সূরা النساء শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা النساء শব্দে শব্দে
النساء (النساء) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মাদানী, মদীনাতে নায়িল, 176টি আয়াত, 3,747টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
3,747টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা النساء আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 19 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা النساء: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱتَّقُوا۟ رَبَّكُمُ ٱلَّذِى خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍۢ وَٰحِدَةٍۢ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًۭا كَثِيرًۭا وَنِسَآءًۭ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ٱلَّذِى تَسَآءَلُونَ بِهِۦ وَٱلْأَرْحَامَ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًۭا
হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তার থেকে তার সঙ্গীনীকে সৃষ্টি করেছেন; আর বিস্তার করেছেন তাদের দু’জন থেকে অগণিত পুরুষ ও নারী। আর আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাচঞ্ঝা করে থাক এবং আত্নীয় জ্ঞাতিদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের ব্যাপারে সচেতন রয়েছেন।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
''হে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
মানবজাতি!
▶
ٱتَّقُوا۟
ittaqū
তোমরা ভয় কর
▶
رَبَّكُمُ
rabbakumu
তোমাদের রবকে
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
خَلَقَكُم
khalaqakum
তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন
▶
مِّن
min
থেকে
▶
نَّفْسٍۢ
nafsin
প্রাণ
▶
وَٰحِدَةٍۢ
wāḥidatin
একটি (অর্থাৎ আদম (আঃ))
▶
وَخَلَقَ
wakhalaqa
ও তিনি সৃষ্টি করেছেন
▶
مِنْهَا
min'hā
তা হতে
▶
زَوْجَهَا
zawjahā
তার জুড়ী (অর্থাৎ হাওয়া)
▶
وَبَثَّ
wabatha
ও ছড়িয়ে দিয়েছেন
▶
مِنْهُمَا
min'humā
তাদের দুজন থেকে
▶
رِجَالًۭا
rijālan
পুরুষ লোক
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
অনেক
▶
وَنِسَآءًۭ ۚ
wanisāan
ও স্ত্রীলোক (অনেক)
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
ٱلَّذِى
alladhī
সেই (সত্তার)
▶
تَسَآءَلُونَ
tasāalūna
তোমরা পরস্পরে (হক) দাবী কর
▶
بِهِۦ
bihi
যার (দোহাই দিয়ে)
▶
وَٱلْأَرْحَامَ ۚ
wal-arḥāma
আর আত্মীয়তার বন্ধন সম্পর্কে সতর্ক থাক
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
كَانَ
kāna
আছেন
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
رَقِيبًۭا
raqīban
দৃষ্টিবান
আয়াত 2 - সূরা النساء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَءَاتُوا۟ ٱلْيَتَـٰمَىٰٓ أَمْوَٰلَهُمْ ۖ وَلَا تَتَبَدَّلُوا۟ ٱلْخَبِيثَ بِٱلطَّيِّبِ ۖ وَلَا تَأْكُلُوٓا۟ أَمْوَٰلَهُمْ إِلَىٰٓ أَمْوَٰلِكُمْ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ حُوبًۭا كَبِيرًۭا
এতীমদেরকে তাদের সম্পদ বুঝিয়ে দাও। খারাপ মালামালের সাথে ভালো মালামালের অদল-বদল করো না। আর তাদের ধন-সম্পদ নিজেদের ধন-সম্পদের সাথে সংমিশ্রিত করে তা গ্রাস করো না। নিশ্চয় এটা বড়ই মন্দ কাজ।
▶
وَءَاتُوا۟
waātū
এবং তোমরা (ফেরত) দাও
▶
ٱلْيَتَـٰمَىٰٓ
l-yatāmā
ইয়াতীমদেরকে
▶
أَمْوَٰلَهُمْ ۖ
amwālahum
তাদের মাল সম্পদ সমূহ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَتَبَدَّلُوا۟
tatabaddalū
তোমরা বদল করো
▶
ٱلْخَبِيثَ
l-khabītha
খারাপ (মালকে)
▶
بِٱلطَّيِّبِ ۖ
bil-ṭayibi
ভাল (মালের) পরিবর্তে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَأْكُلُوٓا۟
takulū
তোমরা খেয়ো
▶
أَمْوَٰلَهُمْ
amwālahum
তাদের মাল সমূহকে
▶
إِلَىٰٓ
ilā
সাথে (মিশিয়ে)
▶
أَمْوَٰلِكُمْ ۚ
amwālikum
তোমাদের মালসমূহের
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তা নিশ্চয়ই
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
حُوبًۭا
ḥūban
গুনাহর (কাজ)
▶
كَبِيرًۭا
kabīran
বড়ই
আয়াত 3 - সূরা النساء: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا۟ فِى ٱلْيَتَـٰمَىٰ فَٱنكِحُوا۟ مَا طَابَ لَكُم مِّنَ ٱلنِّسَآءِ مَثْنَىٰ وَثُلَـٰثَ وَرُبَـٰعَ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا۟ فَوَٰحِدَةً أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَـٰنُكُمْ ۚ ذَٰلِكَ أَدْنَىٰٓ أَلَّا تَعُولُوا۟
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।
▶
وَإِنْ
wa-in
এবং যদি
▶
خِفْتُمْ
khif'tum
তোমরা ভয় কর
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
تُقْسِطُوا۟
tuq'siṭū
তোমরা সুবিচার করতে পারবে
▶
فِى
fī
প্রতি
▶
ٱلْيَتَـٰمَىٰ
l-yatāmā
ইয়াতীমদের
▶
فَٱنكِحُوا۟
fa-inkiḥū
তোমরা বিয়ে তবে কর
▶
مَا
mā
যা
▶
طَابَ
ṭāba
পছন্দনীয়
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্য
▶
مِّنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلنِّسَآءِ
l-nisāi
(অন্য স্বাধীনা) নারীদের
▶
مَثْنَىٰ
mathnā
দুই
▶
وَثُلَـٰثَ
wathulātha
বা তিন
▶
وَرُبَـٰعَ ۖ
warubāʿa
বা চারটা (পর্যন্ত)
▶
فَإِنْ
fa-in
কিন্তু যদি
▶
خِفْتُمْ
khif'tum
তোমরা ভয় কর
▶
أَلَّا
allā
না যে
▶
تَعْدِلُوا۟
taʿdilū
তোমরা ইনসাফ করতে পারবে
▶
فَوَٰحِدَةً
fawāḥidatan
একজনকে তবে (বিয়ে করবে)
▶
أَوْ
aw
অথবা (বিয়ে কর)
▶
مَا
mā
যা
▶
مَلَكَتْ
malakat
মালিক হয়েছে
▶
أَيْمَـٰنُكُمْ ۚ
aymānukum
তোমাদের ডান হাত (অর্থাৎ দাসী)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
أَدْنَىٰٓ
adnā
(সম্ভাবনার) নিকটবর্তী
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
تَعُولُوا۟
taʿūlū
তোমরা অবিচার করবে
আয়াত 4 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَءَاتُوا۟ ٱلنِّسَآءَ صَدُقَـٰتِهِنَّ نِحْلَةًۭ ۚ فَإِن طِبْنَ لَكُمْ عَن شَىْءٍۢ مِّنْهُ نَفْسًۭا فَكُلُوهُ هَنِيٓـًۭٔا مَّرِيٓـًۭٔا
আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
▶
وَءَاتُوا۟
waātū
এবং তোমরা দাও
▶
ٱلنِّسَآءَ
l-nisāa
নারীদেরকে
▶
صَدُقَـٰتِهِنَّ
ṣaduqātihinna
তাদের মোহরগুলো
▶
نِحْلَةًۭ ۚ
niḥ'latan
স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতঃপর
▶
طِبْنَ
ṭib'na
তারা ছেড়ে দেয়
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
عَن
ʿan
(প্রায়)
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কোন কিছু
▶
مِّنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
نَفْسًۭا
nafsan
নিজেই
▶
فَكُلُوهُ
fakulūhu
তোমরা খাও তবে তা
▶
هَنِيٓـًۭٔا
hanīan
সানন্দে
▶
مَّرِيٓـًۭٔا
marīan
তৃপ্তিসহ
আয়াত 5 - সূরা النساء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تُؤْتُوا۟ ٱلسُّفَهَآءَ أَمْوَٰلَكُمُ ٱلَّتِى جَعَلَ ٱللَّهُ لَكُمْ قِيَـٰمًۭا وَٱرْزُقُوهُمْ فِيهَا وَٱكْسُوهُمْ وَقُولُوا۟ لَهُمْ قَوْلًۭا مَّعْرُوفًۭا
আর যে সম্পদকে আল্লাহ তোমাদের জীবন-যাত্রার অবলম্বন করেছেন, তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে দিও না। বরং তা থেকে তাদেরকে খাওয়াও, পরাও এবং তাদেরকে সান্তনার বানী শোনাও।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُؤْتُوا۟
tu'tū
তোমরা দিও
▶
ٱلسُّفَهَآءَ
l-sufahāa
অবোধদেরকে
▶
أَمْوَٰلَكُمُ
amwālakumu
তোমাদের সম্পদগুলোকে
▶
ٱلَّتِى
allatī
যা
▶
جَعَلَ
jaʿala
বানিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
قِيَـٰمًۭا
qiyāman
(জীবিকা) প্রতিষ্ঠার (জন্য)
▶
وَٱرْزُقُوهُمْ
wa-ur'zuqūhum
এবং তোমরা খাওয়াও তাদেরকে
▶
فِيهَا
fīhā
তা থেকে
▶
وَٱكْسُوهُمْ
wa-ik'sūhum
ও তোমরা পরাও তাদেরকে
▶
وَقُولُوا۟
waqūlū
এবং তোমরা বল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথা
▶
مَّعْرُوفًۭا
maʿrūfan
উত্তম
আয়াত 6 - সূরা النساء: 37 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱبْتَلُوا۟ ٱلْيَتَـٰمَىٰ حَتَّىٰٓ إِذَا بَلَغُوا۟ ٱلنِّكَاحَ فَإِنْ ءَانَسْتُم مِّنْهُمْ رُشْدًۭا فَٱدْفَعُوٓا۟ إِلَيْهِمْ أَمْوَٰلَهُمْ ۖ وَلَا تَأْكُلُوهَآ إِسْرَافًۭا وَبِدَارًا أَن يَكْبَرُوا۟ ۚ وَمَن كَانَ غَنِيًّۭا فَلْيَسْتَعْفِفْ ۖ وَمَن كَانَ فَقِيرًۭا فَلْيَأْكُلْ بِٱلْمَعْرُوفِ ۚ فَإِذَا دَفَعْتُمْ إِلَيْهِمْ أَمْوَٰلَهُمْ فَأَشْهِدُوا۟ عَلَيْهِمْ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ حَسِيبًۭا
আর এতীমদের প্রতি বিশেষভাবে নজর রাখবে, যে পর্যন্ত না তারা বিয়ের বয়সে পৌঁছে। যদি তাদের মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ আঁচ করতে পার, তবে তাদের সম্পদ তাদের হাতে অর্পন করতে পার। এতীমের মাল প্রয়োজনাতিরিক্ত খরচ করো না বা তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। যারা স্বচ্ছল তারা অবশ্যই এতীমের মাল খরচ করা থেকে বিরত থাকবে। আর যে অভাবগ্রস্ত সে সঙ্গত পরিমাণ খেতে পারে। যখন তাদের হাতে তাদের সম্পদ প্রত্যার্পণ কর, তখন সাক্ষী রাখবে। অবশ্য আল্লাহই হিসাব নেয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট।
▶
وَٱبْتَلُوا۟
wa-ib'talū
এবং তোমরা পরিক্ষা কর
▶
ٱلْيَتَـٰمَىٰ
l-yatāmā
ইয়াতীমদেরকে
▶
حَتَّىٰٓ
ḥattā
পর্যন্ত
▶
إِذَا
idhā
যতক্ষণ
▶
بَلَغُوا۟
balaghū
তারা পৌঁছে
▶
ٱلنِّكَاحَ
l-nikāḥa
বিবাহ (বয়সে)
▶
فَإِنْ
fa-in
অতঃপর যদি
▶
ءَانَسْتُم
ānastum
তোমরা দেখ
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যে
▶
رُشْدًۭا
rush'dan
বিচারের জ্ঞান
▶
فَٱدْفَعُوٓا۟
fa-id'faʿū
তখন তোমরা অর্পণ কর
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের কাছে
▶
أَمْوَٰلَهُمْ ۖ
amwālahum
তাদের ধন মাল
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَأْكُلُوهَآ
takulūhā
তা খেয়ো তোমরা
▶
إِسْرَافًۭا
is'rāfan
সীমালঙ্ঘন করে
▶
وَبِدَارًا
wabidāran
ও তাড়াতাড়ি করে
▶
أَن
an
যে
▶
يَكْبَرُوا۟ ۚ
yakbarū
তারা বড় হয়ে যাবে
▶
وَمَن
waman
আর যে (পৃষ্ঠপোষক )
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
غَنِيًّۭا
ghaniyyan
অভাবমুক্ত
▶
فَلْيَسْتَعْفِفْ ۖ
falyastaʿfif
সে নিবৃত্ত থাকবে সে ক্ষেত্রে (তার মাল খাওয়া হতে)
▶
وَمَن
waman
আর যে
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
فَقِيرًۭا
faqīran
অভাবী
▶
فَلْيَأْكُلْ
falyakul
সে খাবে সেক্ষেত্রে
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۚ
bil-maʿrūfi
ন্যায় সঙ্গতভাবে
▶
فَإِذَا
fa-idhā
যখন তবে
▶
دَفَعْتُمْ
dafaʿtum
তোমরা সমর্পণ কর
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের কাছে
▶
أَمْوَٰلَهُمْ
amwālahum
তাদের সম্পদ সমূহ
▶
فَأَشْهِدُوا۟
fa-ashhidū
তোমরা সাক্ষী রাখ তখন
▶
عَلَيْهِمْ ۚ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
حَسِيبًۭا
ḥasīban
হিসাবগ্রহণকারী হিসেবে
আয়াত 7 - সূরা النساء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِّلرِّجَالِ نَصِيبٌۭ مِّمَّا تَرَكَ ٱلْوَٰلِدَانِ وَٱلْأَقْرَبُونَ وَلِلنِّسَآءِ نَصِيبٌۭ مِّمَّا تَرَكَ ٱلْوَٰلِدَانِ وَٱلْأَقْرَبُونَ مِمَّا قَلَّ مِنْهُ أَوْ كَثُرَ ۚ نَصِيبًۭا مَّفْرُوضًۭا
পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
▶
لِّلرِّجَالِ
lilrrijāli
পুরুষদের জন্য
▶
نَصِيبٌۭ
naṣībun
অংশ
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
تَرَكَ
taraka
ছেড়ে গেছে (সম্পত্তি)
▶
ٱلْوَٰلِدَانِ
l-wālidāni
পিতা-মাতা
▶
وَٱلْأَقْرَبُونَ
wal-aqrabūna
ও আত্মীয়-স্বজনরা
▶
وَلِلنِّسَآءِ
walilnnisāi
এবং নারীদের জন্য
▶
نَصِيبٌۭ
naṣībun
অংশ
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
تَرَكَ
taraka
ছেড়ে গেছে (সম্পত্তি)
▶
ٱلْوَٰلِدَانِ
l-wālidāni
পিতা-মাতা
▶
وَٱلْأَقْرَبُونَ
wal-aqrabūna
ও আত্মীয়স্বজন
▶
مِمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
قَلَّ
qalla
কম হক
▶
مِنْهُ
min'hu
তা হতে
▶
أَوْ
aw
বা
▶
كَثُرَ ۚ
kathura
বেশী হক
▶
نَصِيبًۭا
naṣīban
অংশ
▶
مَّفْرُوضًۭا
mafrūḍan
নির্ধারিত
আয়াত 8 - সূরা النساء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا حَضَرَ ٱلْقِسْمَةَ أُو۟لُوا۟ ٱلْقُرْبَىٰ وَٱلْيَتَـٰمَىٰ وَٱلْمَسَـٰكِينُ فَٱرْزُقُوهُم مِّنْهُ وَقُولُوا۟ لَهُمْ قَوْلًۭا مَّعْرُوفًۭا
সম্পতি বন্টনের সময় যখন আত্নীয়-স্বজন, এতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়, তখন তা থেকে তাদের কিছু খাইয়ে দাও এবং তাদের সাথে কিছু সদালাপ করো।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
حَضَرَ
ḥaḍara
উপস্থিত হয়
▶
ٱلْقِسْمَةَ
l-qis'mata
বণ্টন (কালে)
▶
أُو۟لُوا۟
ulū
দুর আত্মীয় -স্বজনরা
▶
ٱلْقُرْبَىٰ
l-qur'bā
দুর আত্মীয় -স্বজনরা
▶
وَٱلْيَتَـٰمَىٰ
wal-yatāmā
ও ইয়াতীমরা
▶
وَٱلْمَسَـٰكِينُ
wal-masākīnu
ও দরিদ্ররা
▶
فَٱرْزُقُوهُم
fa-ur'zuqūhum
সেক্ষেত্রে তাদের দান কর
▶
مِّنْهُ
min'hu
তা হতে
▶
وَقُولُوا۟
waqūlū
এবং তোমরা বল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথা
▶
مَّعْرُوفًۭا
maʿrūfan
সদ্ভাবে
আয়াত 9 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلْيَخْشَ ٱلَّذِينَ لَوْ تَرَكُوا۟ مِنْ خَلْفِهِمْ ذُرِّيَّةًۭ ضِعَـٰفًا خَافُوا۟ عَلَيْهِمْ فَلْيَتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَلْيَقُولُوا۟ قَوْلًۭا سَدِيدًا
তাদের ভয় করা উচিত, যারা নিজেদের পশ্চাতে দুর্বল অক্ষম সন্তান-সন্ততি ছেড়ে গেলে তাদের জন্যে তারাও আশঙ্কা করে; সুতরাং তারা যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং সংগত কথা বলে।
▶
وَلْيَخْشَ
walyakhsha
এবং ভয় করুক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
তারা
▶
لَوْ
law
যদি
▶
تَرَكُوا۟
tarakū
ছেড়ে যায়
▶
مِنْ
min
(থেকে)
▶
خَلْفِهِمْ
khalfihim
তাদের পিছনে
▶
ذُرِّيَّةًۭ
dhurriyyatan
সন্তান
▶
ضِعَـٰفًا
ḍiʿāfan
অসহায় অবস্থায়
▶
خَافُوا۟
khāfū
তারা ভয় পায়
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের জন্য
▶
فَلْيَتَّقُوا۟
falyattaqū
তারা অতএব ভয় করে যেন
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَلْيَقُولُوا۟
walyaqūlū
এবং তারা যেন বলে
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথা
▶
سَدِيدًا
sadīdan
সঠিক
আয়াত 10 - সূরা النساء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَأْكُلُونَ أَمْوَٰلَ ٱلْيَتَـٰمَىٰ ظُلْمًا إِنَّمَا يَأْكُلُونَ فِى بُطُونِهِمْ نَارًۭا ۖ وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيرًۭا
যারা এতীমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং সত্ত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَأْكُلُونَ
yakulūna
খায়
▶
أَمْوَٰلَ
amwāla
মালসমূহ
▶
ٱلْيَتَـٰمَىٰ
l-yatāmā
ইয়াতীমদের
▶
ظُلْمًا
ẓul'man
অন্যায়ভাবে
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলত
▶
يَأْكُلُونَ
yakulūna
তারা খায়
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
بُطُونِهِمْ
buṭūnihim
তাদের পেটগুলোর
▶
نَارًۭا ۖ
nāran
আগুন
▶
وَسَيَصْلَوْنَ
wasayaṣlawna
এবং জ্বলবে
▶
سَعِيرًۭا
saʿīran
আগুনে
আয়াত 11 - সূরা النساء: 71 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يُوصِيكُمُ ٱللَّهُ فِىٓ أَوْلَـٰدِكُمْ ۖ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ ٱلْأُنثَيَيْنِ ۚ فَإِن كُنَّ نِسَآءًۭ فَوْقَ ٱثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَ ۖ وَإِن كَانَتْ وَٰحِدَةًۭ فَلَهَا ٱلنِّصْفُ ۚ وَلِأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَٰحِدٍۢ مِّنْهُمَا ٱلسُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِن كَانَ لَهُۥ وَلَدٌۭ ۚ فَإِن لَّمْ يَكُن لَّهُۥ وَلَدٌۭ وَوَرِثَهُۥٓ أَبَوَاهُ فَلِأُمِّهِ ٱلثُّلُثُ ۚ فَإِن كَانَ لَهُۥٓ إِخْوَةٌۭ فَلِأُمِّهِ ٱلسُّدُسُ ۚ مِنۢ بَعْدِ وَصِيَّةٍۢ يُوصِى بِهَآ أَوْ دَيْنٍ ۗ ءَابَآؤُكُمْ وَأَبْنَآؤُكُمْ لَا تَدْرُونَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ لَكُمْ نَفْعًۭا ۚ فَرِيضَةًۭ مِّنَ ٱللَّهِ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًۭا
আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান। অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু' এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।
▶
يُوصِيكُمُ
yūṣīkumu
তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فِىٓ
fī
সম্বন্ধে
▶
أَوْلَـٰدِكُمْ ۖ
awlādikum
তোমাদের সন্তানদের
▶
لِلذَّكَرِ
lildhakari
এক পুত্রের জন্য
▶
مِثْلُ
mith'lu
বরাবর
▶
حَظِّ
ḥaẓẓi
অংশ
▶
ٱلْأُنثَيَيْنِ ۚ
l-unthayayni
দুই কন্যার
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতএব
▶
كُنَّ
kunna
তারা হয়
▶
نِسَآءًۭ
nisāan
কন্যা
▶
فَوْقَ
fawqa
উর্ধ্বে
▶
ٱثْنَتَيْنِ
ith'natayni
দুই এর
▶
فَلَهُنَّ
falahunna
তবে তাদের জন্য
▶
ثُلُثَا
thuluthā
দুই-তৃতীয়াংশ
▶
مَا
mā
যা
▶
تَرَكَ ۖ
taraka
ছেড়ে গিয়েছে
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
كَانَتْ
kānat
হয়
▶
وَٰحِدَةًۭ
wāḥidatan
একজন (কন্যা)
▶
فَلَهَا
falahā
তবে তার জন্য
▶
ٱلنِّصْفُ ۚ
l-niṣ'fu
অর্ধেক
▶
وَلِأَبَوَيْهِ
wali-abawayhi
এবং তারা মা বাপের জন্য
▶
لِكُلِّ
likulli
জন্য
▶
وَٰحِدٍۢ
wāḥidin
প্রত্যেকের
▶
مِّنْهُمَا
min'humā
দুজনের মধ্য হতে
▶
ٱلسُّدُسُ
l-sudusu
ষষ্ঠাংশ
▶
مِمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
تَرَكَ
taraka
ছেড়ে গেছে
▶
إِن
in
যদি
▶
كَانَ
kāna
থাকে
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
وَلَدٌۭ ۚ
waladun
ছেলে সন্তান
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَكُن
yakun
থাকে
▶
لَّهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
وَلَدٌۭ
waladun
ছেলে সন্তান
▶
وَوَرِثَهُۥٓ
wawarithahu
ও তার উত্তরাধিকারী
▶
أَبَوَاهُ
abawāhu
তার মা-বাপ
▶
فَلِأُمِّهِ
fali-ummihi
তার মার তবে জন্য
▶
ٱلثُّلُثُ ۚ
l-thuluthu
এক তৃতীয়াংশ
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
لَهُۥٓ
lahu
তার জন্য
▶
إِخْوَةٌۭ
ikh'watun
ভাইবোন
▶
فَلِأُمِّهِ
fali-ummihi
তার মার জন্য তবে
▶
ٱلسُّدُسُ ۚ
l-sudusu
এক ষষ্ঠাংশ
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
وَصِيَّةٍۢ
waṣiyyatin
অসীয়ত (পূর্ণ করার )
▶
يُوصِى
yūṣī
সে অসীয়ত করেছে (যা)
▶
بِهَآ
bihā
এ সম্পর্কে
▶
أَوْ
aw
বা
▶
دَيْنٍ ۗ
daynin
ঋণ (পরিশোধের)
▶
ءَابَآؤُكُمْ
ābāukum
তোমাদের মা-বাপ
▶
وَأَبْنَآؤُكُمْ
wa-abnāukum
বা তোমাদের সন্তান-সন্ততি
▶
لَا
lā
না
▶
تَدْرُونَ
tadrūna
তোমরা জান
▶
أَيُّهُمْ
ayyuhum
তাদের মধ্যে কে
▶
أَقْرَبُ
aqrabu
নিকটতর
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
نَفْعًۭا ۚ
nafʿan
উপকারে
▶
فَرِيضَةًۭ
farīḍatan
নির্দিষ্ট
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 12 - সূরা النساء: 88 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَٰجُكُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّهُنَّ وَلَدٌۭ ۚ فَإِن كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌۭ فَلَكُمُ ٱلرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ ۚ مِنۢ بَعْدِ وَصِيَّةٍۢ يُوصِينَ بِهَآ أَوْ دَيْنٍۢ ۚ وَلَهُنَّ ٱلرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّكُمْ وَلَدٌۭ ۚ فَإِن كَانَ لَكُمْ وَلَدٌۭ فَلَهُنَّ ٱلثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُم ۚ مِّنۢ بَعْدِ وَصِيَّةٍۢ تُوصُونَ بِهَآ أَوْ دَيْنٍۢ ۗ وَإِن كَانَ رَجُلٌۭ يُورَثُ كَلَـٰلَةً أَوِ ٱمْرَأَةٌۭ وَلَهُۥٓ أَخٌ أَوْ أُخْتٌۭ فَلِكُلِّ وَٰحِدٍۢ مِّنْهُمَا ٱلسُّدُسُ ۚ فَإِن كَانُوٓا۟ أَكْثَرَ مِن ذَٰلِكَ فَهُمْ شُرَكَآءُ فِى ٱلثُّلُثِ ۚ مِنۢ بَعْدِ وَصِيَّةٍۢ يُوصَىٰ بِهَآ أَوْ دَيْنٍ غَيْرَ مُضَآرٍّۢ ۚ وَصِيَّةًۭ مِّنَ ٱللَّهِ ۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَلِيمٌۭ
আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
▶
۞ وَلَكُمْ
walakum
এবং তোমাদের জন্য
▶
نِصْفُ
niṣ'fu
অর্ধেক
▶
مَا
mā
যা
▶
تَرَكَ
taraka
ছেড়ে গিয়েছে
▶
أَزْوَٰجُكُمْ
azwājukum
তোমাদের স্ত্রীগণ
▶
إِن
in
যদি
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَكُن
yakun
থাকে
▶
لَّهُنَّ
lahunna
তাদের জন্য
▶
وَلَدٌۭ ۚ
waladun
কোন সন্তান
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
كَانَ
kāna
থাকে
▶
لَهُنَّ
lahunna
তাদের জন্য
▶
وَلَدٌۭ
waladun
সন্তান
▶
فَلَكُمُ
falakumu
তোমাদের তবে জন্য
▶
ٱلرُّبُعُ
l-rubuʿu
এক চতুর্থাংশ
▶
مِمَّا
mimmā
তা হতে
▶
تَرَكْنَ ۚ
tarakna
তারা ছেড়েছে
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
وَصِيَّةٍۢ
waṣiyyatin
অসীয়াত (পূর্ণ করার)
▶
يُوصِينَ
yūṣīna
তারা অসীয়ত করেছে (যা)
▶
بِهَآ
bihā
এ সম্পর্কে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
دَيْنٍۢ ۚ
daynin
ঋণ পরিশোধের
▶
وَلَهُنَّ
walahunna
এবং তাদের জন্য
▶
ٱلرُّبُعُ
l-rubuʿu
এক চতুর্থাংশ
▶
مِمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
تَرَكْتُمْ
taraktum
তোমরা ছেড়েছ
▶
إِن
in
যদি
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَكُن
yakun
থাকে
▶
لَّكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
وَلَدٌۭ ۚ
waladun
কোন সন্তান
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
كَانَ
kāna
থাকে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
وَلَدٌۭ
waladun
কোন সন্তান
▶
فَلَهُنَّ
falahunna
তাদের জন্য তবে
▶
ٱلثُّمُنُ
l-thumunu
এক অষ্টমাংশ
▶
مِمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
تَرَكْتُم ۚ
taraktum
তোমরা ছেড়ে গিয়েছ
▶
مِّنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
وَصِيَّةٍۢ
waṣiyyatin
অসীয়তের (যা)
▶
تُوصُونَ
tūṣūna
তোমরা অসীয়ত করেছ
▶
بِهَآ
bihā
সে সম্পর্কে
▶
أَوْ
aw
বা
▶
دَيْنٍۢ ۗ
daynin
ঋণ (পরিশোধের পরে)
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
رَجُلٌۭ
rajulun
কোন পুরুষ (যার)
▶
يُورَثُ
yūrathu
মিরাস বণ্টন করা হবে
▶
كَلَـٰلَةً
kalālatan
পিতামাতা ও সন্তানহীন
▶
أَوِ
awi
অথবা
▶
ٱمْرَأَةٌۭ
im'ra-atun
মহিলা (পিতামাতা ও সন্তানহীন)
▶
وَلَهُۥٓ
walahu
এবং তার থাকে
▶
أَخٌ
akhun
এক ভাই (বৈপিত্রেয়)
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
أُخْتٌۭ
ukh'tun
একবোন (বৈপিত্রেয়)
▶
فَلِكُلِّ
falikulli
তবে
▶
وَٰحِدٍۢ
wāḥidin
প্রত্যেকের জন্য
▶
مِّنْهُمَا
min'humā
তাদের দুজনের (মধ্যকার)
▶
ٱلسُّدُسُ ۚ
l-sudusu
এক ষষ্ঠাংশ (পাবে)
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতঃপর
▶
كَانُوٓا۟
kānū
তারা হয়
▶
أَكْثَرَ
akthara
অধিক
▶
مِن
min
থেকে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
فَهُمْ
fahum
তারা তবে
▶
شُرَكَآءُ
shurakāu
(সমান হবে) অংশীদার
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلثُّلُثِ ۚ
l-thuluthi
এক তৃতীয়াংশের
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
وَصِيَّةٍۢ
waṣiyyatin
অসীয়তের
▶
يُوصَىٰ
yūṣā
(যা) অসীয়ত করেছে
▶
بِهَآ
bihā
তা সম্পর্কে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
دَيْنٍ
daynin
ঋণ (পরিশোধের পরে)
▶
غَيْرَ
ghayra
ব্যতীত
▶
مُضَآرٍّۢ ۚ
muḍārrin
(কাউকে) ক্ষতি করা
▶
وَصِيَّةًۭ
waṣiyyatan
এ নির্দেশ
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
সর্বজ্ঞ
▶
حَلِيمٌۭ
ḥalīmun
সহনশীল
আয়াত 13 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تِلْكَ حُدُودُ ٱللَّهِ ۚ وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ يُدْخِلْهُ جَنَّـٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۚ وَذَٰلِكَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ
এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের আদেশমত চলে, তিনি তাকে জান্নাত সমূহে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এ হল বিরাট সাফল্য।
▶
تِلْكَ
til'ka
এইসব
▶
حُدُودُ
ḥudūdu
সীমাসমূহ
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يُطِعِ
yuṭiʿi
আনুগত্য করবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَرَسُولَهُۥ
warasūlahu
ও তাঁর রাসূলের
▶
يُدْخِلْهُ
yud'khil'hu
তিনি তাকে প্রবেশ করাবেন
▶
جَنَّـٰتٍۢ
jannātin
জান্নাতে
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার পাদদেশে
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্ণাধারা
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা স্থায়ী হবে
▶
فِيهَا ۚ
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَذَٰلِكَ
wadhālika
এবং এটাই
▶
ٱلْفَوْزُ
l-fawzu
সাফল্য
▶
ٱلْعَظِيمُ
l-ʿaẓīmu
বিরাট
আয়াত 14 - সূরা النساء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَعْصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَيَتَعَدَّ حُدُودَهُۥ يُدْخِلْهُ نَارًا خَـٰلِدًۭا فِيهَا وَلَهُۥ عَذَابٌۭ مُّهِينٌۭ
যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের অবাধ্যতা করে এবং তার সীমা অতিক্রম করে তিনি তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন। সে সেখানে চিরকাল থাকবে। তার জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَعْصِ
yaʿṣi
অবাধ্য হবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَرَسُولَهُۥ
warasūlahu
ও তাঁর রাসূলের
▶
وَيَتَعَدَّ
wayataʿadda
এবং লঙ্ঘন করবে
▶
حُدُودَهُۥ
ḥudūdahu
সীমাসমূহের তাঁর
▶
يُدْخِلْهُ
yud'khil'hu
তাকে তিনি প্রবেশ করাবেন
▶
نَارًا
nāran
(জাহান্নামের) আগুনে
▶
خَـٰلِدًۭا
khālidan
সে স্থায়ী হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَلَهُۥ
walahu
এবং তার জন্য (রয়েছে)
▶
عَذَابٌۭ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
مُّهِينٌۭ
muhīnun
অপমানকর
আয়াত 15 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّـٰتِى يَأْتِينَ ٱلْفَـٰحِشَةَ مِن نِّسَآئِكُمْ فَٱسْتَشْهِدُوا۟ عَلَيْهِنَّ أَرْبَعَةًۭ مِّنكُمْ ۖ فَإِن شَهِدُوا۟ فَأَمْسِكُوهُنَّ فِى ٱلْبُيُوتِ حَتَّىٰ يَتَوَفَّىٰهُنَّ ٱلْمَوْتُ أَوْ يَجْعَلَ ٱللَّهُ لَهُنَّ سَبِيلًۭا
আর তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচারিণী তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে চার জন পুরুষকে সাক্ষী হিসেবে তলব কর। অতঃপর যদি তারা সাক্ষ্য প্রদান করে তবে সংশ্লিষ্টদেরকে গৃহে আবদ্ধ রাখ, যে পর্যন্ত মৃত্যু তাদেরকে তুলে না নেয় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথ নির্দেশ না করেন।
▶
وَٱلَّـٰتِى
wa-allātī
এবং যে সব মহিলা
▶
يَأْتِينَ
yatīna
লিপ্ত হয়
▶
ٱلْفَـٰحِشَةَ
l-fāḥishata
ব্যভিচারে
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
نِّسَآئِكُمْ
nisāikum
তোমাদের নারীদের
▶
فَٱسْتَشْهِدُوا۟
fa-is'tashhidū
তবে তোমরা সাক্ষী চাও
▶
عَلَيْهِنَّ
ʿalayhinna
তাদের উপর
▶
أَرْبَعَةًۭ
arbaʿatan
চার (জনের)
▶
مِّنكُمْ ۖ
minkum
তোমাদের মধ্য থেকে
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতঃপর
▶
شَهِدُوا۟
shahidū
তারা সাক্ষী দেয়
▶
فَأَمْسِكُوهُنَّ
fa-amsikūhunna
তোমরা আবদ্ধ কর তবে তাদেরকে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبُيُوتِ
l-buyūti
(তাদের) ঘরগুলোর
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَتَوَفَّىٰهُنَّ
yatawaffāhunna
তাদের উঠিয়ে নেয়
▶
ٱلْمَوْتُ
l-mawtu
মৃত্যু
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يَجْعَلَ
yajʿala
করে দেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَهُنَّ
lahunna
তাদের জন্য
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
কোন পথ
আয়াত 16 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذَانِ يَأْتِيَـٰنِهَا مِنكُمْ فَـَٔاذُوهُمَا ۖ فَإِن تَابَا وَأَصْلَحَا فَأَعْرِضُوا۟ عَنْهُمَآ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ تَوَّابًۭا رَّحِيمًا
তোমাদের মধ্য থেকে যে দু’জন সেই কুকর্মে লিপ্ত হয়, তাদেরকে শাস্তি প্রদান কর। অতঃপর যদি উভয়ে তওবা করে এবং নিজেদের সংশোধন করে, তবে তাদের থেকে হাত গুটিয়ে নাও। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, দয়ালু।
▶
وَٱلَّذَانِ
wa-alladhāni
এবং যে দুজন
▶
يَأْتِيَـٰنِهَا
yatiyānihā
তাতে লিপ্ত হবে
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
فَـَٔاذُوهُمَا ۖ
faādhūhumā
তাদের দুজনকে অতঃপর শাস্তি দাও
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
تَابَا
tābā
দুজনে তওবা করে
▶
وَأَصْلَحَا
wa-aṣlaḥā
ও দুজনে সংশোধন হয়
▶
فَأَعْرِضُوا۟
fa-aʿriḍū
তোমরা তবে উপেক্ষা কর
▶
عَنْهُمَآ ۗ
ʿanhumā
তাদের দুজনকে (অর্থাৎ মাফ করে দাও)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
تَوَّابًۭا
tawwāban
বড়ই ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًا
raḥīman
মেহেরবান
আয়াত 17 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَا ٱلتَّوْبَةُ عَلَى ٱللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسُّوٓءَ بِجَهَـٰلَةٍۢ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِن قَرِيبٍۢ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ يَتُوبُ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًۭا
অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, রহস্যবিদ।
▶
إِنَّمَا
innamā
মুলতঃ
▶
ٱلتَّوْبَةُ
l-tawbatu
তওবা
▶
عَلَى
ʿalā
কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্য যারা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
কাজ করে
▶
ٱلسُّوٓءَ
l-sūa
মন্দ
▶
بِجَهَـٰلَةٍۢ
bijahālatin
অজ্ঞতার কারণে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يَتُوبُونَ
yatūbūna
তারা তওবা করে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَرِيبٍۢ
qarībin
অবিলম্বে
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ঐসব লোক অতঃপর
▶
يَتُوبُ
yatūbu
ক্ষমাশীল হন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَيْهِمْ ۗ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 18 - সূরা النساء: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَيْسَتِ ٱلتَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسَّيِّـَٔاتِ حَتَّىٰٓ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ ٱلْمَوْتُ قَالَ إِنِّى تُبْتُ ٱلْـَٔـٰنَ وَلَا ٱلَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًۭا
আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।
▶
وَلَيْسَتِ
walaysati
এবং নয়
▶
ٱلتَّوْبَةُ
l-tawbatu
তওবা
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্য যারা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
কাজ করে
▶
ٱلسَّيِّـَٔاتِ
l-sayiāti
পাপের
▶
حَتَّىٰٓ
ḥattā
এমনকি
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
حَضَرَ
ḥaḍara
উপস্থিত হয়
▶
أَحَدَهُمُ
aḥadahumu
কারও তাদের
▶
ٱلْمَوْتُ
l-mawtu
মৃত্যু
▶
قَالَ
qāla
সে বলে
▶
إِنِّى
innī
''আমি নিশ্চয়ই
▶
تُبْتُ
tub'tu
তওবা করছি
▶
ٱلْـَٔـٰنَ
l-āna
এখন''
▶
وَلَا
walā
এবং নয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের জন্যও) যারা
▶
يَمُوتُونَ
yamūtūna
মারা যায়
▶
وَهُمْ
wahum
তারা এ অবস্থায় যে
▶
كُفَّارٌ ۚ
kuffārun
কাফির
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
أَعْتَدْنَا
aʿtadnā
আমরা তৈরী করে রেখেছি
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
عَذَابًا
ʿadhāban
আজাব
▶
أَلِيمًۭا
alīman
বড় যন্ত্রণাদায়ক
আয়াত 19 - সূরা النساء: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَرِثُوا۟ ٱلنِّسَآءَ كَرْهًۭا ۖ وَلَا تَعْضُلُوهُنَّ لِتَذْهَبُوا۟ بِبَعْضِ مَآ ءَاتَيْتُمُوهُنَّ إِلَّآ أَن يَأْتِينَ بِفَـٰحِشَةٍۢ مُّبَيِّنَةٍۢ ۚ وَعَاشِرُوهُنَّ بِٱلْمَعْرُوفِ ۚ فَإِن كَرِهْتُمُوهُنَّ فَعَسَىٰٓ أَن تَكْرَهُوا۟ شَيْـًۭٔا وَيَجْعَلَ ٱللَّهُ فِيهِ خَيْرًۭا كَثِيرًۭا
হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয় এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও; কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর। অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এমন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
يَحِلُّ
yaḥillu
বৈধ হবে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
أَن
an
যে
▶
تَرِثُوا۟
tarithū
তোমরা উত্তরাধিকারী হবে
▶
ٱلنِّسَآءَ
l-nisāa
স্ত্রীলোকদের
▶
كَرْهًۭا ۖ
karhan
জোরপূর্বক
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَعْضُلُوهُنَّ
taʿḍulūhunna
তোমরা বাধা দিও (বিবাহবন্ধন হতে) তাদেরকে
▶
لِتَذْهَبُوا۟
litadhhabū
তোমরা নেয়ার জন্য
▶
بِبَعْضِ
bibaʿḍi
কিছু অংশ
▶
مَآ
mā
যা
▶
ءَاتَيْتُمُوهُنَّ
ātaytumūhunna
তোমরা দিয়েছ তাদেরকে
▶
إِلَّآ
illā
কিন্তু
▶
أَن
an
(যে)
▶
يَأْتِينَ
yatīna
তারা লিপ্ত হলে
▶
بِفَـٰحِشَةٍۢ
bifāḥishatin
ব্যভিচারে
▶
مُّبَيِّنَةٍۢ ۚ
mubayyinatin
প্রকাশ্য (তা হতে বাধা দিও)
▶
وَعَاشِرُوهُنَّ
waʿāshirūhunna
এবং তোমরা জীবনযাপন কর তাদের নিয়ে
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۚ
bil-maʿrūfi
সদ্ভাবে
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতঃপর
▶
كَرِهْتُمُوهُنَّ
karih'tumūhunna
তোমরা অপছন্দ কর তাদেরকে
▶
فَعَسَىٰٓ
faʿasā
হতে পারে তবে
▶
أَن
an
যে
▶
تَكْرَهُوا۟
takrahū
তোমরা অপছন্দ কর
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
এক জিনিস
▶
وَيَجْعَلَ
wayajʿala
কিন্তু রেখেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
خَيْرًۭا
khayran
কল্যাণ
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
অনেক
আয়াত 20 - সূরা النساء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنْ أَرَدتُّمُ ٱسْتِبْدَالَ زَوْجٍۢ مَّكَانَ زَوْجٍۢ وَءَاتَيْتُمْ إِحْدَىٰهُنَّ قِنطَارًۭا فَلَا تَأْخُذُوا۟ مِنْهُ شَيْـًٔا ۚ أَتَأْخُذُونَهُۥ بُهْتَـٰنًۭا وَإِثْمًۭا مُّبِينًۭا
যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর এবং তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান করে থাক, তবে তা থেকে কিছুই ফেরত গ্রহণ করো না। তোমরা কি তা অন্যায়ভাবে ও প্রকাশ্য গোনাহর মাধ্যমে গ্রহণ করবে?
▶
وَإِنْ
wa-in
এবং যদি
▶
أَرَدتُّمُ
aradttumu
তোমরা ইচ্ছা করে থাক
▶
ٱسْتِبْدَالَ
is'tib'dāla
পরিবর্তন করতে
▶
زَوْجٍۢ
zawjin
এক স্ত্রী
▶
مَّكَانَ
makāna
জায়গায়
▶
زَوْجٍۢ
zawjin
(অন্য) এক স্ত্রীর
▶
وَءَاتَيْتُمْ
waātaytum
এবং তোমরা দিয়েছ
▶
إِحْدَىٰهُنَّ
iḥ'dāhunna
তাদের কাউকে
▶
قِنطَارًۭا
qinṭāran
অগাধ সম্পদ
▶
فَلَا
falā
না তবুও
▶
تَأْخُذُوا۟
takhudhū
তোমরা গ্রহণ করবে
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
شَيْـًٔا ۚ
shayan
কোন কিছু
▶
أَتَأْخُذُونَهُۥ
atakhudhūnahu
কি তা তোমরা নিবে
▶
بُهْتَـٰنًۭا
buh'tānan
দোষারোপ (করে)
▶
وَإِثْمًۭا
wa-ith'man
ও পাপ (করে)
▶
مُّبِينًۭا
mubīnan
সুস্পষ্ট
আয়াত 21 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَيْفَ تَأْخُذُونَهُۥ وَقَدْ أَفْضَىٰ بَعْضُكُمْ إِلَىٰ بَعْضٍۢ وَأَخَذْنَ مِنكُم مِّيثَـٰقًا غَلِيظًۭا
তোমরা কিরূপে তা গ্রহণ করতে পার, অথচ তোমাদের একজন অন্য জনের কাছে গমন এবং নারীরা তোমাদের কাছে থেকে সুদৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে।
▶
وَكَيْفَ
wakayfa
এবং কিরূপে
▶
تَأْخُذُونَهُۥ
takhudhūnahu
তা তোমরা গ্রহণ করবে
▶
وَقَدْ
waqad
অথচ নিশ্চয়
▶
أَفْضَىٰ
afḍā
স্বাদ নিয়েছ (স্ত্রী মিলনের)
▶
بَعْضُكُمْ
baʿḍukum
তোমাদের একে
▶
إِلَىٰ
ilā
থেকে
▶
بَعْضٍۢ
baʿḍin
অপরের
▶
وَأَخَذْنَ
wa-akhadhna
এবং তারা নিয়েছে
▶
مِنكُم
minkum
তোমাদের থেকে
▶
مِّيثَـٰقًا
mīthāqan
প্রতিশ্রুতি
▶
غَلِيظًۭا
ghalīẓan
দৃঢ়
আয়াত 22 - সূরা النساء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَنكِحُوا۟ مَا نَكَحَ ءَابَآؤُكُم مِّنَ ٱلنِّسَآءِ إِلَّا مَا قَدْ سَلَفَ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ فَـٰحِشَةًۭ وَمَقْتًۭا وَسَآءَ سَبِيلًا
যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করো না। কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَنكِحُوا۟
tankiḥū
তোমরা বিবাহ করো
▶
مَا
mā
যাদের
▶
نَكَحَ
nakaḥa
বিবাহ করেছে
▶
ءَابَآؤُكُم
ābāukum
তোমাদের পিতা (পিতামহ ইত্যাদি)
▶
مِّنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلنِّسَآءِ
l-nisāi
স্ত্রীলোকদের
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
مَا
mā
যা
▶
قَدْ
qad
হয়েছে
▶
سَلَفَ ۚ
salafa
বিগত (সেটা ধর্তব্য নয়)
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তা নিশ্চয়ই
▶
كَانَ
kāna
হল
▶
فَـٰحِشَةًۭ
fāḥishatan
অশ্লীল কাজ
▶
وَمَقْتًۭا
wamaqtan
ও বড়ই অপছন্দনীয়
▶
وَسَآءَ
wasāa
এবং নিকৃষ্ট
▶
سَبِيلًا
sabīlan
আচরণ
আয়াত 23 - সূরা النساء: 54 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَـٰتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَوَٰتُكُمْ وَعَمَّـٰتُكُمْ وَخَـٰلَـٰتُكُمْ وَبَنَاتُ ٱلْأَخِ وَبَنَاتُ ٱلْأُخْتِ وَأُمَّهَـٰتُكُمُ ٱلَّـٰتِىٓ أَرْضَعْنَكُمْ وَأَخَوَٰتُكُم مِّنَ ٱلرَّضَـٰعَةِ وَأُمَّهَـٰتُ نِسَآئِكُمْ وَرَبَـٰٓئِبُكُمُ ٱلَّـٰتِى فِى حُجُورِكُم مِّن نِّسَآئِكُمُ ٱلَّـٰتِى دَخَلْتُم بِهِنَّ فَإِن لَّمْ تَكُونُوا۟ دَخَلْتُم بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ وَحَلَـٰٓئِلُ أَبْنَآئِكُمُ ٱلَّذِينَ مِنْ أَصْلَـٰبِكُمْ وَأَن تَجْمَعُوا۟ بَيْنَ ٱلْأُخْتَيْنِ إِلَّا مَا قَدْ سَلَفَ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ غَفُورًۭا رَّحِيمًۭا
তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।
▶
حُرِّمَتْ
ḥurrimat
নিষিদ্ধ করা হয়েছে (বিবাহ)
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
أُمَّهَـٰتُكُمْ
ummahātukum
তোমাদের মাতাদেরকে
▶
وَبَنَاتُكُمْ
wabanātukum
ও তোমাদের কন্যাদেরকে
▶
وَأَخَوَٰتُكُمْ
wa-akhawātukum
ও তোমাদের বোনদেরকে
▶
وَعَمَّـٰتُكُمْ
waʿammātukum
ও তোমাদের ফুফুদেরকে
▶
وَخَـٰلَـٰتُكُمْ
wakhālātukum
ও তোমাদের খালাদেরকে
▶
وَبَنَاتُ
wabanātu
ও কন্যাদেরকে
▶
ٱلْأَخِ
l-akhi
ভাই এর
▶
وَبَنَاتُ
wabanātu
ও কন্যাদেরকে
▶
ٱلْأُخْتِ
l-ukh'ti
বোনের
▶
وَأُمَّهَـٰتُكُمُ
wa-ummahātukumu
ও তোমাদের (সেই সব) মাতাদেরকে
▶
ٱلَّـٰتِىٓ
allātī
যারা
▶
أَرْضَعْنَكُمْ
arḍaʿnakum
তোমাদের দুধ পান করিয়েছেন
▶
وَأَخَوَٰتُكُم
wa-akhawātukum
ও বোনদের
▶
مِّنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلرَّضَـٰعَةِ
l-raḍāʿati
দুধ পান করান (সম্পর্কিত)
▶
وَأُمَّهَـٰتُ
wa-ummahātu
ও মাতাদেরকে
▶
نِسَآئِكُمْ
nisāikum
তোমাদের স্ত্রীদের
▶
وَرَبَـٰٓئِبُكُمُ
warabāibukumu
ও তোমাদের স্ব-পত্নীদের কন্যাদেরকে
▶
ٱلَّـٰتِى
allātī
যারা
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
حُجُورِكُم
ḥujūrikum
তোমাদের ঘরে (লালিতা-পালিতা)
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
نِّسَآئِكُمُ
nisāikumu
তোমাদের স্ত্রীদের
▶
ٱلَّـٰتِى
allātī
যাদের
▶
دَخَلْتُم
dakhaltum
তোমরা সহবাস করেছ
▶
بِهِنَّ
bihinna
তাদের সাথে
▶
فَإِن
fa-in
যদি তবে
▶
لَّمْ
lam
নাই
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
করে থাক
▶
دَخَلْتُم
dakhaltum
তোমরা সহবাস
▶
بِهِنَّ
bihinna
তাদের সাথে
▶
فَلَا
falā
নাই তবে
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোন দোষ (তাদের কন্যা)
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَحَلَـٰٓئِلُ
waḥalāilu
এবং (নিষিদ্ধ) স্ত্রীরা
▶
أَبْنَآئِكُمُ
abnāikumu
তোমাদের ছেলেদের
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
مِنْ
min
হতে
▶
أَصْلَـٰبِكُمْ
aṣlābikum
তোমাদের ঔরস
▶
وَأَن
wa-an
এবং (এও নিষিদ্ধ) যে
▶
تَجْمَعُوا۟
tajmaʿū
তোমরা একত্রিত করবে
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلْأُخْتَيْنِ
l-ukh'tayni
দুই বোনের
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
مَا
mā
যা
▶
قَدْ
qad
হয়েছে
▶
سَلَفَ ۗ
salafa
অতীত (সেটা ধর্তব্য নয়)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًۭا
raḥīman
মেহেরবান
আয়াত 24 - সূরা النساء: 42 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَٱلْمُحْصَنَـٰتُ مِنَ ٱلنِّسَآءِ إِلَّا مَا مَلَكَتْ أَيْمَـٰنُكُمْ ۖ كِتَـٰبَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ ۚ وَأُحِلَّ لَكُم مَّا وَرَآءَ ذَٰلِكُمْ أَن تَبْتَغُوا۟ بِأَمْوَٰلِكُم مُّحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَـٰفِحِينَ ۚ فَمَا ٱسْتَمْتَعْتُم بِهِۦ مِنْهُنَّ فَـَٔاتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةًۭ ۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَٰضَيْتُم بِهِۦ مِنۢ بَعْدِ ٱلْفَرِيضَةِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًۭا
এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম। এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে, তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়। অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।
▶
۞ وَٱلْمُحْصَنَـٰتُ
wal-muḥ'ṣanātu
এবং (বিবাহ নিষিদ্ধ) (অন্যের) বিবাহাধীন নারীদেরকে
▶
مِنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلنِّسَآءِ
l-nisāi
স্ত্রীলোকদের
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
مَا
mā
যা
▶
مَلَكَتْ
malakat
মালিক হয়েছে
▶
أَيْمَـٰنُكُمْ ۖ
aymānukum
তোমাদের ডান হাত (অর্থাৎ যুদ্ধ বন্দিনী)
▶
كِتَـٰبَ
kitāba
নির্দেশ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
عَلَيْكُمْ ۚ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَأُحِلَّ
wa-uḥilla
এবং হালাল করা হয়েছে
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্য
▶
مَّا
mā
যা (আছে নারী)
▶
وَرَآءَ
warāa
ব্যতীত
▶
ذَٰلِكُمْ
dhālikum
এসব
▶
أَن
an
(এশর্তে) যে
▶
تَبْتَغُوا۟
tabtaghū
তোমরা চাইবে
▶
بِأَمْوَٰلِكُم
bi-amwālikum
তোমাদের ধন-মাল দিয়ে
▶
مُّحْصِنِينَ
muḥ'ṣinīna
বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবে (হিসেবে)
▶
غَيْرَ
ghayra
নয়
▶
مُسَـٰفِحِينَ ۚ
musāfiḥīna
ব্যভিচারী হিসেবে
▶
فَمَا
famā
অতঃপর যা
▶
ٱسْتَمْتَعْتُم
is'tamtaʿtum
তোমরা সম্ভোগ কর
▶
بِهِۦ
bihi
তা
▶
مِنْهُنَّ
min'hunna
তাদের মধ্য হতে
▶
فَـَٔاتُوهُنَّ
faātūhunna
সেজন্য তাদেরকে দাও
▶
أُجُورَهُنَّ
ujūrahunna
মোহরানা তাদের
▶
فَرِيضَةًۭ ۚ
farīḍatan
ফরজ (হিসেবে)
▶
وَلَا
walā
এবং নাই
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোন দোষ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
فِيمَا
fīmā
ঐবিষয়ে যা
▶
تَرَٰضَيْتُم
tarāḍaytum
তোমরা পরস্পর রাজী হও
▶
بِهِۦ
bihi
তা
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
ٱلْفَرِيضَةِ ۚ
l-farīḍati
মোহর নির্ধারণের
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 25 - সূরা النساء: 58 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ مِنكُمْ طَوْلًا أَن يَنكِحَ ٱلْمُحْصَنَـٰتِ ٱلْمُؤْمِنَـٰتِ فَمِن مَّا مَلَكَتْ أَيْمَـٰنُكُم مِّن فَتَيَـٰتِكُمُ ٱلْمُؤْمِنَـٰتِ ۚ وَٱللَّهُ أَعْلَمُ بِإِيمَـٰنِكُم ۚ بَعْضُكُم مِّنۢ بَعْضٍۢ ۚ فَٱنكِحُوهُنَّ بِإِذْنِ أَهْلِهِنَّ وَءَاتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ بِٱلْمَعْرُوفِ مُحْصَنَـٰتٍ غَيْرَ مُسَـٰفِحَـٰتٍۢ وَلَا مُتَّخِذَٰتِ أَخْدَانٍۢ ۚ فَإِذَآ أُحْصِنَّ فَإِنْ أَتَيْنَ بِفَـٰحِشَةٍۢ فَعَلَيْهِنَّ نِصْفُ مَا عَلَى ٱلْمُحْصَنَـٰتِ مِنَ ٱلْعَذَابِ ۚ ذَٰلِكَ لِمَنْ خَشِىَ ٱلْعَنَتَ مِنكُمْ ۚ وَأَن تَصْبِرُوا۟ خَيْرٌۭ لَّكُمْ ۗ وَٱللَّهُ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি স্বাধীন মুসলমান নারীকে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে না, সে তোমাদের অধিকারভুক্ত মুসলিম ক্রীতদাসীদেরকে বিয়ে করবে। আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞাত রয়েছেন। তোমরা পরস্পর এক, অতএব, তাদেরকে তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে, তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী কিংবা উপ-পতি গ্রহণকারিণী হবে না। অতঃপর যখন তারা বিবাহ বন্ধনে এসে যায়, তখন যদি কোন অশ্লীল কাজ করে, তবে তাদেরকে স্বাধীন নারীদের অর্ধেক শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ ব্যবস্থা তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে ভয় করে। আর যদি সবর কর, তবে তা তোমাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَسْتَطِعْ
yastaṭiʿ
সামর্থ্য রাখে
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
طَوْلًا
ṭawlan
উপকরণের
▶
أَن
an
যে
▶
يَنكِحَ
yankiḥa
বিবাহ করবে
▶
ٱلْمُحْصَنَـٰتِ
l-muḥ'ṣanāti
স্বাধীনা
▶
ٱلْمُؤْمِنَـٰتِ
l-mu'mināti
মু'মিনা নারীকে
▶
فَمِن
famin
মধ্য হতে তবে (বিবাহ করবে)
▶
مَّا
mā
যা
▶
مَلَكَتْ
malakat
মালিক হয়েছে
▶
أَيْمَـٰنُكُم
aymānukum
তোমাদের ডান হাত সমূহ
▶
مِّن
min
মধ্য হতে
▶
فَتَيَـٰتِكُمُ
fatayātikumu
তোমাদের ক্রীতদাসীদের
▶
ٱلْمُؤْمِنَـٰتِ ۚ
l-mu'mināti
মু'মিনা
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِإِيمَـٰنِكُم ۚ
biīmānikum
তোমাদের ঈমান সম্পর্কে
▶
بَعْضُكُم
baʿḍukum
তোমাদের এক অংশ (সৃষ্ট)
▶
مِّنۢ
min
হতে
▶
بَعْضٍۢ ۚ
baʿḍin
অন্য অংশ (অর্থাৎ তোমরা সমগোত্রভুক্ত)
▶
فَٱنكِحُوهُنَّ
fa-inkiḥūhunna
অতএব তাদেরকে তোমরা বিবাহ কর
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতি নিয়ে
▶
أَهْلِهِنَّ
ahlihinna
তাদের মালিকের
▶
وَءَاتُوهُنَّ
waātūhunna
এবং তাদের তোমরা দাও
▶
أُجُورَهُنَّ
ujūrahunna
মোহরানা তাদের
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ
bil-maʿrūfi
প্রচলিত পন্থায়
▶
مُحْصَنَـٰتٍ
muḥ'ṣanātin
(ঐসব দাসীদেরকে যারা) সচ্চরিত্রা
▶
غَيْرَ
ghayra
নয়
▶
مُسَـٰفِحَـٰتٍۢ
musāfiḥātin
ব্যভিচারিণী
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
مُتَّخِذَٰتِ
muttakhidhāti
গ্রহণকারিনী
▶
أَخْدَانٍۢ ۚ
akhdānin
উপ-পতি
▶
فَإِذَآ
fa-idhā
যখন অতঃপর
▶
أُحْصِنَّ
uḥ'ṣinna
বিবাহিতা হয়
▶
فَإِنْ
fa-in
যদি তখন
▶
أَتَيْنَ
atayna
লিপ্ত হয়
▶
بِفَـٰحِشَةٍۢ
bifāḥishatin
ব্যভিচারে
▶
فَعَلَيْهِنَّ
faʿalayhinna
তাদের উপর তবে
▶
نِصْفُ
niṣ'fu
অর্ধেক (শাস্তি)
▶
مَا
mā
যা (নির্ধারিত)
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمُحْصَنَـٰتِ
l-muḥ'ṣanāti
স্বাধীনা নারীদের
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْعَذَابِ ۚ
l-ʿadhābi
শাস্তি
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
لِمَنْ
liman
(ঐ ব্যক্তির) জন্য যে
▶
خَشِىَ
khashiya
ভয় করে
▶
ٱلْعَنَتَ
l-ʿanata
ব্যভিচারের
▶
مِنكُمْ ۚ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
وَأَن
wa-an
এবং যদি
▶
تَصْبِرُوا۟
taṣbirū
তোমরা সবর কর
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
لَّكُمْ ۗ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
মেহেরবান
আয়াত 26 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُبَيِّنَ لَكُمْ وَيَهْدِيَكُمْ سُنَنَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ وَيَتُوبَ عَلَيْكُمْ ۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌۭ
আল্লাহ তোমাদের জন্যে সব কিছু পরিষ্কার বর্ণনা করে দিতে চান, তোমাদের পূর্ববর্তীদের পথ প্রদর্শন করতে চান। এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করতে চান, আল্লাহ মহাজ্ঞানী রহস্যবিদ।
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لِيُبَيِّنَ
liyubayyina
বর্ণনা করতে (বিশদভাবে)
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
وَيَهْدِيَكُمْ
wayahdiyakum
ও তোমাদের পথ প্রদর্শন করতে
▶
سُنَنَ
sunana
রীতিনীতি (নেকলোকদের)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা (ছিল)
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِكُمْ
qablikum
তোমাদের পূর্বে
▶
وَيَتُوبَ
wayatūba
এবং ক্ষমা করবেন
▶
عَلَيْكُمْ ۗ
ʿalaykum
তোমাদেরকে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
সর্বজ্ঞ
▶
حَكِيمٌۭ
ḥakīmun
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 27 - সূরা النساء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱللَّهُ يُرِيدُ أَن يَتُوبَ عَلَيْكُمْ وَيُرِيدُ ٱلَّذِينَ يَتَّبِعُونَ ٱلشَّهَوَٰتِ أَن تَمِيلُوا۟ مَيْلًا عَظِيمًۭا
আল্লাহ তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হতে চান, এবং যারা কামনা-বাসনার অনুসারী, তারা চায় যে, তোমরা পথ থেকে অনেক দূরে বিচ্যুত হয়ে পড়।
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চান
▶
أَن
an
যে
▶
يَتُوبَ
yatūba
ক্ষমা করবেন
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদেরকে
▶
وَيُرِيدُ
wayurīdu
এবং চায়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারা) যারা
▶
يَتَّبِعُونَ
yattabiʿūna
অনুসরণ করে
▶
ٱلشَّهَوَٰتِ
l-shahawāti
কুপ্রবৃত্তির
▶
أَن
an
যে
▶
تَمِيلُوا۟
tamīlū
তোমরা ঝুঁকে পড় (পথভ্রষ্টতার দিকে)
▶
مَيْلًا
maylan
ঝুঁকা
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
ভীষণভাবে
আয়াত 28 - সূরা النساء: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يُرِيدُ ٱللَّهُ أَن يُخَفِّفَ عَنكُمْ ۚ وَخُلِقَ ٱلْإِنسَـٰنُ ضَعِيفًۭا
আল্লাহ তোমাদের বোঝা হালকা করতে চান। মানুষ দুর্বল সৃজিত হয়েছে।
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَن
an
(যে)
▶
يُخَفِّفَ
yukhaffifa
হালকা করতে
▶
عَنكُمْ ۚ
ʿankum
তোমাদের থেকে (বোঝা)
▶
وَخُلِقَ
wakhuliqa
আর সৃষ্টি করা হয়েছে
▶
ٱلْإِنسَـٰنُ
l-insānu
মানুষকে
▶
ضَعِيفًۭا
ḍaʿīfan
দুর্বলভাবে
আয়াত 29 - সূরা النساء: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَأْكُلُوٓا۟ أَمْوَٰلَكُم بَيْنَكُم بِٱلْبَـٰطِلِ إِلَّآ أَن تَكُونَ تِجَـٰرَةً عَن تَرَاضٍۢ مِّنكُمْ ۚ وَلَا تَقْتُلُوٓا۟ أَنفُسَكُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًۭا
হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না। কেবলমাত্র তোমাদের পরস্পরের সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয় তা বৈধ। আর তোমরা নিজেদের কাউকে হত্যা করো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের প্রতি দয়ালু।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
لَا
lā
না
▶
تَأْكُلُوٓا۟
takulū
তোমরা খেয়ো
▶
أَمْوَٰلَكُم
amwālakum
তোমাদের মাল-সম্পদ
▶
بَيْنَكُم
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
بِٱلْبَـٰطِلِ
bil-bāṭili
অন্যায়ভাবে
▶
إِلَّآ
illā
তবে (অবশ্যই)
▶
أَن
an
(যে)
▶
تَكُونَ
takūna
হবে
▶
تِجَـٰرَةً
tijāratan
ব্যবসা
▶
عَن
ʿan
ভিত্তিতে
▶
تَرَاضٍۢ
tarāḍin
সন্তোষের
▶
مِّنكُمْ ۚ
minkum
তোমাদের মধ্যকার
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقْتُلُوٓا۟
taqtulū
তোমরা হত্যা করো
▶
أَنفُسَكُمْ ۚ
anfusakum
তোমাদের নিজেদেরকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِكُمْ
bikum
তোমাদের উপর
▶
رَحِيمًۭا
raḥīman
মেহেরবান
আয়াত 30 - সূরা النساء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ عُدْوَٰنًۭا وَظُلْمًۭا فَسَوْفَ نُصْلِيهِ نَارًۭا ۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرًا
আর যে কেউ সীমালঙ্ঘন কিংবা জুলুমের বশবর্তী হয়ে এরূপ করবে, তাকে খুব শীঘ্রই আগুনে নিক্ষেপ করা হবে। এটা আল্লাহর পক্ষে খুবই সহজসাধ্য।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَفْعَلْ
yafʿal
করবে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
عُدْوَٰنًۭا
ʿud'wānan
বাড়াবাড়ি স্বরূপ
▶
وَظُلْمًۭا
waẓul'man
ও জুলুম স্বরূপ
▶
فَسَوْفَ
fasawfa
শীঘ্রই তা হলে
▶
نُصْلِيهِ
nuṣ'līhi
তাকে ঝলসাব আমরা
▶
نَارًۭا ۚ
nāran
আগুনে
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলো
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
يَسِيرًا
yasīran
সহজ
আয়াত 31 - সূরা النساء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن تَجْتَنِبُوا۟ كَبَآئِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنكُمْ سَيِّـَٔاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُم مُّدْخَلًۭا كَرِيمًۭا
যেগুলো সম্পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহ গুলো থেকে বেঁচে থাকতে পার। তবে আমি তোমাদের ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো ক্ষমা করে দেব এবং সম্মান জনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করার।
▶
إِن
in
যদি
▶
تَجْتَنِبُوا۟
tajtanibū
তোমরা বেঁচে চল
▶
كَبَآئِرَ
kabāira
বড় বড় গুনাহ (থেকে)
▶
مَا
mā
যা
▶
تُنْهَوْنَ
tun'hawna
তোমাদের নিষেধ করা হয়
▶
عَنْهُ
ʿanhu
তা থেকে
▶
نُكَفِّرْ
nukaffir
মোচন করব আমরা
▶
عَنكُمْ
ʿankum
তোমাদের থেকে
▶
سَيِّـَٔاتِكُمْ
sayyiātikum
তোমাদের ছোট পাপগুলো
▶
وَنُدْخِلْكُم
wanud'khil'kum
ও তোমাদের আমরা প্রবেশ করাব
▶
مُّدْخَلًۭا
mud'khalan
প্রবেশ পথে
▶
كَرِيمًۭا
karīman
সন্মানজনক
আয়াত 32 - সূরা النساء: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَتَمَنَّوْا۟ مَا فَضَّلَ ٱللَّهُ بِهِۦ بَعْضَكُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ ۚ لِّلرِّجَالِ نَصِيبٌۭ مِّمَّا ٱكْتَسَبُوا۟ ۖ وَلِلنِّسَآءِ نَصِيبٌۭ مِّمَّا ٱكْتَسَبْنَ ۚ وَسْـَٔلُوا۟ ٱللَّهَ مِن فَضْلِهِۦٓ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمًۭا
আর তোমরা আকাঙ্ক্ষা করো না এমন সব বিষয়ে যাতে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের একের উপর অপরের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। পুরুষ যা অর্জন করে সেটা তার অংশ এবং নারী যা অর্জন করে সেটা তার অংশ। আর আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা সর্ব বিষয়ে জ্ঞাত।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَتَمَنَّوْا۟
tatamannaw
তোমরা লোভ করো
▶
مَا
mā
যা
▶
فَضَّلَ
faḍḍala
শ্রেষ্টত্ব দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِهِۦ
bihi
তার
▶
بَعْضَكُمْ
baʿḍakum
তোমাদের কাউকে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
بَعْضٍۢ ۚ
baʿḍin
কারও
▶
لِّلرِّجَالِ
lilrrijāli
পুরুষদের জন্য
▶
نَصِيبٌۭ
naṣībun
অংশ (রয়েছে)
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
ٱكْتَسَبُوا۟ ۖ
ik'tasabū
তারা অর্জন করেছে
▶
وَلِلنِّسَآءِ
walilnnisāi
এবং মহিলাদের জন্য (রয়েছে)
▶
نَصِيبٌۭ
naṣībun
অংশ
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
ٱكْتَسَبْنَ ۚ
ik'tasabna
তারা অর্জন করে
▶
وَسْـَٔلُوا۟
wasalū
এবং চাও তোমরা
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর (কাছে)
▶
مِن
min
হতে
▶
فَضْلِهِۦٓ ۗ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহ
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِكُلِّ
bikulli
সম্বন্ধে সব
▶
شَىْءٍ
shayin
কিছুর
▶
عَلِيمًۭا
ʿalīman
খুব অবহিত
আয়াত 33 - সূরা النساء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِكُلٍّۢ جَعَلْنَا مَوَٰلِىَ مِمَّا تَرَكَ ٱلْوَٰلِدَانِ وَٱلْأَقْرَبُونَ ۚ وَٱلَّذِينَ عَقَدَتْ أَيْمَـٰنُكُمْ فَـَٔاتُوهُمْ نَصِيبَهُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ شَهِيدًا
পিতা-মাতা এবং নিকটাত্নীয়গণ যা ত্যাগ করে যান সেসবের জন্যই আমি উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে দিয়েছি। আর যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছ তাদের প্রাপ্য দিয়ে দাও। আল্লাহ তা’আলা নিঃসন্দেহে সব কিছুই প্রত্যক্ষ করেন।
▶
وَلِكُلٍّۢ
walikullin
এবং প্রত্যেকের জন্য
▶
جَعَلْنَا
jaʿalnā
আমরা বানিয়েছি
▶
مَوَٰلِىَ
mawāliya
উত্তরাধিকারী
▶
مِمَّا
mimmā
তাহতে যা
▶
تَرَكَ
taraka
ত্যাগ করেছে
▶
ٱلْوَٰلِدَانِ
l-wālidāni
পিতা মাতা
▶
وَٱلْأَقْرَبُونَ ۚ
wal-aqrabūna
এবং আত্মীয় স্বজনরা (তাদের)
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
আর যাদের (সাথে)
▶
عَقَدَتْ
ʿaqadat
আবদ্ধ হয়েছে
▶
أَيْمَـٰنُكُمْ
aymānukum
তোমাদের অঙ্গীকার
▶
فَـَٔاتُوهُمْ
faātūhum
সেক্ষেত্রে তাদেরকে দাও
▶
نَصِيبَهُمْ ۚ
naṣībahum
তাদের অংশ
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুরই
▶
شَهِيدًا
shahīdan
পর্যবেক্ষক
আয়াত 34 - সূরা النساء: 40 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلرِّجَالُ قَوَّٰمُونَ عَلَى ٱلنِّسَآءِ بِمَا فَضَّلَ ٱللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ وَبِمَآ أَنفَقُوا۟ مِنْ أَمْوَٰلِهِمْ ۚ فَٱلصَّـٰلِحَـٰتُ قَـٰنِتَـٰتٌ حَـٰفِظَـٰتٌۭ لِّلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ ٱللَّهُ ۚ وَٱلَّـٰتِى تَخَافُونَ نُشُوزَهُنَّ فَعِظُوهُنَّ وَٱهْجُرُوهُنَّ فِى ٱلْمَضَاجِعِ وَٱضْرِبُوهُنَّ ۖ فَإِنْ أَطَعْنَكُمْ فَلَا تَبْغُوا۟ عَلَيْهِنَّ سَبِيلًا ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيًّۭا كَبِيرًۭا
পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।
▶
ٱلرِّجَالُ
al-rijālu
পুরুষেরা
▶
قَوَّٰمُونَ
qawwāmūna
পরিচালক
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلنِّسَآءِ
l-nisāi
নারীদের
▶
بِمَا
bimā
এ জন্য যে
▶
فَضَّلَ
faḍḍala
বিশিষ্টতা দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بَعْضَهُمْ
baʿḍahum
তাদের কাউকে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
بَعْضٍۢ
baʿḍin
কারও
▶
وَبِمَآ
wabimā
এবং এ জন্যও যে
▶
أَنفَقُوا۟
anfaqū
তারা খরচ করে
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
أَمْوَٰلِهِمْ ۚ
amwālihim
তাদের মাল সম্পদ
▶
فَٱلصَّـٰلِحَـٰتُ
fal-ṣāliḥātu
অতএব (যারা) সৎ মহিলা
▶
قَـٰنِتَـٰتٌ
qānitātun
আনুগত্য পরায়না (হয়ে থাকে)
▶
حَـٰفِظَـٰتٌۭ
ḥāfiẓātun
(তারা) রক্ষণাবেক্ষণ কারিনী
▶
لِّلْغَيْبِ
lil'ghaybi
লোক চক্ষুর অন্তরালে
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
حَفِظَ
ḥafiẓa
হিফাজত করেছেন
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَٱلَّـٰتِى
wa-allātī
এবং যাদেরকে
▶
تَخَافُونَ
takhāfūna
তোমরা ভয় কর
▶
نُشُوزَهُنَّ
nushūzahunna
তাদের অবাধ্যতার
▶
فَعِظُوهُنَّ
faʿiẓūhunna
তোমরা তবে উপদেশ দাও তাদেরকে
▶
وَٱهْجُرُوهُنَّ
wa-uh'jurūhunna
ও তাদেরকে তোমরা ত্যাগ কর (একাকী)
▶
فِى
fī
উপর
▶
ٱلْمَضَاجِعِ
l-maḍājiʿi
শয্যার
▶
وَٱضْرِبُوهُنَّ ۖ
wa-iḍ'ribūhunna
ও তোমরা মার তাদেরকে
▶
فَإِنْ
fa-in
যদি অতঃপর
▶
أَطَعْنَكُمْ
aṭaʿnakum
তোমাদের তারা অনুগত হয়
▶
فَلَا
falā
না তবে
▶
تَبْغُوا۟
tabghū
তোমরা তালাশ করো
▶
عَلَيْهِنَّ
ʿalayhinna
তাদের বিরুদ্ধে
▶
سَبِيلًا ۗ
sabīlan
কোন বাহানা
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
عَلِيًّۭا
ʿaliyyan
উচ্চতর
▶
كَبِيرًۭا
kabīran
শ্রেষ্ট
আয়াত 35 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَٱبْعَثُوا۟ حَكَمًۭا مِّنْ أَهْلِهِۦ وَحَكَمًۭا مِّنْ أَهْلِهَآ إِن يُرِيدَآ إِصْلَـٰحًۭا يُوَفِّقِ ٱللَّهُ بَيْنَهُمَآ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا خَبِيرًۭا
যদি তাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার মত পরিস্থিতিরই আশঙ্কা কর, তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে। তারা উভয়ের মীমাংসা চাইলে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছু অবহিত।
▶
وَإِنْ
wa-in
এবং যদি
▶
خِفْتُمْ
khif'tum
তোমরা আশঙ্কা কর
▶
شِقَاقَ
shiqāqa
সম্পর্কচ্ছেদের
▶
بَيْنِهِمَا
baynihimā
তাদের দুজনের মাঝে
▶
فَٱبْعَثُوا۟
fa-ib'ʿathū
তোমরা তবে নিযুক্ত কর
▶
حَكَمًۭا
ḥakaman
একজন সালিশ
▶
مِّنْ
min
মধ্যহতে
▶
أَهْلِهِۦ
ahlihi
তাঁর পরিবারের (অর্থাৎ স্বামীর)
▶
وَحَكَمًۭا
waḥakaman
ও একজন সালিশ
▶
مِّنْ
min
মধ্যে হতে
▶
أَهْلِهَآ
ahlihā
তার পরিবারের (অর্থাৎ স্ত্রীর)
▶
إِن
in
যদি
▶
يُرِيدَآ
yurīdā
দুজনে চায়
▶
إِصْلَـٰحًۭا
iṣ'lāḥan
মীমাংসা
▶
يُوَفِّقِ
yuwaffiqi
তৌফিক দিবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بَيْنَهُمَآ ۗ
baynahumā
তাদের দুজনের মাঝে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
▶
خَبِيرًۭا
khabīran
খুব অবহিত
আয়াত 36 - সূরা النساء: 32 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا۟ بِهِۦ شَيْـًۭٔا ۖ وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ إِحْسَـٰنًۭا وَبِذِى ٱلْقُرْبَىٰ وَٱلْيَتَـٰمَىٰ وَٱلْمَسَـٰكِينِ وَٱلْجَارِ ذِى ٱلْقُرْبَىٰ وَٱلْجَارِ ٱلْجُنُبِ وَٱلصَّاحِبِ بِٱلْجَنۢبِ وَٱبْنِ ٱلسَّبِيلِ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَـٰنُكُمْ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ مَن كَانَ مُخْتَالًۭا فَخُورًا
আর উপাসনা কর আল্লাহর, শরীক করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে। পিতা-মাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর এবং নিকটাত্নীয়, এতীম-মিসকীন, প্রতিবেশী, অসহায় মুসাফির এবং নিজের দাস-দাসীর প্রতিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক-গর্বিতজনকে।
▶
۞ وَٱعْبُدُوا۟
wa-uʿ'budū
এবং তোমরা ইবাদাত কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَلَا
walā
ও না
▶
تُشْرِكُوا۟
tush'rikū
তোমরা শিরক করো
▶
بِهِۦ
bihi
তাঁর সাথে
▶
شَيْـًۭٔا ۖ
shayan
কোন কিছুকে
▶
وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ
wabil-wālidayni
ও পিতা মাতার সাথে
▶
إِحْسَـٰنًۭا
iḥ'sānan
সৎ ব্যবহার (করবে)
▶
وَبِذِى
wabidhī
এবং সাথে
▶
ٱلْقُرْبَىٰ
l-qur'bā
আত্মীয়-স্বজনদের সাথে
▶
وَٱلْيَتَـٰمَىٰ
wal-yatāmā
ও ইয়াতীমদের
▶
وَٱلْمَسَـٰكِينِ
wal-masākīni
ও অভাবগ্রস্তদের
▶
وَٱلْجَارِ
wal-jāri
ও প্রতিবেশী
▶
ذِى
dhī
(চিরকাল)
▶
ٱلْقُرْبَىٰ
l-qur'bā
আত্মীয়
▶
وَٱلْجَارِ
wal-jāri
ও প্রতিবেশী
▶
ٱلْجُنُبِ
l-junubi
দূরের (অর্থাৎ অনাত্মীয়ও)
▶
وَٱلصَّاحِبِ
wal-ṣāḥibi
ও সাথী
▶
بِٱلْجَنۢبِ
bil-janbi
পাশাপাশি চলার
▶
وَٱبْنِ
wa-ib'ni
ও
▶
ٱلسَّبِيلِ
l-sabīli
পথ চারী
▶
وَمَا
wamā
ও যা
▶
مَلَكَتْ
malakat
মালিক হয়েছে
▶
أَيْمَـٰنُكُمْ ۗ
aymānukum
তোমাদের ডান হাত (সবার সাথে ভাল ব্যবহার করবে)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
পছন্দ করেন
▶
مَن
man
(তাকে) যে
▶
كَانَ
kāna
হল
▶
مُخْتَالًۭا
mukh'tālan
দাম্ভিক
▶
فَخُورًا
fakhūran
গর্বকারী
আয়াত 37 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَبْخَلُونَ وَيَأْمُرُونَ ٱلنَّاسَ بِٱلْبُخْلِ وَيَكْتُمُونَ مَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ ۗ وَأَعْتَدْنَا لِلْكَـٰفِرِينَ عَذَابًۭا مُّهِينًۭا
যারা নিজেরাও কার্পন্য করে এবং অন্যকেও কৃপণতা শিক্ষা দেয় আর গোপন করে সে সব বিষয় যা আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে দান করেছেন স্বীয় অনুগ্রহে-বস্তুতঃ তৈরী করে রেখেছি কাফেরদের জন্য অপমান জনক আযাব।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَبْخَلُونَ
yabkhalūna
কৃপণতা করে
▶
وَيَأْمُرُونَ
wayamurūna
ও নির্দেশ দেয়
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষকে
▶
بِٱلْبُخْلِ
bil-bukh'li
কৃপণতার জন্য
▶
وَيَكْتُمُونَ
wayaktumūna
ও গোপন করে
▶
مَآ
mā
যা
▶
ءَاتَىٰهُمُ
ātāhumu
তাদের দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِن
min
হতে
▶
فَضْلِهِۦ ۗ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহ
▶
وَأَعْتَدْنَا
wa-aʿtadnā
এবং আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
এমন অকৃতজ্ঞদের জন্য
▶
عَذَابًۭا
ʿadhāban
আজাব
▶
مُّهِينًۭا
muhīnan
অপমানকর
আয়াত 38 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَٰلَهُمْ رِئَآءَ ٱلنَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَلَا بِٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ ۗ وَمَن يَكُنِ ٱلشَّيْطَـٰنُ لَهُۥ قَرِينًۭا فَسَآءَ قَرِينًۭا
আর সে সমস্ত লোক যারা ব্যয় করে স্বীয় ধন-সম্পদ লোক-দেখানোর উদ্দেশে এবং যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনে না, ঈমান আনে না কেয়ামত দিবসের প্রতি এবং শয়তান যার সাথী হয় সে হল নিকৃষ্টতর সাথী।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
খুরচ করে
▶
أَمْوَٰلَهُمْ
amwālahum
তাদের সম্পদ গুলো
▶
رِئَآءَ
riāa
দেখানোর জন্য
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদেরকে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
ঈমান আনে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
بِٱلْيَوْمِ
bil-yawmi
দিনের উপর
▶
ٱلْـَٔاخِرِ ۗ
l-ākhiri
আখিরাতের
▶
وَمَن
waman
এবং যার
▶
يَكُنِ
yakuni
হবে
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
قَرِينًۭا
qarīnan
সঙ্গী
▶
فَسَآءَ
fasāa
অতি অতঃপর খারাপ
▶
قَرِينًۭا
qarīnan
সঙ্গী (তার জুটেছে)
আয়াত 39 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَاذَا عَلَيْهِمْ لَوْ ءَامَنُوا۟ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ وَأَنفَقُوا۟ مِمَّا رَزَقَهُمُ ٱللَّهُ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِهِمْ عَلِيمًا
আর কিই বা ক্ষতি হত তাদের যদি তারা ঈমান আনত আল্লাহর উপর কেয়ামত দিবসের উপর এবং যদি ব্যয় করত আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক থেকে! অথচ আল্লাহ, তাদের ব্যাপারে যথার্থভাবেই অবগত।
▶
وَمَاذَا
wamādhā
এবং কি (হত)
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
لَوْ
law
যদি
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
তারা ঈমান আনত
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনে
▶
ٱلْـَٔاخِرِ
l-ākhiri
আখিরাতের
▶
وَأَنفَقُوا۟
wa-anfaqū
ও তারা খরচ করত
▶
مِمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
رَزَقَهُمُ
razaqahumu
তাদের রিয্ক দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِهِمْ
bihim
তাদের সম্পর্কে
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
খুব অবগত
আয়াত 40 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَظْلِمُ مِثْقَالَ ذَرَّةٍۢ ۖ وَإِن تَكُ حَسَنَةًۭ يُضَـٰعِفْهَا وَيُؤْتِ مِن لَّدُنْهُ أَجْرًا عَظِيمًۭا
নিশ্চয়ই আল্লাহ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না; আর যদি তা সৎকর্ম হয়, তবে তাকে দ্বিগুণ করে দেন এবং নিজের পক্ষ থেকে বিপুল সওয়াব দান করেন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَظْلِمُ
yaẓlimu
জুলুম করেন
▶
مِثْقَالَ
mith'qāla
পরিমাণ (কারও উপরে)
▶
ذَرَّةٍۢ ۖ
dharratin
অনু
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَكُ
taku
হয়
▶
حَسَنَةًۭ
ḥasanatan
নেকী (কারও)
▶
يُضَـٰعِفْهَا
yuḍāʿif'hā
তা দ্বিগুন করেন (তার জন্য)
▶
وَيُؤْتِ
wayu'ti
এবং দেন
▶
مِن
min
থেকে
▶
لَّدُنْهُ
ladun'hu
তাঁর নিক
▶
أَجْرًا
ajran
পুরস্কার
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 41 - সূরা النساء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِن كُلِّ أُمَّةٍۭ بِشَهِيدٍۢ وَجِئْنَا بِكَ عَلَىٰ هَـٰٓؤُلَآءِ شَهِيدًۭا
আর তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে, যখন আমি ডেকে আনব প্রতিটি উম্মতের মধ্য থেকে অবস্থা বর্ণনাকারী এবং আপনাকে ডাকব তাদের উপর অবস্থা বর্ণনাকারীরূপে।
▶
فَكَيْفَ
fakayfa
কেমন অতঃপর (হবে)
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
جِئْنَا
ji'nā
আমরা হাজির করব
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক
▶
أُمَّةٍۭ
ummatin
উম্মতের
▶
بِشَهِيدٍۢ
bishahīdin
একজন সাক্ষী
▶
وَجِئْنَا
waji'nā
এবং আমরা হাজির করব
▶
بِكَ
bika
তোমাকে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
তাদের
▶
شَهِيدًۭا
shahīdan
সাক্ষী হিসেবে
আয়াত 42 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَئِذٍۢ يَوَدُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَعَصَوُا۟ ٱلرَّسُولَ لَوْ تُسَوَّىٰ بِهِمُ ٱلْأَرْضُ وَلَا يَكْتُمُونَ ٱللَّهَ حَدِيثًۭا
সেদিন কামনা করবে সে সমস্ত লোক, যারা কাফের হয়েছিল এবং রসূলের নাফরমানী করেছিল, যেন যমীনের সাথে মিশে যায়। কিন্তু গোপন করতে পারবে না আল্লাহর নিকট কোন বিষয়।
▶
يَوْمَئِذٍۢ
yawma-idhin
সে দিন
▶
يَوَدُّ
yawaddu
কামনা করবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফুরী করেছে
▶
وَعَصَوُا۟
waʿaṣawū
ও অবাধ্যতা করেছে
▶
ٱلرَّسُولَ
l-rasūla
রাসূলের
▶
لَوْ
law
যদি
▶
تُسَوَّىٰ
tusawwā
মিশিয়ে দেয়া হত
▶
بِهِمُ
bihimu
তাদেরকে
▶
ٱلْأَرْضُ
l-arḍu
জমিনে
▶
وَلَا
walā
কিন্তু (তবুও) না
▶
يَكْتُمُونَ
yaktumūna
গোপন করতে পারবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ (থেকে)
▶
حَدِيثًۭا
ḥadīthan
কোন-কথা
আয়াত 43 - সূরা النساء: 48 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَقْرَبُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنتُمْ سُكَـٰرَىٰ حَتَّىٰ تَعْلَمُوا۟ مَا تَقُولُونَ وَلَا جُنُبًا إِلَّا عَابِرِى سَبِيلٍ حَتَّىٰ تَغْتَسِلُوا۟ ۚ وَإِن كُنتُم مَّرْضَىٰٓ أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ أَوْ جَآءَ أَحَدٌۭ مِّنكُم مِّنَ ٱلْغَآئِطِ أَوْ لَـٰمَسْتُمُ ٱلنِّسَآءَ فَلَمْ تَجِدُوا۟ مَآءًۭ فَتَيَمَّمُوا۟ صَعِيدًۭا طَيِّبًۭا فَٱمْسَحُوا۟ بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُمْ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَفُوًّا غَفُورًا
হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ, আর (নামাযের কাছে যেও না) ফরয গোসলের আবস্থায়ও যতক্ষণ না গোসল করে নাও। কিন্তু মুসাফির অবস্থার কথা স্বতন্ত্র আর যদি তোমরা অসুস্থ হয়ে থাক কিংবা সফরে থাক অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রস্রাব-পায়খানা থেকে এসে থাকে কিংবা নারী গমন করে থাকে, কিন্তু পরে যদি পানিপ্রাপ্তি সম্ভব না হয়, তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-তাতে মুখমন্ডল ও হাতকে ঘষে নাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
تَقْرَبُوا۟
taqrabū
তোমরা কাছে যেয়ো
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সলাতের
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
যখন তোমরা
▶
سُكَـٰرَىٰ
sukārā
নেশাগ্রস্ত (থাকবে)
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতঃক্ষণ না
▶
تَعْلَمُوا۟
taʿlamū
তোমরা বুঝতে পার
▶
مَا
mā
যা
▶
تَقُولُونَ
taqūlūna
তোমরা বলছ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
جُنُبًا
junuban
অপবিত্র অবস্থায় (সলাত পড়বে)
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
عَابِرِى
ʿābirī
অতিক্রমকারী হলে
▶
سَبِيلٍ
sabīlin
পথ (অন্যকথা)
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতঃক্ষণ না
▶
تَغْتَسِلُوا۟ ۚ
taghtasilū
তোমরা গোসল কর
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হও
▶
مَّرْضَىٰٓ
marḍā
অসুস্থ
▶
أَوْ
aw
বা
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
سَفَرٍ
safarin
সফরের
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
جَآءَ
jāa
আসে
▶
أَحَدٌۭ
aḥadun
কেউ
▶
مِّنكُم
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱلْغَآئِطِ
l-ghāiṭi
পায়খানা (প্রস্রাব পায়খানা করে)
▶
أَوْ
aw
বা
▶
لَـٰمَسْتُمُ
lāmastumu
তোমরা সহবাস কর
▶
ٱلنِّسَآءَ
l-nisāa
স্ত্রীদের (সাথে)
▶
فَلَمْ
falam
না অতঃপর
▶
تَجِدُوا۟
tajidū
তোমরা পাও
▶
مَآءًۭ
māan
পানি
▶
فَتَيَمَّمُوا۟
fatayammamū
তোমরা তবে তায়াম্মুম কর
▶
صَعِيدًۭا
ṣaʿīdan
মাটি দিয়ে
▶
طَيِّبًۭا
ṭayyiban
পবিত্র
▶
فَٱمْسَحُوا۟
fa-im'saḥū
অতঃপর তোমরা মাসেহ কর
▶
بِوُجُوهِكُمْ
biwujūhikum
তোমাদের মুখমন্ডলকে
▶
وَأَيْدِيكُمْ ۗ
wa-aydīkum
ও তোমাদের হাতগুলোকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
عَفُوًّا
ʿafuwwan
মাফকারী
▶
غَفُورًا
ghafūran
ক্ষমাশীল
আয়াত 44 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ نَصِيبًۭا مِّنَ ٱلْكِتَـٰبِ يَشْتَرُونَ ٱلضَّلَـٰلَةَ وَيُرِيدُونَ أَن تَضِلُّوا۟ ٱلسَّبِيلَ
তুমি কি ওদের দেখনি, যারা কিতাবের কিছু অংশ প্রাপ্ত হয়েছে, (অথচ) তারা পথভ্রষ্টতা খরিদ করে এবং কামনা করে, যাতে তোমরাও আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত হয়ে যাও।
▶
أَلَمْ
alam
নাই কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখ
▶
إِلَى
ilā
তাদের প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছিল
▶
نَصِيبًۭا
naṣīban
এক অংশ
▶
مِّنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের (জ্ঞানের)
▶
يَشْتَرُونَ
yashtarūna
তারা ক্রয় করে
▶
ٱلضَّلَـٰلَةَ
l-ḍalālata
পথ-ভ্রষ্টতা
▶
وَيُرِيدُونَ
wayurīdūna
ও তারা কামনা করে
▶
أَن
an
যে
▶
تَضِلُّوا۟
taḍillū
তোমরা হারিয়ে ফেল
▶
ٱلسَّبِيلَ
l-sabīla
(সঠিক) পথ
আয়াত 45 - সূরা النساء: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱللَّهُ أَعْلَمُ بِأَعْدَآئِكُمْ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَلِيًّۭا وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ نَصِيرًۭا
অথচ আল্লাহ তোমাদের শত্রুদেরকে যথার্থই জানেন। আর অভিভাবক হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসাবেও আল্লাহই যথেষ্ট।
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِأَعْدَآئِكُمْ ۚ
bi-aʿdāikum
তোমাদের শত্রুদের সম্পর্কে
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
وَلِيًّۭا
waliyyan
অভিভাবক হিসেবে
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
ও যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
نَصِيرًۭا
naṣīran
সাহায্যকারী হিসেবে
আয়াত 46 - সূরা النساء: 38 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مِّنَ ٱلَّذِينَ هَادُوا۟ يُحَرِّفُونَ ٱلْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِۦ وَيَقُولُونَ سَمِعْنَا وَعَصَيْنَا وَٱسْمَعْ غَيْرَ مُسْمَعٍۢ وَرَٰعِنَا لَيًّۢا بِأَلْسِنَتِهِمْ وَطَعْنًۭا فِى ٱلدِّينِ ۚ وَلَوْ أَنَّهُمْ قَالُوا۟ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَٱسْمَعْ وَٱنظُرْنَا لَكَانَ خَيْرًۭا لَّهُمْ وَأَقْوَمَ وَلَـٰكِن لَّعَنَهُمُ ٱللَّهُ بِكُفْرِهِمْ فَلَا يُؤْمِنُونَ إِلَّا قَلِيلًۭا
কোন কোন ইহুদী তার লক্ষ্য থেকে কথার মোড় ঘুড়িয়ে নেয় এবং বলে, আমরা শুনেছি কিন্তু অমান্য করছি। তারা আরো বলে, শোন, না শোনার মত। মুখ বাঁকিয়ে দ্বীনের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শনের উদ্দেশে বলে, রায়েনা’ (আমাদের রাখাল)। অথচ যদি তারা বলত যে, আমরা শুনেছি ও মান্য করেছি এবং (যদি বলত, ) শোন এবং আমাদের প্রতি লক্ষ্য রাখ, তবে তাই ছিল তাদের জন্য উত্তম আর সেটাই ছিল যথার্থ ও সঠিক। কিন্তু আল্লাহ তাদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন তাদের কুফরীর দরুন। অতএব, তারা ঈমান আনছে না, কিন্তু অতি অল্পসংখ্যক।
▶
مِّنَ
mina
(তাদের) মধ্য হতে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
هَادُوا۟
hādū
ইহুদী হয়েছে
▶
يُحَرِّفُونَ
yuḥarrifūna
তারা বিকৃত করে
▶
ٱلْكَلِمَ
l-kalima
শব্দগুলোকে
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
مَّوَاضِعِهِۦ
mawāḍiʿihi
তাঁর জায়গাগুলো (অর্থ মূলঅর্থ হতে)
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
এবং তারা বলে
▶
سَمِعْنَا
samiʿ'nā
''আমরা শুনলাম
▶
وَعَصَيْنَا
waʿaṣaynā
কিন্তু আমরা অমান্য করলাম''
▶
وَٱسْمَعْ
wa-is'maʿ
ও শুনুন
▶
غَيْرَ
ghayra
ব্যতীত
▶
مُسْمَعٍۢ
mus'maʿin
শুনা
▶
وَرَٰعِنَا
warāʿinā
এবং (বলে) 'রাইনা'''
▶
لَيًّۢا
layyan
মুড়া দিয়ে
▶
بِأَلْسِنَتِهِمْ
bi-alsinatihim
তাদের জিহ্বাগুলো (অর্থ বিকৃত করার জন্য)
▶
وَطَعْنًۭا
waṭaʿnan
ও তাচ্ছিল্য করে
▶
فِى
fī
ক্ষেত্রে
▶
ٱلدِّينِ ۚ
l-dīni
দ্বীনের
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
أَنَّهُمْ
annahum
তারা বাস্তবিক
▶
قَالُوا۟
qālū
বলত
▶
سَمِعْنَا
samiʿ'nā
''আমরা শুনলাম
▶
وَأَطَعْنَا
wa-aṭaʿnā
এবং আমরা মানলাম''
▶
وَٱسْمَعْ
wa-is'maʿ
ও শুনুন
▶
وَٱنظُرْنَا
wa-unẓur'nā
ও আমাদের প্রতি লক্ষ্য করুন
▶
لَكَانَ
lakāna
হত নিশ্চয়
▶
خَيْرًۭا
khayran
উত্তম
▶
لَّهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
وَأَقْوَمَ
wa-aqwama
ও সংগত (হত)
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
لَّعَنَهُمُ
laʿanahumu
তাদের অভিশাপ দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِكُفْرِهِمْ
bikuf'rihim
কুফরীর কারণে তাদের
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
তারা ঈমান আনবে
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
অল্প সংখ্যক
আয়াত 47 - সূরা النساء: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ ءَامِنُوا۟ بِمَا نَزَّلْنَا مُصَدِّقًۭا لِّمَا مَعَكُم مِّن قَبْلِ أَن نَّطْمِسَ وُجُوهًۭا فَنَرُدَّهَا عَلَىٰٓ أَدْبَارِهَآ أَوْ نَلْعَنَهُمْ كَمَا لَعَنَّآ أَصْحَـٰبَ ٱلسَّبْتِ ۚ وَكَانَ أَمْرُ ٱللَّهِ مَفْعُولًا
হে আসমানী গ্রন্থের অধিকারীবৃন্দ! যা কিছু আমি অবতীর্ণ করেছি তার উপর বিশ্বাস স্থাপন কর, যা সে গ্রন্থের সত্যায়ন করে এবং যা তোমাদের নিকট রয়েছে পূর্ব থেকে। (বিশ্বাস স্থাপন কর) এমন হওয়ার আগেই যে, আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে এবং অতঃপর সেগুলোকে ঘুরিয়ে দেব পশ্চাৎ দিকে কিংবা অভিসম্পাত করব তাদের প্রতি যেমন করে অভিসম্পাত করেছি আছহাবে-সাবতের উপর। আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর হবে।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
ءَامِنُوا۟
āminū
তোমরা ঈমান আন
▶
بِمَا
bimā
ঐবিষয়ে যা
▶
نَزَّلْنَا
nazzalnā
আমরা নাযিল করেছি
▶
مُصَدِّقًۭا
muṣaddiqan
সত্যায়নকারী
▶
لِّمَا
limā
সেটারও যা
▶
مَعَكُم
maʿakum
তোমাদের (আছে)
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِ
qabli
ইতিপূর্বে
▶
أَن
an
যে
▶
نَّطْمِسَ
naṭmisa
বিকৃত করব আমরা
▶
وُجُوهًۭا
wujūhan
মুখের আকৃতি
▶
فَنَرُدَّهَا
fanaruddahā
অতঃপর ফিরাবো আমরা তা
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
উপর
▶
أَدْبَارِهَآ
adbārihā
তার পিছন দিয়ে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
نَلْعَنَهُمْ
nalʿanahum
তাদের অভিশাপ দেব আমরা
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
لَعَنَّآ
laʿannā
আমরা অভিশাপ দিয়েছিলাম
▶
أَصْحَـٰبَ
aṣḥāba
ওয়ালাদেরকে
▶
ٱلسَّبْتِ ۚ
l-sabti
শনিবার
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হয় ই
▶
أَمْرُ
amru
আদেশ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
مَفْعُولًا
mafʿūlan
কার্যকরী
আয়াত 48 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِۦ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُ ۚ وَمَن يُشْرِكْ بِٱللَّهِ فَقَدِ ٱفْتَرَىٰٓ إِثْمًا عَظِيمًا
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَغْفِرُ
yaghfiru
মাফ করেন
▶
أَن
an
(যে)
▶
يُشْرَكَ
yush'raka
শিরক করাকে
▶
بِهِۦ
bihi
তার সাথে
▶
وَيَغْفِرُ
wayaghfiru
কিন্তু মাফ করেন
▶
مَا
mā
যা (আছে)
▶
دُونَ
dūna
ছাড়া
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা (অর্থাৎ শিরক)
▶
لِمَن
liman
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি ইচ্ছা করেন
▶
وَمَن
waman
এবং যে কেউ
▶
يُشْرِكْ
yush'rik
শিরক করে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর সাথে
▶
فَقَدِ
faqadi
নিশ্চয়ই তবে
▶
ٱفْتَرَىٰٓ
if'tarā
সে রচনা করল
▶
إِثْمًا
ith'man
গুনাহ
▶
عَظِيمًا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 49 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ يُزَكُّونَ أَنفُسَهُم ۚ بَلِ ٱللَّهُ يُزَكِّى مَن يَشَآءُ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلًا
তুমি কি তাদেকে দেখনি, যারা নিজেদেরকে পূত-পবিত্র বলে থাকে অথচ পবিত্র করেন আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকেই? বস্তুতঃ তাদের উপর সুতা পরিমাণ অন্যায়ও হবে না।
▶
أَلَمْ
alam
নাই কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখ
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
يُزَكُّونَ
yuzakkūna
পবিত্র করেছে (বলে দাবী করে)
▶
أَنفُسَهُم ۚ
anfusahum
তাদের নিজেদেরকে
▶
بَلِ
bali
বরং
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্ই
▶
يُزَكِّى
yuzakkī
পবিত্র করেন
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُظْلَمُونَ
yuẓ'lamūna
জুলুম করা হয় (কারও প্রতি)
▶
فَتِيلًا
fatīlan
সুতা পরিমাণও
আয়াত 50 - সূরা النساء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱنظُرْ كَيْفَ يَفْتَرُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلْكَذِبَ ۖ وَكَفَىٰ بِهِۦٓ إِثْمًۭا مُّبِينًا
লক্ষ্য কর, কেমন করে তারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে, অথচ এই প্রকাশ্য পাপই যথেষ্ট।
▶
ٱنظُرْ
unẓur
লক্ষ্য কর
▶
كَيْفَ
kayfa
কেমন
▶
يَفْتَرُونَ
yaftarūna
তারা রচনা করে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
ٱلْكَذِبَ ۖ
l-kadhiba
মিথ্যার
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِهِۦٓ
bihi
তা
▶
إِثْمًۭا
ith'man
গুনাহ (হিসেবে)
▶
مُّبِينًا
mubīnan
সুস্পষ্ট
আয়াত 51 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ نَصِيبًۭا مِّنَ ٱلْكِتَـٰبِ يُؤْمِنُونَ بِٱلْجِبْتِ وَٱلطَّـٰغُوتِ وَيَقُولُونَ لِلَّذِينَ كَفَرُوا۟ هَـٰٓؤُلَآءِ أَهْدَىٰ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ سَبِيلًا
তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা কিতাবের কিছু অংশ প্রাপ্ত হয়েছে, যারা মান্য করে প্রতিমা ও শয়তানকে এবং কাফেরদেরকে বলে যে, এরা মুসলমানদের তুলনায় অধিকতর সরল সঠিক পথে রয়েছে।
▶
أَلَمْ
alam
নাই কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখ
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেওয়া হয়েছিল
▶
نَصِيبًۭا
naṣīban
এক অংশ
▶
مِّنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের (জ্ঞানের)
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
তারা বিশ্বাস করে
▶
بِٱلْجِبْتِ
bil-jib'ti
জিবতের' উপর
▶
وَٱلطَّـٰغُوتِ
wal-ṭāghūti
এবং তাগুতের (উপর)
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
ও তারা বলে
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
যারা (তাদেরকে)
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
''এরা
▶
أَهْدَىٰ
ahdā
অধিকতর সঠিক
▶
مِنَ
mina
(তাদের) চেয়ে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
سَبِيلًا
sabīlan
পথ (প্রাপ্তির ব্যাপারে)
আয়াত 52 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ لَعَنَهُمُ ٱللَّهُ ۖ وَمَن يَلْعَنِ ٱللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُۥ نَصِيرًا
এরা হলো সে সমস্ত লোক, যাদের উপর লা’নত করেছেন আল্লাহ তা’আলা স্বয়ং। বস্তুতঃ আল্লাহ যার উপর লা’নত করেন তুমি তার কোন সাহায্যকারী খুঁজে পাবে না।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐ সব লোক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারাই) যাদের
▶
لَعَنَهُمُ
laʿanahumu
তাদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ ۖ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يَلْعَنِ
yalʿani
অভিশাপ দেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَلَن
falan
এরপর কক্ষনো না
▶
تَجِدَ
tajida
তুমি পাবে
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁর জন্য
▶
نَصِيرًا
naṣīran
কোন সাহায্যকারী
আয়াত 53 - সূরা النساء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ لَهُمْ نَصِيبٌۭ مِّنَ ٱلْمُلْكِ فَإِذًۭا لَّا يُؤْتُونَ ٱلنَّاسَ نَقِيرًا
তাদের কাছে কি রাজ্যের কোন অংশ আছে? তাহলে যে এরা কাউকেও একটি তিল পরিমাণও দেবে না।
▶
أَمْ
am
কি
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য আছে
▶
نَصِيبٌۭ
naṣībun
কোন অংশ
▶
مِّنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْمُلْكِ
l-mul'ki
রাজশক্তিতে
▶
فَإِذًۭا
fa-idhan
অতঃপর যদি (থাকত)
▶
لَّا
lā
না
▶
يُؤْتُونَ
yu'tūna
তারা দিত
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষকে
▶
نَقِيرًا
naqīran
এক কপর্দকও
আয়াত 54 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ يَحْسُدُونَ ٱلنَّاسَ عَلَىٰ مَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ ۖ فَقَدْ ءَاتَيْنَآ ءَالَ إِبْرَٰهِيمَ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَءَاتَيْنَـٰهُم مُّلْكًا عَظِيمًۭا
নাকি যাকিছু আল্লাহ তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহে দান করেছেন সে বিষয়ের জন্য মানুষকে হিংসা করে। অবশ্যই আমি ইব্রাহীমের বংশধরদেরকে কিতাব ও হেকমত দান করেছিলাম আর তাদেরকে দান করেছিলাম বিশাল রাজ্য।
▶
أَمْ
am
(তাহলে) কি
▶
يَحْسُدُونَ
yaḥsudūna
তারা হিংসা করে
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
লোকদের
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَآ
mā
(এজন্য) যা
▶
ءَاتَىٰهُمُ
ātāhumu
তাদের দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِن
min
থেকে
▶
فَضْلِهِۦ ۖ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহ
▶
فَقَدْ
faqad
(যদি তাই হয়) নিশ্চয় তবে
▶
ءَاتَيْنَآ
ātaynā
আমরা দিয়েছি
▶
ءَالَ
āla
বংশধরদের
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইবরাহিমের
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْحِكْمَةَ
wal-ḥik'mata
ও হিকমত
▶
وَءَاتَيْنَـٰهُم
waātaynāhum
ও তাদেরকে আমরা দিয়েছি
▶
مُّلْكًا
mul'kan
রাজ্য
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিশাল
আয়াত 55 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمِنْهُم مَّنْ ءَامَنَ بِهِۦ وَمِنْهُم مَّن صَدَّ عَنْهُ ۚ وَكَفَىٰ بِجَهَنَّمَ سَعِيرًا
অতঃপর তাদের কেউ তাকে মান্য করেছে আবার কেউ তার কাছ থেকে দূরে সরে রয়েছে। বস্তুতঃ (তাদের জন্য) দোযখের শিখায়িত আগুনই যথেষ্ট।
▶
فَمِنْهُم
famin'hum
অতঃপর তাদের মধ্যে
▶
مَّنْ
man
কেউ কেউ
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান এনেছে
▶
بِهِۦ
bihi
তাঁর উপর
▶
وَمِنْهُم
wamin'hum
আর তাদের মধ্য হতে
▶
مَّن
man
কেউ কেউ
▶
صَدَّ
ṣadda
বিরত রয়েছে
▶
عَنْهُ ۚ
ʿanhu
তা থেকে
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِجَهَنَّمَ
bijahannama
জাহান্নামের
▶
سَعِيرًا
saʿīran
অগ্নিশিখা (তাদের জন্য)
আয়াত 56 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا سَوْفَ نُصْلِيهِمْ نَارًۭا كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُم بَدَّلْنَـٰهُمْ جُلُودًا غَيْرَهَا لِيَذُوقُوا۟ ٱلْعَذَابَ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَزِيزًا حَكِيمًۭا
এতে সন্দেহ নেই যে, আমার নিদর্শন সমুহের প্রতি যেসব লোক অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করবে, আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আবার আমি তা পালটে দেব অন্য চামড়া দিয়ে, যাতে তারা আযাব আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, হেকমতের অধিকারী।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
প্রত্যাখ্যান করেছে
▶
بِـَٔايَـٰتِنَا
biāyātinā
আমাদের নিদর্শনাদির
▶
سَوْفَ
sawfa
শীঘ্রই
▶
نُصْلِيهِمْ
nuṣ'līhim
তাদের জ্বালাবো আমরা
▶
نَارًۭا
nāran
(দোজখের) আগুনে
▶
كُلَّمَا
kullamā
যখনই
▶
نَضِجَتْ
naḍijat
জ্বলে যাবে
▶
جُلُودُهُم
julūduhum
চামড়া গুলো তাদের
▶
بَدَّلْنَـٰهُمْ
baddalnāhum
আমরা পাল্টে দিব তাদের
▶
جُلُودًا
julūdan
(আরও অন্য) চামড়ায়
▶
غَيْرَهَا
ghayrahā
তা ব্যতীত
▶
لِيَذُوقُوا۟
liyadhūqū
তারা স্বাদ নেয় যেন
▶
ٱلْعَذَابَ ۗ
l-ʿadhāba
আজাবের
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
عَزِيزًا
ʿazīzan
প্ররাক্রমশালী
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 57 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ سَنُدْخِلُهُمْ جَنَّـٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًۭا ۖ لَّهُمْ فِيهَآ أَزْوَٰجٌۭ مُّطَهَّرَةٌۭ ۖ وَنُدْخِلُهُمْ ظِلًّۭا ظَلِيلًا
আর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, অবশ্য আমি প্রবিষ্ট করাব তাদেরকে জান্নাতে, যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহর সমূহ। সেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। সেখানে তাদের জন্য থাকবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্ত্রীগণ। তাদেরকে আমি প্রবিষ্ট করব ঘন ছায়া নীড়ে।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
নেকীর
▶
سَنُدْخِلُهُمْ
sanud'khiluhum
তাদের প্রবেশ করাব আমরা
▶
جَنَّـٰتٍۢ
jannātin
জান্নাতে
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার পাদদেশে
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্ণাধারা
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
চিরস্থায়ী হবে তারা
▶
فِيهَآ
fīhā
তার মধ্যে
▶
أَبَدًۭا ۖ
abadan
অনন্তকাল ধরে
▶
لَّهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
فِيهَآ
fīhā
তাঁর মধ্যে (আছে)
▶
أَزْوَٰجٌۭ
azwājun
স্ত্রীরা
▶
مُّطَهَّرَةٌۭ ۖ
muṭahharatun
পূত পবিত্রা
▶
وَنُدْخِلُهُمْ
wanud'khiluhum
ও তাদের প্রবেশ করাব আমরা
▶
ظِلًّۭا
ẓillan
ছায়ায়
▶
ظَلِيلًا
ẓalīlan
ঘন
আয়াত 58 - সূরা النساء: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ إِنَّ ٱللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَن تُؤَدُّوا۟ ٱلْأَمَـٰنَـٰتِ إِلَىٰٓ أَهْلِهَا وَإِذَا حَكَمْتُم بَيْنَ ٱلنَّاسِ أَن تَحْكُمُوا۟ بِٱلْعَدْلِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ نِعِمَّا يَعِظُكُم بِهِۦٓ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ سَمِيعًۢا بَصِيرًۭا
নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদিগকে নির্দেশ দেন যে, তোমরা যেন প্রাপ্য আমানতসমূহ প্রাপকদের নিকট পৌছে দাও। আর যখন তোমরা মানুষের কোন বিচার-মীমাংসা করতে আরম্ভ কর, তখন মীমাংসা কর ন্যায় ভিত্তিক। আল্লাহ তোমাদিগকে সদুপদেশ দান করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী, দর্শনকারী।
▶
۞ إِنَّ
inna
(হে মুসলমান) নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَأْمُرُكُمْ
yamurukum
তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন
▶
أَن
an
যে
▶
تُؤَدُّوا۟
tu-addū
তোমরা সমর্পণ কর
▶
ٱلْأَمَـٰنَـٰتِ
l-amānāti
আমানত গুলোকে
▶
إِلَىٰٓ
ilā
কাছে
▶
أَهْلِهَا
ahlihā
তাঁর উপযোগী লোকদের
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
حَكَمْتُم
ḥakamtum
তোমরা ফয়সালা কর
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের
▶
أَن
an
(তখন) যেন
▶
تَحْكُمُوا۟
taḥkumū
তোমরা ফয়সালা দিবে
▶
بِٱلْعَدْلِ ۚ
bil-ʿadli
ইনসাফের সাথে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
نِعِمَّا
niʿimmā
কত উত্তম তা
▶
يَعِظُكُم
yaʿiẓukum
তোমাদের উপদেশ দেন
▶
بِهِۦٓ ۗ
bihi
যে সম্পর্কে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন (এমন যে)
▶
سَمِيعًۢا
samīʿan
সবকিছু শুনেন
▶
بَصِيرًۭا
baṣīran
সবকিছু দেখেন
আয়াত 59 - সূরা النساء: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُوا۟ ٱلرَّسُولَ وَأُو۟لِى ٱلْأَمْرِ مِنكُمْ ۖ فَإِن تَنَـٰزَعْتُمْ فِى شَىْءٍۢ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ ۚ ذَٰلِكَ خَيْرٌۭ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
أَطِيعُوا۟
aṭīʿū
তোমরা আনুগত্য কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَأَطِيعُوا۟
wa-aṭīʿū
ও তোমরা আনুগত্য কর
▶
ٱلرَّسُولَ
l-rasūla
রাসূলের
▶
وَأُو۟لِى
wa-ulī
এবং অধিকারীর
▶
ٱلْأَمْرِ
l-amri
নির্দেশের (অর্থাৎ দায়িত্বশীলদের)
▶
مِنكُمْ ۖ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতঃপর
▶
تَنَـٰزَعْتُمْ
tanāzaʿtum
তোমরা মতভেদ কর
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কোন কিছুর
▶
فَرُدُّوهُ
faruddūhu
তবে তা প্রত্যার্পণ কর
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱلرَّسُولِ
wal-rasūli
ও রাসূলদের
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
হয়ে থাক
▶
تُؤْمِنُونَ
tu'minūna
তোমরা ঈমানদার
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনের
▶
ٱلْـَٔاخِرِ ۚ
l-ākhiri
আখিরাতের (উপর)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
وَأَحْسَنُ
wa-aḥsanu
ও প্রকৃষ্টতর
▶
تَأْوِيلًا
tawīlan
পরিণতিতে
আয়াত 60 - সূরা النساء: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ يَزْعُمُونَ أَنَّهُمْ ءَامَنُوا۟ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبْلِكَ يُرِيدُونَ أَن يَتَحَاكَمُوٓا۟ إِلَى ٱلطَّـٰغُوتِ وَقَدْ أُمِرُوٓا۟ أَن يَكْفُرُوا۟ بِهِۦ وَيُرِيدُ ٱلشَّيْطَـٰنُ أَن يُضِلَّهُمْ ضَلَـٰلًۢا بَعِيدًۭا
আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা দাবী করে যে, যা আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে আমরা সে বিষয়ের উপর ঈমান এনেছি এবং আপনার পূর্বে যা অবর্তীণ হয়েছে। তারা বিরোধীয় বিষয়কে শয়তানের দিকে নিয়ে যেতে চায়, অথচ তাদের প্রতি নির্দেশ হয়েছে, যাতে তারা ওকে মান্য না করে। পক্ষান্তরে শয়তান তাদেরকে প্রতারিত করে পথভ্রষ্ট করে ফেলতে চায়।
▶
أَلَمْ
alam
নাই কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখ
▶
إِلَى
ilā
(তাদের) প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَزْعُمُونَ
yazʿumūna
দাবী করে
▶
أَنَّهُمْ
annahum
যে তারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযিল হয়েছে
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযিল হয়েছে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِكَ
qablika
তোমার পূর্বে
▶
يُرِيدُونَ
yurīdūna
তারা চায়
▶
أَن
an
যে
▶
يَتَحَاكَمُوٓا۟
yataḥākamū
তারা বিচার প্রার্থী হবে
▶
إِلَى
ilā
কাছে
▶
ٱلطَّـٰغُوتِ
l-ṭāghūti
তাগুতের'
▶
وَقَدْ
waqad
অথচ নিশ্চয়
▶
أُمِرُوٓا۟
umirū
তারা নির্দেশিত হয়েছে
▶
أَن
an
যে
▶
يَكْفُرُوا۟
yakfurū
তারা অস্বীকার করবে
▶
بِهِۦ
bihi
তাকে
▶
وَيُرِيدُ
wayurīdu
কিন্তু চায়
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
أَن
an
যে
▶
يُضِلَّهُمْ
yuḍillahum
তাদের পথ ভ্রষ্ট করবে
▶
ضَلَـٰلًۢا
ḍalālan
পথ ভ্রষ্টতায়
▶
بَعِيدًۭا
baʿīdan
বহুদূরে
আয়াত 61 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا۟ إِلَىٰ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ وَإِلَى ٱلرَّسُولِ رَأَيْتَ ٱلْمُنَـٰفِقِينَ يَصُدُّونَ عَنكَ صُدُودًۭا
আর যখন আপনি তাদেরকে বলবেন, আল্লাহর নির্দেশের দিকে এসো-যা তিনি রসূলের প্রতি নাযিল করেছেন, তখন আপনি মুনাফেকদিগকে দেখবেন, ওরা আপনার কাছ থেকে সম্পূর্ণ ভাবে সরে যাচ্ছে।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
تَعَالَوْا۟
taʿālaw
''তোমরা আস
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَنزَلَ
anzala
নাযিল করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَإِلَى
wa-ilā
ও দিকে
▶
ٱلرَّسُولِ
l-rasūli
রাসূলের''
▶
رَأَيْتَ
ra-ayta
তুমি দেখবে
▶
ٱلْمُنَـٰفِقِينَ
l-munāfiqīna
মুনাফিকদেরকে
▶
يَصُدُّونَ
yaṣuddūna
তারা পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে
▶
عَنكَ
ʿanka
তোমার থেকে
▶
صُدُودًۭا
ṣudūdan
(যেমন) পাশ কাটানো হয়
আয়াত 62 - সূরা النساء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَكَيْفَ إِذَآ أَصَـٰبَتْهُم مُّصِيبَةٌۢ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ ثُمَّ جَآءُوكَ يَحْلِفُونَ بِٱللَّهِ إِنْ أَرَدْنَآ إِلَّآ إِحْسَـٰنًۭا وَتَوْفِيقًا
এমতাবস্থায় যদি তাদের কৃতকর্মের দরুন বিপদ আরোপিত হয়, তবে তাতে কি হল! অতঃপর তারা আপনার কাছে আল্লাহর নামে কসম খেয়ে খেয়ে ফিরে আসবে যে, মঙ্গল ও সম্প্রীতি ছাড়া আমাদের অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না।
▶
فَكَيْفَ
fakayfa
কেমনে অতঃপর (হবে)
▶
إِذَآ
idhā
যখন
▶
أَصَـٰبَتْهُم
aṣābathum
তাদের পৌঁছে
▶
مُّصِيبَةٌۢ
muṣībatun
কোন বিপদ
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যে
▶
قَدَّمَتْ
qaddamat
আগে পাঠিয়েছে
▶
أَيْدِيهِمْ
aydīhim
তাদের হাতগুলো
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
جَآءُوكَ
jāūka
তোমার কাছে তারা আসে
▶
يَحْلِفُونَ
yaḥlifūna
তারা হলফ করে (বলে)
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর নামে
▶
إِنْ
in
''না
▶
أَرَدْنَآ
aradnā
আমরা চেয়েছিলাম
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
إِحْسَـٰنًۭا
iḥ'sānan
কল্যাণ
▶
وَتَوْفِيقًا
watawfīqan
ও সম্প্রীতিসহ''
আয়াত 63 - সূরা النساء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ يَعْلَمُ ٱللَّهُ مَا فِى قُلُوبِهِمْ فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَعِظْهُمْ وَقُل لَّهُمْ فِىٓ أَنفُسِهِمْ قَوْلًۢا بَلِيغًۭا
এরা হলো সে সমস্ত লোক, যাদের মনের গোপন বিষয় সম্পর্কেও আল্লাহ তা’আলা অবগত। অতএব, আপনি ওদেরকে উপেক্ষা করুন এবং ওদেরকে সদুপদেশ দিয়ে এমন কোন কথা বলুন যা তাদের জন্য কল্যাণকর।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদেরকে
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَا
mā
যা কিছু (আছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
قُلُوبِهِمْ
qulūbihim
তাদের অন্তরগুলোর
▶
فَأَعْرِضْ
fa-aʿriḍ
অতএব উপেক্ষা কর
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদেরকে
▶
وَعِظْهُمْ
waʿiẓ'hum
ও তাদের উপদেশ দাও
▶
وَقُل
waqul
এবং বল
▶
لَّهُمْ
lahum
তাদেরকে (যেন)
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَنفُسِهِمْ
anfusihim
তাদের অন্তরে
▶
قَوْلًۢا
qawlan
কথা
▶
بَلِيغًۭا
balīghan
পৌঁছে
আয়াত 64 - সূরা النساء: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَآ أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا لِيُطَاعَ بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ وَلَوْ أَنَّهُمْ إِذ ظَّلَمُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ جَآءُوكَ فَٱسْتَغْفَرُوا۟ ٱللَّهَ وَٱسْتَغْفَرَ لَهُمُ ٱلرَّسُولُ لَوَجَدُوا۟ ٱللَّهَ تَوَّابًۭا رَّحِيمًۭا
বস্তুতঃ আমি একমাত্র এই উদ্দেশ্যেই রসূল প্রেরণ করেছি, যাতে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী তাঁদের আদেশ-নিষেধ মান্য করা হয়। আর সেসব লোক যখন নিজেদের অনিষ্ট সাধন করেছিল, তখন যদি আপনার কাছে আসত অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করত এবং রসূলও যদি তাদেরকে ক্ষমা করিয়ে দিতেন। অবশ্যই তারা আল্লাহকে ক্ষমাকারী, মেহেরবানরূপে পেত।
▶
وَمَآ
wamā
এবং না
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা পাঠিয়েছি
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
رَّسُولٍ
rasūlin
কোন রাসূল
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যে
▶
لِيُطَاعَ
liyuṭāʿa
আনুগত্য করার জন্য
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতিক্রমে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
أَنَّهُمْ
annahum
তারা বাস্তবিক
▶
إِذ
idh
যখন
▶
ظَّلَمُوٓا۟
ẓalamū
জুলুম করেছিল
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদের উপর
▶
جَآءُوكَ
jāūka
তোমার কাছে আসত
▶
فَٱسْتَغْفَرُوا۟
fa-is'taghfarū
তারা অতঃপর ক্ষমা চাইত
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর কাছে
▶
وَٱسْتَغْفَرَ
wa-is'taghfara
ও ক্ষমা চাইত
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদের জন্য
▶
ٱلرَّسُولُ
l-rasūlu
রাসূল
▶
لَوَجَدُوا۟
lawajadū
তারা পেত অবশ্যই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
تَوَّابًۭا
tawwāban
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًۭا
raḥīman
মেহেরবান (হিসেবে)
আয়াত 65 - সূরা النساء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا۟ فِىٓ أَنفُسِهِمْ حَرَجًۭا مِّمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًۭا
অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে। অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
وَرَبِّكَ
warabbika
কসম তোমার রবের
▶
لَا
lā
না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
তারা মু’মিন হবে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يُحَكِّمُوكَ
yuḥakkimūka
তোমাকে বিচারক মানবে
▶
فِيمَا
fīmā
সে ক্ষেত্রে (যে বিষয়ে)
▶
شَجَرَ
shajara
মতভেদ করে
▶
بَيْنَهُمْ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَا
lā
না
▶
يَجِدُوا۟
yajidū
তারা পাবে
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَنفُسِهِمْ
anfusihim
তাদের মনের
▶
حَرَجًۭا
ḥarajan
কুণ্ঠাবোধ
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
قَضَيْتَ
qaḍayta
তুমি সিদ্ধান্ত দিয়েছ
▶
وَيُسَلِّمُوا۟
wayusallimū
ও তারা আত্মসমর্পণ করবে
▶
تَسْلِيمًۭا
taslīman
পূর্ণ আত্মসমর্পণ
আয়াত 66 - সূরা النساء: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْ أَنَّا كَتَبْنَا عَلَيْهِمْ أَنِ ٱقْتُلُوٓا۟ أَنفُسَكُمْ أَوِ ٱخْرُجُوا۟ مِن دِيَـٰرِكُم مَّا فَعَلُوهُ إِلَّا قَلِيلٌۭ مِّنْهُمْ ۖ وَلَوْ أَنَّهُمْ فَعَلُوا۟ مَا يُوعَظُونَ بِهِۦ لَكَانَ خَيْرًۭا لَّهُمْ وَأَشَدَّ تَثْبِيتًۭا
আর যদি আমি তাদের নির্দেশ দিতাম যে, নিজেদের প্রাণ ধ্বংস করে দাও কিংবা নিজেদের নগরী ছেড়ে বেরিয়ে যাও, তবে তারা তা করত না; অবশ্য তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন। যদি তারা তাই করে যা তাদের উপদেশ দেয়া হয়, তবে তা অবশ্যই তাদের জন্য উত্তম এং তাদেরকে নিজের ধর্মের উপর সুদৃঢ় রাখার জন্য তা উত্তম হবে।
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
أَنَّا
annā
নিশ্চয়ই আমরা
▶
كَتَبْنَا
katabnā
হুকুম দিতাম
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
أَنِ
ani
যে
▶
ٱقْتُلُوٓا۟
uq'tulū
''তোমরা হত্যা কর
▶
أَنفُسَكُمْ
anfusakum
তোমাদের নিজেদেরকে''
▶
أَوِ
awi
বা
▶
ٱخْرُجُوا۟
ukh'rujū
''তোমরা বের হও
▶
مِن
min
থেকে
▶
دِيَـٰرِكُم
diyārikum
তোমাদের ঘরগুলো''
▶
مَّا
mā
না
▶
فَعَلُوهُ
faʿalūhu
তা তারা করত
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
قَلِيلٌۭ
qalīlun
অল্প কিছু সংখ্যক
▶
مِّنْهُمْ ۖ
min'hum
তাদের মধ্যে হতে
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
أَنَّهُمْ
annahum
তারা বাস্তবিক
▶
فَعَلُوا۟
faʿalū
করত
▶
مَا
mā
যা
▶
يُوعَظُونَ
yūʿaẓūna
তাদের উপদেশ দেয়া হয়
▶
بِهِۦ
bihi
সে সে সম্পর্কে
▶
لَكَانَ
lakāna
নিশ্চয়ই হত
▶
خَيْرًۭا
khayran
উত্তম
▶
لَّهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
وَأَشَدَّ
wa-ashadda
এবং দৃঢ়তর (হত)
▶
تَثْبِيتًۭا
tathbītan
চিত্ত স্থিরতায়
আয়াত 67 - সূরা النساء: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذًۭا لَّـَٔاتَيْنَـٰهُم مِّن لَّدُنَّآ أَجْرًا عَظِيمًۭا
আর তখন অবশ্যই আমি তাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে মহান সওয়াব দেব।
▶
وَإِذًۭا
wa-idhan
এবং তখন
▶
لَّـَٔاتَيْنَـٰهُم
laātaynāhum
তাদের অবশ্যই দিতাম আমরা
▶
مِّن
min
থেকে
▶
لَّدُنَّآ
ladunnā
নিজের কাছ
▶
أَجْرًا
ajran
প্রতিফল
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 68 - সূরা النساء: 3 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَهَدَيْنَـٰهُمْ صِرَٰطًۭا مُّسْتَقِيمًۭا
আর তাদেরকে সরল পথে পরিচালিত করব।
▶
وَلَهَدَيْنَـٰهُمْ
walahadaynāhum
এবং আমরা তাদের হিদায়াত দিতাম
▶
صِرَٰطًۭا
ṣirāṭan
পথের
▶
مُّسْتَقِيمًۭا
mus'taqīman
সরল সঠিক
আয়াত 69 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ مَعَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمَ ٱللَّهُ عَلَيْهِم مِّنَ ٱلنَّبِيِّـۧنَ وَٱلصِّدِّيقِينَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَٱلصَّـٰلِحِينَ ۚ وَحَسُنَ أُو۟لَـٰٓئِكَ رَفِيقًۭا
আর যে কেউ আল্লাহর হুকুম এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য করবে, তাহলে যাঁদের প্রতি আল্লাহ নেয়ামত দান করেছেন, সে তাঁদের সঙ্গী হবে। তাঁরা হলেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ। আর তাদের সান্নিধ্যই হল উত্তম।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يُطِعِ
yuṭiʿi
আনুগত্য করবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَٱلرَّسُولَ
wal-rasūla
ও রাসূলের
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ঐসব লোকে তখন (হবে)
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যাদের
▶
أَنْعَمَ
anʿama
নিয়ামত দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَيْهِم
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
مِّنَ
mina
(যেমন) থেকে
▶
ٱلنَّبِيِّـۧنَ
l-nabiyīna
নবীদের
▶
وَٱلصِّدِّيقِينَ
wal-ṣidīqīna
ও সিদ্দিকদের
▶
وَٱلشُّهَدَآءِ
wal-shuhadāi
ও শহীদদের
▶
وَٱلصَّـٰلِحِينَ ۚ
wal-ṣāliḥīna
ও সৎ লোকদের (সাথে)
▶
وَحَسُنَ
waḥasuna
এবং কতই উত্তম
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব
▶
رَفِيقًۭا
rafīqan
সাথী
আয়াত 70 - সূরা النساء: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ ٱلْفَضْلُ مِنَ ٱللَّهِ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ عَلِيمًۭا
এটা হল আল্লাহ-প্রদত্ত মহত্ত্ব। আর আল্লাহ যথেষ্ট পরিজ্ঞাত।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
ٱلْفَضْلُ
l-faḍlu
অনুগ্রহ
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
عَلِيمًۭا
ʿalīman
জ্ঞানে
আয়াত 71 - সূরা النساء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ خُذُوا۟ حِذْرَكُمْ فَٱنفِرُوا۟ ثُبَاتٍ أَوِ ٱنفِرُوا۟ جَمِيعًۭا
হে ঈমানদারগণ! নিজেদের অস্ত্র তুলে নাও এবং পৃথক পৃথক সৈন্যদলে কিংবা সমবেতভাবে বেরিয়ে পড়।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
خُذُوا۟
khudhū
তোমরা অবলম্বন কর
▶
حِذْرَكُمْ
ḥidh'rakum
তোমাদের সতর্কতা
▶
فَٱنفِرُوا۟
fa-infirū
তোমরা অতঃপর বের হও
▶
ثُبَاتٍ
thubātin
পৃথক দলে
▶
أَوِ
awi
অথবা
▶
ٱنفِرُوا۟
infirū
তোমরা বের হও
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
একত্রে
আয়াত 72 - সূরা النساء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنَّ مِنكُمْ لَمَن لَّيُبَطِّئَنَّ فَإِنْ أَصَـٰبَتْكُم مُّصِيبَةٌۭ قَالَ قَدْ أَنْعَمَ ٱللَّهُ عَلَىَّ إِذْ لَمْ أَكُن مَّعَهُمْ شَهِيدًۭا
আর তোমাদের মধ্যে এমনও কেউ কেউ রয়েছে, যারা অবশ্য বিলম্ব করবে এবং তোমাদের উপর কোন বিপদ উপস্থিত হলে বলবে, আল্লাহ আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যে, আমি তাদের সাথে যাইনি।
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্যে (এমনও আছে)
▶
لَمَن
laman
অবশ্যই যে
▶
لَّيُبَطِّئَنَّ
layubaṭṭi-anna
(যুদ্ধে) পশ্চাদপদ হবেই
▶
فَإِنْ
fa-in
অতঃপর যদি
▶
أَصَـٰبَتْكُم
aṣābatkum
তোমাদের পৌঁছে
▶
مُّصِيبَةٌۭ
muṣībatun
কোন বিপদ
▶
قَالَ
qāla
বলবে
▶
قَدْ
qad
''নিশ্চয়
▶
أَنْعَمَ
anʿama
অনুগ্রহ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَىَّ
ʿalayya
আমার উপর
▶
إِذْ
idh
তখন
▶
لَمْ
lam
না
▶
أَكُن
akun
আমি ছিলাম
▶
مَّعَهُمْ
maʿahum
তাদের সাথে''
▶
شَهِيدًۭا
shahīdan
উপস্থিত''
আয়াত 73 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَئِنْ أَصَـٰبَكُمْ فَضْلٌۭ مِّنَ ٱللَّهِ لَيَقُولَنَّ كَأَن لَّمْ تَكُنۢ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُۥ مَوَدَّةٌۭ يَـٰلَيْتَنِى كُنتُ مَعَهُمْ فَأَفُوزَ فَوْزًا عَظِيمًۭا
পক্ষান্তরে তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন অনুগ্রহ আসলে তারা এমন ভাবে বলতে শুরু করবে যেন তোমাদের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে কোন মিত্রতাই ছিল না। (বলবে) হায়, আমি যদি তাদের সাথে থাকতাম, তাহলে আমি ও যে সফলতা লাভ করতাম।
▶
وَلَئِنْ
wala-in
এবং অবশ্য যদি
▶
أَصَـٰبَكُمْ
aṣābakum
তোমাদের পৌঁছে
▶
فَضْلٌۭ
faḍlun
কোন অনুগ্রহ
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لَيَقُولَنَّ
layaqūlanna
তারা বলবেই
▶
كَأَن
ka-an
এমন ভাবে যে
▶
لَّمْ
lam
না
▶
تَكُنۢ
takun
ছিল
▶
بَيْنَكُمْ
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
وَبَيْنَهُۥ
wabaynahu
ও তার মাঝে
▶
مَوَدَّةٌۭ
mawaddatun
কোন সম্পর্ক
▶
يَـٰلَيْتَنِى
yālaytanī
''হায় আফসোস আমার
▶
كُنتُ
kuntu
আমি হতাম (যদি)
▶
مَعَهُمْ
maʿahum
তাদের সাথে
▶
فَأَفُوزَ
fa-afūza
তবে আমি সফল হতাম
▶
فَوْزًا
fawzan
সাফল্য
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট''
আয়াত 74 - সূরা النساء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ فَلْيُقَـٰتِلْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ٱلَّذِينَ يَشْرُونَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا بِٱلْـَٔاخِرَةِ ۚ وَمَن يُقَـٰتِلْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ فَيُقْتَلْ أَوْ يَغْلِبْ فَسَوْفَ نُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًۭا
কাজেই আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জেহাদ করাই কর্তব্য। বস্তুতঃ যারা আল্লাহর রাহে লড়াই করে এবং অতঃপর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয় অর্জন করে, আমি তাদেরকে মহাপুণ্য দান করব।
▶
۞ فَلْيُقَـٰتِلْ
falyuqātil
অতএব লড়াই করা উচিত
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَشْرُونَ
yashrūna
বিক্রয় করে
▶
ٱلْحَيَوٰةَ
l-ḥayata
জীবন
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
بِٱلْـَٔاخِرَةِ ۚ
bil-ākhirati
আখিরাতের বিনিময়ে
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يُقَـٰتِلْ
yuqātil
লড়াই করবে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَيُقْتَلْ
fayuq'tal
অতঃপর নিহত হবে
▶
أَوْ
aw
বা
▶
يَغْلِبْ
yaghlib
বিজয়ী হবে
▶
فَسَوْفَ
fasawfa
শীঘ্রই অতঃপর
▶
نُؤْتِيهِ
nu'tīhi
তাকে দেব আমরা
▶
أَجْرًا
ajran
পুরস্কার
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 75 - সূরা النساء: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا لَكُمْ لَا تُقَـٰتِلُونَ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱلْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ ٱلرِّجَالِ وَٱلنِّسَآءِ وَٱلْوِلْدَٰنِ ٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَآ أَخْرِجْنَا مِنْ هَـٰذِهِ ٱلْقَرْيَةِ ٱلظَّالِمِ أَهْلُهَا وَٱجْعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ وَلِيًّۭا وَٱجْعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ نَصِيرًا
আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।
▶
وَمَا
wamā
এবং কি হলো
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের
▶
لَا
lā
(যে) না
▶
تُقَـٰتِلُونَ
tuqātilūna
তোমরা লড়াই করছ
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱلْمُسْتَضْعَفِينَ
wal-mus'taḍʿafīna
অথচ দুর্বল
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلرِّجَالِ
l-rijāli
পুরুষ
▶
وَٱلنِّسَآءِ
wal-nisāi
ও নারী
▶
وَٱلْوِلْدَٰنِ
wal-wil'dāni
ও শিশু
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
বলছে
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
''হে আমাদের রব
▶
أَخْرِجْنَا
akhrij'nā
আমাদের বের কর
▶
مِنْ
min
হতে
▶
هَـٰذِهِ
hādhihi
এই
▶
ٱلْقَرْيَةِ
l-qaryati
জনপদ
▶
ٱلظَّالِمِ
l-ẓālimi
জালিম
▶
أَهْلُهَا
ahluhā
তার অধিবাসীরা
▶
وَٱجْعَل
wa-ij'ʿal
এবং বানিয়ে দাও
▶
لَّنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مِن
min
থেকে
▶
لَّدُنكَ
ladunka
তোমার নিকট
▶
وَلِيًّۭا
waliyyan
কোন অভিভাবক
▶
وَٱجْعَل
wa-ij'ʿal
ও বানাও
▶
لَّنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مِن
min
থেকে
▶
لَّدُنكَ
ladunka
তোমার নিকট
▶
نَصِيرًا
naṣīran
কোন সাহায্যকারী
আয়াত 76 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ يُقَـٰتِلُونَ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ۖ وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يُقَـٰتِلُونَ فِى سَبِيلِ ٱلطَّـٰغُوتِ فَقَـٰتِلُوٓا۟ أَوْلِيَآءَ ٱلشَّيْطَـٰنِ ۖ إِنَّ كَيْدَ ٱلشَّيْطَـٰنِ كَانَ ضَعِيفًا
যারা ঈমানদার তারা যে, জেহাদ করে আল্লাহর রাহেই। পক্ষান্তরে যারা কাফের তারা লড়াই করে শয়তানের পক্ষে সুতরাং তোমরা জেহাদ করতে থাক শয়তানের পক্ষালম্বনকারীদের বিরুদ্ধে, (দেখবে) শয়তানের চক্রান্ত একান্তই দুর্বল।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
يُقَـٰتِلُونَ
yuqātilūna
তারা লড়ে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
يُقَـٰتِلُونَ
yuqātilūna
তারা লড়ে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱلطَّـٰغُوتِ
l-ṭāghūti
তাগুতের
▶
فَقَـٰتِلُوٓا۟
faqātilū
অতএব তোমরা লড়
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
(বিরুদ্ধে) বন্ধুদের
▶
ٱلشَّيْطَـٰنِ ۖ
l-shayṭāni
শয়তানের
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
كَيْدَ
kayda
কৌশল
▶
ٱلشَّيْطَـٰنِ
l-shayṭāni
শয়তানের
▶
كَانَ
kāna
হলো
▶
ضَعِيفًا
ḍaʿīfan
(বড়) দুর্বল
আয়াত 77 - সূরা النساء: 48 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ قِيلَ لَهُمْ كُفُّوٓا۟ أَيْدِيَكُمْ وَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُوا۟ ٱلزَّكَوٰةَ فَلَمَّا كُتِبَ عَلَيْهِمُ ٱلْقِتَالُ إِذَا فَرِيقٌۭ مِّنْهُمْ يَخْشَوْنَ ٱلنَّاسَ كَخَشْيَةِ ٱللَّهِ أَوْ أَشَدَّ خَشْيَةًۭ ۚ وَقَالُوا۟ رَبَّنَا لِمَ كَتَبْتَ عَلَيْنَا ٱلْقِتَالَ لَوْلَآ أَخَّرْتَنَآ إِلَىٰٓ أَجَلٍۢ قَرِيبٍۢ ۗ قُلْ مَتَـٰعُ ٱلدُّنْيَا قَلِيلٌۭ وَٱلْـَٔاخِرَةُ خَيْرٌۭ لِّمَنِ ٱتَّقَىٰ وَلَا تُظْلَمُونَ فَتِيلًا
তুমি কি সেসব লোককে দেখনি, যাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, তোমরা নিজেদের হাতকে সংযত রাখ, নামায কায়েম কর এবং যাকাত দিতে থাক? অতঃপর যখন তাদের প্রতি জেহাদের নির্দেশ দেয়া হল, তৎক্ষণাৎ তাদের মধ্যে একদল লোক মানুষকে ভয় করতে আরম্ভ করল, যেমন করে ভয় করা হয় আল্লাহকে। এমন কি তার চেয়েও অধিক ভয়। আর বলতে লাগল, হায় পালনকর্তা, কেন আমাদের উপর যুদ্ধ ফরজ করলে! আমাদেরকে কেন আরও কিছুকাল অবকাশ দান করলে না। ( হে রসূল) তাদেরকে বলে দিন, পার্থিব ফায়দা সীমিত। আর আখেরাত পরহেযগারদের জন্য উত্তম। আর তোমাদের অধিকার একটি সূতা পরিমান ও খর্ব করা হবে না।
▶
أَلَمْ
alam
নাই কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখ
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়েছিল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
كُفُّوٓا۟
kuffū
''সংবরণ কর (তোমরা)
▶
أَيْدِيَكُمْ
aydiyakum
তোমাদের হাতগুলো
▶
وَأَقِيمُوا۟
wa-aqīmū
ও তোমরা কায়েম কর
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সলাত
▶
وَءَاتُوا۟
waātū
ও তোমরা দাও
▶
ٱلزَّكَوٰةَ
l-zakata
জাকাত''
▶
فَلَمَّا
falammā
যখন অতঃপর
▶
كُتِبَ
kutiba
নির্দেশ দেয়া হলো
▶
عَلَيْهِمُ
ʿalayhimu
তাদের উপর
▶
ٱلْقِتَالُ
l-qitālu
যুদ্ধের
▶
إِذَا
idhā
তখন
▶
فَرِيقٌۭ
farīqun
একদল
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
يَخْشَوْنَ
yakhshawna
ভয় করেছে
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষকে
▶
كَخَشْيَةِ
kakhashyati
ভয় যেমন (করা উচিৎ)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহকে
▶
أَوْ
aw
বা
▶
أَشَدَّ
ashadda
অধিকতর
▶
خَشْيَةًۭ ۚ
khashyatan
ভয়
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলেছিল
▶
رَبَّنَا
rabbanā
''হে আমাদের রব
▶
لِمَ
lima
কেন
▶
كَتَبْتَ
katabta
তুমি নির্ধারিত করলে
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
আমাদের উপর
▶
ٱلْقِتَالَ
l-qitāla
যুদ্ধ
▶
لَوْلَآ
lawlā
না কেন
▶
أَخَّرْتَنَآ
akhartanā
আমাদের অবকাশ দিলে
▶
إِلَىٰٓ
ilā
পর্যন্ত
▶
أَجَلٍۢ
ajalin
কাল''
▶
قَرِيبٍۢ ۗ
qarībin
আরও কিছু''
▶
قُلْ
qul
বল
▶
مَتَـٰعُ
matāʿu
''সম্ভোগ
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
قَلِيلٌۭ
qalīlun
অতি সামান্য
▶
وَٱلْـَٔاخِرَةُ
wal-ākhiratu
আর আখিরাত
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
لِّمَنِ
limani
(তার) জন্য যে
▶
ٱتَّقَىٰ
ittaqā
ভয় করে (আল্লাহকে)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُظْلَمُونَ
tuẓ'lamūna
তোমাদেরকে জুলুম করা হবে
▶
فَتِيلًا
fatīlan
একবিন্দুও''
আয়াত 78 - সূরা النساء: 36 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَيْنَمَا تَكُونُوا۟ يُدْرِككُّمُ ٱلْمَوْتُ وَلَوْ كُنتُمْ فِى بُرُوجٍۢ مُّشَيَّدَةٍۢ ۗ وَإِن تُصِبْهُمْ حَسَنَةٌۭ يَقُولُوا۟ هَـٰذِهِۦ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ ۖ وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌۭ يَقُولُوا۟ هَـٰذِهِۦ مِنْ عِندِكَ ۚ قُلْ كُلٌّۭ مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ ۖ فَمَالِ هَـٰٓؤُلَآءِ ٱلْقَوْمِ لَا يَكَادُونَ يَفْقَهُونَ حَدِيثًۭا
তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও। বস্তুতঃ তাদের কোন কল্যাণ সাধিত হলে তারা বলে যে, এটা সাধিত হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর যদি তাদের কোন অকল্যাণ হয়, তবে বলে, এটা হয়েছে তোমার পক্ষ থেকে, বলে দাও, এসবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। পক্ষান্তরে তাদের পরিণতি কি হবে, যারা কখনও কোন কথা বুঝতে চেষ্টা করে না।
▶
أَيْنَمَا
aynamā
যেখানেই
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
তোমরা থাক
▶
يُدْرِككُّمُ
yud'rikkumu
তোমাদের নাগাল পাবে
▶
ٱلْمَوْتُ
l-mawtu
মৃত্যু
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদিও
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
بُرُوجٍۢ
burūjin
কেল্লার
▶
مُّشَيَّدَةٍۢ ۗ
mushayyadatin
সুদৃঢ় (তবুও)
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تُصِبْهُمْ
tuṣib'hum
তাদের পৌঁছে
▶
حَسَنَةٌۭ
ḥasanatun
কোন কল্যাণ
▶
يَقُولُوا۟
yaqūlū
তারা বলে
▶
هَـٰذِهِۦ
hādhihi
''এটা (এসেছে)
▶
مِنْ
min
হতে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর''
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
تُصِبْهُمْ
tuṣib'hum
তাদের পৌঁছে
▶
سَيِّئَةٌۭ
sayyi-atun
কোন অকল্যাণ
▶
يَقُولُوا۟
yaqūlū
তারা বলে
▶
هَـٰذِهِۦ
hādhihi
''এটা (এসেছে)
▶
مِنْ
min
হতে
▶
عِندِكَ ۚ
ʿindika
তোমার নিকট''
▶
قُلْ
qul
বল
▶
كُلٌّۭ
kullun
''সব কিছুই (আসে)
▶
مِّنْ
min
হতে''
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট''
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর''
▶
فَمَالِ
famāli
অতঃপর কি হল
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
এসব
▶
ٱلْقَوْمِ
l-qawmi
লোকদের
▶
لَا
lā
না
▶
يَكَادُونَ
yakādūna
একেবারেই
▶
يَفْقَهُونَ
yafqahūna
তারা বুঝে
▶
حَدِيثًۭا
ḥadīthan
কোন কথা
আয়াত 79 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّآ أَصَابَكَ مِنْ حَسَنَةٍۢ فَمِنَ ٱللَّهِ ۖ وَمَآ أَصَابَكَ مِن سَيِّئَةٍۢ فَمِن نَّفْسِكَ ۚ وَأَرْسَلْنَـٰكَ لِلنَّاسِ رَسُولًۭا ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًۭا
আপনার যে কল্যাণ হয়, তা হয় আল্লাহর পক্ষ থেকে আর আপনার যে অকল্যাণ হয়, সেটা হয় আপনার নিজের কারণে। আর আমি আপনাকে পাঠিয়েছি মানুষের প্রতি আমার পয়গামের বাহক হিসাবে। আর আল্লাহ সব বিষয়েই যথেষ্ট-সববিষয়ই তাঁর সম্মুখে উপস্থিত।
▶
مَّآ
mā
(হে মানুষ) যা
▶
أَصَابَكَ
aṣābaka
তোমার কাছে পৌঁছে
▶
مِنْ
min
(থেকে)
▶
حَسَنَةٍۢ
ḥasanatin
কল্যাণ
▶
فَمِنَ
famina
তা (আসে) হতে
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أَصَابَكَ
aṣābaka
তোমার কাছে পৌঁছে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
سَيِّئَةٍۢ
sayyi-atin
অকল্যাণ
▶
فَمِن
famin
তা (আসে) হতে
▶
نَّفْسِكَ ۚ
nafsika
তোমার নিজের
▶
وَأَرْسَلْنَـٰكَ
wa-arsalnāka
এবং (হে নবী) তোমাকে আমরা পাঠিয়েছি
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
رَسُولًۭا ۚ
rasūlan
রাসূল (হিসেবে)
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
شَهِيدًۭا
shahīdan
সাক্ষী (এর) হিসেবে
আয়াত 80 - সূরা النساء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّن يُطِعِ ٱلرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ ٱللَّهَ ۖ وَمَن تَوَلَّىٰ فَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًۭا
যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল। আর যে লোক বিমুখতা অবলম্বন করল, আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ), তাদের জন্য রক্ষণাবেক্ষণকারী নিযুক্ত করে পাঠাইনি।
▶
مَّن
man
যে
▶
يُطِعِ
yuṭiʿi
আনুগত্য করে
▶
ٱلرَّسُولَ
l-rasūla
রাসূলের
▶
فَقَدْ
faqad
তবে নিশ্চয়
▶
أَطَاعَ
aṭāʿa
সে আনুগত্য করল
▶
ٱللَّهَ ۖ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
تَوَلَّىٰ
tawallā
মুখ ফিরাল (তাতে দুঃখ নেই)
▶
فَمَآ
famā
কারণ না
▶
أَرْسَلْنَـٰكَ
arsalnāka
তোমাকে আমরা পাঠিয়েছি
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
حَفِيظًۭا
ḥafīẓan
পাহারাদার হিসেবে
আয়াত 81 - সূরা النساء: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَقُولُونَ طَاعَةٌۭ فَإِذَا بَرَزُوا۟ مِنْ عِندِكَ بَيَّتَ طَآئِفَةٌۭ مِّنْهُمْ غَيْرَ ٱلَّذِى تَقُولُ ۖ وَٱللَّهُ يَكْتُبُ مَا يُبَيِّتُونَ ۖ فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَتَوَكَّلْ عَلَى ٱللَّهِ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًا
আর তারা বলে, আপনার আনুগত্য করি। অতঃপর আপনার নিকট থেকে বেরিয়ে গেলেই তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ পরামর্শ করে রাতের বেলায় সে কথার পরিপন্থী যা তারা আপনার সাথে বলেছিল। আর আল্লাহ লিখে নেন, সে সব পরামর্শ যা তারা করে থাকে। সুতরাং আপনি তাদের ব্যাপারে নিস্পৃহতা অবলম্বন করুন এবং ভরসা করুন আল্লাহর উপর, আল্লাহ হলেন যথেষ্ট ও কার্যসম্পাদনকারী।
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
এবং তারা বলে
▶
طَاعَةٌۭ
ṭāʿatun
''আনুগত্য (করি আমরা)''
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
بَرَزُوا۟
barazū
তারা বের হয়
▶
مِنْ
min
হতে
▶
عِندِكَ
ʿindika
তোমার নিকট
▶
بَيَّتَ
bayyata
রাত্রে পরামর্শ করে
▶
طَآئِفَةٌۭ
ṭāifatun
এক দল
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
غَيْرَ
ghayra
(তার) বিপরীত
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যা
▶
تَقُولُ ۖ
taqūlu
তুমি বল
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَكْتُبُ
yaktubu
লিখছেন
▶
مَا
mā
যা
▶
يُبَيِّتُونَ ۖ
yubayyitūna
শলা পরামর্শ করে তারা
▶
فَأَعْرِضْ
fa-aʿriḍ
অতএব উপেক্ষা কর
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদেরকে
▶
وَتَوَكَّلْ
watawakkal
ও ভরসা কর তুমি
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
وَكِيلًا
wakīlan
ভরসার স্থল হিসেবে
আয়াত 82 - সূরা النساء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ ٱلْقُرْءَانَ ۚ وَلَوْ كَانَ مِنْ عِندِ غَيْرِ ٱللَّهِ لَوَجَدُوا۟ فِيهِ ٱخْتِلَـٰفًۭا كَثِيرًۭا
এরা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখতে পেত।
▶
أَفَلَا
afalā
অতঃপর কি না
▶
يَتَدَبَّرُونَ
yatadabbarūna
তারা চিন্তা-ভাবনা করে
▶
ٱلْقُرْءَانَ ۚ
l-qur'āna
কুরআন (সম্পর্কে)
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
كَانَ
kāna
হতো
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট (অন্য কারো)
▶
غَيْرِ
ghayri
ব্যতীত
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
لَوَجَدُوا۟
lawajadū
তারা পেত অবশ্যই
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
ٱخْتِلَـٰفًۭا
ikh'tilāfan
অসঙ্গতি
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
বহু
আয়াত 83 - সূরা النساء: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا جَآءَهُمْ أَمْرٌۭ مِّنَ ٱلْأَمْنِ أَوِ ٱلْخَوْفِ أَذَاعُوا۟ بِهِۦ ۖ وَلَوْ رَدُّوهُ إِلَى ٱلرَّسُولِ وَإِلَىٰٓ أُو۟لِى ٱلْأَمْرِ مِنْهُمْ لَعَلِمَهُ ٱلَّذِينَ يَسْتَنۢبِطُونَهُۥ مِنْهُمْ ۗ وَلَوْلَا فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُۥ لَٱتَّبَعْتُمُ ٱلشَّيْطَـٰنَ إِلَّا قَلِيلًۭا
আর যখন তাদের কছে পৌঁছে কোন সংবাদ শান্তি-সংক্রান্ত কিংবা ভয়ের, তখন তারা সেগুলোকে রটিয়ে দেয়। আর যদি সেগুলো পৌঁছে দিত রসূল পর্যন্ত কিংবা তাদের শাসকদের পর্যন্ত, তখন অনুসন্ধান করে দেখা যেত সেসব বিষয়, যা তাতে রয়েছে অনুসন্ধান করার মত। বস্তুতঃ আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা যদি তোমাদের উপর বিদ্যমান না থাকত তবে তোমাদের অল্প কতিপয় লোক ব্যতীত সবাই শয়তানের অনুসরণ করতে শুরু করত!
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
جَآءَهُمْ
jāahum
কাছে আসে তাদের
▶
أَمْرٌۭ
amrun
কোন বিষয় (সংবাদ)
▶
مِّنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْأَمْنِ
l-amni
শান্তির
▶
أَوِ
awi
বা
▶
ٱلْخَوْفِ
l-khawfi
ভয়ের
▶
أَذَاعُوا۟
adhāʿū
তারা প্রচার করে
▶
بِهِۦ ۖ
bihi
তা সম্পর্কে
▶
وَلَوْ
walaw
কিন্তু যদি
▶
رَدُّوهُ
raddūhu
তা পৌঁছে দিত
▶
إِلَى
ilā
কাছে
▶
ٱلرَّسُولِ
l-rasūli
রাসূলের
▶
وَإِلَىٰٓ
wa-ilā
ও কাছে
▶
أُو۟لِى
ulī
(প্রথম)
▶
ٱلْأَمْرِ
l-amri
দায়িত্বশীলদের
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যকার
▶
لَعَلِمَهُ
laʿalimahu
তা অবশ্যই জেনে নিত
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَسْتَنۢبِطُونَهُۥ
yastanbiṭūnahu
তার তথ্যানুসন্ধান করে
▶
مِنْهُمْ ۗ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
وَلَوْلَا
walawlā
এবং যদি না (থাকত)
▶
فَضْلُ
faḍlu
অনুগ্রহ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَرَحْمَتُهُۥ
waraḥmatuhu
ও তাঁর রহমত (তবে এ সব কারণে)
▶
لَٱتَّبَعْتُمُ
la-ittabaʿtumu
তোমরা অনুসরণ করতেই
▶
ٱلشَّيْطَـٰنَ
l-shayṭāna
শয়তানের
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
অল্প সংখ্যক
আয়াত 84 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَقَـٰتِلْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ لَا تُكَلَّفُ إِلَّا نَفْسَكَ ۚ وَحَرِّضِ ٱلْمُؤْمِنِينَ ۖ عَسَى ٱللَّهُ أَن يَكُفَّ بَأْسَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ۚ وَٱللَّهُ أَشَدُّ بَأْسًۭا وَأَشَدُّ تَنكِيلًۭا
আল্লাহর রাহে যুদ্ধ করতে থাকুন, আপনি নিজের সত্তা ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ের যিম্মাদার নন! আর আপনি মুসলমানদেরকে উৎসাহিত করতে থাকুন। শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের শক্তি-সামর্থ খর্ব করে দেবেন। আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থের দিক দিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং কঠিন শাস্তিদাতা।
▶
فَقَـٰتِلْ
faqātil
লড়াই কর অতএব
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لَا
lā
না
▶
تُكَلَّفُ
tukallafu
দায়ী করা হবে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
نَفْسَكَ ۚ
nafsaka
তোমার নিজেকে
▶
وَحَرِّضِ
waḥarriḍi
ও উদ্বুদ্ধ কর (যুদ্ধে)
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ ۖ
l-mu'minīna
মু’মিনদেরকে
▶
عَسَى
ʿasā
হয়ত
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَن
an
(যে)
▶
يَكُفَّ
yakuffa
খর্ব করবেন
▶
بَأْسَ
basa
শক্তি (ঐসব লোকদের)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟ ۚ
kafarū
কুফুরী করেছে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
أَشَدُّ
ashaddu
প্রবলতর
▶
بَأْسًۭا
basan
শক্তিতে
▶
وَأَشَدُّ
wa-ashaddu
ও কঠোরতর
▶
تَنكِيلًۭا
tankīlan
শাস্তি দানে
আয়াত 85 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّن يَشْفَعْ شَفَـٰعَةً حَسَنَةًۭ يَكُن لَّهُۥ نَصِيبٌۭ مِّنْهَا ۖ وَمَن يَشْفَعْ شَفَـٰعَةًۭ سَيِّئَةًۭ يَكُن لَّهُۥ كِفْلٌۭ مِّنْهَا ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ مُّقِيتًۭا
যে লোক সৎকাজের জন্য কোন সুপারিশ করবে, তা থেকে সেও একটি অংশ পাবে। আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। বস্তুতঃ আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
▶
مَّن
man
যে
▶
يَشْفَعْ
yashfaʿ
সুপারিশ করবে
▶
شَفَـٰعَةً
shafāʿatan
কোন সুপারিশ
▶
حَسَنَةًۭ
ḥasanatan
উত্তম (কাজের)
▶
يَكُن
yakun
থাকবে
▶
لَّهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
نَصِيبٌۭ
naṣībun
একটি অংশ
▶
مِّنْهَا ۖ
min'hā
তা থেকে
▶
وَمَن
waman
ও যে
▶
يَشْفَعْ
yashfaʿ
সুপারিশ করবে
▶
شَفَـٰعَةًۭ
shafāʿatan
কোন সুপারিশ
▶
سَيِّئَةًۭ
sayyi-atan
মন্দ (কাজের)
▶
يَكُن
yakun
থাকবে
▶
لَّهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
كِفْلٌۭ
kif'lun
একটি অংশ
▶
مِّنْهَا ۗ
min'hā
তা থেকে
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং আছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুরই
▶
مُّقِيتًۭا
muqītan
দৃষ্টিমান
আয়াত 86 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا حُيِّيتُم بِتَحِيَّةٍۢ فَحَيُّوا۟ بِأَحْسَنَ مِنْهَآ أَوْ رُدُّوهَآ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ حَسِيبًا
আর তোমাদেরকে যদি কেউ দোয়া করে, তাহলে তোমরাও তার জন্য দোয়া কর; তারচেয়ে উত্তম দোয়া অথবা তারই মত ফিরিয়ে বল। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে হিসাব-নিকাশ গ্রহণকারী।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
حُيِّيتُم
ḥuyyītum
তোমাদেরকে সালাম করা হয়
▶
بِتَحِيَّةٍۢ
bitaḥiyyatin
সম্মান সহকারে
▶
فَحَيُّوا۟
faḥayyū
তোমরাও তখন সালাম দাও
▶
بِأَحْسَنَ
bi-aḥsana
উত্তমভাবে
▶
مِنْهَآ
min'hā
তার চেয়েও
▶
أَوْ
aw
বা
▶
رُدُّوهَآ ۗ
ruddūhā
তার জওয়াব দাও (অনুরূপ ভাবে)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
আছেন
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍ
shayin
কিছুর
▶
حَسِيبًا
ḥasīban
হিসাবগ্রহণকারী
আয়াত 87 - সূরা النساء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۚ لَيَجْمَعَنَّكُمْ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَـٰمَةِ لَا رَيْبَ فِيهِ ۗ وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ ٱللَّهِ حَدِيثًۭا
আল্লাহ ব্যতীত আর কোনোই উপাস্য নেই। অবশ্যই তিনি তোমাদেরকে সমবেত করবেন কেয়ামতের দিন, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তাছাড়া আল্লাহর চাইতে বেশী সত্য কথা আর কার হবে!
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ (এমন সত্তা যে)
▶
لَآ
lā
নাই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোন ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ ۚ
huwa
তিনি
▶
لَيَجْمَعَنَّكُمْ
layajmaʿannakum
তোমাদের একত্রিত করবেনই
▶
إِلَىٰ
ilā
(থেকে)
▶
يَوْمِ
yawmi
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
لَا
lā
নাই
▶
رَيْبَ
rayba
কোন সন্দেহ (বিন্দুমাত্র)
▶
فِيهِ ۗ
fīhi
তারে মধ্যে
▶
وَمَنْ
waman
এবং কে
▶
أَصْدَقُ
aṣdaqu
অধিক সত্য
▶
مِنَ
mina
চেয়ে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
حَدِيثًۭا
ḥadīthan
কথায়
আয়াত 88 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ فَمَا لَكُمْ فِى ٱلْمُنَـٰفِقِينَ فِئَتَيْنِ وَٱللَّهُ أَرْكَسَهُم بِمَا كَسَبُوٓا۟ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَهْدُوا۟ مَنْ أَضَلَّ ٱللَّهُ ۖ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُۥ سَبِيلًۭا
অতঃপর তোমাদের কি হল যে, মুনাফিকদের সম্পর্কে তোমরা দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তাদের মন্দ কাজের কারনে! তোমরা কি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করতে চাও, যাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রান্ত করেন, তুমি তার জন্য কোন পথ পাবে না।
▶
۞ فَمَا
famā
অতঃপর কি হয়েছে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْمُنَـٰفِقِينَ
l-munāfiqīna
মুনাফিকদের
▶
فِئَتَيْنِ
fi-atayni
(তোমরা) দুই মতের অধিকারী
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
অথচ আল্লাহই
▶
أَرْكَسَهُم
arkasahum
তাদের ঘুরিয়ে দিয়েছেন
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যা
▶
كَسَبُوٓا۟ ۚ
kasabū
তারা অর্জন করেছে
▶
أَتُرِيدُونَ
aturīdūna
কি তোমরা চাও
▶
أَن
an
যে
▶
تَهْدُوا۟
tahdū
তোমরা হিদায়াত দিবে
▶
مَنْ
man
যাকে
▶
أَضَلَّ
aḍalla
পথভ্রষ্ট করেছেন
▶
ٱللَّهُ ۖ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَمَن
waman
অথচ যাকে
▶
يُضْلِلِ
yuḍ'lili
পথভ্রষ্ট করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَلَن
falan
কক্ষনো না তখন
▶
تَجِدَ
tajida
পাবে তুমি
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
কোন পথ
আয়াত 89 - সূরা النساء: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَدُّوا۟ لَوْ تَكْفُرُونَ كَمَا كَفَرُوا۟ فَتَكُونُونَ سَوَآءًۭ ۖ فَلَا تَتَّخِذُوا۟ مِنْهُمْ أَوْلِيَآءَ حَتَّىٰ يُهَاجِرُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ۚ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَخُذُوهُمْ وَٱقْتُلُوهُمْ حَيْثُ وَجَدتُّمُوهُمْ ۖ وَلَا تَتَّخِذُوا۟ مِنْهُمْ وَلِيًّۭا وَلَا نَصِيرًا
তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।
▶
وَدُّوا۟
waddū
তারা কামনা করে
▶
لَوْ
law
যদি
▶
تَكْفُرُونَ
takfurūna
তোমরা কাফির হয়ে যাও
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
তারা কাফির হয়েছে
▶
فَتَكُونُونَ
fatakūnūna
তবে তোমরা হয়ে যাবে
▶
سَوَآءًۭ ۖ
sawāan
(তাদের সাথে) সমান
▶
فَلَا
falā
না সুতরাং
▶
تَتَّخِذُوا۟
tattakhidhū
তোমরা গ্রহণ করো
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদেরকে
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
বন্ধুরূপে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يُهَاجِرُوا۟
yuhājirū
তারা হিজরত করে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
تَوَلَّوْا۟
tawallaw
তারা মুখ ফিরায়
▶
فَخُذُوهُمْ
fakhudhūhum
তবে তাদের তোমরা ধর
▶
وَٱقْتُلُوهُمْ
wa-uq'tulūhum
ও তাদেরকে হত্যা কর
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখানে
▶
وَجَدتُّمُوهُمْ ۖ
wajadttumūhum
তাদের তোমরা পাও
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَتَّخِذُوا۟
tattakhidhū
তোমরা গ্রহণ করো (কাউকে)
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
وَلِيًّۭا
waliyyan
বন্ধুরূপে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
نَصِيرًا
naṣīran
সাহায্যকারীরূপে
আয়াত 90 - সূরা النساء: 36 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَّا ٱلَّذِينَ يَصِلُونَ إِلَىٰ قَوْمٍۭ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُم مِّيثَـٰقٌ أَوْ جَآءُوكُمْ حَصِرَتْ صُدُورُهُمْ أَن يُقَـٰتِلُوكُمْ أَوْ يُقَـٰتِلُوا۟ قَوْمَهُمْ ۚ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَسَلَّطَهُمْ عَلَيْكُمْ فَلَقَـٰتَلُوكُمْ ۚ فَإِنِ ٱعْتَزَلُوكُمْ فَلَمْ يُقَـٰتِلُوكُمْ وَأَلْقَوْا۟ إِلَيْكُمُ ٱلسَّلَمَ فَمَا جَعَلَ ٱللَّهُ لَكُمْ عَلَيْهِمْ سَبِيلًۭا
কিন্তু যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে মিলিত হয় যে, তোমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে চুক্তি আছে অথবা তোমাদের কাছে এভাবে আসে যে, তাদের অন্তর তোমাদের সাথে এবং স্বজাতির সাথেও যুদ্ধ করতে অনিচ্ছুক। যদি আল্লাহ ইচ্ছে করতেন, তবে তোমাদের উপর তাদেরকে প্রবল করে দিতেন। ফলে তারা অবশ্যই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করত। অতঃপর যদি তারা তোমাদের থেকে পৃথক থাকে তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করে এবং তোমাদের সাথে সন্ধি করে, তবে আল্লাহ তোমাদের কে তাদের বিরুদ্ধে কোন পথ দেননি।
▶
إِلَّا
illā
তবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَصِلُونَ
yaṣilūna
মিলিত হয়
▶
إِلَىٰ
ilā
সাথে
▶
قَوْمٍۭ
qawmin
(এমন কোন) জাতির
▶
بَيْنَكُمْ
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
وَبَيْنَهُم
wabaynahum
ও তাদের মাঝে
▶
مِّيثَـٰقٌ
mīthāqun
চুক্তি (রয়েছে)
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
جَآءُوكُمْ
jāūkum
তোমাদের কাছে আসে (এমন ভাবে যে)
▶
حَصِرَتْ
ḥaṣirat
অনিচ্ছুক
▶
صُدُورُهُمْ
ṣudūruhum
তাদের অন্তর
▶
أَن
an
(যে)
▶
يُقَـٰتِلُوكُمْ
yuqātilūkum
তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يُقَـٰتِلُوا۟
yuqātilū
যুদ্ধ করতে
▶
قَوْمَهُمْ ۚ
qawmahum
তাদের জাতির বিরুদ্ধে (তবে ভিন্ন কথা)
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
شَآءَ
shāa
চাইতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَسَلَّطَهُمْ
lasallaṭahum
তাদের চাপিয়ে দিতেনই
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
فَلَقَـٰتَلُوكُمْ ۚ
falaqātalūkum
তোমাদের সাথে তখন যুদ্ধ করতই
▶
فَإِنِ
fa-ini
সুতরাং যদি
▶
ٱعْتَزَلُوكُمْ
iʿ'tazalūkum
তোমাদের থেকে সরে দাড়ায়
▶
فَلَمْ
falam
অতঃপর না
▶
يُقَـٰتِلُوكُمْ
yuqātilūkum
তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে
▶
وَأَلْقَوْا۟
wa-alqaw
ও তারা প্রস্তাব করে
▶
إِلَيْكُمُ
ilaykumu
তোমাদের কাছে
▶
ٱلسَّلَمَ
l-salama
শান্তির
▶
فَمَا
famā
তবে না
▶
جَعَلَ
jaʿala
রেখেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের বিরুদ্ধে
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
(ব্যবস্থা গ্রহণের) কোন পথ
আয়াত 91 - সূরা النساء: 32 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
سَتَجِدُونَ ءَاخَرِينَ يُرِيدُونَ أَن يَأْمَنُوكُمْ وَيَأْمَنُوا۟ قَوْمَهُمْ كُلَّ مَا رُدُّوٓا۟ إِلَى ٱلْفِتْنَةِ أُرْكِسُوا۟ فِيهَا ۚ فَإِن لَّمْ يَعْتَزِلُوكُمْ وَيُلْقُوٓا۟ إِلَيْكُمُ ٱلسَّلَمَ وَيَكُفُّوٓا۟ أَيْدِيَهُمْ فَخُذُوهُمْ وَٱقْتُلُوهُمْ حَيْثُ ثَقِفْتُمُوهُمْ ۚ وَأُو۟لَـٰٓئِكُمْ جَعَلْنَا لَكُمْ عَلَيْهِمْ سُلْطَـٰنًۭا مُّبِينًۭا
এখন তুমি আরও এক সম্প্রদায়কে পাবে। তারা তোমাদের কাছেও স্বজাতির কাছেও এবং নির্বিঘ্ন হয়ে থাকতে চায়। যখন তাদেরকে ফ্যাসাদের প্রতি মনোনিবেশ করানো হয়, তখন তারা তাতে নিপতিত হয়, অতএব তারা যদি তোমাদের থেকে নিবৃত্ত না হয়, তোমাদের সাথে সন্ধি না রাখে এবং স্বীয় হস্তসমূহকে বিরত না রাখে, তবে তোমরা তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। আমি তাদের বিরুদ্ধে তোমাদেরকে প্রকাশ্য যুক্তি-প্রমাণ দান করেছি।
▶
سَتَجِدُونَ
satajidūna
তোমরা পাবে শীঘ্রই
▶
ءَاخَرِينَ
ākharīna
অপর কতক (মুনাফিক)
▶
يُرِيدُونَ
yurīdūna
তারা চায়
▶
أَن
an
(যে)
▶
يَأْمَنُوكُمْ
yamanūkum
তোমাদের থেকে নিরাপত্তা পেতে
▶
وَيَأْمَنُوا۟
wayamanū
ও নিরাপত্তা পেতে
▶
قَوْمَهُمْ
qawmahum
তাদের জাতি হতেও
▶
كُلَّ
kulla
যখনই (সুযোগ পায়)
▶
مَا
mā
(কি)
▶
رُدُّوٓا۟
ruddū
তারা ফিরে যায়
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلْفِتْنَةِ
l-fit'nati
ফিতনার
▶
أُرْكِسُوا۟
ur'kisū
তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে
▶
فِيهَا ۚ
fīhā
তার মধ্যে
▶
فَإِن
fa-in
অতএব যদি
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَعْتَزِلُوكُمْ
yaʿtazilūkum
তোমাদেরর থেকে সরে যায়
▶
وَيُلْقُوٓا۟
wayul'qū
এবং প্রস্তাব ও (না) দেয়
▶
إِلَيْكُمُ
ilaykumu
তোমাদের কাছে
▶
ٱلسَّلَمَ
l-salama
শান্তি চুক্তির
▶
وَيَكُفُّوٓا۟
wayakuffū
ও তারা বিরত (না) রাখে
▶
أَيْدِيَهُمْ
aydiyahum
তাদের হাতগুলো
▶
فَخُذُوهُمْ
fakhudhūhum
তাদেরকে তোমরা তবে ধর
▶
وَٱقْتُلُوهُمْ
wa-uq'tulūhum
ও তাদের তোমরা হত্যা কর
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখানেই
▶
ثَقِفْتُمُوهُمْ ۚ
thaqif'tumūhum
তাদের তোমরা পাও
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكُمْ
wa-ulāikum
ও ঐসব লোকদের
▶
جَعَلْنَا
jaʿalnā
আমরা দিয়েছি
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদেরকে
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
سُلْطَـٰنًۭا
sul'ṭānan
অধিকার
▶
مُّبِينًۭا
mubīnan
সুস্পষ্ট
আয়াত 92 - সূরা النساء: 60 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ أَن يَقْتُلَ مُؤْمِنًا إِلَّا خَطَـًۭٔا ۚ وَمَن قَتَلَ مُؤْمِنًا خَطَـًۭٔا فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍۢ مُّؤْمِنَةٍۢ وَدِيَةٌۭ مُّسَلَّمَةٌ إِلَىٰٓ أَهْلِهِۦٓ إِلَّآ أَن يَصَّدَّقُوا۟ ۚ فَإِن كَانَ مِن قَوْمٍ عَدُوٍّۢ لَّكُمْ وَهُوَ مُؤْمِنٌۭ فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍۢ مُّؤْمِنَةٍۢ ۖ وَإِن كَانَ مِن قَوْمٍۭ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُم مِّيثَـٰقٌۭ فَدِيَةٌۭ مُّسَلَّمَةٌ إِلَىٰٓ أَهْلِهِۦ وَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍۢ مُّؤْمِنَةٍۢ ۖ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ تَوْبَةًۭ مِّنَ ٱللَّهِ ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًۭا
মুসলমানের কাজ নয় যে, মুসলমানকে হত্যা করে; কিন্তু ভুলক্রমে। যে ব্যক্তি মুসলমানকে ভূলক্রমে হত্যা করে, সে একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং রক্ত বিনিময় সমর্পন করবে তার স্বজনদেরকে; কিন্তু যদি তারা ক্ষমা করে দেয়। অতঃপর যদি নিহত ব্যক্তি তোমাদের শত্রু সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, তবে মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং যদি সে তোমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, তবে রক্ত বিনিময় সমর্পণ করবে তার স্বজনদেরকে এবং একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে। অতঃপর যে ব্যক্তি না পায়, সে আল্লাহর কাছ থেকে গোনাহ মাফ করানোর জন্যে উপর্যুপুরি দুই মাস রোযা রাখবে। আল্লাহ, মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
كَانَ
kāna
কাজ
▶
لِمُؤْمِنٍ
limu'minin
মু'মিনদের জন্য
▶
أَن
an
যে
▶
يَقْتُلَ
yaqtula
সে হত্যা করবে
▶
مُؤْمِنًا
mu'minan
কোন মু'মিনকে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
خَطَـًۭٔا ۚ
khaṭa-an
ভুলবশত
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
قَتَلَ
qatala
হত্যা করবে
▶
مُؤْمِنًا
mu'minan
কোন মু'মিনকে
▶
خَطَـًۭٔا
khaṭa-an
ভুলবশত
▶
فَتَحْرِيرُ
fataḥrīru
মুক্তিদান তবে (কাফফারা)
▶
رَقَبَةٍۢ
raqabatin
(এমন একজন) দাসকে
▶
مُّؤْمِنَةٍۢ
mu'minatin
(যে হবে) মু'মিন
▶
وَدِيَةٌۭ
wadiyatun
ও রক্ত মূল্য
▶
مُّسَلَّمَةٌ
musallamatun
সমর্পিত হবে
▶
إِلَىٰٓ
ilā
কাছে
▶
أَهْلِهِۦٓ
ahlihi
তার পরিবারের
▶
إِلَّآ
illā
তবে
▶
أَن
an
যদি
▶
يَصَّدَّقُوا۟ ۚ
yaṣṣaddaqū
তারা ক্ষমা করে দেয় (তবে ভিন্ন কথা)
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
كَانَ
kāna
সে হয়
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَوْمٍ
qawmin
জাতির
▶
عَدُوٍّۢ
ʿaduwwin
শত্রু
▶
لَّكُمْ
lakum
তোমাদের
▶
وَهُوَ
wahuwa
যখন সে
▶
مُؤْمِنٌۭ
mu'minun
মু'মিনও
▶
فَتَحْرِيرُ
fataḥrīru
মুক্তি দান তবে (কাফফারা)
▶
رَقَبَةٍۢ
raqabatin
(এমন একজন) দাসকে
▶
مُّؤْمِنَةٍۢ ۖ
mu'minatin
(যে হবে) মু'মিন
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَوْمٍۭ
qawmin
জাতির (এমন)
▶
بَيْنَكُمْ
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
وَبَيْنَهُم
wabaynahum
ও তাদের মাঝে
▶
مِّيثَـٰقٌۭ
mīthāqun
সন্ধি চুক্তি (রয়েছে)
▶
فَدِيَةٌۭ
fadiyatun
তবে রক্তমূল্য
▶
مُّسَلَّمَةٌ
musallamatun
সমর্পিত হবে
▶
إِلَىٰٓ
ilā
কাছে
▶
أَهْلِهِۦ
ahlihi
তার পরিবারের
▶
وَتَحْرِيرُ
wataḥrīru
ও মুক্তিদান
▶
رَقَبَةٍۢ
raqabatin
(এমন একজন) দাসকে
▶
مُّؤْمِنَةٍۢ ۖ
mu'minatin
(যে হবে) মু'মিন
▶
فَمَن
faman
তবে যে
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَجِدْ
yajid
পায়
▶
فَصِيَامُ
faṣiyāmu
রোযা সেক্ষেত্রে রাখবে
▶
شَهْرَيْنِ
shahrayni
দু'মাস
▶
مُتَتَابِعَيْنِ
mutatābiʿayni
ক্রমাগত
▶
تَوْبَةًۭ
tawbatan
তওবা (করার নীতি)
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 93 - সূরা النساء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَقْتُلْ مُؤْمِنًۭا مُّتَعَمِّدًۭا فَجَزَآؤُهُۥ جَهَنَّمُ خَـٰلِدًۭا فِيهَا وَغَضِبَ ٱللَّهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُۥ وَأَعَدَّ لَهُۥ عَذَابًا عَظِيمًۭا
যে ব্যক্তি স্বেচ্ছাক্রমে মুসলমানকে হত্যা করে, তার শাস্তি জাহান্নাম, তাতেই সে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তার জন্যে ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَقْتُلْ
yaqtul
হত্যা করবে
▶
مُؤْمِنًۭا
mu'minan
মু'মিনকে
▶
مُّتَعَمِّدًۭا
mutaʿammidan
ইচ্ছাকৃত
▶
فَجَزَآؤُهُۥ
fajazāuhu
তার শাস্তি (হলো)
▶
جَهَنَّمُ
jahannamu
জাহান্নাম
▶
خَـٰلِدًۭا
khālidan
সে স্থায়ী হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَغَضِبَ
waghaḍiba
ও ক্রুদ্ধ হয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
وَلَعَنَهُۥ
walaʿanahu
তাকে লা'নত করেছেন
▶
وَأَعَدَّ
wa-aʿadda
ও প্রস্তুত করে রেখেছেন
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
عَذَابًا
ʿadhāban
শাস্তি
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 94 - সূরা النساء: 39 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا ضَرَبْتُمْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ فَتَبَيَّنُوا۟ وَلَا تَقُولُوا۟ لِمَنْ أَلْقَىٰٓ إِلَيْكُمُ ٱلسَّلَـٰمَ لَسْتَ مُؤْمِنًۭا تَبْتَغُونَ عَرَضَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا فَعِندَ ٱللَّهِ مَغَانِمُ كَثِيرَةٌۭ ۚ كَذَٰلِكَ كُنتُم مِّن قَبْلُ فَمَنَّ ٱللَّهُ عَلَيْكُمْ فَتَبَيَّنُوٓا۟ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًۭا
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহর পথে সফর কর, তখন যাচাই করে নিও এবং যে, তোমাদেরকে সালাম করে তাকে বলো না যে, তুমি মুসলমান নও। তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অন্বেষণ কর, বস্তুতঃ আল্লাহর কাছে অনেক সম্পদ রয়েছে। তোমরা ও তো এমনি ছিলে ইতিপূর্বে; অতঃপর আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। অতএব, এখন অনুসন্ধান করে নিও। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খবর রাখেন।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
ضَرَبْتُمْ
ḍarabtum
তোমরা যাত্রা কর
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَتَبَيَّنُوا۟
fatabayyanū
তোমরা (শত্রু-মিত্র) যাচাই করো তখন
▶
وَلَا
walā
ও না
▶
تَقُولُوا۟
taqūlū
তোমরা বলো
▶
لِمَنْ
liman
তাকে যে
▶
أَلْقَىٰٓ
alqā
পেশ করে
▶
إِلَيْكُمُ
ilaykumu
তোমাদের প্রতি
▶
ٱلسَّلَـٰمَ
l-salāma
সালাম
▶
لَسْتَ
lasta
''তুমি নও''
▶
مُؤْمِنًۭا
mu'minan
''মু'মিন''
▶
تَبْتَغُونَ
tabtaghūna
তোমরা তালাশ কর
▶
عَرَضَ
ʿaraḍa
সম্পদ
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
فَعِندَ
faʿinda
(আছে) তবে নিকট
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مَغَانِمُ
maghānimu
গণিমতের মাল
▶
كَثِيرَةٌۭ ۚ
kathīratun
প্রচুর
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এরূপই
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা ছিলে
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
قَبْلُ
qablu
ইতিপূর্বে
▶
فَمَنَّ
famanna
অতঃপর অনুগ্রহ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
فَتَبَيَّنُوٓا۟ ۚ
fatabayyanū
তোমরা সুতরাং যাচাই কর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِمَا
bimā
ঐবিষয়ে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ কর
▶
خَبِيرًۭا
khabīran
খুব অবহিত
আয়াত 95 - সূরা النساء: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّا يَسْتَوِى ٱلْقَـٰعِدُونَ مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ غَيْرُ أُو۟لِى ٱلضَّرَرِ وَٱلْمُجَـٰهِدُونَ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ بِأَمْوَٰلِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ ۚ فَضَّلَ ٱللَّهُ ٱلْمُجَـٰهِدِينَ بِأَمْوَٰلِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ عَلَى ٱلْقَـٰعِدِينَ دَرَجَةًۭ ۚ وَكُلًّۭا وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلْحُسْنَىٰ ۚ وَفَضَّلَ ٱللَّهُ ٱلْمُجَـٰهِدِينَ عَلَى ٱلْقَـٰعِدِينَ أَجْرًا عَظِيمًۭا
গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জেহাদ করে,-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন।
▶
لَّا
lā
না
▶
يَسْتَوِى
yastawī
সমান হয়
▶
ٱلْقَـٰعِدُونَ
l-qāʿidūna
(গৃহে) উপবেশনকারী (ঐসব লোক)
▶
مِنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদের
▶
غَيْرُ
ghayru
এব্যতীত
▶
أُو۟لِى
ulī
(প্রথম)
▶
ٱلضَّرَرِ
l-ḍarari
অক্ষমতাশীলরা
▶
وَٱلْمُجَـٰهِدُونَ
wal-mujāhidūna
ও মুজাহিদরা (যারা জিহাদ করে)
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
بِأَمْوَٰلِهِمْ
bi-amwālihim
তাদের মাল-সম্পদ দিয়ে
▶
وَأَنفُسِهِمْ ۚ
wa-anfusihim
ও তাদের জান (দিয়ে)
▶
فَضَّلَ
faḍḍala
শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْمُجَـٰهِدِينَ
l-mujāhidīna
জিহাদকারীদেরকে
▶
بِأَمْوَٰلِهِمْ
bi-amwālihim
তাদের মাল-সম্পদ দিয়ে
▶
وَأَنفُسِهِمْ
wa-anfusihim
ও তাদের জান (দিয়ে)
▶
عَلَى
ʿalā
(তাদের) উপর
▶
ٱلْقَـٰعِدِينَ
l-qāʿidīna
(যারা) (গৃহে) উপবেশনকারী
▶
دَرَجَةًۭ ۚ
darajatan
মর্যাদায়
▶
وَكُلًّۭا
wakullan
এবং প্রত্যেকেরই
▶
وَعَدَ
waʿada
ওয়াদা দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْحُسْنَىٰ ۚ
l-ḥus'nā
কল্যাণের
▶
وَفَضَّلَ
wafaḍḍala
কিন্তু শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْمُجَـٰهِدِينَ
l-mujāhidīna
জিহাদকারীদেরকে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْقَـٰعِدِينَ
l-qāʿidīna
উপবিষ্টদের
▶
أَجْرًا
ajran
পুরস্কারের (ক্ষেত্রে)
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 96 - সূরা النساء: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
دَرَجَـٰتٍۢ مِّنْهُ وَمَغْفِرَةًۭ وَرَحْمَةًۭ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورًۭا رَّحِيمًا
এগুলো তাঁর পক্ষ থেকে পদমর্যাদা, ক্ষমা ও করুণা; আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়।
▶
دَرَجَـٰتٍۢ
darajātin
মর্যাদায়
▶
مِّنْهُ
min'hu
তাঁর পক্ষ হতে
▶
وَمَغْفِرَةًۭ
wamaghfiratan
ও ক্ষমা
▶
وَرَحْمَةًۭ ۚ
waraḥmatan
ও রহমত (রয়েছে)
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًا
raḥīman
মেহেরবান
আয়াত 97 - সূরা النساء: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ تَوَفَّىٰهُمُ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ ظَالِمِىٓ أَنفُسِهِمْ قَالُوا۟ فِيمَ كُنتُمْ ۖ قَالُوا۟ كُنَّا مُسْتَضْعَفِينَ فِى ٱلْأَرْضِ ۚ قَالُوٓا۟ أَلَمْ تَكُنْ أَرْضُ ٱللَّهِ وَٰسِعَةًۭ فَتُهَاجِرُوا۟ فِيهَا ۚ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ مَأْوَىٰهُمْ جَهَنَّمُ ۖ وَسَآءَتْ مَصِيرًا
যারা নিজের অনিষ্ট করে, ফেরেশতারা তাদের প্রাণ হরণ করে বলে, তোমরা কি অবস্থায় ছিলে? তারা বলেঃ এ ভূখন্ডে আমরা অসহায় ছিলাম। ফেরেশতারা বলেঃ আল্লাহর পৃথিবী কি প্রশস্ত ছিল না যে, তোমরা দেশত্যাগ করে সেখানে চলে যেতে? অতএব, এদের বাসস্থান হল জাহান্নাম এবং তা অত্যন্ত মন্দ স্থান।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
تَوَفَّىٰهُمُ
tawaffāhumu
তাদের জান কবজ করে
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
l-malāikatu
ফেরেশতারা
▶
ظَالِمِىٓ
ẓālimī
জুলুমকারী
▶
أَنفُسِهِمْ
anfusihim
তাদের নিজেদের উপর
▶
قَالُوا۟
qālū
(ফেরেশতারা) বলে
▶
فِيمَ
fīma
''কেমন তার মধ্যে
▶
كُنتُمْ ۖ
kuntum
তোমরা ছিলে''
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলে
▶
كُنَّا
kunnā
''আমরা ছিলাম
▶
مُسْتَضْعَفِينَ
mus'taḍʿafīna
দুর্বল
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ ۚ
l-arḍi
দুনিয়ার
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে
▶
أَلَمْ
alam
''কি না
▶
تَكُنْ
takun
ছিল
▶
أَرْضُ
arḍu
জমিন
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٰسِعَةًۭ
wāsiʿatan
প্রশস্ত
▶
فَتُهَاجِرُوا۟
fatuhājirū
তোমরা অতঃপর হিজরত করতে
▶
فِيهَا ۚ
fīhā
তার মধ্যে''
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ঐসব লোক অতএব
▶
مَأْوَىٰهُمْ
mawāhum
তাদের বাসস্থল (হবে)
▶
جَهَنَّمُ ۖ
jahannamu
জাহান্নাম
▶
وَسَآءَتْ
wasāat
এবং অতি খারাপ
▶
مَصِيرًا
maṣīran
গন্তব্যস্থান
আয়াত 98 - সূরা النساء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَّا ٱلْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ ٱلرِّجَالِ وَٱلنِّسَآءِ وَٱلْوِلْدَٰنِ لَا يَسْتَطِيعُونَ حِيلَةًۭ وَلَا يَهْتَدُونَ سَبِيلًۭا
কিন্তু পুরুষ, নারী ও শিশুদের মধ্যে যারা অসহায়, তারা কোন উপায় করতে পারে না এবং পথও জানে না।
▶
إِلَّا
illā
তবে
▶
ٱلْمُسْتَضْعَفِينَ
l-mus'taḍʿafīna
(যারা ছিল) দুর্বল অসহায়
▶
مِنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلرِّجَالِ
l-rijāli
পুরুষদের
▶
وَٱلنِّسَآءِ
wal-nisāi
ও নারীদের
▶
وَٱلْوِلْدَٰنِ
wal-wil'dāni
ও শিশুদের (তাদের অবস্থা ভিন্ন)
▶
لَا
lā
না
▶
يَسْتَطِيعُونَ
yastaṭīʿūna
(যারা) সক্ষম হয়
▶
حِيلَةًۭ
ḥīlatan
উপায় অবলম্বন
▶
وَلَا
walā
ও না
▶
يَهْتَدُونَ
yahtadūna
তারা চিনে
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
পথ
আয়াত 99 - সূরা النساء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ عَسَى ٱللَّهُ أَن يَعْفُوَ عَنْهُمْ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَفُوًّا غَفُورًۭا
অতএব, আশা করা যায়, আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
সুতরাং ঐসব লোক
▶
عَسَى
ʿasā
হয়ত
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَن
an
(যে)
▶
يَعْفُوَ
yaʿfuwa
মাফ করবেন
▶
عَنْهُمْ ۚ
ʿanhum
তাদেরকে
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَفُوًّا
ʿafuwwan
মার্জনাকারী
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
আয়াত 100 - সূরা النساء: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَمَن يُهَاجِرْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ يَجِدْ فِى ٱلْأَرْضِ مُرَٰغَمًۭا كَثِيرًۭا وَسَعَةًۭ ۚ وَمَن يَخْرُجْ مِنۢ بَيْتِهِۦ مُهَاجِرًا إِلَى ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ ثُمَّ يُدْرِكْهُ ٱلْمَوْتُ فَقَدْ وَقَعَ أَجْرُهُۥ عَلَى ٱللَّهِ ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورًۭا رَّحِيمًۭا
যে কেউ আল্লাহর পথে দেশত্যাগ করে, সে এর বিনিময়ে অনেক স্থান ও সচ্ছলতা প্রাপ্ত হবে। যে কেউ নিজ গৃহ থেকে বের হয় আল্লাহ ও রসূলের প্রতি হিজরত করার উদ্দেশে, অতঃপর মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তবে তার সওয়াব আল্লাহর কাছে অবধারিত হয়ে যায়। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
▶
۞ وَمَن
waman
এবং যে
▶
يُهَاجِرْ
yuhājir
হিজরত করবে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
يَجِدْ
yajid
সে পাবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
مُرَٰغَمًۭا
murāghaman
আশ্রয়স্থল
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
অনেক
▶
وَسَعَةًۭ ۚ
wasaʿatan
ও প্রাচুর্য
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَخْرُجْ
yakhruj
বের হবে
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَيْتِهِۦ
baytihi
তার ঘর
▶
مُهَاجِرًا
muhājiran
মুহাজির হয়ে
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَرَسُولِهِۦ
warasūlihi
ও তাঁর রাসূলের (দিকে)
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يُدْرِكْهُ
yud'rik'hu
তাকে পাবে
▶
ٱلْمَوْتُ
l-mawtu
মৃত্যু
▶
فَقَدْ
faqad
নিশ্চয় তবে
▶
وَقَعَ
waqaʿa
(দায়িত্ব ভার) পড়ল
▶
أَجْرُهُۥ
ajruhu
তার পুরস্কারের
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًۭا
raḥīman
মেহেরবান
আয়াত 101 - সূরা النساء: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا ضَرَبْتُمْ فِى ٱلْأَرْضِ فَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَقْصُرُوا۟ مِنَ ٱلصَّلَوٰةِ إِنْ خِفْتُمْ أَن يَفْتِنَكُمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ ۚ إِنَّ ٱلْكَـٰفِرِينَ كَانُوا۟ لَكُمْ عَدُوًّۭا مُّبِينًۭا
যখন তোমরা কোন দেশ সফর কর, তখন নামাযে কিছুটা হ্রাস করলে তোমাদের কোন গোনাহ নেই, যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, কাফেররা তোমাদেরকে উত্ত্যক্ত করবে। নিশ্চয় কাফেররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
ضَرَبْتُمْ
ḍarabtum
তোমরা সফর কর
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
জমিনে
▶
فَلَيْسَ
falaysa
নাই তখন
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
جُنَاحٌ
junāḥun
কোন গুনাহ
▶
أَن
an
যে
▶
تَقْصُرُوا۟
taqṣurū
তোমরা কসর করবে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلصَّلَوٰةِ
l-ṣalati
সলাতে
▶
إِنْ
in
যদি
▶
خِفْتُمْ
khif'tum
তোমরা ভয় কর
▶
أَن
an
যে
▶
يَفْتِنَكُمُ
yaftinakumu
তোমাদের বিপদে ফেলবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوٓا۟ ۚ
kafarū
কুফরী করেছে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফিররা
▶
كَانُوا۟
kānū
হলো
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
عَدُوًّۭا
ʿaduwwan
শত্রু
▶
مُّبِينًۭا
mubīnan
প্রকাশ্য
আয়াত 102 - সূরা النساء: 62 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا كُنتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ ٱلصَّلَوٰةَ فَلْتَقُمْ طَآئِفَةٌۭ مِّنْهُم مَّعَكَ وَلْيَأْخُذُوٓا۟ أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُوا۟ فَلْيَكُونُوا۟ مِن وَرَآئِكُمْ وَلْتَأْتِ طَآئِفَةٌ أُخْرَىٰ لَمْ يُصَلُّوا۟ فَلْيُصَلُّوا۟ مَعَكَ وَلْيَأْخُذُوا۟ حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ ۗ وَدَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْ تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُم مَّيْلَةًۭ وَٰحِدَةًۭ ۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِن كَانَ بِكُمْ أَذًۭى مِّن مَّطَرٍ أَوْ كُنتُم مَّرْضَىٰٓ أَن تَضَعُوٓا۟ أَسْلِحَتَكُمْ ۖ وَخُذُوا۟ حِذْرَكُمْ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ أَعَدَّ لِلْكَـٰفِرِينَ عَذَابًۭا مُّهِينًۭا
যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন, অতঃপর নামাযে দাঁড়ান, তখন যেন একদল দাঁড়ায় আপনার সাথে এবং তারা যেন স্বীয় অস্ত্র সাথে নেয়। অতঃপর যখন তারা সেজদা সম্পন্ন করে, তখন আপনার কাছ থেকে যেন সরে যায় এবং অন্য দল যেন আসে, যারা নামায পড়েনি। অতঃপর তারা যেন আপনার সাথে নামায পড়ে এবং আত্মরক্ষার হাতিয়ার সাথে নেয়। কাফেররা চায় যে, তোমরা কোন রূপে অসতর্ক থাক, যাতে তারা একযোগে তোমাদেরকে আক্রমণ করে বসে। যদি বৃষ্টির কারণে তোমাদের কষ্ট হয় অথবা তোমরা অসুস্থ হও তবে স্বীয় অস্ত্র পরিত্যাগ করায় তোমাদের কোন গোনাহ নেই এবং সাথে নিয়ে নাও তোমাদের আত্নরক্ষার অস্ত্র। নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদের জন্যে অপমানকর শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং (হে নবী) যখন
▶
كُنتَ
kunta
তুমি হও
▶
فِيهِمْ
fīhim
তাদের মধ্যে
▶
فَأَقَمْتَ
fa-aqamta
তুমি অতঃপর কায়েম করবে
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদের জন্য
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সলাত
▶
فَلْتَقُمْ
faltaqum
দাঁড়ায় যেন তখন
▶
طَآئِفَةٌۭ
ṭāifatun
একদল
▶
مِّنْهُم
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
مَّعَكَ
maʿaka
তোমার সাথে
▶
وَلْيَأْخُذُوٓا۟
walyakhudhū
এবং তারা যেন রাখে
▶
أَسْلِحَتَهُمْ
asliḥatahum
তাদের অস্ত্র (তাদের কাছে)
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
سَجَدُوا۟
sajadū
তারা সিজদা করে ফেলে
▶
فَلْيَكُونُوا۟
falyakūnū
তারা তখন হবে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
وَرَآئِكُمْ
warāikum
তোমাদের পিছনে
▶
وَلْتَأْتِ
waltati
এবং আসে যেন
▶
طَآئِفَةٌ
ṭāifatun
দল
▶
أُخْرَىٰ
ukh'rā
অন্য (যারা)
▶
لَمْ
lam
নাই
▶
يُصَلُّوا۟
yuṣallū
সলাত পড়ে
▶
فَلْيُصَلُّوا۟
falyuṣallū
তারা পড়ে যেন তখন
▶
مَعَكَ
maʿaka
তোমার সাথে
▶
وَلْيَأْخُذُوا۟
walyakhudhū
ও তারাও রাখে যেন
▶
حِذْرَهُمْ
ḥidh'rahum
সতর্কতা তাদের
▶
وَأَسْلِحَتَهُمْ ۗ
wa-asliḥatahum
ও তাদের অস্ত্রশস্ত্র (তাদের কাছে)
▶
وَدَّ
wadda
কামনা করে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
لَوْ
law
যদি
▶
تَغْفُلُونَ
taghfulūna
গাফিল হও তোমরা
▶
عَنْ
ʿan
হতে
▶
أَسْلِحَتِكُمْ
asliḥatikum
তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র
▶
وَأَمْتِعَتِكُمْ
wa-amtiʿatikum
ও সাজসরঞ্জাম (হতে)
▶
فَيَمِيلُونَ
fayamīlūna
তারা তবে আক্রমণ করবে
▶
عَلَيْكُم
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
مَّيْلَةًۭ
maylatan
আক্রমণ
▶
وَٰحِدَةًۭ ۚ
wāḥidatan
একবারই
▶
وَلَا
walā
এবং না (হবে)
▶
جُنَاحَ
junāḥa
গুনাহ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
إِن
in
যদি
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
بِكُمْ
bikum
তোমাদের
▶
أَذًۭى
adhan
কষ্ট
▶
مِّن
min
হতে
▶
مَّطَرٍ
maṭarin
বৃষ্টি
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হও
▶
مَّرْضَىٰٓ
marḍā
অসুস্থ
▶
أَن
an
(যে)
▶
تَضَعُوٓا۟
taḍaʿū
তোমাদের সংবরণ করায়
▶
أَسْلِحَتَكُمْ ۖ
asliḥatakum
তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র
▶
وَخُذُوا۟
wakhudhū
কিন্তু তোমরা অবলম্বন করবে
▶
حِذْرَكُمْ ۗ
ḥidh'rakum
তোমাদের সতর্কতা
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
أَعَدَّ
aʿadda
প্রস্তুত করে রেখেছেন
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
কাফিরদের জন্য
▶
عَذَابًۭا
ʿadhāban
আজাব
▶
مُّهِينًۭا
muhīnan
লাঞ্ছনাকর
আয়াত 103 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِذَا قَضَيْتُمُ ٱلصَّلَوٰةَ فَٱذْكُرُوا۟ ٱللَّهَ قِيَـٰمًۭا وَقُعُودًۭا وَعَلَىٰ جُنُوبِكُمْ ۚ فَإِذَا ٱطْمَأْنَنتُمْ فَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ ۚ إِنَّ ٱلصَّلَوٰةَ كَانَتْ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ كِتَـٰبًۭا مَّوْقُوتًۭا
অতঃপর যখন তোমরা নামায সম্পন্ন কর, তখন দন্ডায়মান, উপবিষ্ট ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ কর। অতঃপর যখন বিপদমুক্ত হয়ে যাও, তখন নামায ঠিক করে পড়। নিশ্চয় নামায মুসলমানদের উপর ফরয নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
قَضَيْتُمُ
qaḍaytumu
তোমরা সমাপ্ত কর
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সলাত
▶
فَٱذْكُرُوا۟
fa-udh'kurū
তোমরা তখন স্মরণ কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
قِيَـٰمًۭا
qiyāman
দাঁড়িয়ে
▶
وَقُعُودًۭا
waquʿūdan
ও বসে
▶
وَعَلَىٰ
waʿalā
ও উপর
▶
جُنُوبِكُمْ ۚ
junūbikum
তোমাদের পাশগুলোর (অর্থাৎ শুয়ে)
▶
فَإِذَا
fa-idhā
যখন অতঃপর
▶
ٱطْمَأْنَنتُمْ
iṭ'manantum
তোমরা নিরাপদ হও
▶
فَأَقِيمُوا۟
fa-aqīmū
তোমরা তখন কায়েম কর
▶
ٱلصَّلَوٰةَ ۚ
l-ṣalata
সলাত
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সলাত
▶
كَانَتْ
kānat
হলো
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদের
▶
كِتَـٰبًۭا
kitāban
ফরজ
▶
مَّوْقُوتًۭا
mawqūtan
নির্দিষ্ট সময়ে
আয়াত 104 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَهِنُوا۟ فِى ٱبْتِغَآءِ ٱلْقَوْمِ ۖ إِن تَكُونُوا۟ تَأْلَمُونَ فَإِنَّهُمْ يَأْلَمُونَ كَمَا تَأْلَمُونَ ۖ وَتَرْجُونَ مِنَ ٱللَّهِ مَا لَا يَرْجُونَ ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا
তাদের পশ্চাদ্ধাবনে শৈথিল্য করো না। যদি তোমরা আঘাত প্রাপ্ত, তবে তারাও তো তোমাদের মতই হয়েছে আঘাতপ্রাপ্ত এবং তোমরা আল্লাহর কাছে আশা কর, যা তারা আশা করে না। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَهِنُوا۟
tahinū
তোমরা হতোদ্যম হয়ো
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱبْتِغَآءِ
ib'tighāi
পশ্চাদ্ধাবনে
▶
ٱلْقَوْمِ ۖ
l-qawmi
(শত্রু) জাতির
▶
إِن
in
যদি
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
পেয়ে থাকো
▶
تَأْلَمُونَ
talamūna
তোমরা যন্ত্রণা
▶
فَإِنَّهُمْ
fa-innahum
নিশ্চয় তবে তারাও
▶
يَأْلَمُونَ
yalamūna
যন্ত্রণা পায়
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
تَأْلَمُونَ ۖ
talamūna
তোমরা যন্ত্রণা পাও
▶
وَتَرْجُونَ
watarjūna
আর তোমরা আশা কর (পুরস্কার)
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
مَا
mā
যা
▶
لَا
lā
না
▶
يَرْجُونَ ۗ
yarjūna
তারা আশা করে
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
▶
حَكِيمًا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 105 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّآ أَنزَلْنَآ إِلَيْكَ ٱلْكِتَـٰبَ بِٱلْحَقِّ لِتَحْكُمَ بَيْنَ ٱلنَّاسِ بِمَآ أَرَىٰكَ ٱللَّهُ ۚ وَلَا تَكُن لِّلْخَآئِنِينَ خَصِيمًۭا
নিশ্চয় আমি আপনার প্রতি সত্য কিতাব অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি মানুষের মধ্যে ফয়সালা করেন, যা আল্লাহ আপনাকে হৃদয়ঙ্গম করান। আপনি বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ থেকে বিতর্ককারী হবেন না।
▶
إِنَّآ
innā
আমরা নিশ্চয়ই
▶
أَنزَلْنَآ
anzalnā
আমরা নাযিল করেছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
(এই) গ্রন্থখানি
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
সত্য সহকারে
▶
لِتَحْكُمَ
litaḥkuma
তুমি যাতে বিচার কর
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের
▶
بِمَآ
bimā
তেমনি যা
▶
أَرَىٰكَ
arāka
তোমাকে দেখিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَكُن
takun
তুমি হয়ো
▶
لِّلْخَآئِنِينَ
lil'khāinīna
খিয়ানতকারীদের জন্য
▶
خَصِيمًۭا
khaṣīman
বিতর্ককারী
আয়াত 106 - সূরা النساء: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱسْتَغْفِرِ ٱللَّهَ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ غَفُورًۭا رَّحِيمًۭا
এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
▶
وَٱسْتَغْفِرِ
wa-is'taghfiri
এবং ক্ষমা চাও (কাছে)
▶
ٱللَّهَ ۖ
l-laha
আল্লাহর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًۭا
raḥīman
মেহেরবান
আয়াত 107 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تُجَـٰدِلْ عَنِ ٱلَّذِينَ يَخْتَانُونَ أَنفُسَهُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ مَن كَانَ خَوَّانًا أَثِيمًۭا
যারা মনে বিশ্বাস ঘাতকতা পোষণ করে তাদের পক্ষ থেকে বিতর্ক করবেন না। আল্লাহ পছন্দ করেন না তাকে, যে বিশ্বাস ঘাতক পাপী হয়।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُجَـٰدِلْ
tujādil
তুমি বিসম্বাদ করো
▶
عَنِ
ʿani
(তাদের) জন্য
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَخْتَانُونَ
yakhtānūna
খিয়ানত করে
▶
أَنفُسَهُمْ ۚ
anfusahum
তাদের নিজেদের (উপর)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
পছন্দ করেন
▶
مَن
man
যে
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
خَوَّانًا
khawwānan
খিয়ানতকারী
▶
أَثِيمًۭا
athīman
পাপিষ্ঠ
আয়াত 108 - সূরা النساء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَسْتَخْفُونَ مِنَ ٱلنَّاسِ وَلَا يَسْتَخْفُونَ مِنَ ٱللَّهِ وَهُوَ مَعَهُمْ إِذْ يُبَيِّتُونَ مَا لَا يَرْضَىٰ مِنَ ٱلْقَوْلِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطًا
তারা মানুষের কাছে লজ্জিত হয় এবং আল্লাহর কাছে লজ্জিত হয় না। তিনি তাদের সাথে রয়েছেন, যখন তারা রাত্রে এমন বিষয়ে পরামর্শ করে, যাতে আল্লাহ সম্মত নন। তারা যাকিছু করে, সবই আল্লাহর আয়ত্তাধীণ।
▶
يَسْتَخْفُونَ
yastakhfūna
তারা লুকাতে চায়
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের
▶
وَلَا
walā
অথচ না
▶
يَسْتَخْفُونَ
yastakhfūna
তারা লুকাতে পারে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَهُوَ
wahuwa
ও তিনি (ছিলেন)
▶
مَعَهُمْ
maʿahum
তাদের সাথে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
يُبَيِّتُونَ
yubayyitūna
তারা রাতে পরামর্শ করে
▶
مَا
mā
যা
▶
لَا
lā
না
▶
يَرْضَىٰ
yarḍā
তিনি পছন্দ করেন
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْقَوْلِ ۚ
l-qawli
(কুট-কৌশলের) কথাবার্তা
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয় যা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
তারা কাজ করছে
▶
مُحِيطًا
muḥīṭan
আয়ত্তকারী
আয়াত 109 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هَـٰٓأَنتُمْ هَـٰٓؤُلَآءِ جَـٰدَلْتُمْ عَنْهُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا فَمَن يُجَـٰدِلُ ٱللَّهَ عَنْهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ أَم مَّن يَكُونُ عَلَيْهِمْ وَكِيلًۭا
শুনছ? তোমরা তাদের পক্ষ থেকে পার্থিব জীবনে বিবাদ করছ, অতঃপর কেয়ামতের দিনে তাদের পক্ষ হয়ে আল্লাহর সাথে কে বিবাদ করবে অথবা কে তাদের কার্যনির্বাহী হবে।
▶
هَـٰٓأَنتُمْ
hāantum
হ্যাঁ তোমরাই
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
ঐসব লোক (যারা)
▶
جَـٰدَلْتُمْ
jādaltum
তোমরা ঝগড়া করেছ
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদের পক্ষে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ায়
▶
فَمَن
faman
কে অতঃপর
▶
يُجَـٰدِلُ
yujādilu
ঝগড়া করবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর (সাথে)
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদের পক্ষে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
أَم
am
অথবা
▶
مَّن
man
কে
▶
يَكُونُ
yakūnu
হবে
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের পক্ষে
▶
وَكِيلًۭا
wakīlan
উকিল
আয়াত 110 - সূরা النساء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَعْمَلْ سُوٓءًا أَوْ يَظْلِمْ نَفْسَهُۥ ثُمَّ يَسْتَغْفِرِ ٱللَّهَ يَجِدِ ٱللَّهَ غَفُورًۭا رَّحِيمًۭا
যে গোনাহ, করে কিংবা নিজের অনিষ্ট করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, করুণাময় পায়।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَعْمَلْ
yaʿmal
কাজ করবে
▶
سُوٓءًا
sūan
মন্দ
▶
أَوْ
aw
বা
▶
يَظْلِمْ
yaẓlim
জুলুম করবে
▶
نَفْسَهُۥ
nafsahu
তার নিজের উপর
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يَسْتَغْفِرِ
yastaghfiri
ক্ষমা চাইবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর (কাছে)
▶
يَجِدِ
yajidi
সে পাবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًۭا
raḥīman
মেহেরবান হিসেবে
আয়াত 111 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَكْسِبْ إِثْمًۭا فَإِنَّمَا يَكْسِبُهُۥ عَلَىٰ نَفْسِهِۦ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًۭا
যে কেউ পাপ করে, সে নিজের পক্ষেই করে। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
▶
وَمَن
waman
আর যে
▶
يَكْسِبْ
yaksib
অর্জন করে
▶
إِثْمًۭا
ith'man
গুনাহ
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
তাহলে মূলত
▶
يَكْسِبُهُۥ
yaksibuhu
তা অর্জন করে সে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
نَفْسِهِۦ ۚ
nafsihi
তার নিজের
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 112 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَكْسِبْ خَطِيٓـَٔةً أَوْ إِثْمًۭا ثُمَّ يَرْمِ بِهِۦ بَرِيٓـًۭٔا فَقَدِ ٱحْتَمَلَ بُهْتَـٰنًۭا وَإِثْمًۭا مُّبِينًۭا
যে ব্যক্তি ভূল কিংবা গোনাহ করে, অতঃপর কোন নিরপরাধের উপর অপবাদ আরোপ করে সে নিজের মাথায় বহন করে জঘন্য মিথ্যা ও প্রকাশ্য গোনাহ।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَكْسِبْ
yaksib
অর্জন করে
▶
خَطِيٓـَٔةً
khaṭīatan
অন্যায়
▶
أَوْ
aw
বা
▶
إِثْمًۭا
ith'man
পাপ কাজ
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يَرْمِ
yarmi
চাপিয়ে দেয়
▶
بِهِۦ
bihi
তা
▶
بَرِيٓـًۭٔا
barīan
নির্দোষের (উপর)
▶
فَقَدِ
faqadi
নিশ্চয় তবে
▶
ٱحْتَمَلَ
iḥ'tamala
সে বহন করল
▶
بُهْتَـٰنًۭا
buh'tānan
মিথ্যা অপবাদ
▶
وَإِثْمًۭا
wa-ith'man
ও পাপ
▶
مُّبِينًۭا
mubīnan
সুস্পষ্ট
আয়াত 113 - সূরা النساء: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْلَا فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكَ وَرَحْمَتُهُۥ لَهَمَّت طَّآئِفَةٌۭ مِّنْهُمْ أَن يُضِلُّوكَ وَمَا يُضِلُّونَ إِلَّآ أَنفُسَهُمْ ۖ وَمَا يَضُرُّونَكَ مِن شَىْءٍۢ ۚ وَأَنزَلَ ٱللَّهُ عَلَيْكَ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَعَلَّمَكَ مَا لَمْ تَكُن تَعْلَمُ ۚ وَكَانَ فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكَ عَظِيمًۭا
যদি আপনার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা না হত, তবে তাদের একদল আপনাকে পথভ্রষ্ট করার সংকল্প করেই ফেলেছিল। তারা পথভ্রান্ত করতে পারে না কিন্তু নিজেদেরকেই এবং আপনার কোন অনিষ্ট করতে পারে না। আল্লাহ আপনার প্রতি ঐশী গ্রন্থ ও প্রজ্ঞা অবতীর্ণ করেছেন এবং আপনাকে এমন বিষয় শিক্ষা দিয়েছেন, যা আপনি জানতেন না। আপনার প্রতি আল্লাহর করুণা অসীম।
▶
وَلَوْلَا
walawlā
এবং যদি না
▶
فَضْلُ
faḍlu
অনুগ্রহ (হত)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
وَرَحْمَتُهُۥ
waraḥmatuhu
ও তাঁর রহমত (তবে)
▶
لَهَمَّت
lahammat
সংকল্প করেই ফেলেছিল
▶
طَّآئِفَةٌۭ
ṭāifatun
একদল
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
أَن
an
যে
▶
يُضِلُّوكَ
yuḍillūka
তোমাকে পথভ্রষ্ট করবে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يُضِلُّونَ
yuḍillūna
তারা পথভ্রষ্ট করবে
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَنفُسَهُمْ ۖ
anfusahum
তাদের নিজেদেরকে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَضُرُّونَكَ
yaḍurrūnaka
তোমাকে তারা ক্ষতি করতে পারে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
شَىْءٍۢ ۚ
shayin
কোন কিছুই
▶
وَأَنزَلَ
wa-anzala
এবং নাযিল করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْحِكْمَةَ
wal-ḥik'mata
ও বুদ্ধিমত্তা
▶
وَعَلَّمَكَ
waʿallamaka
ও তোমাকে শিক্ষা দিয়েছেন
▶
مَا
mā
যা
▶
لَمْ
lam
না
▶
تَكُن
takun
(না)
▶
تَعْلَمُ ۚ
taʿlamu
তুমি জানতে
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হল
▶
فَضْلُ
faḍlu
অনুগ্রহ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 114 - সূরা النساء: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ لَّا خَيْرَ فِى كَثِيرٍۢ مِّن نَّجْوَىٰهُمْ إِلَّا مَنْ أَمَرَ بِصَدَقَةٍ أَوْ مَعْرُوفٍ أَوْ إِصْلَـٰحٍۭ بَيْنَ ٱلنَّاسِ ۚ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ ٱبْتِغَآءَ مَرْضَاتِ ٱللَّهِ فَسَوْفَ نُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًۭا
তাদের অধিকাংশ সলা-পরামর্শ ভাল নয়; কিন্তু যে সলা-পরামর্শ দান খয়রাত করতে কিংবা সৎকাজ করতে কিংবা মানুষের মধ্যে সন্ধিস্থাপন কল্পে করতো তা স্বতন্ত্র। যে একাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমি তাকে বিরাট ছওয়াব দান করব।
▶
۞ لَّا
lā
নাই
▶
خَيْرَ
khayra
কোন কল্যাণ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
كَثِيرٍۢ
kathīrin
অধিকাংশের
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
نَّجْوَىٰهُمْ
najwāhum
তাদের গোপন পরামর্শের
▶
إِلَّا
illā
তবে (দোষ নেই তার শলাপরামর্শে)
▶
مَنْ
man
যে
▶
أَمَرَ
amara
নির্দেশ দেয়
▶
بِصَدَقَةٍ
biṣadaqatin
দান খয়রাতের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
مَعْرُوفٍ
maʿrūfin
সৎকাজের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
إِصْلَـٰحٍۭ
iṣ'lāḥin
সন্ধি স্থাপনের
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلنَّاسِ ۚ
l-nāsi
লোকদের
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَفْعَلْ
yafʿal
করে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এরূপ
▶
ٱبْتِغَآءَ
ib'tighāa
সন্ধানে
▶
مَرْضَاتِ
marḍāti
সন্তুষ্টির
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَسَوْفَ
fasawfa
শীঘ্রই সেক্ষেত্রে
▶
نُؤْتِيهِ
nu'tīhi
তাকে আমরা দেব
▶
أَجْرًا
ajran
প্রতিফল
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 115 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يُشَاقِقِ ٱلرَّسُولَ مِنۢ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُ ٱلْهُدَىٰ وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيلِ ٱلْمُؤْمِنِينَ نُوَلِّهِۦ مَا تَوَلَّىٰ وَنُصْلِهِۦ جَهَنَّمَ ۖ وَسَآءَتْ مَصِيرًا
যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يُشَاقِقِ
yushāqiqi
বিরুদ্ধাচারণ করে
▶
ٱلرَّسُولَ
l-rasūla
রাসূলের
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
এরপরেও
▶
مَا
mā
যা
▶
تَبَيَّنَ
tabayyana
সুস্পষ্ট হয়েছে
▶
لَهُ
lahu
তার কাছে
▶
ٱلْهُدَىٰ
l-hudā
সৎ পথ
▶
وَيَتَّبِعْ
wayattabiʿ
ও অনুসরণ করে
▶
غَيْرَ
ghayra
ব্যতীত
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথ
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদের (তাহলে)
▶
نُوَلِّهِۦ
nuwallihi
তাকে ফিরাব আমরা
▶
مَا
mā
(সে দিকেই) যে দিকে
▶
تَوَلَّىٰ
tawallā
সে ফিরেছে
▶
وَنُصْلِهِۦ
wanuṣ'lihi
ও তাকে দগ্ধ করব আমরা
▶
جَهَنَّمَ ۖ
jahannama
জাহান্নামে
▶
وَسَآءَتْ
wasāat
এবং (তা) কত নিকৃষ্ট
▶
مَصِيرًا
maṣīran
গন্তব্যস্থল
আয়াত 116 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِۦ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُ ۚ وَمَن يُشْرِكْ بِٱللَّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَـٰلًۢا بَعِيدًا
নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে। এছাড়া যাকে ইচ্ছা, ক্ষমা করেন। যে আল্লাহর সাথে শরীক করে সে সুদূর ভ্রান্তিতে পতিত হয়।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَغْفِرُ
yaghfiru
মাফ করেন
▶
أَن
an
(যে)
▶
يُشْرَكَ
yush'raka
শিরক করাকে
▶
بِهِۦ
bihi
তার সাথে
▶
وَيَغْفِرُ
wayaghfiru
কিন্তু মাফ করবেন
▶
مَا
mā
যা (আছে)
▶
دُونَ
dūna
ব্যতীত
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
لِمَن
liman
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করবেন
▶
وَمَن
waman
ও যে
▶
يُشْرِكْ
yush'rik
শিরক করে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর সাথে
▶
فَقَدْ
faqad
নিশ্চয় অতঃপর
▶
ضَلَّ
ḍalla
সে পথভ্রষ্ট হয়েছে
▶
ضَلَـٰلًۢا
ḍalālan
পথভ্রষ্টতায়
▶
بَعِيدًا
baʿīdan
বহুদূরে
আয়াত 117 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن يَدْعُونَ مِن دُونِهِۦٓ إِلَّآ إِنَـٰثًۭا وَإِن يَدْعُونَ إِلَّا شَيْطَـٰنًۭا مَّرِيدًۭا
তারা আল্লাহকে পরিত্যাগ করে শুধু নারীর আরাধনা করে এবং শুধু অবাধ্য শয়তানের পূজা করে।
▶
إِن
in
না
▶
يَدْعُونَ
yadʿūna
তারা ডাকে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
دُونِهِۦٓ
dūnihi
তাঁকে ছাড়া
▶
إِلَّآ
illā
কিন্তু
▶
إِنَـٰثًۭا
ināthan
দেবীদেরকে
▶
وَإِن
wa-in
এবং না
▶
يَدْعُونَ
yadʿūna
তারা ডাকে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
شَيْطَـٰنًۭا
shayṭānan
শয়তানকে
▶
مَّرِيدًۭا
marīdan
বিদ্রোহী
আয়াত 118 - সূরা النساء: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّعَنَهُ ٱللَّهُ ۘ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًۭا مَّفْرُوضًۭا
যার প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন। শয়তান বললঃ আমি অবশ্যই তোমার বান্দাদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট অংশ গ্রহণ করব।
▶
لَّعَنَهُ
laʿanahu
যাকে লানত দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ ۘ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং (শয়তান) বলেছিল
▶
لَأَتَّخِذَنَّ
la-attakhidhanna
''আমি অবশ্যই নিয়ে ছাড়ব
▶
مِنْ
min
মধ্য হতে
▶
عِبَادِكَ
ʿibādika
তোমার বান্দাদের
▶
نَصِيبًۭا
naṣīban
এক অংশ
▶
مَّفْرُوضًۭا
mafrūḍan
নির্দিষ্ট''
আয়াত 119 - সূরা النساء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَأُضِلَّنَّهُمْ وَلَأُمَنِّيَنَّهُمْ وَلَـَٔامُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ ءَاذَانَ ٱلْأَنْعَـٰمِ وَلَـَٔامُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ ٱللَّهِ ۚ وَمَن يَتَّخِذِ ٱلشَّيْطَـٰنَ وَلِيًّۭا مِّن دُونِ ٱللَّهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًۭا مُّبِينًۭا
তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, তাদেরকে আশ্বাস দেব; তাদেরকে পশুদের কর্ণ ছেদন করতে বলব এবং তাদেরকে আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতি পরিবর্তন করতে আদেশ দেব। যে কেউ আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, সে প্রকাশ্য ক্ষতিতে পতিত হয়।
▶
وَلَأُضِلَّنَّهُمْ
wala-uḍillannahum
''এবং তাদের আমি অবশ্যই পথভ্রষ্ট করব
▶
وَلَأُمَنِّيَنَّهُمْ
wala-umanniyannahum
এবং তাদের আমি অবশ্যই আশা আকাঙ্ক্ষা দিব
▶
وَلَـَٔامُرَنَّهُمْ
walaāmurannahum
এবং তাদের আমি অবশ্যই নির্দেশ দেব
▶
فَلَيُبَتِّكُنَّ
falayubattikunna
অতঃপর তারা অবশ্যই ছেদ করবে
▶
ءَاذَانَ
ādhāna
কানগুলো
▶
ٱلْأَنْعَـٰمِ
l-anʿāmi
গবাদিপশুর
▶
وَلَـَٔامُرَنَّهُمْ
walaāmurannahum
ও তাদের অবশ্যই আমি নির্দেশ দেব
▶
فَلَيُغَيِّرُنَّ
falayughayyirunna
অতঃপর তারা অবশ্যই বিকৃত করবে
▶
خَلْقَ
khalqa
সৃষ্টিকে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর''
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَتَّخِذِ
yattakhidhi
গ্রহণ করে
▶
ٱلشَّيْطَـٰنَ
l-shayṭāna
শয়তানকে
▶
وَلِيًّۭا
waliyyan
অভিভাবকরূপে
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
فَقَدْ
faqad
নিশ্চয়ই তবে
▶
خَسِرَ
khasira
সে ক্ষতিগ্রস্ত হয়
▶
خُسْرَانًۭا
khus'rānan
ক্ষতিতে
▶
مُّبِينًۭا
mubīnan
প্রকাশ্য
আয়াত 120 - সূরা النساء: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَعِدُهُمْ وَيُمَنِّيهِمْ ۖ وَمَا يَعِدُهُمُ ٱلشَّيْطَـٰنُ إِلَّا غُرُورًا
সে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে আশ্বাস দেয়। শয়তান তাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা সব প্রতারণা বৈ নয়।
▶
يَعِدُهُمْ
yaʿiduhum
তাদের ওয়াদা দেয় সে
▶
وَيُمَنِّيهِمْ ۖ
wayumannīhim
ও তাদের আশা দেয়
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَعِدُهُمُ
yaʿiduhumu
তাদের ওয়াদা দেয়
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
غُرُورًا
ghurūran
প্রতারণা
আয়াত 121 - সূরা النساء: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ مَأْوَىٰهُمْ جَهَنَّمُ وَلَا يَجِدُونَ عَنْهَا مَحِيصًۭا
তাদের বাসস্থান জাহান্নাম। তারা সেখান থেকে কোথাও পালাবার জায়গা পাবে না।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
مَأْوَىٰهُمْ
mawāhum
তাদের আশ্রয়স্থল
▶
جَهَنَّمُ
jahannamu
জাহান্নাম
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَجِدُونَ
yajidūna
তারা পাবে
▶
عَنْهَا
ʿanhā
তা থেকে
▶
مَحِيصًۭا
maḥīṣan
পালানোর জায়গা
আয়াত 122 - সূরা النساء: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ سَنُدْخِلُهُمْ جَنَّـٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًۭا ۖ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقًّۭا ۚ وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ ٱللَّهِ قِيلًۭا
যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, আমি তাদেরকে উদ্যানসমূহে প্রবিষ্ট করাব, যেগুলোর তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত হয়। তারা চিরকাল তথায় অবস্থান করবে। আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সত্য সত্য। আল্লাহর চাইতে অধিক সত্যবাদী কে?
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
নেকীর
▶
سَنُدْخِلُهُمْ
sanud'khiluhum
তাদের প্রবেশ করাব আমরা
▶
جَنَّـٰتٍۢ
jannātin
জান্নাতে
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার পাদদেশে
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্ণাধারাসমুহ
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা অবস্থানকারী হবে
▶
فِيهَآ
fīhā
তার মধ্যে
▶
أَبَدًۭا ۖ
abadan
চিরকাল
▶
وَعْدَ
waʿda
ওয়াদা
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
حَقًّۭا ۚ
ḥaqqan
সত্য
▶
وَمَنْ
waman
এবং কে
▶
أَصْدَقُ
aṣdaqu
অধিক সত্যবাদী
▶
مِنَ
mina
চেয়ে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
قِيلًۭا
qīlan
কথায়
আয়াত 123 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّيْسَ بِأَمَانِيِّكُمْ وَلَآ أَمَانِىِّ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ ۗ مَن يَعْمَلْ سُوٓءًۭا يُجْزَ بِهِۦ وَلَا يَجِدْ لَهُۥ مِن دُونِ ٱللَّهِ وَلِيًّۭا وَلَا نَصِيرًۭا
তোমাদের আশার উপর ও ভিত্তি নয় এবং আহলে-কিতাবদের আশার উপরও না। যে কেউ মন্দ কাজ করবে, সে তার শাস্তি পাবে এবং সে আল্লাহ ছাড়া নিজের কোন সমর্থক বা সাহায্যকারী পাবে না।
▶
لَّيْسَ
laysa
না (হবে শেষ পরিণিতি)
▶
بِأَمَانِيِّكُمْ
bi-amāniyyikum
তোমাদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী
▶
وَلَآ
walā
আর না
▶
أَمَانِىِّ
amāniyyi
আকাঙ্ক্ষা (অনুযায়ী)
▶
أَهْلِ
ahli
আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ ۗ
l-kitābi
কিতাবদের
▶
مَن
man
যে
▶
يَعْمَلْ
yaʿmal
কাজ করবে
▶
سُوٓءًۭا
sūan
মন্দ
▶
يُجْزَ
yuj'za
প্রতিফল দেয়া হবে
▶
بِهِۦ
bihi
সে অনুযায়ী
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَجِدْ
yajid
সে পাবে
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَلِيًّۭا
waliyyan
কোন অভিভাবক
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
نَصِيرًۭا
naṣīran
কোন সাহায্যকারী
আয়াত 124 - সূরা النساء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَعْمَلْ مِنَ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ مِن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤْمِنٌۭ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ يَدْخُلُونَ ٱلْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُونَ نَقِيرًۭا
যে লোক পুরুষ হোক কিংবা নারী, কোন সৎকর্ম করে এবং বিশ্বাসী হয়, তবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রাপ্য তিল পরিমাণ ও নষ্ট হবে না।
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَعْمَلْ
yaʿmal
কাজ করবে
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
নেকীসমূহের
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
ذَكَرٍ
dhakarin
পুরুষদের
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
أُنثَىٰ
unthā
নারীদের
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং সে
▶
مُؤْمِنٌۭ
mu'minun
মু'মিনও
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ঐসব লোক তখন
▶
يَدْخُلُونَ
yadkhulūna
প্রবেশ করবে
▶
ٱلْجَنَّةَ
l-janata
জান্নাতে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُظْلَمُونَ
yuẓ'lamūna
জুলুম করা হবে
▶
نَقِيرًۭا
naqīran
সামান্য পরিমাণেও
আয়াত 125 - সূরা النساء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَنْ أَحْسَنُ دِينًۭا مِّمَّنْ أَسْلَمَ وَجْهَهُۥ لِلَّهِ وَهُوَ مُحْسِنٌۭ وَٱتَّبَعَ مِلَّةَ إِبْرَٰهِيمَ حَنِيفًۭا ۗ وَٱتَّخَذَ ٱللَّهُ إِبْرَٰهِيمَ خَلِيلًۭا
যে আল্লাহর নির্দেশের সামনে মস্তক অবনত করে সৎকাজে নিয়োজিত থাকে এবং ইব্রাহীমের ধর্ম অনুসরণ করে, যিনি একনিষ্ঠ ছিলেন, তার চাইতে উত্তম ধর্ম কার? আল্লাহ ইব্রাহীমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন।
▶
وَمَنْ
waman
এবং কার
▶
أَحْسَنُ
aḥsanu
উত্তম
▶
دِينًۭا
dīnan
জীবন-যাপন পন্থা
▶
مِّمَّنْ
mimman
(তার) চেয়ে যে
▶
أَسْلَمَ
aslama
আত্মসমর্পণ করল
▶
وَجْهَهُۥ
wajhahu
তার নিজেকে
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর কাছে
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং সে
▶
مُحْسِنٌۭ
muḥ'sinun
সৎকর্মশীলও
▶
وَٱتَّبَعَ
wa-ittabaʿa
এবং অনুসরণ করল
▶
مِلَّةَ
millata
পন্থা
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
حَنِيفًۭا ۗ
ḥanīfan
একনিষ্ঠভাবে
▶
وَٱتَّخَذَ
wa-ittakhadha
এবং গ্রহণ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমকে
▶
خَلِيلًۭا
khalīlan
বন্ধু হিসেবে
আয়াত 126 - সূরা النساء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِكُلِّ شَىْءٍۢ مُّحِيطًۭا
যা কিছু নভোন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে, সব আল্লাহরই। সব বস্তু আল্লাহর মুষ্ঠি বলয়ে।
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহরই জন্য
▶
مَا
mā
যা কিছু (আছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমানসমূহের
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু (আছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ ۚ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِكُلِّ
bikulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুকে
▶
مُّحِيطًۭا
muḥīṭan
পরিবেষ্টনকারী
আয়াত 127 - সূরা النساء: 40 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَسْتَفْتُونَكَ فِى ٱلنِّسَآءِ ۖ قُلِ ٱللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِيهِنَّ وَمَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ فِى ٱلْكِتَـٰبِ فِى يَتَـٰمَى ٱلنِّسَآءِ ٱلَّـٰتِى لَا تُؤْتُونَهُنَّ مَا كُتِبَ لَهُنَّ وَتَرْغَبُونَ أَن تَنكِحُوهُنَّ وَٱلْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ ٱلْوِلْدَٰنِ وَأَن تَقُومُوا۟ لِلْيَتَـٰمَىٰ بِٱلْقِسْطِ ۚ وَمَا تَفْعَلُوا۟ مِنْ خَيْرٍۢ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِهِۦ عَلِيمًۭا
তারা আপনার কাছে নারীদের বিবাহের অনুমতি চায়। বলে দিনঃ আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের সম্পর্কে অনুমতি দেন এবং কোরআনে তোমাদেরকে যা যা পাট করে শুনানো হয়, তা ঐ সব পিতৃহীনা-নারীদের বিধান, যাদের কে তোমরা নির্ধারিত অধিকার প্রদান কর না অথচ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার বাসনা রাখ। আর অক্ষম শিশুদের বিধান এই যে, এতীমদের জন্যে ইনসাফের উপর কায়েম থাক। তোমরা যা ভাল কাজ করবে, তা আল্লাহ জানেন।
▶
وَيَسْتَفْتُونَكَ
wayastaftūnaka
এবং তোমাকে তারা ব্যবস্থা জিজ্ঞাসা করে
▶
فِى
fī
সম্পর্কে
▶
ٱلنِّسَآءِ ۖ
l-nisāi
স্ত্রীলোকদের
▶
قُلِ
quli
বল
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
''আল্লাহ
▶
يُفْتِيكُمْ
yuf'tīkum
তোমাদের ব্যবস্থা বলে দিচ্ছেন
▶
فِيهِنَّ
fīhinna
তাদের সম্পর্কে
▶
وَمَا
wamā
এবং (তাও স্মরণ কর) যা
▶
يُتْلَىٰ
yut'lā
শুনান হয়েছে
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের নিকট
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
(এই) কিতাবের
▶
فِى
fī
সম্পর্কে
▶
يَتَـٰمَى
yatāmā
ইয়াতীম
▶
ٱلنِّسَآءِ
l-nisāi
নারীদের
▶
ٱلَّـٰتِى
allātī
যাদেরকে
▶
لَا
lā
না
▶
تُؤْتُونَهُنَّ
tu'tūnahunna
তাদের দাও তোমরা (প্রাপ্য)
▶
مَا
mā
যা
▶
كُتِبَ
kutiba
নির্ধারিত
▶
لَهُنَّ
lahunna
তাদের জন্য
▶
وَتَرْغَبُونَ
watarghabūna
অথচ আগ্রহ কর তোমরা
▶
أَن
an
(যে)
▶
تَنكِحُوهُنَّ
tankiḥūhunna
তোমরা বিবাহ করতে তাদেরকে
▶
وَٱلْمُسْتَضْعَفِينَ
wal-mus'taḍʿafīna
এবং অসহায়
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْوِلْدَٰنِ
l-wil'dāni
শিশুদের (সম্পর্কেও)
▶
وَأَن
wa-an
এবং (এও নির্দেশ দিচ্ছেন) যে
▶
تَقُومُوا۟
taqūmū
তোমরা কায়েম থাক
▶
لِلْيَتَـٰمَىٰ
lil'yatāmā
ইয়াতীমদের জন্য
▶
بِٱلْقِسْطِ ۚ
bil-qis'ṭi
ইনসাফের সাথে
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تَفْعَلُوا۟
tafʿalū
তোমরা কর
▶
مِنْ
min
(থেকে)
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
কল্যাণ
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِهِۦ
bihi
সে ব্যাপারে
▶
عَلِيمًۭا
ʿalīman
সবিশেষ অবহিত
আয়াত 128 - সূরা النساء: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنِ ٱمْرَأَةٌ خَافَتْ مِنۢ بَعْلِهَا نُشُوزًا أَوْ إِعْرَاضًۭا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَآ أَن يُصْلِحَا بَيْنَهُمَا صُلْحًۭا ۚ وَٱلصُّلْحُ خَيْرٌۭ ۗ وَأُحْضِرَتِ ٱلْأَنفُسُ ٱلشُّحَّ ۚ وَإِن تُحْسِنُوا۟ وَتَتَّقُوا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًۭا
যদি কোন নারী স্বীয় স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে, তবে পরস্পর কোন মীমাংসা করে নিলে তাদের উভয়ের কোন গোনাহ নাই। মীমাংসা উত্তম। মনের সামনে লোভ বিদ্যমান আছে। যদি তোমরা উত্তম কাজ কর এবং খোদাভীরু হও, তবে, আল্লাহ তোমাদের সব কাজের খবর রাখেন।
▶
وَإِنِ
wa-ini
এবং যদি
▶
ٱمْرَأَةٌ
im'ra-atun
কোন স্ত্রী
▶
خَافَتْ
khāfat
ভয় করে
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْلِهَا
baʿlihā
তার স্বামীর
▶
نُشُوزًا
nushūzan
দুর্ব্যবহারের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
إِعْرَاضًۭا
iʿ'rāḍan
উপেক্ষার
▶
فَلَا
falā
নাই তবে
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোন দোষ
▶
عَلَيْهِمَآ
ʿalayhimā
তাদের দুজনের উপর
▶
أَن
an
যে
▶
يُصْلِحَا
yuṣ'liḥā
দুজনে আপোষ করবে
▶
بَيْنَهُمَا
baynahumā
তাদের দুজনের মাঝে
▶
صُلْحًۭا ۚ
ṣul'ḥan
কোন আপোষ নিষ্পত্তি
▶
وَٱلصُّلْحُ
wal-ṣul'ḥu
এবং আপোষ নিষ্পত্তি
▶
خَيْرٌۭ ۗ
khayrun
উত্তম
▶
وَأُحْضِرَتِ
wa-uḥ'ḍirati
আর বিদ্যমান আছে
▶
ٱلْأَنفُسُ
l-anfusu
নফসগুলোতে
▶
ٱلشُّحَّ ۚ
l-shuḥa
সংকীর্ণতা
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تُحْسِنُوا۟
tuḥ'sinū
তোমরা ইহসান কর
▶
وَتَتَّقُوا۟
watattaqū
ও তোমরা ভয় কর (আল্লাহকে)
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ কর
▶
خَبِيرًۭا
khabīran
খুব অবহিত
আয়াত 129 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَن تَسْتَطِيعُوٓا۟ أَن تَعْدِلُوا۟ بَيْنَ ٱلنِّسَآءِ وَلَوْ حَرَصْتُمْ ۖ فَلَا تَمِيلُوا۟ كُلَّ ٱلْمَيْلِ فَتَذَرُوهَا كَٱلْمُعَلَّقَةِ ۚ وَإِن تُصْلِحُوا۟ وَتَتَّقُوا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ غَفُورًۭا رَّحِيمًۭا
তোমরা কখনও নারীদেরকে সমান রাখতে পারবে না, যদিও এর আকাঙ্ক্ষী হও। অতএব, সম্পূর্ণ ঝুঁকেও পড়ো না যে, একজনকে ফেলে রাখ দোদুল্যমান অবস্থায়। যদি সংশোধন কর এবং খোদাভীরু হও, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
▶
وَلَن
walan
এবং কক্ষনো না
▶
تَسْتَطِيعُوٓا۟
tastaṭīʿū
তোমরা পারবে
▶
أَن
an
করতে
▶
تَعْدِلُوا۟
taʿdilū
তোমরা পূর্ণ সমতা
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلنِّسَآءِ
l-nisāi
(একাধিক) স্ত্রীর
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদিও
▶
حَرَصْتُمْ ۖ
ḥaraṣtum
তোমরা আকাঙ্ক্ষা কর
▶
فَلَا
falā
তবে না
▶
تَمِيلُوا۟
tamīlū
তোমরা ঝুঁকে পড়ো (একজনের দিকে)
▶
كُلَّ
kulla
একেবারেই
▶
ٱلْمَيْلِ
l-mayli
ঝুঁকা
▶
فَتَذَرُوهَا
fatadharūhā
তোমরা অতঃপর রেখো (না) তাকে (অর্থাৎ অপরকে)
▶
كَٱلْمُعَلَّقَةِ ۚ
kal-muʿalaqati
ঝুলানো অবস্থা যেমন
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تُصْلِحُوا۟
tuṣ'liḥū
তোমরা সংশোধিত হও
▶
وَتَتَّقُوا۟
watattaqū
ও তোমরা ভয় কর
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًۭا
raḥīman
মেহেরবান
আয়াত 130 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن يَتَفَرَّقَا يُغْنِ ٱللَّهُ كُلًّۭا مِّن سَعَتِهِۦ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ وَٰسِعًا حَكِيمًۭا
যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত, প্রজ্ঞাময়।
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
يَتَفَرَّقَا
yatafarraqā
তারা দুজনে পৃথক হয়
▶
يُغْنِ
yugh'ni
অভাবমুক্ত করবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
كُلًّۭا
kullan
প্রত্যেককে
▶
مِّن
min
দ্বারা
▶
سَعَتِهِۦ ۚ
saʿatihi
তাঁর প্রাচুর্য
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَٰسِعًا
wāsiʿan
প্রাচুর্যময়
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 131 - সূরা النساء: 32 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ مِن قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ۚ وَإِن تَكْفُرُوا۟ فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ غَنِيًّا حَمِيدًۭا
আর যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে সবই আল্লাহর। বস্তুতঃ আমি নির্দেশ দিয়েছি তোমাদের পূর্ববর্তী গ্রন্থের অধিকারীদেরকে এবং তোমাদেরকে যে, তোমরা সবাই ভয় করতে থাক আল্লাহকে। যদি তোমরা তা না মান, তবে জেনো, সে সব কিছুই আল্লাহ তা’আলার যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে। আর আল্লাহ হচ্ছেন অভাবহীন, প্রসংশিত।
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহরই
▶
مَا
mā
যা কিছু (আছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমানসমূহের
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু (আছে)
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْأَرْضِ ۗ
l-arḍi
পৃথিবীতে
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়
▶
وَصَّيْنَا
waṣṣaynā
আমরা নির্দেশ দিয়েছিলাম
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছিল
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِكُمْ
qablikum
তোমাদের পূর্বে
▶
وَإِيَّاكُمْ
wa-iyyākum
ও তোমাদের কেউ
▶
أَنِ
ani
যে
▶
ٱتَّقُوا۟
ittaqū
তোমরা ভয় কর
▶
ٱللَّهَ ۚ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَكْفُرُوا۟
takfurū
তোমরা না মান
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবুও নিশ্চয়
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্য
▶
مَا
mā
যা কিছু আছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমানসমূহের
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু আছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ ۚ
l-arḍi
জমিনের
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
غَنِيًّا
ghaniyyan
মুখাপেক্ষীহীন
▶
حَمِيدًۭا
ḥamīdan
প্রশংসিত
আয়াত 132 - সূরা النساء: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًا
আর আল্লাহরই জন্যে সে সবকিছু যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে। আল্লাহই যথেষ্ট কর্মবিধায়ক।
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহরই জন্য
▶
مَا
mā
যা কিছু আছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমানসমূহের
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু আছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ ۚ
l-arḍi
জমিনের
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
وَكِيلًا
wakīlan
কর্মবিধায়ক হিসেবে
আয়াত 133 - সূরা النساء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن يَشَأْ يُذْهِبْكُمْ أَيُّهَا ٱلنَّاسُ وَيَأْتِ بِـَٔاخَرِينَ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلَىٰ ذَٰلِكَ قَدِيرًۭا
হে মানবকূল, যদি আল্লাহ তোমাদেরকে সরিয়ে তোমাদের জায়গায় অন্য কাউকে প্রতিষ্ঠিত করেন? বস্তুতঃ আল্লাহর সে ক্ষমতা রয়েছে।
▶
إِن
in
যদি
▶
يَشَأْ
yasha
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
يُذْهِبْكُمْ
yudh'hib'kum
তোমাদেরকে অপসারিত করবেন
▶
أَيُّهَا
ayyuhā
হে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
লোকেরা
▶
وَيَأْتِ
wayati
এবং আনবেন
▶
بِـَٔاخَرِينَ ۚ
biākharīna
অন্যদেরকে (তোমাদের স্থানে)
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
قَدِيرًۭا
qadīran
ক্ষমতাবান
আয়াত 134 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّن كَانَ يُرِيدُ ثَوَابَ ٱلدُّنْيَا فَعِندَ ٱللَّهِ ثَوَابُ ٱلدُّنْيَا وَٱلْـَٔاخِرَةِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ سَمِيعًۢا بَصِيرًۭا
যে কেউ দুনিয়ার কল্যাণ কামনা করবে, তার জেনে রাখা প্রয়োজন যে, দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ আল্লাহরই নিকট রয়েছে। আর আল্লাহ সব কিছু শোনেন ও দেখেন।
▶
مَّن
man
যে
▶
كَانَ
kāna
(ছিল)
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চায়
▶
ثَوَابَ
thawāba
সওয়াব
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার (সে যেন জানে)
▶
فَعِندَ
faʿinda
কাছে যে (আছে)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ثَوَابُ
thawābu
সওয়াব
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
وَٱلْـَٔاخِرَةِ ۚ
wal-ākhirati
ও আখিরাতের
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ (এমন যে)
▶
سَمِيعًۢا
samīʿan
সব কিছু শুনেন
▶
بَصِيرًۭا
baṣīran
সব কিছু দেখেন
আয়াত 135 - সূরা النساء: 37 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُونُوا۟ قَوَّٰمِينَ بِٱلْقِسْطِ شُهَدَآءَ لِلَّهِ وَلَوْ عَلَىٰٓ أَنفُسِكُمْ أَوِ ٱلْوَٰلِدَيْنِ وَٱلْأَقْرَبِينَ ۚ إِن يَكُنْ غَنِيًّا أَوْ فَقِيرًۭا فَٱللَّهُ أَوْلَىٰ بِهِمَا ۖ فَلَا تَتَّبِعُوا۟ ٱلْهَوَىٰٓ أَن تَعْدِلُوا۟ ۚ وَإِن تَلْوُۥٓا۟ أَوْ تُعْرِضُوا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًۭا
হে ঈমানদারগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক; আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায়সঙ্গত সাক্ষ্যদান কর, তাতে তোমাদের নিজের বা পিতা-মাতার অথবা নিকটবর্তী আত্নীয়-স্বজনের যদি ক্ষতি হয় তবুও। কেউ যদি ধনী কিংবা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ তাদের শুভাকাঙ্খী তোমাদের চাইতে বেশী। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ কর্ম সম্পর্কেই অবগত।
▶
۞ يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
كُونُوا۟
kūnū
তোমরা থাক
▶
قَوَّٰمِينَ
qawwāmīna
প্রতিষ্ঠিত
▶
بِٱلْقِسْطِ
bil-qis'ṭi
ইনসাফের উপর
▶
شُهَدَآءَ
shuhadāa
সাক্ষীদাতা হিসেবে
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্য
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদিও
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
বিরুদ্ধে (যায়)
▶
أَنفُسِكُمْ
anfusikum
তোমাদের নিজেদের
▶
أَوِ
awi
অথবা
▶
ٱلْوَٰلِدَيْنِ
l-wālidayni
পিতামাতার
▶
وَٱلْأَقْرَبِينَ ۚ
wal-aqrabīna
এবং আত্মীয়স্বজনদের (বিরুদ্ধেও)
▶
إِن
in
যদি
▶
يَكُنْ
yakun
(তাদের কেউ) হয়
▶
غَنِيًّا
ghaniyyan
ধনী
▶
أَوْ
aw
বা
▶
فَقِيرًۭا
faqīran
গরীব
▶
فَٱللَّهُ
fal-lahu
তবুও আল্লাহই
▶
أَوْلَىٰ
awlā
(তোমাদের চেয়ে) বেশী শুভাকাঙ্ক্ষী
▶
بِهِمَا ۖ
bihimā
তাদের দুজনের
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
تَتَّبِعُوا۟
tattabiʿū
তোমরা অনুসরণ করো
▶
ٱلْهَوَىٰٓ
l-hawā
প্রবৃত্তির কামনার
▶
أَن
an
(যে)
▶
تَعْدِلُوا۟ ۚ
taʿdilū
ন্যায় বিচার করতে
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَلْوُۥٓا۟
talwū
তোমরা মন রাখা কথা বল
▶
أَوْ
aw
বা
▶
تُعْرِضُوا۟
tuʿ'riḍū
তোমরা পাশ কাটাও (সত্য হতে)
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবুও নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ
▶
خَبِيرًۭا
khabīran
খুব অবহিত
আয়াত 136 - সূরা النساء: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ ءَامِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَٱلْكِتَـٰبِ ٱلَّذِى نَزَّلَ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ وَٱلْكِتَـٰبِ ٱلَّذِىٓ أَنزَلَ مِن قَبْلُ ۚ وَمَن يَكْفُرْ بِٱللَّهِ وَمَلَـٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَـٰلًۢا بَعِيدًا
হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন কর এবং বিশ্বাস স্থাপন কর তাঁর রসূলও তাঁর কিতাবের উপর, যা তিনি নাযিল করেছেন স্বীয় রসূলের উপর এবং সেসমস্ত কিতাবের উপর, যেগুলো নাযিল করা হয়েছিল ইতিপূর্বে। যে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাদের উপর, তাঁর কিতাব সমূহের উপর এবং রসূলগণের উপর ও কিয়ামতদিনের উপর বিশ্বাস করবে না, সে পথভ্রষ্ট হয়ে বহু দূরে গিয়ে পড়বে।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
ءَامِنُوا۟
āminū
ঈমান আন
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَرَسُولِهِۦ
warasūlihi
ও তাঁর রাসূলের
▶
وَٱلْكِتَـٰبِ
wal-kitābi
ও কিতাবের (উপর)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যা
▶
نَزَّلَ
nazzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
رَسُولِهِۦ
rasūlihi
তাঁর রাসূলের
▶
وَٱلْكِتَـٰبِ
wal-kitābi
এবং ঐ কিতাবেরও
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
যা
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلُ ۚ
qablu
ইতিপূর্বে
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَكْفُرْ
yakfur
অস্বীকার করে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহকে
▶
وَمَلَـٰٓئِكَتِهِۦ
wamalāikatihi
ও তাঁর ফেরেশতাদেরকে
▶
وَكُتُبِهِۦ
wakutubihi
ও তাঁর কিতাবগুলোকে
▶
وَرُسُلِهِۦ
warusulihi
ও তাঁর রাসূলদেরকে
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনকে
▶
ٱلْـَٔاخِرِ
l-ākhiri
আখিরাতের
▶
فَقَدْ
faqad
তবে নিশ্চয়ই
▶
ضَلَّ
ḍalla
সে পথভ্রষ্ট হয়েছে
▶
ضَلَـٰلًۢا
ḍalālan
পথভ্রষ্টতায়
▶
بَعِيدًا
baʿīdan
বহু দূরে
আয়াত 137 - সূরা النساء: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ثُمَّ كَفَرُوا۟ ثُمَّ ءَامَنُوا۟ ثُمَّ كَفَرُوا۟ ثُمَّ ٱزْدَادُوا۟ كُفْرًۭا لَّمْ يَكُنِ ٱللَّهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ وَلَا لِيَهْدِيَهُمْ سَبِيلًۢا
যারা একবার মুসলমান হয়ে পরে পুনরায় কাফের হয়ে গেছে, আবার মুসলমান হয়েছে এবং আবারো কাফের হয়েছে এবং কুফরীতেই উন্নতি লাভ করেছে, আল্লাহ তাদেরকে না কখনও ক্ষমা করবেন, না পথ দেখাবেন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফুরী করেছে
▶
ثُمَّ
thumma
আবার
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
ثُمَّ
thumma
আবার
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফুরী করেছে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱزْدَادُوا۟
iz'dādū
তারা বৃদ্ধি করেছে
▶
كُفْرًۭا
kuf'ran
কুফুরী
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَكُنِ
yakuni
(নিশ্চয়) হবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ (এমন যে)
▶
لِيَغْفِرَ
liyaghfira
মাফ করবেন
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
لِيَهْدِيَهُمْ
liyahdiyahum
তাদের হিদায়াত দিবেন
▶
سَبِيلًۢا
sabīlan
(সঠিক) পথের
আয়াত 138 - সূরা النساء: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَشِّرِ ٱلْمُنَـٰفِقِينَ بِأَنَّ لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا
সেসব মুনাফেককে সুসংবাদ শুনিয়ে দিন যে, তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
▶
بَشِّرِ
bashiri
সুসংবাদ দাও
▶
ٱلْمُنَـٰفِقِينَ
l-munāfiqīna
মুনাফিকদেরকে
▶
بِأَنَّ
bi-anna
যে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
عَذَابًا
ʿadhāban
শাস্তি
▶
أَلِيمًا
alīman
মর্মন্তুদ
আয়াত 139 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَتَّخِذُونَ ٱلْكَـٰفِرِينَ أَوْلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلْمُؤْمِنِينَ ۚ أَيَبْتَغُونَ عِندَهُمُ ٱلْعِزَّةَ فَإِنَّ ٱلْعِزَّةَ لِلَّهِ جَمِيعًۭا
যারা মুসলমানদের বর্জন করে কাফেরদেরকে নিজেদের বন্ধু বানিয়ে নেয় এবং তাদেরই কাছে সম্মান প্রত্যাশা করে, অথচ যাবতীয় সম্মান শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَتَّخِذُونَ
yattakhidhūna
গ্রহণ করে
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফিরদেরকে
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
বন্ধুরূপে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
دُونِ
dūni
বাদ দিয়ে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ ۚ
l-mu'minīna
মু'মিনদেরকে
▶
أَيَبْتَغُونَ
ayabtaghūna
তারা সন্ধান করে কি
▶
عِندَهُمُ
ʿindahumu
তাদের কাছে
▶
ٱلْعِزَّةَ
l-ʿizata
সম্মান
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয় তবে (জেনে রাখুক)
▶
ٱلْعِزَّةَ
l-ʿizata
সম্মান
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্য
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সবটুকুই
আয়াত 140 - সূরা النساء: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَدْ نَزَّلَ عَلَيْكُمْ فِى ٱلْكِتَـٰبِ أَنْ إِذَا سَمِعْتُمْ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ يُكْفَرُ بِهَا وَيُسْتَهْزَأُ بِهَا فَلَا تَقْعُدُوا۟ مَعَهُمْ حَتَّىٰ يَخُوضُوا۟ فِى حَدِيثٍ غَيْرِهِۦٓ ۚ إِنَّكُمْ إِذًۭا مِّثْلُهُمْ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ جَامِعُ ٱلْمُنَـٰفِقِينَ وَٱلْكَـٰفِرِينَ فِى جَهَنَّمَ جَمِيعًا
আর কোরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারি করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহ তা’ আলার আয়াতসমূহের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ও বিদ্রুপ হতে শুনবে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গান্তরে চলে যায়। তা না হলে তোমরাও তাদেরই মত হয়ে যাবে। আল্লাহ দোযখের মাঝে মুনাফেক ও কাফেরদেরকে একই জায়গায় সমবেত করবেন।
▶
وَقَدْ
waqad
এবং নিশ্চয়
▶
نَزَّلَ
nazzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
أَنْ
an
যে
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
سَمِعْتُمْ
samiʿ'tum
তোমরা শুনবে
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
আয়াতগুলো
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
يُكْفَرُ
yuk'faru
অস্বীকার করা হচ্ছে
▶
بِهَا
bihā
সেগুলোকে
▶
وَيُسْتَهْزَأُ
wayus'tahza-u
ও ঠাট্টা করা হচ্ছে
▶
بِهَا
bihā
সেগুলোকে
▶
فَلَا
falā
না তবে
▶
تَقْعُدُوا۟
taqʿudū
তোমরা বসবে
▶
مَعَهُمْ
maʿahum
তাদের সাথে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَخُوضُوا۟
yakhūḍū
তারা লিপ্ত হয়
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
حَدِيثٍ
ḥadīthin
(অন্য) কথার
▶
غَيْرِهِۦٓ ۚ
ghayrihi
তা ছাড়া
▶
إِنَّكُمْ
innakum
(তবে যদি বস) তোমরাও নিশ্চয়ই
▶
إِذًۭا
idhan
তখন
▶
مِّثْلُهُمْ ۗ
mith'luhum
তাদের মতো (হয়ে যাবে)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
جَامِعُ
jāmiʿu
একত্রিতকারী
▶
ٱلْمُنَـٰفِقِينَ
l-munāfiqīna
মুনাফিকদেরকে
▶
وَٱلْكَـٰفِرِينَ
wal-kāfirīna
ও কাফিরদেরকে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
جَمِيعًا
jamīʿan
সকলকে (একসাথে)
আয়াত 141 - সূরা النساء: 36 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَتَرَبَّصُونَ بِكُمْ فَإِن كَانَ لَكُمْ فَتْحٌۭ مِّنَ ٱللَّهِ قَالُوٓا۟ أَلَمْ نَكُن مَّعَكُمْ وَإِن كَانَ لِلْكَـٰفِرِينَ نَصِيبٌۭ قَالُوٓا۟ أَلَمْ نَسْتَحْوِذْ عَلَيْكُمْ وَنَمْنَعْكُم مِّنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ۚ فَٱللَّهُ يَحْكُمُ بَيْنَكُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ وَلَن يَجْعَلَ ٱللَّهُ لِلْكَـٰفِرِينَ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ سَبِيلًا
এরা এমনি মুনাফেক যারা তোমাদের কল্যাণ-অকল্যাণের প্রতীক্ষায় ওঁৎপেতে থাকে। অতঃপর আল্লাহর ইচ্ছায় তোমাদের যদি কোন বিজয় অর্জিত হয়, তবে তারা বলে, আমরাও কি তোমাদের সাথে ছিলাম না? পক্ষান্তরে কাফেরদের যদি আংশিক বিজয় হয়, তবে বলে, আমরা কি তোমাদেরকে ঘিরে রাখিনি এবং মুসলমানদের কবল থেকে রক্ষা করিনি? সুতরাং আল্লাহ তোমাদের মধ্যে কেয়ামতের দিন মীমাংসা করবেন এবং কিছুতেই আল্লাহ কাফেরদেরকে মুসলমানদের উপর বিজয় দান করবেন না।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَتَرَبَّصُونَ
yatarabbaṣūna
অপেক্ষা করে
▶
بِكُمْ
bikum
তোমাদের ব্যাপারে
▶
فَإِن
fa-in
যদি পরে
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
فَتْحٌۭ
fatḥun
বিজয়
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে (মুমিনদেরকে)
▶
أَلَمْ
alam
''নাকি
▶
نَكُن
nakun
আমরা ছিলাম
▶
مَّعَكُمْ
maʿakum
তোমাদের সাথে''
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
কাফিরদের জন্য
▶
نَصِيبٌۭ
naṣībun
ভাগ্য
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে (কাফিরদেরকে)
▶
أَلَمْ
alam
''নাকি
▶
نَسْتَحْوِذْ
nastaḥwidh
আমরা প্রবল ছিলাম
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَنَمْنَعْكُم
wanamnaʿkum
ও তোমাদের রক্ষা করেছিলাম আমরা
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ ۚ
l-mu'minīna
মু'মিনদের''
▶
فَٱللَّهُ
fal-lahu
আল্লাহই তাই
▶
يَحْكُمُ
yaḥkumu
ফয়সালা করে দিবেন
▶
بَيْنَكُمْ
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
وَلَن
walan
এবং কক্ষনো না
▶
يَجْعَلَ
yajʿala
রাখবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
কাফিরদের জন্য
▶
عَلَى
ʿalā
বিরুদ্ধে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদের
▶
سَبِيلًا
sabīlan
(এ ফয়সালার বিজয়ের) পথ
আয়াত 142 - সূরা النساء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلْمُنَـٰفِقِينَ يُخَـٰدِعُونَ ٱللَّهَ وَهُوَ خَـٰدِعُهُمْ وَإِذَا قَامُوٓا۟ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ قَامُوا۟ كُسَالَىٰ يُرَآءُونَ ٱلنَّاسَ وَلَا يَذْكُرُونَ ٱللَّهَ إِلَّا قَلِيلًۭا
অবশ্যই মুনাফেকরা প্রতারণা করছে আল্লাহর সাথে, অথচ তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতারিত করে। বস্তুতঃ তারা যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন দাঁড়ায়, একান্ত শিথিল ভাবে লোক দেখানোর জন্য। আর তারা আল্লাহকে অল্পই স্মরণ করে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْمُنَـٰفِقِينَ
l-munāfiqīna
মুনাফিকরা
▶
يُخَـٰدِعُونَ
yukhādiʿūna
ধোঁকাবাজী করে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর (সাথে)
▶
وَهُوَ
wahuwa
অথচ
▶
خَـٰدِعُهُمْ
khādiʿuhum
তিনি তাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছেন
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قَامُوٓا۟
qāmū
তারা উঠে
▶
إِلَى
ilā
জন্য
▶
ٱلصَّلَوٰةِ
l-ṣalati
সলাতের
▶
قَامُوا۟
qāmū
তারা উঠে
▶
كُسَالَىٰ
kusālā
শৈথিল্যভাবে
▶
يُرَآءُونَ
yurāūna
দেখানোর (জন্য)
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
লোকদেরকে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
يَذْكُرُونَ
yadhkurūna
তারা স্মরণ করে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
অতি সামান্য
আয়াত 143 - সূরা النساء: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مُّذَبْذَبِينَ بَيْنَ ذَٰلِكَ لَآ إِلَىٰ هَـٰٓؤُلَآءِ وَلَآ إِلَىٰ هَـٰٓؤُلَآءِ ۚ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُۥ سَبِيلًۭا
এরা দোদুল্যমান অবস্থায় ঝুলন্ত; এদিকেও নয় ওদিকেও নয়। বস্তুতঃ যাকে আল্লাহ গোমরাহ করে দেন, তুমি তাদের জন্য কোন পথই পাবে না কোথাও।
▶
مُّذَبْذَبِينَ
mudhabdhabīna
(তারা) দোদুল্যমান
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَآ
lā
না
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
এদের
▶
وَلَآ
walā
আর না
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ ۚ
hāulāi
ওদের
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يُضْلِلِ
yuḍ'lili
পথভ্রষ্ট করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَلَن
falan
অতঃপর কক্ষনো না
▶
تَجِدَ
tajida
পাবে তুমি
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
سَبِيلًۭا
sabīlan
(মুক্তির) পথ
আয়াত 144 - সূরা النساء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّخِذُوا۟ ٱلْكَـٰفِرِينَ أَوْلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلْمُؤْمِنِينَ ۚ أَتُرِيدُونَ أَن تَجْعَلُوا۟ لِلَّهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَـٰنًۭا مُّبِينًا
হে ঈমানদারগণ! তোমরা কাফেরদেরকে বন্ধু বানিও না মুসলমানদের বাদ দিয়ে। তোমরা কি এমনটি করে নিজের উপর আল্লাহর প্রকাশ্য দলীল কায়েম করে দেবে?
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
تَتَّخِذُوا۟
tattakhidhū
তোমরা গ্রহণ করো
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফিরদেরকে
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
বন্ধুরূপে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
دُونِ
dūni
পরিবর্তে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ ۚ
l-mu'minīna
মু'মিনদের
▶
أَتُرِيدُونَ
aturīdūna
তোমরা চাও কি
▶
أَن
an
যে
▶
تَجْعَلُوا۟
tajʿalū
তোমরা রাখবে
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর কাছে
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের বিরুদ্ধে
▶
سُلْطَـٰنًۭا
sul'ṭānan
দলিল প্রমাণ
▶
مُّبِينًا
mubīnan
সুস্পষ্ট
আয়াত 145 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلْمُنَـٰفِقِينَ فِى ٱلدَّرْكِ ٱلْأَسْفَلِ مِنَ ٱلنَّارِ وَلَن تَجِدَ لَهُمْ نَصِيرًا
নিঃসন্দেহে মুনাফেকরা রয়েছে দোযখের সর্বনিম্ন স্তরে। আর তোমরা তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী কখনও পাবে না।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْمُنَـٰفِقِينَ
l-munāfiqīna
মুনাফিকরা
▶
فِى
fī
(থাকবে) মধ্যে
▶
ٱلدَّرْكِ
l-darki
স্তরের
▶
ٱلْأَسْفَلِ
l-asfali
নিম্নতম
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
জাহান্নামের
▶
وَلَن
walan
এবং কক্ষনো না
▶
تَجِدَ
tajida
তুমি পাবে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
نَصِيرًا
naṣīran
কোন সাহায্যকারী
আয়াত 146 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُوا۟ وَأَصْلَحُوا۟ وَٱعْتَصَمُوا۟ بِٱللَّهِ وَأَخْلَصُوا۟ دِينَهُمْ لِلَّهِ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ مَعَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ۖ وَسَوْفَ يُؤْتِ ٱللَّهُ ٱلْمُؤْمِنِينَ أَجْرًا عَظِيمًۭا
অবশ্য যারা তওবা করে নিয়েছে, নিজেদের অবস্থার সংস্কার করেছে এবং আল্লাহর পথকে সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে আল্লাহর ফরমাবরদার হয়েছে, তারা থাকবে মুসলমানদেরই সাথে। বস্তুতঃ আল্লাহ শীঘ্রই ঈমানদারগণকে মহাপূণ্য দান করবেন।
▶
إِلَّا
illā
তবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
تَابُوا۟
tābū
তওবা করে
▶
وَأَصْلَحُوا۟
wa-aṣlaḥū
ও সংশোধন করে (তাদের কর্মনীতি)
▶
وَٱعْتَصَمُوا۟
wa-iʿ'taṣamū
ও দৃঢ়ভাবে ধারণ করে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর (রজ্জুকে)
▶
وَأَخْلَصُوا۟
wa-akhlaṣū
ও একনিষ্ঠভাবে গ্রহণ করে
▶
دِينَهُمْ
dīnahum
তাদের দ্বীনকে
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্য
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ঐসব লোক সেক্ষেত্রে
▶
مَعَ
maʿa
(থাকবে) সাথে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ ۖ
l-mu'minīna
মু'মিনদের
▶
وَسَوْفَ
wasawfa
ও শীঘ্রই
▶
يُؤْتِ
yu'ti
দিবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদেরকে
▶
أَجْرًا
ajran
প্রতিফল
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 147 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّا يَفْعَلُ ٱللَّهُ بِعَذَابِكُمْ إِن شَكَرْتُمْ وَءَامَنتُمْ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ شَاكِرًا عَلِيمًۭا
তোমাদের আযাব দিয়ে আল্লাহ কি করবেন যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর এবং ঈমানের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক! আর আল্লাহ হচ্ছেন সমুচিত মূল্যদানকারী সর্বজ্ঞ।
▶
مَّا
mā
কি
▶
يَفْعَلُ
yafʿalu
করবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِعَذَابِكُمْ
biʿadhābikum
তোমাদের আজাব দিয়ে
▶
إِن
in
যদি
▶
شَكَرْتُمْ
shakartum
তোমরা শোকর কর
▶
وَءَامَنتُمْ ۚ
waāmantum
ও তোমরা ঈমান আন
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
شَاكِرًا
shākiran
মূল্যদানকারী
▶
عَلِيمًۭا
ʿalīman
সবকিছু সম্পর্কে পূর্ণজ্ঞানী
আয়াত 148 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ لَّا يُحِبُّ ٱللَّهُ ٱلْجَهْرَ بِٱلسُّوٓءِ مِنَ ٱلْقَوْلِ إِلَّا مَن ظُلِمَ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ سَمِيعًا عَلِيمًا
আল্লাহ কোন মন্দ বিষয় প্রকাশ করা পছন্দ করেন না। তবে কারো প্রতি জুলুম হয়ে থাকলে সে কথা আলাদা। আল্লাহ শ্রবণকারী, বিজ্ঞ।
▶
۞ لَّا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
পছন্দ করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْجَهْرَ
l-jahra
প্রকাশ করাকে
▶
بِٱلسُّوٓءِ
bil-sūi
মন্দ দিক
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْقَوْلِ
l-qawli
কথা (ও কাজের)
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
مَن
man
যাকে
▶
ظُلِمَ ۚ
ẓulima
জুলুম করা হয়েছে
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
سَمِيعًا
samīʿan
সর্বশ্রোতা
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
আয়াত 149 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن تُبْدُوا۟ خَيْرًا أَوْ تُخْفُوهُ أَوْ تَعْفُوا۟ عَن سُوٓءٍۢ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَفُوًّۭا قَدِيرًا
তোমরা যদি কল্যাণ কর প্রকাশ্যভাবে কিংবা গোপনে অথবা যদি তোমরা আপরাধ ক্ষমা করে দাও, তবে জেনো, আল্লাহ নিজেও ক্ষমাকারী, মহাশক্তিশালী।
▶
إِن
in
যদি
▶
تُبْدُوا۟
tub'dū
তোমরা প্রকাশ্যে কর
▶
خَيْرًا
khayran
কোন কল্যাণ
▶
أَوْ
aw
বা
▶
تُخْفُوهُ
tukh'fūhu
তা গোপনে কর
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تَعْفُوا۟
taʿfū
ক্ষমা কর
▶
عَن
ʿan
(প্রায়)
▶
سُوٓءٍۢ
sūin
মন্দকে
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয় তবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
كَانَ
kāna
হলেন
▶
عَفُوًّۭا
ʿafuwwan
ক্ষমাশীল
▶
قَدِيرًا
qadīran
(শাস্তি দেওয়ারও) ক্ষমতাবান
আয়াত 150 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَكْفُرُونَ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ وَيُرِيدُونَ أَن يُفَرِّقُوا۟ بَيْنَ ٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ وَيَقُولُونَ نُؤْمِنُ بِبَعْضٍۢ وَنَكْفُرُ بِبَعْضٍۢ وَيُرِيدُونَ أَن يَتَّخِذُوا۟ بَيْنَ ذَٰلِكَ سَبِيلًا
যারা আল্লাহ ও তার রসূলের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারী তদুপরি আল্লাহ ও রসূলের প্রতি বিশ্বাসে তারতম্য করতে চায় আর বলে যে, আমরা কতককে বিশ্বাস করি কিন্তু কতককে প্রত্যাখ্যান করি এবং এরই মধ্যবর্তী কোন পথ অবলম্বন করতে চায়।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَكْفُرُونَ
yakfurūna
অমান্য করে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহকে
▶
وَرُسُلِهِۦ
warusulihi
ও তাঁর রাসূলকে
▶
وَيُرِيدُونَ
wayurīdūna
ও তারা চায়
▶
أَن
an
যে
▶
يُفَرِّقُوا۟
yufarriqū
তারা পার্থক্য করবে
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (প্রতি ঈমানে)
▶
وَرُسُلِهِۦ
warusulihi
এবং তাঁর রাসূলদের (প্রতি ঈমানে)
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
ও তারা বলে
▶
نُؤْمِنُ
nu'minu
''ঈমান আনব আমরা
▶
بِبَعْضٍۢ
bibaʿḍin
কাউকে
▶
وَنَكْفُرُ
wanakfuru
ও অস্বীকার করব আমরা
▶
بِبَعْضٍۢ
bibaʿḍin
কাউকে''
▶
وَيُرِيدُونَ
wayurīdūna
ও তারা চায়
▶
أَن
an
যে
▶
يَتَّخِذُوا۟
yattakhidhū
তারা গ্রহণ করবে
▶
بَيْنَ
bayna
মধ্যবর্তী
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
سَبِيلًا
sabīlan
পথ
আয়াত 151 - সূরা النساء: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْكَـٰفِرُونَ حَقًّۭا ۚ وَأَعْتَدْنَا لِلْكَـٰفِرِينَ عَذَابًۭا مُّهِينًۭا
প্রকৃতপক্ষে এরাই সত্য প্রত্যাখ্যাকারী। আর যারা সত্য প্রত্যাখ্যানকারী তাদের জন্য তৈরী করে রেখেছি অপমানজনক আযাব।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْكَـٰفِرُونَ
l-kāfirūna
কাফির
▶
حَقًّۭا ۚ
ḥaqqan
যথার্থ
▶
وَأَعْتَدْنَا
wa-aʿtadnā
এবং আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
কাফিরদের জন্য
▶
عَذَابًۭا
ʿadhāban
শাস্তি
▶
مُّهِينًۭا
muhīnan
লাঞ্ছনাদায়ক
আয়াত 152 - সূরা النساء: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ وَلَمْ يُفَرِّقُوا۟ بَيْنَ أَحَدٍۢ مِّنْهُمْ أُو۟لَـٰٓئِكَ سَوْفَ يُؤْتِيهِمْ أُجُورَهُمْ ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورًۭا رَّحِيمًۭا
আর যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর রসূলের উপর এবং তাঁদের কারও প্রতি ঈমান আনতে গিয়ে কাউকে বাদ দেয়নি, শীঘ্রই তাদেরকে প্রাপ্য সওয়াব দান করা হবে। বস্তুতঃ আল্লাহ ক্ষমাশীল দয়ালু।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَرُسُلِهِۦ
warusulihi
ও তাঁর রাসূলদের উপর
▶
وَلَمْ
walam
ও করেনি
▶
يُفَرِّقُوا۟
yufarriqū
তারা পার্থক্য
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
أَحَدٍۢ
aḥadin
কারও
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোকদের
▶
سَوْفَ
sawfa
শীঘ্রই
▶
يُؤْتِيهِمْ
yu'tīhim
তাদের দিবেন তিনি
▶
أُجُورَهُمْ ۗ
ujūrahum
তাদের পুরস্কারগুলো
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
غَفُورًۭا
ghafūran
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمًۭا
raḥīman
মেহেরবান
আয়াত 153 - সূরা النساء: 37 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَسْـَٔلُكَ أَهْلُ ٱلْكِتَـٰبِ أَن تُنَزِّلَ عَلَيْهِمْ كِتَـٰبًۭا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ ۚ فَقَدْ سَأَلُوا۟ مُوسَىٰٓ أَكْبَرَ مِن ذَٰلِكَ فَقَالُوٓا۟ أَرِنَا ٱللَّهَ جَهْرَةًۭ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّـٰعِقَةُ بِظُلْمِهِمْ ۚ ثُمَّ ٱتَّخَذُوا۟ ٱلْعِجْلَ مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَتْهُمُ ٱلْبَيِّنَـٰتُ فَعَفَوْنَا عَن ذَٰلِكَ ۚ وَءَاتَيْنَا مُوسَىٰ سُلْطَـٰنًۭا مُّبِينًۭا
আপনার নিকট আহলে-কিতাবরা আবেদন জানায় যে, আপনি তাদের উপর আসমান থেকে লিখিত কিতাব অবতীর্ণ করিয়ে নিয়ে আসুন। বস্তুতঃ এরা মূসার কাছে এর চেয়েও বড় জিনিস চেয়েছে। বলেছে, একেবারে সামনাসামনিভাবে আমাদের আল্লাহকে দেখিয়ে দাও। অতএব, তাদের উপর বজ্রপাত হয়েছে তাদের পাপের দরুন; অতঃপর তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ-নিদর্শন প্রকাশিত হবার পরেও তারা গো-বৎসকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছিল; তাও আমি ক্ষমা করে দিয়েছিলাম এবং আমি মূসাকে প্রকৃষ্ট প্রভাব দান করেছিলাম।
▶
يَسْـَٔلُكَ
yasaluka
তোমার কাছে দাবি করে
▶
أَهْلُ
ahlu
আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবরা
▶
أَن
an
যে
▶
تُنَزِّلَ
tunazzila
নাযিল করাবে তুমি
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
كِتَـٰبًۭا
kitāban
কিতাব (লিখিত দলীল)
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱلسَّمَآءِ ۚ
l-samāi
আসমান
▶
فَقَدْ
faqad
বস্তুত (এটা নতুন কিছু নয়)
▶
سَأَلُوا۟
sa-alū
তারা দাবি করেছিল
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মূসার (কাছে)
▶
أَكْبَرَ
akbara
অনেক বড়
▶
مِن
min
চেয়েও
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
فَقَالُوٓا۟
faqālū
অতঃপর তারা বলেছিল
▶
أَرِنَا
arinā
''আমাদের দেখাও
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
جَهْرَةًۭ
jahratan
প্রকাশ্যে''
▶
فَأَخَذَتْهُمُ
fa-akhadhathumu
অতঃপর তাদের ধরে ছিল
▶
ٱلصَّـٰعِقَةُ
l-ṣāʿiqatu
বজ্রপাতে
▶
بِظُلْمِهِمْ ۚ
biẓul'mihim
তাদের জুলুমের কারণে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱتَّخَذُوا۟
ittakhadhū
তারা গ্রহণ করেছিল
▶
ٱلْعِجْلَ
l-ʿij'la
বাছুরকে (উপাস্যরূপে)
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
এরপরেও
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَتْهُمُ
jāathumu
তাদের কাছে এসেছিল
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتُ
l-bayinātu
সুস্পষ্ট প্রমাণগুলো
▶
فَعَفَوْنَا
faʿafawnā
আমরা তবুও মাফ করেছিলাম
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
ذَٰلِكَ ۚ
dhālika
এটা
▶
وَءَاتَيْنَا
waātaynā
এবং আমরা দিয়েছিলাম
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসাকে
▶
سُلْطَـٰنًۭا
sul'ṭānan
প্রমাণ
▶
مُّبِينًۭا
mubīnan
সুস্পষ্ট
আয়াত 154 - সূরা النساء: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَرَفَعْنَا فَوْقَهُمُ ٱلطُّورَ بِمِيثَـٰقِهِمْ وَقُلْنَا لَهُمُ ٱدْخُلُوا۟ ٱلْبَابَ سُجَّدًۭا وَقُلْنَا لَهُمْ لَا تَعْدُوا۟ فِى ٱلسَّبْتِ وَأَخَذْنَا مِنْهُم مِّيثَـٰقًا غَلِيظًۭا
আর তাদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নেবার উদ্দেশ্যে আমি তাদের উপর তূর পর্বতকে তুলে ধরেছিলাম এবং তাদেরকে বলেছিলাম, অবনত মস্তকে দরজায় ঢোক। আর বলেছিলাম, শনিবার দিন সীমালংঘন করো না। এভাবে তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।
▶
وَرَفَعْنَا
warafaʿnā
ও আমরা উঠিয়ে ছিলাম
▶
فَوْقَهُمُ
fawqahumu
তাদের উপর
▶
ٱلطُّورَ
l-ṭūra
তুর পাহাড়
▶
بِمِيثَـٰقِهِمْ
bimīthāqihim
তাদের অঙ্গীকারের জন্য
▶
وَقُلْنَا
waqul'nā
ও আমরা বলেছিলাম
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদেরকে
▶
ٱدْخُلُوا۟
ud'khulū
''প্রবেশ কর
▶
ٱلْبَابَ
l-bāba
দরজায়
▶
سُجَّدًۭا
sujjadan
নতশিরে''
▶
وَقُلْنَا
waqul'nā
ও আমরা বলেছিলাম
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
لَا
lā
''না
▶
تَعْدُوا۟
taʿdū
সীমালঙ্ঘন করো
▶
فِى
fī
(বিধিনিষেধ) সম্পর্কে
▶
ٱلسَّبْتِ
l-sabti
শনিবারের''
▶
وَأَخَذْنَا
wa-akhadhnā
ও আমরা নিয়েছিলাম
▶
مِنْهُم
min'hum
তাদের থেকে
▶
مِّيثَـٰقًا
mīthāqan
অঙ্গীকার
▶
غَلِيظًۭا
ghalīẓan
সুদৃঢ়
আয়াত 155 - সূরা النساء: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَبِمَا نَقْضِهِم مِّيثَـٰقَهُمْ وَكُفْرِهِم بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ وَقَتْلِهِمُ ٱلْأَنۢبِيَآءَ بِغَيْرِ حَقٍّۢ وَقَوْلِهِمْ قُلُوبُنَا غُلْفٌۢ ۚ بَلْ طَبَعَ ٱللَّهُ عَلَيْهَا بِكُفْرِهِمْ فَلَا يُؤْمِنُونَ إِلَّا قَلِيلًۭا
অতএব, তারা যে শাস্তিপ্রাপ্ত হয়েছিল, তা ছিল তাদেরই অঙ্গীকার ভঙ্গর জন্য এবং অন্যায়ভাবে রসূলগণকে হত্যা করার কারণে এবং তাদের এই উক্তির দরুন যে, আমাদের হৃদয় আচ্ছন্ন। অবশ্য তা নয়, বরং কুফরীর কারণে স্বয়ং আল্লাহ তাদের অন্তরের উপর মোহর এঁটে দিয়েছেন। ফলে এরা ঈমান আনে না কিন্তু অতি অল্পসংখ্যক।
▶
فَبِمَا
fabimā
অতঃপর কারণে
▶
نَقْضِهِم
naqḍihim
তাদের ভঙ্গের
▶
مِّيثَـٰقَهُمْ
mīthāqahum
তাদের অঙ্গীকার
▶
وَكُفْرِهِم
wakuf'rihim
ও তাদের অস্বীকার করার
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
আয়াতগুলোকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَقَتْلِهِمُ
waqatlihimu
ও তাদের হত্যা করার
▶
ٱلْأَنۢبِيَآءَ
l-anbiyāa
নবীদেরকে
▶
بِغَيْرِ
bighayri
(অন্যভাবে)
▶
حَقٍّۢ
ḥaqqin
অন্যায়ভাবে
▶
وَقَوْلِهِمْ
waqawlihim
ও তাদের এ উক্তির (কারণে যে)
▶
قُلُوبُنَا
qulūbunā
''আমাদের অন্তরগুলো
▶
غُلْفٌۢ ۚ
ghul'fun
আচ্ছাদিত (তারা অভিশপ্ত হয়)''
▶
بَلْ
bal
বরং
▶
طَبَعَ
ṭabaʿa
মোহর মেরে দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَيْهَا
ʿalayhā
তার উপর
▶
بِكُفْرِهِمْ
bikuf'rihim
তাদের কুফরীর কারণে
▶
فَلَا
falā
তাই না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
তারা ঈমান আনবে
▶
إِلَّا
illā
তবে
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
অল্পসংখ্যক
আয়াত 156 - সূরা النساء: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَبِكُفْرِهِمْ وَقَوْلِهِمْ عَلَىٰ مَرْيَمَ بُهْتَـٰنًا عَظِيمًۭا
আর তাদের কুফরী এবং মরিয়মের প্রতি মহা অপবাদ আরোপ করার কারণে।
▶
وَبِكُفْرِهِمْ
wabikuf'rihim
এবং তাদের কুফরীর কারণে
▶
وَقَوْلِهِمْ
waqawlihim
এবং তাদের উক্তির (কারণেও)
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়ামের
▶
بُهْتَـٰنًا
buh'tānan
(যা ছিল) অপবাদ
▶
عَظِيمًۭا
ʿaẓīman
গুরুতর
আয়াত 157 - সূরা النساء: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَوْلِهِمْ إِنَّا قَتَلْنَا ٱلْمَسِيحَ عِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ رَسُولَ ٱللَّهِ وَمَا قَتَلُوهُ وَمَا صَلَبُوهُ وَلَـٰكِن شُبِّهَ لَهُمْ ۚ وَإِنَّ ٱلَّذِينَ ٱخْتَلَفُوا۟ فِيهِ لَفِى شَكٍّۢ مِّنْهُ ۚ مَا لَهُم بِهِۦ مِنْ عِلْمٍ إِلَّا ٱتِّبَاعَ ٱلظَّنِّ ۚ وَمَا قَتَلُوهُ يَقِينًۢا
আর তাদের একথা বলার কারণে যে, আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি যিনি ছিলেন আল্লাহর রসূল। অথচ তারা না তাঁকে হত্যা করেছে, আর না শুলীতে চড়িয়েছে, বরং তারা এরূপ ধাঁধায় পতিত হয়েছিল। বস্তুতঃ তারা এ ব্যাপারে নানা রকম কথা বলে, তারা এক্ষেত্রে সন্দেহের মাঝে পড়ে আছে, শুধুমাত্র অনুমান করা ছাড়া তারা এ বিষয়ে কোন খবরই রাখে না। আর নিশ্চয়ই তাঁকে তারা হত্যা করেনি।
▶
وَقَوْلِهِمْ
waqawlihim
এবং তাদের উক্তি (এও যে)
▶
إِنَّا
innā
''আমরা নিশ্চয়
▶
قَتَلْنَا
qatalnā
আমরা হত্যা করেছি
▶
ٱلْمَسِيحَ
l-masīḥa
মসীহকে
▶
عِيسَى
ʿīsā
(অর্থাৎ) ঈসাকে
▶
ٱبْنَ
ib'na
তনয়
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়ামের
▶
رَسُولَ
rasūla
(যিনি) রাসূল
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর''
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
قَتَلُوهُ
qatalūhu
তাকে তারা হত্যা করেছে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
صَلَبُوهُ
ṣalabūhu
তাকে তারা শুলে চড়িয়েছে
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
شُبِّهَ
shubbiha
বিভ্রম হয়েছিল
▶
لَهُمْ ۚ
lahum
তাদের জন্য
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱخْتَلَفُوا۟
ikh'talafū
মতভেদ করেছিল
▶
فِيهِ
fīhi
সে বিষয়ে
▶
لَفِى
lafī
অবশ্যই মধ্যে আছে
▶
شَكٍّۢ
shakkin
সন্দেহের
▶
مِّنْهُ ۚ
min'hu
তা থেকে
▶
مَا
mā
না
▶
لَهُم
lahum
তাদের আছে
▶
بِهِۦ
bihi
এ সম্পর্কে
▶
مِنْ
min
কোন
▶
عِلْمٍ
ʿil'min
জ্ঞান
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যে
▶
ٱتِّبَاعَ
ittibāʿa
অনুসরণ করে
▶
ٱلظَّنِّ ۚ
l-ẓani
অনুমানের
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
قَتَلُوهُ
qatalūhu
তাকে তারা হত্যা করেছে
▶
يَقِينًۢا
yaqīnan
নিঃসন্দেহে
আয়াত 158 - সূরা النساء: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَل رَّفَعَهُ ٱللَّهُ إِلَيْهِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًۭا
বরং তাঁকে উঠিয়ে নিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা নিজের কাছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
▶
بَل
bal
বরং
▶
رَّفَعَهُ
rafaʿahu
তাকে উঠিয়ে নেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
إِلَيْهِ ۚ
ilayhi
তাঁর দিকে
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَزِيزًا
ʿazīzan
পরাক্রমশালী
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 159 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن مِّنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ إِلَّا لَيُؤْمِنَنَّ بِهِۦ قَبْلَ مَوْتِهِۦ ۖ وَيَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ يَكُونُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًۭا
আর আহলে-কিতাবদের মধ্যে যত শ্রেণী রয়েছে তারা সবাই ঈমান আনবে ঈসার উপর তাদের মৃত্যুর পূর্বে। আর কেয়ামতের দিন তাদের জন্য সাক্ষীর উপর সাক্ষী উপস্থিত হবে।
▶
وَإِن
wa-in
এবং না (আছে এমন কেউ)
▶
مِّنْ
min
মধ্য হতে
▶
أَهْلِ
ahli
আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবদের
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
لَيُؤْمِنَنَّ
layu'minanna
ঈমান আনবে অবশ্য
▶
بِهِۦ
bihi
তার উপর
▶
قَبْلَ
qabla
পূর্বে
▶
مَوْتِهِۦ ۖ
mawtihi
তার মৃত্যুর
▶
وَيَوْمَ
wayawma
এবং দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
يَكُونُ
yakūnu
সে হবে
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের বিরুদ্ধে
▶
شَهِيدًۭا
shahīdan
সাক্ষী
আয়াত 160 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَبِظُلْمٍۢ مِّنَ ٱلَّذِينَ هَادُوا۟ حَرَّمْنَا عَلَيْهِمْ طَيِّبَـٰتٍ أُحِلَّتْ لَهُمْ وَبِصَدِّهِمْ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ كَثِيرًۭا
বস্তুতঃ ইহুদীদের জন্য আমি হারাম করে দিয়েছি বহু পূত-পবিত্র বস্তু যা তাদের জন্য হালাল ছিল-তাদের পাপের কারণে এবং আল্লাহর পথে অধিক পরিমাণে বাধা দানের দরুন।
▶
فَبِظُلْمٍۢ
fabiẓul'min
তাই জুলুমের কারণে
▶
مِّنَ
mina
(তাদের) মধ্য হতে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
هَادُوا۟
hādū
ইহুদী রয়েছে
▶
حَرَّمْنَا
ḥarramnā
আমরা নিষিদ্ধ করেছিলাম
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
طَيِّبَـٰتٍ
ṭayyibātin
পবিত্র বস্তুগুলোকে (যা)
▶
أُحِلَّتْ
uḥillat
বৈধ করা হয়েছিল (পূর্বে)
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
وَبِصَدِّهِمْ
wabiṣaddihim
এবং তাদের বাধাদানের কারণেও
▶
عَن
ʿan
থেকে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
অনেককে
আয়াত 161 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَخْذِهِمُ ٱلرِّبَوٰا۟ وَقَدْ نُهُوا۟ عَنْهُ وَأَكْلِهِمْ أَمْوَٰلَ ٱلنَّاسِ بِٱلْبَـٰطِلِ ۚ وَأَعْتَدْنَا لِلْكَـٰفِرِينَ مِنْهُمْ عَذَابًا أَلِيمًۭا
আর এ কারণে যে, তারা সুদ গ্রহণ করত, অথচ এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল এবং এ কারণে যে, তারা অপরের সম্পদ ভোগ করতো অন্যায় ভাবে। বস্তুত; আমি কাফেরদের জন্য তৈরী করে রেখেছি বেদনাদায়ক আযাব।
▶
وَأَخْذِهِمُ
wa-akhdhihimu
এবং তাদের গ্রহণেরও (কারণে)
▶
ٱلرِّبَوٰا۟
l-riba
সুদ
▶
وَقَدْ
waqad
ও নিশ্চয়
▶
نُهُوا۟
nuhū
তাদেরকে মানা করা হয়েছিল
▶
عَنْهُ
ʿanhu
তা থেকে
▶
وَأَكْلِهِمْ
wa-aklihim
ও তাদের খাওয়ার (জন্য)
▶
أَمْوَٰلَ
amwāla
মালসমূহ
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
بِٱلْبَـٰطِلِ ۚ
bil-bāṭili
অন্যায়ভাবে (এ কঠোরতা দিয়েছিলাম)
▶
وَأَعْتَدْنَا
wa-aʿtadnā
ও আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
কাফিরদের জন্য
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যকার
▶
عَذَابًا
ʿadhāban
শাস্তি
▶
أَلِيمًۭا
alīman
মর্মন্তুদ
আয়াত 162 - সূরা النساء: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّـٰكِنِ ٱلرَّٰسِخُونَ فِى ٱلْعِلْمِ مِنْهُمْ وَٱلْمُؤْمِنُونَ يُؤْمِنُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبْلِكَ ۚ وَٱلْمُقِيمِينَ ٱلصَّلَوٰةَ ۚ وَٱلْمُؤْتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱلْمُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ أُو۟لَـٰٓئِكَ سَنُؤْتِيهِمْ أَجْرًا عَظِيمًا
কিন্তু যারা তাদের মধ্যে জ্ঞানপক্ক ও ঈমানদার, তারা তাও মান্য করে যা আপনার উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার পূর্বে। আর যারা নামাযে অনুবর্তিতা পালনকারী, যারা যাকাত দানকারী এবং যারা আল্লাহ ও কেয়ামতে আস্থাশীল। বস্তুতঃ এমন লোকদেরকে আমি দান করবো মহাপুণ্য।
▶
لَّـٰكِنِ
lākini
কিন্তু
▶
ٱلرَّٰسِخُونَ
l-rāsikhūna
সুগভীর ব্যক্তিরা
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْعِلْمِ
l-ʿil'mi
জ্ঞানে
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যকার
▶
وَٱلْمُؤْمِنُونَ
wal-mu'minūna
ও মু'মিনরা
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
ঈমান আনে
▶
بِمَآ
bimā
(ঐবিষয়ে) যা
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযিল করা হয়েছে
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযিল করা হয়েছে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِكَ ۚ
qablika
তোমার পূর্বে
▶
وَٱلْمُقِيمِينَ
wal-muqīmīna
এবং (তারা) প্রতিষ্ঠাকারীরা
▶
ٱلصَّلَوٰةَ ۚ
l-ṣalata
সলাত
▶
وَٱلْمُؤْتُونَ
wal-mu'tūna
ও (তারা) আদায়কারী
▶
ٱلزَّكَوٰةَ
l-zakata
জাকাত
▶
وَٱلْمُؤْمِنُونَ
wal-mu'minūna
ও (তারা) ঈমানদার
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনের (উপর)
▶
ٱلْـَٔاخِرِ
l-ākhiri
আখিরাতের
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোকদেরকে
▶
سَنُؤْتِيهِمْ
sanu'tīhim
তাদের দিব আমরা
▶
أَجْرًا
ajran
প্রতিফল
▶
عَظِيمًا
ʿaẓīman
বিরাট
আয়াত 163 - সূরা النساء: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ إِنَّآ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ كَمَآ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰ نُوحٍۢ وَٱلنَّبِيِّـۧنَ مِنۢ بَعْدِهِۦ ۚ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ وَإِسْمَـٰعِيلَ وَإِسْحَـٰقَ وَيَعْقُوبَ وَٱلْأَسْبَاطِ وَعِيسَىٰ وَأَيُّوبَ وَيُونُسَ وَهَـٰرُونَ وَسُلَيْمَـٰنَ ۚ وَءَاتَيْنَا دَاوُۥدَ زَبُورًۭا
আমি আপনার প্রতি ওহী পাঠিয়েছি, যেমন করে ওহী পাঠিয়েছিলাম নূহের প্রতি এবং সে সমস্ত নবী-রসূলের প্রতি যাঁরা তাঁর পরে প্রেরিত হয়েছেন। আর ওহী পাঠিয়েছি, ইসমাঈল, ইব্রাহীম, ইসহাক, ইয়াকুব, ও তাঁর সন্তাবর্গের প্রতি এবং ঈসা, আইয়ুব, ইউনূস, হারুন ও সুলায়মানের প্রতি। আর আমি দাউদকে দান করেছি যবুর গ্রন্থ।
▶
۞ إِنَّآ
innā
(হে নবী) আমরা নিশ্চয়
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
আমরা ওহী পাঠিয়েছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
كَمَآ
kamā
যেমন
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
আমরা ওহী পাঠিয়েছি
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
نُوحٍۢ
nūḥin
নূহের
▶
وَٱلنَّبِيِّـۧنَ
wal-nabiyīna
ও নবীদের
▶
مِنۢ
min
পরে
▶
بَعْدِهِۦ ۚ
baʿdihi
তার
▶
وَأَوْحَيْنَآ
wa-awḥaynā
ও আমরা ওহী পাঠিয়েছি
▶
إِلَىٰٓ
ilā
প্রতি
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
وَإِسْمَـٰعِيلَ
wa-is'māʿīla
ও ইসমাঈলের
▶
وَإِسْحَـٰقَ
wa-is'ḥāqa
ও ইসহাকের
▶
وَيَعْقُوبَ
wayaʿqūba
ও ইয়াকুবের
▶
وَٱلْأَسْبَاطِ
wal-asbāṭi
ও (তার) বংশধরদের (প্রতি)
▶
وَعِيسَىٰ
waʿīsā
ও ঈসার
▶
وَأَيُّوبَ
wa-ayyūba
ও আইয়ুবের
▶
وَيُونُسَ
wayūnusa
ও ইউনুসের
▶
وَهَـٰرُونَ
wahārūna
ও হারুনের
▶
وَسُلَيْمَـٰنَ ۚ
wasulaymāna
ও সুলাইমানের (প্রতি)
▶
وَءَاتَيْنَا
waātaynā
এবং আমরা দিয়েছি
▶
دَاوُۥدَ
dāwūda
দাঊদকে
▶
زَبُورًۭا
zabūran
যাবুর
আয়াত 164 - সূরা النساء: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَرُسُلًۭا قَدْ قَصَصْنَـٰهُمْ عَلَيْكَ مِن قَبْلُ وَرُسُلًۭا لَّمْ نَقْصُصْهُمْ عَلَيْكَ ۚ وَكَلَّمَ ٱللَّهُ مُوسَىٰ تَكْلِيمًۭا
এছাড়া এমন রসূল পাঠিয়েছি যাদের ইতিবৃত্ত আমি আপনাকে শুনিয়েছি ইতিপূর্বে এবং এমন রসূল পাঠিয়েছি যাদের বৃত্তান্ত আপনাকে শোনাইনি। আর আল্লাহ মূসার সাথে কথোপকথন করেছেন সরাসরি।
▶
وَرُسُلًۭا
warusulan
এবং (এসব) রাসূলদেরকে
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
قَصَصْنَـٰهُمْ
qaṣaṣnāhum
তাদের আমরা বর্ণনা করেছি
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার নিকট
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلُ
qablu
ইতিপূর্বে
▶
وَرُسُلًۭا
warusulan
এবং (এমন সব) রাসূলও (ছিলেন)
▶
لَّمْ
lam
না
▶
نَقْصُصْهُمْ
naqṣuṣ'hum
তাদের আমরা বর্ণনা করেছি
▶
عَلَيْكَ ۚ
ʿalayka
তোমার কাছে
▶
وَكَلَّمَ
wakallama
এবং কথা বলেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসার (সাথে)
▶
تَكْلِيمًۭا
taklīman
(সরাসরি) কথাবার্তা
আয়াত 165 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رُّسُلًۭا مُّبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ لِئَلَّا يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَى ٱللَّهِ حُجَّةٌۢ بَعْدَ ٱلرُّسُلِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًۭا
সুসংবাদদাতা ও ভীতি-প্রদর্শনকারী রসূলগণকে প্রেরণ করেছি, যাতে রসূলগণের পরে আল্লাহর প্রতি অপবাদ আরোপ করার মত কোন অবকাশ মানুষের জন্য না থাকে। আল্লাহ প্রবল পরাক্রমশীল, প্রাজ্ঞ।
▶
رُّسُلًۭا
rusulan
(এসব) রাসূল
▶
مُّبَشِّرِينَ
mubashirīna
সুসংবাদদাতা
▶
وَمُنذِرِينَ
wamundhirīna
ও সতর্ককারী (ছিলেন)
▶
لِئَلَّا
li-allā
না যেন
▶
يَكُونَ
yakūna
থাকে
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
লোকদের জন্য
▶
عَلَى
ʿalā
বিরুদ্ধে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
حُجَّةٌۢ
ḥujjatun
কোন যুক্তি
▶
بَعْدَ
baʿda
পরে
▶
ٱلرُّسُلِ ۚ
l-rusuli
রাসূলদের (আগমনের)
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَزِيزًا
ʿazīzan
পরাক্রমশালী
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 166 - সূরা النساء: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّـٰكِنِ ٱللَّهُ يَشْهَدُ بِمَآ أَنزَلَ إِلَيْكَ ۖ أَنزَلَهُۥ بِعِلْمِهِۦ ۖ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ يَشْهَدُونَ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًا
আল্লাহ আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছেন তিনি যে তা সজ্ঞানেই করেছেন, সে ব্যাপারে আল্লাহ নিজেও সাক্ষী এবং ফেরেশতাগণও সাক্ষী। আর সাক্ষী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট।
▶
لَّـٰكِنِ
lākini
কিন্তু
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَشْهَدُ
yashhadu
সাক্ষ্য দিচ্ছেন
▶
بِمَآ
bimā
(ঐ বিষয়ে) যা
▶
أَنزَلَ
anzala
নাযিল করেছেন
▶
إِلَيْكَ ۖ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
أَنزَلَهُۥ
anzalahu
তা তিনি নাযিল করেছেন
▶
بِعِلْمِهِۦ ۖ
biʿil'mihi
তাঁর জ্ঞানের ভিত্তিতে
▶
وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
wal-malāikatu
এবং ফেরেশতারাও
▶
يَشْهَدُونَ ۚ
yashhadūna
সাক্ষ্য দিচ্ছে
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
شَهِيدًا
shahīdan
সাক্ষী হিসেবে
আয়াত 167 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَصَدُّوا۟ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ قَدْ ضَلُّوا۟ ضَلَـٰلًۢا بَعِيدًا
যারা কুফরী অবলম্বন করেছে, এবং আল্লাহর পথে বাধার সৃষ্টি করেছে, তারা বিভ্রান্তিতে সুদূরে পতিত হয়েছে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
وَصَدُّوا۟
waṣaddū
ও বাধা দিয়েছে
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
ضَلُّوا۟
ḍallū
তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে
▶
ضَلَـٰلًۢا
ḍalālan
পথভ্রষ্টতায়
▶
بَعِيدًا
baʿīdan
বহুদূরে
আয়াত 168 - সূরা النساء: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَظَلَمُوا۟ لَمْ يَكُنِ ٱللَّهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ وَلَا لِيَهْدِيَهُمْ طَرِيقًا
যারা কুফরী অবলম্বন করেছে এবং সত্য চাপা দিয়ে রেখেছে, আল্লাহ কখনও তাদের ক্ষমা করবেন না এবং সরল পথ দেখাবেন না।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
وَظَلَمُوا۟
waẓalamū
ও জুলুম করেছে
▶
لَمْ
lam
না
▶
يَكُنِ
yakuni
হবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ (এমন যে)
▶
لِيَغْفِرَ
liyaghfira
মাফ করবেন
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
لِيَهْدِيَهُمْ
liyahdiyahum
তাদেরকে হিদায়াত দিবেন
▶
طَرِيقًا
ṭarīqan
(সঠিক) পথের
আয়াত 169 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَّا طَرِيقَ جَهَنَّمَ خَـٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًۭا ۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرًۭا
তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের পথ। সেখানে তারা বাস করবে অনন্তকাল। আর এমন করাটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
طَرِيقَ
ṭarīqa
পথ
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
অবস্থানকারী হবে
▶
فِيهَآ
fīhā
তার মধ্যে
▶
أَبَدًۭا ۚ
abadan
চিরকাল
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলো
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
يَسِيرًۭا
yasīran
সহজ
আয়াত 170 - সূরা النساء: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ قَدْ جَآءَكُمُ ٱلرَّسُولُ بِٱلْحَقِّ مِن رَّبِّكُمْ فَـَٔامِنُوا۟ خَيْرًۭا لَّكُمْ ۚ وَإِن تَكْفُرُوا۟ فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًۭا
হে মানবজাতি! তোমাদের পালনকর্তার যথার্থ বাণী নিয়ে তোমাদের নিকট রসূল এসেছেন, তোমরা তা মেনে নাও যাতে তোমাদের কল্যাণ হতে পারে। আর যদি তোমরা তা না মান, জেনে রাখ আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সে সবকিছুই আল্লাহর। আর আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, প্রাজ্ঞ।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
লোকেরা
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
جَآءَكُمُ
jāakumu
তোমাদের কাছে এসেছে
▶
ٱلرَّسُولُ
l-rasūlu
রাসূল
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
সত্য সহকারে
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
فَـَٔامِنُوا۟
faāminū
তোমরা অতএব ঈমান আন
▶
خَيْرًۭا
khayran
(এটাই) উত্তম
▶
لَّكُمْ ۚ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
تَكْفُرُوا۟
takfurū
তোমরা অস্বীকার কর
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয় তবে
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্য
▶
مَا
mā
যা কিছু (আছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমানসমূহের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۚ
wal-arḍi
ও পৃথিবীতে
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং হলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلِيمًا
ʿalīman
সর্বজ্ঞ
▶
حَكِيمًۭا
ḥakīman
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 171 - সূরা النساء: 53 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَـٰبِ لَا تَغْلُوا۟ فِى دِينِكُمْ وَلَا تَقُولُوا۟ عَلَى ٱللَّهِ إِلَّا ٱلْحَقَّ ۚ إِنَّمَا ٱلْمَسِيحُ عِيسَى ٱبْنُ مَرْيَمَ رَسُولُ ٱللَّهِ وَكَلِمَتُهُۥٓ أَلْقَىٰهَآ إِلَىٰ مَرْيَمَ وَرُوحٌۭ مِّنْهُ ۖ فَـَٔامِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ ۖ وَلَا تَقُولُوا۟ ثَلَـٰثَةٌ ۚ ٱنتَهُوا۟ خَيْرًۭا لَّكُمْ ۚ إِنَّمَا ٱللَّهُ إِلَـٰهٌۭ وَٰحِدٌۭ ۖ سُبْحَـٰنَهُۥٓ أَن يَكُونَ لَهُۥ وَلَدٌۭ ۘ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًۭا
হে আহলে-কিতাবগণ! তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না এবং আল্লাহর শানে নিতান্ত সঙ্গত বিষয় ছাড়া কোন কথা বলো না। নিঃসন্দেহে মরিয়ম পুত্র মসীহ ঈসা আল্লাহর রসূল এবং তাঁর বাণী যা তিনি প্রেরণ করেছেন মরিয়মের নিকট এবং রূহ-তাঁরই কাছ থেকে আগত। অতএব, তোমরা আল্লাহকে এবং তার রসূলগণকে মান্য কর। আর একথা বলো না যে, আল্লাহ তিনের এক, একথা পরিহার কর; তোমাদের মঙ্গল হবে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ একক উপাস্য। সন্তান-সন্ততি হওয়াটা তাঁর যোগ্য বিষয় নয়। যা কিছু আসমান সমূহ ও যমীনে রয়েছে সবই তার। আর কর্মবিধানে আল্লাহই যথেষ্ট।
▶
يَـٰٓأَهْلَ
yāahla
হে আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাব
▶
لَا
lā
না
▶
تَغْلُوا۟
taghlū
তোমরা বাড়াবাড়ি করো
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
دِينِكُمْ
dīnikum
তোমাদের দ্বীনের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقُولُوا۟
taqūlū
তোমরা বলো
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যা
▶
ٱلْحَقَّ ۚ
l-ḥaqa
হক
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলত
▶
ٱلْمَسِيحُ
l-masīḥu
মসীহ
▶
عِيسَى
ʿīsā
ঈসা
▶
ٱبْنُ
ub'nu
পুত্র
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়ামের
▶
رَسُولُ
rasūlu
(তিনি ছিলেন) রাসূল
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَكَلِمَتُهُۥٓ
wakalimatuhu
ও তাঁর ফরমান
▶
أَلْقَىٰهَآ
alqāhā
যা তিনি প্রেরণ করেন
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়ামের
▶
وَرُوحٌۭ
warūḥun
ও রূহ
▶
مِّنْهُ ۖ
min'hu
তাঁর পক্ষ হতে
▶
فَـَٔامِنُوا۟
faāminū
তোমরা অতএব ঈমান আন
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَرُسُلِهِۦ ۖ
warusulihi
ও তাঁর রাসূলদের (উপর)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقُولُوا۟
taqūlū
তোমরা বলো
▶
ثَلَـٰثَةٌ ۚ
thalāthatun
''তিন (ইলাহ)''
▶
ٱنتَهُوا۟
intahū
তোমরা বিরত হও
▶
خَيْرًۭا
khayran
(এটাই) উত্তম
▶
لَّكُمْ ۚ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলত
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
إِلَـٰهٌۭ
ilāhun
ইলাহ
▶
وَٰحِدٌۭ ۖ
wāḥidun
একই
▶
سُبْحَـٰنَهُۥٓ
sub'ḥānahu
তিনি পবিত্র
▶
أَن
an
(এ হতে) যে
▶
يَكُونَ
yakūna
হবে
▶
لَهُۥ
lahu
তার
▶
وَلَدٌۭ ۘ
waladun
কোন সন্তান
▶
لَّهُۥ
lahu
তারই
▶
مَا
mā
যা কিছু আছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমানসমূহের
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু (আছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ ۗ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَكَفَىٰ
wakafā
এবং যথেষ্ট
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহই
▶
وَكِيلًۭا
wakīlan
কর্মবিধায়ক হিসেবে
আয়াত 172 - সূরা النساء: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّن يَسْتَنكِفَ ٱلْمَسِيحُ أَن يَكُونَ عَبْدًۭا لِّلَّهِ وَلَا ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ ٱلْمُقَرَّبُونَ ۚ وَمَن يَسْتَنكِفْ عَنْ عِبَادَتِهِۦ وَيَسْتَكْبِرْ فَسَيَحْشُرُهُمْ إِلَيْهِ جَمِيعًۭا
মসীহ আল্লাহর বান্দা হবেন, তাতে তার কোন লজ্জাবোধ নেই এবং ঘনিষ্ঠ ফেরেশতাদেরও না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহর দাসত্বে লজ্জাবোধ করবে এবং অহংকার করবে, তিনি তাদের সবাইকে নিজের কাছে সমবেত করবেন।
▶
لَّن
lan
কক্ষনো না
▶
يَسْتَنكِفَ
yastankifa
হেয় জ্ঞান করে
▶
ٱلْمَسِيحُ
l-masīḥu
মসীহ
▶
أَن
an
(যে)
▶
يَكُونَ
yakūna
হওয়াতে
▶
عَبْدًۭا
ʿabdan
বান্দা
▶
لِّلَّهِ
lillahi
আল্লাহর
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
l-malāikatu
ফেরেশতারাও
▶
ٱلْمُقَرَّبُونَ ۚ
l-muqarabūna
(যারা) ঘনিষ্ঠ
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَسْتَنكِفْ
yastankif
হেয় জ্ঞান করে
▶
عَنْ
ʿan
হতে
▶
عِبَادَتِهِۦ
ʿibādatihi
তাঁর বন্দেগী
▶
وَيَسْتَكْبِرْ
wayastakbir
ও অহংকার করে
▶
فَسَيَحْشُرُهُمْ
fasayaḥshuruhum
একত্র করবেন তবে তাদের
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁর দিকে
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সকলকে
আয়াত 173 - সূরা النساء: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فَيُوَفِّيهِمْ أُجُورَهُمْ وَيَزِيدُهُم مِّن فَضْلِهِۦ ۖ وَأَمَّا ٱلَّذِينَ ٱسْتَنكَفُوا۟ وَٱسْتَكْبَرُوا۟ فَيُعَذِّبُهُمْ عَذَابًا أَلِيمًۭا وَلَا يَجِدُونَ لَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ وَلِيًّۭا وَلَا نَصِيرًۭا
অতঃপর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তিনি তাদেরকে পরিপূর্ণ সওয়াব দান করবেন, বরং স্বীয় অনুগ্রহে আরো বেশী দেবেন। পক্ষান্তরে যারা লজ্জাবোধ করেছে এবং অহঙ্কার করেছে তিনি তাদেরকে দেবেন বেদনাদায়ক আযাব। আল্লাহকে ছাড়া তারা কোন সাহায্যকারী ও সমর্থক পাবে না।
▶
فَأَمَّا
fa-ammā
অতঃপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
নেকীসমূহের
▶
فَيُوَفِّيهِمْ
fayuwaffīhim
তাদেরকে অতঃপর পূর্ণ দেবেন
▶
أُجُورَهُمْ
ujūrahum
তাদের কর্মফলসমূহ
▶
وَيَزِيدُهُم
wayazīduhum
এবং বেশীও দিবেন তাদেরকে
▶
مِّن
min
হতে
▶
فَضْلِهِۦ ۖ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহ
▶
وَأَمَّا
wa-ammā
আর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱسْتَنكَفُوا۟
is'tankafū
হেয় জ্ঞান করলো
▶
وَٱسْتَكْبَرُوا۟
wa-is'takbarū
ও অহংকার করল
▶
فَيُعَذِّبُهُمْ
fayuʿadhibuhum
তাদেরকে তাহলে শাস্তি দিবেন
▶
عَذَابًا
ʿadhāban
শাস্তি
▶
أَلِيمًۭا
alīman
মর্মন্তুদ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَجِدُونَ
yajidūna
তারা পাবে
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্য
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَلِيًّۭا
waliyyan
কোন অভিভাবক
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
نَصِيرًۭا
naṣīran
কোন সাহায্যকারী
আয়াত 174 - সূরা النساء: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ قَدْ جَآءَكُم بُرْهَـٰنٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ وَأَنزَلْنَآ إِلَيْكُمْ نُورًۭا مُّبِينًۭا
হে মানবকুল! তোমাদের পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট সনদ পৌঁছে গেছে। আর আমি তোমাদের প্রতি প্রকৃষ্ট আলো অবতীর্ণ করেছি।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
মানবজাতি
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
جَآءَكُم
jāakum
কাছে এসেছে তোমাদের
▶
بُرْهَـٰنٌۭ
bur'hānun
দলীল প্রমাণ
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
وَأَنزَلْنَآ
wa-anzalnā
ও আমরা নাযিল করেছি
▶
إِلَيْكُمْ
ilaykum
তোমাদের প্রতি
▶
نُورًۭا
nūran
আলো'
▶
مُّبِينًۭا
mubīnan
সুস্পষ্ট
আয়াত 175 - সূরা النساء: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱللَّهِ وَٱعْتَصَمُوا۟ بِهِۦ فَسَيُدْخِلُهُمْ فِى رَحْمَةٍۢ مِّنْهُ وَفَضْلٍۢ وَيَهْدِيهِمْ إِلَيْهِ صِرَٰطًۭا مُّسْتَقِيمًۭا
অতএব, যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং তাতে দৃঢ়তা অবলম্বন করেছে তিনি তাদেরকে স্বীয় রহমত ও অনুগ্রহের আওতায় স্থান দেবেন এবং নিজের দিকে আসার মত সরল পথে তুলে দেবেন।
▶
فَأَمَّا
fa-ammā
অতঃপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَٱعْتَصَمُوا۟
wa-iʿ'taṣamū
ও দৃঢ়তা অবলম্বন করেছে
▶
بِهِۦ
bihi
তাতে
▶
فَسَيُدْخِلُهُمْ
fasayud'khiluhum
অতঃপর শীঘ্রই তাদেরকে প্রবেশ করাবেন
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
رَحْمَةٍۢ
raḥmatin
রহমতের
▶
مِّنْهُ
min'hu
তাঁর পক্ষ হতে
▶
وَفَضْلٍۢ
wafaḍlin
ও অনুগ্রহে
▶
وَيَهْدِيهِمْ
wayahdīhim
ও তাদেরকে পরিচালিত করবেন
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁর দিকে
▶
صِرَٰطًۭا
ṣirāṭan
(অর্থাৎ) পথে
▶
مُّسْتَقِيمًۭا
mus'taqīman
সরল সঠিক
আয়াত 176 - সূরা النساء: 50 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ ٱللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِى ٱلْكَلَـٰلَةِ ۚ إِنِ ٱمْرُؤٌا۟ هَلَكَ لَيْسَ لَهُۥ وَلَدٌۭ وَلَهُۥٓ أُخْتٌۭ فَلَهَا نِصْفُ مَا تَرَكَ ۚ وَهُوَ يَرِثُهَآ إِن لَّمْ يَكُن لَّهَا وَلَدٌۭ ۚ فَإِن كَانَتَا ٱثْنَتَيْنِ فَلَهُمَا ٱلثُّلُثَانِ مِمَّا تَرَكَ ۚ وَإِن كَانُوٓا۟ إِخْوَةًۭ رِّجَالًۭا وَنِسَآءًۭ فَلِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ ٱلْأُنثَيَيْنِ ۗ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمْ أَن تَضِلُّوا۟ ۗ وَٱللَّهُ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌۢ
মানুষ আপনার নিকট ফতোয়া জানতে চায় অতএব, আপনি বলে দিন, আল্লাহ তোমাদিগকে কালালাহ এর মীরাস সংক্রান্ত সুস্পষ্ট নির্দেশ বাতলে দিচ্ছেন, যদি কোন পুরুষ মারা যায় এবং তার কোন সন্তানাদি না থাকে এবং এক বোন থাকে, তবে সে পাবে তার পরিত্যাক্ত সম্পত্তির অর্ধেক অংশ এবং সে যদি নিঃসন্তান হয়, তবে তার ভাই তার উত্তরাধিকারী হবে। তা দুই বোন থাকলে তাদের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশ। পক্ষান্তরে যদি ভাই ও বোন উভয়ই থাকে, তবে একজন পুরুষের অংশ দুজন নারীর সমান। তোমরা বিভ্রান্ত হবে আল্লাহ তোমাদিগকে সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিচ্ছেন। আর আল্লাহ হচ্ছেন সর্ব বিষয়ে পরিজ্ঞাত।
▶
يَسْتَفْتُونَكَ
yastaftūnaka
তোমার কাছে সমাধান চায় তারা
▶
قُلِ
quli
বল
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
''আল্লাহ
▶
يُفْتِيكُمْ
yuf'tīkum
তোমাদেরকে সমাধান দিচ্ছেন
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
ٱلْكَلَـٰلَةِ ۚ
l-kalālati
মাতা-পিতাহীনও নিঃসন্তান ব্যক্তির
▶
إِنِ
ini
যদি
▶
ٱمْرُؤٌا۟
im'ru-on
কোন পুরুষ (এ ধরনের)
▶
هَلَكَ
halaka
মারা যায়
▶
لَيْسَ
laysa
না (থাকে)
▶
لَهُۥ
lahu
তার
▶
وَلَدٌۭ
waladun
কোন সন্তান
▶
وَلَهُۥٓ
walahu
ও তার থাকে
▶
أُخْتٌۭ
ukh'tun
এক বোন (বৈমাত্রেয় বা সহোদর)
▶
فَلَهَا
falahā
তার জন্য তবে (অর্থাৎ সেই বোন)
▶
نِصْفُ
niṣ'fu
(পাবে) অর্ধেক
▶
مَا
mā
যা আছে
▶
تَرَكَ ۚ
taraka
পরিত্যক্ত সম্পত্তি
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং সে (অর্থাৎ ভাই)
▶
يَرِثُهَآ
yarithuhā
তার (অর্থাৎ মৃত বোনের) উত্তরাধিকারী হবে
▶
إِن
in
যদি
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَكُن
yakun
থাকে
▶
لَّهَا
lahā
তার (অর্থাৎ বোনের)
▶
وَلَدٌۭ ۚ
waladun
কোন সন্তান
▶
فَإِن
fa-in
যদি তবে
▶
كَانَتَا
kānatā
তারা হয়
▶
ٱثْنَتَيْنِ
ith'natayni
দুই (বোন মৃতের উত্তরাধিকারী)
▶
فَلَهُمَا
falahumā
তবে জন্য তাদের দুজনের
▶
ٱلثُّلُثَانِ
l-thuluthāni
দুই তৃতীয়াংশ
▶
مِمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
تَرَكَ ۚ
taraka
পরিত্যক্ত সম্পত্তি
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
كَانُوٓا۟
kānū
তারা হয়
▶
إِخْوَةًۭ
ikh'watan
ভাই-বোন
▶
رِّجَالًۭا
rijālan
পুরুষ (কয়েকজন)
▶
وَنِسَآءًۭ
wanisāan
ও নারী (কয়েকজন)
▶
فَلِلذَّكَرِ
falildhakari
জন্য তবে একজন পুরুষের
▶
مِثْلُ
mith'lu
সমান
▶
حَظِّ
ḥaẓẓi
অংশ
▶
ٱلْأُنثَيَيْنِ ۗ
l-unthayayni
দুই নারীর
▶
يُبَيِّنُ
yubayyinu
বর্ণনা করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
أَن
an
যেন
▶
تَضِلُّوا۟ ۗ
taḍillū
তোমরা বিভ্রান্ত (না) হও
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِكُلِّ
bikulli
সম্পর্কে সব
▶
شَىْءٍ
shayin
কিছুর
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
খুব অবহিত
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে