সূরা الإسراء শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা الإسراء শব্দে শব্দে
الإسراء (الإسراء) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 111টি আয়াত, 1,556টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
1,556টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা الإسراء আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 8 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা الإسراء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
سُبْحَـٰنَ ٱلَّذِىٓ أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِۦ لَيْلًۭا مِّنَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ إِلَى ٱلْمَسْجِدِ ٱلْأَقْصَا ٱلَّذِى بَـٰرَكْنَا حَوْلَهُۥ لِنُرِيَهُۥ مِنْ ءَايَـٰتِنَآ ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ
পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাত্রি বেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যান্ত-যার চার দিকে আমি পর্যাপ্ত বরকত দান করেছি যাতে আমি তাঁকে কুদরতের কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দেই। নিশ্চয়ই তিনি পরম শ্রবণকারী ও দর্শনশীল।
▶
سُبْحَـٰنَ
sub'ḥāna
মহিমাময় (সত্ত্বা)
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
(তিনি) যিনি
▶
أَسْرَىٰ
asrā
ভ্রমণ করালেন
▶
بِعَبْدِهِۦ
biʿabdihi
তাঁর দাসকে
▶
لَيْلًۭا
laylan
রাতে
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْمَسْجِدِ
l-masjidi
মাসজিদ
▶
ٱلْحَرَامِ
l-ḥarāmi
হারাম
▶
إِلَى
ilā
পর্যন্ত
▶
ٱلْمَسْجِدِ
l-masjidi
মাসজিদ
▶
ٱلْأَقْصَا
l-aqṣā
আকসা
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যা
▶
بَـٰرَكْنَا
bāraknā
আমরা কল্যাণময় করেছি
▶
حَوْلَهُۥ
ḥawlahu
তার আশ-পাশকে
▶
لِنُرِيَهُۥ
linuriyahu
যেন তাকে দেখাই আমরা
▶
مِنْ
min
কিছু
▶
ءَايَـٰتِنَآ ۚ
āyātinā
আমাদের নিদর্শনাবলীর
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلسَّمِيعُ
l-samīʿu
সর্বশ্রোতা
▶
ٱلْبَصِيرُ
l-baṣīru
সর্বদ্রষ্টা
আয়াত 2 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَـٰبَ وَجَعَلْنَـٰهُ هُدًۭى لِّبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ أَلَّا تَتَّخِذُوا۟ مِن دُونِى وَكِيلًۭا
আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি এবং সেটিকে বনী-ইসরাঈলের জন্যে হেদায়েতে পরিণত করেছি যে, তোমরা আমাকে ছাড়া কাউকে কার্যনিবাহী স্থির করো না।
▶
وَءَاتَيْنَا
waātaynā
এবং আমরা দিয়েছিলাম
▶
مُوسَى
mūsā
মূসাকে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَجَعَلْنَـٰهُ
wajaʿalnāhu
ও তাকে আমরা বানিয়েছিলাম
▶
هُدًۭى
hudan
পথ নির্দেশক
▶
لِّبَنِىٓ
libanī
জন্যে বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলদের
▶
أَلَّا
allā
"যে না
▶
تَتَّخِذُوا۟
tattakhidhū
তোমরা গ্রহণ করো
▶
مِن
min
ছাড়া
▶
دُونِى
dūnī
আমাকে
▶
وَكِيلًۭا
wakīlan
কর্মবিধায়ক"
আয়াত 3 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذُرِّيَّةَ مَنْ حَمَلْنَا مَعَ نُوحٍ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ عَبْدًۭا شَكُورًۭا
তোমরা তাদের সন্তান, যাদেরকে আমি নূহের সাথে সওয়ার করিয়েছিলাম। নিশ্চয় সে ছিল কৃতজ্ঞ বান্দা।
▶
ذُرِّيَّةَ
dhurriyyata
(তোমরা) বংশধর
▶
مَنْ
man
তাদের (যাদেরকে)
▶
حَمَلْنَا
ḥamalnā
আমরা আরোহণ করিয়েছিলাম
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
نُوحٍ ۚ
nūḥin
নূহের
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই সে
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
عَبْدًۭا
ʿabdan
দাস
▶
شَكُورًۭا
shakūran
পরম কৃতজ্ঞ
আয়াত 4 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَضَيْنَآ إِلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ فِى ٱلْكِتَـٰبِ لَتُفْسِدُنَّ فِى ٱلْأَرْضِ مَرَّتَيْنِ وَلَتَعْلُنَّ عُلُوًّۭا كَبِيرًۭا
আমি বনী ইসরাঈলকে কিতাবে পরিষ্কার বলে দিয়েছি যে, তোমরা পৃথিবীর বুকে দুবার অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং অত্যন্ত বড় ধরনের অবাধ্যতায় লিপ্ত হবে।
▶
وَقَضَيْنَآ
waqaḍaynā
এবং আমরা সতর্ক করেছিলাম
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
بَنِىٓ
banī
বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলকে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
لَتُفْسِدُنَّ
latuf'sidunna
"অবশ্যই তোমরা বিপর্যয় করবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
দেশের
▶
مَرَّتَيْنِ
marratayni
দু'বার
▶
وَلَتَعْلُنَّ
walataʿlunna
এবং অবশ্যই তোমরা বিদ্রোহ করবে
▶
عُلُوًّۭا
ʿuluwwan
বিদ্রোহ
▶
كَبِيرًۭا
kabīran
বিরাট"
আয়াত 5 - সূরা الإسراء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِذَا جَآءَ وَعْدُ أُولَىٰهُمَا بَعَثْنَا عَلَيْكُمْ عِبَادًۭا لَّنَآ أُو۟لِى بَأْسٍۢ شَدِيدٍۢ فَجَاسُوا۟ خِلَـٰلَ ٱلدِّيَارِ ۚ وَكَانَ وَعْدًۭا مَّفْعُولًۭا
অতঃপর যখন প্রতিশ্রুতি সেই প্রথম সময়টি এল, তখন আমি তোমাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করলাম আমার কঠোর যোদ্ধা বান্দাদেরকে। অতঃপর তারা প্রতিটি জনপদের আনাচে-কানাচে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ল। এ ওয়াদা পূর্ণ হওয়ারই ছিল।
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
جَآءَ
jāa
আসলো
▶
وَعْدُ
waʿdu
প্রতিশ্রুত (সময়)
▶
أُولَىٰهُمَا
ūlāhumā
দু'টির প্রথমটি
▶
بَعَثْنَا
baʿathnā
আমরা পাঠালাম
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
বিরুদ্ধে তোমাদের
▶
عِبَادًۭا
ʿibādan
দাসদেরকে
▶
لَّنَآ
lanā
আমাদের
▶
أُو۟لِى
ulī
সম্পন্ন
▶
بَأْسٍۢ
basin
শক্তি
▶
شَدِيدٍۢ
shadīdin
অতিশয়
▶
فَجَاسُوا۟
fajāsū
অতঃপর তারা ঢুকে পড়লো
▶
خِلَـٰلَ
khilāla
মধ্যে
▶
ٱلدِّيَارِ ۚ
l-diyāri
ঘরের
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলো
▶
وَعْدًۭا
waʿdan
(শাস্তির)প্রতিশ্রুতি
▶
مَّفْعُولًۭا
mafʿūlan
কার্যকর
আয়াত 6 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ رَدَدْنَا لَكُمُ ٱلْكَرَّةَ عَلَيْهِمْ وَأَمْدَدْنَـٰكُم بِأَمْوَٰلٍۢ وَبَنِينَ وَجَعَلْنَـٰكُمْ أَكْثَرَ نَفِيرًا
অতঃপর আমি তোমাদের জন্যে তাদের বিরুদ্ধে পালা ঘুয়িয়ে দিলাম, তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও পুত্রসন্তান দ্বারা সাহায্য করলাম এবং তোমাদেরকে জনসংখ্যার দিক দিয়ে একটা বিরাট বাহিনীতে পরিণত করলাম।
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
رَدَدْنَا
radadnā
আমরা ফিরিয়ে দিলাম
▶
لَكُمُ
lakumu
জন্যে তোমাদের
▶
ٱلْكَرَّةَ
l-karata
পালা
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
উপর তাদের
▶
وَأَمْدَدْنَـٰكُم
wa-amdadnākum
এবং আমরা সাহায্য করলাম তোমাদের
▶
بِأَمْوَٰلٍۢ
bi-amwālin
দিয়ে সম্পদসমূহ
▶
وَبَنِينَ
wabanīna
ও সন্তানাদি (দিয়ে)
▶
وَجَعَلْنَـٰكُمْ
wajaʿalnākum
এবং আমরা পরিণত করলাম তোমাদের
▶
أَكْثَرَ
akthara
গরিষ্ঠ
▶
نَفِيرًا
nafīran
সংখ্যায়
আয়াত 7 - সূরা الإسراء: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنْ أَحْسَنتُمْ أَحْسَنتُمْ لِأَنفُسِكُمْ ۖ وَإِنْ أَسَأْتُمْ فَلَهَا ۚ فَإِذَا جَآءَ وَعْدُ ٱلْـَٔاخِرَةِ لِيَسُـۥٓـُٔوا۟ وُجُوهَكُمْ وَلِيَدْخُلُوا۟ ٱلْمَسْجِدَ كَمَا دَخَلُوهُ أَوَّلَ مَرَّةٍۢ وَلِيُتَبِّرُوا۟ مَا عَلَوْا۟ تَتْبِيرًا
তোমরা যদি ভাল কর, তবে নিজেদেরই ভাল করবে এবং যদি মন্দ কর তবে তাও নিজেদের জন্যেই। এরপর যখন দ্বিতীয় সে সময়টি এল, তখন অন্য বান্দাদেরকে প্রেরণ করলাম, যাতে তোমাদের মুখমন্ডল বিকৃত করে দেয়, আর মসজিদে ঢুকে পড়ে যেমন প্রথমবার ঢুকেছিল এবং যেখানেই জয়ী হয়, সেখানেই পুরোপুরি ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
▶
إِنْ
in
যদি
▶
أَحْسَنتُمْ
aḥsantum
ভালো কাজ করে থাকো তোমরা
▶
أَحْسَنتُمْ
aḥsantum
ভালো কাজ করেছো তোমরা
▶
لِأَنفُسِكُمْ ۖ
li-anfusikum
জন্যে নিজেদের তোমাদের
▶
وَإِنْ
wa-in
আর যদি
▶
أَسَأْتُمْ
asatum
মন্দ কাজ করে থাকো তোমরা
▶
فَلَهَا ۚ
falahā
জন্যে তাও নিজেদের
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
جَآءَ
jāa
আসলো
▶
وَعْدُ
waʿdu
প্রতিশ্রুত (সময়)
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
পরবর্তী
▶
لِيَسُـۥٓـُٔوا۟
liyasūū
জন্যে কালিমালেপনের
▶
وُجُوهَكُمْ
wujūhakum
তোমাদের চেহারাকে
▶
وَلِيَدْخُلُوا۟
waliyadkhulū
এবং জন্যে তাদের ঢুকে পড়ার
▶
ٱلْمَسْجِدَ
l-masjida
মাসজিদে
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
دَخَلُوهُ
dakhalūhu
সেখানে ঢুকেছিলো
▶
أَوَّلَ
awwala
প্রথম
▶
مَرَّةٍۢ
marratin
বার
▶
وَلِيُتَبِّرُوا۟
waliyutabbirū
এবং যেন তারা ধ্বংস করে দেয়
▶
مَا
mā
যা
▶
عَلَوْا۟
ʿalaw
তারা দখল করে
▶
تَتْبِيرًا
tatbīran
(সম্পূর্ণ) ধ্বংস
আয়াত 8 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
عَسَىٰ رَبُّكُمْ أَن يَرْحَمَكُمْ ۚ وَإِنْ عُدتُّمْ عُدْنَا ۘ وَجَعَلْنَا جَهَنَّمَ لِلْكَـٰفِرِينَ حَصِيرًا
হয়ত তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন। কিন্তু যদি পুনরায় তদ্রূপ কর, আমিও পুনরায় তাই করব। আমি জাহান্নামকে কাফেরদের জন্যে কয়েদখানা করেছি।
▶
عَسَىٰ
ʿasā
"আশা করা যায়
▶
رَبُّكُمْ
rabbukum
তোমাদের রব
▶
أَن
an
যে
▶
يَرْحَمَكُمْ ۚ
yarḥamakum
তোমাদের উপর দয়া করবেন
▶
وَإِنْ
wa-in
কিন্তু যদি
▶
عُدتُّمْ
ʿudttum
পুনরাবৃত্তি করো তোমরা
▶
عُدْنَا ۘ
ʿud'nā
পুনরাবৃত্তি করবো আমরা
▶
وَجَعَلْنَا
wajaʿalnā
এবং আমরা বানিয়েছি
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামকে
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
জন্যে কাফিরদের
▶
حَصِيرًا
ḥaṣīran
কারাগার"
আয়াত 9 - সূরা الإسراء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ هَـٰذَا ٱلْقُرْءَانَ يَهْدِى لِلَّتِى هِىَ أَقْوَمُ وَيُبَشِّرُ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٱلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًۭا كَبِيرًۭا
এই কোরআন এমন পথ প্রদর্শন করে, যা সর্বাধিক সরল এবং সৎকর্ম পরায়ণ মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্যে মহা পুরস্কার রয়েছে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই
▶
ٱلْقُرْءَانَ
l-qur'āna
কুরআন
▶
يَهْدِى
yahdī
পথ দেখায়
▶
لِلَّتِى
lillatī
সেই দিকে
▶
هِىَ
hiya
যা
▶
أَقْوَمُ
aqwamu
সরলতম
▶
وَيُبَشِّرُ
wayubashiru
ও সুসংবাদ দেয়
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদেরকে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
কাজ করে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
لَهُمْ
lahum
জন্যে তাদের
▶
أَجْرًۭا
ajran
পুরস্কার (রয়েছে)
▶
كَبِيرًۭا
kabīran
বিরাট
আয়াত 10 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَنَّ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْـَٔاخِرَةِ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًۭا
এবং যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করেছি।
▶
وَأَنَّ
wa-anna
এবং (এও) যে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
لَا
lā
না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
বিশ্বাস করে
▶
بِٱلْـَٔاخِرَةِ
bil-ākhirati
প্রতি আখিরাতের
▶
أَعْتَدْنَا
aʿtadnā
প্রস্তুত রেখেছি আমরা
▶
لَهُمْ
lahum
জন্যে তাদের
▶
عَذَابًا
ʿadhāban
শাস্তি
▶
أَلِيمًۭا
alīman
নিদারুণ
আয়াত 11 - সূরা الإسراء: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَدْعُ ٱلْإِنسَـٰنُ بِٱلشَّرِّ دُعَآءَهُۥ بِٱلْخَيْرِ ۖ وَكَانَ ٱلْإِنسَـٰنُ عَجُولًۭا
মানুষ যেভাবে কল্যাণ কামনা করে, সেভাবেই অকল্যাণ কামনা করে। মানুষ তো খুবই দ্রুততা প্রিয়।
▶
وَيَدْعُ
wayadʿu
এবং কামনা করে
▶
ٱلْإِنسَـٰنُ
l-insānu
মানুষ
▶
بِٱلشَّرِّ
bil-shari
অকল্যাণের
▶
دُعَآءَهُۥ
duʿāahu
তার কামনা (করা উচিত যেমন)
▶
بِٱلْخَيْرِ ۖ
bil-khayri
কল্যাণের
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলো
▶
ٱلْإِنسَـٰنُ
l-insānu
মানুষ
▶
عَجُولًۭا
ʿajūlan
তাড়াহুড়াকারী
আয়াত 12 - সূরা الإسراء: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَجَعَلْنَا ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ ءَايَتَيْنِ ۖ فَمَحَوْنَآ ءَايَةَ ٱلَّيْلِ وَجَعَلْنَآ ءَايَةَ ٱلنَّهَارِ مُبْصِرَةًۭ لِّتَبْتَغُوا۟ فَضْلًۭا مِّن رَّبِّكُمْ وَلِتَعْلَمُوا۟ عَدَدَ ٱلسِّنِينَ وَٱلْحِسَابَ ۚ وَكُلَّ شَىْءٍۢ فَصَّلْنَـٰهُ تَفْصِيلًۭا
আমি রাত্রি ও দিনকে দুটি নিদর্শন করেছি। অতঃপর নিস্প্রভ করে দিয়েছি রাতের নিদর্শন এবং দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী করেছি, যাতে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা স্থির করতে পার বছরসমূহের গণনা ও হিসাব এবং আমি সব বিষয়কে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছি।
▶
وَجَعَلْنَا
wajaʿalnā
এবং আমরা করেছি
▶
ٱلَّيْلَ
al-layla
রাতকে
▶
وَٱلنَّهَارَ
wal-nahāra
ও দিনকে
▶
ءَايَتَيْنِ ۖ
āyatayni
দু'টি নিদর্শন
▶
فَمَحَوْنَآ
famaḥawnā
অতঃপর আমরা নিষ্প্রভ করেছি
▶
ءَايَةَ
āyata
নিদর্শনকে
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
وَجَعَلْنَآ
wajaʿalnā
এবং আমরা করেছি
▶
ءَايَةَ
āyata
নিদর্শনকে
▶
ٱلنَّهَارِ
l-nahāri
দিনের
▶
مُبْصِرَةًۭ
mub'ṣiratan
উজ্জ্বল
▶
لِّتَبْتَغُوا۟
litabtaghū
যেন তোমরা সন্ধান করতে পারো
▶
فَضْلًۭا
faḍlan
অনুগ্রহ
▶
مِّن
min
থেকে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
وَلِتَعْلَمُوا۟
walitaʿlamū
এবং যেন তোমরা জানো
▶
عَدَدَ
ʿadada
গণনা
▶
ٱلسِّنِينَ
l-sinīna
বছর সমূহের
▶
وَٱلْحِسَابَ ۚ
wal-ḥisāba
ও হিসেবের
▶
وَكُلَّ
wakulla
এবং প্রত্যেক
▶
شَىْءٍۢ
shayin
বস্তু
▶
فَصَّلْنَـٰهُ
faṣṣalnāhu
তা আমরা বিশদ বর্ণনা করেছি
▶
تَفْصِيلًۭا
tafṣīlan
বিশদ বর্ণনা
আয়াত 13 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكُلَّ إِنسَـٰنٍ أَلْزَمْنَـٰهُ طَـٰٓئِرَهُۥ فِى عُنُقِهِۦ ۖ وَنُخْرِجُ لَهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ كِتَـٰبًۭا يَلْقَىٰهُ مَنشُورًا
আমি প্রত্যেক মানুষের কর্মকে তার গ্রীবলগ্ন করে রেখেছি। কেয়ামতের দিন বের করে দেখাব তাকে একটি কিতাব, যা সে খোলা অবস্থায় পাবে।
▶
وَكُلَّ
wakulla
এবং প্রত্যেক
▶
إِنسَـٰنٍ
insānin
মানুষের
▶
أَلْزَمْنَـٰهُ
alzamnāhu
তাকে আমরা ঝুলিয়ে দিয়েছি
▶
طَـٰٓئِرَهُۥ
ṭāirahu
তার কৃতকর্মকে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
عُنُقِهِۦ ۖ
ʿunuqihi
তার গলার
▶
وَنُخْرِجُ
wanukh'riju
এবং বের করবো আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
জন্যে তার
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
كِتَـٰبًۭا
kitāban
কিতাব (স্বরুপ)
▶
يَلْقَىٰهُ
yalqāhu
তা পাবে সে
▶
مَنشُورًا
manshūran
খোলা
আয়াত 14 - সূরা الإسراء: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱقْرَأْ كِتَـٰبَكَ كَفَىٰ بِنَفْسِكَ ٱلْيَوْمَ عَلَيْكَ حَسِيبًۭا
পাঠ কর তুমি তোমার কিতাব। আজ তোমার হিসাব গ্রহণের জন্যে তুমিই যথেষ্ট।
▶
ٱقْرَأْ
iq'ra
"পড়ো
▶
كِتَـٰبَكَ
kitābaka
তোমরা কিতাব (কর্মফল)
▶
كَفَىٰ
kafā
যথেষ্ট
▶
بِنَفْسِكَ
binafsika
নিয়ে তুমি নিজেই
▶
ٱلْيَوْمَ
l-yawma
আজ
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
حَسِيبًۭا
ḥasīban
হিসাব গ্রহণকারী হিসেবে"
আয়াত 15 - সূরা الإسراء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّنِ ٱهْتَدَىٰ فَإِنَّمَا يَهْتَدِى لِنَفْسِهِۦ ۖ وَمَن ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيْهَا ۚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌۭ وِزْرَ أُخْرَىٰ ۗ وَمَا كُنَّا مُعَذِّبِينَ حَتَّىٰ نَبْعَثَ رَسُولًۭا
যে কেউ সৎপথে চলে, তারা নিজের মঙ্গলের জন্যেই সৎ পথে চলে। আর যে পথভ্রষ্ট হয়, তারা নিজের অমঙ্গলের জন্যেই পথ ভ্রষ্ট হয়। কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না। কোন রাসূল না পাঠানো পর্যন্ত আমি কাউকেই শাস্তি দান করি না।
▶
مَّنِ
mani
যে
▶
ٱهْتَدَىٰ
ih'tadā
সৎপথে চলে
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
তবে মূলতঃ
▶
يَهْتَدِى
yahtadī
সে সৎপথে চলে
▶
لِنَفْسِهِۦ ۖ
linafsihi
জন্যে তার নিজের
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
ضَلَّ
ḍalla
পথভ্রষ্ট হয়ে যায়
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
তবে মূলতঃ
▶
يَضِلُّ
yaḍillu
সে পথভ্রষ্ট হয়
▶
عَلَيْهَا ۚ
ʿalayhā
তার বিরুদ্ধে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَزِرُ
taziru
ভার বইবে
▶
وَازِرَةٌۭ
wāziratun
কোনো ভার বহনকারী
▶
وِزْرَ
wiz'ra
ভার
▶
أُخْرَىٰ ۗ
ukh'rā
অন্যের
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كُنَّا
kunnā
আমরা ছিলাম
▶
مُعَذِّبِينَ
muʿadhibīna
শাস্তিদানকারী
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
نَبْعَثَ
nabʿatha
পাঠাই আমরা
▶
رَسُولًۭا
rasūlan
কোনো রাসূল
আয়াত 16 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَآ أَرَدْنَآ أَن نُّهْلِكَ قَرْيَةً أَمَرْنَا مُتْرَفِيهَا فَفَسَقُوا۟ فِيهَا فَحَقَّ عَلَيْهَا ٱلْقَوْلُ فَدَمَّرْنَـٰهَا تَدْمِيرًۭا
যখন আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করি তখন তার অবস্থাপন্ন লোকদেরকে উদ্ধুদ্ধ করি অতঃপর তারা পাপাচারে মেতে উঠে। তখন সে জনগোষ্টীর উপর আদেশ অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আমি তাকে উঠিয়ে আছাড় দেই।
▶
وَإِذَآ
wa-idhā
এবং যখন
▶
أَرَدْنَآ
aradnā
আমরা চাই
▶
أَن
an
যে
▶
نُّهْلِكَ
nuh'lika
ধ্বংস করবো আমরা
▶
قَرْيَةً
qaryatan
কোনো জনপদকে
▶
أَمَرْنَا
amarnā
আমরা আদেশ দিই
▶
مُتْرَفِيهَا
mut'rafīhā
তার সমৃদ্ধশালী লোকদেরকে (সৎকর্মের)
▶
فَفَسَقُوا۟
fafasaqū
কিন্তু তারা অসৎ কর্ম করে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
فَحَقَّ
faḥaqqa
তখন অবধারিত হয়
▶
عَلَيْهَا
ʿalayhā
উপর তার
▶
ٱلْقَوْلُ
l-qawlu
(শাস্তির) আদেশ
▶
فَدَمَّرْنَـٰهَا
fadammarnāhā
অতঃপর তা আমরা বিধ্বংস করি
▶
تَدْمِيرًۭا
tadmīran
ধ্বংস
আয়াত 17 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَمْ أَهْلَكْنَا مِنَ ٱلْقُرُونِ مِنۢ بَعْدِ نُوحٍۢ ۗ وَكَفَىٰ بِرَبِّكَ بِذُنُوبِ عِبَادِهِۦ خَبِيرًۢا بَصِيرًۭا
নূহের পর আমি অনেক উম্মতকে ধ্বংস করেছি। আপনার পালনকর্তাই বান্দাদের পাপাচারের সংবাদ জানা ও দেখার জন্যে যথেষ্ট।
▶
وَكَمْ
wakam
এবং কত
▶
أَهْلَكْنَا
ahlaknā
ধ্বংস করেছি আমরা
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْقُرُونِ
l-qurūni
মানবগোষ্ঠী
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পর
▶
نُوحٍۢ ۗ
nūḥin
নূহের
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِرَبِّكَ
birabbika
তোমার রবই
▶
بِذُنُوبِ
bidhunūbi
সম্পর্কে পাপ
▶
عِبَادِهِۦ
ʿibādihi
তার দাসদের
▶
خَبِيرًۢا
khabīran
খুব অবহিত
▶
بَصِيرًۭا
baṣīran
সর্বদ্রষ্টা
আয়াত 18 - সূরা الإسراء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّن كَانَ يُرِيدُ ٱلْعَاجِلَةَ عَجَّلْنَا لَهُۥ فِيهَا مَا نَشَآءُ لِمَن نُّرِيدُ ثُمَّ جَعَلْنَا لَهُۥ جَهَنَّمَ يَصْلَىٰهَا مَذْمُومًۭا مَّدْحُورًۭا
যে কেউ ইহকাল কামনা করে, আমি সেসব লোককে যা ইচ্ছা সত্ত্বর দিয়ে দেই। অতঃপর তাদের জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করি। ওরা তাতে নিন্দিত-বিতাড়িত অবস্থায় প্রবেশ করবে।
▶
مَّن
man
যে
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চায়
▶
ٱلْعَاجِلَةَ
l-ʿājilata
(সুখসম্ভোগ) পার্থিব
▶
عَجَّلْنَا
ʿajjalnā
তাড়াতাড়ি দিই আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
তাকে
▶
فِيهَا
fīhā
মধ্যে তার
▶
مَا
mā
যা
▶
نَشَآءُ
nashāu
ইচ্ছে করি আমরা
▶
لِمَن
liman
জন্যে যার
▶
نُّرِيدُ
nurīdu
আমরা চাই
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
جَعَلْنَا
jaʿalnā
আমরা নির্ধারণ করি
▶
لَهُۥ
lahu
জন্যে তার
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নাম
▶
يَصْلَىٰهَا
yaṣlāhā
সে উত্তপ্ত হবে
▶
مَذْمُومًۭا
madhmūman
নিন্দিত অবস্হায়
▶
مَّدْحُورًۭا
madḥūran
(অনুগ্রহ থেকে) বিতাড়িত হয়ে
আয়াত 19 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَنْ أَرَادَ ٱلْـَٔاخِرَةَ وَسَعَىٰ لَهَا سَعْيَهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌۭ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ كَانَ سَعْيُهُم مَّشْكُورًۭا
আর যারা পরকাল কামনা করে এবং মুমিন অবস্থায় তার জন্য যথাযথ চেষ্টা-সাধনা করে, এমন লোকদের চেষ্টা স্বীকৃত হয়ে থাকে।
▶
وَمَنْ
waman
এবং যে
▶
أَرَادَ
arāda
চেয়েছে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةَ
l-ākhirata
আখিরাত
▶
وَسَعَىٰ
wasaʿā
ও চেষ্টা করেছে
▶
لَهَا
lahā
জন্যে তার
▶
سَعْيَهَا
saʿyahā
তার চেষ্টা
▶
وَهُوَ
wahuwa
যখন সে
▶
مُؤْمِنٌۭ
mu'minun
মু'মিনও
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
সে ক্ষেত্রে ঐসব লোকদের
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
سَعْيُهُم
saʿyuhum
তাদের প্রচেষ্টা
▶
مَّشْكُورًۭا
mashkūran
স্বীকৃত
আয়াত 20 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كُلًّۭا نُّمِدُّ هَـٰٓؤُلَآءِ وَهَـٰٓؤُلَآءِ مِنْ عَطَآءِ رَبِّكَ ۚ وَمَا كَانَ عَطَآءُ رَبِّكَ مَحْظُورًا
এদেরকে এবং ওদেরকে প্রত্যেককে আমি আপনার পালনকর্তার দান পৌছে দেই এবং আপনার পালকর্তার দান অবধারিত।
▶
كُلًّۭا
kullan
আমরা প্রত্যেককে
▶
نُّمِدُّ
numiddu
সাহায্য করি
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
এদেরকে
▶
وَهَـٰٓؤُلَآءِ
wahāulāi
ও ওদেরকে
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
عَطَآءِ
ʿaṭāi
দান
▶
رَبِّكَ ۚ
rabbika
তোমার রবের
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
عَطَآءُ
ʿaṭāu
দান
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
مَحْظُورًا
maḥẓūran
বারিত
আয়াত 21 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱنظُرْ كَيْفَ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ ۚ وَلَلْـَٔاخِرَةُ أَكْبَرُ دَرَجَـٰتٍۢ وَأَكْبَرُ تَفْضِيلًۭا
দেখুন, আমি তাদের একদলকে অপরের উপর কিভাবে শ্রেষ্ঠত্ব দান করলাম। পরকাল তো নিশ্চয়ই মর্তবায় শ্রেষ্ঠ এবং ফযীলতে শ্রেষ্ঠতম।
▶
ٱنظُرْ
unẓur
লক্ষ্য করো
▶
كَيْفَ
kayfa
কিভাবে
▶
فَضَّلْنَا
faḍḍalnā
শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি আমরা
▶
بَعْضَهُمْ
baʿḍahum
কাউকে তাদেন
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
بَعْضٍۢ ۚ
baʿḍin
কারও
▶
وَلَلْـَٔاخِرَةُ
walalākhiratu
এবং অবশ্যই আখিরাত
▶
أَكْبَرُ
akbaru
শ্রেষ্ঠ
▶
دَرَجَـٰتٍۢ
darajātin
মর্যাদায়
▶
وَأَكْبَرُ
wa-akbaru
এবং শ্রেষ্ঠতর
▶
تَفْضِيلًۭا
tafḍīlan
শ্রেষ্ঠত্বেও
আয়াত 22 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّا تَجْعَلْ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ فَتَقْعُدَ مَذْمُومًۭا مَّخْذُولًۭا
স্থির করো না আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য। তাহলে তুমি নিন্দিত ও অসহায় হয়ে পড়বে।
▶
لَّا
lā
না
▶
تَجْعَلْ
tajʿal
বানিয়ো
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِلَـٰهًا
ilāhan
ইলাহ
▶
ءَاخَرَ
ākhara
অন্য কাউকে
▶
فَتَقْعُدَ
fataqʿuda
তাহ'লে বসে পড়বে
▶
مَذْمُومًۭا
madhmūman
নিন্দিত অবস্হায়
▶
مَّخْذُولًۭا
makhdhūlan
অসহায়
আয়াত 23 - সূরা الإسراء: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوٓا۟ إِلَّآ إِيَّاهُ وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ إِحْسَـٰنًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ ٱلْكِبَرَ أَحَدُهُمَآ أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَآ أُفٍّۢ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًۭا كَرِيمًۭا
তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা।
▶
۞ وَقَضَىٰ
waqaḍā
এবং সিদ্ধান্ত দিয়েছেন
▶
رَبُّكَ
rabbuka
তোমার রব
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
تَعْبُدُوٓا۟
taʿbudū
তোমরা ইবাদাত করো
▶
إِلَّآ
illā
ছাড়া
▶
إِيَّاهُ
iyyāhu
শুধু তাঁকেই
▶
وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ
wabil-wālidayni
ও সাথে পিতা-মাতার
▶
إِحْسَـٰنًا ۚ
iḥ'sānan
উত্তম ব্যবহারের
▶
إِمَّا
immā
যদি
▶
يَبْلُغَنَّ
yablughanna
তারা পৌঁছে
▶
عِندَكَ
ʿindaka
তোমার কাছে
▶
ٱلْكِبَرَ
l-kibara
বার্ধক্যে
▶
أَحَدُهُمَآ
aḥaduhumā
তাদের দু'জনের একজন
▶
أَوْ
aw
বা
▶
كِلَاهُمَا
kilāhumā
তাদের উভয়ে
▶
فَلَا
falā
তবে না
▶
تَقُل
taqul
তুমি বলবে
▶
لَّهُمَآ
lahumā
তাদের দু'জনকে
▶
أُفٍّۢ
uffin
উহ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَنْهَرْهُمَا
tanharhumā
তাদের দু'জনকে ধমক দিবে
▶
وَقُل
waqul
এবং বলবে
▶
لَّهُمَا
lahumā
তাদের দু'জনকে
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথা
▶
كَرِيمًۭا
karīman
সম্মানসূচক
আয়াত 24 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ ٱلذُّلِّ مِنَ ٱلرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ٱرْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِى صَغِيرًۭا
তাদের সামনে ভালবাসার সাথে, নম্রভাবে মাথা নত করে দাও এবং বলঃ হে পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি রহম কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।
▶
وَٱخْفِضْ
wa-ikh'fiḍ
নত করবে
▶
لَهُمَا
lahumā
জন্যে তাদের দু'জনের
▶
جَنَاحَ
janāḥa
ডানা
▶
ٱلذُّلِّ
l-dhuli
বিনয়ের
▶
مِنَ
mina
সঙ্গে
▶
ٱلرَّحْمَةِ
l-raḥmati
অনুকম্পার
▶
وَقُل
waqul
এবং বলবে
▶
رَّبِّ
rabbi
"হে আমার রব
▶
ٱرْحَمْهُمَا
ir'ḥamhumā
দু'জনকে দয়া করো তাদের
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
رَبَّيَانِى
rabbayānī
আমাকে দু'জনে পালন করেছে
▶
صَغِيرًۭا
ṣaghīran
ছেলেবেলায়"
আয়াত 25 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَّبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَا فِى نُفُوسِكُمْ ۚ إِن تَكُونُوا۟ صَـٰلِحِينَ فَإِنَّهُۥ كَانَ لِلْأَوَّٰبِينَ غَفُورًۭا
তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মনে যা আছে তা ভালই জানেন। যদি তোমরা সৎ হও, তবে তিনি তওবাকারীদের জন্যে ক্ষমাশীল।
▶
رَّبُّكُمْ
rabbukum
তোমাদের রব
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ সম্বন্ধে যা
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
نُفُوسِكُمْ ۚ
nufūsikum
তোমাদের অন্তরসমূহের
▶
إِن
in
যদি
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
তোমরা হও
▶
صَـٰلِحِينَ
ṣāliḥīna
সৎকর্মশীল
▶
فَإِنَّهُۥ
fa-innahu
তবে নিশ্চয়ই তিনি
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
لِلْأَوَّٰبِينَ
lil'awwābīna
জন্যে (আল্লাহ) অভিমুখীদের
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
আয়াত 26 - সূরা الإسراء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَءَاتِ ذَا ٱلْقُرْبَىٰ حَقَّهُۥ وَٱلْمِسْكِينَ وَٱبْنَ ٱلسَّبِيلِ وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيرًا
আত্নীয়-স্বজনকে তার হক দান কর এবং অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও। এবং কিছুতেই অপব্যয় করো না।
▶
وَءَاتِ
waāti
এবং দিবে
▶
ذَا
dhā
সম্পন্নকে
▶
ٱلْقُرْبَىٰ
l-qur'bā
নৈকট্য (আত্নীয় স্বজনকে)
▶
حَقَّهُۥ
ḥaqqahu
তার প্রাপ্য
▶
وَٱلْمِسْكِينَ
wal-mis'kīna
ও অভাবগ্রস্তকে
▶
وَٱبْنَ
wa-ib'na
ও ছেলেকে
▶
ٱلسَّبِيلِ
l-sabīli
পথের (পথচারীকে)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُبَذِّرْ
tubadhir
অপব্যয় করো
▶
تَبْذِيرًا
tabdhīran
কোনো অপব্যয়
আয়াত 27 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلْمُبَذِّرِينَ كَانُوٓا۟ إِخْوَٰنَ ٱلشَّيَـٰطِينِ ۖ وَكَانَ ٱلشَّيْطَـٰنُ لِرَبِّهِۦ كَفُورًۭا
নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। শয়তান স্বীয় পালনকর্তার প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْمُبَذِّرِينَ
l-mubadhirīna
অপব্যয়কারীরা
▶
كَانُوٓا۟
kānū
হলো
▶
إِخْوَٰنَ
ikh'wāna
ভাই
▶
ٱلشَّيَـٰطِينِ ۖ
l-shayāṭīni
শয়তানদের
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলো
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
لِرَبِّهِۦ
lirabbihi
প্রতি রবের তার
▶
كَفُورًۭا
kafūran
বড়ই অকৃতজ্ঞ
আয়াত 28 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِمَّا تُعْرِضَنَّ عَنْهُمُ ٱبْتِغَآءَ رَحْمَةٍۢ مِّن رَّبِّكَ تَرْجُوهَا فَقُل لَّهُمْ قَوْلًۭا مَّيْسُورًۭا
এবং তোমার পালনকর্তার করুণার প্রত্যাশায় অপেক্ষামান থাকাকালে যদি কোন সময় তাদেরকে বিমুখ করতে হয়, তখন তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বল।
▶
وَإِمَّا
wa-immā
এবং যদি
▶
تُعْرِضَنَّ
tuʿ'riḍanna
পাশ কাটাতে চাও
▶
عَنْهُمُ
ʿanhumu
থেকে তাদের
▶
ٱبْتِغَآءَ
ib'tighāa
সন্ধানে
▶
رَحْمَةٍۢ
raḥmatin
অনুগ্রহের
▶
مِّن
min
থেকে
▶
رَّبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
تَرْجُوهَا
tarjūhā
তা তোমরা আশা করো
▶
فَقُل
faqul
তখন বলো
▶
لَّهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথা
▶
مَّيْسُورًۭا
maysūran
সহজভাবে
আয়াত 29 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَجْعَلْ يَدَكَ مَغْلُولَةً إِلَىٰ عُنُقِكَ وَلَا تَبْسُطْهَا كُلَّ ٱلْبَسْطِ فَتَقْعُدَ مَلُومًۭا مَّحْسُورًا
তুমি একেবারে ব্যয়-কুষ্ঠ হয়োনা এবং একেবারে মুক্ত হস্তও হয়ো না। তাহলে তুমি তিরস্কৃতি, নিঃস্ব হয়ে বসে থাকবে।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَجْعَلْ
tajʿal
রেখো
▶
يَدَكَ
yadaka
তোমার হাত
▶
مَغْلُولَةً
maghlūlatan
আবদ্ধ
▶
إِلَىٰ
ilā
সাথে
▶
عُنُقِكَ
ʿunuqika
তোমার গলার
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَبْسُطْهَا
tabsuṭ'hā
তা প্রসারিত করো
▶
كُلَّ
kulla
সম্পূর্ণ
▶
ٱلْبَسْطِ
l-basṭi
প্রসারিত
▶
فَتَقْعُدَ
fataqʿuda
তাহ'লে বসে পড়বে
▶
مَلُومًۭا
malūman
নিন্দিত
▶
مَّحْسُورًا
maḥsūran
অক্ষম অবস্হায়
আয়াত 30 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ رَبَّكَ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقْدِرُ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ بِعِبَادِهِۦ خَبِيرًۢا بَصِيرًۭا
নিশ্চয় তোমার পালকর্তা যাকে ইচ্ছা অধিক জীবনোপকরণ দান করেন এবং তিনিই তা সংকুচিতও করে দেন। তিনিই তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত,-সব কিছু দেখছেন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
رَبَّكَ
rabbaka
তোমার রব
▶
يَبْسُطُ
yabsuṭu
প্রশস্ত করেন
▶
ٱلرِّزْقَ
l-riz'qa
জীবনের উপকরণ
▶
لِمَن
liman
জন্যে যার
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
وَيَقْدِرُ ۚ
wayaqdiru
এবং পরিমিত করেন
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِعِبَادِهِۦ
biʿibādihi
সম্পর্কে দাস তাঁর
▶
خَبِيرًۢا
khabīran
খুব অবহিত
▶
بَصِيرًۭا
baṣīran
সর্বদ্রষ্টা
আয়াত 31 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَقْتُلُوٓا۟ أَوْلَـٰدَكُمْ خَشْيَةَ إِمْلَـٰقٍۢ ۖ نَّحْنُ نَرْزُقُهُمْ وَإِيَّاكُمْ ۚ إِنَّ قَتْلَهُمْ كَانَ خِطْـًۭٔا كَبِيرًۭا
দারিদ্রের ভয়ে তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করো না। তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আমিই জীবনোপকরণ দিয়ে থাকি। নিশ্চয় তাদেরকে হত্যা করা মারাত্নক অপরাধ।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقْتُلُوٓا۟
taqtulū
হত্যা করো তোমরা
▶
أَوْلَـٰدَكُمْ
awlādakum
সন্তানদেরকে তোমাদের
▶
خَشْيَةَ
khashyata
ভয়ে
▶
إِمْلَـٰقٍۢ ۖ
im'lāqin
দারিদ্র্যের
▶
نَّحْنُ
naḥnu
আমরা
▶
نَرْزُقُهُمْ
narzuquhum
জীবিকা দিই তাদের
▶
وَإِيَّاكُمْ ۚ
wa-iyyākum
এবং তোমাদেরকেও
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
قَتْلَهُمْ
qatlahum
হত্যা করা তাদের
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
خِطْـًۭٔا
khiṭ'an
পাপ
▶
كَبِيرًۭا
kabīran
মহা
আয়াত 32 - সূরা الإسراء: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَقْرَبُوا۟ ٱلزِّنَىٰٓ ۖ إِنَّهُۥ كَانَ فَـٰحِشَةًۭ وَسَآءَ سَبِيلًۭا
আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقْرَبُوا۟
taqrabū
তোমরা নিকটে যেয়ো
▶
ٱلزِّنَىٰٓ ۖ
l-zinā
জিনার
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তা
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
فَـٰحِشَةًۭ
fāḥishatan
অশ্লীল কাজ
▶
وَسَآءَ
wasāa
ও নিকৃষ্ট
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
পথ
আয়াত 33 - সূরা الإسراء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَقْتُلُوا۟ ٱلنَّفْسَ ٱلَّتِى حَرَّمَ ٱللَّهُ إِلَّا بِٱلْحَقِّ ۗ وَمَن قُتِلَ مَظْلُومًۭا فَقَدْ جَعَلْنَا لِوَلِيِّهِۦ سُلْطَـٰنًۭا فَلَا يُسْرِف فِّى ٱلْقَتْلِ ۖ إِنَّهُۥ كَانَ مَنصُورًۭا
সে প্রাণকে হত্যা করো না, যাকে আল্লাহ হারাম করেছেন; কিন্তু ন্যায়ভাবে। যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে নিহত হয়, আমি তার উত্তরাধিকারীকে ক্ষমতা দান করি। অতএব, সে যেন হত্যার ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘন না করে। নিশ্চয় সে সাহায্যপ্রাপ্ত।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقْتُلُوا۟
taqtulū
তোমরা হত্যা করো
▶
ٱلنَّفْسَ
l-nafsa
কোনো প্রাণকে
▶
ٱلَّتِى
allatī
যা
▶
حَرَّمَ
ḥarrama
নিষিদ্ধ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
بِٱلْحَقِّ ۗ
bil-ḥaqi
কারণ যথার্থ
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
قُتِلَ
qutila
নিহত হয়েছে
▶
مَظْلُومًۭا
maẓlūman
নির্যাতিত হয়ে
▶
فَقَدْ
faqad
নিশ্চয়ই সেক্ষেত্রে
▶
جَعَلْنَا
jaʿalnā
আমরা দিয়েছি
▶
لِوَلِيِّهِۦ
liwaliyyihi
তার উত্তরাধিকারীর
▶
سُلْطَـٰنًۭا
sul'ṭānan
অধিকার
▶
فَلَا
falā
সুতরাং না (যেন)
▶
يُسْرِف
yus'rif
সে সীমালঙ্ঘন করে
▶
فِّى
fī
ব্যাপারে
▶
ٱلْقَتْلِ ۖ
l-qatli
হত্যার
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই সে
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
مَنصُورًۭا
manṣūran
সাহায্যপ্রাপ্ত
আয়াত 34 - সূরা الإسراء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَقْرَبُوا۟ مَالَ ٱلْيَتِيمِ إِلَّا بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ حَتَّىٰ يَبْلُغَ أَشُدَّهُۥ ۚ وَأَوْفُوا۟ بِٱلْعَهْدِ ۖ إِنَّ ٱلْعَهْدَ كَانَ مَسْـُٔولًۭا
আর, এতিমের মালের কাছেও যেয়ো না, একমাত্র তার কল্যাণ আকাংখা ছাড়া; সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যৌবনে পদার্পন করা পর্যন্ত এবং অঙ্গীকার পূর্ন কর। নিশ্চয় অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقْرَبُوا۟
taqrabū
তোমরা নিকটে যেয়ো
▶
مَالَ
māla
সম্পদের
▶
ٱلْيَتِيمِ
l-yatīmi
ইয়াতীমের
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
بِٱلَّتِى
bi-allatī
সাথে সেটার
▶
هِىَ
hiya
যা
▶
أَحْسَنُ
aḥsanu
উত্তম
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَبْلُغَ
yablugha
সে পৌঁছে
▶
أَشُدَّهُۥ ۚ
ashuddahu
তার প্রাপ্ত বয়সে
▶
وَأَوْفُوا۟
wa-awfū
এবং তোমরা পূর্ণ করবে
▶
بِٱلْعَهْدِ ۖ
bil-ʿahdi
অঙ্গীকার
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْعَهْدَ
l-ʿahda
অঙ্গীকার
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
مَسْـُٔولًۭا
masūlan
(এমন যা সম্পর্কে ) জিজ্ঞেস করা হবে
আয়াত 35 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَوْفُوا۟ ٱلْكَيْلَ إِذَا كِلْتُمْ وَزِنُوا۟ بِٱلْقِسْطَاسِ ٱلْمُسْتَقِيمِ ۚ ذَٰلِكَ خَيْرٌۭ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًۭا
মেপে দেয়ার সময় পূর্ণ মাপে দেবে এবং সঠিক দাঁড়িপালায় ওজন করবে। এটা উত্তম; এর পরিণাম শুভ।
▶
وَأَوْفُوا۟
wa-awfū
এবং তোমরা পূর্ণ করবে
▶
ٱلْكَيْلَ
l-kayla
মাপ
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
كِلْتُمْ
kil'tum
তোমরা মেপে দিবে
▶
وَزِنُوا۟
wazinū
এবং তোমরা ওজন করবে
▶
بِٱلْقِسْطَاسِ
bil-qis'ṭāsi
দিয়ে দাড়িপাল্লা
▶
ٱلْمُسْتَقِيمِ ۚ
l-mus'taqīmi
সঠিক
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম (নীতি)
▶
وَأَحْسَنُ
wa-aḥsanu
ও উৎকৃষ্ট
▶
تَأْوِيلًۭا
tawīlan
পরিণামে
আয়াত 36 - সূরা الإسراء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِۦ عِلْمٌ ۚ إِنَّ ٱلسَّمْعَ وَٱلْبَصَرَ وَٱلْفُؤَادَ كُلُّ أُو۟لَـٰٓئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْـُٔولًۭا
যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তার পিছনে পড়ো না। নিশ্চয় কান, চক্ষু ও অন্তঃকরণ এদের প্রত্যেকটিই জিজ্ঞাসিত হবে।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقْفُ
taqfu
পিছনে পড়ো
▶
مَا
mā
যা
▶
لَيْسَ
laysa
নেই
▶
لَكَ
laka
তোমার
▶
بِهِۦ
bihi
তা সম্পর্কে
▶
عِلْمٌ ۚ
ʿil'mun
কোনো জ্ঞান
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلسَّمْعَ
l-samʿa
কান
▶
وَٱلْبَصَرَ
wal-baṣara
ও চোখ
▶
وَٱلْفُؤَادَ
wal-fuāda
ও অন্তর
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেকটি
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব গুলো
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
عَنْهُ
ʿanhu
(এমন যে) সম্পর্কে তা
▶
مَسْـُٔولًۭا
masūlan
জিজ্ঞেস করা হবে
আয়াত 37 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَمْشِ فِى ٱلْأَرْضِ مَرَحًا ۖ إِنَّكَ لَن تَخْرِقَ ٱلْأَرْضَ وَلَن تَبْلُغَ ٱلْجِبَالَ طُولًۭا
পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না। নিশ্চয় তুমি তো ভূ পৃষ্ঠকে কখনই বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনই পর্বত প্রমাণ হতে পারবে না।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَمْشِ
tamshi
চলো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
মাটির
▶
مَرَحًا ۖ
maraḥan
দম্ভভরে
▶
إِنَّكَ
innaka
নিশ্চয়ই তুমি
▶
لَن
lan
কখনও না
▶
تَخْرِقَ
takhriqa
ফাটাতে পারবে
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
মাটিকে
▶
وَلَن
walan
আর কখনও না
▶
تَبْلُغَ
tablugha
তুমি পৌঁছবে
▶
ٱلْجِبَالَ
l-jibāla
পর্বতসমূহের
▶
طُولًۭا
ṭūlan
উচ্চতা
আয়াত 38 - সূরা الإسراء: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كُلُّ ذَٰلِكَ كَانَ سَيِّئُهُۥ عِندَ رَبِّكَ مَكْرُوهًۭا
এ সবের মধ্যে যেগুলো মন্দকাজ, সেগুলো তোমার পালনকর্তার কাছে অপছন্দনীয়।
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেকটি
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
سَيِّئُهُۥ
sayyi-uhu
তার খারাপ (দিক)
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
مَكْرُوهًۭا
makrūhan
অপছন্দনীয়
আয়াত 39 - সূরা الإسراء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ مِمَّآ أَوْحَىٰٓ إِلَيْكَ رَبُّكَ مِنَ ٱلْحِكْمَةِ ۗ وَلَا تَجْعَلْ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ فَتُلْقَىٰ فِى جَهَنَّمَ مَلُومًۭا مَّدْحُورًا
এটা ঐ হিকমতের অন্তর্ভূক্ত, যা আপনার পালনকর্তা আপনাকে ওহী মারফত দান করেছেন। আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য স্থির করবেন না। তাহলে অভিযুক্ত ও আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবেন।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
مِمَّآ
mimmā
থেকে ঐ বিষয় যা
▶
أَوْحَىٰٓ
awḥā
ওহী করেছেন
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
رَبُّكَ
rabbuka
তোমার রব
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْحِكْمَةِ ۗ
l-ḥik'mati
প্রজ্ঞার
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَجْعَلْ
tajʿal
বানিও
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِلَـٰهًا
ilāhan
ইলাহ
▶
ءَاخَرَ
ākhara
অন্য (কাউকে)
▶
فَتُلْقَىٰ
fatul'qā
তাহ'লে নিক্ষিপ্ত হবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
مَلُومًۭا
malūman
নিন্দিত অবস্হায়
▶
مَّدْحُورًا
madḥūran
(অনুগ্রহ থেকে) বিতাড়িত হয়ে
আয়াত 40 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَأَصْفَىٰكُمْ رَبُّكُم بِٱلْبَنِينَ وَٱتَّخَذَ مِنَ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ إِنَـٰثًا ۚ إِنَّكُمْ لَتَقُولُونَ قَوْلًا عَظِيمًۭا
তোমাদের পালনকর্তা কি তোমাদের জন্যে পুত্র সন্তান নির্ধারিত করেছেন এবং নিজের জন্যে ফেরেশতাদেরকে কন্যারূপে গ্রহণ করেছেন? নিশ্চয় তোমরা গুরুতর গর্হিত কথাবার্তা বলছ।
▶
أَفَأَصْفَىٰكُمْ
afa-aṣfākum
তবে কি ধন্য করেছেন তোমাদেরকে
▶
رَبُّكُم
rabbukum
রব তোমাদের
▶
بِٱلْبَنِينَ
bil-banīna
দিয়ে পুত্র সন্তানদের
▶
وَٱتَّخَذَ
wa-ittakhadha
অথচ তিনি গ্রহণ করেছেন
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ
l-malāikati
ফেরেশতাদের
▶
إِنَـٰثًا ۚ
ināthan
কন্যারূপে
▶
إِنَّكُمْ
innakum
নিশ্চয়ই তোমরা
▶
لَتَقُولُونَ
lataqūlūna
অবশ্যই তোমরা বলছো
▶
قَوْلًا
qawlan
কথা
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
ভয়ানক
আয়াত 41 - সূরা الإسراء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِى هَـٰذَا ٱلْقُرْءَانِ لِيَذَّكَّرُوا۟ وَمَا يَزِيدُهُمْ إِلَّا نُفُورًۭا
আমি এই কোরআনে নানাভাবে বুঝিয়েছি, যাতে তারা চিন্তা করে। অথচ এতে তাদের কেবল বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
صَرَّفْنَا
ṣarrafnā
আমরা বারবার বর্ণনা করেছি
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই
▶
ٱلْقُرْءَانِ
l-qur'āni
কুরআনের
▶
لِيَذَّكَّرُوا۟
liyadhakkarū
যেন তারা শিক্ষা নেয়
▶
وَمَا
wamā
কিন্তু না
▶
يَزِيدُهُمْ
yazīduhum
বৃদ্ধি পায় তাদের
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
نُفُورًۭا
nufūran
বিমুখতা
আয়াত 42 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُل لَّوْ كَانَ مَعَهُۥٓ ءَالِهَةٌۭ كَمَا يَقُولُونَ إِذًۭا لَّٱبْتَغَوْا۟ إِلَىٰ ذِى ٱلْعَرْشِ سَبِيلًۭا
বলুনঃ তাদের কথামত যদি তাঁর সাথে অন্যান্য উপাস্য থাকত; তবে তারা আরশের মালিক পর্যন্ত পৌছার পথ অন্বেষন করত।
▶
قُل
qul
বলো
▶
لَّوْ
law
"যদি
▶
كَانَ
kāna
থাকতো
▶
مَعَهُۥٓ
maʿahu
তাঁর সাথে
▶
ءَالِهَةٌۭ
ālihatun
কোনো ইলাহ
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলে
▶
إِذًۭا
idhan
তাহ'লে
▶
لَّٱبْتَغَوْا۟
la-ib'taghaw
তারা অবশ্যই খোঁজ করতো
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
ذِى
dhī
অধিপতির
▶
ٱلْعَرْشِ
l-ʿarshi
আরশের
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
পথ"
আয়াত 43 - সূরা الإسراء: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
سُبْحَـٰنَهُۥ وَتَعَـٰلَىٰ عَمَّا يَقُولُونَ عُلُوًّۭا كَبِيرًۭا
তিনি নেহায়েত পবিত্র ও মহিমান্বিত এবং তারা যা বলে থাকে তা থেকে বহু উর্ধ্বে।
▶
سُبْحَـٰنَهُۥ
sub'ḥānahu
তিনি পবিত্র
▶
وَتَعَـٰلَىٰ
wataʿālā
ও মহিমাময়
▶
عَمَّا
ʿammā
তা হ'তে যা
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলে
▶
عُلُوًّۭا
ʿuluwwan
উপরে
▶
كَبِيرًۭا
kabīran
বহু
আয়াত 44 - সূরা الإسراء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تُسَبِّحُ لَهُ ٱلسَّمَـٰوَٰتُ ٱلسَّبْعُ وَٱلْأَرْضُ وَمَن فِيهِنَّ ۚ وَإِن مِّن شَىْءٍ إِلَّا يُسَبِّحُ بِحَمْدِهِۦ وَلَـٰكِن لَّا تَفْقَهُونَ تَسْبِيحَهُمْ ۗ إِنَّهُۥ كَانَ حَلِيمًا غَفُورًۭا
সপ্ত আকাশ ও পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যে যাকিছু আছে সমস্ত কিছু তাঁরই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। এবং এমন কিছু নেই যা তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করে না। কিন্তু তাদের পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা তোমরা অনুধাবন করতে পার না। নিশ্চয় তিনি অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।
▶
تُسَبِّحُ
tusabbiḥu
পবিত্রতা ঘোষণা করছে
▶
لَهُ
lahu
জন্যে তাঁর
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتُ
l-samāwātu
আকাশমন্ডলী
▶
ٱلسَّبْعُ
l-sabʿu
সাত
▶
وَٱلْأَرْضُ
wal-arḍu
ও পৃথিবী
▶
وَمَن
waman
এবং যা কিছু আছে
▶
فِيهِنَّ ۚ
fīhinna
মধ্যে তাদের
▶
وَإِن
wa-in
এবং নেই
▶
مِّن
min
কোনো
▶
شَىْءٍ
shayin
বস্তু
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যে
▶
يُسَبِّحُ
yusabbiḥu
পবিত্রতা ঘোষণা করছে
▶
بِحَمْدِهِۦ
biḥamdihi
সাথে তাঁর সপ্রশংসার
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
لَّا
lā
না
▶
تَفْقَهُونَ
tafqahūna
তোমরা অনুধাবন করো
▶
تَسْبِيحَهُمْ ۗ
tasbīḥahum
তাদের পবিত্রতা ঘোষণা করা
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
حَلِيمًا
ḥalīman
সহনশীল
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমা পরায়ণ"
আয়াত 45 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا قَرَأْتَ ٱلْقُرْءَانَ جَعَلْنَا بَيْنَكَ وَبَيْنَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْـَٔاخِرَةِ حِجَابًۭا مَّسْتُورًۭا
যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন, তখন আমি আপনার মধ্যে ও পরকালে অবিশ্বাসীদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন পর্দা ফেলে দেই।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قَرَأْتَ
qarata
তুমি পাঠ করো
▶
ٱلْقُرْءَانَ
l-qur'āna
কুরআন
▶
جَعَلْنَا
jaʿalnā
আমরা বানাই
▶
بَيْنَكَ
baynaka
তোমার মাঝে
▶
وَبَيْنَ
wabayna
ও মাঝে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
তাদের (যারা)
▶
لَا
lā
না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
ঈমান আনে
▶
بِٱلْـَٔاخِرَةِ
bil-ākhirati
উপর আখিরাতের
▶
حِجَابًۭا
ḥijāban
পর্দা
▶
مَّسْتُورًۭا
mastūran
প্রচ্ছন্ন
আয়াত 46 - সূরা الإسراء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَجَعَلْنَا عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ أَكِنَّةً أَن يَفْقَهُوهُ وَفِىٓ ءَاذَانِهِمْ وَقْرًۭا ۚ وَإِذَا ذَكَرْتَ رَبَّكَ فِى ٱلْقُرْءَانِ وَحْدَهُۥ وَلَّوْا۟ عَلَىٰٓ أَدْبَـٰرِهِمْ نُفُورًۭا
আমি তাদের অন্তরের উপর আবরণ রেখে দেই, যাতে তারা একে উপলব্ধি করতে না পারে এবং তাদের কর্ণকুহরে বোঝা চাপিয়ে দেই। যখন আপনি কোরআনে পালনকর্তার একত্ব আবৃত্তি করেন, তখন ও অনীহাবশতঃ ওরা পৃষ্ট প্রদর্শন করে চলে যায়।
▶
وَجَعَلْنَا
wajaʿalnā
এবং আমরা রেখে দিই
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
قُلُوبِهِمْ
qulūbihim
অন্তরসমূহের তাদের
▶
أَكِنَّةً
akinnatan
আবরণ
▶
أَن
an
যে (না)
▶
يَفْقَهُوهُ
yafqahūhu
তা তারা বুঝে
▶
وَفِىٓ
wafī
এবং মধ্যে আছে
▶
ءَاذَانِهِمْ
ādhānihim
কানগুলোর তাদের
▶
وَقْرًۭا ۚ
waqran
বধিরতা
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
ذَكَرْتَ
dhakarta
তুমি উল্লেখ করো
▶
رَبَّكَ
rabbaka
তোমার রবকে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْقُرْءَانِ
l-qur'āni
কুরআনের
▶
وَحْدَهُۥ
waḥdahu
তাঁর একত্ত্বতা
▶
وَلَّوْا۟
wallaw
তারা ফিরে
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
দিকে
▶
أَدْبَـٰرِهِمْ
adbārihim
পিঠের তাদের
▶
نُفُورًۭا
nufūran
ঘৃণায়
আয়াত 47 - সূরা الإسراء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
نَّحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَسْتَمِعُونَ بِهِۦٓ إِذْ يَسْتَمِعُونَ إِلَيْكَ وَإِذْ هُمْ نَجْوَىٰٓ إِذْ يَقُولُ ٱلظَّـٰلِمُونَ إِن تَتَّبِعُونَ إِلَّا رَجُلًۭا مَّسْحُورًا
যখন তারা কান পেতে আপনার কথা শোনে, তখন তারা কেন কান পেতে তা শোনে, তা আমি ভাল জানি এবং এও জানি গোপনে আলোচনাকালে যখন জালেমরা বলে, তোমরা তো এক যাদুগ্রস্থ ব্যক্তির অনুসরণ করছ।
▶
نَّحْنُ
naḥnu
আমরা
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানি
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
يَسْتَمِعُونَ
yastamiʿūna
তারা মনোযোগ দিয়ে শুনে
▶
بِهِۦٓ
bihi
তা সম্বন্ধে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
يَسْتَمِعُونَ
yastamiʿūna
তারা কান পেতে শোনে
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং যখন
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
نَجْوَىٰٓ
najwā
গোপন পরামর্শ করে
▶
إِذْ
idh
তখন
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলে
▶
ٱلظَّـٰلِمُونَ
l-ẓālimūna
সীমালঙ্ঘনকারীরা
▶
إِن
in
"না
▶
تَتَّبِعُونَ
tattabiʿūna
তোমরা অনুসরণ করছো
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
رَجُلًۭا
rajulan
এক ব্যক্তিকে
▶
مَّسْحُورًا
masḥūran
জাদুগ্রস্ত"
আয়াত 48 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱنظُرْ كَيْفَ ضَرَبُوا۟ لَكَ ٱلْأَمْثَالَ فَضَلُّوا۟ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ سَبِيلًۭا
দেখুন, ওরা আপনার জন্যে কেমন উপমা দেয়। ওরা পথভ্রষ্ট হয়েছে। অতএব, ওরা পথ পেতে পারে না।
▶
ٱنظُرْ
unẓur
লক্ষ্য করো
▶
كَيْفَ
kayfa
কেমন
▶
ضَرَبُوا۟
ḍarabū
তারা বর্ণনা করে
▶
لَكَ
laka
জন্যে তোমার
▶
ٱلْأَمْثَالَ
l-amthāla
উপমাগুলো
▶
فَضَلُّوا۟
faḍallū
অতএব তারা বিভ্রান্ত হয়েছে
▶
فَلَا
falā
তাই না
▶
يَسْتَطِيعُونَ
yastaṭīʿūna
তারা পেতে পারে
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
পথ
আয়াত 49 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوٓا۟ أَءِذَا كُنَّا عِظَـٰمًۭا وَرُفَـٰتًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ خَلْقًۭا جَدِيدًۭا
তারা বলেঃ যখন আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি নতুন করে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?
▶
وَقَالُوٓا۟
waqālū
এবং তারা বলে
▶
أَءِذَا
a-idhā
"কি যখন
▶
كُنَّا
kunnā
আমরা পরিণত হবো
▶
عِظَـٰمًۭا
ʿiẓāman
হাড়ে
▶
وَرُفَـٰتًا
warufātan
এবং চূর্ণ-বিচূর্ণ (মাটিতে)
▶
أَءِنَّا
a-innā
কি নিশ্চয়ই আমরা
▶
لَمَبْعُوثُونَ
lamabʿūthūna
অবশ্যই উত্থিত হবো
▶
خَلْقًۭا
khalqan
সৃষ্টিতে
▶
جَدِيدًۭا
jadīdan
নতুন"
আয়াত 50 - সূরা الإسراء: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ قُلْ كُونُوا۟ حِجَارَةً أَوْ حَدِيدًا
বলুনঃ তোমরা পাথর হয়ে যাও কিংবা লোহা।
▶
۞ قُلْ
qul
বলো
▶
كُونُوا۟
kūnū
"তোমরা হয়ে যাও
▶
حِجَارَةً
ḥijāratan
পাথর
▶
أَوْ
aw
বা
▶
حَدِيدًا
ḥadīdan
লোহা
আয়াত 51 - সূরা الإسراء: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ خَلْقًۭا مِّمَّا يَكْبُرُ فِى صُدُورِكُمْ ۚ فَسَيَقُولُونَ مَن يُعِيدُنَا ۖ قُلِ ٱلَّذِى فَطَرَكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍۢ ۚ فَسَيُنْغِضُونَ إِلَيْكَ رُءُوسَهُمْ وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هُوَ ۖ قُلْ عَسَىٰٓ أَن يَكُونَ قَرِيبًۭا
অথবা এমন কোন বস্তু, যা তোমাদের ধারণায় খুবই কঠিন; তথাপি তারা বলবেঃ আমাদের কে পুর্নবার কে সৃষ্টি করবে। বলুনঃ যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃজন করেছেন। অতঃপর তারা আপনার সামনে মাথা নাড়বে এবং বলবেঃ এটা কবে হবে? বলুনঃ হবে, সম্ভবতঃ শ্রীঘ্রই।
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
خَلْقًۭا
khalqan
(এমন) সৃষ্টি
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হ'তে যা
▶
يَكْبُرُ
yakburu
(জীবন পাওয়া) বড় কঠিন হবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
صُدُورِكُمْ ۚ
ṣudūrikum
অন্তরসমূহের তোমাদের"
▶
فَسَيَقُولُونَ
fasayaqūlūna
অতঃপর তারা বলবে
▶
مَن
man
"কে
▶
يُعِيدُنَا ۖ
yuʿīdunā
আমাদেরকে ফিরিয়ে আনবে"
▶
قُلِ
quli
বলো
▶
ٱلَّذِى
alladhī
"যিনি
▶
فَطَرَكُمْ
faṭarakum
সৃষ্টি করেছেন তোমাদেন
▶
أَوَّلَ
awwala
প্রথম
▶
مَرَّةٍۢ ۚ
marratin
বার"
▶
فَسَيُنْغِضُونَ
fasayun'ghiḍūna
অতঃপর তারা নাড়বে
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার দিকে
▶
رُءُوسَهُمْ
ruūsahum
মাথাসমূহ তাদের
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
ও তারা বলবে
▶
مَتَىٰ
matā
"কখন হবে
▶
هُوَ ۖ
huwa
তা"
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
عَسَىٰٓ
ʿasā
"সম্ভবতঃ
▶
أَن
an
যে
▶
يَكُونَ
yakūna
তা হবে
▶
قَرِيبًۭا
qarīban
নিকটবর্তী"
আয়াত 52 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ يَدْعُوكُمْ فَتَسْتَجِيبُونَ بِحَمْدِهِۦ وَتَظُنُّونَ إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا قَلِيلًۭا
যেদিন তিনি তোমাদেরকে আহবান করবেন, অতঃপর তোমরা তাঁর প্রশংসা করতে করতে চলে আসবে। এবং তোমরা অনুমান করবে যে, সামান্য সময়ই অবস্থান করেছিলে।
▶
يَوْمَ
yawma
যেদিন
▶
يَدْعُوكُمْ
yadʿūkum
তিনি ডাকবেন তোমাদেরকে
▶
فَتَسْتَجِيبُونَ
fatastajībūna
তখন তোমরা ডাকে সাড়া দিবে
▶
بِحَمْدِهِۦ
biḥamdihi
সাথে তাঁর প্রশংসার
▶
وَتَظُنُّونَ
wataẓunnūna
ও তোমরা মনে করবে
▶
إِن
in
না
▶
لَّبِثْتُمْ
labith'tum
অবস্থান করেছিলে তোমরা
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
অল্প (সময়)
আয়াত 53 - সূরা الإسراء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقُل لِّعِبَادِى يَقُولُوا۟ ٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ ۚ إِنَّ ٱلشَّيْطَـٰنَ يَنزَغُ بَيْنَهُمْ ۚ إِنَّ ٱلشَّيْطَـٰنَ كَانَ لِلْإِنسَـٰنِ عَدُوًّۭا مُّبِينًۭا
আমার বান্দাদেরকে বলে দিন, তারা যেন যা উত্তম এমন কথাই বলে। শয়তান তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধায়। নিশ্চয় শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।
▶
وَقُل
waqul
এবং বলো
▶
لِّعِبَادِى
liʿibādī
আমাদের দাসদেরকে
▶
يَقُولُوا۟
yaqūlū
(যেন) তারা বলে
▶
ٱلَّتِى
allatī
ঐ (কথা)
▶
هِىَ
hiya
যা
▶
أَحْسَنُ ۚ
aḥsanu
উত্তম
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلشَّيْطَـٰنَ
l-shayṭāna
শয়তান
▶
يَنزَغُ
yanzaghu
উস্কানি দেয়
▶
بَيْنَهُمْ ۚ
baynahum
মাঝে তাদের
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلشَّيْطَـٰنَ
l-shayṭāna
শয়তান
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
لِلْإِنسَـٰنِ
lil'insāni
জন্যে মানুষের
▶
عَدُوًّۭا
ʿaduwwan
শত্রু
▶
مُّبِينًۭا
mubīnan
প্রকাশ্য
আয়াত 54 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَّبُّكُمْ أَعْلَمُ بِكُمْ ۖ إِن يَشَأْ يَرْحَمْكُمْ أَوْ إِن يَشَأْ يُعَذِّبْكُمْ ۚ وَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ عَلَيْهِمْ وَكِيلًۭا
তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের সম্পর্কে ভালভাবে জ্ঞাত আছেন। তিনি যদি চান, তোমাদের প্রতি রহমত করবেন কিংবা যদি চান, তোমাদের আযাব দিবেন। আমি আপনাকে ওদের সবার তত্ত্বাবধায়ক রূপে প্রেরণ করিনি।
▶
رَّبُّكُمْ
rabbukum
রব তোমাদের
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِكُمْ ۖ
bikum
সম্পর্কে তোমাদের
▶
إِن
in
যদি
▶
يَشَأْ
yasha
ইচ্ছে করেন
▶
يَرْحَمْكُمْ
yarḥamkum
তোমাদের প্রতি দয়া করবেন
▶
أَوْ
aw
বা
▶
إِن
in
যদি
▶
يَشَأْ
yasha
ইচ্ছে করেন
▶
يُعَذِّبْكُمْ ۚ
yuʿadhib'kum
তোমাদের শাস্তি দিবেন
▶
وَمَآ
wamā
এবং না
▶
أَرْسَلْنَـٰكَ
arsalnāka
তোমাকে আমরা প্রেরণ করেছি
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
কাছে তাদের
▶
وَكِيلًۭا
wakīlan
কর্মবিধায়করূপে
আয়াত 55 - সূরা الإسراء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَرَبُّكَ أَعْلَمُ بِمَن فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۗ وَلَقَدْ فَضَّلْنَا بَعْضَ ٱلنَّبِيِّـۧنَ عَلَىٰ بَعْضٍۢ ۖ وَءَاتَيْنَا دَاوُۥدَ زَبُورًۭا
আপনার পালনকর্তা তাদের সম্পর্কে ভালভাবে জ্ঞাত আছেন, যারা আকাশসমূহে ও ভুপৃষ্ঠে রয়েছে। আমি তো কতক পয়গম্বরকে কতক পয়গম্বরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি এবং দাউদকে যবুর দান করেছি।
▶
وَرَبُّكَ
warabbuka
এবং তোমার রব
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِمَن
biman
সম্বন্ধে ঐ যা
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশমন্ডলীর
▶
وَٱلْأَرْضِ ۗ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
فَضَّلْنَا
faḍḍalnā
আমরা মর্যাদা দিয়েছি
▶
بَعْضَ
baʿḍa
কাউকে
▶
ٱلنَّبِيِّـۧنَ
l-nabiyīna
নাবীদের মধ্যে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
بَعْضٍۢ ۖ
baʿḍin
কারও
▶
وَءَاتَيْنَا
waātaynā
এবং আমরা দিয়েছি
▶
دَاوُۥدَ
dāwūda
দাঊদকে
▶
زَبُورًۭا
zabūran
যাবূর
আয়াত 56 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلِ ٱدْعُوا۟ ٱلَّذِينَ زَعَمْتُم مِّن دُونِهِۦ فَلَا يَمْلِكُونَ كَشْفَ ٱلضُّرِّ عَنكُمْ وَلَا تَحْوِيلًا
বলুনঃ আল্লাহ ব্যতীত যাদেরকে তোমরা উপাস্য মনে কর, তাদেরকে আহবান কর। অথচ ওরা তো তোমাদের কষ্ট দুর করার ক্ষমতা রাখে না এবং তা পরিবর্তনও করতে পারে না।
▶
قُلِ
quli
বলো
▶
ٱدْعُوا۟
id'ʿū
"তোমরা ডাকো
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যাদের
▶
زَعَمْتُم
zaʿamtum
তোমরা ধারণা করো
▶
مِّن
min
ছাড়া
▶
دُونِهِۦ
dūnihi
তিনি (ইলাহ)
▶
فَلَا
falā
অতঃপর না
▶
يَمْلِكُونَ
yamlikūna
তারা শক্তি রাখে
▶
كَشْفَ
kashfa
দূর করতে
▶
ٱلضُّرِّ
l-ḍuri
দুঃখ-দৈন্য
▶
عَنكُمْ
ʿankum
থেকে তোমাদের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَحْوِيلًا
taḥwīlan
পরিবর্তন"
আয়াত 57 - সূরা الإسراء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ يَدْعُونَ يَبْتَغُونَ إِلَىٰ رَبِّهِمُ ٱلْوَسِيلَةَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ وَيَرْجُونَ رَحْمَتَهُۥ وَيَخَافُونَ عَذَابَهُۥٓ ۚ إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ كَانَ مَحْذُورًۭا
যাদেরকে তারা আহবান করে, তারা নিজেরাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্য লাভের জন্য মধ্যস্থ তালাশ করে যে, তাদের মধ্যে কে নৈকট্যশীল। তারা তাঁর রহমতের আশা করে এবং তাঁর শাস্তিকে ভয় করে। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার শাস্তি ভয়াবহ।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদেরকে
▶
يَدْعُونَ
yadʿūna
তারা ডাকে
▶
يَبْتَغُونَ
yabtaghūna
তারা খোঁজ করে
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
رَبِّهِمُ
rabbihimu
রবের তাদের
▶
ٱلْوَسِيلَةَ
l-wasīlata
নৈকট্য লাভের উপায়
▶
أَيُّهُمْ
ayyuhum
মধ্যে কে তাদের
▶
أَقْرَبُ
aqrabu
অধিক নিকটবর্তী
▶
وَيَرْجُونَ
wayarjūna
এবং তারা প্রত্যাশা করে
▶
رَحْمَتَهُۥ
raḥmatahu
তাঁর দয়া
▶
وَيَخَافُونَ
wayakhāfūna
ও তারা ভয় করে
▶
عَذَابَهُۥٓ ۚ
ʿadhābahu
তাঁর শাস্তিকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
عَذَابَ
ʿadhāba
শাস্তি
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
مَحْذُورًۭا
maḥdhūran
ভয়াবহ
আয়াত 58 - সূরা الإسراء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن مِّن قَرْيَةٍ إِلَّا نَحْنُ مُهْلِكُوهَا قَبْلَ يَوْمِ ٱلْقِيَـٰمَةِ أَوْ مُعَذِّبُوهَا عَذَابًۭا شَدِيدًۭا ۚ كَانَ ذَٰلِكَ فِى ٱلْكِتَـٰبِ مَسْطُورًۭا
এমন কোন জনপদ নেই, যাকে আমি কেয়ামত দিবসের পূর্বে ধ্বংস করব না অথবা যাকে কঠোর শাস্তি দেব না। এটা তো গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে।
▶
وَإِن
wa-in
এবং নেই
▶
مِّن
min
কোনো
▶
قَرْيَةٍ
qaryatin
জনপদ
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া যে
▶
نَحْنُ
naḥnu
আমরা
▶
مُهْلِكُوهَا
muh'likūhā
তা আমরা ধ্বংসকারী
▶
قَبْلَ
qabla
পূর্বে
▶
يَوْمِ
yawmi
দিনের
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
مُعَذِّبُوهَا
muʿadhibūhā
তাকে আমরা শাস্তিদানকারী
▶
عَذَابًۭا
ʿadhāban
শাস্তি (দ্বারা)
▶
شَدِيدًۭا ۚ
shadīdan
কঠোর
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
(আল্লাহর) কিতাবের
▶
مَسْطُورًۭا
masṭūran
লিখিত
আয়াত 59 - সূরা الإسراء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا مَنَعَنَآ أَن نُّرْسِلَ بِٱلْـَٔايَـٰتِ إِلَّآ أَن كَذَّبَ بِهَا ٱلْأَوَّلُونَ ۚ وَءَاتَيْنَا ثَمُودَ ٱلنَّاقَةَ مُبْصِرَةًۭ فَظَلَمُوا۟ بِهَا ۚ وَمَا نُرْسِلُ بِٱلْـَٔايَـٰتِ إِلَّا تَخْوِيفًۭا
পূর্ববর্তীগণ কতৃꦣ2453; নিদর্শন অস্বীকার করার ফলেই আমাকে নিদর্শনাবলী প্রেরণ থেকে বিরত থাকতে হয়েছে। আমি তাদেরকে বোঝাবার জন্যে সামুদকে উষ্ট্রী দিয়েছিলাম। অতঃপর তারা তার প্রতি জুলুম করেছিল। আমি ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশেই নিদর্শন প্রেরণ করি।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
مَنَعَنَآ
manaʿanā
কেউ আমাদেরকে বিরত রেখেছে
▶
أَن
an
যে
▶
نُّرْسِلَ
nur'sila
আমরা পাঠাবো
▶
بِٱلْـَٔايَـٰتِ
bil-āyāti
দিয়ে নিদর্শনাদি
▶
إِلَّآ
illā
এ ছাড়া
▶
أَن
an
যে
▶
كَذَّبَ
kadhaba
মিথ্যারোপ করেছে
▶
بِهَا
bihā
ব্যাপারে তার
▶
ٱلْأَوَّلُونَ ۚ
l-awalūna
পূর্ববর্তীরা
▶
وَءَاتَيْنَا
waātaynā
এবং আমরা দিয়েছি
▶
ثَمُودَ
thamūda
সামুদকে
▶
ٱلنَّاقَةَ
l-nāqata
মাদি উট
▶
مُبْصِرَةًۭ
mub'ṣiratan
প্রকাশ্য
▶
فَظَلَمُوا۟
faẓalamū
তখন তারা নির্যাতন করে
▶
بِهَا ۚ
bihā
সাথে তার
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
نُرْسِلُ
nur'silu
আমরা পাঠাই
▶
بِٱلْـَٔايَـٰتِ
bil-āyāti
দিয়ে নিদের্শনাদি
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া যে
▶
تَخْوِيفًۭا
takhwīfan
ভয় স্বরূপ
আয়াত 60 - সূরা الإسراء: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قُلْنَا لَكَ إِنَّ رَبَّكَ أَحَاطَ بِٱلنَّاسِ ۚ وَمَا جَعَلْنَا ٱلرُّءْيَا ٱلَّتِىٓ أَرَيْنَـٰكَ إِلَّا فِتْنَةًۭ لِّلنَّاسِ وَٱلشَّجَرَةَ ٱلْمَلْعُونَةَ فِى ٱلْقُرْءَانِ ۚ وَنُخَوِّفُهُمْ فَمَا يَزِيدُهُمْ إِلَّا طُغْيَـٰنًۭا كَبِيرًۭا
এবং স্মরণ করুন, আমি আপনাকে বলে দিয়েছিলাম যে, আপনার পালনকর্তা মানুষকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন এবং যে দৃশ্য আমি আপনাকে দেখিয়েছি তাও কোরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত বৃক্ষ কেবল মানুষের পরীক্ষার জন্যে। আমি তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করি। কিন্তু এতে তাদের অবাধ্যতাই আরও বৃদ্ধি পায়।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং যখন
▶
قُلْنَا
qul'nā
আমরা বলেছিলাম
▶
لَكَ
laka
তোমাকে
▶
إِنَّ
inna
"নিশ্চয়ই
▶
رَبَّكَ
rabbaka
তোমার রব
▶
أَحَاطَ
aḥāṭa
ঘিরে রেখেছেন
▶
بِٱلنَّاسِ ۚ
bil-nāsi
নিয়ে মানুষকে"
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
جَعَلْنَا
jaʿalnā
আমরা করেছি
▶
ٱلرُّءْيَا
l-ru'yā
দৃশ্য
▶
ٱلَّتِىٓ
allatī
যা
▶
أَرَيْنَـٰكَ
araynāka
তোমাকে আমরা দেখিয়েছি
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া যে
▶
فِتْنَةًۭ
fit'natan
পরীক্ষা
▶
لِّلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্যে
▶
وَٱلشَّجَرَةَ
wal-shajarata
এবং গাছটিকেও
▶
ٱلْمَلْعُونَةَ
l-malʿūnata
অভিশপ্ত
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْقُرْءَانِ ۚ
l-qur'āni
কুরআনের
▶
وَنُخَوِّفُهُمْ
wanukhawwifuhum
এবং ভয় দেখাই আমরা তাদের
▶
فَمَا
famā
কিন্তু না
▶
يَزِيدُهُمْ
yazīduhum
তাদের বৃদ্ধি করে
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
طُغْيَـٰنًۭا
ṭugh'yānan
অবাধ্যতা
▶
كَبِيرًۭا
kabīran
ঘোর
আয়াত 61 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ ٱسْجُدُوا۟ لِـَٔادَمَ فَسَجَدُوٓا۟ إِلَّآ إِبْلِيسَ قَالَ ءَأَسْجُدُ لِمَنْ خَلَقْتَ طِينًۭا
স্মরণ কর, যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন ইবলীস ব্যতীত সবাই সেজদায় পড়ে গেল। কিন্তু সে বললঃ আমি কি এমন ব্যক্তিকে সেজদা করব, যাকে আপনি মাটির দ্বারা সৃষ্টি করেছেন?
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং যখন
▶
قُلْنَا
qul'nā
আমরা বলেছিলাম
▶
لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ
lil'malāikati
ফেরেশতাদেরকে
▶
ٱسْجُدُوا۟
us'judū
"তোমরা সিজদা করো
▶
لِـَٔادَمَ
liādama
আদমকে"
▶
فَسَجَدُوٓا۟
fasajadū
অতঃপর তারা সিজদা করলো
▶
إِلَّآ
illā
ছাড়া
▶
إِبْلِيسَ
ib'līsa
ইবলীস
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
ءَأَسْجُدُ
a-asjudu
"আমি কি সিজদা করবো
▶
لِمَنْ
liman
জন্যে তার (যাকে)
▶
خَلَقْتَ
khalaqta
আপনি সৃষ্টি করেছেন
▶
طِينًۭا
ṭīnan
কাদা মাটি (হ'তে)"
আয়াত 62 - সূরা الإسراء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ أَرَءَيْتَكَ هَـٰذَا ٱلَّذِى كَرَّمْتَ عَلَىَّ لَئِنْ أَخَّرْتَنِ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَـٰمَةِ لَأَحْتَنِكَنَّ ذُرِّيَّتَهُۥٓ إِلَّا قَلِيلًۭا
সে বললঃ দেখুন তো, এনা সে ব্যক্তি, যাকে আপনি আমার চাইতেও উচ্চ মার্যাদা দিয়ে দিয়েছেন। যদি আপনি আমাকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত সময় দেন, তবে আমি সামান্য সংখ্যক ছাড়া তার বংশধরদেরকে সমূলে নষ্ট করে দেব।
▶
قَالَ
qāla
সে বললো
▶
أَرَءَيْتَكَ
ara-aytaka
"কি আপনি মনে করেন
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যাকে
▶
كَرَّمْتَ
karramta
আপনি মর্যাদা দিয়েছেন
▶
عَلَىَّ
ʿalayya
আমার উপর
▶
لَئِنْ
la-in
অবশ্যই যদি
▶
أَخَّرْتَنِ
akhartani
আমাকে আপনি অবকাশ দেন
▶
إِلَىٰ
ilā
পর্যন্ত
▶
يَوْمِ
yawmi
দিন
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
لَأَحْتَنِكَنَّ
la-aḥtanikanna
আমি অবশ্যই সমূলে নষ্ট করবো
▶
ذُرِّيَّتَهُۥٓ
dhurriyyatahu
তার বংশধরদের
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
স্বল্প সংখ্যক"
আয়াত 63 - সূরা الإسراء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ ٱذْهَبْ فَمَن تَبِعَكَ مِنْهُمْ فَإِنَّ جَهَنَّمَ جَزَآؤُكُمْ جَزَآءًۭ مَّوْفُورًۭا
আল্লাহ বলেনঃ চলে যা, অতঃপর তাদের মধ্য থেকে যে তোর অনুগামী হবে, জাহান্নামই হবে তাদের সবার শাস্তি-ভরপুর শাস্তি।
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
ٱذْهَبْ
idh'hab
"তুমি যাও
▶
فَمَن
faman
অতঃপর যে
▶
تَبِعَكَ
tabiʿaka
তোমার অনুসরণ করবে
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যে থেকে
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তাহ'লে নিশ্চয়ই
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নাম হবে
▶
جَزَآؤُكُمْ
jazāukum
তোমাদের প্রতিফল
▶
جَزَآءًۭ
jazāan
প্রতিফল
▶
مَّوْفُورًۭا
mawfūran
পূর্ণ
আয়াত 64 - সূরা الإسراء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱسْتَفْزِزْ مَنِ ٱسْتَطَعْتَ مِنْهُم بِصَوْتِكَ وَأَجْلِبْ عَلَيْهِم بِخَيْلِكَ وَرَجِلِكَ وَشَارِكْهُمْ فِى ٱلْأَمْوَٰلِ وَٱلْأَوْلَـٰدِ وَعِدْهُمْ ۚ وَمَا يَعِدُهُمُ ٱلشَّيْطَـٰنُ إِلَّا غُرُورًا
তুই সত্যচ্যুত করে তাদের মধ্য থেকে যাকে পারিস স্বীয় আওয়ায দ্বারা, স্বীয় অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে তাদেরকে আক্রমণ কর, তাদের অর্থ-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে শরীক হয়ে যা এবং তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দে। ছলনা ছাড়া শয়তান তাদেরকে কোন প্রতিশ্রুতি দেয় না।
▶
وَٱسْتَفْزِزْ
wa-is'tafziz
এবং পদস্খলিত করো
▶
مَنِ
mani
যাকে
▶
ٱسْتَطَعْتَ
is'taṭaʿta
তুমি পারো
▶
مِنْهُم
min'hum
মধ্য হ'তে তাদের
▶
بِصَوْتِكَ
biṣawtika
দিয়ে তোমার কন্ঠস্বর
▶
وَأَجْلِبْ
wa-ajlib
ও চড়াও হও
▶
عَلَيْهِم
ʿalayhim
উপর তাদের
▶
بِخَيْلِكَ
bikhaylika
নিয়ে তোমার অশ্বারোহী বাহিনী
▶
وَرَجِلِكَ
warajilika
ও তোমার পদাতিক বাহিনী
▶
وَشَارِكْهُمْ
washārik'hum
এবং সহযোগী করো তাদের
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَمْوَٰلِ
l-amwāli
সম্পদসমূহের
▶
وَٱلْأَوْلَـٰدِ
wal-awlādi
ও সন্তানদের
▶
وَعِدْهُمْ ۚ
waʿid'hum
এবং তাদের প্রতিশ্রুতি দাও"
▶
وَمَا
wamā
আর না
▶
يَعِدُهُمُ
yaʿiduhumu
তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয়
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
غُرُورًا
ghurūran
প্রতারণা
আয়াত 65 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ عِبَادِى لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَـٰنٌۭ ۚ وَكَفَىٰ بِرَبِّكَ وَكِيلًۭا
আমার বান্দাদের উপর তোর কোন ক্ষমতা নেই আপনার পালনকর্তা যথেষ্ট কার্যনির্বাহী।
▶
إِنَّ
inna
"নিশ্চয়ই
▶
عِبَادِى
ʿibādī
আমার দাসদের
▶
لَيْسَ
laysa
নেই
▶
لَكَ
laka
জন্যে তোমার
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
উপর তাদের
▶
سُلْطَـٰنٌۭ ۚ
sul'ṭānun
কোনো আধিপত্য
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِرَبِّكَ
birabbika
তোমার রব
▶
وَكِيلًۭا
wakīlan
কর্মবিধায়ক হিসেবে"
আয়াত 66 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَّبُّكُمُ ٱلَّذِى يُزْجِى لَكُمُ ٱلْفُلْكَ فِى ٱلْبَحْرِ لِتَبْتَغُوا۟ مِن فَضْلِهِۦٓ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًۭا
তোমাদের পালনকর্তা তিনিই, যিনি তোমাদের জন্যে সমুদ্রে জলযান চালনা করেন, যাতে তোমরা তার অনুগ্রহ অন্বেষন করতে পারো। নিঃ সন্দেহে তিনি তোমাদের প্রতি পরম দয়ালূ।
▶
رَّبُّكُمُ
rabbukumu
তোমাদের রব
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(তিনিই) যিনি
▶
يُزْجِى
yuz'jī
চালনা করেন
▶
لَكُمُ
lakumu
জন্যে তোমাদের
▶
ٱلْفُلْكَ
l-ful'ka
নৌযান
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبَحْرِ
l-baḥri
সাগরের
▶
لِتَبْتَغُوا۟
litabtaghū
যেন তোমরা সন্ধান করতে পারো
▶
مِن
min
থেকে
▶
فَضْلِهِۦٓ ۚ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহ
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِكُمْ
bikum
উপর তোমাদের
▶
رَحِيمًۭا
raḥīman
দয়াশীল
আয়াত 67 - সূরা الإسراء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا مَسَّكُمُ ٱلضُّرُّ فِى ٱلْبَحْرِ ضَلَّ مَن تَدْعُونَ إِلَّآ إِيَّاهُ ۖ فَلَمَّا نَجَّىٰكُمْ إِلَى ٱلْبَرِّ أَعْرَضْتُمْ ۚ وَكَانَ ٱلْإِنسَـٰنُ كَفُورًا
যখন সমুদ্রে তোমাদের উপর বিপদ আসে, তখন শুধু আল্লাহ ব্যতীত যাদেরকে তোমরা আহবান করে থাক তাদেরকে তোমরা বিস্মৃত হয়ে যাও। অতঃপর তিনি যখন তোমাদেরকে স্থলে ভিড়িয়ে উদ্ধার করে নেন, তখন তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও। মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
مَسَّكُمُ
massakumu
তোমাদের স্পর্শ করে
▶
ٱلضُّرُّ
l-ḍuru
বিপদ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبَحْرِ
l-baḥri
সাগরের
▶
ضَلَّ
ḍalla
হারিয়ে যায়
▶
مَن
man
যাকে
▶
تَدْعُونَ
tadʿūna
তোমরা ডাকো
▶
إِلَّآ
illā
ছাড়া
▶
إِيَّاهُ ۖ
iyyāhu
শুধু তিনিই
▶
فَلَمَّا
falammā
অতএব যখন
▶
نَجَّىٰكُمْ
najjākum
আমরা উদ্ধার করি তোমাদের
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلْبَرِّ
l-bari
স্থলের
▶
أَعْرَضْتُمْ ۚ
aʿraḍtum
মুখ ফিরাও তোমরা
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলো
▶
ٱلْإِنسَـٰنُ
l-insānu
মানুষ
▶
كَفُورًا
kafūran
বড়ই অকৃতজ্ঞ
আয়াত 68 - সূরা الإسراء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَأَمِنتُمْ أَن يَخْسِفَ بِكُمْ جَانِبَ ٱلْبَرِّ أَوْ يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًۭا ثُمَّ لَا تَجِدُوا۟ لَكُمْ وَكِيلًا
তোমরা কি এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত রয়েছ যে, তিনি তোমাদেরকে স্থলভাগে কোথাও ভূগর্ভস্থ করবেন না। অথবা তোমাদের উপর প্রস্তর বর্ষণকারী ঘুর্ণিঝড় প্রেরণ করবেন না, তখন তোমরা নিজেদের জন্যে কোন কর্মবিধায়ক পাবে না।
▶
أَفَأَمِنتُمْ
afa-amintum
কি তবে নিশ্চিত আছো তোমরা
▶
أَن
an
যে (না)
▶
يَخْسِفَ
yakhsifa
ধ্বসিয়ে দিবেন
▶
بِكُمْ
bikum
সহ তোমাদেরকে
▶
جَانِبَ
jāniba
পাশে
▶
ٱلْبَرِّ
l-bari
স্থলভাগের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
يُرْسِلَ
yur'sila
পাঠাবেন (না)
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
বিরুদ্ধে তোমাদের
▶
حَاصِبًۭا
ḥāṣiban
কংকর বর্ষণকারী ঝড়ো হাওয়া
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَا
lā
না
▶
تَجِدُوا۟
tajidū
তোমরা পাবে
▶
لَكُمْ
lakum
জন্যে তোমাদের
▶
وَكِيلًا
wakīlan
কোনো কর্মবিধায়ক
আয়াত 69 - সূরা الإسراء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ أَمِنتُمْ أَن يُعِيدَكُمْ فِيهِ تَارَةً أُخْرَىٰ فَيُرْسِلَ عَلَيْكُمْ قَاصِفًۭا مِّنَ ٱلرِّيحِ فَيُغْرِقَكُم بِمَا كَفَرْتُمْ ۙ ثُمَّ لَا تَجِدُوا۟ لَكُمْ عَلَيْنَا بِهِۦ تَبِيعًۭا
অথবা তোমরা কি এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত যে, তিনি তোমাদেরকে আরেকবার সমুদ্রে নিয়ে যাবেন না, অতঃপর তোমাদের জন্যে মহা ঝটিকা প্রেরণ করবেন না, অতঃপর অকৃতজ্ঞতার শাস্তিস্বরূপ তোমাদেরকে নিমজ্জত করবেন না, তখন তোমরা আমার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে সাহায্যকারী কাউকে পাবে না।
▶
أَمْ
am
অথবা (কি)
▶
أَمِنتُمْ
amintum
নিশ্চিত হয়েছো তোমরা
▶
أَن
an
যে (না)
▶
يُعِيدَكُمْ
yuʿīdakum
ফিরিয়ে নিবেন তোমাদেরকে
▶
فِيهِ
fīhi
মধ্যে তার
▶
تَارَةً
tāratan
একবার
▶
أُخْرَىٰ
ukh'rā
অন্য
▶
فَيُرْسِلَ
fayur'sila
অতঃপর পাঠাবেন
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
বিরুদ্ধে তোমাদের
▶
قَاصِفًۭا
qāṣifan
প্রচন্ড ঝড়
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلرِّيحِ
l-rīḥi
বাতাস
▶
فَيُغْرِقَكُم
fayugh'riqakum
অতঃপর ডুবাবেন তোমাদের
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যা
▶
كَفَرْتُمْ ۙ
kafartum
অকৃতজ্ঞতা করেছো তোমরা
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَا
lā
না
▶
تَجِدُوا۟
tajidū
তোমরা পাবে
▶
لَكُمْ
lakum
জন্যে তোমাদের
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
বিরুদ্ধে আমাদের
▶
بِهِۦ
bihi
উপর এর
▶
تَبِيعًۭا
tabīʿan
কোনো সাহায্যকারী
আয়াত 70 - সূরা الإسراء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِىٓ ءَادَمَ وَحَمَلْنَـٰهُمْ فِى ٱلْبَرِّ وَٱلْبَحْرِ وَرَزَقْنَـٰهُم مِّنَ ٱلطَّيِّبَـٰتِ وَفَضَّلْنَـٰهُمْ عَلَىٰ كَثِيرٍۢ مِّمَّنْ خَلَقْنَا تَفْضِيلًۭا
নিশ্চয় আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি, আমি তাদেরকে স্থলে ও জলে চলাচলের বাহন দান করেছি; তাদেরকে উত্তম জীবনোপকরণ প্রদান করেছি এবং তাদেরকে অনেক সৃষ্ট বস্তুর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।
▶
۞ وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
كَرَّمْنَا
karramnā
আমরা মর্যাদা দিয়েছি
▶
بَنِىٓ
banī
সন্তানকে
▶
ءَادَمَ
ādama
আদমের
▶
وَحَمَلْنَـٰهُمْ
waḥamalnāhum
ও আমরা বাহন দিয়েছি তাদেরকে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبَرِّ
l-bari
স্থলের
▶
وَٱلْبَحْرِ
wal-baḥri
ও সমুদ্রের
▶
وَرَزَقْنَـٰهُم
warazaqnāhum
এবং আমরা জীবিকা দিয়েছি তাদেরকে
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلطَّيِّبَـٰتِ
l-ṭayibāti
পাক জিনিসসমূহ
▶
وَفَضَّلْنَـٰهُمْ
wafaḍḍalnāhum
ও আমরা শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি তাদেরকে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كَثِيرٍۢ
kathīrin
অনেকের
▶
مِّمَّنْ
mimman
তা হ'তে যা
▶
خَلَقْنَا
khalaqnā
সৃষ্টি করেছি আমরা
▶
تَفْضِيلًۭا
tafḍīlan
যথার্থ মর্যাদা
আয়াত 71 - সূরা الإسراء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ نَدْعُوا۟ كُلَّ أُنَاسٍۭ بِإِمَـٰمِهِمْ ۖ فَمَنْ أُوتِىَ كِتَـٰبَهُۥ بِيَمِينِهِۦ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ يَقْرَءُونَ كِتَـٰبَهُمْ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلًۭا
স্মরণ কর, যেদিন আমি প্রত্যেক দলকে তাদের নেতাসহ আহবান করব, অতঃপর যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি সামান্য পরিমাণও জুলুম হবে না।
▶
يَوْمَ
yawma
যেদিন
▶
نَدْعُوا۟
nadʿū
আমরা ডাকবো
▶
كُلَّ
kulla
প্রত্যেক
▶
أُنَاسٍۭ
unāsin
মানবদলকে
▶
بِإِمَـٰمِهِمْ ۖ
bi-imāmihim
সহ তাদের নেতা
▶
فَمَنْ
faman
অতঃপর যাকে
▶
أُوتِىَ
ūtiya
দেয়া হবে
▶
كِتَـٰبَهُۥ
kitābahu
কর্মফল তার
▶
بِيَمِينِهِۦ
biyamīnihi
মধ্যে তার ডানহাতের
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ঐসব লোক
▶
يَقْرَءُونَ
yaqraūna
তারা পড়বে
▶
كِتَـٰبَهُمْ
kitābahum
কর্মফল তাদের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُظْلَمُونَ
yuẓ'lamūna
তাদের অন্যায় করা হবে
▶
فَتِيلًۭا
fatīlan
সামান্যতমও
আয়াত 72 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن كَانَ فِى هَـٰذِهِۦٓ أَعْمَىٰ فَهُوَ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ أَعْمَىٰ وَأَضَلُّ سَبِيلًۭا
যে ব্যক্তি ইহকালে অন্ধ ছিল সে পরকালেও অন্ধ এবং অধিকতর পথভ্রান্ত।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
هَـٰذِهِۦٓ
hādhihi
(এই) দুনিয়ার
▶
أَعْمَىٰ
aʿmā
অন্ধ
▶
فَهُوَ
fahuwa
তখন সে (হবে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
أَعْمَىٰ
aʿmā
অন্ধ
▶
وَأَضَلُّ
wa-aḍallu
বরং অধিকতর ভ্রষ্ট
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
পথ হ'তে
আয়াত 73 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن كَادُوا۟ لَيَفْتِنُونَكَ عَنِ ٱلَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ لِتَفْتَرِىَ عَلَيْنَا غَيْرَهُۥ ۖ وَإِذًۭا لَّٱتَّخَذُوكَ خَلِيلًۭا
তারা তো আপনাকে হটিয়ে দিতে চাচ্ছিল যে বিষয় আমি আপনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে যা প্রেরণ করেছি তা থেকে আপনার পদঙ্খলন ঘটানোর জন্যে তারা চুড়ান্ত চেষ্টা করেছে, যাতে আপনি আমার প্রতি কিছু মিথ্যা সম্বন্ধযুক্ত করেন। এতে সফল হলে তারা আপনাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে নিত।
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদিও
▶
كَادُوا۟
kādū
তারা প্রচেষ্টায় ক্রুটি রাখেনি
▶
لَيَفْتِنُونَكَ
layaftinūnaka
অবশ্যই তোমার বিচ্যুতি ঘটাতে
▶
عَنِ
ʿani
থেকে
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
যা
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
ওহী করেছি আমরা
▶
إِلَيْكَ
ilayka
প্রতি তোমার
▶
لِتَفْتَرِىَ
litaftariya
যেন তুমি রচনা করো
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
উপর আমাদের
▶
غَيْرَهُۥ ۖ
ghayrahu
তাছাড়া (অন্য কিছু)
▶
وَإِذًۭا
wa-idhan
এবং তাহ'লে
▶
لَّٱتَّخَذُوكَ
la-ittakhadhūka
তোমাকে অবশ্যই তারা গ্রহন করতো
▶
خَلِيلًۭا
khalīlan
বন্ধুরূপে
আয়াত 74 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْلَآ أَن ثَبَّتْنَـٰكَ لَقَدْ كِدتَّ تَرْكَنُ إِلَيْهِمْ شَيْـًۭٔا قَلِيلًا
আমি আপনাকে দৃঢ়পদ না রাখলে আপনি তাদের প্রতি কিছুটা ঝুঁকেই পড়তেন।
▶
وَلَوْلَآ
walawlā
এবং যদি না (হতো এমন)
▶
أَن
an
যে
▶
ثَبَّتْنَـٰكَ
thabbatnāka
তোমাকে আমরা অবিচল রাখতাম
▶
لَقَدْ
laqad
নিশ্চিতই
▶
كِدتَّ
kidtta
তুমি প্রায়
▶
تَرْكَنُ
tarkanu
তুমি ঝুঁকে পড়তে
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
দিকে তাদের
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কিছুটা
▶
قَلِيلًا
qalīlan
সামান্য (হলেও)
আয়াত 75 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذًۭا لَّأَذَقْنَـٰكَ ضِعْفَ ٱلْحَيَوٰةِ وَضِعْفَ ٱلْمَمَاتِ ثُمَّ لَا تَجِدُ لَكَ عَلَيْنَا نَصِيرًۭا
তখন আমি অবশ্যই আপনাকে ইহজীবনে ও পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তির আস্বাদন করাতাম। এ সময় আপনি আমার মোকাবিলায় কোন সাহায্যকারী পেতেন না।
▶
إِذًۭا
idhan
তাহ'লে
▶
لَّأَذَقْنَـٰكَ
la-adhaqnāka
তোমাকে আমরা অবশ্যই স্বাদ গ্রহণ করাতাম
▶
ضِعْفَ
ḍiʿ'fa
দ্বিগুণ
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
(এই) জীবনে
▶
وَضِعْفَ
waḍiʿ'fa
ও দ্বিগুণ
▶
ٱلْمَمَاتِ
l-mamāti
মৃত্যুতে (পরকালে)
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَا
lā
না
▶
تَجِدُ
tajidu
তুমি পেতে
▶
لَكَ
laka
জন্যে তোমার
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
বিরুদ্ধে আমাদের
▶
نَصِيرًۭا
naṣīran
কোনো সাহায্যকারী
আয়াত 76 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن كَادُوا۟ لَيَسْتَفِزُّونَكَ مِنَ ٱلْأَرْضِ لِيُخْرِجُوكَ مِنْهَا ۖ وَإِذًۭا لَّا يَلْبَثُونَ خِلَـٰفَكَ إِلَّا قَلِيلًۭا
তারা তো আপনাকে এ ভুখন্ড থেকে উৎখাত করে দিতে চুড়ান্ত চেষ্টা করেছিল যাতে আপনাকে এখান থেকে বহিস্কার করে দেয়া যায়। তখন তারাও আপনার পর সেখানে অল্প কালই মাত্র টিকে থাকত।
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদিও
▶
كَادُوا۟
kādū
তারা প্রচেষ্টায় ক্রুটি রাখেনি
▶
لَيَسْتَفِزُّونَكَ
layastafizzūnaka
অবশ্যই তোমাকে উচ্ছেদ করবে
▶
مِنَ
mina
হ'তে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
এ দেশ
▶
لِيُخْرِجُوكَ
liyukh'rijūka
জন্যে তোমাকে বের করার
▶
مِنْهَا ۖ
min'hā
থেকে তা
▶
وَإِذًۭا
wa-idhan
কিন্তু তাহ'লে
▶
لَّا
lā
না
▶
يَلْبَثُونَ
yalbathūna
তারা টিকতো
▶
خِلَـٰفَكَ
khilāfaka
তোমার পরে
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
স্বল্পকাল
আয়াত 77 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
سُنَّةَ مَن قَدْ أَرْسَلْنَا قَبْلَكَ مِن رُّسُلِنَا ۖ وَلَا تَجِدُ لِسُنَّتِنَا تَحْوِيلًا
আপনার পূর্বে আমি যত রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আপনি আমার নিয়মের কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।
▶
سُنَّةَ
sunnata
স্হায়ী নীতি
▶
مَن
man
(তাদের ক্ষেত্রে) যাদের
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা পাঠিয়েছি
▶
قَبْلَكَ
qablaka
তোমার পূর্বে
▶
مِن
min
মধ্য থেকে
▶
رُّسُلِنَا ۖ
rusulinā
আমাদের রাসূলদের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَجِدُ
tajidu
তুমি পাবে
▶
لِسُنَّتِنَا
lisunnatinā
আমাদের বেলায় নীতির
▶
تَحْوِيلًا
taḥwīlan
কোনো পরিবর্তন
আয়াত 78 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ لِدُلُوكِ ٱلشَّمْسِ إِلَىٰ غَسَقِ ٱلَّيْلِ وَقُرْءَانَ ٱلْفَجْرِ ۖ إِنَّ قُرْءَانَ ٱلْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًۭا
সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।
▶
أَقِمِ
aqimi
প্রতিষ্ঠা করো
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সালাত
▶
لِدُلُوكِ
lidulūki
থেকে ঢলে পড়ার সময়
▶
ٱلشَّمْسِ
l-shamsi
সূর্য
▶
إِلَىٰ
ilā
পর্যন্ত
▶
غَسَقِ
ghasaqi
ঘন অন্ধকার
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
وَقُرْءَانَ
waqur'āna
এবং (সালাত) কুরআন পাঠ
▶
ٱلْفَجْرِ ۖ
l-fajri
ফজরের
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
قُرْءَانَ
qur'āna
(সালাত) কুরআন পাঠ
▶
ٱلْفَجْرِ
l-fajri
ফজরের
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
مَشْهُودًۭا
mashhūdan
(এমন যাতে) উপস্হিতির সময়
আয়াত 79 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنَ ٱلَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِۦ نَافِلَةًۭ لَّكَ عَسَىٰٓ أَن يَبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًۭا مَّحْمُودًۭا
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন।
▶
وَمِنَ
wamina
এবং কিছু অংশে
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
فَتَهَجَّدْ
fatahajjad
অতঃপর তাহাজ্জুদ পড়
▶
بِهِۦ
bihi
সহ তা
▶
نَافِلَةًۭ
nāfilatan
(নফল) অতিরিক্ত
▶
لَّكَ
laka
তোমার জন্যে
▶
عَسَىٰٓ
ʿasā
আশা করা যায়
▶
أَن
an
যে
▶
يَبْعَثَكَ
yabʿathaka
তোমাকে পৌঁছাবেন
▶
رَبُّكَ
rabbuka
রব তোমার
▶
مَقَامًۭا
maqāman
স্থানে
▶
مَّحْمُودًۭا
maḥmūdan
প্রশংসিত
আয়াত 80 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقُل رَّبِّ أَدْخِلْنِى مُدْخَلَ صِدْقٍۢ وَأَخْرِجْنِى مُخْرَجَ صِدْقٍۢ وَٱجْعَل لِّى مِن لَّدُنكَ سُلْطَـٰنًۭا نَّصِيرًۭا
বলুনঃ হে পালনকর্তা! আমাকে দাখিল করুন সত্যরূপে এবং আমাকে বের করুন সত্যরূপে এবং দান করুন আমাকে নিজের কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় সাহায্য।
▶
وَقُل
waqul
এবং বলো
▶
رَّبِّ
rabbi
"হে আমার রব
▶
أَدْخِلْنِى
adkhil'nī
আমাকে প্রবেশ করাও
▶
مُدْخَلَ
mud'khala
প্রবেশ করা
▶
صِدْقٍۢ
ṣid'qin
সত্যের
▶
وَأَخْرِجْنِى
wa-akhrij'nī
এবং আমাকে বের করো
▶
مُخْرَجَ
mukh'raja
বের করা
▶
صِدْقٍۢ
ṣid'qin
সত্যের
▶
وَٱجْعَل
wa-ij'ʿal
এবং বানাও
▶
لِّى
lī
আমার জন্যে
▶
مِن
min
থেকে
▶
لَّدُنكَ
ladunka
তোমার নিকট
▶
سُلْطَـٰنًۭا
sul'ṭānan
কোনো শক্তিকে
▶
نَّصِيرًۭا
naṣīran
বড় সাহায্যকারী"
আয়াত 81 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقُلْ جَآءَ ٱلْحَقُّ وَزَهَقَ ٱلْبَـٰطِلُ ۚ إِنَّ ٱلْبَـٰطِلَ كَانَ زَهُوقًۭا
বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।
▶
وَقُلْ
waqul
এবং বলো
▶
جَآءَ
jāa
"এসেছে
▶
ٱلْحَقُّ
l-ḥaqu
সত্য
▶
وَزَهَقَ
wazahaqa
এবং বিলুপ্ত হয়েছে
▶
ٱلْبَـٰطِلُ ۚ
l-bāṭilu
মিথ্যা
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْبَـٰطِلَ
l-bāṭila
মিথ্যা
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
زَهُوقًۭا
zahūqan
বিলুপ্ত হওয়ার"
আয়াত 82 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَنُنَزِّلُ مِنَ ٱلْقُرْءَانِ مَا هُوَ شِفَآءٌۭ وَرَحْمَةٌۭ لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ وَلَا يَزِيدُ ٱلظَّـٰلِمِينَ إِلَّا خَسَارًۭا
আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।
▶
وَنُنَزِّلُ
wanunazzilu
এবং আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
مِنَ
mina
মধ্যে
▶
ٱلْقُرْءَانِ
l-qur'āni
কুরআনের
▶
مَا
mā
যা (এমন যে)
▶
هُوَ
huwa
তা
▶
شِفَآءٌۭ
shifāon
আরোগ্য
▶
وَرَحْمَةٌۭ
waraḥmatun
ও অনুগ্রহ
▶
لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ
lil'mu'minīna
জন্যে মু'মিনদের
▶
وَلَا
walā
কিন্তু না
▶
يَزِيدُ
yazīdu
বৃদ্ধি করে
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
خَسَارًۭا
khasāran
ক্ষতি
আয়াত 83 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَآ أَنْعَمْنَا عَلَى ٱلْإِنسَـٰنِ أَعْرَضَ وَنَـَٔا بِجَانِبِهِۦ ۖ وَإِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ كَانَ يَـُٔوسًۭا
আমি মানুষকে নেয়ামত দান করলে সে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং অহংকারে দুরে সরে যায়; যখন তাকে কোন অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে একেবারে হতাশ হয়ে পড়ে।
▶
وَإِذَآ
wa-idhā
এবং যখন
▶
أَنْعَمْنَا
anʿamnā
আমরা অনুগ্রহ করি
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْإِنسَـٰنِ
l-insāni
মানুষের
▶
أَعْرَضَ
aʿraḍa
সে মুখ ফিরায়
▶
وَنَـَٔا
wanaā
এবং দূরে সরে
▶
بِجَانِبِهِۦ ۖ
bijānibihi
(অহংকার করে) সহ তার পার্শ্ব
▶
وَإِذَا
wa-idhā
আর যখন
▶
مَسَّهُ
massahu
তাকে স্পর্শ করে
▶
ٱلشَّرُّ
l-sharu
অনিষ্ট
▶
كَانَ
kāna
সে হয়
▶
يَـُٔوسًۭا
yaūsan
হতাশ
আয়াত 84 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ كُلٌّۭ يَعْمَلُ عَلَىٰ شَاكِلَتِهِۦ فَرَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَنْ هُوَ أَهْدَىٰ سَبِيلًۭا
বলুনঃ প্রত্যেকেই নিজ রীতি অনুযায়ী কাজ করে। অতঃপর আপনার পালনকর্তা বিশেষ রূপে জানেন, কে সর্বাপেক্ষা নির্ভূল পথে আছে।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
كُلٌّۭ
kullun
"প্রত্যেকে
▶
يَعْمَلُ
yaʿmalu
কাজ করে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
شَاكِلَتِهِۦ
shākilatihi
তার স্বভাব অনুযায়ী
▶
فَرَبُّكُمْ
farabbukum
অতঃপর তোমাদের রবই
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِمَنْ
biman
সম্পর্কে তার (যে)
▶
هُوَ
huwa
সে
▶
أَهْدَىٰ
ahdā
অধিক পরিচালিত
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
(সঠিক) পথে"
আয়াত 85 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلرُّوحِ ۖ قُلِ ٱلرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّى وَمَآ أُوتِيتُم مِّنَ ٱلْعِلْمِ إِلَّا قَلِيلًۭا
তারা আপনাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দিনঃ রূহ আমার পালনকর্তার আদেশ ঘটিত। এ বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে।
▶
وَيَسْـَٔلُونَكَ
wayasalūnaka
এবং তোমাকে তারা প্রশ্ন করে
▶
عَنِ
ʿani
সম্পর্কে
▶
ٱلرُّوحِ ۖ
l-rūḥi
রুহ
▶
قُلِ
quli
বলো
▶
ٱلرُّوحُ
l-rūḥu
"রুহ (আসে)
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
أَمْرِ
amri
নির্দেশ
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রবের
▶
وَمَآ
wamā
এবং না
▶
أُوتِيتُم
ūtītum
তোমাদের দেয়া হয়েছে
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْعِلْمِ
l-ʿil'mi
জ্ঞান
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
সামান্য"
আয়াত 86 - সূরা الإسراء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَئِن شِئْنَا لَنَذْهَبَنَّ بِٱلَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ ثُمَّ لَا تَجِدُ لَكَ بِهِۦ عَلَيْنَا وَكِيلًا
আমি ইচ্ছা করলে আপনার কাছে ওহীর মাধমে যা প্রেরণ করেছি তা অবশ্যই প্রত্যাহার করতে পারতাম। অতঃপর আপনি নিজের জন্যে তা আনয়নের ব্যাপারে আমার মোকাবিলায় কোন দায়িত্ব বহনকারী পাবেন না।
▶
وَلَئِن
wala-in
এবং অবশ্যই যদি
▶
شِئْنَا
shi'nā
আমরা চাইতাম
▶
لَنَذْهَبَنَّ
lanadhhabanna
অবশ্যই আমরা যেতাম
▶
بِٱلَّذِىٓ
bi-alladhī
নিয়ে ঐ জিনিস যা
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
আমরা ওহী করেছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَا
lā
না
▶
تَجِدُ
tajidu
পেতে
▶
لَكَ
laka
তোমার জন্যে
▶
بِهِۦ
bihi
তা সম্পর্কে
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
বিরুদ্ধে আমাদের
▶
وَكِيلًا
wakīlan
কোনো কর্মবিধায়ক
আয়াত 87 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَّا رَحْمَةًۭ مِّن رَّبِّكَ ۚ إِنَّ فَضْلَهُۥ كَانَ عَلَيْكَ كَبِيرًۭا
এ প্রত্যাহার না করা আপনার পালনকর্তার মেহেরবানী। নিশ্চয় আপনার প্রতি তাঁর করুণা বিরাট।
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
رَحْمَةًۭ
raḥmatan
(তা না করা) অনুগ্রহ
▶
مِّن
min
থেকে
▶
رَّبِّكَ ۚ
rabbika
তোমার রব
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فَضْلَهُۥ
faḍlahu
তাঁর অনুগ্রহ
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
كَبِيرًۭا
kabīran
বিরাট
আয়াত 88 - সূরা الإسراء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُل لَّئِنِ ٱجْتَمَعَتِ ٱلْإِنسُ وَٱلْجِنُّ عَلَىٰٓ أَن يَأْتُوا۟ بِمِثْلِ هَـٰذَا ٱلْقُرْءَانِ لَا يَأْتُونَ بِمِثْلِهِۦ وَلَوْ كَانَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍۢ ظَهِيرًۭا
বলুনঃ যদি মানব ও জ্বিন এই কোরআনের অনুরূপ রচনা করে আনয়নের জন্যে জড়ো হয়, এবং তারা পরস্পরের সাহায্যকারী হয়; তবুও তারা কখনও এর অনুরূপ রচনা করে আনতে পারবে না।
▶
قُل
qul
বলো
▶
لَّئِنِ
la-ini
"অবশ্যই যদি
▶
ٱجْتَمَعَتِ
ij'tamaʿati
একত্র হয়
▶
ٱلْإِنسُ
l-insu
মানুষ
▶
وَٱلْجِنُّ
wal-jinu
ও জিন
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
(এর) উপর
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْتُوا۟
yatū
তারা আসবে
▶
بِمِثْلِ
bimith'li
নিয়ে অনুরূপ
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই
▶
ٱلْقُرْءَانِ
l-qur'āni
কুরআনের
▶
لَا
lā
না
▶
يَأْتُونَ
yatūna
তারা আসতে পারবে
▶
بِمِثْلِهِۦ
bimith'lihi
নিয়ে তার অনুরূপ
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদিও
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
بَعْضُهُمْ
baʿḍuhum
কেউ তাদের
▶
لِبَعْضٍۢ
libaʿḍin
কারো জন্যে
▶
ظَهِيرًۭا
ẓahīran
সাহায্যকারী"
আয়াত 89 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا لِلنَّاسِ فِى هَـٰذَا ٱلْقُرْءَانِ مِن كُلِّ مَثَلٍۢ فَأَبَىٰٓ أَكْثَرُ ٱلنَّاسِ إِلَّا كُفُورًۭا
আমি এই কোরআনে মানুষকে বিভিন্ন উপকার দ্বারা সব রকম বিষয়বস্তু বুঝিয়েছি। কিন্তু অধিকাংশ লোক অস্বীকার না করে থাকেনি।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
صَرَّفْنَا
ṣarrafnā
আমরা বিশদ বর্ণনা করেছি
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্যে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই
▶
ٱلْقُرْءَانِ
l-qur'āni
কুরআনের
▶
مِن
min
থেকে
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক
▶
مَثَلٍۢ
mathalin
উপমা
▶
فَأَبَىٰٓ
fa-abā
তবুও অস্বীকার করলো
▶
أَكْثَرُ
aktharu
অধিকাংশ
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষ
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
كُفُورًۭا
kufūran
অস্বীকৃতি
আয়াত 90 - সূরা الإسراء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوا۟ لَن نُّؤْمِنَ لَكَ حَتَّىٰ تَفْجُرَ لَنَا مِنَ ٱلْأَرْضِ يَنۢبُوعًا
এবং তারা বলেঃ আমরা কখনও আপনাকে বিশ্বাস করব না, যে পর্যন্ত না আপনি ভূপৃষ্ঠ থেকে আমাদের জন্যে একটি ঝরণা প্রবাহিত করে দিন।
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বললো
▶
لَن
lan
"কখনও না
▶
نُّؤْمِنَ
nu'mina
ঈমান আনবো আমরা
▶
لَكَ
laka
তোমার উপর
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
تَفْجُرَ
tafjura
প্রবাহিত করবে তুমি
▶
لَنَا
lanā
জন্যে আমাদের
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
মাটি
▶
يَنۢبُوعًا
yanbūʿan
একটি ঝর্না
আয়াত 91 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ تَكُونَ لَكَ جَنَّةٌۭ مِّن نَّخِيلٍۢ وَعِنَبٍۢ فَتُفَجِّرَ ٱلْأَنْهَـٰرَ خِلَـٰلَهَا تَفْجِيرًا
অথবা আপনার জন্যে খেজুরের ও আঙ্গুরের একটি বাগান হবে, অতঃপর আপনি তার মধ্যে নির্ঝরিনীসমূহ প্রবাহিত করে দেবেন।
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تَكُونَ
takūna
হবে
▶
لَكَ
laka
তোমার জন্যে
▶
جَنَّةٌۭ
jannatun
একটি বাগান
▶
مِّن
min
তৈরি
▶
نَّخِيلٍۢ
nakhīlin
খেজুরের (গাছের)
▶
وَعِنَبٍۢ
waʿinabin
ও আঙ্গুরের
▶
فَتُفَجِّرَ
fatufajjira
অতঃপর প্রবাহিত করবে
▶
ٱلْأَنْهَـٰرَ
l-anhāra
ঝর্নাসমূহ
▶
خِلَـٰلَهَا
khilālahā
তার ভিতর দিয়ে
▶
تَفْجِيرًا
tafjīran
খুব প্রবাহিত করা
আয়াত 92 - সূরা الإسراء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ تُسْقِطَ ٱلسَّمَآءَ كَمَا زَعَمْتَ عَلَيْنَا كِسَفًا أَوْ تَأْتِىَ بِٱللَّهِ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ قَبِيلًا
অথবা আপনি যেমন বলে থাকেন, তেমনিভাবে আমাদের উপর আসমানকে খন্ড-বিখন্ড করে ফেলে দেবেন অথবা আল্লাহ ও ফেরেশতাদেরকে আমাদের সামনে নিয়ে আসবেন।
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تُسْقِطَ
tus'qiṭa
তুমি ফেলে দিবে
▶
ٱلسَّمَآءَ
l-samāa
আকাশ
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
زَعَمْتَ
zaʿamta
তুমি দাবি করেছো
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
উপর আমাদের
▶
كِسَفًا
kisafan
টুকরো টুকরো করে
▶
أَوْ
aw
বা
▶
تَأْتِىَ
tatiya
আসবে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
নিয়ে আল্লাহকে
▶
وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ
wal-malāikati
ও ফেরেশতাদেরকে
▶
قَبِيلًا
qabīlan
সামনাসামনি
আয়াত 93 - সূরা الإسراء: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ يَكُونَ لَكَ بَيْتٌۭ مِّن زُخْرُفٍ أَوْ تَرْقَىٰ فِى ٱلسَّمَآءِ وَلَن نُّؤْمِنَ لِرُقِيِّكَ حَتَّىٰ تُنَزِّلَ عَلَيْنَا كِتَـٰبًۭا نَّقْرَؤُهُۥ ۗ قُلْ سُبْحَانَ رَبِّى هَلْ كُنتُ إِلَّا بَشَرًۭا رَّسُولًۭا
অথবা আপনার কোন সোনার তৈরী গৃহ হবে অথবা আপনি আকাশে আরোহণ করবেন এবং আমরা আপনার আকাশে আরোহণকে কখনও বিশ্বাস করবনা, যে পর্যন্ত না আপনি অবতীর্ণ করেন আমাদের প্রতি এক গ্রন্থ, যা আমরা পাঠ করব। বলুনঃ পবিত্র মহান আমার পালনকর্তা, একজন মানব, একজন রসূল বৈ আমি কে?
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يَكُونَ
yakūna
হবে
▶
لَكَ
laka
জন্যে তোমার
▶
بَيْتٌۭ
baytun
ঘর
▶
مِّن
min
তৈরি
▶
زُخْرُفٍ
zukh'rufin
সোনার
▶
أَوْ
aw
বা
▶
تَرْقَىٰ
tarqā
আরোহণ করবে তুমি
▶
فِى
fī
মধ্য
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশের
▶
وَلَن
walan
এবং কখনও না
▶
نُّؤْمِنَ
nu'mina
আমরা বিশ্বাস করবো
▶
لِرُقِيِّكَ
liruqiyyika
তোমার আরোহণকে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
تُنَزِّلَ
tunazzila
অবতীর্ণ করবে তুমি
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
উপর আমাদের
▶
كِتَـٰبًۭا
kitāban
একটি কিতাব
▶
نَّقْرَؤُهُۥ ۗ
naqra-uhu
তা আমরা পাঠ করবো"
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
سُبْحَانَ
sub'ḥāna
"পবিত্র মহান
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রব
▶
هَلْ
hal
"কি (নই)
▶
كُنتُ
kuntu
আমি হলাম (আর কিছু)
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
بَشَرًۭا
basharan
মানুষ
▶
رَّسُولًۭا
rasūlan
বার্তা-বাহক"
আয়াত 94 - সূরা الإسراء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا مَنَعَ ٱلنَّاسَ أَن يُؤْمِنُوٓا۟ إِذْ جَآءَهُمُ ٱلْهُدَىٰٓ إِلَّآ أَن قَالُوٓا۟ أَبَعَثَ ٱللَّهُ بَشَرًۭا رَّسُولًۭا
আল্লাহ কি মানুষকে পয়গম্বর করে পাঠিয়েছেন? তাদের এই উক্তিই মানুষকে ঈমান আনয়ন থেকে বিরত রাখে, যখন তাদের নিকট আসে হেদায়েত।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
مَنَعَ
manaʿa
বিরত রেখেছে
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষদেরকে
▶
أَن
an
যে
▶
يُؤْمِنُوٓا۟
yu'minū
তারা ঈমান আনবে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
جَآءَهُمُ
jāahumu
তাদের কাছে এসেছে
▶
ٱلْهُدَىٰٓ
l-hudā
পথ নির্দেশ
▶
إِلَّآ
illā
এ ছাড়া
▶
أَن
an
যে
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলেছিলো
▶
أَبَعَثَ
abaʿatha
"কি পাঠিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
"আল্লাহ্
▶
بَشَرًۭا
basharan
কোনো মানুষকে
▶
رَّسُولًۭا
rasūlan
রাসূল হিসেবে"
আয়াত 95 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُل لَّوْ كَانَ فِى ٱلْأَرْضِ مَلَـٰٓئِكَةٌۭ يَمْشُونَ مُطْمَئِنِّينَ لَنَزَّلْنَا عَلَيْهِم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ مَلَكًۭا رَّسُولًۭا
বলুনঃ যদি পৃথিবীতে ফেরেশতারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করত, তবে আমি আকাশ থেকে কোন ফেরেশতাকেই তাদের নিকট পয়গাম্বর করে প্রেরণ করতাম।
▶
قُل
qul
বলো
▶
لَّوْ
law
"যদি (এমন)
▶
كَانَ
kāna
হতো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
مَلَـٰٓئِكَةٌۭ
malāikatun
ফেরেশতারা
▶
يَمْشُونَ
yamshūna
চলাফেরা করতো
▶
مُطْمَئِنِّينَ
muṭ'ma-innīna
নিশ্চিন্তে
▶
لَنَزَّلْنَا
lanazzalnā
অবশ্যই আমরা অবতীর্ণ নাযিল করতাম
▶
عَلَيْهِم
ʿalayhim
উপর তাদের
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
مَلَكًۭا
malakan
ফেরেশতা
▶
رَّسُولًۭا
rasūlan
রাসূল হিসেবে"
আয়াত 96 - সূরা الإسراء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ كَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًۢا بَيْنِى وَبَيْنَكُمْ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ بِعِبَادِهِۦ خَبِيرًۢا بَصِيرًۭا
বলুনঃ আমার ও তোমাদের মধ্যে সত্য প্রতিষ্ঠাকারী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি তো স্বীয় বান্দাদের বিষয়ে খবর রাখেন ও দেখেন।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
كَفَىٰ
kafā
"যথেষ্ঠ
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
شَهِيدًۢا
shahīdan
সাক্ষী হিসেবে
▶
بَيْنِى
baynī
আমার মাঝে
▶
وَبَيْنَكُمْ ۚ
wabaynakum
ও তোমাদের মাঝে
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِعِبَادِهِۦ
biʿibādihi
সম্পর্কে তাঁর দাসদের
▶
خَبِيرًۢا
khabīran
খুব অবহিত
▶
بَصِيرًۭا
baṣīran
সর্বদ্রষ্টা"
আয়াত 97 - সূরা الإسراء: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَهْدِ ٱللَّهُ فَهُوَ ٱلْمُهْتَدِ ۖ وَمَن يُضْلِلْ فَلَن تَجِدَ لَهُمْ أَوْلِيَآءَ مِن دُونِهِۦ ۖ وَنَحْشُرُهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ عُمْيًۭا وَبُكْمًۭا وَصُمًّۭا ۖ مَّأْوَىٰهُمْ جَهَنَّمُ ۖ كُلَّمَا خَبَتْ زِدْنَـٰهُمْ سَعِيرًۭا
আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, সেই তো সঠিক পথ প্রাপ্ত এবং যাকে পথ ভ্রষ্ট করেন, তাদের জন্যে আপনি আল্লাহ ছাড়া কোন সাহায্যকারী পাবেন না। আমি কেয়ামতের দিন তাদের সমবেত করব তাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায়, অন্ধ অবস্থায়, মুক অবস্থায় এবং বধির অবস্থায়। তাদের আবাসস্থল জাহান্নাম। যখনই নির্বাপিত হওয়ার উপক্রম হবে আমি তখন তাদের জন্যে অগ্নি আরও বৃদ্ধি করে দিব।
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يَهْدِ
yahdi
পথ দেখান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَهُوَ
fahuwa
অতঃপর সেই
▶
ٱلْمُهْتَدِ ۖ
l-muh'tadi
সঠিক পথপ্রাপ্ত
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يُضْلِلْ
yuḍ'lil
তিনি পথভ্রষ্ট করেন
▶
فَلَن
falan
অতঃপর কখনও না
▶
تَجِدَ
tajida
তুমি পাবে
▶
لَهُمْ
lahum
জন্যে তাদের
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
অভিভাবকসমূহ
▶
مِن
min
ছাড়া
▶
دُونِهِۦ ۖ
dūnihi
তাঁকে
▶
وَنَحْشُرُهُمْ
wanaḥshuruhum
এবং আমরা সমবেত করবো তাদেরকে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
وُجُوهِهِمْ
wujūhihim
মুখগুলোর তাদের
▶
عُمْيًۭا
ʿum'yan
অন্ধ অবস্থায়
▶
وَبُكْمًۭا
wabuk'man
ও বোবা অবস্থায়
▶
وَصُمًّۭا ۖ
waṣumman
ও বধির অবস্হায়
▶
مَّأْوَىٰهُمْ
mawāhum
আবাসস্থল তাদের
▶
جَهَنَّمُ ۖ
jahannamu
জাহান্নাম
▶
كُلَّمَا
kullamā
যখনই
▶
خَبَتْ
khabat
তেজ কমে আসবে
▶
زِدْنَـٰهُمْ
zid'nāhum
আমরা বাড়িয়ে দিবো তাদের
▶
سَعِيرًۭا
saʿīran
আগুন
আয়াত 98 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ جَزَآؤُهُم بِأَنَّهُمْ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا وَقَالُوٓا۟ أَءِذَا كُنَّا عِظَـٰمًۭا وَرُفَـٰتًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ خَلْقًۭا جَدِيدًا
এটাই তাদের শাস্তি। কারণ, তারা আমার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলেছেঃ আমরা যখন অস্থিতে পরিণত ও চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুনভাবে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটাই
▶
جَزَآؤُهُم
jazāuhum
তাদের প্রতিফল
▶
بِأَنَّهُمْ
bi-annahum
এ কারণে যে তারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
بِـَٔايَـٰتِنَا
biāyātinā
সহ আমাদের নিদর্শনাদি
▶
وَقَالُوٓا۟
waqālū
এবং তারা বলেছে
▶
أَءِذَا
a-idhā
"কি যখন
▶
كُنَّا
kunnā
আমরা হবো
▶
عِظَـٰمًۭا
ʿiẓāman
হাড়
▶
وَرُفَـٰتًا
warufātan
ও চূর্ণ-বিচূর্ণ
▶
أَءِنَّا
a-innā
কি নিশ্চয়ই আমরা
▶
لَمَبْعُوثُونَ
lamabʿūthūna
অবশ্যই উত্থিত হবো
▶
خَلْقًۭا
khalqan
সৃষ্টিতে
▶
جَدِيدًا
jadīdan
নতুন"
আয়াত 99 - সূরা الإسراء: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ قَادِرٌ عَلَىٰٓ أَن يَخْلُقَ مِثْلَهُمْ وَجَعَلَ لَهُمْ أَجَلًۭا لَّا رَيْبَ فِيهِ فَأَبَى ٱلظَّـٰلِمُونَ إِلَّا كُفُورًۭا
তারা কি দেখেনি যে, যে আল্লাহ আসমান ও যমিন সৃজিত করেছেন, তিনি তাদের মত মানুষও পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম? তিনি তাদের জন্যে স্থির করেছেন একটি নির্দিষ্ট কাল, এতে কোন সন্দেহ নেই; অতঃপর জালেমরা অস্বীকার ছাড়া কিছু করেনি।
▶
۞ أَوَلَمْ
awalam
কি না
▶
يَرَوْا۟
yaraw
তারা লক্ষ্য করে
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(তিনি) যিনি
▶
خَلَقَ
khalaqa
সৃষ্টি করেছেন
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশসমূহকে
▶
وَٱلْأَرْضَ
wal-arḍa
ও পৃথিবীকে
▶
قَادِرٌ
qādirun
সক্ষম (নন কি)
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
উপর
▶
أَن
an
যে
▶
يَخْلُقَ
yakhluqa
সৃষ্টি করবেন
▶
مِثْلَهُمْ
mith'lahum
তাদের অনুরূপ
▶
وَجَعَلَ
wajaʿala
এবং স্থির করে রেখেছেন
▶
لَهُمْ
lahum
জন্যে তাদের
▶
أَجَلًۭا
ajalan
নির্দিষ্টকাল
▶
لَّا
lā
নেই
▶
رَيْبَ
rayba
কোনো সন্দেহ
▶
فِيهِ
fīhi
মধ্যে তার
▶
فَأَبَى
fa-abā
তবুও অস্বীকার করলো
▶
ٱلظَّـٰلِمُونَ
l-ẓālimūna
সীমালঙ্ঘনকারীরা
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
كُفُورًۭا
kufūran
অস্বীকৃতি
আয়াত 100 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُل لَّوْ أَنتُمْ تَمْلِكُونَ خَزَآئِنَ رَحْمَةِ رَبِّىٓ إِذًۭا لَّأَمْسَكْتُمْ خَشْيَةَ ٱلْإِنفَاقِ ۚ وَكَانَ ٱلْإِنسَـٰنُ قَتُورًۭا
বলুনঃ যদি আমার পালনকর্তার রহমতের ভান্ডার তোমাদের হাতে থাকত, তবে ব্যয়িত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অবশ্যই তা ধরে রাখতে। মানুষ তো অতিশয় কৃপণ।
▶
قُل
qul
বলো
▶
لَّوْ
law
"যদি
▶
أَنتُمْ
antum
তোমরা
▶
تَمْلِكُونَ
tamlikūna
অধিকারী হ'তে
▶
خَزَآئِنَ
khazāina
ভান্ডারসমূহের
▶
رَحْمَةِ
raḥmati
অনুগ্রহের
▶
رَبِّىٓ
rabbī
আমার রবের
▶
إِذًۭا
idhan
তাহ'লে
▶
لَّأَمْسَكْتُمْ
la-amsaktum
অবশ্যই তোমরা ধরে রাখতে
▶
خَشْيَةَ
khashyata
ভয়ে
▶
ٱلْإِنفَاقِ ۚ
l-infāqi
খরচ হওয়ার"
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলো
▶
ٱلْإِنسَـٰنُ
l-insānu
মানুষ
▶
قَتُورًۭا
qatūran
বড়ই কৃপণ
আয়াত 101 - সূরা الإسراء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَىٰ تِسْعَ ءَايَـٰتٍۭ بَيِّنَـٰتٍۢ ۖ فَسْـَٔلْ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ إِذْ جَآءَهُمْ فَقَالَ لَهُۥ فِرْعَوْنُ إِنِّى لَأَظُنُّكَ يَـٰمُوسَىٰ مَسْحُورًۭا
আপনি বণী-ইসরাঈলকে জিজ্ঞেস করুন, আমি মূসাকে নয়টি প্রকাশ্য নিদর্শন দান করেছি। যখন তিনি তাদের কাছে আগমন করেন, ফেরাউন তাকে বললঃ হে মূসা, আমার ধারনায় তুমি তো জাদুগ্রস্থ।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
ءَاتَيْنَا
ātaynā
আমরা দিয়েছিলাম
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসাকে
▶
تِسْعَ
tis'ʿa
নয়টি
▶
ءَايَـٰتٍۭ
āyātin
নিদর্শন
▶
بَيِّنَـٰتٍۢ ۖ
bayyinātin
সুস্পষ্ট
▶
فَسْـَٔلْ
fasal
অতএব জিজ্ঞেস করো
▶
بَنِىٓ
banī
বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলকে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
جَآءَهُمْ
jāahum
কাছে সে এসেছিলো তাদের
▶
فَقَالَ
faqāla
তখন বলেছিলো
▶
لَهُۥ
lahu
তাকে
▶
فِرْعَوْنُ
fir'ʿawnu
ফিরআউন
▶
إِنِّى
innī
"নিশ্চয়ই আমি
▶
لَأَظُنُّكَ
la-aẓunnuka
অবশ্যই আমি মনে করি তোমাকে
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
হে মূসা
▶
مَسْحُورًۭا
masḥūran
জাদুগ্রস্ত"
আয়াত 102 - সূরা الإسراء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ لَقَدْ عَلِمْتَ مَآ أَنزَلَ هَـٰٓؤُلَآءِ إِلَّا رَبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ بَصَآئِرَ وَإِنِّى لَأَظُنُّكَ يَـٰفِرْعَوْنُ مَثْبُورًۭا
তিনি বললেনঃ তুমি জান যে, আসমান ও যমীনের পালনকর্তাই এসব নিদর্শনাবলী প্রত্যক্ষ প্রমাণস্বরূপ নাযিল করেছেন। হে ফেরাউন, আমার ধারণায় তুমি ধ্বংস হতে চলেছো।
▶
قَالَ
qāla
সে বলেছিলো
▶
لَقَدْ
laqad
"নিশ্চয়ই
▶
عَلِمْتَ
ʿalim'ta
তুমি জেনেছো
▶
مَآ
mā
না
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
(অন্য কেউ) এসব
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
رَبُّ
rabbu
রব
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশসমূহের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
بَصَآئِرَ
baṣāira
প্রত্যক্ষ প্রমাণ হিসেবে
▶
وَإِنِّى
wa-innī
এবং নিশ্চয়ই আমি
▶
لَأَظُنُّكَ
la-aẓunnuka
অবশ্যই মনে করি আমি তোমাকে
▶
يَـٰفِرْعَوْنُ
yāfir'ʿawnu
হে ফিরআউন
▶
مَثْبُورًۭا
mathbūran
(ধ্বংসকৃত) হতভাগ্য"
আয়াত 103 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَرَادَ أَن يَسْتَفِزَّهُم مِّنَ ٱلْأَرْضِ فَأَغْرَقْنَـٰهُ وَمَن مَّعَهُۥ جَمِيعًۭا
অতঃপর সে বনী ইসরাঈলকে দেশ থেকে উৎখাত করতে চাইল, তখন আমি তাকে ও তার সঙ্গীদের সবাইকে নিমজ্জত করে দিলাম।
▶
فَأَرَادَ
fa-arāda
অতঃপর সে চাইলো
▶
أَن
an
যে
▶
يَسْتَفِزَّهُم
yastafizzahum
উচ্ছেদ করবে তাদেরকে
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
দেশ
▶
فَأَغْرَقْنَـٰهُ
fa-aghraqnāhu
অতঃপর আমরা ডুবিয়েছিলাম তাকে
▶
وَمَن
waman
এবং যারা (ছিলো)
▶
مَّعَهُۥ
maʿahu
সাথে তার
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সকলকে
আয়াত 104 - সূরা الإسراء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقُلْنَا مِنۢ بَعْدِهِۦ لِبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱسْكُنُوا۟ ٱلْأَرْضَ فَإِذَا جَآءَ وَعْدُ ٱلْـَٔاخِرَةِ جِئْنَا بِكُمْ لَفِيفًۭا
তারপর আমি বনী ইসলাঈলকে বললামঃ এ দেশে তোমরা বসবাস কর। অতঃপর যখন পরকালের ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে, তখন তোমাদের কে জড়ো করে নিয়ে উপস্থিত হব।
▶
وَقُلْنَا
waqul'nā
এবং আমরা বলেছিলাম
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِهِۦ
baʿdihi
তারপর
▶
لِبَنِىٓ
libanī
জন্যে বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলের
▶
ٱسْكُنُوا۟
us'kunū
"তোমরা বসবাস করো
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
এ দেশে
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
جَآءَ
jāa
আসবে
▶
وَعْدُ
waʿdu
প্রতিশ্রুতি
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
جِئْنَا
ji'nā
আমরা আসবো
▶
بِكُمْ
bikum
নিয়ে তোমাদেরকে
▶
لَفِيفًۭا
lafīfan
সমবেত করে"
আয়াত 105 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَبِٱلْحَقِّ أَنزَلْنَـٰهُ وَبِٱلْحَقِّ نَزَلَ ۗ وَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ إِلَّا مُبَشِّرًۭا وَنَذِيرًۭا
আমি সত্যসহ এ কোরআন নাযিল করেছি এবং সত্য সহ এটা নাযিল হয়েছে। আমি তো আপনাকে শুধু সুসংবাদাতা ও ভয়প্রদর্শক করেই প্রেরণ করেছি।
▶
وَبِٱلْحَقِّ
wabil-ḥaqi
এবং সহ সত্য
▶
أَنزَلْنَـٰهُ
anzalnāhu
তা আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
وَبِٱلْحَقِّ
wabil-ḥaqi
এবং সহ সত্য
▶
نَزَلَ ۗ
nazala
অবতীর্ণ হয়েছে
▶
وَمَآ
wamā
এবং নি
▶
أَرْسَلْنَـٰكَ
arsalnāka
তোমাকে আমরা পাঠিয়েছি
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
مُبَشِّرًۭا
mubashiran
সুসংবাদদাতা হিসেবে
▶
وَنَذِيرًۭا
wanadhīran
ও সতর্ককারী হিসেবে
আয়াত 106 - সূরা الإسراء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقُرْءَانًۭا فَرَقْنَـٰهُ لِتَقْرَأَهُۥ عَلَى ٱلنَّاسِ عَلَىٰ مُكْثٍۢ وَنَزَّلْنَـٰهُ تَنزِيلًۭا
আমি কোরআনকে যতিচিহ্ন সহ পৃথক পৃথকভাবে পাঠের উপযোগী করেছি, যাতে আপনি একে লোকদের কাছে ধীরে ধীরে পাঠ করেন এবং আমি একে যথাযথ ভাবে অবতীর্ণ করেছি।
▶
وَقُرْءَانًۭا
waqur'ānan
এবং (এই) কুরআন
▶
فَرَقْنَـٰهُ
faraqnāhu
আমরা খন্ড খন্ড করেছি তাকে
▶
لِتَقْرَأَهُۥ
litaqra-ahu
যেন তুমি পাঠ করো তা
▶
عَلَى
ʿalā
নিকট
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مُكْثٍۢ
muk'thin
অল্প অল্প করে
▶
وَنَزَّلْنَـٰهُ
wanazzalnāhu
এবং আমরা অবতীর্ণ করেছি তা
▶
تَنزِيلًۭا
tanzīlan
(ক্রমশঃ) অবতরণ
আয়াত 107 - সূরা الإسراء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ ءَامِنُوا۟ بِهِۦٓ أَوْ لَا تُؤْمِنُوٓا۟ ۚ إِنَّ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْعِلْمَ مِن قَبْلِهِۦٓ إِذَا يُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ يَخِرُّونَ لِلْأَذْقَانِ سُجَّدًۭا
বলুনঃ তোমরা কোরআনকে মান্য কর অথবা অমান্য কর; যারা এর পূর্ব থেকে এলেম প্রাপ্ত হয়েছে, যখন তাদের কাছে এর তেলাওয়াত করা হয়, তখন তারা নতমস্তকে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
ءَامِنُوا۟
āminū
"ঈমান আনো
▶
بِهِۦٓ
bihi
উপর এর
▶
أَوْ
aw
বা
▶
لَا
lā
না
▶
تُؤْمِنُوٓا۟ ۚ
tu'minū
তোমরা ঈমান আনো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদেরকে
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছে
▶
ٱلْعِلْمَ
l-ʿil'ma
জ্ঞান
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِهِۦٓ
qablihi
পূর্ব এর
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
يُتْلَىٰ
yut'lā
পাঠ করা হয়
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
কাছে তাদের
▶
يَخِرُّونَ
yakhirrūna
তারা লুটিয়ে পড়ে যায়
▶
لِلْأَذْقَانِ
lil'adhqāni
উপর চিবুকসমূহের
▶
سُجَّدًۭا
sujjadan
সিজদা অবস্থায়"
আয়াত 108 - সূরা الإسراء: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَقُولُونَ سُبْحَـٰنَ رَبِّنَآ إِن كَانَ وَعْدُ رَبِّنَا لَمَفْعُولًۭا
এবং বলেঃ আমাদের পালনকর্তা পবিত্র, মহান। নিঃসন্দেহে আমাদের পালকর্তার ওয়াদা অবশ্যই পূর্ণ হবে।
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
এবং তারা বলে
▶
سُبْحَـٰنَ
sub'ḥāna
"পবিত্র মহান
▶
رَبِّنَآ
rabbinā
আমাদের রব
▶
إِن
in
নিশ্চয়ই
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
وَعْدُ
waʿdu
প্রতিশ্রুতি
▶
رَبِّنَا
rabbinā
আমাদের রবের
▶
لَمَفْعُولًۭا
lamafʿūlan
অবশ্যই কার্যকরী"
আয়াত 109 - সূরা الإسراء: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَخِرُّونَ لِلْأَذْقَانِ يَبْكُونَ وَيَزِيدُهُمْ خُشُوعًۭا ۩
তারা ক্রন্দন করতে করতে নতমস্তকে ভুমিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তাদের বিনয়ভাব আরো বৃদ্ধি পায়।
▶
وَيَخِرُّونَ
wayakhirrūna
এবং তারা লুটিয়ে পড়ে যায়
▶
لِلْأَذْقَانِ
lil'adhqāni
(সিজদায়) উপর চিবুকসমূহের
▶
يَبْكُونَ
yabkūna
তারা কাঁদতে থাকে
▶
وَيَزِيدُهُمْ
wayazīduhum
ও তাদের বৃদ্ধি করে
▶
خُشُوعًۭا ۩
khushūʿan
বিনয় অবস্থা (নিবিড় আনুগত্য)
আয়াত 110 - সূরা الإسراء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلِ ٱدْعُوا۟ ٱللَّهَ أَوِ ٱدْعُوا۟ ٱلرَّحْمَـٰنَ ۖ أَيًّۭا مَّا تَدْعُوا۟ فَلَهُ ٱلْأَسْمَآءُ ٱلْحُسْنَىٰ ۚ وَلَا تَجْهَرْ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتْ بِهَا وَٱبْتَغِ بَيْنَ ذَٰلِكَ سَبِيلًۭا
বলুনঃ আল্লাহ বলে আহবান কর কিংবা রহমান বলে, যে নামেই আহবান কর না কেন, সব সুন্দর নাম তাঁরই। আপনি নিজের নামায আদায়কালে স্বর উচ্চগ্রাসে নিয়ে গিয়ে পড়বেন না এবং নিঃশব্দেও পড়বেন না। এতদুভয়ের মধ্যমপন্থা অবলম্বন করুন।
▶
قُلِ
quli
বলো
▶
ٱدْعُوا۟
id'ʿū
"তোমরা ডাকো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ (বলে)
▶
أَوِ
awi
বা
▶
ٱدْعُوا۟
id'ʿū
তোমরা ডাক
▶
ٱلرَّحْمَـٰنَ ۖ
l-raḥmāna
রহমান (বলে)
▶
أَيًّۭا
ayyan
যেই (নামেই)
▶
مَّا
mā
যেই (নামেই)
▶
تَدْعُوا۟
tadʿū
তোমরা ডাকো
▶
فَلَهُ
falahu
অতঃপর তাঁর আছে
▶
ٱلْأَسْمَآءُ
l-asmāu
নামসমূহ
▶
ٱلْحُسْنَىٰ ۚ
l-ḥus'nā
সুন্দর
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَجْهَرْ
tajhar
খুব উঁচু স্বর করো
▶
بِصَلَاتِكَ
biṣalātika
তোমার সালাতে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُخَافِتْ
tukhāfit
খুব নিচু স্বর করো
▶
بِهَا
bihā
তাতে
▶
وَٱبْتَغِ
wa-ib'taghi
এবং অবলম্বন করো
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
মধ্য পথ"
আয়াত 111 - সূরা الإسراء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقُلِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى لَمْ يَتَّخِذْ وَلَدًۭا وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ شَرِيكٌۭ فِى ٱلْمُلْكِ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ وَلِىٌّۭ مِّنَ ٱلذُّلِّ ۖ وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًۢا
বলুনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি না কোন সন্তান রাখেন, না তাঁর সার্বভৌমত্বে কোন শরীক আছে এবং যিনি দুর্দশাগ্রস্ত হন না, যে কারণে তাঁর কোন সাহয্যকারীর প্রয়োজন হতে পারে। সুতরাং আপনি স-সম্ভ্রমে তাঁর মাহাত্ন?2476;র্ণনা করতে থাকুন।
▶
وَقُلِ
waquli
এবং বলো
▶
ٱلْحَمْدُ
l-ḥamdu
"সব প্রশংসাই
▶
لِلَّهِ
lillahi
জন্যে আল্লাহ তা'লার
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
لَمْ
lam
নি
▶
يَتَّخِذْ
yattakhidh
গ্রহণ করেন
▶
وَلَدًۭا
waladan
পুত্রসন্তান
▶
وَلَمْ
walam
আর না
▶
يَكُن
yakun
আছে
▶
لَّهُۥ
lahu
জন্যে তাঁর
▶
شَرِيكٌۭ
sharīkun
কোনো অংশীদার
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْمُلْكِ
l-mul'ki
সার্বভৌমত্বে
▶
وَلَمْ
walam
এবং না (প্রয়োজন)
▶
يَكُن
yakun
আছে
▶
لَّهُۥ
lahu
জন্যে তাঁর
▶
وَلِىٌّۭ
waliyyun
কোনো অভিভাবক
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلذُّلِّ ۖ
l-dhuli
(এমন কোন) দুর্বলতা
▶
وَكَبِّرْهُ
wakabbir'hu
এবং তাঁর মাহাত্ম্য ঘোষণা করো
▶
تَكْبِيرًۢا
takbīran
(পূর্ণভাবে) মাহাত্ম্য"
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে