সূরা آل عمران শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা آل عمران শব্দে শব্দে
آل عمران (آل عمران) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মাদানী, মদীনাতে নায়িল, 200টি আয়াত, 3,481টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
3,481টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা آل عمران আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 18 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা آل عمران: 1 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
الٓمٓ
আলিফ লাম মীম।
▶
الٓمٓ
alif-lam-meem
আলিফ লা-ম মী-ম
আয়াত 2 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ
আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ (এমন সত্তা)
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোনো ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ
huwa
তিনি
▶
ٱلْحَىُّ
l-ḥayu
(তিনিই) চিরঞ্জীব
▶
ٱلْقَيُّومُ
l-qayūmu
সর্বসত্তার ধারক
আয়াত 3 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
نَزَّلَ عَلَيْكَ ٱلْكِتَـٰبَ بِٱلْحَقِّ مُصَدِّقًۭا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَأَنزَلَ ٱلتَّوْرَىٰةَ وَٱلْإِنجِيلَ
তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন সত্যতার সাথে; যা সত্যায়ন করে পূর্ববর্তী কিতাবসমুহের।
▶
نَزَّلَ
nazzala
তিনি অবতীর্ণ করেছেন
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
সত্যসহ
▶
مُصَدِّقًۭا
muṣaddiqan
সত্যায়নকারী
▶
لِّمَا
limā
তার জন্য যা
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
يَدَيْهِ
yadayhi
(এসেছে হাতের) তার পূর্বে
▶
وَأَنزَلَ
wa-anzala
এবং তিনি অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱلتَّوْرَىٰةَ
l-tawrāta
তওরাত
▶
وَٱلْإِنجِيلَ
wal-injīla
ও ইঞ্জীল
আয়াত 4 - সূরা آل عمران: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مِن قَبْلُ هُدًۭى لِّلنَّاسِ وَأَنزَلَ ٱلْفُرْقَانَ ۗ إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ لَهُمْ عَذَابٌۭ شَدِيدٌۭ ۗ وَٱللَّهُ عَزِيزٌۭ ذُو ٱنتِقَامٍ
নাযিল করেছেন তাওরত ও ইঞ্জিল, এ কিতাবের পূর্বে, মানুষের হেদায়েতের জন্যে এবং অবতীর্ণ করেছেন মীমাংসা। নিঃসন্দেহে যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করে, তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব। আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশীল, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلُ
qablu
ইতিপূর্ব
▶
هُدًۭى
hudan
সঠিকপথ (হিসেবে)
▶
لِّلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
وَأَنزَلَ
wa-anzala
এবং তিনি অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱلْفُرْقَانَ ۗ
l-fur'qāna
ফুরকান(ন্যায়-অন্যায়ের মীমাংসা)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
নিদর্শনগুলোর প্রতি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
عَذَابٌۭ
ʿadhābun
শাস্তি (রয়েছে)
▶
شَدِيدٌۭ ۗ
shadīdun
কঠিন
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَزِيزٌۭ
ʿazīzun
পরাক্রমশালী
▶
ذُو
dhū
(একটি)
▶
ٱنتِقَامٍ
intiqāmin
প্রতিশোধ ক্ষমতা সম্পন্ন
আয়াত 5 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَخْفَىٰ عَلَيْهِ شَىْءٌۭ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِى ٱلسَّمَآءِ
আল্লাহর নিকট আসমান ও যমীনের কোন বিষয়ই গোপন নেই।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ (এমন সত্তা)
▶
لَا
lā
না
▶
يَخْفَىٰ
yakhfā
গোপন থাকে
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তাঁর কাছে
▶
شَىْءٌۭ
shayon
কোনো কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশের
আয়াত 6 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُوَ ٱلَّذِى يُصَوِّرُكُمْ فِى ٱلْأَرْحَامِ كَيْفَ يَشَآءُ ۚ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
তিনিই সেই আল্লাহ, যিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেন মায়ের গর্ভে, যেমন তিনি চেয়েছেন। তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। তিনি প্রবল পরাক্রমশীল, প্রজ্ঞাময়।
▶
هُوَ
huwa
তিনিই (সেই সত্তা)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
يُصَوِّرُكُمْ
yuṣawwirukum
আকৃতি গঠন করেন তোমাদের
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْحَامِ
l-arḥāmi
মাতৃগর্ভসমূহের
▶
كَيْفَ
kayfa
যেভাবে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি চান
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোনো ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ
huwa
তিনি
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 7 - সূরা آل عمران: 46 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُوَ ٱلَّذِىٓ أَنزَلَ عَلَيْكَ ٱلْكِتَـٰبَ مِنْهُ ءَايَـٰتٌۭ مُّحْكَمَـٰتٌ هُنَّ أُمُّ ٱلْكِتَـٰبِ وَأُخَرُ مُتَشَـٰبِهَـٰتٌۭ ۖ فَأَمَّا ٱلَّذِينَ فِى قُلُوبِهِمْ زَيْغٌۭ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَـٰبَهَ مِنْهُ ٱبْتِغَآءَ ٱلْفِتْنَةِ وَٱبْتِغَآءَ تَأْوِيلِهِۦ ۗ وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُۥٓ إِلَّا ٱللَّهُ ۗ وَٱلرَّٰسِخُونَ فِى ٱلْعِلْمِ يَقُولُونَ ءَامَنَّا بِهِۦ كُلٌّۭ مِّنْ عِندِ رَبِّنَا ۗ وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّآ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَـٰبِ
তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুসরণ করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশে তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না।
▶
هُوَ
huwa
তিনিই (সেই সত্তা)
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
যিনি
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
مِنْهُ
min'hu
তাতে কিছু আছে
▶
ءَايَـٰتٌۭ
āyātun
আয়াতসমূহ
▶
مُّحْكَمَـٰتٌ
muḥ'kamātun
মুহকাম (সুদৃঢ়)
▶
هُنَّ
hunna
সেগুলো
▶
أُمُّ
ummu
জননী (মূল অংশ)
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
وَأُخَرُ
wa-ukharu
এবং অন্যগুলো
▶
مُتَشَـٰبِهَـٰتٌۭ ۖ
mutashābihātun
মুতাশাবিহ (রূপক সদৃশ)
▶
فَأَمَّا
fa-ammā
সুতরাং
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
قُلُوبِهِمْ
qulūbihim
তাদের অন্তরে
▶
زَيْغٌۭ
zayghun
বক্রতা
▶
فَيَتَّبِعُونَ
fayattabiʿūna
ফলে তারা অনুসরণ করে
▶
مَا
mā
(তার) যা
▶
تَشَـٰبَهَ
tashābaha
মুতাশাবিহাতের ফলে (রূপক অর্থ দেয়)
▶
مِنْهُ
min'hu
তার মধ্যে
▶
ٱبْتِغَآءَ
ib'tighāa
অনুসন্ধানে
▶
ٱلْفِتْنَةِ
l-fit'nati
ফেতনা(বিরোধ)
▶
وَٱبْتِغَآءَ
wa-ib'tighāa
এবং অনুসন্ধানে
▶
تَأْوِيلِهِۦ ۗ
tawīlihi
তার ব্যখ্যা
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
কেউ জানে
▶
تَأْوِيلَهُۥٓ
tawīlahu
তার ব্যখ্যা
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
ٱللَّهُ ۗ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَٱلرَّٰسِخُونَ
wal-rāsikhūna
এবং (যারা) সুগভীর
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
ٱلْعِلْمِ
l-ʿil'mi
জ্ঞানের
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলে
▶
ءَامَنَّا
āmannā
আমরা বিশ্বাস করেছি
▶
بِهِۦ
bihi
তার উপর
▶
كُلٌّۭ
kullun
সবই (এসেছে)
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
رَبِّنَا ۗ
rabbinā
আমাদের রবের
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَذَّكَّرُ
yadhakkaru
শিক্ষা নেয় (তা হতে)
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أُو۟لُوا۟
ulū
লোকেরা
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বোধশক্তি সম্পন্ন
আয়াত 8 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْوَهَّابُ
হে আমাদের পালনকর্তা! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্যলংঘনে প্রবৃত্ত করোনা এবং তোমার নিকট থেকে আমাদিগকে অনুগ্রহ দান কর। তুমিই সব কিছুর দাতা।
▶
رَبَّنَا
rabbanā
(তারা বলে) হে আমাদের রব
▶
لَا
lā
না
▶
تُزِغْ
tuzigh
বাঁকা করো
▶
قُلُوبَنَا
qulūbanā
আমাদের অন্তরগুলো
▶
بَعْدَ
baʿda
এর পরে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
هَدَيْتَنَا
hadaytanā
আমাদের পথ প্রদর্শন করেছ তুমি
▶
وَهَبْ
wahab
এবং দাও
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مِن
min
থেকে
▶
لَّدُنكَ
ladunka
তোমার নিকট
▶
رَحْمَةً ۚ
raḥmatan
দয়া
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
ٱلْوَهَّابُ
l-wahābu
মহাদাতা
আয়াত 9 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَآ إِنَّكَ جَامِعُ ٱلنَّاسِ لِيَوْمٍۢ لَّا رَيْبَ فِيهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُخْلِفُ ٱلْمِيعَادَ
হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি মানুষকে একদিন অবশ্যই একত্রিত করবেঃ এতে কোনই সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ওয়াদার অন্যথা করেন না।
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
(তারা বলে) হে আমাদের রব
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
جَامِعُ
jāmiʿu
সমবেতকারী
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষদের
▶
لِيَوْمٍۢ
liyawmin
সে দিনের
▶
لَّا
lā
নেই (যাতে)
▶
رَيْبَ
rayba
কোনো সন্দেহ
▶
فِيهِ ۚ
fīhi
তার মধ্যে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُخْلِفُ
yukh'lifu
ব্যতিক্রম করেন
▶
ٱلْمِيعَادَ
l-mīʿāda
প্রতিশ্রুতির
আয়াত 10 - সূরা آل عمران: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَن تُغْنِىَ عَنْهُمْ أَمْوَٰلُهُمْ وَلَآ أَوْلَـٰدُهُم مِّنَ ٱللَّهِ شَيْـًۭٔا ۖ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمْ وَقُودُ ٱلنَّارِ
যারা কুফুরী করে, তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর সামনে কখনও কাজে আসবে না। আর তারাই হচ্ছে দোযখের ইন্ধন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
لَن
lan
কখনও না
▶
تُغْنِىَ
tugh'niya
উপকার দিবে
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদের জন্য
▶
أَمْوَٰلُهُمْ
amwāluhum
তাদের ধনসম্পদগুলো
▶
وَلَآ
walā
আর না
▶
أَوْلَـٰدُهُم
awlāduhum
সন্তানাদি তাদের
▶
مِّنَ
mina
কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
شَيْـًۭٔا ۖ
shayan
কিছুমাত্রই
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং ঐসব লোক
▶
هُمْ
hum
তারাই (হবে)
▶
وَقُودُ
waqūdu
ইন্ধন
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের (দোজখের)
আয়াত 11 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَدَأْبِ ءَالِ فِرْعَوْنَ وَٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۚ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا فَأَخَذَهُمُ ٱللَّهُ بِذُنُوبِهِمْ ۗ وَٱللَّهُ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ
ফেরআউনের সম্প্রদায় এবং তাদের পূর্ববর্তীদের ধারা অনুযায়ীই তারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। ফলে তাদের পাপের কারণে আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেছেন আর আল্লাহর আযাব অতি কঠিন।
▶
كَدَأْبِ
kadabi
পরিণতি মতো (হয়েছে)
▶
ءَالِ
āli
সম্প্রদায়ের
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِهِمْ ۚ
qablihim
তাদের পূর্ব থেকে (ছিল)
▶
كَذَّبُوا۟
kadhabū
তারা অস্বীকার করেছিল
▶
بِـَٔايَـٰتِنَا
biāyātinā
আমাদের নিদর্শনগুলোর প্রতি
▶
فَأَخَذَهُمُ
fa-akhadhahumu
অতঃপর ধরলেন তাদেরকে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِذُنُوبِهِمْ ۗ
bidhunūbihim
তাদের পাপের কারণে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
شَدِيدُ
shadīdu
বড় কঠোর
▶
ٱلْعِقَابِ
l-ʿiqābi
শাস্তিদানে
আয়াত 12 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُل لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ سَتُغْلَبُونَ وَتُحْشَرُونَ إِلَىٰ جَهَنَّمَ ۚ وَبِئْسَ ٱلْمِهَادُ
কাফেরদিগকে বলে দিন, খুব শিগগীরই তোমরা পরাভূত হয়ে দোযখের দিকে হাঁকিয়ে নীত হবে-সেটা কতই না নিকৃষ্টতম অবস্থান।
▶
قُل
qul
বলো তুমি
▶
لِّلَّذِينَ
lilladhīna
তাদের উদ্দেশে (যারা)
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
سَتُغْلَبُونَ
satugh'labūna
শীঘ্রই তোমাদের পরাজিত হবে
▶
وَتُحْشَرُونَ
watuḥ'sharūna
ও তোমাদের একত্র করা হবে
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
جَهَنَّمَ ۚ
jahannama
জাহান্নামের
▶
وَبِئْسَ
wabi'sa
এবং (তা) অতিনিকৃষ্ট
▶
ٱلْمِهَادُ
l-mihādu
আবাসস্থল
আয়াত 13 - সূরা آل عمران: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَدْ كَانَ لَكُمْ ءَايَةٌۭ فِى فِئَتَيْنِ ٱلْتَقَتَا ۖ فِئَةٌۭ تُقَـٰتِلُ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَأُخْرَىٰ كَافِرَةٌۭ يَرَوْنَهُم مِّثْلَيْهِمْ رَأْىَ ٱلْعَيْنِ ۚ وَٱللَّهُ يُؤَيِّدُ بِنَصْرِهِۦ مَن يَشَآءُ ۗ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةًۭ لِّأُو۟لِى ٱلْأَبْصَـٰرِ
নিশ্চয়ই দুটো দলের মোকাবিলার মধ্যে তোমাদের জন্য নিদর্শন ছিল। একটি দল আল্লাহর রাহে যুদ্ধ করে। আর অপর দল ছিল কাফেরদের এরা স্বচক্ষে তাদেরকে দ্বিগুন দেখছিল। আর আল্লাহ যাকে নিজের সাহায্যের মাধ্যমে শক্তি দান করেন। এরই মধ্যে শিক্ষনীয় রয়েছে দৃষ্টি সম্পন্নদের জন্য।
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
كَانَ
kāna
রয়েছে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
ءَايَةٌۭ
āyatun
নিদর্শন
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
فِئَتَيْنِ
fi-atayni
দুই দলের
▶
ٱلْتَقَتَا ۖ
l-taqatā
সম্মুখীন হয়েছিল পরস্পর (বদরের যুদ্ধে)
▶
فِئَةٌۭ
fi-atun
একদল
▶
تُقَـٰتِلُ
tuqātilu
লড়াই করেছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَأُخْرَىٰ
wa-ukh'rā
এবং অন্যটি
▶
كَافِرَةٌۭ
kāfiratun
কাফির
▶
يَرَوْنَهُم
yarawnahum
তাদেরকে তারা(মুসলিমদেরকে) দেখে
▶
مِّثْلَيْهِمْ
mith'layhim
তাদের দ্বিগুণ
▶
رَأْىَ
raya
(দেখ)
▶
ٱلْعَيْنِ ۚ
l-ʿayni
চাক্ষুসভাবে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يُؤَيِّدُ
yu-ayyidu
শক্তিশালী করেন
▶
بِنَصْرِهِۦ
binaṣrihi
তাঁর সাহায্য দিয়ে
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۗ
yashāu
তিনি চান
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَعِبْرَةًۭ
laʿib'ratan
শিক্ষা অবশ্যই
▶
لِّأُو۟لِى
li-ulī
জন্য
▶
ٱلْأَبْصَـٰرِ
l-abṣāri
অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্নদের
আয়াত 14 - সূরা آل عمران: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
زُيِّنَ لِلنَّاسِ حُبُّ ٱلشَّهَوَٰتِ مِنَ ٱلنِّسَآءِ وَٱلْبَنِينَ وَٱلْقَنَـٰطِيرِ ٱلْمُقَنطَرَةِ مِنَ ٱلذَّهَبِ وَٱلْفِضَّةِ وَٱلْخَيْلِ ٱلْمُسَوَّمَةِ وَٱلْأَنْعَـٰمِ وَٱلْحَرْثِ ۗ ذَٰلِكَ مَتَـٰعُ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَٱللَّهُ عِندَهُۥ حُسْنُ ٱلْمَـَٔابِ
মানবকূলকে মোহগ্রস্ত করেছে নারী, সন্তান-সন্ততি, রাশিকৃত স্বর্ণ-রৌপ্য, চিহ্নিত অশ্ব, গবাদি পশুরাজি এবং ক্ষেত-খামারের মত আকর্ষণীয় বস্তুসামগ্রী। এসবই হচ্ছে পার্থিব জীবনের ভোগ্য বস্তু। আল্লাহর নিকটই হলো উত্তম আশ্রয়।
▶
زُيِّنَ
zuyyina
মনোরম করা হয়েছে
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
লোকদের জন্য
▶
حُبُّ
ḥubbu
আসক্তি
▶
ٱلشَّهَوَٰتِ
l-shahawāti
কামনার
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلنِّسَآءِ
l-nisāi
নারীদের
▶
وَٱلْبَنِينَ
wal-banīna
ও সন্তানাদির
▶
وَٱلْقَنَـٰطِيرِ
wal-qanāṭīri
এবং স্তুপ
▶
ٱلْمُقَنطَرَةِ
l-muqanṭarati
রাশিকৃত
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلذَّهَبِ
l-dhahabi
সোনার
▶
وَٱلْفِضَّةِ
wal-fiḍati
ও রূপার
▶
وَٱلْخَيْلِ
wal-khayli
ও ঘোড়ার
▶
ٱلْمُسَوَّمَةِ
l-musawamati
(যা) চিহ্নিত
▶
وَٱلْأَنْعَـٰمِ
wal-anʿāmi
ও গবাদিপশুর
▶
وَٱلْحَرْثِ ۗ
wal-ḥarthi
এবং ক্ষেতখামারে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
مَتَـٰعُ
matāʿu
ভোগসামগ্রী
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا ۖ
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
কিন্তু আল্লাহ (এমন সত্তা)
▶
عِندَهُۥ
ʿindahu
যার কাছে আছে
▶
حُسْنُ
ḥus'nu
উত্তম
▶
ٱلْمَـَٔابِ
l-maābi
আশ্রয়স্থল
আয়াত 15 - সূরা آل عمران: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ قُلْ أَؤُنَبِّئُكُم بِخَيْرٍۢ مِّن ذَٰلِكُمْ ۚ لِلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّـٰتٌۭ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا وَأَزْوَٰجٌۭ مُّطَهَّرَةٌۭ وَرِضْوَٰنٌۭ مِّنَ ٱللَّهِ ۗ وَٱللَّهُ بَصِيرٌۢ بِٱلْعِبَادِ
বলুন, আমি কি তোমাদেরকে এসবের চাইতেও উত্তম বিষয়ের সন্ধান বলবো?-যারা পরহেযগার, আল্লাহর নিকট তাদের জন্যে রয়েছে বেহেশত, যার তলদেশে প্রস্রবণ প্রবাহিত-তারা সেখানে থাকবে অনন্তকাল। আর রয়েছে পরিচ্ছন্ন সঙ্গিনীগণ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি সুদৃষ্টি রাখেন।
▶
۞ قُلْ
qul
তুমি বল
▶
أَؤُنَبِّئُكُم
a-unabbi-ukum
''তোমাদেরকে আমি বলে দেব কি
▶
بِخَيْرٍۢ
bikhayrin
উত্তম (জিনিসের কথা)
▶
مِّن
min
অপেক্ষা
▶
ذَٰلِكُمْ ۚ
dhālikum
এসব,
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্য যারা
▶
ٱتَّقَوْا۟
ittaqaw
তাকওয়া অবলম্বন করেছে
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের (রয়েছে)
▶
جَنَّـٰتٌۭ
jannātun
জান্নাত
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
হতে
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার পাদদেশ
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্ণাধারা
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা চিরস্থায়ী হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَأَزْوَٰجٌۭ
wa-azwājun
এবং স্ত্রীসমূহ (রয়েছে)
▶
مُّطَهَّرَةٌۭ
muṭahharatun
পবিত্র
▶
وَرِضْوَٰنٌۭ
wariḍ'wānun
এবং সন্তুষ্টি
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بَصِيرٌۢ
baṣīrun
খুব দৃষ্টি রাখেন
▶
بِٱلْعِبَادِ
bil-ʿibādi
বান্দাদের উপর''
আয়াত 16 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَآ إِنَّنَآ ءَامَنَّا فَٱغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ
যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গোনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
বলে
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
''হে আমাদের রব
▶
إِنَّنَآ
innanā
নিশ্চয়ই আমরা
▶
ءَامَنَّا
āmannā
আমরা ঈমান এনেছি
▶
فَٱغْفِرْ
fa-igh'fir
অতএব ক্ষমা কর
▶
لَنَا
lanā
আমাদের
▶
ذُنُوبَنَا
dhunūbanā
আমাদের গুনাহগুলোকে
▶
وَقِنَا
waqinā
এবং বাঁচাও আমাদের
▶
عَذَابَ
ʿadhāba
শাস্তি (হতে)
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
জাহান্নামের''
আয়াত 17 - সূরা آل عمران: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلصَّـٰبِرِينَ وَٱلصَّـٰدِقِينَ وَٱلْقَـٰنِتِينَ وَٱلْمُنفِقِينَ وَٱلْمُسْتَغْفِرِينَ بِٱلْأَسْحَارِ
তারা ধৈর্য্যধারণকারী, সত্যবাদী, নির্দেশ সম্পাদনকারী, সৎপথে ব্যয়কারী এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।
▶
ٱلصَّـٰبِرِينَ
al-ṣābirīna
(তারা হবে) ধৈর্য্যশীল
▶
وَٱلصَّـٰدِقِينَ
wal-ṣādiqīna
ও সত্যবাদী-সত্যপন্থী
▶
وَٱلْقَـٰنِتِينَ
wal-qānitīna
ও বিনীত-অনুগত
▶
وَٱلْمُنفِقِينَ
wal-munfiqīna
ও দাতা
▶
وَٱلْمُسْتَغْفِرِينَ
wal-mus'taghfirīna
এবং ক্ষমাপ্রার্থী
▶
بِٱلْأَسْحَارِ
bil-asḥāri
রাতের শেষপ্রান্তে
আয়াত 18 - সূরা آل عمران: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
شَهِدَ ٱللَّهُ أَنَّهُۥ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ وَأُو۟لُوا۟ ٱلْعِلْمِ قَآئِمًۢا بِٱلْقِسْطِ ۚ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তাঁকে ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। ফেরেশতাগণ এবং ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগণও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
▶
شَهِدَ
shahida
সাক্ষী দিচ্ছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَنَّهُۥ
annahu
তিনি নিশ্চয় (এমন যে)
▶
لَآ
lā
নাই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোন ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ
huwa
তিনি
▶
وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
wal-malāikatu
এবং ফেরেশতারা (সাক্ষ্য দিচ্ছে)
▶
وَأُو۟لُوا۟
wa-ulū
এবং
▶
ٱلْعِلْمِ
l-ʿil'mi
জ্ঞানীগণও
▶
قَآئِمًۢا
qāiman
(যারা) প্রতিষ্ঠিত
▶
بِٱلْقِسْطِ ۚ
bil-qis'ṭi
ন্যায়নীতিতে
▶
لَآ
lā
নাই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোন ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ
huwa
তিনি
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 19 - সূরা آل عمران: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلدِّينَ عِندَ ٱللَّهِ ٱلْإِسْلَـٰمُ ۗ وَمَا ٱخْتَلَفَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ إِلَّا مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلْعِلْمُ بَغْيًۢا بَيْنَهُمْ ۗ وَمَن يَكْفُرْ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ فَإِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلْحِسَابِ
নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلدِّينَ
l-dīna
জীবন ব্যবস্থা
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (গ্রহণযোগ্য)
▶
ٱلْإِسْلَـٰمُ ۗ
l-is'lāmu
(একমাত্র) ইসলাম
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ٱخْتَلَفَ
ikh'talafa
মতানৈক্য করেছে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেওয়া হয়েছিল
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَهُمُ
jāahumu
তাদের কাছে এসেছে
▶
ٱلْعِلْمُ
l-ʿil'mu
জ্ঞান
▶
بَغْيًۢا
baghyan
বিদ্বেষের কারণে
▶
بَيْنَهُمْ ۗ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
وَمَن
waman
এবং যে কেউ
▶
يَكْفُرْ
yakfur
অস্বীকার করবে
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
নিদর্শনগুলোকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ (তাদের হতে)
▶
سَرِيعُ
sarīʿu
তৎপর
▶
ٱلْحِسَابِ
l-ḥisābi
হিসাব (নিতে)
আয়াত 20 - সূরা آل عمران: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِنْ حَآجُّوكَ فَقُلْ أَسْلَمْتُ وَجْهِىَ لِلَّهِ وَمَنِ ٱتَّبَعَنِ ۗ وَقُل لِّلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْأُمِّيِّـۧنَ ءَأَسْلَمْتُمْ ۚ فَإِنْ أَسْلَمُوا۟ فَقَدِ ٱهْتَدَوا۟ ۖ وَّإِن تَوَلَّوْا۟ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ ٱلْبَلَـٰغُ ۗ وَٱللَّهُ بَصِيرٌۢ بِٱلْعِبَادِ
যদি তারা তোমার সাথে বিতর্কে অবতীর্ণ হয় তবে বলে দাও, "আমি এবং আমার অনুসরণকারীগণ আল্লাহর প্রতি আত্নসমর্পণ করেছি।" আর আহলে কিতাবদের এবং নিরক্ষরদের বলে দাও যে, তোমরাও কি আত্নসমর্পণ করেছ? তখন যদি তারা আত্নসমর্পণ করে, তবে সরল পথ প্রাপ্ত হলো, আর যদি মুখ ঘুরিয়ে নেয়, তাহলে তোমার দায়িত্ব হলো শুধু পৌছে দেয়া। আর আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে সকল বান্দা।
▶
فَإِنْ
fa-in
যদি এখন
▶
حَآجُّوكَ
ḥājjūka
তোমাদের সাথে বিতর্ক করে
▶
فَقُلْ
faqul
বল তবে
▶
أَسْلَمْتُ
aslamtu
''আমি সমর্পণ করেছি
▶
وَجْهِىَ
wajhiya
আমার মুখ
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর কাছে
▶
وَمَنِ
wamani
ও যারা
▶
ٱتَّبَعَنِ ۗ
ittabaʿani
আমার অনুসরণ করেছে (তারাও)''
▶
وَقُل
waqul
এবং তুমি বল
▶
لِّلَّذِينَ
lilladhīna
তাদেরকে (যাদের)
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছিল
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْأُمِّيِّـۧنَ
wal-umiyīna
এবং নিরক্ষরদেরকেও
▶
ءَأَسْلَمْتُمْ ۚ
a-aslamtum
''কি তোমরা আত্মসমর্পণ করেছ''
▶
فَإِنْ
fa-in
অতএব যদি
▶
أَسْلَمُوا۟
aslamū
তারা আত্মসমর্পণ করে থাকে
▶
فَقَدِ
faqadi
নিশ্চয়ই তবে
▶
ٱهْتَدَوا۟ ۖ
ih'tadaw
তারা সঠিক পথ পেয়েছে
▶
وَّإِن
wa-in
আর যদি
▶
تَوَلَّوْا۟
tawallaw
তারা মুখ ফিরায়
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
তবে মূলত
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার (দায়িত্ব)
▶
ٱلْبَلَـٰغُ ۗ
l-balāghu
(দাওয়াত) পৌঁছান
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بَصِيرٌۢ
baṣīrun
খুব দৃষ্টি রাখছেন
▶
بِٱلْعِبَادِ
bil-ʿibādi
বান্দাদের উপর
আয়াত 21 - সূরা آل عمران: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَكْفُرُونَ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ وَيَقْتُلُونَ ٱلنَّبِيِّـۧنَ بِغَيْرِ حَقٍّۢ وَيَقْتُلُونَ ٱلَّذِينَ يَأْمُرُونَ بِٱلْقِسْطِ مِنَ ٱلنَّاسِ فَبَشِّرْهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٍ
যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করে এবং পয়গম্বরগণকে হত্যা করে অন্যায়ভাবে, আর সেসব লোককে হত্যা করে যারা ন্যায়পরায়ণতার নির্দেশ দেয় তাদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তির সংবাদ দিন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَكْفُرُونَ
yakfurūna
অস্বীকার করে
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
নিদর্শনাবলীকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَيَقْتُلُونَ
wayaqtulūna
ও হত্যা করে
▶
ٱلنَّبِيِّـۧنَ
l-nabiyīna
নবীদেরকে
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ব্যাতিত
▶
حَقٍّۢ
ḥaqqin
ন্যায়ভাবে
▶
وَيَقْتُلُونَ
wayaqtulūna
এবং হত্যা করে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকেও) যারা
▶
يَأْمُرُونَ
yamurūna
নির্দেশ দেয়
▶
بِٱلْقِسْطِ
bil-qis'ṭi
ন্যায়পরায়ণতার
▶
مِنَ
mina
মধ্যে হতে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের
▶
فَبَشِّرْهُم
fabashir'hum
তাই সুসংবাদ দাও তাদেরকে
▶
بِعَذَابٍ
biʿadhābin
আজাবের
▶
أَلِيمٍ
alīmin
বড় যন্ত্রণাদায়ক
আয়াত 22 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ حَبِطَتْ أَعْمَـٰلُهُمْ فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْـَٔاخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّـٰصِرِينَ
এরাই হলো সে লোক যাদের সমগ্র আমল দুনিয়া ও আখেরাত উভয়লোকেই বিনষ্ট হয়ে গেছে। পক্ষান্তরে তাদের কোন সাহায্যকারীও নেই।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারাই) যাদের
▶
حَبِطَتْ
ḥabiṭat
নষ্ট হয়েছে
▶
أَعْمَـٰلُهُمْ
aʿmāluhum
তাদের আমলসমূহ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
وَٱلْـَٔاخِرَةِ
wal-ākhirati
ও আখিরাতের
▶
وَمَا
wamā
এবং নাই
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্য
▶
مِّن
min
কোন
▶
نَّـٰصِرِينَ
nāṣirīna
সাহায্যকারী
আয়াত 23 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ نَصِيبًۭا مِّنَ ٱلْكِتَـٰبِ يُدْعَوْنَ إِلَىٰ كِتَـٰبِ ٱللَّهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ يَتَوَلَّىٰ فَرِيقٌۭ مِّنْهُمْ وَهُم مُّعْرِضُونَ
আপনি কি তাদের দেখেননি, যারা কিতাবের কিছু অংশ পেয়েছে-আল্লাহর কিতাবের প্রতি তাদের আহবান করা হয়েছিল যাতে তাদের মধ্যে মীমাংসা করা যায়। অতঃপর তাদের মধ্যে একদল তা অমান্য করে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
▶
أَلَمْ
alam
তুমি কি
▶
تَرَ
tara
দেখ নাই
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(ঐ লোকদের) যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছে
▶
نَصِيبًۭا
naṣīban
অংশ
▶
مِّنَ
mina
কিছু
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
يُدْعَوْنَ
yud'ʿawna
তাদের ডাকা হয়
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
كِتَـٰبِ
kitābi
কিতাবের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لِيَحْكُمَ
liyaḥkuma
ফয়সালা করার জন্য
▶
بَيْنَهُمْ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يَتَوَلَّىٰ
yatawallā
ফিরে যায়
▶
فَرِيقٌۭ
farīqun
একদল
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
وَهُم
wahum
এবং তারা
▶
مُّعْرِضُونَ
muʿ'riḍūna
মুখ ফিরিয়ে নেয়
আয়াত 24 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا۟ لَن تَمَسَّنَا ٱلنَّارُ إِلَّآ أَيَّامًۭا مَّعْدُودَٰتٍۢ ۖ وَغَرَّهُمْ فِى دِينِهِم مَّا كَانُوا۟ يَفْتَرُونَ
তা এজন্য যে, তারা বলে থাকে যে, দোযখের আগুন আমাদের স্পর্শ করবে না; তবে সামান্য হাতে গোনা কয়েকদিনের জন্য স্পর্শ করতে পারে। নিজেদের উদ্ভাবিত ভিত্তিহীন কথায় তারা ধোকা খেয়েছে।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِأَنَّهُمْ
bi-annahum
এজন্য যে
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলে
▶
لَن
lan
''কক্ষনো না
▶
تَمَسَّنَا
tamassanā
আমাদের স্পর্শ করবে
▶
ٱلنَّارُ
l-nāru
আগুন
▶
إِلَّآ
illā
তবে (যদি করেও)
▶
أَيَّامًۭا
ayyāman
কয়েকদিন (মাত্র)
▶
مَّعْدُودَٰتٍۢ ۖ
maʿdūdātin
সীমিত,''
▶
وَغَرَّهُمْ
wagharrahum
আর তাদেরকে ধোঁকা দিয়েছে
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
دِينِهِم
dīnihim
তাদের দ্বীনের
▶
مَّا
mā
(তাই) যা
▶
كَانُوا۟
kānū
করছিল
▶
يَفْتَرُونَ
yaftarūna
তারা উদ্ভাবন
আয়াত 25 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَكَيْفَ إِذَا جَمَعْنَـٰهُمْ لِيَوْمٍۢ لَّا رَيْبَ فِيهِ وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍۢ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
কিন্তু তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে যখন আমি তাদেরকে একদিন সমবেত করবো যে দিনের আগমনে কোন সন্দেহ নেই আর নিজেদের কৃতকর্ম তাদের প্রত্যেকেই পাবে তাদের প্রাপ্য প্রদান মোটেই অন্যায় করা হবে না।
▶
فَكَيْفَ
fakayfa
কেমন হবে তখন
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
جَمَعْنَـٰهُمْ
jamaʿnāhum
তাদের আমরা একত্রিত করব
▶
لِيَوْمٍۢ
liyawmin
সেদিন
▶
لَّا
lā
নাই
▶
رَيْبَ
rayba
কোন সন্দেহ
▶
فِيهِ
fīhi
যার মধ্যে
▶
وَوُفِّيَتْ
wawuffiyat
এবং পূর্ণ দেয়া হবে
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۢ
nafsin
ব্যক্তিকে
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَسَبَتْ
kasabat
সে উপার্জন করেছে
▶
وَهُمْ
wahum
এবং তাদেরকে
▶
لَا
lā
না
▶
يُظْلَمُونَ
yuẓ'lamūna
জুলুম করা হবে
আয়াত 26 - সূরা آل عمران: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلِ ٱللَّهُمَّ مَـٰلِكَ ٱلْمُلْكِ تُؤْتِى ٱلْمُلْكَ مَن تَشَآءُ وَتَنزِعُ ٱلْمُلْكَ مِمَّن تَشَآءُ وَتُعِزُّ مَن تَشَآءُ وَتُذِلُّ مَن تَشَآءُ ۖ بِيَدِكَ ٱلْخَيْرُ ۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ
বলুন ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
▶
قُلِ
quli
তুমি বল
▶
ٱللَّهُمَّ
l-lahuma
''হে আল্লাহ
▶
مَـٰلِكَ
mālika
মালিক
▶
ٱلْمُلْكِ
l-mul'ki
রাজত্বের
▶
تُؤْتِى
tu'tī
দাও তুমি
▶
ٱلْمُلْكَ
l-mul'ka
শাসন ক্ষমতা
▶
مَن
man
যাকে
▶
تَشَآءُ
tashāu
তুমি ইচ্ছে কর
▶
وَتَنزِعُ
watanziʿu
আর কেড়ে নাও
▶
ٱلْمُلْكَ
l-mul'ka
শাসন ক্ষমতা
▶
مِمَّن
mimman
যার থেকে
▶
تَشَآءُ
tashāu
ইচ্ছেকর তুমি
▶
وَتُعِزُّ
watuʿizzu
এবং তুমি দাও ইজ্জত
▶
مَن
man
যাকে
▶
تَشَآءُ
tashāu
তুমি ইচ্ছে কর
▶
وَتُذِلُّ
watudhillu
আর লাঞ্ছিত কর
▶
مَن
man
যাকে
▶
تَشَآءُ ۖ
tashāu
তুমি ইচ্ছে কর,
▶
بِيَدِكَ
biyadika
তোমারই হাতে
▶
ٱلْخَيْرُ ۖ
l-khayru
সব কল্যাণ
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
ক্ষমতাবান
আয়াত 27 - সূরা آل عمران: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تُولِجُ ٱلَّيْلَ فِى ٱلنَّهَارِ وَتُولِجُ ٱلنَّهَارَ فِى ٱلَّيْلِ ۖ وَتُخْرِجُ ٱلْحَىَّ مِنَ ٱلْمَيِّتِ وَتُخْرِجُ ٱلْمَيِّتَ مِنَ ٱلْحَىِّ ۖ وَتَرْزُقُ مَن تَشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍۢ
তুমি রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দাও। আর তুমিই জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করে আন এবং মৃতকে জীবিতের ভেতর থেকে বের কর। আর তুমিই যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান কর।
▶
تُولِجُ
tūliju
তুমি প্রবেশ করাও
▶
ٱلَّيْلَ
al-layla
রাতকে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلنَّهَارِ
l-nahāri
দিনের
▶
وَتُولِجُ
watūliju
আবার তুমি প্রবেশ করাও
▶
ٱلنَّهَارَ
l-nahāra
দিনকে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلَّيْلِ ۖ
al-layli
রাতের
▶
وَتُخْرِجُ
watukh'riju
এবং তুমি বের কর
▶
ٱلْحَىَّ
l-ḥaya
জীবন্তকে
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْمَيِّتِ
l-mayiti
মৃত
▶
وَتُخْرِجُ
watukh'riju
আবার বের কর তুমি
▶
ٱلْمَيِّتَ
l-mayita
মৃতকে
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْحَىِّ ۖ
l-ḥayi
জীবন্ত
▶
وَتَرْزُقُ
watarzuqu
এবং রিয্ক দাও তুমি
▶
مَن
man
যাকে
▶
تَشَآءُ
tashāu
তুমি ইচ্ছে কর
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ছাড়াই
▶
حِسَابٍۢ
ḥisābin
কোন হিসেব''
আয়াত 28 - সূরা آل عمران: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّا يَتَّخِذِ ٱلْمُؤْمِنُونَ ٱلْكَـٰفِرِينَ أَوْلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلْمُؤْمِنِينَ ۖ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَلَيْسَ مِنَ ٱللَّهِ فِى شَىْءٍ إِلَّآ أَن تَتَّقُوا۟ مِنْهُمْ تُقَىٰةًۭ ۗ وَيُحَذِّرُكُمُ ٱللَّهُ نَفْسَهُۥ ۗ وَإِلَى ٱللَّهِ ٱلْمَصِيرُ
মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কেন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না। তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর, তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে আল্লাহ তা’আলা তাঁর সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। এবং সবাই কে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে।
▶
لَّا
lā
না
▶
يَتَّخِذِ
yattakhidhi
গ্রহণ করবে
▶
ٱلْمُؤْمِنُونَ
l-mu'minūna
মু'মিনরা
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফিরদেরকে
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
অভিভাবক হিসেবে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
دُونِ
dūni
ব্যতীত
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ ۖ
l-mu'minīna
মু'মিনদেরকে
▶
وَمَن
waman
এবং
▶
يَفْعَلْ
yafʿal
করবে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এরূপ
▶
فَلَيْسَ
falaysa
নাই সেক্ষেত্রে
▶
مِنَ
mina
সাথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
شَىْءٍ
shayin
কোন কিছু (সম্পর্ক)
▶
إِلَّآ
illā
তবে
▶
أَن
an
(যে)
▶
تَتَّقُوا۟
tattaqū
তোমরা আত্মরক্ষা করলে
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের থেকে
▶
تُقَىٰةًۭ ۗ
tuqātan
আত্মরক্ষা হিসেবে (সেটা ভিন্ন কথা)
▶
وَيُحَذِّرُكُمُ
wayuḥadhirukumu
এবং তোমাদেরকে সাবধান করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
نَفْسَهُۥ ۗ
nafsahu
তাঁর নিজের (সম্পর্কে)
▶
وَإِلَى
wa-ilā
এবং দিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহরই
▶
ٱلْمَصِيرُ
l-maṣīru
(তোমাদের) প্রত্যাবর্তন হবে
আয়াত 29 - সূরা آل عمران: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ إِن تُخْفُوا۟ مَا فِى صُدُورِكُمْ أَوْ تُبْدُوهُ يَعْلَمْهُ ٱللَّهُ ۗ وَيَعْلَمُ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ
বলে দিন, তোমরা যদি মনের কথা গোপন করে রাখ অথবা প্রকাশ করে দাও, আল্লাহ সে সবই জানতে পারেন। আর আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, সেসব ও তিনি জানেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
إِن
in
''যদি
▶
تُخْفُوا۟
tukh'fū
তোমরা গোপন কর
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
صُدُورِكُمْ
ṣudūrikum
তোমাদের অন্তরের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
تُبْدُوهُ
tub'dūhu
তা তোমরা প্রকাশ কর
▶
يَعْلَمْهُ
yaʿlamhu
তা জানেন
▶
ٱللَّهُ ۗ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَيَعْلَمُ
wayaʿlamu
এবং তিনি জানেন
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমান সমূহের
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ ۗ
l-arḍi
জমিনের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুরই
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
ক্ষমতাবান''
আয়াত 30 - সূরা آل عمران: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍۢ مَّا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍۢ مُّحْضَرًۭا وَمَا عَمِلَتْ مِن سُوٓءٍۢ تَوَدُّ لَوْ أَنَّ بَيْنَهَا وَبَيْنَهُۥٓ أَمَدًۢا بَعِيدًۭا ۗ وَيُحَذِّرُكُمُ ٱللَّهُ نَفْسَهُۥ ۗ وَٱللَّهُ رَءُوفٌۢ بِٱلْعِبَادِ
সেদিন প্রত্যেকেই যা কিছু সে ভাল কাজ করেছে; চোখের সামনে দেখতে পাবে এবং যা কিছু মন্দ কাজ করেছে তাও, ওরা তখন কামনা করবে, যদি তার এবং এসব কর্মের মধ্যে ব্যবধান দুরের হতো! আল্লাহ তাঁর নিজের সম্পর্কে তোমাদের সাবধান করছেন। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু।
▶
يَوْمَ
yawma
যেদিন
▶
تَجِدُ
tajidu
পাবে
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۢ
nafsin
ব্যক্তি
▶
مَّا
mā
যা
▶
عَمِلَتْ
ʿamilat
সে কাজ করেছে
▶
مِنْ
min
কোন
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
ভাল (কাজ)
▶
مُّحْضَرًۭا
muḥ'ḍaran
বিদ্যমান (পাবে)
▶
وَمَا
wamā
আর যা কিছু
▶
عَمِلَتْ
ʿamilat
কাজ করেছে
▶
مِن
min
কোন
▶
سُوٓءٍۢ
sūin
মন্দ
▶
تَوَدُّ
tawaddu
সে কামনা করবে
▶
لَوْ
law
যদি
▶
أَنَّ
anna
(এমন হতো) যে
▶
بَيْنَهَا
baynahā
তার মাঝে (ব্যক্তির)
▶
وَبَيْنَهُۥٓ
wabaynahu
ও তার মাঝে (মন্দ কাজের)
▶
أَمَدًۢا
amadan
ব্যবধান
▶
بَعِيدًۭا ۗ
baʿīdan
সুদূর
▶
وَيُحَذِّرُكُمُ
wayuḥadhirukumu
এবং তোমাদেরকে সাবধান করছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
نَفْسَهُۥ ۗ
nafsahu
তার নিজের (সম্পর্কে)
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
رَءُوفٌۢ
raūfun
দয়াশীল
▶
بِٱلْعِبَادِ
bil-ʿibādi
বান্দাদের উপর
আয়াত 31 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِى يُحْبِبْكُمُ ٱللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَٱللَّهُ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু।
▶
قُلْ
qul
(হে নবী) তুমি বল
▶
إِن
in
''যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تُحِبُّونَ
tuḥibbūna
ভালবেসে থাক
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
فَٱتَّبِعُونِى
fa-ittabiʿūnī
আমাকে তোমরা তবে অনুসরণ কর
▶
يُحْبِبْكُمُ
yuḥ'bib'kumu
ভালোবাসবেন তোমাদেরকে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَيَغْفِرْ
wayaghfir
এবং মাফ করবেন
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
ذُنُوبَكُمْ ۗ
dhunūbakum
গুনাহ সমুহকে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
বড় ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
মেহেরবান
আয়াত 32 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ أَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ ۖ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلْكَـٰفِرِينَ
বলুন, আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য প্রকাশ কর। বস্তুতঃ যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে, তাহলে আল্লাহ কাফেরদিগকে ভালবাসেন না।
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
أَطِيعُوا۟
aṭīʿū
''আনুগত্য কর তোমরা
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
وَٱلرَّسُولَ ۖ
wal-rasūla
ও রাসূলের''
▶
فَإِن
fa-in
আত্ঃপর যদি
▶
تَوَلَّوْا۟
tawallaw
তারা মুখ ফিরায়
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবে নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালোবাসেন
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফিরদের কে
আয়াত 33 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ إِنَّ ٱللَّهَ ٱصْطَفَىٰٓ ءَادَمَ وَنُوحًۭا وَءَالَ إِبْرَٰهِيمَ وَءَالَ عِمْرَٰنَ عَلَى ٱلْعَـٰلَمِينَ
নিঃসন্দেহে আল্লাহ আদম (আঃ) নূহ (আঃ)͠ও ইব্রাহীম (আঃ) এর বংশধর এবং এমরানের খান্দানকে নির্বাচিত করেছেন।
▶
۞ إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
ٱصْطَفَىٰٓ
iṣ'ṭafā
মনোনীত করেছেন
▶
ءَادَمَ
ādama
আদম কে
▶
وَنُوحًۭا
wanūḥan
ও নূহকে
▶
وَءَالَ
waāla
ও বংশধরদেরকে
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
وَءَالَ
waāla
ও বংশধরদেরকে
▶
عِمْرَٰنَ
ʿim'rāna
ইমরানের
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
সারা দুনিয়ার (লোকদেরকে)
আয়াত 34 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذُرِّيَّةًۢ بَعْضُهَا مِنۢ بَعْضٍۢ ۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
যারা বংশধর ছিলেন পরস্পরের। আল্লাহ শ্রবণকারী ও মহাজ্ঞানী।
▶
ذُرِّيَّةًۢ
dhurriyyatan
সন্তানসন্ততি
▶
بَعْضُهَا
baʿḍuhā
তাদের একে
▶
مِنۢ
min
হতে
▶
بَعْضٍۢ ۗ
baʿḍin
অন্যের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
سَمِيعٌ
samīʿun
সবকিছুই শুনেন
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
সবকিছুই জানেন
আয়াত 35 - সূরা آل عمران: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ قَالَتِ ٱمْرَأَتُ عِمْرَٰنَ رَبِّ إِنِّى نَذَرْتُ لَكَ مَا فِى بَطْنِى مُحَرَّرًۭا فَتَقَبَّلْ مِنِّىٓ ۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ
এমরানের স্ত্রী যখন বললো-হে আমার পালনকর্তা! আমার গর্ভে যা রয়েছে আমি তাকে তোমার নামে উৎসর্গ করলাম সবার কাছ থেকে মুক্ত রেখে। আমার পক্ষ থেকে তুমি তাকে কবুল করে নাও, নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞাত।
▶
إِذْ
idh
(স্মরণ কর)যখন
▶
قَالَتِ
qālati
বলেছিল
▶
ٱمْرَأَتُ
im'ra-atu
স্ত্রী
▶
عِمْرَٰنَ
ʿim'rāna
ইমরানের
▶
رَبِّ
rabbi
''হে আমার রব
▶
إِنِّى
innī
নিশ্চয় আমি
▶
نَذَرْتُ
nadhartu
উৎসর্গ করেছি
▶
لَكَ
laka
তোমার জন্য
▶
مَا
mā
যা
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
بَطْنِى
baṭnī
আমার পেটে
▶
مُحَرَّرًۭا
muḥarraran
(তোমারই কাজে) মুক্ত
▶
فَتَقَبَّلْ
fataqabbal
অতএব তুমি কবুল কর
▶
مِنِّىٓ ۖ
minnī
আমার থেকে
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
ٱلسَّمِيعُ
l-samīʿu
সবকিছুই শোন
▶
ٱلْعَلِيمُ
l-ʿalīmu
সবকিছুই জান
আয়াত 36 - সূরা آل عمران: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَمَّا وَضَعَتْهَا قَالَتْ رَبِّ إِنِّى وَضَعْتُهَآ أُنثَىٰ وَٱللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا وَضَعَتْ وَلَيْسَ ٱلذَّكَرُ كَٱلْأُنثَىٰ ۖ وَإِنِّى سَمَّيْتُهَا مَرْيَمَ وَإِنِّىٓ أُعِيذُهَا بِكَ وَذُرِّيَّتَهَا مِنَ ٱلشَّيْطَـٰنِ ٱلرَّجِيمِ
অতঃপর যখন তাকে প্রসব করলো বলল, হে আমার পালনকর্তা! আমি একে কন্যা প্রসব করেছি। বস্তুতঃ কি সে প্রসব করেছে আল্লাহ তা ভালই জানেন। সেই কন্যার মত কোন পুত্রই যে নেই। আর আমি তার নাম রাখলাম মারইয়াম। আর আমি তাকে ও তার সন্তানদেরকে তোমার আশ্রয়ে সমর্পণ করছি। অভিশপ্ত শয়তানের কবল থেকে।
▶
فَلَمَّا
falammā
অতঃপর যখন
▶
وَضَعَتْهَا
waḍaʿathā
তাকে সে প্রসব করল
▶
قَالَتْ
qālat
(তখন) সে বলল
▶
رَبِّ
rabbi
''হে আমার রব
▶
إِنِّى
innī
নিশ্চয় আমি
▶
وَضَعْتُهَآ
waḍaʿtuhā
তা প্রসব করেছি
▶
أُنثَىٰ
unthā
কন্যা''
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
অথচ আল্লাহ
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِمَا
bimā
যা
▶
وَضَعَتْ
waḍaʿat
সে প্রসব করেছিল
▶
وَلَيْسَ
walaysa
এবং নয়
▶
ٱلذَّكَرُ
l-dhakaru
ছেলে
▶
كَٱلْأُنثَىٰ ۖ
kal-unthā
মেয়ের মত
▶
وَإِنِّى
wa-innī
''এবং নিশ্চয় আমি
▶
سَمَّيْتُهَا
sammaytuhā
তার নাম রেখেছি
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়াম
▶
وَإِنِّىٓ
wa-innī
এবং নিশ্চয় আমি
▶
أُعِيذُهَا
uʿīdhuhā
আশ্রয়ে দিচ্ছি তাকে
▶
بِكَ
bika
তোমার(কাছে)
▶
وَذُرِّيَّتَهَا
wadhurriyyatahā
এবং তার বংশধরদেরকেও
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلشَّيْطَـٰنِ
l-shayṭāni
শয়তান
▶
ٱلرَّجِيمِ
l-rajīmi
অভিশপ্ত''
আয়াত 37 - সূরা آل عمران: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَتَقَبَّلَهَا رَبُّهَا بِقَبُولٍ حَسَنٍۢ وَأَنۢبَتَهَا نَبَاتًا حَسَنًۭا وَكَفَّلَهَا زَكَرِيَّا ۖ كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيْهَا زَكَرِيَّا ٱلْمِحْرَابَ وَجَدَ عِندَهَا رِزْقًۭا ۖ قَالَ يَـٰمَرْيَمُ أَنَّىٰ لَكِ هَـٰذَا ۖ قَالَتْ هُوَ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ يَرْزُقُ مَن يَشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ
অতঃপর তাঁর পালনকর্তা তাঁকে উত্তম ভাবে গ্রহণ করে নিলেন এবং তাঁকে প্রবৃদ্ধি দান করলেন-অত্যন্ত সুন্দর প্রবৃদ্ধি। আর তাঁকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে সমর্পন করলেন। যখনই যাকারিয়া মেহরাবের মধ্যে তার কছে আসতেন তখনই কিছু খাবার দেখতে পেতেন। জিজ্ঞেস করতেন "মারইয়াম! কোথা থেকে এসব তোমার কাছে এলো?" তিনি বলতেন, "এসব আল্লাহর নিকট থেকে আসে। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান করেন।"
▶
فَتَقَبَّلَهَا
fataqabbalahā
তাকে অতঃপর কবুল করলেন
▶
رَبُّهَا
rabbuhā
তার রব
▶
بِقَبُولٍ
biqabūlin
কবুল হিসেবে
▶
حَسَنٍۢ
ḥasanin
উত্তম
▶
وَأَنۢبَتَهَا
wa-anbatahā
এবং তাকে গড়ে তুললেন
▶
نَبَاتًا
nabātan
গড়া
▶
حَسَنًۭا
ḥasanan
উত্তমরুপে
▶
وَكَفَّلَهَا
wakaffalahā
এবং তার তত্তাবধায়ক বানালেন
▶
زَكَرِيَّا ۖ
zakariyyā
যাকারিয়াকে
▶
كُلَّمَا
kullamā
যখনই
▶
دَخَلَ
dakhala
প্রবেশ করত
▶
عَلَيْهَا
ʿalayhā
তার কাছে
▶
زَكَرِيَّا
zakariyyā
যাকারিয়া
▶
ٱلْمِحْرَابَ
l-miḥ'rāba
(মারইয়ামের) কক্ষে
▶
وَجَدَ
wajada
পেত
▶
عِندَهَا
ʿindahā
তার নিকট
▶
رِزْقًۭا ۖ
riz'qan
খাদ্যসামগ্রী
▶
قَالَ
qāla
(যাকারিয়া) বলল
▶
يَـٰمَرْيَمُ
yāmaryamu
''হে মারইয়াম
▶
أَنَّىٰ
annā
কোথা থেকে (আসে)
▶
لَكِ
laki
তোমার জন্য
▶
هَـٰذَا ۖ
hādhā
এটা''
▶
قَالَتْ
qālat
(মারইয়াম) বলল
▶
هُوَ
huwa
''তা (আসে)
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَرْزُقُ
yarzuqu
রিয্ক দেন
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি চান
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ব্যতীত
▶
حِسَابٍ
ḥisābin
কোন হিসাব''
আয়াত 38 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُنَالِكَ دَعَا زَكَرِيَّا رَبَّهُۥ ۖ قَالَ رَبِّ هَبْ لِى مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةًۭ طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ ٱلدُّعَآءِ
সেখানেই যাকারিয়া তাঁর পালনকর্তার নিকট প্রার্থনা করলেন। বললেন, হে, আমার পালনকর্তা! তোমার নিকট থেকে আমাকে পুত-পবিত্র সন্তান দান কর-নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শ্রবণকারী।
▶
هُنَالِكَ
hunālika
সেখানেই
▶
دَعَا
daʿā
দু'আ করল
▶
زَكَرِيَّا
zakariyyā
যাকারিয়া
▶
رَبَّهُۥ ۖ
rabbahu
তার রবের কাছে
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
رَبِّ
rabbi
''হে আমার রব
▶
هَبْ
hab
দাও
▶
لِى
lī
আমাকে
▶
مِن
min
থেকে
▶
لَّدُنكَ
ladunka
তোমার নিকট
▶
ذُرِّيَّةًۭ
dhurriyyatan
বংশধর
▶
طَيِّبَةً ۖ
ṭayyibatan
পবিত্র (সৎ)
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়
▶
سَمِيعُ
samīʿu
শ্রবণকারী
▶
ٱلدُّعَآءِ
l-duʿāi
দু'আ
আয়াত 39 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَنَادَتْهُ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ وَهُوَ قَآئِمٌۭ يُصَلِّى فِى ٱلْمِحْرَابِ أَنَّ ٱللَّهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحْيَىٰ مُصَدِّقًۢا بِكَلِمَةٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ وَسَيِّدًۭا وَحَصُورًۭا وَنَبِيًّۭا مِّنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ
যখন তিনি কামরার ভেতরে নামাযে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন ফেরেশতারা তাঁকে ডেকে বললেন যে, আল্লাহ তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন ইয়াহইয়া সম্পর্কে, যিনি সাক্ষ্য দেবেন আল্লাহর নির্দেশের সত্যতা সম্পর্কে, যিনি নেতা হবেন এবং নারীদের সংস্পর্শে যাবেন না, তিনি অত্যন্ত সৎকর্মশীল নবী হবেন।
▶
فَنَادَتْهُ
fanādathu
তাকে তখন ডেকে বলল
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
l-malāikatu
ফেরেশতারা
▶
وَهُوَ
wahuwa
যখন সে
▶
قَآئِمٌۭ
qāimun
দন্ডায়মান হয়ে
▶
يُصَلِّى
yuṣallī
সলাত পড়ছিল
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْمِحْرَابِ
l-miḥ'rābi
তার কক্ষে
▶
أَنَّ
anna
''যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يُبَشِّرُكَ
yubashiruka
সুসংবাদ দিচ্ছেন তো্মাকে
▶
بِيَحْيَىٰ
biyaḥyā
ইয়াহইয়ার
▶
مُصَدِّقًۢا
muṣaddiqan
সত্যায়নকারী
▶
بِكَلِمَةٍۢ
bikalimatin
একটা বাণীর
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَسَيِّدًۭا
wasayyidan
ও নেতা
▶
وَحَصُورًۭا
waḥaṣūran
এবং সাধু বৈশিষ্ট্যের
▶
وَنَبِيًّۭا
wanabiyyan
ও নবী
▶
مِّنَ
mina
অন্যতম
▶
ٱلصَّـٰلِحِينَ
l-ṣāliḥīna
সৎকর্মশীলদের
আয়াত 40 - সূরা آل عمران: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِى غُلَـٰمٌۭ وَقَدْ بَلَغَنِىَ ٱلْكِبَرُ وَٱمْرَأَتِى عَاقِرٌۭ ۖ قَالَ كَذَٰلِكَ ٱللَّهُ يَفْعَلُ مَا يَشَآءُ
তিনি বললেন হে পালনকর্তা! কেমন করে আমার পুত্র সন্তান হবে, আমার যে বার্ধক্য এসে গেছে, আমার স্ত্রীও যে বন্ধ্যা। বললেন, আল্লাহ এমনি ভাবেই যা ইচ্ছা করে থাকেন।
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
رَبِّ
rabbi
''হে আমার রব
▶
أَنَّىٰ
annā
কিরুপে
▶
يَكُونُ
yakūnu
আমার হবে
▶
لِى
lī
ছেলে
▶
غُلَـٰمٌۭ
ghulāmun
এবং
▶
وَقَدْ
waqad
নিশ্চয়
▶
بَلَغَنِىَ
balaghaniya
আমার পৌছে গেছে
▶
ٱلْكِبَرُ
l-kibaru
বার্ধক্য
▶
وَٱمْرَأَتِى
wa-im'ra-atī
ও আমার স্ত্রী
▶
عَاقِرٌۭ ۖ
ʿāqirun
বন্ধ্যা''
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
''এভাবেই
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَفْعَلُ
yafʿalu
করেন
▶
مَا
mā
যা
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি ইচ্ছা করেন''
আয়াত 41 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ رَبِّ ٱجْعَل لِّىٓ ءَايَةًۭ ۖ قَالَ ءَايَتُكَ أَلَّا تُكَلِّمَ ٱلنَّاسَ ثَلَـٰثَةَ أَيَّامٍ إِلَّا رَمْزًۭا ۗ وَٱذْكُر رَّبَّكَ كَثِيرًۭا وَسَبِّحْ بِٱلْعَشِىِّ وَٱلْإِبْكَـٰرِ
তিনি বললেন, হে পালনকর্তা আমার জন্য কিছু নিদর্শন দাও। তিনি বললেন, তোমার জন্য নিদর্শন হলো এই যে, তুমি তিন দিন পর্যন্ত কারও সাথে কথা বলবে না। তবে ইশারা ইঙ্গতে করতে পারবে এবং তোমার পালনকর্তাকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করবে আর সকাল-সন্ধ্যা তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করবে।
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
رَبِّ
rabbi
''হে আমার রব
▶
ٱجْعَل
ij'ʿal
দাও
▶
لِّىٓ
lī
আমার জন্য
▶
ءَايَةًۭ ۖ
āyatan
কোন নিদর্শন''
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
ءَايَتُكَ
āyatuka
তোমার নিদর্শন
▶
أَلَّا
allā
এটা যে না
▶
تُكَلِّمَ
tukallima
কথা বলবে
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষের (সাথে)
▶
ثَلَـٰثَةَ
thalāthata
তিন
▶
أَيَّامٍ
ayyāmin
দিন (পর্যন্ত)
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
رَمْزًۭا ۗ
ramzan
ইঙ্গিত
▶
وَٱذْكُر
wa-udh'kur
এবং তুমি স্মরণ কর
▶
رَّبَّكَ
rabbaka
তোমার রবকে
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
বেশী বেশী
▶
وَسَبِّحْ
wasabbiḥ
ও তূমি তসবিহ কর
▶
بِٱلْعَشِىِّ
bil-ʿashiyi
সন্ধ্যার সময়
▶
وَٱلْإِبْكَـٰرِ
wal-ib'kāri
ও প্রভাতে''
আয়াত 42 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَالَتِ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ يَـٰمَرْيَمُ إِنَّ ٱللَّهَ ٱصْطَفَىٰكِ وَطَهَّرَكِ وَٱصْطَفَىٰكِ عَلَىٰ نِسَآءِ ٱلْعَـٰلَمِينَ
আর যখন ফেরেশতা বলল হে মারইয়াম!, আল্লাহ তোমাকে পছন্দ করেছেন এবং তোমাকে পবিত্র পরিচ্ছন্ন করে দিয়েছেন। আর তোমাকে বিশ্ব নারী সমাজের উর্ধ্বে মনোনীত করেছেন।
▶
وَإِذْ
wa-idh
ও যখন
▶
قَالَتِ
qālati
বলেছিল
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
l-malāikatu
ফেরেশতারা
▶
يَـٰمَرْيَمُ
yāmaryamu
''যে মারইয়াম
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
ٱصْطَفَىٰكِ
iṣ'ṭafāki
তোমাকে মনোনীত করেছেন
▶
وَطَهَّرَكِ
waṭahharaki
এবং তোমাকে পবিত্র করেছেন
▶
وَٱصْطَفَىٰكِ
wa-iṣ'ṭafāki
এবং তোমাকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
نِسَآءِ
nisāi
নারীদের
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
সারা বিশ্বের''
আয়াত 43 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰمَرْيَمُ ٱقْنُتِى لِرَبِّكِ وَٱسْجُدِى وَٱرْكَعِى مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ
হে মারইয়াম! তোমার পালনকর্তার উপাসনা কর এবং রুকুকারীদের সাথে সেজদা ও রুকু কর।
▶
يَـٰمَرْيَمُ
yāmaryamu
''হে মারইয়াম
▶
ٱقْنُتِى
uq'nutī
তুমি অনুগত হও
▶
لِرَبِّكِ
lirabbiki
তোমার রবের জন্য
▶
وَٱسْجُدِى
wa-us'judī
এবং তুমি সিজদা কর
▶
وَٱرْكَعِى
wa-ir'kaʿī
ও তূমি রুকু কর
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱلرَّٰكِعِينَ
l-rākiʿīna
রুকুকারীদের''
আয়াত 44 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ مِنْ أَنۢبَآءِ ٱلْغَيْبِ نُوحِيهِ إِلَيْكَ ۚ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يُلْقُونَ أَقْلَـٰمَهُمْ أَيُّهُمْ يَكْفُلُ مَرْيَمَ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يَخْتَصِمُونَ
এ হলো গায়েবী সংবাদ, যা আমি আপনাকে পাঠিয়ে থাকি। আর আপনি তো তাদের কাছে ছিলেন না, যখন প্রতিযোগিতা করছিল যে, কে প্রতিপালন করবে মারইয়ামকে এবং আপনি তাদের কাছে ছিলেন না, যখন তারা ঝগড়া করছিলো।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
مِنْ
min
অংশবিশেষ
▶
أَنۢبَآءِ
anbāi
খবরাদির
▶
ٱلْغَيْبِ
l-ghaybi
গায়েবের
▶
نُوحِيهِ
nūḥīhi
তা আমরা ওহী করছি
▶
إِلَيْكَ ۚ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كُنتَ
kunta
তুমি ছিলে
▶
لَدَيْهِمْ
ladayhim
তাদের কাছে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
يُلْقُونَ
yul'qūna
তারা নিক্ষেপ করে
▶
أَقْلَـٰمَهُمْ
aqlāmahum
তাদের কলমগুলো (লটারি করতে)
▶
أَيُّهُمْ
ayyuhum
তাদের মধ্যে কে
▶
يَكْفُلُ
yakfulu
তত্ত্বাবধান করবে
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়ামের
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كُنتَ
kunta
তুমি ছিলে
▶
لَدَيْهِمْ
ladayhim
তাদের কাছে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
يَخْتَصِمُونَ
yakhtaṣimūna
তারা ঝগড়া করছিল পরস্পরে
আয়াত 45 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ قَالَتِ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ يَـٰمَرْيَمُ إِنَّ ٱللَّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍۢ مِّنْهُ ٱسْمُهُ ٱلْمَسِيحُ عِيسَى ٱبْنُ مَرْيَمَ وَجِيهًۭا فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْـَٔاخِرَةِ وَمِنَ ٱلْمُقَرَّبِينَ
যখন ফেরেশতাগণ বললো, হে মারইয়াম আল্লাহ তোমাকে তাঁর এক বানীর সুসংবাদ দিচ্ছেন, যার নাম হলো মসীহ-মারইয়াম-তনয় ঈসা, দুনিয়া ও আখেরাতে তিনি মহাসম্মানের অধিকারী এবং আল্লাহর ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভূক্ত।
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
قَالَتِ
qālati
বলেছিল
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
l-malāikatu
ফেরেশতারা
▶
يَـٰمَرْيَمُ
yāmaryamu
''হে মারইয়াম
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يُبَشِّرُكِ
yubashiruki
তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন
▶
بِكَلِمَةٍۢ
bikalimatin
একটি কথার (অর্থাৎ সন্তানের)
▶
مِّنْهُ
min'hu
তাঁর পক্ষ হতে
▶
ٱسْمُهُ
us'muhu
তার নাম (হবে)
▶
ٱلْمَسِيحُ
l-masīḥu
মাসীহ
▶
عِيسَى
ʿīsā
ঈসা
▶
ٱبْنُ
ub'nu
পুত্র
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়ামের
▶
وَجِيهًۭا
wajīhan
সম্মানিত হবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
وَٱلْـَٔاخِرَةِ
wal-ākhirati
ও আখিরাতে
▶
وَمِنَ
wamina
এবং (গণ্য হবে) মধ্যে
▶
ٱلْمُقَرَّبِينَ
l-muqarabīna
সান্নিধ্য প্রাপ্তদের
আয়াত 46 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيُكَلِّمُ ٱلنَّاسَ فِى ٱلْمَهْدِ وَكَهْلًۭا وَمِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ
যখন তিনি মায়ের কোলে থাকবেন এবং পূর্ণ বয়স্ক হবেন তখন তিনি মানুষের সাথে কথা বলবেন। আর তিনি সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।
▶
وَيُكَلِّمُ
wayukallimu
এবং সে কথা বলবে
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষের (সাথে)
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْمَهْدِ
l-mahdi
দোলনায়
▶
وَكَهْلًۭا
wakahlan
ও পরিণত বয়সে
▶
وَمِنَ
wamina
এবং অন্যতম হবে
▶
ٱلصَّـٰلِحِينَ
l-ṣāliḥīna
সৎকর্মশীলদের''
আয়াত 47 - সূরা آل عمران: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَتْ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِى وَلَدٌۭ وَلَمْ يَمْسَسْنِى بَشَرٌۭ ۖ قَالَ كَذَٰلِكِ ٱللَّهُ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُ ۚ إِذَا قَضَىٰٓ أَمْرًۭا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ
তিনি বললেন, পরওয়ারদেগার! কেমন করে আমার সন্তান হবে; আমাকে তো কোন মানুষ স্পর্শ করেনি। বললেন এ ভাবেই আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। যখন কোন কাজ করার জন্য ইচ্ছা করেন তখন বলেন যে, ‘হয়ে যাও’ অমনি তা হয়ে যায়।
▶
قَالَتْ
qālat
সে বলল
▶
رَبِّ
rabbi
''হে আমার রব
▶
أَنَّىٰ
annā
কিরূপে
▶
يَكُونُ
yakūnu
হবে
▶
لِى
lī
আমার
▶
وَلَدٌۭ
waladun
ছেলে
▶
وَلَمْ
walam
অথচ নাই
▶
يَمْسَسْنِى
yamsasnī
আমাকে স্পর্শ করে
▶
بَشَرٌۭ ۖ
basharun
(কোন) মানুষ''
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
كَذَٰلِكِ
kadhāliki
''এভাবেই
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَخْلُقُ
yakhluqu
সৃষ্টি করেন
▶
مَا
mā
যা
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
قَضَىٰٓ
qaḍā
সিদ্ধান্ত নেন
▶
أَمْرًۭا
amran
কোন কাজের
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
মূলত
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলেন
▶
لَهُۥ
lahu
তাকে
▶
كُن
kun
''হও''
▶
فَيَكُونُ
fayakūnu
অতঃপর হয়ে যায়
আয়াত 48 - সূরা آل عمران: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيُعَلِّمُهُ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَٱلتَّوْرَىٰةَ وَٱلْإِنجِيلَ
আর তাকে তিনি শিখিয়ে দেবেন কিতাব, হিকমত, তওরাত, ইঞ্জিল।
▶
وَيُعَلِّمُهُ
wayuʿallimuhu
এবং তাকে শিক্ষা দিবেন
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْحِكْمَةَ
wal-ḥik'mata
ও হিকমত
▶
وَٱلتَّوْرَىٰةَ
wal-tawrāta
ও তাওরাত
▶
وَٱلْإِنجِيلَ
wal-injīla
ও ইনজীল
আয়াত 49 - সূরা آل عمران: 45 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَرَسُولًا إِلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ أَنِّى قَدْ جِئْتُكُم بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّكُمْ ۖ أَنِّىٓ أَخْلُقُ لَكُم مِّنَ ٱلطِّينِ كَهَيْـَٔةِ ٱلطَّيْرِ فَأَنفُخُ فِيهِ فَيَكُونُ طَيْرًۢا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۖ وَأُبْرِئُ ٱلْأَكْمَهَ وَٱلْأَبْرَصَ وَأُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰ بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۖ وَأُنَبِّئُكُم بِمَا تَأْكُلُونَ وَمَا تَدَّخِرُونَ فِى بُيُوتِكُمْ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَةًۭ لَّكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
আর বণী ইসরাঈলদের জন্যে রসূল হিসেবে তাকে মনোনীত করবেন। তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকট তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে এসেছি নিদর্শনসমূহ নিয়ে। আমি তোমাদের জন্য মাটির দ্বারা পাখীর আকৃতি তৈরী করে দেই। তারপর তাতে যখন ফুৎকার প্রদান করি, তখন তা উড়ন্ত পাখীতে পরিণত হয়ে যায় আল্লাহর হুকুমে। আর আমি সুস্থ করে তুলি জন্মান্ধকে এবং শ্বেত কুষ্ঠ রোগীকে। আর আমি জীবিত করে দেই মৃতকে আল্লাহর হুকুমে। আর আমি তোমাদেরকে বলে দেই যা তোমরা খেয়ে আস এবং যা তোমরা ঘরে রেখে আস। এতে প্রকৃষ্ট নিদর্শন রয়েছে, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।
▶
وَرَسُولًا
warasūlan
এবং (নিযুক্ত করবেন) রাসূল
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
بَنِىٓ
banī
বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলের
▶
أَنِّى
annī
''(সে বলবে) যে আমি
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়
▶
جِئْتُكُم
ji'tukum
তোমাদের কাছে এসেছি
▶
بِـَٔايَةٍۢ
biāyatin
একটি নিদর্শন সহকারে
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكُمْ ۖ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
أَنِّىٓ
annī
(তা) এই যে আমি
▶
أَخْلُقُ
akhluqu
আমি বানাই
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلطِّينِ
l-ṭīni
মাটি
▶
كَهَيْـَٔةِ
kahayati
আকৃতির মতো
▶
ٱلطَّيْرِ
l-ṭayri
পাখির
▶
فَأَنفُخُ
fa-anfukhu
আমি অতঃপর ফুঁক দিই
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
فَيَكُونُ
fayakūnu
হয়ে যায় তখন
▶
طَيْرًۢا
ṭayran
পাখি
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
হুকুমে
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَأُبْرِئُ
wa-ub'ri-u
এবং সুস্থ করি
▶
ٱلْأَكْمَهَ
l-akmaha
জন্মান্ধকে
▶
وَٱلْأَبْرَصَ
wal-abraṣa
ও কুষ্ঠ ব্যাধিগ্রস্থকে
▶
وَأُحْىِ
wa-uḥ'yī
এবং জীবিত করি
▶
ٱلْمَوْتَىٰ
l-mawtā
মৃতকে
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
হুকুমে
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَأُنَبِّئُكُم
wa-unabbi-ukum
এবং তোমাদের বলে দেই আমি
▶
بِمَا
bimā
যা কিছু
▶
تَأْكُلُونَ
takulūna
তোমরা খাও তোমাদের ঘরে
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تَدَّخِرُونَ
taddakhirūna
তোমরা মওজুদ কর
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
بُيُوتِكُمْ ۚ
buyūtikum
তোমাদের গৃহগুলোর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَـَٔايَةًۭ
laāyatan
অবশ্যই নিদর্শন
▶
لَّكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হও
▶
مُّؤْمِنِينَ
mu'minīna
মু'মিন
আয়াত 50 - সূরা آل عمران: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمُصَدِّقًۭا لِّمَا بَيْنَ يَدَىَّ مِنَ ٱلتَّوْرَىٰةِ وَلِأُحِلَّ لَكُم بَعْضَ ٱلَّذِى حُرِّمَ عَلَيْكُمْ ۚ وَجِئْتُكُم بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّكُمْ فَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ
আর এটি পূর্ববর্তী কিতাব সমুহকে সত্যায়ন করে, যেমন তওরাত। আর তা এজন্য যাতে তোমাদের জন্য হালাল করে দেই কোন কোন বস্তু যা তোমাদের জন্য হারাম ছিল। আর আমি তোমাদের নিকট এসেছি তোমাদের পালনকর্তার নিদর্শনসহ। কাজেই আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুসরণ কর।
▶
وَمُصَدِّقًۭا
wamuṣaddiqan
এবং সত্যায়নকারী
▶
لِّمَا
limā
(তার) যা
▶
بَيْنَ
bayna
(মধ্যে)
▶
يَدَىَّ
yadayya
আমার সামনে আছে
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلتَّوْرَىٰةِ
l-tawrāti
(অর্থাৎ) তওরাত
▶
وَلِأُحِلَّ
wali-uḥilla
এবং আমি হালাল করতে (এসেছি)
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
بَعْضَ
baʿḍa
(এমন) কিছু
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যা
▶
حُرِّمَ
ḥurrima
হারাম করা হয়েছিল
▶
عَلَيْكُمْ ۚ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَجِئْتُكُم
waji'tukum
ও তোমাদের কাছে এসেছি
▶
بِـَٔايَةٍۢ
biāyatin
নিদর্শনসহ
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
فَٱتَّقُوا۟
fa-ittaqū
অতএব তোমরা ভয় কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَأَطِيعُونِ
wa-aṭīʿūni
এবং আমার আনুগত্য কর
আয়াত 51 - সূরা آل عمران: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱللَّهَ رَبِّى وَرَبُّكُمْ فَٱعْبُدُوهُ ۗ هَـٰذَا صِرَٰطٌۭ مُّسْتَقِيمٌۭ
নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার পালনকর্তা এবং তোমাদেরও পালনকর্তা-তাঁর এবাদত কর, এটাই হলো সরল পথ।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রব
▶
وَرَبُّكُمْ
warabbukum
এবং তোমাদেরও রব
▶
فَٱعْبُدُوهُ ۗ
fa-uʿ'budūhu
অতএব তোমরা ইবাদত কর তাঁর
▶
هَـٰذَا
hādhā
এটাই
▶
صِرَٰطٌۭ
ṣirāṭun
পথ''
▶
مُّسْتَقِيمٌۭ
mus'taqīmun
সরল সঠিক''
আয়াত 52 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ فَلَمَّآ أَحَسَّ عِيسَىٰ مِنْهُمُ ٱلْكُفْرَ قَالَ مَنْ أَنصَارِىٓ إِلَى ٱللَّهِ ۖ قَالَ ٱلْحَوَارِيُّونَ نَحْنُ أَنصَارُ ٱللَّهِ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَٱشْهَدْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ
অতঃপর ঈসা (আঃ) যখন বণী ইসরায়ীলের কুফরী সম্পর্কে উপলব্ধি করতে পারলেন, তখন বললেন, কারা আছে আল্লাহর পথে আমাকে সাহায্য করবে? সঙ্গী-সাথীরা বললো, আমরা রয়েছি আল্লাহর পথে সাহায্যকারী। আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। আর তুমি সাক্ষী থাক যে, আমরা হুকুম কবুল করে নিয়েছি।
▶
۞ فَلَمَّآ
falammā
অতঃপর যখন
▶
أَحَسَّ
aḥassa
অনুভব করল
▶
عِيسَىٰ
ʿīsā
ঈসা
▶
مِنْهُمُ
min'humu
তাদের হতে
▶
ٱلْكُفْرَ
l-kuf'ra
কুফরীর (প্রতি অবিচলতা)
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
مَنْ
man
''কে (আছ)
▶
أَنصَارِىٓ
anṣārī
আমার সাহায্যকারী
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর (পথে)''
▶
قَالَ
qāla
বলল
▶
ٱلْحَوَارِيُّونَ
l-ḥawāriyūna
হাওয়ারীরা
▶
نَحْنُ
naḥnu
''আমরা
▶
أَنصَارُ
anṣāru
সাহায্যকারী
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (পথে)
▶
ءَامَنَّا
āmannā
আমরা ঈমান আনলাম
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَٱشْهَدْ
wa-ish'had
এবং তুমি সাক্ষী থাক
▶
بِأَنَّا
bi-annā
যে আমরা
▶
مُسْلِمُونَ
mus'limūna
(আত্মসমর্পণকারী) মুসলমান
আয়াত 53 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَآ ءَامَنَّا بِمَآ أَنزَلْتَ وَٱتَّبَعْنَا ٱلرَّسُولَ فَٱكْتُبْنَا مَعَ ٱلشَّـٰهِدِينَ
হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা সে বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যা তুমি নাযিল করেছ, আমরা রসূলের অনুগত হয়েছি। অতএব, আমাদিগকে মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নাও।
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
ءَامَنَّا
āmannā
আমরা ঈমান এনেছি
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
أَنزَلْتَ
anzalta
তুমি নাযিল করেছ
▶
وَٱتَّبَعْنَا
wa-ittabaʿnā
এবং আমরা অনুসরণ করেছি
▶
ٱلرَّسُولَ
l-rasūla
রসূলকে
▶
فَٱكْتُبْنَا
fa-uk'tub'nā
অতএব আমাদের লেখ (নাম)
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱلشَّـٰهِدِينَ
l-shāhidīna
সাক্ষ্যদাতাদের''
আয়াত 54 - সূরা آل عمران: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَكَرُوا۟ وَمَكَرَ ٱللَّهُ ۖ وَٱللَّهُ خَيْرُ ٱلْمَـٰكِرِينَ
এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম কুশলী।
▶
وَمَكَرُوا۟
wamakarū
এবং তারা ষড়যন্ত্র করল
▶
وَمَكَرَ
wamakara
ও কৌশল করলেন
▶
ٱللَّهُ ۖ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
আর আল্লাহই
▶
خَيْرُ
khayru
উত্তম (কৌশলী)
▶
ٱلْمَـٰكِرِينَ
l-mākirīna
সব ষড়যন্ত্রকারীদের
আয়াত 55 - সূরা آل عمران: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ قَالَ ٱللَّهُ يَـٰعِيسَىٰٓ إِنِّى مُتَوَفِّيكَ وَرَافِعُكَ إِلَىَّ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَجَاعِلُ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُوكَ فَوْقَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۖ ثُمَّ إِلَىَّ مَرْجِعُكُمْ فَأَحْكُمُ بَيْنَكُمْ فِيمَا كُنتُمْ فِيهِ تَخْتَلِفُونَ
আর স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বলবেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে নিয়ে নেবো এবং তোমাকে নিজের দিকে তুলে নিবো-কাফেরদের থেকে তোমাকে পবিত্র করে দেবো। আর যারা তোমার অনুগত রয়েছে তাদেরকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তাদের উপর জয়ী করে রাখবো। বস্তুতঃ তোমাদের সবাইকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। তখন যে বিষয়ে তোমরা বিবাদ করতে, আমি তোমাদের মধ্যে তার ফয়সালা করে দেবো।
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَـٰعِيسَىٰٓ
yāʿīsā
''হে ঈসা
▶
إِنِّى
innī
নিশ্চয় আমি
▶
مُتَوَفِّيكَ
mutawaffīka
(আয়ুষ্কাল পূর্ণ করে) তোমাকে গ্রহণ করব
▶
وَرَافِعُكَ
warāfiʿuka
ও তোমাকে উঠিয়ে নেব
▶
إِلَىَّ
ilayya
আমার কাছে
▶
وَمُطَهِّرُكَ
wamuṭahhiruka
ও তোমাকে পবিত্র করব
▶
مِنَ
mina
(সংশ্রব) হতে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
وَجَاعِلُ
wajāʿilu
এবং আমি বানাব
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
ٱتَّبَعُوكَ
ittabaʿūka
তোমাকে অনুসরণ করবে
▶
فَوْقَ
fawqa
উপর (বিজয়ী)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَفَرُوٓا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
إِلَىٰ
ilā
পর্যন্ত
▶
يَوْمِ
yawmi
দিন
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۖ
l-qiyāmati
কিয়ামতের
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
إِلَىَّ
ilayya
আমারই কাছে
▶
مَرْجِعُكُمْ
marjiʿukum
তোমাদের প্রত্যাবর্তন হবে
▶
فَأَحْكُمُ
fa-aḥkumu
অতঃপর আমি ফয়সালা করব
▶
بَيْنَكُمْ
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
فِيمَا
fīmā
ঐ ব্যাপারে যা
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা ছিলে
▶
فِيهِ
fīhi
যার মধ্যে
▶
تَخْتَلِفُونَ
takhtalifūna
মতবিরোধ করতে
আয়াত 56 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَمَّا ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فَأُعَذِّبُهُمْ عَذَابًۭا شَدِيدًۭا فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْـَٔاخِرَةِ وَمَا لَهُم مِّن نَّـٰصِرِينَ
অতএব যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।
▶
فَأَمَّا
fa-ammā
আর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফুরী করেছে
▶
فَأُعَذِّبُهُمْ
fa-uʿadhibuhum
অতঃপর তাদেরকে আমি আযাব দিব
▶
عَذَابًۭا
ʿadhāban
শাস্তি
▶
شَدِيدًۭا
shadīdan
কঠোর
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
وَٱلْـَٔاخِرَةِ
wal-ākhirati
ও আখেরাতে
▶
وَمَا
wamā
এবং নাই
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে
▶
مِّن
min
কোন
▶
نَّـٰصِرِينَ
nāṣirīna
সাহায্যকারী
আয়াত 57 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فَيُوَفِّيهِمْ أُجُورَهُمْ ۗ وَٱللَّهُ لَا يُحِبُّ ٱلظَّـٰلِمِينَ
পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে। তাদের প্রাপ্য পরিপুর্ণভাবে দেয়া হবে। আর আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে ভালবাসেন না।
▶
وَأَمَّا
wa-ammā
আর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
নেকীর
▶
فَيُوَفِّيهِمْ
fayuwaffīhim
তাদেরকে তখন তিনি পূর্ণ দিবেন
▶
أُجُورَهُمْ ۗ
ujūrahum
প্রতিফল তাদের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালোবাসেন
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
জালেমদেরকে
আয়াত 58 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ نَتْلُوهُ عَلَيْكَ مِنَ ٱلْـَٔايَـٰتِ وَٱلذِّكْرِ ٱلْحَكِيمِ
আমি তোমাদেরকে পড়ে শুনাই এ সমস্ত আয়াত এবং নিশ্চিত বর্ণনা।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
نَتْلُوهُ
natlūhu
তা পাঠ করছি আমরা
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার কাছে
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْـَٔايَـٰتِ
l-āyāti
নিদর্শনাবলী
▶
وَٱلذِّكْرِ
wal-dhik'ri
ও উপদেশ
▶
ٱلْحَكِيمِ
l-ḥakīmi
জ্ঞানগর্ভ
আয়াত 59 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ ٱللَّهِ كَمَثَلِ ءَادَمَ ۖ خَلَقَهُۥ مِن تُرَابٍۢ ثُمَّ قَالَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ
নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত হচ্ছে আদমেরই মতো। তাকে মাটি দিয়ে তৈরী করেছিলেন এবং তারপর তাকে বলেছিলেন হয়ে যাও, সঙ্গে সঙ্গে হয়ে গেলেন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
مَثَلَ
mathala
উদাহরণ
▶
عِيسَىٰ
ʿīsā
ঈসার
▶
عِندَ
ʿinda
নিকট
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
كَمَثَلِ
kamathali
উদাহরণের মতো
▶
ءَادَمَ ۖ
ādama
আদমের
▶
خَلَقَهُۥ
khalaqahu
তাকে তিনি সৃষ্টি করেছিলেন
▶
مِن
min
হতে
▶
تُرَابٍۢ
turābin
মাটি
▶
ثُمَّ
thumma
তারপর
▶
قَالَ
qāla
তিনি বলেছিলেন
▶
لَهُۥ
lahu
তাকে
▶
كُن
kun
''হও''
▶
فَيَكُونُ
fayakūnu
সে তখনই হয়ে যায়
আয়াত 60 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّكَ فَلَا تَكُن مِّنَ ٱلْمُمْتَرِينَ
যা তোমার পালকর্তা বলেন তাই হচ্ছে যথার্থ সত্য। কাজেই তোমরা সংশয়বাদী হয়ো না।
▶
ٱلْحَقُّ
al-ḥaqu
(এটাই) প্রকৃত সত্য
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
تَكُن
takun
তুমি হয়ো
▶
مِّنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْمُمْتَرِينَ
l-mum'tarīna
সন্দেহকারীদের
আয়াত 61 - সূরা آل عمران: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمَنْ حَآجَّكَ فِيهِ مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَكَ مِنَ ٱلْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْا۟ نَدْعُ أَبْنَآءَنَا وَأَبْنَآءَكُمْ وَنِسَآءَنَا وَنِسَآءَكُمْ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَتَ ٱللَّهِ عَلَى ٱلْكَـٰذِبِينَ
অতঃপর তোমার নিকট সত্য সংবাদ এসে যাওয়ার পর যদি এই কাহিনী সম্পর্কে তোমার সাথে কেউ বিবাদ করে, তাহলে বল-এসো, আমরা ডেকে নেই আমাদের পুত্রদের এবং তোমাদের পুত্রদের এবং আমাদের স্ত্রীদের ও তোমাদের স্ত্রীদের এবং আমাদের নিজেদের ও তোমাদের নিজেদের আর তারপর চল আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করি এবং তাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত করি যারা মিথ্যাবাদী।
▶
فَمَنْ
faman
যে অতঃপর
▶
حَآجَّكَ
ḥājjaka
তোমার সাথে বিতর্ক করে
▶
فِيهِ
fīhi
সে ব্যাপারে
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
এর পরেও
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَكَ
jāaka
তোমার কাছে এসেছে
▶
مِنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلْعِلْمِ
l-ʿil'mi
জ্ঞান
▶
فَقُلْ
faqul
বল তাহলে
▶
تَعَالَوْا۟
taʿālaw
''তোমরা আস
▶
نَدْعُ
nadʿu
ডাকি আমরা
▶
أَبْنَآءَنَا
abnāanā
আমাদের ছেলেদেরকে
▶
وَأَبْنَآءَكُمْ
wa-abnāakum
ও তোমাদের ছেলেদেরকে
▶
وَنِسَآءَنَا
wanisāanā
ও আমাদের নারীদেরকে
▶
وَنِسَآءَكُمْ
wanisāakum
ও তোমাদের নারীদেরকে
▶
وَأَنفُسَنَا
wa-anfusanā
ও আমাদের নিজেদেরকে
▶
وَأَنفُسَكُمْ
wa-anfusakum
ও তোমাদের নিজেদেরকে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
نَبْتَهِلْ
nabtahil
বিনীতভাবে আমরা আবেদন করি
▶
فَنَجْعَل
fanajʿal
আমারা অতঃপর দেই
▶
لَّعْنَتَ
laʿnata
অভিশাপ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْكَـٰذِبِينَ
l-kādhibīna
মিথ্যাবাদীদের
আয়াত 62 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ هَـٰذَا لَهُوَ ٱلْقَصَصُ ٱلْحَقُّ ۚ وَمَا مِنْ إِلَـٰهٍ إِلَّا ٱللَّهُ ۚ وَإِنَّ ٱللَّهَ لَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
নিঃসন্দেহে এটাই হলো সত্য ভাষণ। আর এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই। আর আল্লাহ; তিনিই হলেন পরাক্রমশালী মহাপ্রাজ্ঞ।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
هَـٰذَا
hādhā
এটা
▶
لَهُوَ
lahuwa
অবশ্যই সেই
▶
ٱلْقَصَصُ
l-qaṣaṣu
বৃত্তান্ত
▶
ٱلْحَقُّ ۚ
l-ḥaqu
সত্য
▶
وَمَا
wamā
আর নাই
▶
مِنْ
min
কোন
▶
إِلَـٰهٍ
ilāhin
ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَهُوَ
lahuwa
নিশ্চয়ই তিনি
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 63 - সূরা آل عمران: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌۢ بِٱلْمُفْسِدِينَ
তারপর যদি তারা গ্রহণ না করে, তাহলে প্রমাদ সৃষ্টিকারীদেরকে আল্লাহ জানেন।
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতঃপর
▶
تَوَلَّوْا۟
tawallaw
তারা ফিরে যায়
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবে নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
খুব অবহিত
▶
بِٱلْمُفْسِدِينَ
bil-muf'sidīna
ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে
আয়াত 64 - সূরা آل عمران: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ يَـٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَـٰبِ تَعَالَوْا۟ إِلَىٰ كَلِمَةٍۢ سَوَآءٍۭ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ أَلَّا نَعْبُدَ إِلَّا ٱللَّهَ وَلَا نُشْرِكَ بِهِۦ شَيْـًۭٔا وَلَا يَتَّخِذَ بَعْضُنَا بَعْضًا أَرْبَابًۭا مِّن دُونِ ٱللَّهِ ۚ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَقُولُوا۟ ٱشْهَدُوا۟ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ
বলুনঃ ‘হে আহলে-কিতাবগণ! একটি বিষয়ের দিকে আস-যা আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সমান-যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করব না, তাঁর সাথে কোন শরীক সাব্যস্ত করব না এবং একমাত্র আল্লাহকে ছাড়া কাউকে পালনকর্তা বানাব না। তারপর যদি তারা স্বীকার না করে, তাহলে বলে দাও যে, ‘সাক্ষী থাক আমরা তো অনুগত।
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
يَـٰٓأَهْلَ
yāahla
''হে আহলে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাব
▶
تَعَالَوْا۟
taʿālaw
তোমরা এস
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
كَلِمَةٍۢ
kalimatin
একটি বাণীর (যা)
▶
سَوَآءٍۭ
sawāin
সমান
▶
بَيْنَنَا
baynanā
আমাদের মাঝে
▶
وَبَيْنَكُمْ
wabaynakum
ও তোমাদের মাঝে
▶
أَلَّا
allā
(এই) যে না
▶
نَعْبُدَ
naʿbuda
ইবাদাত করব আমরা
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
نُشْرِكَ
nush'rika
শেরক করব আমরা
▶
بِهِۦ
bihi
তাঁর সাথে
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কোন কিছুকেই
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَتَّخِذَ
yattakhidha
গ্রহন করবে
▶
بَعْضُنَا
baʿḍunā
আমাদের কেউ
▶
بَعْضًا
baʿḍan
কাউকে
▶
أَرْبَابًۭا
arbāban
রব হিসাবে
▶
مِّن
min
ছাড়া''
▶
دُونِ
dūni
''(মহাশয়)
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহ''
▶
فَإِن
fa-in
যদি অতঃপর
▶
تَوَلَّوْا۟
tawallaw
তারা ফিরে যায়
▶
فَقُولُوا۟
faqūlū
তাোমরা তবে বল
▶
ٱشْهَدُوا۟
ish'hadū
''তোমরা সাক্ষী থাক
▶
بِأَنَّا
bi-annā
আমরা যে
▶
مُسْلِمُونَ
mus'limūna
(আল্লাহর অনুগত বান্দা) মুসলমান''
আয়াত 65 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَـٰبِ لِمَ تُحَآجُّونَ فِىٓ إِبْرَٰهِيمَ وَمَآ أُنزِلَتِ ٱلتَّوْرَىٰةُ وَٱلْإِنجِيلُ إِلَّا مِنۢ بَعْدِهِۦٓ ۚ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
হে আহলে কিতাবগণ! কেন তোমরা ইব্রাহীমের বিষয়ে বাদানুবাদ কর? অথচ তওরাত ও ইঞ্জিল তাঁর পরেই নাযিল হয়েছে। তোমরা কি বুঝ না?
▶
يَـٰٓأَهْلَ
yāahla
হে আহলে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাব
▶
لِمَ
lima
কেন
▶
تُحَآجُّونَ
tuḥājjūna
তোমরা বিতর্ক করছ
▶
فِىٓ
fī
প্রশ্নে
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
وَمَآ
wamā
অথছ না
▶
أُنزِلَتِ
unzilati
নাযিল হয়েছে
▶
ٱلتَّوْرَىٰةُ
l-tawrātu
তাওরাত
▶
وَٱلْإِنجِيلُ
wal-injīlu
ও ইনজীল
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِهِۦٓ ۚ
baʿdihi
তার পরে
▶
أَفَلَا
afalā
না তবুও কি
▶
تَعْقِلُونَ
taʿqilūna
তোমরা বুঝবে
আয়াত 66 - সূরা آل عمران: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هَـٰٓأَنتُمْ هَـٰٓؤُلَآءِ حَـٰجَجْتُمْ فِيمَا لَكُم بِهِۦ عِلْمٌۭ فَلِمَ تُحَآجُّونَ فِيمَا لَيْسَ لَكُم بِهِۦ عِلْمٌۭ ۚ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
শোন! ইতিপূর্বে তোমরা যে বিষয়ে কিছু জানতে, তাই নিয়ে বিবাদ করতে। এখন আবার যে বিষয়ে তোমরা কিছুই জান না, সে বিষয়ে কেন বিবাদ করছ?
▶
هَـٰٓأَنتُمْ
hāantum
তোমরাই তো
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
ঐ সব লোক (যারা)
▶
حَـٰجَجْتُمْ
ḥājajtum
বিতর্ক করেছ
▶
فِيمَا
fīmā
সে বিষয়ে
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের (আছে)
▶
بِهِۦ
bihi
যে সম্পর্কে
▶
عِلْمٌۭ
ʿil'mun
(সামান্য) জ্ঞান
▶
فَلِمَ
falima
এখন কেন
▶
تُحَآجُّونَ
tuḥājjūna
তোমরা বিতর্ক করছ
▶
فِيمَا
fīmā
সে সম্পর্কে
▶
لَيْسَ
laysa
নাই
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের
▶
بِهِۦ
bihi
যে সম্পর্কে
▶
عِلْمٌۭ ۚ
ʿil'mun
কোন জ্ঞান
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
আর তোমরা
▶
لَا
lā
না
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
(প্রকৃত সত্য) জান
আয়াত 67 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَا كَانَ إِبْرَٰهِيمُ يَهُودِيًّۭا وَلَا نَصْرَانِيًّۭا وَلَـٰكِن كَانَ حَنِيفًۭا مُّسْلِمًۭا وَمَا كَانَ مِنَ ٱلْمُشْرِكِينَ
ইব্রাহীম ইহুদী ছিলেন না এবং নাসারাও ছিলেন না, কিক্তু তিনি ছিলেন ‘হানীফ’ অর্থাৎ, সব মিথ্যা ধর্মের প্রতি বিমুখ এবং আত্নসমর্পণকারী, এবং তিনি মুশরিক ছিলেন না।
▶
مَا
mā
না
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
إِبْرَٰهِيمُ
ib'rāhīmu
ইবরাহীম
▶
يَهُودِيًّۭا
yahūdiyyan
ইয়াহুদী
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
نَصْرَانِيًّۭا
naṣrāniyyan
খৃষ্টান
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
كَانَ
kāna
সে ছিল
▶
حَنِيفًۭا
ḥanīfan
একনিষ্ঠ
▶
مُّسْلِمًۭا
mus'liman
(আত্মসমর্পণকারী) মুসলিম
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
সে ছিল
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْمُشْرِكِينَ
l-mush'rikīna
মুশরিকদের
আয়াত 68 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ أَوْلَى ٱلنَّاسِ بِإِبْرَٰهِيمَ لَلَّذِينَ ٱتَّبَعُوهُ وَهَـٰذَا ٱلنَّبِىُّ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ۗ وَٱللَّهُ وَلِىُّ ٱلْمُؤْمِنِينَ
মানুষদের মধ্যে যারা ইব্রাহীমের অনুসরণ করেছিল, তারা, আর এই নবী এবং যারা এ নবীর প্রতি ঈমান এনেছে তারা ইব্রাহীমের ঘনিষ্ঠতম-আর আল্লাহ হচ্ছেন মুমিনদের বন্ধু।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
أَوْلَى
awlā
অগ্রাধিকারী (ঘনিষ্ঠ হওয়ায়)
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের (মধ্যে)
▶
بِإِبْرَٰهِيمَ
bi-ib'rāhīma
ইবরাহীমের সাথে
▶
لَلَّذِينَ
lalladhīna
(তারা) অবশ্যই যারা
▶
ٱتَّبَعُوهُ
ittabaʿūhu
তার অনুসরণ করে
▶
وَهَـٰذَا
wahādhā
ও এই
▶
ٱلنَّبِىُّ
l-nabiyu
নবী
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
ও যারা
▶
ءَامَنُوا۟ ۗ
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
ও আল্লাহ
▶
وَلِىُّ
waliyyu
অভিভাবক
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
ঈমানদারদের
আয়াত 69 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَدَّت طَّآئِفَةٌۭ مِّنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ لَوْ يُضِلُّونَكُمْ وَمَا يُضِلُّونَ إِلَّآ أَنفُسَهُمْ وَمَا يَشْعُرُونَ
কোন কোন আহলে-কিতাবের আকাঙ্খা, যাতে তোমাদের গোমরাহ করতে পারে, কিন্তু তারা নিজেদের ছাড়া অন্য কাউকেই গোমরাহ করে না। অথচ তারা বুঝতে পারে না।
▶
وَدَّت
waddat
চায়
▶
طَّآئِفَةٌۭ
ṭāifatun
একদল
▶
مِّنْ
min
মধ্য হতে
▶
أَهْلِ
ahli
আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবদের
▶
لَوْ
law
যদি
▶
يُضِلُّونَكُمْ
yuḍillūnakum
তোমাদেরকে তারা পথভ্রষ্ট করতে পারত
▶
وَمَا
wamā
আর না
▶
يُضِلُّونَ
yuḍillūna
তারা পথভ্রষ্ট করে
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদেরকে
▶
وَمَا
wamā
কিন্তু না
▶
يَشْعُرُونَ
yashʿurūna
তারা উপলব্ধি করে
আয়াত 70 - সূরা آل عمران: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَـٰبِ لِمَ تَكْفُرُونَ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ وَأَنتُمْ تَشْهَدُونَ
হে আহলে-কিতাবগণ, কেন তোমরা আল্লাহর কালামকে অস্বীকার কর, অথচ তোমরাই তাঁর প্রবক্তা?
▶
يَـٰٓأَهْلَ
yāahla
হে আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাব
▶
لِمَ
lima
কেন
▶
تَكْفُرُونَ
takfurūna
তোমরা অস্বীকার করছ
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
নিদর্শনগুলোকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
অথচ তোমরাই
▶
تَشْهَدُونَ
tashhadūna
পর্যবেক্ষণ করছ
আয়াত 71 - সূরা آل عمران: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَـٰبِ لِمَ تَلْبِسُونَ ٱلْحَقَّ بِٱلْبَـٰطِلِ وَتَكْتُمُونَ ٱلْحَقَّ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
হে আহলে কিতাবগণ, কেন তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে সংমিশ্রণ করছ এবং সত্যকে গোপন করছ, অথচ তোমরা তা জান।
▶
يَـٰٓأَهْلَ
yāahla
হে আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাব
▶
لِمَ
lima
কেন
▶
تَلْبِسُونَ
talbisūna
তোমরা মিলাও
▶
ٱلْحَقَّ
l-ḥaqa
হককে
▶
بِٱلْبَـٰطِلِ
bil-bāṭili
বাতিলের সাথে
▶
وَتَكْتُمُونَ
wataktumūna
এবং তোমরা গোপন করছ
▶
ٱلْحَقَّ
l-ḥaqa
হককে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
অথচ তোমরা
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
(ভালভাবেই) জান
আয়াত 72 - সূরা آل عمران: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَت طَّآئِفَةٌۭ مِّنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ ءَامِنُوا۟ بِٱلَّذِىٓ أُنزِلَ عَلَى ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَجْهَ ٱلنَّهَارِ وَٱكْفُرُوٓا۟ ءَاخِرَهُۥ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ
আর আহলে-কিতাবগণের একদল বললো, মুসলমানগণের উপর যা কিছু অবর্তীণ হয়েছে তাকে দিনের প্রথম ভাগে মেনে নাও, আর দিনের শেষ ভাগে অস্বীকার ক র, হয়তো তারা মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।
▶
وَقَالَت
waqālat
এবং বলে
▶
طَّآئِفَةٌۭ
ṭāifatun
একদল
▶
مِّنْ
min
মধ্য হতে
▶
أَهْلِ
ahli
আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবদের
▶
ءَامِنُوا۟
āminū
''তোমরা ঈমান আন
▶
بِٱلَّذِىٓ
bi-alladhī
(তার) প্রতি যা
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযীল করা হয়েছে
▶
عَلَى
ʿalā
নিকট
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَجْهَ
wajha
শুরুতে
▶
ٱلنَّهَارِ
l-nahāri
দিনের
▶
وَٱكْفُرُوٓا۟
wa-uk'furū
এবং তোমরা অস্বীকার কর
▶
ءَاخِرَهُۥ
ākhirahu
তার শেষে
▶
لَعَلَّهُمْ
laʿallahum
তারা সম্ভবত
▶
يَرْجِعُونَ
yarjiʿūna
ফিরে যাবে
আয়াত 73 - সূরা آل عمران: 32 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تُؤْمِنُوٓا۟ إِلَّا لِمَن تَبِعَ دِينَكُمْ قُلْ إِنَّ ٱلْهُدَىٰ هُدَى ٱللَّهِ أَن يُؤْتَىٰٓ أَحَدٌۭ مِّثْلَ مَآ أُوتِيتُمْ أَوْ يُحَآجُّوكُمْ عِندَ رَبِّكُمْ ۗ قُلْ إِنَّ ٱلْفَضْلَ بِيَدِ ٱللَّهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَآءُ ۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌۭ
যারা তোমাদের ধর্মমতে চলবে, তাদের ছাড়া আর কাউকে বিশ্বাস করবে না। বলে দিন নিঃসন্দেহে হেদায়েত সেটাই, যে হেদায়েত আল্লাহ করেন। আর এসব কিছু এ জন্যে যে, তোমরা যা লাভ করেছিলে তা অন্য কেউ কেন প্রাপ্ত হবে, কিংবা তোমাদের পালনকর্তার সামনে তোমাদের উপর তারা কেন প্রবল হয়ে যাবে! বলে দিন, মর্যাদা আল্লাহরই হাতে; তিনি যাকে ইচ্ছা দান করেন এবং আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও সর্বজ্ঞ।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُؤْمِنُوٓا۟
tu'minū
তোমরা বিশ্বাস করো
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
لِمَن
liman
(তাদেরকে) যারা
▶
تَبِعَ
tabiʿa
অনুসরণ করে
▶
دِينَكُمْ
dīnakum
তোমাদের দ্বীনের''
▶
قُلْ
qul
(হে নবী) তুমি বল
▶
إِنَّ
inna
''নিশ্চয়
▶
ٱلْهُدَىٰ
l-hudā
প্রকৃত হেদায়াত
▶
هُدَى
hudā
হেদায়াত
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَن
an
(এও) যে
▶
يُؤْتَىٰٓ
yu'tā
দেয়া হচ্ছে (আজ)
▶
أَحَدٌۭ
aḥadun
কাউকে
▶
مِّثْلَ
mith'la
অনুরুপ
▶
مَآ
mā
(অতীতে) যা
▶
أُوتِيتُمْ
ūtītum
তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল
▶
أَوْ
aw
নইলে
▶
يُحَآجُّوكُمْ
yuḥājjūkum
বিতর্ক করবে তারা তোমাদের (বিরুদ্ধে)
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّكُمْ ۗ
rabbikum
তোমাদের রবের''
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
إِنَّ
inna
''নিশ্চয়
▶
ٱلْفَضْلَ
l-faḍla
সব অনুগ্রহ
▶
بِيَدِ
biyadi
হাতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহরই
▶
يُؤْتِيهِ
yu'tīhi
তিনি দেন
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۗ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
وَٰسِعٌ
wāsiʿun
প্রাচুর্যময়
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
সর্বজ্ঞ''
আয়াত 74 - সূরা آل عمران: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهِۦ مَن يَشَآءُ ۗ وَٱللَّهُ ذُو ٱلْفَضْلِ ٱلْعَظِيمِ
তিনি যাকে ইচ্ছা নিজের বিশেষ অনুগ্রহ দান করেন। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল।
▶
يَخْتَصُّ
yakhtaṣṣu
তিনি বাছাই করেন
▶
بِرَحْمَتِهِۦ
biraḥmatihi
তাঁর রহমতের জন্যে
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۗ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
ذُو
dhū
(একটি)
▶
ٱلْفَضْلِ
l-faḍli
অনুগ্রহশীল
▶
ٱلْعَظِيمِ
l-ʿaẓīmi
মহান
আয়াত 75 - সূরা آل عمران: 36 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَمِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ مَنْ إِن تَأْمَنْهُ بِقِنطَارٍۢ يُؤَدِّهِۦٓ إِلَيْكَ وَمِنْهُم مَّنْ إِن تَأْمَنْهُ بِدِينَارٍۢ لَّا يُؤَدِّهِۦٓ إِلَيْكَ إِلَّا مَا دُمْتَ عَلَيْهِ قَآئِمًۭا ۗ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا۟ لَيْسَ عَلَيْنَا فِى ٱلْأُمِّيِّـۧنَ سَبِيلٌۭ وَيَقُولُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ
কোন কোন আহলে কিতাব এমনও রয়েছে, তোমরা যদি তাদের কাছে বহু ধন-সম্পদ আমানত রাখ, তাহলেও তা তোমাদের যথারীতি পরিশোধ করবে। আর তোদের মধ্যে অনেক এমনও রয়েছে যারা একটি দীনার গচ্ছিত রাখলেও ফেরত দেবে না-যে পর্যন্ত না তুমি তার মাথার উপর দাঁড়াতে পারবে। এটা এজন্য যে, তারা বলে রেখেছে যে, উম্মীদের অধিকার বিনষ্ট করাতে আমাদের কোন পাপ নেই। আর তারা আল্লাহ সম্পর্কে জেনে শুনেই মিথ্যা বলে।
▶
۞ وَمِنْ
wamin
এবং মধ্য হতে
▶
أَهْلِ
ahli
আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবদের (এমনও আছে)
▶
مَنْ
man
যে
▶
إِن
in
যদি
▶
تَأْمَنْهُ
tamanhu
তাকে আমানত দাও
▶
بِقِنطَارٍۢ
biqinṭārin
ধন সম্পদের স্তুপ
▶
يُؤَدِّهِۦٓ
yu-addihi
তা ফেরত দেবে
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার নিকট
▶
وَمِنْهُم
wamin'hum
আবার তাদের মধ্যে (এমনও আছে)
▶
مَّنْ
man
যে
▶
إِن
in
যদি
▶
تَأْمَنْهُ
tamanhu
তাকে আমানত দাও
▶
بِدِينَارٍۢ
bidīnārin
একটি দিনারও
▶
لَّا
lā
না
▶
يُؤَدِّهِۦٓ
yu-addihi
ফেরত দেবে
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার নিকট
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
مَا
mā
(কি)
▶
دُمْتَ
dum'ta
যতক্ষণ না তুমি
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
قَآئِمًۭا ۗ
qāiman
দন্ডায়মান থাকবে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِأَنَّهُمْ
bi-annahum
এজন্যে যে তারা
▶
قَالُوا۟
qālū
বলে
▶
لَيْسَ
laysa
''নাই
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
আমাদের উপর
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
ٱلْأُمِّيِّـۧنَ
l-umiyīna
নিরক্ষরদের (অর্থাৎ আরবদের জন্যে)
▶
سَبِيلٌۭ
sabīlun
কোন দায়িত্ব''
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
এবং তারা বলে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ٱلْكَذِبَ
l-kadhiba
মিথ্যা
▶
وَهُمْ
wahum
অথচ তারা
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
ভালভাবে (জানে)
আয়াত 76 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَلَىٰ مَنْ أَوْفَىٰ بِعَهْدِهِۦ وَٱتَّقَىٰ فَإِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلْمُتَّقِينَ
যে লোক নিজ প্রতিজ্ঞা পূর্ন করবে এং পরহেজগার হবে, অবশ্যই আল্লাহ পরহেজগারদেরকে ভালবাসেন।
▶
بَلَىٰ
balā
হাঁ বরং
▶
مَنْ
man
যে
▶
أَوْفَىٰ
awfā
পুর্ণ করবে
▶
بِعَهْدِهِۦ
biʿahdihi
ওয়াদা
▶
وَٱتَّقَىٰ
wa-ittaqā
ও নাফরমানী থেকে বাঁচবে
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তাহলে নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালবাসবেন
▶
ٱلْمُتَّقِينَ
l-mutaqīna
নাফরমানী থেকে বেঁচে চলা লোকদের
আয়াত 77 - সূরা آل عمران: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ ٱللَّهِ وَأَيْمَـٰنِهِمْ ثَمَنًۭا قَلِيلًا أُو۟لَـٰٓئِكَ لَا خَلَـٰقَ لَهُمْ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ وَلَا يُكَلِّمُهُمُ ٱللَّهُ وَلَا يَنظُرُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ وَلَا يُزَكِّيهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ
যারা আল্লাহর নামে কৃত অঙ্গীকার এবং প্রতিজ্ঞা সামান্য মুল্যে বিক্রয় করে, আখেরাতে তাদের কেন অংশ নেই। আর তাদের সাথে কেয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না। তাদের প্রতি (করুণার) দৃষ্টিও দেবেন না। আর তাদেরকে পরিশুদ্ধও করবেন না। বস্তুতঃ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَشْتَرُونَ
yashtarūna
বিক্রয় করে
▶
بِعَهْدِ
biʿahdi
প্রতিশ্রুতিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (সাথে কৃত)
▶
وَأَيْمَـٰنِهِمْ
wa-aymānihim
ও তাদের শপথসমূহকে
▶
ثَمَنًۭا
thamanan
মূল্যে
▶
قَلِيلًا
qalīlan
সামান্য
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
لَا
lā
নাই
▶
خَلَـٰقَ
khalāqa
কোন অংশ
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখেরাতে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُكَلِّمُهُمُ
yukallimuhumu
তাদের সাথে কথা বলবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَنظُرُ
yanẓuru
(দয়ার দৃষ্টিতে) তাকাবেন
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের প্রতি
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
কিয়ামতের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُزَكِّيهِمْ
yuzakkīhim
তাদের পরিশুদ্ধ করবেন
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্যে রয়েছে
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
অতি কষ্টদায়ক
আয়াত 78 - সূরা آل عمران: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنَّ مِنْهُمْ لَفَرِيقًۭا يَلْوُۥنَ أَلْسِنَتَهُم بِٱلْكِتَـٰبِ لِتَحْسَبُوهُ مِنَ ٱلْكِتَـٰبِ وَمَا هُوَ مِنَ ٱلْكِتَـٰبِ وَيَقُولُونَ هُوَ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ وَمَا هُوَ مِنْ عِندِ ٱللَّهِ وَيَقُولُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ
আর তাদের মধ্যে একদল রয়েছে, যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে, যাতে তোমরা মনে কর যে, তার কিতাব থেকেই পাঠ করছে। অথচ তারা যা আবৃত্তি করছে তা আদৌ কিতাব নয়। এবং তারা বলে যে, এসব কথা আল্লাহর তরফ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর তরফ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে যে, এটি আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনে আল্লাহরই প্রতি মিথ্যারোপ করে।
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যে
▶
لَفَرِيقًۭا
lafarīqan
অবশ্যই একদল (আছে)
▶
يَلْوُۥنَ
yalwūna
তারা মুড়াতে থাকে
▶
أَلْسِنَتَهُم
alsinatahum
তাদের জিহবাগুলোকে
▶
بِٱلْكِتَـٰبِ
bil-kitābi
কিতাব (পাঠে)
▶
لِتَحْسَبُوهُ
litaḥsabūhu
তাকে তোমরা যেন মনে কর
▶
مِنَ
mina
অংশ (হিসেবে)
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
وَمَا
wamā
অথচ না
▶
هُوَ
huwa
তা
▶
مِنَ
mina
অংশ
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
এবং তারা বলে
▶
هُوَ
huwa
''তা (এসেছে)
▶
مِنْ
min
থেকে''
▶
عِندِ
ʿindi
কাছ''
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর''
▶
وَمَا
wamā
অথচ না
▶
هُوَ
huwa
তা (এসেছে)
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَيَقُولُونَ
wayaqūlūna
এবং তারা বলে
▶
عَلَى
ʿalā
বিরুদ্ধে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ٱلْكَذِبَ
l-kadhiba
মিথ্যা
▶
وَهُمْ
wahum
অথচ তারা
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
(ভালভাবে) জানে
আয়াত 79 - সূরা آل عمران: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَا كَانَ لِبَشَرٍ أَن يُؤْتِيَهُ ٱللَّهُ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْحُكْمَ وَٱلنُّبُوَّةَ ثُمَّ يَقُولَ لِلنَّاسِ كُونُوا۟ عِبَادًۭا لِّى مِن دُونِ ٱللَّهِ وَلَـٰكِن كُونُوا۟ رَبَّـٰنِيِّـۧنَ بِمَا كُنتُمْ تُعَلِّمُونَ ٱلْكِتَـٰبَ وَبِمَا كُنتُمْ تَدْرُسُونَ
কোন মানুষকে আল্লাহ কিতাব, হেকমত ও নবুওয়ত দান করার পর সে বলবে যে, ‘তোমরা আল্লাহকে পরিহার করে আমার বান্দা হয়ে যাও’-এটা সম্ভব নয়। বরং তারা বলবে, ‘তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, যেমন, তোমরা কিতাব শিখাতে এবং যেমন তোমরা নিজেরা ও পড়তে।
▶
مَا
mā
নয়
▶
كَانَ
kāna
শোভনীয়
▶
لِبَشَرٍ
libasharin
কোন মানুষের জন্যে
▶
أَن
an
যে
▶
يُؤْتِيَهُ
yu'tiyahu
তাকে দেবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْحُكْمَ
wal-ḥuk'ma
ও জ্ঞান
▶
وَٱلنُّبُوَّةَ
wal-nubuwata
ও নবূয়্যত
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يَقُولَ
yaqūla
সে বলবে
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষকে
▶
كُونُوا۟
kūnū
''তোমরা হয়ে যাও
▶
عِبَادًۭا
ʿibādan
দাস
▶
لِّى
lī
আমার
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
دُونِ
dūni
ব্যতীত
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু (সে বলবে)
▶
كُونُوا۟
kūnū
''তোমরা হও
▶
رَبَّـٰنِيِّـۧنَ
rabbāniyyīna
আল্লাহওয়ালা
▶
بِمَا
bimā
যেহেতু
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تُعَلِّمُونَ
tuʿallimūna
শিখিয়ে থাক
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَبِمَا
wabimā
ও যেহেতু
▶
كُنتُمْ
kuntum
(আপনি)
▶
تَدْرُسُونَ
tadrusūna
তোমরা অধ্যয়ন করে থাক''
আয়াত 80 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا يَأْمُرَكُمْ أَن تَتَّخِذُوا۟ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةَ وَٱلنَّبِيِّـۧنَ أَرْبَابًا ۗ أَيَأْمُرُكُم بِٱلْكُفْرِ بَعْدَ إِذْ أَنتُم مُّسْلِمُونَ
তাছাড়া তোমাদেরকে একথা বলাও সম্ভব নয় যে, তোমরা ফেরেশতা ও নবীগনকে নিজেদের পালনকর্তা সাব্যস্ত করে নাও। তোমাদের মুসলমান হবার পর তারা কি তোমাদেরকে কুফরী শেখাবে?
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَأْمُرَكُمْ
yamurakum
তোমাদেরকে নির্দেশ দিবে সে
▶
أَن
an
যে
▶
تَتَّخِذُوا۟
tattakhidhū
তোমরা গ্রহণ করবে
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةَ
l-malāikata
ফেরেশতাদেরকে
▶
وَٱلنَّبِيِّـۧنَ
wal-nabiyīna
ও নবীদেরকে
▶
أَرْبَابًا ۗ
arbāban
প্রভু হিসেবে
▶
أَيَأْمُرُكُم
ayamurukum
তোমাদের নির্দেশ দেবে কি
▶
بِٱلْكُفْرِ
bil-kuf'ri
কুফরীর
▶
بَعْدَ
baʿda
এরপরেও
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
أَنتُم
antum
তোমরা
▶
مُّسْلِمُونَ
mus'limūna
মুসলমান (তা কি সম্ভব?)
আয়াত 81 - সূরা آل عمران: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ أَخَذَ ٱللَّهُ مِيثَـٰقَ ٱلنَّبِيِّـۧنَ لَمَآ ءَاتَيْتُكُم مِّن كِتَـٰبٍۢ وَحِكْمَةٍۢ ثُمَّ جَآءَكُمْ رَسُولٌۭ مُّصَدِّقٌۭ لِّمَا مَعَكُمْ لَتُؤْمِنُنَّ بِهِۦ وَلَتَنصُرُنَّهُۥ ۚ قَالَ ءَأَقْرَرْتُمْ وَأَخَذْتُمْ عَلَىٰ ذَٰلِكُمْ إِصْرِى ۖ قَالُوٓا۟ أَقْرَرْنَا ۚ قَالَ فَٱشْهَدُوا۟ وَأَنَا۠ مَعَكُم مِّنَ ٱلشَّـٰهِدِينَ
আর আল্লাহ যখন নবীগনের কাছ থেকে অস্বীকার গ্রহন করলেন যে, আমি যা কিছু তোমাদের দান করেছি কিতাব ও জ্ঞান এবং অতঃপর তোমাদের নিকট কোন রসূল আসেন তোমাদের কিতাবকে সত্য বলে দেয়ার জন্য, তখন সে রসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং তার সাহায্য করবে। তিনি বললেন, ‘তোমার কি অঙ্গীকার করছো এবং এই শর্তে আমার ওয়াদা গ্রহণ করে নিয়েছ? তারা বললো, ‘আমরা অঙ্গীকার করেছি’। তিনি বললেন, তাহলে এবার সাক্ষী থাক। আর আমিও তোমাদের সাথে সাক্ষী রইলাম।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ কর) যখন
▶
أَخَذَ
akhadha
গ্রহণ করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِيثَـٰقَ
mīthāqa
অঙ্গীকার
▶
ٱلنَّبِيِّـۧنَ
l-nabiyīna
নবীদের (থেকে এই বলে যে)
▶
لَمَآ
lamā
''অবশ্যই যা
▶
ءَاتَيْتُكُم
ātaytukum
তোমাদের আমি দিয়েছি
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
كِتَـٰبٍۢ
kitābin
কিতাব
▶
وَحِكْمَةٍۢ
waḥik'matin
ও হেকমত
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর (যখন)
▶
جَآءَكُمْ
jāakum
তোমাদের কাছে আসবে
▶
رَسُولٌۭ
rasūlun
কোন রসূল
▶
مُّصَدِّقٌۭ
muṣaddiqun
সত্যায়নকারী
▶
لِّمَا
limā
তার যা
▶
مَعَكُمْ
maʿakum
তোমাদের সাথে আছে
▶
لَتُؤْمِنُنَّ
latu'minunna
তোমরা অবশ্যই বিশ্বাস করবে
▶
بِهِۦ
bihi
তার উপর
▶
وَلَتَنصُرُنَّهُۥ ۚ
walatanṣurunnahu
ও তাকে তোমরা অবশ্যই সাহায্য করবে''
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
ءَأَقْرَرْتُمْ
a-aqrartum
''তোমরা অঙ্গীকার করলে কি
▶
وَأَخَذْتُمْ
wa-akhadhtum
ও তোমরা গ্রহণ করলে (কি)
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
ذَٰلِكُمْ
dhālikum
এসবের
▶
إِصْرِى ۖ
iṣ'rī
দায়িত্বভার
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলল
▶
أَقْرَرْنَا ۚ
aqrarnā
''আমরা অঙ্গীকার করলাম''
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
فَٱشْهَدُوا۟
fa-ish'hadū
''তোমরা সাক্ষী থাকো
▶
وَأَنَا۠
wa-anā
এবং আমিও
▶
مَعَكُم
maʿakum
তোমাদের সাথে
▶
مِّنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত (রইলাম)
▶
ٱلشَّـٰهِدِينَ
l-shāhidīna
সাক্ষীদাতাদের''
আয়াত 82 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمَن تَوَلَّىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْفَـٰسِقُونَ
অতঃপর যে লোক এই ওয়াদা থেকে ফিরে দাঁড়াবে, সেই হবে নাফরমান।
▶
فَمَن
faman
অতঃপর যে
▶
تَوَلَّىٰ
tawallā
ফিরে যাবে
▶
بَعْدَ
baʿda
পরও
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
তাহলে ঐসব লোকই
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْفَـٰسِقُونَ
l-fāsiqūna
নাফরমান
আয়াত 83 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَغَيْرَ دِينِ ٱللَّهِ يَبْغُونَ وَلَهُۥٓ أَسْلَمَ مَن فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ طَوْعًۭا وَكَرْهًۭا وَإِلَيْهِ يُرْجَعُونَ
তারা কি আল্লাহর দ্বীনের পরিবর্তে অন্য দ্বীন তালাশ করছে? আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে স্বেচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, তাঁরই অনুগত হবে এবং তাঁর দিকেই ফিরে যাবে।
▶
أَفَغَيْرَ
afaghayra
তাহলে কি ব্যতীত
▶
دِينِ
dīni
দ্বীন
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
يَبْغُونَ
yabghūna
তারা চায় (অন্যদ্বীন)
▶
وَلَهُۥٓ
walahu
তার কাছে
▶
أَسْلَمَ
aslama
আত্মসমর্পণ করেছে
▶
مَن
man
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমান সমূহের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও যমীনে
▶
طَوْعًۭا
ṭawʿan
ইচ্ছায়
▶
وَكَرْهًۭا
wakarhan
বা অনিচ্ছায়
▶
وَإِلَيْهِ
wa-ilayhi
আর তারই দিকে
▶
يُرْجَعُونَ
yur'jaʿūna
তাদের প্রত্যাবর্তন করা হবে
আয়াত 84 - সূরা آل عمران: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَمَآ أُنزِلَ عَلَيْنَا وَمَآ أُنزِلَ عَلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ وَإِسْمَـٰعِيلَ وَإِسْحَـٰقَ وَيَعْقُوبَ وَٱلْأَسْبَاطِ وَمَآ أُوتِىَ مُوسَىٰ وَعِيسَىٰ وَٱلنَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍۢ مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُۥ مُسْلِمُونَ
বলুন, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের উপর, ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তাঁদের সন্তানবর্গের উপর আর যা কিছু পেয়েছেন মূসা ও ঈসা এবং অন্যান্য নবী রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে। আমরা তাঁদের কারো মধ্যে পার্থক্য করি না। আর আমরা তাঁরই অনুগত।
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
ءَامَنَّا
āmannā
''আমরা ঈমান এনেছি
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَمَآ
wamā
ও যা কিছু
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযিল করা হয়েছে
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
আমাদের উপর
▶
وَمَآ
wamā
ও যা কিছু
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযিল করা হয়েছে
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
উপর
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
وَإِسْمَـٰعِيلَ
wa-is'māʿīla
ও ইসমাঈলের
▶
وَإِسْحَـٰقَ
wa-is'ḥāqa
ও ইসহাকের
▶
وَيَعْقُوبَ
wayaʿqūba
ও ইয়াকুবের
▶
وَٱلْأَسْبَاطِ
wal-asbāṭi
এবং (তাদের) বংশধরদের (উপর)
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা কিছু
▶
أُوتِىَ
ūtiya
দেওয়া হয়েছে
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসাকে
▶
وَعِيسَىٰ
waʿīsā
ও ঈসাকে
▶
وَٱلنَّبِيُّونَ
wal-nabiyūna
ও নবীদেরকে
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
لَا
lā
না
▶
نُفَرِّقُ
nufarriqu
আমরা পার্থক্য করি
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
أَحَدٍۢ
aḥadin
কারো
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যকার
▶
وَنَحْنُ
wanaḥnu
আর আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
তারই কাছে
▶
مُسْلِمُونَ
mus'limūna
আত্মসমর্পণকারী (অর্থাৎ মুসলমান)
আয়াত 85 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ ٱلْإِسْلَـٰمِ دِينًۭا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ مِنَ ٱلْخَـٰسِرِينَ
যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত।
▶
وَمَن
waman
এবং যে কেউ
▶
يَبْتَغِ
yabtaghi
গ্রহণ করতে চায়
▶
غَيْرَ
ghayra
ব্যতীত
▶
ٱلْإِسْلَـٰمِ
l-is'lāmi
ইসলাম
▶
دِينًۭا
dīnan
(অন্যকোন) দ্বীন
▶
فَلَن
falan
তা কক্ষণ না
▶
يُقْبَلَ
yuq'bala
কবুল করা হবে
▶
مِنْهُ
min'hu
তার থেকে
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং সে (হবে)
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখেরাতে
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْخَـٰسِرِينَ
l-khāsirīna
ক্ষতিগ্রস্থদের
আয়াত 86 - সূরা آل عمران: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَيْفَ يَهْدِى ٱللَّهُ قَوْمًۭا كَفَرُوا۟ بَعْدَ إِيمَـٰنِهِمْ وَشَهِدُوٓا۟ أَنَّ ٱلرَّسُولَ حَقٌّۭ وَجَآءَهُمُ ٱلْبَيِّنَـٰتُ ۚ وَٱللَّهُ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلظَّـٰلِمِينَ
কেমন করে আল্লাহ এমন জাতিকে হেদায়েত দান করবেন, যারা ঈমান আনার পর এবং রসূলকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর এবং তাদের নিকট প্রমাণ এসে যাওয়ার পর কাফের হয়েছে। আর আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দান করেন না।
▶
كَيْفَ
kayfa
কিরূপে
▶
يَهْدِى
yahdī
হেদায়াত দিবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
قَوْمًۭا
qawman
কোন সম্প্রদায়কে
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
(যারা) কুফরী করল
▶
بَعْدَ
baʿda
পরেও
▶
إِيمَـٰنِهِمْ
īmānihim
আদের ঈমানের
▶
وَشَهِدُوٓا۟
washahidū
অথচ তারা সাক্ষী দিল
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱلرَّسُولَ
l-rasūla
(এই) রসূল
▶
حَقٌّۭ
ḥaqqun
সত্য
▶
وَجَآءَهُمُ
wajāahumu
ও তাদের কাছে এসেছে
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتُ ۚ
l-bayinātu
স্পষ্ট নিদর্শনাবলী
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
আর আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَهْدِى
yahdī
হেদায়াত দেন
▶
ٱلْقَوْمَ
l-qawma
সম্প্রদায়কে
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
(যারা) জালেম
আয়াত 87 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ جَزَآؤُهُمْ أَنَّ عَلَيْهِمْ لَعْنَةَ ٱللَّهِ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ وَٱلنَّاسِ أَجْمَعِينَ
এমন লোকের শাস্তি হলো আল্লাহ, ফেরেশতাগণ এবং মানুষ সকলেরই অভিসম্পাত।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
جَزَآؤُهُمْ
jazāuhum
তাদের প্রতিফল
▶
أَنَّ
anna
এই যে
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
لَعْنَةَ
laʿnata
অভিশাপ (বর্ষিত হয়)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ
wal-malāikati
ও ফেরেশতাদের
▶
وَٱلنَّاسِ
wal-nāsi
ও মানুষদের
▶
أَجْمَعِينَ
ajmaʿīna
সকলকেই
আয়াত 88 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
خَـٰلِدِينَ فِيهَا لَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ ٱلْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ
সর্বক্ষণই তারা তাতে থাকবে। তাদের আযাব হালকাও হবে না এবং তার এত অবকাশও পাবে না।
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা চিরস্থায়ী হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
لَا
lā
না
▶
يُخَفَّفُ
yukhaffafu
হালকা করা হবে
▶
عَنْهُمُ
ʿanhumu
তাদের থেকে
▶
ٱلْعَذَابُ
l-ʿadhābu
শাস্তি
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
هُمْ
hum
তাদের
▶
يُنظَرُونَ
yunẓarūna
অবকাশ দেয়া হবে
আয়াত 89 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُوا۟ مِنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ وَأَصْلَحُوا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌ
কিন্তু যারা অতঃপর তওবা করে নেবে এবং সৎকাজ করবে তারা ব্যতীত, নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালূ।
▶
إِلَّا
illā
তবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(ঐসব লোক) যারা
▶
تَابُوا۟
tābū
তওবা করেছে
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
وَأَصْلَحُوا۟
wa-aṣlaḥū
ও তারা সংশোধন করেছে (নিজেদেরকে)
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তখন নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
বড় ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌ
raḥīmun
মেহেরবান
আয়াত 90 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بَعْدَ إِيمَـٰنِهِمْ ثُمَّ ٱزْدَادُوا۟ كُفْرًۭا لَّن تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلضَّآلُّونَ
যারা ঈমান আনার পর অস্বীকার করেছে এবং অস্বীকৃতিতে বৃদ্ধি ঘটেছে, কস্মিণকালেও তাদের তওবা কবুল করা হবে না। আর তারা হলো গোমরাহ।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
بَعْدَ
baʿda
পরে
▶
إِيمَـٰنِهِمْ
īmānihim
তাদের ঈমানের
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱزْدَادُوا۟
iz'dādū
তারা বৃদ্ধি করেছে
▶
كُفْرًۭا
kuf'ran
কুফরী
▶
لَّن
lan
কক্ষণ না
▶
تُقْبَلَ
tuq'bala
কবুল করা হবে
▶
تَوْبَتُهُمْ
tawbatuhum
তাদের তওবা
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلضَّآلُّونَ
l-ḍālūna
পথভ্রষ্ট
আয়াত 91 - সূরা آل عمران: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَمَاتُوا۟ وَهُمْ كُفَّارٌۭ فَلَن يُقْبَلَ مِنْ أَحَدِهِم مِّلْءُ ٱلْأَرْضِ ذَهَبًۭا وَلَوِ ٱفْتَدَىٰ بِهِۦٓ ۗ أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ وَمَا لَهُم مِّن نَّـٰصِرِينَ
যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
وَمَاتُوا۟
wamātū
এবং মরে গেছে
▶
وَهُمْ
wahum
এ অবস্থায় তারা (ছিল)
▶
كُفَّارٌۭ
kuffārun
কাফির
▶
فَلَن
falan
সেক্ষেত্রে কক্ষনো না
▶
يُقْبَلَ
yuq'bala
কবুল করা হবে
▶
مِنْ
min
হতে (কোন বিনিময়)
▶
أَحَدِهِم
aḥadihim
কারও তাদের
▶
مِّلْءُ
mil'u
(যদি হয়) পূর্ণ
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবী
▶
ذَهَبًۭا
dhahaban
সোনা (দিয়ে)
▶
وَلَوِ
walawi
এবং যদি
▶
ٱفْتَدَىٰ
if'tadā
বিনিময় দেয়ও
▶
بِهِۦٓ ۗ
bihi
তা
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
অতি কষ্টদায়ক
▶
وَمَا
wamā
এবং নাই
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্য
▶
مِّن
min
কেউ
▶
نَّـٰصِرِينَ
nāṣirīna
সাহায্যকারীদের
আয়াত 92 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَن تَنَالُوا۟ ٱلْبِرَّ حَتَّىٰ تُنفِقُوا۟ مِمَّا تُحِبُّونَ ۚ وَمَا تُنفِقُوا۟ مِن شَىْءٍۢ فَإِنَّ ٱللَّهَ بِهِۦ عَلِيمٌۭ
কস্মিণকালেও কল্যাণ লাভ করতে পারবে না, যদি তোমাদের প্রিয় বস্তু থেকে তোমরা ব্যয় না কর। আর তোমরা যদি কিছু ব্যয় করবে আল্লাহ তা জানেন।
▶
لَن
lan
কক্ষনো না
▶
تَنَالُوا۟
tanālū
তোমরা পাবে
▶
ٱلْبِرَّ
l-bira
কল্যাণ
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
تُنفِقُوا۟
tunfiqū
তোমরা খরচ করবে
▶
مِمَّا
mimmā
তা থেকে যা
▶
تُحِبُّونَ ۚ
tuḥibbūna
তোমার ভালোবাস
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تُنفِقُوا۟
tunfiqū
তোমরা খরচ কর
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কোন কিছু
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
بِهِۦ
bihi
সে সম্পর্কে আল্লাহ
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
খুব অবগত
আয়াত 93 - সূরা آل عمران: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ كُلُّ ٱلطَّعَامِ كَانَ حِلًّۭا لِّبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ إِلَّا مَا حَرَّمَ إِسْرَٰٓءِيلُ عَلَىٰ نَفْسِهِۦ مِن قَبْلِ أَن تُنَزَّلَ ٱلتَّوْرَىٰةُ ۗ قُلْ فَأْتُوا۟ بِٱلتَّوْرَىٰةِ فَٱتْلُوهَآ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ
তওরাত নাযিল হওয়ার পূর্বে ইয়াকুব যেগুলো নিজেদের জন্য হারাম করে নিয়েছিলেন, সেগুলো ব্যতীত সমস্ত আহার্য বস্তুই বনী-ইসরায়ীলদের জন্য হালাল ছিল। তুমি বলে দাও, তোমরা যদি সত্যবাদী হয়ে থাক। তাহলে তওরাত নিয়ে এসো এবং তা পাঠ কর।
▶
۞ كُلُّ
kullu
সব
▶
ٱلطَّعَامِ
l-ṭaʿāmi
খাদ্য
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
حِلًّۭا
ḥillan
হালাল
▶
لِّبَنِىٓ
libanī
জন্য বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলের
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
مَا
mā
যা
▶
حَرَّمَ
ḥarrama
হারাম করেছিল
▶
إِسْرَٰٓءِيلُ
is'rāīlu
ইসরাঈল (হযরত ইয়াকুব আঃ)
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
نَفْسِهِۦ
nafsihi
তার নিজের
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِ
qabli
পূর্বে
▶
أَن
an
(যে)
▶
تُنَزَّلَ
tunazzala
নাযিল হওয়ার
▶
ٱلتَّوْرَىٰةُ ۗ
l-tawrātu
তাওরাত
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
فَأْتُوا۟
fatū
''তবে তোমরা আন
▶
بِٱلتَّوْرَىٰةِ
bil-tawrāti
তাওরাত
▶
فَٱتْلُوهَآ
fa-it'lūhā
তোমরা অতঃপর পাঠ কর তা
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও
▶
صَـٰدِقِينَ
ṣādiqīna
সত্যবাদী''
আয়াত 94 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمَنِ ٱفْتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ ٱلْكَذِبَ مِنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّـٰلِمُونَ
অতঃপর আল্লাহর প্রতি যারা মিথ্যা আরোপ করেছে, তারাই যালেম সীমালংঘনকারী।
▶
فَمَنِ
famani
যে অতঃপর
▶
ٱفْتَرَىٰ
if'tarā
আরোপ করে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ٱلْكَذِبَ
l-kadhiba
মিথ্যা
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরেও
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ফলে ঐ সব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلظَّـٰلِمُونَ
l-ẓālimūna
জালিম
আয়াত 95 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ صَدَقَ ٱللَّهُ ۗ فَٱتَّبِعُوا۟ مِلَّةَ إِبْرَٰهِيمَ حَنِيفًۭا وَمَا كَانَ مِنَ ٱلْمُشْرِكِينَ
বল, ‘আল্লাহ সত্য বলেছেন। এখন সবাই ইব্রাহীমের ধর্মের অনুগত হয়ে যাও, যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ ভাবে সত্যধর্মের অনুসারী। তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
صَدَقَ
ṣadaqa
সত্য বলেছেন
▶
ٱللَّهُ ۗ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَٱتَّبِعُوا۟
fa-ittabiʿū
তোমরা অতঃপর অনুসরণ কর
▶
مِلَّةَ
millata
পন্থা
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইব্রাহীমের
▶
حَنِيفًۭا
ḥanīfan
একমুখী হয়ে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
সে ছিল
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْمُشْرِكِينَ
l-mush'rikīna
মুশরিকদের
আয়াত 96 - সূরা آل عمران: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ أَوَّلَ بَيْتٍۢ وُضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِى بِبَكَّةَ مُبَارَكًۭا وَهُدًۭى لِّلْعَـٰلَمِينَ
নিঃসন্দেহে সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্যে নির্ধারিত হয়েছে, সেটাই হচ্ছে এ ঘর, যা মক্কায় অবস্থিত এবং সারা জাহানের মানুষের জন্য হেদায়েত ও বরকতময়।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
أَوَّلَ
awwala
প্রথম
▶
بَيْتٍۢ
baytin
ঘর
▶
وُضِعَ
wuḍiʿa
তৈরি করা হয়েছিল
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
লোকদের জন্য
▶
لَلَّذِى
lalladhī
যা অবশ্যই
▶
بِبَكَّةَ
bibakkata
মক্কায় (অবস্থিত)
▶
مُبَارَكًۭا
mubārakan
বরকতময়
▶
وَهُدًۭى
wahudan
ও হিদায়াতের (কেন্দ্র)
▶
لِّلْعَـٰلَمِينَ
lil'ʿālamīna
বিশ্ববাসীদের জন্য
আয়াত 97 - সূরা آل عمران: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فِيهِ ءَايَـٰتٌۢ بَيِّنَـٰتٌۭ مَّقَامُ إِبْرَٰهِيمَ ۖ وَمَن دَخَلَهُۥ كَانَ ءَامِنًۭا ۗ وَلِلَّهِ عَلَى ٱلنَّاسِ حِجُّ ٱلْبَيْتِ مَنِ ٱسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًۭا ۚ وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَنِىٌّ عَنِ ٱلْعَـٰلَمِينَ
এতে রয়েছে মকামে ইব্রাহীমের মত প্রকৃষ্ট নিদর্শন। আর যে, লোক এর ভেতরে প্রবেশ করেছে, সে নিরাপত্তা লাভ করেছে। আর এ ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ?2480;য়েছে এ পর্যন্ত পৌছার। আর যে লোক তা মানে না। আল্লাহ সারা বিশ্বের কোন কিছুরই পরোয়া করেন না।
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে (আছে)
▶
ءَايَـٰتٌۢ
āyātun
নিদর্শনাবলী
▶
بَيِّنَـٰتٌۭ
bayyinātun
সুস্পষ্ট
▶
مَّقَامُ
maqāmu
মাকামে
▶
إِبْرَٰهِيمَ ۖ
ib'rāhīma
ইব্রাহীম
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
دَخَلَهُۥ
dakhalahu
তাতে প্রবেশ করল
▶
كَانَ
kāna
সে হল
▶
ءَامِنًۭا ۗ
āminan
নিরাপদ
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহরই জন্য
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের
▶
حِجُّ
ḥijju
হজ্জ করা (ফরজ)
▶
ٱلْبَيْتِ
l-bayti
ঐ ঘরের
▶
مَنِ
mani
(তারাক্ষেত্রে) সে
▶
ٱسْتَطَاعَ
is'taṭāʿa
সমর্থ রাখে
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তার কাছে (পৌঁছুবার)
▶
سَبِيلًۭا ۚ
sabīlan
উপকরণের
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
كَفَرَ
kafara
অস্বীকার করল
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবে নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَنِىٌّ
ghaniyyun
মুখাপেক্ষীহীন
▶
عَنِ
ʿani
থেকে
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
দুনিয়াবাসীদের
আয়াত 98 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ يَـٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَـٰبِ لِمَ تَكْفُرُونَ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ وَٱللَّهُ شَهِيدٌ عَلَىٰ مَا تَعْمَلُونَ
বলুন, হে আহলে কিতাবগণ, কেন তোমরা আল্লাহর কিতাব অমান্য করছো, অথচ তোমরা যা কিছু কর, তা আল্লাহর সামনেই রয়েছে।
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
يَـٰٓأَهْلَ
yāahla
''হে আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
''কিতাব
▶
لِمَ
lima
কেন
▶
تَكْفُرُونَ
takfurūna
তোমরা অস্বীকার করছ
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
নিদর্শনাবলীকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
আর আল্লাহ
▶
شَهِيدٌ
shahīdun
সাক্ষী
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَا
mā
(তার) যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ''
আয়াত 99 - সূরা آل عمران: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ يَـٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَـٰبِ لِمَ تَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ مَنْ ءَامَنَ تَبْغُونَهَا عِوَجًۭا وَأَنتُمْ شُهَدَآءُ ۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَـٰفِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
বলুন, হে আহলে কিতাবগণ! কেন তোমরা আল্লাহর পথে ঈমানদারদিগকে বাধা দান কর-তোমরা তাদের দ্বীনের মধ্যে বক্রতা অনুপ্রবেশ করানোর পন্থা অনুসন্ধান কর, অথচ তোমরা এ পথের সত্যতা প্রত্যক্ষ করছ। বস্তুতঃ আল্লাহ তোমাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনবগত নন।
▶
قُلْ
qul
তুমি বল
▶
يَـٰٓأَهْلَ
yāahla
''হে আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাব
▶
لِمَ
lima
কেন
▶
تَصُدُّونَ
taṣuddūna
তোমরা বাধা দাও
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مَنْ
man
(তাকে) যে
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান এনেছে
▶
تَبْغُونَهَا
tabghūnahā
তাতে অনুসন্ধান করে
▶
عِوَجًۭا
ʿiwajan
বক্রতা
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
অথচ তোমরা
▶
شُهَدَآءُ ۗ
shuhadāu
প্রত্যক্ষ করছ
▶
وَمَا
wamā
এবং নন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِغَـٰفِلٍ
bighāfilin
গাফিল
▶
عَمَّا
ʿammā
তা হতে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ
আয়াত 100 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِن تُطِيعُوا۟ فَرِيقًۭا مِّنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ يَرُدُّوكُم بَعْدَ إِيمَـٰنِكُمْ كَـٰفِرِينَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আহলে কিতাবদের কোন ফেরকার কথা মান, তাহলে ঈমান আনার পর তারা তোমাদিগকে কাফেরে পরিণত করে দেবে।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
إِن
in
যদি
▶
تُطِيعُوا۟
tuṭīʿū
তোমরা আনুগত্য কর
▶
فَرِيقًۭا
farīqan
(কোন এক) দলের ও
▶
مِّنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
يَرُدُّوكُم
yaruddūkum
তোমাদেরকে ফিরাবে
▶
بَعْدَ
baʿda
পরে
▶
إِيمَـٰنِكُمْ
īmānikum
তোমাদের ঈমানের
▶
كَـٰفِرِينَ
kāfirīna
কাফির হিসেবে
আয়াত 101 - সূরা آل عمران: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَيْفَ تَكْفُرُونَ وَأَنتُمْ تُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ ءَايَـٰتُ ٱللَّهِ وَفِيكُمْ رَسُولُهُۥ ۗ وَمَن يَعْتَصِم بِٱللَّهِ فَقَدْ هُدِىَ إِلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍۢ
আর তোমরা কেমন করে কাফের হতে পার, অথচ তোমাদের সামনে পাঠ করা হয় আল্লাহর আয়াত সমূহ এবং তোমাদের মধ্যে রয়েছেন আল্লাহর রসূল। আর যারা আল্লাহর কথা দৃঢ়ভাবে ধরবে, তারা হেদায়েত প্রাপ্ত হবে সরল পথের।
▶
وَكَيْفَ
wakayfa
এবং কিরূপে
▶
تَكْفُرُونَ
takfurūna
তোমরা অস্বীকার করলে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
অথচ তোমরা (এমন যে)
▶
تُتْلَىٰ
tut'lā
পাঠ করা হয়
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের নিকট
▶
ءَايَـٰتُ
āyātu
আয়াত সমূহকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَفِيكُمْ
wafīkum
এবং তোমাদের মধ্যে (আছেন)
▶
رَسُولُهُۥ ۗ
rasūluhu
তাঁর রাসূল
▶
وَمَن
waman
এবং যে কেউ
▶
يَعْتَصِم
yaʿtaṣim
দৃঢ়ভাবে ধারণ করবে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর (রজ্জুকে)
▶
فَقَدْ
faqad
তাহলে নিশ্চয়
▶
هُدِىَ
hudiya
সে পরিচালিত হবে
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
صِرَٰطٍۢ
ṣirāṭin
পথের
▶
مُّسْتَقِيمٍۢ
mus'taqīmin
সরল সঠিক
আয়াত 102 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِۦ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
ٱتَّقُوا۟
ittaqū
তোমরা ভয় কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
حَقَّ
ḥaqqa
যথোপযুক্ত
▶
تُقَاتِهِۦ
tuqātihi
তাঁর ভয়
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَمُوتُنَّ
tamūtunna
তোমরা মৃত্যু বরণ করো
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
وَأَنتُم
wa-antum
যখন তোমরা
▶
مُّسْلِمُونَ
mus'limūna
মুসলমান
আয়াত 103 - সূরা آل عمران: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱعْتَصِمُوا۟ بِحَبْلِ ٱللَّهِ جَمِيعًۭا وَلَا تَفَرَّقُوا۟ ۚ وَٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ كُنتُمْ أَعْدَآءًۭ فَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِكُمْ فَأَصْبَحْتُم بِنِعْمَتِهِۦٓ إِخْوَٰنًۭا وَكُنتُمْ عَلَىٰ شَفَا حُفْرَةٍۢ مِّنَ ٱلنَّارِ فَأَنقَذَكُم مِّنْهَا ۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمْ ءَايَـٰتِهِۦ لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ। তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। অতঃপর তা থেকে তিনি তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনসমুহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হতে পার।
▶
وَٱعْتَصِمُوا۟
wa-iʿ'taṣimū
এবং তোমরা শক্ত ভাবে ধর
▶
بِحَبْلِ
biḥabli
রজ্জুকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সবাই একত্রে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
تَفَرَّقُوا۟ ۚ
tafarraqū
তোমরা বিচ্ছিন্ন হয়ো
▶
وَٱذْكُرُوا۟
wa-udh'kurū
এবং তোমরা স্মরণ কর
▶
نِعْمَتَ
niʿ'mata
নিয়ামাতের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা ছিলে
▶
أَعْدَآءًۭ
aʿdāan
(পরস্পর) শত্রু
▶
فَأَلَّفَ
fa-allafa
তখন মিলিয়ে দিলেন
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
قُلُوبِكُمْ
qulūbikum
তোমাদের অন্তরের
▶
فَأَصْبَحْتُم
fa-aṣbaḥtum
তোমরা তাই হয়ে গেলে
▶
بِنِعْمَتِهِۦٓ
biniʿ'matihi
তাঁর অনুগ্রহে
▶
إِخْوَٰنًۭا
ikh'wānan
ভাই ভাই
▶
وَكُنتُمْ
wakuntum
এবং তোমরা ছিলে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
شَفَا
shafā
কিনারার
▶
حُفْرَةٍۢ
ḥuf'ratin
গর্তের
▶
مِّنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
▶
فَأَنقَذَكُم
fa-anqadhakum
তোমাদের অতঃপর উদ্ধার করলেন
▶
مِّنْهَا ۗ
min'hā
তা হতে
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُبَيِّنُ
yubayyinu
বর্ণনা করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
তাঁর আয়াত সমূহকে
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমরা যাতে
▶
تَهْتَدُونَ
tahtadūna
সঠিক পথ পাও
আয়াত 104 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلْتَكُن مِّنكُمْ أُمَّةٌۭ يَدْعُونَ إِلَى ٱلْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِٱلْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ ٱلْمُنكَرِ ۚ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُفْلِحُونَ
আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম।
▶
وَلْتَكُن
waltakun
এবং অবশ্যই থাকবে
▶
مِّنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্যে
▶
أُمَّةٌۭ
ummatun
(এমন) একদল
▶
يَدْعُونَ
yadʿūna
(যারা) ডাকবে
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلْخَيْرِ
l-khayri
কল্যাণের
▶
وَيَأْمُرُونَ
wayamurūna
ও তারা নির্দেশ দিবে
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ
bil-maʿrūfi
ভাল (কাজের)
▶
وَيَنْهَوْنَ
wayanhawna
এবং তারা নিষেধ করবে
▶
عَنِ
ʿani
হতে
▶
ٱلْمُنكَرِ ۚ
l-munkari
মন্দ (কাজ)
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْمُفْلِحُونَ
l-muf'liḥūna
সফলকাম
আয়াত 105 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَكُونُوا۟ كَٱلَّذِينَ تَفَرَّقُوا۟ وَٱخْتَلَفُوا۟ مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلْبَيِّنَـٰتُ ۚ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌۭ
আর তাদের মত হয়ো না, যারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং নিদর্শন সমূহ আসার পরও বিরোধিতা করতে শুরু করেছে-তাদের জন্যে রয়েছে ভয়ঙ্কর আযাব।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
তোমরা হয়ো
▶
كَٱلَّذِينَ
ka-alladhīna
(তাদের) মত যারা
▶
تَفَرَّقُوا۟
tafarraqū
বিচ্ছিন্ন হয়েছিল
▶
وَٱخْتَلَفُوا۟
wa-ikh'talafū
এবং মতভেদ করেছিল
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
এর পরেও
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَهُمُ
jāahumu
এসেছিল তাদের (কাছে)
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتُ ۚ
l-bayinātu
স্পষ্ট নিদর্শনসমূহ
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং ঐসব লোক
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
আযাব
▶
عَظِيمٌۭ
ʿaẓīmun
কঠিন
আয়াত 106 - সূরা آل عمران: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ تَبْيَضُّ وُجُوهٌۭ وَتَسْوَدُّ وُجُوهٌۭ ۚ فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ٱسْوَدَّتْ وُجُوهُهُمْ أَكَفَرْتُم بَعْدَ إِيمَـٰنِكُمْ فَذُوقُوا۟ ٱلْعَذَابَ بِمَا كُنتُمْ تَكْفُرُونَ
সেদিন কোন কোন মুখ উজ্জ্বল হবে, আর কোন কোন মুখ হবে কালো। বস্তুতঃ যাদের মুখ কালো হবে, তাদের বলা হবে, তোমরা কি ঈমান আনার পর কাফের হয়ে গিয়েছিলে? এবার সে কুফরীর বিনিময়ে আযাবের আস্বাদ গ্রহণ কর।
▶
يَوْمَ
yawma
সে দিন
▶
تَبْيَضُّ
tabyaḍḍu
উজ্জ্বল হবে
▶
وُجُوهٌۭ
wujūhun
(অনেক) চেহারা
▶
وَتَسْوَدُّ
wataswaddu
ও মলিন হবে
▶
وُجُوهٌۭ ۚ
wujūhun
(অনেক) চেহারা
▶
فَأَمَّا
fa-ammā
অতঃপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
ٱسْوَدَّتْ
is'waddat
মলিন হবে
▶
وُجُوهُهُمْ
wujūhuhum
তাদের চেহারা
▶
أَكَفَرْتُم
akafartum
''(তাদের বলা হবে) তোমরা কুফরী করেছ কি
▶
بَعْدَ
baʿda
পরেও
▶
إِيمَـٰنِكُمْ
īmānikum
তোমাদের ঈমানের
▶
فَذُوقُوا۟
fadhūqū
তোমরা তাই স্বাদ গ্রহণ কর
▶
ٱلْعَذَابَ
l-ʿadhāba
আযাবের
▶
بِمَا
bimā
একারণে যা
▶
كُنتُمْ
kuntum
করতেছিলে
▶
تَكْفُرُونَ
takfurūna
তোমরা কুফরী''
আয়াত 107 - সূরা آل عمران: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَمَّا ٱلَّذِينَ ٱبْيَضَّتْ وُجُوهُهُمْ فَفِى رَحْمَةِ ٱللَّهِ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
আর যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে, তারা থাকবে রহমতের মাঝে। তাতে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।
▶
وَأَمَّا
wa-ammā
আর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
ٱبْيَضَّتْ
ib'yaḍḍat
উজ্জ্বল হবে
▶
وُجُوهُهُمْ
wujūhuhum
তাদের চেহারা
▶
فَفِى
fafī
অতঃপর মধ্যে
▶
رَحْمَةِ
raḥmati
রহমতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (আশ্রয় পাবে)
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে
আয়াত 108 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تِلْكَ ءَايَـٰتُ ٱللَّهِ نَتْلُوهَا عَلَيْكَ بِٱلْحَقِّ ۗ وَمَا ٱللَّهُ يُرِيدُ ظُلْمًۭا لِّلْعَـٰلَمِينَ
এগুলো হচ্ছে আল্লাহর নির্দেশ, যা তোমাদিগকে যথাযথ পাঠ করে শুনানো হচ্ছে। আর আল্লাহ বিশ্ব জাহানের প্রতি উৎপীড়ন করতে চান না।
▶
تِلْكَ
til'ka
এগুলো
▶
ءَايَـٰتُ
āyātu
আয়াত
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
نَتْلُوهَا
natlūhā
তা পড়ছি আমরা
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার নিকট
▶
بِٱلْحَقِّ ۗ
bil-ḥaqi
যথাযথভাবে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চান
▶
ظُلْمًۭا
ẓul'man
যুলুম করতে
▶
لِّلْعَـٰلَمِينَ
lil'ʿālamīna
দুনিয়াবাসীর উপর
আয়াত 109 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۚ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرْجَعُ ٱلْأُمُورُ
আর যা কিছু আসমান ও যমীনে রয়েছে সে সবই আল্লাহর এবং আল্লাহর প্রতিই সব কিছু প্রত্যাবর্তনশীল।
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহর জন্যে
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমানসমূহের
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ ۚ
l-arḍi
যমীনের
▶
وَإِلَى
wa-ilā
এবং দিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহরই
▶
تُرْجَعُ
tur'jaʿu
ফিরানো হয়
▶
ٱلْأُمُورُ
l-umūru
সকল বিষয়
আয়াত 110 - সূরা آل عمران: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِٱلْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ ٱلْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ ۗ وَلَوْ ءَامَنَ أَهْلُ ٱلْكِتَـٰبِ لَكَانَ خَيْرًۭا لَّهُم ۚ مِّنْهُمُ ٱلْمُؤْمِنُونَ وَأَكْثَرُهُمُ ٱلْفَـٰسِقُونَ
তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যানের জন্যেই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে। আর আহলে-কিতাবরা যদি ঈমান আনতো, তাহলে তা তাদের জন্য মঙ্গলকর হতো। তাদের মধ্যে কিছু তো রয়েছে ঈমানদার আর অধিকাংশই হলো পাপাচারী।
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হলে
▶
خَيْرَ
khayra
উত্তম
▶
أُمَّةٍ
ummatin
জাতি
▶
أُخْرِجَتْ
ukh'rijat
(তোমাদেরকে) বের করা হয়েছে
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের (কল্যাণের) জন্যে
▶
تَأْمُرُونَ
tamurūna
তোমরা নির্দেশ দাও
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ
bil-maʿrūfi
সৎকাজের
▶
وَتَنْهَوْنَ
watanhawna
ও তোমরা নিষেধ কর
▶
عَنِ
ʿani
হতে
▶
ٱلْمُنكَرِ
l-munkari
অসৎকাজ
▶
وَتُؤْمِنُونَ
watu'minūna
এবং তোমরা ঈমান রাখ
▶
بِٱللَّهِ ۗ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান আনত
▶
أَهْلُ
ahlu
আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবরা
▶
لَكَانَ
lakāna
অবশ্যই হত
▶
خَيْرًۭا
khayran
উত্তম
▶
لَّهُم ۚ
lahum
তাদের জন্যে
▶
مِّنْهُمُ
min'humu
তাদের মধ্যে কিছু
▶
ٱلْمُؤْمِنُونَ
l-mu'minūna
ঈমানদার (আছে)
▶
وَأَكْثَرُهُمُ
wa-aktharuhumu
কিন্তু অধিকাংশই তাদের
▶
ٱلْفَـٰسِقُونَ
l-fāsiqūna
নাফরমান
আয়াত 111 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَن يَضُرُّوكُمْ إِلَّآ أَذًۭى ۖ وَإِن يُقَـٰتِلُوكُمْ يُوَلُّوكُمُ ٱلْأَدْبَارَ ثُمَّ لَا يُنصَرُونَ
যৎসামান্য কষ্ট দেয়া ছাড়া তারা তোমাদের কোনই ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি তারা তোমাদের সাথে লড়াই করে, তাহলে তারা পশ্চাদপসরণ করবে। অতঃপর তাদের সাহায্য করা হবে না।
▶
لَن
lan
কক্ষণ না
▶
يَضُرُّوكُمْ
yaḍurrūkum
তোমাদেরকে ক্ষতি করতে পারবে
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَذًۭى ۖ
adhan
কষ্ট দেওয়া
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
يُقَـٰتِلُوكُمْ
yuqātilūkum
তোমাদের সাথে লড়ে তারা
▶
يُوَلُّوكُمُ
yuwallūkumu
তোমাদের দিকে ফিরাবে
▶
ٱلْأَدْبَارَ
l-adbāra
পিঠসমূহ
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَا
lā
না
▶
يُنصَرُونَ
yunṣarūna
তাদের সাহায্যও করা হবে
আয়াত 112 - সূরা آل عمران: 35 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ضُرِبَتْ عَلَيْهِمُ ٱلذِّلَّةُ أَيْنَ مَا ثُقِفُوٓا۟ إِلَّا بِحَبْلٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ وَحَبْلٍۢ مِّنَ ٱلنَّاسِ وَبَآءُو بِغَضَبٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ وَضُرِبَتْ عَلَيْهِمُ ٱلْمَسْكَنَةُ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانُوا۟ يَكْفُرُونَ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ وَيَقْتُلُونَ ٱلْأَنۢبِيَآءَ بِغَيْرِ حَقٍّۢ ۚ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا۟ وَّكَانُوا۟ يَعْتَدُونَ
আল্লাহর প্রতিশ্রুতি কিংবা মানুষের প্রতিশ্রুতি ব্যতিত ওরা যেখানেই অবস্থান করেছে সেখানেই তাদের ওপর লাঞ্ছনা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আর ওরা উপার্জন করেছে আল্লাহর গযব। ওদের উপর চাপানো হয়েছে গলগ্রহতা। তা এজন্যে যে, ওরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অনবরত অস্বীকার করেছে এবং নবীগনকে অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে। তার কারণ, ওরা নাফরমানী করেছে এবং সীমা লংঘন করেছে।
▶
ضُرِبَتْ
ḍuribat
মার পড়েছে
▶
عَلَيْهِمُ
ʿalayhimu
তাদের উপর
▶
ٱلذِّلَّةُ
l-dhilatu
লাঞ্ছনা ও অপমানের
▶
أَيْنَ
ayna
যেখানেই
▶
مَا
mā
(কি)
▶
ثُقِفُوٓا۟
thuqifū
তাদের পাওয়া গিয়েছে
▶
إِلَّا
illā
তবে এছাড়া
▶
بِحَبْلٍۢ
biḥablin
আশ্রয়ে
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَحَبْلٍۢ
waḥablin
অথবা আশ্রয়ে
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
وَبَآءُو
wabāū
ও তারা ঘেরা পড়েছে
▶
بِغَضَبٍۢ
bighaḍabin
গযব দ্বারা
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَضُرِبَتْ
waḍuribat
ও মার পড়েছে
▶
عَلَيْهِمُ
ʿalayhimu
তাদের উপর
▶
ٱلْمَسْكَنَةُ ۚ
l-maskanatu
দারিদ্রের
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِأَنَّهُمْ
bi-annahum
এই জন্যে যে
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা
▶
يَكْفُرُونَ
yakfurūna
অস্বীকার করেছিল
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
আয়াতগুলোকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَيَقْتُلُونَ
wayaqtulūna
ও তারা কতল করেছে
▶
ٱلْأَنۢبِيَآءَ
l-anbiyāa
নবীদেরকে
▶
بِغَيْرِ
bighayri
অন্যায়ভাবে
▶
حَقٍّۢ ۚ
ḥaqqin
(অধিকার)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِمَا
bimā
এ জন্যে যে
▶
عَصَوا۟
ʿaṣaw
তারা অবাধ্যতা করেছিল
▶
وَّكَانُوا۟
wakānū
এবং করত
▶
يَعْتَدُونَ
yaʿtadūna
তারা সীমালংঘন
আয়াত 113 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ لَيْسُوا۟ سَوَآءًۭ ۗ مِّنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ أُمَّةٌۭ قَآئِمَةٌۭ يَتْلُونَ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ ءَانَآءَ ٱلَّيْلِ وَهُمْ يَسْجُدُونَ
তারা সবাই সমান নয়। আহলে কিতাবদের মধ্যে কিছু লোক এমনও আছে যারা অবিচলভাবে আল্লাহর আয়াতসমূহ পাঠ করে এবং রাতের গভীরে তারা সেজদা করে।
▶
۞ لَيْسُوا۟
laysū
তারা নয়
▶
سَوَآءًۭ ۗ
sawāan
(সব) সমান
▶
مِّنْ
min
মধ্য হতে
▶
أَهْلِ
ahli
আহলে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবদের
▶
أُمَّةٌۭ
ummatun
(তাদের) একদল
▶
قَآئِمَةٌۭ
qāimatun
(সত্যের উপর) দাঁড়িয়ে আছে
▶
يَتْلُونَ
yatlūna
তারা পাঠ করে
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
আয়াত সমূহকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ءَانَآءَ
ānāa
সময়
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
وَهُمْ
wahum
ও তারা
▶
يَسْجُدُونَ
yasjudūna
সিজদা অবনত হয়
আয়াত 114 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ وَيَأْمُرُونَ بِٱلْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ ٱلْمُنكَرِ وَيُسَـٰرِعُونَ فِى ٱلْخَيْرَٰتِ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ مِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ
তারা আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং কল্যাণকর বিষয়ের নির্দেশ দেয়; অকল্যাণ থেকে বারণ করে এবং সৎকাজের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করতে থাকে। আর এরাই হল সৎকর্মশীল।
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
তারা ঈমান আনে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনে
▶
ٱلْـَٔاخِرِ
l-ākhiri
আখেরাতের
▶
وَيَأْمُرُونَ
wayamurūna
এবং তারা নির্দেশ দেয়
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ
bil-maʿrūfi
সৎকাজের
▶
وَيَنْهَوْنَ
wayanhawna
ও তারা নিষেধ করে
▶
عَنِ
ʿani
হতে
▶
ٱلْمُنكَرِ
l-munkari
অসৎ কাজ
▶
وَيُسَـٰرِعُونَ
wayusāriʿūna
ও তারা তৎপর হয়
▶
فِى
fī
ক্ষেত্রে
▶
ٱلْخَيْرَٰتِ
l-khayrāti
কল্যাণকর কাজগুলোর ক্ষেত্রে
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং তারাই
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلصَّـٰلِحِينَ
l-ṣāliḥīna
সৎলোকদের
আয়াত 115 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا يَفْعَلُوا۟ مِنْ خَيْرٍۢ فَلَن يُكْفَرُوهُ ۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌۢ بِٱلْمُتَّقِينَ
তারা যেসব সৎকাজ করবে, কোন অবস্থাতেই সেগুলোর প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করা হবে না। আর আল্লাহ পরহেযগারদের বিষয়ে অবগত।
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
يَفْعَلُوا۟
yafʿalū
তারা করবে
▶
مِنْ
min
কোন
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
কল্যাণ
▶
فَلَن
falan
কক্ষণ না
▶
يُكْفَرُوهُ ۗ
yuk'farūhu
তা অস্বীকার করা হবে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
অধিক অবহিত
▶
بِٱلْمُتَّقِينَ
bil-mutaqīna
মুত্তাকীদের সম্পর্কে
আয়াত 116 - সূরা آل عمران: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَن تُغْنِىَ عَنْهُمْ أَمْوَٰلُهُمْ وَلَآ أَوْلَـٰدُهُم مِّنَ ٱللَّهِ شَيْـًۭٔا ۖ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ ۚ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
নিশ্চয় যারা কাফের হয়, তাদের ধন সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর সামনে কখনও কোন কাজে আসবে না। আর তারাই হলো দোযখের আগুনের অধিবাসী। তারা সে আগুনে চিরকাল থাকবে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
لَن
lan
কক্ষণ না
▶
تُغْنِىَ
tugh'niya
উপকারে আসবে
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদের জন্যে
▶
أَمْوَٰلُهُمْ
amwāluhum
তাদের ধনসম্পদ
▶
وَلَآ
walā
আর না
▶
أَوْلَـٰدُهُم
awlāduhum
সন্তান সন্ততি তাদের
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
شَيْـًۭٔا ۖ
shayan
কিছু মাত্রই
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং ঐসব লোক
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী
▶
ٱلنَّارِ ۚ
l-nāri
জাহান্নামের আগুনের
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে
আয়াত 117 - সূরা آل عمران: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَثَلُ مَا يُنفِقُونَ فِى هَـٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا كَمَثَلِ رِيحٍۢ فِيهَا صِرٌّ أَصَابَتْ حَرْثَ قَوْمٍۢ ظَلَمُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ فَأَهْلَكَتْهُ ۚ وَمَا ظَلَمَهُمُ ٱللَّهُ وَلَـٰكِنْ أَنفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ
এ দুনিয়ার জীবনে যা কিছু ব্যয় করা হয়, তার তুলনা হলো ঝড়ো হাওয়ার মতো, যাতে রয়েছে তুষারের শৈত্য, যা সে জাতির শস্যক্ষেত্রে গিয়ে লেগেছে যারা নিজের জন্য মন্দ করেছে। অতঃপর সেগুলোকে নিঃশেষ করে দিয়েছে। বস্তুতঃ আল্লাহ তাদের উপর কোন অন্যায় করেননি, কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের উপর অত্যাচার করছিল।
▶
مَثَلُ
mathalu
উদাহরণ
▶
مَا
mā
যা
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
তারা খরচ করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
هَـٰذِهِ
hādhihi
এই
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
كَمَثَلِ
kamathali
উদাহরণ যেমন
▶
رِيحٍۢ
rīḥin
বায়ু
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে আছে
▶
صِرٌّ
ṣirrun
ভীষণ ঠান্ডা
▶
أَصَابَتْ
aṣābat
তা পড়ে
▶
حَرْثَ
ḥartha
ক্ষেতে
▶
قَوْمٍۢ
qawmin
লোকদের
▶
ظَلَمُوٓا۟
ẓalamū
জুলুম করেছে (যারা)
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদের (উপর)
▶
فَأَهْلَكَتْهُ ۚ
fa-ahlakathu
অতঃপর তা বরবাদ করে দেয়
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ظَلَمَهُمُ
ẓalamahumu
তাদের উপর জুলুম করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَلَـٰكِنْ
walākin
কিন্তু
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তারা নিজেরা (নিজেদের উপর)
▶
يَظْلِمُونَ
yaẓlimūna
জুলুম করেছিল
আয়াত 118 - সূরা آل عمران: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّخِذُوا۟ بِطَانَةًۭ مِّن دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًۭا وَدُّوا۟ مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ ٱلْبَغْضَآءُ مِنْ أَفْوَٰهِهِمْ وَمَا تُخْفِى صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ ۚ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ ٱلْـَٔايَـٰتِ ۖ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না-তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দেয়া হলো, যদি তোমরা তা অনুধাবন করতে সমর্থ হও।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
تَتَّخِذُوا۟
tattakhidhū
তোমরা গ্রহণ করো
▶
بِطَانَةًۭ
biṭānatan
অন্তরঙ্গ বন্ধু (হিসেবে)
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
دُونِكُمْ
dūnikum
তোমাদের ছাড়া (অমুসলমানদেরকে)
▶
لَا
lā
না
▶
يَأْلُونَكُمْ
yalūnakum
তারা তোমাদের সুযোগ ছাড়ে
▶
خَبَالًۭا
khabālan
অনিষ্ট সাধনে
▶
وَدُّوا۟
waddū
তারা কামনা করে
▶
مَا
mā
(তাই) যাতে
▶
عَنِتُّمْ
ʿanittum
তোমরা অসুবিধায় পড়
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়
▶
بَدَتِ
badati
প্রকাশ পেয়েছে
▶
ٱلْبَغْضَآءُ
l-baghḍāu
বিদ্বেষ
▶
مِنْ
min
হতে
▶
أَفْوَٰهِهِمْ
afwāhihim
তাদের মুখগুলো
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تُخْفِى
tukh'fī
গোপন করে
▶
صُدُورُهُمْ
ṣudūruhum
অন্তরগুলো তাদের
▶
أَكْبَرُ ۚ
akbaru
(তা আরও) গুরুতর
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়
▶
بَيَّنَّا
bayyannā
আমরা বর্ণনা করেছি
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্যে
▶
ٱلْـَٔايَـٰتِ ۖ
l-āyāti
নিদর্শনগুলোকে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تَعْقِلُونَ
taʿqilūna
অনুধাবন কর
আয়াত 119 - সূরা آل عمران: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هَـٰٓأَنتُمْ أُو۟لَآءِ تُحِبُّونَهُمْ وَلَا يُحِبُّونَكُمْ وَتُؤْمِنُونَ بِٱلْكِتَـٰبِ كُلِّهِۦ وَإِذَا لَقُوكُمْ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا وَإِذَا خَلَوْا۟ عَضُّوا۟ عَلَيْكُمُ ٱلْأَنَامِلَ مِنَ ٱلْغَيْظِ ۚ قُلْ مُوتُوا۟ بِغَيْظِكُمْ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ
দেখ! তোমরাই তাদের ভালবাস, কিন্তু তারা তোমাদের প্রতি মোটেও সদভাব পোষণ করে না। আর তোমরা সমস্ত কিতাবেই বিশ্বাস কর। অথচ তারা যখন তোমাদের সাথে এসে মিশে, বলে, আমরা ঈমান এনেছি। পক্ষান্তরে তারা যখন পৃথক হয়ে যায়, তখন তোমাদের উপর রোষবশতঃ আঙ্গুল কামড়াতে থাকে। বলুন, তোমরা আক্রোশে মরতে থাক। আর আল্লাহ মনের কথা ভালই জানেন।
▶
هَـٰٓأَنتُمْ
hāantum
তোমরাই তো
▶
أُو۟لَآءِ
ulāi
ঐসব লোক
▶
تُحِبُّونَهُمْ
tuḥibbūnahum
তাদেরকে ভালবাস
▶
وَلَا
walā
অথচ না
▶
يُحِبُّونَكُمْ
yuḥibbūnakum
তোমাদেরকে তারা ভালবাসে
▶
وَتُؤْمِنُونَ
watu'minūna
এবং তোমরা বিশ্বাস কর
▶
بِٱلْكِتَـٰبِ
bil-kitābi
কিতাবের উপর
▶
كُلِّهِۦ
kullihi
সবগুলোর
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
لَقُوكُمْ
laqūkum
তারা তোমাদের সাথে সাক্ষাৎ করে
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে
▶
ءَامَنَّا
āmannā
''আমরাও ঈমান এনেছি''
▶
وَإِذَا
wa-idhā
আর যখন
▶
خَلَوْا۟
khalaw
তারা একান্তে মিলে
▶
عَضُّوا۟
ʿaḍḍū
তারা কামড়ায়
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের বিরুদ্ধে
▶
ٱلْأَنَامِلَ
l-anāmila
(তাদের) আঙ্গুলগুলোকে
▶
مِنَ
mina
কারণে
▶
ٱلْغَيْظِ ۚ
l-ghayẓi
আক্রোশের
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
مُوتُوا۟
mūtū
তোমরা মরো
▶
بِغَيْظِكُمْ ۗ
bighayẓikum
তোমাদের আক্রোশে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
অধিক অবহিত
▶
بِذَاتِ
bidhāti
অবস্থা সম্পর্কে
▶
ٱلصُّدُورِ
l-ṣudūri
(তোমাদের) বুকের (অর্থাৎ অন্তরের)''
আয়াত 120 - সূরা آل عمران: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن تَمْسَسْكُمْ حَسَنَةٌۭ تَسُؤْهُمْ وَإِن تُصِبْكُمْ سَيِّئَةٌۭ يَفْرَحُوا۟ بِهَا ۖ وَإِن تَصْبِرُوا۟ وَتَتَّقُوا۟ لَا يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْـًٔا ۗ إِنَّ ٱللَّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطٌۭ
তোমাদের যদি কোন মঙ্গল হয়; তাহলে তাদের খারাপ লাগে। আর তোমাদের যদি অমঙ্গল হয় তাহলে আনন্দিত হয় আর তাতে যদি তোমরা ধৈর্য্যধারণ কর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে তাদের প্রতারণায় তোমাদের কোনই ক্ষতি হবে না। নিশ্চয়ই তারা যা কিছু করে সে সমস্তই আল্লাহর আয়ত্তে রয়েছে।
▶
إِن
in
যদি
▶
تَمْسَسْكُمْ
tamsaskum
তোমাদেরকে স্পর্শ করে
▶
حَسَنَةٌۭ
ḥasanatun
কোন কল্যাণ
▶
تَسُؤْهُمْ
tasu'hum
খারাপ লাগে তাদের
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
تُصِبْكُمْ
tuṣib'kum
তোমাদের পৌঁছে
▶
سَيِّئَةٌۭ
sayyi-atun
কোন অকল্যাণ
▶
يَفْرَحُوا۟
yafraḥū
তারা আনন্দ করে
▶
بِهَا ۖ
bihā
তাতে
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَصْبِرُوا۟
taṣbirū
তোমরা সবর কর
▶
وَتَتَّقُوا۟
watattaqū
ও তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর
▶
لَا
lā
না
▶
يَضُرُّكُمْ
yaḍurrukum
তোমাদের ক্ষতি করতে পারবে
▶
كَيْدُهُمْ
kayduhum
তাদের চক্রান্ত
▶
شَيْـًٔا ۗ
shayan
কিছুমাত্রই
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
তারা কাজ করছে
▶
مُحِيطٌۭ
muḥīṭun
বেষ্টন করে আছেন
আয়াত 121 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ غَدَوْتَ مِنْ أَهْلِكَ تُبَوِّئُ ٱلْمُؤْمِنِينَ مَقَـٰعِدَ لِلْقِتَالِ ۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
আর আপনি যখন পরিজনদের কাছ থেকে সকাল বেলা বেরিয়ে গিয়ে মুমিনগণকে যুদ্ধের অবস্থানে বিন্যস্ত করলেন, আর আল্লাহ সব বিষয়েই শোনেন এবং জানেন।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ কর) যখন
▶
غَدَوْتَ
ghadawta
তুমি সকালে বের হয়েছিলে
▶
مِنْ
min
হতে
▶
أَهْلِكَ
ahlika
তোমার পরিবার
▶
تُبَوِّئُ
tubawwi-u
মোতায়েন করছিলে
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
ঈমানদারদেরকে
▶
مَقَـٰعِدَ
maqāʿida
ঘাঁটিসমূহে
▶
لِلْقِتَالِ ۗ
lil'qitāli
লড়াইয়ের জন্য
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
سَمِيعٌ
samīʿun
সবকিছু শুনেন
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
সব কিছু জানেন
আয়াত 122 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ هَمَّت طَّآئِفَتَانِ مِنكُمْ أَن تَفْشَلَا وَٱللَّهُ وَلِيُّهُمَا ۗ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ ٱلْمُؤْمِنُونَ
যখন তোমাদের দুটি দল সাহস হারাবার উপক্রম হলো, অথচ আল্লাহ তাদের সাহায্যকারী ছিলেন, আর আল্লাহর উপরই ভরসা করা মুমিনদের উচিত।
▶
إِذْ
idh
(স্মরণ কর) যখন
▶
هَمَّت
hammat
মনস্থ করেছিলে
▶
طَّآئِفَتَانِ
ṭāifatāni
দুইদল
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্যকার
▶
أَن
an
(যে)
▶
تَفْشَلَا
tafshalā
দুর্বলতা প্রদর্শনের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
অথচ আল্লাহ
▶
وَلِيُّهُمَا ۗ
waliyyuhumā
তাদের উভয়ের পৃষ্ঠপোষক (ছিলেন)
▶
وَعَلَى
waʿalā
এবং উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহরই
▶
فَلْيَتَوَكَّلِ
falyatawakkali
ভরসা করা উচিত
▶
ٱلْمُؤْمِنُونَ
l-mu'minūna
ঈমানদারদের
আয়াত 123 - সূরা آل عمران: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ ٱللَّهُ بِبَدْرٍۢ وَأَنتُمْ أَذِلَّةٌۭ ۖ فَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
বস্তুতঃ আল্লাহ বদরের যুদ্ধে তোমাদের সাহায্য করেছেন, অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল। কাজেই আল্লাহকে ভয় করতে থাক, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হতে পারো।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়
▶
نَصَرَكُمُ
naṣarakumu
তোমাদের সাহায্য করেছিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِبَدْرٍۢ
bibadrin
বদরে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
অথচ তোমরা (ছিলে)
▶
أَذِلَّةٌۭ ۖ
adhillatun
দুর্বল
▶
فَٱتَّقُوا۟
fa-ittaqū
তোমরা তাই ভয় কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্কে
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমরা সম্ভবত
▶
تَشْكُرُونَ
tashkurūna
শোকর করবে
আয়াত 124 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ تَقُولُ لِلْمُؤْمِنِينَ أَلَن يَكْفِيَكُمْ أَن يُمِدَّكُمْ رَبُّكُم بِثَلَـٰثَةِ ءَالَـٰفٍۢ مِّنَ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ مُنزَلِينَ
আপনি যখন বলতে লাগলেন মুমিনগণকে-তোমাদের জন্য কি যথেষ্ট নয় যে, তোমাদের সাহায্যার্থে তোমাদের পালনকর্তা আসমান থেকে অবতীর্ণ তিন হাজার ফেরেশতা পাঠাবেন।
▶
إِذْ
idh
(স্মরণ কর) যখন
▶
تَقُولُ
taqūlu
তুমি বলেছিলে
▶
لِلْمُؤْمِنِينَ
lil'mu'minīna
মু'মিনদেরকে
▶
أَلَن
alan
''হবে না কি
▶
يَكْفِيَكُمْ
yakfiyakum
তোমাদের জন্য যথেষ্ট
▶
أَن
an
যে
▶
يُمِدَّكُمْ
yumiddakum
তোমাদের সাহায্য করবেন
▶
رَبُّكُم
rabbukum
তোমাদের রব
▶
بِثَلَـٰثَةِ
bithalāthati
দিয়ে তিন
▶
ءَالَـٰفٍۢ
ālāfin
সহস্র (ফেরেশতা)
▶
مِّنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ
l-malāikati
ফেরেশতাদের
▶
مُنزَلِينَ
munzalīna
অবতীর্ণ করা
আয়াত 125 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَلَىٰٓ ۚ إِن تَصْبِرُوا۟ وَتَتَّقُوا۟ وَيَأْتُوكُم مِّن فَوْرِهِمْ هَـٰذَا يُمْدِدْكُمْ رَبُّكُم بِخَمْسَةِ ءَالَـٰفٍۢ مِّنَ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ مُسَوِّمِينَ
অবশ্য তোমরা যদি সবর কর এবং বিরত থাক আর তারা যদি তখনই তোমাদের উপর চড়াও হয়, তাহলে তোমাদের পালনকর্তা চিহিߦ#2468; ঘোড়ার উপর পাঁচ হাজার ফেরেশতা তোমাদের সাহায্যে পাঠাতে পারেন।
▶
بَلَىٰٓ ۚ
balā
হ্যাঁ (নিশ্চয়)
▶
إِن
in
যদি
▶
تَصْبِرُوا۟
taṣbirū
তোমরা সবর কর
▶
وَتَتَّقُوا۟
watattaqū
ও (আল্লাহ্কে) ভয় কর
▶
وَيَأْتُوكُم
wayatūkum
আর (যদি) তোমাদের উপর আসবে (চড়াও হয়ে)
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
فَوْرِهِمْ
fawrihim
তাদের ত্বরিত গতিতে
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই (মুহূর্তে)
▶
يُمْدِدْكُمْ
yum'did'kum
তোমাদেরকে সাহায্য করবেন
▶
رَبُّكُم
rabbukum
তোমাদের রব
▶
بِخَمْسَةِ
bikhamsati
দিয়ে পাঁচ
▶
ءَالَـٰفٍۢ
ālāfin
সহস্র (ফেরেশতা)
▶
مِّنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ
l-malāikati
ফেরেশতাদের
▶
مُسَوِّمِينَ
musawwimīna
(যারা হবে) চিহ্ন যুক্ত
আয়াত 126 - সূরা آل عمران: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا جَعَلَهُ ٱللَّهُ إِلَّا بُشْرَىٰ لَكُمْ وَلِتَطْمَئِنَّ قُلُوبُكُم بِهِۦ ۗ وَمَا ٱلنَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِندِ ٱللَّهِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَكِيمِ
বস্তুতঃ এটা তো আল্লাহ তোমাদের সুসংবাদ দান করলেন, যাতে তোমাদের মনে এতে সান্ত্বনা আসতে পারে। আর সাহায্য শুধুমাত্র পরাক্রান্ত, মহাজ্ঞানী আল্লাহরই পক্ষ থেকে,
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
جَعَلَهُ
jaʿalahu
তা করেছিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
بُشْرَىٰ
bush'rā
সুসংবাদ হিসেবে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
وَلِتَطْمَئِنَّ
walitaṭma-inna
ও আশ্বস্ত করার জন্য
▶
قُلُوبُكُم
qulūbukum
তোমাদের অন্তরগুলো
▶
بِهِۦ ۗ
bihi
তা দিয়ে
▶
وَمَا
wamā
আর না
▶
ٱلنَّصْرُ
l-naṣru
বিজয় (আসে)
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
مِنْ
min
হতে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
ٱلْعَزِيزِ
l-ʿazīzi
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمِ
l-ḥakīmi
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 127 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِيَقْطَعَ طَرَفًۭا مِّنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَوْ يَكْبِتَهُمْ فَيَنقَلِبُوا۟ خَآئِبِينَ
যাতে ধবংস করে দেন কোন কোন কাফেরকে অথবা লাঞ্ছিত করে দেন-যেন ওরা বঞ্চিত হয়ে ফিরে যায়।
▶
لِيَقْطَعَ
liyaqṭaʿa
কাটার জন্য
▶
طَرَفًۭا
ṭarafan
একটি অংশকে
▶
مِّنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَفَرُوٓا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يَكْبِتَهُمْ
yakbitahum
তাদের লাঞ্ছনা দেয়ার (জন্য)
▶
فَيَنقَلِبُوا۟
fayanqalibū
ফলে তারা ফিরে যাবে
▶
خَآئِبِينَ
khāibīna
ব্যর্থ হয়ে
আয়াত 128 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَيْسَ لَكَ مِنَ ٱلْأَمْرِ شَىْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَـٰلِمُونَ
হয় আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন কিংবা তাদেরকে আযাব দেবেন। এ ব্যাপারে আপনার কোন করণীয় নাই। কারণ তারা রয়েছে অন্যায়ের উপর।
▶
لَيْسَ
laysa
নাই
▶
لَكَ
laka
তোমার জন্য
▶
مِنَ
mina
কোন
▶
ٱلْأَمْرِ
l-amri
এখতিয়ার
▶
شَىْءٌ
shayon
কোন কিছুরই
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يَتُوبَ
yatūba
তিনি মাফ করবেন
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদেরকে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يُعَذِّبَهُمْ
yuʿadhibahum
তাদেরকে আজাব দিবেন
▶
فَإِنَّهُمْ
fa-innahum
কেননা তারা নিশ্চয়
▶
ظَـٰلِمُونَ
ẓālimūna
জালিম
আয়াত 129 - সূরা آل عمران: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۚ يَغْفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ ۚ وَٱللَّهُ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
আর যা কিছু আসমান ও যমীনে রয়েছে, সেসবই আল্লাহর। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন, যাকে ইচ্ছা আযাব দান করবেন। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী, করুণাময়।
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহর জন্য
▶
مَا
mā
যা (কিছু)
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আসমান সমুহের
▶
وَمَا
wamā
আর যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ ۚ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
يَغْفِرُ
yaghfiru
তিনি মাফ করেন
▶
لِمَن
liman
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি ইচ্ছা করেন
▶
وَيُعَذِّبُ
wayuʿadhibu
ও তিনি আজাব দেন
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি ইচ্ছা করেন
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
মেহেরবান
আয়াত 130 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَأْكُلُوا۟ ٱلرِّبَوٰٓا۟ أَضْعَـٰفًۭا مُّضَـٰعَفَةًۭ ۖ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক, যাতে তোমরা কল্যাণ অর্জন করতে পারো।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
تَأْكُلُوا۟
takulū
তোমরা খেয়ো
▶
ٱلرِّبَوٰٓا۟
l-riba
সুদ
▶
أَضْعَـٰفًۭا
aḍʿāfan
বহুগুণে
▶
مُّضَـٰعَفَةًۭ ۖ
muḍāʿafatan
গুণ করা (অর্থাৎ চক্রবৃদ্ধিহারে)
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
আশা করা যায় তোমরা
▶
تُفْلِحُونَ
tuf'liḥūna
কল্যাণ লাভ করবে
আয়াত 131 - সূরা آل عمران: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱتَّقُوا۟ ٱلنَّارَ ٱلَّتِىٓ أُعِدَّتْ لِلْكَـٰفِرِينَ
এবং তোমরা সে আগুন থেকে বেঁচে থাক, যা কাফেরদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা আত্মরক্ষা কর
▶
ٱلنَّارَ
l-nāra
(সেই) আগুন হতে
▶
ٱلَّتِىٓ
allatī
যা
▶
أُعِدَّتْ
uʿiddat
তৈরী করা হয়েছে
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
কাফিরদের জন্য
আয়াত 132 - সূরা آل عمران: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
আর তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ ও রসূলের, যাতে তোমাদের উপর রহমত করা হয়।
▶
وَأَطِيعُوا۟
wa-aṭīʿū
এবং তোমরা আনুগত্য কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَٱلرَّسُولَ
wal-rasūla
ও রাসূলের
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
আশা করা যায়
▶
تُرْحَمُونَ
tur'ḥamūna
রহম করা হবে তোমাদেরকে
আয়াত 133 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَسَارِعُوٓا۟ إِلَىٰ مَغْفِرَةٍۢ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا ٱلسَّمَـٰوَٰتُ وَٱلْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ
তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা এবং জান্নাতের দিকে ছুটে যাও যার সীমানা হচ্ছে আসমান ও যমীন, যা তৈরী করা হয়েছে পরহেযগারদের জন্য।
▶
۞ وَسَارِعُوٓا۟
wasāriʿū
এবং তোমরা দ্রুত আস
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
مَغْفِرَةٍۢ
maghfiratin
ক্ষমার
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
وَجَنَّةٍ
wajannatin
ও জান্নাতের
▶
عَرْضُهَا
ʿarḍuhā
যার প্রশস্ততা
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتُ
l-samāwātu
আসমান সমূহের
▶
وَٱلْأَرْضُ
wal-arḍu
ও জমিনের (সমান)
▶
أُعِدَّتْ
uʿiddat
তৈরী করা হয়েছে
▶
لِلْمُتَّقِينَ
lil'muttaqīna
মুত্তাকীদের জন্য
আয়াত 134 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ فِى ٱلسَّرَّآءِ وَٱلضَّرَّآءِ وَٱلْكَـٰظِمِينَ ٱلْغَيْظَ وَٱلْعَافِينَ عَنِ ٱلنَّاسِ ۗ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلْمُحْسِنِينَ
যারা স্বচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে, বস্তুতঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদিগকেই ভালবাসেন।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
খরচ করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّرَّآءِ
l-sarāi
খুশীর (স্বচ্ছল অবস্থায়)
▶
وَٱلضَّرَّآءِ
wal-ḍarāi
ও কষ্টে (দুরাবস্থায়)
▶
وَٱلْكَـٰظِمِينَ
wal-kāẓimīna
এবং দমনকারী
▶
ٱلْغَيْظَ
l-ghayẓa
রাগ
▶
وَٱلْعَافِينَ
wal-ʿāfīna
ও মাফকারী
▶
عَنِ
ʿani
(প্রায়)
▶
ٱلنَّاسِ ۗ
l-nāsi
লোকদের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
আর আল্লাহ
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালোবাসেন
▶
ٱلْمُحْسِنِينَ
l-muḥ'sinīna
নেক লোকদেরকে
আয়াত 135 - সূরা آل عمران: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا۟ فَـٰحِشَةً أَوْ ظَلَمُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا۟ ٱللَّهَ فَٱسْتَغْفَرُوا۟ لِذُنُوبِهِمْ وَمَن يَغْفِرُ ٱلذُّنُوبَ إِلَّا ٱللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا۟ عَلَىٰ مَا فَعَلُوا۟ وَهُمْ يَعْلَمُونَ
তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা (এমন যে)
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
فَعَلُوا۟
faʿalū
তারা করে ফেলে
▶
فَـٰحِشَةً
fāḥishatan
অশ্লীলতা
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
ظَلَمُوٓا۟
ẓalamū
যুলুম করে ফেলে
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদের (উপর)
▶
ذَكَرُوا۟
dhakarū
স্মরণ করে (তৎক্ষণাৎ)
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
فَٱسْتَغْفَرُوا۟
fa-is'taghfarū
অতঃপর তারা মাফ চায়
▶
لِذُنُوبِهِمْ
lidhunūbihim
তাদের গুনাহর জন্য
▶
وَمَن
waman
আর কে (আছে)
▶
يَغْفِرُ
yaghfiru
(এমন যে) মাফ করতে পারে
▶
ٱلذُّنُوبَ
l-dhunūba
গুনাহ সমূহকে
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَلَمْ
walam
এবং না
▶
يُصِرُّوا۟
yuṣirrū
বাড়া বাড়ি করে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
(তার) উপর
▶
مَا
mā
যা
▶
فَعَلُوا۟
faʿalū
তারা করে ফেলেছে
▶
وَهُمْ
wahum
যখন তারা
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
জানেও
আয়াত 136 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ جَزَآؤُهُم مَّغْفِرَةٌۭ مِّن رَّبِّهِمْ وَجَنَّـٰتٌۭ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۚ وَنِعْمَ أَجْرُ ٱلْعَـٰمِلِينَ
তাদেরই জন্য প্রতিদান হলো তাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে প্রস্রবণ যেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। যারা কাজ করে তাদের জন্য কতইনা চমৎকার প্রতিদান।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
(তারা) ঐসব লোক
▶
جَزَآؤُهُم
jazāuhum
যাদেরে প্রতিফল (হলো)
▶
مَّغْفِرَةٌۭ
maghfiratun
ক্ষমা
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَجَنَّـٰتٌۭ
wajannātun
ও জান্নাত
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার তলদেশে
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্ণা সমূহ
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা চিরস্থায়ী হবে
▶
فِيهَا ۚ
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَنِعْمَ
waniʿ'ma
এবং কত উত্তম
▶
أَجْرُ
ajru
পুরস্কার (রয়েছে)
▶
ٱلْعَـٰمِلِينَ
l-ʿāmilīna
(সৎ) কর্মশীলদের (জন্য)
আয়াত 137 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِكُمْ سُنَنٌۭ فَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَٱنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَـٰقِبَةُ ٱلْمُكَذِّبِينَ
তোমাদের আগে অতীত হয়েছে অনেক ধরনের জীবনাচরণ। তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ যারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে তাদের পরিণতি কি হয়েছে।
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়
▶
خَلَتْ
khalat
অতীত হয়েছে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِكُمْ
qablikum
তোমাদের পূর্বে
▶
سُنَنٌۭ
sunanun
বহুযুগ
▶
فَسِيرُوا۟
fasīrū
তোমরা তাই ভ্রমণ কর
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
فَٱنظُرُوا۟
fa-unẓurū
অতঃপর তোমরা দেখ
▶
كَيْفَ
kayfa
কেমন
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
عَـٰقِبَةُ
ʿāqibatu
পরিণতি
▶
ٱلْمُكَذِّبِينَ
l-mukadhibīna
সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের
আয়াত 138 - সূরা آل عمران: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هَـٰذَا بَيَانٌۭ لِّلنَّاسِ وَهُدًۭى وَمَوْعِظَةٌۭ لِّلْمُتَّقِينَ
এই হলো মানুষের জন্য বর্ণনা। আর যারা ভয় করে তাদের জন্য উপদেশবাণী।
▶
هَـٰذَا
hādhā
এটা
▶
بَيَانٌۭ
bayānun
সুস্পষ্ট বাণী
▶
لِّلنَّاسِ
lilnnāsi
লোকদের জন্য
▶
وَهُدًۭى
wahudan
ও পথনির্দেশিকা
▶
وَمَوْعِظَةٌۭ
wamawʿiẓatun
ও উপদেশ
▶
لِّلْمُتَّقِينَ
lil'muttaqīna
মুত্তাকীদের জন্য
আয়াত 139 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَهِنُوا۟ وَلَا تَحْزَنُوا۟ وَأَنتُمُ ٱلْأَعْلَوْنَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে, তোমরাই জয়ী হবে।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَهِنُوا۟
tahinū
তোমরা মন ভাঙ্গা হয়ো
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
تَحْزَنُوا۟
taḥzanū
তোমরা চিন্তা করো
▶
وَأَنتُمُ
wa-antumu
এবং তোমরাই
▶
ٱلْأَعْلَوْنَ
l-aʿlawna
সমুন্নত হবে (বিজয়ী হবে)
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হও
▶
مُّؤْمِنِينَ
mu'minīna
ঈমানদার
আয়াত 140 - সূরা آل عمران: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن يَمْسَسْكُمْ قَرْحٌۭ فَقَدْ مَسَّ ٱلْقَوْمَ قَرْحٌۭ مِّثْلُهُۥ ۚ وَتِلْكَ ٱلْأَيَّامُ نُدَاوِلُهَا بَيْنَ ٱلنَّاسِ وَلِيَعْلَمَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَيَتَّخِذَ مِنكُمْ شُهَدَآءَ ۗ وَٱللَّهُ لَا يُحِبُّ ٱلظَّـٰلِمِينَ
তোমরা যদি আহত হয়ে থাক, তবে তারাও তো তেমনি আহত হয়েছে। আর এ দিনগুলোকে আমি মানুষের মধ্যে পালাক্রমে আবর্তন ঘটিয়ে থাকি। এভাবে আল্লাহ জানতে চান কারা ঈমানদার আর তিনি তোমাদের কিছু লোককে শহীদ হিসাবে গ্রহণ করতে চান। আর আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে ভালবাসেন না।
▶
إِن
in
যদিও
▶
يَمْسَسْكُمْ
yamsaskum
তোমাদের স্পর্শ করেছে (ওহুদে)
▶
قَرْحٌۭ
qarḥun
আঘাত
▶
فَقَدْ
faqad
তবে নিশ্চয়
▶
مَسَّ
massa
স্পর্শ করেছিল
▶
ٱلْقَوْمَ
l-qawma
(ঐ সব) লোকদেরও
▶
قَرْحٌۭ
qarḥun
আঘাত (বদরে)
▶
مِّثْلُهُۥ ۚ
mith'luhu
এর মত
▶
وَتِلْكَ
watil'ka
আর এই
▶
ٱلْأَيَّامُ
l-ayāmu
দিনগুলো
▶
نُدَاوِلُهَا
nudāwiluhā
তা আবর্তিত করি আমরা
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের
▶
وَلِيَعْلَمَ
waliyaʿlama
এবং জানেন যেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
(প্রকৃত) ঈমান এনেছে
▶
وَيَتَّخِذَ
wayattakhidha
ও গ্রহণ করেন
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্যে কতককে
▶
شُهَدَآءَ ۗ
shuhadāa
(সত্যের সাক্ষ্য) শহীদ হিসেবে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালোবাসেন
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
জালিমমদেরকে
আয়াত 141 - সূরা آل عمران: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِيُمَحِّصَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَيَمْحَقَ ٱلْكَـٰفِرِينَ
আর এ কারণে আল্লাহ ঈমানদারদেরকে পাক-সাফ করতে চান এবং কাফেরদেরকে ধবংস করে দিতে চান।
▶
وَلِيُمَحِّصَ
waliyumaḥḥiṣa
এবং যেন ছেঁটে বাছাই করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَيَمْحَقَ
wayamḥaqa
এবং চূর্ণ করেন (যেন)
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফিরদেরকে
আয়াত 142 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ حَسِبْتُمْ أَن تَدْخُلُوا۟ ٱلْجَنَّةَ وَلَمَّا يَعْلَمِ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ جَـٰهَدُوا۟ مِنكُمْ وَيَعْلَمَ ٱلصَّـٰبِرِينَ
তোমাদের কি ধারণা, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনও দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জেহাদ করেছে এবং কারা ধৈর্য্যশীল।
▶
أَمْ
am
কি
▶
حَسِبْتُمْ
ḥasib'tum
তোমরা ধারণা করেছ
▶
أَن
an
যে
▶
تَدْخُلُوا۟
tadkhulū
তোমরা প্রবেশ করবে
▶
ٱلْجَنَّةَ
l-janata
জান্নাতে
▶
وَلَمَّا
walammā
অথচ (এখনও) না
▶
يَعْلَمِ
yaʿlami
জেনেছেন (অর্থাৎ বাস্তবে দেখেননি)
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
جَـٰهَدُوا۟
jāhadū
জিহাদ করেছে
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্যে
▶
وَيَعْلَمَ
wayaʿlama
এবং তিনি জানেন
▶
ٱلصَّـٰبِرِينَ
l-ṣābirīna
ধৈর্যশীলদেরকে
আয়াত 143 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ كُنتُمْ تَمَنَّوْنَ ٱلْمَوْتَ مِن قَبْلِ أَن تَلْقَوْهُ فَقَدْ رَأَيْتُمُوهُ وَأَنتُمْ تَنظُرُونَ
আর তোমরা তো মৃত্যু আসার আগেই মরণ কামনা করতে, কাজেই এখন তো তোমরা তা চোখের সামনে উপস্থিত দেখতে পাচ্ছ।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تَمَنَّوْنَ
tamannawna
কামনা করছিলে
▶
ٱلْمَوْتَ
l-mawta
মৃত্যুর
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِ
qabli
ইতিপূর্বে
▶
أَن
an
(যে)
▶
تَلْقَوْهُ
talqawhu
তার সাক্ষাৎ পেতে
▶
فَقَدْ
faqad
অতঃপর নিশ্চয়
▶
رَأَيْتُمُوهُ
ra-aytumūhu
তা তোমরা দেখছ
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এবং তোমরা
▶
تَنظُرُونَ
tanẓurūna
প্রত্যক্ষ করছ
আয়াত 144 - সূরা آل عمران: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌۭ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِ ٱلرُّسُلُ ۚ أَفَإِي۟ن مَّاتَ أَوْ قُتِلَ ٱنقَلَبْتُمْ عَلَىٰٓ أَعْقَـٰبِكُمْ ۚ وَمَن يَنقَلِبْ عَلَىٰ عَقِبَيْهِ فَلَن يَضُرَّ ٱللَّهَ شَيْـًۭٔا ۗ وَسَيَجْزِى ٱللَّهُ ٱلشَّـٰكِرِينَ
আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নয়! তাঁর পূর্বেও বহু রসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে? বস্তুতঃ কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি-বৃদ্ধি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ, আল্লাহ তাদের সওয়াব দান করবেন।
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
مُحَمَّدٌ
muḥammadun
মুহাম্মদ (সাঃ)
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
رَسُولٌۭ
rasūlun
একজন রাসূল
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়
▶
خَلَتْ
khalat
অতীত হয়েছে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِهِ
qablihi
তাঁর পূর্বে
▶
ٱلرُّسُلُ ۚ
l-rusulu
(অনেক) রাসূল
▶
أَفَإِي۟ن
afa-in
কি তবে যদি
▶
مَّاتَ
māta
সে মারা যায়
▶
أَوْ
aw
বা
▶
قُتِلَ
qutila
নিহত হয়
▶
ٱنقَلَبْتُمْ
inqalabtum
তোমরা ফিরে যাবে
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
উপর
▶
أَعْقَـٰبِكُمْ ۚ
aʿqābikum
তোমাদের গোড়ালির (অর্থাৎ পিছন দিকে)
▶
وَمَن
waman
আর যে
▶
يَنقَلِبْ
yanqalib
ফিরে যাবে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
عَقِبَيْهِ
ʿaqibayhi
তার দুই গোড়ালির
▶
فَلَن
falan
তাহলে কক্ষনো না
▶
يَضُرَّ
yaḍurra
ক্ষতি করতে পারবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
شَيْـًۭٔا ۗ
shayan
কিছুই
▶
وَسَيَجْزِى
wasayajzī
এবং প্রতিফল দিবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلشَّـٰكِرِينَ
l-shākirīna
শোকরকারীদেরকে
আয়াত 145 - সূরা آل عمران: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا كَانَ لِنَفْسٍ أَن تَمُوتَ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ كِتَـٰبًۭا مُّؤَجَّلًۭا ۗ وَمَن يُرِدْ ثَوَابَ ٱلدُّنْيَا نُؤْتِهِۦ مِنْهَا وَمَن يُرِدْ ثَوَابَ ٱلْـَٔاخِرَةِ نُؤْتِهِۦ مِنْهَا ۚ وَسَنَجْزِى ٱلشَّـٰكِرِينَ
আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে। বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব। পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, তা থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
كَانَ
kāna
(সম্ভব)
▶
لِنَفْسٍ
linafsin
জন্য কোন প্রাণীর
▶
أَن
an
যে
▶
تَمُوتَ
tamūta
সে মরবে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতিক্রমে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
كِتَـٰبًۭا
kitāban
লিখিত
▶
مُّؤَجَّلًۭا ۗ
mu-ajjalan
নির্দিষ্ট সময়
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يُرِدْ
yurid
চায়
▶
ثَوَابَ
thawāba
সওয়াব
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
نُؤْتِهِۦ
nu'tihi
তাকে দিব আমরা
▶
مِنْهَا
min'hā
তা হতে
▶
وَمَن
waman
আর যে
▶
يُرِدْ
yurid
চায়
▶
ثَوَابَ
thawāba
সওয়াব
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
نُؤْتِهِۦ
nu'tihi
তাকে দিব আমরা
▶
مِنْهَا ۚ
min'hā
তা হতে
▶
وَسَنَجْزِى
wasanajzī
এবং আমরা শিগগীর প্রতিফল দিব
▶
ٱلشَّـٰكِرِينَ
l-shākirīna
শোকরকারীদেরকে
আয়াত 146 - সূরা آل عمران: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَأَيِّن مِّن نَّبِىٍّۢ قَـٰتَلَ مَعَهُۥ رِبِّيُّونَ كَثِيرٌۭ فَمَا وَهَنُوا۟ لِمَآ أَصَابَهُمْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَمَا ضَعُفُوا۟ وَمَا ٱسْتَكَانُوا۟ ۗ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلصَّـٰبِرِينَ
আর বহু নবী ছিলেন, যাঁদের সঙ্গী-সাথীরা তাঁদের অনুবর্তী হয়ে জেহাদ করেছে; আল্লাহর পথে-তাদের কিছু কষ্ট হয়েছে বটে, কিন্তু আল্লাহর রাহে তারা হেরেও যায়নি, ক্লান্তও হয়নি এবং দমেও যায়নি। আর যারা সবর করে, আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন।
▶
وَكَأَيِّن
waka-ayyin
এবং কত (ছিল)
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
نَّبِىٍّۢ
nabiyyin
নবী (যারা)
▶
قَـٰتَلَ
qātala
লড়াই করেছে (আল্লাহর পথে)
▶
مَعَهُۥ
maʿahu
তাঁর সাথে (ছিল)
▶
رِبِّيُّونَ
ribbiyyūna
আল্লাহ ওয়ালা লোকেরা
▶
كَثِيرٌۭ
kathīrun
অনেক
▶
فَمَا
famā
অতঃপর না
▶
وَهَنُوا۟
wahanū
তারা হতাশ হয়েছে
▶
لِمَآ
limā
(তারা) জন্য যা
▶
أَصَابَهُمْ
aṣābahum
তাদের (উপর) আপতিত হয়েছে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ضَعُفُوا۟
ḍaʿufū
দুর্বলতা দেখিয়েছে
▶
وَمَا
wamā
আর না
▶
ٱسْتَكَانُوا۟ ۗ
is'takānū
তারা মাথা নত করেছে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
আর আল্লাহ
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালোবাসেন
▶
ٱلصَّـٰبِرِينَ
l-ṣābirīna
সবরকারীদেরকে
আয়াত 147 - সূরা آل عمران: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا كَانَ قَوْلَهُمْ إِلَّآ أَن قَالُوا۟ رَبَّنَا ٱغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِىٓ أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَٱنصُرْنَا عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْكَـٰفِرِينَ
তারা আর কিছুই বলেনি-শুধু বলেছে, হে আমাদের পালনকর্তা! মোচন করে দাও আমাদের পাপ এবং যা কিছু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে আমাদের কাজে। আর আমাদিগকে দৃঢ় রাখ এবং কাফেরদের উপর আমাদিগকে সাহায্য কর।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
قَوْلَهُمْ
qawlahum
তাদের কথা
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَن
an
যে
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
رَبَّنَا
rabbanā
''হে আমাদের রব
▶
ٱغْفِرْ
igh'fir
মাফ কর
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
ذُنُوبَنَا
dhunūbanā
আমাদের গুনাহ সমূহকে
▶
وَإِسْرَافَنَا
wa-is'rāfanā
ও আমাদের বাড়াবাড়িকে
▶
فِىٓ
fī
ক্ষেত্রে
▶
أَمْرِنَا
amrinā
আমাদের কাজের
▶
وَثَبِّتْ
wathabbit
এবং দৃঢ় কর
▶
أَقْدَامَنَا
aqdāmanā
আমাদের পদক্ষেপ
▶
وَٱنصُرْنَا
wa-unṣur'nā
এবং আমাদের সাহায্য কর
▶
عَلَى
ʿalā
বিরুদ্ধে
▶
ٱلْقَوْمِ
l-qawmi
জাতির
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফির''
আয়াত 148 - সূরা آل عمران: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَـَٔاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ ثَوَابَ ٱلدُّنْيَا وَحُسْنَ ثَوَابِ ٱلْـَٔاخِرَةِ ۗ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلْمُحْسِنِينَ
অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়ার সওয়াব দান করেছেন এবং যথার্থ আখেরাতের সওয়াব। আর যারা সৎকর্মশীল আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন।
▶
فَـَٔاتَىٰهُمُ
faātāhumu
অবশেষে তাদের দিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ثَوَابَ
thawāba
সওয়াব
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ায়
▶
وَحُسْنَ
waḥus'na
ও উত্তম
▶
ثَوَابِ
thawābi
সওয়াব
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ ۗ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
পছন্দ করেন
▶
ٱلْمُحْسِنِينَ
l-muḥ'sinīna
সৎকর্মশালীদেরকে
আয়াত 149 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِن تُطِيعُوا۟ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يَرُدُّوكُمْ عَلَىٰٓ أَعْقَـٰبِكُمْ فَتَنقَلِبُوا۟ خَـٰسِرِينَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি কাফেরদের কথা শোন, তাহলে ওরা তোমাদেরকে পেছনে ফিরিয়ে দেবে, তাতে তোমরা ক্ষতির সম্মুখীণ হয়ে পড়বে।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
إِن
in
যদি
▶
تُطِيعُوا۟
tuṭīʿū
তোমরা আনুগত্য কর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
يَرُدُّوكُمْ
yaruddūkum
তোমাদের তারা ফিরিয়ে দিবে
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
উপর
▶
أَعْقَـٰبِكُمْ
aʿqābikum
তোমাদের গোড়ালির (অর্থাৎ পিছন দিকে)
▶
فَتَنقَلِبُوا۟
fatanqalibū
ফলে তোমরা ফিরবে
▶
خَـٰسِرِينَ
khāsirīna
ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে
আয়াত 150 - সূরা آل عمران: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَلِ ٱللَّهُ مَوْلَىٰكُمْ ۖ وَهُوَ خَيْرُ ٱلنَّـٰصِرِينَ
বরং আল্লাহ তোমাদের সাহায্যকারী, আর তাঁর সাহায্যই হচ্ছে উত্তম সাহায্য।
▶
بَلِ
bali
বরং
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَوْلَىٰكُمْ ۖ
mawlākum
তোমাদের অভিভাবক
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনিই
▶
خَيْرُ
khayru
উত্তম
▶
ٱلنَّـٰصِرِينَ
l-nāṣirīna
সাহায্যকারীদের (মধ্যে)
আয়াত 151 - সূরা آل عمران: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
سَنُلْقِى فِى قُلُوبِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ٱلرُّعْبَ بِمَآ أَشْرَكُوا۟ بِٱللَّهِ مَا لَمْ يُنَزِّلْ بِهِۦ سُلْطَـٰنًۭا ۖ وَمَأْوَىٰهُمُ ٱلنَّارُ ۚ وَبِئْسَ مَثْوَى ٱلظَّـٰلِمِينَ
খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করবো। কারণ, ওরা আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ করা হয়নি। আর ওদের ঠিকানা হলো দোযখের আগুন। বস্তুতঃ জালেমদের ঠিকানা অত্যন্ত নিকৃষ্ট।
▶
سَنُلْقِى
sanul'qī
আমরা শীঘ্রই সঞ্চার করব
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
قُلُوبِ
qulūbi
অন্তরগুলোর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
ٱلرُّعْبَ
l-ruʿ'ba
ভীতি
▶
بِمَآ
bimā
এ কারণে যে
▶
أَشْرَكُوا۟
ashrakū
তারা শিরক করেছে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর সাথে
▶
مَا
mā
যার
▶
لَمْ
lam
না
▶
يُنَزِّلْ
yunazzil
তিনি অবতীর্ণ করেছেন
▶
بِهِۦ
bihi
সে ব্যাপারে
▶
سُلْطَـٰنًۭا ۖ
sul'ṭānan
কোনো প্রমাণ
▶
وَمَأْوَىٰهُمُ
wamawāhumu
এবং তাদের ঠিকানা (হবে)
▶
ٱلنَّارُ ۚ
l-nāru
(জাহান্নামের) আগুন
▶
وَبِئْسَ
wabi'sa
এবং অতি নিকৃষ্ট
▶
مَثْوَى
mathwā
আবাসস্থল
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
জালিমদের (জন্য)
আয়াত 152 - সূরা آل عمران: 40 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ صَدَقَكُمُ ٱللَّهُ وَعْدَهُۥٓ إِذْ تَحُسُّونَهُم بِإِذْنِهِۦ ۖ حَتَّىٰٓ إِذَا فَشِلْتُمْ وَتَنَـٰزَعْتُمْ فِى ٱلْأَمْرِ وَعَصَيْتُم مِّنۢ بَعْدِ مَآ أَرَىٰكُم مَّا تُحِبُّونَ ۚ مِنكُم مَّن يُرِيدُ ٱلدُّنْيَا وَمِنكُم مَّن يُرِيدُ ٱلْـَٔاخِرَةَ ۚ ثُمَّ صَرَفَكُمْ عَنْهُمْ لِيَبْتَلِيَكُمْ ۖ وَلَقَدْ عَفَا عَنكُمْ ۗ وَٱللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ
আর আল্লাহ সে ওয়াদাকে সত্যে পরিণত করেছেন, যখন তোমরা তাঁরই নির্দেশে ওদের খতম করছিলে। এমনকি যখন তোমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েছে ও কর্তব্য স্থির করার ব্যাপারে বিবাদে লিপ্ত হয়েছে। আর যা তোমরা চাইতে তা দেখার পর কৃতঘ্নতা প্রদর্শন করেছ, তাতে তোমাদের কারো কাম্য ছিল দুনিয়া আর কারো বা কাম্য ছিল আখেরাত। অতঃপর তোমাদিগকে সরিয়ে দিলেন ওদের উপর থেকে যাতে তোমাদিগকে পরীক্ষা করেন। বস্তুতঃ তিনি তোমাদিগকে ক্ষমা করেছেন। আর আল্লাহর মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহশীল।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়
▶
صَدَقَكُمُ
ṣadaqakumu
তোমাদেরকে সত্য করে দেখিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَعْدَهُۥٓ
waʿdahu
তাঁর ওয়াদা
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
تَحُسُّونَهُم
taḥussūnahum
তাদেরকে তোমরা হত্যা করছিলে
▶
بِإِذْنِهِۦ ۖ
bi-idh'nihi
তাঁর নির্দেশে
▶
حَتَّىٰٓ
ḥattā
এমনকি
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
فَشِلْتُمْ
fashil'tum
তোমরা দূর্বলতা দেখালে
▶
وَتَنَـٰزَعْتُمْ
watanāzaʿtum
এবং তোমরা মতবিরোধ করলে
▶
فِى
fī
ক্ষেত্রে
▶
ٱلْأَمْرِ
l-amri
কাজের
▶
وَعَصَيْتُم
waʿaṣaytum
ও তোমরা অবাধ্য হলে
▶
مِّنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
এরপরও
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَرَىٰكُم
arākum
তোমাদের তিনি দেখালেন
▶
مَّا
mā
যা
▶
تُحِبُّونَ ۚ
tuḥibbūna
তোমরা ভালবাস
▶
مِنكُم
minkum
তোমাদের মধ্যে (কিছু আছে)
▶
مَّن
man
(এমন) যারা
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চায়
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়া
▶
وَمِنكُم
waminkum
এবং তোমাদের মধ্যে কিছু (আছে)
▶
مَّن
man
(এমনও) যারা
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চায়
▶
ٱلْـَٔاخِرَةَ ۚ
l-ākhirata
আখিরাত
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
صَرَفَكُمْ
ṣarafakum
তোমাদেরকে ফিরালেন
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদের থেকে
▶
لِيَبْتَلِيَكُمْ ۖ
liyabtaliyakum
তোমাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং অবশ্য
▶
عَفَا
ʿafā
মাফ করেছেন
▶
عَنكُمْ ۗ
ʿankum
তোমাদেরকে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
ذُو
dhū
(একটি)
▶
فَضْلٍ
faḍlin
অনুগ্রহশীল
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
ঈমানদারদের
আয়াত 153 - সূরা آل عمران: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ إِذْ تُصْعِدُونَ وَلَا تَلْوُۥنَ عَلَىٰٓ أَحَدٍۢ وَٱلرَّسُولُ يَدْعُوكُمْ فِىٓ أُخْرَىٰكُمْ فَأَثَـٰبَكُمْ غَمًّۢا بِغَمٍّۢ لِّكَيْلَا تَحْزَنُوا۟ عَلَىٰ مَا فَاتَكُمْ وَلَا مَآ أَصَـٰبَكُمْ ۗ وَٱللَّهُ خَبِيرٌۢ بِمَا تَعْمَلُونَ
আর তোমরা উপরে উঠে যাচ্ছিলে এবং পেছন দিকে ফিরে তাকাচ্ছিলে না কারো প্রতি, অথচ রসূল ডাকছিলেন তোমাদিগকে তোমাদের পেছন দিক থেকে। অতঃপর তোমাদের উপর এলো শোকের ওপরে শোক, যাতে তোমরা হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়া বস্তুর জন্য দুঃখ না কর এবং যার সম্মুখীণ হচ্ছ সেজন্য বিমর্ষ না হও। আর আল্লাহ তোমাদের কাজের ব্যাপারে অবহিত রয়েছেন।
▶
۞ إِذْ
idh
(স্মরণ কর) যখন
▶
تُصْعِدُونَ
tuṣ'ʿidūna
তোমরা উর্ধ্বমুখে চলছিলে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَلْوُۥنَ
talwūna
তোমরা ফিরে তাকাচ্ছিলে
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
প্রতি
▶
أَحَدٍۢ
aḥadin
কারো
▶
وَٱلرَّسُولُ
wal-rasūlu
এবং রাসূল
▶
يَدْعُوكُمْ
yadʿūkum
তোমাদেরকে ডাকছিল
▶
فِىٓ
fī
(মধ্যে)
▶
أُخْرَىٰكُمْ
ukh'rākum
তোমাদের পিছনে
▶
فَأَثَـٰبَكُمْ
fa-athābakum
তোমাদেরকে তখন পৌঁছালেন
▶
غَمًّۢا
ghamman
দুঃখ
▶
بِغَمٍّۢ
bighammin
দুঃখের পর
▶
لِّكَيْلَا
likaylā
না যেন
▶
تَحْزَنُوا۟
taḥzanū
তোমরা বিষণ্ন হও
▶
عَلَىٰ
ʿalā
(তা) জন্য
▶
مَا
mā
যা
▶
فَاتَكُمْ
fātakum
তোমরা হারিয়েছ
▶
وَلَا
walā
আর না (দুঃখ কর)
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَصَـٰبَكُمْ ۗ
aṣābakum
তোমাদের পৌঁছেছে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
خَبِيرٌۢ
khabīrun
খুব অবহিত
▶
بِمَا
bimā
ঐবিষয়ে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ
আয়াত 154 - সূরা آل عمران: 75 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ أَنزَلَ عَلَيْكُم مِّنۢ بَعْدِ ٱلْغَمِّ أَمَنَةًۭ نُّعَاسًۭا يَغْشَىٰ طَآئِفَةًۭ مِّنكُمْ ۖ وَطَآئِفَةٌۭ قَدْ أَهَمَّتْهُمْ أَنفُسُهُمْ يَظُنُّونَ بِٱللَّهِ غَيْرَ ٱلْحَقِّ ظَنَّ ٱلْجَـٰهِلِيَّةِ ۖ يَقُولُونَ هَل لَّنَا مِنَ ٱلْأَمْرِ مِن شَىْءٍۢ ۗ قُلْ إِنَّ ٱلْأَمْرَ كُلَّهُۥ لِلَّهِ ۗ يُخْفُونَ فِىٓ أَنفُسِهِم مَّا لَا يُبْدُونَ لَكَ ۖ يَقُولُونَ لَوْ كَانَ لَنَا مِنَ ٱلْأَمْرِ شَىْءٌۭ مَّا قُتِلْنَا هَـٰهُنَا ۗ قُل لَّوْ كُنتُمْ فِى بُيُوتِكُمْ لَبَرَزَ ٱلَّذِينَ كُتِبَ عَلَيْهِمُ ٱلْقَتْلُ إِلَىٰ مَضَاجِعِهِمْ ۖ وَلِيَبْتَلِىَ ٱللَّهُ مَا فِى صُدُورِكُمْ وَلِيُمَحِّصَ مَا فِى قُلُوبِكُمْ ۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ
অতঃপর তোমাদের উপর শোকের পর শান্তি অবতীর্ণ করলেন, যা ছিল তন্দ্রার মত। সে তন্দ্রায় তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ ঝিমোচ্ছিল আর কেউ কেউ প্রাণের ভয়ে ভাবছিল। আল্লাহ সম্পর্কে তাদের মিথ্যা ধারণা হচ্ছিল মুর্খদের মত। তারা বলছিল আমাদের হাতে কি কিছুই করার নেই? তুমি বল, সবকিছুই আল্লাহর হাতে। তারা যা কিছু মনে লুকিয়ে রাখে-তোমার নিকট প্রকাশ করে না সে সবও। তারা বলে আমাদের হাতে যদি কিছু করার থাকতো, তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না। তুমি বল, তোমরা যদি নিজেদের ঘরেও থাকতে তবুও তারা অবশ্যই বেরিয়ে আসত নিজেদের অবস্থান থেকে যাদের মৃত্যু লিখে দেয়া হয়েছে। তোমাদের বুকে যা রয়েছে তার পরীক্ষা করা ছিল আল্লাহর ইচ্ছা, আর তোমাদের অন্তরে যা কিছু রয়েছে তা পরিষ্কার করা ছিল তাঁর কাম্য। আল্লাহ মনের গোপন বিষয় জানেন।
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
أَنزَلَ
anzala
তিনি অবতীর্ণ করলেন
▶
عَلَيْكُم
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
مِّنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
ٱلْغَمِّ
l-ghami
দুঃখের
▶
أَمَنَةًۭ
amanatan
প্রশান্তি
▶
نُّعَاسًۭا
nuʿāsan
তন্দ্রারূপে
▶
يَغْشَىٰ
yaghshā
আচ্ছন্ন করে
▶
طَآئِفَةًۭ
ṭāifatan
একটি দলকে (মুমিনদেরকে)
▶
مِّنكُمْ ۖ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
وَطَآئِفَةٌۭ
waṭāifatun
কিন্তু (আর) একটি দল (অর্থাৎ মুনাফিকরা)
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়
▶
أَهَمَّتْهُمْ
ahammathum
তাদেরকে গুরুত্ব দিল
▶
أَنفُسُهُمْ
anfusuhum
তারা নিজেরা
▶
يَظُنُّونَ
yaẓunnūna
ধারণা করে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর ব্যাপারে
▶
غَيْرَ
ghayra
বিপরীত
▶
ٱلْحَقِّ
l-ḥaqi
সত্যের
▶
ظَنَّ
ẓanna
ধারণা
▶
ٱلْجَـٰهِلِيَّةِ ۖ
l-jāhiliyati
জাহিলিয়্যাতের
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলে
▶
هَل
hal
''কি
▶
لَّنَا
lanā
আমাদের জন্য (আছে)
▶
مِنَ
mina
কোন
▶
ٱلْأَمْرِ
l-amri
এখতিয়ার
▶
مِن
min
কোন
▶
شَىْءٍۢ ۗ
shayin
কিছুর''
▶
قُلْ
qul
বল
▶
إِنَّ
inna
''নিশ্চয়
▶
ٱلْأَمْرَ
l-amra
এখতিয়ার
▶
كُلَّهُۥ
kullahu
সবটাই
▶
لِلَّهِ ۗ
lillahi
আল্লাহরই জন্য''
▶
يُخْفُونَ
yukh'fūna
তারা লুকায়
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَنفُسِهِم
anfusihim
তাদের মনের
▶
مَّا
mā
যা
▶
لَا
lā
না
▶
يُبْدُونَ
yub'dūna
তারা প্রকাশ করে
▶
لَكَ ۖ
laka
তোমার কাছে
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলে
▶
لَوْ
law
''যদি
▶
كَانَ
kāna
থাকত
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مِنَ
mina
কোন
▶
ٱلْأَمْرِ
l-amri
এখতিয়ার
▶
شَىْءٌۭ
shayon
কোন কিছুর
▶
مَّا
mā
না
▶
قُتِلْنَا
qutil'nā
আমরা নিহত হতাম
▶
هَـٰهُنَا ۗ
hāhunā
এখানে''
▶
قُل
qul
বল
▶
لَّوْ
law
''যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হতে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
بُيُوتِكُمْ
buyūtikum
তোমাদের ঘরের
▶
لَبَرَزَ
labaraza
অবশ্যই বের হতো
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারা) যাদের
▶
كُتِبَ
kutiba
লেখা হয়েছে
▶
عَلَيْهِمُ
ʿalayhimu
তাদের উপর
▶
ٱلْقَتْلُ
l-qatlu
নিহত হওয়া
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
مَضَاجِعِهِمْ ۖ
maḍājiʿihim
তাদের নিহত হওয়ার জায়গাগুলোর
▶
وَلِيَبْتَلِىَ
waliyabtaliya
এবং পরীক্ষা করার জন্য (এটা ঘটিয়েছেন)
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
صُدُورِكُمْ
ṣudūrikum
তোমাদের বুকে (অর্থাৎ অন্তরে)
▶
وَلِيُمَحِّصَ
waliyumaḥḥiṣa
এবং বিশুদ্ধ করার জন্য
▶
مَا
mā
যা
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
قُلُوبِكُمْ ۗ
qulūbikum
তোমাদের অন্তরগুলোতে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
খুব অবহিত
▶
بِذَاتِ
bidhāti
অবস্থা সম্পর্কে
▶
ٱلصُّدُورِ
l-ṣudūri
অন্তরের
আয়াত 155 - সূরা آل عمران: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ تَوَلَّوْا۟ مِنكُمْ يَوْمَ ٱلْتَقَى ٱلْجَمْعَانِ إِنَّمَا ٱسْتَزَلَّهُمُ ٱلشَّيْطَـٰنُ بِبَعْضِ مَا كَسَبُوا۟ ۖ وَلَقَدْ عَفَا ٱللَّهُ عَنْهُمْ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ حَلِيمٌۭ
তোমাদের যে দুটি দল লড়াইয়ের দিনে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল শয়তান তাদেরকে বিভ্রান্ত করেছিল, তাদেরই পাপের দরুন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
تَوَلَّوْا۟
tawallaw
পিঠটান দিয়েছে
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْتَقَى
l-taqā
মুকাবিলার
▶
ٱلْجَمْعَانِ
l-jamʿāni
দুই দলের
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলত
▶
ٱسْتَزَلَّهُمُ
is'tazallahumu
তাদেরকে পদস্খলন ঘটিয়েছিল
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
بِبَعْضِ
bibaʿḍi
কিছু জিনিসের কারণে
▶
مَا
mā
যা
▶
كَسَبُوا۟ ۖ
kasabū
তারা উপার্জন করেছিল
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়
▶
عَفَا
ʿafā
মাফ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَنْهُمْ ۗ
ʿanhum
তাদেরকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
حَلِيمٌۭ
ḥalīmun
বড় সহনশীল
আয়াত 156 - সূরা آل عمران: 36 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَكُونُوا۟ كَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَقَالُوا۟ لِإِخْوَٰنِهِمْ إِذَا ضَرَبُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ أَوْ كَانُوا۟ غُزًّۭى لَّوْ كَانُوا۟ عِندَنَا مَا مَاتُوا۟ وَمَا قُتِلُوا۟ لِيَجْعَلَ ٱللَّهُ ذَٰلِكَ حَسْرَةًۭ فِى قُلُوبِهِمْ ۗ وَٱللَّهُ يُحْىِۦ وَيُمِيتُ ۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌۭ
হে ঈমাণদারগণ! তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা কাফের হয়েছে এবং নিজেদের ভাই বন্ধুরা যখন কোন অভিযানে বের হয় কিংবা জেহাদে যায়, তখন তাদের সম্পর্কে বলে, তারা যদি আমাদের সাথে থাকতো, তাহলে মরতোও না আহতও হতো না। যাতে তারা এ ধারণা সৃষ্টির মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের মনে অনুতাপ সৃষ্টি করতে পারে। অথচ আল্লাহই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দেন। তোমাদের সমস্ত কাজই, তোমরা যা কিছুই কর না কেন, আল্লাহ সবকিছুৃই দেখেন।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
তোমরা হয়ো
▶
كَٱلَّذِينَ
ka-alladhīna
(তাদের) মতো যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
ও তারা বলেছে
▶
لِإِخْوَٰنِهِمْ
li-ikh'wānihim
তাদের ভাইদেরকে
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
ضَرَبُوا۟
ḍarabū
তারা ভ্রমণ করে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
দেশেবিদেশে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা হয়
▶
غُزًّۭى
ghuzzan
যুদ্ধে (শরিক)
▶
لَّوْ
law
''যদি
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা থাকত
▶
عِندَنَا
ʿindanā
আমাদের কাছে
▶
مَا
mā
না
▶
مَاتُوا۟
mātū
তারা মরতো
▶
وَمَا
wamā
আর না
▶
قُتِلُوا۟
qutilū
তারা নিহত হত''
▶
لِيَجْعَلَ
liyajʿala
(এরূপ হয়েছে) করেন যেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এরূপ (কথাবার্তা)
▶
حَسْرَةًۭ
ḥasratan
মনস্তাপের (কারণ)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
قُلُوبِهِمْ ۗ
qulūbihim
তাদের অন্তরগুলোর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
আর আল্লাহই
▶
يُحْىِۦ
yuḥ'yī
জীবন দেন
▶
وَيُمِيتُ ۗ
wayumītu
ও মৃত্যু দেন
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ
▶
بَصِيرٌۭ
baṣīrun
ভালোভাবে দেখছেন
আয়াত 157 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَئِن قُتِلْتُمْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ أَوْ مُتُّمْ لَمَغْفِرَةٌۭ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَحْمَةٌ خَيْرٌۭ مِّمَّا يَجْمَعُونَ
আর তোমরা যদি আল্লাহর পথে নিহত হও কিংবা মৃত্যুবরণ কর, তোমরা যা কিছু সংগ্রহ করে থাক আল্লাহ তা’আলার ক্ষমা ও করুণা সে সবকিছুর চেয়ে উত্তম।
▶
وَلَئِن
wala-in
এবং অবশ্যই যদি
▶
قُتِلْتُمْ
qutil'tum
তোমরা নিহত হও
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
مُتُّمْ
muttum
তোমরা মরে যাও
▶
لَمَغْفِرَةٌۭ
lamaghfiratun
ক্ষমা অবশ্যই
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَرَحْمَةٌ
waraḥmatun
ও রহমাত
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
يَجْمَعُونَ
yajmaʿūna
তোমরা জমা করেছ
আয়াত 158 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَئِن مُّتُّمْ أَوْ قُتِلْتُمْ لَإِلَى ٱللَّهِ تُحْشَرُونَ
আর তোমরা মৃত্যুই বরণ কর অথবা নিহতই হও, অবশ্য আল্লাহ তা’আলার সামনেই সমবেত হবে।
▶
وَلَئِن
wala-in
এবং অবশ্যই যদি
▶
مُّتُّمْ
muttum
তোমরা মারা যাও
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
قُتِلْتُمْ
qutil'tum
তোমরা নিহত হও
▶
لَإِلَى
la-ilā
দিকে অবশ্যই
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
تُحْشَرُونَ
tuḥ'sharūna
তোমাদের একত্রিত করা হবে
আয়াত 159 - সূরা آل عمران: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَبِمَا رَحْمَةٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ لِنتَ لَهُمْ ۖ وَلَوْ كُنتَ فَظًّا غَلِيظَ ٱلْقَلْبِ لَٱنفَضُّوا۟ مِنْ حَوْلِكَ ۖ فَٱعْفُ عَنْهُمْ وَٱسْتَغْفِرْ لَهُمْ وَشَاوِرْهُمْ فِى ٱلْأَمْرِ ۖ فَإِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَى ٱللَّهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلْمُتَوَكِّلِينَ
আল্লাহর রহমতেই আপনি তাদের জন্য কোমল হৃদয় হয়েছেন পক্ষান্তরে আপনি যদি রাগ ও কঠিন হৃদয় হতেন তাহলে তারা আপনার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো। কাজেই আপনি তাদের ক্ষমা করে দিন এবং তাদের জন্য মাগফেরাত কামনা করুন এবং কাজে কর্মে তাদের পরামর্শ করুন। অতঃপর যখন কোন কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলেন, তখন আল্লাহ তা’আলার উপর ভরসা করুন আল্লাহ তাওয়াক্কুল কারীদের ভালবাসেন।
▶
فَبِمَا
fabimā
বস্তুত কারণে
▶
رَحْمَةٍۢ
raḥmatin
অনুগ্রহের
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لِنتَ
linta
তুমি নরম হয়েছ
▶
لَهُمْ ۖ
lahum
তাদের জন্য
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
كُنتَ
kunta
তুমি হতে
▶
فَظًّا
faẓẓan
উগ্র স্বভাব
▶
غَلِيظَ
ghalīẓa
পাষাণ
▶
ٱلْقَلْبِ
l-qalbi
হৃদয়ের
▶
لَٱنفَضُّوا۟
la-infaḍḍū
তারা অবশ্যই সরে যেত
▶
مِنْ
min
হতে
▶
حَوْلِكَ ۖ
ḥawlika
তোমার চতুর্দিক
▶
فَٱعْفُ
fa-uʿ'fu
অতএব মাফকর
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদেরকে
▶
وَٱسْتَغْفِرْ
wa-is'taghfir
ও ক্ষমা চাও
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
وَشَاوِرْهُمْ
washāwir'hum
এবং পরামর্শ কর তাদের (সাথে)
▶
فِى
fī
ক্ষেত্রে
▶
ٱلْأَمْرِ ۖ
l-amri
কাজের
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
عَزَمْتَ
ʿazamta
তুমি সংকল্প কর
▶
فَتَوَكَّلْ
fatawakkal
তখন ভরসা কর
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালোবাসেন
▶
ٱلْمُتَوَكِّلِينَ
l-mutawakilīna
ভরসাকারীদেরকে
আয়াত 160 - সূরা آل عمران: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن يَنصُرْكُمُ ٱللَّهُ فَلَا غَالِبَ لَكُمْ ۖ وَإِن يَخْذُلْكُمْ فَمَن ذَا ٱلَّذِى يَنصُرُكُم مِّنۢ بَعْدِهِۦ ۗ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ ٱلْمُؤْمِنُونَ
যদি আল্লাহ তোমাদের সহায়তা করেন, তাহলে কেউ তোমাদের উপর পরাক্রান্ত হতে পারবে না। আর যদি তিনি তোমাদের সাহায্য না করেন, তবে এমন কে আছে, যে তোমাদের সাহায্য করতে পারে? আর আল্লাহর ওপরই মুসলমানগনের ভরসা করা উচিত।
▶
إِن
in
যদি
▶
يَنصُرْكُمُ
yanṣur'kumu
তোমাদের সাহায্য করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَلَا
falā
না তবে
▶
غَالِبَ
ghāliba
বিজয়ী হবে কেউ
▶
لَكُمْ ۖ
lakum
তোমাদের উপর
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
يَخْذُلْكُمْ
yakhdhul'kum
তোমাদের তিনি ত্যাগ করেন
▶
فَمَن
faman
কে তবে
▶
ذَا
dhā
এমন
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(আছে) যে
▶
يَنصُرُكُم
yanṣurukum
তোমাদের সাাহায্য করতে পারে
▶
مِّنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِهِۦ ۗ
baʿdihi
তারপরে
▶
وَعَلَى
waʿalā
এবং উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্রই
▶
فَلْيَتَوَكَّلِ
falyatawakkali
ভরসা করা উচিত
▶
ٱلْمُؤْمِنُونَ
l-mu'minūna
ঈমানদারদের
আয়াত 161 - সূরা آل عمران: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا كَانَ لِنَبِىٍّ أَن يَغُلَّ ۚ وَمَن يَغْلُلْ يَأْتِ بِمَا غَلَّ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۚ ثُمَّ تُوَفَّىٰ كُلُّ نَفْسٍۢ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
আর কোন বিষয় গোপন করে রাখা নবীর কাজ নয়। আর যে লোক গোপন করবে সে কিয়ামতের দিন সেই গোপন বস্তু নিয়ে আসবে। অতঃপর পরিপূর্ণভাবে পাবে প্রত্যেকে, যা সে অর্জন করেছে। আর তাদের প্রতি কোন অন্যায় করা হবে না।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
(শোভনীয়) হতে পারে
▶
لِنَبِىٍّ
linabiyyin
নবীর জন্য
▶
أَن
an
যে
▶
يَغُلَّ ۚ
yaghulla
সে খিয়ানত করবে
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَغْلُلْ
yaghlul
খিয়ানত করবে
▶
يَأْتِ
yati
সে আসবে
▶
بِمَا
bimā
তা নিয়ে যা
▶
غَلَّ
ghalla
খিয়ানত করেছিল
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۚ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
ثُمَّ
thumma
অতঃপর
▶
تُوَفَّىٰ
tuwaffā
দেয়া হবে পুরাপুরি
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۢ
nafsin
ব্যক্তিকে
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَسَبَتْ
kasabat
সে অর্জন করেছে
▶
وَهُمْ
wahum
এবং তাদের উপর
▶
لَا
lā
না
▶
يُظْلَمُونَ
yuẓ'lamūna
জুলুম করা হবে
আয়াত 162 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَمَنِ ٱتَّبَعَ رِضْوَٰنَ ٱللَّهِ كَمَنۢ بَآءَ بِسَخَطٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ وَمَأْوَىٰهُ جَهَنَّمُ ۚ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ
যে লোক আল্লাহর ইচ্ছার অনুগত, সে কি ঐ লোকের সমান হতে পারে, যে আল্লাহর রোষ অর্জন করেছে? বস্তুতঃ তার ঠিকানা হল দোযখ। আর তা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান!
▶
أَفَمَنِ
afamani
তবে কি যে
▶
ٱتَّبَعَ
ittabaʿa
অনুসরণ করল
▶
رِضْوَٰنَ
riḍ'wāna
সন্তুষ্টির
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
كَمَنۢ
kaman
তার মত যে
▶
بَآءَ
bāa
পরিবেষ্টিত হয়েছে
▶
بِسَخَطٍۢ
bisakhaṭin
অসন্তুষ্টি দ্বারা
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَمَأْوَىٰهُ
wamawāhu
এবং তার ঠিকানা
▶
جَهَنَّمُ ۚ
jahannamu
জাহান্নাম
▶
وَبِئْسَ
wabi'sa
এবং (তা) অতি খারাপ
▶
ٱلْمَصِيرُ
l-maṣīru
গন্তব্যস্থান
আয়াত 163 - সূরা آل عمران: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُمْ دَرَجَـٰتٌ عِندَ ٱللَّهِ ۗ وَٱللَّهُ بَصِيرٌۢ بِمَا يَعْمَلُونَ
আল্লাহর নিকট মানুষের মর্যাদা বিভিন্ন স্তরের আর আল্লাহ দেখেন যা কিছু তারা করে।
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
دَرَجَـٰتٌ
darajātun
মর্যাদার (এক নয়)
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بَصِيرٌۢ
baṣīrun
খুব দেখেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
তারা কাজ করছে
আয়াত 164 - সূরা آل عمران: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَقَدْ مَنَّ ٱللَّهُ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولًۭا مِّنْ أَنفُسِهِمْ يَتْلُوا۟ عَلَيْهِمْ ءَايَـٰتِهِۦ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا۟ مِن قَبْلُ لَفِى ضَلَـٰلٍۢ مُّبِينٍ
আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন। বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট।
▶
لَقَدْ
laqad
নিশ্চয়
▶
مَنَّ
manna
অনুগ্রহ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদের
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
بَعَثَ
baʿatha
প্রেরণ করেন
▶
فِيهِمْ
fīhim
তাদের মধ্যে
▶
رَسُولًۭا
rasūlan
একজন রাসূল
▶
مِّنْ
min
মধ্য হতে
▶
أَنفُسِهِمْ
anfusihim
তাদের নিজেদের
▶
يَتْلُوا۟
yatlū
সে পাঠ করে
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের কাছে
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
তাঁর নিদর্শনগুলো
▶
وَيُزَكِّيهِمْ
wayuzakkīhim
ও পরিশুদ্ধ করে তাদেরকে
▶
وَيُعَلِّمُهُمُ
wayuʿallimuhumu
এবং শিক্ষা দেয় তাদেরকে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْحِكْمَةَ
wal-ḥik'mata
ও প্রজ্ঞা
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদিও
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلُ
qablu
ইতিপূর্বে
▶
لَفِى
lafī
অবশ্যই মধ্যে
▶
ضَلَـٰلٍۢ
ḍalālin
বিভ্রান্তির
▶
مُّبِينٍ
mubīnin
সুস্পষ্ট
আয়াত 165 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوَلَمَّآ أَصَـٰبَتْكُم مُّصِيبَةٌۭ قَدْ أَصَبْتُم مِّثْلَيْهَا قُلْتُمْ أَنَّىٰ هَـٰذَا ۖ قُلْ هُوَ مِنْ عِندِ أَنفُسِكُمْ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ
যখন তোমাদের উপর একটি মুসীবত এসে পৌছাল, অথচ তোমরা তার পূর্বেই দ্বিগুণ কষ্টে পৌছে গিয়েছ, তখন কি তোমরা বলবে, এটা কোথা থেকে এল? তাহলে বলে দাও, এ কষ্ট তোমাদের উপর পৌছেছে তোমারই পক্ষ থেকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রত্যেক বিষয়ের উপর ক্ষমতাশীল।
▶
أَوَلَمَّآ
awalammā
না কি যখন
▶
أَصَـٰبَتْكُم
aṣābatkum
তোমাদের কাছে পৌঁছে
▶
مُّصِيبَةٌۭ
muṣībatun
কোন মুসিবত
▶
قَدْ
qad
(অথচ) নিশ্চয়
▶
أَصَبْتُم
aṣabtum
তোমরা পৌঁছেছো (তাদের মুসিবতে)
▶
مِّثْلَيْهَا
mith'layhā
তার দ্বিগুণ
▶
قُلْتُمْ
qul'tum
তোমরা বলেছিলে
▶
أَنَّىٰ
annā
কোথা থেকে
▶
هَـٰذَا ۖ
hādhā
''এটা (আসল)
▶
قُلْ
qul
তুমি বল''
▶
هُوَ
huwa
তা (এসেছে)
▶
مِنْ
min
''থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
কাছ
▶
أَنفُسِكُمْ ۗ
anfusikum
তোমাদের নিজেদের''
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
ক্ষমতাবান
আয়াত 166 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَآ أَصَـٰبَكُمْ يَوْمَ ٱلْتَقَى ٱلْجَمْعَانِ فَبِإِذْنِ ٱللَّهِ وَلِيَعْلَمَ ٱلْمُؤْمِنِينَ
আর যেদিন দু’দল সৈন্যের মোকাবিলা হয়েছে; সেদিন তোমাদের উপর যা আপতিত হয়েছে তা আল্লাহর হুকুমেই হয়েছে এবং তা এজন্য যে, তাতে ঈমানদারদিগকে জানা যায়।
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা (মুসিবত)
▶
أَصَـٰبَكُمْ
aṣābakum
পৌঁছেছে তোমাদের
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْتَقَى
l-taqā
মুকাবিলার
▶
ٱلْجَمْعَانِ
l-jamʿāni
দুই দলের
▶
فَبِإِذْنِ
fabi-idh'ni
তা (এসেছে) অনুমতিক্রমে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَلِيَعْلَمَ
waliyaʿlama
এবং তিনি যেন জানেন
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদেরকে
আয়াত 167 - সূরা آل عمران: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِيَعْلَمَ ٱلَّذِينَ نَافَقُوا۟ ۚ وَقِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا۟ قَـٰتِلُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ أَوِ ٱدْفَعُوا۟ ۖ قَالُوا۟ لَوْ نَعْلَمُ قِتَالًۭا لَّٱتَّبَعْنَـٰكُمْ ۗ هُمْ لِلْكُفْرِ يَوْمَئِذٍ أَقْرَبُ مِنْهُمْ لِلْإِيمَـٰنِ ۚ يَقُولُونَ بِأَفْوَٰهِهِم مَّا لَيْسَ فِى قُلُوبِهِمْ ۗ وَٱللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا يَكْتُمُونَ
এবং তাদেরকে যাতে সনাক্ত করা যায় যারা মুনাফিক ছিল। আর তাদেরকে বলা হল এসো, আল্লাহর রাহে লড়াই কর কিংবা শত্রুদিগকে প্রতিহত কর। তারা বলেছিল, আমরা যদি জানতাম যে, লড়াই হবে, তাহলে অবশ্যই তোমাদের সাথে থাকতাম। সে দিন তারা ঈমানের তুলনায় কুফরীর কাছাকাছি ছিল। যা তাদের অন্তরে নেই তারা নিজের মুখে সে কথাই বলে বস্তুতঃআল্লাহ ভালভাবে জানেন তারা যা কিছু গোপন করে থাকে।
▶
وَلِيَعْلَمَ
waliyaʿlama
ও জানেন যেন
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
نَافَقُوا۟ ۚ
nāfaqū
মুনাফিকি করেছে
▶
وَقِيلَ
waqīla
এবং বলা হল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
تَعَالَوْا۟
taʿālaw
''তোমরা এস
▶
قَـٰتِلُوا۟
qātilū
তোমরা যুদ্ধ কর
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَوِ
awi
বা
▶
ٱدْفَعُوا۟ ۖ
id'faʿū
তোমরা প্রতিরক্ষা কর''
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
لَوْ
law
''যদি
▶
نَعْلَمُ
naʿlamu
আমরা জানতাম
▶
قِتَالًۭا
qitālan
যুদ্ধ (হবে)
▶
لَّٱتَّبَعْنَـٰكُمْ ۗ
la-ittabaʿnākum
অবশ্যই তোমাদের আমরা অনুসরণ করতাম''
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
لِلْكُفْرِ
lil'kuf'ri
কুফরীর ক্ষেত্রে
▶
يَوْمَئِذٍ
yawma-idhin
সেদিন (ছিল)
▶
أَقْرَبُ
aqrabu
বেশী নিকটে
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যে
▶
لِلْإِيمَـٰنِ ۚ
lil'īmāni
ঈমানের চেয়ে
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলে (এমন কথা)
▶
بِأَفْوَٰهِهِم
bi-afwāhihim
তাদের মুখগুলো দিয়ে
▶
مَّا
mā
যা
▶
لَيْسَ
laysa
নাই
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
قُلُوبِهِمْ ۗ
qulūbihim
তাদের অন্তরে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
يَكْتُمُونَ
yaktumūna
তারা গোপন করেছে
আয়াত 168 - সূরা آل عمران: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ قَالُوا۟ لِإِخْوَٰنِهِمْ وَقَعَدُوا۟ لَوْ أَطَاعُونَا مَا قُتِلُوا۟ ۗ قُلْ فَٱدْرَءُوا۟ عَنْ أَنفُسِكُمُ ٱلْمَوْتَ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ
ওরা হলো যে সব লোক, যারা বসে থেকে নিজেদের ভাইদের সম্বদ্ধে বলে, যদি তারা আমাদের কথা শুনত, তবে নিহত হত না। তাদেরকে বলে দিন, এবার তোমাদের নিজেদের উপর থেকে মৃত্যুকে সরিয়ে দাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
قَالُوا۟
qālū
বলেছিল
▶
لِإِخْوَٰنِهِمْ
li-ikh'wānihim
তাদের ভাইদের সম্পর্কে
▶
وَقَعَدُوا۟
waqaʿadū
ও তারা বসে ছিল (ঘরে)
▶
لَوْ
law
''যদি
▶
أَطَاعُونَا
aṭāʿūnā
আমাদের আনুগত্য করত
▶
مَا
mā
না
▶
قُتِلُوا۟ ۗ
qutilū
তারা নিহত হতো''
▶
قُلْ
qul
বল
▶
فَٱدْرَءُوا۟
fa-id'raū
''তোমরা তাহলে দূরে সরাও
▶
عَنْ
ʿan
হতে
▶
أَنفُسِكُمُ
anfusikumu
তোমাদের নিজেদের
▶
ٱلْمَوْتَ
l-mawta
মৃত্যুকে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও
▶
صَـٰدِقِينَ
ṣādiqīna
সত্যবাদী
আয়াত 169 - সূরা آل عمران: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَحْسَبَنَّ ٱلَّذِينَ قُتِلُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ أَمْوَٰتًۢا ۚ بَلْ أَحْيَآءٌ عِندَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ
আর যারা আল্লাহর রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনকর্তার নিকট জীবিত ও জীবিকাপ্রাপ্ত।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَحْسَبَنَّ
taḥsabanna
মনে করো
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
قُتِلُوا۟
qutilū
নিহত হয়েছে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَمْوَٰتًۢا ۚ
amwātan
(তারা) মৃত
▶
بَلْ
bal
বরং
▶
أَحْيَآءٌ
aḥyāon
তারা জীবিত
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
يُرْزَقُونَ
yur'zaqūna
তাদের রিয্ক দেয়া হয়
আয়াত 170 - সূরা آل عمران: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَرِحِينَ بِمَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ وَيَسْتَبْشِرُونَ بِٱلَّذِينَ لَمْ يَلْحَقُوا۟ بِهِم مِّنْ خَلْفِهِمْ أَلَّا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
আল্লাহ নিজের অনুগ্রহ থেকে যা দান করেছেন তার প্রেক্ষিতে তারা আনন্দ উদযাপন করছে। আর যারা এখনও তাদের কাছে এসে পৌঁছেনি তাদের পেছনে তাদের জন্যে আনন্দ প্রকাশ করে। কারণ, তাদের কোন ভয় ভীতিও নেই এবং কোন চিন্তা ভাবনাও নেই।
▶
فَرِحِينَ
fariḥīna
তারা খুশী হয়েছে
▶
بِمَآ
bimā
যা কিছু
▶
ءَاتَىٰهُمُ
ātāhumu
তাদের দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
فَضْلِهِۦ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহে
▶
وَيَسْتَبْشِرُونَ
wayastabshirūna
এবং তারা আনন্দিত হবে (এসব জেনে)
▶
بِٱلَّذِينَ
bi-alladhīna
(তাদের) জন্য যারা
▶
لَمْ
lam
নাই
▶
يَلْحَقُوا۟
yalḥaqū
মিলিত হয়
▶
بِهِم
bihim
তাদের সাথে
▶
مِّنْ
min
(থেকে)
▶
خَلْفِهِمْ
khalfihim
তাদের পিছনে (রয়ে গেছে এখনো)
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
خَوْفٌ
khawfun
কোন ভয় (আছে)
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের জন্য
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَحْزَنُونَ
yaḥzanūna
দুঃখিত হবে
আয়াত 171 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ يَسْتَبْشِرُونَ بِنِعْمَةٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ وَفَضْلٍۢ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَا يُضِيعُ أَجْرَ ٱلْمُؤْمِنِينَ
আল্লাহর নেয়ামত ও অনুগ্রহের জন্যে তারা আনন্দ প্রকাশ করে এবং তা এভাবে যে, আল্লাহ, ঈমানদারদের শ্রমফল বিনষ্ট করেন না।
▶
۞ يَسْتَبْشِرُونَ
yastabshirūna
তারা আনন্দিত হবে
▶
بِنِعْمَةٍۢ
biniʿ'matin
নিয়ামতের কারণে
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَفَضْلٍۢ
wafaḍlin
ও অনুগ্রহে
▶
وَأَنَّ
wa-anna
এবং (এও) যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُضِيعُ
yuḍīʿu
নষ্ট করেন
▶
أَجْرَ
ajra
পুরস্কার
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
ঈমানদারদের
আয়াত 172 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ ٱسْتَجَابُوا۟ لِلَّهِ وَٱلرَّسُولِ مِنۢ بَعْدِ مَآ أَصَابَهُمُ ٱلْقَرْحُ ۚ لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا۟ مِنْهُمْ وَٱتَّقَوْا۟ أَجْرٌ عَظِيمٌ
যারা আহত হয়ে পড়ার পরেও আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের নির্দেশ মান্য করেছে, তাদের মধ্যে যারা সৎ ও পরহেযগার, তাদের জন্য রয়েছে মহান সওয়াব।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱسْتَجَابُوا۟
is'tajābū
সাড়া দেয়
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর
▶
وَٱلرَّسُولِ
wal-rasūli
ও রাসূলের (ডাকে)
▶
مِنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
এরপরেও
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَصَابَهُمُ
aṣābahumu
তাদের পৌঁছেছে
▶
ٱلْقَرْحُ ۚ
l-qarḥu
আঘাত
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
তাদের জন্য
▶
أَحْسَنُوا۟
aḥsanū
নেকী করেছে (যারা)
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যে
▶
وَٱتَّقَوْا۟
wa-ittaqaw
ও ভয় করেছে (আল্লাহকে)
▶
أَجْرٌ
ajrun
পুরস্কার (রয়েছে)
▶
عَظِيمٌ
ʿaẓīmun
বিরাট
আয়াত 173 - সূরা آل عمران: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ قَالَ لَهُمُ ٱلنَّاسُ إِنَّ ٱلنَّاسَ قَدْ جَمَعُوا۟ لَكُمْ فَٱخْشَوْهُمْ فَزَادَهُمْ إِيمَـٰنًۭا وَقَالُوا۟ حَسْبُنَا ٱللَّهُ وَنِعْمَ ٱلْوَكِيلُ
যাদেরকে লোকেরা বলেছে যে, তোমাদের সাথে মোকাবেলা করার জন্য লোকেরা সমাবেশ করেছে বহু সাজ-সরঞ্জাম; তাদের ভয় কর। তখন তাদের বিশ্বাস আরও দৃঢ়তর হয়ে যায় এবং তারা বলে, আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট; কতই না চমৎকার কামিয়াবীদানকারী।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(এমন) যারা
▶
قَالَ
qāla
বলেছিল
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদেরকে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
লোকেরা
▶
إِنَّ
inna
''নিশ্চয়
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
সব লোক (অর্থাৎ বড় বাহিনী)
▶
قَدْ
qad
অবশ্যই
▶
جَمَعُوا۟
jamaʿū
জমা হয়েছে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
فَٱخْشَوْهُمْ
fa-ikh'shawhum
তাই ভয় কর তাদেরকে''
▶
فَزَادَهُمْ
fazādahum
কিন্তু তাদের বেড়ে গেল
▶
إِيمَـٰنًۭا
īmānan
ঈমান
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলেছিল
▶
حَسْبُنَا
ḥasbunā
''আমাদের জন্য যথেষ্ট
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহই
▶
وَنِعْمَ
waniʿ'ma
এবং (তিনিই) উত্তম
▶
ٱلْوَكِيلُ
l-wakīlu
অভিভাবক''
আয়াত 174 - সূরা آل عمران: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱنقَلَبُوا۟ بِنِعْمَةٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ وَفَضْلٍۢ لَّمْ يَمْسَسْهُمْ سُوٓءٌۭ وَٱتَّبَعُوا۟ رِضْوَٰنَ ٱللَّهِ ۗ وَٱللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَظِيمٍ
অতঃপর ফিরে এল মুসলমানরা আল্লাহর অনুগ্রহ নিয়ে, তদের কিছুই অনিষ্ট হলো না। তারপর তারা আল্লাহর ইচ্ছার অনুগত হল। বস্তুতঃ আল্লাহর অনুগ্রহ অতি বিরাট।
▶
فَٱنقَلَبُوا۟
fa-inqalabū
তারা ফলে ফিরে এল
▶
بِنِعْمَةٍۢ
biniʿ'matin
অবদানে
▶
مِّنَ
mina
(থেকে)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَفَضْلٍۢ
wafaḍlin
ও (তাঁর) অনুগ্রহে
▶
لَّمْ
lam
নাই
▶
يَمْسَسْهُمْ
yamsashum
তাদের স্পর্শ করে
▶
سُوٓءٌۭ
sūon
কোন অকল্যাণ
▶
وَٱتَّبَعُوا۟
wa-ittabaʿū
এবং তারা অনুসরণ করেছিল
▶
رِضْوَٰنَ
riḍ'wāna
সন্তুষ্টির
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
ذُو
dhū
(একটি)
▶
فَضْلٍ
faḍlin
অনুগ্রহশীল
▶
عَظِيمٍ
ʿaẓīmin
মহান
আয়াত 175 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَا ذَٰلِكُمُ ٱلشَّيْطَـٰنُ يُخَوِّفُ أَوْلِيَآءَهُۥ فَلَا تَخَافُوهُمْ وَخَافُونِ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
এরা যে রয়েছে, এরাই হলে শয়তান, এরা নিজেদের বন্ধুদের ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন করে। সুতরাং তোমরা তাদের ভয় করো না। আর তোমরা যদি ঈমানদার হয়ে থাক, তবে আমাকে ভয় কর।
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলত
▶
ذَٰلِكُمُ
dhālikumu
তোমাদের এই
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তানই
▶
يُخَوِّفُ
yukhawwifu
ভয় দেখায়
▶
أَوْلِيَآءَهُۥ
awliyāahu
তার বন্ধুদেরকে
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
تَخَافُوهُمْ
takhāfūhum
তোমরা ভয় কর তাদেরকে
▶
وَخَافُونِ
wakhāfūni
বরং আমাকেই তোমরা ভয় কর
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হও
▶
مُّؤْمِنِينَ
mu'minīna
মু'মিন
আয়াত 176 - সূরা آل عمران: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا يَحْزُنكَ ٱلَّذِينَ يُسَـٰرِعُونَ فِى ٱلْكُفْرِ ۚ إِنَّهُمْ لَن يَضُرُّوا۟ ٱللَّهَ شَيْـًۭٔا ۗ يُرِيدُ ٱللَّهُ أَلَّا يَجْعَلَ لَهُمْ حَظًّۭا فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
আর যারা কুফরের দিকে ধাবিত হচ্ছে তারা যেন তোমাদিগকে চিন্তাম্বিত করে না তোলে। তারা আল্লাহ তা’আলার কোন কিছুই অনিষ্ট সাধন করতে পারবে না। আখেরাতে তাদেরকে কোন কল্যাণ দান না করাই আল্লাহর ইচ্ছা। বস্তুতঃ তাদের জন্যে রয়েছে মহা শাস্তি।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَحْزُنكَ
yaḥzunka
তোমাকে (যেন) চিন্তিত করে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারা) যারা
▶
يُسَـٰرِعُونَ
yusāriʿūna
তৎপর হয়েছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْكُفْرِ ۚ
l-kuf'ri
কুফরীর
▶
إِنَّهُمْ
innahum
তারা নিশ্চয়
▶
لَن
lan
কক্ষনো না
▶
يَضُرُّوا۟
yaḍurrū
ক্ষতি করতে পারবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
شَيْـًۭٔا ۗ
shayan
কিছুমাত্রও
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
يَجْعَلَ
yajʿala
রাখবেন
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
حَظًّۭا
ḥaẓẓan
কোন অংশ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্য রয়েছে
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
عَظِيمٌ
ʿaẓīmun
বড় কঠিন
আয়াত 177 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ ٱشْتَرَوُا۟ ٱلْكُفْرَ بِٱلْإِيمَـٰنِ لَن يَضُرُّوا۟ ٱللَّهَ شَيْـًۭٔا وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ
যারা ঈমানের পরিবর্তে কুফর ক্রয় করে নিয়েছে, তারা আল্লাহ তা’আলার কিছুই ক্ষতিসাধন করতে পারবে না। আর তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱشْتَرَوُا۟
ish'tarawū
ক্রয় করেছে
▶
ٱلْكُفْرَ
l-kuf'ra
কুফরীকে
▶
بِٱلْإِيمَـٰنِ
bil-īmāni
ঈমানের বদলে
▶
لَن
lan
কক্ষনো না
▶
يَضُرُّوا۟
yaḍurrū
ক্ষতি করতে পারবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কিছুমাত্রও
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্য রয়েছে
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
বড়ই কষ্টদায়ক
আয়াত 178 - সূরা آل عمران: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا يَحْسَبَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَنَّمَا نُمْلِى لَهُمْ خَيْرٌۭ لِّأَنفُسِهِمْ ۚ إِنَّمَا نُمْلِى لَهُمْ لِيَزْدَادُوٓا۟ إِثْمًۭا ۚ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ مُّهِينٌۭ
কাফেররা যেন মনে না করে যে আমি যে, অবকাশ দান করি, তা তাদের পক্ষে কল্যাণকর। আমি তো তাদেরকে অবকাশ দেই যাতে করে তারা পাপে উন্নতি লাভ করতে পারে। বস্তুতঃ তাদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাজনক শাস্তি।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَحْسَبَنَّ
yaḥsabanna
(যেন) তারা মনে করে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوٓا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
أَنَّمَا
annamā
এই যে
▶
نُمْلِى
num'lī
আমরা ঢিল দিই
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
لِّأَنفُسِهِمْ ۚ
li-anfusihim
তাদের নিজেদের জন্য
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলত
▶
نُمْلِى
num'lī
আমরা ঢিল দিই
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
لِيَزْدَادُوٓا۟
liyazdādū
তারা বৃদ্ধি করে যেন
▶
إِثْمًۭا ۚ
ith'man
পাপ
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
عَذَابٌۭ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
مُّهِينٌۭ
muhīnun
বড় অপমানকর
আয়াত 179 - সূরা آل عمران: 36 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّا كَانَ ٱللَّهُ لِيَذَرَ ٱلْمُؤْمِنِينَ عَلَىٰ مَآ أَنتُمْ عَلَيْهِ حَتَّىٰ يَمِيزَ ٱلْخَبِيثَ مِنَ ٱلطَّيِّبِ ۗ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُطْلِعَكُمْ عَلَى ٱلْغَيْبِ وَلَـٰكِنَّ ٱللَّهَ يَجْتَبِى مِن رُّسُلِهِۦ مَن يَشَآءُ ۖ فَـَٔامِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ ۚ وَإِن تُؤْمِنُوا۟ وَتَتَّقُوا۟ فَلَكُمْ أَجْرٌ عَظِيمٌۭ
নাপাককে পাক থেকে পৃথক করে দেয়া পর্যন্ত আল্লাহ এমন নন যে, ঈমানদারগণকে সে অবস্থাতেই রাখবেন যাতে তোমরা রয়েছ, আর আল্লাহ এমন নন যে, তোমাদিগকে গায়বের সংবাদ দেবেন। কিন্তু আল্লাহ স্বীয় রসূল গণের মধ্যে যাকে ইচ্ছা বাছাই করে নিয়েছেন। সুতরাং আল্লাহর ওপর এবং তাঁর রসূলগণের ওপর তোমরা প্রত্যয় স্থাপন কর। বস্তুতঃ তোমরা যদি বিশ্বাস ও পরহেযগারীর ওপর প্রতিষ্ঠিত থেকে থাক, তবে তোমাদের জন্যে রয়েছে বিরাট প্রতিদান।
▶
مَّا
mā
নয়
▶
كَانَ
kāna
(পদ্ধতি)
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহর
▶
لِيَذَرَ
liyadhara
যে ছেড়ে দিবেন
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু'মিনদেরকে (এমনি)
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَآ
mā
যেমন
▶
أَنتُمْ
antum
তোমরা (আছ)
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَمِيزَ
yamīza
পৃথক করবেন
▶
ٱلْخَبِيثَ
l-khabītha
নাপাক (অসৎ লোকদের)
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلطَّيِّبِ ۗ
l-ṭayibi
পাক (সৎ লোকদের)
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
كَانَ
kāna
(পদ্ধতি)
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহর
▶
لِيُطْلِعَكُمْ
liyuṭ'liʿakum
তোমাদের খবর দেয়া
▶
عَلَى
ʿalā
সম্পর্কে
▶
ٱلْغَيْبِ
l-ghaybi
গায়েবের
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَجْتَبِى
yajtabī
বাছাই করে নেন
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
رُّسُلِهِۦ
rusulihi
তাঁর রাসূলগণের
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۖ
yashāu
তিনি চান
▶
فَـَٔامِنُوا۟
faāminū
তোমরা তাই ঈমান আন
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَرُسُلِهِۦ ۚ
warusulihi
ও তাঁর রাসূলদের (উপর)
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تُؤْمِنُوا۟
tu'minū
তোমরা ঈমান আন
▶
وَتَتَّقُوا۟
watattaqū
ও তোমরা ভয় কর
▶
فَلَكُمْ
falakum
তবে তোমাদের জন্য
▶
أَجْرٌ
ajrun
পুরস্কার (রয়েছে)
▶
عَظِيمٌۭ
ʿaẓīmun
বিরাট
আয়াত 180 - সূরা آل عمران: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا يَحْسَبَنَّ ٱلَّذِينَ يَبْخَلُونَ بِمَآ ءَاتَىٰهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ هُوَ خَيْرًۭا لَّهُم ۖ بَلْ هُوَ شَرٌّۭ لَّهُمْ ۖ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا۟ بِهِۦ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ وَلِلَّهِ مِيرَٰثُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌۭ
আল্লাহ তাদেরকে নিজের অনুগ্রহে যা দান করেছেন তাতে যারা কৃপণতা করে এই কার্পন্য তাদের জন্য মঙ্গলকর হবে বলে তারা যেন ধারণা না করে। বরং এটা তাদের পক্ষে একান্তই ক্ষতিকর প্রতিপন্ন হবে। যাতে তারা কার্পন্য করে সে সমস্ত ধন-সম্পদকে কিয়ামতের দিন তাদের গলায় বেড়ী বানিয়ে পরানো হবে। আর আল্লাহ হচ্ছেন আসমান ও যমীনের পরম সত্ত্বাধিকারী। আর যা কিছু তোমরা কর; আল্লাহ সে সম্পর্কে জানেন।
▶
وَلَا
walā
এবং না (যেন)
▶
يَحْسَبَنَّ
yaḥsabanna
তারা মনে করে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَبْخَلُونَ
yabkhalūna
কৃপণতা করে
▶
بِمَآ
bimā
যা
▶
ءَاتَىٰهُمُ
ātāhumu
তাদের দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
فَضْلِهِۦ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহের
▶
هُوَ
huwa
তা
▶
خَيْرًۭا
khayran
কল্যাণ
▶
لَّهُم ۖ
lahum
তাদের জন্য
▶
بَلْ
bal
বরং
▶
هُوَ
huwa
তা
▶
شَرٌّۭ
sharrun
অকল্যাণ
▶
لَّهُمْ ۖ
lahum
তাদের জন্য
▶
سَيُطَوَّقُونَ
sayuṭawwaqūna
তাদের (গলায়) বেড়ি পরানো হবে
▶
مَا
mā
যা
▶
بَخِلُوا۟
bakhilū
তারা কৃপণতা করেছে
▶
بِهِۦ
bihi
তার
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহরই জন্য
▶
مِيرَٰثُ
mīrāthu
সত্ত্বাধিকার
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশমন্ডলীর
▶
وَٱلْأَرْضِ ۗ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
সে সম্পর্কে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ
▶
خَبِيرٌۭ
khabīrun
খুবই অবহিত
আয়াত 181 - সূরা آل عمران: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّقَدْ سَمِعَ ٱللَّهُ قَوْلَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ فَقِيرٌۭ وَنَحْنُ أَغْنِيَآءُ ۘ سَنَكْتُبُ مَا قَالُوا۟ وَقَتْلَهُمُ ٱلْأَنۢبِيَآءَ بِغَيْرِ حَقٍّۢ وَنَقُولُ ذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلْحَرِيقِ
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাদের কথা শুনেছেন, যারা বলেছে যে, আল্লাহ হচ্ছেন অভাবগ্রস্ত আর আমরা বিত্তবান! এখন আমি তাদের কথা এবং যেসব নবীকে তারা অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে তা লিখে রাখব, অতঃপর বলব, আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের আযাব।
▶
لَّقَدْ
laqad
নিশ্চয়
▶
سَمِعَ
samiʿa
শুনেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
قَوْلَ
qawla
(তাদের) কথা
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
قَالُوٓا۟
qālū
বলেছিল
▶
إِنَّ
inna
''নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
فَقِيرٌۭ
faqīrun
দরিদ্র
▶
وَنَحْنُ
wanaḥnu
আর আমরা
▶
أَغْنِيَآءُ ۘ
aghniyāu
ধনী''
▶
سَنَكْتُبُ
sanaktubu
আমরা লিখে রাখবো
▶
مَا
mā
যা
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
وَقَتْلَهُمُ
waqatlahumu
ও তাদের হত্যা করা
▶
ٱلْأَنۢبِيَآءَ
l-anbiyāa
নবীদেরকে
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ব্যাতিত
▶
حَقٍّۢ
ḥaqqin
ন্যায়ভাবে
▶
وَنَقُولُ
wanaqūlu
এবং আমরা বলব
▶
ذُوقُوا۟
dhūqū
''তোমরা স্বাদ নাও
▶
عَذَابَ
ʿadhāba
শাস্তির
▶
ٱلْحَرِيقِ
l-ḥarīqi
দহনের''
আয়াত 182 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيكُمْ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَيْسَ بِظَلَّامٍۢ لِّلْعَبِيدِ
এ হল তারই প্রতিফল যা তোমরা ইতিপূর্বে নিজের হাতে পাঠিয়েছ। বস্তুতঃ আল্লাহ বান্দাদের প্রতি অত্যাচার করেন না।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِمَا
bimā
একারণে যা
▶
قَدَّمَتْ
qaddamat
আগে পাঠিয়েছে
▶
أَيْدِيكُمْ
aydīkum
তোমাদের হাত (অর্থাৎ) কৃতকর্ম
▶
وَأَنَّ
wa-anna
এবং নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَيْسَ
laysa
নন
▶
بِظَلَّامٍۢ
biẓallāmin
জুলুমকারী
▶
لِّلْعَبِيدِ
lil'ʿabīdi
বান্দাদের উপর
আয়াত 183 - সূরা آل عمران: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ عَهِدَ إِلَيْنَآ أَلَّا نُؤْمِنَ لِرَسُولٍ حَتَّىٰ يَأْتِيَنَا بِقُرْبَانٍۢ تَأْكُلُهُ ٱلنَّارُ ۗ قُلْ قَدْ جَآءَكُمْ رُسُلٌۭ مِّن قَبْلِى بِٱلْبَيِّنَـٰتِ وَبِٱلَّذِى قُلْتُمْ فَلِمَ قَتَلْتُمُوهُمْ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ
সে সমস্ত লোক, যারা বলে যে, আল্লাহ আমাদিগকে এমন কোন রসূলের ওপর বিশ্বাস না করতে বলে রেখেছেন যতক্ষণ না তারা আমাদের নিকট এমন কোরবানী নিয়ে আসবেন যাকে আগুন গ্রাস করে নেবে। তুমি তাদের বলে দাও, তোমাদের মাঝে আমার পূর্বে বহু রসূল নিদর্শনসমূহ এবং তোমরা যা আব্দার করেছ তা নিয়ে এসেছিলেন, তখন তোমরা কেন তাদেরকে হত্যা করলে যদি তোমরা সত্য হয়ে থাক।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
قَالُوٓا۟
qālū
বলে
▶
إِنَّ
inna
''নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَهِدَ
ʿahida
নির্দেশ দিয়েছেন
▶
إِلَيْنَآ
ilaynā
আমাদের প্রতি
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
نُؤْمِنَ
nu'mina
আমরা ঈমান আনব
▶
لِرَسُولٍ
lirasūlin
কোন রাসূলের উপর
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَأْتِيَنَا
yatiyanā
আমাদের কাছে নিয়ে আসবে
▶
بِقُرْبَانٍۢ
biqur'bānin
এক কুরবানী
▶
تَأْكُلُهُ
takuluhu
তা খেয়ে ফেলবে
▶
ٱلنَّارُ ۗ
l-nāru
(অদৃশ্যের) আগুন''
▶
قُلْ
qul
বল
▶
قَدْ
qad
''নিশ্চয়
▶
جَآءَكُمْ
jāakum
তোমাদের কাছে এসেছে
▶
رُسُلٌۭ
rusulun
অনেক রাসূল
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِى
qablī
আমার পূর্বে
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ
bil-bayināti
উজ্জ্বল নিদর্শন সহকারে
▶
وَبِٱلَّذِى
wabi-alladhī
এবং ঐ বিষয়ে যা
▶
قُلْتُمْ
qul'tum
তোমরা বলেছ
▶
فَلِمَ
falima
তবে কেন
▶
قَتَلْتُمُوهُمْ
qataltumūhum
তোমরা হত্যা করেছ তাদেরকে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও
▶
صَـٰدِقِينَ
ṣādiqīna
সত্যবাদী
আয়াত 184 - সূরা آل عمران: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِن كَذَّبُوكَ فَقَدْ كُذِّبَ رُسُلٌۭ مِّن قَبْلِكَ جَآءُو بِٱلْبَيِّنَـٰتِ وَٱلزُّبُرِ وَٱلْكِتَـٰبِ ٱلْمُنِيرِ
তাছাড়া এরা যদি তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, তবে তোমার পূর্বেও এরা এমন বহু নবীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, যারা নিদর্শন সমূহ নিয়ে এসেছিলেন। এবং এনেছিলেন সহীফা ও প্রদীপ্ত গ্রন্থ।
▶
فَإِن
fa-in
যদি তবুও
▶
كَذَّبُوكَ
kadhabūka
তোমাকে অস্বীকার করে
▶
فَقَدْ
faqad
তবে (নতুন কিছু নয়)
▶
كُذِّبَ
kudhiba
অস্বীকার করেছে
▶
رُسُلٌۭ
rusulun
রাসূলদেরকে
▶
مِّن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِكَ
qablika
তোমার পূর্বেও
▶
جَآءُو
jāū
তারা এসেছিল
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ
bil-bayināti
সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ
▶
وَٱلزُّبُرِ
wal-zuburi
ও (অনেক) সহীফা
▶
وَٱلْكِتَـٰبِ
wal-kitābi
ও কিতাব
▶
ٱلْمُنِيرِ
l-munīri
আলোকদানকারী (সাথে নিয়ে)
আয়াত 185 - সূরা آل عمران: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كُلُّ نَفْسٍۢ ذَآئِقَةُ ٱلْمَوْتِ ۗ وَإِنَّمَا تُوَفَّوْنَ أُجُورَكُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۖ فَمَن زُحْزِحَ عَنِ ٱلنَّارِ وَأُدْخِلَ ٱلْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ ۗ وَمَا ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَآ إِلَّا مَتَـٰعُ ٱلْغُرُورِ
প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়।
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۢ
nafsin
ব্যক্তিই
▶
ذَآئِقَةُ
dhāiqatu
স্বাদ গ্রহণকারী (হবে)
▶
ٱلْمَوْتِ ۗ
l-mawti
মৃত্যুর
▶
وَإِنَّمَا
wa-innamā
এবং প্রকৃতপক্ষে
▶
تُوَفَّوْنَ
tuwaffawna
তোমাদের পূর্ণ দেয়া হবে
▶
أُجُورَكُمْ
ujūrakum
তোমাদের পুরস্কার সমূহ
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۖ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
فَمَن
faman
অতঃপর যাকে
▶
زُحْزِحَ
zuḥ'ziḥa
রক্ষা করা হবে
▶
عَنِ
ʿani
থেকে
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুন
▶
وَأُدْخِلَ
wa-ud'khila
এবং প্রবেশ করানো হবে
▶
ٱلْجَنَّةَ
l-janata
জান্নাতে
▶
فَقَدْ
faqad
তবে নিশ্চয়
▶
فَازَ ۗ
fāza
সে সফল হবে
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
ٱلْحَيَوٰةُ
l-ḥayatu
জীবন
▶
ٱلدُّنْيَآ
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
مَتَـٰعُ
matāʿu
সামগ্রী
▶
ٱلْغُرُورِ
l-ghurūri
ধোঁকার
আয়াত 186 - সূরা آل عمران: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ لَتُبْلَوُنَّ فِىٓ أَمْوَٰلِكُمْ وَأَنفُسِكُمْ وَلَتَسْمَعُنَّ مِنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ مِن قَبْلِكُمْ وَمِنَ ٱلَّذِينَ أَشْرَكُوٓا۟ أَذًۭى كَثِيرًۭا ۚ وَإِن تَصْبِرُوا۟ وَتَتَّقُوا۟ فَإِنَّ ذَٰلِكَ مِنْ عَزْمِ ٱلْأُمُورِ
অবশ্য ধন-সম্পদে এবং জনসম্পদে তোমাদের পরীক্ষা হবে এবং অবশ্য তোমরা শুনবে পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের কাছে এবং মুশরেকদের কাছে বহু অশোভন উক্তি। আর যদি তোমরা ধৈর্য্য ধারণ কর এবং পরহেযগারী অবলম্বন কর, তবে তা হবে একান্ত সৎসাহসের ব্যাপার।
▶
۞ لَتُبْلَوُنَّ
latub'lawunna
তোমাদের অবশ্যই পরীক্ষা করা হবে
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَمْوَٰلِكُمْ
amwālikum
তোমাদের সম্পদ সমূহের
▶
وَأَنفُسِكُمْ
wa-anfusikum
ও তোমাদের জান সমূহে
▶
وَلَتَسْمَعُنَّ
walatasmaʿunna
এবং তোমরা অবশ্যই শুনবে
▶
مِنَ
mina
তাদের থেকে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِكُمْ
qablikum
তোমাদের পূর্বে
▶
وَمِنَ
wamina
এবং হতেও
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
أَشْرَكُوٓا۟
ashrakū
শিরক করেছে
▶
أَذًۭى
adhan
কষ্টদায়ক (কথা)
▶
كَثِيرًۭا ۚ
kathīran
অনেক
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَصْبِرُوا۟
taṣbirū
তোমরা সবর কর
▶
وَتَتَّقُوا۟
watattaqū
ও তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবে নিশ্চয়
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
مِنْ
min
অন্যতম
▶
عَزْمِ
ʿazmi
দৃঢ় সংকল্পের
▶
ٱلْأُمُورِ
l-umūri
ব্যাপার
আয়াত 187 - সূরা آل عمران: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ أَخَذَ ٱللَّهُ مِيثَـٰقَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ لَتُبَيِّنُنَّهُۥ لِلنَّاسِ وَلَا تَكْتُمُونَهُۥ فَنَبَذُوهُ وَرَآءَ ظُهُورِهِمْ وَٱشْتَرَوْا۟ بِهِۦ ثَمَنًۭا قَلِيلًۭا ۖ فَبِئْسَ مَا يَشْتَرُونَ
আর আল্লাহ যখন আহলে কিতাবদের কাছ থেকে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করলেন যে, তা মানুষের নিকট বর্ণনা করবে এবং গোপন করবে না, তখন তারা সে প্রতিজ্ঞাকে নিজেদের পেছনে ফেলে রাখল আর তার কেনা-বেচা করল সামান্য মূল্যের বিনিময়ে। সুতরাং কতই না মন্দ তাদের এ বেচা-কেনা।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ কর) যখন
▶
أَخَذَ
akhadha
নিয়েছিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِيثَـٰقَ
mīthāqa
প্রতিশ্রুতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের থেকে) যাদেরকে
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছিল
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
لَتُبَيِّنُنَّهُۥ
latubayyinunnahu
''তা অবশ্যই তোমরা প্রচার করবে
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
লোকদের জন্য
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَكْتُمُونَهُۥ
taktumūnahu
তোমরা গোপন করবে তা
▶
فَنَبَذُوهُ
fanabadhūhu
অতঃপর তারা ফেলে দিল তা
▶
وَرَآءَ
warāa
পিছনে
▶
ظُهُورِهِمْ
ẓuhūrihim
তাদের পিঠের (অর্থাৎ অগ্রাহ্য করল)
▶
وَٱشْتَرَوْا۟
wa-ish'taraw
এবং তারা ক্রয় করল
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
ثَمَنًۭا
thamanan
মূল্যের (জিনিস)
▶
قَلِيلًۭا ۖ
qalīlan
অতি অল্প
▶
فَبِئْسَ
fabi'sa
অতএব কত নিকৃষ্ট
▶
مَا
mā
যা
▶
يَشْتَرُونَ
yashtarūna
তারা ক্রয় করে
আয়াত 188 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَا تَحْسَبَنَّ ٱلَّذِينَ يَفْرَحُونَ بِمَآ أَتَوا۟ وَّيُحِبُّونَ أَن يُحْمَدُوا۟ بِمَا لَمْ يَفْعَلُوا۟ فَلَا تَحْسَبَنَّهُم بِمَفَازَةٍۢ مِّنَ ٱلْعَذَابِ ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ
তুমি মনে করো না, যারা নিজেদের কৃতকর্মের উপর আনন্দিত হয় এবং না করা বিষয়ের জন্য প্রশংসা কামনা করে, তারা আমার নিকট থেকে অব্যাহতি লাভ করেছে। বস্তুতঃ তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
▶
لَا
lā
না
▶
تَحْسَبَنَّ
taḥsabanna
তারা (যেন) মনে করে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
মনে করে
▶
يَفْرَحُونَ
yafraḥūna
যারা আনুন্দ করে
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
أَتَوا۟
ataw
তারা করেছে
▶
وَّيُحِبُّونَ
wayuḥibbūna
তারা পছন্দ করে
▶
أَن
an
যে
▶
يُحْمَدُوا۟
yuḥ'madū
তাদের প্রশংসা করা হোক
▶
بِمَا
bimā
ঐবিষয়ে যা
▶
لَمْ
lam
নাই
▶
يَفْعَلُوا۟
yafʿalū
তারা করেও
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
تَحْسَبَنَّهُم
taḥsabannahum
তাদের মনে করবে
▶
بِمَفَازَةٍۢ
bimafāzatin
নিরাপদ স্থানে
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱلْعَذَابِ ۖ
l-ʿadhābi
আজাব
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্য রয়েছে
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
কষ্টদায়ক
আয়াত 189 - সূরা آل عمران: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۗ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ
আর আল্লাহর জন্যই হল আসমান ও যমিনের বাদশাহী। আল্লাহই সর্ব বিষয়ে ক্ষমতার অধিকারী।
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহর জন্য
▶
مُلْكُ
mul'ku
রাজত্ব
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশমন্ডলীর
▶
وَٱلْأَرْضِ ۗ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
قَدِيرٌ
qadīrun
ক্ষমতাবান
আয়াত 190 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ فِى خَلْقِ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَٱخْتِلَـٰفِ ٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّأُو۟لِى ٱلْأَلْبَـٰبِ
নিশ্চয় আসমান ও যমীন সৃষ্টিতে এবং রাত্রি ও দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে বোধ সম্পন্ন লোকদের জন্যে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
فِى
fī
মধ্যে রয়েছে
▶
خَلْقِ
khalqi
সৃষ্টির
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ সমূহের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَٱخْتِلَـٰفِ
wa-ikh'tilāfi
ও আবর্তনে
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
وَٱلنَّهَارِ
wal-nahāri
এবং দিনের
▶
لَـَٔايَـٰتٍۢ
laāyātin
অবশ্যই নিদর্শন সমূহ
▶
لِّأُو۟لِى
li-ulī
জন্য
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বুদ্ধিমানদের
আয়াত 191 - সূরা آل عمران: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَذْكُرُونَ ٱللَّهَ قِيَـٰمًۭا وَقُعُودًۭا وَعَلَىٰ جُنُوبِهِمْ وَيَتَفَكَّرُونَ فِى خَلْقِ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَـٰذَا بَـٰطِلًۭا سُبْحَـٰنَكَ فَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ
যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষযে, (তারা বলে) পরওয়ারদেগার! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদিগকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَذْكُرُونَ
yadhkurūna
স্মরণ করে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্কে
▶
قِيَـٰمًۭا
qiyāman
দাঁড়িয়ে
▶
وَقُعُودًۭا
waquʿūdan
ও বসে
▶
وَعَلَىٰ
waʿalā
এবং উপর
▶
جُنُوبِهِمْ
junūbihim
তাদের পার্শ্ব সমূহের (শুয়ে)
▶
وَيَتَفَكَّرُونَ
wayatafakkarūna
আর তারা চিন্তা গবেষণা করে
▶
فِى
fī
বিষয়ে
▶
خَلْقِ
khalqi
সৃষ্টির
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ মন্ডলীর
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
رَبَّنَا
rabbanā
''(তারা বলে) হে আমাদের রব
▶
مَا
mā
না
▶
خَلَقْتَ
khalaqta
তুমি সৃষ্টি করেছ
▶
هَـٰذَا
hādhā
এটা
▶
بَـٰطِلًۭا
bāṭilan
অর্থহীন
▶
سُبْحَـٰنَكَ
sub'ḥānaka
তুমিই পবিত্র
▶
فَقِنَا
faqinā
অতঃপর আমাদেরকে বাঁচাও
▶
عَذَابَ
ʿadhāba
শাস্তি (হতে)
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
আয়াত 192 - সূরা آل عمران: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَآ إِنَّكَ مَن تُدْخِلِ ٱلنَّارَ فَقَدْ أَخْزَيْتَهُۥ ۖ وَمَا لِلظَّـٰلِمِينَ مِنْ أَنصَارٍۢ
হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয় তুমি যাকে দোযখে নিক্ষেপ করলে তাকে সবসময়ে অপমানিত করলে; আর জালেমদের জন্যে তো সাহায্যকারী নেই।
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
إِنَّكَ
innaka
নিশ্চয় তুমি
▶
مَن
man
যাকে
▶
تُدْخِلِ
tud'khili
প্রবেশ করাও
▶
ٱلنَّارَ
l-nāra
আগুনে
▶
فَقَدْ
faqad
তাহলে নিশ্চয়
▶
أَخْزَيْتَهُۥ ۖ
akhzaytahu
তাকে তুমি অপমান করলে
▶
وَمَا
wamā
এবং নাই
▶
لِلظَّـٰلِمِينَ
lilẓẓālimīna
জালিমদের জন্য
▶
مِنْ
min
কোন
▶
أَنصَارٍۢ
anṣārin
সাহায্যকারী
আয়াত 193 - সূরা آل عمران: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَّبَّنَآ إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًۭا يُنَادِى لِلْإِيمَـٰنِ أَنْ ءَامِنُوا۟ بِرَبِّكُمْ فَـَٔامَنَّا ۚ رَبَّنَا فَٱغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّـَٔاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ ٱلْأَبْرَارِ
হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতে যে, তোমাদের পালনকর্তার প্রতি ঈমান আন; তাই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের পালনকর্তা! অতঃপর আমাদের সকল গোনাহ মাফ কর এবং আমাদের সকল দোষত্রুটি দুর করে দাও, আর আমাদের মৃত্যু দাও নেক লোকদের সাথে।
▶
رَّبَّنَآ
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
إِنَّنَا
innanā
আমরা নিশ্চয়
▶
سَمِعْنَا
samiʿ'nā
আমরা শুনেছি
▶
مُنَادِيًۭا
munādiyan
একজন আহ্বানকারীকে
▶
يُنَادِى
yunādī
আহ্বান করতে
▶
لِلْإِيمَـٰنِ
lil'īmāni
ঈমানের দিকে
▶
أَنْ
an
(এ বলে) যে
▶
ءَامِنُوا۟
āminū
''তোমরা ঈমান আন
▶
بِرَبِّكُمْ
birabbikum
তোমাদের রবের প্রতি''
▶
فَـَٔامَنَّا ۚ
faāmannā
ফলে আমরা ঈমান এনেছি
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
فَٱغْفِرْ
fa-igh'fir
অতএব মাফ কর
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
ذُنُوبَنَا
dhunūbanā
আমাদের অপরাধগুলোকে
▶
وَكَفِّرْ
wakaffir
ও দুর কর
▶
عَنَّا
ʿannā
আমাদের থেকে
▶
سَيِّـَٔاتِنَا
sayyiātinā
আমাদের দোষত্রুটি
▶
وَتَوَفَّنَا
watawaffanā
এবং আমাদের মৃত্যু দাও
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱلْأَبْرَارِ
l-abrāri
নেক লোকদের
আয়াত 194 - সূরা آل عمران: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَا وَءَاتِنَا مَا وَعَدتَّنَا عَلَىٰ رُسُلِكَ وَلَا تُخْزِنَا يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ إِنَّكَ لَا تُخْلِفُ ٱلْمِيعَادَ
হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দাও, যা তুমি ওয়াদা করেছ তোমার রসূলগণের মাধ্যমে এবং কিয়ামতের দিন আমাদিগকে তুমি অপমানিত করো না। নিশ্চয় তুমি ওয়াদা খেলাফ করো না।
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
وَءَاتِنَا
waātinā
আমাদেরকে দাও এবং
▶
مَا
mā
যা
▶
وَعَدتَّنَا
waʿadttanā
আমাদেরকে তুমি ওয়াদা করেছ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
নিকট
▶
رُسُلِكَ
rusulika
তোমার রাসূলদের
▶
وَلَا
walā
না এবং
▶
تُخْزِنَا
tukh'zinā
আমাদেরকে অপমান করো
▶
يَوْمَ
yawma
দিন
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
إِنَّكَ
innaka
নিশ্চয় তুমি
▶
لَا
lā
না
▶
تُخْلِفُ
tukh'lifu
খেলাফ কর
▶
ٱلْمِيعَادَ
l-mīʿāda
ওয়াদার''
আয়াত 195 - সূরা آل عمران: 43 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱسْتَجَابَ لَهُمْ رَبُّهُمْ أَنِّى لَآ أُضِيعُ عَمَلَ عَـٰمِلٍۢ مِّنكُم مِّن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ ۖ بَعْضُكُم مِّنۢ بَعْضٍۢ ۖ فَٱلَّذِينَ هَاجَرُوا۟ وَأُخْرِجُوا۟ مِن دِيَـٰرِهِمْ وَأُوذُوا۟ فِى سَبِيلِى وَقَـٰتَلُوا۟ وَقُتِلُوا۟ لَأُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّـَٔاتِهِمْ وَلَأُدْخِلَنَّهُمْ جَنَّـٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ ثَوَابًۭا مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ ۗ وَٱللَّهُ عِندَهُۥ حُسْنُ ٱلثَّوَابِ
অতঃপর তাদের পালনকর্তা তাদের দোয়া (এই বলে) কবুল করে নিলেন যে, আমি তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক। তোমরা পরস্পর এক। তারপর সে সমস্ত লোক যারা হিজরত করেছে, তাদেরকে নিজেদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রতি উৎপীড়ন করা হয়েছে আমার পথে এবং যারা লড়াই করেছে ও মৃত্যুবরণ করেছে, অবশ্যই আমি তাদের উপর থেকে অকল্যাণকে অপসারিত করব। এবং তাদেরকে প্রবিষ্ট করব জান্নাতে যার তলদেশে নহর সমূহ প্রবাহিত। এই হলো বিনিময় আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর আল্লাহর নিকট রয়েছে উত্তম বিনিময়।
▶
فَٱسْتَجَابَ
fa-is'tajāba
তাই সাড়া দিলেন
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
رَبُّهُمْ
rabbuhum
তাদের রব
▶
أَنِّى
annī
''(এ বলে) যে আমি
▶
لَآ
lā
না
▶
أُضِيعُ
uḍīʿu
নষ্ট করব
▶
عَمَلَ
ʿamala
আমল
▶
عَـٰمِلٍۢ
ʿāmilin
কোনো আমলকারীর
▶
مِّنكُم
minkum
তোমাদের মধ্যকার
▶
مِّن
min
মধ্য হতে
▶
ذَكَرٍ
dhakarin
পুরুষ (লোকদের)
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
أُنثَىٰ ۖ
unthā
স্ত্রী (লোকদের)
▶
بَعْضُكُم
baʿḍukum
তোমাদের একে
▶
مِّنۢ
min
হতে
▶
بَعْضٍۢ ۖ
baʿḍin
অন্যের (অর্থাত্ সমশ্রেণী ভুক্ত)
▶
فَٱلَّذِينَ
fa-alladhīna
কাজেই যারা
▶
هَاجَرُوا۟
hājarū
হিজরত করেছে
▶
وَأُخْرِجُوا۟
wa-ukh'rijū
ও বহিস্কৃত হয়েছে
▶
مِن
min
হতে
▶
دِيَـٰرِهِمْ
diyārihim
তাদের ঘরবাড়ি
▶
وَأُوذُوا۟
waūdhū
এবং নির্যাতিত হয়েছে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
سَبِيلِى
sabīlī
আমার পথে
▶
وَقَـٰتَلُوا۟
waqātalū
এবং তারা যুদ্ধ করেছে
▶
وَقُتِلُوا۟
waqutilū
ও নিহত হয়েছে
▶
لَأُكَفِّرَنَّ
la-ukaffiranna
আমি অবশ্যই দূর করে দিবই
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদের থেকে
▶
سَيِّـَٔاتِهِمْ
sayyiātihim
তাদের দোষত্রুটি
▶
وَلَأُدْخِلَنَّهُمْ
wala-ud'khilannahum
এবং তাদেরকে অবশ্যই আমি প্রবেশ করাবই
▶
جَنَّـٰتٍۢ
jannātin
জান্নাতে
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার পাদদেশে
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্নাধারা
▶
ثَوَابًۭا
thawāban
প্রতিফল
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ (এমন যে)
▶
عِندَهُۥ
ʿindahu
তাঁরই কাছে (আছে)
▶
حُسْنُ
ḥus'nu
উত্তম
▶
ٱلثَّوَابِ
l-thawābi
প্রতিফল''
আয়াত 196 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَا يَغُرَّنَّكَ تَقَلُّبُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فِى ٱلْبِلَـٰدِ
নগরীতে কাফেরদের চাল-চলন যেন তোমাদিগকে ধোঁকা না দেয়।
▶
لَا
lā
না (যেন)
▶
يَغُرَّنَّكَ
yaghurrannaka
তোমাকে ধোঁকা দেয়
▶
تَقَلُّبُ
taqallubu
(দম্ভপূর্ণ) চলাফেরা
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
কুফরী করেছে
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْبِلَـٰدِ
l-bilādi
দেশ দেশে
আয়াত 197 - সূরা آل عمران: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَتَـٰعٌۭ قَلِيلٌۭ ثُمَّ مَأْوَىٰهُمْ جَهَنَّمُ ۚ وَبِئْسَ ٱلْمِهَادُ
এটা হলো সামান্য ফায়দা-এরপর তাদের ঠিকানা হবে দোযখ। আর সেটি হলো অতি নিকৃষ্ট অবস্থান।
▶
مَتَـٰعٌۭ
matāʿun
(এটা) ভোগবিলাস ও ফূর্তি
▶
قَلِيلٌۭ
qalīlun
অতি সামান্য
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
مَأْوَىٰهُمْ
mawāhum
তাদের ঠিকানা (হবে)
▶
جَهَنَّمُ ۚ
jahannamu
জাহান্নাম
▶
وَبِئْسَ
wabi'sa
এবং অতি নিকৃষ্ট
▶
ٱلْمِهَادُ
l-mihādu
বিশ্রামস্থল
আয়াত 198 - সূরা آل عمران: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَـٰكِنِ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ رَبَّهُمْ لَهُمْ جَنَّـٰتٌۭ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا نُزُلًۭا مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ ۗ وَمَا عِندَ ٱللَّهِ خَيْرٌۭ لِّلْأَبْرَارِ
কিন্তু যারা ভয় করে নিজেদের পালনকর্তাকে তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাত যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে প্রস্রবণ। তাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে সদা আপ্যায়ন চলতে থাকবে। আর যা আল্লাহর নিকট রয়েছে, তা সৎকর্মশীলদের জন্যে একান্তই উত্তম।
▶
لَـٰكِنِ
lākini
কিন্তু
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱتَّقَوْا۟
ittaqaw
ভয় করে
▶
رَبَّهُمْ
rabbahum
তাদের রবকে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
جَنَّـٰتٌۭ
jannātun
জান্নাত সমূহ
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হবে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার পাদদেশে
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্নাধারা সমূহ
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা চিরস্থায়ী হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
نُزُلًۭا
nuzulan
মেহমানদারী (পাবে)
▶
مِّنْ
min
হতে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে (রয়েছে)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
(তাই) উত্তম
▶
لِّلْأَبْرَارِ
lil'abrāri
নেক লোকদের জন্য
আয়াত 199 - সূরা آل عمران: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنَّ مِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ لَمَن يُؤْمِنُ بِٱللَّهِ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْكُمْ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِمْ خَـٰشِعِينَ لِلَّهِ لَا يَشْتَرُونَ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ ثَمَنًۭا قَلِيلًا ۗ أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلْحِسَابِ
আর আহলে কিতাবদের মধ্যে কেউ কেউ এমনও রয়েছে, যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনে এবং যা কিছু তোমার উপর অবতীর্ণ হয় আর যা কিছু তাদের উপর অবতীর্ণ হয়েছে সেগুলোর উপর, আল্লাহর সামনে বিনয়াবনত থাকে এবং আল্লার আয়াতসমুহকে স্বল্পমুল্যের বিনিময়ে সওদা করে না, তারাই হলো সে লোক যাদের জন্য পারিশ্রমিক রয়েছে তাদের পালনকর্তার নিকট। নিশ্চয়ই আল্লাহ যথাশীঘ্র হিসাব চুকিয়ে দেন।
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়
▶
مِنْ
min
মধ্যে
▶
أَهْلِ
ahli
আহলি
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবদের (এমনও আছে)
▶
لَمَن
laman
অবশ্যই যে
▶
يُؤْمِنُ
yu'minu
ঈমান আনে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহ্র উপর
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযিল হয়েছে
▶
إِلَيْكُمْ
ilaykum
তোমাদের প্রতি
▶
وَمَآ
wamā
যা এবং
▶
أُنزِلَ
unzila
নাযিল হয়েছে
▶
إِلَيْهِمْ
ilayhim
তাদের প্রতি
▶
خَـٰشِعِينَ
khāshiʿīna
বিনয়ী হয়ে
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর জন্য
▶
لَا
lā
না
▶
يَشْتَرُونَ
yashtarūna
তারা ক্রয় করে
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
আয়াতের বিনিময়ে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
ثَمَنًۭا
thamanan
মূল্যের (জিনিস)
▶
قَلِيلًا ۗ
qalīlan
সামান্য
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
أَجْرُهُمْ
ajruhum
তাদের প্রতিফল
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ ۗ
rabbihim
তাদের রবের
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
سَرِيعُ
sarīʿu
ত্বরিত
▶
ٱلْحِسَابِ
l-ḥisābi
হিসাব গ্রহণকারী
আয়াত 200 - সূরা آل عمران: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱصْبِرُوا۟ وَصَابِرُوا۟ وَرَابِطُوا۟ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
হে ঈমানদানগণ! ধৈর্য্য ধারণ কর এবং মোকাবেলায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সমর্থ হতে পার।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
ٱصْبِرُوا۟
iṣ'birū
তোমরা সবর কর
▶
وَصَابِرُوا۟
waṣābirū
ও ধৈর্যে দৃঢ় থাক
▶
وَرَابِطُوا۟
warābiṭū
এবং তোমরা প্রস্তুত থাক
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
তোমরা ভয় কর এবং
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
আশা করা যায় তোমরা
▶
تُفْلِحُونَ
tuf'liḥūna
সফলকাম হবে
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে