মা'দয়ানের
ثُمَّ thumma এরপর
جِئْتَ ji'ta তুমি এসেছো
عَلَىٰ ʿalā উপর
قَدَرٍۢ qadarin নির্ধারিত সময়ের
يَـٰمُوسَىٰ yāmūsā হে মূসা

আয়াত 41 - সূরা طه: 2 শব্দ

وَٱصْطَنَعْتُكَ لِنَفْسِى

এবং আমি তোমাকে আমার নিজের জন্য তৈরী করে নিয়েছি।

وَٱصْطَنَعْتُكَ wa-iṣ'ṭanaʿtuka এবং তোমাকে আমি প্রস্তুত করেছি
لِنَفْسِى linafsī আমার নিজের (কাজের) জন্যে

আয়াত 42 - সূরা طه: 8 শব্দ

ٱذْهَبْ أَنتَ وَأَخُوكَ بِـَٔايَـٰتِى وَلَا تَنِيَا فِى ذِكْرِى

তুমি ও তোমার ভাই আমার নিদর্শনাবলীসহ যাও এবং আমার স্মরণে শৈথিল্য করো না।

ٱذْهَبْ idh'hab যাও
أَنتَ anta তুমি
وَأَخُوكَ wa-akhūka ও তোমার ভাই
بِـَٔايَـٰتِى biāyātī নিয়ে আমার নির্দেশনাবলী
وَلَا walā এবং না
تَنِيَا taniyā তোমরা দু'জনে আসল্য করো
فِى fī ক্ষেত্রে
ذِكْرِى dhik'rī আমার স্মরণের

আয়াত 43 - সূরা طه: 5 শব্দ

ٱذْهَبَآ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ

তোমরা উভয়ে ফেরআউনের কাছে যাও সে খুব উদ্ধত হয়ে গেছে।

ٱذْهَبَآ idh'habā দু'জনে যাও
إِلَىٰ ilā নিকট
فِرْعَوْنَ fir'ʿawna ফিরআউনের
إِنَّهُۥ innahu সে নিশ্চয়ই
طَغَىٰ ṭaghā সীমালঙ্ঘন করেছে

আয়াত 44 - সূরা طه: 8 শব্দ

فَقُولَا لَهُۥ قَوْلًۭا لَّيِّنًۭا لَّعَلَّهُۥ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَىٰ

অতঃপর তোমরা তাকে নম্র কথা বল, হয়তো সে চিন্তা-ভাবনা করবে অথবা ভীত হবে।

فَقُولَا faqūlā অতঃপর দু'জনে বলবে
لَهُۥ lahu তার সাথে
قَوْلًۭا qawlan কথা
لَّيِّنًۭا layyinan নম্রভাবে
لَّعَلَّهُۥ laʿallahu সে সম্ভবতঃ
يَتَذَكَّرُ yatadhakkaru উপদেশ গ্রহণ করবে
أَوْ aw অথবা
يَخْشَىٰ yakhshā ভয় করবে"

আয়াত 45 - সূরা طه: 10 শব্দ

قَالَا رَبَّنَآ إِنَّنَا نَخَافُ أَن يَفْرُطَ عَلَيْنَآ أَوْ أَن يَطْغَىٰ

তারা বললঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা আশঙ্কা করি যে, সে আমাদের প্রতি জুলুম করবে কিংবা উত্তেজিত হয়ে উঠবে।

قَالَا qālā তারা (দু'জনে) বললো
رَبَّنَآ rabbanā "হে আমাদের রব
إِنَّنَا innanā নিশ্চয়ই আমরা
نَخَافُ nakhāfu আশংকা করি আমরা
أَن an যে
يَفْرُطَ yafruṭa ফিরআউন দুর্ব্যবহার করবে
عَلَيْنَآ ʿalaynā আমাদের সাথে
أَوْ aw অথবা
أَن an যে
يَطْغَىٰ yaṭghā সে সীমালংঘন করবে"

আয়াত 46 - সূরা طه: 7 শব্দ

قَالَ لَا تَخَافَآ ۖ إِنَّنِى مَعَكُمَآ أَسْمَعُ وَأَرَىٰ

আল্লাহ বললেনঃ তোমরা ভয় করো না, আমি তোমাদের সাথে আছি, আমি শুনি ও দেখি।

قَالَ qāla তিনি বললেন
لَا lā "না
تَخَافَآ ۖ takhāfā তোমরা দু'জনে ভয় করো
إِنَّنِى innanī আমি নিশ্চয়ই
مَعَكُمَآ maʿakumā তোমাদের দু'জনের সাথে (আছি)
أَسْمَعُ asmaʿu আমি শুনি (সবকিছু)
وَأَرَىٰ wa-arā ও আমি দেখি (সবকিছু)

আয়াত 47 - সূরা طه: 21 শব্দ

فَأْتِيَاهُ فَقُولَآ إِنَّا رَسُولَا رَبِّكَ فَأَرْسِلْ مَعَنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَلَا تُعَذِّبْهُمْ ۖ قَدْ جِئْنَـٰكَ بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّكَ ۖ وَٱلسَّلَـٰمُ عَلَىٰ مَنِ ٱتَّبَعَ ٱلْهُدَىٰٓ

অতএব তোমরা তার কাছে যাও এবং বলঃ আমরা উভয়েই তোমার পালনকর্তার প্রেরিত রসূল, অতএব আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলকে যেতে দাও এবং তাদেরকে নিপীড়ন করো না। আমরা তোমার পালনকর্তার কাছ থেকে নিদর্শন নিয়ে তোমার কাছে আগমন করেছি। এবং যে সৎপথ অনুসরণ করে, তার প্রতি শান্তি।

فَأْتِيَاهُ fatiyāhu সুতরাং তার কাছে দু'জনে যাও
فَقُولَآ faqūlā অতঃপর দু'জনে বলো
إِنَّا innā "নিশ্চয়ই আমরা
رَسُولَا rasūlā দুই রাসূল
رَبِّكَ rabbika তোমার রবের
فَأَرْسِلْ fa-arsil সুতরাং পাঠাও
مَعَنَا maʿanā আমাদের সাথে
بَنِىٓ banī বনী
إِسْرَٰٓءِيلَ is'rāīla ইসরাঈলকে
وَلَا walā এবং না
تُعَذِّبْهُمْ ۖ tuʿadhib'hum তাদেরকে শাস্তি দিও
قَدْ qad নিশ্চয়ই
جِئْنَـٰكَ ji'nāka তোমার কাছে আমরা এসেছি
بِـَٔايَةٍۢ biāyatin নিয়ে নিদর্শন
مِّن min পক্ষ হ'তে
رَّبِّكَ ۖ rabbika তোমার রবের
وَٱلسَّلَـٰمُ wal-salāmu এবং শান্তি
عَلَىٰ ʿalā উপর
مَنِ mani (তার) যে
ٱتَّبَعَ ittabaʿa অনুসরণ করে
ٱلْهُدَىٰٓ l-hudā সঠিক পথের

আয়াত 48 - সূরা طه: 10 শব্দ

إِنَّا قَدْ أُوحِىَ إِلَيْنَآ أَنَّ ٱلْعَذَابَ عَلَىٰ مَن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ

আমরা ওহী লাভ করেছি যে, যে ব্যক্তি মিথ্যারোপ করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার উপর আযাব পড়বে।

إِنَّا innā আমরা নিশ্চয়ই (এমন যে)
قَدْ qad নিশ্চয়ই
أُوحِىَ ūḥiya ওহী করা হয়েছে
إِلَيْنَآ ilaynā প্রতি আমাদের
أَنَّ anna যে
ٱلْعَذَابَ l-ʿadhāba শাস্তি
عَلَىٰ ʿalā উপর
مَن man (তার) যে
كَذَّبَ kadhaba মিথ্যারোপ করবে
وَتَوَلَّىٰ watawallā ও মুখ ফিরাবে (অমান্য করবে)"

আয়াত 49 - সূরা طه: 4 শব্দ

قَالَ فَمَن رَّبُّكُمَا يَـٰمُوسَىٰ

সে বললঃ তবে হে মূসা, তোমাদের পালনকর্তা কে?

قَالَ qāla (ফিরআউন) বললো
فَمَن faman "তাহ'লে কে
رَّبُّكُمَا rabbukumā তোমাদের দু'জনের রব
يَـٰمُوسَىٰ yāmūsā হে মূসা"

আয়াত 50 - সূরা طه: 9 শব্দ

قَالَ رَبُّنَا ٱلَّذِىٓ أَعْطَىٰ كُلَّ شَىْءٍ خَلْقَهُۥ ثُمَّ هَدَىٰ

মূসা বললেনঃ আমাদের পালনকর্তা তিনি, যিনি প্রত্যেক বস্তুকে তার যোগ্য আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন।

قَالَ qāla মূসা বললো
رَبُّنَا rabbunā "আমাদের রব
ٱلَّذِىٓ alladhī (তিনি) যিনি
أَعْطَىٰ aʿṭā দিয়েছেন
كُلَّ kulla প্রত্যেক
شَىْءٍ shayin বস্তুকে
خَلْقَهُۥ khalqahu তার সৃষ্টি কাঠামো
ثُمَّ thumma এরপর
هَدَىٰ hadā পথ দেখিয়েছেন"

আয়াত 51 - সূরা طه: 5 শব্দ

قَالَ فَمَا بَالُ ٱلْقُرُونِ ٱلْأُولَىٰ

ফেরাউন বললঃ তাহলে অতীত যুগের লোকদের অবস্থা কি?

قَالَ qāla সে বললো
فَمَا famā "তাহ'লে কি (হবে)
بَالُ bālu অবস্থা
ٱلْقُرُونِ l-qurūni শত শত বছরের বংশধরদের
ٱلْأُولَىٰ l-ūlā পূর্বের"

আয়াত 52 - সূরা طه: 11 শব্দ

قَالَ عِلْمُهَا عِندَ رَبِّى فِى كِتَـٰبٍۢ ۖ لَّا يَضِلُّ رَبِّى وَلَا يَنسَى

মূসা বললেনঃ তাদের খবর আমার পালনকর্তার কাছে লিখিত আছে। আমার পালনকর্তা ভ্রান্ত হন না এং বিস্মৃতও হন না।

قَالَ qāla সে বললো
عِلْمُهَا ʿil'muhā "তার জ্ঞান
عِندَ ʿinda নিকট (আছে)
رَبِّى rabbī আমার রবের
فِى fī মধ্যে
كِتَـٰبٍۢ ۖ kitābin একটি কিতাবের (সংরক্ষিত)
لَّا lā না
يَضِلُّ yaḍillu ভুল করেন
رَبِّى rabbī আমার রব
وَلَا walā আর না
يَنسَى yansā ভুলে যান"

আয়াত 53 - সূরা طه: 19 শব্দ

ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ مَهْدًۭا وَسَلَكَ لَكُمْ فِيهَا سُبُلًۭا وَأَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ فَأَخْرَجْنَا بِهِۦٓ أَزْوَٰجًۭا مِّن نَّبَاتٍۢ شَتَّىٰ

তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে শয্যা করেছেন এবং তাতে চলার পথ করেছেন, আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন এবং তা দ্বারা আমি বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি।

ٱلَّذِى alladhī যিনি
جَعَلَ jaʿala করেছেন
لَكُمُ lakumu জন্যে তোমাদের
ٱلْأَرْضَ l-arḍa পৃথিবীকে
مَهْدًۭا mahdan বিছানা
وَسَلَكَ wasalaka ও চালিয়ে দিয়েছেন
لَكُمْ lakum তোমাদের জন্য
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
سُبُلًۭا subulan পথসমূহ
وَأَنزَلَ wa-anzala এবং বর্ষণ করেছেন
مِنَ mina থেকে
ٱلسَّمَآءِ l-samāi আকাশ
مَآءًۭ māan পানি
فَأَخْرَجْنَا fa-akhrajnā (আল্লাহ বলেন) অতঃপর আমরা বের করেছি
بِهِۦٓ bihi তা দিয়ে
أَزْوَٰجًۭا azwājan জোড়া জোড়া
مِّن min থেকে
نَّبَاتٍۢ nabātin উদ্ভিদ
شَتَّىٰ shattā বিভিন্ন

আয়াত 54 - সূরা طه: 9 শব্দ

كُلُوا۟ وَٱرْعَوْا۟ أَنْعَـٰمَكُمْ ۗ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّأُو۟لِى ٱلنُّهَىٰ

তোমরা আহার কর এবং তোমাদের চতুস্পদ জন্তু চরাও। নিশ্চয় এতে বিবেক বানদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।

كُلُوا۟ kulū তোমরা খাও
وَٱرْعَوْا۟ wa-ir'ʿaw ও তোমরা চড়াও
أَنْعَـٰمَكُمْ ۗ anʿāmakum তোমাদের গবাদি পশুগুলোকে
إِنَّ inna নিশ্চয়ই
فِى fī মধ্যে (রয়েছে)
ذَٰلِكَ dhālika এর
لَـَٔايَـٰتٍۢ laāyātin অবশ্যই নিদর্শনাবলী
لِّأُو۟لِى li-ulī সম্পন্নদেরদের জন্যে
ٱلنُّهَىٰ l-nuhā বিবেক

আয়াত 55 - সূরা طه: 8 শব্দ

۞ مِنْهَا خَلَقْنَـٰكُمْ وَفِيهَا نُعِيدُكُمْ وَمِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً أُخْرَىٰ

এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিব এবং পুনরায় এ থেকেই আমি তোমাদেরকে উত্থিত করব।

۞ مِنْهَا min'hā তা (অর্থাৎ মাটি) হ'তে
خَلَقْنَـٰكُمْ khalaqnākum তোমাদের আমরা সৃষ্টি করেছি
وَفِيهَا wafīhā ও তার মধ্যে
نُعِيدُكُمْ nuʿīdukum তোমাদের ফিরিয়ে আনবো আমরা
وَمِنْهَا wamin'hā এবং তার মধ্য হ'তে
نُخْرِجُكُمْ nukh'rijukum তোমাদের বের করবো আমরা
تَارَةً tāratan একবার
أُخْرَىٰ ukh'rā আরও

আয়াত 56 - সূরা طه: 6 শব্দ

وَلَقَدْ أَرَيْنَـٰهُ ءَايَـٰتِنَا كُلَّهَا فَكَذَّبَ وَأَبَىٰ

আমি ফেরাউনকে আমার সব নিদর্শন দেখিয়ে দিয়েছি, অতঃপর সে মিথ্যা আরোপ করেছে এবং অমান্য করেছে।

وَلَقَدْ walaqad এবং নিশ্চয়ই
أَرَيْنَـٰهُ araynāhu (ফিরআউনকে) তাকে আমরা দেখিয়েছি
ءَايَـٰتِنَا āyātinā আমাদের নিদর্শনাবলী
كُلَّهَا kullahā তা সবই
فَكَذَّبَ fakadhaba কিন্তু সে মিথ্যারোপ করেছে
وَأَبَىٰ wa-abā ও অমান্য করেছে

আয়াত 57 - সূরা طه: 7 শব্দ

قَالَ أَجِئْتَنَا لِتُخْرِجَنَا مِنْ أَرْضِنَا بِسِحْرِكَ يَـٰمُوسَىٰ

সে বললঃ হে মূসা, তুমি কি যাদুর জোরে আমাদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার জন্যে আগমন করেছ?

قَالَ qāla (ফিরআউন) বললো
أَجِئْتَنَا aji'tanā "আমাদের কাছে তুমি এসেছ কি
لِتُخْرِجَنَا litukh'rijanā আমাদের তুমি বের করার জন্যে
مِنْ min থেকে
أَرْضِنَا arḍinā আমাদের দেশ
بِسِحْرِكَ bisiḥ'rika তোমার জাদুর বলে
يَـٰمُوسَىٰ yāmūsā হে মূসা

আয়াত 58 - সূরা طه: 14 শব্দ

فَلَنَأْتِيَنَّكَ بِسِحْرٍۢ مِّثْلِهِۦ فَٱجْعَلْ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ مَوْعِدًۭا لَّا نُخْلِفُهُۥ نَحْنُ وَلَآ أَنتَ مَكَانًۭا سُوًۭى

অতএব, আমরাও তোমার মোকাবেলায় তোমার নিকট অনুরূপ যাদু উপস্থিত করব। সুতরাং আমাদের ও তোমার মধ্যে একটি ওয়াদার দিন ঠিক কর, যার খেলাফ আমরাও করব না এবং তুমিও করবে না একটি পরিষ্কার প্রান্তরে।

فَلَنَأْتِيَنَّكَ falanatiyannaka সুতরাং আমরা তোমার কাছে অবশ্যই আসবো
بِسِحْرٍۢ bisiḥ'rin জাদু নিয়ে
مِّثْلِهِۦ mith'lihi তার অনুরূপ
فَٱجْعَلْ fa-ij'ʿal অতএব স্থির করো
بَيْنَنَا baynanā আমাদের মাঝে
وَبَيْنَكَ wabaynaka ও তোমার মাঝে
مَوْعِدًۭا mawʿidan নির্দিষ্ট সময়
لَّا lā না
نُخْلِفُهُۥ nukh'lifuhu তা আমরা ব্যতিক্রম করবো
نَحْنُ naḥnu (না) আমরা
وَلَآ walā আর না
أَنتَ anta তুমি
مَكَانًۭا makānan প্রান্তর
سُوًۭى suwan সমতল"

আয়াত 59 - সূরা طه: 8 শব্দ

قَالَ مَوْعِدُكُمْ يَوْمُ ٱلزِّينَةِ وَأَن يُحْشَرَ ٱلنَّاسُ ضُحًۭى

মূসা বললঃ তোমাদের ওয়াদার দিন উৎসবের দিন এবং পূর্বাহেߠলোকজন সমবেত হবে।

قَالَ qāla (মূসা) বললো
مَوْعِدُكُمْ mawʿidukum "নির্দিষ্ট সময় তোমাদের
يَوْمُ yawmu দিন
ٱلزِّينَةِ l-zīnati উৎসবের
وَأَن wa-an এবং (এও) যে
يُحْشَرَ yuḥ'shara জমায়েত হবে
ٱلنَّاسُ l-nāsu জনতা
ضُحًۭى ḍuḥan সূর্যোদয়ের সাথে"

আয়াত 60 - সূরা طه: 6 শব্দ

فَتَوَلَّىٰ فِرْعَوْنُ فَجَمَعَ كَيْدَهُۥ ثُمَّ أَتَىٰ

অতঃপর ফেরাউন প্রস্থান করল এবং তার সব কলাকৌশল জমা করল অতঃপর উপস্থিত হল।

فَتَوَلَّىٰ fatawallā অতঃপর চলে গেলো
فِرْعَوْنُ fir'ʿawnu ফিরআউন
فَجَمَعَ fajamaʿa অতঃপর একত্র করলো
كَيْدَهُۥ kaydahu তার কলাকৌশল
ثُمَّ thumma এরপর
أَتَىٰ atā আসলো

আয়াত 61 - সূরা طه: 15 শব্দ

قَالَ لَهُم مُّوسَىٰ وَيْلَكُمْ لَا تَفْتَرُوا۟ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًۭا فَيُسْحِتَكُم بِعَذَابٍۢ ۖ وَقَدْ خَابَ مَنِ ٱفْتَرَىٰ

মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেনঃ দুর্ভাগ্য তোমাদের; তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করো না। তাহলে তিনি তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ধবংস করে দেবেন। যে মিথ্যা উদভাবন করে, সেই বিফল মনোরথ হয়েছে।

قَالَ qāla বললো
لَهُم lahum তাদেরকে
مُّوسَىٰ mūsā মূসা
وَيْلَكُمْ waylakum "তোমাদের জন্যে দুর্ভোগ
لَا lā না
تَفْتَرُوا۟ taftarū তোমরা আরোপ করো
عَلَى ʿalā প্রতি
ٱللَّهِ l-lahi আল্লাহর
كَذِبًۭا kadhiban মিথ্যা
فَيُسْحِتَكُم fayus'ḥitakum তাহ'লে তোমাদের ধ্বংস করে দিবেন
بِعَذَابٍۢ ۖ biʿadhābin শাস্তি দিয়ে
وَقَدْ waqad এবং নিশ্চয়ই
خَابَ khāba ব্যর্থ হয়েছে
مَنِ mani (সে) যে
ٱفْتَرَىٰ if'tarā মিথ্যা রচনা করেছে"

আয়াত 62 - সূরা طه: 5 শব্দ

فَتَنَـٰزَعُوٓا۟ أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ وَأَسَرُّوا۟ ٱلنَّجْوَىٰ

অতঃপর তারা তাদের কাজে নিজেদের মধ্যে বিতর্ক করল এবং গোপনে পরামর্শ করল।

فَتَنَـٰزَعُوٓا۟ fatanāzaʿū অতঃপর তারা মতবিরোধ করলো
أَمْرَهُم amrahum কাজে তাদের
بَيْنَهُمْ baynahum মাঝে তাদের
وَأَسَرُّوا۟ wa-asarrū এবং গোপনে করলো
ٱلنَّجْوَىٰ l-najwā পরামর্শ

আয়াত 63 - সূরা طه: 13 শব্দ

قَالُوٓا۟ إِنْ هَـٰذَٰنِ لَسَـٰحِرَٰنِ يُرِيدَانِ أَن يُخْرِجَاكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِمَا وَيَذْهَبَا بِطَرِيقَتِكُمُ ٱلْمُثْلَىٰ

তারা বললঃ এই দুইজন নিশ্চিতই যাদুকর, তারা তাদের যাদু দ্বারা তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায় এবং তোমাদের উৎকৃষ্ট জীবন ব্যবস্থা রহিত করতে চায়।

قَالُوٓا۟ qālū (অবশেষে কিছু লোক) বললো
إِنْ in "নিশ্চয়ই
هَـٰذَٰنِ hādhāni এ দু'জন
لَسَـٰحِرَٰنِ lasāḥirāni অবশ্যই দুই জাদুকর
يُرِيدَانِ yurīdāni দু'জনে চায়
أَن an যে
يُخْرِجَاكُم yukh'rijākum দু'জনে বের করে দিবে তোমাদেরকে
مِّنْ min থেকে
أَرْضِكُم arḍikum তোমাদের দেশ
بِسِحْرِهِمَا bisiḥ'rihimā জাদুর বলে তাদের দু'জনের
وَيَذْهَبَا wayadhhabā এবং দু'জনে যাবে (নসাৎ করবে)
بِطَرِيقَتِكُمُ biṭarīqatikumu নিয়ে তোমাদের জীবন ব্যবস্থাকে
ٱلْمُثْلَىٰ l-muth'lā (যা হলো) আদর্শ

আয়াত 64 - সূরা طه: 10 শব্দ

فَأَجْمِعُوا۟ كَيْدَكُمْ ثُمَّ ٱئْتُوا۟ صَفًّۭا ۚ وَقَدْ أَفْلَحَ ٱلْيَوْمَ مَنِ ٱسْتَعْلَىٰ

অতএব, তোমরা তোমাদের কলাকৌশল সুসংহত কর, অতঃপর সারিবদ্ধ হয়ে আস। আজ যে জয়ী হবে, সেই সফলকাম হবে।

فَأَجْمِعُوا۟ fa-ajmiʿū সুতরাং তোমরা একত্র করো
كَيْدَكُمْ kaydakum কলাকৌশল তোমাদের
ثُمَّ thumma এরপর
ٱئْتُوا۟ i'tū আসো
صَفًّۭا ۚ ṣaffan সারি বেঁধে (একত্রিত হয়ে)
وَقَدْ waqad এবং নিশ্চয়ই
أَفْلَحَ aflaḥa সফল হবে
ٱلْيَوْمَ l-yawma আজ
مَنِ mani যে
ٱسْتَعْلَىٰ is'taʿlā প্রাধান্য বিস্তার করবে"

আয়াত 65 - সূরা طه: 11 শব্দ

قَالُوا۟ يَـٰمُوسَىٰٓ إِمَّآ أَن تُلْقِىَ وَإِمَّآ أَن نَّكُونَ أَوَّلَ مَنْ أَلْقَىٰ

তারা বললঃ হে মূসা, হয় তুমি নিক্ষেপ কর, না হয় আমরা প্রথমে নিক্ষেপ করি।

قَالُوا۟ qālū (জাদুকররা) বললো
يَـٰمُوسَىٰٓ yāmūsā "হে মূসা
إِمَّآ immā হয়
أَن an যে
تُلْقِىَ tul'qiya তুমি নিক্ষেপ করবে
وَإِمَّآ wa-immā আর (না) হয়
أَن an যে
نَّكُونَ nakūna আমরা হবো
أَوَّلَ awwala প্রথম
مَنْ man যে
أَلْقَىٰ alqā নিক্ষেপ করবে"

আয়াত 66 - সূরা طه: 12 শব্দ

قَالَ بَلْ أَلْقُوا۟ ۖ فَإِذَا حِبَالُهُمْ وَعِصِيُّهُمْ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ مِن سِحْرِهِمْ أَنَّهَا تَسْعَىٰ

মূসা বললেনঃ বরং তোমরাই নিক্ষেপ কর। তাদের যাদুর প্রভাবে হঠাৎ তাঁর মনে হল, যেন তাদের রশিগুলো ও লাঠিগুলো চুটাছুটি করছে।

قَالَ qāla (মূসা) বললো
بَلْ bal "বরং
أَلْقُوا۟ ۖ alqū তোমরা নিক্ষেপ করো"
فَإِذَا fa-idhā অতঃপর তখন
حِبَالُهُمْ ḥibāluhum তাদের দড়াদড়ি
وَعِصِيُّهُمْ waʿiṣiyyuhum ও তাদের লাঠিসোটাগুলো
يُخَيَّلُ yukhayyalu মনে হলো
إِلَيْهِ ilayhi তার দিকে
مِن min কারণে
سِحْرِهِمْ siḥ'rihim তাদের জাদুর
أَنَّهَا annahā তা যে
تَسْعَىٰ tasʿā ছুটোছুটি

আয়াত 67 - সূরা طه: 5 শব্দ

فَأَوْجَسَ فِى نَفْسِهِۦ خِيفَةًۭ مُّوسَىٰ

অতঃপর মূসা মনে মনে কিছুটা ভীতি অনুভব করলেন।

فَأَوْجَسَ fa-awjasa অতঃপর অনুভব করলো
فِى fī মধ্যে
نَفْسِهِۦ nafsihi তার নিজের
خِيفَةًۭ khīfatan ভয়
مُّوسَىٰ mūsā মূসা (নিজেও)

আয়াত 68 - সূরা طه: 6 শব্দ

قُلْنَا لَا تَخَفْ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْأَعْلَىٰ

আমি বললামঃ ভয় করো না, তুমি বিজয়ী হবে।

قُلْنَا qul'nā আমরা বললাম
لَا lā "না
تَخَفْ takhaf ভয় করো
إِنَّكَ innaka তুমি নিশ্চয়ই
أَنتَ anta তুমিই
ٱلْأَعْلَىٰ l-aʿlā বিজয়ী (হবে)

আয়াত 69 - সূরা طه: 16 শব্দ

وَأَلْقِ مَا فِى يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوٓا۟ ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا۟ كَيْدُ سَـٰحِرٍۢ ۖ وَلَا يُفْلِحُ ٱلسَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ

তোমার ডান হাতে যা আছে তুমি তা নিক্ষেপ কর। এটা যা কিছু তারা করেছে তা গ্রাস করে ফেলবে। তারা যা করেছে তা তো কেবল যাদুকরের কলাকৌশল। যাদুকর যেখানেই থাকুক, সফল হবে না।

وَأَلْقِ wa-alqi এবং নিক্ষেপ করো
مَا mā যা
فِى fī মধ্যে (আছে)
يَمِينِكَ yamīnika তোমার ডান হাতের
تَلْقَفْ talqaf গ্রাস করবে
مَا mā যা কিছু
صَنَعُوٓا۟ ۖ ṣanaʿū তারা বানিয়েছে
إِنَّمَا innamā মূলতঃ
صَنَعُوا۟ ṣanaʿū তারা বানিয়েছে
كَيْدُ kaydu কলাকৌশল
سَـٰحِرٍۢ ۖ sāḥirin জাদুকরের
وَلَا walā এবং না
يُفْلِحُ yuf'liḥu সফল হয়
ٱلسَّاحِرُ l-sāḥiru জাদুকর
حَيْثُ ḥaythu যেখান থেকেই
أَتَىٰ atā আসুক (না কেন)"

আয়াত 70 - সূরা طه: 8 শব্দ

فَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سُجَّدًۭا قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ هَـٰرُونَ وَمُوسَىٰ

অতঃপর যাদুকররা সেজদায় পড়ে গেল। তারা বললঃ আমরা হারুন ও মূসার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

فَأُلْقِىَ fa-ul'qiya অতঃপর পড়ে গেল
ٱلسَّحَرَةُ l-saḥaratu জাদুকররা
سُجَّدًۭا sujjadan সিজদায়
قَالُوٓا۟ qālū তারা বললো
ءَامَنَّا āmannā "আমরা ঈমান আনলাম
بِرَبِّ birabbi রবের উপর
هَـٰرُونَ hārūna হারূনের
وَمُوسَىٰ wamūsā ও মূসার"

আয়াত 71 - সূরা طه: 26 শব্দ

قَالَ ءَامَنتُمْ لَهُۥ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْ ۖ إِنَّهُۥ لَكَبِيرُكُمُ ٱلَّذِى عَلَّمَكُمُ ٱلسِّحْرَ ۖ فَلَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَـٰفٍۢ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ فِى جُذُوعِ ٱلنَّخْلِ وَلَتَعْلَمُنَّ أَيُّنَآ أَشَدُّ عَذَابًۭا وَأَبْقَىٰ

ফেরাউন বললঃ আমার অনুমতি দানের পূর্বেই? তোমরা কি তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে; দেখছি সেই তোমাদের প্রধান, সে তোমাদেরকে যাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতএব আমি অবশ্যই তোমাদের হস্তপদ বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব এবং আমি তোমাদেরকে খর্জুর বৃক্ষের কান্ডে শূলে চড়াব এবং তোমরা নিশ্চিত রূপেই জানতে পারবে আমাদের মধ্যে কার আযাব কঠোরতর এবং অধিক্ষণ স্থায়ী।

قَالَ qāla (ফিরআউন) বললো
ءَامَنتُمْ āmantum "তোমরা ঈমান এনেছো
لَهُۥ lahu তার উপর
قَبْلَ qabla পূর্বেই
أَنْ an যে
ءَاذَنَ ādhana আমি অনুমতি দিবো
لَكُمْ ۖ lakum তোমাদেরকে
إِنَّهُۥ innahu সে নিশ্চয়ই
لَكَبِيرُكُمُ lakabīrukumu অবশ্যই তোমাদের প্রধান
ٱلَّذِى alladhī যে
عَلَّمَكُمُ ʿallamakumu তোমাদেরকে শিখিয়েছে
ٱلسِّحْرَ ۖ l-siḥ'ra জাদু
فَلَأُقَطِّعَنَّ fala-uqaṭṭiʿanna সুতরাং অবশ্যই আমি কেটে দিবো
أَيْدِيَكُمْ aydiyakum তোমাদের হাতগুলো
وَأَرْجُلَكُم wa-arjulakum ও তোমাদের পাগুলো
مِّنْ min থেকে
خِلَـٰفٍۢ khilāfin বিপরীত দিক
وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ wala-uṣallibannakum এবং অবশ্যই তোমাদেরকে আমি শুলে চড়াবোই
فِى fī মধ্যে
جُذُوعِ judhūʿi কাণ্ডের
ٱلنَّخْلِ l-nakhli খেজুরের
وَلَتَعْلَمُنَّ walataʿlamunna এবং তোমরা অবশ্যই জানবেই
أَيُّنَآ ayyunā আমাদের মধ্যে কে
أَشَدُّ ashaddu কঠোরতর
عَذَابًۭا ʿadhāban শাস্তি দেওয়াতে
وَأَبْقَىٰ wa-abqā ও অধিক স্থায়ী"

আয়াত 72 - সূরা طه: 19 শব্দ

قَالُوا۟ لَن نُّؤْثِرَكَ عَلَىٰ مَا جَآءَنَا مِنَ ٱلْبَيِّنَـٰتِ وَٱلَّذِى فَطَرَنَا ۖ فَٱقْضِ مَآ أَنتَ قَاضٍ ۖ إِنَّمَا تَقْضِى هَـٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَآ

যাদুকররা বললঃ আমাদের কাছে যে, সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে তার উপর এবং যিনি আমাদের কে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর উপর আমরা কিছুতেই তোমাকে প্রাধান্য দেব না। অতএব, তুমি যা ইচ্ছা করতে পার। তুমি তো শুধু এই পার্থিব জীবনেই যা করার করবে।

قَالُوا۟ qālū তারা বলেছিলো
لَن lan "কখনও না
نُّؤْثِرَكَ nu'thiraka তোমাকে প্রাধান্য দিবো আমরা
عَلَىٰ ʿalā এর উপর
مَا mā যা
جَآءَنَا jāanā আমাদের কাছে এসেছে
مِنَ mina থেকে
ٱلْبَيِّنَـٰتِ l-bayināti সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী
وَٱلَّذِى wa-alladhī এবং যিনি
فَطَرَنَا ۖ faṭaranā আমাদের সৃষ্টি করেছেন
فَٱقْضِ fa-iq'ḍi তাই তুমি বিচার করো
مَآ mā যা কিছু
أَنتَ anta তুমি
قَاضٍ ۖ qāḍin বিচারক (করতে চাও)
إِنَّمَا innamā মূলতঃ
تَقْضِى taqḍī তুমি তো বিচার করতে পারবে
هَـٰذِهِ hādhihi এই
ٱلْحَيَوٰةَ l-ḥayata জীবনে
ٱلدُّنْيَآ l-dun'yā দুনিয়ার

আয়াত 73 - সূরা طه: 14 শব্দ

إِنَّآ ءَامَنَّا بِرَبِّنَا لِيَغْفِرَ لَنَا خَطَـٰيَـٰنَا وَمَآ أَكْرَهْتَنَا عَلَيْهِ مِنَ ٱلسِّحْرِ ۗ وَٱللَّهُ خَيْرٌۭ وَأَبْقَىٰٓ

আমরা আমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যাতে তিনি আমাদের পাপ এবং তুমি আমাদেরকে যে যাদু করতে বাধ্য করেছ, তা মার্জনা করেন। আল্লাহ শ্রেষ্ঠ ও চিরস্থায়ী।

إِنَّآ innā নিশ্চয়ই আমরা
ءَامَنَّا āmannā আমরা ঈমান এনেছি
بِرَبِّنَا birabbinā আমাদের রবের উপর
لِيَغْفِرَ liyaghfira যেন তিনি ক্ষমা করেন
لَنَا lanā আমাদের
خَطَـٰيَـٰنَا khaṭāyānā আমাদের পাপসমূহকে
وَمَآ wamā এবং যা
أَكْرَهْتَنَا akrahtanā আমাদেরকে তুমি বাধ্য করেছো
عَلَيْهِ ʿalayhi তার উপর
مِنَ mina কারণে
ٱلسِّحْرِ ۗ l-siḥ'ri জাদুর
وَٱللَّهُ wal-lahu এবং আল্লাহ
خَيْرٌۭ khayrun উত্তম
وَأَبْقَىٰٓ wa-abqā ও চিরস্থায়ী"

আয়াত 74 - সূরা طه: 13 শব্দ

إِنَّهُۥ مَن يَأْتِ رَبَّهُۥ مُجْرِمًۭا فَإِنَّ لَهُۥ جَهَنَّمَ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ

নিশ্চয়ই যে তার পালনকর্তার কাছে অপরাধী হয়ে আসে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবে না এবং বাঁচবেও না।

إِنَّهُۥ innahu (প্রকৃত কথা) তাই নিশ্চয়ই
مَن man যে কেউ
يَأْتِ yati আসবে
رَبَّهُۥ rabbahu তাদের রবের কাছে
مُجْرِمًۭا muj'riman অপরাধী হয়ে
فَإِنَّ fa-inna অতঃপর নিশ্চয়ই
لَهُۥ lahu তার জন্যে
جَهَنَّمَ jahannama জাহান্নাম
لَا lā না
يَمُوتُ yamūtu সে মরবে
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
وَلَا walā আর না
يَحْيَىٰ yaḥyā বাঁচবে

আয়াত 75 - সূরা طه: 10 শব্দ

وَمَن يَأْتِهِۦ مُؤْمِنًۭا قَدْ عَمِلَ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمُ ٱلدَّرَجَـٰتُ ٱلْعُلَىٰ

আর যারা তাঁর কাছে আসে এমন ঈমানদার হয়ে যায় সৎকর্ম সম্পাদন করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে সুউচ্চ মর্তবা।

وَمَن waman এবং যে
يَأْتِهِۦ yatihi তাঁর কাছে আসবে
مُؤْمِنًۭا mu'minan মু'মিন হয়ে
قَدْ qad নিশ্চয়ই
عَمِلَ ʿamila সে কাজ করেছে
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ l-ṣāliḥāti সৎ
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ fa-ulāika অতঃপর ঐসব লোক
لَهُمُ lahumu তাদের জন্যে (রয়েছে)
ٱلدَّرَجَـٰتُ l-darajātu মর্যাদাসমূহ
ٱلْعُلَىٰ l-ʿulā সমুচ্চ

আয়াত 76 - সূরা طه: 12 শব্দ

جَنَّـٰتُ عَدْنٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۚ وَذَٰلِكَ جَزَآءُ مَن تَزَكَّىٰ

বসবাসের এমন পুষ্পোদ্যান রয়েছে যার তলদেশে দিয়ে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে এটা তাদেরই পুরস্কার, যারা পবিত্র হয়।

جَنَّـٰتُ jannātu জান্নাত
عَدْنٍۢ ʿadnin স্থায়ী
تَجْرِى tajrī প্রবাহিত হয়
مِن min থেকে
تَحْتِهَا taḥtihā তার নিচ
ٱلْأَنْهَـٰرُ l-anhāru ঝর্ণাসমূহ
خَـٰلِدِينَ khālidīna তারা স্থায়ী হবে
فِيهَا ۚ fīhā তার মধ্যে
وَذَٰلِكَ wadhālika এবং এটা
جَزَآءُ jazāu পুরস্কার
مَن man (তার) যে
تَزَكَّىٰ tazakkā পরিশুদ্ধ হবে

আয়াত 77 - সূরা طه: 18 শব্দ

وَلَقَدْ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِى فَٱضْرِبْ لَهُمْ طَرِيقًۭا فِى ٱلْبَحْرِ يَبَسًۭا لَّا تَخَـٰفُ دَرَكًۭا وَلَا تَخْشَىٰ

আমি মূসা প্রতি এই মর্মে ওহী করলাম যে, আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিযোগে বের হয়ে যাও এবং তাদের জন্যে সমুদ্রে শুষ্কপথ নির্মাণ কর। পেছন থেকে এসে তোমাদের ধরে ফেলার আশঙ্কা করো না এবং পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয় করো না।

وَلَقَدْ walaqad এবং নিশ্চয়ই
أَوْحَيْنَآ awḥaynā আমরা ওহী করেছিলাম
إِلَىٰ ilā প্রতি
مُوسَىٰٓ mūsā মূসার
أَنْ an যে
أَسْرِ asri "রাতে বেরিয়ে পড়ো
بِعِبَادِى biʿibādī নিয়ে আমার দাসদের
فَٱضْرِبْ fa-iḍ'rib অতঃপর (লাঠির) আঘাত করো (অবলম্বন করো)
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে
طَرِيقًۭا ṭarīqan পথ
فِى fī মধ্যে
ٱلْبَحْرِ l-baḥri সাগরের
يَبَسًۭا yabasan শুকনো
لَّا lā না
تَخَـٰفُ takhāfu ভয় করো তুমি
دَرَكًۭا darakan ধরা পড়ার
وَلَا walā আর না
تَخْشَىٰ takhshā ঘাবড়ে যাও তুমি (ডুবে যাওয়ার)"

আয়াত 78 - সূরা طه: 8 শব্দ

فَأَتْبَعَهُمْ فِرْعَوْنُ بِجُنُودِهِۦ فَغَشِيَهُم مِّنَ ٱلْيَمِّ مَا غَشِيَهُمْ

অতঃপর ফেরাউন তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল এবং সমুদ্র তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে নিমজ্জত করল।

فَأَتْبَعَهُمْ fa-atbaʿahum অতঃপর তাদের পিছনে তাড়া করলো
فِرْعَوْنُ fir'ʿawnu ফিরআউন
بِجُنُودِهِۦ bijunūdihi নিয়ে তার সৈন্যবাহিনী
فَغَشِيَهُم faghashiyahum অতঃপর তাদেরকে ছেয়ে ফেললো
مِّنَ mina (তার) ভিতরে
ٱلْيَمِّ l-yami সাগর
مَا mā যা
غَشِيَهُمْ ghashiyahum তাদেরকে ছেয়ে নিয়েছিলো

আয়াত 79 - সূরা طه: 5 শব্দ

وَأَضَلَّ فِرْعَوْنُ قَوْمَهُۥ وَمَا هَدَىٰ

ফেরআউন তার সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করেছিল এবং সৎপথ দেখায়নি।

وَأَضَلَّ wa-aḍalla এবং পথভ্রষ্ট করেছিলো
فِرْعَوْنُ fir'ʿawnu ফিরআউন
قَوْمَهُۥ qawmahu তার জাতিকে
وَمَا wamā এবং না
هَدَىٰ hadā সৎপথ দেখিয়েছিলো

আয়াত 80 - সূরা طه: 14 শব্দ

يَـٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ قَدْ أَنجَيْنَـٰكُم مِّنْ عَدُوِّكُمْ وَوَٰعَدْنَـٰكُمْ جَانِبَ ٱلطُّورِ ٱلْأَيْمَنَ وَنَزَّلْنَا عَلَيْكُمُ ٱلْمَنَّ وَٱلسَّلْوَىٰ

হে বনী-ইসরাঈল! আমি তোমাদেরকে তোমাদের শক্রুর কবল থেকে উদ্ধার করেছি, তুর পাহাড়ের দক্ষিণ পার্শ্বে তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দান করেছি এবং তোমাদের কাছে ‘মান্না’ ও ‘সালওয়া’ নাযিল করেছি।

يَـٰبَنِىٓ yābanī হে সন্তানগণ
إِسْرَٰٓءِيلَ is'rāīla ইসরাঈলের
قَدْ qad নিশ্চয়ই
أَنجَيْنَـٰكُم anjaynākum তোমাদেরকে আমরা উদ্ধার করেছি
مِّنْ min থেকে
عَدُوِّكُمْ ʿaduwwikum তোমাদের শত্রু
وَوَٰعَدْنَـٰكُمْ wawāʿadnākum ও তোমাদেরকে আমরা ( উপস্থিতির) প্রতিশ্রুতি দিয়েছি
جَانِبَ jāniba পাশে
ٱلطُّورِ l-ṭūri তূর পাহাড়ের
ٱلْأَيْمَنَ l-aymana ডানদিকের
وَنَزَّلْنَا wanazzalnā এবং আমরা পাঠিয়েছি
عَلَيْكُمُ ʿalaykumu তোমাদের উপর
ٱلْمَنَّ l-mana মান্না
وَٱلسَّلْوَىٰ wal-salwā ও সালওয়া

আয়াত 81 - সূরা طه: 17 শব্দ

كُلُوا۟ مِن طَيِّبَـٰتِ مَا رَزَقْنَـٰكُمْ وَلَا تَطْغَوْا۟ فِيهِ فَيَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبِى ۖ وَمَن يَحْلِلْ عَلَيْهِ غَضَبِى فَقَدْ هَوَىٰ

বলেছিঃ আমার দেয়া পবিত্র বস্তুসমূহ খাও এবং এতে সীমালংঘন করো না, তা হলে তোমাদের উপর আমার ক্রোধ নেমে আসবে এবং যার উপর আমার ক্রোধ নেমে আসে সে ধবংস হয়ে যায়।

كُلُوا۟ kulū তোমরা খাও
مِن min থেকে
طَيِّبَـٰتِ ṭayyibāti পবিত্র বস্তুসমূহ
مَا mā যা
رَزَقْنَـٰكُمْ razaqnākum তোমাদেরকে আমরা জীবনোপকরণ দিয়েছি
وَلَا walā এবং না
تَطْغَوْا۟ taṭghaw সীমালঙ্ঘন করো
فِيهِ fīhi এর মধ্যে
فَيَحِلَّ fayaḥilla তাহ'লে অবধারিত হবে
عَلَيْكُمْ ʿalaykum তোমাদের উপর
غَضَبِى ۖ ghaḍabī আমার রাগ
وَمَن waman এবং যার (এমন)
يَحْلِلْ yaḥlil অবধারিত হবে
عَلَيْهِ ʿalayhi তার উপর
غَضَبِى ghaḍabī আমার রাগ
فَقَدْ faqad নিশ্চয়ই
هَوَىٰ hawā সে ধ্বংস হয়ে যাবে

আয়াত 82 - সূরা طه: 9 শব্দ

وَإِنِّى لَغَفَّارٌۭ لِّمَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَـٰلِحًۭا ثُمَّ ٱهْتَدَىٰ

আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল।

وَإِنِّى wa-innī এবং আমি নিশ্চয়ই
لَغَفَّارٌۭ laghaffārun অবশ্যই ক্ষমাশীল
لِّمَن liman (তার) জন্য যে
تَابَ tāba তওবা করলো
وَءَامَنَ waāmana ও ঈমান আনলো
وَعَمِلَ waʿamila এবং কাজ করলো
صَـٰلِحًۭا ṣāliḥan সৎ
ثُمَّ thumma এরপর
ٱهْتَدَىٰ ih'tadā সৎপথে অবিচলিত থাকলো

আয়াত 83 - সূরা طه: 5 শব্দ

۞ وَمَآ أَعْجَلَكَ عَن قَوْمِكَ يَـٰمُوسَىٰ

হে মূসা, তোমার সম্প্রদায়কে পেছনে ফেলে তুমি ত্বরা করলে কেন?

۞ وَمَآ wamā "এবং কিসে
أَعْجَلَكَ aʿjalaka তোমাকে তাড়াহুড়া করালো
عَن ʿan থেকে
قَوْمِكَ qawmika তোমার জাতি
يَـٰمُوسَىٰ yāmūsā হে মূসা"

আয়াত 84 - সূরা طه: 9 শব্দ

قَالَ هُمْ أُو۟لَآءِ عَلَىٰٓ أَثَرِى وَعَجِلْتُ إِلَيْكَ رَبِّ لِتَرْضَىٰ

তিনি বললেনঃ এই তো তারা আমার পেছনে আসছে এবং হে আমার পালনকর্তা, আমি তাড়াতাড়ি তোমার কাছে এলাম, যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও।

قَالَ qāla সে বললো
هُمْ hum "তারা
أُو۟لَآءِ ulāi ঐ তো
عَلَىٰٓ ʿalā উপর
أَثَرِى atharī আমার চিহ্নের
وَعَجِلْتُ waʿajil'tu এবং আমি তাড়াহুড়া করেছি
إِلَيْكَ ilayka তোমার দিকে
رَبِّ rabbi হে আমার রব
لِتَرْضَىٰ litarḍā যেন তুমি সন্তুষ্ট হও"

আয়াত 85 - সূরা طه: 9 শব্দ

قَالَ فَإِنَّا قَدْ فَتَنَّا قَوْمَكَ مِنۢ بَعْدِكَ وَأَضَلَّهُمُ ٱلسَّامِرِىُّ

বললেনঃ আমি তোমার সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করেছি তোমার পর এবং সামেরী তাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে।

قَالَ qāla (আল্লাহ) বললেন
فَإِنَّا fa-innā "অতঃপর নিশ্চয়ই আমরা
قَدْ qad নিশ্চয়ই
فَتَنَّا fatannā আমরা পরীক্ষায় ফেলেছি
قَوْمَكَ qawmaka তোমার জাতিকে
مِنۢ min থেকে
بَعْدِكَ baʿdika তোমার পর
وَأَضَلَّهُمُ wa-aḍallahumu এবং তাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে
ٱلسَّامِرِىُّ l-sāmiriyu সামেরী"

আয়াত 86 - সূরা طه: 26 শব্দ

فَرَجَعَ مُوسَىٰٓ إِلَىٰ قَوْمِهِۦ غَضْبَـٰنَ أَسِفًۭا ۚ قَالَ يَـٰقَوْمِ أَلَمْ يَعِدْكُمْ رَبُّكُمْ وَعْدًا حَسَنًا ۚ أَفَطَالَ عَلَيْكُمُ ٱلْعَهْدُ أَمْ أَرَدتُّمْ أَن يَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ فَأَخْلَفْتُم مَّوْعِدِى

অতঃপর মূসা তাঁর সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গেলেন ক্রদ্ধ ও অনুতপ্ত অবস্থায়। তিনি বললেনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের পালনকর্তা কি তোমাদেরকে একটি উত্তম প্রতিশ্রুতি দেননি? তবে কি প্রতিশ্রুতির সময়কাল তোমাদের কাছে দীর্ঘ হয়েছে, না তোমরা চেয়েছ যে, তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার ক্রোধ নেমে আসুক, যে কারণে তোমরা আমার সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করলে?

فَرَجَعَ farajaʿa অতঃপর ফিরে আসলো
مُوسَىٰٓ mūsā মূসা
إِلَىٰ ilā কাছে
قَوْمِهِۦ qawmihi তার লোকদের
غَضْبَـٰنَ ghaḍbāna রাগান্বিত হয়ে
أَسِفًۭا ۚ asifan অনুতপ্ত অবস্থায়
قَالَ qāla সে বললো
يَـٰقَوْمِ yāqawmi "হে আমার জাতি
أَلَمْ alam নি কি
يَعِدْكُمْ yaʿid'kum প্রতিশ্রুতি দেন তোমাদের
رَبُّكُمْ rabbukum তোমাদের রব
وَعْدًا waʿdan প্রতিশ্রুতি
حَسَنًا ۚ ḥasanan উত্তম
أَفَطَالَ afaṭāla কি সুদীর্ঘ হয়েছে তবে
عَلَيْكُمُ ʿalaykumu তোমাদের উপর
ٱلْعَهْدُ l-ʿahdu প্রতিশ্রুতির সময়
أَمْ am অথবা
أَرَدتُّمْ aradttum তোমরা চেয়েছো
أَن an যে
يَحِلَّ yaḥilla অবধারিত হোক
عَلَيْكُمْ ʿalaykum তোমাদের উপর
غَضَبٌۭ ghaḍabun রাগ
مِّن min পক্ষ হ'তে
رَّبِّكُمْ rabbikum তোমাদের রবের
فَأَخْلَفْتُم fa-akhlaftum অতঃপর তোমরা ভঙ্গ করেছ
مَّوْعِدِى mawʿidī আমার সাথে করা প্রতিশ্রুতি"

আয়াত 87 - সূরা طه: 15 শব্দ

قَالُوا۟ مَآ أَخْلَفْنَا مَوْعِدَكَ بِمَلْكِنَا وَلَـٰكِنَّا حُمِّلْنَآ أَوْزَارًۭا مِّن زِينَةِ ٱلْقَوْمِ فَقَذَفْنَـٰهَا فَكَذَٰلِكَ أَلْقَى ٱلسَّامِرِىُّ

তারা বললঃ আমরা তোমার সাথে কৃত ওয়াদা স্বেচ্ছায় ভঙ্গ করিনি; কিন্তু আমাদের উপর ফেরউনীদের অলংকারের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। অতঃপর আমরা তা নিক্ষেপ করে দিয়েছি। এমনি ভাবে সামেরীও নিক্ষেপ করেছে।

قَالُوا۟ qālū তারা বললো
مَآ mā "না
أَخْلَفْنَا akhlafnā আমরা ভঙ্গ করেছি
مَوْعِدَكَ mawʿidaka তোমার সাথে করা প্রতিশ্রুতি
بِمَلْكِنَا bimalkinā আমাদের ইচ্ছেমত
وَلَـٰكِنَّا walākinnā কিন্তু
حُمِّلْنَآ ḥummil'nā আমাদের উপর চাপানো হয়েছিলো
أَوْزَارًۭا awzāran বোঝা সমূহ
مِّن min তৈরি
زِينَةِ zīnati অলংকারের
ٱلْقَوْمِ l-qawmi লোকদের
فَقَذَفْنَـٰهَا faqadhafnāhā ফলে তা আমরা ছুঁড়ে ফেলি
فَكَذَٰلِكَ fakadhālika পরে ঐভাবে
أَلْقَى alqā নিক্ষেপ করলো
ٱلسَّامِرِىُّ l-sāmiriyu সামেরীও"

আয়াত 88 - সূরা طه: 12 শব্দ

فَأَخْرَجَ لَهُمْ عِجْلًۭا جَسَدًۭا لَّهُۥ خُوَارٌۭ فَقَالُوا۟ هَـٰذَآ إِلَـٰهُكُمْ وَإِلَـٰهُ مُوسَىٰ فَنَسِىَ

অতঃপর সে তাদের জন্য তৈরী করে বের করল একটি গো-বৎস, একটা দেহ, যার মধ্যে গরুর শব্দ ছিল। তারা বললঃ এটা তোমাদের উপাস্য এবং মূসার ও উপাস্য, অতঃপর মূসা ভুলে গেছে।

فَأَخْرَجَ fa-akhraja অতঃপর বের করলো
لَهُمْ lahum তাদের জন্য
عِجْلًۭا ʿij'lan একটি বাছুর
جَسَدًۭا jasadan অবয়ব
لَّهُۥ lahu তার ছিলো
خُوَارٌۭ khuwārun হাম্বা শব্দ
فَقَالُوا۟ faqālū তখন তারা বললো
هَـٰذَآ hādhā "এটা
إِلَـٰهُكُمْ ilāhukum তোমাদের উপাস্য
وَإِلَـٰهُ wa-ilāhu ও উপাস্য
مُوسَىٰ mūsā মূসার
فَنَسِىَ fanasiya (মূসা) আসলে ভুলে গিয়েছিলো"

আয়াত 89 - সূরা طه: 12 শব্দ

أَفَلَا يَرَوْنَ أَلَّا يَرْجِعُ إِلَيْهِمْ قَوْلًۭا وَلَا يَمْلِكُ لَهُمْ ضَرًّۭا وَلَا نَفْعًۭا

তারা কি দেখে না যে, এটা তাদের কোন কথার উত্তর দেয় না এবং তারে কোন ক্ষতি ও উপকার করার ক্ষমতাও রাখে না?

أَفَلَا afalā নি কি
يَرَوْنَ yarawna তারা (ভেবে) দেখে
أَلَّا allā যে না
يَرْجِعُ yarjiʿu ফিরে আসে
إِلَيْهِمْ ilayhim তাদের দিকে (অর্থাৎ উত্তর দেয়)
قَوْلًۭا qawlan কথার
وَلَا walā এবং না
يَمْلِكُ yamliku ক্ষমতা রাখে
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে
ضَرًّۭا ḍarran ক্ষতি (করতে)
وَلَا walā আর না
نَفْعًۭا nafʿan উপকার (করতে)

আয়াত 90 - সূরা طه: 16 শব্দ

وَلَقَدْ قَالَ لَهُمْ هَـٰرُونُ مِن قَبْلُ يَـٰقَوْمِ إِنَّمَا فُتِنتُم بِهِۦ ۖ وَإِنَّ رَبَّكُمُ ٱلرَّحْمَـٰنُ فَٱتَّبِعُونِى وَأَطِيعُوٓا۟ أَمْرِى

হারুন তাদেরকে পুর্বেই বলেছিলেনঃ হে আমার কওম, তোমরা তো এই গো-বৎস দ্বারা পরীক্ষায় নিপতিত হয়েছ এবং তোমাদের পালনকর্তা দয়াময়। অতএব, তোমরা আমার অনুসরণ কর এবং আমার আদেশ মেনে চল।

وَلَقَدْ walaqad এবং নিশ্চয়ই
قَالَ qāla বলেছিলো
لَهُمْ lahum তাদেরকে
هَـٰرُونُ hārūnu হারূন
مِن min থেকেই
قَبْلُ qablu পূর্ব
يَـٰقَوْمِ yāqawmi "হে আমার জাতি
إِنَّمَا innamā মূলত
فُتِنتُم futintum তোমাদের পরীক্ষায় ফেলা হয়েছে
بِهِۦ ۖ bihi তা দ্বারা
وَإِنَّ wa-inna এবং নিশ্চয়ই
رَبَّكُمُ rabbakumu তোমাদের রব
ٱلرَّحْمَـٰنُ l-raḥmānu দয়াময় (আল্লাহ)
فَٱتَّبِعُونِى fa-ittabiʿūnī সুতরাং তোমরা আমাকে অনুসরণ করো
وَأَطِيعُوٓا۟ wa-aṭīʿū ও তোমরা আনুগত্য করো
أَمْرِى amrī আমার আদেশের"

আয়াত 91 - সূরা طه: 9 শব্দ

قَالُوا۟ لَن نَّبْرَحَ عَلَيْهِ عَـٰكِفِينَ حَتَّىٰ يَرْجِعَ إِلَيْنَا مُوسَىٰ

তারা বললঃ মূসা আমাদের কাছে ফিরে আসা পর্যন্ত আমরা সদাসর্বদা এর সাথেই সংযুক্ত হয়ে বসে থাকব।

قَالُوا۟ qālū তারা বলেছিলো
لَن lan "কখনও না
نَّبْرَحَ nabraḥa বিরত হবো আমরা
عَلَيْهِ ʿalayhi তার কাছে
عَـٰكِفِينَ ʿākifīna লেগে থাকা (বা পূজা করা হ'তে)_
حَتَّىٰ ḥattā যতক্ষণ না
يَرْجِعَ yarjiʿa ফিরে আসবে
إِلَيْنَا ilaynā আমাদের কাছে
مُوسَىٰ mūsā মূসা"

আয়াত 92 - সূরা طه: 7 শব্দ

قَالَ يَـٰهَـٰرُونُ مَا مَنَعَكَ إِذْ رَأَيْتَهُمْ ضَلُّوٓا۟

মূসা বললেনঃ হে হারুন, তুমি যখন তাদেরকে পথ ভ্রষ্ট হতে দেখলে, তখন তোমাকে কিসে নিবৃত্ত করল ?

قَالَ qāla (মূসা) বললো
يَـٰهَـٰرُونُ yāhārūnu "হে হারূন
مَا mā কিসে
مَنَعَكَ manaʿaka তোমাকে নিষেধ করলো
إِذْ idh যখন
رَأَيْتَهُمْ ra-aytahum তাদের তুমি দেখলে
ضَلُّوٓا۟ ḍallū তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে

আয়াত 93 - সূরা طه: 4 শব্দ

أَلَّا تَتَّبِعَنِ ۖ أَفَعَصَيْتَ أَمْرِى

আমার পদাঙ্ক অনুসরণ করা থেকে? তবে তুমি কি আমার আদেশ অমান্য করেছ?

أَلَّا allā যে না
تَتَّبِعَنِ ۖ tattabiʿani আমার (আদেশের) অনুসরণ করলে
أَفَعَصَيْتَ afaʿaṣayta তবে কি তুমি অমান্য করেছো
أَمْرِى amrī আমার আদেশের"

আয়াত 94 - সূরা طه: 18 শব্দ

قَالَ يَبْنَؤُمَّ لَا تَأْخُذْ بِلِحْيَتِى وَلَا بِرَأْسِىٓ ۖ إِنِّى خَشِيتُ أَن تَقُولَ فَرَّقْتَ بَيْنَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَلَمْ تَرْقُبْ قَوْلِى

তিনি বললেনঃ হে আমার জননী-তনয়, আমার শ্মশ্রু ও মাথার চুল ধরে আকর্ষণ করো না; আমি আশঙ্কা করলাম যে, তুমি বলবেঃ তুমি বনী-ইসরাঈলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছ এবং আমার কথা স্মরণে রাখনি।

قَالَ qāla সে বললো
يَبْنَؤُمَّ yabna-umma "হে আমার মায়ের ছেলে (অর্থাৎ ভাই)
لَا lā না
تَأْخُذْ takhudh ধরো
بِلِحْيَتِى biliḥ'yatī আমার দাড়ি
وَلَا walā আর না
بِرَأْسِىٓ ۖ birasī আমার মাথার (চুল)
إِنِّى innī নিশ্চয়ই আমি
خَشِيتُ khashītu আশঙ্কা করেছি
أَن an যে
تَقُولَ taqūla বলবে তুমি
فَرَّقْتَ farraqta "তুমি বিভেদ সৃষ্টি করেছো
بَيْنَ bayna মাঝে
بَنِىٓ banī সন্তানদের
إِسْرَٰٓءِيلَ is'rāīla ইসরাঈলের
وَلَمْ walam এবং নি
تَرْقُبْ tarqub তুমি মূল্য দাও
قَوْلِى qawlī আমার কথা"

আয়াত 95 - সূরা طه: 4 শব্দ

قَالَ فَمَا خَطْبُكَ يَـٰسَـٰمِرِىُّ

মূসা বললেন হে সামেরী, এখন তোমার ব্যাপার কি?

قَالَ qāla সে বললো
فَمَا famā "তাহ'লে কি
خَطْبُكَ khaṭbuka তোমার ব্যাপার
يَـٰسَـٰمِرِىُّ yāsāmiriyyu হে সামেরী"

আয়াত 96 - সূরা طه: 16 শব্দ

قَالَ بَصُرْتُ بِمَا لَمْ يَبْصُرُوا۟ بِهِۦ فَقَبَضْتُ قَبْضَةًۭ مِّنْ أَثَرِ ٱلرَّسُولِ فَنَبَذْتُهَا وَكَذَٰلِكَ سَوَّلَتْ لِى نَفْسِى

সে বললঃ আমি দেখলাম যা অন্যেরা দেখেনি। অতঃপর আমি সেই প্রেরিত ব্যক্তির পদচিহেߦ#2480; নীচ থেকে এক মুঠি মাটি নিয়ে নিলাম। অতঃপর আমি তা নিক্ষেপ করলাম। আমাকে আমার মন এই মন্ত্রণাই দিল।

قَالَ qāla (সামেরী) বললো
بَصُرْتُ baṣur'tu "আমি দেখেছি
بِمَا bimā ঐ বিষয়ে যা
لَمْ lam নি
يَبْصُرُوا۟ yabṣurū তারা দেখে
بِهِۦ bihi সে সম্পর্কে
فَقَبَضْتُ faqabaḍtu অতঃপর আমি মুঠিতে নিয়েছি
قَبْضَةًۭ qabḍatan এক মুঠো
مِّنْ min হ'তে
أَثَرِ athari পায়ের চিহ্ন
ٱلرَّسُولِ l-rasūli রাসূলের (অর্থাৎ জিবরাঈল বা মূসা আঃ)
فَنَبَذْتُهَا fanabadhtuhā অতঃপর তা আমি ছুঁড়ে ফেলেছি
وَكَذَٰلِكَ wakadhālika এবং এভাবেই
سَوَّلَتْ sawwalat উদ্বুদ্ধ করেছিলো
لِى lī আমাকে
نَفْسِى nafsī আমার মন"

আয়াত 97 - সূরা طه: 28 শব্দ

قَالَ فَٱذْهَبْ فَإِنَّ لَكَ فِى ٱلْحَيَوٰةِ أَن تَقُولَ لَا مِسَاسَ ۖ وَإِنَّ لَكَ مَوْعِدًۭا لَّن تُخْلَفَهُۥ ۖ وَٱنظُرْ إِلَىٰٓ إِلَـٰهِكَ ٱلَّذِى ظَلْتَ عَلَيْهِ عَاكِفًۭا ۖ لَّنُحَرِّقَنَّهُۥ ثُمَّ لَنَنسِفَنَّهُۥ فِى ٱلْيَمِّ نَسْفًا

মূসা বললেনঃ দূর হ, তোর জন্য সারা জীবন এ শাস্তিই রইল যে, তুই বলবি; আমাকে স্পর্শ করো না, এবং তোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়াদা আছে, যার ব্যতিক্রম হবে না। তুই তোর সেই ইলাহের প্রতি লক্ষ্য কর, যাকে তুই ঘিরে থাকতি। আমরা সেটি জালিয়ে দেবই। অতঃপর একে বিক্ষিপ্ত করে সাগরে ছড়িয়ে দেবই।

قَالَ qāla সে বললো
فَٱذْهَبْ fa-idh'hab "তাহ'লে তুমি যাও
فَإِنَّ fa-inna নিশ্চয়ই এখন
لَكَ laka তোমার জন্যে
فِى fī মধ্যে আছে
ٱلْحَيَوٰةِ l-ḥayati (সারা) জীবনের
أَن an (এই নির্দেশ) যে
تَقُولَ taqūla বলবে তুমি
لَا lā "না
مِسَاسَ ۖ misāsa স্পর্শ করবে (আমাকে)"
وَإِنَّ wa-inna এবং নিশ্চয়ই (আছে)
لَكَ laka তোমার জন্য
مَوْعِدًۭا mawʿidan নির্দিষ্ট সময় (জিজ্ঞাসাবাদের)
لَّن lan কখনও না
تُخْلَفَهُۥ ۖ tukh'lafahu তার ব্যতিক্রম করা হবে
وَٱنظُرْ wa-unẓur এবং দেখো
إِلَىٰٓ ilā প্রতি
إِلَـٰهِكَ ilāhika তোমার উপাস্যের
ٱلَّذِى alladhī যার
ظَلْتَ ẓalta তুমি সর্বদা ছিলে
عَلَيْهِ ʿalayhi তার কাছে
عَاكِفًۭا ۖ ʿākifan পূজারত
لَّنُحَرِّقَنَّهُۥ lanuḥarriqannahu অবশ্যই আমরা জ্বালাবো
ثُمَّ thumma এরপর
لَنَنسِفَنَّهُۥ lanansifannahu তাকে আমরা অবশ্যই বিক্ষিপ্তভাবে ছড়াবো
فِى fī মধ্যে
ٱلْيَمِّ l-yami সাগরের
نَسْفًا nasfan বিক্ষিপ্ত করে"

আয়াত 98 - সূরা طه: 12 শব্দ

إِنَّمَآ إِلَـٰهُكُمُ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۚ وَسِعَ كُلَّ شَىْءٍ عِلْمًۭا

তোমাদের ইলাহ তো কেবল আল্লাহই, যিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই। সব বিষয় তাঁর জ্ঞানের পরিধিভুক্ত।

إِنَّمَآ innamā প্রকৃতপক্ষে
إِلَـٰهُكُمُ ilāhukumu তোমাদের ইলাহ
ٱللَّهُ l-lahu একমাত্র আল্লাহ
ٱلَّذِى alladhī যিনি (এমন যে)
لَآ lā নেই
إِلَـٰهَ ilāha কোন ইলাহ
إِلَّا illā ছাড়া
هُوَ ۚ huwa তিনি
وَسِعَ wasiʿa পরিবেষ্টিত
كُلَّ kulla সব
شَىْءٍ shayin কিছু
عِلْمًۭا ʿil'man (তাঁর) জ্ঞানে

আয়াত 99 - সূরা طه: 13 শব্দ

كَذَٰلِكَ نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنۢبَآءِ مَا قَدْ سَبَقَ ۚ وَقَدْ ءَاتَيْنَـٰكَ مِن لَّدُنَّا ذِكْرًۭا

এমনিভাবে আমি পূর্বে যা ঘটেছে, তার সংবাদ আপনার কাছে বর্ণনা করি। আমি আমার কাছ থেকে আপনাকে দান করেছি পড়ার গ্রন্থ।

كَذَٰلِكَ kadhālika এরূপে
نَقُصُّ naquṣṣu বর্ণনা করছি আমরা
عَلَيْكَ ʿalayka তোমার কাছে
مِنْ min হ'তে
أَنۢبَآءِ anbāi সংবাদ
مَا mā যা
قَدْ qad নিশ্চয়ই
سَبَقَ ۚ sabaqa আগে ঘটেছে
وَقَدْ waqad এবং নিশ্চয়ই
ءَاتَيْنَـٰكَ ātaynāka তোমাকে আমরা দিয়েছি
مِن min হ'তে
لَّدُنَّا ladunnā আমার নিকট
ذِكْرًۭا dhik'ran উপদেশ

আয়াত 100 - সূরা طه: 8 শব্দ

مَّنْ أَعْرَضَ عَنْهُ فَإِنَّهُۥ يَحْمِلُ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ وِزْرًا

যে এ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, সে কেয়ামতের দিন বোঝা বহন করবে।

مَّنْ man যে
أَعْرَضَ aʿraḍa বিমুখ হবে
عَنْهُ ʿanhu তা থেকে
فَإِنَّهُۥ fa-innahu তবে সে নিশ্চয়ই
يَحْمِلُ yaḥmilu বহন করবে
يَوْمَ yawma দিনে
ٱلْقِيَـٰمَةِ l-qiyāmati ক্বিয়ামাতের
وِزْرًا wiz'ran (দূর্বহ) ভার

আয়াত 101 - সূরা طه: 7 শব্দ

خَـٰلِدِينَ فِيهِ ۖ وَسَآءَ لَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ حِمْلًۭا

তারা তাতে চিরকাল থাকবে এবং কেয়ামতের দিন এই বোঝা তাদের জন্যে মন্দ হবে।

خَـٰلِدِينَ khālidīna চিরস্থায়ী হবে তারা
فِيهِ ۖ fīhi তার মধ্যে
وَسَآءَ wasāa এবং কত মন্দ হবে
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে
يَوْمَ yawma দিনে
ٱلْقِيَـٰمَةِ l-qiyāmati ক্বিয়ামাতের
حِمْلًۭا ḥim'lan বোঝা

আয়াত 102 - সূরা طه: 8 শব্দ

يَوْمَ يُنفَخُ فِى ٱلصُّورِ ۚ وَنَحْشُرُ ٱلْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍۢ زُرْقًۭا

যেদিন সিঙ্গায় ফূৎকার দেয়া হবে, সেদিন আমি অপরাধীদেরকে সমবেত করব নীল চক্ষু অবস্থায়।

يَوْمَ yawma যেদিন
يُنفَخُ yunfakhu ফুঁ দেয়া হবে
فِى fī মধ্যে
ٱلصُّورِ ۚ l-ṣūri শিঙ্গার
وَنَحْشُرُ wanaḥshuru এবং সমবেত করবো আমরা
ٱلْمُجْرِمِينَ l-muj'rimīna অপরাধীদেরকে
يَوْمَئِذٍۢ yawma-idhin সেদিন
زُرْقًۭا zur'qan নীল-চোখ বিশিষ্ট (দৃষ্টিহীন অবস্থায়)

আয়াত 103 - সূরা طه: 6 শব্দ

يَتَخَـٰفَتُونَ بَيْنَهُمْ إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا عَشْرًۭا

তারা চুপিসারে পরস্পরে বলাবলি করবেঃ তোমরা মাত্র দশ দিন অবস্থান করেছিলে।

يَتَخَـٰفَتُونَ yatakhāfatūna তারা পরস্পরে চুপে-চুপে বলবে
بَيْنَهُمْ baynahum তাদের মাঝে
إِن in "না
لَّبِثْتُمْ labith'tum তোমরা অবস্থান করেছিলে
إِلَّا illā কিন্তু
عَشْرًۭا ʿashran দশ (দিন)"

আয়াত 104 - সূরা طه: 12 শব্দ

نَّحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَقُولُونَ إِذْ يَقُولُ أَمْثَلُهُمْ طَرِيقَةً إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا يَوْمًۭا

তারা কি বলে তা আমি ভালোভাবে জানি। তাদের মধ্যে যে, অপেক্ষাকৃত উত্তম পথের অনুসারী সে বলবেঃ তোমরা মাত্র একদিন অবস্থান করেছিলে।

نَّحْنُ naḥnu আমরা
أَعْلَمُ aʿlamu খুব জানি
بِمَا bimā ঐ বিষয়ে যা
يَقُولُونَ yaqūlūna তারা বলবে
إِذْ idh যখন
يَقُولُ yaqūlu বলবে
أَمْثَلُهُمْ amthaluhum তাদের মধ্যকার অপেক্ষাকৃত উত্তম ব্যক্তি
طَرِيقَةً ṭarīqatan বুদ্ধিমত্তায়
إِن in "না
لَّبِثْتُمْ labith'tum তোমরা অবস্থান করেছিলে
إِلَّا illā এছাড়া
يَوْمًۭا yawman একদিন"

আয়াত 105 - সূরা طه: 7 শব্দ

وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْجِبَالِ فَقُلْ يَنسِفُهَا رَبِّى نَسْفًۭا

তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।

وَيَسْـَٔلُونَكَ wayasalūnaka এবং তোমাকে তারা প্রশ্ন করে
عَنِ ʿani সম্পর্কে
ٱلْجِبَالِ l-jibāli পর্বতসমূহ
فَقُلْ faqul অতঃপর বলো
يَنسِفُهَا yansifuhā "তা উড়িয়ে দিবেন ধুলো করে
رَبِّى rabbī আমার রব
نَسْفًۭا nasfan (খুব করে) উড়িয়ে দেয়া

আয়াত 106 - সূরা طه: 3 শব্দ

فَيَذَرُهَا قَاعًۭا صَفْصَفًۭا

অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।

فَيَذَرُهَا fayadharuhā অতঃপর তা পরিণত করবেন
قَاعًۭا qāʿan সমতল
صَفْصَفًۭا ṣafṣafan মসৃণ ময়দানে

আয়াত 107 - সূরা طه: 6 শব্দ

لَّا تَرَىٰ فِيهَا عِوَجًۭا وَلَآ أَمْتًۭا

তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।

لَّا lā না
تَرَىٰ tarā দেখবে তুমি
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
عِوَجًۭا ʿiwajan বাঁকা
وَلَآ walā আর না
أَمْتًۭا amtan অসমান (উঁচুনিচু)"

আয়াত 108 - সূরা طه: 13 শব্দ

يَوْمَئِذٍۢ يَتَّبِعُونَ ٱلدَّاعِىَ لَا عِوَجَ لَهُۥ ۖ وَخَشَعَتِ ٱلْأَصْوَاتُ لِلرَّحْمَـٰنِ فَلَا تَسْمَعُ إِلَّا هَمْسًۭا

সেই দিন তারা আহবানকারীর অনুসরণ করবে, যার কথা এদিক-সেদিক হবে না এবং দয়াময় আল্লাহর ভয়ে সব শব্দ ক্ষীণ হয়ে যাবে। সুতরাং মৃদু গুঞ্জন ব্যতীত তুমি কিছুই শুনবে না।

يَوْمَئِذٍۢ yawma-idhin সে দিন
يَتَّبِعُونَ yattabiʿūna তারা অনুসরণ করবে
ٱلدَّاعِىَ l-dāʿiya এক আহ্বানকারীকে
لَا lā না থাকবে
عِوَجَ ʿiwaja বক্রতা
لَهُۥ ۖ lahu তার মধ্যে
وَخَشَعَتِ wakhashaʿati এবং ক্ষীণ হবে
ٱلْأَصْوَاتُ l-aṣwātu আওয়াজ সমূহ
لِلرَّحْمَـٰنِ lilrraḥmāni দয়াময়ের সামনে
فَلَا falā অতঃপর না
تَسْمَعُ tasmaʿu শুনবে তুমি
إِلَّا illā কিন্তু
هَمْسًۭا hamsan অস্পষ্ট ধ্বনি (পদ শব্দ)

আয়াত 109 - সূরা طه: 12 শব্দ

يَوْمَئِذٍۢ لَّا تَنفَعُ ٱلشَّفَـٰعَةُ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحْمَـٰنُ وَرَضِىَ لَهُۥ قَوْلًۭا

দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দেবেন এবং যার কথায় সন্তুষ্ট হবেন সে ছাড়া কারও সুপারিশ সেদিন কোন উপকারে আসবে না।

يَوْمَئِذٍۢ yawma-idhin সে দিন
لَّا lā না
تَنفَعُ tanfaʿu উপকার দিবে
ٱلشَّفَـٰعَةُ l-shafāʿatu সুপারিশ
إِلَّا illā কিন্তু
مَنْ man যাকে
أَذِنَ adhina অনুমতি দিবেন
لَهُ lahu তার জন্য
ٱلرَّحْمَـٰنُ l-raḥmānu দয়াময় (আল্লাহ)
وَرَضِىَ waraḍiya এবং পছন্দ করবেন
لَهُۥ lahu তার জন্য
قَوْلًۭا qawlan কথাকে

আয়াত 110 - সূরা طه: 10 শব্দ

يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِۦ عِلْمًۭا

তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পশ্চাতে আছে এবং তারা তাকে জ্ঞান দ্বারা আয়ত্ত করতে পারে না।

يَعْلَمُ yaʿlamu তিনি জানেন
مَا mā যা কিছু (আছে)
بَيْنَ bayna মাঝে
أَيْدِيهِمْ aydīhim তাদের হাতের (সামনে)
وَمَا wamā এবং যা কিছু
خَلْفَهُمْ khalfahum তাদের পিছনে (আছে)
وَلَا walā এবং না
يُحِيطُونَ yuḥīṭūna তারা আয়ত্ত্ব করতে পারে
بِهِۦ bihi তাঁকে
عِلْمًۭا ʿil'man জ্ঞানে

আয়াত 111 - সূরা طه: 9 শব্দ

۞ وَعَنَتِ ٱلْوُجُوهُ لِلْحَىِّ ٱلْقَيُّومِ ۖ وَقَدْ خَابَ مَنْ حَمَلَ ظُلْمًۭا

সেই চিরঞ্জীব চিরস্থায়ীর সামনে সব মুখমন্ডল অবনমিত হবে এবং সে ব্যর্থ হবে যে জুলুমের বোঝা বহন করবে।

۞ وَعَنَتِ waʿanati এবং অবনমিত হবে
ٱلْوُجُوهُ l-wujūhu মুখমণ্ডলসমূহ
لِلْحَىِّ lil'ḥayyi কাছে চিরঞ্জীবের
ٱلْقَيُّومِ ۖ l-qayūmi চিরস্থায়ীর
وَقَدْ waqad এবং নিশ্চয়ই
خَابَ khāba ব্যর্থ হবে
مَنْ man যে
حَمَلَ ḥamala বহন করবে
ظُلْمًۭا ẓul'man অত্যাচার (গুনাহের বোঝা)

আয়াত 112 - সূরা طه: 11 শব্দ

وَمَن يَعْمَلْ مِنَ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ وَهُوَ مُؤْمِنٌۭ فَلَا يَخَافُ ظُلْمًۭا وَلَا هَضْمًۭا

যে ঈমানদার অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, সে জুলুম ও ক্ষতির আশঙ্কা করবে না।

وَمَن waman এবং যে
يَعْمَلْ yaʿmal কাজ করবে
مِنَ mina থেকে
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ l-ṣāliḥāti সৎকাজ
وَهُوَ wahuwa এ অবস্থায়(যে) সে
مُؤْمِنٌۭ mu'minun মু'মিন (হবে)
فَلَا falā তাহ'লে না
يَخَافُ yakhāfu সে ভয় করবে
ظُلْمًۭا ẓul'man অত্যাচার
وَلَا walā আর না
هَضْمًۭا haḍman ক্ষতির

আয়াত 113 - সূরা طه: 14 শব্দ

وَكَذَٰلِكَ أَنزَلْنَـٰهُ قُرْءَانًا عَرَبِيًّۭا وَصَرَّفْنَا فِيهِ مِنَ ٱلْوَعِيدِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ أَوْ يُحْدِثُ لَهُمْ ذِكْرًۭا

এমনিভাবে আমি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি এবং এতে নানাভাবে সতর্কবাণী ব্যক্ত করেছি, যাতে তারা আল্লাহভীরু হয় অথবা তাদের অন্তরে চিন্তার খোরাক যোগায়।

وَكَذَٰلِكَ wakadhālika আর এরূপে
أَنزَلْنَـٰهُ anzalnāhu তা আমরা অবতীর্ণ করেছি
قُرْءَانًا qur'ānan (অর্থাৎ) কুরআনকে
عَرَبِيًّۭا ʿarabiyyan আরবী ভাষায়
وَصَرَّفْنَا waṣarrafnā এবং আমরা বিশদভাবে বর্ণনা করেছি
فِيهِ fīhi তার মধ্যে
مِنَ mina দিয়ে
ٱلْوَعِيدِ l-waʿīdi সতর্কবাণী
لَعَلَّهُمْ laʿallahum তারা যাতে
يَتَّقُونَ yattaqūna তাকওয়া অবলম্বন করে
أَوْ aw অথবা
يُحْدِثُ yuḥ'dithu সৃষ্টি করবে
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে
ذِكْرًۭا dhik'ran উপদেশ(হুঁশজ্ঞান)

আয়াত 114 - সূরা طه: 17 শব্দ

فَتَعَـٰلَى ٱللَّهُ ٱلْمَلِكُ ٱلْحَقُّ ۗ وَلَا تَعْجَلْ بِٱلْقُرْءَانِ مِن قَبْلِ أَن يُقْضَىٰٓ إِلَيْكَ وَحْيُهُۥ ۖ وَقُل رَّبِّ زِدْنِى عِلْمًۭا

সত্যিকার অধীশ্বর আল্লাহ মহান। আপনার প্রতি আল্লাহর ওহী সম্পুর্ণ হওয়ার পূর্বে আপনি কোরআন গ্রহণের ব্যপারে তাড়াহুড়া করবেন না এবং বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।

فَتَعَـٰلَى fataʿālā সুতরাং মহান
ٱللَّهُ l-lahu আল্লাহ
ٱلْمَلِكُ l-maliku অধিপতি
ٱلْحَقُّ ۗ l-ḥaqu সত্যিকার
وَلَا walā এবং না
تَعْجَلْ taʿjal তাড়াহুড়া করো
بِٱلْقُرْءَانِ bil-qur'āni নিয়ে কুরআন (পাঠে)
مِن min থেকে
قَبْلِ qabli এর পূর্ব
أَن an যে
يُقْضَىٰٓ yuq'ḍā সম্পূর্ণ করা হয়
إِلَيْكَ ilayka তোমার প্রতি
وَحْيُهُۥ ۖ waḥyuhu তার ওহী(প্রেরণ)
وَقُل waqul এবং বলো
رَّبِّ rabbi "হে আমার রব
زِدْنِى zid'nī আমাকে বাড়িয়ে দাও
عِلْمًۭا ʿil'man জ্ঞান"

আয়াত 115 - সূরা طه: 11 শব্দ

وَلَقَدْ عَهِدْنَآ إِلَىٰٓ ءَادَمَ مِن قَبْلُ فَنَسِىَ وَلَمْ نَجِدْ لَهُۥ عَزْمًۭا

আমি ইতিপূর্বে আদমকে নির্দেশ দিয়েছিলাম। অতঃপর সে ভুলে গিয়েছিল এবং আমি তার মধ্যে দৃঢ়তা পাইনি।

وَلَقَدْ walaqad এবং নিশ্চয়ই
عَهِدْنَآ ʿahid'nā আমরা নির্দেশ দিয়েছিলাম
إِلَىٰٓ ilā প্রতি
ءَادَمَ ādama আদমের
مِن min থেকে
قَبْلُ qablu ইতিপূর্ব
فَنَسِىَ fanasiya কিন্তু সে ভুলে যায়
وَلَمْ walam এবং নি
نَجِدْ najid আমরা পাই
لَهُۥ lahu তার মধ্যে
عَزْمًۭا ʿazman দৃঢ় সংকল্প

আয়াত 116 - সূরা طه: 9 শব্দ

وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ ٱسْجُدُوا۟ لِـَٔادَمَ فَسَجَدُوٓا۟ إِلَّآ إِبْلِيسَ أَبَىٰ

যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ তোমরা আদমকে সেজদা কর, তখন ইবলীস ব্যতীত সবাই সেজদা করল। সে অমান্য করল।

وَإِذْ wa-idh এবং(স্মরণ করো) যখন
قُلْنَا qul'nā আমরা বলেছিলাম
لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ lil'malāikati ফিরিশতাদেরকে
ٱسْجُدُوا۟ us'judū "তোমরা সিজদা করো
لِـَٔادَمَ liādama জন্য আদমের"
فَسَجَدُوٓا۟ fasajadū তখন তারা সিজদা করলো
إِلَّآ illā কিন্তু
إِبْلِيسَ ib'līsa ইবলিস (করলো না)
أَبَىٰ abā সে অমান্য করলো

আয়াত 117 - সূরা طه: 12 শব্দ

فَقُلْنَا يَـٰٓـَٔادَمُ إِنَّ هَـٰذَا عَدُوٌّۭ لَّكَ وَلِزَوْجِكَ فَلَا يُخْرِجَنَّكُمَا مِنَ ٱلْجَنَّةِ فَتَشْقَىٰٓ

অতঃপর আমি বললামঃ হে আদম, এ তোমার ও তোমার স্ত্রীর শত্রু, সুতরাং সে যেন বের করে না দেয় তোমাদের জান্নাত থেকে। তাহলে তোমরা কষ্টে পতিত হবে।

فَقُلْنَا faqul'nā তখন আমরা বললাম
يَـٰٓـَٔادَمُ yāādamu "হে আদম
إِنَّ inna নিশ্চয়ই
هَـٰذَا hādhā এটা
عَدُوٌّۭ ʿaduwwun শত্রু
لَّكَ laka জন্য তোমার
وَلِزَوْجِكَ walizawjika এবং জন্য তোমার স্ত্রীর
فَلَا falā অতএব না যেন
يُخْرِجَنَّكُمَا yukh'rijannakumā তোমাদের দু'জনকে বের করে দেয়
مِنَ mina হ'তে
ٱلْجَنَّةِ l-janati জান্নাত
فَتَشْقَىٰٓ fatashqā ফলে তুমি কষ্টে পড়বে

আয়াত 118 - সূরা طه: 7 শব্দ

إِنَّ لَكَ أَلَّا تَجُوعَ فِيهَا وَلَا تَعْرَىٰ

তোমাকে এই দেয়া হল যে, তুমি এতে ক্ষুধার্ত হবে না এবং বস্ত্রহীণ হবে না।

إِنَّ inna নিশ্চয়ই
لَكَ laka জন্যে তোমার
أَلَّا allā (এ ব্যবস্থা) যে না
تَجُوعَ tajūʿa তুমি ক্ষুধার্ত হবে
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
وَلَا walā আর না
تَعْرَىٰ taʿrā তুমি উলঙ্গ হবে

আয়াত 119 - সূরা طه: 6 শব্দ

وَأَنَّكَ لَا تَظْمَؤُا۟ فِيهَا وَلَا تَضْحَىٰ

এবং তোমার পিপাসাও হবে না এবং রৌদ্রেও কষ্ট পাবে না।

وَأَنَّكَ wa-annaka এবং (এও) যে তুমি
لَا lā না
تَظْمَؤُا۟ taẓma-u পিপাসার্ত হবে
فِيهَا fīhā তার মধ্যে
وَلَا walā আর না
تَضْحَىٰ taḍḥā রোদে উতপ্ত হবে

আয়াত 120 - সূরা طه: 13 শব্দ

فَوَسْوَسَ إِلَيْهِ ٱلشَّيْطَـٰنُ قَالَ يَـٰٓـَٔادَمُ هَلْ أَدُلُّكَ عَلَىٰ شَجَرَةِ ٱلْخُلْدِ وَمُلْكٍۢ لَّا يَبْلَىٰ

অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রনা দিল, বললঃ হে আদম, আমি কি তোমাকে বলে দিব অনন্তকাল জীবিত থাকার বৃক্ষের কথা এবং অবিনশ্বর রাজত্বের কথা?

فَوَسْوَسَ fawaswasa কিন্তু কুমন্ত্রনা দিলো
إِلَيْهِ ilayhi তার দিকে
ٱلشَّيْطَـٰنُ l-shayṭānu শয়তান
قَالَ qāla সে বললো
يَـٰٓـَٔادَمُ yāādamu "হে আদম
هَلْ hal কি
أَدُلُّكَ adulluka তোমাকে আমি বলে দিবো
عَلَىٰ ʿalā সমন্ধে
شَجَرَةِ shajarati এই গাছের
ٱلْخُلْدِ l-khul'di চিরন্তন জীবনের
وَمُلْكٍۢ wamul'kin ও এমন রাজ্যের
لَّا lā (যা) না
يَبْلَىٰ yablā ক্ষয় হয়"

আয়াত 121 - সূরা طه: 15 শব্দ

فَأَكَلَا مِنْهَا فَبَدَتْ لَهُمَا سَوْءَٰتُهُمَا وَطَفِقَا يَخْصِفَانِ عَلَيْهِمَا مِن وَرَقِ ٱلْجَنَّةِ ۚ وَعَصَىٰٓ ءَادَمُ رَبَّهُۥ فَغَوَىٰ

অতঃপর তারা উভয়েই এর ফল ভক্ষণ করল, তখন তাদের সামনে তাদের লজ্জাস্থান খুলে গেল এবং তারা জান্নাতের বৃক্ষ-পত্র দ্বারা নিজেদেরকে আবৃত করতে শুরু করল। আদম তার পালনকর্তার অবাধ্যতা করল, ফলে সে পথ ভ্রষ্ঠ হয়ে গেল।

فَأَكَلَا fa-akalā অতঃপর উভয়ে খেলো
مِنْهَا min'hā তা থেকে
فَبَدَتْ fabadat তখন প্রকাশ হয়ে পড়লো
لَهُمَا lahumā কাছে তাদের উভয়ের
سَوْءَٰتُهُمَا sawātuhumā তাদের উভয়ের লজ্জাস্থানসমূহ
وَطَفِقَا waṭafiqā এবং উভয়ে শুরু করলো
يَخْصِفَانِ yakhṣifāni উভয়ে ঢাকতে
عَلَيْهِمَا ʿalayhimā তাদের দুজনের উপর
مِن min দিয়ে
وَرَقِ waraqi পাতা
ٱلْجَنَّةِ ۚ l-janati জান্নাতের
وَعَصَىٰٓ waʿaṣā এবং অমান্য করলো
ءَادَمُ ādamu আদম
رَبَّهُۥ rabbahu তার রবকে
فَغَوَىٰ faghawā অতঃপর সে বিভ্রান্ত হলো

আয়াত 122 - সূরা طه: 6 শব্দ

ثُمَّ ٱجْتَبَـٰهُ رَبُّهُۥ فَتَابَ عَلَيْهِ وَهَدَىٰ

এরপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন, তার প্রতি মনোযোগী হলেন এবং তাকে সুপথে আনয়ন করলেন।

ثُمَّ thumma এরপরে
ٱجْتَبَـٰهُ ij'tabāhu তাকে মনোনীত করলেন (সম্মানিত করলেন)
رَبُّهُۥ rabbuhu তাঁর রব
فَتَابَ fatāba অতঃপর ক্ষমা করলেন
عَلَيْهِ ʿalayhi তার প্রতি
وَهَدَىٰ wahadā ও পথ দেখালেন

আয়াত 123 - সূরা طه: 18 শব্দ

قَالَ ٱهْبِطَا مِنْهَا جَمِيعًۢا ۖ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّۭ ۖ فَإِمَّا يَأْتِيَنَّكُم مِّنِّى هُدًۭى فَمَنِ ٱتَّبَعَ هُدَاىَ فَلَا يَضِلُّ وَلَا يَشْقَىٰ

তিনি বললেনঃ তোমরা উভয়েই এখান থেকে এক সঙ্গে নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু। এরপর যদি আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে হেদায়েত আসে, তখন যে আমার বর্ণিত পথ অনুসরণ করবে, সে পথভ্রষ্ঠ হবে না এবং কষ্টে পতিত হবে না।

قَالَ qāla (আল্লাহ) বললেন
ٱهْبِطَا ih'biṭā "উভয়ে নেমে যাও
مِنْهَا min'hā তা থেকে
جَمِيعًۢا ۖ jamīʿan এক সঙ্গে
بَعْضُكُمْ baʿḍukum তোমরা একে
لِبَعْضٍ libaʿḍin জন্যে অপরের
عَدُوٌّۭ ۖ ʿaduwwun শত্রু (হবে)
فَإِمَّا fa-immā অতঃপর যখন
يَأْتِيَنَّكُم yatiyannakum তোমাদের কাছে আসবে
مِّنِّى minnī আমার পক্ষ হ'তে
هُدًۭى hudan পথনির্দেশ
فَمَنِ famani তখন যে
ٱتَّبَعَ ittabaʿa অনুসরণ করবে
هُدَاىَ hudāya আমার পথনির্দেশ
فَلَا falā ফলে না
يَضِلُّ yaḍillu বিভ্রান্ত হবে
وَلَا walā আর না
يَشْقَىٰ yashqā কষ্ট পাবে

আয়াত 124 - সূরা طه: 12 শব্দ

وَمَنْ أَعْرَضَ عَن ذِكْرِى فَإِنَّ لَهُۥ مَعِيشَةًۭ ضَنكًۭا وَنَحْشُرُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ أَعْمَىٰ

এবং যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব।

وَمَنْ waman আর যে
أَعْرَضَ aʿraḍa বিমুখ হবে
عَن ʿan হ'তে
ذِكْرِى dhik'rī আমার স্মরণ
فَإِنَّ fa-inna নিশ্চয়ই তবে
لَهُۥ lahu তার জন্যে (হবে)
مَعِيشَةًۭ maʿīshatan জীবন যাপন
ضَنكًۭا ḍankan সংকুচিত
وَنَحْشُرُهُۥ wanaḥshuruhu আর তাকে উঠাবো আমরা
يَوْمَ yawma দিনে
ٱلْقِيَـٰمَةِ l-qiyāmati ক্বিয়ামাতের
أَعْمَىٰ aʿmā অন্ধ অবস্থায়"

আয়াত 125 - সূরা طه: 8 শব্দ

قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِىٓ أَعْمَىٰ وَقَدْ كُنتُ بَصِيرًۭا

সে বলবেঃ হে আমার পালনকর্তা আমাকে কেন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করলেন? আমি তো চক্ষুমান ছিলাম।

قَالَ qāla সে বলবে
رَبِّ rabbi "হে আমার রব
لِمَ lima কেন
حَشَرْتَنِىٓ ḥashartanī আমাকে আপনি উঠালেন
أَعْمَىٰ aʿmā অন্ধ অবস্থায়
وَقَدْ waqad অথচ নিশ্চয়ই
كُنتُ kuntu আমি ছিলাম
بَصِيرًۭا baṣīran চক্ষুষ্মান"

আয়াত 126 - সূরা طه: 8 শব্দ

قَالَ كَذَٰلِكَ أَتَتْكَ ءَايَـٰتُنَا فَنَسِيتَهَا ۖ وَكَذَٰلِكَ ٱلْيَوْمَ تُنسَىٰ

আল্লাহ বলবেনঃ এমনিভাবে তোমার কাছে আমার আয়াতসমূহ এসেছিল, অতঃপর তুমি সেগুলো ভুলে গিয়েছিলে। তেমনিভাবে আজ তোমাকে ভুলে যাব।

قَالَ qāla তিনি বলবেন
كَذَٰلِكَ kadhālika "এমনিভাবেই
أَتَتْكَ atatka তোমাদের কাছে এসেছিলো
ءَايَـٰتُنَا āyātunā আমাদের নিদর্শনাবলী
فَنَسِيتَهَا ۖ fanasītahā তখন তা তুমি ভুলে গিয়েছিলে
وَكَذَٰلِكَ wakadhālika এবং এভাবেই
ٱلْيَوْمَ l-yawma আজ
تُنسَىٰ tunsā বিস্মৃত হয়েছো তুমি"

আয়াত 127 - সূরা طه: 12 শব্দ

وَكَذَٰلِكَ نَجْزِى مَنْ أَسْرَفَ وَلَمْ يُؤْمِنۢ بِـَٔايَـٰتِ رَبِّهِۦ ۚ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَشَدُّ وَأَبْقَىٰٓ

এমনিভাবে আমি তাকে প্রতিফল দেব, যে সীমালঙ্ঘন করে এবং পালনকর্তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন না করে। তার পরকালের শাস্তি কঠোরতর এবং অনেক স্থায়ী।

وَكَذَٰلِكَ wakadhālika এবং এরূপেই
نَجْزِى najzī প্রতিফল দিই আমরা
مَنْ man (তাকে) যে
أَسْرَفَ asrafa বাড়াবাড়ি করে
وَلَمْ walam এবং না
يُؤْمِنۢ yu'min বিশ্বাস করে
بِـَٔايَـٰتِ biāyāti নিদর্শনাবলীর প্রতি
رَبِّهِۦ ۚ rabbihi তার রবের
وَلَعَذَابُ walaʿadhābu এবং অবশ্যই শাস্তি
ٱلْـَٔاخِرَةِ l-ākhirati আখিরাতের
أَشَدُّ ashaddu কঠোরতর
وَأَبْقَىٰٓ wa-abqā ও অধিক স্থায়ী

আয়াত 128 - সূরা طه: 17 শব্দ

أَفَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّنَ ٱلْقُرُونِ يَمْشُونَ فِى مَسَـٰكِنِهِمْ ۗ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّأُو۟لِى ٱلنُّهَىٰ

আমি এদের পূর্বে অনেক সম্প্রদায়কে ধবংস করেছি। যাদের বাসভুমিতে এরা বিচরণ করে, এটা কি এদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করল না? নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

أَفَلَمْ afalam নি তবে কি
يَهْدِ yahdi পথ দেখায় (ইতিহাসের এ শিক্ষা)
لَهُمْ lahum তাদের জন্যে
كَمْ kam কতই (না)
أَهْلَكْنَا ahlaknā আমরা ধ্বংস করেছি (জনপদ)
قَبْلَهُم qablahum তাদের পূর্বে
مِّنَ mina মধ্য হ'তে
ٱلْقُرُونِ l-qurūni মানব গোষ্ঠির
يَمْشُونَ yamshūna তারা চলছে (আজ)
فِى fī মধ্য দিয়ে
مَسَـٰكِنِهِمْ ۗ masākinihim তাদের বাসস্থানসমূহের
إِنَّ inna নিশ্চয়ই
فِى fī মধ্যে (রয়েছে)
ذَٰلِكَ dhālika এর
لَـَٔايَـٰتٍۢ laāyātin অবশ্যই নিদর্শনাবলী
لِّأُو۟لِى li-ulī জন্যে অধিকারীদের
ٱلنُّهَىٰ l-nuhā বুদ্ধি-বিবেকের

আয়াত 129 - সূরা طه: 9 শব্দ

وَلَوْلَا كَلِمَةٌۭ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَكَانَ لِزَامًۭا وَأَجَلٌۭ مُّسَمًّۭى

আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত এবং একটি কাল নির্দিষ্ট না থাকলে শাস্তি অবশ্যম্ভাবী হয়ে যেত।

وَلَوْلَا walawlā এবং যদি না
كَلِمَةٌۭ kalimatun একটি বাণী
سَبَقَتْ sabaqat পূর্বে নির্দিষ্ট হয়ে থাকতো
مِن min পক্ষ হ'তে
رَّبِّكَ rabbika তোমার রবের
لَكَانَ lakāna অবশ্যই হতো (শাস্তি)
لِزَامًۭا lizāman অবশ্যম্ভাবী
وَأَجَلٌۭ wa-ajalun ও একটি কাল (যদি না থাকতো)
مُّسَمًّۭى musamman নির্দিষ্ট

আয়াত 130 - সূরা طه: 20 শব্দ

فَٱصْبِرْ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ ٱلشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا ۖ وَمِنْ ءَانَآئِ ٱلَّيْلِ فَسَبِّحْ وَأَطْرَافَ ٱلنَّهَارِ لَعَلَّكَ تَرْضَىٰ

সুতরাং এরা যা বলে সে বিষয়ে ধৈর্য্য ধারণ করুন এবং আপনার পালনকর্তার প্রশংসা পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে, সূর্যাস্তের পূর্বে এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন রাত্রির কিছু অংশ ও দিবাভাগে, সম্ভবতঃ তাতে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।

فَٱصْبِرْ fa-iṣ'bir সুতরাং ধৈর্য ধরো
عَلَىٰ ʿalā উপর
مَا mā যা
يَقُولُونَ yaqūlūna তারা বলে
وَسَبِّحْ wasabbiḥ ও মহিমা ঘোষণা করো
بِحَمْدِ biḥamdi প্রশংসা সহ
رَبِّكَ rabbika তোমার রবের
قَبْلَ qabla পূর্বে
طُلُوعِ ṭulūʿi উদয়ের
ٱلشَّمْسِ l-shamsi সূর্য
وَقَبْلَ waqabla ও পূর্বে
غُرُوبِهَا ۖ ghurūbihā তার অস্তের
وَمِنْ wamin এবং
ءَانَآئِ ānāi কিছু অংশে
ٱلَّيْلِ al-layli রাতের
فَسَبِّحْ fasabbiḥ অতঃপর মহিমা ঘোষণা করো
وَأَطْرَافَ wa-aṭrāfa ও প্রান্ত ভাগে
ٱلنَّهَارِ l-nahāri দিনের
لَعَلَّكَ laʿallaka সম্ভবতঃ তুমি
تَرْضَىٰ tarḍā সন্তুষ্ট হবে

আয়াত 131 - সূরা طه: 18 শব্দ

وَلَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعْنَا بِهِۦٓ أَزْوَٰجًۭا مِّنْهُمْ زَهْرَةَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا لِنَفْتِنَهُمْ فِيهِ ۚ وَرِزْقُ رَبِّكَ خَيْرٌۭ وَأَبْقَىٰ

আমি এদের বিভিন্ন প্রকার লোককে পরীক্ষা করার জন্যে পার্থিবজীবনের সৌন্দর্য স্বরূপ ভোগ-বিলাসের যে উপকরণ দিয়েছি, আপনি সেই সব বস্তুর প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন না। আপনার পালনকর্তার দেয়া রিযিক উৎকৃষ্ট ও অধিক স্থায়ী।

وَلَا walā এবং না
تَمُدَّنَّ tamuddanna প্রসারিত তুমি করো
عَيْنَيْكَ ʿaynayka তোমার দুচোখ
إِلَىٰ ilā প্রতি
مَا mā যা
مَتَّعْنَا mattaʿnā আমরা উপকরণ দিয়েছি
بِهِۦٓ bihi সে সম্পর্কে
أَزْوَٰجًۭا azwājan বিভিন্ন শ্রেণীকে
مِّنْهُمْ min'hum তাদের মধ্যকার
زَهْرَةَ zahrata সৌন্দর্য হিসেবে
ٱلْحَيَوٰةِ l-ḥayati জীবনের
ٱلدُّنْيَا l-dun'yā পার্থিব
لِنَفْتِنَهُمْ linaftinahum যেন তাদের পরীক্ষা করি আমরা
فِيهِ ۚ fīhi তার মধ্যে
وَرِزْقُ wariz'qu আর জীবিকাই
رَبِّكَ rabbika তোমার রবের
خَيْرٌۭ khayrun উত্তম
وَأَبْقَىٰ wa-abqā ও স্থায়ী

আয়াত 132 - সূরা طه: 12 শব্দ

وَأْمُرْ أَهْلَكَ بِٱلصَّلَوٰةِ وَٱصْطَبِرْ عَلَيْهَا ۖ لَا نَسْـَٔلُكَ رِزْقًۭا ۖ نَّحْنُ نَرْزُقُكَ ۗ وَٱلْعَـٰقِبَةُ لِلتَّقْوَىٰ

আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাযের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোন রিযিক চাই না। আমি আপনাকে রিযিক দেই এবং আল্লাহ ভীরুতার পরিণাম শুভ।

وَأْمُرْ wamur এবং নির্দেশ দাও
أَهْلَكَ ahlaka তোমার পরিবারকে
بِٱلصَّلَوٰةِ bil-ṣalati সালাত সম্পর্কে
وَٱصْطَبِرْ wa-iṣ'ṭabir এবং দৃঢ় থাকো
عَلَيْهَا ۖ ʿalayhā তার উপর
لَا lā না
نَسْـَٔلُكَ nasaluka তোমার কাছে চাই আমরা
رِزْقًۭا ۖ riz'qan কোন জীবিকা
نَّحْنُ naḥnu আমরাই
نَرْزُقُكَ ۗ narzuquka তোমাকে জীবিকা দিই
وَٱلْعَـٰقِبَةُ wal-ʿāqibatu এবং পরিণাম (শুভ)
لِلتَّقْوَىٰ lilttaqwā জন্যে মুত্তাকীদের

আয়াত 133 - সূরা طه: 13 শব্দ

وَقَالُوا۟ لَوْلَا يَأْتِينَا بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّهِۦٓ ۚ أَوَلَمْ تَأْتِهِم بَيِّنَةُ مَا فِى ٱلصُّحُفِ ٱلْأُولَىٰ

এরা বলেঃ সে আমাদের কাছে তার পালনকর্তার কাছ থেকে কোন নিদর্শন আনয়ন করে না কেন? তাদের কাছে কি প্রমাণ আসেনি, যা পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহে আছে?

وَقَالُوا۟ waqālū এবং তারা বলে
لَوْلَا lawlā "কেন না
يَأْتِينَا yatīnā আমাদের কাছে আসে
بِـَٔايَةٍۢ biāyatin একটি নিদর্শন (অর্থাৎ মুজি'যা)
مِّن min থেকে
رَّبِّهِۦٓ ۚ rabbihi তার রবের"
أَوَلَمْ awalam কি নি
تَأْتِهِم tatihim তাদের কাছে আসে
بَيِّنَةُ bayyinatu সুস্পষ্ট (শিক্ষা)
مَا mā যা (আছে)
فِى fī মধ্যে (আছে)
ٱلصُّحُفِ l-ṣuḥufi কিতাব
ٱلْأُولَىٰ l-ūlā পূর্ববর্তীদের

আয়াত 134 - সূরা طه: 19 শব্দ

وَلَوْ أَنَّآ أَهْلَكْنَـٰهُم بِعَذَابٍۢ مِّن قَبْلِهِۦ لَقَالُوا۟ رَبَّنَا لَوْلَآ أَرْسَلْتَ إِلَيْنَا رَسُولًۭا فَنَتَّبِعَ ءَايَـٰتِكَ مِن قَبْلِ أَن نَّذِلَّ وَنَخْزَىٰ

যদি আমি এদেরকে ইতিপূর্বে কোন শাস্তি দ্বারা ধ্বংস করতাম, তবে এরা বলতঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি আমাদের কাছে একজন রসূল প্রেরণ করলেন না কেন? তাহলে তো আমরা অপমানিত ও হেয় হওয়ার পূর্বেই আপনার নিদর্শন সমূহ মেনে চলতাম।

وَلَوْ walaw এবং যদি (এমন হতো)
أَنَّآ annā যে আমরা
أَهْلَكْنَـٰهُم ahlaknāhum তাদের আমরা ধ্বংস করে দিতাম
بِعَذَابٍۢ biʿadhābin দিয়ে শাস্তি
مِّن min থেকে
قَبْلِهِۦ qablihi তার পূর্ব
لَقَالُوا۟ laqālū অবশ্যই তারা বলতো
رَبَّنَا rabbanā "হে আমাদের রব
لَوْلَآ lawlā কেন না
أَرْسَلْتَ arsalta তুমি পাঠিয়েছিলে
إِلَيْنَا ilaynā আমাদের প্রতি
رَسُولًۭا rasūlan কোন রাসূল
فَنَتَّبِعَ fanattabiʿa আমরা তাহ'লে অনুসরণ করতাম
ءَايَـٰتِكَ āyātika তোমার নিদর্শনাবলীর
مِن min থেকে
قَبْلِ qabli এর পূর্ব
أَن an যে
نَّذِلَّ nadhilla লাঞ্ছিত হতাম আমরা
وَنَخْزَىٰ wanakhzā ও আমরা অপমানিত হতাম"

আয়াত 135 - সূরা طه: 11 শব্দ

قُلْ كُلٌّۭ مُّتَرَبِّصٌۭ فَتَرَبَّصُوا۟ ۖ فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ أَصْحَـٰبُ ٱلصِّرَٰطِ ٱلسَّوِىِّ وَمَنِ ٱهْتَدَىٰ

বলুন, প্রত্যেকেই পথপানে চেয়ে আছে, সুতরাং তোমরাও পথপানে চেয়ে থাক। অদূর ভবিষ্যতে তোমরা জানতে পারবে কে সরল পথের পথিক এবং কে সৎপথ প্রাপ্ত হয়েছে।

قُلْ qul বলো
كُلٌّۭ kullun "প্রত্যেকেই
مُّتَرَبِّصٌۭ mutarabbiṣun অপেক্ষাকারী
فَتَرَبَّصُوا۟ ۖ fatarabbaṣū সুতরাং তোমরা অপেক্ষা করো
فَسَتَعْلَمُونَ fasataʿlamūna অতঃপর তোমরা জানবে শীঘ্রই
مَنْ man কারা
أَصْحَـٰبُ aṣḥābu অধিকারী
ٱلصِّرَٰطِ l-ṣirāṭi পথের
ٱلسَّوِىِّ l-sawiyi সরল সঠিক
وَمَنِ wamani এবং কারা
ٱهْتَدَىٰ ih'tadā সৎপথ অবলম্বন করেছে"

আরও দেখুন

সব সূরা শব্দে শব্দে

بسم الله الرحمن الرحيم সোম 22 রবিউস সানি
الاثنين 22 ربيع الآخر
هلال متناقص কমন্ত অর্ধচন্দ্র দিন 24 / 29.5
আলোকিতকরণ 31%
6 দিনে অমাবস্যা
الله أكبر আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ

إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِىِّ ۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ صَلُّوا۟ عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًا

আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

Al-Ahzab 33:56

নবীর প্রতি সালাত