সূরা البقرة শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা البقرة শব্দে শব্দে
البقرة (البقرة) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মাদানী, মদীনাতে নায়িল, 286টি আয়াত, 6,117টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
6,117টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা البقرة আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 31 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা البقرة: 1 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
الٓمٓ
আলিফ লাম মীম।
▶
الٓمٓ
alif-lam-meem
আলিফ লা-ম মী-ম
আয়াত 2 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ ٱلْكِتَـٰبُ لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًۭى لِّلْمُتَّقِينَ
এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য,
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
(এটা) সেই
▶
ٱلْكِتَـٰبُ
l-kitābu
মহাগ্রন্থ (আল্লাহর)
▶
لَا
lā
নেই
▶
رَيْبَ ۛ
rayba
কোনো সন্দেহ
▶
فِيهِ ۛ
fīhi
তাঁরমধ্যে
▶
هُدًۭى
hudan
সৎপথ নির্দেশ (হেদায়াত)
▶
لِّلْمُتَّقِينَ
lil'muttaqīna
মুত্তাকীদের জন্য
আয়াত 3 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِٱلْغَيْبِ وَيُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَمِمَّا رَزَقْنَـٰهُمْ يُنفِقُونَ
যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
বিশ্বাস করে
▶
بِٱلْغَيْبِ
bil-ghaybi
অদৃশ্যের ওপর
▶
وَيُقِيمُونَ
wayuqīmūna
এবং প্রতিষ্ঠিত করে
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সালাত
▶
وَمِمَّا
wamimmā
ও তা হতে যা
▶
رَزَقْنَـٰهُمْ
razaqnāhum
তাদের আমরা জীবিকা দিয়েছি
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
তারা ব্যয় করে
আয়াত 4 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبْلِكَ وَبِٱلْـَٔاخِرَةِ هُمْ يُوقِنُونَ
এবং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে সেসব বিষয়ের উপর যা কিছু তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং সেসব বিষয়ের উপর যা তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। আর আখেরাতকে যারা নিশ্চিত বলে বিশ্বাস করে।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
বিশ্বাস করে
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছে
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছে
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِكَ
qablika
তোমার পূর্বে
▶
وَبِٱلْـَٔاخِرَةِ
wabil-ākhirati
এবং আখিরাতের উপর
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يُوقِنُونَ
yūqinūna
দৃঢ়বিশ্বাস রাখে
আয়াত 5 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ عَلَىٰ هُدًۭى مِّن رَّبِّهِمْ ۖ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُفْلِحُونَ
তারাই নিজেদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে সুপথ প্রাপ্ত, আর তারাই যথার্থ সফলকাম।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
তারাই (প্রতিষ্ঠিত)
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
هُدًۭى
hudan
সত্যপথের
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّهِمْ ۖ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং তারাই (ঐসব লোক)
▶
هُمُ
humu
যারা
▶
ٱلْمُفْلِحُونَ
l-muf'liḥūna
সফলকাম
আয়াত 6 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ سَوَآءٌ عَلَيْهِمْ ءَأَنذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ
নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অবিশ্বাস করেছে
▶
سَوَآءٌ
sawāon
সমান
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের জন্যে
▶
ءَأَنذَرْتَهُمْ
a-andhartahum
তাদের তুমি সতর্ক কর কি
▶
أَمْ
am
অথবা
▶
لَمْ
lam
না
▶
تُنذِرْهُمْ
tundhir'hum
সতর্ক কর তুমি তাদেরকে
▶
لَا
lā
না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
তারা ঈমান আনবে
আয়াত 7 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
خَتَمَ ٱللَّهُ عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ وَعَلَىٰ سَمْعِهِمْ ۖ وَعَلَىٰٓ أَبْصَـٰرِهِمْ غِشَـٰوَةٌۭ ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌۭ
আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।
▶
خَتَمَ
khatama
সিল মেরে দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
قُلُوبِهِمْ
qulūbihim
তাদের অন্তরের
▶
وَعَلَىٰ
waʿalā
এবং উপর
▶
سَمْعِهِمْ ۖ
samʿihim
তাদের শ্রবণশক্তির
▶
وَعَلَىٰٓ
waʿalā
এবং উপর
▶
أَبْصَـٰرِهِمْ
abṣārihim
তাদের দৃষ্টিশক্তির
▶
غِشَـٰوَةٌۭ ۖ
ghishāwatun
আবরণ (দিয়েছেন)
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদেরজন্যে (রয়েছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
عَظِيمٌۭ
ʿaẓīmun
কঠিন
আয়াত 8 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يَقُولُ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَبِٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ وَمَا هُم بِمُؤْمِنِينَ
আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে, আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ আদৌ তারা ঈমানদার নয়।
▶
وَمِنَ
wamina
এবং মধ্যহতে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের (এমনও আছে)
▶
مَن
man
যারা
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলে
▶
ءَامَنَّا
āmannā
''আমরা ঈমান এনেছি
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَبِٱلْيَوْمِ
wabil-yawmi
ও দিনের উপর
▶
ٱلْـَٔاخِرِ
l-ākhiri
আখিরাতের''
▶
وَمَا
wamā
অথচ না
▶
هُم
hum
তারা
▶
بِمُؤْمِنِينَ
bimu'minīna
মুমিন
আয়াত 9 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يُخَـٰدِعُونَ ٱللَّهَ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَمَا يَخْدَعُونَ إِلَّآ أَنفُسَهُمْ وَمَا يَشْعُرُونَ
তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।
▶
يُخَـٰدِعُونَ
yukhādiʿūna
তারা প্রতারিত করতে চায়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
ও (তাদেরকে) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَمَا
wamā
কিন্তু না
▶
يَخْدَعُونَ
yakhdaʿūna
তারা প্রতারিত করে
▶
إِلَّآ
illā
ছাড়া
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদেরকে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَشْعُرُونَ
yashʿurūna
তারা অনুভব করে
আয়াত 10 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فِى قُلُوبِهِم مَّرَضٌۭ فَزَادَهُمُ ٱللَّهُ مَرَضًۭا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۢ بِمَا كَانُوا۟ يَكْذِبُونَ
তাদের অন্তঃকরণ ব্যধিগ্রস্ত আর আল্লাহ তাদের ব্যধি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। বস্তুতঃ তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ভয়াবহ আযাব, তাদের মিথ্যাচারের দরুন।
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
قُلُوبِهِم
qulūbihim
তাদের অন্তর সমূহের
▶
مَّرَضٌۭ
maraḍun
রোগ (আছে)
▶
فَزَادَهُمُ
fazādahumu
বৃদ্ধি করলেন তাই (আরও) তাদেরকে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
مَرَضًۭا ۖ
maraḍan
(তাদের) রোগ
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۢ
alīmun
কষ্টদায়ক
▶
بِمَا
bimā
এজন্যে যে
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
يَكْذِبُونَ
yakdhibūna
তারা মিথ্যা বলতো
আয়াত 11 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ لَا تُفْسِدُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ قَالُوٓا۟ إِنَّمَا نَحْنُ مُصْلِحُونَ
আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের উদ্দেশ্যে
▶
لَا
lā
''না
▶
تُفْسِدُوا۟
tuf'sidū
বিপর্যয় সৃষ্টি করো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর''
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে
▶
إِنَّمَا
innamā
''মূলতঃ
▶
نَحْنُ
naḥnu
আমরা
▶
مُصْلِحُونَ
muṣ'liḥūna
সংশোধনকারী''
আয়াত 12 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَآ إِنَّهُمْ هُمُ ٱلْمُفْسِدُونَ وَلَـٰكِن لَّا يَشْعُرُونَ
মনে রেখো, তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করে না।
▶
أَلَآ
alā
সাবধান
▶
إِنَّهُمْ
innahum
তারা নিশ্চয়ই
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْمُفْسِدُونَ
l-muf'sidūna
বিপর্যয় সৃষ্টিকারী
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
لَّا
lā
না
▶
يَشْعُرُونَ
yashʿurūna
তারা অনুভব করে
আয়াত 13 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ ءَامِنُوا۟ كَمَآ ءَامَنَ ٱلنَّاسُ قَالُوٓا۟ أَنُؤْمِنُ كَمَآ ءَامَنَ ٱلسُّفَهَآءُ ۗ أَلَآ إِنَّهُمْ هُمُ ٱلسُّفَهَآءُ وَلَـٰكِن لَّا يَعْلَمُونَ
আর যখন তাদেরকে বলা হয়, অন্যান্যরা যেভাবে ঈমান এনেছে তোমরাও সেভাবে ঈমান আন, তখন তারা বলে, আমরাও কি ঈমান আনব বোকাদেরই মত! মনে রেখো, প্রকৃতপক্ষে তারাই বোকা, কিন্তু তারা তা বোঝে না।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের উদ্দেশ্যে
▶
ءَامِنُوا۟
āminū
''তোমরা ঈমান আনো
▶
كَمَآ
kamā
যেমন
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান এনেছে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
মানুষ''
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে
▶
أَنُؤْمِنُ
anu'minu
''আমরা কি ঈমান আনবো
▶
كَمَآ
kamā
যেমন
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান এনেছে
▶
ٱلسُّفَهَآءُ ۗ
l-sufahāu
বোকারা''
▶
أَلَآ
alā
সাবধান
▶
إِنَّهُمْ
innahum
নিশ্চয়ই তারা
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلسُّفَهَآءُ
l-sufahāu
বোকা
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
لَّا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
তারা জানে
আয়াত 14 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا لَقُوا۟ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا وَإِذَا خَلَوْا۟ إِلَىٰ شَيَـٰطِينِهِمْ قَالُوٓا۟ إِنَّا مَعَكُمْ إِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِءُونَ
আর তারা যখন ঈমানদারদের সাথে মিশে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি। আবার যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, আমরা তোমাদের সাথে রয়েছি। আমরা তো (মুসলমানদের সাথে) উপহাস করি মাত্রা।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
لَقُوا۟
laqū
তারা মিলিত হয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের সাথে) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে
▶
ءَامَنَّا
āmannā
''আমরা ঈমান এনেছি''
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
خَلَوْا۟
khalaw
গোপনে মিলে
▶
إِلَىٰ
ilā
সাথে
▶
شَيَـٰطِينِهِمْ
shayāṭīnihim
তাদের শয়তান (বন্ধুদের)
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে
▶
إِنَّا
innā
''নিশ্চয়ই আমরা
▶
مَعَكُمْ
maʿakum
তোমাদের সাথে
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলতঃ
▶
نَحْنُ
naḥnu
আমরা
▶
مُسْتَهْزِءُونَ
mus'tahziūna
উপহাসকারী (মু'মিনদের সাথে)''
আয়াত 15 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ يَسْتَهْزِئُ بِهِمْ وَيَمُدُّهُمْ فِى طُغْيَـٰنِهِمْ يَعْمَهُونَ
বরং আল্লাহই তাদের সাথে উপহাস করেন। আর তাদেরকে তিনি ছেড়ে দিয়েছেন যেন তারা নিজেদের অহংকার ও কুমতলবে হয়রান ও পেরেশান থাকে।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ্
▶
يَسْتَهْزِئُ
yastahzi-u
উপহাস করেন
▶
بِهِمْ
bihim
তাদের সাথে
▶
وَيَمُدُّهُمْ
wayamudduhum
এবং তাদের ঢিলদেন
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
طُغْيَـٰنِهِمْ
ṭugh'yānihim
তাদের অবাধ্যতার
▶
يَعْمَهُونَ
yaʿmahūna
তারা উদভ্রান্ত হয়ে ফিরে
আয়াত 16 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ ٱشْتَرَوُا۟ ٱلضَّلَـٰلَةَ بِٱلْهُدَىٰ فَمَا رَبِحَت تِّجَـٰرَتُهُمْ وَمَا كَانُوا۟ مُهْتَدِينَ
তারা সে সমস্ত লোক, যারা হেদায়েতের বিনিময়ে গোমরাহী খরিদ করে। বস্তুতঃ তারা তাদের এ ব্যবসায় লাভবান হতে পারেনি এবং তারা হেদায়েতও লাভ করতে পারেনি।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
তারাই (ঐসব লোক)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱشْتَرَوُا۟
ish'tarawū
কিনেছে
▶
ٱلضَّلَـٰلَةَ
l-ḍalālata
পথভ্রশ্ততা
▶
بِٱلْهُدَىٰ
bil-hudā
সৎপথের বিনিময়
▶
فَمَا
famā
সুতরাং না
▶
رَبِحَت
rabiḥat
লাভজনক হয়
▶
تِّجَـٰرَتُهُمْ
tijāratuhum
তাদের ব্যবসা
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
مُهْتَدِينَ
muh'tadīna
সৎপথে পরিচালিত
আয়াত 17 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَثَلُهُمْ كَمَثَلِ ٱلَّذِى ٱسْتَوْقَدَ نَارًۭا فَلَمَّآ أَضَآءَتْ مَا حَوْلَهُۥ ذَهَبَ ٱللَّهُ بِنُورِهِمْ وَتَرَكَهُمْ فِى ظُلُمَـٰتٍۢ لَّا يُبْصِرُونَ
তাদের অবস্থা সে ব্যক্তির মত, যে লোক কোথাও আগুন জ্বালালো এবং তার চারদিককার সবকিছুকে যখন আগুন স্পষ্ট করে তুললো, ঠিক এমনি সময় আল্লাহ তার চারদিকের আলোকে উঠিয়ে নিলেন এবং তাদেরকে অন্ধকারে ছেড়ে দিলেন। ফলে, তারা কিছুই দেখতে পায় না।
▶
مَثَلُهُمْ
mathaluhum
তাদের উপমা
▶
كَمَثَلِ
kamathali
উপমা যেমন (এক ব্যক্তির)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যে
▶
ٱسْتَوْقَدَ
is'tawqada
জ্বালালো
▶
نَارًۭا
nāran
আগুন
▶
فَلَمَّآ
falammā
অতঃপর যখন
▶
أَضَآءَتْ
aḍāat
আলোকিত করলো
▶
مَا
mā
যা
▶
حَوْلَهُۥ
ḥawlahu
তার চারপাশে
▶
ذَهَبَ
dhahaba
নিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بِنُورِهِمْ
binūrihim
তাদের আলো নিয়ে
▶
وَتَرَكَهُمْ
watarakahum
এবং তাদের ছেড়ে দিলেন
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ظُلُمَـٰتٍۢ
ẓulumātin
অন্ধকার সমূহের
▶
لَّا
lā
না
▶
يُبْصِرُونَ
yub'ṣirūna
তারা দেখতে পায়
আয়াত 18 - সূরা البقرة: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
صُمٌّۢ بُكْمٌ عُمْىٌۭ فَهُمْ لَا يَرْجِعُونَ
তারা বধির, মূক ও অন্ধ। সুতরাং তারা ফিরে আসবে না।
▶
صُمٌّۢ
ṣummun
বধির
▶
بُكْمٌ
buk'mun
বোবা
▶
عُمْىٌۭ
ʿum'yun
অন্ধ
▶
فَهُمْ
fahum
সুতরাং তারা
▶
لَا
lā
না
▶
يَرْجِعُونَ
yarjiʿūna
প্রত্যাবর্তন করবে
আয়াত 19 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ كَصَيِّبٍۢ مِّنَ ٱلسَّمَآءِ فِيهِ ظُلُمَـٰتٌۭ وَرَعْدٌۭ وَبَرْقٌۭ يَجْعَلُونَ أَصَـٰبِعَهُمْ فِىٓ ءَاذَانِهِم مِّنَ ٱلصَّوَٰعِقِ حَذَرَ ٱلْمَوْتِ ۚ وَٱللَّهُ مُحِيطٌۢ بِٱلْكَـٰفِرِينَ
আর তাদের উদাহরণ সেসব লোকের মত যারা দুর্যোগপূর্ণ ঝড়ো রাতে পথ চলে, যাতে থাকে আঁধার, গর্জন ও বিদ্যুৎচমক। মৃত্যুর ভয়ে গর্জনের সময় কানে আঙ্গুল দিয়ে রক্ষা পেতে চায়। অথচ সমস্ত কাফেরই আল্লাহ কর্তৃক পরিবেষ্ঠিত।
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
كَصَيِّبٍۢ
kaṣayyibin
মতো বৃষ্টিপাতের
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে (আছে)
▶
ظُلُمَـٰتٌۭ
ẓulumātun
অন্ধকার
▶
وَرَعْدٌۭ
waraʿdun
এবং গর্জন
▶
وَبَرْقٌۭ
wabarqun
ও বিদ্যুৎচমক
▶
يَجْعَلُونَ
yajʿalūna
তারা রাখে
▶
أَصَـٰبِعَهُمْ
aṣābiʿahum
তাদের আঙ্গুলগুলোকে
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
ءَاذَانِهِم
ādhānihim
তাদের কানগুলোর
▶
مِّنَ
mina
কারনে
▶
ٱلصَّوَٰعِقِ
l-ṣawāʿiqi
বজ্রধ্বনির
▶
حَذَرَ
ḥadhara
ভয়ে
▶
ٱلْمَوْتِ ۚ
l-mawti
মৃত্যুর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
অথচ আল্লাহ্
▶
مُحِيطٌۢ
muḥīṭun
পরিবেষ্টনকারী
▶
بِٱلْكَـٰفِرِينَ
bil-kāfirīna
কাফিরদের
আয়াত 20 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَكَادُ ٱلْبَرْقُ يَخْطَفُ أَبْصَـٰرَهُمْ ۖ كُلَّمَآ أَضَآءَ لَهُم مَّشَوْا۟ فِيهِ وَإِذَآ أَظْلَمَ عَلَيْهِمْ قَامُوا۟ ۚ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَذَهَبَ بِسَمْعِهِمْ وَأَبْصَـٰرِهِمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ
বিদ্যুতালোকে যখন সামান্য আলোকিত হয়, তখন কিছুটা পথ চলে। আবার যখন অন্ধকার হয়ে যায়, তখন ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে। যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন, তাহলে তাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নিতে পারেন। আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ের উপর সর্বময় ক্ষমতাশীল।
▶
يَكَادُ
yakādu
প্রায়
▶
ٱلْبَرْقُ
l-barqu
বিদ্যুৎচমক
▶
يَخْطَفُ
yakhṭafu
কেড়ে নেয়
▶
أَبْصَـٰرَهُمْ ۖ
abṣārahum
তাদের দৃষ্টিসমূহের
▶
كُلَّمَآ
kullamā
যখনই
▶
أَضَآءَ
aḍāa
আলোকিত হয়
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্য
▶
مَّشَوْا۟
mashaw
তারা চলে
▶
فِيهِ
fīhi
তারমধ্যে
▶
وَإِذَآ
wa-idhā
এবং যখন
▶
أَظْلَمَ
aẓlama
অন্ধকার হয়
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
قَامُوا۟ ۚ
qāmū
তারা দাড়িয়ে যায়
▶
وَلَوْ
walaw
আর যদি
▶
شَآءَ
shāa
চান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
لَذَهَبَ
ladhahaba
অবশ্যই নিয়ে নিবেন
▶
بِسَمْعِهِمْ
bisamʿihim
তাদের শ্রবণশক্তি
▶
وَأَبْصَـٰرِهِمْ ۚ
wa-abṣārihim
এবং তাদের দর্শনশক্তি
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
সর্বশক্তিমান
আয়াত 21 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱعْبُدُوا۟ رَبَّكُمُ ٱلَّذِى خَلَقَكُمْ وَٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তার এবাদত কর, যিনি তোমাদিগকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদিগকে সৃষ্টি করেছেন। তাতে আশা করা যায়, তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পারবে।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
মানুষ
▶
ٱعْبُدُوا۟
uʿ'budū
তোমরা ইবাদত করো
▶
رَبَّكُمُ
rabbakumu
তোমাদের রবের,
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
خَلَقَكُمْ
khalaqakum
তোমাদের সৃষ্টি করেছেন
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা (ছিল)
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِكُمْ
qablikum
তোমাদের পূর্ব (তাদেরও স্রষ্টা)
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমরা যেন
▶
تَتَّقُونَ
tattaqūna
বেঁচে চলতে পারো (পাপ হতে)
আয়াত 22 - সূরা البقرة: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ فِرَٰشًۭا وَٱلسَّمَآءَ بِنَآءًۭ وَأَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ فَأَخْرَجَ بِهِۦ مِنَ ٱلثَّمَرَٰتِ رِزْقًۭا لَّكُمْ ۖ فَلَا تَجْعَلُوا۟ لِلَّهِ أَندَادًۭا وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
যে পবিত্রসত্তা তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করে দিয়েছেন, আর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তোমাদের জন্য ফল-ফসল উৎপাদন করেছেন তোমাদের খাদ্য হিসাবে। অতএব, আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাকেও সমকক্ষ করো না। বস্তুতঃ এসব তোমরা জান।
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
جَعَلَ
jaʿala
করেছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্য
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
পৃথিবীকে
▶
فِرَٰشًۭا
firāshan
শয্যা
▶
وَٱلسَّمَآءَ
wal-samāa
ও আকাশকে
▶
بِنَآءًۭ
bināan
ছাদ স্বরূপ,
▶
وَأَنزَلَ
wa-anzala
এবং বর্ষণ করেছেন
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
مَآءًۭ
māan
পানি,
▶
فَأَخْرَجَ
fa-akhraja
এরপর বের করেছেন
▶
بِهِۦ
bihi
তা দ্বারা
▶
مِنَ
mina
কোনো
▶
ٱلثَّمَرَٰتِ
l-thamarāti
(নানা ধরণের) ফলমূল
▶
رِزْقًۭا
riz'qan
রিযক হিসাবে
▶
لَّكُمْ ۖ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
تَجْعَلُوا۟
tajʿalū
দাড় করিও
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর সাথে
▶
أَندَادًۭا
andādan
সমতুল্য (অন্য কাউকে)
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
অথচ তোমরা
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
জানো
আয়াত 23 - সূরা البقرة: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن كُنتُمْ فِى رَيْبٍۢ مِّمَّا نَزَّلْنَا عَلَىٰ عَبْدِنَا فَأْتُوا۟ بِسُورَةٍۢ مِّن مِّثْلِهِۦ وَٱدْعُوا۟ شُهَدَآءَكُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ
এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরকে সঙ্গে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা থাক
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
رَيْبٍۢ
raybin
সন্দেহের
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
نَزَّلْنَا
nazzalnā
আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
عَبْدِنَا
ʿabdinā
আমাদের দাসের,
▶
فَأْتُوا۟
fatū
তবে তোমরা আনো
▶
بِسُورَةٍۢ
bisūratin
একটি সূরা
▶
مِّن
min
মধ্য হতে
▶
مِّثْلِهِۦ
mith'lihi
তার সদৃশ
▶
وَٱدْعُوا۟
wa-id'ʿū
এবং তোমরা ডাকো
▶
شُهَدَآءَكُم
shuhadāakum
তোমাদের সাক্ষীদেরকে
▶
مِّن
min
দিয়ে
▶
دُونِ
dūni
বাদ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহকে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও
▶
صَـٰدِقِينَ
ṣādiqīna
সত্যবাদী
আয়াত 24 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِن لَّمْ تَفْعَلُوا۟ وَلَن تَفْعَلُوا۟ فَٱتَّقُوا۟ ٱلنَّارَ ٱلَّتِى وَقُودُهَا ٱلنَّاسُ وَٱلْحِجَارَةُ ۖ أُعِدَّتْ لِلْكَـٰفِرِينَ
আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।
▶
فَإِن
fa-in
কিন্তু যদি
▶
لَّمْ
lam
না
▶
تَفْعَلُوا۟
tafʿalū
তোমরা করো
▶
وَلَن
walan
এবং কখনও না
▶
تَفْعَلُوا۟
tafʿalū
তোমরা করতে পারবে
▶
فَٱتَّقُوا۟
fa-ittaqū
তোমরা ভয় করো
▶
ٱلنَّارَ
l-nāra
আগুনের
▶
ٱلَّتِى
allatī
যা (এমন যে)
▶
وَقُودُهَا
waqūduhā
তার ইন্ধন (হবে)
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
মানুষ
▶
وَٱلْحِجَارَةُ ۖ
wal-ḥijāratu
ও পাথরসমূহ
▶
أُعِدَّتْ
uʿiddat
যা প্রস্তুুত করা হয়েছে
▶
لِلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
কাফিরদের জন্য
আয়াত 25 - সূরা البقرة: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَبَشِّرِ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ أَنَّ لَهُمْ جَنَّـٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ ۖ كُلَّمَا رُزِقُوا۟ مِنْهَا مِن ثَمَرَةٍۢ رِّزْقًۭا ۙ قَالُوا۟ هَـٰذَا ٱلَّذِى رُزِقْنَا مِن قَبْلُ ۖ وَأُتُوا۟ بِهِۦ مُتَشَـٰبِهًۭا ۖ وَلَهُمْ فِيهَآ أَزْوَٰجٌۭ مُّطَهَّرَةٌۭ ۖ وَهُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
আর হে নবী (সাঃ), যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।
▶
وَبَشِّرِ
wabashiri
এবং সুসংবাদ দাও
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে (রয়েছে)
▶
جَنَّـٰتٍۢ
jannātin
জান্নাত
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
দিয়ে
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার নিচ
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ ۖ
l-anhāru
ঝর্ণাধারা
▶
كُلَّمَا
kullamā
যখনই
▶
رُزِقُوا۟
ruziqū
তাদের রিযক দেয়া হবে
▶
مِنْهَا
min'hā
তা থেকে
▶
مِن
min
কোনো
▶
ثَمَرَةٍۢ
thamaratin
ফলমূল
▶
رِّزْقًۭا ۙ
riz'qan
রিযক হিসেবে
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলবে
▶
هَـٰذَا
hādhā
''এটা
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(তাই) যা
▶
رُزِقْنَا
ruziq'nā
আমাদের রিযক দেওয়া হয়েছিল
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلُ ۖ
qablu
পূর্ব''
▶
وَأُتُوا۟
wa-utū
এবং তাদেরকে যা দেওয়া হয়েছিল
▶
بِهِۦ
bihi
(তা থেকে)
▶
مُتَشَـٰبِهًۭا ۖ
mutashābihan
সদৃশ হবে (পরস্পরে)
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্যে
▶
فِيهَآ
fīhā
তারমধ্যে (থাকবে)
▶
أَزْوَٰجٌۭ
azwājun
স্ত্রীরা
▶
مُّطَهَّرَةٌۭ ۖ
muṭahharatun
পবিত্র
▶
وَهُمْ
wahum
এবং তারা
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে
আয়াত 26 - সূরা البقرة: 39 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَسْتَحْىِۦٓ أَن يَضْرِبَ مَثَلًۭا مَّا بَعُوضَةًۭ فَمَا فَوْقَهَا ۚ فَأَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ فَيَعْلَمُونَ أَنَّهُ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ ۖ وَأَمَّا ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فَيَقُولُونَ مَاذَآ أَرَادَ ٱللَّهُ بِهَـٰذَا مَثَلًۭا ۘ يُضِلُّ بِهِۦ كَثِيرًۭا وَيَهْدِى بِهِۦ كَثِيرًۭا ۚ وَمَا يُضِلُّ بِهِۦٓ إِلَّا ٱلْفَـٰسِقِينَ
আল্লাহ পাক নিঃসন্দেহে মশা বা তদুর্ধ্ব বস্তু দ্বারা উপমা পেশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। বস্তুতঃ যারা মুমিন তারা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে যে, তাদের পালনকর্তা কর্তৃক উপস্থাপিত এ উপমা সম্পূর্ণ নির্ভূল ও সঠিক। আর যারা কাফের তারা বলে, এরূপ উপমা উপস্থাপনে আল্লাহর মতলবই বা কি ছিল। এ দ্বারা আল্লাহ তা’আলা অনেককে বিপথগামী করেন, আবার অনেককে সঠিক পথও প্রদর্শন করেন। তিনি অনুরূপ উপমা দ্বারা অসৎ ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন কাকেও বিপথগামী করেন না।
▶
۞ إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَسْتَحْىِۦٓ
yastaḥyī
লজ্জাবোধ করেন
▶
أَن
an
যে
▶
يَضْرِبَ
yaḍriba
তিনি পেশ করবেন
▶
مَثَلًۭا
mathalan
দৃষ্টান্ত
▶
مَّا
mā
যা
▶
بَعُوضَةًۭ
baʿūḍatan
মশা
▶
فَمَا
famā
কিংবা যা
▶
فَوْقَهَا ۚ
fawqahā
তারচেয়ে ক্ষুদ্রতর
▶
فَأَمَّا
fa-ammā
তাই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
فَيَعْلَمُونَ
fayaʿlamūna
জানতে পারে তখন
▶
أَنَّهُ
annahu
তা নিশ্চয়ই
▶
ٱلْحَقُّ
l-ḥaqu
সত্য
▶
مِن
min
পক্ষ থেকে
▶
رَّبِّهِمْ ۖ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَأَمَّا
wa-ammā
পক্ষান্তরে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অবিশ্বাস করেছে
▶
فَيَقُولُونَ
fayaqūlūna
তারা বলে তখন
▶
مَاذَآ
mādhā
কি
▶
أَرَادَ
arāda
চেয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِهَـٰذَا
bihādhā
এই দিয়ে
▶
مَثَلًۭا ۘ
mathalan
উপমা
▶
يُضِلُّ
yuḍillu
তিনি বিভ্রান্ত করেন
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
كَثِيرًۭا
kathīran
অনেককে
▶
وَيَهْدِى
wayahdī
এবং পথ প্রদর্শন করেন
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
كَثِيرًۭا ۚ
kathīran
অনেককে,
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يُضِلُّ
yuḍillu
বিভ্রান্ত করেন
▶
بِهِۦٓ
bihi
এ দিয়ে
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
ٱلْفَـٰسِقِينَ
l-fāsiqīna
স্বত্বত্যাগীদেরকে
আয়াত 27 - সূরা البقرة: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَنقُضُونَ عَهْدَ ٱللَّهِ مِنۢ بَعْدِ مِيثَـٰقِهِۦ وَيَقْطَعُونَ مَآ أَمَرَ ٱللَّهُ بِهِۦٓ أَن يُوصَلَ وَيُفْسِدُونَ فِى ٱلْأَرْضِ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْخَـٰسِرُونَ
(বিপথগামী ওরাই) যারা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গ করে এবং আল্লাহ পাক যা অবিচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন, তা ছিন্ন করে, আর পৃথিবীর বুকে অশান্তি সৃষ্টি করে। ওরা যথার্থই ক্ষতিগ্রস্ত।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَنقُضُونَ
yanquḍūna
ভঙ্গকরে
▶
عَهْدَ
ʿahda
প্রতিশ্রুতি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
مِيثَـٰقِهِۦ
mīthāqihi
তা আবদ্ধ হওয়ার,
▶
وَيَقْطَعُونَ
wayaqṭaʿūna
এবং তারা ছিন্নকরে
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَمَرَ
amara
নির্দেশ দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِهِۦٓ
bihi
তাঁর সম্পর্কে
▶
أَن
an
যে
▶
يُوصَلَ
yūṣala
যুক্ত করতে
▶
وَيُفْسِدُونَ
wayuf'sidūna
এবং তারা বিপর্যয় সৃষ্টি করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ ۚ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব (লোক),
▶
هُمُ
humu
(তারাই)
▶
ٱلْخَـٰسِرُونَ
l-khāsirūna
ক্ষতিগ্রস্ত
আয়াত 28 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَيْفَ تَكْفُرُونَ بِٱللَّهِ وَكُنتُمْ أَمْوَٰتًۭا فَأَحْيَـٰكُمْ ۖ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
কেমন করে তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে কুফরী অবলম্বন করছ? অথচ তোমরা ছিলে নিষ্প্রাণ। অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে প্রাণ দান করেছেন, আবার মৃত্যু দান করবেন। পুনরায় তোমাদেরকে জীবনদান করবেন। অতঃপর তারই প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে।
▶
كَيْفَ
kayfa
কিরূপে
▶
تَكْفُرُونَ
takfurūna
তোমরা অবিশ্বাস করবে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَكُنتُمْ
wakuntum
অথচ তোমরা ছিলে
▶
أَمْوَٰتًۭا
amwātan
মৃত অবস্থায়
▶
فَأَحْيَـٰكُمْ ۖ
fa-aḥyākum
পরে তিনি তোমাদের জীবিত করেছেন
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يُمِيتُكُمْ
yumītukum
তোমাদের মৃত্যু দেবেন
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يُحْيِيكُمْ
yuḥ'yīkum
তোমাদের জীবিত করবেন
▶
ثُمَّ
thumma
এরপরে
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁর দিকেই
▶
تُرْجَعُونَ
tur'jaʿūna
ফিরে যেতে হবে তোমাদেরকে
আয়াত 29 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُوَ ٱلَّذِى خَلَقَ لَكُم مَّا فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًۭا ثُمَّ ٱسْتَوَىٰٓ إِلَى ٱلسَّمَآءِ فَسَوَّىٰهُنَّ سَبْعَ سَمَـٰوَٰتٍۢ ۚ وَهُوَ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌۭ
তিনিই সে সত্ত্বা যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য যা কিছু জমীনে রয়েছে সে সমস্ত। তারপর তিনি মনোসংযোগ করেছেন আকাশের প্রতি। বস্তুতঃ তিনি তৈরী করেছেন সাত আসমান। আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে অবহিত।
▶
هُوَ
huwa
তিনিই (আল্লাহ)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
خَلَقَ
khalaqa
সৃষ্টি করেছেন
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مَّا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর,
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সবকিছুকেই
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱسْتَوَىٰٓ
is'tawā
লক্ষ্য দিলেন
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশের
▶
فَسَوَّىٰهُنَّ
fasawwāhunna
অতঃপর তাদেরকে সম্পূর্ণ করলেন
▶
سَبْعَ
sabʿa
সাত
▶
سَمَـٰوَٰتٍۢ ۚ
samāwātin
আকাশ
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
بِكُلِّ
bikulli
সব
▶
شَىْءٍ
shayin
জিনিস সম্পর্কে
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
মহাজ্ঞানী
আয়াত 30 - সূরা البقرة: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ إِنِّى جَاعِلٌۭ فِى ٱلْأَرْضِ خَلِيفَةًۭ ۖ قَالُوٓا۟ أَتَجْعَلُ فِيهَا مَن يُفْسِدُ فِيهَا وَيَسْفِكُ ٱلدِّمَآءَ وَنَحْنُ نُسَبِّحُ بِحَمْدِكَ وَنُقَدِّسُ لَكَ ۖ قَالَ إِنِّىٓ أَعْلَمُ مَا لَا تَعْلَمُونَ
আর তোমার পালনকর্তা যখন ফেরেশতাদিগকে বললেনঃ আমি পৃথিবীতে একজন প্রতিনিধি বানাতে যাচ্ছি, তখন ফেরেশতাগণ বলল, তুমি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে সৃষ্টি করবে যে দাঙ্গা-হাঙ্গামার সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত ঘটাবে? অথচ আমরা নিয়ত তোমার গুণকীর্তন করছি এবং তোমার পবিত্র সত্তাকে স্মরণ করছি। তিনি বললেন, নিঃসন্দেহে আমি জানি, যা তোমরা জান না।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিলেন
▶
رَبُّكَ
rabbuka
তোমার রব
▶
لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ
lil'malāikati
ফেরেশতাদের উদ্দেশে
▶
إِنِّى
innī
''নিশ্চয়ই আমি
▶
جَاعِلٌۭ
jāʿilun
সৃষ্টিকারী
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীতর
▶
خَلِيفَةًۭ ۖ
khalīfatan
প্রতিনিধি
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলেছিলো
▶
أَتَجْعَلُ
atajʿalu
''আপনি কি সৃষ্টি করবেন
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে (পৃথিবীতে)
▶
مَن
man
যে
▶
يُفْسِدُ
yuf'sidu
বিপর্যয় সৃষ্টি করবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَيَسْفِكُ
wayasfiku
ও ঝরাবে
▶
ٱلدِّمَآءَ
l-dimāa
রক্ত
▶
وَنَحْنُ
wanaḥnu
এবং আমরাইতো
▶
نُسَبِّحُ
nusabbiḥu
পবিত্র মহিমা ঘোষণা করি
▶
بِحَمْدِكَ
biḥamdika
আপনার প্রশংসা
▶
وَنُقَدِّسُ
wanuqaddisu
ও মহিমা ঘোষণা করি
▶
لَكَ ۖ
laka
আপনার
▶
قَالَ
qāla
তিনি বলেছিলেন
▶
إِنِّىٓ
innī
''নিশ্চয়ই আমি
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
জানি
▶
مَا
mā
যা
▶
لَا
lā
না
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
তোমরা জান''
আয়াত 31 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَعَلَّمَ ءَادَمَ ٱلْأَسْمَآءَ كُلَّهَا ثُمَّ عَرَضَهُمْ عَلَى ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ فَقَالَ أَنۢبِـُٔونِى بِأَسْمَآءِ هَـٰٓؤُلَآءِ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ
আর আল্লাহ তা’আলা শিখালেন আদমকে সমস্ত বস্তু-সামগ্রীর নাম। তারপর সে সমস্ত বস্তু-সামগ্রীকে ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন করলেন। অতঃপর বললেন, আমাকে তোমরা এগুলোর নাম বলে দাও, যদি তোমরা সত্য হয়ে থাক।
▶
وَعَلَّمَ
waʿallama
এবং শিখালেন
▶
ءَادَمَ
ādama
আদমকে
▶
ٱلْأَسْمَآءَ
l-asmāa
নামসমূহ
▶
كُلَّهَا
kullahā
সবকিছুর
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
عَرَضَهُمْ
ʿaraḍahum
সেগুলো উপস্থাপন করলেন
▶
عَلَى
ʿalā
সামনে
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ
l-malāikati
ফেরেশতাদের
▶
فَقَالَ
faqāla
এরপর বললেন
▶
أَنۢبِـُٔونِى
anbiūnī
''আমাকে অবহিত করো
▶
بِأَسْمَآءِ
bi-asmāi
নাম সম্পর্কে
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
এসবের
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও
▶
صَـٰدِقِينَ
ṣādiqīna
সত্যবাদী''
আয়াত 32 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ سُبْحَـٰنَكَ لَا عِلْمَ لَنَآ إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَآ ۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَلِيمُ ٱلْحَكِيمُ
তারা বলল, তুমি পবিত্র! আমরা কোন কিছুই জানি না, তবে তুমি যা আমাদিগকে শিখিয়েছ (সেগুলো ব্যতীত) নিশ্চয় তুমিই প্রকৃত জ্ঞানসম্পন্ন, হেকমতওয়ালা।
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
سُبْحَـٰنَكَ
sub'ḥānaka
''আপনি পবিত্র
▶
لَا
lā
না (আছে)
▶
عِلْمَ
ʿil'ma
জ্ঞান
▶
لَنَآ
lanā
আমাদের
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
مَا
mā
যা
▶
عَلَّمْتَنَآ ۖ
ʿallamtanā
আমাদের আপনি শিখিয়েছেন
▶
إِنَّكَ
innaka
নিশ্চয়ই আপনি
▶
أَنتَ
anta
আপনিই
▶
ٱلْعَلِيمُ
l-ʿalīmu
মহাজ্ঞানী
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 33 - সূরা البقرة: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ يَـٰٓـَٔادَمُ أَنۢبِئْهُم بِأَسْمَآئِهِمْ ۖ فَلَمَّآ أَنۢبَأَهُم بِأَسْمَآئِهِمْ قَالَ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ إِنِّىٓ أَعْلَمُ غَيْبَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَأَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا كُنتُمْ تَكْتُمُونَ
তিনি বললেন, হে আদম, ফেরেশতাদেরকে বলে দাও এসবের নাম। তারপর যখন তিনি বলে দিলেন সে সবের নাম, তখন তিনি বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আমি আসমান ও যমীনের যাবতীয় গোপন বিষয় সম্পর্কে খুব ভাল করেই অবগত রয়েছি? এবং সেসব বিষয়ও জানি যা তোমরা প্রকাশ কর, আর যা তোমরা গোপন কর!
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
يَـٰٓـَٔادَمُ
yāādamu
''হে আদম
▶
أَنۢبِئْهُم
anbi'hum
তাদেরকে অবহিত করো
▶
بِأَسْمَآئِهِمْ ۖ
bi-asmāihim
তাদের নামগুলো সম্পর্কে''
▶
فَلَمَّآ
falammā
অতঃপর যখন
▶
أَنۢبَأَهُم
anba-ahum
সে তাদেরকে অবহিত করল
▶
بِأَسْمَآئِهِمْ
bi-asmāihim
তাদের নামগুলো
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
أَلَمْ
alam
''আমি কি
▶
أَقُل
aqul
বলি নি
▶
لَّكُمْ
lakum
তোমাদেরকে
▶
إِنِّىٓ
innī
নিশ্চয়ই
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
আমি জানি
▶
غَيْبَ
ghayba
অদৃশ্যকে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ সমূহের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পাৃথিবীর
▶
وَأَعْلَمُ
wa-aʿlamu
এবং আমি জানি
▶
مَا
mā
যা
▶
تُبْدُونَ
tub'dūna
তোমরা প্রকাশ কর
▶
وَمَا
wamā
ও যা
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تَكْتُمُونَ
taktumūna
গোপন করো''
আয়াত 34 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ ٱسْجُدُوا۟ لِـَٔادَمَ فَسَجَدُوٓا۟ إِلَّآ إِبْلِيسَ أَبَىٰ وَٱسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ ٱلْكَـٰفِرِينَ
এবং যখন আমি হযরত আদম (আঃ)-কে সেজদা করার জন্য ফেরেশতাগণকে নির্দেশ দিলাম, তখনই ইবলীস ব্যতীত সবাই সিজদা করলো। সে (নির্দেশ) পালন করতে অস্বীকার করল এবং অহংকার প্রদর্শন করল। ফলে সে কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং যখন
▶
قُلْنَا
qul'nā
আমরা বলেছিলাম
▶
لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ
lil'malāikati
ফেরেশতাদেরকে
▶
ٱسْجُدُوا۟
us'judū
''তোমরা সিজদা করো
▶
لِـَٔادَمَ
liādama
আদমকে''
▶
فَسَجَدُوٓا۟
fasajadū
তখন তারা সিজদা করল
▶
إِلَّآ
illā
ব্যতীত
▶
إِبْلِيسَ
ib'līsa
ইবলিস
▶
أَبَىٰ
abā
সে অমান্য করল
▶
وَٱسْتَكْبَرَ
wa-is'takbara
ও অহংকার করল,
▶
وَكَانَ
wakāna
এবং সে হল
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফিরদের
আয়াত 35 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقُلْنَا يَـٰٓـَٔادَمُ ٱسْكُنْ أَنتَ وَزَوْجُكَ ٱلْجَنَّةَ وَكُلَا مِنْهَا رَغَدًا حَيْثُ شِئْتُمَا وَلَا تَقْرَبَا هَـٰذِهِ ٱلشَّجَرَةَ فَتَكُونَا مِنَ ٱلظَّـٰلِمِينَ
এবং আমি আদমকে হুকুম করলাম যে, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করতে থাক এবং ওখানে যা চাও, যেখান থেকে চাও, পরিতৃপ্তিসহ খেতে থাক, কিন্তু এ গাছের নিকটবর্তী হয়ো না। অন্যথায় তোমরা যালিমদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়বে।
▶
وَقُلْنَا
waqul'nā
এবং আমরা বললাম,
▶
يَـٰٓـَٔادَمُ
yāādamu
''হে আদম
▶
ٱسْكُنْ
us'kun
বসবাস করো
▶
أَنتَ
anta
তুমি
▶
وَزَوْجُكَ
wazawjuka
ও তোমার স্ত্রী
▶
ٱلْجَنَّةَ
l-janata
জান্নাতে
▶
وَكُلَا
wakulā
এবং দুজনে খাও
▶
مِنْهَا
min'hā
তা হতে
▶
رَغَدًا
raghadan
স্বাচ্ছন্দে
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখান থেকে
▶
شِئْتُمَا
shi'tumā
তোমরা দুজনে চাও;
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقْرَبَا
taqrabā
দুজনে নিকটে যেয়ো
▶
هَـٰذِهِ
hādhihi
এই
▶
ٱلشَّجَرَةَ
l-shajarata
গাছের
▶
فَتَكُونَا
fatakūnā
অতঃপর তোমরা দুজনে হবে
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের''
আয়াত 36 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَزَلَّهُمَا ٱلشَّيْطَـٰنُ عَنْهَا فَأَخْرَجَهُمَا مِمَّا كَانَا فِيهِ ۖ وَقُلْنَا ٱهْبِطُوا۟ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّۭ ۖ وَلَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ مُسْتَقَرٌّۭ وَمَتَـٰعٌ إِلَىٰ حِينٍۢ
অনন্তর শয়তান তাদের উভয়কে ওখান থেকে পদস্খলিত করেছিল। পরে তারা যে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল তা থেকে তাদেরকে বের করে দিল এবং আমি বললাম, তোমরা নেমে যাও। তোমরা পরস্পর একে অপরের শক্র হবে এবং তোমাদেরকে সেখানে কিছুকাল অবস্থান করতে হবে ও লাভ সংগ্রহ করতে হবে।
▶
فَأَزَلَّهُمَا
fa-azallahumā
তাদেরকে এরপর পদস্থলন ঘটাল
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
عَنْهَا
ʿanhā
তা হতে,
▶
فَأَخْرَجَهُمَا
fa-akhrajahumā
তাদের দুজনকে অতঃপর বের করল
▶
مِمَّا
mimmā
সেখান থেকে
▶
كَانَا
kānā
দুজনে ছিল
▶
فِيهِ ۖ
fīhi
যার মধ্যে
▶
وَقُلْنَا
waqul'nā
এবং আমরা বললাম,
▶
ٱهْبِطُوا۟
ih'biṭū
''তোমরা নেমে যাও (এখান থেকে)
▶
بَعْضُكُمْ
baʿḍukum
তোমাদের একে
▶
لِبَعْضٍ
libaʿḍin
অপরের জন্যে
▶
عَدُوٌّۭ ۖ
ʿaduwwun
শত্রু
▶
وَلَكُمْ
walakum
এবং তোমাদের জন্যে
▶
فِى
fī
মধ্যে (থাকবে)
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
مُسْتَقَرٌّۭ
mus'taqarrun
অবস্থান (কিছু কালের)
▶
وَمَتَـٰعٌ
wamatāʿun
ও জীবন সামগ্রী
▶
إِلَىٰ
ilā
পর্যন্ত
▶
حِينٍۢ
ḥīnin
একটা নির্দিষ্ট সময়''
আয়াত 37 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَتَلَقَّىٰٓ ءَادَمُ مِن رَّبِّهِۦ كَلِمَـٰتٍۢ فَتَابَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلتَّوَّابُ ٱلرَّحِيمُ
অতঃপর হযরত আদম (আঃ) স্বীয় পালনকর্তার কাছ থেকে কয়েকটি কথা শিখে নিলেন, অতঃপর আল্লাহ পাক তাঁর প্রতি (করুণাভরে) লক্ষ্য করলেন। নিশ্চয়ই তিনি মহা-ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু।
▶
فَتَلَقَّىٰٓ
fatalaqqā
তখন শিখে নিল
▶
ءَادَمُ
ādamu
আদম
▶
مِن
min
নিকট হতে
▶
رَّبِّهِۦ
rabbihi
তার রবের
▶
كَلِمَـٰتٍۢ
kalimātin
কিছু বাণী (ও ক্ষমা চাইল)
▶
فَتَابَ
fatāba
ফলে তিনি ক্ষমা করলেন
▶
عَلَيْهِ ۚ
ʿalayhi
তাকে
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلتَّوَّابُ
l-tawābu
বড় ক্ষমাশীল
▶
ٱلرَّحِيمُ
l-raḥīmu
পরম দয়ালু
আয়াত 38 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْنَا ٱهْبِطُوا۟ مِنْهَا جَمِيعًۭا ۖ فَإِمَّا يَأْتِيَنَّكُم مِّنِّى هُدًۭى فَمَن تَبِعَ هُدَاىَ فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
আমি হুকুম করলাম, তোমরা সবাই নীচে নেমে যাও। অতঃপর যদি তোমাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে কোন হেদায়েত পৌঁছে, তবে যে ব্যক্তি আমার সে হেদায়েত অনুসারে চলবে, তার উপর না কোন ভয় আসবে, না (কোন কারণে) তারা চিন্তাগ্রস্ত ও সন্তপ্ত হবে।
▶
قُلْنَا
qul'nā
আমরা বললাম,
▶
ٱهْبِطُوا۟
ih'biṭū
''তোমরা নামো
▶
مِنْهَا
min'hā
এখান থেকে
▶
جَمِيعًۭا ۖ
jamīʿan
সবাই
▶
فَإِمَّا
fa-immā
অতঃপর যখন
▶
يَأْتِيَنَّكُم
yatiyannakum
তোমাদের কাছে আসবে অবশ্যই
▶
مِّنِّى
minnī
আমার পক্ষ হতে
▶
هُدًۭى
hudan
পথনির্দেশনা
▶
فَمَن
faman
তখন যে
▶
تَبِعَ
tabiʿa
অনুসরণ করবে
▶
هُدَاىَ
hudāya
আমার পথনির্দেশনা
▶
فَلَا
falā
অতঃপর নেই
▶
خَوْفٌ
khawfun
কোনো ভয়
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের জন্যে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَحْزَنُونَ
yaḥzanūna
দুঃখিত হবে
আয়াত 39 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَآ أُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
আর যে লোক তা অস্বীকার করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার প্রয়াস পাবে, তারাই হবে জাহান্নামবাসী; অন্তকাল সেখানে থাকবে।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অবিশ্বাস করবে
▶
وَكَذَّبُوا۟
wakadhabū
ও মিথ্যা মনে করবে
▶
بِـَٔايَـٰتِنَآ
biāyātinā
আমার নিদর্শনসমূহকে
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
তারা
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী (হবে)
▶
ٱلنَّارِ ۖ
l-nāri
(জাহান্নামের) আগুনের
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে''
আয়াত 40 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتِىَ ٱلَّتِىٓ أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ وَأَوْفُوا۟ بِعَهْدِىٓ أُوفِ بِعَهْدِكُمْ وَإِيَّـٰىَ فَٱرْهَبُونِ
হে বনী-ইসরাঈলগণ, তোমরা স্মরণ কর আমার সে অনুগ্রহ যা আমি তোমাদের প্রতি করেছি এবং তোমরা পূরণ কর আমার সাথে কৃত প্রতিজ্ঞা, তাহলে আমি তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করব। আর ভয় কর আমাকেই।
▶
يَـٰبَنِىٓ
yābanī
হে সন্তান
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলের
▶
ٱذْكُرُوا۟
udh'kurū
তোমরা স্মরণ করো
▶
نِعْمَتِىَ
niʿ'matiya
আমার নেয়ামতের
▶
ٱلَّتِىٓ
allatī
যা
▶
أَنْعَمْتُ
anʿamtu
আমি নেয়ামত দিয়েছি
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَأَوْفُوا۟
wa-awfū
এবং তোমরা পূর্ণ করো
▶
بِعَهْدِىٓ
biʿahdī
আমার (কাছে কৃত) প্রতিশ্রুতি
▶
أُوفِ
ūfi
আমি পূর্ণ কর
▶
بِعَهْدِكُمْ
biʿahdikum
তোমাদের (কাছে কৃত) প্রতিশ্রুতি;
▶
وَإِيَّـٰىَ
wa-iyyāya
এবং শুধু আমাকেই
▶
فَٱرْهَبُونِ
fa-ir'habūni
তোমরা ভয় করো
আয়াত 41 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَءَامِنُوا۟ بِمَآ أَنزَلْتُ مُصَدِّقًۭا لِّمَا مَعَكُمْ وَلَا تَكُونُوٓا۟ أَوَّلَ كَافِرٍۭ بِهِۦ ۖ وَلَا تَشْتَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِى ثَمَنًۭا قَلِيلًۭا وَإِيَّـٰىَ فَٱتَّقُونِ
আর তোমরা সে গ্রন্থের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, যা আমি অবতীর্ণ করেছি সত্যবক্তা হিসেবে তোমাদের কাছে। বস্তুতঃ তোমরা তার প্রাথমিক অস্বীকারকারী হয়ো না আর আমার আয়াতের অল্প মূল্য দিও না। এবং আমার (আযাব) থেকে বাঁচ।
▶
وَءَامِنُوا۟
waāminū
এবং তোমরা ঈমান আনো
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
أَنزَلْتُ
anzaltu
আমি অবতীর্ণ করেছি
▶
مُصَدِّقًۭا
muṣaddiqan
সমর্থনকারী
▶
لِّمَا
limā
তার যা
▶
مَعَكُمْ
maʿakum
তোমাদের সাথে আছে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَكُونُوٓا۟
takūnū
তোমরা হয়ো
▶
أَوَّلَ
awwala
প্রথম
▶
كَافِرٍۭ
kāfirin
অস্বীকারকারী
▶
بِهِۦ ۖ
bihi
তার প্রতি
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَشْتَرُوا۟
tashtarū
তোমরা বিক্রয় করো
▶
بِـَٔايَـٰتِى
biāyātī
আমার আয়াতের বিনিময়ে
▶
ثَمَنًۭا
thamanan
মূল্যে
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
সামান্য
▶
وَإِيَّـٰىَ
wa-iyyāya
এবং শুধু আমাকেই
▶
فَٱتَّقُونِ
fa-ittaqūni
অতএব তোমরা ভয় করো
আয়াত 42 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَلْبِسُوا۟ ٱلْحَقَّ بِٱلْبَـٰطِلِ وَتَكْتُمُوا۟ ٱلْحَقَّ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে তোমরা গোপন করো না।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَلْبِسُوا۟
talbisū
তোমরা মিশ্রণ করো
▶
ٱلْحَقَّ
l-ḥaqa
সত্যকে
▶
بِٱلْبَـٰطِلِ
bil-bāṭili
অসত্যের সাথে
▶
وَتَكْتُمُوا۟
wataktumū
এবং তোমরা লুকাবে (না)
▶
ٱلْحَقَّ
l-ḥaqa
সত্যকে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এমতাবস্থায় যে তোমরা
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
জান
আয়াত 43 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُوا۟ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱرْكَعُوا۟ مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ
আর নামায কায়েম কর, যাকাত দান কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে, যারা অবনত হয়।
▶
وَأَقِيمُوا۟
wa-aqīmū
এবং তোমরা প্রতিষ্ঠা করো
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সালাত
▶
وَءَاتُوا۟
waātū
ও তোমরা দাও
▶
ٱلزَّكَوٰةَ
l-zakata
যাকাত
▶
وَٱرْكَعُوا۟
wa-ir'kaʿū
এবং তোমরা রুকু করো
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱلرَّٰكِعِينَ
l-rākiʿīna
রুকুকারীদের
আয়াত 44 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ أَتَأْمُرُونَ ٱلنَّاسَ بِٱلْبِرِّ وَتَنسَوْنَ أَنفُسَكُمْ وَأَنتُمْ تَتْلُونَ ٱلْكِتَـٰبَ ۚ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
তোমরা কি মানুষকে সৎকর্মের নির্দেশ দাও এবং নিজেরা নিজেদেরকে ভূলে যাও, অথচ তোমরা কিতাব পাঠ কর? তবুও কি তোমরা চিন্তা কর না?
▶
۞ أَتَأْمُرُونَ
atamurūna
তোমরা নির্দেশ দিচ্ছ কি
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষদের
▶
بِٱلْبِرِّ
bil-biri
সৎকাজের
▶
وَتَنسَوْنَ
watansawna
আর তোমরা ভুলে যাচ্ছ
▶
أَنفُسَكُمْ
anfusakum
তোমাদের নিজেদেরকে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
অথচ তোমরা
▶
تَتْلُونَ
tatlūna
তিলাওয়াত কর
▶
ٱلْكِتَـٰبَ ۚ
l-kitāba
কিতাব
▶
أَفَلَا
afalā
না তবে কি
▶
تَعْقِلُونَ
taʿqilūna
তোমরা বুঝ
আয়াত 45 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱسْتَعِينُوا۟ بِٱلصَّبْرِ وَٱلصَّلَوٰةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى ٱلْخَـٰشِعِينَ
ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।
▶
وَٱسْتَعِينُوا۟
wa-is'taʿīnū
এবং তোমরা সাহায্য চাও
▶
بِٱلصَّبْرِ
bil-ṣabri
ধৈর্যের মাধ্যমে
▶
وَٱلصَّلَوٰةِ ۚ
wal-ṣalati
ও সালাতের (মাধ্যমে)
▶
وَإِنَّهَا
wa-innahā
এবং তা নিশ্চয়ই
▶
لَكَبِيرَةٌ
lakabīratun
বড় (কঠিন) অবশ্যই
▶
إِلَّا
illā
তবে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْخَـٰشِعِينَ
l-khāshiʿīna
বিনীতদের (কঠিন নয়)
আয়াত 46 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَظُنُّونَ أَنَّهُم مُّلَـٰقُوا۟ رَبِّهِمْ وَأَنَّهُمْ إِلَيْهِ رَٰجِعُونَ
যারা একথা খেয়াল করে যে, তাদেরকে সম্মুখীন হতে হবে স্বীয় পরওয়ারদেগারের এবং তাঁরই দিকে ফিরে যেতে হবে।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَظُنُّونَ
yaẓunnūna
বিশ্বাস করে
▶
أَنَّهُم
annahum
তারা নিশ্চয়ই
▶
مُّلَـٰقُوا۟
mulāqū
সাক্ষাতকারী
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের সাথে
▶
وَأَنَّهُمْ
wa-annahum
এবং তারা নিশ্চয়ই
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁরই দিকে
▶
رَٰجِعُونَ
rājiʿūna
প্রত্যাবর্তনকারী
আয়াত 47 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتِىَ ٱلَّتِىٓ أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ وَأَنِّى فَضَّلْتُكُمْ عَلَى ٱلْعَـٰلَمِينَ
হে বনী-ইসরাঈলগণ! তোমরা স্মরণ কর আমার অনুগ্রহের কথা, যা আমি তোমাদের উপর করেছি এবং (স্মরণ কর) সে বিষয়টি যে, আমি তোমাদেরকে উচ্চমর্যাদা দান করেছি সমগ্র বিশ্বের উপর।
▶
يَـٰبَنِىٓ
yābanī
হে সন্তান
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাইলের
▶
ٱذْكُرُوا۟
udh'kurū
তোমরা স্মরণ করো
▶
نِعْمَتِىَ
niʿ'matiya
আমার নেয়ামতকে
▶
ٱلَّتِىٓ
allatī
যা
▶
أَنْعَمْتُ
anʿamtu
আমি নেয়ামত দিয়েছি
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَأَنِّى
wa-annī
এবং আমি
▶
فَضَّلْتُكُمْ
faḍḍaltukum
তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
বিশ্ববাসীর
আয়াত 48 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱتَّقُوا۟ يَوْمًۭا لَّا تَجْزِى نَفْسٌ عَن نَّفْسٍۢ شَيْـًۭٔا وَلَا يُقْبَلُ مِنْهَا شَفَـٰعَةٌۭ وَلَا يُؤْخَذُ مِنْهَا عَدْلٌۭ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ
আর সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না।
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
يَوْمًۭا
yawman
সে দিনকে
▶
لَّا
lā
(যখন) না
▶
تَجْزِى
tajzī
কাজে আসবে
▶
نَفْسٌ
nafsun
কোনো ব্যক্তি
▶
عَن
ʿan
জন্যে
▶
نَّفْسٍۢ
nafsin
(অন্যকোন)ব্যাক্তির
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কিছুই (মাত্রও)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُقْبَلُ
yuq'balu
গ্রহণ করা হবে
▶
مِنْهَا
min'hā
তার থেকে
▶
شَفَـٰعَةٌۭ
shafāʿatun
কোনো সুপারিশ
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
يُؤْخَذُ
yu'khadhu
নেওয়া হবে
▶
مِنْهَا
min'hā
তার থেকে
▶
عَدْلٌۭ
ʿadlun
কোনো বিনিময়
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
هُمْ
hum
তাদের
▶
يُنصَرُونَ
yunṣarūna
সাহায্য করা হবে
আয়াত 49 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ نَجَّيْنَـٰكُم مِّنْ ءَالِ فِرْعَوْنَ يَسُومُونَكُمْ سُوٓءَ ٱلْعَذَابِ يُذَبِّحُونَ أَبْنَآءَكُمْ وَيَسْتَحْيُونَ نِسَآءَكُمْ ۚ وَفِى ذَٰلِكُم بَلَآءٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ عَظِيمٌۭ
আর (স্মরণ কর) সে সময়ের কথা, যখন আমি তোমাদিগকে মুক্তিদান করেছি ফেরআউনের লোকদের কবল থেকে যারা তোমাদিগকে কঠিন শাস্তি দান করত; তোমাদের পুত্রসন্তানদেরকে জবাই করত এবং তোমাদের স্ত্রীদিগকে অব্যাহতি দিত। বস্তুতঃ তাতে পরীক্ষা ছিল তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে, মহা পরীক্ষা।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
نَجَّيْنَـٰكُم
najjaynākum
তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছিলাম
▶
مِّنْ
min
হতে
▶
ءَالِ
āli
সম্প্রদায়ের
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরাউনের
▶
يَسُومُونَكُمْ
yasūmūnakum
তোমাদেরকে তারা যন্ত্রণা দিত
▶
سُوٓءَ
sūa
নিকৃষ্ট
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
যন্ত্রণা
▶
يُذَبِّحُونَ
yudhabbiḥūna
তারা জবাই করত
▶
أَبْنَآءَكُمْ
abnāakum
তোমাদের ছেলে সন্তানদের
▶
وَيَسْتَحْيُونَ
wayastaḥyūna
এবং জীবিত রাখত
▶
نِسَآءَكُمْ ۚ
nisāakum
তোমাদের কন্যা সন্তানদের
▶
وَفِى
wafī
এবং মধ্যে (ছিল)
▶
ذَٰلِكُم
dhālikum
এর
▶
بَلَآءٌۭ
balāon
পরীক্ষা
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
عَظِيمٌۭ
ʿaẓīmun
কঠিন
আয়াত 50 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ فَرَقْنَا بِكُمُ ٱلْبَحْرَ فَأَنجَيْنَـٰكُمْ وَأَغْرَقْنَآ ءَالَ فِرْعَوْنَ وَأَنتُمْ تَنظُرُونَ
আর যখন আমি তোমাদের জন্য সাগরকে দ্বিখন্ডিত করেছি, অতঃপর তোমাদেরকে বাঁচিয়ে দিয়েছি এবং ডুবিয়ে দিয়েছি ফেরআউনের লোকদিগকে অথচ তোমরা দেখছিলে।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
فَرَقْنَا
faraqnā
আমরা বিভক্ত করেছিলাম
▶
بِكُمُ
bikumu
তোমাদের (জন্যে)
▶
ٱلْبَحْرَ
l-baḥra
সাগরকে
▶
فَأَنجَيْنَـٰكُمْ
fa-anjaynākum
এরপর আমরা উদ্ধার করেছিলাম
▶
وَأَغْرَقْنَآ
wa-aghraqnā
এবং আমরা ডুবিয়ে দিয়েছিলাম
▶
ءَالَ
āla
সম্প্রদায়কে
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফেরাঊনের
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এমতাবস্থায় তোমরা
▶
تَنظُرُونَ
tanẓurūna
দেখছিলে
আয়াত 51 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ وَٰعَدْنَا مُوسَىٰٓ أَرْبَعِينَ لَيْلَةًۭ ثُمَّ ٱتَّخَذْتُمُ ٱلْعِجْلَ مِنۢ بَعْدِهِۦ وَأَنتُمْ ظَـٰلِمُونَ
আর যখন আমি মূসার সাথে ওয়াদা করেছি চল্লিশ রাত্রির অতঃপর তোমরা গোবৎস বানিয়ে নিয়েছ মূসার অনুপস্থিতিতে। বস্তুতঃ তোমরা ছিলে যালেম।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং যখন
▶
وَٰعَدْنَا
wāʿadnā
নির্ধারিত করেছিলাম
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মূসার জন্যে
▶
أَرْبَعِينَ
arbaʿīna
চল্লিশ
▶
لَيْلَةًۭ
laylatan
রাত
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱتَّخَذْتُمُ
ittakhadhtumu
তোমরা গ্রহণ করেছিলে
▶
ٱلْعِجْلَ
l-ʿij'la
গরুর বাছুরকে (উপাস্যরূপে)
▶
مِنۢ
min
তার
▶
بَعْدِهِۦ
baʿdihi
পরে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
যখন তোমরা
▶
ظَـٰلِمُونَ
ẓālimūna
সীমালঙ্ঘঙ্কারী (ছিলে)
আয়াত 52 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ عَفَوْنَا عَنكُم مِّنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
তারপর আমি তাতেও তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে নাও।
▶
ثُمَّ
thumma
অতঃপর
▶
عَفَوْنَا
ʿafawnā
আমরা ক্ষমা করেছিলাম
▶
عَنكُم
ʿankum
তোমাদের প্রতি
▶
مِّنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরেও
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
যেন তোমরা
▶
تَشْكُرُونَ
tashkurūna
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর
আয়াত 53 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْفُرْقَانَ لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
আর (স্মরণ কর) যখন আমি মূসাকে কিতাব এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বিধানকারী নির্দেশ দান করেছি, যাতে তোমরা সরল পথ প্রাপ্ত হতে পার।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
ءَاتَيْنَا
ātaynā
আমরা দিয়েছিলাম
▶
مُوسَى
mūsā
মুসাকে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْفُرْقَانَ
wal-fur'qāna
এবং ফুরকান
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমরা যেন
▶
تَهْتَدُونَ
tahtadūna
সঠিক পথ প্রাপ্ত হও
আয়াত 54 - সূরা البقرة: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِۦ يَـٰقَوْمِ إِنَّكُمْ ظَلَمْتُمْ أَنفُسَكُم بِٱتِّخَاذِكُمُ ٱلْعِجْلَ فَتُوبُوٓا۟ إِلَىٰ بَارِئِكُمْ فَٱقْتُلُوٓا۟ أَنفُسَكُمْ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌۭ لَّكُمْ عِندَ بَارِئِكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلتَّوَّابُ ٱلرَّحِيمُ
আর যখন মূসা তার সম্প্রদায়কে বলল, হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা তোমাদেরই ক্ষতিসাধন করেছ এই গোবৎস নির্মাণ করে। কাজেই এখন তওবা কর স্বীয় স্রষ্টার প্রতি এবং নিজ নিজ প্রাণ বিসর্জন দাও। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর তোমাদের স্রষ্টার নিকট। তারপর তোমাদের প্রতি লক্ষ্য করা হল। নিঃসন্দেহে তিনিই ক্ষমাকারী, অত্যন্ত মেহেরবান।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিল
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মুসা
▶
لِقَوْمِهِۦ
liqawmihi
তার জাতির উদ্দ্যেশে
▶
يَـٰقَوْمِ
yāqawmi
''হে আমার জাতি
▶
إِنَّكُمْ
innakum
তোমরা নিশ্চয়ই
▶
ظَلَمْتُمْ
ẓalamtum
তোমরা অত্যাচার করেছ
▶
أَنفُسَكُم
anfusakum
তোমাদের নিজেদের (উপর)
▶
بِٱتِّخَاذِكُمُ
bi-ittikhādhikumu
তোমাদের গ্রহণ করার মাধ্যমে
▶
ٱلْعِجْلَ
l-ʿij'la
গো বাছুরকে (উপাস্যরূপে)
▶
فَتُوبُوٓا۟
fatūbū
সুতরাং তোমরা ফিরে এস
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
بَارِئِكُمْ
bāri-ikum
তোমাদের সৃষ্টিকর্তার
▶
فَٱقْتُلُوٓا۟
fa-uq'tulū
এরপর তোমরা প্রাণ সংহার করো
▶
أَنفُسَكُمْ
anfusakum
তোমাদের (অপরাধী) লোকদেরকে
▶
ذَٰلِكُمْ
dhālikum
এটাই
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
لَّكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
بَارِئِكُمْ
bāri-ikum
তোমাদের স্রষ্টার''
▶
فَتَابَ
fatāba
তিনি তখন ক্ষমা করলেন
▶
عَلَيْكُمْ ۚ
ʿalaykum
তোমাদেরকে
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তিনি নিশ্চয়ই
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلتَّوَّابُ
l-tawābu
অতীব ক্ষমাশীল
▶
ٱلرَّحِيمُ
l-raḥīmu
পরম দয়ালু
আয়াত 55 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قُلْتُمْ يَـٰمُوسَىٰ لَن نُّؤْمِنَ لَكَ حَتَّىٰ نَرَى ٱللَّهَ جَهْرَةًۭ فَأَخَذَتْكُمُ ٱلصَّـٰعِقَةُ وَأَنتُمْ تَنظُرُونَ
আর যখন তোমরা বললে, হে মূসা, কস্মিনকালেও আমরা তোমাকে বিশ্বাস করব না, যতক্ষণ না আমরা আল্লাহকে (প্রকাশ্যে) দেখতে পাব। বস্তুতঃ তোমাদিগকে পাকড়াও করল বিদ্যুৎ। অথচ তোমরা তা প্রত্যক্ষ করছিলে।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং স্মরণ কর যখন
▶
قُلْتُمْ
qul'tum
তোমরা বলেছিলে
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
''হে মুসা
▶
لَن
lan
কখনও
▶
نُّؤْمِنَ
nu'mina
আমরা ঈমান আনব
▶
لَكَ
laka
তোমার উপর
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
نَرَى
narā
আমরা দেখব
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
جَهْرَةًۭ
jahratan
প্রকাশ্যভাবে''
▶
فَأَخَذَتْكُمُ
fa-akhadhatkumu
ফলে তোমাদেরকে ধরেছিল
▶
ٱلصَّـٰعِقَةُ
l-ṣāʿiqatu
বজ্রপাত
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এ অবস্থায় যে তোমরা
▶
تَنظُرُونَ
tanẓurūna
দেখছিলে
আয়াত 56 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ بَعَثْنَـٰكُم مِّنۢ بَعْدِ مَوْتِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
তারপর, মরে যাবার পর তোমাদিগকে আমি তুলে দাঁড় করিয়েছি, যাতে করে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে নাও।
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
بَعَثْنَـٰكُم
baʿathnākum
তোমাদের আমরা আবার জীবিত করলাম
▶
مِّنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
مَوْتِكُمْ
mawtikum
তোমাদের মৃত্যুর
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
যেন তোমরা
▶
تَشْكُرُونَ
tashkurūna
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর
আয়াত 57 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَظَلَّلْنَا عَلَيْكُمُ ٱلْغَمَامَ وَأَنزَلْنَا عَلَيْكُمُ ٱلْمَنَّ وَٱلسَّلْوَىٰ ۖ كُلُوا۟ مِن طَيِّبَـٰتِ مَا رَزَقْنَـٰكُمْ ۖ وَمَا ظَلَمُونَا وَلَـٰكِن كَانُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ يَظْلِمُونَ
আর আমি তোমাদের উপর ছায়া দান করেছি মেঘমালার দ্বারা এবং তোমাদের জন্য খাবার পাঠিয়েছি ’মান্না’ ও সালওয়া’। সেসব পবিত্র বস্তু তোমরা ভক্ষন কর, যা আমি তোমাদেরকে দান করেছি। বস্তুতঃ তারা আমার কোন ক্ষতি করতে পারেনি, বরং নিজেদেরই ক্ষতি সাধন করেছে।
▶
وَظَلَّلْنَا
waẓallalnā
এবং আমরা ছায়া দিয়েছিলাম
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلْغَمَامَ
l-ghamāma
মেঘের
▶
وَأَنزَلْنَا
wa-anzalnā
এবং আমরা পাঠিয়েছিলাম
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের কাছে
▶
ٱلْمَنَّ
l-mana
মান্না
▶
وَٱلسَّلْوَىٰ ۖ
wal-salwā
ও সালওয়া
▶
كُلُوا۟
kulū
''(বলেছিলাম) তোমরা খাও
▶
مِن
min
হতে
▶
طَيِّبَـٰتِ
ṭayyibāti
পবিত্র (খাদ্য)
▶
مَا
mā
যা
▶
رَزَقْنَـٰكُمْ ۖ
razaqnākum
তোমাদেরকে আমরা জীবিকা দিয়েছি''
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ظَلَمُونَا
ẓalamūnā
আমাদের (উপর) তারা অবিচার করেছে
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
كَانُوٓا۟
kānū
তারা ছিল
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদের (উপর)
▶
يَظْلِمُونَ
yaẓlimūna
অবিচার করত
আয়াত 58 - সূরা البقرة: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قُلْنَا ٱدْخُلُوا۟ هَـٰذِهِ ٱلْقَرْيَةَ فَكُلُوا۟ مِنْهَا حَيْثُ شِئْتُمْ رَغَدًۭا وَٱدْخُلُوا۟ ٱلْبَابَ سُجَّدًۭا وَقُولُوا۟ حِطَّةٌۭ نَّغْفِرْ لَكُمْ خَطَـٰيَـٰكُمْ ۚ وَسَنَزِيدُ ٱلْمُحْسِنِينَ
আর যখন আমি বললাম, তোমরা প্রবেশ কর এ নগরীতে এবং এতে যেখানে খুশী খেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ করতে থাক এবং দরজার ভিতর দিয়ে প্রবেশ করার সময় সেজদা করে ঢুক, আর বলতে থাক-‘আমাদিগকে ক্ষমা করে দাও’-তাহলে আমি তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করব এবং সৎ কর্মশীলদেরকে অতিরিক্ত দানও করব।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং স্মরণ করো যখন
▶
قُلْنَا
qul'nā
আমরা বলেছিলাম
▶
ٱدْخُلُوا۟
ud'khulū
''তোমরা প্রবেশ কর
▶
هَـٰذِهِ
hādhihi
এই
▶
ٱلْقَرْيَةَ
l-qaryata
নগরীতে
▶
فَكُلُوا۟
fakulū
তোমরা খাও
▶
مِنْهَا
min'hā
তা হতে
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেভাবে
▶
شِئْتُمْ
shi'tum
তোমরা যাও
▶
رَغَدًۭا
raghadan
স্বানন্দে
▶
وَٱدْخُلُوا۟
wa-ud'khulū
এবং তোমরা প্রবেশ করো
▶
ٱلْبَابَ
l-bāba
(নগর) দরজায়
▶
سُجَّدًۭا
sujjadan
সিজদা অবনত হয়ে
▶
وَقُولُوا۟
waqūlū
এবং তোমরা বলো
▶
حِطَّةٌۭ
ḥiṭṭatun
''ক্ষমার কথা
▶
نَّغْفِرْ
naghfir
ক্ষমা করবো আমরা
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের প্রতি
▶
خَطَـٰيَـٰكُمْ ۚ
khaṭāyākum
তোমাদের ত্রুটিগুলোকে
▶
وَسَنَزِيدُ
wasanazīdu
এবং অচিরেই (অনুগ্রহ) বাড়িয়ে দিব
▶
ٱلْمُحْسِنِينَ
l-muḥ'sinīna
সৎকর্মশীলদেরকে''
আয়াত 59 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَبَدَّلَ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ قَوْلًا غَيْرَ ٱلَّذِى قِيلَ لَهُمْ فَأَنزَلْنَا عَلَى ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ رِجْزًۭا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ بِمَا كَانُوا۟ يَفْسُقُونَ
অতঃপর যালেমরা কথা পাল্টে দিয়েছে, যা কিছু তাদেরকে বলে দেয়া হয়েছিল তা থেকে। তারপর আমি অবতীর্ণ করেছি যালেমদের উপর আযাব, আসমান থেকে, নির্দেশ লংঘন করার কারণে।
▶
فَبَدَّلَ
fabaddala
কিন্তু পরিবর্তন করল
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ظَلَمُوا۟
ẓalamū
সীমালঙ্ঘন করেছিল
▶
قَوْلًا
qawlan
কথা
▶
غَيْرَ
ghayra
অন্য কিছু
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(তা হতে) যা
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়েছিল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের উদ্দেশ্যে
▶
فَأَنزَلْنَا
fa-anzalnā
আমরা তাই অবতীর্ণ করলাম
▶
عَلَى
ʿalā
(তাদের) উপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ظَلَمُوا۟
ẓalamū
সীমালঙ্ঘন করেছিল
▶
رِجْزًۭا
rij'zan
শাস্তি
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
يَفْسُقُونَ
yafsuqūna
তারা সত্যত্যাগ করে
আয়াত 60 - সূরা البقرة: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَإِذِ ٱسْتَسْقَىٰ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِۦ فَقُلْنَا ٱضْرِب بِّعَصَاكَ ٱلْحَجَرَ ۖ فَٱنفَجَرَتْ مِنْهُ ٱثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًۭا ۖ قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍۢ مَّشْرَبَهُمْ ۖ كُلُوا۟ وَٱشْرَبُوا۟ مِن رِّزْقِ ٱللَّهِ وَلَا تَعْثَوْا۟ فِى ٱلْأَرْضِ مُفْسِدِينَ
আর মূসা যখন নিজ জাতির জন্য পানি চাইল, তখন আমি বললাম, স্বীয় যষ্ঠির দ্বারা আঘাত কর পাথরের উপরে। অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হয়ে এল বারটি প্রস্রবণ। তাদের সব গোত্রই চিনে নিল নিজ নিজ ঘাট। আল্লাহর দেয়া রিযিক খাও, পান কর আর দুনিয়ার বুকে দাংগা-হাংগামা করে বেড়িও না।
▶
۞ وَإِذِ
wa-idhi
এবং স্মরণ করো যখন
▶
ٱسْتَسْقَىٰ
is'tasqā
পানি চাইল
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মুসা
▶
لِقَوْمِهِۦ
liqawmihi
তার জাতির জন্য
▶
فَقُلْنَا
faqul'nā
তখন আমরা বলেছিলাম
▶
ٱضْرِب
iḍ'rib
''আঘাত কর
▶
بِّعَصَاكَ
biʿaṣāka
তোমার লাঠি দিয়ে
▶
ٱلْحَجَرَ ۖ
l-ḥajara
পাথরে''
▶
فَٱنفَجَرَتْ
fa-infajarat
ফলে ফেটে বের হল
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
ٱثْنَتَا
ith'natā
বারটি
▶
عَشْرَةَ
ʿashrata
(দশ)
▶
عَيْنًۭا ۖ
ʿaynan
ঝর্ণা
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
عَلِمَ
ʿalima
চিনে নিল
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
أُنَاسٍۢ
unāsin
(গোত্রের) মানুষ
▶
مَّشْرَبَهُمْ ۖ
mashrabahum
তাদের পানি পানের স্থান
▶
كُلُوا۟
kulū
''(বলা হল) তোমরা খাও
▶
وَٱشْرَبُوا۟
wa-ish'rabū
ও তোমরা পান করো
▶
مِن
min
থেকে
▶
رِّزْقِ
riz'qi
জীবিকা
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র (দেয়া)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَعْثَوْا۟
taʿthaw
তোমরা বিপর্যয় সৃষ্টি করো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
مُفْسِدِينَ
muf'sidīna
বিপর্যয় সৃষ্টিকারী হয়ে''
আয়াত 61 - সূরা البقرة: 59 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قُلْتُمْ يَـٰمُوسَىٰ لَن نَّصْبِرَ عَلَىٰ طَعَامٍۢ وَٰحِدٍۢ فَٱدْعُ لَنَا رَبَّكَ يُخْرِجْ لَنَا مِمَّا تُنۢبِتُ ٱلْأَرْضُ مِنۢ بَقْلِهَا وَقِثَّآئِهَا وَفُومِهَا وَعَدَسِهَا وَبَصَلِهَا ۖ قَالَ أَتَسْتَبْدِلُونَ ٱلَّذِى هُوَ أَدْنَىٰ بِٱلَّذِى هُوَ خَيْرٌ ۚ ٱهْبِطُوا۟ مِصْرًۭا فَإِنَّ لَكُم مَّا سَأَلْتُمْ ۗ وَضُرِبَتْ عَلَيْهِمُ ٱلذِّلَّةُ وَٱلْمَسْكَنَةُ وَبَآءُو بِغَضَبٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ ۗ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانُوا۟ يَكْفُرُونَ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ وَيَقْتُلُونَ ٱلنَّبِيِّـۧنَ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ ۗ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا۟ وَّكَانُوا۟ يَعْتَدُونَ
আর তোমরা যখন বললে, হে মূসা, আমরা একই ধরনের খাদ্য-দ্রব্যে কখনও ধৈর্য্যধারণ করব না। কাজেই তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট আমাদের পক্ষে প্রার্থনা কর, তিনি যেন আমাদের জন্যে এমন বস্তুসামগ্রী দান করেন যা জমিতে উৎপন্ন হয়, তরকারী, কাকড়ী, গম, মসুরি, পেঁয়াজ প্রভৃতি। মূসা (আঃ) বললেন, তোমরা কি এমন বস্তু নিতে চাও যা নিকৃষ্ট সে বস্তুর পরিবর্তে যা উত্তম? তোমরা কোন নগরীতে উপনীত হও, তাহলেই পাবে যা তোমরা কামনা করছ। আর তাদের উপর আরোপ করা হল লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা। তারা আল্লাহর রোষানলে পতিত হয়ে ঘুরতে থাকল। এমন হলো এ জন্য যে, তারা আল্লাহর বিধি বিধান মানতো না এবং নবীগনকে অন্যায়ভাবে হত্যা করত। তার কারণ, তারা ছিল নাফরমান সীমালংঘকারী।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো)
▶
قُلْتُمْ
qul'tum
বলেছিলে তোমরা
▶
يَـٰمُوسَىٰ
yāmūsā
''হে মুসা
▶
لَن
lan
কখনও না
▶
نَّصْبِرَ
naṣbira
আমরা ধৈর্য ধরতে পারব
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
طَعَامٍۢ
ṭaʿāmin
খানার
▶
وَٰحِدٍۢ
wāḥidin
একই (ধরণের)
▶
فَٱدْعُ
fa-ud'ʿu
তাই দুআ করো
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
رَبَّكَ
rabbaka
তোমার রবের কাছে
▶
يُخْرِجْ
yukh'rij
(যেন) বের করেন তিনি
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مِمَّا
mimmā
তাহতে যা
▶
تُنۢبِتُ
tunbitu
উৎপাদন করে
▶
ٱلْأَرْضُ
l-arḍu
মাটি
▶
مِنۢ
min
অর্থাৎ
▶
بَقْلِهَا
baqlihā
তার শাকসবজি
▶
وَقِثَّآئِهَا
waqithāihā
ও তার শশা কাকুড়
▶
وَفُومِهَا
wafūmihā
ও তার গম (বা রসুন)
▶
وَعَدَسِهَا
waʿadasihā
ও তার মুশুর ডাল
▶
وَبَصَلِهَا ۖ
wabaṣalihā
ও তার পেয়াজ (ইত্যাদি)''
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
أَتَسْتَبْدِلُونَ
atastabdilūna
''কি তোমরা পরিবর্তন করতে চাও
▶
ٱلَّذِى
alladhī
তাই
▶
هُوَ
huwa
যা
▶
أَدْنَىٰ
adnā
নগণ্য জিনিষ
▶
بِٱلَّذِى
bi-alladhī
সেটার পরিবর্তে
▶
هُوَ
huwa
যা
▶
خَيْرٌ ۚ
khayrun
উত্তম
▶
ٱهْبِطُوا۟
ih'biṭū
(তাহলে) তোমরা নামো
▶
مِصْرًۭا
miṣ'ran
(কোনো) শহরে
▶
فَإِنَّ
fa-inna
অতঃপর নিশ্চয়ই
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্য (পাবে)
▶
مَّا
mā
যা
▶
سَأَلْتُمْ ۗ
sa-altum
তোমরা চেয়েছ''
▶
وَضُرِبَتْ
waḍuribat
এবং আপতিত হলো
▶
عَلَيْهِمُ
ʿalayhimu
তাদের উপর
▶
ٱلذِّلَّةُ
l-dhilatu
অপমান
▶
وَٱلْمَسْكَنَةُ
wal-maskanatu
ও অনটন
▶
وَبَآءُو
wabāū
এবং পরিবেষ্টিত হল তারা
▶
بِغَضَبٍۢ
bighaḍabin
রাগের
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِأَنَّهُمْ
bi-annahum
এ কারণে যে তারা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
يَكْفُرُونَ
yakfurūna
অস্বীকার করতে
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
আয়াতগুলোর প্রতি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَيَقْتُلُونَ
wayaqtulūna
ও তারা হত্যা করছিল
▶
ٱلنَّبِيِّـۧنَ
l-nabiyīna
নবীদেরকে
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ব্যাতীত
▶
ٱلْحَقِّ ۗ
l-ḥaqi
ন্যায়ভাবে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِمَا
bimā
একারণে যে
▶
عَصَوا۟
ʿaṣaw
তারা অবাধ্যতা করেছিল
▶
وَّكَانُوا۟
wakānū
এবং করে
▶
يَعْتَدُونَ
yaʿtadūna
তারা সীমালঙ্ঘন
আয়াত 62 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَٱلَّذِينَ هَادُوا۟ وَٱلنَّصَـٰرَىٰ وَٱلصَّـٰبِـِٔينَ مَنْ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ وَعَمِلَ صَـٰلِحًۭا فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
নিঃসন্দেহে যারা মুসলমান হয়েছে এবং যারা ইহুদী, নাসারা ও সাবেঈন, (তাদের মধ্য থেকে) যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি এবং সৎকাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে তার সওয়াব তাদের পালনকর্তার কাছে। আর তাদের কোনই ভয়-ভীতি নেই, তারা দুঃখিতও হবে না।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
কিংবা যারা
▶
هَادُوا۟
hādū
ইহুদী হয়েছে
▶
وَٱلنَّصَـٰرَىٰ
wal-naṣārā
এবং খ্রিষ্টান
▶
وَٱلصَّـٰبِـِٔينَ
wal-ṣābiīna
ও সাবী
▶
مَنْ
man
যে (কেউ)
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান আনবে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহ্র উপর
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনে
▶
ٱلْـَٔاخِرِ
l-ākhiri
আখিরাতের
▶
وَعَمِلَ
waʿamila
এবং কাজ করবে
▶
صَـٰلِحًۭا
ṣāliḥan
সৎ
▶
فَلَهُمْ
falahum
ফলে তাদের জন্য
▶
أَجْرُهُمْ
ajruhum
তাদের পুরস্কার (থাকবে)
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
خَوْفٌ
khawfun
ভয় (থাকবে)
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের জন্য
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَحْزَنُونَ
yaḥzanūna
দুঃখিত হবে
আয়াত 63 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ أَخَذْنَا مِيثَـٰقَكُمْ وَرَفَعْنَا فَوْقَكُمُ ٱلطُّورَ خُذُوا۟ مَآ ءَاتَيْنَـٰكُم بِقُوَّةٍۢ وَٱذْكُرُوا۟ مَا فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
আর আমি যখন তোমাদের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলাম এবং তুর পর্বতকে তোমাদের মাথার উপর তুলে ধরেছিলাম এই বলে যে, তোমাদিগকে যে কিতাব দেয়া হয়েছে তাকে ধর সুদৃঢ়ভাবে এবং এতে যা কিছু রয়েছে তা মনে রেখো যাতে তোমরা ভয় কর।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
أَخَذْنَا
akhadhnā
আমরা গ্রহণ করেছিলাম
▶
مِيثَـٰقَكُمْ
mīthāqakum
তোমাদের প্রতিশ্রুতি
▶
وَرَفَعْنَا
warafaʿnā
এবং আমরা উঠিয়ে নিয়েছিলাম
▶
فَوْقَكُمُ
fawqakumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلطُّورَ
l-ṭūra
তুর পাহাড়
▶
خُذُوا۟
khudhū
''(আর বলেছিলাম)তোমরা গ্রহণ করো
▶
مَآ
mā
যা
▶
ءَاتَيْنَـٰكُم
ātaynākum
তোমাদেরকে আমরা দিয়েছি
▶
بِقُوَّةٍۢ
biquwwatin
শক্তভাবে
▶
وَٱذْكُرُوا۟
wa-udh'kurū
এবং তোমরা স্মরণ রাখো
▶
مَا
mā
(তা)যা
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে(আছে)
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমরা যাতে
▶
تَتَّقُونَ
tattaqūna
তাকওয়া অবলম্বন করতে পার''
আয়াত 64 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ تَوَلَّيْتُم مِّنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ ۖ فَلَوْلَا فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُۥ لَكُنتُم مِّنَ ٱلْخَـٰسِرِينَ
তারপরেও তোমরা তা থেকে ফিরে গেছ। কাজেই আল্লাহর অনুগ্রহ ও মেহেরবানী যদি তোমাদের উপর না থাকত, তবে অবশ্যই তোমরা ধবংস হয়ে যেতে।
▶
ثُمَّ
thumma
আবার
▶
تَوَلَّيْتُم
tawallaytum
তোমরা ফিরে গিয়েছিলে
▶
مِّنۢ
min
(থেকে)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পর থেকে
▶
ذَٰلِكَ ۖ
dhālika
এর
▶
فَلَوْلَا
falawlā
যদি তাই না (হতো)
▶
فَضْلُ
faḍlu
অনুগ্রহ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَرَحْمَتُهُۥ
waraḥmatuhu
ও তার দয়া
▶
لَكُنتُم
lakuntum
তোমরা অবশ্যই হতে
▶
مِّنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْخَـٰسِرِينَ
l-khāsirīna
ক্ষতিগ্রস্তদের
আয়াত 65 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ ٱلَّذِينَ ٱعْتَدَوْا۟ مِنكُمْ فِى ٱلسَّبْتِ فَقُلْنَا لَهُمْ كُونُوا۟ قِرَدَةً خَـٰسِـِٔينَ
তোমরা তাদেরকে ভালরূপে জেনেছ, যারা শনিবারের ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘণ করেছিল। আমি বলেছিলামঃ তোমরা লাঞ্ছিত বানর হয়ে যাও।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
عَلِمْتُمُ
ʿalim'tumu
তোমরা জেনেছো
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
তাদেরকে যারা
▶
ٱعْتَدَوْا۟
iʿ'tadaw
সীমালঙ্ঘন করেছিল
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
فِى
fī
সম্পর্কে
▶
ٱلسَّبْتِ
l-sabti
শনিবারের (বিধান)
▶
فَقُلْنَا
faqul'nā
আমরা তখন বলেছিলাম
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের
▶
كُونُوا۟
kūnū
''তোমরা হও
▶
قِرَدَةً
qiradatan
বানর
▶
خَـٰسِـِٔينَ
khāsiīna
ঘৃণিত''
আয়াত 66 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَجَعَلْنَـٰهَا نَكَـٰلًۭا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهَا وَمَا خَلْفَهَا وَمَوْعِظَةًۭ لِّلْمُتَّقِينَ
অতঃপর আমি এ ঘটনাকে তাদের সমসাময়িক ও পরবর্তীদের জন্য দৃষ্টান্ত এবং আল্লাহভীরুদের জন্য উপদেশ গ্রহণের উপাদান করে দিয়েছি।
▶
فَجَعَلْنَـٰهَا
fajaʿalnāhā
আমরা এরপর এটাকে বানিয়েছি
▶
نَكَـٰلًۭا
nakālan
(শিক্ষামূলক) শাস্তি
▶
لِّمَا
limā
তাদের জন্য যারা (ছিল)
▶
بَيْنَ
bayna
আগে(মাঝে)
▶
يَدَيْهَا
yadayhā
তার(হাতের)
▶
وَمَا
wamā
ও যারা (ছিল)
▶
خَلْفَهَا
khalfahā
তারপরে
▶
وَمَوْعِظَةًۭ
wamawʿiẓatan
এবং উপদেশ
▶
لِّلْمُتَّقِينَ
lil'muttaqīna
মুত্তাকীদের জন্য
আয়াত 67 - সূরা البقرة: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِۦٓ إِنَّ ٱللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَن تَذْبَحُوا۟ بَقَرَةًۭ ۖ قَالُوٓا۟ أَتَتَّخِذُنَا هُزُوًۭا ۖ قَالَ أَعُوذُ بِٱللَّهِ أَنْ أَكُونَ مِنَ ٱلْجَـٰهِلِينَ
যখন মূসা (আঃ) স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ আল্লাহ তোমাদের একটি গরু জবাই করতে বলেছেন। তারা বলল, তুমি কি আমাদের সাথে উপহাস করছ? মূসা (আঃ) বললেন, মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ কর) যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিল
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মুসা
▶
لِقَوْمِهِۦٓ
liqawmihi
তার জাতির উদ্দেশে
▶
إِنَّ
inna
''নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
يَأْمُرُكُمْ
yamurukum
তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন
▶
أَن
an
যে
▶
تَذْبَحُوا۟
tadhbaḥū
তোমরা জবাই কর
▶
بَقَرَةًۭ ۖ
baqaratan
একটি গাভীকে''
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
أَتَتَّخِذُنَا
atattakhidhunā
''আমাদের তুমি গ্রহণ করেছ কি
▶
هُزُوًۭا ۖ
huzuwan
বিদ্রুপের (বস্তু) হিসেবে''
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
أَعُوذُ
aʿūdhu
''আমি আশ্রয় চাই
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহ্র কাছে
▶
أَنْ
an
যে
▶
أَكُونَ
akūna
আমি হব
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْجَـٰهِلِينَ
l-jāhilīna
মূর্খদের''
আয়াত 68 - সূরা البقرة: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ ٱدْعُ لَنَا رَبَّكَ يُبَيِّن لَّنَا مَا هِىَ ۚ قَالَ إِنَّهُۥ يَقُولُ إِنَّهَا بَقَرَةٌۭ لَّا فَارِضٌۭ وَلَا بِكْرٌ عَوَانٌۢ بَيْنَ ذَٰلِكَ ۖ فَٱفْعَلُوا۟ مَا تُؤْمَرُونَ
তারা বলল, তুমি তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর, যেন সেটির রূপ বিশ্লেষণ করা হয়। মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলছেন, সেটা হবে একটা গাভী, যা বৃদ্ধ নয় এবং কুমারীও নয়-বার্ধক্য ও যৌবনের মাঝামাঝি বয়সের। এখন আদিষ্ট কাজ করে ফেল।
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
ٱدْعُ
ud'ʿu
''দোয়া করো
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
رَبَّكَ
rabbaka
তোমার রবের কাছে (যেন)
▶
يُبَيِّن
yubayyin
তিনি বর্ননা করেন
▶
لَّنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مَا
mā
কেমন
▶
هِىَ ۚ
hiya
সেটা''
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
إِنَّهُۥ
innahu
''তিনি নিশ্চয়ই
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলেন
▶
إِنَّهَا
innahā
''তা নিশ্চয়ই
▶
بَقَرَةٌۭ
baqaratun
একটি গাভী
▶
لَّا
lā
না
▶
فَارِضٌۭ
fāriḍun
বুড়ো
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
بِكْرٌ
bik'run
বাচ্চা
▶
عَوَانٌۢ
ʿawānun
মধ্যম বয়সের
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝামাঝি
▶
ذَٰلِكَ ۖ
dhālika
এর''
▶
فَٱفْعَلُوا۟
fa-if'ʿalū
অতএব তোমরা করো
▶
مَا
mā
যা
▶
تُؤْمَرُونَ
tu'marūna
তোমাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে''
আয়াত 69 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ ٱدْعُ لَنَا رَبَّكَ يُبَيِّن لَّنَا مَا لَوْنُهَا ۚ قَالَ إِنَّهُۥ يَقُولُ إِنَّهَا بَقَرَةٌۭ صَفْرَآءُ فَاقِعٌۭ لَّوْنُهَا تَسُرُّ ٱلنَّـٰظِرِينَ
তারা বলল, তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর যে, তার রঙ কিরূপ হবে? মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলেছেন যে, গাঢ় পীতবর্ণের গাভী-যা দর্শকদের চমৎকৃত করবে।
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
ٱدْعُ
ud'ʿu
''দোয়া করো
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
رَبَّكَ
rabbaka
তোমার রবের কাছে
▶
يُبَيِّن
yubayyin
তিনি বর্ণনা করেন (যেন)
▶
لَّنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مَا
mā
কী হবে
▶
لَوْنُهَا ۚ
lawnuhā
তার রং''
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
إِنَّهُۥ
innahu
''তিনি নিশ্চয়ই
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলেন
▶
إِنَّهَا
innahā
তা নিশ্চয়ই
▶
بَقَرَةٌۭ
baqaratun
গাভী
▶
صَفْرَآءُ
ṣafrāu
হলুদ রঙের
▶
فَاقِعٌۭ
fāqiʿun
উজ্জল গাড়
▶
لَّوْنُهَا
lawnuhā
তার রং
▶
تَسُرُّ
tasurru
আনন্দদেয়
▶
ٱلنَّـٰظِرِينَ
l-nāẓirīna
দর্শকদের জন্য
আয়াত 70 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ ٱدْعُ لَنَا رَبَّكَ يُبَيِّن لَّنَا مَا هِىَ إِنَّ ٱلْبَقَرَ تَشَـٰبَهَ عَلَيْنَا وَإِنَّآ إِن شَآءَ ٱللَّهُ لَمُهْتَدُونَ
তারা বলল, আপনি প্রভুর কাছে প্রার্থনা করুন-তিনি বলে দিন যে, সেটা কিরূপ? কেননা, গরু আমাদের কাছে সাদৃশ্যশীল মনে হয়। ইনশাআল্লাহ এবার আমরা অবশ্যই পথপ্রাপ্ত হব। মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলেন যে, এ গাভী ভূকর্ষণ ও জল সেচনের শ্রমে অভ্যস্ত নয়-হবে নিষ্কলঙ্ক, নিখুঁত।
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
ٱدْعُ
ud'ʿu
''তুমি দোয়া করো
▶
لَنَا
lanā
আমদের জন্য
▶
رَبَّكَ
rabbaka
তোমার রবের কাছে
▶
يُبَيِّن
yubayyin
তিনি বর্ণনা করেন (যেন)
▶
لَّنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مَا
mā
কেমন
▶
هِىَ
hiya
তা
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلْبَقَرَ
l-baqara
গাভীটি
▶
تَشَـٰبَهَ
tashābaha
একই রকম
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
আমাদের কাছে
▶
وَإِنَّآ
wa-innā
এবং নিশ্চয়ই আমরা
▶
إِن
in
যদি
▶
شَآءَ
shāa
চান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
لَمُهْتَدُونَ
lamuh'tadūna
অবশ্যই সঠিক জ্ঞান প্রাপ্ত হব''
আয়াত 71 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ إِنَّهُۥ يَقُولُ إِنَّهَا بَقَرَةٌۭ لَّا ذَلُولٌۭ تُثِيرُ ٱلْأَرْضَ وَلَا تَسْقِى ٱلْحَرْثَ مُسَلَّمَةٌۭ لَّا شِيَةَ فِيهَا ۚ قَالُوا۟ ٱلْـَٔـٰنَ جِئْتَ بِٱلْحَقِّ ۚ فَذَبَحُوهَا وَمَا كَادُوا۟ يَفْعَلُونَ
তারা বলল, এবার সঠিক তথ্য এনেছ। অতঃপর তারা সেটা জবাই করল, অথচ জবাই করবে বলে মনে হচ্ছিল না।
▶
قَالَ
qāla
(মূসা) বলল
▶
إِنَّهُۥ
innahu
''তিনি নিশ্চয়ই
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলেন
▶
إِنَّهَا
innahā
''তা নিশ্চয়ই
▶
بَقَرَةٌۭ
baqaratun
একটি গাভী
▶
لَّا
lā
না
▶
ذَلُولٌۭ
dhalūlun
লাগান হয়েছে
▶
تُثِيرُ
tuthīru
চাষে
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
জমি
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
تَسْقِى
tasqī
সেচ করেছে
▶
ٱلْحَرْثَ
l-ḥartha
ক্ষেতে
▶
مُسَلَّمَةٌۭ
musallamatun
সুস্থ্য
▶
لَّا
lā
নেই
▶
شِيَةَ
shiyata
কোনো খুঁত
▶
فِيهَا ۚ
fīhā
তার মধ্যে''
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
ٱلْـَٔـٰنَ
l-āna
''এখন
▶
جِئْتَ
ji'ta
তুমি এনেছ (বর্ণনা)
▶
بِٱلْحَقِّ ۚ
bil-ḥaqi
সঠিক তথ্য নিয়ে''
▶
فَذَبَحُوهَا
fadhabaḥūhā
তারা জবাই করল তখন তা
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَادُوا۟
kādū
আগ্রহী ছিল
▶
يَفْعَلُونَ
yafʿalūna
তারা করতে
আয়াত 72 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَتَلْتُمْ نَفْسًۭا فَٱدَّٰرَْٰٔتُمْ فِيهَا ۖ وَٱللَّهُ مُخْرِجٌۭ مَّا كُنتُمْ تَكْتُمُونَ
যখন তোমরা একজনকে হত্যা করে পরে সে সম্পর্কে একে অপরকে অভিযুক্ত করেছিলে। যা তোমরা গোপন করছিলে, তা প্রকাশ করে দেয়া ছিল আল্লাহর অভিপ্রায়।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
قَتَلْتُمْ
qataltum
তোমরা হত্যা করেছিলে
▶
نَفْسًۭا
nafsan
এক ব্যক্তিকে
▶
فَٱدَّٰرَْٰٔتُمْ
fa-iddāratum
তোমরা অতঃপর একে অন্যের ওপর দোষ চাপাচ্ছিলে
▶
فِيهَا ۖ
fīhā
সে ব্যাপারে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ্
▶
مُخْرِجٌۭ
mukh'rijun
প্রকাশকারী
▶
مَّا
mā
যা
▶
كُنتُمْ
kuntum
(আপনি)
▶
تَكْتُمُونَ
taktumūna
তোমরা গোপন করছিলে
আয়াত 73 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَقُلْنَا ٱضْرِبُوهُ بِبَعْضِهَا ۚ كَذَٰلِكَ يُحْىِ ٱللَّهُ ٱلْمَوْتَىٰ وَيُرِيكُمْ ءَايَـٰتِهِۦ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
অতঃপর আমি বললামঃ গরুর একটি খন্ড দ্বারা মৃতকে আঘাত কর। এভাবে আল্লাহ মৃতকে জীবিত করেন এবং তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শণ সমূহ প্রদর্শন করেন-যাতে তোমরা চিন্তা কর।
▶
فَقُلْنَا
faqul'nā
আমরা তখন বলেছিলাম
▶
ٱضْرِبُوهُ
iḍ'ribūhu
''তাকে তোমরা আঘাত কর
▶
بِبَعْضِهَا ۚ
bibaʿḍihā
তার কিছু অংশ দিয়ে (এবং সে বেঁচে উঠল)''
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُحْىِ
yuḥ'yī
জীবিত করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
ٱلْمَوْتَىٰ
l-mawtā
মৃতকে
▶
وَيُرِيكُمْ
wayurīkum
এবং তোমাদের দেখান
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
তাঁর নিদর্শনগুলোকে
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমরা যাতে
▶
تَعْقِلُونَ
taʿqilūna
বুঝতে পার
আয়াত 74 - সূরা البقرة: 37 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ قَسَتْ قُلُوبُكُم مِّنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ فَهِىَ كَٱلْحِجَارَةِ أَوْ أَشَدُّ قَسْوَةًۭ ۚ وَإِنَّ مِنَ ٱلْحِجَارَةِ لَمَا يَتَفَجَّرُ مِنْهُ ٱلْأَنْهَـٰرُ ۚ وَإِنَّ مِنْهَا لَمَا يَشَّقَّقُ فَيَخْرُجُ مِنْهُ ٱلْمَآءُ ۚ وَإِنَّ مِنْهَا لَمَا يَهْبِطُ مِنْ خَشْيَةِ ٱللَّهِ ۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَـٰفِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
অতঃপর এ ঘটনার পরে তোমাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেছে। তা পাথরের মত অথবা তদপেক্ষাও কঠিন। পাথরের মধ্যে এমন ও আছে; যা থেকে ঝরণা প্রবাহিত হয়, এমনও আছে, যা বিদীর্ণ হয়, অতঃপর তা থেকে পানি নির্গত হয় এবং এমনও আছে, যা আল্লাহর ভয়ে খসেপড়তে থাকে! আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন।
▶
ثُمَّ
thumma
পরে
▶
قَسَتْ
qasat
কঠিন হয়ে গেল
▶
قُلُوبُكُم
qulūbukum
তোমাদের অন্তরগুলো
▶
مِّنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
فَهِىَ
fahiya
তা অতঃপর (হয়ে গেল)
▶
كَٱلْحِجَارَةِ
kal-ḥijārati
মতো পাথরে
▶
أَوْ
aw
অথবা (তার চেয়েও)
▶
أَشَدُّ
ashaddu
অধিকতর
▶
قَسْوَةًۭ ۚ
qaswatan
কঠিন
▶
وَإِنَّ
wa-inna
অথচ নিশ্চয়ই
▶
مِنَ
mina
কিছু
▶
ٱلْحِجَارَةِ
l-ḥijārati
পাথর (এমনও আছে)
▶
لَمَا
lamā
অবশ্যই যা
▶
يَتَفَجَّرُ
yatafajjaru
ফেটে বের হয়
▶
مِنْهُ
min'hu
তা হতে
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ ۚ
l-anhāru
ঝর্ণাধারা
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
مِنْهَا
min'hā
তার কিছু (এমনও আছে)
▶
لَمَا
lamā
অবশ্যই যা
▶
يَشَّقَّقُ
yashaqqaqu
ফেটে যায়
▶
فَيَخْرُجُ
fayakhruju
অতঃপর বের হয়
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
ٱلْمَآءُ ۚ
l-māu
পানি
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
مِنْهَا
min'hā
তার কিছু (এমনও আছে)
▶
لَمَا
lamā
অবশ্যই যা
▶
يَهْبِطُ
yahbiṭu
ধসে পড়ে
▶
مِنْ
min
কারণে
▶
خَشْيَةِ
khashyati
ভয়ের
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بِغَـٰفِلٍ
bighāfilin
অনবহিত
▶
عَمَّا
ʿammā
তাহতে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা করছো
আয়াত 75 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ أَفَتَطْمَعُونَ أَن يُؤْمِنُوا۟ لَكُمْ وَقَدْ كَانَ فَرِيقٌۭ مِّنْهُمْ يَسْمَعُونَ كَلَـٰمَ ٱللَّهِ ثُمَّ يُحَرِّفُونَهُۥ مِنۢ بَعْدِ مَا عَقَلُوهُ وَهُمْ يَعْلَمُونَ
হে মুসলমানগণ, তোমরা কি আশা কর যে, তারা তোমাদের কথায় ঈমান আনবে? তাদের মধ্যে একদল ছিল, যারা আল্লাহর বাণী শ্রবণ করত; অতঃপর বুঝে-শুনে তা পরিবর্তন করে দিত এবং তারা তা অবগত ছিল।
▶
۞ أَفَتَطْمَعُونَ
afataṭmaʿūna
তবে কি তোমরা আশা কর
▶
أَن
an
যে
▶
يُؤْمِنُوا۟
yu'minū
তারা ঈমান আনবে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের (দাওয়াতে)
▶
وَقَدْ
waqad
অথচ নিশ্চয়ই
▶
كَانَ
kāna
আছে
▶
فَرِيقٌۭ
farīqun
একদল
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যে
▶
يَسْمَعُونَ
yasmaʿūna
(যারা) শুনে
▶
كَلَـٰمَ
kalāma
(কালাম) বাণী
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
ثُمَّ
thumma
পরে
▶
يُحَرِّفُونَهُۥ
yuḥarrifūnahu
তা তারা বিকৃত করে
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
এরপর
▶
مَا
mā
যা
▶
عَقَلُوهُ
ʿaqalūhu
তা তারা বুঝেছিল
▶
وَهُمْ
wahum
অথচ তারা
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
(ভালভাবে) জানেও
আয়াত 76 - সূরা البقرة: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا لَقُوا۟ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا وَإِذَا خَلَا بَعْضُهُمْ إِلَىٰ بَعْضٍۢ قَالُوٓا۟ أَتُحَدِّثُونَهُم بِمَا فَتَحَ ٱللَّهُ عَلَيْكُمْ لِيُحَآجُّوكُم بِهِۦ عِندَ رَبِّكُمْ ۚ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
যখন তারা মুসলমানদের সাথে মিলিত হয়, তখন বলেঃ আমরা মুসলমান হয়েছি। আর যখন পরস্পরের সাথে নিভৃতে অবস্থান করে, তখন বলে, পালনকর্তা তোমাদের জন্যে যা প্রকাশ করেছেন, তা কি তাদের কাছে বলে দিচ্ছ? তাহলে যে তারা এ নিয়ে পালকর্তার সামনে তোমাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে। তোমরা কি তা উপলব্ধি কর না?
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
لَقُوا۟
laqū
তারা মিলে (তাদের সাথে)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে
▶
ءَامَنَّا
āmannā
''আমরা ঈমান এনেছি''
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
خَلَا
khalā
মিলে গোপনে
▶
بَعْضُهُمْ
baʿḍuhum
তাদের কেউ
▶
إِلَىٰ
ilā
সাথে
▶
بَعْضٍۢ
baʿḍin
কারো
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলে
▶
أَتُحَدِّثُونَهُم
atuḥaddithūnahum
''তাদেরকে তোমরা বলে দাও কি
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
فَتَحَ
fataḥa
প্রকাশ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের কাছে
▶
لِيُحَآجُّوكُم
liyuḥājjūkum
তোমাদের বিরুদ্ধে যেন প্রমাণ পেশ করতে পারে
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّكُمْ ۚ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
أَفَلَا
afalā
না তবে কি?
▶
تَعْقِلُونَ
taʿqilūna
তোমরা বুঝ''
আয়াত 77 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوَلَا يَعْلَمُونَ أَنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعْلِنُونَ
তারা কি এতটুকুও জানে না যে, আল্লাহ সেসব বিষয়ও পরিজ্ঞাত যা তারা গোপন করে এবং যা প্রকাশ করে?
▶
أَوَلَا
awalā
না কি
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
তারা জানে
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
يُسِرُّونَ
yusirrūna
তারা গোপন করে
▶
وَمَا
wamā
ও যা
▶
يُعْلِنُونَ
yuʿ'linūna
তারা প্রকাশ করে
আয়াত 78 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنْهُمْ أُمِّيُّونَ لَا يَعْلَمُونَ ٱلْكِتَـٰبَ إِلَّآ أَمَانِىَّ وَإِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ
তোমাদের কিছু লোক নিরক্ষর। তারা মিথ্যা আকাঙ্খা ছাড়া আল্লাহর গ্রন্থের কিছুই জানে না। তাদের কাছে কল্পনা ছাড়া কিছুই নেই।
▶
وَمِنْهُمْ
wamin'hum
এবং তাদের মধ্যে কিছু (আছে)
▶
أُمِّيُّونَ
ummiyyūna
নিরক্ষর
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
তারা জানে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَمَانِىَّ
amāniyya
আশা আকাঙ্ক্ষা
▶
وَإِنْ
wa-in
এবং না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
يَظُنُّونَ
yaẓunnūna
(অমূলক) ধারণা করে
আয়াত 79 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَوَيْلٌۭ لِّلَّذِينَ يَكْتُبُونَ ٱلْكِتَـٰبَ بِأَيْدِيهِمْ ثُمَّ يَقُولُونَ هَـٰذَا مِنْ عِندِ ٱللَّهِ لِيَشْتَرُوا۟ بِهِۦ ثَمَنًۭا قَلِيلًۭا ۖ فَوَيْلٌۭ لَّهُم مِّمَّا كَتَبَتْ أَيْدِيهِمْ وَوَيْلٌۭ لَّهُم مِّمَّا يَكْسِبُونَ
অতএব তাদের জন্যে আফসোস! যারা নিজ হাতে গ্রন্থ লেখে এবং বলে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ-যাতে এর বিনিময়ে সামান্য অর্থ গ্রহণ করতে পারে। অতএব তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের হাতের লেখার জন্য এবং তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের উপার্জনের জন্যে।
▶
فَوَيْلٌۭ
fawaylun
অতএব দুর্ভোগ
▶
لِّلَّذِينَ
lilladhīna
তাদের জন্য (যারা)
▶
يَكْتُبُونَ
yaktubūna
লিখে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাবে (অর্থাৎ শরয়ীবিধান)
▶
بِأَيْدِيهِمْ
bi-aydīhim
তাদের হাত দিয়ে
▶
ثُمَّ
thumma
পরে
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলে
▶
هَـٰذَا
hādhā
''এটা (এসেছে)
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র''
▶
لِيَشْتَرُوا۟
liyashtarū
(এরূপ করে) তারা কিনতে পারে
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
ثَمَنًۭا
thamanan
মূল্য (অর্থাৎ স্বার্থ)
▶
قَلِيلًۭا ۖ
qalīlan
সামান্য
▶
فَوَيْلٌۭ
fawaylun
অতএব দুর্ভোগ
▶
لَّهُم
lahum
তাদের জন্য
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
كَتَبَتْ
katabat
লিখেছে
▶
أَيْدِيهِمْ
aydīhim
তাদের হাত
▶
وَوَيْلٌۭ
wawaylun
এবং দুর্ভোগ
▶
لَّهُم
lahum
তাদের জন্য
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
يَكْسِبُونَ
yaksibūna
তারা উপার্জন করেছে
আয়াত 80 - সূরা البقرة: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوا۟ لَن تَمَسَّنَا ٱلنَّارُ إِلَّآ أَيَّامًۭا مَّعْدُودَةًۭ ۚ قُلْ أَتَّخَذْتُمْ عِندَ ٱللَّهِ عَهْدًۭا فَلَن يُخْلِفَ ٱللَّهُ عَهْدَهُۥٓ ۖ أَمْ تَقُولُونَ عَلَى ٱللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ
তারা বলেঃ আগুন আমাদিগকে কখনও স্পর্শ করবে না; কিন্তু গণাগনতি কয়েকদিন। বলে দিনঃ তোমরা কি আল্লাহর কাছ থেকে কোন অঙ্গীকার পেয়েছ যে, আল্লাহ কখনও তার খেলাফ করবেন না-না তোমরা যা জান না, তা আল্লাহর সাথে জুড়ে দিচ্ছ।
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলে
▶
لَن
lan
''কখনও না
▶
تَمَسَّنَا
tamassanā
আমাদেরকে স্পর্শ করবে
▶
ٱلنَّارُ
l-nāru
আগুন
▶
إِلَّآ
illā
(যদিও করে) তবে
▶
أَيَّامًۭا
ayyāman
কিছুদিন
▶
مَّعْدُودَةًۭ ۚ
maʿdūdatan
গোনাগাঁথা''
▶
قُلْ
qul
তুমি বলো
▶
أَتَّخَذْتُمْ
attakhadhtum
''তোমরা গ্রহণ করেছ কি
▶
عِندَ
ʿinda
নিকট হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
عَهْدًۭا
ʿahdan
অঙ্গীকার (যা)
▶
فَلَن
falan
কখনও না
▶
يُخْلِفَ
yukh'lifa
ভঙ্গ করবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
عَهْدَهُۥٓ ۖ
ʿahdahu
তাঁর অঙ্গীকার
▶
أَمْ
am
অথবা
▶
تَقُولُونَ
taqūlūna
তোমরা বলছ
▶
عَلَى
ʿalā
উপর(সম্বন্ধে)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مَا
mā
যা
▶
لَا
lā
না
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
তোমরা জান''
আয়াত 81 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَلَىٰ مَن كَسَبَ سَيِّئَةًۭ وَأَحَـٰطَتْ بِهِۦ خَطِيٓـَٔتُهُۥ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
হাঁ, যে ব্যক্তি পাপ অর্জন করেছে এবং সে পাপ তাকে পরিবেষ্টিত করে নিয়েছে, তারাই দোযখের অধিবাসী। তারা সেখানেই চিরকাল থাকবে।
▶
بَلَىٰ
balā
বরং (সত্য হলো)
▶
مَن
man
যে কেউ
▶
كَسَبَ
kasaba
উপার্জন করবে
▶
سَيِّئَةًۭ
sayyi-atan
পাপ
▶
وَأَحَـٰطَتْ
wa-aḥāṭat
এবং ঘিরে নিয়েছে
▶
بِهِۦ
bihi
তাকে নিয়ে
▶
خَطِيٓـَٔتُهُۥ
khaṭīatuhu
তার পাপসমূহ
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ফলে ঐসব লোক
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী (হবে)
▶
ٱلنَّارِ ۖ
l-nāri
আগুনের
▶
هُمْ
hum
তারাই
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে
আয়াত 82 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ أُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلْجَنَّةِ ۖ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারাই জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানেই চিরকাল থাকবে।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
আর যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী (হবে)
▶
ٱلْجَنَّةِ ۖ
l-janati
জান্নাতের
▶
هُمْ
hum
তারাই
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে
আয়াত 83 - সূরা البقرة: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ أَخَذْنَا مِيثَـٰقَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ لَا تَعْبُدُونَ إِلَّا ٱللَّهَ وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ إِحْسَانًۭا وَذِى ٱلْقُرْبَىٰ وَٱلْيَتَـٰمَىٰ وَٱلْمَسَـٰكِينِ وَقُولُوا۟ لِلنَّاسِ حُسْنًۭا وَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُوا۟ ٱلزَّكَوٰةَ ثُمَّ تَوَلَّيْتُمْ إِلَّا قَلِيلًۭا مِّنكُمْ وَأَنتُم مُّعْرِضُونَ
যখন আমি বনী-ইসরাঈলের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিলাম যে, তোমরা আল্লাহ ছাড়া কারও উপাসনা করবে না, পিতা-মাতা, আত্নীয়-স্বজন, এতীম ও দীন-দরিদ্রদের সাথে সদ্ব্যবহার করবে, মানুষকে সৎ কথাবার্তা বলবে, নামায প্রতিষ্ঠা করবে এবং যাকাত দেবে, তখন সামান্য কয়েকজন ছাড়া তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিলে, তোমরাই অগ্রাহ্যকারী।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
أَخَذْنَا
akhadhnā
আমরা নিয়ে ছিলাম
▶
مِيثَـٰقَ
mīthāqa
প্রতিশ্রুতি
▶
بَنِىٓ
banī
বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলের (থেকে)
▶
لَا
lā
''(যে) না
▶
تَعْبُدُونَ
taʿbudūna
তোমরা ইবাদাত করবে
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ
wabil-wālidayni
এবং পিতামাতার সাথে
▶
إِحْسَانًۭا
iḥ'sānan
সদয় ব্যবহার করবে
▶
وَذِى
wadhī
এবং
▶
ٱلْقُرْبَىٰ
l-qur'bā
আত্বীয়স্বজনের
▶
وَٱلْيَتَـٰمَىٰ
wal-yatāmā
ও ইয়াতীমদের
▶
وَٱلْمَسَـٰكِينِ
wal-masākīni
ও দরিদ্রের(সাথে)
▶
وَقُولُوا۟
waqūlū
এবং তোমরা বলবে
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের উদ্দেশে
▶
حُسْنًۭا
ḥus'nan
ভালভাবে (কথা)
▶
وَأَقِيمُوا۟
wa-aqīmū
এবং তোমরা প্রতিষ্ঠা করবে
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সলাত
▶
وَءَاتُوا۟
waātū
ও তোমরা দেবে
▶
ٱلزَّكَوٰةَ
l-zakata
যাকাত
▶
ثُمَّ
thumma
এরপরেও
▶
تَوَلَّيْتُمْ
tawallaytum
তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলে
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
সামান্য কিছু (লোক)
▶
مِّنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
وَأَنتُم
wa-antum
এবং তোমরা (আজও)
▶
مُّعْرِضُونَ
muʿ'riḍūna
মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ
আয়াত 84 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ أَخَذْنَا مِيثَـٰقَكُمْ لَا تَسْفِكُونَ دِمَآءَكُمْ وَلَا تُخْرِجُونَ أَنفُسَكُم مِّن دِيَـٰرِكُمْ ثُمَّ أَقْرَرْتُمْ وَأَنتُمْ تَشْهَدُونَ
যখন আমি তোমাদের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিলাম যে, তোমরা পরস্পর খুনাখুনি করবে না এবং নিজেদেরকে দেশ থেকে বহিস্কার করবে না, তখন তোমরা তা স্বীকার করেছিলে এবং তোমরা তার সাক্ষ্য দিচ্ছিলে।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং যখন
▶
أَخَذْنَا
akhadhnā
আমরা নিয়েছিলাম
▶
مِيثَـٰقَكُمْ
mīthāqakum
তোমাদের প্রতিশ্রুতি
▶
لَا
lā
''(যে) না
▶
تَسْفِكُونَ
tasfikūna
তোমরা ঝরাবে
▶
دِمَآءَكُمْ
dimāakum
তোমাদের রক্ত
▶
وَلَا
walā
না এবং
▶
تُخْرِجُونَ
tukh'rijūna
তোমরা তাড়িয়ে দেবে
▶
أَنفُسَكُم
anfusakum
তোমাদের নিজেদেরকে
▶
مِّن
min
থেকে
▶
دِيَـٰرِكُمْ
diyārikum
তোমাদের ঘর''
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
أَقْرَرْتُمْ
aqrartum
তোমরা স্বীকার করেছিলে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এবং তোমরাই
▶
تَشْهَدُونَ
tashhadūna
সাক্ষ্য দিচ্ছ
আয়াত 85 - সূরা البقرة: 49 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ أَنتُمْ هَـٰٓؤُلَآءِ تَقْتُلُونَ أَنفُسَكُمْ وَتُخْرِجُونَ فَرِيقًۭا مِّنكُم مِّن دِيَـٰرِهِمْ تَظَـٰهَرُونَ عَلَيْهِم بِٱلْإِثْمِ وَٱلْعُدْوَٰنِ وَإِن يَأْتُوكُمْ أُسَـٰرَىٰ تُفَـٰدُوهُمْ وَهُوَ مُحَرَّمٌ عَلَيْكُمْ إِخْرَاجُهُمْ ۚ أَفَتُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ ٱلْكِتَـٰبِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍۢ ۚ فَمَا جَزَآءُ مَن يَفْعَلُ ذَٰلِكَ مِنكُمْ إِلَّا خِزْىٌۭ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَيَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ يُرَدُّونَ إِلَىٰٓ أَشَدِّ ٱلْعَذَابِ ۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَـٰفِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
অতঃপর তোমরাই পরস্পর খুনাখুনি করছ এবং তোমাদেরই একদলকে তাদের দেশ থেকে বহিস্কার করছ। তাদের বিরুদ্ধে পাপ ও অন্যায়ের মাধ্যমে আক্রমণ করছ। আর যদি তারাই কারও বন্দী হয়ে তোমাদের কাছে আসে, তবে বিনিময় নিয়ে তাদের মুক্ত করছ। অথচ তাদের বহিস্কার করাও তোমাদের জন্য অবৈধ। তবে কি তোমরা গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর এবং কিয়দংশ অবিশ্বাস কর? যারা এরূপ করে পার্থিব জীবনে দূগর্তি ছাড়া তাদের আর কোনই পথ নেই। কিয়ামতের দিন তাদের কঠোরতম শাস্তির দিকে পৌঁছে দেয়া হবে। আল্লাহ তোমাদের কাজ-কর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন।
▶
ثُمَّ
thumma
আবার
▶
أَنتُمْ
antum
তোমরাই
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
ঐসব (লোক যারা)
▶
تَقْتُلُونَ
taqtulūna
তোমরা হত্যা করছ
▶
أَنفُسَكُمْ
anfusakum
তোমাদের নিজেদেরকে
▶
وَتُخْرِجُونَ
watukh'rijūna
এবং তোমরা তাড়িয়ে দিচ্ছ
▶
فَرِيقًۭا
farīqan
এক দলকে
▶
مِّنكُم
minkum
তোমাদের মধ্য থেকে
▶
مِّن
min
হতে
▶
دِيَـٰرِهِمْ
diyārihim
তাদের ঘরগুলো
▶
تَظَـٰهَرُونَ
taẓāharūna
তোমরা সাহায্য করছ
▶
عَلَيْهِم
ʿalayhim
তাদের বিরুদ্ধে
▶
بِٱلْإِثْمِ
bil-ith'mi
অন্যায়
▶
وَٱلْعُدْوَٰنِ
wal-ʿud'wāni
ও সীমালঙ্ঘন
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
يَأْتُوكُمْ
yatūkum
তোমাদের কাছে আসে
▶
أُسَـٰرَىٰ
usārā
বন্দি (হয়ে)
▶
تُفَـٰدُوهُمْ
tufādūhum
তাদের ছাড়াও মুক্তিপণ দিয়ে
▶
وَهُوَ
wahuwa
অথচ তা
▶
مُحَرَّمٌ
muḥarramun
নিষিদ্ধ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
إِخْرَاجُهُمْ ۚ
ikh'rājuhum
তাদের তাড়িয়ে দেওয়া
▶
أَفَتُؤْمِنُونَ
afatu'minūna
তোমরা তবে কি বিশ্বাস কর
▶
بِبَعْضِ
bibaʿḍi
কিছু অংশের(ব্যাপারে)
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
وَتَكْفُرُونَ
watakfurūna
এবং অবিশ্বাস কর
▶
بِبَعْضٍۢ ۚ
bibaʿḍin
(অপর) কিছু অংশকে
▶
فَمَا
famā
সুতরাং কী(হতে পারে)
▶
جَزَآءُ
jazāu
প্রতিদান
▶
مَن
man
যে
▶
يَفْعَلُ
yafʿalu
করবে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এরূপ
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য থেকে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যে
▶
خِزْىٌۭ
khiz'yun
অপমান
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا ۖ
l-dun'yā
পার্থিব
▶
وَيَوْمَ
wayawma
এবং দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
يُرَدُّونَ
yuraddūna
তারা নিক্ষিপ্ত হবে
▶
إِلَىٰٓ
ilā
দিকে
▶
أَشَدِّ
ashaddi
কঠোর
▶
ٱلْعَذَابِ ۗ
l-ʿadhābi
শাস্তির
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بِغَـٰفِلٍ
bighāfilin
উদাসীন
▶
عَمَّا
ʿammā
এ বিষয়ে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা করছ
আয়াত 86 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ ٱشْتَرَوُا۟ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا بِٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ فَلَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ ٱلْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ
এরাই পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন ক্রয় করেছে। অতএব এদের শাস্তি লঘু হবে না এবং এরা সাহায্যও পাবে না।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐ সব (লোক)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারাই) যারা
▶
ٱشْتَرَوُا۟
ish'tarawū
কিনে নিয়েছে
▶
ٱلْحَيَوٰةَ
l-ḥayata
জীবনকে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পার্থিব
▶
بِٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ
bil-ākhirati
আখিরাতের বিনিময়ে
▶
فَلَا
falā
না ফলে
▶
يُخَفَّفُ
yukhaffafu
হালকা করা হবে
▶
عَنْهُمُ
ʿanhumu
তাদের থেকে
▶
ٱلْعَذَابُ
l-ʿadhābu
শাস্তি
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يُنصَرُونَ
yunṣarūna
সাহায্যপ্রাপ্ত হবে
আয়াত 87 - সূরা البقرة: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَـٰبَ وَقَفَّيْنَا مِنۢ بَعْدِهِۦ بِٱلرُّسُلِ ۖ وَءَاتَيْنَا عِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ ٱلْبَيِّنَـٰتِ وَأَيَّدْنَـٰهُ بِرُوحِ ٱلْقُدُسِ ۗ أَفَكُلَّمَا جَآءَكُمْ رَسُولٌۢ بِمَا لَا تَهْوَىٰٓ أَنفُسُكُمُ ٱسْتَكْبَرْتُمْ فَفَرِيقًۭا كَذَّبْتُمْ وَفَرِيقًۭا تَقْتُلُونَ
অবশ্যই আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি। এবং তার পরে পর্যায়ক্রমে রসূল পাঠিয়েছি। আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে সুস্পষ্ট মোজেযা দান করেছি এবং পবিত্র রূহের মাধ্যমে তাকে শক্তিদান করেছি। অতঃপর যখনই কোন রসূল এমন নির্দেশ নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে, যা তোমাদের মনে ভাল লাগেনি, তখনই তোমরা অহংকার করেছ। শেষ পর্যন্ত তোমরা একদলকে মিথ্যাবাদী বলেছ এবং একদলকে হত্যা করেছ।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
ءَاتَيْنَا
ātaynā
আমরা দিয়েছি
▶
مُوسَى
mūsā
মূসাকে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَقَفَّيْنَا
waqaffaynā
এবং পর্যায়ক্রমে আমরা পাঠিয়েছি
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِهِۦ
baʿdihi
তারপর
▶
بِٱلرُّسُلِ ۖ
bil-rusuli
রাসূলদেরকে
▶
وَءَاتَيْنَا
waātaynā
এবং আমরা দিয়েছি
▶
عِيسَى
ʿīsā
ঈসাকে
▶
ٱبْنَ
ib'na
পুত্র
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়ামের
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتِ
l-bayināti
সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ
▶
وَأَيَّدْنَـٰهُ
wa-ayyadnāhu
ও তাকে আমরা সাহায্য করেছি
▶
بِرُوحِ
birūḥi
আত্মা দিয়ে
▶
ٱلْقُدُسِ ۗ
l-qudusi
পবিত্র
▶
أَفَكُلَّمَا
afakullamā
যখনই অতঃপর কি
▶
جَآءَكُمْ
jāakum
তোমাদের কাছে এসেছে
▶
رَسُولٌۢ
rasūlun
কোনো রাসূল
▶
بِمَا
bimā
তা নিয়ে যা
▶
لَا
lā
না
▶
تَهْوَىٰٓ
tahwā
পছন্দ করে
▶
أَنفُسُكُمُ
anfusukumu
তোমাদের মন
▶
ٱسْتَكْبَرْتُمْ
is'takbartum
তোমরা অহঙ্কার করেছ
▶
فَفَرِيقًۭا
fafarīqan
অতঃপর একদলকে
▶
كَذَّبْتُمْ
kadhabtum
তোমরা অস্বীকার করছো
▶
وَفَرِيقًۭا
wafarīqan
আর একদলকে
▶
تَقْتُلُونَ
taqtulūna
তোমরা হত্যা করেছ
আয়াত 88 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوا۟ قُلُوبُنَا غُلْفٌۢ ۚ بَل لَّعَنَهُمُ ٱللَّهُ بِكُفْرِهِمْ فَقَلِيلًۭا مَّا يُؤْمِنُونَ
তারা বলে, আমাদের হৃদয় অর্ধাবৃত। এবং তাদের কুফরের কারণে আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন। ফলে তারা অল্পই ঈমান আনে।
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলেছিল
▶
قُلُوبُنَا
qulūbunā
''আমাদের অন্তর
▶
غُلْفٌۢ ۚ
ghul'fun
আচ্ছাদিত (সুরক্ষিত)''
▶
بَل
bal
বরং (সত্য হল)
▶
لَّعَنَهُمُ
laʿanahumu
তাদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بِكُفْرِهِمْ
bikuf'rihim
তাদের অবিশ্বাসের কারণে
▶
فَقَلِيلًۭا
faqalīlan
তাই কম (লোকই)
▶
مَّا
mā
যারা
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
ঈমান আনবে
আয়াত 89 - সূরা البقرة: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَمَّا جَآءَهُمْ كِتَـٰبٌۭ مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ مُصَدِّقٌۭ لِّمَا مَعَهُمْ وَكَانُوا۟ مِن قَبْلُ يَسْتَفْتِحُونَ عَلَى ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فَلَمَّا جَآءَهُم مَّا عَرَفُوا۟ كَفَرُوا۟ بِهِۦ ۚ فَلَعْنَةُ ٱللَّهِ عَلَى ٱلْكَـٰفِرِينَ
যখন তাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে কিতাব এসে পৌঁছাল, যা সে বিষয়ের সত্যায়ন করে, যা তাদের কাছে রয়েছে এবং তারা পূর্বে করত। অবশেষে যখন তাদের কাছে পৌঁছল যাকে তারা চিনে রেখেছিল, তখন তারা তা অস্বীকার করে বসল। অতএব, অস্বীকারকারীদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।
▶
وَلَمَّا
walammā
এবং যখন
▶
جَآءَهُمْ
jāahum
এসেছে তাদের কাছে
▶
كِتَـٰبٌۭ
kitābun
কিতাব
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
مُصَدِّقٌۭ
muṣaddiqun
সত্যায়নকারী
▶
لِّمَا
limā
তার জন্য যা
▶
مَعَهُمْ
maʿahum
তাদের সাথে(আছে)
▶
وَكَانُوا۟
wakānū
এবং তারা ছিল
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلُ
qablu
পূর্ব থেকে
▶
يَسْتَفْتِحُونَ
yastaftiḥūna
বিজয় চাইত
▶
عَلَى
ʿalā
উপর(বিরুদ্ধে)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অবিশ্বাস করেছে
▶
فَلَمَّا
falammā
অতঃপর যখন
▶
جَآءَهُم
jāahum
আসল তাদের কাছে
▶
مَّا
mā
যা
▶
عَرَفُوا۟
ʿarafū
তারা জানত
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করল
▶
بِهِۦ ۚ
bihi
তার প্রতি
▶
فَلَعْنَةُ
falaʿnatu
ফলে অভিশাপ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
প্রত্যাখ্যানকারীদের
আয়াত 90 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بِئْسَمَا ٱشْتَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْ أَن يَكْفُرُوا۟ بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ بَغْيًا أَن يُنَزِّلَ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ عَلَىٰ مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ ۖ فَبَآءُو بِغَضَبٍ عَلَىٰ غَضَبٍۢ ۚ وَلِلْكَـٰفِرِينَ عَذَابٌۭ مُّهِينٌۭ
যার বিনিময়ে তারা নিজেদের বিক্রি করেছে, তা খুবই মন্দ; যেহেতু তারা আল্লাহ যা নযিল করেছেন, তা অস্বীকার করেছে এই হঠকারিতার দরুন যে, আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা অনুগ্রহ নাযিল করেন। অতএব, তারা ক্রোধের উপর ক্রোধ অর্জন করেছে। আর কাফেরদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
▶
بِئْسَمَا
bi'samā
কতই নিকৃষ্ট তা
▶
ٱشْتَرَوْا۟
ish'taraw
তারা বিক্রি করেছে
▶
بِهِۦٓ
bihi
যার বিনিময়ে
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের আত্মাকে
▶
أَن
an
(থেকে)
▶
يَكْفُرُوا۟
yakfurū
তারা অস্বীকার করে যে
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয় যা
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بَغْيًا
baghyan
জিদ বশতঃ
▶
أَن
an
(এজন্য) যে
▶
يُنَزِّلَ
yunazzila
অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
مِن
min
কারণে
▶
فَضْلِهِۦ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহের
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি চান
▶
مِنْ
min
মধ্য হতে
▶
عِبَادِهِۦ ۖ
ʿibādihi
তাঁর বান্দাদের
▶
فَبَآءُو
fabāū
তারা ফলে পরিবেষ্টিত হয়েছে
▶
بِغَضَبٍ
bighaḍabin
রাগ দিয়ে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
غَضَبٍۢ ۚ
ghaḍabin
রাগের
▶
وَلِلْكَـٰفِرِينَ
walil'kāfirīna
এবং কাফিরদের জন্য(রয়েছে)
▶
عَذَابٌۭ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
مُّهِينٌۭ
muhīnun
অপমানকর
আয়াত 91 - সূরা البقرة: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ ءَامِنُوا۟ بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ قَالُوا۟ نُؤْمِنُ بِمَآ أُنزِلَ عَلَيْنَا وَيَكْفُرُونَ بِمَا وَرَآءَهُۥ وَهُوَ ٱلْحَقُّ مُصَدِّقًۭا لِّمَا مَعَهُمْ ۗ قُلْ فَلِمَ تَقْتُلُونَ أَنۢبِيَآءَ ٱللَّهِ مِن قَبْلُ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ যা পাঠিয়েছেন তা মেনে নাও, তখন তারা বলে, আমরা মানি যা আমাদের প্রতি অবর্তীণ হয়েছে। সেটি ছাড়া সবগুলোকে তারা অস্বীকার করে। অথচ এ গ্রন্থটি সত্য এবং সত্যায়ন করে ঐ গ্রন্থের যা তাদের কাছে রয়েছে। বলে দিন, তবে তোমরা ইতিপূর্বে পয়গম্বরদের হত্যা করতে কেন যদি তোমরা বিশ্বাসী ছিলে?
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের উদ্দেশে
▶
ءَامِنُوا۟
āminū
''তোমরা ঈমান আনো
▶
بِمَآ
bimā
ঐবিষয়ে যা
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্''
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলে
▶
نُؤْمِنُ
nu'minu
''আমরা ঈমান আনব
▶
بِمَآ
bimā
ঐবিষয়ে যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছে
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
আমাদের উপর''
▶
وَيَكْفُرُونَ
wayakfurūna
ও তারা অস্বীকার করে
▶
بِمَا
bimā
যা(আছে)
▶
وَرَآءَهُۥ
warāahu
তা ছাড়া
▶
وَهُوَ
wahuwa
অথচ সেটাই
▶
ٱلْحَقُّ
l-ḥaqu
সত্য
▶
مُصَدِّقًۭا
muṣaddiqan
সত্যায়নকারী
▶
لِّمَا
limā
তার জন্য যা
▶
مَعَهُمْ ۗ
maʿahum
তাদের সাথে(আছে)
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
فَلِمَ
falima
''কেন তাহলে
▶
تَقْتُلُونَ
taqtulūna
তোমরা হত্যা করেছ
▶
أَنۢبِيَآءَ
anbiyāa
নবীদেরকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلُ
qablu
পূর্ব
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হয়ে থাক
▶
مُّؤْمِنِينَ
mu'minīna
মুমিন''
আয়াত 92 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَلَقَدْ جَآءَكُم مُّوسَىٰ بِٱلْبَيِّنَـٰتِ ثُمَّ ٱتَّخَذْتُمُ ٱلْعِجْلَ مِنۢ بَعْدِهِۦ وَأَنتُمْ ظَـٰلِمُونَ
সুস্পষ্ট মু’জেযাসহ মূসা তোমাদের কাছে এসেছেন। এরপর তার অনুপস্থিতিতে তোমরা গোবৎস বানিয়েছ। বাস্তবিকই তোমরা অত্যাচারী।
▶
۞ وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
جَآءَكُم
jāakum
তোমাদের কাছে এসেছিল
▶
مُّوسَىٰ
mūsā
মূসা
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ
bil-bayināti
সুস্পষ্ট নিদর্শন সমূহ নিয়ে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱتَّخَذْتُمُ
ittakhadhtumu
গ্রহণ করেছিলে তোমরা
▶
ٱلْعِجْلَ
l-ʿij'la
গো বাছুরকে (উপাস্যরূপে)
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِهِۦ
baʿdihi
তারপর
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এবং তোমরা(ছিলে)
▶
ظَـٰلِمُونَ
ẓālimūna
সীমালঙ্ঘনকারী
আয়াত 93 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ أَخَذْنَا مِيثَـٰقَكُمْ وَرَفَعْنَا فَوْقَكُمُ ٱلطُّورَ خُذُوا۟ مَآ ءَاتَيْنَـٰكُم بِقُوَّةٍۢ وَٱسْمَعُوا۟ ۖ قَالُوا۟ سَمِعْنَا وَعَصَيْنَا وَأُشْرِبُوا۟ فِى قُلُوبِهِمُ ٱلْعِجْلَ بِكُفْرِهِمْ ۚ قُلْ بِئْسَمَا يَأْمُرُكُم بِهِۦٓ إِيمَـٰنُكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
আর যখন আমি তোমাদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিলাম এবং তুর পর্বতকে তোমাদের উপর তুলে ধরলাম যে, শক্ত করে ধর, আমি যা তোমাদের দিয়েছি আর শোন। তারা বলল, আমরা শুনেছি আর অমান্য করেছি। কুফরের কারণে তাদের অন্তরে গোবৎসপ্রীতি পান করানো হয়েছিল। বলে দিন, তোমরা বিশ্বাসী হলে, তোমাদের সে বিশ্বাস মন্দ বিষয়াদি শিক্ষা দেয়।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং যখন
▶
أَخَذْنَا
akhadhnā
আমরা গ্রহণ করেছিলাম
▶
مِيثَـٰقَكُمْ
mīthāqakum
তোমাদের প্রতিশ্রুতি
▶
وَرَفَعْنَا
warafaʿnā
এবং উঠিয়েছিলাম
▶
فَوْقَكُمُ
fawqakumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلطُّورَ
l-ṭūra
তুর পাহাড়কে
▶
خُذُوا۟
khudhū
''(বলেছিলাম) তোমরা ধরো
▶
مَآ
mā
(তা)যা
▶
ءَاتَيْنَـٰكُم
ātaynākum
তোমাদেরকে আমরা দিয়েছি
▶
بِقُوَّةٍۢ
biquwwatin
শক্তভাবে
▶
وَٱسْمَعُوا۟ ۖ
wa-is'maʿū
ও তোমরা শুনো''
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
سَمِعْنَا
samiʿ'nā
''আমরা শুনলাম
▶
وَعَصَيْنَا
waʿaṣaynā
কিন্তু আমরা অমান্য করলাম''
▶
وَأُشْرِبُوا۟
wa-ush'ribū
এবং সিঞ্চিত হয়েছিল
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
قُلُوبِهِمُ
qulūbihimu
তাদের অন্তরগুলোর
▶
ٱلْعِجْلَ
l-ʿij'la
গোবাছুর (পূজা)
▶
بِكُفْرِهِمْ ۚ
bikuf'rihim
অবিশ্বাসের কারণে তাদের
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
بِئْسَمَا
bi'samā
''কতই না নিকৃষ্ট
▶
يَأْمُرُكُم
yamurukum
তোমাদের নির্দেশ দেয়
▶
بِهِۦٓ
bihi
যার প্রতি
▶
إِيمَـٰنُكُمْ
īmānukum
তোমাদের ঈমান
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হয়ে থাক
▶
مُّؤْمِنِينَ
mu'minīna
মুমিন''
আয়াত 94 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ إِن كَانَتْ لَكُمُ ٱلدَّارُ ٱلْـَٔاخِرَةُ عِندَ ٱللَّهِ خَالِصَةًۭ مِّن دُونِ ٱلنَّاسِ فَتَمَنَّوُا۟ ٱلْمَوْتَ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ
বলে দিন, যদি আখেরাতের বাসস্থান আল্লাহর কাছে একমাত্র তোমাদের জন্যই বরাদ্দ হয়ে থাকে-অন্য লোকদের বাদ দিয়ে, তবে মৃত্যু কামনা কর, যদি সত্যবাদী হয়ে থাক।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
إِن
in
''যদি
▶
كَانَتْ
kānat
হয় (নির্দিষ্ট)
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্য
▶
ٱلدَّارُ
l-dāru
ঘর
▶
ٱلْـَٔاخِرَةُ
l-ākhiratu
আখিরাতের
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
خَالِصَةًۭ
khāliṣatan
কেবল (তোমাদেরই)
▶
مِّن
min
থেকে(দিয়ে)
▶
دُونِ
dūni
ব্যতীত(বাদ)
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
(সমগ্র)মানুষকে
▶
فَتَمَنَّوُا۟
fatamannawū
তোমরা তাহলে কামনা করো
▶
ٱلْمَوْتَ
l-mawta
মৃত্যুর
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হয়ে থাক
▶
صَـٰدِقِينَ
ṣādiqīna
সত্যবাদী''
আয়াত 95 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَن يَتَمَنَّوْهُ أَبَدًۢا بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ ۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌۢ بِٱلظَّـٰلِمِينَ
কস্মিনকালেও তারা মৃত্যু কামনা করবে না ঐসব গোনাহর কারণে, যা তাদের হাত পাঠিয়ে দিয়েছে। আল্লাহ গোনাহগারদের সম্পর্কে সম্যক অবগত রয়েছেন।
▶
وَلَن
walan
কিন্তু নিশ্চয়ই না
▶
يَتَمَنَّوْهُ
yatamannawhu
তা কামনা করবে তারা
▶
أَبَدًۢا
abadan
কখনও
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যা
▶
قَدَّمَتْ
qaddamat
আগে পাঠিয়েছে
▶
أَيْدِيهِمْ ۗ
aydīhim
তাদের হাত
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ্
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
খুবই অবহিত
▶
بِٱلظَّـٰلِمِينَ
bil-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘঙ্কারীদের সম্পর্কে
আয়াত 96 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَتَجِدَنَّهُمْ أَحْرَصَ ٱلنَّاسِ عَلَىٰ حَيَوٰةٍۢ وَمِنَ ٱلَّذِينَ أَشْرَكُوا۟ ۚ يَوَدُّ أَحَدُهُمْ لَوْ يُعَمَّرُ أَلْفَ سَنَةٍۢ وَمَا هُوَ بِمُزَحْزِحِهِۦ مِنَ ٱلْعَذَابِ أَن يُعَمَّرَ ۗ وَٱللَّهُ بَصِيرٌۢ بِمَا يَعْمَلُونَ
আপনি তাদেরকে জীবনের প্রতি সবার চাইতে, এমনকি মুশরিকদের চাইতেও অধিক লোভী দেখবেন। তাদের প্রত্যেকে কামনা করে, যেন হাজার বছর আয়ু পায়। অথচ এরূপ আয়ু প্রাপ্তি তাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহ দেখেন যা কিছু তারা করে।
▶
وَلَتَجِدَنَّهُمْ
walatajidannahum
এবং তোমরা অবশ্যই তাদেরকে পাবে
▶
أَحْرَصَ
aḥraṣa
অত্যধিক লোভী
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের মধ্যে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
প্রতি
▶
حَيَوٰةٍۢ
ḥayatin
বেঁচে থাকার
▶
وَمِنَ
wamina
এবং (তাদের) চেয়েও
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
أَشْرَكُوا۟ ۚ
ashrakū
শিরক করে
▶
يَوَدُّ
yawaddu
চায়
▶
أَحَدُهُمْ
aḥaduhum
তাদের প্রত্যেকে
▶
لَوْ
law
যদি
▶
يُعَمَّرُ
yuʿammaru
আয়ু দেয়া হত
▶
أَلْفَ
alfa
এক হাজার
▶
سَنَةٍۢ
sanatin
বছরের
▶
وَمَا
wamā
অথচ না
▶
هُوَ
huwa
তা (অর্থাৎ দীর্ঘায়ু)
▶
بِمُزَحْزِحِهِۦ
bimuzaḥziḥihi
তাকে টলাতে পারবে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তি
▶
أَن
an
যে
▶
يُعَمَّرَ ۗ
yuʿammara
আয়ু দেয়া হয়ও
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ্
▶
بَصِيرٌۢ
baṣīrun
খুব দেখেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয় যা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
তারা করছে
আয়াত 97 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ مَن كَانَ عَدُوًّۭا لِّجِبْرِيلَ فَإِنَّهُۥ نَزَّلَهُۥ عَلَىٰ قَلْبِكَ بِإِذْنِ ٱللَّهِ مُصَدِّقًۭا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَهُدًۭى وَبُشْرَىٰ لِلْمُؤْمِنِينَ
আপনি বলে দিন, যে কেউ জিবরাঈলের শত্রু হয়-যেহেতু তিনি আল্লাহর আদেশে এ কালাম আপনার অন্তরে নাযিল করেছেন, যা সত্যায়নকারী তাদের সম্মুখস্থ কালামের এবং মুমিনদের জন্য পথপ্রদর্শক ও সুসংবাদদাতা।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
مَن
man
''যে
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
عَدُوًّۭا
ʿaduwwan
শত্রু
▶
لِّجِبْرِيلَ
lijib'rīla
জিব্রাইলের (সে জেনে রাখুক)
▶
فَإِنَّهُۥ
fa-innahu
সে নিশ্চয়ই
▶
نَزَّلَهُۥ
nazzalahu
তা অবতীর্ণ করেছে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
قَلْبِكَ
qalbika
তোমার অন্তরে
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতি নিয়ে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
مُصَدِّقًۭا
muṣaddiqan
সত্যায়নকারী
▶
لِّمَا
limā
(তার জন্য) যা
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
يَدَيْهِ
yadayhi
তার সামনে (আছে)
▶
وَهُدًۭى
wahudan
এবং পথপ্রদর্শক
▶
وَبُشْرَىٰ
wabush'rā
ও সুসংবাদ
▶
لِلْمُؤْمِنِينَ
lil'mu'minīna
মুমিনদের জন্য''
আয়াত 98 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَن كَانَ عَدُوًّۭا لِّلَّهِ وَمَلَـٰٓئِكَتِهِۦ وَرُسُلِهِۦ وَجِبْرِيلَ وَمِيكَىٰلَ فَإِنَّ ٱللَّهَ عَدُوٌّۭ لِّلْكَـٰفِرِينَ
যে ব্যক্তি আল্লাহ তাঁর ফেরেশতা ও রসূলগণ এবং জিবরাঈল ও মিকাঈলের শত্রু হয়, নিশ্চিতই আল্লাহ সেসব কাফেরের শত্রু।
▶
مَن
man
যে
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
عَدُوًّۭا
ʿaduwwan
শত্রু
▶
لِّلَّهِ
lillahi
আল্লাহ্র জন্য
▶
وَمَلَـٰٓئِكَتِهِۦ
wamalāikatihi
ও তাঁর ফেরেশতাদের
▶
وَرُسُلِهِۦ
warusulihi
ও তার রাসূলদের
▶
وَجِبْرِيلَ
wajib'rīla
ও জীব্রাঈলের
▶
وَمِيكَىٰلَ
wamīkāla
ও মিকাঈলের
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই ফলে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্ (হবেন)
▶
عَدُوٌّۭ
ʿaduwwun
শত্রু
▶
لِّلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
(সেইসব) কাফিরদের জন্য
আয়াত 99 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ أَنزَلْنَآ إِلَيْكَ ءَايَـٰتٍۭ بَيِّنَـٰتٍۢ ۖ وَمَا يَكْفُرُ بِهَآ إِلَّا ٱلْفَـٰسِقُونَ
আমি আপনার প্রতি উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ করেছি। অবাধ্যরা ব্যতীত কেউ এগুলো অস্বীকার করে না।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
أَنزَلْنَآ
anzalnā
আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
ءَايَـٰتٍۭ
āyātin
আয়াত সমূহ
▶
بَيِّنَـٰتٍۢ ۖ
bayyinātin
সুস্পষ্ট
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَكْفُرُ
yakfuru
অস্বীকার করে
▶
بِهَآ
bihā
তার প্রতি
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
ٱلْفَـٰسِقُونَ
l-fāsiqūna
সত্যত্যাগী
আয়াত 100 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوَكُلَّمَا عَـٰهَدُوا۟ عَهْدًۭا نَّبَذَهُۥ فَرِيقٌۭ مِّنْهُم ۚ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ
কি আশ্চর্য, যখন তারা কোন অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়, তখন তাদের একদল তা ছুঁড়ে ফেলে, বরং অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।
▶
أَوَكُلَّمَا
awakullamā
এমন নয়কি যখনই
▶
عَـٰهَدُوا۟
ʿāhadū
তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে
▶
عَهْدًۭا
ʿahdan
কোন প্রতিশ্রুতি
▶
نَّبَذَهُۥ
nabadhahu
তা নিক্ষেপ করেছে
▶
فَرِيقٌۭ
farīqun
কোনো একদল
▶
مِّنْهُم ۚ
min'hum
তাদের মধ্য থেকে
▶
بَلْ
bal
বরং
▶
أَكْثَرُهُمْ
aktharuhum
তাদের অধিকাংশ
▶
لَا
lā
না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
বিশ্বাস করে
আয়াত 101 - সূরা البقرة: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَمَّا جَآءَهُمْ رَسُولٌۭ مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ مُصَدِّقٌۭ لِّمَا مَعَهُمْ نَبَذَ فَرِيقٌۭ مِّنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ كِتَـٰبَ ٱللَّهِ وَرَآءَ ظُهُورِهِمْ كَأَنَّهُمْ لَا يَعْلَمُونَ
যখন তাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রসূল আগমন করলেন-যিনি ঐ কিতাবের সত্যায়ন করেন, যা তাদের কাছে রয়েছে, তখন আহলে কেতাবদের একদল আল্লাহর গ্রন্থকে পশ্চাতে নিক্ষেপ করল-যেন তারা জানেই না।
▶
وَلَمَّا
walammā
এবং যখনই
▶
جَآءَهُمْ
jāahum
তাদের কাছে এসেছে
▶
رَسُولٌۭ
rasūlun
কোন রাসূল
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
কাছ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
مُصَدِّقٌۭ
muṣaddiqun
সত্যায়নকারী
▶
لِّمَا
limā
(তার জন্য) যা
▶
مَعَهُمْ
maʿahum
তাদের সাথে (আছে)
▶
نَبَذَ
nabadha
নিক্ষেপ করেছে
▶
فَرِيقٌۭ
farīqun
কোনো একদল
▶
مِّنَ
mina
(তাদের) মধ্য থেকে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
كِتَـٰبَ
kitāba
কিতাব
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَرَآءَ
warāa
পিছনে
▶
ظُهُورِهِمْ
ẓuhūrihim
তাদের পিঠের
▶
كَأَنَّهُمْ
ka-annahum
তারা যেন
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
তারা জানেই
আয়াত 102 - সূরা البقرة: 74 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱتَّبَعُوا۟ مَا تَتْلُوا۟ ٱلشَّيَـٰطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَـٰنَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَـٰنُ وَلَـٰكِنَّ ٱلشَّيَـٰطِينَ كَفَرُوا۟ يُعَلِّمُونَ ٱلنَّاسَ ٱلسِّحْرَ وَمَآ أُنزِلَ عَلَى ٱلْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَـٰرُوتَ وَمَـٰرُوتَ ۚ وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَآ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌۭ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِۦ بَيْنَ ٱلْمَرْءِ وَزَوْجِهِۦ ۚ وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِۦ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ ۚ وَلَقَدْ عَلِمُوا۟ لَمَنِ ٱشْتَرَىٰهُ مَا لَهُۥ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ مِنْ خَلَـٰقٍۢ ۚ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যদ্দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তদ্দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।
▶
وَٱتَّبَعُوا۟
wa-ittabaʿū
এবং তারা অনুসরণ করেছে
▶
مَا
mā
(তার) যা
▶
تَتْلُوا۟
tatlū
পাঠ করত
▶
ٱلشَّيَـٰطِينُ
l-shayāṭīnu
শয়তানরা
▶
عَلَىٰ
ʿalā
সম্পর্কে
▶
مُلْكِ
mul'ki
রাজত্বের
▶
سُلَيْمَـٰنَ ۖ
sulaymāna
সুলায়মানের
▶
وَمَا
wamā
আর না
▶
كَفَرَ
kafara
অবিশ্বাস করেছিল
▶
سُلَيْمَـٰنُ
sulaymānu
সুলাইমান
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱلشَّيَـٰطِينَ
l-shayāṭīna
শয়তানরা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অবিশ্বাস করেছিল
▶
يُعَلِّمُونَ
yuʿallimūna
(তারাই) শিখাত
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষদেরকে
▶
ٱلسِّحْرَ
l-siḥ'ra
জাদু
▶
وَمَآ
wamā
এবং (আয়ত্ত্ব করত) যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছিল
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمَلَكَيْنِ
l-malakayni
দুই ফেরেশতার
▶
بِبَابِلَ
bibābila
বাবেল (শহরে)
▶
هَـٰرُوتَ
hārūta
হারুত
▶
وَمَـٰرُوتَ ۚ
wamārūta
ও মারূত (নামের)
▶
وَمَا
wamā
অথচ না
▶
يُعَلِّمَانِ
yuʿallimāni
দুজনে শিখিয়েছে
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
أَحَدٍ
aḥadin
কাউকে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَقُولَآ
yaqūlā
দুজনে বলেছে
▶
إِنَّمَا
innamā
''মূলত
▶
نَحْنُ
naḥnu
আমরা
▶
فِتْنَةٌۭ
fit'natun
পরীক্ষা (মাত্র)
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
تَكْفُرْ ۖ
takfur
অবিশ্বাস করো''
▶
فَيَتَعَلَّمُونَ
fayataʿallamūna
তবুও তারা শিখে
▶
مِنْهُمَا
min'humā
তাদের দুজন থেকে
▶
مَا
mā
যা
▶
يُفَرِّقُونَ
yufarriqūna
তারা বিচ্ছেদ ঘটাত
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلْمَرْءِ
l-mari
পুরুষের (স্বামীর)
▶
وَزَوْجِهِۦ ۚ
wazawjihi
ও তার স্ত্রীর
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
هُم
hum
তারা
▶
بِضَآرِّينَ
biḍārrīna
ক্ষতি করতে পারত
▶
بِهِۦ
bihi
এ দিয়ে
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
أَحَدٍ
aḥadin
কাউকে
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতি নিয়ে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَيَتَعَلَّمُونَ
wayataʿallamūna
এবং তারা শিখে
▶
مَا
mā
(এমনকিছু) যা
▶
يَضُرُّهُمْ
yaḍurruhum
ক্ষতি করত তাদের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَنفَعُهُمْ ۚ
yanfaʿuhum
তাদের উপকার করত
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
عَلِمُوا۟
ʿalimū
তারা জেনেছিল
▶
لَمَنِ
lamani
অবশ্যই যে কেউ
▶
ٱشْتَرَىٰهُ
ish'tarāhu
তা কিনবে
▶
مَا
mā
নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতে
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
خَلَـٰقٍۢ ۚ
khalāqin
অংশ
▶
وَلَبِئْسَ
walabi'sa
এবং অবশ্যই কত নিকৃষ্ট
▶
مَا
mā
তা
▶
شَرَوْا۟
sharaw
বিনিময়ে তারা বিক্রি করে
▶
بِهِۦٓ
bihi
যার
▶
أَنفُسَهُمْ ۚ
anfusahum
তাদের জীবনকে
▶
لَوْ
law
যদি
▶
كَانُوا۟
kānū
(তারা)
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
তারা জানতো
আয়াত 103 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْ أَنَّهُمْ ءَامَنُوا۟ وَٱتَّقَوْا۟ لَمَثُوبَةٌۭ مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ خَيْرٌۭ ۖ لَّوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
যদি তারা ঈমান আনত এবং খোদাভীরু হত, তবে আল্লাহর কাছ থেকে উত্তম প্রতিদান পেত। যদি তারা জানত।
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
أَنَّهُمْ
annahum
তারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান আনত
▶
وَٱتَّقَوْا۟
wa-ittaqaw
এবং তাকওয়া অবলম্বন করত
▶
لَمَثُوبَةٌۭ
lamathūbatun
অবশ্যই পুরস্কার পেত
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
নিকট
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
خَيْرٌۭ ۖ
khayrun
উত্তম
▶
لَّوْ
law
যদি
▶
كَانُوا۟
kānū
(তারা)
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
তারা জানত
আয়াত 104 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَقُولُوا۟ رَٰعِنَا وَقُولُوا۟ ٱنظُرْنَا وَٱسْمَعُوا۟ ۗ وَلِلْكَـٰفِرِينَ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ
হে মুমিন গণ, তোমরা ‘রায়িনা’ বলো না-‘উনযুরনা’ বল এবং শুনতে থাক। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
''না
▶
تَقُولُوا۟
taqūlū
তোমরা বলো
▶
رَٰعِنَا
rāʿinā
''রায়িনা''
▶
وَقُولُوا۟
waqūlū
বরং তোমরা বলো
▶
ٱنظُرْنَا
unẓur'nā
''উনজুরনা''
▶
وَٱسْمَعُوا۟ ۗ
wa-is'maʿū
এবং তোমরা শুনো
▶
وَلِلْكَـٰفِرِينَ
walil'kāfirīna
এবং কাফিরদের জন্য (রয়েছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
নিদারুণ
আয়াত 105 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّا يَوَدُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ وَلَا ٱلْمُشْرِكِينَ أَن يُنَزَّلَ عَلَيْكُم مِّنْ خَيْرٍۢ مِّن رَّبِّكُمْ ۗ وَٱللَّهُ يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهِۦ مَن يَشَآءُ ۚ وَٱللَّهُ ذُو ٱلْفَضْلِ ٱلْعَظِيمِ
আহলে-কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে যারা কাফের, তাদের মনঃপুত নয় যে, তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি কোন কল্যাণ অবতীর্ণ হোক। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিশেষ ভাবে স্বীয় অনুগ্রহ দান করেন। আল্লাহ মহান অনুগ্রহদাতা।
▶
مَّا
mā
না
▶
يَوَدُّ
yawaddu
চায়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অবিশ্বাস করেছে
▶
مِنْ
min
মধ্য হতে
▶
أَهْلِ
ahli
আহলে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
ٱلْمُشْرِكِينَ
l-mush'rikīna
মুশরিকদের (মধ্য হতে)
▶
أَن
an
যে
▶
يُنَزَّلَ
yunazzala
অবতীর্ণ হোক
▶
عَلَيْكُم
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
مِّنْ
min
কোনো
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
কল্যাণ
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكُمْ ۗ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
কিন্তু আল্লাহ্
▶
يَخْتَصُّ
yakhtaṣṣu
বিশেষভাবে মনোনীত করেন
▶
بِرَحْمَتِهِۦ
biraḥmatihi
তার দয়া দিয়ে
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি চান
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ্
▶
ذُو
dhū
(একটি)
▶
ٱلْفَضْلِ
l-faḍli
অনুগ্রহের অধিকারী
▶
ٱلْعَظِيمِ
l-ʿaẓīmi
মহা
আয়াত 106 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ مَا نَنسَخْ مِنْ ءَايَةٍ أَوْ نُنسِهَا نَأْتِ بِخَيْرٍۢ مِّنْهَآ أَوْ مِثْلِهَآ ۗ أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ
আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান?
▶
۞ مَا
mā
যা
▶
نَنسَخْ
nansakh
আমরা রহিত করি
▶
مِنْ
min
(অর্থাৎ) কোনো
▶
ءَايَةٍ
āyatin
আয়াত
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
نُنسِهَا
nunsihā
তা আমরা ভুলিয়ে দিই
▶
نَأْتِ
nati
আনি আমরা
▶
بِخَيْرٍۢ
bikhayrin
উত্তম
▶
مِّنْهَآ
min'hā
তার চেয়ে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
مِثْلِهَآ ۗ
mith'lihā
তার অনুরূপ
▶
أَلَمْ
alam
নাকি
▶
تَعْلَمْ
taʿlam
তুমি জান
▶
أَنَّ
anna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
قَدِيرٌ
qadīrun
সর্বশক্তিমান
আয়াত 107 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ ٱللَّهَ لَهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۗ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ مِن وَلِىٍّۢ وَلَا نَصِيرٍ
তুমি কি জান না যে, আল্লাহর জন্যই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আধিপত্য? আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু ও সাহায্যকারী নেই।
▶
أَلَمْ
alam
নাকি
▶
تَعْلَمْ
taʿlam
তুমি জান
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্ (এমন যে)
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই জন্যে
▶
مُلْكُ
mul'ku
সার্বভৌমত্ব
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۗ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَمَا
wamā
এবং
▶
لَكُم
lakum
নেই তোমাদের জন্য
▶
مِّن
min
দিয়ে(থেকে)
▶
دُونِ
dūni
বাদ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্কে
▶
مِن
min
কোনো
▶
وَلِىٍّۢ
waliyyin
বন্ধু
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
نَصِيرٍ
naṣīrin
কোনো সাহায্যকারী
আয়াত 108 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ تُرِيدُونَ أَن تَسْـَٔلُوا۟ رَسُولَكُمْ كَمَا سُئِلَ مُوسَىٰ مِن قَبْلُ ۗ وَمَن يَتَبَدَّلِ ٱلْكُفْرَ بِٱلْإِيمَـٰنِ فَقَدْ ضَلَّ سَوَآءَ ٱلسَّبِيلِ
ইতিপূর্বে মূসা (আঃ) যেমন জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন, (মুসলমানগন, ) তোমরাও কি তোমাদের রসূলকে তেমনি প্রশ্ন করতে চাও? যে কেউ ঈমানের পরিবর্তে কুফর গ্রহন করে, সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।
▶
أَمْ
am
কি
▶
تُرِيدُونَ
turīdūna
তোমরা চাও
▶
أَن
an
যে
▶
تَسْـَٔلُوا۟
tasalū
প্রশ্ন করবে
▶
رَسُولَكُمْ
rasūlakum
তোমাদের রাসূলকে
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
سُئِلَ
su-ila
প্রশ্ন করা হয়েছিল
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসা
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلُ ۗ
qablu
পূর্বে
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَتَبَدَّلِ
yatabaddali
পরিবর্তন করল
▶
ٱلْكُفْرَ
l-kuf'ra
অবিশ্বাস
▶
بِٱلْإِيمَـٰنِ
bil-īmāni
ঈমানের বদলে
▶
فَقَدْ
faqad
নিশ্চয়ই
▶
ضَلَّ
ḍalla
সে হারাল
▶
سَوَآءَ
sawāa
সরল সোজা
▶
ٱلسَّبِيلِ
l-sabīli
পথ
আয়াত 109 - সূরা البقرة: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَدَّ كَثِيرٌۭ مِّنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ لَوْ يَرُدُّونَكُم مِّنۢ بَعْدِ إِيمَـٰنِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًۭا مِّنْ عِندِ أَنفُسِهِم مِّنۢ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمُ ٱلْحَقُّ ۖ فَٱعْفُوا۟ وَٱصْفَحُوا۟ حَتَّىٰ يَأْتِىَ ٱللَّهُ بِأَمْرِهِۦٓ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ
আহলে কিতাবদের অনেকেই প্রতিহিংসাবশতঃ চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদেরকে কোন রকমে কাফের বানিয়ে দেয়। তাদের কাছে সত্য প্রকাশিত হওয়ার পর (তারা এটা চায়)। যাক তোমরা আল্লাহর নির্দেশ আসা পর্যন্ত তাদের ক্ষমা কর এবং উপেক্ষা কর। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
▶
وَدَّ
wadda
কামনা করে
▶
كَثِيرٌۭ
kathīrun
অনেকে
▶
مِّنْ
min
মধ্য থেকে
▶
أَهْلِ
ahli
অধিকারীদের
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
لَوْ
law
যদি
▶
يَرُدُّونَكُم
yaruddūnakum
তোমাদের ফিরাতে পারত
▶
مِّنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পর
▶
إِيمَـٰنِكُمْ
īmānikum
তোমাদের ঈমানের
▶
كُفَّارًا
kuffāran
অবিশ্বাস
▶
حَسَدًۭا
ḥasadan
হিংসা বশত
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
عِندِ
ʿindi
কাছে
▶
أَنفُسِهِم
anfusihim
তাদের নিজেদের
▶
مِّنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
এরপর
▶
مَا
mā
যা
▶
تَبَيَّنَ
tabayyana
সুস্পষ্ট হয়েছে
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদের কাছে
▶
ٱلْحَقُّ ۖ
l-ḥaqu
প্রকৃত সত্য
▶
فَٱعْفُوا۟
fa-iʿ'fū
অতএব তোমরা ক্ষমা করো
▶
وَٱصْفَحُوا۟
wa-iṣ'faḥū
ও উপেক্ষা করো
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَأْتِىَ
yatiya
(ফায়সালা করে) দেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بِأَمْرِهِۦٓ ۗ
bi-amrihi
তাঁর নির্দেশ দিয়ে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
সর্বশক্তিমান
আয়াত 110 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُوا۟ ٱلزَّكَوٰةَ ۚ وَمَا تُقَدِّمُوا۟ لِأَنفُسِكُم مِّنْ خَيْرٍۢ تَجِدُوهُ عِندَ ٱللَّهِ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌۭ
তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত দাও। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয় আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন।
▶
وَأَقِيمُوا۟
wa-aqīmū
এবং তোমরা প্রতিষ্ঠা করো
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সলাত
▶
وَءَاتُوا۟
waātū
ও তোমরা আদায় করো
▶
ٱلزَّكَوٰةَ ۚ
l-zakata
যাকাত
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تُقَدِّمُوا۟
tuqaddimū
তোমরা আগে পাঠাবে
▶
لِأَنفُسِكُم
li-anfusikum
তোমাদের নিজেদের জন্য
▶
مِّنْ
min
কোনো
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
কল্যাণ
▶
تَجِدُوهُ
tajidūhu
তা তোমরা পাবে
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
بِمَا
bimā
ঐ ব্যাপারে
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা করছ
▶
بَصِيرٌۭ
baṣīrun
খুব দেখছেন
আয়াত 111 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوا۟ لَن يَدْخُلَ ٱلْجَنَّةَ إِلَّا مَن كَانَ هُودًا أَوْ نَصَـٰرَىٰ ۗ تِلْكَ أَمَانِيُّهُمْ ۗ قُلْ هَاتُوا۟ بُرْهَـٰنَكُمْ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ
ওরা বলে, ইহুদী অথবা খ্রীস্টান ব্যতীত কেউ জান্নাতে যাবে না। এটা ওদের মনের বাসনা। বলে দিন, তোমরা সত্যবাদী হলে, প্রমাণ উপস্থিত কর।
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলে
▶
لَن
lan
''কখনও না
▶
يَدْخُلَ
yadkhula
প্রবেশ করবে (অন্য কেউ)
▶
ٱلْجَنَّةَ
l-janata
জান্নাতে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
مَن
man
যে
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
هُودًا
hūdan
ইহুদী
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
نَصَـٰرَىٰ ۗ
naṣārā
খ্রিষ্টান''
▶
تِلْكَ
til'ka
এটা
▶
أَمَانِيُّهُمْ ۗ
amāniyyuhum
তাদের মিথ্যাআসা মাত্র
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
هَاتُوا۟
hātū
''তোমরা নিয়ে আস
▶
بُرْهَـٰنَكُمْ
bur'hānakum
তোমাদের প্রমাণ
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও
▶
صَـٰدِقِينَ
ṣādiqīna
সত্যবাদী''
আয়াত 112 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَلَىٰ مَنْ أَسْلَمَ وَجْهَهُۥ لِلَّهِ وَهُوَ مُحْسِنٌۭ فَلَهُۥٓ أَجْرُهُۥ عِندَ رَبِّهِۦ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
হাঁ, যে ব্যক্তি নিজেকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে সমর্পন করেছে এবং সে সৎকর্মশীলও বটে তার জন্য তার পালনকর্তার কাছে পুরস্কার বয়েছে। তাদের ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।
▶
بَلَىٰ
balā
তবে হ্যাঁ
▶
مَنْ
man
যে
▶
أَسْلَمَ
aslama
সঁপে দিয়েছে
▶
وَجْهَهُۥ
wajhahu
তার সত্তাকে
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহ্র জন্য
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং সে
▶
مُحْسِنٌۭ
muḥ'sinun
সত্যনিষ্ঠও
▶
فَلَهُۥٓ
falahu
তবে তার জন্য
▶
أَجْرُهُۥ
ajruhu
তার প্রতিফল (রয়েছে)
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِۦ
rabbihi
তার রবের
▶
وَلَا
walā
এবং না (আছে)
▶
خَوْفٌ
khawfun
কোনো ভয়
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের জন্য
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَحْزَنُونَ
yaḥzanūna
চিন্তা করবে
আয়াত 113 - সূরা البقرة: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَتِ ٱلْيَهُودُ لَيْسَتِ ٱلنَّصَـٰرَىٰ عَلَىٰ شَىْءٍۢ وَقَالَتِ ٱلنَّصَـٰرَىٰ لَيْسَتِ ٱلْيَهُودُ عَلَىٰ شَىْءٍۢ وَهُمْ يَتْلُونَ ٱلْكِتَـٰبَ ۗ كَذَٰلِكَ قَالَ ٱلَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ مِثْلَ قَوْلِهِمْ ۚ فَٱللَّهُ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ فِيمَا كَانُوا۟ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ
ইহুদীরা বলে, খ্রীস্টানরা কোন ভিত্তির উপরেই নয় এবং খ্রীস্টানরা বলে, ইহুদীরা কোন ভিত্তির উপরেই নয়। অথচ ওরা সবাই কিতাব পাঠ করে! এমনিভাবে যারা মূর্খ, তারাও ওদের মতই উক্তি করে। অতএব, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাদের মধ্যে ফয়সালা দেবেন, যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করছিল।
▶
وَقَالَتِ
waqālati
এবং বলে
▶
ٱلْيَهُودُ
l-yahūdu
ইহূদীরা
▶
لَيْسَتِ
laysati
''নেই
▶
ٱلنَّصَـٰرَىٰ
l-naṣārā
খ্রিষ্টানরা
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কোন কিছুর (প্রতিষ্ঠিত)''
▶
وَقَالَتِ
waqālati
এবং বলে
▶
ٱلنَّصَـٰرَىٰ
l-naṣārā
খ্রিষ্টানরা
▶
لَيْسَتِ
laysati
''নেই
▶
ٱلْيَهُودُ
l-yahūdu
ইহুদীরা
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কোন কিছুর (প্রতিষ্ঠিত)''
▶
وَهُمْ
wahum
অথচ তারা
▶
يَتْلُونَ
yatlūna
তিলাওয়াত করে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ ۗ
l-kitāba
কিতাব
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
قَالَ
qāla
(তারাও) বলে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
জানে (প্রকৃত সত্য)
▶
مِثْلَ
mith'la
মতো
▶
قَوْلِهِمْ ۚ
qawlihim
তাদের কথার
▶
فَٱللَّهُ
fal-lahu
অতএব আল্লাহ্
▶
يَحْكُمُ
yaḥkumu
মীমাংসা করবেন
▶
بَيْنَهُمْ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
فِيمَا
fīmā
সে বিষয়ে যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
فِيهِ
fīhi
সে ব্যাপারে
▶
يَخْتَلِفُونَ
yakhtalifūna
তারা মতবিরোধ করত
আয়াত 114 - সূরা البقرة: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن مَّنَعَ مَسَـٰجِدَ ٱللَّهِ أَن يُذْكَرَ فِيهَا ٱسْمُهُۥ وَسَعَىٰ فِى خَرَابِهَآ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَن يَدْخُلُوهَآ إِلَّا خَآئِفِينَ ۚ لَهُمْ فِى ٱلدُّنْيَا خِزْىٌۭ وَلَهُمْ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌۭ
যে ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় করতে চেষ্টা করে, তার চাইতে বড় যালেম আর কে? এদের পক্ষে মসজিদসমূহে প্রবেশ করা বিধেয় নয়, অবশ্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায়। ওদের জন্য ইহকালে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে।
▶
وَمَنْ
waman
এবং কে (আছে)
▶
أَظْلَمُ
aẓlamu
বড় সীমালঙ্ঘনকারী
▶
مِمَّن
mimman
তার চেয়ে যে
▶
مَّنَعَ
manaʿa
বাধা দেয়
▶
مَسَـٰجِدَ
masājida
মাসজিদে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
أَن
an
যে
▶
يُذْكَرَ
yudh'kara
স্মরণ করা
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
ٱسْمُهُۥ
us'muhu
তার নাম
▶
وَسَعَىٰ
wasaʿā
এবং সে চেষ্টা করে
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
خَرَابِهَآ ۚ
kharābihā
তার ধ্বংসের
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
مَا
mā
নয়
▶
كَانَ
kāna
(সঙ্গত) ছিল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য
▶
أَن
an
যে
▶
يَدْخُلُوهَآ
yadkhulūhā
তাতে প্রবেশ করবে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যে
▶
خَآئِفِينَ ۚ
khāifīna
ভীত হয়ে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য(রয়েছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পৃথিবীর
▶
خِزْىٌۭ
khiz'yun
লাঞ্ছনা
▶
وَلَهُمْ
walahum
ও তাদের জন্য(রয়েছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
عَظِيمٌۭ
ʿaẓīmun
কঠিন
আয়াত 115 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِلَّهِ ٱلْمَشْرِقُ وَٱلْمَغْرِبُ ۚ فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا۟ فَثَمَّ وَجْهُ ٱللَّهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ وَٰسِعٌ عَلِيمٌۭ
পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ।
▶
وَلِلَّهِ
walillahi
এবং আল্লাহরই জন্যে
▶
ٱلْمَشْرِقُ
l-mashriqu
পূর্ব
▶
وَٱلْمَغْرِبُ ۚ
wal-maghribu
ও পশ্চিম
▶
فَأَيْنَمَا
fa-aynamā
অতএব যে দিকেই
▶
تُوَلُّوا۟
tuwallū
মুখ ফিরাও তোমরা
▶
فَثَمَّ
fathamma
অতঃপর সেখানেই
▶
وَجْهُ
wajhu
দিক
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
وَٰسِعٌ
wāsiʿun
সর্বব্যাপী
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
সবকিছু জানেন
আয়াত 116 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوا۟ ٱتَّخَذَ ٱللَّهُ وَلَدًۭا ۗ سُبْحَـٰنَهُۥ ۖ بَل لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ كُلٌّۭ لَّهُۥ قَـٰنِتُونَ
তারা বলে, আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন। তিনি তো এসব কিছু থেকে পবিত্র, বরং নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সবই তার আজ্ঞাধীন।
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলে
▶
ٱتَّخَذَ
ittakhadha
''গ্রহণ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
وَلَدًۭا ۗ
waladan
সন্তান''
▶
سُبْحَـٰنَهُۥ ۖ
sub'ḥānahu
তিনি পবিত্র
▶
بَل
bal
বরং
▶
لَّهُۥ
lahu
(রয়েছে) তাঁর জন্যে
▶
مَا
mā
যাকিছু (আছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ সমূহের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۖ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
كُلٌّۭ
kullun
সবকিছুই
▶
لَّهُۥ
lahu
তাঁরই জন্য
▶
قَـٰنِتُونَ
qānitūna
অনুগত
আয়াত 117 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَدِيعُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ وَإِذَا قَضَىٰٓ أَمْرًۭا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ
তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, ‘হয়ে যাও’ তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়।
▶
بَدِيعُ
badīʿu
(তিনি) স্রষ্টা
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ সমূহের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۖ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قَضَىٰٓ
qaḍā
সিদ্ধান্ত করেন
▶
أَمْرًۭا
amran
কোনো কাজ (করার)
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
শুধুমাত্র
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলেন
▶
لَهُۥ
lahu
তার
▶
كُن
kun
''হও''
▶
فَيَكُونُ
fayakūnu
তখনই তা হয়ে যায়
আয়াত 118 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ ٱلَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ لَوْلَا يُكَلِّمُنَا ٱللَّهُ أَوْ تَأْتِينَآ ءَايَةٌۭ ۗ كَذَٰلِكَ قَالَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّثْلَ قَوْلِهِمْ ۘ تَشَـٰبَهَتْ قُلُوبُهُمْ ۗ قَدْ بَيَّنَّا ٱلْـَٔايَـٰتِ لِقَوْمٍۢ يُوقِنُونَ
যারা কিছু জানে না, তারা বলে, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে কেন কথা বলেন না? অথবা আমাদের কাছে কোন নিদর্শন কেন আসে না? এমনি ভাবে তাদের পূর্বে যারা ছিল তারাও তাদেরই অনুরূপ কথা বলেছে। তাদের অন্তর একই রকম। নিশ্চয় আমি উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করেছি তাদের জন্যে যারা প্রত্যয়শীল।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
জানে
▶
لَوْلَا
lawlā
''কেন না
▶
يُكَلِّمُنَا
yukallimunā
আমাদের সাথে কথা বলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تَأْتِينَآ
tatīnā
আমাদের কাছে আসে (না)
▶
ءَايَةٌۭ ۗ
āyatun
কোনো নিদর্শন''
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
قَالَ
qāla
বলেছিল
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা (ছিল)
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِهِم
qablihim
তাদের পূর্বে
▶
مِّثْلَ
mith'la
অনূরূপ
▶
قَوْلِهِمْ ۘ
qawlihim
তাদের কথার
▶
تَشَـٰبَهَتْ
tashābahat
সদৃশ হয়েছে
▶
قُلُوبُهُمْ ۗ
qulūbuhum
তাদের অন্তরসমুহ
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
بَيَّنَّا
bayyannā
বর্ণনা করেছি আমরা
▶
ٱلْـَٔايَـٰتِ
l-āyāti
নিদর্শন সমূহ
▶
لِقَوْمٍۢ
liqawmin
(সেই) সম্প্রদায়ের জন্য
▶
يُوقِنُونَ
yūqinūna
(যারা) বিশ্বাস করে
আয়াত 119 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّآ أَرْسَلْنَـٰكَ بِٱلْحَقِّ بَشِيرًۭا وَنَذِيرًۭا ۖ وَلَا تُسْـَٔلُ عَنْ أَصْحَـٰبِ ٱلْجَحِيمِ
নিশ্চয় আমি আপনাকে সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। আপনি দোযখবাসীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন না।
▶
إِنَّآ
innā
নিশ্চয়ই আমরা
▶
أَرْسَلْنَـٰكَ
arsalnāka
তোমাকে পাঠিয়েছি
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
সত্য দিয়ে
▶
بَشِيرًۭا
bashīran
সুসংবাদদাতা
▶
وَنَذِيرًۭا ۖ
wanadhīran
ও সতর্ককারী হিসাবে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُسْـَٔلُ
tus'alu
তোমাকে জিজ্ঞাসা করা হবে
▶
عَنْ
ʿan
সম্পর্কে
▶
أَصْحَـٰبِ
aṣḥābi
আধিবাসীদের
▶
ٱلْجَحِيمِ
l-jaḥīmi
জাহান্নামের
আয়াত 120 - সূরা البقرة: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَن تَرْضَىٰ عَنكَ ٱلْيَهُودُ وَلَا ٱلنَّصَـٰرَىٰ حَتَّىٰ تَتَّبِعَ مِلَّتَهُمْ ۗ قُلْ إِنَّ هُدَى ٱللَّهِ هُوَ ٱلْهُدَىٰ ۗ وَلَئِنِ ٱتَّبَعْتَ أَهْوَآءَهُم بَعْدَ ٱلَّذِى جَآءَكَ مِنَ ٱلْعِلْمِ ۙ مَا لَكَ مِنَ ٱللَّهِ مِن وَلِىٍّۢ وَلَا نَصِيرٍ
ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা কখনই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যে পর্যন্ত না আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ করেন। বলে দিন, যে পথ আল্লাহ প্রদর্শন করেন, তাই হল সরল পথ। যদি আপনি তাদের আকাঙ্খাসমূহের অনুসরণ করেন, ঐ জ্ঞান লাভের পর, যা আপনার কাছে পৌঁছেছে, তবে কেউ আল্লাহর কবল থেকে আপনার উদ্ধারকারী ও সাহায্যকারী নেই।
▶
وَلَن
walan
এবং কখনও না
▶
تَرْضَىٰ
tarḍā
খুশি হবে
▶
عَنكَ
ʿanka
তোমার প্রতি
▶
ٱلْيَهُودُ
l-yahūdu
ইহূদীরা
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
ٱلنَّصَـٰرَىٰ
l-naṣārā
খ্রিষ্টানরা
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
تَتَّبِعَ
tattabiʿa
তুমি অনুসরণ করবে
▶
مِلَّتَهُمْ ۗ
millatahum
তাদের ধর্মাদর্শ
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
إِنَّ
inna
''নিশ্চয়ই
▶
هُدَى
hudā
পথ নির্দেশনা
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
هُوَ
huwa
সেটাই
▶
ٱلْهُدَىٰ ۗ
l-hudā
সঠিক পথনির্দেশনা''
▶
وَلَئِنِ
wala-ini
এবং অবশ্যই যদি
▶
ٱتَّبَعْتَ
ittabaʿta
তুমি অনুসরণ কর
▶
أَهْوَآءَهُم
ahwāahum
তাদের খেয়ালখুশির
▶
بَعْدَ
baʿda
পরেও
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যা
▶
جَآءَكَ
jāaka
তোমার কাছে এসেছে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْعِلْمِ ۙ
l-ʿil'mi
(সঠিক) জ্ঞান
▶
مَا
mā
না
▶
لَكَ
laka
তোমার জন্য (পাবে)
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্ (বাঁচাতে)
▶
مِن
min
কোনো
▶
وَلِىٍّۢ
waliyyin
বন্ধু
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
نَصِيرٍ
naṣīrin
কোনো সাহায্যকারী
আয়াত 121 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ ءَاتَيْنَـٰهُمُ ٱلْكِتَـٰبَ يَتْلُونَهُۥ حَقَّ تِلَاوَتِهِۦٓ أُو۟لَـٰٓئِكَ يُؤْمِنُونَ بِهِۦ ۗ وَمَن يَكْفُرْ بِهِۦ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْخَـٰسِرُونَ
আমি যাদেরকে গ্রন্থ দান করেছি, তারা তা যথাযথভাবে পাঠ করে। তারাই তৎপ্রতি বিশ্বাস করে। আর যারা তা অবিশ্বাস করে, তারাই হবে ক্ষতিগ্রস্ত।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَاتَيْنَـٰهُمُ
ātaynāhumu
তাদের আমরা দিয়েছি
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
يَتْلُونَهُۥ
yatlūnahu
তা তারা তিলাওয়াত
▶
حَقَّ
ḥaqqa
যথোপযুক্ত
▶
تِلَاوَتِهِۦٓ
tilāwatihi
তার তিলাওয়াত
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
তারাই
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
ঈমান আনে
▶
بِهِۦ ۗ
bihi
এর উপর
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَكْفُرْ
yakfur
অস্বীকার করে
▶
بِهِۦ
bihi
তার প্রতি
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ঐসব (লোক) মূলত
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْخَـٰسِرُونَ
l-khāsirūna
ক্ষতিগ্রস্থ
আয়াত 122 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتِىَ ٱلَّتِىٓ أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ وَأَنِّى فَضَّلْتُكُمْ عَلَى ٱلْعَـٰلَمِينَ
হে বনী-ইসরাঈল! আমার অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। আমি তোমাদেরকে বিশ্বাবাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।
▶
يَـٰبَنِىٓ
yābanī
হে বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈল
▶
ٱذْكُرُوا۟
udh'kurū
তোমরা স্মরণ করো
▶
نِعْمَتِىَ
niʿ'matiya
আমার অনুগ্রহের(কথা)
▶
ٱلَّتِىٓ
allatī
যা
▶
أَنْعَمْتُ
anʿamtu
আমি অনুগ্রহ দিয়েছি
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَأَنِّى
wa-annī
ও আমি নিশ্চয়ই
▶
فَضَّلْتُكُمْ
faḍḍaltukum
তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
সারা বিশ্বের
আয়াত 123 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱتَّقُوا۟ يَوْمًۭا لَّا تَجْزِى نَفْسٌ عَن نَّفْسٍۢ شَيْـًۭٔا وَلَا يُقْبَلُ مِنْهَا عَدْلٌۭ وَلَا تَنفَعُهَا شَفَـٰعَةٌۭ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ
তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত হবে না, কারও কাছ থেকে বিনিময় গৃহীত হবে না, কার ও সুপারিশ ফলপ্রদ হবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত ও হবে না।
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
يَوْمًۭا
yawman
সেদিনের
▶
لَّا
lā
না
▶
تَجْزِى
tajzī
কাজে আসবে
▶
نَفْسٌ
nafsun
কোনো ব্যক্তি
▶
عَن
ʿan
জন্য
▶
نَّفْسٍۢ
nafsin
কোনো ব্যক্তির
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কিছুমাত্রও
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُقْبَلُ
yuq'balu
গ্রহণ করা হবে
▶
مِنْهَا
min'hā
তার থেকে
▶
عَدْلٌۭ
ʿadlun
কোনো বিনিময়
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَنفَعُهَا
tanfaʿuhā
তাকে উপকার দেবে
▶
شَفَـٰعَةٌۭ
shafāʿatun
কোনো সুপারিশ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يُنصَرُونَ
yunṣarūna
সাহায্যপ্রাপ্ত হবে
আয়াত 124 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَإِذِ ٱبْتَلَىٰٓ إِبْرَٰهِـۧمَ رَبُّهُۥ بِكَلِمَـٰتٍۢ فَأَتَمَّهُنَّ ۖ قَالَ إِنِّى جَاعِلُكَ لِلنَّاسِ إِمَامًۭا ۖ قَالَ وَمِن ذُرِّيَّتِى ۖ قَالَ لَا يَنَالُ عَهْدِى ٱلظَّـٰلِمِينَ
যখন ইব্রাহীমকে তাঁর পালনকর্তা কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষা করলেন, অতঃপর তিনি তা পূর্ণ করে দিলেন, তখন পালনকর্তা বললেন, আমি তোমাকে মানবজাতির নেতা করব। তিনি বললেন, আমার বংশধর থেকেও! তিনি বললেন আমার অঙ্গীকার অত্যাচারীদের পর্যন্ত পৌঁছাবে না।
▶
۞ وَإِذِ
wa-idhi
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
ٱبْتَلَىٰٓ
ib'talā
পরীক্ষা করেছিলেন
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমকে
▶
رَبُّهُۥ
rabbuhu
তার রব
▶
بِكَلِمَـٰتٍۢ
bikalimātin
কয়েকটা কথা দ্বারা
▶
فَأَتَمَّهُنَّ ۖ
fa-atammahunna
সে অতঃপর সেগুলো পূর্ণ করল
▶
قَالَ
qāla
(আল্লাহ্) বললেন
▶
إِنِّى
innī
''নিশ্চয়ই আমি
▶
جَاعِلُكَ
jāʿiluka
তোমাকে নিয়োগ করব
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
إِمَامًۭا ۖ
imāman
নেতা হিসাবে''
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
وَمِن
wamin
''এবং থেকেও
▶
ذُرِّيَّتِى ۖ
dhurriyyatī
আমার বংশধরদের''
▶
قَالَ
qāla
(আল্লাহ্) বললেন
▶
لَا
lā
''না
▶
يَنَالُ
yanālu
প্রযোজ্য হবে
▶
عَهْدِى
ʿahdī
আমার প্রতিশ্রুতি
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের (জন্য)''
আয়াত 125 - সূরা البقرة: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ جَعَلْنَا ٱلْبَيْتَ مَثَابَةًۭ لِّلنَّاسِ وَأَمْنًۭا وَٱتَّخِذُوا۟ مِن مَّقَامِ إِبْرَٰهِـۧمَ مُصَلًّۭى ۖ وَعَهِدْنَآ إِلَىٰٓ إِبْرَٰهِـۧمَ وَإِسْمَـٰعِيلَ أَن طَهِّرَا بَيْتِىَ لِلطَّآئِفِينَ وَٱلْعَـٰكِفِينَ وَٱلرُّكَّعِ ٱلسُّجُودِ
যখন আমি কা’বা গৃহকে মানুষের জন্যে সম্মিলন স্থল ও শান্তির আলয় করলাম, আর তোমরা ইব্রাহীমের দাঁড়ানোর জায়গাকে নামাযের জায়গা বানাও এবং আমি ইব্রাহীম ও ইসমাঈলকে আদেশ করলাম, তোমরা আমার গৃহকে তওয়াফকারী, অবস্থানকারী ও রুকু-সেজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখ।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
جَعَلْنَا
jaʿalnā
আমরা নির্দিষ্ট করেছলাম
▶
ٱلْبَيْتَ
l-bayta
(কাবা) ঘরকে
▶
مَثَابَةًۭ
mathābatan
মিলনকেন্দ্র
▶
لِّلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্যে
▶
وَأَمْنًۭا
wa-amnan
ও শাস্তির (জায়গা হিসেবে)
▶
وَٱتَّخِذُوا۟
wa-ittakhidhū
এবং (নির্দেশ দিলাম) তোমরা গ্রহণ করো
▶
مِن
min
থেকে
▶
مَّقَامِ
maqāmi
দাঁড়ানোর জায়গাকে
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
ইবরাহিমের
▶
مُصَلًّۭى ۖ
muṣallan
সলাতের জায়গা হিসেবে''
▶
وَعَهِدْنَآ
waʿahid'nā
এবং আমরা আদেশ করেছিলাম
▶
إِلَىٰٓ
ilā
প্রতি
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
وَإِسْمَـٰعِيلَ
wa-is'māʿīla
ও ইসমাঈলের (প্রতি)
▶
أَن
an
যে
▶
طَهِّرَا
ṭahhirā
''পবিত্র রাখো(উভয়ে)
▶
بَيْتِىَ
baytiya
আমার ঘরকে
▶
لِلطَّآئِفِينَ
lilṭṭāifīna
তওয়াফকারীদের জন্য
▶
وَٱلْعَـٰكِفِينَ
wal-ʿākifīna
ও ইতিকাফকারীদের
▶
وَٱلرُّكَّعِ
wal-rukaʿi
ও রুকুকারীদের
▶
ٱلسُّجُودِ
l-sujūdi
সিজদাকারীদের (জন্য)
আয়াত 126 - সূরা البقرة: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَالَ إِبْرَٰهِـۧمُ رَبِّ ٱجْعَلْ هَـٰذَا بَلَدًا ءَامِنًۭا وَٱرْزُقْ أَهْلَهُۥ مِنَ ٱلثَّمَرَٰتِ مَنْ ءَامَنَ مِنْهُم بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ ۖ قَالَ وَمَن كَفَرَ فَأُمَتِّعُهُۥ قَلِيلًۭا ثُمَّ أَضْطَرُّهُۥٓ إِلَىٰ عَذَابِ ٱلنَّارِ ۖ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ
যখন ইব্রাহীম বললেন, পরওয়ারদেগার! এ স্থানকে তুমি শান্তিধান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে, তাদেরকে ফলের দ্বারা রিযিক দান কর। বললেনঃ যারা অবিশ্বাস করে, আমি তাদেরও কিছুদিন ফায়দা ভোগ করার সুযোগ দেব, অতঃপর তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের আযাবে ঠেলে দেবো; সেটা নিকৃষ্ট বাসস্থান।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিল
▶
إِبْرَٰهِـۧمُ
ib'rāhīmu
ইবরাহীম
▶
رَبِّ
rabbi
''হে আমার রব
▶
ٱجْعَلْ
ij'ʿal
বানাও
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই
▶
بَلَدًا
baladan
নগরকে
▶
ءَامِنًۭا
āminan
নিরাপদ
▶
وَٱرْزُقْ
wa-ur'zuq
ও জীবিকা দাও
▶
أَهْلَهُۥ
ahlahu
তার অধিবাসীদের
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلثَّمَرَٰتِ
l-thamarāti
(সব রকমের) ফলমূল
▶
مَنْ
man
যে কেউ
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান আনবে
▶
مِنْهُم
min'hum
তাদের মধ্য থেকে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহ্র উপরই
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনে
▶
ٱلْـَٔاخِرِ ۖ
l-ākhiri
আখিরাতের''
▶
قَالَ
qāla
(আল্লাহ্) বললেন
▶
وَمَن
waman
''আর যে কেউ
▶
كَفَرَ
kafara
অবিশ্বাস করবে
▶
فَأُمَتِّعُهُۥ
fa-umattiʿuhu
তাকেও উপভোগ করাব
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
কিছুদিন পর্যন্ত
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
أَضْطَرُّهُۥٓ
aḍṭarruhu
তাকে আমি বাধ্য করব
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
عَذَابِ
ʿadhābi
শাস্তির
▶
ٱلنَّارِ ۖ
l-nāri
আগুনের
▶
وَبِئْسَ
wabi'sa
এবং (তা) অতি নিকৃষ্ট
▶
ٱلْمَصِيرُ
l-maṣīru
স্থান
আয়াত 127 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَٰهِـۧمُ ٱلْقَوَاعِدَ مِنَ ٱلْبَيْتِ وَإِسْمَـٰعِيلُ رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّآ ۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ
স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (স্মরণ করো) যখন
▶
يَرْفَعُ
yarfaʿu
উঠায়
▶
إِبْرَٰهِـۧمُ
ib'rāhīmu
ইবরাহীম
▶
ٱلْقَوَاعِدَ
l-qawāʿida
প্রাচীর বা ভিত্তি
▶
مِنَ
mina
এর
▶
ٱلْبَيْتِ
l-bayti
(কাবা) ঘর
▶
وَإِسْمَـٰعِيلُ
wa-is'māʿīlu
ও ইসমাঈল
▶
رَبَّنَا
rabbanā
(তারা বলেছিল) হে আমাদের রব
▶
تَقَبَّلْ
taqabbal
প্রহন করো
▶
مِنَّآ ۖ
minnā
আমাদের থেকে (এ কাজ)
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
ٱلسَّمِيعُ
l-samīʿu
শ্রবণকারী
▶
ٱلْعَلِيمُ
l-ʿalīmu
সবকিছু জ্ঞাত
আয়াত 128 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَا وَٱجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَآ أُمَّةًۭ مُّسْلِمَةًۭ لَّكَ وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَآ ۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلتَّوَّابُ ٱلرَّحِيمُ
পরওয়ারদেগার! আমাদের উভয়কে তোমার আজ্ঞাবহ কর এবং আমাদের বংশধর থেকেও একটি অনুগত দল সৃষ্টি কর, আমাদের হজ্বের রীতিনীতি বলে দাও এবং আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয় তুমি তওবা কবুলকারী। দয়ালু।
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
وَٱجْعَلْنَا
wa-ij'ʿalnā
এবং আমাদেরকে বানাও
▶
مُسْلِمَيْنِ
mus'limayni
উভয়কে অনুগত
▶
لَكَ
laka
তোমারই জন্য
▶
وَمِن
wamin
এবং মধ্যে হতেও
▶
ذُرِّيَّتِنَآ
dhurriyyatinā
আমাদের বংশধরদের
▶
أُمَّةًۭ
ummatan
একটি জাতি (বানাও)
▶
مُّسْلِمَةًۭ
mus'limatan
অনুগত
▶
لَّكَ
laka
তোমারই
▶
وَأَرِنَا
wa-arinā
এবং আমাদেরকে দেখাও
▶
مَنَاسِكَنَا
manāsikanā
আমাদের ইবাদাতের নিয়মপদ্ধতি
▶
وَتُبْ
watub
এবং ক্ষমাশীল হও
▶
عَلَيْنَآ ۖ
ʿalaynā
আমাদের উপর
▶
إِنَّكَ
innaka
নিশ্চয়ই তুমি
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
ٱلتَّوَّابُ
l-tawābu
ক্ষমাশীল
▶
ٱلرَّحِيمُ
l-raḥīmu
পরমদয়ালু
আয়াত 129 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَا وَٱبْعَثْ فِيهِمْ رَسُولًۭا مِّنْهُمْ يَتْلُوا۟ عَلَيْهِمْ ءَايَـٰتِكَ وَيُعَلِّمُهُمُ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَيُزَكِّيهِمْ ۚ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
হে পরওয়ারদেগার! তাদের মধ্যে থেকেই তাদের নিকট একজন পয়গম্বর প্রেরণ করুণ যিনি তাদের কাছে তোমার আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করবেন, তাদেরকে কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দিবেন। এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয় তুমিই পরাক্রমশালী হেকমতওয়ালা।
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
وَٱبْعَثْ
wa-ib'ʿath
এবং পাঠাও
▶
فِيهِمْ
fīhim
তাদের মাঝে
▶
رَسُولًۭا
rasūlan
একজন রাসূল
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
يَتْلُوا۟
yatlū
সে তিলাওাত করবে
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের কাছে
▶
ءَايَـٰتِكَ
āyātika
তোমার আয়াতগুলোকে
▶
وَيُعَلِّمُهُمُ
wayuʿallimuhumu
এবং তাদের সে শিখাবে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْحِكْمَةَ
wal-ḥik'mata
ও প্রজ্ঞা
▶
وَيُزَكِّيهِمْ ۚ
wayuzakkīhim
ও তাদের পরিশুদ্ধ করবে
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
মহাবিজ্ঞ''
আয়াত 130 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَرْغَبُ عَن مِّلَّةِ إِبْرَٰهِـۧمَ إِلَّا مَن سَفِهَ نَفْسَهُۥ ۚ وَلَقَدِ ٱصْطَفَيْنَـٰهُ فِى ٱلدُّنْيَا ۖ وَإِنَّهُۥ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ لَمِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ
ইব্রাহীমের ধর্ম থেকে কে মুখ ফেরায়? কিন্তু সে ব্যক্তি, যে নিজেকে বোকা প্রতিপন্ন করে। নিশ্চয়ই আমি তাকে পৃথিবীতে মনোনীত করেছি এবং সে পরকালে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।
▶
وَمَن
waman
আর কে
▶
يَرْغَبُ
yarghabu
মুখ ফেরাবে
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
مِّلَّةِ
millati
দীন
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
مَن
man
যে
▶
سَفِهَ
safiha
নির্বোধ বানিয়েছে
▶
نَفْسَهُۥ ۚ
nafsahu
তার নিজেকে
▶
وَلَقَدِ
walaqadi
এবং নিশ্চয়ই
▶
ٱصْطَفَيْنَـٰهُ
iṣ'ṭafaynāhu
তাকে আমরা মনোনীত করেছি
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا ۖ
l-dun'yā
পৃথিবীর
▶
وَإِنَّهُۥ
wa-innahu
এবং সে নিশ্চয়ই(হবে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতের''
▶
لَمِنَ
lamina
অন্তর্ভুক্ত অবশ্যই
▶
ٱلصَّـٰلِحِينَ
l-ṣāliḥīna
সৎলোকদের
আয়াত 131 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ قَالَ لَهُۥ رَبُّهُۥٓ أَسْلِمْ ۖ قَالَ أَسْلَمْتُ لِرَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ
স্মরণ কর, যখন তাকে তার পালনকর্তা বললেনঃ অনুগত হও। সে বললঃ আমি বিশ্বপালকের অনুগত হলাম।
▶
إِذْ
idh
(সে ছিল এমন যে) যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিলেন
▶
لَهُۥ
lahu
তার
▶
رَبُّهُۥٓ
rabbuhu
তার রব
▶
أَسْلِمْ ۖ
aslim
''তুমি আত্মসমর্পণ করো''
▶
قَالَ
qāla
সে বলেছিল
▶
أَسْلَمْتُ
aslamtu
''আমি আত্মসমর্পণ করলাম
▶
لِرَبِّ
lirabbi
রবের কাছে
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
জগতের''
আয়াত 132 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَوَصَّىٰ بِهَآ إِبْرَٰهِـۧمُ بَنِيهِ وَيَعْقُوبُ يَـٰبَنِىَّ إِنَّ ٱللَّهَ ٱصْطَفَىٰ لَكُمُ ٱلدِّينَ فَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ
এরই ওছিয়ত করেছে ইব্রাহীম তার সন্তানদের এবং ইয়াকুবও যে, হে আমার সন্তানগণ, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য এ ধর্মকে মনোনীত করেছেন। কাজেই তোমরা মুসলমান না হয়ে কখনও মৃত্যুবরণ করো না।
▶
وَوَصَّىٰ
wawaṣṣā
এবং জোর নির্দেশ দিয়েছিল
▶
بِهَآ
bihā
এ সম্বন্ধে
▶
إِبْرَٰهِـۧمُ
ib'rāhīmu
ইবরাহীম
▶
بَنِيهِ
banīhi
তার সন্তানদেরকে
▶
وَيَعْقُوبُ
wayaʿqūbu
এবং ইয়াকুবও
▶
يَـٰبَنِىَّ
yābaniyya
''(সে বলেছিল) হে আমার সন্তানেরা
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
ٱصْطَفَىٰ
iṣ'ṭafā
মনোনীত করেছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্য
▶
ٱلدِّينَ
l-dīna
(এই) দীনকে
▶
فَلَا
falā
না অতএব
▶
تَمُوتُنَّ
tamūtunna
তোমরা মৃত্যুবরণ করো
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
وَأَنتُم
wa-antum
তোমরা যখন
▶
مُّسْلِمُونَ
mus'limūna
আত্মসমর্পণকারী হবে''
আয়াত 133 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ كُنتُمْ شُهَدَآءَ إِذْ حَضَرَ يَعْقُوبَ ٱلْمَوْتُ إِذْ قَالَ لِبَنِيهِ مَا تَعْبُدُونَ مِنۢ بَعْدِى قَالُوا۟ نَعْبُدُ إِلَـٰهَكَ وَإِلَـٰهَ ءَابَآئِكَ إِبْرَٰهِـۧمَ وَإِسْمَـٰعِيلَ وَإِسْحَـٰقَ إِلَـٰهًۭا وَٰحِدًۭا وَنَحْنُ لَهُۥ مُسْلِمُونَ
তোমরা কি উপস্থিত ছিলে, যখন ইয়াকুবের মৃত্যু নিকটবর্তী হয়? যখন সে সন্তানদের বললঃ আমার পর তোমরা কার এবাদত করবে? তারা বললো, আমরা তোমার পিতৃ-পুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্যের এবাদত করব। তিনি একক উপাস্য।
▶
أَمْ
am
অথবা (কি)
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা ছিলে
▶
شُهَدَآءَ
shuhadāa
উপস্থিত
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
حَضَرَ
ḥaḍara
উপস্থিত হয়েছিল
▶
يَعْقُوبَ
yaʿqūba
ইয়াকুবের
▶
ٱلْمَوْتُ
l-mawtu
মৃত্যু
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
قَالَ
qāla
সে বলেছিল
▶
لِبَنِيهِ
libanīhi
তার পুত্রদের উদ্দেশ্য
▶
مَا
mā
''কার
▶
تَعْبُدُونَ
taʿbudūna
তোমরা উপাসনা করবে
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِى
baʿdī
আমার পর''
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
نَعْبُدُ
naʿbudu
''ইবাদাত করব আমরা
▶
إِلَـٰهَكَ
ilāhaka
তোমার ইলাহকে
▶
وَإِلَـٰهَ
wa-ilāha
এবং ইলাহ
▶
ءَابَآئِكَ
ābāika
তোমার পূর্ব পুরুষের
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
(অর্থাৎ) ইবরাহীমের
▶
وَإِسْمَـٰعِيلَ
wa-is'māʿīla
ও ইসমাঈলের
▶
وَإِسْحَـٰقَ
wa-is'ḥāqa
ও ইসহাকের (ইলাহকে)
▶
إِلَـٰهًۭا
ilāhan
(যিনি) ইলাহ
▶
وَٰحِدًۭا
wāḥidan
একই
▶
وَنَحْنُ
wanaḥnu
এবং আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই কাছে
▶
مُسْلِمُونَ
mus'limūna
আত্মসমর্পণকারী''
আয়াত 134 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تِلْكَ أُمَّةٌۭ قَدْ خَلَتْ ۖ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُم مَّا كَسَبْتُمْ ۖ وَلَا تُسْـَٔلُونَ عَمَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ
আমরা সবাই তাঁর আজ্ঞাবহ। তারা ছিল এক সম্প্রদায়-যারা গত হয়ে গেছে। তারা যা করেছে, তা তাদেরই জন্যে। তারা কি করত, সে সম্পর্কে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে না।
▶
تِلْكَ
til'ka
সেই
▶
أُمَّةٌۭ
ummatun
জাতি
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
خَلَتْ ۖ
khalat
গত হয়েছে
▶
لَهَا
lahā
তার জন্য(আছে)
▶
مَا
mā
যা
▶
كَسَبَتْ
kasabat
সে অর্জন করেছে
▶
وَلَكُم
walakum
আর তোমাদের জন্য(আছে)
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَسَبْتُمْ ۖ
kasabtum
তোমরা অর্জন করেছ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُسْـَٔلُونَ
tus'alūna
তোমাদের প্রশ্ন করা হবে
▶
عَمَّا
ʿammā
সে সম্পর্কে যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
তারা কাজ করছিল
আয়াত 135 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوا۟ كُونُوا۟ هُودًا أَوْ نَصَـٰرَىٰ تَهْتَدُوا۟ ۗ قُلْ بَلْ مِلَّةَ إِبْرَٰهِـۧمَ حَنِيفًۭا ۖ وَمَا كَانَ مِنَ ٱلْمُشْرِكِينَ
তারা বলে, তোমরা ইহুদী অথবা খ্রীষ্টান হয়ে যাও, তবেই সুপথ পাবে। আপনি বলুন, কখনই নয়; বরং আমরা ইব্রাহীমের ধর্মে আছি যাতে বক্রতা নেই। সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলে
▶
كُونُوا۟
kūnū
''তোমরা হও
▶
هُودًا
hūdan
ইহুদী
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
نَصَـٰرَىٰ
naṣārā
খ্রিষ্টান
▶
تَهْتَدُوا۟ ۗ
tahtadū
তোমরা সঠিক পথ পাবে''
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
بَلْ
bal
''(না তা নয়) বরং
▶
مِلَّةَ
millata
(গ্রহণ কর) দীনকে
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
حَنِيفًۭا ۖ
ḥanīfan
একনিষ্ঠভাবে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
সেছিল
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْمُشْرِكِينَ
l-mush'rikīna
মুশরিকদের''
আয়াত 136 - সূরা البقرة: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُولُوٓا۟ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَآ أُنزِلَ إِلَىٰٓ إِبْرَٰهِـۧمَ وَإِسْمَـٰعِيلَ وَإِسْحَـٰقَ وَيَعْقُوبَ وَٱلْأَسْبَاطِ وَمَآ أُوتِىَ مُوسَىٰ وَعِيسَىٰ وَمَآ أُوتِىَ ٱلنَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍۢ مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُۥ مُسْلِمُونَ
তোমরা বল, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের প্রতি এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তদীয় বংশধরের প্রতি এবং মূসা, ঈসা, অন্যান্য নবীকে পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা দান করা হয়েছে, তৎসমুদয়ের উপর। আমরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করি না। আমরা তাঁরই আনুগত্যকারী।
▶
قُولُوٓا۟
qūlū
(হে মুসলমান) তোমরা বলো
▶
ءَامَنَّا
āmannā
''আমরা ঈমান এনেছি
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহ্র উপর
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছে
▶
إِلَيْنَا
ilaynā
আমাদের প্রতি
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছে
▶
إِلَىٰٓ
ilā
প্রতি
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের
▶
وَإِسْمَـٰعِيلَ
wa-is'māʿīla
ও ইসমাঈলের
▶
وَإِسْحَـٰقَ
wa-is'ḥāqa
ও ইসহাকের
▶
وَيَعْقُوبَ
wayaʿqūba
ও ইয়াকুবের
▶
وَٱلْأَسْبَاطِ
wal-asbāṭi
ও (তাদের) বংশধরদের (উপর)
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أُوتِىَ
ūtiya
দেওয়া হয়েছে
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসাকে
▶
وَعِيسَىٰ
waʿīsā
ও ঈসাকে
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أُوتِىَ
ūtiya
দেয়া হয়েছে
▶
ٱلنَّبِيُّونَ
l-nabiyūna
নবীদেরকে
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
لَا
lā
না
▶
نُفَرِّقُ
nufarriqu
আমরা পার্থক্য করি
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
أَحَدٍۢ
aḥadin
কারো
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
وَنَحْنُ
wanaḥnu
এবং আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই কাছে
▶
مُسْلِمُونَ
mus'limūna
আত্মসমর্পণকারী (মুসলিম) হয়েছি''
আয়াত 137 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِنْ ءَامَنُوا۟ بِمِثْلِ مَآ ءَامَنتُم بِهِۦ فَقَدِ ٱهْتَدَوا۟ ۖ وَّإِن تَوَلَّوْا۟ فَإِنَّمَا هُمْ فِى شِقَاقٍۢ ۖ فَسَيَكْفِيكَهُمُ ٱللَّهُ ۚ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ
অতএব তারা যদি ঈমান আনে, তোমাদের ঈমান আনার মত, তবে তারা সুপথ পাবে। আর যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তারাই হঠকারিতায় রয়েছে। সুতরাং এখন তাদের জন্যে আপনার পক্ষ থেকে আল্লাহই যথেষ্ট। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।
▶
فَإِنْ
fa-in
অতএব যদি
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
তারা ঈমান আনে
▶
بِمِثْلِ
bimith'li
অনুরূপ
▶
مَآ
mā
যেমন
▶
ءَامَنتُم
āmantum
তোমরা ঈমান এনেছ
▶
بِهِۦ
bihi
তার উপর
▶
فَقَدِ
faqadi
তবে নিশ্চয়ই
▶
ٱهْتَدَوا۟ ۖ
ih'tadaw
তারা সঠিক পথ পাবে
▶
وَّإِن
wa-in
আর যদি
▶
تَوَلَّوْا۟
tawallaw
তারা মুখ ফিরায়ে নেয়
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
তবে প্রকৃতপক্ষে
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
فِى
fī
মধ্যে (লিপ্ত)
▶
شِقَاقٍۢ ۖ
shiqāqin
বিরোধের
▶
فَسَيَكْفِيكَهُمُ
fasayakfīkahumu
সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে তোমার জন্য যথেষ্ট
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহই
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
ٱلسَّمِيعُ
l-samīʿu
সবকিছু শোনেন
▶
ٱلْعَلِيمُ
l-ʿalīmu
সবকিছু জানেন
আয়াত 138 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
صِبْغَةَ ٱللَّهِ ۖ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ ٱللَّهِ صِبْغَةًۭ ۖ وَنَحْنُ لَهُۥ عَـٰبِدُونَ
আমরা আল্লাহর রং গ্রহণ করেছি। আল্লাহর রং এর চাইতে উত্তম রং আর কার হতে পারে?আমরা তাঁরই এবাদত করি।
▶
صِبْغَةَ
ṣib'ghata
(গ্রহণ কর) রং (অর্থাৎ দীন)
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَمَنْ
waman
এবং কে (আছে)
▶
أَحْسَنُ
aḥsanu
বেশী
▶
مِنَ
mina
চেয়ে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
صِبْغَةًۭ ۖ
ṣib'ghatan
রঙে
▶
وَنَحْنُ
wanaḥnu
এবং আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই
▶
عَـٰبِدُونَ
ʿābidūna
ইবাদাতকারী
আয়াত 139 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ أَتُحَآجُّونَنَا فِى ٱللَّهِ وَهُوَ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ وَلَنَآ أَعْمَـٰلُنَا وَلَكُمْ أَعْمَـٰلُكُمْ وَنَحْنُ لَهُۥ مُخْلِصُونَ
আপনি বলে দিন, তোমরা কি আমাদের সাথে আল্লাহ সম্পর্কে তর্ক করছ? অথচ তিনিই আমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের ও পালনকর্তা। আমাদের জন্যে আমাদের কর্ম তোমাদের জন্যে তোমাদের কর্ম। এবং আমরা তাঁরই প্রতি একনিষ্ঠ।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
أَتُحَآجُّونَنَا
atuḥājjūnanā
''আমাদের সাথে কি তর্ক করছ
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَهُوَ
wahuwa
অথচ তিনি
▶
رَبُّنَا
rabbunā
আমাদের রব
▶
وَرَبُّكُمْ
warabbukum
ও তোমাদের রব
▶
وَلَنَآ
walanā
এবং আমাদের জন্য
▶
أَعْمَـٰلُنَا
aʿmālunā
আমাদের কাজ
▶
وَلَكُمْ
walakum
ও তোমাদের জন্য
▶
أَعْمَـٰلُكُمْ
aʿmālukum
তোমাদের কাজ
▶
وَنَحْنُ
wanaḥnu
এবং আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই
▶
مُخْلِصُونَ
mukh'liṣūna
একনিষ্ঠভাবে (দাসত্বকারী)
আয়াত 140 - সূরা البقرة: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ تَقُولُونَ إِنَّ إِبْرَٰهِـۧمَ وَإِسْمَـٰعِيلَ وَإِسْحَـٰقَ وَيَعْقُوبَ وَٱلْأَسْبَاطَ كَانُوا۟ هُودًا أَوْ نَصَـٰرَىٰ ۗ قُلْ ءَأَنتُمْ أَعْلَمُ أَمِ ٱللَّهُ ۗ وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن كَتَمَ شَهَـٰدَةً عِندَهُۥ مِنَ ٱللَّهِ ۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَـٰفِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
অথবা তোমরা কি বলছ যে, নিশ্চয়ই ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব (আঃ) ও তাদের সন্তানগন ইহুদী অথবা খ্রীষ্টান ছিলেন? আপনি বলে দিন, তোমরা বেশী জান, না আল্লাহ বেশী জানেন?
▶
أَمْ
am
অথবা (কি)
▶
تَقُولُونَ
taqūlūna
তোমরা বল
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীম
▶
وَإِسْمَـٰعِيلَ
wa-is'māʿīla
ও ইসমাঈল
▶
وَإِسْحَـٰقَ
wa-is'ḥāqa
ও ইসহাক
▶
وَيَعْقُوبَ
wayaʿqūba
ও ইয়াকুব
▶
وَٱلْأَسْبَاطَ
wal-asbāṭa
এবং (তাদের) বংশধর
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
هُودًا
hūdan
ইহুদী
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
نَصَـٰرَىٰ ۗ
naṣārā
খ্রিষ্টান''
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
ءَأَنتُمْ
a-antum
''তোমরা কি
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
বেশি জান
▶
أَمِ
ami
অথবা
▶
ٱللَّهُ ۗ
l-lahu
আল্লাহ্ (বেশি জানেন)''
▶
وَمَنْ
waman
এবং কে
▶
أَظْلَمُ
aẓlamu
বড় সীমালঙ্ঘনকারী
▶
مِمَّن
mimman
তার চেয়ে যে
▶
كَتَمَ
katama
গোপন করে
▶
شَهَـٰدَةً
shahādatan
একটি সাক্ষ্য (বা প্রমাণ)
▶
عِندَهُۥ
ʿindahu
(যা আছে) তার কাছে
▶
مِنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بِغَـٰفِلٍ
bighāfilin
উদাসীন
▶
عَمَّا
ʿammā
সে সম্পর্কে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ
আয়াত 141 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تِلْكَ أُمَّةٌۭ قَدْ خَلَتْ ۖ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُم مَّا كَسَبْتُمْ ۖ وَلَا تُسْـَٔلُونَ عَمَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ
তার চাইতে অত্যাচারী কে, যে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার কাছে প্রমাণিত সাক্ষ্যকে গোপন করে? আল্লাহ তোমাদের কর্ম সম্পর্কে বেখবর নন। সে সম্প্রদায় অতীত হয়ে গেছে। তারা যা করেছে, তা তাদের জন্যে এবং তোমরা যা করছ, তা তোমাদের জন্যে। তাদের কর্ম সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞেস করা হবে না।
▶
تِلْكَ
til'ka
সেই
▶
أُمَّةٌۭ
ummatun
জাতি
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
خَلَتْ ۖ
khalat
অতীত হয়েছে তা
▶
لَهَا
lahā
তার জন্য(আছে)
▶
مَا
mā
যা
▶
كَسَبَتْ
kasabat
সে উপার্জন করেছে
▶
وَلَكُم
walakum
এবং তোমাদের জন্য
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَسَبْتُمْ ۖ
kasabtum
তোমরা উপার্জন করেছ
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُسْـَٔلُونَ
tus'alūna
তোমাদের প্রশ্ন করা হবে
▶
عَمَّا
ʿammā
সে সম্পর্কে যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
তারা কাজ করতে
আয়াত 142 - সূরা البقرة: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ سَيَقُولُ ٱلسُّفَهَآءُ مِنَ ٱلنَّاسِ مَا وَلَّىٰهُمْ عَن قِبْلَتِهِمُ ٱلَّتِى كَانُوا۟ عَلَيْهَا ۚ قُل لِّلَّهِ ٱلْمَشْرِقُ وَٱلْمَغْرِبُ ۚ يَهْدِى مَن يَشَآءُ إِلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍۢ
এখন নির্বোধেরা বলবে, কিসে মুসলমানদের ফিরিয়ে দিল তাদের ঐ কেবলা থেকে, যার উপর তারা ছিল? আপনি বলুনঃ পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা সরল পথে চালান।
▶
۞ سَيَقُولُ
sayaqūlu
বলবে অচিরেই
▶
ٱلسُّفَهَآءُ
l-sufahāu
নির্বোধরা
▶
مِنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষদের
▶
مَا
mā
''কিসে
▶
وَلَّىٰهُمْ
wallāhum
তাদের মুখ ফিরাল
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
قِبْلَتِهِمُ
qib'latihimu
তাদের কিবলা
▶
ٱلَّتِى
allatī
সেই (কিবলা হতে)
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিল
▶
عَلَيْهَا ۚ
ʿalayhā
যার দিকে (মুখ করত)''
▶
قُل
qul
বলো
▶
لِّلَّهِ
lillahi
''আল্লাহরই
▶
ٱلْمَشْرِقُ
l-mashriqu
পূর্ব
▶
وَٱلْمَغْرِبُ ۚ
wal-maghribu
ও পশ্চিম
▶
يَهْدِى
yahdī
তিনি পথ দেখান
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি চান
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
صِرَٰطٍۢ
ṣirāṭin
পথের
▶
مُّسْتَقِيمٍۢ
mus'taqīmin
সরলসোজা''
আয়াত 143 - সূরা البقرة: 45 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَـٰكُمْ أُمَّةًۭ وَسَطًۭا لِّتَكُونُوا۟ شُهَدَآءَ عَلَى ٱلنَّاسِ وَيَكُونَ ٱلرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًۭا ۗ وَمَا جَعَلْنَا ٱلْقِبْلَةَ ٱلَّتِى كُنتَ عَلَيْهَآ إِلَّا لِنَعْلَمَ مَن يَتَّبِعُ ٱلرَّسُولَ مِمَّن يَنقَلِبُ عَلَىٰ عَقِبَيْهِ ۚ وَإِن كَانَتْ لَكَبِيرَةً إِلَّا عَلَى ٱلَّذِينَ هَدَى ٱللَّهُ ۗ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُضِيعَ إِيمَـٰنَكُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ بِٱلنَّاسِ لَرَءُوفٌۭ رَّحِيمٌۭ
এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য। আপনি যে কেবলার উপর ছিলেন, তাকে আমি এজন্যই কেবলা করেছিলাম, যাতে একথা প্রতীয়মান হয় যে, কে রসূলের অনুসারী থাকে আর কে পিঠটান দেয়। নিশ্চিতই এটা কঠোরতর বিষয়, কিন্তু তাদের জন্যে নয়, যাদেরকে আল্লাহ পথপ্রদর্শন করেছেন। আল্লাহ এমন নন যে, তোমাদের ঈমান নষ্ট করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ, মানুষের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল, করুনাময়।
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
এবং এভাবে
▶
جَعَلْنَـٰكُمْ
jaʿalnākum
তোমাদের আমরা বানিয়েছি
▶
أُمَّةًۭ
ummatan
একটি জাতি
▶
وَسَطًۭا
wasaṭan
মধ্যমপন্থী
▶
لِّتَكُونُوا۟
litakūnū
তোমরা হও যেন
▶
شُهَدَآءَ
shuhadāa
সাক্ষী
▶
عَلَى
ʿalā
উপর(জন্য)
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
(পৃথিবীর) মানুষের
▶
وَيَكُونَ
wayakūna
ও হয়
▶
ٱلرَّسُولُ
l-rasūlu
রাসূল
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর(জন্য)
▶
شَهِيدًۭا ۗ
shahīdan
সাক্ষী
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
جَعَلْنَا
jaʿalnā
আমরা বানিয়েছিলাম
▶
ٱلْقِبْلَةَ
l-qib'lata
কিবলা
▶
ٱلَّتِى
allatī
সেটাকে
▶
كُنتَ
kunta
তুমি ছিলে
▶
عَلَيْهَآ
ʿalayhā
যার উপর
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
لِنَعْلَمَ
linaʿlama
আমরা যেন জানতে পারি
▶
مَن
man
কে
▶
يَتَّبِعُ
yattabiʿu
অনুসরণ করে
▶
ٱلرَّسُولَ
l-rasūla
রাসূলকে (আর)
▶
مِمَّن
mimman
কে তাদের মধ্য হতে
▶
يَنقَلِبُ
yanqalibu
ফিরে যায়
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
عَقِبَيْهِ ۚ
ʿaqibayhi
তার দুই গোড়ালির (অর্থাৎ উল্টোদিকে)
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদিও
▶
كَانَتْ
kānat
তা ছিল (মেনে চলা)
▶
لَكَبِيرَةً
lakabīratan
অবশ্যই কঠিন
▶
إِلَّا
illā
তবে (নয় কঠিন)
▶
عَلَى
ʿalā
(তাদের) উপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদেরকে
▶
هَدَى
hadā
পথ দেখিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ ۗ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
وَمَا
wamā
এবং নন
▶
كَانَ
kāna
(ছিল)
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্ (এরূপ যে)
▶
لِيُضِيعَ
liyuḍīʿa
নষ্ট করবেন
▶
إِيمَـٰنَكُمْ ۚ
īmānakum
তোমাদের ঈমান
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
بِٱلنَّاسِ
bil-nāsi
মানুষের উপর
▶
لَرَءُوفٌۭ
laraūfun
বড়ই দয়ালু
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 144 - সূরা البقرة: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَدْ نَرَىٰ تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِى ٱلسَّمَآءِ ۖ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةًۭ تَرْضَىٰهَا ۚ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ ۚ وَحَيْثُ مَا كُنتُمْ فَوَلُّوا۟ وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُۥ ۗ وَإِنَّ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ لَيَعْلَمُونَ أَنَّهُ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ ۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَـٰفِلٍ عَمَّا يَعْمَلُونَ
নিশ্চয়ই আমি আপনাকে বার বার আকাশের দিকে তাকাতে দেখি। অতএব, অবশ্যই আমি আপনাকে সে কেবলার দিকেই ঘুরিয়ে দেব যাকে আপনি পছন্দ করেন। এখন আপনি মসজিদুল-হারামের দিকে মুখ করুন এবং তোমরা যেখানেই থাক, সেদিকে মুখ কর। যারা আহলে-কিতাব, তারা অবশ্যই জানে যে, এটাই ঠিক পালনকর্তার পক্ষ থেকে। আল্লাহ বেখবর নন, সে সমস্ত কর্ম সম্পর্কে যা তারা করে।
▶
قَدْ
qad
অবশ্যই
▶
نَرَىٰ
narā
দেখেছি আমরা
▶
تَقَلُّبَ
taqalluba
বার বার ফিরাতে
▶
وَجْهِكَ
wajhika
তোমার মুখ
▶
فِى
fī
দিকে
▶
ٱلسَّمَآءِ ۖ
l-samāi
আকাশের
▶
فَلَنُوَلِّيَنَّكَ
falanuwalliyannaka
তাই তোমাকে আমরা ঘুরিয়ে দিচ্ছি
▶
قِبْلَةًۭ
qib'latan
কিবলার (দিকে)
▶
تَرْضَىٰهَا ۚ
tarḍāhā
যা পছন্দ কর তুমি
▶
فَوَلِّ
fawalli
ফিরাও তাই
▶
وَجْهَكَ
wajhaka
তোমার মুখ
▶
شَطْرَ
shaṭra
দিকে
▶
ٱلْمَسْجِدِ
l-masjidi
মাসজিদে
▶
ٱلْحَرَامِ ۚ
l-ḥarāmi
হারামের
▶
وَحَيْثُ
waḥaythu
এবং যেখানেই
▶
مَا
mā
(কি)
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা থাক
▶
فَوَلُّوا۟
fawallū
ফিরাও তখন তোমরা
▶
وُجُوهَكُمْ
wujūhakum
তোমাদের মুখ
▶
شَطْرَهُۥ ۗ
shaṭrahu
তার দিকে
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছ
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
لَيَعْلَمُونَ
layaʿlamūna
তারা জানে অবশ্যই
▶
أَنَّهُ
annahu
তা যে
▶
ٱلْحَقُّ
l-ḥaqu
সত্য
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّهِمْ ۗ
rabbihim
তার রবের
▶
وَمَا
wamā
এবং নন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بِغَـٰفِلٍ
bighāfilin
উদাসীন
▶
عَمَّا
ʿammā
সে সমন্ধে যা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
তারা করছে
আয়াত 145 - সূরা البقرة: 32 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَئِنْ أَتَيْتَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ بِكُلِّ ءَايَةٍۢ مَّا تَبِعُوا۟ قِبْلَتَكَ ۚ وَمَآ أَنتَ بِتَابِعٍۢ قِبْلَتَهُمْ ۚ وَمَا بَعْضُهُم بِتَابِعٍۢ قِبْلَةَ بَعْضٍۢ ۚ وَلَئِنِ ٱتَّبَعْتَ أَهْوَآءَهُم مِّنۢ بَعْدِ مَا جَآءَكَ مِنَ ٱلْعِلْمِ ۙ إِنَّكَ إِذًۭا لَّمِنَ ٱلظَّـٰلِمِينَ
যদি আপনি আহলে কিতাবদের কাছে সমুদয় নিদর্শন উপস্থাপন করেন, তবুও তারা আপনার কেবলা মেনে নেবে না এবং আপনিও তাদের কেবলা মানেন না। তারাও একে অন্যের কেবলা মানে না। যদি আপনি তাদের বাসনার অনুসরণ করেন, সে জ্ঞানলাভের পর, যা আপনার কাছে পৌঁছেছে, তবে নিশ্চয় আপনি অবিচারকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।
▶
وَلَئِنْ
wala-in
এবং অবশ্যই যদি
▶
أَتَيْتَ
atayta
তুমি আস
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যাদের
▶
أُوتُوا۟
ūtū
দেয়া হয়েছে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
بِكُلِّ
bikulli
সব নিয়ে
▶
ءَايَةٍۢ
āyatin
নিদর্শন
▶
مَّا
mā
(তবুও) না
▶
تَبِعُوا۟
tabiʿū
অনুসরণ করবে তারা
▶
قِبْلَتَكَ ۚ
qib'lataka
তোমার কিবলার
▶
وَمَآ
wamā
এবং নও
▶
أَنتَ
anta
তুমি
▶
بِتَابِعٍۢ
bitābiʿin
অনুসারী
▶
قِبْلَتَهُمْ ۚ
qib'latahum
তাদের কিবলার
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
بَعْضُهُم
baʿḍuhum
তাদের কেউ
▶
بِتَابِعٍۢ
bitābiʿin
অনুসারী
▶
قِبْلَةَ
qib'lata
কিবলার
▶
بَعْضٍۢ ۚ
baʿḍin
কারোর
▶
وَلَئِنِ
wala-ini
এবং অবশ্যই যদি
▶
ٱتَّبَعْتَ
ittabaʿta
তুমি অনুসরণ কর
▶
أَهْوَآءَهُم
ahwāahum
তাদের খেয়াল খুশির
▶
مِّنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
এর পরও
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَكَ
jāaka
তোমার কাছে এসেছে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْعِلْمِ ۙ
l-ʿil'mi
(সঠিক) জ্ঞান
▶
إِنَّكَ
innaka
নিশ্চয়ই তুমি
▶
إِذًۭا
idhan
তাহলে
▶
لَّمِنَ
lamina
অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের
আয়াত 146 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ ءَاتَيْنَـٰهُمُ ٱلْكِتَـٰبَ يَعْرِفُونَهُۥ كَمَا يَعْرِفُونَ أَبْنَآءَهُمْ ۖ وَإِنَّ فَرِيقًۭا مِّنْهُمْ لَيَكْتُمُونَ ٱلْحَقَّ وَهُمْ يَعْلَمُونَ
আমি যাদেরকে কিতাব দান করেছি, তারা তাকে চেনে, যেমন করে চেনে নিজেদের পুত্রদেরকে। আর নিশ্চয়ই তাদের একটি সম্প্রদায় জেনে শুনে সত্যকে গোপন করে।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَاتَيْنَـٰهُمُ
ātaynāhumu
তাদেরকে আমরা দিয়েছি
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
يَعْرِفُونَهُۥ
yaʿrifūnahu
তা তারা চিনে
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
يَعْرِفُونَ
yaʿrifūna
তারা চিনে
▶
أَبْنَآءَهُمْ ۖ
abnāahum
তাদের সন্তানদেরকে
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
فَرِيقًۭا
farīqan
একদল
▶
مِّنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
لَيَكْتُمُونَ
layaktumūna
অবশ্যই গোপন করে
▶
ٱلْحَقَّ
l-ḥaqa
সত্যকে
▶
وَهُمْ
wahum
এমতাবস্থায় যে তারা
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
জানেও
আয়াত 147 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّكَ ۖ فَلَا تَكُونَنَّ مِنَ ٱلْمُمْتَرِينَ
বাস্তব সত্য সেটাই যা তোমার পালনকর্তা বলেন। কাজেই তুমি সন্দিহান হয়ো না।
▶
ٱلْحَقُّ
al-ḥaqu
প্রকৃত সত্য
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكَ ۖ
rabbika
তোমার রবের
▶
فَلَا
falā
না তাই
▶
تَكُونَنَّ
takūnanna
তোমরা হবে
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْمُمْتَرِينَ
l-mum'tarīna
সন্দেহ পোষণকারীর
আয়াত 148 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِكُلٍّۢ وِجْهَةٌ هُوَ مُوَلِّيهَا ۖ فَٱسْتَبِقُوا۟ ٱلْخَيْرَٰتِ ۚ أَيْنَ مَا تَكُونُوا۟ يَأْتِ بِكُمُ ٱللَّهُ جَمِيعًا ۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ
আর সবার জন্যই রয়েছে কেবলা একেক দিকে, যে দিকে সে মুখ করে (এবাদত করবে)। কাজেই সৎকাজে প্রতিযোগিতামূলকভাবে এগিয়ে যাও। যেখানেই তোমরা থাকবে, আল্লাহ অবশ্যই তোমাদেরকে সমবেত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
▶
وَلِكُلٍّۢ
walikullin
এবং প্রত্যেকের জন্য
▶
وِجْهَةٌ
wij'hatun
একটি দিক (আছে)
▶
هُوَ
huwa
সে
▶
مُوَلِّيهَا ۖ
muwallīhā
মুখ ফিরায় তার দিকে
▶
فَٱسْتَبِقُوا۟
fa-is'tabiqū
তোমরা তাই প্রতিযোগিতা করো
▶
ٱلْخَيْرَٰتِ ۚ
l-khayrāti
কল্যাণের
▶
أَيْنَ
ayna
যেখানেই
▶
مَا
mā
(কি)
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
তোমরা থাক
▶
يَأْتِ
yati
আসবেন
▶
بِكُمُ
bikumu
তোমাদেরকে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
جَمِيعًا ۚ
jamīʿan
সকলকেই (একসাথে)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ্
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
সর্বশক্তিমান
আয়াত 149 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنْ حَيْثُ خَرَجْتَ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ ۖ وَإِنَّهُۥ لَلْحَقُّ مِن رَّبِّكَ ۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَـٰفِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
আর যে স্থান থেকে তুমি বের হও, নিজের মুখ মসজিদে হারামের দিকে ফেরাও-নিঃসন্দেহে এটাই হলো তোমার পালনকর্তার পক্ষ থেকে নির্ধারিত বাস্তব সত্য। বস্তুতঃ তোমার পালনকর্তা তোমাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনবহিত নন।
▶
وَمِنْ
wamin
এবং থেকেই
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখান
▶
خَرَجْتَ
kharajta
তুমি বের হও
▶
فَوَلِّ
fawalli
তখন ফিরাও
▶
وَجْهَكَ
wajhaka
তোমার মুখ
▶
شَطْرَ
shaṭra
দিকে
▶
ٱلْمَسْجِدِ
l-masjidi
মাসজিদে
▶
ٱلْحَرَامِ ۖ
l-ḥarāmi
হারামের
▶
وَإِنَّهُۥ
wa-innahu
এবং তা নিশ্চয়ই
▶
لَلْحَقُّ
lalḥaqqu
অবশ্যই সত্য
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكَ ۗ
rabbika
তোমার রবের
▶
وَمَا
wamā
এবং নন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ্
▶
بِغَـٰفِلٍ
bighāfilin
উদাসীন
▶
عَمَّا
ʿammā
তা হতে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা করেছ
আয়াত 150 - সূরা البقرة: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنْ حَيْثُ خَرَجْتَ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ ۚ وَحَيْثُ مَا كُنتُمْ فَوَلُّوا۟ وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُۥ لِئَلَّا يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَيْكُمْ حُجَّةٌ إِلَّا ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مِنْهُمْ فَلَا تَخْشَوْهُمْ وَٱخْشَوْنِى وَلِأُتِمَّ نِعْمَتِى عَلَيْكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
আর তোমরা যেখান থেকেই বেরিয়ে আস এবং যেখানেই অবস্থান কর, সেদিকেই মুখ ফেরাও, যাতে করে মানুষের জন্য তোমাদের সাথে ঝগড়া করার অবকাশ না থাকে। অবশ্য যারা অবিবেচক, তাদের কথা আলাদা। কাজেই তাদের আপত্তিতে ভীত হয়ো না। আমাকেই ভয় কর। যাতে আমি তোমাদের জন্যে আমার অনুগ্রহ সমূহ পূর্ণ করে দেই এবং তাতে যেন তোমরা সরলপথ প্রাপ্ত হও।
▶
وَمِنْ
wamin
এবং হতেই
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখান
▶
خَرَجْتَ
kharajta
তুমি বের হও
▶
فَوَلِّ
fawalli
তুমি তখন ফিরাও
▶
وَجْهَكَ
wajhaka
তোমার মুখ
▶
شَطْرَ
shaṭra
দিকে
▶
ٱلْمَسْجِدِ
l-masjidi
মসজিদে
▶
ٱلْحَرَامِ ۚ
l-ḥarāmi
হারামের
▶
وَحَيْثُ
waḥaythu
এবং যেখানেই
▶
مَا
mā
(কি)
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা থাক
▶
فَوَلُّوا۟
fawallū
তোমরা তখন ফিরাবে
▶
وُجُوهَكُمْ
wujūhakum
তোমাদের মুখ
▶
شَطْرَهُۥ
shaṭrahu
তার দিকে
▶
لِئَلَّا
li-allā
না যেন
▶
يَكُونَ
yakūna
হয়
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের বিরুদ্ধে
▶
حُجَّةٌ
ḥujjatun
কোন প্রমাণ
▶
إِلَّا
illā
তবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ظَلَمُوا۟
ẓalamū
সীমালঙ্ঘন করেছে
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যে থেকে (তাদের কথা ভিন্ন)
▶
فَلَا
falā
না তাই
▶
تَخْشَوْهُمْ
takhshawhum
ভয় কর তাদেরকে
▶
وَٱخْشَوْنِى
wa-ikh'shawnī
বরং তোমরা আমাকেই ভয় করো
▶
وَلِأُتِمَّ
wali-utimma
এবং আমি পূর্ণ করি যেন
▶
نِعْمَتِى
niʿ'matī
আমার অনুগ্রহ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَلَعَلَّكُمْ
walaʿallakum
ও আশা করা যায় তোমরা
▶
تَهْتَدُونَ
tahtadūna
সঠিক পথে চলবে
আয়াত 151 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَمَآ أَرْسَلْنَا فِيكُمْ رَسُولًۭا مِّنكُمْ يَتْلُوا۟ عَلَيْكُمْ ءَايَـٰتِنَا وَيُزَكِّيكُمْ وَيُعَلِّمُكُمُ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ وَيُعَلِّمُكُم مَّا لَمْ تَكُونُوا۟ تَعْلَمُونَ
যেমন, আমি পাঠিয়েছি তোমাদেরই মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে একজন রসূল, যিনি তোমাদের নিকট আমার বাণীসমুহ পাঠ করবেন এবং তোমাদের পবিত্র করবেন; আর তোমাদের শিক্ষা দেবেন কিতাব ও তাঁর তত্ত্বজ্ঞান এবং শিক্ষা দেবেন এমন বিষয় যা কখনো তোমরা জানতে না।
▶
كَمَآ
kamā
যেমন
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা প্রেরণ করেছি
▶
فِيكُمْ
fīkum
তোমাদের মধ্যে
▶
رَسُولًۭا
rasūlan
একজন রাসূল
▶
مِّنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
يَتْلُوا۟
yatlū
সে তিলাওয়াত করে
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের কাছে
▶
ءَايَـٰتِنَا
āyātinā
আমাদের আয়াত সমূহ
▶
وَيُزَكِّيكُمْ
wayuzakkīkum
ও তোমাদেরকে পরিশুদ্ধ করে
▶
وَيُعَلِّمُكُمُ
wayuʿallimukumu
এবং তোমাদেরকে শিক্ষা দেয়
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
وَٱلْحِكْمَةَ
wal-ḥik'mata
ও প্রজ্ঞা
▶
وَيُعَلِّمُكُم
wayuʿallimukum
আর তোমাদেরকে শিক্ষা দেয়
▶
مَّا
mā
যা
▶
لَمْ
lam
না
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
তোমরা থাক
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
জানতে
আয়াত 152 - সূরা البقرة: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱذْكُرُونِىٓ أَذْكُرْكُمْ وَٱشْكُرُوا۟ لِى وَلَا تَكْفُرُونِ
সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না।
▶
فَٱذْكُرُونِىٓ
fa-udh'kurūnī
সুতরাং স্মরণ করো তোমরা আমাকে
▶
أَذْكُرْكُمْ
adhkur'kum
আমি স্মরণ করব তোমাদেরকে
▶
وَٱشْكُرُوا۟
wa-ush'kurū
এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো
▶
لِى
lī
আমার প্রতি
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَكْفُرُونِ
takfurūni
তোমরা অকৃতজ্ঞ হয়ো
আয়াত 153 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱسْتَعِينُوا۟ بِٱلصَّبْرِ وَٱلصَّلَوٰةِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ مَعَ ٱلصَّـٰبِرِينَ
হে মুমিন গন! তোমরা ধৈর্য্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিতই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
ٱسْتَعِينُوا۟
is'taʿīnū
তোমরা সাহায্য চাও
▶
بِٱلصَّبْرِ
bil-ṣabri
ধৈর্য্য দ্বারা
▶
وَٱلصَّلَوٰةِ ۚ
wal-ṣalati
ও সলাতের (মাধ্যমে)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ (আছেন)
▶
مَعَ
maʿa
সাথে
▶
ٱلصَّـٰبِرِينَ
l-ṣābirīna
ধৈর্যশীলদের
আয়াত 154 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَقُولُوا۟ لِمَن يُقْتَلُ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ أَمْوَٰتٌۢ ۚ بَلْ أَحْيَآءٌۭ وَلَـٰكِن لَّا تَشْعُرُونَ
আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা বুঝ না।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقُولُوا۟
taqūlū
তোমরা বলো
▶
لِمَن
liman
(তাদের) যারা
▶
يُقْتَلُ
yuq'talu
নিহত হয়
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَمْوَٰتٌۢ ۚ
amwātun
''মৃত
▶
بَلْ
bal
বরং
▶
أَحْيَآءٌۭ
aḥyāon
তারা জীবিত
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
لَّا
lā
না
▶
تَشْعُرُونَ
tashʿurūna
তোমরা অনুভব কর
আয়াত 155 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَنَبْلُوَنَّكُم بِشَىْءٍۢ مِّنَ ٱلْخَوْفِ وَٱلْجُوعِ وَنَقْصٍۢ مِّنَ ٱلْأَمْوَٰلِ وَٱلْأَنفُسِ وَٱلثَّمَرَٰتِ ۗ وَبَشِّرِ ٱلصَّـٰبِرِينَ
এবং অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।
▶
وَلَنَبْلُوَنَّكُم
walanabluwannakum
এবং তোমাদের অবশ্যই পরীক্ষা করব আমরা
▶
بِشَىْءٍۢ
bishayin
কিছু জিনিস দিয়ে
▶
مِّنَ
mina
যেমন
▶
ٱلْخَوْفِ
l-khawfi
ভয়
▶
وَٱلْجُوعِ
wal-jūʿi
ও ক্ষুধা
▶
وَنَقْصٍۢ
wanaqṣin
ও ক্ষয়ক্ষতি
▶
مِّنَ
mina
কিছু
▶
ٱلْأَمْوَٰلِ
l-amwāli
ধনসম্পদের
▶
وَٱلْأَنفُسِ
wal-anfusi
ও জীবনের
▶
وَٱلثَّمَرَٰتِ ۗ
wal-thamarāti
ও ফল ফসলাদির
▶
وَبَشِّرِ
wabashiri
এবং সুসংবাদ দাও
▶
ٱلصَّـٰبِرِينَ
l-ṣābirīna
(ঐসব) ধৈর্যশীলদের
আয়াত 156 - সূরা البقرة: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ إِذَآ أَصَـٰبَتْهُم مُّصِيبَةٌۭ قَالُوٓا۟ إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّآ إِلَيْهِ رَٰجِعُونَ
যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
إِذَآ
idhā
যখন
▶
أَصَـٰبَتْهُم
aṣābathum
তাদের উপর এসে পড়ে
▶
مُّصِيبَةٌۭ
muṣībatun
কোনো বিপদ
▶
قَالُوٓا۟
qālū
(তখন) তারা বলে
▶
إِنَّا
innā
''নিশ্চয়ই আমরা
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্যে
▶
وَإِنَّآ
wa-innā
ও নিশ্চয়ই আমরা
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁরই দিকে
▶
رَٰجِعُونَ
rājiʿūna
প্রত্যাবর্তনকারী''
আয়াত 157 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَٰتٌۭ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌۭ ۖ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُهْتَدُونَ
তারা সে সমস্ত লোক, যাদের প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ ও রহমত রয়েছে এবং এসব লোকই হেদায়েত প্রাপ্ত।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর (রয়েছে)
▶
صَلَوَٰتٌۭ
ṣalawātun
বিপুল অনুগ্রহ
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَرَحْمَةٌۭ ۖ
waraḥmatun
এবং দয়া
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْمُهْتَدُونَ
l-muh'tadūna
সঠিক পথপ্রাপ্ত
আয়াত 158 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ إِنَّ ٱلصَّفَا وَٱلْمَرْوَةَ مِن شَعَآئِرِ ٱللَّهِ ۖ فَمَنْ حَجَّ ٱلْبَيْتَ أَوِ ٱعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا ۚ وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًۭا فَإِنَّ ٱللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ
নিঃসন্দেহে সাফা ও মারওয়া আল্লাহ তা’আলার নিদর্শন গুলোর অন্যতম। সুতরাং যারা কা’বা ঘরে হজ্ব বা ওমরাহ পালন করে, তাদের পক্ষে এ দুটিতে প্রদক্ষিণ করাতে কোন দোষ নেই। বরং কেউ যদি স্বেচ্ছায় কিছু নেকীর কাজ করে, তবে আল্লাহ তা’আলার অবশ্যই তা অবগত হবেন এবং তার সে আমলের সঠিক মুল্য দেবেন।
▶
۞ إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلصَّفَا
l-ṣafā
সাফা
▶
وَٱلْمَرْوَةَ
wal-marwata
ও মারওয়া
▶
مِن
min
অন্তর্ভুক্ত
▶
شَعَآئِرِ
shaʿāiri
নিদর্শনসমূহের
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَمَنْ
faman
সুতরাং যে
▶
حَجَّ
ḥajja
হজ্জ করবে
▶
ٱلْبَيْتَ
l-bayta
(কাবা) ঘরের
▶
أَوِ
awi
বা
▶
ٱعْتَمَرَ
iʿ'tamara
ওমরা করবে
▶
فَلَا
falā
সেক্ষেত্রে নেই
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোনো পাপ
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার জন্য
▶
أَن
an
যে
▶
يَطَّوَّفَ
yaṭṭawwafa
সে প্রদক্ষিণ করবে
▶
بِهِمَا ۚ
bihimā
তার দুইয়ের (মাঝে)
▶
وَمَن
waman
আর যে কেউ
▶
تَطَوَّعَ
taṭawwaʿa
স্বেচ্ছায় করে
▶
خَيْرًۭا
khayran
কোনো কল্যাণ
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
شَاكِرٌ
shākirun
(তার) মূল্যদানকারী
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
খুব অবহিত
আয়াত 159 - সূরা البقرة: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَآ أَنزَلْنَا مِنَ ٱلْبَيِّنَـٰتِ وَٱلْهُدَىٰ مِنۢ بَعْدِ مَا بَيَّنَّـٰهُ لِلنَّاسِ فِى ٱلْكِتَـٰبِ ۙ أُو۟لَـٰٓئِكَ يَلْعَنُهُمُ ٱللَّهُ وَيَلْعَنُهُمُ ٱللَّـٰعِنُونَ
নিশ্চয় যারা গোপন করে, আমি যেসব বিস্তারিত তথ্য এবং হেদায়েতের কথা নাযিল করেছি মানুষের জন্য কিতাবের মধ্যে বিস্তারিত বর্ণনা করার পরও; সে সমস্ত লোকের প্রতিই আল্লাহর অভিসম্পাত এবং অন্যান্য অভিসম্পাতকারীগণের ও।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَكْتُمُونَ
yaktumūna
গোপন করে
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَنزَلْنَا
anzalnā
আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتِ
l-bayināti
স্পষ্ট নিদর্শনাদি
▶
وَٱلْهُدَىٰ
wal-hudā
ও পথনির্দেশ
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
এর পরও
▶
مَا
mā
যা
▶
بَيَّنَّـٰهُ
bayyannāhu
তা স্পষ্ট বর্ণনা করেছি আমরা
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্যে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ ۙ
l-kitābi
কিতাবের
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
يَلْعَنُهُمُ
yalʿanuhumu
তাদেরকে অভিশাপ দেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَيَلْعَنُهُمُ
wayalʿanuhumu
ও তাদেরকে অভিশাপ দেয়
▶
ٱللَّـٰعِنُونَ
l-lāʿinūna
অভিশাপকারীরা
আয়াত 160 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُوا۟ وَأَصْلَحُوا۟ وَبَيَّنُوا۟ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ أَتُوبُ عَلَيْهِمْ ۚ وَأَنَا ٱلتَّوَّابُ ٱلرَّحِيمُ
তবে যারা তওবা করে এবং বর্ণিত তথ্যাদির সংশোধন করে মানুষের কাছে তা বর্ণনা করে দেয়, সে সমস্ত লোকের তওবা আমি কবুল করি এবং আমি তওবা কবুলকারী পরম দয়ালু।
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
تَابُوا۟
tābū
তওবা করেছে
▶
وَأَصْلَحُوا۟
wa-aṣlaḥū
ও সংশোধিত হয়েছে
▶
وَبَيَّنُوا۟
wabayyanū
এবং (স্পষ্টভাবে সত্য) বর্ণনা করেছে
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
অতঃপর ঐসবলোক
▶
أَتُوبُ
atūbu
আমি ক্ষমা করব
▶
عَلَيْهِمْ ۚ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
وَأَنَا
wa-anā
এবং আমি
▶
ٱلتَّوَّابُ
l-tawābu
বড় ক্ষমাশীল
▶
ٱلرَّحِيمُ
l-raḥīmu
পরমদয়ালু
আয়াত 161 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَمَاتُوا۟ وَهُمْ كُفَّارٌ أُو۟لَـٰٓئِكَ عَلَيْهِمْ لَعْنَةُ ٱللَّهِ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ وَٱلنَّاسِ أَجْمَعِينَ
নিশ্চয় যারা কুফরী করে এবং কাফের অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করে, সে সমস্ত লোকের প্রতি আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং সমগ্র মানুষের লা’নত।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অবিশ্বাস করেছে
▶
وَمَاتُوا۟
wamātū
ও মরে গেছে
▶
وَهُمْ
wahum
এ অবস্থায় যে তারা
▶
كُفَّارٌ
kuffārun
কাফির (ছিল)
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
لَعْنَةُ
laʿnatu
অভিশাপ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ
wal-malāikati
ও ফেরেশতাদের
▶
وَٱلنَّاسِ
wal-nāsi
ও মানুষের
▶
أَجْمَعِينَ
ajmaʿīna
সকলেরই
আয়াত 162 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۖ لَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ ٱلْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ
এরা চিরকাল এ লা’নতের মাঝেই থাকবে। তাদের উপর থেকে আযাব কখনও হালকা করা হবে না বরং এরা বিরাম ও পাবে না।
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তারা চিরস্থায়ী হবে
▶
فِيهَا ۖ
fīhā
তার মধ্যে
▶
لَا
lā
না
▶
يُخَفَّفُ
yukhaffafu
কমানো হবে
▶
عَنْهُمُ
ʿanhumu
তাদের থেকে
▶
ٱلْعَذَابُ
l-ʿadhābu
শাস্তি
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
هُمْ
hum
তাদের
▶
يُنظَرُونَ
yunẓarūna
অবকাশ দেয়া হবে
আয়াত 163 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِلَـٰهُكُمْ إِلَـٰهٌۭ وَٰحِدٌۭ ۖ لَّآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلرَّحْمَـٰنُ ٱلرَّحِيمُ
আর তোমাদের উপাস্য একইমাত্র উপাস্য। তিনি ছাড়া মহা করুণাময় দয়ালু কেউ নেই।
▶
وَإِلَـٰهُكُمْ
wa-ilāhukum
এবং তোমাদের ইলাহ
▶
إِلَـٰهٌۭ
ilāhun
ইলাহ
▶
وَٰحِدٌۭ ۖ
wāḥidun
একই
▶
لَّآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোনো ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ
huwa
তিনি
▶
ٱلرَّحْمَـٰنُ
l-raḥmānu
করুণাময়
▶
ٱلرَّحِيمُ
l-raḥīmu
পরমদয়ালু
আয়াত 164 - সূরা البقرة: 43 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ فِى خَلْقِ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَٱخْتِلَـٰفِ ٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ وَٱلْفُلْكِ ٱلَّتِى تَجْرِى فِى ٱلْبَحْرِ بِمَا يَنفَعُ ٱلنَّاسَ وَمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مِن مَّآءٍۢ فَأَحْيَا بِهِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا وَبَثَّ فِيهَا مِن كُلِّ دَآبَّةٍۢ وَتَصْرِيفِ ٱلرِّيَـٰحِ وَٱلسَّحَابِ ٱلْمُسَخَّرِ بَيْنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّقَوْمٍۢ يَعْقِلُونَ
নিশ্চয়ই আসমান ও যমীনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের বিবর্তনে এবং নদীতে নৌকাসমূহের চলাচলে মানুষের জন্য কল্যাণ রয়েছে। আর আল্লাহ তা’ আলা আকাশ থেকে যে পানি নাযিল করেছেন, তদ্দ্বারা মৃত যমীনকে সজীব করে তুলেছেন এবং তাতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সবরকম জীব-জন্তু। আর আবহাওয়া পরিবর্তনে এবং মেঘমালার যা তাঁরই হুকুমের অধীনে আসমান ও যমীনের মাঝে বিচরণ করে, নিশ্চয়ই সে সমস্ত বিষয়ের মাঝে নিদর্শন রয়েছে বুদ্ধিমান সম্প্রদায়ের জন্যে।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
خَلْقِ
khalqi
সৃষ্টির
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ মন্ডলীর
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَٱخْتِلَـٰفِ
wa-ikh'tilāfi
ও পরিবর্তনের
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
وَٱلنَّهَارِ
wal-nahāri
ও দিনের
▶
وَٱلْفُلْكِ
wal-ful'ki
ও নৌযানসমূহে
▶
ٱلَّتِى
allatī
যা
▶
تَجْرِى
tajrī
চলে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبَحْرِ
l-baḥri
সাগরের
▶
بِمَا
bimā
তা নিয়ে
▶
يَنفَعُ
yanfaʿu
উপকার দেয়
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষের
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা কিছু
▶
أَنزَلَ
anzala
বর্ষণ করে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
مِن
min
থেকে
▶
مَّآءٍۢ
māin
পানি
▶
فَأَحْيَا
fa-aḥyā
অতপর জীবিত করেন
▶
بِهِ
bihi
তা দিয়ে
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
জমিনকে
▶
بَعْدَ
baʿda
পর
▶
مَوْتِهَا
mawtihā
তার মৃত্যুর
▶
وَبَثَّ
wabatha
ও বিস্তার ঘটান
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
مِن
min
থেকে
▶
كُلِّ
kulli
সব (রকমের)
▶
دَآبَّةٍۢ
dābbatin
প্রাণী
▶
وَتَصْرِيفِ
wataṣrīfi
ও প্রবাহে
▶
ٱلرِّيَـٰحِ
l-riyāḥi
বাতাসের
▶
وَٱلسَّحَابِ
wal-saḥābi
ও মেঘমালার
▶
ٱلْمُسَخَّرِ
l-musakhari
(যা) নিয়ন্ত্রিত
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
لَـَٔايَـٰتٍۢ
laāyātin
অবশ্যই নিদর্শনাদি
▶
لِّقَوْمٍۢ
liqawmin
সম্প্রদায়ের জন্যে(রয়েছে)
▶
يَعْقِلُونَ
yaʿqilūna
(যারা) জ্ঞান রাখে
আয়াত 165 - সূরা البقرة: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يَتَّخِذُ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَندَادًۭا يُحِبُّونَهُمْ كَحُبِّ ٱللَّهِ ۖ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَشَدُّ حُبًّۭا لِّلَّهِ ۗ وَلَوْ يَرَى ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓا۟ إِذْ يَرَوْنَ ٱلْعَذَابَ أَنَّ ٱلْقُوَّةَ لِلَّهِ جَمِيعًۭا وَأَنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلْعَذَابِ
আর কোন লোক এমনও রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে এবং তাদের প্রতি তেমনি ভালবাসা পোষণ করে, যেমন আল্লাহর প্রতি ভালবাসা হয়ে থাকে। কিন্তু যারা আল্লাহর প্রতি ঈমানদার তাদের ভালবাসা ওদের তুলনায় বহুগুণ বেশী। আর কতইনা উত্তম হ’ত যদি এ জালেমরা পার্থিব কোন কোন আযাব প্রত্যক্ষ করেই উপলব্ধি করে নিত যে, যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য এবং আল্লাহর আযাবই সবচেয়ে কঠিনতর।
▶
وَمِنَ
wamina
কিন্তু মধ্যে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের (এমনও আছে)
▶
مَن
man
যারা
▶
يَتَّخِذُ
yattakhidhu
গ্রহণ করে
▶
مِن
min
থেকে(দিয়ে)
▶
دُونِ
dūni
বাদ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহকে
▶
أَندَادًۭا
andādan
(অন্যকে) সমতুল্যরূপে
▶
يُحِبُّونَهُمْ
yuḥibbūnahum
তাদেরকে তারা ভালবাসে
▶
كَحُبِّ
kaḥubbi
মতো ভালবাসার
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর (প্রতি হওয়া উচিৎ)
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
অথচ যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান আনে (তাদের রয়েছে)
▶
أَشَدُّ
ashaddu
সবচেয়ে দৃঢ়
▶
حُبًّۭا
ḥubban
ভালবাসা
▶
لِّلَّهِ ۗ
lillahi
আল্লাহর জন্যে
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি (আজ)
▶
يَرَى
yarā
(ভেবে) দেখত
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ظَلَمُوٓا۟
ẓalamū
অবিচার করেছে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
يَرَوْنَ
yarawna
তারা দেখবে
▶
ٱلْعَذَابَ
l-ʿadhāba
শাস্তি (এবং অনুভব করবে)
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱلْقُوَّةَ
l-quwata
শক্তি
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্য
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সবটুকুই
▶
وَأَنَّ
wa-anna
এবং এও যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
شَدِيدُ
shadīdu
কঠোর
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তিদানে
আয়াত 166 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذْ تَبَرَّأَ ٱلَّذِينَ ٱتُّبِعُوا۟ مِنَ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُوا۟ وَرَأَوُا۟ ٱلْعَذَابَ وَتَقَطَّعَتْ بِهِمُ ٱلْأَسْبَابُ
অনুসৃতরা যখন অনুসরণকারীদের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে যাবে এবং যখন আযাব প্রত্যক্ষ করবে আর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে তাদের পারস্পরিক সমস্ত সম্পর্ক।
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
تَبَرَّأَ
tabarra-a
সম্পর্ক ছিন্ন করবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারা) যাদের
▶
ٱتُّبِعُوا۟
ittubiʿū
অনুসরণ করা হয়েছিল (অর্থাৎ নেতারা)
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
ٱتَّبَعُوا۟
ittabaʿū
অনুসরণ করত (অর্থাৎ অনুসারীদের)
▶
وَرَأَوُا۟
wara-awū
ও দেখবে
▶
ٱلْعَذَابَ
l-ʿadhāba
শাস্তি
▶
وَتَقَطَّعَتْ
wataqaṭṭaʿat
বিচ্ছিন্ন হবে
▶
بِهِمُ
bihimu
তাদের সাথে
▶
ٱلْأَسْبَابُ
l-asbābu
সকল উপায় উপকরণ(সম্পর্ক)
আয়াত 167 - সূরা البقرة: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُوا۟ لَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةًۭ فَنَتَبَرَّأَ مِنْهُمْ كَمَا تَبَرَّءُوا۟ مِنَّا ۗ كَذَٰلِكَ يُرِيهِمُ ٱللَّهُ أَعْمَـٰلَهُمْ حَسَرَٰتٍ عَلَيْهِمْ ۖ وَمَا هُم بِخَـٰرِجِينَ مِنَ ٱلنَّارِ
এবং অনুসারীরা বলবে, কতইনা ভাল হত, যদি আমাদিগকে পৃথিবীতে ফিরে যাবার সুযোগ দেয়া হত। তাহলে আমরাও তাদের প্রতি তেমনি অসন্তুষ্ট হয়ে যেতাম, যেমন তারা অসন্তুষ্ট হয়েছে আমাদের প্রতি। এভাবেই আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে দেখাবেন তাদের কৃতকর্ম তাদেরকে অনুতপ্ত করার জন্যে। অথচ, তারা কস্মিনকালেও আগুন থেকে বের হতে পারবে না।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱتَّبَعُوا۟
ittabaʿū
অনুসরণ করেছিল
▶
لَوْ
law
''যদি
▶
أَنَّ
anna
নিশ্চিত (এমন হত)
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্যে
▶
كَرَّةًۭ
karratan
একবার (ফিরার সুযোগ)
▶
فَنَتَبَرَّأَ
fanatabarra-a
আমরাও তবে সম্পর্ক ছিন্ন করতাম
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের থেকে
▶
كَمَا
kamā
যেমন (আজ)
▶
تَبَرَّءُوا۟
tabarraū
সম্পর্ক ছিন্ন করেছে তারা
▶
مِنَّا ۗ
minnā
আমাদের থেকে''
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُرِيهِمُ
yurīhimu
তাদের দেখাবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَعْمَـٰلَهُمْ
aʿmālahum
তাদের কাজকর্মগুলোকে
▶
حَسَرَٰتٍ
ḥasarātin
পরিতাপরূপে
▶
عَلَيْهِمْ ۖ
ʿalayhim
তাদের কাছে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
هُم
hum
তারা
▶
بِخَـٰرِجِينَ
bikhārijīna
বহির্গমনকারী
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
(দোযখের) আগুন
আয়াত 168 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ كُلُوا۟ مِمَّا فِى ٱلْأَرْضِ حَلَـٰلًۭا طَيِّبًۭا وَلَا تَتَّبِعُوا۟ خُطُوَٰتِ ٱلشَّيْطَـٰنِ ۚ إِنَّهُۥ لَكُمْ عَدُوٌّۭ مُّبِينٌ
হে মানব মন্ডলী, পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু-সামগ্রী ভক্ষন কর। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
মানবজাতি
▶
كُلُوا۟
kulū
তোমরা খাও
▶
مِمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
حَلَـٰلًۭا
ḥalālan
হালাল
▶
طَيِّبًۭا
ṭayyiban
পবিত্র
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَتَّبِعُوا۟
tattabiʿū
তোমরা অনুসরণ করো
▶
خُطُوَٰتِ
khuṭuwāti
পদাঙ্কগুলোর
▶
ٱلشَّيْطَـٰنِ ۚ
l-shayṭāni
শয়তানের
▶
إِنَّهُۥ
innahu
সে নিশ্চয়ই
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
عَدُوٌّۭ
ʿaduwwun
শত্রু
▶
مُّبِينٌ
mubīnun
প্রকাশ্য
আয়াত 169 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَا يَأْمُرُكُم بِٱلسُّوٓءِ وَٱلْفَحْشَآءِ وَأَن تَقُولُوا۟ عَلَى ٱللَّهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ
সে তো এ নির্দেশই তোমাদিগকে দেবে যে, তোমরা অন্যায় ও অশ্লীল কাজ করতে থাক এবং আল্লাহর প্রতি এমন সব বিষয়ে মিথ্যারোপ কর যা তোমরা জান না।
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলতঃ
▶
يَأْمُرُكُم
yamurukum
তোমাদেরকে নির্দেশ দেয় সে
▶
بِٱلسُّوٓءِ
bil-sūi
পাপকাজের প্রতি
▶
وَٱلْفَحْشَآءِ
wal-faḥshāi
ও অশ্লীল
▶
وَأَن
wa-an
এবং যেন
▶
تَقُولُوا۟
taqūlū
তোমরা বল (এমন কথা)
▶
عَلَى
ʿalā
সম্বন্ধে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مَا
mā
যা
▶
لَا
lā
না
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
তোমরা জান
আয়াত 170 - সূরা البقرة: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ٱتَّبِعُوا۟ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ قَالُوا۟ بَلْ نَتَّبِعُ مَآ أَلْفَيْنَا عَلَيْهِ ءَابَآءَنَآ ۗ أَوَلَوْ كَانَ ءَابَآؤُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ شَيْـًۭٔا وَلَا يَهْتَدُونَ
আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণ করব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না, জানতো না সরল পথও।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদের
▶
ٱتَّبِعُوا۟
ittabiʿū
''তোমরা অনুসরণ করো
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ''
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলে
▶
بَلْ
bal
''বরং
▶
نَتَّبِعُ
nattabiʿu
আমরা অনুসরণ করব
▶
مَآ
mā
তা
▶
أَلْفَيْنَا
alfaynā
আমরা পেয়েছি
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
যার উপর
▶
ءَابَآءَنَآ ۗ
ābāanā
আমাদের বাপ-দাদাদেরকে
▶
أَوَلَوْ
awalaw
যদিও কি
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
ءَابَآؤُهُمْ
ābāuhum
বাপ দাদারা তাদের (এমন যে)
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْقِلُونَ
yaʿqilūna
তারা বুঝতো
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কিছুই
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَهْتَدُونَ
yahtadūna
তারা সৎ পথে চলত
আয়াত 171 - সূরা البقرة: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَثَلُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ كَمَثَلِ ٱلَّذِى يَنْعِقُ بِمَا لَا يَسْمَعُ إِلَّا دُعَآءًۭ وَنِدَآءًۭ ۚ صُمٌّۢ بُكْمٌ عُمْىٌۭ فَهُمْ لَا يَعْقِلُونَ
বস্তুতঃ এহেন কাফেরদের উদাহরণ এমন, যেন কেউ এমন কোন জীবকে আহবান করছে যা কোন কিছুই শোনে না, হাঁক-ডাক আর চিৎকার ছাড়া বধির মুক, এবং অন্ধ। সুতরাং তারা কিছুই বোঝে না।
▶
وَمَثَلُ
wamathalu
এবং উপমা
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
كَمَثَلِ
kamathali
এরূপ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(এক রাখাল) যে
▶
يَنْعِقُ
yanʿiqu
(চিৎকার করে)ডাকে
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয় যা
▶
لَا
lā
না
▶
يَسْمَعُ
yasmaʿu
শুনে (তার পশু)
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
دُعَآءًۭ
duʿāan
হাঁকডাক
▶
وَنِدَآءًۭ ۚ
wanidāan
ও আওয়াজ
▶
صُمٌّۢ
ṣummun
বধির
▶
بُكْمٌ
buk'mun
বোবা
▶
عُمْىٌۭ
ʿum'yun
অন্ধ
▶
فَهُمْ
fahum
তারা তাই (কোনো কথাই)
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْقِلُونَ
yaʿqilūna
বুঝতে পারে
আয়াত 172 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُلُوا۟ مِن طَيِّبَـٰتِ مَا رَزَقْنَـٰكُمْ وَٱشْكُرُوا۟ لِلَّهِ إِن كُنتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ
হে ঈমানদারগণ, তোমরা পবিত্র বস্তু সামগ্রী আহার কর, যেগুলো আমি তোমাদেরকে রুযী হিসাবে দান করেছি এবং শুকরিয়া আদায় কর আল্লাহর, যদি তোমরা তাঁরই বন্দেগী কর।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
كُلُوا۟
kulū
তোমরা খাও
▶
مِن
min
হতে
▶
طَيِّبَـٰتِ
ṭayyibāti
পবিত্র জিনিসগুলো
▶
مَا
mā
যা
▶
رَزَقْنَـٰكُمْ
razaqnākum
তোমাদের জীবিকা দিয়েছি আমরা
▶
وَٱشْكُرُوا۟
wa-ush'kurū
ও তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর কাছে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা হও (এমন যে)
▶
إِيَّاهُ
iyyāhu
শুধু তাকেই
▶
تَعْبُدُونَ
taʿbudūna
তোমরা ইবাদাত কর
আয়াত 173 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ ٱلْمَيْتَةَ وَٱلدَّمَ وَلَحْمَ ٱلْخِنزِيرِ وَمَآ أُهِلَّ بِهِۦ لِغَيْرِ ٱللَّهِ ۖ فَمَنِ ٱضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍۢ وَلَا عَادٍۢ فَلَآ إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌ
তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শুকর মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যাতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। অবশ্য যে লোক অনন্যোপায় হয়ে পড়ে এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন পাপ নেই। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহান ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়ালু।
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলতঃ
▶
حَرَّمَ
ḥarrama
(হারাম) করেছেন
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلْمَيْتَةَ
l-maytata
মৃত (জন্তু)
▶
وَٱلدَّمَ
wal-dama
ও (প্রবাহিত) রক্ত
▶
وَلَحْمَ
walaḥma
মাংস
▶
ٱلْخِنزِيرِ
l-khinzīri
শুকরের
▶
وَمَآ
wamā
এবং তা
▶
أُهِلَّ
uhilla
নাম নেয়া হয়েছে
▶
بِهِۦ
bihi
যার উপর
▶
لِغَيْرِ
lighayri
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহ (অন্য কারো)
▶
فَمَنِ
famani
যে তবে
▶
ٱضْطُرَّ
uḍ'ṭurra
নিরুপায় হয়ে যায়
▶
غَيْرَ
ghayra
না
▶
بَاغٍۢ
bāghin
বিদ্রোহী (হয়ে)
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
عَادٍۢ
ʿādin
সীমালংঘনকারী
▶
فَلَآ
falā
নেই তবে
▶
إِثْمَ
ith'ma
কোনো পাপ
▶
عَلَيْهِ ۚ
ʿalayhi
তার উপর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
বড় ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 174 - সূরা البقرة: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ مِنَ ٱلْكِتَـٰبِ وَيَشْتَرُونَ بِهِۦ ثَمَنًۭا قَلِيلًا ۙ أُو۟لَـٰٓئِكَ مَا يَأْكُلُونَ فِى بُطُونِهِمْ إِلَّا ٱلنَّارَ وَلَا يُكَلِّمُهُمُ ٱللَّهُ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ وَلَا يُزَكِّيهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
নিশ্চয় যারা সেসব বিষয় গোপন করে, যা আল্লাহ কিতাবে নাযিল করেছেন এবং সেজন্য অল্প মূল্য গ্রহণ করে, তারা আগুন ছাড়া নিজের পেটে আর কিছুই ঢুকায় না। আর আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাদের সাথে না কথা বলবেন, না তাদের পবিত্র করা হবে, বস্তুতঃ তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَكْتُمُونَ
yaktumūna
গোপন করে
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাব
▶
وَيَشْتَرُونَ
wayashtarūna
ও তারা কিনে(ক্রয়করে)
▶
بِهِۦ
bihi
বিনিময়ে
▶
ثَمَنًۭا
thamanan
মূল্য (অর্থাৎ স্বার্থ)
▶
قَلِيلًا ۙ
qalīlan
অতি নগণ্য
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
مَا
mā
না
▶
يَأْكُلُونَ
yakulūna
তারা খায়
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
بُطُونِهِمْ
buṭūnihim
তাদের পেটের
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
ٱلنَّارَ
l-nāra
আগুন
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُكَلِّمُهُمُ
yukallimuhumu
তাদের সাথে কথা বলবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
কিয়ামাতের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُزَكِّيهِمْ
yuzakkīhim
তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবেন
▶
وَلَهُمْ
walahum
ও তাদের জন্যে(রয়েছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌ
alīmun
নিদারুণ
আয়াত 175 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ ٱشْتَرَوُا۟ ٱلضَّلَـٰلَةَ بِٱلْهُدَىٰ وَٱلْعَذَابَ بِٱلْمَغْفِرَةِ ۚ فَمَآ أَصْبَرَهُمْ عَلَى ٱلنَّارِ
এরাই হল সে সমস্ত লোক, যারা হেদায়েতের বিনিময়ে গোমরাহী খরিদ করেছে এবং (খরিদ করেছে) ক্ষমা ও অনুগ্রহের বিনিময়ে আযাব। অতএব, তারা দোযখের উপর কেমন ধৈর্য্য ধারণকারী।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারাই) যারা
▶
ٱشْتَرَوُا۟
ish'tarawū
কিনেছে
▶
ٱلضَّلَـٰلَةَ
l-ḍalālata
ভ্রান্তপথ
▶
بِٱلْهُدَىٰ
bil-hudā
সঠিকপথের পরিবর্তে
▶
وَٱلْعَذَابَ
wal-ʿadhāba
এবং শাস্তি
▶
بِٱلْمَغْفِرَةِ ۚ
bil-maghfirati
ক্ষমার পরিবর্তে
▶
فَمَآ
famā
অতঃপর কতই না
▶
أَصْبَرَهُمْ
aṣbarahum
ধৈর্যশীল
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
আয়াত 176 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ بِأَنَّ ٱللَّهَ نَزَّلَ ٱلْكِتَـٰبَ بِٱلْحَقِّ ۗ وَإِنَّ ٱلَّذِينَ ٱخْتَلَفُوا۟ فِى ٱلْكِتَـٰبِ لَفِى شِقَاقٍۭ بَعِيدٍۢ
আর এটা এজন্যে যে, আল্লাহ নাযিল করেছেন সত্যপূর্ণ কিতাব। আর যারা কেতাবের মাঝে মতবিরোধ সৃষ্টি করেছে নিশ্চয়ই তারা জেদের বশবর্তী হয়ে অনেক দূরে চলে গেছে।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِأَنَّ
bi-anna
এজন্য যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
نَزَّلَ
nazzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
بِٱلْحَقِّ ۗ
bil-ḥaqi
সত্য সহকারে
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱخْتَلَفُوا۟
ikh'talafū
মতভেদ করেছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাবের
▶
لَفِى
lafī
অবশ্যই মধ্যে(আছে)
▶
شِقَاقٍۭ
shiqāqin
বিশুদ্ধতার
▶
بَعِيدٍۢ
baʿīdin
(প্রকৃত সত্য হতে) বহুদূরে
আয়াত 177 - সূরা البقرة: 51 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ لَّيْسَ ٱلْبِرَّ أَن تُوَلُّوا۟ وُجُوهَكُمْ قِبَلَ ٱلْمَشْرِقِ وَٱلْمَغْرِبِ وَلَـٰكِنَّ ٱلْبِرَّ مَنْ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ وَٱلْكِتَـٰبِ وَٱلنَّبِيِّـۧنَ وَءَاتَى ٱلْمَالَ عَلَىٰ حُبِّهِۦ ذَوِى ٱلْقُرْبَىٰ وَٱلْيَتَـٰمَىٰ وَٱلْمَسَـٰكِينَ وَٱبْنَ ٱلسَّبِيلِ وَٱلسَّآئِلِينَ وَفِى ٱلرِّقَابِ وَأَقَامَ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَى ٱلزَّكَوٰةَ وَٱلْمُوفُونَ بِعَهْدِهِمْ إِذَا عَـٰهَدُوا۟ ۖ وَٱلصَّـٰبِرِينَ فِى ٱلْبَأْسَآءِ وَٱلضَّرَّآءِ وَحِينَ ٱلْبَأْسِ ۗ أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ صَدَقُوا۟ ۖ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُتَّقُونَ
সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে, বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর, আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন, মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দান করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার।
▶
۞ لَّيْسَ
laysa
নেই
▶
ٱلْبِرَّ
l-bira
পূণ্য
▶
أَن
an
যে
▶
تُوَلُّوا۟
tuwallū
তোমরাও ফেরাবে
▶
وُجُوهَكُمْ
wujūhakum
তোমাদের মুখ
▶
قِبَلَ
qibala
দিকে
▶
ٱلْمَشْرِقِ
l-mashriqi
পূর্ব
▶
وَٱلْمَغْرِبِ
wal-maghribi
অথবা পশ্চিমে
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱلْبِرَّ
l-bira
পূণ্য (হল)
▶
مَنْ
man
যে কেউ
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান আনল
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর প্রতি
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনের
▶
ٱلْـَٔاخِرِ
l-ākhiri
আখিরাতের
▶
وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ
wal-malāikati
ও ফেরেশতাদের
▶
وَٱلْكِتَـٰبِ
wal-kitābi
ও কিতাবের
▶
وَٱلنَّبِيِّـۧنَ
wal-nabiyīna
ও নবীদের (প্রতি)
▶
وَءَاتَى
waātā
এবং দান করল
▶
ٱلْمَالَ
l-māla
সম্পদ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
কারণে
▶
حُبِّهِۦ
ḥubbihi
তাঁরই ভালবাসার
▶
ذَوِى
dhawī
সম্পন্ন
▶
ٱلْقُرْبَىٰ
l-qur'bā
নিকট আত্নীয়স্বজনদেরকে
▶
وَٱلْيَتَـٰمَىٰ
wal-yatāmā
ও ইয়াতিমদেরকে
▶
وَٱلْمَسَـٰكِينَ
wal-masākīna
ও অভাবগ্রস্ত
▶
وَٱبْنَ
wa-ib'na
(এবং পুত্র)
▶
ٱلسَّبِيلِ
l-sabīli
ও পথিকদেরকে
▶
وَٱلسَّآئِلِينَ
wal-sāilīna
ও সাহায্যপ্রার্থীদেরকে
▶
وَفِى
wafī
এবং জন্যে
▶
ٱلرِّقَابِ
l-riqābi
দাসমুক্তির
▶
وَأَقَامَ
wa-aqāma
এবং প্রতিষ্ঠা করে
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সলাত
▶
وَءَاتَى
waātā
ও প্রদান করে
▶
ٱلزَّكَوٰةَ
l-zakata
যাকাত
▶
وَٱلْمُوفُونَ
wal-mūfūna
এবং পূর্ণকারী
▶
بِعَهْدِهِمْ
biʿahdihim
তাদের প্রতিশ্রুতি
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
عَـٰهَدُوا۟ ۖ
ʿāhadū
প্রতিশ্রুতিকরে তারা
▶
وَٱلصَّـٰبِرِينَ
wal-ṣābirīna
এবং ধৈর্যধারণকারী
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبَأْسَآءِ
l-basāi
অর্থসংকটের
▶
وَٱلضَّرَّآءِ
wal-ḍarāi
ও রোগব্যাধিতে
▶
وَحِينَ
waḥīna
ও সময়ে
▶
ٱلْبَأْسِ ۗ
l-basi
সংগ্রাম সংকটে
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
তারা ঐসব লোক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
صَدَقُوا۟ ۖ
ṣadaqū
সত্যঅবলম্বন করেছে (ঈমানের দাবীতে)
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْمُتَّقُونَ
l-mutaqūna
মুত্তাকী
আয়াত 178 - সূরা البقرة: 37 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلْقِصَاصُ فِى ٱلْقَتْلَى ۖ ٱلْحُرُّ بِٱلْحُرِّ وَٱلْعَبْدُ بِٱلْعَبْدِ وَٱلْأُنثَىٰ بِٱلْأُنثَىٰ ۚ فَمَنْ عُفِىَ لَهُۥ مِنْ أَخِيهِ شَىْءٌۭ فَٱتِّبَاعٌۢ بِٱلْمَعْرُوفِ وَأَدَآءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَـٰنٍۢ ۗ ذَٰلِكَ تَخْفِيفٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ وَرَحْمَةٌۭ ۗ فَمَنِ ٱعْتَدَىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَلَهُۥ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ
হে ঈমানদারগন! তোমাদের প্রতি নিহতদের ব্যাপারে কেসাস গ্রহণ করা বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। স্বাধীন ব্যক্তি স্বাধীন ব্যক্তির বদলায়, দাস দাসের বদলায় এবং নারী নারীর বদলায়। অতঃপর তার ভাইয়ের তরফ থেকে যদি কাউকে কিছুটা মাফ করে দেয়া হয়, তবে প্রচলিত নিয়মের অনুসরণ করবে এবং ভালভাবে তাকে তা প্রদান করতে হবে। এটা তোমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে সহজ এবং বিশেষ অনুগ্রহ। এরপরও যে ব্যাক্তি বাড়াবাড়ি করে, তার জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
كُتِبَ
kutiba
ফরজ করা হয়েছে
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلْقِصَاصُ
l-qiṣāṣu
কিসাস(বদলা)
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
ٱلْقَتْلَى ۖ
l-qatlā
(অন্যায়) হত্যার
▶
ٱلْحُرُّ
l-ḥuru
স্বাধীন ব্যাক্তি
▶
بِٱلْحُرِّ
bil-ḥuri
স্বাধীন ব্যাক্তির পরিবর্তে
▶
وَٱلْعَبْدُ
wal-ʿabdu
ও ক্রীতদাস
▶
بِٱلْعَبْدِ
bil-ʿabdi
ক্রীতদাসের পরিবর্তে
▶
وَٱلْأُنثَىٰ
wal-unthā
এবং মহিলা
▶
بِٱلْأُنثَىٰ ۚ
bil-unthā
মহিলার পরিবর্তে
▶
فَمَنْ
faman
অতঃপর তার (ক্ষেত্রে)
▶
عُفِىَ
ʿufiya
ক্ষমা করে দেয়া হয়
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
مِنْ
min
পক্ষ হতে
▶
أَخِيهِ
akhīhi
তার ভাইয়ের
▶
شَىْءٌۭ
shayon
কোনো কিছু
▶
فَٱتِّبَاعٌۢ
fa-ittibāʿun
তবে অনুসরণ করা
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ
bil-maʿrūfi
সদয়ভাবে
▶
وَأَدَآءٌ
wa-adāon
এবং (রক্তপণ) আদায় করা
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তার কাছে
▶
بِإِحْسَـٰنٍۢ ۗ
bi-iḥ'sānin
নিষ্ঠার সাথে (অপরিহার্য হবে)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
تَخْفِيفٌۭ
takhfīfun
লাঘব
▶
مِّن
min
পক্ষ থেকে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
وَرَحْمَةٌۭ ۗ
waraḥmatun
এবং রহমত(দয়া)
▶
فَمَنِ
famani
যে অতঃপর
▶
ٱعْتَدَىٰ
iʿ'tadā
সীমালংঘন করবে
▶
بَعْدَ
baʿda
পর
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
فَلَهُۥ
falahu
তার জন্যে(আছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
অতি কষ্টদায়ক
আয়াত 179 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَكُمْ فِى ٱلْقِصَاصِ حَيَوٰةٌۭ يَـٰٓأُو۟لِى ٱلْأَلْبَـٰبِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
হে বুদ্ধিমানগণ! কেসাসের মধ্যে তোমাদের জন্যে জীবন রয়েছে, যাতে তোমরা সাবধান হতে পার।
▶
وَلَكُمْ
walakum
এবং তোমাদের জন্যে(রয়েছে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْقِصَاصِ
l-qiṣāṣi
কিসাসের(বদলার)
▶
حَيَوٰةٌۭ
ḥayatun
জীবন
▶
يَـٰٓأُو۟لِى
yāulī
হে লোকেরা
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বোধ(সম্পন্ন)
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
আশা করা যায়
▶
تَتَّقُونَ
tattaqūna
তোমরা সাবধান হয়ে চলবে
আয়াত 180 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كُتِبَ عَلَيْكُمْ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ ٱلْمَوْتُ إِن تَرَكَ خَيْرًا ٱلْوَصِيَّةُ لِلْوَٰلِدَيْنِ وَٱلْأَقْرَبِينَ بِٱلْمَعْرُوفِ ۖ حَقًّا عَلَى ٱلْمُتَّقِينَ
তোমাদের কারো যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়, সে যদি কিছু ধন-সম্পদ ত্যাগ করে যায়, তবে তার জন্য ওসীয়ত করা বিধিবদ্ধ করা হলো, পিতা-মাতা ও নিকটাত্নীয়দের জন্য ইনসাফের সাথে পরহেযগারদের জন্য এ নির্দেশ জরুরী। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা সবকিছু শোনেন ও জানেন।
▶
كُتِبَ
kutiba
ফরজ করা হয়েছে
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
حَضَرَ
ḥaḍara
উপস্থিত হয়
▶
أَحَدَكُمُ
aḥadakumu
তোমাদের কারও
▶
ٱلْمَوْتُ
l-mawtu
মৃত্যু
▶
إِن
in
যদি
▶
تَرَكَ
taraka
সে ছেড়ে যায়
▶
خَيْرًا
khayran
ধনসম্পত্তি
▶
ٱلْوَصِيَّةُ
l-waṣiyatu
ওসীয়ত করা(জোর নির্দেশ)
▶
لِلْوَٰلِدَيْنِ
lil'wālidayni
পিতা-মাতার জন্য
▶
وَٱلْأَقْرَبِينَ
wal-aqrabīna
ও আত্নীয়-স্বজনদের (জন্যে)
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۖ
bil-maʿrūfi
ন্যায় অনুযায়ী
▶
حَقًّا
ḥaqqan
একটি অধিকার
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمُتَّقِينَ
l-mutaqīna
মুত্তাকীদের
আয়াত 181 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمَنۢ بَدَّلَهُۥ بَعْدَ مَا سَمِعَهُۥ فَإِنَّمَآ إِثْمُهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ يُبَدِّلُونَهُۥٓ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌۭ
যদি কেউ ওসীয়ত শোনার পর তাতে কোন রকম পরিবর্তন সাধন করে, তবে যারা পরিবর্তন করে তাদের উপর এর পাপ পতিত হবে।
▶
فَمَنۢ
faman
যে অতঃপর
▶
بَدَّلَهُۥ
baddalahu
তা পরিবর্তন করে
▶
بَعْدَ
এরপরেও
▶
مَا
baʿdamā
যা
▶
سَمِعَهُۥ
samiʿahu
তা শুনেছে
▶
فَإِنَّمَآ
fa-innamā
মূলতঃ তবে
▶
إِثْمُهُۥ
ith'muhu
তার গুনাহ
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
يُبَدِّلُونَهُۥٓ ۚ
yubaddilūnahu
তা পরিবর্তন করেছে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
al-laha
আল্লাহ
▶
سَمِيعٌ
sami'un
সবকিছু শুনেন
▶
عَلِيمٌۭ
alimun
সবকিছু জানেন
আয়াত 182 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمَنْ خَافَ مِن مُّوصٍۢ جَنَفًا أَوْ إِثْمًۭا فَأَصْلَحَ بَيْنَهُمْ فَلَآ إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
যদি কেউ ওসীয়তকারীর পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের অথবা কোন অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের এবং তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়, তবে তার কোন গোনাহ হবে না। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।
▶
فَمَنْ
faman
যে তবে
▶
خَافَ
khāfa
ভয় করে
▶
مِن
min
হতে
▶
مُّوصٍۢ
mūṣin
ওসীয়তকারী
▶
جَنَفًا
janafan
পক্ষপাতিত্বের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
إِثْمًۭا
ith'man
অন্যায়ের
▶
فَأَصْلَحَ
fa-aṣlaḥa
তারপর সে মীমাংসা করে দেবে
▶
بَيْنَهُمْ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
فَلَآ
falā
তবে নেই
▶
إِثْمَ
ith'ma
কোনো গোনাহ
▶
عَلَيْهِ ۚ
ʿalayhi
তার উপর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরমদয়ালু
আয়াত 183 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
كُتِبَ
kutiba
ফরজ করা হয়েছে
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلصِّيَامُ
l-ṣiyāmu
রোযা(সাওম)
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
كُتِبَ
kutiba
ফরজ করা হয়েছিল
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِكُمْ
qablikum
তোমাদের পূর্বে (ছিলো)
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
আশা করা যায়
▶
تَتَّقُونَ
tattaqūna
তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে
আয়াত 184 - সূরা البقرة: 32 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَيَّامًۭا مَّعْدُودَٰتٍۢ ۚ فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍۢ فَعِدَّةٌۭ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۚ وَعَلَى ٱلَّذِينَ يُطِيقُونَهُۥ فِدْيَةٌۭ طَعَامُ مِسْكِينٍۢ ۖ فَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًۭا فَهُوَ خَيْرٌۭ لَّهُۥ ۚ وَأَن تَصُومُوا۟ خَيْرٌۭ لَّكُمْ ۖ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
গণনার কয়েকটি দিনের জন্য অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে, অসুখ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট দায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্যদান করবে। যে ব্যক্তি খুশীর সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য কল্যাণ কর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পার।
▶
أَيَّامًۭا
ayyāman
দিনগুলোতে
▶
مَّعْدُودَٰتٍۢ ۚ
maʿdūdātin
নির্দিষ্ট সংখ্যক
▶
فَمَن
faman
যে অতঃপর
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
مِنكُم
minkum
তোমাদের মধ্যে
▶
مَّرِيضًا
marīḍan
অসুস্থ
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
عَلَىٰ
ʿalā
মধ্যে
▶
سَفَرٍۢ
safarin
সফরের
▶
فَعِدَّةٌۭ
faʿiddatun
সংখ্যা (পূরণ করবে)
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
أَيَّامٍ
ayyāmin
দিনগুলো
▶
أُخَرَ ۚ
ukhara
অন্যান্য
▶
وَعَلَى
waʿalā
এবং উপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
يُطِيقُونَهُۥ
yuṭīqūnahu
তার সামর্থ্য রাখে (কিন্তু রাখবে না)
▶
فِدْيَةٌۭ
fid'yatun
বিনিময় দিবে
▶
طَعَامُ
ṭaʿāmu
খাদ্য দান করে
▶
مِسْكِينٍۢ ۖ
mis'kīnin
এক অভাবগ্রস্তকে
▶
فَمَن
faman
যে অতঃপর
▶
تَطَوَّعَ
taṭawwaʿa
স্বেচ্ছায় করে (অতিরিক্ত)
▶
خَيْرًۭا
khayran
কোনো কল্যাণ
▶
فَهُوَ
fahuwa
তাহলে তা
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
لَّهُۥ ۚ
lahu
তার জন্যে
▶
وَأَن
wa-an
কিন্তু যে
▶
تَصُومُوا۟
taṣūmū
তোমাদের রোজা(সাওম) রাখবে
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
لَّكُمْ ۖ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
জানতে
আয়াত 185 - সূরা البقرة: 44 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
شَهْرُ رَمَضَانَ ٱلَّذِىٓ أُنزِلَ فِيهِ ٱلْقُرْءَانُ هُدًۭى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَـٰتٍۢ مِّنَ ٱلْهُدَىٰ وَٱلْفُرْقَانِ ۚ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ ٱلشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖ وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍۢ فَعِدَّةٌۭ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۗ يُرِيدُ ٱللَّهُ بِكُمُ ٱلْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ ٱلْعُسْرَ وَلِتُكْمِلُوا۟ ٱلْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا۟ ٱللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَىٰكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা’আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।
▶
شَهْرُ
shahru
মাস
▶
رَمَضَانَ
ramaḍāna
রমাদান
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছে
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
ٱلْقُرْءَانُ
l-qur'ānu
কুরআন (যা)
▶
هُدًۭى
hudan
সঠিক পথ নির্দেশনা
▶
لِّلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
وَبَيِّنَـٰتٍۢ
wabayyinātin
এবং সুস্পষ্ট নিদর্শন
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْهُدَىٰ
l-hudā
সঠিক পথের
▶
وَٱلْفُرْقَانِ ۚ
wal-fur'qāni
এবং ন্যায় ও বাতিলের পার্থক্যকারী
▶
فَمَن
faman
সুতরাং যে কেউ
▶
شَهِدَ
shahida
পাবে
▶
مِنكُمُ
minkumu
তোমাদের মধ্যে
▶
ٱلشَّهْرَ
l-shahra
এ মাস
▶
فَلْيَصُمْهُ ۖ
falyaṣum'hu
তাতে সে রোজা(সাওম) রাখে যেন
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
مَرِيضًا
marīḍan
অসুস্থ
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
عَلَىٰ
ʿalā
মধ্যে
▶
سَفَرٍۢ
safarin
সফরের (থাকবে)
▶
فَعِدَّةٌۭ
faʿiddatun
তবে সংখ্যা (পূর্ণ করবে)
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
أَيَّامٍ
ayyāmin
দিনগুলো
▶
أُخَرَ ۗ
ukhara
অন্যান্য
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِكُمُ
bikumu
তোমাদের জন্য
▶
ٱلْيُسْرَ
l-yus'ra
সহজতা
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُرِيدُ
yurīdu
তিনি চান
▶
بِكُمُ
bikumu
তোমাদের জন্য
▶
ٱلْعُسْرَ
l-ʿus'ra
কঠোরতা
▶
وَلِتُكْمِلُوا۟
walituk'milū
এবং তোমরা পূর্ণ কর যেন
▶
ٱلْعِدَّةَ
l-ʿidata
সংখ্যা
▶
وَلِتُكَبِّرُوا۟
walitukabbirū
এবং তোমরা যেন মহিমা প্রকাশ কর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
عَلَىٰ
ʿalā
জন্য
▶
مَا
mā
যে
▶
هَدَىٰكُمْ
hadākum
তিনি তোমাদের পথ দেখিয়েছেন
▶
وَلَعَلَّكُمْ
walaʿallakum
এবং আশা করা যায়
▶
تَشْكُرُونَ
tashkurūna
তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে
আয়াত 186 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِى عَنِّى فَإِنِّى قَرِيبٌ ۖ أُجِيبُ دَعْوَةَ ٱلدَّاعِ إِذَا دَعَانِ ۖ فَلْيَسْتَجِيبُوا۟ لِى وَلْيُؤْمِنُوا۟ بِى لَعَلَّهُمْ يَرْشُدُونَ
আর আমার বান্দারা যখন তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে আমার ব্যাপারে বস্তুতঃ আমি রয়েছি সন্নিকটে। যারা প্রার্থনা করে, তাদের প্রার্থনা কবুল করে নেই, যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে। কাজেই আমার হুকুম মান্য করা এবং আমার প্রতি নিঃসংশয়ে বিশ্বাস করা তাদের একান্ত কর্তব্য। যাতে তারা সৎপথে আসতে পারে।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
سَأَلَكَ
sa-alaka
তোমাকে প্রশ্ন করে
▶
عِبَادِى
ʿibādī
আমার বান্দারা
▶
عَنِّى
ʿannī
আমার সম্পর্কে
▶
فَإِنِّى
fa-innī
তখন (বল) আমি নিশ্চয়ই
▶
قَرِيبٌ ۖ
qarībun
নিকটেই
▶
أُجِيبُ
ujību
আমি সাড়া দিই
▶
دَعْوَةَ
daʿwata
ডাকে
▶
ٱلدَّاعِ
l-dāʿi
প্রার্থনাকারীর
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
دَعَانِ ۖ
daʿāni
আমাকে ডাকে
▶
فَلْيَسْتَجِيبُوا۟
falyastajībū
অতএব তারাও সাড়া দিক
▶
لِى
lī
আমার
▶
وَلْيُؤْمِنُوا۟
walyu'minū
এবং তারা ঈমান আনুক
▶
بِى
bī
আমার উপর
▶
لَعَلَّهُمْ
laʿallahum
হয়ত তারা
▶
يَرْشُدُونَ
yarshudūna
সত্যের সন্ধান পাবে
আয়াত 187 - সূরা البقرة: 65 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ ٱلصِّيَامِ ٱلرَّفَثُ إِلَىٰ نِسَآئِكُمْ ۚ هُنَّ لِبَاسٌۭ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌۭ لَّهُنَّ ۗ عَلِمَ ٱللَّهُ أَنَّكُمْ كُنتُمْ تَخْتَانُونَ أَنفُسَكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ وَعَفَا عَنكُمْ ۖ فَٱلْـَٔـٰنَ بَـٰشِرُوهُنَّ وَٱبْتَغُوا۟ مَا كَتَبَ ٱللَّهُ لَكُمْ ۚ وَكُلُوا۟ وَٱشْرَبُوا۟ حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَكُمُ ٱلْخَيْطُ ٱلْأَبْيَضُ مِنَ ٱلْخَيْطِ ٱلْأَسْوَدِ مِنَ ٱلْفَجْرِ ۖ ثُمَّ أَتِمُّوا۟ ٱلصِّيَامَ إِلَى ٱلَّيْلِ ۚ وَلَا تُبَـٰشِرُوهُنَّ وَأَنتُمْ عَـٰكِفُونَ فِى ٱلْمَسَـٰجِدِ ۗ تِلْكَ حُدُودُ ٱللَّهِ فَلَا تَقْرَبُوهَا ۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ ءَايَـٰتِهِۦ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর এবং যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর। আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা। অতএব, এর কাছেও যেও না। এমনিভাবে বর্ণনা করেন আল্লাহ নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে।
▶
أُحِلَّ
uḥilla
(হালাল) করা হয়েছে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
لَيْلَةَ
laylata
রাতে
▶
ٱلصِّيَامِ
l-ṣiyāmi
সাওমের
▶
ٱلرَّفَثُ
l-rafathu
স্ত্রী সহবাস
▶
إِلَىٰ
ilā
সাথে
▶
نِسَآئِكُمْ ۚ
nisāikum
তোমাদের স্ত্রীদের
▶
هُنَّ
hunna
তারা
▶
لِبَاسٌۭ
libāsun
পোশাক
▶
لَّكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
ও তোমরা
▶
لِبَاسٌۭ
libāsun
পোশাক
▶
لَّهُنَّ ۗ
lahunna
তাদের জন্যে
▶
عَلِمَ
ʿalima
জেনেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَنَّكُمْ
annakum
তোমরা যে
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা ছিলে
▶
تَخْتَانُونَ
takhtānūna
প্রতারণা করতে
▶
أَنفُسَكُمْ
anfusakum
তোমাদের নিজেদের (সাথে)
▶
فَتَابَ
fatāba
তওবা গ্রহণ করলেন
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَعَفَا
waʿafā
এবং ক্ষমা করলেন
▶
عَنكُمْ ۖ
ʿankum
তোমাদের
▶
فَٱلْـَٔـٰنَ
fal-āna
অতএব এখন
▶
بَـٰشِرُوهُنَّ
bāshirūhunna
তাদের সাথে তোমরা সহবাস করো
▶
وَٱبْتَغُوا۟
wa-ib'taghū
এবং তোমরা সন্ধান করো
▶
مَا
mā
যা
▶
كَتَبَ
kataba
লিখে দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَكُمْ ۚ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
وَكُلُوا۟
wakulū
ও তোমরা খাও
▶
وَٱشْرَبُوا۟
wa-ish'rabū
ও তোমরা পান করো
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَتَبَيَّنَ
yatabayyana
স্পষ্ট হয়ে যায়
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের কাছে
▶
ٱلْخَيْطُ
l-khayṭu
রেখা
▶
ٱلْأَبْيَضُ
l-abyaḍu
সাদা (অর্থাৎ সুবেহ সাদেক)
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْخَيْطِ
l-khayṭi
রেখা
▶
ٱلْأَسْوَدِ
l-aswadi
কাল (অর্থাৎ রাতের অন্ধকার)
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْفَجْرِ ۖ
l-fajri
ফজরে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
أَتِمُّوا۟
atimmū
তোমরা পূর্ণ করো
▶
ٱلصِّيَامَ
l-ṣiyāma
সাওম
▶
إِلَى
ilā
পর্যন্ত
▶
ٱلَّيْلِ ۚ
al-layli
রাত্র (অর্থাৎ সূর্যাস্ত)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُبَـٰشِرُوهُنَّ
tubāshirūhunna
তাদের সাথে তোমরা সহবাস কর
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এমতাবস্থায় তোমরা
▶
عَـٰكِفُونَ
ʿākifūna
এতিকাফরত
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْمَسَـٰجِدِ ۗ
l-masājidi
মসজিদের
▶
تِلْكَ
til'ka
এই
▶
حُدُودُ
ḥudūdu
সীমাসমূহ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَلَا
falā
না তাই
▶
تَقْرَبُوهَا ۗ
taqrabūhā
তার নিকটে যাবে তোমরা
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُبَيِّنُ
yubayyinu
স্পষ্ট বর্ণনা করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
তার নিদর্শনগুলো
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্যে
▶
لَعَلَّهُمْ
laʿallahum
আশা করা যায় তারা
▶
يَتَّقُونَ
yattaqūna
তাকওয়া অবলম্বন করবে
আয়াত 188 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَأْكُلُوٓا۟ أَمْوَٰلَكُم بَيْنَكُم بِٱلْبَـٰطِلِ وَتُدْلُوا۟ بِهَآ إِلَى ٱلْحُكَّامِ لِتَأْكُلُوا۟ فَرِيقًۭا مِّنْ أَمْوَٰلِ ٱلنَّاسِ بِٱلْإِثْمِ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
তোমরা অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ ভোগ করো না। এবং জনগণের সম্পদের কিয়দংশ জেনে-শুনে পাপ পন্থায় আত্নসাৎ করার উদ্দেশে শাসন কতৃপক্ষের হাতেও তুলে দিও না।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَأْكُلُوٓا۟
takulū
তোমরা খেয়ো
▶
أَمْوَٰلَكُم
amwālakum
ধন-সম্পদসমূহকে
▶
بَيْنَكُم
baynakum
তোমাদের পরস্পরের
▶
بِٱلْبَـٰطِلِ
bil-bāṭili
অন্যায়ভাবে
▶
وَتُدْلُوا۟
watud'lū
তোমরা (না) পেশ কর
▶
بِهَآ
bihā
তা নিয়ে
▶
إِلَى
ilā
কাছে
▶
ٱلْحُكَّامِ
l-ḥukāmi
বিচারকদের
▶
لِتَأْكُلُوا۟
litakulū
তোমরা খেতে পার যেন
▶
فَرِيقًۭا
farīqan
কিয়দংশ
▶
مِّنْ
min
হতে
▶
أَمْوَٰلِ
amwāli
ধন-সম্পদের
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
بِٱلْإِثْمِ
bil-ith'mi
অন্যায়ভাবে
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
এমতাবস্থায় তোমরা
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
জান
আয়াত 189 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْأَهِلَّةِ ۖ قُلْ هِىَ مَوَٰقِيتُ لِلنَّاسِ وَٱلْحَجِّ ۗ وَلَيْسَ ٱلْبِرُّ بِأَن تَأْتُوا۟ ٱلْبُيُوتَ مِن ظُهُورِهَا وَلَـٰكِنَّ ٱلْبِرَّ مَنِ ٱتَّقَىٰ ۗ وَأْتُوا۟ ٱلْبُيُوتَ مِنْ أَبْوَٰبِهَا ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
তোমার নিকট তারা জিজ্ঞেস করে নতুন চাঁদের বিষয়ে। বলে দাও যে এটি মানুষের জন্য সময় নির্ধারণ এবং হজ্বের সময় ঠিক করার মাধ্যম। আর পেছনের দিক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করার মধ্যে কোন নেকী বা কল্যাণ নেই। অবশ্য নেকী হল আল্লাহকে ভয় করার মধ্যে। আর তোমরা ঘরে প্রবেশ কর দরজা দিয়ে এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা নিজেদের বাসনায় কৃতকার্য হতে পার।
▶
۞ يَسْـَٔلُونَكَ
yasalūnaka
তোমাকে তারা জিজ্ঞেস করে
▶
عَنِ
ʿani
সম্বন্ধে
▶
ٱلْأَهِلَّةِ ۖ
l-ahilati
নতুন চাঁদ
▶
قُلْ
qul
তুমি বলো
▶
هِىَ
hiya
''তা
▶
مَوَٰقِيتُ
mawāqītu
সময় (তারিখ) নির্দেশক
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
وَٱلْحَجِّ ۗ
wal-ḥaji
ও হজ্জের
▶
وَلَيْسَ
walaysa
এবং নেই
▶
ٱلْبِرُّ
l-biru
পূণ্য
▶
بِأَن
bi-an
যে এতে
▶
تَأْتُوا۟
tatū
তোমরা আস
▶
ٱلْبُيُوتَ
l-buyūta
ঘরগুলোতে
▶
مِن
min
হতে
▶
ظُهُورِهَا
ẓuhūrihā
তার পিছন দিক
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱلْبِرَّ
l-bira
পূণ্য
▶
مَنِ
mani
যে কেউ
▶
ٱتَّقَىٰ ۗ
ittaqā
তাকওয়া অবলম্বন করবে
▶
وَأْتُوا۟
watū
এবং তোমরা আসো
▶
ٱلْبُيُوتَ
l-buyūta
ঘরগুলোতে
▶
مِنْ
min
দিয়ে
▶
أَبْوَٰبِهَا ۚ
abwābihā
তার সম্মুখ দরজাগুলো
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
আশা করা যায়
▶
تُفْلِحُونَ
tuf'liḥūna
তোমরা সফল হবে
আয়াত 190 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَـٰتِلُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ٱلَّذِينَ يُقَـٰتِلُونَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوٓا۟ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلْمُعْتَدِينَ
আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।
▶
وَقَـٰتِلُوا۟
waqātilū
এবং তোমরা যুদ্ধ করো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের সাথে) যারা
▶
يُقَـٰتِلُونَكُمْ
yuqātilūnakum
তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে
▶
وَلَا
walā
কিন্তু না
▶
تَعْتَدُوٓا۟ ۚ
taʿtadū
তোমরা সীমালংঘন করো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালবাসেন
▶
ٱلْمُعْتَدِينَ
l-muʿ'tadīna
সীমালংঘনকারীদেরকে
আয়াত 191 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱقْتُلُوهُمْ حَيْثُ ثَقِفْتُمُوهُمْ وَأَخْرِجُوهُم مِّنْ حَيْثُ أَخْرَجُوكُمْ ۚ وَٱلْفِتْنَةُ أَشَدُّ مِنَ ٱلْقَتْلِ ۚ وَلَا تُقَـٰتِلُوهُمْ عِندَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ حَتَّىٰ يُقَـٰتِلُوكُمْ فِيهِ ۖ فَإِن قَـٰتَلُوكُمْ فَٱقْتُلُوهُمْ ۗ كَذَٰلِكَ جَزَآءُ ٱلْكَـٰفِرِينَ
আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে। বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে। তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এই হল কাফেরদের শাস্তি।
▶
وَٱقْتُلُوهُمْ
wa-uq'tulūhum
এবং তাদেরকে হত্যা করো
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখানেই
▶
ثَقِفْتُمُوهُمْ
thaqif'tumūhum
তাদেরকে তোমরা পাও
▶
وَأَخْرِجُوهُم
wa-akhrijūhum
ও তাদেরকে বের করে দাও
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখান
▶
أَخْرَجُوكُمْ ۚ
akhrajūkum
তোমাদের বের করেছে তারা
▶
وَٱلْفِتْنَةُ
wal-fit'natu
এবং বিপর্যয়
▶
أَشَدُّ
ashaddu
গুরুতর
▶
مِنَ
mina
চেয়ে
▶
ٱلْقَتْلِ ۚ
l-qatli
হত্যার
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُقَـٰتِلُوهُمْ
tuqātilūhum
তাদের সাথে যুদ্ধ কর
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱلْمَسْجِدِ
l-masjidi
মসজিদে
▶
ٱلْحَرَامِ
l-ḥarāmi
হারামের
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يُقَـٰتِلُوكُمْ
yuqātilūkum
তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে তারা
▶
فِيهِ ۖ
fīhi
তার মধ্যে
▶
فَإِن
fa-in
তবে যদি
▶
قَـٰتَلُوكُمْ
qātalūkum
তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে তারা
▶
فَٱقْتُلُوهُمْ ۗ
fa-uq'tulūhum
তাহলে তোমরা হত্যা করো
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এরূপই
▶
جَزَآءُ
jazāu
শাস্তি
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফেরদের
আয়াত 192 - সূরা البقرة: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِنِ ٱنتَهَوْا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
আর তারা যদি বিরত থাকে, তাহলে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু।
▶
فَإِنِ
fa-ini
অতঃপর যদি
▶
ٱنتَهَوْا۟
intahaw
তারা বিরত হয়
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবে নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 193 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَـٰتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌۭ وَيَكُونَ ٱلدِّينُ لِلَّهِ ۖ فَإِنِ ٱنتَهَوْا۟ فَلَا عُدْوَٰنَ إِلَّا عَلَى ٱلظَّـٰلِمِينَ
আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। অতঃপর যদি তারা নিবৃত হয়ে যায় তাহলে কারো প্রতি কোন জবরদস্তি নেই, কিন্তু যারা যালেম (তাদের ব্যাপারে আলাদা)।
▶
وَقَـٰتِلُوهُمْ
waqātilūhum
এবং তোমরা যুদ্ধ করতে থাকো তাদেরকে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ
▶
لَا
lā
না
▶
تَكُونَ
takūna
থাকে
▶
فِتْنَةٌۭ
fit'natun
বিপর্যয়
▶
وَيَكُونَ
wayakūna
ও হয়
▶
ٱلدِّينُ
l-dīnu
দ্বীন
▶
لِلَّهِ ۖ
lillahi
আল্লাহর জন্যে (নির্দিষ্ট)
▶
فَإِنِ
fa-ini
যদি অতঃপর
▶
ٱنتَهَوْا۟
intahaw
তারা বিরত হয়
▶
فَلَا
falā
নেই তবে
▶
عُدْوَٰنَ
ʿud'wāna
আক্রমণের (সুযোগ)
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের
আয়াত 194 - সূরা البقرة: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلشَّهْرُ ٱلْحَرَامُ بِٱلشَّهْرِ ٱلْحَرَامِ وَٱلْحُرُمَـٰتُ قِصَاصٌۭ ۚ فَمَنِ ٱعْتَدَىٰ عَلَيْكُمْ فَٱعْتَدُوا۟ عَلَيْهِ بِمِثْلِ مَا ٱعْتَدَىٰ عَلَيْكُمْ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ مَعَ ٱلْمُتَّقِينَ
সম্মানিত মাসই সম্মানিত মাসের বদলা। আর সম্মান রক্ষা করারও বদলা রয়েছে। বস্তুতঃ যারা তোমাদের উপর জবর দস্তি করেছে, তোমরা তাদের উপর জবরদস্তি কর, যেমন জবরদস্তি তারা করেছে তোমাদের উপর। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ, যারা পরহেযগার, আল্লাহ তাদের সাথে রয়েছেন।
▶
ٱلشَّهْرُ
al-shahru
মাস
▶
ٱلْحَرَامُ
l-ḥarāmu
পবিত্র
▶
بِٱلشَّهْرِ
bil-shahri
মাস বিনিময়ে
▶
ٱلْحَرَامِ
l-ḥarāmi
পবিত্র
▶
وَٱلْحُرُمَـٰتُ
wal-ḥurumātu
এবং সমস্ত পবিত্র বিষয় (লংঘনের)
▶
قِصَاصٌۭ ۚ
qiṣāṣun
বদলা (রয়েছে)
▶
فَمَنِ
famani
যে তাই
▶
ٱعْتَدَىٰ
iʿ'tadā
বাড়াবাড়ি করবে
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
فَٱعْتَدُوا۟
fa-iʿ'tadū
তোমরাও তখন বাড়াবাড়ির বদলা নাও
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
بِمِثْلِ
bimith'li
অনুরূপ
▶
مَا
mā
যেমন
▶
ٱعْتَدَىٰ
iʿ'tadā
বাড়াবাড়ি করেছে
▶
عَلَيْكُمْ ۚ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রাখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
مَعَ
maʿa
সাথে (আছেন)
▶
ٱلْمُتَّقِينَ
l-mutaqīna
মুত্তাকীদের
আয়াত 195 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَنفِقُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَلَا تُلْقُوا۟ بِأَيْدِيكُمْ إِلَى ٱلتَّهْلُكَةِ ۛ وَأَحْسِنُوٓا۟ ۛ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلْمُحْسِنِينَ
আর ব্যয় কর আল্লাহর পথে, তবে নিজের জীবনকে ধ্বংসের সম্মুখীন করো না। আর মানুষের প্রতি অনুগ্রহ কর। আল্লাহ অনুগ্রহকারীদেরকে ভালবাসেন।
▶
وَأَنفِقُوا۟
wa-anfiqū
এবং তোমরা ব্যয় করো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُلْقُوا۟
tul'qū
তোমরা নিক্ষেপ করো
▶
بِأَيْدِيكُمْ
bi-aydīkum
তোমাদের হাতে (নিজেদেরকে)
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلتَّهْلُكَةِ ۛ
l-tahlukati
ধ্বংসের
▶
وَأَحْسِنُوٓا۟ ۛ
wa-aḥsinū
এবং তোমরা অনুগ্রহ করো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালবাসেন
▶
ٱلْمُحْسِنِينَ
l-muḥ'sinīna
অনুগ্রহকারীদেরকে
আয়াত 196 - সূরা البقرة: 73 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَتِمُّوا۟ ٱلْحَجَّ وَٱلْعُمْرَةَ لِلَّهِ ۚ فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا ٱسْتَيْسَرَ مِنَ ٱلْهَدْىِ ۖ وَلَا تَحْلِقُوا۟ رُءُوسَكُمْ حَتَّىٰ يَبْلُغَ ٱلْهَدْىُ مَحِلَّهُۥ ۚ فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ بِهِۦٓ أَذًۭى مِّن رَّأْسِهِۦ فَفِدْيَةٌۭ مِّن صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍۢ ۚ فَإِذَآ أَمِنتُمْ فَمَن تَمَتَّعَ بِٱلْعُمْرَةِ إِلَى ٱلْحَجِّ فَمَا ٱسْتَيْسَرَ مِنَ ٱلْهَدْىِ ۚ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَـٰثَةِ أَيَّامٍۢ فِى ٱلْحَجِّ وَسَبْعَةٍ إِذَا رَجَعْتُمْ ۗ تِلْكَ عَشَرَةٌۭ كَامِلَةٌۭ ۗ ذَٰلِكَ لِمَن لَّمْ يَكُنْ أَهْلُهُۥ حَاضِرِى ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ
আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ্ব ওমরাহ পরিপূর্ণ ভাবে পালন কর। যদি তোমরা বাধা প্রাপ্ত হও, তাহলে কোরবানীর জন্য যাকিছু সহজলভ্য, তাই তোমাদের উপর ধার্য। আর তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মাথা মুন্ডন করবে না, যতক্ষণ না কোরবাণী যথাস্থানে পৌছে যাবে। যারা তোমাদের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়বে কিংবা মাথায় যদি কোন কষ্ট থাকে, তাহলে তার পরিবর্তে রোজা করবে কিংবা খয়রাত দেবে অথবা কুরবানী করবে। আর তোমাদের মধ্যে যারা হজ্জ্ব ওমরাহ একত্রে একই সাথে পালন করতে চাও, তবে যাকিছু সহজলভ্য, তা দিয়ে কুরবানী করাই তার উপর কর্তব্য। বস্তুতঃ যারা কোরবানীর পশু পাবে না, তারা হজ্জ্বের দিনগুলোর মধ্যে রোজা রাখবে তিনটি আর সাতটি রোযা রাখবে ফিরে যাবার পর। এভাবে দশটি রোযা পূর্ণ হয়ে যাবে। এ নির্দেশটি তাদের জন্য, যাদের পরিবার পরিজন মসজিদুল হারামের আশে-পাশে বসবাস করে না। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক। সন্দেহাতীতভাবে জেনো যে, আল্লাহর আযাব বড়ই কঠিন।
▶
وَأَتِمُّوا۟
wa-atimmū
এবং তোমরা পূর্ণ করো
▶
ٱلْحَجَّ
l-ḥaja
হজ্জ
▶
وَٱلْعُمْرَةَ
wal-ʿum'rata
ও ওমরাহ
▶
لِلَّهِ ۚ
lillahi
আল্লাহরই জন্যে
▶
فَإِنْ
fa-in
অতঃপর যদি
▶
أُحْصِرْتُمْ
uḥ'ṣir'tum
তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও
▶
فَمَا
famā
যা তবে
▶
ٱسْتَيْسَرَ
is'taysara
সহজলভ্য হয়
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْهَدْىِ ۖ
l-hadyi
কুরবানি (তাই পেশ কর)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَحْلِقُوا۟
taḥliqū
তোমরা মুণ্ডন করো
▶
رُءُوسَكُمْ
ruūsakum
তোমাদের মাথা
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَبْلُغَ
yablugha
পৌঁছে
▶
ٱلْهَدْىُ
l-hadyu
কুরবানি (তাই পেশ কর)
▶
مَحِلَّهُۥ ۚ
maḥillahu
তার স্থানে
▶
فَمَن
faman
যে অতঃপর
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
مِنكُم
minkum
তোমাদের মধ্যে
▶
مَّرِيضًا
marīḍan
পীড়িত
▶
أَوْ
aw
বা
▶
بِهِۦٓ
bihi
তার আছে
▶
أَذًۭى
adhan
কষ্টদায়ক
▶
مِّن
min
মধ্যে
▶
رَّأْسِهِۦ
rasihi
তার মাথার
▶
فَفِدْيَةٌۭ
fafid'yatun
তবে বিনিময় (দিবে)
▶
مِّن
min
দ্বারা
▶
صِيَامٍ
ṣiyāmin
একটি সাওমের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
صَدَقَةٍ
ṣadaqatin
সদকা
▶
أَوْ
aw
বা
▶
نُسُكٍۢ ۚ
nusukin
কুরবানি (দ্বারা)
▶
فَإِذَآ
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
أَمِنتُمْ
amintum
তোমরা নিরাপদ হও
▶
فَمَن
faman
যে তখন
▶
تَمَتَّعَ
tamattaʿa
লাভবান হতে চায়
▶
بِٱلْعُمْرَةِ
bil-ʿum'rati
ওমরাহর
▶
إِلَى
ilā
পর্যন্ত
▶
ٱلْحَجِّ
l-ḥaji
হজ্জ
▶
فَمَا
famā
যা তবে
▶
ٱسْتَيْسَرَ
is'taysara
সহজলভ্য হবে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْهَدْىِ ۚ
l-hadyi
কুরবানি (দেবে)
▶
فَمَن
faman
কিন্তু যে
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَجِدْ
yajid
পায়
▶
فَصِيَامُ
faṣiyāmu
তাহলে সাওম রাখবে
▶
ثَلَـٰثَةِ
thalāthati
তিন
▶
أَيَّامٍۢ
ayyāmin
দিনের
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْحَجِّ
l-ḥaji
হজ্জের
▶
وَسَبْعَةٍ
wasabʿatin
ও সাত (দিন)
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
رَجَعْتُمْ ۗ
rajaʿtum
তোমরা ফিরবে
▶
تِلْكَ
til'ka
এই
▶
عَشَرَةٌۭ
ʿasharatun
দশ (দিন)
▶
كَامِلَةٌۭ ۗ
kāmilatun
পূর্ণ (রোযা রাখবে)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
لِمَن
liman
তার জন্যে যার
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَكُنْ
yakun
হয়
▶
أَهْلُهُۥ
ahluhu
তার পরিজনবর্গ
▶
حَاضِرِى
ḥāḍirī
বাসিন্দা
▶
ٱلْمَسْجِدِ
l-masjidi
মসজিদে
▶
ٱلْحَرَامِ ۚ
l-ḥarāmi
হারামের
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রাখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
شَدِيدُ
shadīdu
কঠোর
▶
ٱلْعِقَابِ
l-ʿiqābi
(মন্দ কাজের) শাস্তিদানে
আয়াত 197 - সূরা البقرة: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلْحَجُّ أَشْهُرٌۭ مَّعْلُومَـٰتٌۭ ۚ فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ ٱلْحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِى ٱلْحَجِّ ۗ وَمَا تَفْعَلُوا۟ مِنْ خَيْرٍۢ يَعْلَمْهُ ٱللَّهُ ۗ وَتَزَوَّدُوا۟ فَإِنَّ خَيْرَ ٱلزَّادِ ٱلتَّقْوَىٰ ۚ وَٱتَّقُونِ يَـٰٓأُو۟لِى ٱلْأَلْبَـٰبِ
হজ্জ্বে কয়েকটি মাস আছে সুবিদিত। এসব মাসে যে লোক হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে, তার পক্ষে স্ত্রীও সাথে নিরাভরণ হওয়া জায়েজ নয়। না অশোভন কোন কাজ করা, না ঝাগড়া-বিবাদ করা হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়। আর তোমরা যাকিছু সৎকাজ কর, আল্লাহ তো জানেন। আর তোমরা পাথেয় সাথে নিয়ে নাও। নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। আর আমাকে ভয় করতে থাক, হে বুদ্ধিমানগন! তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায় কোন পাপ নেই।
▶
ٱلْحَجُّ
al-ḥaju
হজ্জের
▶
أَشْهُرٌۭ
ashhurun
মাসগুলো
▶
مَّعْلُومَـٰتٌۭ ۚ
maʿlūmātun
সুবিদিত
▶
فَمَن
faman
তাই যে কেউ
▶
فَرَضَ
faraḍa
স্থির করল
▶
فِيهِنَّ
fīhinna
তার মধ্যে
▶
ٱلْحَجَّ
l-ḥaja
হজ্জ করার
▶
فَلَا
falā
না তখন
▶
رَفَثَ
rafatha
যৌন সম্ভোগ করবে (হজ্জের সময়)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
فُسُوقَ
fusūqa
অন্যায় আচরণ করবে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
جِدَالَ
jidāla
কলহ-বিবাদ করবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْحَجِّ ۗ
l-ḥaji
হজ্জের
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تَفْعَلُوا۟
tafʿalū
তোমরা কর
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
কল্যাণ
▶
يَعْلَمْهُ
yaʿlamhu
তা জানেন
▶
ٱللَّهُ ۗ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَتَزَوَّدُوا۟
watazawwadū
এবং তোমরা পাথেয় সাথে নাও
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তবে
▶
خَيْرَ
khayra
উত্তম
▶
ٱلزَّادِ
l-zādi
পাথেয় (হল)
▶
ٱلتَّقْوَىٰ ۚ
l-taqwā
তাকওয়া
▶
وَٱتَّقُونِ
wa-ittaqūni
এবং আমাকে তোমরা ভয় করো
▶
يَـٰٓأُو۟لِى
yāulī
হে
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বুদ্ধিমান লোকেরা
আয়াত 198 - সূরা البقرة: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَبْتَغُوا۟ فَضْلًۭا مِّن رَّبِّكُمْ ۚ فَإِذَآ أَفَضْتُم مِّنْ عَرَفَـٰتٍۢ فَٱذْكُرُوا۟ ٱللَّهَ عِندَ ٱلْمَشْعَرِ ٱلْحَرَامِ ۖ وَٱذْكُرُوهُ كَمَا هَدَىٰكُمْ وَإِن كُنتُم مِّن قَبْلِهِۦ لَمِنَ ٱلضَّآلِّينَ
তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষন করায় কোন পাপ নেই। অতঃপর যখন তওয়াফের জন্য ফিরে আসবে আরাফাত থেকে, তখন মাশ‘ আরে-হারামের নিকটে আল্লাহকে স্মরণ কর। আর তাঁকে স্মরণ কর তেমনি করে, যেমন তোমাদিগকে হেদায়েত করা হয়েছে। আর নিশ্চয়ই ইতিপূর্বে তোমরা ছিলে অজ্ঞ।
▶
لَيْسَ
laysa
নেই
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
جُنَاحٌ
junāḥun
কোন পাপ
▶
أَن
an
যে
▶
تَبْتَغُوا۟
tabtaghū
তোমরা সন্ধান করবে
▶
فَضْلًۭا
faḍlan
অনুগ্রহ
▶
مِّن
min
কাছ থেকে
▶
رَّبِّكُمْ ۚ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
فَإِذَآ
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
أَفَضْتُم
afaḍtum
তোমরা প্রত্যাবর্তন কর
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
عَرَفَـٰتٍۢ
ʿarafātin
আরাফাত
▶
فَٱذْكُرُوا۟
fa-udh'kurū
তোমরা স্মরণ করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱلْمَشْعَرِ
l-mashʿari
মাশআরিল
▶
ٱلْحَرَامِ ۖ
l-ḥarāmi
হারামের (মুজাদালেফায়)
▶
وَٱذْكُرُوهُ
wa-udh'kurūhu
এবং তাকে স্মরণ করো
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
هَدَىٰكُمْ
hadākum
তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদিও
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা ছিলে
▶
مِّن
min
থেকে
▶
قَبْلِهِۦ
qablihi
এর পূর্বেই
▶
لَمِنَ
lamina
অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلضَّآلِّينَ
l-ḍālīna
পথভ্রষ্টদের
আয়াত 199 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ أَفِيضُوا۟ مِنْ حَيْثُ أَفَاضَ ٱلنَّاسُ وَٱسْتَغْفِرُوا۟ ٱللَّهَ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
অতঃপর তওয়াফের জন্যে দ্রুতগতিতে সেখান থেকে ফিরে আস, যেখান থেকে সবাই ফিরে। আর আল্লাহর কাছেই মাগফেরাত কামনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাকারী, করুনাময়।
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
أَفِيضُوا۟
afīḍū
তোমরা প্রত্যাবর্তন করো
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখান
▶
أَفَاضَ
afāḍa
প্রত্যাবর্তন করে
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
মানুষ
▶
وَٱسْتَغْفِرُوا۟
wa-is'taghfirū
এবং তোমরা ক্ষমা চাও
▶
ٱللَّهَ ۚ
l-laha
আল্লাহর (কাছে)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 200 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِذَا قَضَيْتُم مَّنَـٰسِكَكُمْ فَٱذْكُرُوا۟ ٱللَّهَ كَذِكْرِكُمْ ءَابَآءَكُمْ أَوْ أَشَدَّ ذِكْرًۭا ۗ فَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يَقُولُ رَبَّنَآ ءَاتِنَا فِى ٱلدُّنْيَا وَمَا لَهُۥ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ مِنْ خَلَـٰقٍۢ
আর অতঃপর যখন হজ্জ্বের যাবতীয় অনুষ্ঠানক্রিয়াদি সমাপ্ত করে সারবে, তখন স্মরণ করবে আল্লাহকে, যেমন করে তোমরা স্মরণ করতে নিজেদের বাপ-দাদাদেরকে; বরং তার চেয়েও বেশী স্মরণ করবে। তারপর অনেকে তো বলে যে পরওয়াদেগার! আমাদিগকে দুনিয়াতে দান কর। অথচ তার জন্যে পরকালে কোন অংশ নেই।
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
قَضَيْتُم
qaḍaytum
তোমরা সম্পন্ন করবে
▶
مَّنَـٰسِكَكُمْ
manāsikakum
তোমাদের হজ্জের অনুষ্ঠানাদি
▶
فَٱذْكُرُوا۟
fa-udh'kurū
তখন তোমরা স্মরণ করবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
كَذِكْرِكُمْ
kadhik'rikum
তোমরা স্মরণ করতে যেমন
▶
ءَابَآءَكُمْ
ābāakum
তোমাদের বাপ-দাদাদেরকে
▶
أَوْ
aw
বরং (এখন)
▶
أَشَدَّ
ashadda
অধিকতর
▶
ذِكْرًۭا ۗ
dhik'ran
স্মরণ কর (আল্লাহকে)
▶
فَمِنَ
famina
অতঃপর কিছু
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষ (এমন আছে)
▶
مَن
man
যারা
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলে
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
ءَاتِنَا
ātinā
আমাদের দাও
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
(এই) পৃথিবীর
▶
وَمَا
wamā
আর নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখেরাতের
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
خَلَـٰقٍۢ
khalāqin
অংশ
আয়াত 201 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنْهُم مَّن يَقُولُ رَبَّنَآ ءَاتِنَا فِى ٱلدُّنْيَا حَسَنَةًۭ وَفِى ٱلْـَٔاخِرَةِ حَسَنَةًۭ وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ
আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলে-হে পরওয়ারদেগার! আমাদিগকে দুনয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদিগকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।
▶
وَمِنْهُم
wamin'hum
এবং তাদের মধ্যে (এমনও আছে)
▶
مَّن
man
যারা
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলে
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
ءَاتِنَا
ātinā
আমাদের দাও
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
(এই) পৃথিবীর
▶
حَسَنَةًۭ
ḥasanatan
কল্যাণ
▶
وَفِى
wafī
ও
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখেরাতের মধ্যে
▶
حَسَنَةًۭ
ḥasanatan
কল্যাণ
▶
وَقِنَا
waqinā
এবং আমাদের বাঁচাও
▶
عَذَابَ
ʿadhāba
শাস্তি (হতে)
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
দোজখের আগুনের
আয়াত 202 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ نَصِيبٌۭ مِّمَّا كَسَبُوا۟ ۚ وَٱللَّهُ سَرِيعُ ٱلْحِسَابِ
এদেরই জন্য অংশ রয়েছে নিজেদের উপার্জিত সম্পদের। আর আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
نَصِيبٌۭ
naṣībun
অংশ (উভয় স্থানে)
▶
مِّمَّا
mimmā
তা থেকে যা
▶
كَسَبُوا۟ ۚ
kasabū
তারা অর্জন করেছে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
আর আল্লাহ
▶
سَرِيعُ
sarīʿu
দ্রুত
▶
ٱلْحِسَابِ
l-ḥisābi
হিসাব নিতে
আয়াত 203 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَٱذْكُرُوا۟ ٱللَّهَ فِىٓ أَيَّامٍۢ مَّعْدُودَٰتٍۢ ۚ فَمَن تَعَجَّلَ فِى يَوْمَيْنِ فَلَآ إِثْمَ عَلَيْهِ وَمَن تَأَخَّرَ فَلَآ إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ لِمَنِ ٱتَّقَىٰ ۗ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّكُمْ إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ
আর স্মরণ কর আল্লাহকে নির্দিষ্ট সংখ্যক কয়েকটি দিনে। অতঃপর যে লোক তাড়াহুড়া করে চলে যাবে শুধু দু, দিনের মধ্যে, তার জন্যে কোন পাপ নেই। আর যে লোক থেকে যাবে তাঁর উপর কোন পাপ নেই, অবশ্য যারা ভয় করে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করতে থাক এবং নিশ্চিত জেনে রাখ, তোমরা সবাই তার সামনে সমবেত হবে।
▶
۞ وَٱذْكُرُوا۟
wa-udh'kurū
এবং তোমরা স্মরণ করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَيَّامٍۢ
ayyāmin
দিনগুলোর
▶
مَّعْدُودَٰتٍۢ ۚ
maʿdūdātin
নির্দিষ্ট সংখ্যক
▶
فَمَن
faman
যে অতঃপর
▶
تَعَجَّلَ
taʿajjala
তাড়াতাড়ি করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
يَوْمَيْنِ
yawmayni
দুইদিনের (চলে আসে)
▶
فَلَآ
falā
নেই তবে
▶
إِثْمَ
ith'ma
কোন পাপ
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
وَمَن
waman
আর যে
▶
تَأَخَّرَ
ta-akhara
বিলম্ব করে (ফিরে)
▶
فَلَآ
falā
তাতেও নাই
▶
إِثْمَ
ith'ma
কোন পাপ
▶
عَلَيْهِ ۚ
ʿalayhi
তার উপর
▶
لِمَنِ
limani
তার জন্য যে
▶
ٱتَّقَىٰ ۗ
ittaqā
তাকওয়া অবলম্বন করে
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রাখো
▶
أَنَّكُمْ
annakum
যে তোমাদেরকে
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তারই দিকে
▶
تُحْشَرُونَ
tuḥ'sharūna
একত্র করা হবে
আয়াত 204 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يُعْجِبُكَ قَوْلُهُۥ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَيُشْهِدُ ٱللَّهَ عَلَىٰ مَا فِى قَلْبِهِۦ وَهُوَ أَلَدُّ ٱلْخِصَامِ
আর এমন কিছু লোক রযেছে যাদের পার্থিব জীবনের কথাবার্তা তোমাকে চমৎকৃত করবে। আর তারা সাক্ষ্য স্থাপন করে আল্লাহকে নিজের মনের কথার ব্যাপারে। প্রকৃতপক্ষে তারা কঠিন ঝগড়াটে লোক।
▶
وَمِنَ
wamina
এবং মধ্যে(কেউ কেউ)
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের (এমনও আছে)
▶
مَن
man
যে
▶
يُعْجِبُكَ
yuʿ'jibuka
তোমাকে মুগ্ধ করে
▶
قَوْلُهُۥ
qawluhu
তার কথাবার্তা
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পার্থিব
▶
وَيُشْهِدُ
wayush'hidu
ও সে সাক্ষী রাখে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
(এর) উপর
▶
مَا
mā
যা
▶
فِى
fī
মধ্যে(আছে)
▶
قَلْبِهِۦ
qalbihi
তার অন্তরের
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং সে
▶
أَلَدُّ
aladdu
সাংঘাতিক
▶
ٱلْخِصَامِ
l-khiṣāmi
ঝগড়াটে
আয়াত 205 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا تَوَلَّىٰ سَعَىٰ فِى ٱلْأَرْضِ لِيُفْسِدَ فِيهَا وَيُهْلِكَ ٱلْحَرْثَ وَٱلنَّسْلَ ۗ وَٱللَّهُ لَا يُحِبُّ ٱلْفَسَادَ
যখন ফিরে যায় তখন চেষ্টা করে যাতে সেখানে অকল্যাণ সৃষ্টি করতে পারে এবং শস্যক্ষেত্র ও প্রাণনাশ করতে পারে। আল্লাহ ফাসাদ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা পছন্দ করেন না।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
تَوَلَّىٰ
tawallā
সে কর্তৃত্ব পায়
▶
سَعَىٰ
saʿā
সে চেষ্টা করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
لِيُفْسِدَ
liyuf'sida
বিপর্যয় সৃষ্টির জন্যে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَيُهْلِكَ
wayuh'lika
ও ধ্বংস করতে
▶
ٱلْحَرْثَ
l-ḥartha
শস্যক্ষেত
▶
وَٱلنَّسْلَ ۗ
wal-nasla
ও জীব-জন্তুর বংশ
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
পছন্দ করনে
▶
ٱلْفَسَادَ
l-fasāda
বিপর্যয়
আয়াত 206 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا قِيلَ لَهُ ٱتَّقِ ٱللَّهَ أَخَذَتْهُ ٱلْعِزَّةُ بِٱلْإِثْمِ ۚ فَحَسْبُهُۥ جَهَنَّمُ ۚ وَلَبِئْسَ ٱلْمِهَادُ
আর যখন তাকে বলা হয় যে, আল্লাহকে ভয় কর, তখন তার পাপ তাকে অহঙ্কারে উদ্বুদ্ধ করে। সুতরাং তার জন্যে দোযখই যথেষ্ট। আর নিঃসন্দেহে তা হলো নিকৃষ্টতর ঠিকানা।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
قِيلَ
qīla
বলা হয়
▶
لَهُ
lahu
তার উদ্দেশে
▶
ٱتَّقِ
ittaqi
ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
أَخَذَتْهُ
akhadhathu
তাকে ধরে
▶
ٱلْعِزَّةُ
l-ʿizatu
(তার) মর্যাদা সম্মান
▶
بِٱلْإِثْمِ ۚ
bil-ith'mi
পাপের (পথে)
▶
فَحَسْبُهُۥ
faḥasbuhu
তার জন্যে তাই যথেষ্ট
▶
جَهَنَّمُ ۚ
jahannamu
জাহান্নাম
▶
وَلَبِئْسَ
walabi'sa
এবং (তা) অবশ্যই অতি নিকৃষ্ট
▶
ٱلْمِهَادُ
l-mihādu
আবাস
আয়াত 207 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنَ ٱلنَّاسِ مَن يَشْرِى نَفْسَهُ ٱبْتِغَآءَ مَرْضَاتِ ٱللَّهِ ۗ وَٱللَّهُ رَءُوفٌۢ بِٱلْعِبَادِ
আর মানুষের মাঝে এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিকল্পে নিজেদের জানের বাজি রাখে। আল্লাহ হলেন তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান।
▶
وَمِنَ
wamina
এবং মধ্য হতে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
লোকদের (এমনও আছে)
▶
مَن
man
যে
▶
يَشْرِى
yashrī
বিক্রি করে
▶
نَفْسَهُ
nafsahu
তার প্রাণ
▶
ٱبْتِغَآءَ
ib'tighāa
উদ্দেশ্যে
▶
مَرْضَاتِ
marḍāti
সন্তুষ্টির
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
رَءُوفٌۢ
raūfun
খুব দয়ালু
▶
بِٱلْعِبَادِ
bil-ʿibādi
এ ধরনের দাসদের সাথে
আয়াত 208 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱدْخُلُوا۟ فِى ٱلسِّلْمِ كَآفَّةًۭ وَلَا تَتَّبِعُوا۟ خُطُوَٰتِ ٱلشَّيْطَـٰنِ ۚ إِنَّهُۥ لَكُمْ عَدُوٌّۭ مُّبِينٌۭ
হে ঈমানদার গন! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ কর না। নিশ্চিত রূপে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
ওহে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছো
▶
ٱدْخُلُوا۟
ud'khulū
তোমরা প্রবেশ করো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسِّلْمِ
l-sil'mi
ইসলামের
▶
كَآفَّةًۭ
kāffatan
সম্পূর্ণভাবে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَتَّبِعُوا۟
tattabiʿū
তোমরা অনুসরণ করো
▶
خُطُوَٰتِ
khuṭuwāti
পদাঙ্কগুলোর
▶
ٱلشَّيْطَـٰنِ ۚ
l-shayṭāni
শয়তানের
▶
إِنَّهُۥ
innahu
সে নিশ্চয়ই
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
عَدُوٌّۭ
ʿaduwwun
শত্রু
▶
مُّبِينٌۭ
mubīnun
প্রকাশ্য
আয়াত 209 - সূরা البقرة: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِن زَلَلْتُم مِّنۢ بَعْدِ مَا جَآءَتْكُمُ ٱلْبَيِّنَـٰتُ فَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
অতঃপর তোমাদের মাঝে পরিস্কার নির্দেশ এসে গেছে বলে জানার পরেও যদি তোমরা পদস্খলিত হও, তাহলে নিশ্চিত জেনে রেখো, আল্লাহ, পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
زَلَلْتُم
zalaltum
তোমরা পদস্খলন কর
▶
مِّنۢ
min
(এর)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পর থেকে
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَتْكُمُ
jāatkumu
তোমাদের কাছে এসেছে
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتُ
l-bayinātu
সুস্পষ্ট নিদর্শন
▶
فَٱعْلَمُوٓا۟
fa-iʿ'lamū
তোমরা তবে জেনে রাখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَزِيزٌ
ʿazīzun
মহাপরাক্রমশালী
▶
حَكِيمٌ
ḥakīmun
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 210 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هَلْ يَنظُرُونَ إِلَّآ أَن يَأْتِيَهُمُ ٱللَّهُ فِى ظُلَلٍۢ مِّنَ ٱلْغَمَامِ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ وَقُضِىَ ٱلْأَمْرُ ۚ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرْجَعُ ٱلْأُمُورُ
তারা কি সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে যে, মেঘের আড়ালে তাদের সামনে আসবেন আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ ? আর তাতেই সব মীমাংসা হয়ে যাবে। বস্তুতঃ সবকার্যকলাপই আল্লাহর নিকট গিয়ে পৌঁছবে।
▶
هَلْ
hal
কি
▶
يَنظُرُونَ
yanẓurūna
তারা অপেক্ষা করছে
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْتِيَهُمُ
yatiyahumu
তাদের কাছে আসবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ظُلَلٍۢ
ẓulalin
ছায়ার
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱلْغَمَامِ
l-ghamāmi
মেঘমালা
▶
وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
wal-malāikatu
এবং ফেরেশতারাও
▶
وَقُضِىَ
waquḍiya
আর মীমাংসা হয়ে যাবে
▶
ٱلْأَمْرُ ۚ
l-amru
সব কাজের
▶
وَإِلَى
wa-ilā
এবং দিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
تُرْجَعُ
tur'jaʿu
প্রত্যাবর্তিত হবে
▶
ٱلْأُمُورُ
l-umūru
সব ব্যাপার
আয়াত 211 - সূরা البقرة: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
سَلْ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ كَمْ ءَاتَيْنَـٰهُم مِّنْ ءَايَةٍۭ بَيِّنَةٍۢ ۗ وَمَن يُبَدِّلْ نِعْمَةَ ٱللَّهِ مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَتْهُ فَإِنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ
বনী ইসরাঈলদিগকে জিজ্ঞেস কর, তাদেরকে আমি কত স্পষ্ট নির্দশনাবলী দান করেছি। আর আল্লাহর নেয়ামত পৌছে যাওয়ার পর যদি কেউ সে নেয়ামতকে পরিবর্তিত করে দেয়, তবে আল্লাহর আযাব অতি কঠিন।
▶
سَلْ
sal
জিজ্ঞাসা করো
▶
بَنِىٓ
banī
বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলদেরকে
▶
كَمْ
kam
কত
▶
ءَاتَيْنَـٰهُم
ātaynāhum
তাদেরকে দিয়েছি আমরা
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
ءَايَةٍۭ
āyatin
নিদর্শন
▶
بَيِّنَةٍۢ ۗ
bayyinatin
সুস্পষ্ট
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يُبَدِّلْ
yubaddil
পরিবর্তন করে
▶
نِعْمَةَ
niʿ'mata
অনুগ্রহ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مِنۢ
min
(এর)
▶
بَعْدِ
baʿdi
পর থেকে
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَتْهُ
jāathu
তার কাছে এসেছে
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তাহলে নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
شَدِيدُ
shadīdu
কঠোর
▶
ٱلْعِقَابِ
l-ʿiqābi
(অন্যায়ের) শাস্তিদানে
আয়াত 212 - সূরা البقرة: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
زُيِّنَ لِلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَا وَيَسْخَرُونَ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ۘ وَٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ فَوْقَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ وَٱللَّهُ يَرْزُقُ مَن يَشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍۢ
পার্থিব জীবনের উপর কাফেরদিগকে উম্মত্ত করে দেয়া হয়েছে। আর তারা ঈমানদারদের প্রতি লক্ষ্য করে হাসাহাসি করে। পক্ষান্তরে যারা পরহেযগার তারা সেই কাফেরদের তুলনায় কেয়ামতের দিন অত্যন্ত উচ্চমর্যাদায় থাকবে। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সীমাহীন রুযী দান করেন।
▶
زُيِّنَ
zuyyina
সুশোভিত করা হয়েছে
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
তাদের জন্যে
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অবিশ্বাস করেছে (যারা)
▶
ٱلْحَيَوٰةُ
l-ḥayatu
জীবনকে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পার্থিব
▶
وَيَسْخَرُونَ
wayaskharūna
ও তারা বিদ্রূপ করে
▶
مِنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
ءَامَنُوا۟ ۘ
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
অথচ যারা
▶
ٱتَّقَوْا۟
ittaqaw
তাকওয়া অবলম্বন করে
▶
فَوْقَهُمْ
fawqahum
তাদের উপর (মর্যাদা সম্পন্ন হবে)
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ
l-qiyāmati
কিয়ামতের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَرْزُقُ
yarzuqu
জীবিকা দেন
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি চান
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ছাড়া
▶
حِسَابٍۢ
ḥisābin
কোনো হিসাব
আয়াত 213 - সূরা البقرة: 49 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَانَ ٱلنَّاسُ أُمَّةًۭ وَٰحِدَةًۭ فَبَعَثَ ٱللَّهُ ٱلنَّبِيِّـۧنَ مُبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ وَأَنزَلَ مَعَهُمُ ٱلْكِتَـٰبَ بِٱلْحَقِّ لِيَحْكُمَ بَيْنَ ٱلنَّاسِ فِيمَا ٱخْتَلَفُوا۟ فِيهِ ۚ وَمَا ٱخْتَلَفَ فِيهِ إِلَّا ٱلَّذِينَ أُوتُوهُ مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَتْهُمُ ٱلْبَيِّنَـٰتُ بَغْيًۢا بَيْنَهُمْ ۖ فَهَدَى ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لِمَا ٱخْتَلَفُوا۟ فِيهِ مِنَ ٱلْحَقِّ بِإِذْنِهِۦ ۗ وَٱللَّهُ يَهْدِى مَن يَشَآءُ إِلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍ
সকল মানুষ একই জাতি সত্তার অন্তর্ভুক্ত ছিল। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা পয়গম্বর পাঠালেন সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকরী হিসাবে। আর তাঁদের সাথে অবর্তীণ করলেন সত্য কিতাব, যাতে মানুষের মাঝে বিতর্কমূলক বিষয়ে মীমাংসা করতে পারেন। বস্তুতঃ কিতাবের ব্যাপারে অন্য কেউ মতভেদ করেনি; কিন্তু পরিষ্কার নির্দেশ এসে যাবার পর নিজেদের পারস্পরিক জেদবশতঃ তারাই করেছে, যারা কিতাব প্রাপ্ত হয়েছিল। অতঃপর আল্লাহ ঈমানদারদেরকে হেদায়েত করেছেন সেই সত্য বিষয়ে, যে ব্যাপারে তারা মতভেদ লিপ্ত হয়েছিল। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা, সরল পথ বাতলে দেন।
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
ٱلنَّاسُ
l-nāsu
সব মানুষ
▶
أُمَّةًۭ
ummatan
জাতি
▶
وَٰحِدَةًۭ
wāḥidatan
একই
▶
فَبَعَثَ
fabaʿatha
(তাদের পথভ্রষ্টতার) পাঠালেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلنَّبِيِّـۧنَ
l-nabiyīna
নবীদেরকে
▶
مُبَشِّرِينَ
mubashirīna
সুসংবাদদাতা
▶
وَمُنذِرِينَ
wamundhirīna
ও সতর্ককারী (হিসেবে)
▶
وَأَنزَلَ
wa-anzala
এবং অবতীর্ণ করলেন
▶
مَعَهُمُ
maʿahumu
তাদের সাথে
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
সত্য সহ
▶
لِيَحْكُمَ
liyaḥkuma
তিনি মীমাংসা করতে পারেন যাতে
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
فِيمَا
fīmā
সে বিষয়ে যা
▶
ٱخْتَلَفُوا۟
ikh'talafū
তারা মতভেদ করেছিলো
▶
فِيهِ ۚ
fīhi
তার মধ্যে
▶
وَمَا
wamā
এবং নি
▶
ٱخْتَلَفَ
ikh'talafa
মতভেদ করে
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
أُوتُوهُ
ūtūhu
তা দেয়া হয়েছিল
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পর
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَتْهُمُ
jāathumu
তাদের কাছে এসেছে
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتُ
l-bayinātu
স্পষ্ট নিদর্শনগুলো
▶
بَغْيًۢا
baghyan
বাড়াবাড়ির (কারণে)
▶
بَيْنَهُمْ ۖ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
فَهَدَى
fahadā
অতঃপর পথ দেখালেন’
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
لِمَا
limā
যে বিষয়ে
▶
ٱخْتَلَفُوا۟
ikh'talafū
তারা মতভেদ করেছিলো
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
مِنَ
mina
সম্পর্কে
▶
ٱلْحَقِّ
l-ḥaqi
সত্য
▶
بِإِذْنِهِۦ ۗ
bi-idh'nihi
তার অনুমতির মাধ্যমে (ও অনুগ্রহে)
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَهْدِى
yahdī
পথ দেখান
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি চান
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
صِرَٰطٍۢ
ṣirāṭin
পথের
▶
مُّسْتَقِيمٍ
mus'taqīmin
সহজ-সরল
আয়াত 214 - সূরা البقرة: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ حَسِبْتُمْ أَن تَدْخُلُوا۟ ٱلْجَنَّةَ وَلَمَّا يَأْتِكُم مَّثَلُ ٱلَّذِينَ خَلَوْا۟ مِن قَبْلِكُم ۖ مَّسَّتْهُمُ ٱلْبَأْسَآءُ وَٱلضَّرَّآءُ وَزُلْزِلُوا۟ حَتَّىٰ يَقُولَ ٱلرَّسُولُ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مَعَهُۥ مَتَىٰ نَصْرُ ٱللَّهِ ۗ أَلَآ إِنَّ نَصْرَ ٱللَّهِ قَرِيبٌۭ
তোমাদের কি এই ধারণা যে, তোমরা জান্নাতে চলে যাবে, অথচ সে লোকদের অবস্থা অতিক্রম করনি যারা তোমাদের পূর্বে অতীত হয়েছে। তাদের উপর এসেছে বিপদ ও কষ্ট। আর এমনি ভাবে শিহরিত হতে হয়েছে যাতে নবী ও তাঁর প্রতি যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে পর্যন্ত একথা বলতে হয়েছে যে, কখন আসবে আল্লাহর সাহায্যে! তোমরা শোনে নাও, আল্লাহর সাহায্যে একান্তই নিকটবর্তী।
▶
أَمْ
am
কি
▶
حَسِبْتُمْ
ḥasib'tum
তোমরা মনে করেছ
▶
أَن
an
যে
▶
تَدْخُلُوا۟
tadkhulū
তোমরা প্রবেশ করবে
▶
ٱلْجَنَّةَ
l-janata
জান্নাতে
▶
وَلَمَّا
walammā
অথচ এখনও
▶
يَأْتِكُم
yatikum
তোমাদের আসে নি
▶
مَّثَلُ
mathalu
(তাদের) অবস্থা
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
خَلَوْا۟
khalaw
গত হয়েছে
▶
مِن
min
(থেকে)
▶
قَبْلِكُم ۖ
qablikum
তোমাদের পূর্বে থেকে
▶
مَّسَّتْهُمُ
massathumu
তাদের স্পর্শ করেছিল
▶
ٱلْبَأْسَآءُ
l-basāu
অভাব-অনটন
▶
وَٱلضَّرَّآءُ
wal-ḍarāu
ও দুঃখদারিদ্র
▶
وَزُلْزِلُوا۟
wazul'zilū
এবং তাদের কম্পিত করা হয়েছিল
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
এমনকি
▶
يَقُولَ
yaqūla
বলল
▶
ٱلرَّسُولُ
l-rasūlu
রাসূল
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছিল
▶
مَعَهُۥ
maʿahu
তার সাথে
▶
مَتَىٰ
matā
কখন (আসবে)
▶
نَصْرُ
naṣru
সাহায্য
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَلَآ
alā
জেনে রেখো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
نَصْرَ
naṣra
সাহায্য
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
قَرِيبٌۭ
qarībun
নিকটে
আয়াত 215 - সূরা البقرة: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَسْـَٔلُونَكَ مَاذَا يُنفِقُونَ ۖ قُلْ مَآ أَنفَقْتُم مِّنْ خَيْرٍۢ فَلِلْوَٰلِدَيْنِ وَٱلْأَقْرَبِينَ وَٱلْيَتَـٰمَىٰ وَٱلْمَسَـٰكِينِ وَٱبْنِ ٱلسَّبِيلِ ۗ وَمَا تَفْعَلُوا۟ مِنْ خَيْرٍۢ فَإِنَّ ٱللَّهَ بِهِۦ عَلِيمٌۭ
তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও-যে বস্তুই তোমরা ব্যয় কর, তা হবে পিতা-মাতার জন্যে, আত্নীয়-আপনজনের জন্যে, এতীম-অনাথদের জন্যে, অসহায়দের জন্যে এবং মুসাফিরদের জন্যে। আর তোমরা যে কোন সৎকাজ করবে, নিঃসন্দেহে তা অত্যন্ত ভালভাবেই আল্লাহর জানা রয়েছে।
▶
يَسْـَٔلُونَكَ
yasalūnaka
তোমাকে তারা প্রশ্ন করে
▶
مَاذَا
mādhā
কি
▶
يُنفِقُونَ ۖ
yunfiqūna
ব্যয় করবে তারা
▶
قُلْ
qul
তুমি বলো
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَنفَقْتُم
anfaqtum
তোমরা ব্যয় কর
▶
مِّنْ
min
হতে
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
ধন-সম্পদ
▶
فَلِلْوَٰلِدَيْنِ
falil'wālidayni
তা পিতা-মাতার জন্যে(তবে)
▶
وَٱلْأَقْرَبِينَ
wal-aqrabīna
এবং আত্মীয়-স্বজনদের
▶
وَٱلْيَتَـٰمَىٰ
wal-yatāmā
ও ইয়াতীমদের
▶
وَٱلْمَسَـٰكِينِ
wal-masākīni
ও অভাবগ্রস্তদের
▶
وَٱبْنِ
wa-ib'ni
ও
▶
ٱلسَّبِيلِ ۗ
l-sabīli
মুসাফিরদের (পথের জন্য ব্যয় করবে)
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
تَفْعَلُوا۟
tafʿalū
তোমরা কর
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
কল্যাণ
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তবেই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
بِهِۦ
bihi
তা সম্পর্কে
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
খুব অবহিত
আয়াত 216 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌۭ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰٓ أَن تَكْرَهُوا۟ شَيْـًۭٔا وَهُوَ خَيْرٌۭ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰٓ أَن تُحِبُّوا۟ شَيْـًۭٔا وَهُوَ شَرٌّۭ لَّكُمْ ۗ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না।
▶
كُتِبَ
kutiba
ফরজ করা হল
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের ওপর
▶
ٱلْقِتَالُ
l-qitālu
যুদ্ধ
▶
وَهُوَ
wahuwa
অথচ তা
▶
كُرْهٌۭ
kur'hun
অপ্রিয়
▶
لَّكُمْ ۖ
lakum
তোমাদের কাছে
▶
وَعَسَىٰٓ
waʿasā
কিন্তু হতে পারে
▶
أَن
an
যে
▶
تَكْرَهُوا۟
takrahū
তোমরা অপছন্দ কর
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কোনো জিনিস
▶
وَهُوَ
wahuwa
অথচ তা
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
কল্যাণকর
▶
لَّكُمْ ۖ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
وَعَسَىٰٓ
waʿasā
আবার হতে পারে
▶
أَن
an
যে
▶
تُحِبُّوا۟
tuḥibbū
তোমরা পছন্দ কর
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কোনো জিনিস
▶
وَهُوَ
wahuwa
অথচ তা
▶
شَرٌّۭ
sharrun
অকল্যাণকর
▶
لَّكُمْ ۗ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
কিন্তু তোমরা
▶
لَا
lā
না
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
জান
আয়াত 217 - সূরা البقرة: 57 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلشَّهْرِ ٱلْحَرَامِ قِتَالٍۢ فِيهِ ۖ قُلْ قِتَالٌۭ فِيهِ كَبِيرٌۭ ۖ وَصَدٌّ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ وَكُفْرٌۢ بِهِۦ وَٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ وَإِخْرَاجُ أَهْلِهِۦ مِنْهُ أَكْبَرُ عِندَ ٱللَّهِ ۚ وَٱلْفِتْنَةُ أَكْبَرُ مِنَ ٱلْقَتْلِ ۗ وَلَا يَزَالُونَ يُقَـٰتِلُونَكُمْ حَتَّىٰ يَرُدُّوكُمْ عَن دِينِكُمْ إِنِ ٱسْتَطَـٰعُوا۟ ۚ وَمَن يَرْتَدِدْ مِنكُمْ عَن دِينِهِۦ فَيَمُتْ وَهُوَ كَافِرٌۭ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ حَبِطَتْ أَعْمَـٰلُهُمْ فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।
▶
يَسْـَٔلُونَكَ
yasalūnaka
তোমাকে প্রশ্ন করে তারা
▶
عَنِ
ʿani
সম্পর্কে
▶
ٱلشَّهْرِ
l-shahri
মাসে
▶
ٱلْحَرَامِ
l-ḥarāmi
নিষিদ্ধ
▶
قِتَالٍۢ
qitālin
যুদ্ধ করা
▶
فِيهِ ۖ
fīhi
তার মধ্যে
▶
قُلْ
qul
তুমি বলো
▶
قِتَالٌۭ
qitālun
যুদ্ধ করা
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
كَبِيرٌۭ ۖ
kabīrun
বড় (পাপ)
▶
وَصَدٌّ
waṣaddun
কিন্তু বাধাদেওয়া
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَكُفْرٌۢ
wakuf'run
ও অস্বীকার করা
▶
بِهِۦ
bihi
তার প্রতি
▶
وَٱلْمَسْجِدِ
wal-masjidi
ও মসজিদে
▶
ٱلْحَرَامِ
l-ḥarāmi
হারামে (যেতে বাধাদান)
▶
وَإِخْرَاجُ
wa-ikh'rāju
ও বের করে দেওয়া
▶
أَهْلِهِۦ
ahlihi
তার বাসিন্দাদেরকে
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
أَكْبَرُ
akbaru
অনেক বড় (পাপ)
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱلْفِتْنَةُ
wal-fit'natu
এবং বিপর্যয় (সৃষ্টি করা)
▶
أَكْبَرُ
akbaru
অনেক বড় পাপ
▶
مِنَ
mina
চেয়েও
▶
ٱلْقَتْلِ ۗ
l-qatli
হত্যার
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَزَالُونَ
yazālūna
তারা থামবে (অর্থাৎ সর্বদাই)
▶
يُقَـٰتِلُونَكُمْ
yuqātilūnakum
তোমাদের সাথে যুদ্ধ করবে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَرُدُّوكُمْ
yaruddūkum
তোমাদেরকে ফিরাতে পারবে
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
دِينِكُمْ
dīnikum
তোমাদের দ্বীন
▶
إِنِ
ini
যদি
▶
ٱسْتَطَـٰعُوا۟ ۚ
is'taṭāʿū
তারা করতে পারে
▶
وَمَن
waman
এবং যে কেউ
▶
يَرْتَدِدْ
yartadid
ফিরে যাবে
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্যথেকে
▶
عَن
ʿan
হতে
▶
دِينِهِۦ
dīnihi
তার দ্বীন
▶
فَيَمُتْ
fayamut
অতঃপর মারা যাবে
▶
وَهُوَ
wahuwa
এ অবস্থায় যে সে
▶
كَافِرٌۭ
kāfirun
কাফের
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
তাহলে ঐসব লোকদের
▶
حَبِطَتْ
ḥabiṭat
নষ্ট হয়ে যাবে
▶
أَعْمَـٰلُهُمْ
aʿmāluhum
তাদের সব কাজ-কর্ম
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পৃথিবীর
▶
وَٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ
wal-ākhirati
ও পরকালের
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং ঐসব লোক
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী হবে
▶
ٱلنَّارِ ۖ
l-nāri
আগুনের
▶
هُمْ
hum
তারাই
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে
আয়াত 218 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَٱلَّذِينَ هَاجَرُوا۟ وَجَـٰهَدُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ أُو۟لَـٰٓئِكَ يَرْجُونَ رَحْمَتَ ٱللَّهِ ۚ وَٱللَّهُ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
আর এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে, যারা ঈমান এনেছে এবং যারা হিজরত করেছে আর আল্লাহর পথে লড়াই (জেহাদ) করেছে, তারা আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী করুনাময়।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
ও যারা
▶
هَاجَرُوا۟
hājarū
হিজরত করেছে
▶
وَجَـٰهَدُوا۟
wajāhadū
ও জিহাদ করেছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোকেরা
▶
يَرْجُونَ
yarjūna
আশা করে
▶
رَحْمَتَ
raḥmata
দয়ার
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
বড় ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 219 - সূরা البقرة: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْخَمْرِ وَٱلْمَيْسِرِ ۖ قُلْ فِيهِمَآ إِثْمٌۭ كَبِيرٌۭ وَمَنَـٰفِعُ لِلنَّاسِ وَإِثْمُهُمَآ أَكْبَرُ مِن نَّفْعِهِمَا ۗ وَيَسْـَٔلُونَكَ مَاذَا يُنفِقُونَ قُلِ ٱلْعَفْوَ ۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمُ ٱلْـَٔايَـٰتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ
তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। আর মানুষের জন্যে উপকারিতাও রয়েছে, তবে এগুলোর পাপ উপকারিতা অপেক্ষা অনেক বড়। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ের পর যা বাঁচে তাই খরচ করবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা করতে পার।
▶
۞ يَسْـَٔلُونَكَ
yasalūnaka
তোমাকে তারা জিজ্ঞাসা করে
▶
عَنِ
ʿani
সম্পর্কে
▶
ٱلْخَمْرِ
l-khamri
মদ (পান)
▶
وَٱلْمَيْسِرِ ۖ
wal-maysiri
ও জুয়া (খেলা)
▶
قُلْ
qul
তুমি বলো
▶
فِيهِمَآ
fīhimā
দু’টির মধ্যে (রয়েছে)
▶
إِثْمٌۭ
ith'mun
পাপ (ক্ষতি)
▶
كَبِيرٌۭ
kabīrun
বড়
▶
وَمَنَـٰفِعُ
wamanāfiʿu
ও উপকারও (কিছু)
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
وَإِثْمُهُمَآ
wa-ith'muhumā
কিন্তু সে দু’টির পাপ (ক্ষতি)
▶
أَكْبَرُ
akbaru
অধিকতর (ক্ষতিকর)
▶
مِن
min
চেয়েও
▶
نَّفْعِهِمَا ۗ
nafʿihimā
দু’টির উপকারের
▶
وَيَسْـَٔلُونَكَ
wayasalūnaka
এবং তোমাকে তারা প্রশ্ন করে
▶
مَاذَا
mādhā
কী
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
তারা ব্যয় করবে
▶
قُلِ
quli
তুমি বলো
▶
ٱلْعَفْوَ ۗ
l-ʿafwa
(যা) উদ্বৃত্ত
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُبَيِّنُ
yubayyinu
বর্ণনা করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্যে
▶
ٱلْـَٔايَـٰتِ
l-āyāti
নিদর্শনবলী
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
আশা করা যায় তোমরা
▶
تَتَفَكَّرُونَ
tatafakkarūna
চিন্তা-ভাবনা করবে
আয়াত 220 - সূরা البقرة: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْـَٔاخِرَةِ ۗ وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْيَتَـٰمَىٰ ۖ قُلْ إِصْلَاحٌۭ لَّهُمْ خَيْرٌۭ ۖ وَإِن تُخَالِطُوهُمْ فَإِخْوَٰنُكُمْ ۚ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ ٱلْمُفْسِدَ مِنَ ٱلْمُصْلِحِ ۚ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَأَعْنَتَكُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌۭ
দুনিয়া ও আখেরাতের বিষয়ে। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, এতীম সংক্রান্ত হুকুম। বলে দাও, তাদের কাজ-কর্ম সঠিকভাবে গুছিয়ে দেয়া উত্তম আর যদি তাদের ব্যয়ভার নিজের সাথে মিশিয়ে নাও, তাহলে মনে করবে তারা তোমাদের ভাই । বস্তুতঃ অমঙ্গলকামী ও মঙ্গলকামীদেরকে আল্লাহ জানেন। আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তোমাদের উপর জটিলতা আরোপ করতে পারতেন। নিশ্চয়ই তিনি পরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞ।
▶
فِى
fī
সম্পর্কে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
ইহকাল
▶
وَٱلْـَٔاخِرَةِ ۗ
wal-ākhirati
ও পরকাল
▶
وَيَسْـَٔلُونَكَ
wayasalūnaka
এবং তোমাকে তারা প্রশ্ন করে
▶
عَنِ
ʿani
(আচরণ) সম্পর্কে
▶
ٱلْيَتَـٰمَىٰ ۖ
l-yatāmā
ইয়াতীমদের (সাথে)
▶
قُلْ
qul
তুমি বলো
▶
إِصْلَاحٌۭ
iṣ'lāḥun
সুব্যবস্থা করা
▶
لَّهُمْ
lahum
তাদের জন্যে
▶
خَيْرٌۭ ۖ
khayrun
উত্তম
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تُخَالِطُوهُمْ
tukhāliṭūhum
তাদের সাথে (খরচ পত্রে) সংমিশ্রণ কর (দোষ নেই)
▶
فَإِخْوَٰنُكُمْ ۚ
fa-ikh'wānukum
তারা তাহলে তোমাদের ভাই
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
ٱلْمُفْسِدَ
l-muf'sida
অনিষ্টকারীকে (পৃথক করতে)
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْمُصْلِحِ ۚ
l-muṣ'liḥi
হিতকারী
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
شَآءَ
shāa
চাইতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَأَعْنَتَكُمْ ۚ
la-aʿnatakum
তোমাদেরকে অবশ্যই কষ্টে ফেলতে পারতেন
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَزِيزٌ
ʿazīzun
পরাক্রমশালী
▶
حَكِيمٌۭ
ḥakīmun
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 221 - সূরা البقرة: 39 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَنكِحُوا۟ ٱلْمُشْرِكَـٰتِ حَتَّىٰ يُؤْمِنَّ ۚ وَلَأَمَةٌۭ مُّؤْمِنَةٌ خَيْرٌۭ مِّن مُّشْرِكَةٍۢ وَلَوْ أَعْجَبَتْكُمْ ۗ وَلَا تُنكِحُوا۟ ٱلْمُشْرِكِينَ حَتَّىٰ يُؤْمِنُوا۟ ۚ وَلَعَبْدٌۭ مُّؤْمِنٌ خَيْرٌۭ مِّن مُّشْرِكٍۢ وَلَوْ أَعْجَبَكُمْ ۗ أُو۟لَـٰٓئِكَ يَدْعُونَ إِلَى ٱلنَّارِ ۖ وَٱللَّهُ يَدْعُوٓا۟ إِلَى ٱلْجَنَّةِ وَٱلْمَغْفِرَةِ بِإِذْنِهِۦ ۖ وَيُبَيِّنُ ءَايَـٰتِهِۦ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ
আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَنكِحُوا۟
tankiḥū
তোমরা বিয়ে করো
▶
ٱلْمُشْرِكَـٰتِ
l-mush'rikāti
মুশরিক নারীদেরকে
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يُؤْمِنَّ ۚ
yu'minna
ঈমান আনে
▶
وَلَأَمَةٌۭ
wala-amatun
এবং অবশ্যই ক্রীতদাসী
▶
مُّؤْمِنَةٌ
mu'minatun
মুমিন নারী
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
مِّن
min
থেকে
▶
مُّشْرِكَةٍۢ
mush'rikatin
মুশরিক নারী
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদিও
▶
أَعْجَبَتْكُمْ ۗ
aʿjabatkum
তোমাদের মুগ্ধ করে সে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُنكِحُوا۟
tunkiḥū
তোমরা বিয়ে দিও (মুসলিম নারীকে)
▶
ٱلْمُشْرِكِينَ
l-mush'rikīna
মুশরিক পুরুষদের (সাথে)
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يُؤْمِنُوا۟ ۚ
yu'minū
তারা ঈমান আনে
▶
وَلَعَبْدٌۭ
walaʿabdun
এবং অবশ্যই ক্রীতদাস
▶
مُّؤْمِنٌ
mu'minun
মু’মিন
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
مِّن
min
অপেক্ষা
▶
مُّشْرِكٍۢ
mush'rikin
মুশরিক পুরুষ
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদিও
▶
أَعْجَبَكُمْ ۗ
aʿjabakum
তোমাদের মুগ্ধ করে সে
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
يَدْعُونَ
yadʿūna
ডাকে (তোমাদেরকে)
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلنَّارِ ۖ
l-nāri
(আগুনের)
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
আর আল্লাহ
▶
يَدْعُوٓا۟
yadʿū
ডাকেন
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلْجَنَّةِ
l-janati
জান্নাতের
▶
وَٱلْمَغْفِرَةِ
wal-maghfirati
ও ক্ষমার
▶
بِإِذْنِهِۦ ۖ
bi-idh'nihi
তাঁর অনুমতিমাধ্যমে (ও অনুগ্রহে)
▶
وَيُبَيِّنُ
wayubayyinu
এবং স্পষ্ট বর্ণনা করেন
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
তাঁর নিদর্শনাবলী
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
لَعَلَّهُمْ
laʿallahum
আশা করা যায় তারা
▶
يَتَذَكَّرُونَ
yatadhakkarūna
শিক্ষা গ্রহণ করবে
আয়াত 222 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْمَحِيضِ ۖ قُلْ هُوَ أَذًۭى فَٱعْتَزِلُوا۟ ٱلنِّسَآءَ فِى ٱلْمَحِيضِ ۖ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىٰ يَطْهُرْنَ ۖ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمُ ٱللَّهُ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلتَّوَّٰبِينَ وَيُحِبُّ ٱلْمُتَطَهِّرِينَ
আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয (ঋতু) সম্পর্কে। বলে দাও, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রীগমন থেকে বিরত থাক। তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না, যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে, তখন গমন কর তাদের কাছে, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।
▶
وَيَسْـَٔلُونَكَ
wayasalūnaka
এবং তোমাকে তারা প্রশ্ন করে
▶
عَنِ
ʿani
সম্পর্কে
▶
ٱلْمَحِيضِ ۖ
l-maḥīḍi
(রজঃস্রাব)
▶
قُلْ
qul
তুমি বলো
▶
هُوَ
huwa
তা
▶
أَذًۭى
adhan
অশুচি/কষ্ট
▶
فَٱعْتَزِلُوا۟
fa-iʿ'tazilū
তাই তোমরা দূরে থাক
▶
ٱلنِّسَآءَ
l-nisāa
স্ত্রীদের (থেকে)
▶
فِى
fī
(মধ্যে)
▶
ٱلْمَحِيضِ ۖ
l-maḥīḍi
(রজঃস্রাব)কালে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَقْرَبُوهُنَّ
taqrabūhunna
তাদের নিকটে যেয়ো (স্ত্রী মিলনে)
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَطْهُرْنَ ۖ
yaṭhur'na
তারা পবিত্র হয়(রজঃস্রাব বন্ধ হয়)
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
تَطَهَّرْنَ
taṭahharna
তারা পবিত্র হয়(উত্তমরূপে গোসল করে)
▶
فَأْتُوهُنَّ
fatūhunna
তখন তাদের কাছে আসো
▶
مِنْ
min
(থেকে)
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেমন ভাবে
▶
أَمَرَكُمُ
amarakumu
তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালবাসেন
▶
ٱلتَّوَّٰبِينَ
l-tawābīna
তওবাকারীদেরকে
▶
وَيُحِبُّ
wayuḥibbu
ও ভালবাসেন
▶
ٱلْمُتَطَهِّرِينَ
l-mutaṭahirīna
পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের
আয়াত 223 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
نِسَآؤُكُمْ حَرْثٌۭ لَّكُمْ فَأْتُوا۟ حَرْثَكُمْ أَنَّىٰ شِئْتُمْ ۖ وَقَدِّمُوا۟ لِأَنفُسِكُمْ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّكُم مُّلَـٰقُوهُ ۗ وَبَشِّرِ ٱلْمُؤْمِنِينَ
তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক। আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে। আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।
▶
نِسَآؤُكُمْ
nisāukum
তোমাদের স্ত্রীরা
▶
حَرْثٌۭ
ḥarthun
শস্যক্ষেত্র
▶
لَّكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
فَأْتُوا۟
fatū
অতএব তোমরা যাও
▶
حَرْثَكُمْ
ḥarthakum
তোমাদের শস্যক্ষেত্রে
▶
أَنَّىٰ
annā
যেভাবে
▶
شِئْتُمْ ۖ
shi'tum
তোমরা চাও
▶
وَقَدِّمُوا۟
waqaddimū
এবং তোমরা আগে পাঠাও
▶
لِأَنفُسِكُمْ ۚ
li-anfusikum
তোমাদের নিজেদের জন্যে
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং জেনে রাখো তোমরা
▶
أَنَّكُم
annakum
তোমরা যে
▶
مُّلَـٰقُوهُ ۗ
mulāqūhu
তাঁর সাক্ষাৎকারী (হবে)
▶
وَبَشِّرِ
wabashiri
এবং সুসংবাদ দাও
▶
ٱلْمُؤْمِنِينَ
l-mu'minīna
মু’মিনদেরকে
আয়াত 224 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا تَجْعَلُوا۟ ٱللَّهَ عُرْضَةًۭ لِّأَيْمَـٰنِكُمْ أَن تَبَرُّوا۟ وَتَتَّقُوا۟ وَتُصْلِحُوا۟ بَيْنَ ٱلنَّاسِ ۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌۭ
আর নিজেদের শপথের জন্য আল্লাহর নামকে লক্ষ্যবস্তু বানিও না মানুষের সাথে কোন আচার আচরণ থেকে পরহেযগারী থেকে এবং মানুষের মাঝে মীমাংসা করে দেয়া থেকে বেঁচে থাকার উদ্দেশ্যে। আল্লাহ সবকিছুই শুনেন ও জানেন।
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَجْعَلُوا۟
tajʿalū
তোমরা ব্যবহার করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর (নামকে)
▶
عُرْضَةًۭ
ʿur'ḍatan
লক্ষ্যবস্তু হিসেবে
▶
لِّأَيْمَـٰنِكُمْ
li-aymānikum
তোমাদের শপথের জন্য
▶
أَن
an
যে (না)
▶
تَبَرُّوا۟
tabarrū
তোমরা সৎকাজ করবে
▶
وَتَتَّقُوا۟
watattaqū
ও (না) তোমরা আত্মসংযম করবে
▶
وَتُصْلِحُوا۟
watuṣ'liḥū
ও (না) তোমরা শান্তি স্থাপন করবে
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلنَّاسِ ۗ
l-nāsi
মানুষের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
سَمِيعٌ
samīʿun
সবকিছু শুনেন
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
সবকিছু জানেন
আয়াত 225 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّا يُؤَاخِذُكُمُ ٱللَّهُ بِٱللَّغْوِ فِىٓ أَيْمَـٰنِكُمْ وَلَـٰكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا كَسَبَتْ قُلُوبُكُمْ ۗ وَٱللَّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌۭ
তোমাদের নিরর্থক শপথের জন্য আল্লাহ তোমাদেরকে ধরবেন না, কিন্তু সেসব কসমের ব্যাপারে ধরবেন, তোমাদের মন যার প্রতিজ্ঞা করেছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী ধৈর্য্যশীল।
▶
لَّا
lā
না
▶
يُؤَاخِذُكُمُ
yuākhidhukumu
তোমাদেরকে ধরবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِٱللَّغْوِ
bil-laghwi
অর্থহীন (শপথের) জন্য
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَيْمَـٰنِكُمْ
aymānikum
তোমাদের শপথগুলোর
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
يُؤَاخِذُكُم
yuākhidhukum
তোমাদেরকে তিনি ধরবেন
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যা
▶
كَسَبَتْ
kasabat
(অর্জন করেছে)
▶
قُلُوبُكُمْ ۗ
qulūbukum
তোমাদের অন্তরগুলো
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
غَفُورٌ
ghafūrun
বড় ক্ষমাশীল
▶
حَلِيمٌۭ
ḥalīmun
বড় সহনশীল
আয়াত 226 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِن نِّسَآئِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍۢ ۖ فَإِن فَآءُو فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।
▶
لِّلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্য যারা
▶
يُؤْلُونَ
yu'lūna
(সম্পর্ক না রাখার)শপথ করে
▶
مِن
min
হতে
▶
نِّسَآئِهِمْ
nisāihim
তাদের স্ত্রীদের
▶
تَرَبُّصُ
tarabbuṣu
অপেক্ষা করবে
▶
أَرْبَعَةِ
arbaʿati
চার
▶
أَشْهُرٍۢ ۖ
ashhurin
মাস
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
فَآءُو
fāū
তারা ফিরে আসে
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
رَّحِيمٌۭ
raḥīmun
পরম দয়ালু
আয়াত 227 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِنْ عَزَمُوا۟ ٱلطَّلَـٰقَ فَإِنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌۭ
আর যদি বর্জন করার সংকল্প করে নেয়, তাহলে নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী ও জ্ঞানী।
▶
وَإِنْ
wa-in
এবং যদি
▶
عَزَمُوا۟
ʿazamū
তারা সংকল্প করে
▶
ٱلطَّلَـٰقَ
l-ṭalāqa
তালাকের
▶
فَإِنَّ
fa-inna
তবে নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
سَمِيعٌ
samīʿun
সবকিছু শুনেন
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
সবকিছু জানেন
আয়াত 228 - সূরা البقرة: 40 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلْمُطَلَّقَـٰتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَـٰثَةَ قُرُوٓءٍۢ ۚ وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَن يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ ٱللَّهُ فِىٓ أَرْحَامِهِنَّ إِن كُنَّ يُؤْمِنَّ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ ۚ وَبُعُولَتُهُنَّ أَحَقُّ بِرَدِّهِنَّ فِى ذَٰلِكَ إِنْ أَرَادُوٓا۟ إِصْلَـٰحًۭا ۚ وَلَهُنَّ مِثْلُ ٱلَّذِى عَلَيْهِنَّ بِٱلْمَعْرُوفِ ۚ وَلِلرِّجَالِ عَلَيْهِنَّ دَرَجَةٌۭ ۗ وَٱللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত। আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়। আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে। আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে, তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী। আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
▶
وَٱلْمُطَلَّقَـٰتُ
wal-muṭalaqātu
এবং তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীরা
▶
يَتَرَبَّصْنَ
yatarabbaṣna
অপেক্ষা করবে
▶
بِأَنفُسِهِنَّ
bi-anfusihinna
তাদের নিজেদের জন্যে
▶
ثَلَـٰثَةَ
thalāthata
তিন
▶
قُرُوٓءٍۢ ۚ
qurūin
রজঃস্রাবকাল (পর্যন্ত)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَحِلُّ
yaḥillu
বৈধ হবে
▶
لَهُنَّ
lahunna
তাদের জন্যে
▶
أَن
an
যে
▶
يَكْتُمْنَ
yaktum'na
তারা গোপন করবে
▶
مَا
mā
যা
▶
خَلَقَ
khalaqa
সৃষ্টি করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَرْحَامِهِنَّ
arḥāmihinna
তাদের গর্ভাশয়ে
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنَّ
kunna
থাকে তারা
▶
يُؤْمِنَّ
yu'minna
ঈমান এনে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনে
▶
ٱلْـَٔاخِرِ ۚ
l-ākhiri
আখেরাতের (উপর)
▶
وَبُعُولَتُهُنَّ
wabuʿūlatuhunna
এবং তাদের স্বামীরা
▶
أَحَقُّ
aḥaqqu
বেশি অধিকারী
▶
بِرَدِّهِنَّ
biraddihinna
তাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে
▶
فِى
fī
ক্ষেত্রে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এই
▶
إِنْ
in
যদি
▶
أَرَادُوٓا۟
arādū
তারা চায়
▶
إِصْلَـٰحًۭا ۚ
iṣ'lāḥan
আপোষ নিষ্পত্তি (করতে)
▶
وَلَهُنَّ
walahunna
এবং তাদের (অর্থাৎ স্ত্রীদের অধিকার আছে)
▶
مِثْلُ
mith'lu
যেমন
▶
ٱلَّذِى
alladhī
তার (অর্থাৎ স্বামীর)
▶
عَلَيْهِنَّ
ʿalayhinna
তাদের উপর (অধিকার আছে)
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۚ
bil-maʿrūfi
ন্যায়সংগতভাবে
▶
وَلِلرِّجَالِ
walilrrijāli
এবং পুরুষদের জন্যে(আছে)
▶
عَلَيْهِنَّ
ʿalayhinna
তাদের উপর
▶
دَرَجَةٌۭ ۗ
darajatun
একটি মর্যাদা আছে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَزِيزٌ
ʿazīzun
মহাপরাক্রমশালী
▶
حَكِيمٌ
ḥakīmun
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 229 - সূরা البقرة: 46 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلطَّلَـٰقُ مَرَّتَانِ ۖ فَإِمْسَاكٌۢ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌۢ بِإِحْسَـٰنٍۢ ۗ وَلَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَأْخُذُوا۟ مِمَّآ ءَاتَيْتُمُوهُنَّ شَيْـًٔا إِلَّآ أَن يَخَافَآ أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ ٱللَّهِ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ ٱللَّهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا ٱفْتَدَتْ بِهِۦ ۗ تِلْكَ حُدُودُ ٱللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا ۚ وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ ٱللَّهِ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّـٰلِمُونَ
তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম।
▶
ٱلطَّلَـٰقُ
al-ṭalāqu
তালাক
▶
مَرَّتَانِ ۖ
marratāni
দুইবার
▶
فَإِمْسَاكٌۢ
fa-im'sākun
অতঃপর রেখে দেওয়া
▶
بِمَعْرُوفٍ
bimaʿrūfin
ন্যায়সংগত ভাবে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تَسْرِيحٌۢ
tasrīḥun
মুক্ত করে দেয়া
▶
بِإِحْسَـٰنٍۢ ۗ
bi-iḥ'sānin
সদয়ভাবে (উত্তম)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَحِلُّ
yaḥillu
বৈধ হবে
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
أَن
an
যে
▶
تَأْخُذُوا۟
takhudhū
তোমরা গ্রহণ করবে
▶
مِمَّآ
mimmā
তা থেকে যা
▶
ءَاتَيْتُمُوهُنَّ
ātaytumūhunna
তোমরা দিয়েছ তাদেরকে
▶
شَيْـًٔا
shayan
কোনো কিছুই
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَن
an
যদি
▶
يَخَافَآ
yakhāfā
দু’জনে ভয় করে
▶
أَلَّا
allā
না যে
▶
يُقِيمَا
yuqīmā
দু’জনে রক্ষা করতে পারবে
▶
حُدُودَ
ḥudūda
সীমারেখাগুলো
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَإِنْ
fa-in
যদি তাই
▶
خِفْتُمْ
khif'tum
তোমরা ভয় করো
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
يُقِيمَا
yuqīmā
দুজনে রক্ষা করতে পারবে
▶
حُدُودَ
ḥudūda
সীমারেখা গুলোকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَلَا
falā
নেই তবে
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোনো পাপ
▶
عَلَيْهِمَا
ʿalayhimā
তাদের দুজনের উপর
▶
فِيمَا
fīmā
এরমধ্যে যা
▶
ٱفْتَدَتْ
if'tadat
সে নিষ্কৃতি চাইলে (স্ত্রী বিচ্ছেদ ঘটায়)
▶
بِهِۦ ۗ
bihi
তার বিনিময়ে
▶
تِلْكَ
til'ka
এটা
▶
حُدُودُ
ḥudūdu
সীমারেখা
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَلَا
falā
অতএব না
▶
تَعْتَدُوهَا ۚ
taʿtadūhā
তা তোমরা লংঘন করো
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَتَعَدَّ
yataʿadda
লংঘন করবে
▶
حُدُودَ
ḥudūda
সীমারেখাগুলোকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
ঐসব লোক তাহলে
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلظَّـٰلِمُونَ
l-ẓālimūna
অত্যাচারী (হবে)
আয়াত 230 - সূরা البقرة: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُۥ مِنۢ بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُۥ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَآ أَن يَتَرَاجَعَآ إِن ظَنَّآ أَن يُقِيمَا حُدُودَ ٱللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ ٱللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍۢ يَعْلَمُونَ
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কতৃꦣ2453; নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
طَلَّقَهَا
ṭallaqahā
তাকে সে তালাক দেয়
▶
فَلَا
falā
না তবে
▶
تَحِلُّ
taḥillu
(বৈধ) হবে
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدُ
baʿdu
পরে (তালাকের)
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
تَنكِحَ
tankiḥa
সে বিয়ে করবে
▶
زَوْجًا
zawjan
(অন্য) স্বামীকে
▶
غَيْرَهُۥ ۗ
ghayrahu
সে ছাড়া
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
طَلَّقَهَا
ṭallaqahā
সে তাকে তালাক দেয়
▶
فَلَا
falā
নেই তবে
▶
جُنَاحَ
junāḥa
পাপ
▶
عَلَيْهِمَآ
ʿalayhimā
তাদের দুজনের উপর
▶
أَن
an
যে
▶
يَتَرَاجَعَآ
yatarājaʿā
পরস্পরে ফিরে আসবে
▶
إِن
in
যদি
▶
ظَنَّآ
ẓannā
দুজনেই মনে করে
▶
أَن
an
যে
▶
يُقِيمَا
yuqīmā
তারা দুজনে রক্ষা করতে পারবে
▶
حُدُودَ
ḥudūda
সীমারেখা
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَتِلْكَ
watil'ka
এবং এটা
▶
حُدُودُ
ḥudūdu
সীমারেখা
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
يُبَيِّنُهَا
yubayyinuhā
তা স্পষ্ট বর্ণনা করেন তিনি
▶
لِقَوْمٍۢ
liqawmin
সম্প্রদায়ের জন্যে
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
(যারা) জানে
আয়াত 231 - সূরা البقرة: 45 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا طَلَّقْتُمُ ٱلنِّسَآءَ فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ أَوْ سَرِّحُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍۢ ۚ وَلَا تُمْسِكُوهُنَّ ضِرَارًۭا لِّتَعْتَدُوا۟ ۚ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُۥ ۚ وَلَا تَتَّخِذُوٓا۟ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ هُزُوًۭا ۚ وَٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَمَآ أَنزَلَ عَلَيْكُم مِّنَ ٱلْكِتَـٰبِ وَٱلْحِكْمَةِ يَعِظُكُم بِهِۦ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌۭ
আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও, অতঃপর তারা নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্ত করে নেয়, তখন তোমরা নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে রেখে দাও অথবা সহানুভুতির সাথে তাদেরকে মুক্ত করে দাও। আর তোমরা তাদেরকে জ্বালাতন ও বাড়াবাড়ি করার উদ্দেশ্যে আটকে রেখো না। আর যারা এমন করবে, নিশ্চয়ই তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে। আর আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে পরিণত করো না। আল্লাহর সে অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যা তোমাদের উপর রয়েছে এবং তাও স্মরণ কর, যে কিতাব ও জ্ঞানের কথা তোমাদের উপর নাযিল করা হয়েছে যার দ্বারা তোমাদেরকে উপদেশ দান করা হয়। আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, আল্লাহ সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
طَلَّقْتُمُ
ṭallaqtumu
তোমরা তালাক দাও
▶
ٱلنِّسَآءَ
l-nisāa
স্ত্রীদেরকে
▶
فَبَلَغْنَ
fabalaghna
তারা অতঃপর পৌঁছে
▶
أَجَلَهُنَّ
ajalahunna
তাদের মেয়াদে
▶
فَأَمْسِكُوهُنَّ
fa-amsikūhunna
তাদেরকে রেখে দাও তখন
▶
بِمَعْرُوفٍ
bimaʿrūfin
ন্যায়সঙ্গতভাবে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
سَرِّحُوهُنَّ
sarriḥūhunna
তাদের মুক্ত করে দাও
▶
بِمَعْرُوفٍۢ ۚ
bimaʿrūfin
ন্যায় সংগতভাবে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُمْسِكُوهُنَّ
tum'sikūhunna
তাদেরকে তোমরা আটকে রেখো
▶
ضِرَارًۭا
ḍirāran
ক্ষতির (উদ্দেশ্যে)
▶
لِّتَعْتَدُوا۟ ۚ
litaʿtadū
বাড়াবাড়ি করার জন্যে
▶
وَمَن
waman
এবং যে কেউ
▶
يَفْعَلْ
yafʿal
করবে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
فَقَدْ
faqad
তাহলে নিশ্চয়ই
▶
ظَلَمَ
ẓalama
অবিচার করবে
▶
نَفْسَهُۥ ۚ
nafsahu
তারা নিজের (উপর)
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَتَّخِذُوٓا۟
tattakhidhū
তোমরা গ্রহণ করো
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
নিদর্শনাবলীকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
هُزُوًۭا ۚ
huzuwan
ঠাট্টাতামাশার বস্তু হিসেবে হিসেবে
▶
وَٱذْكُرُوا۟
wa-udh'kurū
এবং তোমরা স্মরণ করো
▶
نِعْمَتَ
niʿ'mata
অনুগ্রহকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
عَلَيْكُم
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
কিতাব
▶
وَٱلْحِكْمَةِ
wal-ḥik'mati
ও প্রজ্ঞা
▶
يَعِظُكُم
yaʿiẓukum
তোমাদেরকে তিনি উপদেশ দিচ্ছেন
▶
بِهِۦ ۚ
bihi
তা দিয়ে
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রাখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
بِكُلِّ
bikulli
সব সম্পর্কে
▶
شَىْءٍ
shayin
কিছুর
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
খুব অবহিত
আয়াত 232 - সূরা البقرة: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا طَلَّقْتُمُ ٱلنِّسَآءَ فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلَا تَعْضُلُوهُنَّ أَن يَنكِحْنَ أَزْوَٰجَهُنَّ إِذَا تَرَٰضَوْا۟ بَيْنَهُم بِٱلْمَعْرُوفِ ۗ ذَٰلِكَ يُوعَظُ بِهِۦ مَن كَانَ مِنكُمْ يُؤْمِنُ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ ۗ ذَٰلِكُمْ أَزْكَىٰ لَكُمْ وَأَطْهَرُ ۗ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
আর যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়ে দাও এবং তারপর তারাও নির্ধারিত ইদ্দত পূর্ন করতে থাকে, তখন তাদেরকে পূর্ব স্বামীদের সাথে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো না। এ উপদেশ তাকেই দেয়া হচ্ছে, যে আল্লাহ ও কেয়ামত দিনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে। এর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে একান্ত পরিশুদ্ধতা ও অনেক পবিত্রতা। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
طَلَّقْتُمُ
ṭallaqtumu
তালাক দাও তোমরা
▶
ٱلنِّسَآءَ
l-nisāa
স্ত্রীদেরকে
▶
فَبَلَغْنَ
fabalaghna
অতঃপর তারা পৌঁছে যায়
▶
أَجَلَهُنَّ
ajalahunna
তাদের মেয়াদে
▶
فَلَا
falā
না তখন
▶
تَعْضُلُوهُنَّ
taʿḍulūhunna
তাদেরকে বাধা দিয়ো
▶
أَن
an
যে
▶
يَنكِحْنَ
yankiḥ'na
তারা বিয়ে করতে চায়
▶
أَزْوَٰجَهُنَّ
azwājahunna
তাদের (পূর্বের) স্বামীকে
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
تَرَٰضَوْا۟
tarāḍaw
তারা পরস্পর সম্মত হয়
▶
بَيْنَهُم
baynahum
তাদের মাঝে
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۗ
bil-maʿrūfi
ন্যায় সংগত উপায়ে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
يُوعَظُ
yūʿaẓu
উপদেশ দেয়া হচ্ছে
▶
بِهِۦ
bihi
তার প্রতি
▶
مَن
man
(তার জন্যে) যে কেউ
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্যথেকে
▶
يُؤْمِنُ
yu'minu
ঈমান এনে থাকে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনের
▶
ٱلْـَٔاخِرِ ۗ
l-ākhiri
আখেরাতের
▶
ذَٰلِكُمْ
dhālikum
এটা
▶
أَزْكَىٰ
azkā
শুদ্ধতম পন্থা
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
وَأَطْهَرُ ۗ
wa-aṭharu
ও পবিত্রতম
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
আর তোমরা
▶
لَا
lā
না
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
জান
আয়াত 233 - সূরা البقرة: 64 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَٱلْوَٰلِدَٰتُ يُرْضِعْنَ أَوْلَـٰدَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ ۖ لِمَنْ أَرَادَ أَن يُتِمَّ ٱلرَّضَاعَةَ ۚ وَعَلَى ٱلْمَوْلُودِ لَهُۥ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِٱلْمَعْرُوفِ ۚ لَا تُكَلَّفُ نَفْسٌ إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَا تُضَآرَّ وَٰلِدَةٌۢ بِوَلَدِهَا وَلَا مَوْلُودٌۭ لَّهُۥ بِوَلَدِهِۦ ۚ وَعَلَى ٱلْوَارِثِ مِثْلُ ذَٰلِكَ ۗ فَإِنْ أَرَادَا فِصَالًا عَن تَرَاضٍۢ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍۢ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا ۗ وَإِنْ أَرَدتُّمْ أَن تَسْتَرْضِعُوٓا۟ أَوْلَـٰدَكُمْ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِذَا سَلَّمْتُم مَّآ ءَاتَيْتُم بِٱلْمَعْرُوفِ ۗ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌۭ
আর সন্তানবতী নারীরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ন দু’বছর দুধ খাওয়াবে, যদি দুধ খাওয়াবার পূর্ণ মেয়াদ সমাপ্ত করতে চায়। আর সন্তানের অধিকারী অর্থাৎ, পিতার উপর হলো সে সমস্ত নারীর খোর-পোষের দায়িত্ব প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী। কাউকে তার সামর্থাতিরিক্ত চাপের সম্মুখীন করা হয় না। আর মাকে তার সন্তানের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না। এবং যার সন্তান তাকেও তার সন্তানের কারণে ক্ষতির সম্মুখীন করা যাবে না। আর ওয়ারিসদের উপরও দায়িত্ব এই। তারপর যদি পিতা-মাতা ইচ্ছা করে, তাহলে দু’বছরের ভিতরেই নিজেদের পারস্পরিক পরামর্শক্রমে দুধ ছাড়িয়ে দিতে পারে, তাতে তাদের কোন পাপ নেই, আর যদি তোমরা কোন ধাত্রীর দ্বারা নিজের সন্তানদেরকে দুধ খাওয়াতে চাও, তাহলে যদি তোমরা সাব্যস্তকৃত প্রচলিত বিনিময় দিয়ে দাও তাতেও কোন পাপ নেই। আর আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রেখো যে, আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ অত্যন্ত ভাল করেই দেখেন।
▶
۞ وَٱلْوَٰلِدَٰتُ
wal-wālidātu
এবং মায়েরা
▶
يُرْضِعْنَ
yur'ḍiʿ'na
স্তন্য পান করাবে
▶
أَوْلَـٰدَهُنَّ
awlādahunna
তাদের সন্তানদের
▶
حَوْلَيْنِ
ḥawlayni
দু’বছর
▶
كَامِلَيْنِ ۖ
kāmilayni
পূর্ণ
▶
لِمَنْ
liman
তার জন্য যে (বাপ)
▶
أَرَادَ
arāda
চায়
▶
أَن
an
যে
▶
يُتِمَّ
yutimma
পূর্ণ করবে
▶
ٱلرَّضَاعَةَ ۚ
l-raḍāʿata
স্তন্যপান করানোর সময়
▶
وَعَلَى
waʿalā
এবং (দায়িত্ব তার) উপর
▶
ٱلْمَوْلُودِ
l-mawlūdi
যার নবজাতক
▶
لَهُۥ
lahu
জন্য
▶
رِزْقُهُنَّ
riz'quhunna
তাদের (অর্থাৎ মাদের) জীবিকা
▶
وَكِسْوَتُهُنَّ
wakis'watuhunna
ও তাদের পোশাকের
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۚ
bil-maʿrūfi
ন্যায় সংগত উপায়ে
▶
لَا
lā
না
▶
تُكَلَّفُ
tukallafu
দায়িত্বভার দেওয়া হবে
▶
نَفْسٌ
nafsun
কাউকে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
وُسْعَهَا ۚ
wus'ʿahā
তার সামর্থ্য
▶
لَا
lā
না
▶
تُضَآرَّ
tuḍārra
ক্ষতিগ্রস্ত করা হবে
▶
وَٰلِدَةٌۢ
wālidatun
মাকে
▶
بِوَلَدِهَا
biwaladihā
তার সন্তানের কারণে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
مَوْلُودٌۭ
mawlūdun
যার নবজাতক (অর্থাৎ বাপকে)
▶
لَّهُۥ
lahu
জন্য
▶
بِوَلَدِهِۦ ۚ
biwaladihi
তার সন্তানের কারণে
▶
وَعَلَى
waʿalā
এবং উপর
▶
ٱلْوَارِثِ
l-wārithi
উত্তরাধিকারীর
▶
مِثْلُ
mith'lu
অনুরূপ
▶
ذَٰلِكَ ۗ
dhālika
এটা (অধিকার)
▶
فَإِنْ
fa-in
অতঃপর যদি
▶
أَرَادَا
arādā
উভয়ে চায়
▶
فِصَالًا
fiṣālan
দুধ ছাড়াতে
▶
عَن
ʿan
মাধ্যমে
▶
تَرَاضٍۢ
tarāḍin
পরস্পর সম্মতির
▶
مِّنْهُمَا
min'humā
উভয় পক্ষের
▶
وَتَشَاوُرٍۢ
watashāwurin
ও পরামর্শের ভিত্তিতে
▶
فَلَا
falā
নেই তবে
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোনো পাপ
▶
عَلَيْهِمَا ۗ
ʿalayhimā
তাদের উভয়ের উপর
▶
وَإِنْ
wa-in
এবং যদি
▶
أَرَدتُّمْ
aradttum
তোমরা চাও
▶
أَن
an
যে
▶
تَسْتَرْضِعُوٓا۟
tastarḍiʿū
তোমরা দুধপান করাবে (কোনো ধাত্রী দিয়ে)
▶
أَوْلَـٰدَكُمْ
awlādakum
তোমাদের সন্তানদের
▶
فَلَا
falā
নেই তবে
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোনো পাপ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
سَلَّمْتُم
sallamtum
তোমরা অর্পন কর
▶
مَّآ
mā
যা
▶
ءَاتَيْتُم
ātaytum
তোমরা দিতে চেয়েছিলে
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۗ
bil-maʿrūfi
সংগত ভাবে
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রাখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয় যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ
▶
بَصِيرٌۭ
baṣīrun
সবকিছু দেখেন
আয়াত 234 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَٰجًۭا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍۢ وَعَشْرًۭا ۖ فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا فَعَلْنَ فِىٓ أَنفُسِهِنَّ بِٱلْمَعْرُوفِ ۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌۭ
আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে যাবে, তখন সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেকে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে রাখা। তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতি সঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোন পাপ নেই। আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
يُتَوَفَّوْنَ
yutawaffawna
মারা যায়
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্যেথেকে
▶
وَيَذَرُونَ
wayadharūna
এবং তারা রেখে যায়
▶
أَزْوَٰجًۭا
azwājan
স্ত্রীদেরকে
▶
يَتَرَبَّصْنَ
yatarabbaṣna
তারা অপেক্ষায় রাখবে (অর্থাৎ স্ত্রীরা)
▶
بِأَنفُسِهِنَّ
bi-anfusihinna
তাদের নিজেদেরকে
▶
أَرْبَعَةَ
arbaʿata
চার
▶
أَشْهُرٍۢ
ashhurin
মাস
▶
وَعَشْرًۭا ۖ
waʿashran
ও দশ (দিন পর্যন্ত)
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
بَلَغْنَ
balaghna
তারা পৌঁছে
▶
أَجَلَهُنَّ
ajalahunna
তাদের মেয়াদে
▶
فَلَا
falā
নেই তখন
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোনো পাপ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
فِيمَا
fīmā
সেক্ষেত্রে যা
▶
فَعَلْنَ
faʿalna
তারা করে
▶
فِىٓ
fī
সম্পর্কে
▶
أَنفُسِهِنَّ
anfusihinna
তাদের নিজেদের
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۗ
bil-maʿrūfi
ন্যায়সংগত ভাবে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ কর
▶
خَبِيرٌۭ
khabīrun
সবিশেষ অবহিত
আয়াত 235 - সূরা البقرة: 47 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا عَرَّضْتُم بِهِۦ مِنْ خِطْبَةِ ٱلنِّسَآءِ أَوْ أَكْنَنتُمْ فِىٓ أَنفُسِكُمْ ۚ عَلِمَ ٱللَّهُ أَنَّكُمْ سَتَذْكُرُونَهُنَّ وَلَـٰكِن لَّا تُوَاعِدُوهُنَّ سِرًّا إِلَّآ أَن تَقُولُوا۟ قَوْلًۭا مَّعْرُوفًۭا ۚ وَلَا تَعْزِمُوا۟ عُقْدَةَ ٱلنِّكَاحِ حَتَّىٰ يَبْلُغَ ٱلْكِتَـٰبُ أَجَلَهُۥ ۚ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِىٓ أَنفُسِكُمْ فَٱحْذَرُوهُ ۚ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ حَلِيمٌۭ
আর যদি তোমরা আকার ইঙ্গিতে সে নারীর বিয়ের পয়গাম দাও, কিংবা নিজেদের মনে গোপন রাখ, তবে তাতেও তোমাদের কোন পাপ নেই, আল্লাহ জানেন যে, তোমরা অবশ্যই সে নারীদের কথা উল্লেখ করবে। কিন্তু তাদের সাথে বিয়ে করার গোপন প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখো না। অবশ্য শরীয়তের নির্ধারিত প্রথা অনুযায়ী কোন কথা সাব্যস্ত করে নেবে। আর নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্তি পর্যায়ে না যাওয়া অবধি বিয়ে করার কোন ইচ্ছা করো না। আর একথা জেনে রেখো যে, তোমাদের মনে যে কথা রয়েছে, আল্লাহর তা জানা আছে। কাজেই তাঁকে ভয় করতে থাক। আর জেনে রেখো যে, আল্লাহ ক্ষমাকারী ও ধৈর্য্যশীল।
▶
وَلَا
walā
এবং নেই
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোনো পাপ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
فِيمَا
fīmā
সেক্ষেত্রে যা
▶
عَرَّضْتُم
ʿarraḍtum
তোমরা আভাস-ইঙ্গিতে প্রকাশ কর
▶
بِهِۦ
bihi
তা
▶
مِنْ
min
বিষয়টি
▶
خِطْبَةِ
khiṭ'bati
বিয়ের প্রস্তাবের
▶
ٱلنِّسَآءِ
l-nisāi
(বিধবা) নারীদের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
أَكْنَنتُمْ
aknantum
তোমরা গোপন কর
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَنفُسِكُمْ ۚ
anfusikum
তোমাদের মনের
▶
عَلِمَ
ʿalima
জানেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَنَّكُمْ
annakum
তোমরা যে
▶
سَتَذْكُرُونَهُنَّ
satadhkurūnahunna
তাদেরকে আলোচনা করবে তোমরা
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
لَّا
lā
না
▶
تُوَاعِدُوهُنَّ
tuwāʿidūhunna
তাদেরকে অঙ্গীকার করবে তোমরা
▶
سِرًّا
sirran
গোপনে
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَن
an
যে
▶
تَقُولُوا۟
taqūlū
তোমরা বলবে
▶
قَوْلًۭا
qawlan
কথা
▶
مَّعْرُوفًۭا ۚ
maʿrūfan
বিধি মতো
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَعْزِمُوا۟
taʿzimū
তোমরা সংকল্প করো
▶
عُقْدَةَ
ʿuq'data
বন্ধনের
▶
ٱلنِّكَاحِ
l-nikāḥi
বিয়ের
▶
حَتَّىٰ
ḥattā
যতক্ষণ না
▶
يَبْلُغَ
yablugha
পৌঁছে
▶
ٱلْكِتَـٰبُ
l-kitābu
বিধান (অর্থাৎ ইদ্দত)
▶
أَجَلَهُۥ ۚ
ajalahu
তার নির্দিষ্ট সময়ে
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রেখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
জানেন
▶
مَا
mā
যা (আছে)
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَنفُسِكُمْ
anfusikum
তোমাদের মনের
▶
فَٱحْذَرُوهُ ۚ
fa-iḥ'dharūhu
অতএব তাকে তোমরা ভয় করো
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রেখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
حَلِيمٌۭ
ḥalīmun
বড় সহনশীল
আয়াত 236 - সূরা البقرة: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِن طَلَّقْتُمُ ٱلنِّسَآءَ مَا لَمْ تَمَسُّوهُنَّ أَوْ تَفْرِضُوا۟ لَهُنَّ فَرِيضَةًۭ ۚ وَمَتِّعُوهُنَّ عَلَى ٱلْمُوسِعِ قَدَرُهُۥ وَعَلَى ٱلْمُقْتِرِ قَدَرُهُۥ مَتَـٰعًۢا بِٱلْمَعْرُوفِ ۖ حَقًّا عَلَى ٱلْمُحْسِنِينَ
স্ত্রীদেরকে স্পর্শ করার আগে এবং কোন মোহর সাব্যস্ত করার পূর্বেও যদি তালাক দিয়ে দাও, তবে তাতেও তোমাদের কোন পাপ নেই। তবে তাদেরকে কিছু খরচ দেবে। আর সামর্থ্যবানদের জন্য তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী এবং কম সামর্থ্যবানদের জন্য তাদের সাধ্য অনুযায়ী। যে খরচ প্রচলিত রয়েছে তা সৎকর্মশীলদের উপর দায়িত্ব।
▶
لَّا
lā
নেই
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোনো পাপ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
إِن
in
যদি
▶
طَلَّقْتُمُ
ṭallaqtumu
তোমরা তালাক দাও
▶
ٱلنِّسَآءَ
l-nisāa
স্ত্রীদেরকে
▶
مَا
mā
যে পর্যন্ত
▶
لَمْ
lam
না
▶
تَمَسُّوهُنَّ
tamassūhunna
তাদেরকে স্পর্শ কর
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تَفْرِضُوا۟
tafriḍū
তোমরা ধার্য কর (নাই)
▶
لَهُنَّ
lahunna
তাদের জন্য
▶
فَرِيضَةًۭ ۚ
farīḍatan
কোনো মোহর
▶
وَمَتِّعُوهُنَّ
wamattiʿūhunna
এবং তাদেরকে কিছু খরচপত্র দাও
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمُوسِعِ
l-mūsiʿi
সংগতিসম্পন্ন ব্যক্তি
▶
قَدَرُهُۥ
qadaruhu
তার সাধ্যমত
▶
وَعَلَى
waʿalā
ও উপর
▶
ٱلْمُقْتِرِ
l-muq'tiri
বিত্তহীনের
▶
قَدَرُهُۥ
qadaruhu
তার সাধ্যমত
▶
مَتَـٰعًۢا
matāʿan
খরচপত্র দেবে
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۖ
bil-maʿrūfi
ন্যায়সংগত ভাবে
▶
حَقًّا
ḥaqqan
কর্তব্য
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمُحْسِنِينَ
l-muḥ'sinīna
সৎকর্মশীল লোকদের
আয়াত 237 - সূরা البقرة: 35 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن طَلَّقْتُمُوهُنَّ مِن قَبْلِ أَن تَمَسُّوهُنَّ وَقَدْ فَرَضْتُمْ لَهُنَّ فَرِيضَةًۭ فَنِصْفُ مَا فَرَضْتُمْ إِلَّآ أَن يَعْفُونَ أَوْ يَعْفُوَا۟ ٱلَّذِى بِيَدِهِۦ عُقْدَةُ ٱلنِّكَاحِ ۚ وَأَن تَعْفُوٓا۟ أَقْرَبُ لِلتَّقْوَىٰ ۚ وَلَا تَنسَوُا۟ ٱلْفَضْلَ بَيْنَكُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে। অবশ্য যদি নারীরা ক্ষমা করে দেয় কিংবা বিয়ের বন্ধন যার অধিকারে সে (অর্থাৎ, স্বামী) যদি ক্ষমা করে দেয় তবে তা স্বতন্ত্র কথা। আর তোমরা পুরুষরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে পরহেযগারীর নিকটবর্তী। আর পারস্পরিক সহানুভূতির কথা বিস্মৃত হয়ো না। নিশ্চয় তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ সেসবই অত্যন্ত ভাল করে দেখেন।
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
طَلَّقْتُمُوهُنَّ
ṭallaqtumūhunna
তাদেরকে তোমরা তালাক দিয়ে দাও
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِ
qabli
এর পূর্বেই
▶
أَن
an
যে
▶
تَمَسُّوهُنَّ
tamassūhunna
তাদেরকে স্পর্শ করবে
▶
وَقَدْ
waqad
অথচ নিশ্চয়ই
▶
فَرَضْتُمْ
faraḍtum
তোমরা ধার্য করেছ
▶
لَهُنَّ
lahunna
তাদের জন্য
▶
فَرِيضَةًۭ
farīḍatan
মোহর
▶
فَنِصْفُ
faniṣ'fu
অর্ধেক তবে
▶
مَا
mā
যা
▶
فَرَضْتُمْ
faraḍtum
তোমরা ধার্য করেছ (মোহর)
▶
إِلَّآ
illā
কিন্তু
▶
أَن
an
যে ছাড়া (স্ত্রীরা)
▶
يَعْفُونَ
yaʿfūna
তারা ক্ষমা প্রকাশ করে (না নেয়)
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يَعْفُوَا۟
yaʿfuwā
সে ক্ষমা করে (পূর্ণ দেয়)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যে (পুরুষ)
▶
بِيَدِهِۦ
biyadihi
যার হাতের মধ্যে (রয়েছে)
▶
عُقْدَةُ
ʿuq'datu
বন্ধন
▶
ٱلنِّكَاحِ ۚ
l-nikāḥi
বিয়ের (তা স্বতন্ত্র কথা)
▶
وَأَن
wa-an
এবং (এও) যে
▶
تَعْفُوٓا۟
taʿfū
তোমরা ক্ষমা করবে
▶
أَقْرَبُ
aqrabu
(তা) নিকটতর
▶
لِلتَّقْوَىٰ ۚ
lilttaqwā
তাকওয়ার ক্ষেত্রে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَنسَوُا۟
tansawū
তোমরা ভুলে যেয়ো
▶
ٱلْفَضْلَ
l-faḍla
সহৃদয়তা
▶
بَيْنَكُمْ ۚ
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয় যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ কর
▶
بَصِيرٌ
baṣīrun
খুব দেখেন
আয়াত 238 - সূরা البقرة: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
حَـٰفِظُوا۟ عَلَى ٱلصَّلَوَٰتِ وَٱلصَّلَوٰةِ ٱلْوُسْطَىٰ وَقُومُوا۟ لِلَّهِ قَـٰنِتِينَ
সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও।
▶
حَـٰفِظُوا۟
ḥāfiẓū
তোমরা সংরক্ষণ করো
▶
عَلَى
ʿalā
প্রতি
▶
ٱلصَّلَوَٰتِ
l-ṣalawāti
সব সালাত গুলোর
▶
وَٱلصَّلَوٰةِ
wal-ṣalati
এবং (বিশেষ করে) সালাত
▶
ٱلْوُسْطَىٰ
l-wus'ṭā
মধ্যবর্তী (অর্থাৎ আছরের)
▶
وَقُومُوا۟
waqūmū
এবং তোমরা দাঁড়িয়ে যাও
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর জন্য
▶
قَـٰنِتِينَ
qānitīna
একান্ত বিনীত ভাবে
আয়াত 239 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًۭا ۖ فَإِذَآ أَمِنتُمْ فَٱذْكُرُوا۟ ٱللَّهَ كَمَا عَلَّمَكُم مَّا لَمْ تَكُونُوا۟ تَعْلَمُونَ
অতঃপর যদি তোমাদের কারো ব্যাপারে ভয় থাকে, তাহলে পদচারী অবস্থাতেই পড়ে নাও অথবা সওয়ারীর উপরে। তারপর যখন তোমরা নিরাপত্তা পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ কর, যেভাবে তোমাদের শেখানো হয়েছে, যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।
▶
فَإِنْ
fa-in
অতঃপর যদি
▶
خِفْتُمْ
khif'tum
তোমরা ভয় করো
▶
فَرِجَالًا
farijālan
তবে হেঁটে চলা অবস্থায়
▶
أَوْ
aw
বা
▶
رُكْبَانًۭا ۖ
ruk'bānan
আরোহী অবস্থায় (সালাত পড়বে)
▶
فَإِذَآ
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
أَمِنتُمْ
amintum
তোমরা নিরাপদ হও
▶
فَٱذْكُرُوا۟
fa-udh'kurū
স্মরণ করো তখন
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
عَلَّمَكُم
ʿallamakum
তোমাদের তিনি শিখিয়েছেন
▶
مَّا
mā
যা
▶
لَمْ
lam
না
▶
تَكُونُوا۟
takūnū
তোমরা হও
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
তোমরা জানতে
আয়াত 240 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَٰجًۭا وَصِيَّةًۭ لِّأَزْوَٰجِهِم مَّتَـٰعًا إِلَى ٱلْحَوْلِ غَيْرَ إِخْرَاجٍۢ ۚ فَإِنْ خَرَجْنَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِى مَا فَعَلْنَ فِىٓ أَنفُسِهِنَّ مِن مَّعْرُوفٍۢ ۗ وَٱللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌۭ
আর যখন তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে তখন স্ত্রীদের ঘর থেকে বের না করে এক বছর পর্যন্ত তাদের খরচের ব্যাপারে ওসিয়ত করে যাবে। অতঃপর যদি সে স্ত্রীরা নিজে থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নারী যদি নিজের ব্যাপারে কোন উত্তম ব্যবস্থা করে, তবে তাতে তোমাদের উপর কোন পাপ নেই। আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী বিজ্ঞতা সম্পন্ন।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
يُتَوَفَّوْنَ
yutawaffawna
মারা যায়
▶
مِنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য হতে
▶
وَيَذَرُونَ
wayadharūna
এবং তারা রেখে যায়
▶
أَزْوَٰجًۭا
azwājan
স্ত্রীদেরকে
▶
وَصِيَّةًۭ
waṣiyyatan
(তাদের উচিৎ) জোর নির্দেশ করা
▶
لِّأَزْوَٰجِهِم
li-azwājihim
তাদের স্ত্রীদের জন্যে
▶
مَّتَـٰعًا
matāʿan
ভরণ পোষণের
▶
إِلَى
ilā
পর্যন্ত
▶
ٱلْحَوْلِ
l-ḥawli
এক বছর
▶
غَيْرَ
ghayra
ছাড়া
▶
إِخْرَاجٍۢ ۚ
ikh'rājin
বহিষ্কার (ঘর থেকে)
▶
فَإِنْ
fa-in
যদি তবে
▶
خَرَجْنَ
kharajna
তারা বের হয় (নিজেরাই)
▶
فَلَا
falā
নেই তবে
▶
جُنَاحَ
junāḥa
কোনো পাপ
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
فِى
fī
সেক্ষেত্রে
▶
مَا
mā
যা
▶
فَعَلْنَ
faʿalna
তারা করেছে
▶
فِىٓ
fī
ব্যাপারে
▶
أَنفُسِهِنَّ
anfusihinna
তাদের নিজেদের
▶
مِن
min
থেকে
▶
مَّعْرُوفٍۢ ۗ
maʿrūfin
ন্যায় সংগত ভাবে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَزِيزٌ
ʿazīzun
পরাক্রমশালী
▶
حَكِيمٌۭ
ḥakīmun
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 241 - সূরা البقرة: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلِلْمُطَلَّقَـٰتِ مَتَـٰعٌۢ بِٱلْمَعْرُوفِ ۖ حَقًّا عَلَى ٱلْمُتَّقِينَ
আর তালাকপ্রাপ্তা নারীদের জন্য প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী খরচ দেয়া পরহেযগারদের উপর কর্তব্য।
▶
وَلِلْمُطَلَّقَـٰتِ
walil'muṭallaqāti
এবং তালাক প্রাপ্তাদের জন্যে
▶
مَتَـٰعٌۢ
matāʿun
কিছু ভরণপোষণ দেওয়া
▶
بِٱلْمَعْرُوفِ ۖ
bil-maʿrūfi
উপযুক্তভাবে
▶
حَقًّا
ḥaqqan
কর্তব্য
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْمُتَّقِينَ
l-mutaqīna
মুত্তাকীদের
আয়াত 242 - সূরা البقرة: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمْ ءَايَـٰتِهِۦ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
এভাবেই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য স্বীয় নির্দেশ বর্ণনা করেন যাতে তোমরা তা বুঝতে পার।
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُبَيِّنُ
yubayyinu
বর্ণনা করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
তাঁর বিধানাবলীকে
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
তোমরা যেন
▶
تَعْقِلُونَ
taʿqilūna
বুঝতে পার
আয়াত 243 - সূরা البقرة: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ خَرَجُوا۟ مِن دِيَـٰرِهِمْ وَهُمْ أُلُوفٌ حَذَرَ ٱلْمَوْتِ فَقَالَ لَهُمُ ٱللَّهُ مُوتُوا۟ ثُمَّ أَحْيَـٰهُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى ٱلنَّاسِ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَشْكُرُونَ
তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা মৃত্যুর ভয়ে নিজেদের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন? অথচ তারা ছিল হাজার হাজার। তারপর আল্লাহ তাদেরকে বললেন মরে যাও। তারপর তাদেরকে জীবিত করে দিলেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের উপর অনুগ্রহকারী। কিন্তু অধিকাংশ লোক শুকরিয়া প্রকাশ করে না।
▶
۞ أَلَمْ
alam
নি কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখ
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
خَرَجُوا۟
kharajū
বের হয়েছিল
▶
مِن
min
থেকে
▶
دِيَـٰرِهِمْ
diyārihim
ঘরগুলো তাদের
▶
وَهُمْ
wahum
অথচ তারা (ছিল)
▶
أُلُوفٌ
ulūfun
হাজার হাজার
▶
حَذَرَ
ḥadhara
ভয়ে
▶
ٱلْمَوْتِ
l-mawti
মৃত্যুর
▶
فَقَالَ
faqāla
অতঃপর বললেন
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদের উদ্দেশে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مُوتُوا۟
mūtū
তোমরা মরে যাও
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
أَحْيَـٰهُمْ ۚ
aḥyāhum
তিনি জীবিত করলেন (আবার) তাদেরকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَذُو
ladhū
(অধিকারী)
▶
فَضْلٍ
faḍlin
অনুগ্রহের
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
أَكْثَرَ
akthara
অধিকাংশ
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষ
▶
لَا
lā
না
▶
يَشْكُرُونَ
yashkurūna
তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে
আয়াত 244 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَـٰتِلُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌۭ
আল্লাহর পথে লড়াই কর এবং জেনে রাখ, নিঃসন্দেহে আল্লাহ সবকিছু জানেন, সবকিছু শুনেন।
▶
وَقَـٰتِلُوا۟
waqātilū
এবং যুদ্ধ করো তোমরা
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রেখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
سَمِيعٌ
samīʿun
সবকিছু শুনেন
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
সবকিছু দেখেন
আয়াত 245 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّن ذَا ٱلَّذِى يُقْرِضُ ٱللَّهَ قَرْضًا حَسَنًۭا فَيُضَـٰعِفَهُۥ لَهُۥٓ أَضْعَافًۭا كَثِيرَةًۭ ۚ وَٱللَّهُ يَقْبِضُ وَيَبْصُۜطُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
এমন কে আছে যে, আল্লাহকে করজ দেবে, উত্তম করজ; অতঃপর আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ-বহুগুণ বৃদ্ধি করে দিবেন। আল্লাহই সংকোচিত করেন এবং তিনিই প্রশস্ততা দান করেন এবং তাঁরই নিকট তোমরা সবাই ফিরে যাবে।
▶
مَّن
man
কে
▶
ذَا
dhā
সে (এমন)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যে
▶
يُقْرِضُ
yuq'riḍu
ঋণ দেবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
قَرْضًا
qarḍan
ঋণ
▶
حَسَنًۭا
ḥasanan
উত্তম
▶
فَيُضَـٰعِفَهُۥ
fayuḍāʿifahu
তিনি তা বৃদ্ধি এরপর করবেন
▶
لَهُۥٓ
lahu
তার জন্য
▶
أَضْعَافًۭا
aḍʿāfan
গুণ বৃদ্ধি
▶
كَثِيرَةًۭ ۚ
kathīratan
অনেক
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَقْبِضُ
yaqbiḍu
সংকুচিত করেন
▶
وَيَبْصُۜطُ
wayabṣuṭu
ও সম্প্রসারিত করেন
▶
وَإِلَيْهِ
wa-ilayhi
এবং তাঁরই দিকে
▶
تُرْجَعُونَ
tur'jaʿūna
তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে
আয়াত 246 - সূরা البقرة: 54 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلْمَلَإِ مِنۢ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ مِنۢ بَعْدِ مُوسَىٰٓ إِذْ قَالُوا۟ لِنَبِىٍّۢ لَّهُمُ ٱبْعَثْ لَنَا مَلِكًۭا نُّقَـٰتِلْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ۖ قَالَ هَلْ عَسَيْتُمْ إِن كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلْقِتَالُ أَلَّا تُقَـٰتِلُوا۟ ۖ قَالُوا۟ وَمَا لَنَآ أَلَّا نُقَـٰتِلَ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَقَدْ أُخْرِجْنَا مِن دِيَـٰرِنَا وَأَبْنَآئِنَا ۖ فَلَمَّا كُتِبَ عَلَيْهِمُ ٱلْقِتَالُ تَوَلَّوْا۟ إِلَّا قَلِيلًۭا مِّنْهُمْ ۗ وَٱللَّهُ عَلِيمٌۢ بِٱلظَّـٰلِمِينَ
মূসার পরে তুমি কি বনী ইসরাঈলের একটি দলকে দেখনি, যখন তারা বলেছে নিজেদের নবীর কাছে যে, আমাদের জন্য একজন বাদশাহ নির্ধারিত করে দিন যাতে আমরা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতে পারি। নবী বললেন, তোমাদের প্রতিও কি এমন ধারণা করা যায় যে, লড়াইর হুকুম যদি হয়, তাহলে তখন তোমরা লড়বে না? তারা বলল, আমাদের কি হয়েছে যে, আমরা আল্লাহর পথে লড়াই করব না। অথচ আমরা বিতাড়িত হয়েছি নিজেদের ঘর-বাড়ী ও সন্তান-সন্ততি থেকে। অতঃপর যখন লড়াইয়ের নির্দেশ হলো, তখন সামান্য কয়েকজন ছাড়া তাদের সবাই ঘুরে দাঁড়ালো। আর আল্লাহ তা’আলা জালেমদের ভাল করেই জানেন।
▶
أَلَمْ
alam
নি কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখ
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلْمَلَإِ
l-mala-i
প্রধানদের
▶
مِنۢ
min
মধ্য থেকে
▶
بَنِىٓ
banī
বনী
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলদের
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পর
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মূসার
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
لِنَبِىٍّۢ
linabiyyin
নবীর
▶
لَّهُمُ
lahumu
তাদের জন্য
▶
ٱبْعَثْ
ib'ʿath
পাঠান
▶
لَنَا
lanā
আমাদের জন্য
▶
مَلِكًۭا
malikan
একজন রাজা
▶
نُّقَـٰتِلْ
nuqātil
যুদ্ধ করব আমরা (তার নের্তৃত্বে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
هَلْ
hal
যদি
▶
عَسَيْتُمْ
ʿasaytum
তোমরা আশা কর
▶
إِن
in
যদি
▶
كُتِبَ
kutiba
ফরজ করা হয়
▶
عَلَيْكُمُ
ʿalaykumu
তোমাদের উপর
▶
ٱلْقِتَالُ
l-qitālu
যুদ্ধ
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
تُقَـٰتِلُوا۟ ۖ
tuqātilū
তোমরা যুদ্ধ করবে
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
وَمَا
wamā
এবং কি
▶
لَنَآ
lanā
আমাদের হয়েছে
▶
أَلَّا
allā
যে না
▶
نُقَـٰتِلَ
nuqātila
আমরা যুদ্ধ করব
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَقَدْ
waqad
অথচ নিশ্চয়ই
▶
أُخْرِجْنَا
ukh'rij'nā
আমাদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে
▶
مِن
min
হতে
▶
دِيَـٰرِنَا
diyārinā
আমাদের ঘরবাড়ি
▶
وَأَبْنَآئِنَا ۖ
wa-abnāinā
ও আমাদের সন্তানদের (হতে)
▶
فَلَمَّا
falammā
অতঃপর যখন
▶
كُتِبَ
kutiba
ফরজ করা হল
▶
عَلَيْهِمُ
ʿalayhimu
তাদের উপর
▶
ٱلْقِتَالُ
l-qitālu
যুদ্ধের
▶
تَوَلَّوْا۟
tawallaw
তারা পিঠ ফিরাল
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
স্বল্প সংখ্যক
▶
مِّنْهُمْ ۗ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
খুব অবহিত
▶
بِٱلظَّـٰلِمِينَ
bil-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারী সম্পর্কে
আয়াত 247 - সূরা البقرة: 43 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ لَهُمْ نَبِيُّهُمْ إِنَّ ٱللَّهَ قَدْ بَعَثَ لَكُمْ طَالُوتَ مَلِكًۭا ۚ قَالُوٓا۟ أَنَّىٰ يَكُونُ لَهُ ٱلْمُلْكُ عَلَيْنَا وَنَحْنُ أَحَقُّ بِٱلْمُلْكِ مِنْهُ وَلَمْ يُؤْتَ سَعَةًۭ مِّنَ ٱلْمَالِ ۚ قَالَ إِنَّ ٱللَّهَ ٱصْطَفَىٰهُ عَلَيْكُمْ وَزَادَهُۥ بَسْطَةًۭ فِى ٱلْعِلْمِ وَٱلْجِسْمِ ۖ وَٱللَّهُ يُؤْتِى مُلْكَهُۥ مَن يَشَآءُ ۚ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌۭ
আর তাদেরকে তাদের নবী বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তালূতকে তোমাদের জন্য বাদশাহ সাব্যস্ত করেছেন। তারা বলতে লাগল তা কেমন করে হয় যে, তার শাসন চলবে আমাদের উপর। অথচ রাষ্ট্রক্ষমতা পাওয়ার ক্ষেত্রে তার চেয়ে আমাদেরই অধিকার বেশী। আর সে সম্পদের দিক দিয়েও সচ্ছল নয়। নবী বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর তাকে পছন্দ করেছেন এবং স্বাস্থ্য ও জ্ঞানের দিক দিয়ে প্রাচুর্য দান করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ তাকেই রাজ্য দান করেন, যাকে ইচ্ছা। আর আল্লাহ হলেন অনুগ্রহ দানকারী এবং সব বিষয়ে অবগত।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলেছিল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের উদ্দেশে
▶
نَبِيُّهُمْ
nabiyyuhum
তাদের নবী
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
قَدْ
qad
অবশ্যই
▶
بَعَثَ
baʿatha
পাঠিয়েছেন
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
طَالُوتَ
ṭālūta
তালুতকে
▶
مَلِكًۭا ۚ
malikan
রাজা হিসেবে
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
أَنَّىٰ
annā
কিরূপে
▶
يَكُونُ
yakūnu
হবে
▶
لَهُ
lahu
তার জন্য
▶
ٱلْمُلْكُ
l-mul'ku
রাজত্ব
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
আমাদের উপর
▶
وَنَحْنُ
wanaḥnu
অথচ আমরা
▶
أَحَقُّ
aḥaqqu
অধিক যোগ্য
▶
بِٱلْمُلْكِ
bil-mul'ki
রাজত্বের
▶
مِنْهُ
min'hu
তার চেয়ে
▶
وَلَمْ
walam
এবং নি
▶
يُؤْتَ
yu'ta
দেওয়া হয় তাকে
▶
سَعَةًۭ
saʿatan
প্রাচুর্য
▶
مِّنَ
mina
মাধ্যমে
▶
ٱلْمَالِ ۚ
l-māli
ধন সম্পদের
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
ٱصْطَفَىٰهُ
iṣ'ṭafāhu
তাকে মনোনীত করেছেন
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
وَزَادَهُۥ
wazādahu
ও তাকে বেশি দিয়েছেন
▶
بَسْطَةًۭ
basṭatan
প্রসারতা
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْعِلْمِ
l-ʿil'mi
জ্ঞানের
▶
وَٱلْجِسْمِ ۖ
wal-jis'mi
ও শারীরিক শক্তিতে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يُؤْتِى
yu'tī
দেন
▶
مُلْكَهُۥ
mul'kahu
তাঁর রাজত্ব
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি চান
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
وَٰسِعٌ
wāsiʿun
প্রাচুর্যময়
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
মহাজ্ঞানী
আয়াত 248 - সূরা البقرة: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ لَهُمْ نَبِيُّهُمْ إِنَّ ءَايَةَ مُلْكِهِۦٓ أَن يَأْتِيَكُمُ ٱلتَّابُوتُ فِيهِ سَكِينَةٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ وَبَقِيَّةٌۭ مِّمَّا تَرَكَ ءَالُ مُوسَىٰ وَءَالُ هَـٰرُونَ تَحْمِلُهُ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَةًۭ لَّكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
বনী-ইসরাঈলদেরকে তাদের নবী আরো বললেন, তালূতের নেতৃত্বের চিহ্ন হলো এই যে, তোমাদের কাছে একটা সিন্দুক আসবে তোমাদের পালকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের মনের সন্তুষ্টির নিমিত্তে। আর তাতে থাকবে মূসা, হারুন এবং তাঁদের সন্তানবর্গের পরিত্যক্ত কিছু সামগ্রী। সিন্দুকটিকে বয়ে আনবে ফেরেশতারা। তোমরা যদি ঈমানদার হয়ে থাক, তাহলে এতে তোমাদের জন্য নিশ্চিতই পরিপূর্ণ নিদর্শন রয়েছে।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলল
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের উদ্দেশে
▶
نَبِيُّهُمْ
nabiyyuhum
তাদের নবী
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ءَايَةَ
āyata
নিদর্শন (হবে)
▶
مُلْكِهِۦٓ
mul'kihi
তার রাজত্বের
▶
أَن
an
(এই) যে
▶
يَأْتِيَكُمُ
yatiyakumu
তোমাদের কাছে আসবে
▶
ٱلتَّابُوتُ
l-tābūtu
সেই সিন্ধুক
▶
فِيهِ
fīhi
যার মধ্যে (আছে)
▶
سَكِينَةٌۭ
sakīnatun
প্রশান্তি
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
وَبَقِيَّةٌۭ
wabaqiyyatun
ও অবশিষ্ট
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
تَرَكَ
taraka
ছেড়ে গেছে
▶
ءَالُ
ālu
বংশধর
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসার
▶
وَءَالُ
waālu
ও বংশধর
▶
هَـٰرُونَ
hārūna
হারুনের
▶
تَحْمِلُهُ
taḥmiluhu
তা বহন করে চলছে
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ ۚ
l-malāikatu
ফেরেশতারা
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে (রয়েছে)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَـَٔايَةًۭ
laāyatan
অবশ্যই নিদর্শন
▶
لَّكُمْ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হও
▶
مُّؤْمِنِينَ
mu'minīna
মু'মিন
আয়াত 249 - সূরা البقرة: 60 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَمَّا فَصَلَ طَالُوتُ بِٱلْجُنُودِ قَالَ إِنَّ ٱللَّهَ مُبْتَلِيكُم بِنَهَرٍۢ فَمَن شَرِبَ مِنْهُ فَلَيْسَ مِنِّى وَمَن لَّمْ يَطْعَمْهُ فَإِنَّهُۥ مِنِّىٓ إِلَّا مَنِ ٱغْتَرَفَ غُرْفَةًۢ بِيَدِهِۦ ۚ فَشَرِبُوا۟ مِنْهُ إِلَّا قَلِيلًۭا مِّنْهُمْ ۚ فَلَمَّا جَاوَزَهُۥ هُوَ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مَعَهُۥ قَالُوا۟ لَا طَاقَةَ لَنَا ٱلْيَوْمَ بِجَالُوتَ وَجُنُودِهِۦ ۚ قَالَ ٱلَّذِينَ يَظُنُّونَ أَنَّهُم مُّلَـٰقُوا۟ ٱللَّهِ كَم مِّن فِئَةٍۢ قَلِيلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةًۭ كَثِيرَةًۢ بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۗ وَٱللَّهُ مَعَ ٱلصَّـٰبِرِينَ
অতঃপর তালূত যখন সৈন্য-সামন্ত নিয়ে বেরুল, তখন বলল, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদিগকে পরীক্ষা করবেন একটি নদীর মাধ্যমে। সুতরাং যে লোক সেই নদীর পানি পান করবে সে আমার নয়। আর যে, লোক তার স্বাদ গ্রহণ করলো না, নিশ্চয়ই সে আমার লোক। কিন্তু যে লোক হাতের আঁজলা ভরে সামান্য খেয়ে নেবে তার দোষঅবশ্য তেমন গুরুতর হবে না। অতঃপর সবাই পান করল সে পানি, সামান্য কয়েকজন ছাড়া। পরে তালূত যখন তা পার হলো এবং তার সাথে ছিল মাত্র কয়েকজন ঈমানদার, তখন তারা বলতে লাগল, আজকের দিনে জালূত এবং তার সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করার শক্তি আমাদের নেই, যাদের ধারণা ছিল যে, আল্লাহর সামনে তাদের একদিন উপস্থিত হতে হবে, তারা বার বার বলতে লাগল, সামান্য দলই বিরাট দলের মোকাবেলায় জয়ী হয়েছে আল্লাহর হুকুমে। আর যারা ধৈর্য্যশীল আল্লাহ তাদের সাথে রয়েছেন।
▶
فَلَمَّا
falammā
যখন অতঃপর
▶
فَصَلَ
faṣala
রওনা হল
▶
طَالُوتُ
ṭālūtu
তালুত
▶
بِٱلْجُنُودِ
bil-junūdi
সৈন্যদের নিয়ে
▶
قَالَ
qāla
বলল
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
مُبْتَلِيكُم
mub'talīkum
তোমাদের পরীক্ষা করবেন
▶
بِنَهَرٍۢ
binaharin
একটা নদী দিয়ে
▶
فَمَن
faman
যে অতঃপর
▶
شَرِبَ
shariba
পান করবে
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
فَلَيْسَ
falaysa
সে নয় তখন
▶
مِنِّى
minnī
আমার দলে
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَطْعَمْهُ
yaṭʿamhu
তার স্বাদ নেবে
▶
فَإِنَّهُۥ
fa-innahu
নিশ্চয়ই তবে সে
▶
مِنِّىٓ
minnī
আমার দলভুক্ত (থাকবে)
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
مَنِ
mani
যে
▶
ٱغْتَرَفَ
igh'tarafa
আঁজলা ভরে নেবে (পানি)
▶
غُرْفَةًۢ
ghur'fatan
এক আঁজলা
▶
بِيَدِهِۦ ۚ
biyadihi
তার হাত দিয়ে (সেটা ভিন্ন)
▶
فَشَرِبُوا۟
fasharibū
তারা অতঃপর পান করল
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
স্বল্প সংখ্যক
▶
مِّنْهُمْ ۚ
min'hum
তাদের মধ্য হতে
▶
فَلَمَّا
falammā
অতঃপর যখন
▶
جَاوَزَهُۥ
jāwazahu
তা অতিক্রম করল
▶
هُوَ
huwa
সে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
ও যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছিল
▶
مَعَهُۥ
maʿahu
তার সাথে
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলেছিল
▶
لَا
lā
নেই
▶
طَاقَةَ
ṭāqata
শক্তি
▶
لَنَا
lanā
আমাদের কাছে
▶
ٱلْيَوْمَ
l-yawma
আজ
▶
بِجَالُوتَ
bijālūta
জালুতের সাথে
▶
وَجُنُودِهِۦ ۚ
wajunūdihi
ও তার সৈন্যদের (সাথে যুদ্ধের)
▶
قَالَ
qāla
বলল
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَظُنُّونَ
yaẓunnūna
মনে করত
▶
أَنَّهُم
annahum
তারা যে
▶
مُّلَـٰقُوا۟
mulāqū
সাক্ষাৎকারী
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর সাথে
▶
كَم
kam
কত
▶
مِّن
min
থেকে
▶
فِئَةٍۢ
fi-atin
দল (রয়েছে)
▶
قَلِيلَةٍ
qalīlatin
ছোট ছোট
▶
غَلَبَتْ
ghalabat
বিজয়ী হয়েছে (যারা)
▶
فِئَةًۭ
fi-atan
দলের (উপর)
▶
كَثِيرَةًۢ
kathīratan
বড় বড়
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতিক্রমে
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
مَعَ
maʿa
(সাথে আছেন)
▶
ٱلصَّـٰبِرِينَ
l-ṣābirīna
ধৈর্যশীল
আয়াত 250 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَمَّا بَرَزُوا۟ لِجَالُوتَ وَجُنُودِهِۦ قَالُوا۟ رَبَّنَآ أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًۭا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَٱنصُرْنَا عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْكَـٰفِرِينَ
আর যখন তালূত ও তার সেনাবাহিনী শত্রুর সম্মুখীন হল, তখন বলল, হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের মনে ধৈর্য্য সৃষ্টি করে দাও এবং আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখ-আর আমাদের সাহায্য কর সে কাফের জাতির বিরুদ্ধে।
▶
وَلَمَّا
walammā
এবং যখন
▶
بَرَزُوا۟
barazū
তারা সম্মুখীন হল
▶
لِجَالُوتَ
lijālūta
জালুতের বিরুদ্ধে
▶
وَجُنُودِهِۦ
wajunūdihi
ও তার সৈন্যদের (বিরুদ্ধে)
▶
قَالُوا۟
qālū
বলেছিল তারা
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
أَفْرِغْ
afrigh
ঢেলে দাও(দান করো)
▶
عَلَيْنَا
ʿalaynā
আমাদের ওপর
▶
صَبْرًۭا
ṣabran
ধৈর্য
▶
وَثَبِّتْ
wathabbit
ও দৃঢ় করো
▶
أَقْدَامَنَا
aqdāmanā
আমাদের পাগুলোকে
▶
وَٱنصُرْنَا
wa-unṣur'nā
এবং আমাদেরকে সাহায্য করো
▶
عَلَى
ʿalā
বিরুদ্ধে
▶
ٱلْقَوْمِ
l-qawmi
জাতির
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফির
আয়াত 251 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَهَزَمُوهُم بِإِذْنِ ٱللَّهِ وَقَتَلَ دَاوُۥدُ جَالُوتَ وَءَاتَىٰهُ ٱللَّهُ ٱلْمُلْكَ وَٱلْحِكْمَةَ وَعَلَّمَهُۥ مِمَّا يَشَآءُ ۗ وَلَوْلَا دَفْعُ ٱللَّهِ ٱلنَّاسَ بَعْضَهُم بِبَعْضٍۢ لَّفَسَدَتِ ٱلْأَرْضُ وَلَـٰكِنَّ ٱللَّهَ ذُو فَضْلٍ عَلَى ٱلْعَـٰلَمِينَ
তারপর ঈমানদাররা আল্লাহর হুকুমে জালূতের বাহিনীকে পরাজিত করে দিল এবং দাউদ জালূতকে হত্যা করল। আর আল্লাহ দাউদকে দান করলেন রাজ্য ও অভিজ্ঞতা। আর তাকে যা চাইলেন শিখালেন। আল্লাহ যদি একজনকে অপরজনের দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তাহলে গোটা দুনিয়া বিধ্বস্ত হয়ে যেতো। কিন্তু বিশ্ববাসীর প্রতি আল্লাহ একান্তই দয়ালু, করুণাময়।
▶
فَهَزَمُوهُم
fahazamūhum
তারা অতঃপর পরাজিত করল তাদেরকে
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতিক্রমে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَقَتَلَ
waqatala
এবং হত্যা করল
▶
دَاوُۥدُ
dāwūdu
দাঊদ
▶
جَالُوتَ
jālūta
জালুতকে
▶
وَءَاتَىٰهُ
waātāhu
এবং তাকে দিয়ে দিয়েছিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْمُلْكَ
l-mul'ka
রাজত্ব
▶
وَٱلْحِكْمَةَ
wal-ḥik'mata
ও প্রজ্ঞা
▶
وَعَلَّمَهُۥ
waʿallamahu
ও তাকে শিক্ষা দিয়েছিলেন
▶
مِمَّا
mimmā
তা থেকে (বিভিন্ন জিনিসের) যা
▶
يَشَآءُ ۗ
yashāu
তিনি চেয়েছেন
▶
وَلَوْلَا
walawlā
এবং যদি না
▶
دَفْعُ
dafʿu
প্রতিহত (করা হত)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (পক্ষ হতে)
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষের
▶
بَعْضَهُم
baʿḍahum
তাদের কাউকে
▶
بِبَعْضٍۢ
bibaʿḍin
(অন্য) কাউকে দিয়ে
▶
لَّفَسَدَتِ
lafasadati
(তাহলে) অবশ্যই বিপর্যস্ত হয়ে যেত
▶
ٱلْأَرْضُ
l-arḍu
পৃথিবী
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
ذُو
dhū
(অধিকারী)
▶
فَضْلٍ
faḍlin
(অনুগ্রহের)
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
বিশ্বজগতের
আয়াত 252 - সূরা البقرة: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تِلْكَ ءَايَـٰتُ ٱللَّهِ نَتْلُوهَا عَلَيْكَ بِٱلْحَقِّ ۚ وَإِنَّكَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ
এগুলো হলো আল্লাহর নিদর্শন, যা আমরা তোমাদেরকে যথাযথভাবে শুনিয়ে থাকি। আর আপনি নিশ্চিতই আমার রসূলগণের অন্তর্ভুক্ত।
▶
تِلْكَ
til'ka
এই
▶
ءَايَـٰتُ
āyātu
নিদর্শনাদি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
نَتْلُوهَا
natlūhā
তা তিলাওয়াত করছি আমরা
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার কাছে
▶
بِٱلْحَقِّ ۚ
bil-ḥaqi
যথাযথভাবে
▶
وَإِنَّكَ
wa-innaka
এবং তুমি নিশ্চয়ই
▶
لَمِنَ
lamina
অবশ্যই অর্ন্তভুক্ত
▶
ٱلْمُرْسَلِينَ
l-mur'salīna
রাসূলদের
আয়াত 253 - সূরা البقرة: 52 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ تِلْكَ ٱلرُّسُلُ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ ۘ مِّنْهُم مَّن كَلَّمَ ٱللَّهُ ۖ وَرَفَعَ بَعْضَهُمْ دَرَجَـٰتٍۢ ۚ وَءَاتَيْنَا عِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ ٱلْبَيِّنَـٰتِ وَأَيَّدْنَـٰهُ بِرُوحِ ٱلْقُدُسِ ۗ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ مَا ٱقْتَتَلَ ٱلَّذِينَ مِنۢ بَعْدِهِم مِّنۢ بَعْدِ مَا جَآءَتْهُمُ ٱلْبَيِّنَـٰتُ وَلَـٰكِنِ ٱخْتَلَفُوا۟ فَمِنْهُم مَّنْ ءَامَنَ وَمِنْهُم مَّن كَفَرَ ۚ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ مَا ٱقْتَتَلُوا۟ وَلَـٰكِنَّ ٱللَّهَ يَفْعَلُ مَا يُرِيدُ
এই রসূলগণ-আমি তাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা দিয়েছি। তাদের মধ্যে কেউ তো হলো তারা যার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন, আর কারও মর্যাদা উচ্চতর করেছেন এবং আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রকৃষ্ট মু’জেযা দান করেছি এবং তাকে শক্তি দান করেছি ‘রুহূল কুদ্দুস’ অর্থৎ জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর পয়গম্বরদের পেছনে যারা ছিল তারা লড়াই করতো না। কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরস্পর লড়াই করতো, কিন্তু আল্লাহ তাই করেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন।
▶
۞ تِلْكَ
til'ka
এই
▶
ٱلرُّسُلُ
l-rusulu
রাসূলগণ
▶
فَضَّلْنَا
faḍḍalnā
আমরা মর্যাদা দিয়েছি
▶
بَعْضَهُمْ
baʿḍahum
তাদের কাউকে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
بَعْضٍۢ ۘ
baʿḍin
কারও
▶
مِّنْهُم
min'hum
তাদের মধ্যে হতে
▶
مَّن
man
কারও (সাথে)
▶
كَلَّمَ
kallama
বলেছেন কথা
▶
ٱللَّهُ ۖ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَرَفَعَ
warafaʿa
এবং উন্নীত করেছেন
▶
بَعْضَهُمْ
baʿḍahum
তাদের কাউকে
▶
دَرَجَـٰتٍۢ ۚ
darajātin
(উচ্চ) মর্যাদায়
▶
وَءَاتَيْنَا
waātaynā
এবং আমরা দিয়েছি
▶
عِيسَى
ʿīsā
ঈসাকে
▶
ٱبْنَ
ib'na
পুত্র
▶
مَرْيَمَ
maryama
মারইয়ামের
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتِ
l-bayināti
সুষ্পষ্ট প্রমাণ সমূহ
▶
وَأَيَّدْنَـٰهُ
wa-ayyadnāhu
এবং তাকে সাহায্য করেছি আমরা
▶
بِرُوحِ
birūḥi
আত্মা দিয়ে
▶
ٱلْقُدُسِ ۗ
l-qudusi
পবিত্র (অর্থাৎ জিবরাইল)
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
شَآءَ
shāa
চাইতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَا
mā
না
▶
ٱقْتَتَلَ
iq'tatala
তারা পরস্পর যুদ্ধ করত
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা (ছিল)
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِهِم
baʿdihim
তাদের পরে
▶
مِّنۢ
min
থেকেও
▶
بَعْدِ
baʿdi
এরপর
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَتْهُمُ
jāathumu
তাদের কাছে এসেছিল
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتُ
l-bayinātu
সুষ্পষ্ট নিদর্শনাদি
▶
وَلَـٰكِنِ
walākini
কিন্তু
▶
ٱخْتَلَفُوا۟
ikh'talafū
মতবিরোধ করল তারা
▶
فَمِنْهُم
famin'hum
তাদের পরে মধ্যথেকে
▶
مَّنْ
man
কেউ
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান আনল
▶
وَمِنْهُم
wamin'hum
আবার তাদের মধ্যেথেকে
▶
مَّن
man
কেউ
▶
كَفَرَ ۚ
kafara
অস্বীকার করল
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
شَآءَ
shāa
ইচ্ছা করতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَا
mā
না
▶
ٱقْتَتَلُوا۟
iq'tatalū
তারা একে অপরে লড়ত
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَفْعَلُ
yafʿalu
করেন
▶
مَا
mā
যা
▶
يُرِيدُ
yurīdu
তিনি চান
আয়াত 254 - সূরা البقرة: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَنفِقُوا۟ مِمَّا رَزَقْنَـٰكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌۭ لَّا بَيْعٌۭ فِيهِ وَلَا خُلَّةٌۭ وَلَا شَفَـٰعَةٌۭ ۗ وَٱلْكَـٰفِرُونَ هُمُ ٱلظَّـٰلِمُونَ
হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে যে রুযী দিয়েছি, সেদিন আসার পূর্বেই তোমরা তা থেকে ব্যয় কর, যাতে না আছে বেচা-কেনা, না আছে সুপারিশ কিংবা বন্ধুত্ব। আর কাফেররাই হলো প্রকৃত যালেম।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
أَنفِقُوا۟
anfiqū
তোমরা ব্যয় করো
▶
مِمَّا
mimmā
তা থেকে যা
▶
رَزَقْنَـٰكُم
razaqnākum
তোমাদের আমরা জীবিকা দিয়েছি
▶
مِّن
min
থেকে
▶
قَبْلِ
qabli
এর পূর্ব
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْتِىَ
yatiya
আসবে
▶
يَوْمٌۭ
yawmun
দিন
▶
لَّا
lā
না
▶
بَيْعٌۭ
bayʿun
কেনাবেচা হবে
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
خُلَّةٌۭ
khullatun
বন্ধুত্ব
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
شَفَـٰعَةٌۭ ۗ
shafāʿatun
সুপারিশ (কাজে আসবে)
▶
وَٱلْكَـٰفِرُونَ
wal-kāfirūna
এবং কাফিররা
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلظَّـٰلِمُونَ
l-ẓālimūna
সীমালঙ্ঘনকারী
আয়াত 255 - সূরা البقرة: 50 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ
আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোনো ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ
huwa
তিনি
▶
ٱلْحَىُّ
l-ḥayu
চিরঞ্জীব
▶
ٱلْقَيُّومُ ۚ
l-qayūmu
সর্বসত্তার ধারক
▶
لَا
lā
না
▶
تَأْخُذُهُۥ
takhudhuhu
তাকে স্পর্শ করতে পারে
▶
سِنَةٌۭ
sinatun
তন্দ্রা
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
نَوْمٌۭ ۚ
nawmun
ঘুম
▶
لَّهُۥ
lahu
তাঁরই জন্য
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ সমূহের
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلْأَرْضِ ۗ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
مَن
man
কে
▶
ذَا
dhā
সে (এমন সম্পন্ন)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যে
▶
يَشْفَعُ
yashfaʿu
সুপারিশ করবে
▶
عِندَهُۥٓ
ʿindahu
তাঁর কাছে
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
بِإِذْنِهِۦ ۚ
bi-idh'nihi
তাঁর অনুমতি
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
তিনি জানেন
▶
مَا
mā
যা (আছে)
▶
بَيْنَ
bayna
(মাঝে)
▶
أَيْدِيهِمْ
aydīhim
তাদের সামনে(হাতের)
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
خَلْفَهُمْ ۖ
khalfahum
তাদের পিছনে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُحِيطُونَ
yuḥīṭūna
তারা আয়ত্ত করতে পারে
▶
بِشَىْءٍۢ
bishayin
সামান্য কিছুও
▶
مِّنْ
min
হতে
▶
عِلْمِهِۦٓ
ʿil'mihi
তাঁর জ্ঞান
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
بِمَا
bimā
যা সে বিষয়ে
▶
شَآءَ ۚ
shāa
তিনি চান
▶
وَسِعَ
wasiʿa
পরিব্যাপ্ত করে আছে
▶
كُرْسِيُّهُ
kur'siyyuhu
তাঁর (কর্তৃত্ব) আসন
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ সমূহে
▶
وَٱلْأَرْضَ ۖ
wal-arḍa
ও পৃথিবীতে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَـُٔودُهُۥ
yaūduhu
তাঁকে ক্লান্ত করে
▶
حِفْظُهُمَا ۚ
ḥif'ẓuhumā
এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
ٱلْعَلِىُّ
l-ʿaliyu
সুউচ্চ (সত্তা)
▶
ٱلْعَظِيمُ
l-ʿaẓīmu
সুমহান
আয়াত 256 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَآ إِكْرَاهَ فِى ٱلدِّينِ ۖ قَد تَّبَيَّنَ ٱلرُّشْدُ مِنَ ٱلْغَىِّ ۚ فَمَن يَكْفُرْ بِٱلطَّـٰغُوتِ وَيُؤْمِنۢ بِٱللَّهِ فَقَدِ ٱسْتَمْسَكَ بِٱلْعُرْوَةِ ٱلْوُثْقَىٰ لَا ٱنفِصَامَ لَهَا ۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। নিঃসন্দেহে হেদায়াত গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যারা গোমরাহকারী ‘তাগুত’দেরকে মানবে না এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল যা ভাংবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন।
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِكْرَاهَ
ik'rāha
জবরদস্তি
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدِّينِ ۖ
l-dīni
দীনের
▶
قَد
qad
নিশ্চয়ই
▶
تَّبَيَّنَ
tabayyana
স্পষ্ট হয়েছে
▶
ٱلرُّشْدُ
l-rush'du
সত্য পথ
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْغَىِّ ۚ
l-ghayi
ভ্রান্ত পথ
▶
فَمَن
faman
যে অতঃপর
▶
يَكْفُرْ
yakfur
অস্বীকার করবে
▶
بِٱلطَّـٰغُوتِ
bil-ṭāghūti
তাগুতের (অসত্য দেবতার) প্রতি
▶
وَيُؤْمِنۢ
wayu'min
ও ঈমান আনবে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
فَقَدِ
faqadi
তাহলে নিশ্চয়ই
▶
ٱسْتَمْسَكَ
is'tamsaka
সে ধারণ করল
▶
بِٱلْعُرْوَةِ
bil-ʿur'wati
রাশি (বা হাতলকে)
▶
ٱلْوُثْقَىٰ
l-wuth'qā
সুদৃঢ় করে
▶
لَا
lā
না
▶
ٱنفِصَامَ
infiṣāma
ছিন্ন হওয়ার
▶
لَهَا ۗ
lahā
যা
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
سَمِيعٌ
samīʿun
সব শুনেন
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
সব জানেন
আয়াত 257 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ وَلِىُّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ يُخْرِجُهُم مِّنَ ٱلظُّلُمَـٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ ۖ وَٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَوْلِيَآؤُهُمُ ٱلطَّـٰغُوتُ يُخْرِجُونَهُم مِّنَ ٱلنُّورِ إِلَى ٱلظُّلُمَـٰتِ ۗ أُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ তাদের অভিভাবক। তাদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে। আর যারা কুফরী করে তাদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। এরাই হলো দোযখের অধিবাসী, চিরকাল তারা সেখানেই থাকবে।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ
▶
وَلِىُّ
waliyyu
অভিভাবক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
يُخْرِجُهُم
yukh'rijuhum
তিনি তাদের বের করে আনেন
▶
مِّنَ
mina
হতে
▶
ٱلظُّلُمَـٰتِ
l-ẓulumāti
অন্ধকারগুলো
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلنُّورِ ۖ
l-nūri
আলোর
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
كَفَرُوٓا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
أَوْلِيَآؤُهُمُ
awliyāuhumu
তাদের অভিভাবক
▶
ٱلطَّـٰغُوتُ
l-ṭāghūtu
তাগুত (অসত্য দেবতা)
▶
يُخْرِجُونَهُم
yukh'rijūnahum
তাদেরকে তারা বের করে নিয়ে যায়
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلنُّورِ
l-nūri
আলো
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلظُّلُمَـٰتِ ۗ
l-ẓulumāti
অন্ধকারগুলোর
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐ সব লোক
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী
▶
ٱلنَّارِ ۖ
l-nāri
(জাহান্নামের) আগুনের
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে
আয়াত 258 - সূরা البقرة: 43 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِى حَآجَّ إِبْرَٰهِـۧمَ فِى رَبِّهِۦٓ أَنْ ءَاتَىٰهُ ٱللَّهُ ٱلْمُلْكَ إِذْ قَالَ إِبْرَٰهِـۧمُ رَبِّىَ ٱلَّذِى يُحْىِۦ وَيُمِيتُ قَالَ أَنَا۠ أُحْىِۦ وَأُمِيتُ ۖ قَالَ إِبْرَٰهِـۧمُ فَإِنَّ ٱللَّهَ يَأْتِى بِٱلشَّمْسِ مِنَ ٱلْمَشْرِقِ فَأْتِ بِهَا مِنَ ٱلْمَغْرِبِ فَبُهِتَ ٱلَّذِى كَفَرَ ۗ وَٱللَّهُ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلظَّـٰلِمِينَ
তুমি কি সে লোককে দেখনি, যে পালনকর্তার ব্যাপারে বাদানুবাদ করেছিল ইব্রাহীমের সাথে এ কারণে যে, আল্লাহ সে ব্যাক্তিকে রাজ্য দান করেছিলেন? ইব্রাহীম যখন বললেন, আমার পালনকর্তা হলেন তিনি, যিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটান। সে বলল, আমি জীবন দান করি এবং মৃত্যু ঘটিয়ে থাকি। ইব্রাহীম বললেন, নিশ্চয়ই তিনি সুর্যকে উদিত করেন পূর্ব দিক থেকে এবার তুমি তাকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর। তখন সে কাফের হতভম্ব হয়ে গেল। আর আল্লাহ সীমালংঘণকারী সম্প্রদায়কে সরল পথ প্রদর্শন করেন না।
▶
أَلَمْ
alam
নি কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখ
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(তার) যে
▶
حَآجَّ
ḥājja
বিতর্ক করেছিল
▶
إِبْرَٰهِـۧمَ
ib'rāhīma
ইবরাহীমের (সাথে)
▶
فِى
fī
সম্বন্ধে
▶
رَبِّهِۦٓ
rabbihi
তার রব
▶
أَنْ
an
(এজন্য) যে
▶
ءَاتَىٰهُ
ātāhu
তাকে দিয়ে ছিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْمُلْكَ
l-mul'ka
রাজত্ব
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
قَالَ
qāla
বলেছিল
▶
إِبْرَٰهِـۧمُ
ib'rāhīmu
ইবরাহীম
▶
رَبِّىَ
rabbiya
আমার রব (হচ্ছেন)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(ঐ সত্তা) যিনি
▶
يُحْىِۦ
yuḥ'yī
জীবিত করেন
▶
وَيُمِيتُ
wayumītu
এবং মৃত্যু ঘটান
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
أَنَا۠
anā
আমি
▶
أُحْىِۦ
uḥ'yī
জীবন দান করি
▶
وَأُمِيتُ ۖ
wa-umītu
ও মৃত্যু ঘটাই
▶
قَالَ
qāla
বলল
▶
إِبْرَٰهِـۧمُ
ib'rāhīmu
ইবরাহীম
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তবে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَأْتِى
yatī
আনেন
▶
بِٱلشَّمْسِ
bil-shamsi
সূর্যকে নিয়ে
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْمَشْرِقِ
l-mashriqi
পূর্বদিক
▶
فَأْتِ
fati
তুমি তাহলে আনো
▶
بِهَا
bihā
তাকে নিয়ে
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلْمَغْرِبِ
l-maghribi
পশ্চিমদিক
▶
فَبُهِتَ
fabuhita
হতবুদ্ধি হয়ে তখন গেল
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যে
▶
كَفَرَ ۗ
kafara
অস্বীকার করেছিল
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَهْدِى
yahdī
সঠিক পথ দেখান
▶
ٱلْقَوْمَ
l-qawma
সম্প্রদায়কে
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারী
আয়াত 259 - সূরা البقرة: 67 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ كَٱلَّذِى مَرَّ عَلَىٰ قَرْيَةٍۢ وَهِىَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىٰ يُحْىِۦ هَـٰذِهِ ٱللَّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا ۖ فَأَمَاتَهُ ٱللَّهُ مِا۟ئَةَ عَامٍۢ ثُمَّ بَعَثَهُۥ ۖ قَالَ كَمْ لَبِثْتَ ۖ قَالَ لَبِثْتُ يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍۢ ۖ قَالَ بَل لَّبِثْتَ مِا۟ئَةَ عَامٍۢ فَٱنظُرْ إِلَىٰ طَعَامِكَ وَشَرَابِكَ لَمْ يَتَسَنَّهْ ۖ وَٱنظُرْ إِلَىٰ حِمَارِكَ وَلِنَجْعَلَكَ ءَايَةًۭ لِّلنَّاسِ ۖ وَٱنظُرْ إِلَى ٱلْعِظَامِ كَيْفَ نُنشِزُهَا ثُمَّ نَكْسُوهَا لَحْمًۭا ۚ فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُۥ قَالَ أَعْلَمُ أَنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ
তুমি কি সে লোককে দেখনি যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যার বাড়ীঘরগুলো ভেঙ্গে ছাদের উপর পড়ে ছিল? বলল, কেমন করে আল্লাহ মরনের পর একে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে মৃত অবস্থায় রাখলেন একশ বছর। তারপর তাকে উঠালেন। বললেন, কত কাল এভাবে ছিলে? বলল আমি ছিলাম, একদিন কংবা একদিনের কিছু কম সময়। বললেন, তা নয়; বরং তুমি তো একশ বছর ছিলে। এবার চেয়ে দেখ নিজের খাবার ও পানীয়ের দিকে-সেগুলো পচে যায় নি এবং দেখ নিজের গাধাটির দিকে। আর আমি তোমাকে মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত বানাতে চেয়েছি। আর হাড়গুলোর দিকে চেয়ে দেখ যে, আমি এগুলোকে কেমন করে জুড়ে দেই এবং সেগুলোর উপর মাংসের আবরণ পরিয়ে দেই। অতঃপর যখন তার উপর এ অবস্থা প্রকাশিত হল, তখন বলে উঠল-আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
كَٱلَّذِى
ka-alladhī
যে দৃষ্টান্ত (ঐলোকের)
▶
مَرَّ
marra
অতিক্রম করছিল
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর দিয়ে
▶
قَرْيَةٍۢ
qaryatin
এক নগরের
▶
وَهِىَ
wahiya
এমনঅবস্থায় যে তা (ছিল)
▶
خَاوِيَةٌ
khāwiyatun
ধ্বংসস্তুপ হয়েছিল
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
عُرُوشِهَا
ʿurūshihā
তার ছাদগুলোর
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
أَنَّىٰ
annā
কিরূপে
▶
يُحْىِۦ
yuḥ'yī
জীবিত করবেন
▶
هَـٰذِهِ
hādhihi
এটাকে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بَعْدَ
baʿda
পর
▶
مَوْتِهَا ۖ
mawtihā
তার (মৃত্যুর)
▶
فَأَمَاتَهُ
fa-amātahu
তাকে তখন মৃত্যু দিলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِا۟ئَةَ
mi-ata
একশত
▶
عَامٍۢ
ʿāmin
বছর (পর্যন্ত)
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
بَعَثَهُۥ ۖ
baʿathahu
তাকে পুনরুজ্জীবিত করলেন
▶
قَالَ
qāla
(তাকে) বললেন
▶
كَمْ
kam
কতকাল
▶
لَبِثْتَ ۖ
labith'ta
তুমি অবস্থান করেছ
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
لَبِثْتُ
labith'tu
অবস্থান করেছি আমি
▶
يَوْمًا
yawman
একদিন
▶
أَوْ
aw
কিংবা
▶
بَعْضَ
baʿḍa
কিছু অংশ
▶
يَوْمٍۢ ۖ
yawmin
দিনের
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
بَل
bal
বরং
▶
لَّبِثْتَ
labith'ta
তুমি অবস্থান করেছ
▶
مِا۟ئَةَ
mi-ata
একশত
▶
عَامٍۢ
ʿāmin
বছর
▶
فَٱنظُرْ
fa-unẓur
অতঃপর লক্ষ করো
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
طَعَامِكَ
ṭaʿāmika
তোমার খাদ্যের
▶
وَشَرَابِكَ
washarābika
ও তোমার পানীয়ের (দিকে)
▶
لَمْ
lam
নি
▶
يَتَسَنَّهْ ۖ
yatasannah
বিকৃত হয়
▶
وَٱنظُرْ
wa-unẓur
এবং লক্ষ করো তুমি
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
حِمَارِكَ
ḥimārika
তোমার গাধার
▶
وَلِنَجْعَلَكَ
walinajʿalaka
এবং তোমাকে আমরা বানাতে পারি
▶
ءَايَةًۭ
āyatan
নিদর্শন
▶
لِّلنَّاسِ ۖ
lilnnāsi
মানুষের জন্য
▶
وَٱنظُرْ
wa-unẓur
ও তুমি দেখো
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلْعِظَامِ
l-ʿiẓāmi
হাড়গুলোর
▶
كَيْفَ
kayfa
কীভাবে
▶
نُنشِزُهَا
nunshizuhā
আমরা তা সংযোজিত করি
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
نَكْسُوهَا
naksūhā
তা ঢেকে দিই আমরা
▶
لَحْمًۭا ۚ
laḥman
গোশত (দিয়ে)
▶
فَلَمَّا
falammā
অতঃপর যখন
▶
تَبَيَّنَ
tabayyana
প্রকাশ পেল
▶
لَهُۥ
lahu
তার নিকটে
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
আমি জানি
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
ওপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুরই
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
সর্বশক্তিমান
আয়াত 260 - সূরা البقرة: 39 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ قَالَ إِبْرَٰهِـۧمُ رَبِّ أَرِنِى كَيْفَ تُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰ ۖ قَالَ أَوَلَمْ تُؤْمِن ۖ قَالَ بَلَىٰ وَلَـٰكِن لِّيَطْمَئِنَّ قَلْبِى ۖ قَالَ فَخُذْ أَرْبَعَةًۭ مِّنَ ٱلطَّيْرِ فَصُرْهُنَّ إِلَيْكَ ثُمَّ ٱجْعَلْ عَلَىٰ كُلِّ جَبَلٍۢ مِّنْهُنَّ جُزْءًۭا ثُمَّ ٱدْعُهُنَّ يَأْتِينَكَ سَعْيًۭا ۚ وَٱعْلَمْ أَنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌۭ
আর স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম বলল, হে আমার পালনকর্তা আমাকে দেখাও, কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করবে। বললেন; তুমি কি বিশ্বাস কর না? বলল, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু দেখতে এজন্যে চাইছি যাতে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বললেন, তাহলে চারটি পাখী ধরে নাও। পরে সেগুলোকে নিজের পোষ মানিয়ে নাও, অতঃপর সেগুলোর দেহের একেকটি অংশ বিভিন্ন পাহাড়ের উপর রেখে দাও। তারপর সেগুলোকে ডাক; তোমার নিকট দৌড়ে চলে আসবে। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি জ্ঞান সম্পন্ন।
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং যখন
▶
قَالَ
qāla
বলল
▶
إِبْرَٰهِـۧمُ
ib'rāhīmu
ইবরাহীম
▶
رَبِّ
rabbi
হে আমার রব
▶
أَرِنِى
arinī
দেখাও আমাকে
▶
كَيْفَ
kayfa
কীভাবে
▶
تُحْىِ
tuḥ'yī
তুমি জীবিত কর
▶
ٱلْمَوْتَىٰ ۖ
l-mawtā
মৃতদেরকে
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
أَوَلَمْ
awalam
না কি
▶
تُؤْمِن ۖ
tu'min
তুমি বিশ্বাস কর
▶
قَالَ
qāla
সে বলল
▶
بَلَىٰ
balā
হ্যাঁ অবশ্যই
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
لِّيَطْمَئِنَّ
liyaṭma-inna
প্রশান্ত লাভ করে
▶
قَلْبِى ۖ
qalbī
আমার অন্তর
▶
قَالَ
qāla
তিনি বললেন
▶
فَخُذْ
fakhudh
তুমি তাহলে ধরো
▶
أَرْبَعَةًۭ
arbaʿatan
চারটি
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلطَّيْرِ
l-ṭayri
পাখি
▶
فَصُرْهُنَّ
faṣur'hunna
তাদেরকে এরপর পোষ মানাও
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱجْعَلْ
ij'ʿal
রেখে দাও
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক
▶
جَبَلٍۢ
jabalin
পাহাড়ের
▶
مِّنْهُنَّ
min'hunna
তাদের থেকে
▶
جُزْءًۭا
juz'an
(কর্তিত এক এক) অংশ
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
ٱدْعُهُنَّ
ud'ʿuhunna
তাদেরকে ডাকো
▶
يَأْتِينَكَ
yatīnaka
তোমার কাছে আসবে
▶
سَعْيًۭا ۚ
saʿyan
দৌড়ে
▶
وَٱعْلَمْ
wa-iʿ'lam
এবং তুমি জেনে রাখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
عَزِيزٌ
ʿazīzun
পরাক্রমশালী
▶
حَكِيمٌۭ
ḥakīmun
মহাবিজ্ঞ
আয়াত 261 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَّثَلُ ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَٰلَهُمْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنۢبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِى كُلِّ سُنۢبُلَةٍۢ مِّا۟ئَةُ حَبَّةٍۢ ۗ وَٱللَّهُ يُضَـٰعِفُ لِمَن يَشَآءُ ۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌ
যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ।
▶
مَّثَلُ
mathalu
উপমা (তাদের ঐরূপ)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
ব্যয় করে
▶
أَمْوَٰلَهُمْ
amwālahum
তাদের ধন সম্পদ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
كَمَثَلِ
kamathali
মতো উপমা
▶
حَبَّةٍ
ḥabbatin
একটা শস্যদানা (বীজের)
▶
أَنۢبَتَتْ
anbatat
তা উৎপন্ন করে
▶
سَبْعَ
sabʿa
সাতটি
▶
سَنَابِلَ
sanābila
শীষ
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেকটি
▶
سُنۢبُلَةٍۢ
sunbulatin
শীষে
▶
مِّا۟ئَةُ
mi-atu
একশত
▶
حَبَّةٍۢ ۗ
ḥabbatin
শস্যদানা
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يُضَـٰعِفُ
yuḍāʿifu
বৃদ্ধি করেন বহুগুনে
▶
لِمَن
liman
তার জন্য যাকে
▶
يَشَآءُ ۗ
yashāu
তিনি ইচ্ছা করেন
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
وَٰسِعٌ
wāsiʿun
প্রাচুর্যময়
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
সর্বজ্ঞ
আয়াত 262 - সূরা البقرة: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَٰلَهُمْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ثُمَّ لَا يُتْبِعُونَ مَآ أَنفَقُوا۟ مَنًّۭا وَلَآ أَذًۭى ۙ لَّهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
যারা স্বীয় ধন সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, এরপর ব্যয় করার পর সে অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে না এবং কষ্টও দেয় না, তাদেরই জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে পুরস্কার এবং তাদের কোন আশংকা নেই, তারা চিন্তিতও হবে না।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
ব্যয় করে
▶
أَمْوَٰلَهُمْ
amwālahum
তাদের ধন সম্পদ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَا
lā
না
▶
يُتْبِعُونَ
yut'biʿūna
তারা পেছনে থাকে
▶
مَآ
mā
(তার) যা
▶
أَنفَقُوا۟
anfaqū
তারা ব্যয় করেছে
▶
مَنًّۭا
mannan
(অনুগ্রহ করার) খোটা
▶
وَلَآ
walā
আর না
▶
أَذًۭى ۙ
adhan
কষ্ট
▶
لَّهُمْ
lahum
তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
أَجْرُهُمْ
ajruhum
তাদের পুরস্কার
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَلَا
walā
এবং নেই
▶
خَوْفٌ
khawfun
কোনো ভয়
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের জন্য
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَحْزَنُونَ
yaḥzanūna
দুঃখ করবে
আয়াত 263 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ قَوْلٌۭ مَّعْرُوفٌۭ وَمَغْفِرَةٌ خَيْرٌۭ مِّن صَدَقَةٍۢ يَتْبَعُهَآ أَذًۭى ۗ وَٱللَّهُ غَنِىٌّ حَلِيمٌۭ
নম্র কথা বলে দেয়া এবং ক্ষমা প্রদর্শন করা ঐ দান খয়রাত অপেক্ষা উত্তম, যার পরে কষ্ট দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলা সম্পদশালী, সহিঞ্চু।
▶
۞ قَوْلٌۭ
qawlun
কথা
▶
مَّعْرُوفٌۭ
maʿrūfun
ভাল
▶
وَمَغْفِرَةٌ
wamaghfiratun
ও ক্ষমা
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
مِّن
min
চেয়ে
▶
صَدَقَةٍۢ
ṣadaqatin
(এমন) দানের
▶
يَتْبَعُهَآ
yatbaʿuhā
যার পেছনে আসে
▶
أَذًۭى ۗ
adhan
কষ্ট
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
غَنِىٌّ
ghaniyyun
অভাবমুক্ত
▶
حَلِيمٌۭ
ḥalīmun
পরম সহনশীল
আয়াত 264 - সূরা البقرة: 38 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تُبْطِلُوا۟ صَدَقَـٰتِكُم بِٱلْمَنِّ وَٱلْأَذَىٰ كَٱلَّذِى يُنفِقُ مَالَهُۥ رِئَآءَ ٱلنَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ ۖ فَمَثَلُهُۥ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌۭ فَأَصَابَهُۥ وَابِلٌۭ فَتَرَكَهُۥ صَلْدًۭا ۖ لَّا يَقْدِرُونَ عَلَىٰ شَىْءٍۢ مِّمَّا كَسَبُوا۟ ۗ وَٱللَّهُ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلْكَـٰفِرِينَ
হে ঈমানদারগণ!তোমরা অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান খয়রাত বরবাদ করো না সে ব্যক্তির মত যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে না। অতএব, এ ব্যাক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মত যার উপর কিছু মাটি পড়েছিল। অতঃপর এর উপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হলো, অনন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিল। তারা ঐ বস্তুর কোন সওয়াব পায় না, যা তারা উপার্জন করেছে। আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
لَا
lā
না
▶
تُبْطِلُوا۟
tub'ṭilū
তোমরা নষ্ট করো
▶
صَدَقَـٰتِكُم
ṣadaqātikum
তোমাদের দান সমূহ
▶
بِٱلْمَنِّ
bil-mani
(অনুগ্রহ প্রদানের) খোটা দিয়ে
▶
وَٱلْأَذَىٰ
wal-adhā
ও কষ্ট (দিয়ে)
▶
كَٱلَّذِى
ka-alladhī
(ঐ ব্যক্তির) মতো যে
▶
يُنفِقُ
yunfiqu
ব্যয় করে
▶
مَالَهُۥ
mālahu
তার ধন সম্পদ
▶
رِئَآءَ
riāa
দেখানোর জন্য
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষ
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
يُؤْمِنُ
yu'minu
বিশ্বাস করে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর প্রতি
▶
وَٱلْيَوْمِ
wal-yawmi
ও দিনে
▶
ٱلْـَٔاخِرِ ۖ
l-ākhiri
আখিরাতের
▶
فَمَثَلُهُۥ
famathaluhu
সুতরাং তার উপমা
▶
كَمَثَلِ
kamathali
উপমার মতো
▶
صَفْوَانٍ
ṣafwānin
একটি পাথরের মসৃণ
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর (আছে)
▶
تُرَابٌۭ
turābun
মাটি
▶
فَأَصَابَهُۥ
fa-aṣābahu
তাতে অতঃপর বর্ষিত হয়
▶
وَابِلٌۭ
wābilun
প্রবল বৃষ্টি
▶
فَتَرَكَهُۥ
fatarakahu
ফলে তাকে রেখে দেয়
▶
صَلْدًۭا ۖ
ṣaldan
পরিস্কার করে
▶
لَّا
lā
না
▶
يَقْدِرُونَ
yaqdirūna
তারা সক্ষম হয় (কাজে লাগাতে)
▶
عَلَىٰ
ʿalā
এক্ষেত্রে
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কোনো কিছুই
▶
مِّمَّا
mimmā
তা হতে যা
▶
كَسَبُوا۟ ۗ
kasabū
তারা অর্জন করেছে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَهْدِى
yahdī
সৎপথে পরিচালিত করেন
▶
ٱلْقَوْمَ
l-qawma
সম্প্রদায়কে
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
(যারা) অস্বীকারকারী
আয়াত 265 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَثَلُ ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَٰلَهُمُ ٱبْتِغَآءَ مَرْضَاتِ ٱللَّهِ وَتَثْبِيتًۭا مِّنْ أَنفُسِهِمْ كَمَثَلِ جَنَّةٍۭ بِرَبْوَةٍ أَصَابَهَا وَابِلٌۭ فَـَٔاتَتْ أُكُلَهَا ضِعْفَيْنِ فَإِن لَّمْ يُصِبْهَا وَابِلٌۭ فَطَلٌّۭ ۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এবং নিজের মনকে সুদৃঢ় করার জন্যে তাদের উদাহরণ টিলায় অবস্থিত বাগানের মত, যাতে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়; অতঃপর দ্বিগুণ ফসল দান করে। যদি এমন প্রবল বৃষ্টিপাত নাও হয়, তবে হাল্কা বর্ষণই যথেষ্ট। আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম যথার্থই প্রত্যক্ষ করেন।
▶
وَمَثَلُ
wamathalu
এবং উপমা
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
ব্যয় করে
▶
أَمْوَٰلَهُمُ
amwālahumu
তাদের সম্পদগুলো
▶
ٱبْتِغَآءَ
ib'tighāa
সন্ধানে
▶
مَرْضَاتِ
marḍāti
সন্তুষ্টির
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَتَثْبِيتًۭا
watathbītan
এবং সুদৃঢ় করতে
▶
مِّنْ
min
বিষয়টিকে
▶
أَنفُسِهِمْ
anfusihim
তাদের আত্মার
▶
كَمَثَلِ
kamathali
(তাদের) উপমা যেমন
▶
جَنَّةٍۭ
jannatin
একটি বাগানের
▶
بِرَبْوَةٍ
birabwatin
উঁচু ভূমিতে অবস্থিত
▶
أَصَابَهَا
aṣābahā
তাতে বর্ষিত হয়
▶
وَابِلٌۭ
wābilun
প্রবল বৃষ্টি
▶
فَـَٔاتَتْ
faātat
আসে অতঃপর
▶
أُكُلَهَا
ukulahā
তার ফলমূল
▶
ضِعْفَيْنِ
ḍiʿ'fayni
দ্বিগুণ
▶
فَإِن
fa-in
যদি তবে
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يُصِبْهَا
yuṣib'hā
তাতে বর্ষিত হয়
▶
وَابِلٌۭ
wābilun
প্রবল বৃষ্টি
▶
فَطَلٌّۭ ۗ
faṭallun
সামান্য তবে বৃষ্টিই (যথেষ্ট)
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ করছ
▶
بَصِيرٌ
baṣīrun
সম্যক দ্রষ্টা
আয়াত 266 - সূরা البقرة: 35 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَن تَكُونَ لَهُۥ جَنَّةٌۭ مِّن نَّخِيلٍۢ وَأَعْنَابٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ لَهُۥ فِيهَا مِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ وَأَصَابَهُ ٱلْكِبَرُ وَلَهُۥ ذُرِّيَّةٌۭ ضُعَفَآءُ فَأَصَابَهَآ إِعْصَارٌۭ فِيهِ نَارٌۭ فَٱحْتَرَقَتْ ۗ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمُ ٱلْـَٔايَـٰتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ
তোমাদের কেউ পছন্দ করে যে, তার একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান হবে, এর তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে, আর এতে সর্বপ্রকার ফল-ফসল থাকবে এবং সে বার্ধক্যে পৌছবে, তার দুর্বল সন্তান সন্ততিও থাকবে, এমতাবস্থায় এ বাগানের একটি ঘূর্ণিবায়ু আসবে, যাতে আগুন রয়েছে, অনন্তর বাগানটি ভষ্মীভূত হয়ে যাবে? এমনিভাবে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে নিদর্শনসমূহ বর্ননা করেন-যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর।
▶
أَيَوَدُّ
ayawaddu
কামনা করে কি
▶
أَحَدُكُمْ
aḥadukum
তোমাদের কেউ
▶
أَن
an
যে
▶
تَكُونَ
takūna
হবে
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্য
▶
جَنَّةٌۭ
jannatun
একটি বাগান
▶
مِّن
min
এর
▶
نَّخِيلٍۢ
nakhīlin
খেজুর
▶
وَأَعْنَابٍۢ
wa-aʿnābin
ও আঙ্গুরের
▶
تَجْرِى
tajrī
প্রবাহিত হয়
▶
مِن
min
দিয়ে
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার নিচ
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ
l-anhāru
ঝর্ণাসমূহ
▶
لَهُۥ
lahu
তার (আছে)
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
مِن
min
থেকে
▶
كُلِّ
kulli
সব ধরণের
▶
ٱلثَّمَرَٰتِ
l-thamarāti
ফলমূল
▶
وَأَصَابَهُ
wa-aṣābahu
এবং তার আপতিত হল
▶
ٱلْكِبَرُ
l-kibaru
বার্ধক্য
▶
وَلَهُۥ
walahu
যখন তার আছে
▶
ذُرِّيَّةٌۭ
dhurriyyatun
সন্তান সন্ততি
▶
ضُعَفَآءُ
ḍuʿafāu
দুর্বল
▶
فَأَصَابَهَآ
fa-aṣābahā
তাকে অতঃপর আঘাত করল
▶
إِعْصَارٌۭ
iʿ'ṣārun
ঘূর্ণিঝড়
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্য (আছে)
▶
نَارٌۭ
nārun
আগুন
▶
فَٱحْتَرَقَتْ ۗ
fa-iḥ'taraqat
পুড়ে গেল অতঃপর (সেই বাগান)
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُبَيِّنُ
yubayyinu
বর্ণনা করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্য
▶
ٱلْـَٔايَـٰتِ
l-āyāti
নিদর্শনাবলী
▶
لَعَلَّكُمْ
laʿallakum
আশা করা যায় তোমরা
▶
تَتَفَكَّرُونَ
tatafakkarūna
চিন্তা করবে
আয়াত 267 - সূরা البقرة: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَنفِقُوا۟ مِن طَيِّبَـٰتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّآ أَخْرَجْنَا لَكُم مِّنَ ٱلْأَرْضِ ۖ وَلَا تَيَمَّمُوا۟ ٱلْخَبِيثَ مِنْهُ تُنفِقُونَ وَلَسْتُم بِـَٔاخِذِيهِ إِلَّآ أَن تُغْمِضُوا۟ فِيهِ ۚ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ غَنِىٌّ حَمِيدٌ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় উপার্জন থেকে এবং যা আমি তোমাদের জন্যে ভূমি থেকে উৎপন্ন করেছি, তা থেকে উৎকৃষ্ট বস্তু ব্যয় কর এবং তা থেকে নিকৃষ্ট জিনিস ব্যয় করতে মনস্থ করো না। কেননা, তা তোমরা কখনও গ্রহণ করবে না; তবে যদি তোমরা চোখ বন্ধ করে নিয়ে নাও। জেনে রেখো, আল্লাহ অভাব মুক্ত, প্রশংসিত।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
أَنفِقُوا۟
anfiqū
ব্যয় কর তোমরা
▶
مِن
min
হতে
▶
طَيِّبَـٰتِ
ṭayyibāti
পবিত্র জিনিসগুলো
▶
مَا
mā
যা
▶
كَسَبْتُمْ
kasabtum
তোমরা অর্জন করেছ
▶
وَمِمَّآ
wamimmā
এবং তা হতেও যা
▶
أَخْرَجْنَا
akhrajnā
বের করেছি আমরা
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্য
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْأَرْضِ ۖ
l-arḍi
জমি
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَيَمَّمُوا۟
tayammamū
তোমরা সংকল্প করো
▶
ٱلْخَبِيثَ
l-khabītha
নিকৃষ্ট বস্তুগুলোকে
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
تُنفِقُونَ
tunfiqūna
ব্যয় করতে
▶
وَلَسْتُم
walastum
অথচ তোমরা নও
▶
بِـَٔاخِذِيهِ
biākhidhīhi
তা গ্রহণকারী
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أَن
an
যে
▶
تُغْمِضُوا۟
tugh'miḍū
তোমরা চোখ বন্ধ করে থাক
▶
فِيهِ ۚ
fīhi
তা হতে
▶
وَٱعْلَمُوٓا۟
wa-iʿ'lamū
এবং তোমরা জেনে রেখো
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَنِىٌّ
ghaniyyun
অভাবমুক্ত
▶
حَمِيدٌ
ḥamīdun
প্রশংসিত
আয়াত 268 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلشَّيْطَـٰنُ يَعِدُكُمُ ٱلْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِٱلْفَحْشَآءِ ۖ وَٱللَّهُ يَعِدُكُم مَّغْفِرَةًۭ مِّنْهُ وَفَضْلًۭا ۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌۭ
শয়তান তোমাদেরকে অভাব অনটনের ভীতি প্রদর্শন করে এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়। পক্ষান্তরে আল্লাহ তোমাদেরকে নিজের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও বেশী অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ।
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
al-shayṭānu
শয়তান
▶
يَعِدُكُمُ
yaʿidukumu
তোমাদের ভয় দেখায়
▶
ٱلْفَقْرَ
l-faqra
দারিদ্র্যের
▶
وَيَأْمُرُكُم
wayamurukum
এবং নির্দেশ দেয়
▶
بِٱلْفَحْشَآءِ ۖ
bil-faḥshāi
অশ্লীলতার
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَعِدُكُم
yaʿidukum
তোমাদের প্রতিশ্রুতি দেন
▶
مَّغْفِرَةًۭ
maghfiratan
ক্ষমার
▶
مِّنْهُ
min'hu
তাঁর থেকে
▶
وَفَضْلًۭا ۗ
wafaḍlan
ও তাঁর অনুগ্রহের
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
وَٰسِعٌ
wāsiʿun
প্রাচুর্যময়
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
সর্বজ্ঞ
আয়াত 269 - সূরা البقرة: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يُؤْتِى ٱلْحِكْمَةَ مَن يَشَآءُ ۚ وَمَن يُؤْتَ ٱلْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِىَ خَيْرًۭا كَثِيرًۭا ۗ وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّآ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَـٰبِ
তিনি যাকে ইচ্ছা বিশেষ জ্ঞান দান করেন এবং যাকে বিশেষ জ্ঞান দান করা হয়, সে প্রভুত কল্যাণকর বস্তু প্রাপ্ত হয়। উপদেশ তারাই গ্রহণ করে, যারা জ্ঞানবান।
▶
يُؤْتِى
yu'tī
দেন তিনি
▶
ٱلْحِكْمَةَ
l-ḥik'mata
প্রজ্ঞা
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি ইচ্ছা করেন
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يُؤْتَ
yu'ta
দেয়া হয়েছে
▶
ٱلْحِكْمَةَ
l-ḥik'mata
প্রজ্ঞা
▶
فَقَدْ
faqad
তবে নিশ্চয়ই
▶
أُوتِىَ
ūtiya
তাকে দেয়া হয়েছে
▶
خَيْرًۭا
khayran
কল্যাণ
▶
كَثِيرًۭا ۗ
kathīran
অনেক
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَذَّكَّرُ
yadhakkaru
শিক্ষা নেয় (এ থেকে)
▶
إِلَّآ
illā
এছাড়া
▶
أُو۟لُوا۟
ulū
সম্পন্নরা
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বোধশক্তি
আয়াত 270 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَآ أَنفَقْتُم مِّن نَّفَقَةٍ أَوْ نَذَرْتُم مِّن نَّذْرٍۢ فَإِنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُهُۥ ۗ وَمَا لِلظَّـٰلِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ
তোমরা যে খয়রাত বা সদ্ব্যয় কর কিংবা কোন মানত কর, আল্লাহ নিশ্চয়ই সেসব কিছুই জানেন। অন্যায়কারীদের কোন সাহায্যকারী নেই।
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أَنفَقْتُم
anfaqtum
তোমরা ব্যয় করেছ
▶
مِّن
min
কোনো
▶
نَّفَقَةٍ
nafaqatin
খরচা খরচ
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
نَذَرْتُم
nadhartum
তোমরা মানত কর
▶
مِّن
min
কোনো
▶
نَّذْرٍۢ
nadhrin
মানত
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই অতঃপর
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَعْلَمُهُۥ ۗ
yaʿlamuhu
তা জানেন
▶
وَمَا
wamā
এবং নেই
▶
لِلظَّـٰلِمِينَ
lilẓẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
أَنصَارٍ
anṣārin
সাহায্যকারী
আয়াত 271 - সূরা البقرة: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن تُبْدُوا۟ ٱلصَّدَقَـٰتِ فَنِعِمَّا هِىَ ۖ وَإِن تُخْفُوهَا وَتُؤْتُوهَا ٱلْفُقَرَآءَ فَهُوَ خَيْرٌۭ لَّكُمْ ۚ وَيُكَفِّرُ عَنكُم مِّن سَيِّـَٔاتِكُمْ ۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌۭ
যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-খয়রাত কর, তবে তা কতইনা উত্তম। আর যদি খয়রাত গোপনে কর এবং অভাবগ্রস্তদের দিয়ে দাও, তবে তা তোমাদের জন্যে আরও উত্তম। আল্লাহ তা’আলা তোমাদের কিছু গোনাহ দূর করে দিবেন। আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খুব খবর রাখেন।
▶
إِن
in
যদি
▶
تُبْدُوا۟
tub'dū
তোমরা প্রকাশ্যে দাও
▶
ٱلصَّدَقَـٰتِ
l-ṣadaqāti
সদকা সমূহ
▶
فَنِعِمَّا
faniʿimmā
উত্তম তবে
▶
هِىَ ۖ
hiya
তা
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
تُخْفُوهَا
tukh'fūhā
তা তোমরা গোপনে কর
▶
وَتُؤْتُوهَا
watu'tūhā
ও তোমরা তা দাও
▶
ٱلْفُقَرَآءَ
l-fuqarāa
অভাবগ্রস্তদেরকে
▶
فَهُوَ
fahuwa
তা তবে
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
(আরও) ভালো
▶
لَّكُمْ ۚ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
وَيُكَفِّرُ
wayukaffiru
এবং দূর করবেন
▶
عَنكُم
ʿankum
তোমাদের থেকে
▶
مِّن
min
কিছু কিছু
▶
سَيِّـَٔاتِكُمْ ۗ
sayyiātikum
তোমাদের পাপগুলো
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয় যা
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ কর
▶
خَبِيرٌۭ
khabīrun
ভালোভাবে অবহিত
আয়াত 272 - সূরা البقرة: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ لَّيْسَ عَلَيْكَ هُدَىٰهُمْ وَلَـٰكِنَّ ٱللَّهَ يَهْدِى مَن يَشَآءُ ۗ وَمَا تُنفِقُوا۟ مِنْ خَيْرٍۢ فَلِأَنفُسِكُمْ ۚ وَمَا تُنفِقُونَ إِلَّا ٱبْتِغَآءَ وَجْهِ ٱللَّهِ ۚ وَمَا تُنفِقُوا۟ مِنْ خَيْرٍۢ يُوَفَّ إِلَيْكُمْ وَأَنتُمْ لَا تُظْلَمُونَ
তাদেরকে সৎপথে আনার দায় তোমার নয়। বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন। যে মাল তোমরা ব্যয় কর, তা নিজ উপাকারার্থেই কর। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যয় করো না। তোমরা যে, অর্থ ব্যয় করবে, তার পুরস্কার পুরোপুরি পেয়ে যাবে এবং তোমাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না।
▶
۞ لَّيْسَ
laysa
নয়
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর (দায়িত্ব)
▶
هُدَىٰهُمْ
hudāhum
তাদের সৎপথ গ্রহণের
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَهْدِى
yahdī
পথ দেখান
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۗ
yashāu
তিনি চান
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تُنفِقُوا۟
tunfiqū
তোমরা ব্যয় কর
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
সম্পদ
▶
فَلِأَنفُسِكُمْ ۚ
fali-anfusikum
তোমাদের তবে তা নিজেদের জন্য
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
تُنفِقُونَ
tunfiqūna
তোমরা ব্যয় কর
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যে
▶
ٱبْتِغَآءَ
ib'tighāa
সন্ধানে
▶
وَجْهِ
wajhi
চেহারা
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تُنفِقُوا۟
tunfiqū
তোমরা খরচ কর
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
সম্পদ
▶
يُوَفَّ
yuwaffa
পূর্ণ দেয়া হবে
▶
إِلَيْكُمْ
ilaykum
তোমাদের প্রতি
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
ও তোমাদের (প্রতি)
▶
لَا
lā
না
▶
تُظْلَمُونَ
tuẓ'lamūna
অন্যায় করা হবে
আয়াত 273 - সূরা البقرة: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِلْفُقَرَآءِ ٱلَّذِينَ أُحْصِرُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ لَا يَسْتَطِيعُونَ ضَرْبًۭا فِى ٱلْأَرْضِ يَحْسَبُهُمُ ٱلْجَاهِلُ أَغْنِيَآءَ مِنَ ٱلتَّعَفُّفِ تَعْرِفُهُم بِسِيمَـٰهُمْ لَا يَسْـَٔلُونَ ٱلنَّاسَ إِلْحَافًۭا ۗ وَمَا تُنفِقُوا۟ مِنْ خَيْرٍۢ فَإِنَّ ٱللَّهَ بِهِۦ عَلِيمٌ
খয়রাত ঐ সকল গরীব লোকের জন্যে যারা আল্লাহর পথে আবদ্ধ হয়ে গেছে-জীবিকার সন্ধানে অন্যত্র ঘোরাফেরা করতে সক্ষম নয়। অজ্ঞ লোকেরা যাঞ্চা না করার কারণে তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। তোমরা তাদেরকে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে। তারা মানুষের কাছে কাকুতি-মিনতি করে ভিক্ষা চায় না। তোমরা যে অর্থ ব্যয় করবে, তা আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই পরিজ্ঞাত।
▶
لِلْفُقَرَآءِ
lil'fuqarāi
অভাবগ্রস্তদের জন্য
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
أُحْصِرُوا۟
uḥ'ṣirū
আটকে পড়েছে (ব্যস্ততার কারণে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
سَبِيلِ
sabīli
পথের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لَا
lā
না
▶
يَسْتَطِيعُونَ
yastaṭīʿūna
তারা পারে
▶
ضَرْبًۭا
ḍarban
ঘোরাফিরা করতে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর (অর্থাৎ উপার্জন করতে)
▶
يَحْسَبُهُمُ
yaḥsabuhumu
তাদেরকে মনে করে
▶
ٱلْجَاهِلُ
l-jāhilu
অজ্ঞ লোকেরা
▶
أَغْنِيَآءَ
aghniyāa
অভাবমুক্ত
▶
مِنَ
mina
কারণে
▶
ٱلتَّعَفُّفِ
l-taʿafufi
না চাওয়ার
▶
تَعْرِفُهُم
taʿrifuhum
তাদেরকে তুমি চিনবে
▶
بِسِيمَـٰهُمْ
bisīmāhum
তাদের লক্ষণ দিয়ে
▶
لَا
lā
না
▶
يَسْـَٔلُونَ
yasalūna
তারা চায়
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষ (থেকে)
▶
إِلْحَافًۭا ۗ
il'ḥāfan
নাছোড় হয়ে
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تُنفِقُوا۟
tunfiqū
তোমরা ব্যয় কর
▶
مِنْ
min
হতে
▶
خَيْرٍۢ
khayrin
সম্পদ
▶
فَإِنَّ
fa-inna
অতঃপর নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
بِهِۦ
bihi
তা সম্পর্কে
▶
عَلِيمٌ
ʿalīmun
খুব অবহিত
আয়াত 274 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَٰلَهُم بِٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ سِرًّۭا وَعَلَانِيَةًۭ فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
যারা স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে, রাত্রে ও দিনে, গোপনে ও প্রকাশ্যে। তাদের জন্যে তাদের সওয়াব রয়েছে তাদের পালনকর্তার কাছে। তাদের কোন আশংঙ্কা নেই এবং তারা চিন্তিত ও হবে না।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
ব্যয় করে
▶
أَمْوَٰلَهُم
amwālahum
তাদের সম্পদ সমূহকে
▶
بِٱلَّيْلِ
bi-al-layli
রাতে
▶
وَٱلنَّهَارِ
wal-nahāri
ও দিনে
▶
سِرًّۭا
sirran
গোপনে
▶
وَعَلَانِيَةًۭ
waʿalāniyatan
ও প্রকাশ্যে
▶
فَلَهُمْ
falahum
ফলে (রয়েছে) তাদের জন্য
▶
أَجْرُهُمْ
ajruhum
তাদের পুরস্কার
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَلَا
walā
এবং নেই
▶
خَوْفٌ
khawfun
কোনো ভয়
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের জন্য
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَحْزَنُونَ
yaḥzanūna
দুঃখিত হবে
আয়াত 275 - সূরা البقرة: 45 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَأْكُلُونَ ٱلرِّبَوٰا۟ لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ ٱلَّذِى يَتَخَبَّطُهُ ٱلشَّيْطَـٰنُ مِنَ ٱلْمَسِّ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوٓا۟ إِنَّمَا ٱلْبَيْعُ مِثْلُ ٱلرِّبَوٰا۟ ۗ وَأَحَلَّ ٱللَّهُ ٱلْبَيْعَ وَحَرَّمَ ٱلرِّبَوٰا۟ ۚ فَمَن جَآءَهُۥ مَوْعِظَةٌۭ مِّن رَّبِّهِۦ فَٱنتَهَىٰ فَلَهُۥ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُۥٓ إِلَى ٱللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَأْكُلُونَ
yakulūna
খায়
▶
ٱلرِّبَوٰا۟
l-riba
সুদ
▶
لَا
lā
না
▶
يَقُومُونَ
yaqūmūna
তারা দাঁড়াবে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
يَقُومُ
yaqūmu
দাঁড়ায়
▶
ٱلَّذِى
alladhī
সেই (ব্যক্তি)
▶
يَتَخَبَّطُهُ
yatakhabbaṭuhu
যাকে পাগল করেছে
▶
ٱلشَّيْطَـٰنُ
l-shayṭānu
শয়তান
▶
مِنَ
mina
দ্বারা
▶
ٱلْمَسِّ ۚ
l-masi
(তার) স্পর্শ
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِأَنَّهُمْ
bi-annahum
এ জন্য যে তারা
▶
قَالُوٓا۟
qālū
বলে
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলতঃ
▶
ٱلْبَيْعُ
l-bayʿu
ব্যবসাও
▶
مِثْلُ
mith'lu
মতো
▶
ٱلرِّبَوٰا۟ ۗ
l-riba
সুদেরই
▶
وَأَحَلَّ
wa-aḥalla
অথচ বৈধ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْبَيْعَ
l-bayʿa
ব্যবসাকে
▶
وَحَرَّمَ
waḥarrama
ও নিষিদ্ধ করেছেন
▶
ٱلرِّبَوٰا۟ ۚ
l-riba
সুদকে
▶
فَمَن
faman
অতঃপর যে
▶
جَآءَهُۥ
jāahu
তার কাছে এসেছে
▶
مَوْعِظَةٌۭ
mawʿiẓatun
উপদেশ
▶
مِّن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّهِۦ
rabbihi
তার রবের
▶
فَٱنتَهَىٰ
fa-intahā
সে অতঃপর বিরত হয়েছে (সুদখোরী হতে)
▶
فَلَهُۥ
falahu
তবে তার জন্য
▶
مَا
mā
যা
▶
سَلَفَ
salafa
অতীত হয়ছে (হয়ে গেছে)
▶
وَأَمْرُهُۥٓ
wa-amruhu
এবং তার ব্যাপার (সোপর্দ)
▶
إِلَى
ilā
কাছে
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَمَنْ
waman
আর যে
▶
عَادَ
ʿāda
পুনরাবৃত্তি করবে
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
তাহলে ঐসব লোক
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী (হবে)
▶
ٱلنَّارِ ۖ
l-nāri
আগুনের
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
خَـٰلِدُونَ
khālidūna
চিরস্থায়ী হবে
আয়াত 276 - সূরা البقرة: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَمْحَقُ ٱللَّهُ ٱلرِّبَوٰا۟ وَيُرْبِى ٱلصَّدَقَـٰتِ ۗ وَٱللَّهُ لَا يُحِبُّ كُلَّ كَفَّارٍ أَثِيمٍ
আল্লাহ তা’আলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ পছন্দ করেন না কোন অবিশ্বাসী পাপীকে।
▶
يَمْحَقُ
yamḥaqu
নিশ্চিহ্ন করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلرِّبَوٰا۟
l-riba
সুদকে
▶
وَيُرْبِى
wayur'bī
ও বর্ধিত করেন
▶
ٱلصَّدَقَـٰتِ ۗ
l-ṣadaqāti
দানকে
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালোবাসেন
▶
كُلَّ
kulla
প্রত্যেক
▶
كَفَّارٍ
kaffārin
অকৃতজ্ঞ
▶
أَثِيمٍ
athīmin
পাপীকে
আয়াত 277 - সূরা البقرة: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ وَأَقَامُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَوُا۟ ٱلزَّكَوٰةَ لَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
নিশ্চয়ই যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, সৎকাজ করেছে, নামায প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং যাকাত দান করেছে, তাদের জন্যে তাদের পুরষ্কার তাদের পালনকর্তার কছে রয়েছে। তাদের কোন শঙ্কা নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
وَأَقَامُوا۟
wa-aqāmū
ও প্রতিষ্ঠা করেছে
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সালাত
▶
وَءَاتَوُا۟
waātawū
ও দিয়েছে
▶
ٱلزَّكَوٰةَ
l-zakata
যাকাত
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্য (রয়েছে)
▶
أَجْرُهُمْ
ajruhum
তাদের পুরস্কার
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
خَوْفٌ
khawfun
ভয় (থাকবে)
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَحْزَنُونَ
yaḥzanūna
তারা দুঃখিত হবে
আয়াত 278 - সূরা البقرة: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَذَرُوا۟ مَا بَقِىَ مِنَ ٱلرِّبَوٰٓا۟ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাক।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
ٱتَّقُوا۟
ittaqū
তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَذَرُوا۟
wadharū
এবং ছেড়ে দাও
▶
مَا
mā
যা
▶
بَقِىَ
baqiya
বকেয়া আছে
▶
مِنَ
mina
হতে
▶
ٱلرِّبَوٰٓا۟
l-riba
সুদ
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُم
kuntum
তোমরা হও
▶
مُّؤْمِنِينَ
mu'minīna
মু'মিন
আয়াত 279 - সূরা البقرة: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِن لَّمْ تَفْعَلُوا۟ فَأْذَنُوا۟ بِحَرْبٍۢ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ ۖ وَإِن تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَٰلِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ
অতঃপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হয়ে যাও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমরা নিজের মূলধন পেয়ে যাবে। তোমরা কারও প্রতি অত্যাচার করো না এবং কেউ তোমাদের প্রতি অত্যাচার করবে না।
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
لَّمْ
lam
না
▶
تَفْعَلُوا۟
tafʿalū
তোমরা কর
▶
فَأْذَنُوا۟
fadhanū
তোমরা তবে ঘোষণা শুনে রাখো
▶
بِحَرْبٍۢ
biḥarbin
যুদ্ধের (বিষয়ে)
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হতে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَرَسُولِهِۦ ۖ
warasūlihi
ও তাঁর রাসূল
▶
وَإِن
wa-in
আর যদি
▶
تُبْتُمْ
tub'tum
তোমরা তওবা কর
▶
فَلَكُمْ
falakum
তবে (থাকবে) তোমাদের জন্য
▶
رُءُوسُ
ruūsu
মূলধন
▶
أَمْوَٰلِكُمْ
amwālikum
তোমাদের সম্পদের
▶
لَا
lā
না
▶
تَظْلِمُونَ
taẓlimūna
তোমরা অবিচার করো
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
تُظْلَمُونَ
tuẓ'lamūna
অবিচার করা হবে (তোমাদের উপর)
আয়াত 280 - সূরা البقرة: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِن كَانَ ذُو عُسْرَةٍۢ فَنَظِرَةٌ إِلَىٰ مَيْسَرَةٍۢ ۚ وَأَن تَصَدَّقُوا۟ خَيْرٌۭ لَّكُمْ ۖ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
যদি খাতক অভাবগ্রস্থ হয়, তবে তাকে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত সময় দেয়া উচিত। আর যদি ক্ষমা করে দাও, তবে তা খুবই উত্তম যদি তোমরা উপলব্ধি কর।
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
كَانَ
kāna
হয় (খাতক)
▶
ذُو
dhū
(একটি)
▶
عُسْرَةٍۢ
ʿus'ratin
অভাবগ্রস্ত
▶
فَنَظِرَةٌ
fanaẓiratun
অবসর তবে দেবে
▶
إِلَىٰ
ilā
পর্যন্ত
▶
مَيْسَرَةٍۢ ۚ
maysaratin
সচ্ছলতা
▶
وَأَن
wa-an
এবং যে
▶
تَصَدَّقُوا۟
taṣaddaqū
তোমদের সদকা করে দেওয়া
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
উত্তম
▶
لَّكُمْ ۖ
lakum
তোমাদের জন্য
▶
إِن
in
যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা ছিলে
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
তোমরা জানতে
আয়াত 281 - সূরা البقرة: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱتَّقُوا۟ يَوْمًۭا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى ٱللَّهِ ۖ ثُمَّ تُوَفَّىٰ كُلُّ نَفْسٍۢ مَّا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
ঐ দিনকে ভয় কর, যে দিন তোমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। অতঃপর প্রত্যেকেই তার কর্মের ফল পুরোপুরি পাবে এবং তাদের প্রতি কোন রূপ অবিচার করা হবে না।
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
يَوْمًۭا
yawman
সে দিনের
▶
تُرْجَعُونَ
tur'jaʿūna
তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে
▶
فِيهِ
fīhi
যার মধ্যে
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহরই
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
تُوَفَّىٰ
tuwaffā
পূর্ণ দেয়া হবে
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۢ
nafsin
ব্যক্তিকে
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَسَبَتْ
kasabat
সে অর্জন করেছে
▶
وَهُمْ
wahum
এবং তাদেরকে
▶
لَا
lā
না
▶
يُظْلَمُونَ
yuẓ'lamūna
অবিচার করা হবে
আয়াত 282 - সূরা البقرة: 128 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا تَدَايَنتُم بِدَيْنٍ إِلَىٰٓ أَجَلٍۢ مُّسَمًّۭى فَٱكْتُبُوهُ ۚ وَلْيَكْتُب بَّيْنَكُمْ كَاتِبٌۢ بِٱلْعَدْلِ ۚ وَلَا يَأْبَ كَاتِبٌ أَن يَكْتُبَ كَمَا عَلَّمَهُ ٱللَّهُ ۚ فَلْيَكْتُبْ وَلْيُمْلِلِ ٱلَّذِى عَلَيْهِ ٱلْحَقُّ وَلْيَتَّقِ ٱللَّهَ رَبَّهُۥ وَلَا يَبْخَسْ مِنْهُ شَيْـًۭٔا ۚ فَإِن كَانَ ٱلَّذِى عَلَيْهِ ٱلْحَقُّ سَفِيهًا أَوْ ضَعِيفًا أَوْ لَا يَسْتَطِيعُ أَن يُمِلَّ هُوَ فَلْيُمْلِلْ وَلِيُّهُۥ بِٱلْعَدْلِ ۚ وَٱسْتَشْهِدُوا۟ شَهِيدَيْنِ مِن رِّجَالِكُمْ ۖ فَإِن لَّمْ يَكُونَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌۭ وَٱمْرَأَتَانِ مِمَّن تَرْضَوْنَ مِنَ ٱلشُّهَدَآءِ أَن تَضِلَّ إِحْدَىٰهُمَا فَتُذَكِّرَ إِحْدَىٰهُمَا ٱلْأُخْرَىٰ ۚ وَلَا يَأْبَ ٱلشُّهَدَآءُ إِذَا مَا دُعُوا۟ ۚ وَلَا تَسْـَٔمُوٓا۟ أَن تَكْتُبُوهُ صَغِيرًا أَوْ كَبِيرًا إِلَىٰٓ أَجَلِهِۦ ۚ ذَٰلِكُمْ أَقْسَطُ عِندَ ٱللَّهِ وَأَقْوَمُ لِلشَّهَـٰدَةِ وَأَدْنَىٰٓ أَلَّا تَرْتَابُوٓا۟ ۖ إِلَّآ أَن تَكُونَ تِجَـٰرَةً حَاضِرَةًۭ تُدِيرُونَهَا بَيْنَكُمْ فَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَلَّا تَكْتُبُوهَا ۗ وَأَشْهِدُوٓا۟ إِذَا تَبَايَعْتُمْ ۚ وَلَا يُضَآرَّ كَاتِبٌۭ وَلَا شَهِيدٌۭ ۚ وَإِن تَفْعَلُوا۟ فَإِنَّهُۥ فُسُوقٌۢ بِكُمْ ۗ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ۖ وَيُعَلِّمُكُمُ ٱللَّهُ ۗ وَٱللَّهُ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌۭ
হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে; লেখক লিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখে দেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে। অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়, তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে। যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করা উচিত নয়। তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এ লিপিবদ্ধ করণ আল্লাহর কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহত রাখে এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবার নগদ হয়, পরস্পর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোন অভিযোগ নেই। তোমরা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না। যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়। আল্লাহকে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন।
▶
يَـٰٓأَيُّهَا
yāayyuhā
হে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছ
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
تَدَايَنتُم
tadāyantum
তোমরা পরস্পরে আদান-প্রদান কর
▶
بِدَيْنٍ
bidaynin
ঋণের
▶
إِلَىٰٓ
ilā
পর্যন্ত
▶
أَجَلٍۢ
ajalin
মেয়াদ
▶
مُّسَمًّۭى
musamman
নির্দিষ্ট
▶
فَٱكْتُبُوهُ ۚ
fa-uk'tubūhu
তা তোমরা তখন লিখে রাখো
▶
وَلْيَكْتُب
walyaktub
এবং যেন লেখে
▶
بَّيْنَكُمْ
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
كَاتِبٌۢ
kātibun
একজন লেখক
▶
بِٱلْعَدْلِ ۚ
bil-ʿadli
ন্যায্যভাবে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَأْبَ
yaba
অস্বীকার করবে
▶
كَاتِبٌ
kātibun
কোনো লেখক
▶
أَن
an
যে (না)
▶
يَكْتُبَ
yaktuba
সে লিখবে
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
عَلَّمَهُ
ʿallamahu
শিখিয়েছেন তাকে
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَلْيَكْتُبْ
falyaktub
অতএব সে যেন লেখে
▶
وَلْيُمْلِلِ
walyum'lili
এবং যেন সে লিখিয়ে নেয় (লেখ্য বিষয়)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
সেই (ব্যক্তি)
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
যার উপর (আছে)
▶
ٱلْحَقُّ
l-ḥaqu
অধিকার (অর্থাৎ ঋণগ্রহীতা)
▶
وَلْيَتَّقِ
walyattaqi
এবং সে ভয় করে যেন (লেখক)
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে (যিনি)
▶
رَبَّهُۥ
rabbahu
তার রব
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَبْخَسْ
yabkhas
কম করবে
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
شَيْـًۭٔا ۚ
shayan
কিছুই
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
كَانَ
kāna
হয়
▶
ٱلَّذِى
alladhī
সে
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
যার উপর
▶
ٱلْحَقُّ
l-ḥaqu
অধিকার (অর্থাৎ ঋণগ্রহীতা)
▶
سَفِيهًا
safīhan
নির্বোধ
▶
أَوْ
aw
বা
▶
ضَعِيفًا
ḍaʿīfan
দুর্বল
▶
أَوْ
aw
বা
▶
لَا
lā
না
▶
يَسْتَطِيعُ
yastaṭīʿu
সে পারে
▶
أَن
an
যে
▶
يُمِلَّ
yumilla
সে লিখিয়ে নেবে
▶
هُوَ
huwa
সে
▶
فَلْيُمْلِلْ
falyum'lil
তবে যেন লিখিয়ে নেয়
▶
وَلِيُّهُۥ
waliyyuhu
তার অভিভাবক
▶
بِٱلْعَدْلِ ۚ
bil-ʿadli
ন্যায্যভাবে
▶
وَٱسْتَشْهِدُوا۟
wa-is'tashhidū
এবং তোমরা সাক্ষী রাখো
▶
شَهِيدَيْنِ
shahīdayni
দুজন সাক্ষী
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
رِّجَالِكُمْ ۖ
rijālikum
তোমাদের পুরুষদের
▶
فَإِن
fa-in
অতঃপর যদি
▶
لَّمْ
lam
না
▶
يَكُونَا
yakūnā
থাকে
▶
رَجُلَيْنِ
rajulayni
দুজন পুরুষ
▶
فَرَجُلٌۭ
farajulun
তবে একজন পুরুষ
▶
وَٱمْرَأَتَانِ
wa-im'ra-atāni
ও দুজন মহিলা
▶
مِمَّن
mimman
(তাদের) হতে যাদের
▶
تَرْضَوْنَ
tarḍawna
তোমরা পছন্দ কর
▶
مِنَ
mina
মধ্য হতে
▶
ٱلشُّهَدَآءِ
l-shuhadāi
সাক্ষীদের
▶
أَن
an
যে
▶
تَضِلَّ
taḍilla
ভুল করলে
▶
إِحْدَىٰهُمَا
iḥ'dāhumā
দুজনের একজন(মহিলাদের)
▶
فَتُذَكِّرَ
fatudhakkira
তখন স্মরণ করাবে
▶
إِحْدَىٰهُمَا
iḥ'dāhumā
দুজনের একজন(মহিলা)
▶
ٱلْأُخْرَىٰ ۚ
l-ukh'rā
অন্যজনকে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَأْبَ
yaba
অস্বীকার করবে
▶
ٱلشُّهَدَآءُ
l-shuhadāu
সাক্ষীরা
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
مَا
mā
(কি)
▶
دُعُوا۟ ۚ
duʿū
তাদের ডাকা হবে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَسْـَٔمُوٓا۟
tasamū
তোমরা বিরক্তিবোধ করবে
▶
أَن
an
যে
▶
تَكْتُبُوهُ
taktubūhu
তা তোমরা লিখবে
▶
صَغِيرًا
ṣaghīran
ছোট (ব্যাপার হোক)
▶
أَوْ
aw
বা
▶
كَبِيرًا
kabīran
বড় (হোক)
▶
إِلَىٰٓ
ilā
পর্যন্ত
▶
أَجَلِهِۦ ۚ
ajalihi
তার মেয়াদ
▶
ذَٰلِكُمْ
dhālikum
এটা
▶
أَقْسَطُ
aqsaṭu
অধিকতর ন্যায়সঙ্গত
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَأَقْوَمُ
wa-aqwamu
ও দৃঢ়তর
▶
لِلشَّهَـٰدَةِ
lilshahādati
সাক্ষ্য প্রমাণের জন্য
▶
وَأَدْنَىٰٓ
wa-adnā
ও অধিক নিকটবর্তী
▶
أَلَّا
allā
যেন না
▶
تَرْتَابُوٓا۟ ۖ
tartābū
তোমরা সন্দেহ কর
▶
إِلَّآ
illā
তবে
▶
أَن
an
যে (সব)
▶
تَكُونَ
takūna
হয়ে থাকে
▶
تِجَـٰرَةً
tijāratan
ব্যবসা
▶
حَاضِرَةًۭ
ḥāḍiratan
নগদ
▶
تُدِيرُونَهَا
tudīrūnahā
তা তোমরা পরস্পর পরিচালনা কর
▶
بَيْنَكُمْ
baynakum
তোমাদের মাঝে
▶
فَلَيْسَ
falaysa
নেই তবে
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
جُنَاحٌ
junāḥun
কোনো পাপ
▶
أَلَّا
allā
যদি না
▶
تَكْتُبُوهَا ۗ
taktubūhā
তা তোমরা লিখে রাখ
▶
وَأَشْهِدُوٓا۟
wa-ashhidū
এবং তোমরা সাক্ষী রাখো
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
تَبَايَعْتُمْ ۚ
tabāyaʿtum
তোমরা বেচা কেনা কর
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يُضَآرَّ
yuḍārra
ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে
▶
كَاتِبٌۭ
kātibun
লেখককে
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
شَهِيدٌۭ ۚ
shahīdun
সাক্ষীকে
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَفْعَلُوا۟
tafʿalū
তোমরা কর
▶
فَإِنَّهُۥ
fa-innahu
তবে তা নিশ্চয়ই
▶
فُسُوقٌۢ
fusūqun
অন্যায়
▶
بِكُمْ ۗ
bikum
তোমাদের জন্য
▶
وَٱتَّقُوا۟
wa-ittaqū
এবং তোমরা ভয় করো
▶
ٱللَّهَ ۖ
l-laha
আল্লাহকে
▶
وَيُعَلِّمُكُمُ
wayuʿallimukumu
এবং তোমাদেরকে শিক্ষা দেন
▶
ٱللَّهُ ۗ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِكُلِّ
bikulli
সম্পর্কে
▶
شَىْءٍ
shayin
সবকিছু
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
খুব অবহিত
আয়াত 283 - সূরা البقرة: 32 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَإِن كُنتُمْ عَلَىٰ سَفَرٍۢ وَلَمْ تَجِدُوا۟ كَاتِبًۭا فَرِهَـٰنٌۭ مَّقْبُوضَةٌۭ ۖ فَإِنْ أَمِنَ بَعْضُكُم بَعْضًۭا فَلْيُؤَدِّ ٱلَّذِى ٱؤْتُمِنَ أَمَـٰنَتَهُۥ وَلْيَتَّقِ ٱللَّهَ رَبَّهُۥ ۗ وَلَا تَكْتُمُوا۟ ٱلشَّهَـٰدَةَ ۚ وَمَن يَكْتُمْهَا فَإِنَّهُۥٓ ءَاثِمٌۭ قَلْبُهُۥ ۗ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌۭ
আর তোমরা যদি প্রবাসে থাক এবং কোন লেখক না পাও তবে বন্ধকী বন্তু হস্তগত রাখা উচিত। যদি একে অন্যকে বিশ্বাস করে, তবে যাকে বিশ্বাস করা হয়, তার উচিত অন্যের প্রাপ্য পরিশোধ করা এবং স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় কর! তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না। যে কেউ তা গোপন করবে, তার অন্তর পাপপূর্ণ হবে। তোমরা যা করা, আল্লাহ সে সম্পর্কে খুব জ্ঞাত।
▶
۞ وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা থাক
▶
عَلَىٰ
ʿalā
মধ্যে
▶
سَفَرٍۢ
safarin
সফরের
▶
وَلَمْ
walam
এবং না
▶
تَجِدُوا۟
tajidū
তোমরা পাও
▶
كَاتِبًۭا
kātiban
কোনো লেখক
▶
فَرِهَـٰنٌۭ
farihānun
তবে বন্ধকি বস্তু
▶
مَّقْبُوضَةٌۭ ۖ
maqbūḍatun
হস্তগত (রাখতে পার)
▶
فَإِنْ
fa-in
অতঃপর যদি
▶
أَمِنَ
amina
বিশ্বাস করে
▶
بَعْضُكُم
baʿḍukum
তোমাদের কেউ
▶
بَعْضًۭا
baʿḍan
অন্যকে
▶
فَلْيُؤَدِّ
falyu-addi
তবে সে যেন ফিরেয়ে দেয়
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যার (উপর)
▶
ٱؤْتُمِنَ
u'tumina
বিশ্বাস করা হয়েছিল
▶
أَمَـٰنَتَهُۥ
amānatahu
তার আমানতের
▶
وَلْيَتَّقِ
walyattaqi
এবং সে যেন ভয় করে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
رَبَّهُۥ ۗ
rabbahu
(যিনি) তার রব
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَكْتُمُوا۟
taktumū
তোমরা গোপন করবে
▶
ٱلشَّهَـٰدَةَ ۚ
l-shahādata
সাক্ষ্য
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَكْتُمْهَا
yaktum'hā
তা গোপন করবে
▶
فَإِنَّهُۥٓ
fa-innahu
তাহলে সে নিশ্চয়ই
▶
ءَاثِمٌۭ
āthimun
পাপী
▶
قَلْبُهُۥ ۗ
qalbuhu
তার অন্তর
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
بِمَا
bimā
সে বিষয়ে
▶
تَعْمَلُونَ
taʿmalūna
তোমরা কাজ কর
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
খুব অবহিত
আয়াত 284 - সূরা البقرة: 28 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِّلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ وَإِن تُبْدُوا۟ مَا فِىٓ أَنفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُم بِهِ ٱللَّهُ ۖ فَيَغْفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ ۗ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ
যা কিছু আকাশসমূহে রয়েছে এবং যা কিছু যমীনে আছে, সব আল্লাহরই। যদি তোমরা মনের কথা প্রকাশ কর কিংবা গোপন কর, আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে তার হিসাব নেবেন। অতঃপর যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন এবং যাকে ইচ্ছা তিনি শাস্তি দেবেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান।
▶
لِّلَّهِ
lillahi
আল্লাহর জন্য
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশ সমূহের
▶
وَمَا
wamā
ও যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلْأَرْضِ ۗ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تُبْدُوا۟
tub'dū
তোমরা প্রকাশ কর
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে (আছে)
▶
أَنفُسِكُمْ
anfusikum
তোমাদের মনের
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تُخْفُوهُ
tukh'fūhu
গোপন কর তোমরা তা
▶
يُحَاسِبْكُم
yuḥāsib'kum
তোমাদেরকে হিসাব নিবেন
▶
بِهِ
bihi
তা সম্পর্কে
▶
ٱللَّهُ ۖ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَيَغْفِرُ
fayaghfiru
অতঃপর ক্ষমা করবেন
▶
لِمَن
liman
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি ইচ্ছা করবেন
▶
وَيُعَذِّبُ
wayuʿadhibu
এবং তিনি শাস্তি দিবেন
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۗ
yashāu
তিনি ইচ্ছা করবেন
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
قَدِيرٌ
qadīrun
সর্বশক্তিমান
আয়াত 285 - সূরা البقرة: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ءَامَنَ ٱلرَّسُولُ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِۦ وَٱلْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَمَلَـٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍۢ مِّن رُّسُلِهِۦ ۚ وَقَالُوا۟ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ ٱلْمَصِيرُ
রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা। তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান এনেছে
▶
ٱلرَّسُولُ
l-rasūlu
রাসূল
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয় যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছে
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁর প্রতি
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّهِۦ
rabbihi
তাঁর রবের
▶
وَٱلْمُؤْمِنُونَ ۚ
wal-mu'minūna
এবং মু'মিনরাও
▶
كُلٌّ
kullun
সবাই
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান এনেছে
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَمَلَـٰٓئِكَتِهِۦ
wamalāikatihi
এবং তাঁর ফেরেশতাদের
▶
وَكُتُبِهِۦ
wakutubihi
ও তাঁর কিতাবগুলোর
▶
وَرُسُلِهِۦ
warusulihi
এবং তাঁর রাসূলদের (উপর)
▶
لَا
lā
(তারা বলে) না
▶
نُفَرِّقُ
nufarriqu
আমরা পার্থক্য করি
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
أَحَدٍۢ
aḥadin
কারো
▶
مِّن
min
মধ্য হতে
▶
رُّسُلِهِۦ ۚ
rusulihi
তাঁর রাসূলদের
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলে
▶
سَمِعْنَا
samiʿ'nā
আমরা শুনলাম
▶
وَأَطَعْنَا ۖ
wa-aṭaʿnā
এবং আমরা মানলাম
▶
غُفْرَانَكَ
ghuf'rānaka
আমরা তোমার ক্ষমা (চাই)
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
وَإِلَيْكَ
wa-ilayka
এবং তোমারই কাছে
▶
ٱلْمَصِيرُ
l-maṣīru
প্রত্যাবর্তন (হবে)
আয়াত 286 - সূরা البقرة: 49 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَا يُكَلِّفُ ٱللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا ٱكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَآ إِن نَّسِينَآ أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَآ إِصْرًۭا كَمَا حَمَلْتَهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِۦ ۖ وَٱعْفُ عَنَّا وَٱغْفِرْ لَنَا وَٱرْحَمْنَآ ۚ أَنتَ مَوْلَىٰنَا فَٱنصُرْنَا عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْكَـٰفِرِينَ
আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভূ! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর।
▶
لَا
lā
না
▶
يُكَلِّفُ
yukallifu
দায়িত্বভার দেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
نَفْسًا
nafsan
কোনো ব্যক্তিকে
▶
إِلَّا
illā
এছাড়া যা
▶
وُسْعَهَا ۚ
wus'ʿahā
তার সামর্থ্য (আছে)
▶
لَهَا
lahā
তার জন্য (আছে)
▶
مَا
mā
যা (পূণ্য)
▶
كَسَبَتْ
kasabat
সে অর্জন করেছে
▶
وَعَلَيْهَا
waʿalayhā
এবং তার বিরুদ্ধে
▶
مَا
mā
যা (পাপ)
▶
ٱكْتَسَبَتْ ۗ
ik'tasabat
সে অর্জন করেছে
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
لَا
lā
না
▶
تُؤَاخِذْنَآ
tuākhidh'nā
আমাদেরকে পাকড়াও করো
▶
إِن
in
যদি
▶
نَّسِينَآ
nasīnā
আমরা ভুলে যাই
▶
أَوْ
aw
বা
▶
أَخْطَأْنَا ۚ
akhṭanā
আমরা ভুল করি
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَحْمِلْ
taḥmil
চাপিয়ে দিও
▶
عَلَيْنَآ
ʿalaynā
আমাদের উপর
▶
إِصْرًۭا
iṣ'ran
বোঝা
▶
كَمَا
kamā
যেমন
▶
حَمَلْتَهُۥ
ḥamaltahu
তা তুমি চাপিয়ে দিয়েছিলে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
مِن
min
থেকে
▶
قَبْلِنَا ۚ
qablinā
আমাদের পূর্ব ছিল
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تُحَمِّلْنَا
tuḥammil'nā
আমাদের উপর চাপিয়ে দিও
▶
مَا
mā
তা
▶
لَا
lā
নেই
▶
طَاقَةَ
ṭāqata
শক্তি
▶
لَنَا
lanā
আমাদের কাছে
▶
بِهِۦ ۖ
bihi
যার
▶
وَٱعْفُ
wa-uʿ'fu
এবং মোচন করে দাও (ত্রুটি)
▶
عَنَّا
ʿannā
আমাদের থেকে
▶
وَٱغْفِرْ
wa-igh'fir
এবং ক্ষমা করো
▶
لَنَا
lanā
আমাদেরকে
▶
وَٱرْحَمْنَآ ۚ
wa-ir'ḥamnā
এবং আমাদের উপর দয়া করো
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
مَوْلَىٰنَا
mawlānā
আমাদের অভিভাবক
▶
فَٱنصُرْنَا
fa-unṣur'nā
আমাদের সাহায্য কর তাই
▶
عَلَى
ʿalā
বিরুদ্ধে
▶
ٱلْقَوْمِ
l-qawmi
সম্প্রদায়ের
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
(যারা) কাফির
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে