সূরা غافر শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা غافر শব্দে শব্দে
غافر (غافر) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 85টি আয়াত, 1,219টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
1,219টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা غافر আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 7 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা غافر: 1 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
حمٓ
হা-মীম।
আয়াত 2 - সূরা غافر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تَنزِيلُ ٱلْكِتَـٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْعَلِيمِ
কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ।
▶
تَنزِيلُ
tanzīlu
অবতীর্ণ করা
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
(এই) কিতাব
▶
مِنَ
mina
পক্ষ হ'তে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ٱلْعَزِيزِ
l-ʿazīzi
(যিনি) পরাক্রমশালী
▶
ٱلْعَلِيمِ
l-ʿalīmi
সর্বজ্ঞ
আয়াত 3 - সূরা غافر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
غَافِرِ ٱلذَّنۢبِ وَقَابِلِ ٱلتَّوْبِ شَدِيدِ ٱلْعِقَابِ ذِى ٱلطَّوْلِ ۖ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ إِلَيْهِ ٱلْمَصِيرُ
পাপ ক্ষমাকারী, তওবা কবুলকারী, কঠোর শাস্তিদাতা ও সামর্থ?476;ান। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তাঁরই দিকে হবে প্রত্যাবর্তন।
▶
غَافِرِ
ghāfiri
(যিনি) ক্ষমাকারী
▶
ٱلذَّنۢبِ
l-dhanbi
পাপ
▶
وَقَابِلِ
waqābili
এবং কবুলকারী
▶
ٱلتَّوْبِ
l-tawbi
তওবা
▶
شَدِيدِ
shadīdi
কঠোর
▶
ٱلْعِقَابِ
l-ʿiqābi
শাস্তিদানে
▶
ذِى
dhī
মালিক
▶
ٱلطَّوْلِ ۖ
l-ṭawli
অনুগ্রহের
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোনো ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ ۖ
huwa
তিনি
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁরই দিকে
▶
ٱلْمَصِيرُ
l-maṣīru
প্রত্যাবর্তন (হবে সকলের)
আয়াত 4 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَا يُجَـٰدِلُ فِىٓ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ إِلَّا ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فَلَا يَغْرُرْكَ تَقَلُّبُهُمْ فِى ٱلْبِلَـٰدِ
কাফেররাই কেবল আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে। কাজেই নগরীসমূহে তাদের বিচরণ যেন আপনাকে বিভ্রান্তিতে না ফেলে।
▶
مَا
mā
না
▶
يُجَـٰدِلُ
yujādilu
তর্ক করে
▶
فِىٓ
fī
ক্ষেত্রে
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
নিদর্শনাবলীর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
فَلَا
falā
সুতরাং না (যেন)
▶
يَغْرُرْكَ
yaghrur'ka
তোমাকে বিভ্রান্ত করে
▶
تَقَلُّبُهُمْ
taqallubuhum
তাদের বিচরণ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبِلَـٰدِ
l-bilādi
দেশে-বিদেশে
আয়াত 5 - সূরা غافر: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍۢ وَٱلْأَحْزَابُ مِنۢ بَعْدِهِمْ ۖ وَهَمَّتْ كُلُّ أُمَّةٍۭ بِرَسُولِهِمْ لِيَأْخُذُوهُ ۖ وَجَـٰدَلُوا۟ بِٱلْبَـٰطِلِ لِيُدْحِضُوا۟ بِهِ ٱلْحَقَّ فَأَخَذْتُهُمْ ۖ فَكَيْفَ كَانَ عِقَابِ
তাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায় মিথ্যারোপ করেছিল, আর তাদের পরে অন্য অনেক দল ও প্রত্যেক সম্প্রদায় নিজ নিজ পয়গম্বরকে আক্রমণ করার ইচ্ছা করেছিল এবং তারা মিথ্যা বিতর্কে প্রবৃত্ত হয়েছিল, যেন সত্যধর্মকে ব্যর্থ করে দিতে পারে। অতঃপর আমি তাদেরকে পাকড়াও করলাম। কেমন ছিল আমার শাস্তি।
▶
كَذَّبَتْ
kadhabat
মিথ্যারোপ করেছিলো
▶
قَبْلَهُمْ
qablahum
তাদের পূর্বে
▶
قَوْمُ
qawmu
জাতি
▶
نُوحٍۢ
nūḥin
নূহের
▶
وَٱلْأَحْزَابُ
wal-aḥzābu
এবং (অন্যান্য) দলসমূহও
▶
مِنۢ
min
মধ্য হতে
▶
بَعْدِهِمْ ۖ
baʿdihim
পরে তাদের
▶
وَهَمَّتْ
wahammat
এবং অভিসন্ধি করেছিলো
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
أُمَّةٍۭ
ummatin
জাতি
▶
بِرَسُولِهِمْ
birasūlihim
তাদের রাসূলের সম্পর্কে
▶
لِيَأْخُذُوهُ ۖ
liyakhudhūhu
তাকে পাকড়াও করার জন্যে
▶
وَجَـٰدَلُوا۟
wajādalū
এবং তারা যুক্তিতর্কে মত্তে ছিলো
▶
بِٱلْبَـٰطِلِ
bil-bāṭili
অসার (অস্ত্র) দিয়ে
▶
لِيُدْحِضُوا۟
liyud'ḥiḍū
ব্যর্থ করে দেয়ার জন্যে
▶
بِهِ
bihi
তা দিয়ে
▶
ٱلْحَقَّ
l-ḥaqa
সত্যকে
▶
فَأَخَذْتُهُمْ ۖ
fa-akhadhtuhum
ফলে আমি পাকড়াও করেছি তাদেরকে
▶
فَكَيْفَ
fakayfa
সুতরাং (দেখো) কেমন
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
عِقَابِ
ʿiqābi
আমার শাস্তি
আয়াত 6 - সূরা غافر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَذَٰلِكَ حَقَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ عَلَى ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَنَّهُمْ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ
এভাবে কাফেরদের বেলায় আপনার পালনকর্তার এ বাক্য সত্য হল যে, তারা জাহান্নামী।
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
এবং এরূপে
▶
حَقَّتْ
ḥaqqat
সত্য হলো
▶
كَلِمَتُ
kalimatu
বাণী
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَفَرُوٓا۟
kafarū
অস্বীকার করেছিলো
▶
أَنَّهُمْ
annahum
তারা যে
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
জাহান্নামের
আয়াত 7 - সূরা غافر: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَحْمِلُونَ ٱلْعَرْشَ وَمَنْ حَوْلَهُۥ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيُؤْمِنُونَ بِهِۦ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ رَبَّنَا وَسِعْتَ كُلَّ شَىْءٍۢ رَّحْمَةًۭ وَعِلْمًۭا فَٱغْفِرْ لِلَّذِينَ تَابُوا۟ وَٱتَّبَعُوا۟ سَبِيلَكَ وَقِهِمْ عَذَابَ ٱلْجَحِيمِ
যারা আরশ বহন করে এবং যারা তার চারপাশে আছে, তারা তাদের পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে, তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মুমিনদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আপনার রহমত ও জ্ঞান সবকিছুতে পরিব্যাপ্ত। অতএব, যারা তওবা করে এবং আপনার পথে চলে, তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَحْمِلُونَ
yaḥmilūna
ধারণ করছে
▶
ٱلْعَرْشَ
l-ʿarsha
(আল্লাহর) আরশ
▶
وَمَنْ
waman
এবং যারা (আছে)
▶
حَوْلَهُۥ
ḥawlahu
তার চার পাশে
▶
يُسَبِّحُونَ
yusabbiḥūna
তারা মহিমা ঘোষণা করছে
▶
بِحَمْدِ
biḥamdi
প্রশংসাসহ
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَيُؤْمِنُونَ
wayu'minūna
এবং তারা ঈমান রাখে
▶
بِهِۦ
bihi
তাঁর উপর
▶
وَيَسْتَغْفِرُونَ
wayastaghfirūna
এবং তারা ক্ষমা প্রার্থনা করছে
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্যে যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান আনে
▶
رَبَّنَا
rabbanā
"(তারা বলে) হে আমাদের রব
▶
وَسِعْتَ
wasiʿ'ta
তুমি ঘিরে রেখেছো
▶
كُلَّ
kulla
প্রত্যেক
▶
شَىْءٍۢ
shayin
জিনিস
▶
رَّحْمَةًۭ
raḥmatan
অনুগ্রহে
▶
وَعِلْمًۭا
waʿil'man
ও জ্ঞানে
▶
فَٱغْفِرْ
fa-igh'fir
তাই মাফ করো
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের)-কে যারা
▶
تَابُوا۟
tābū
তওবা করে
▶
وَٱتَّبَعُوا۟
wa-ittabaʿū
ও অনুসরণ করে
▶
سَبِيلَكَ
sabīlaka
তোমার পথ
▶
وَقِهِمْ
waqihim
এবং তাদেরকে বাঁচাও
▶
عَذَابَ
ʿadhāba
শাস্তি (হ'তে)
▶
ٱلْجَحِيمِ
l-jaḥīmi
জাহান্নামের
আয়াত 8 - সূরা غافر: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَبَّنَا وَأَدْخِلْهُمْ جَنَّـٰتِ عَدْنٍ ٱلَّتِى وَعَدتَّهُمْ وَمَن صَلَحَ مِنْ ءَابَآئِهِمْ وَأَزْوَٰجِهِمْ وَذُرِّيَّـٰتِهِمْ ۚ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
হে আমাদের পালনকর্তা, আর তাদেরকে দাখিল করুন চিরকাল বসবাসের জান্নাতে, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের বাপ-দাদা, পতি-পত্নী ও সন্তানদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
▶
رَبَّنَا
rabbanā
হে আমাদের রব
▶
وَأَدْخِلْهُمْ
wa-adkhil'hum
এবং তাদের প্রবেশ করাও
▶
جَنَّـٰتِ
jannāti
জান্নাত সমূহে
▶
عَدْنٍ
ʿadnin
চিরস্থায়ী
▶
ٱلَّتِى
allatī
যা
▶
وَعَدتَّهُمْ
waʿadttahum
তাদের তুমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছো
▶
وَمَن
waman
এবং যারা
▶
صَلَحَ
ṣalaḥa
সৎকর্ম করেছে
▶
مِنْ
min
মধ্যে হ'তে
▶
ءَابَآئِهِمْ
ābāihim
তাদের বাপ-দাদাদের
▶
وَأَزْوَٰجِهِمْ
wa-azwājihim
ও তাদের পতি-পত্নীদের
▶
وَذُرِّيَّـٰتِهِمْ ۚ
wadhurriyyātihim
ও তাদের বংশধরদের
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 9 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقِهِمُ ٱلسَّيِّـَٔاتِ ۚ وَمَن تَقِ ٱلسَّيِّـَٔاتِ يَوْمَئِذٍۢ فَقَدْ رَحِمْتَهُۥ ۚ وَذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ
এবং আপনি তাদেরকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করুন। আপনি যাকে সেদিন অমঙ্গল থেকে রক্ষা করবেন, তার প্রতি অনুগ্রহই করবেন। এটাই মহাসাফল্য।
▶
وَقِهِمُ
waqihimu
এবং বাঁচাও তাদেরকে
▶
ٱلسَّيِّـَٔاتِ ۚ
l-sayiāti
(সব) মন্দ (হ'তে)
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
تَقِ
taqi
বাঁচাবে
▶
ٱلسَّيِّـَٔاتِ
l-sayiāti
(সব) মন্দ (হ'তে)
▶
يَوْمَئِذٍۢ
yawma-idhin
সেদিন
▶
فَقَدْ
faqad
তাহ'লে নিশ্চয়ই
▶
رَحِمْتَهُۥ ۚ
raḥim'tahu
তাকে অনুগ্রহ করবে
▶
وَذَٰلِكَ
wadhālika
এবং এটা
▶
هُوَ
huwa
সেই
▶
ٱلْفَوْزُ
l-fawzu
সাফল্য
▶
ٱلْعَظِيمُ
l-ʿaẓīmu
মহা"
আয়াত 10 - সূরা غافر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يُنَادَوْنَ لَمَقْتُ ٱللَّهِ أَكْبَرُ مِن مَّقْتِكُمْ أَنفُسَكُمْ إِذْ تُدْعَوْنَ إِلَى ٱلْإِيمَـٰنِ فَتَكْفُرُونَ
যারা কাফের তাদেরকে উচ্চঃস্বরে বলা হবে, তোমাদের নিজেদের প্রতি তোমাদের আজকের এ ক্ষোভ অপেক্ষা আল্লার ক্ষোভ অধিক ছিল, যখন তোমাদেরকে ঈমান আনতে বলা হয়েছিল, অতঃপর তোমরা কুফরী করছিল।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
يُنَادَوْنَ
yunādawna
তাদের ডেকে বলা হবে
▶
لَمَقْتُ
lamaqtu
ক্ষোভ অবশ্যই (ছিলো)
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَكْبَرُ
akbaru
অধিক (সেদিন)
▶
مِن
min
চেয়ে
▶
مَّقْتِكُمْ
maqtikum
তোমাদের (আজকের) ক্ষোভের
▶
أَنفُسَكُمْ
anfusakum
তোমাদের নিজেদের (উপর)
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
تُدْعَوْنَ
tud'ʿawna
তোমাদের ডাকা হতো
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلْإِيمَـٰنِ
l-īmāni
ঈমানের
▶
فَتَكْفُرُونَ
fatakfurūna
তখন তোমরা অস্বীকার করতে
আয়াত 11 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوا۟ رَبَّنَآ أَمَتَّنَا ٱثْنَتَيْنِ وَأَحْيَيْتَنَا ٱثْنَتَيْنِ فَٱعْتَرَفْنَا بِذُنُوبِنَا فَهَلْ إِلَىٰ خُرُوجٍۢ مِّن سَبِيلٍۢ
তারা বলবে হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি আমাদেরকে দু’বার মৃত্যু দিয়েছেন এবং দু’ বার জীবন দিয়েছেন। এখন আমাদের অপরাধ স্বীকার করছি। অতঃপর এখন ও নিস্কৃতির কোন উপায় আছে কি?
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলবে
▶
رَبَّنَآ
rabbanā
"হে আমাদের রব
▶
أَمَتَّنَا
amattanā
আমাদেরকে তুমি মৃত্যু দিয়েছো
▶
ٱثْنَتَيْنِ
ith'natayni
দু'বার
▶
وَأَحْيَيْتَنَا
wa-aḥyaytanā
ও আমাদেরকে তুমি জীবন দিয়েছো
▶
ٱثْنَتَيْنِ
ith'natayni
দু'বার
▶
فَٱعْتَرَفْنَا
fa-iʿ'tarafnā
আমরা স্বীকার করছি এখন
▶
بِذُنُوبِنَا
bidhunūbinā
আমাদের পাপসমূহকে
▶
فَهَلْ
fahal
এখন কি (আছে)
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
خُرُوجٍۢ
khurūjin
বের হওয়ার (পরিত্রাণের)
▶
مِّن
min
কোনো
▶
سَبِيلٍۢ
sabīlin
পথ"
আয়াত 12 - সূরা غافر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكُم بِأَنَّهُۥٓ إِذَا دُعِىَ ٱللَّهُ وَحْدَهُۥ كَفَرْتُمْ ۖ وَإِن يُشْرَكْ بِهِۦ تُؤْمِنُوا۟ ۚ فَٱلْحُكْمُ لِلَّهِ ٱلْعَلِىِّ ٱلْكَبِيرِ
তোমাদের এ বিপদ এ কারণে যে, যখন এক আল্লাহকে ডাকা হত, তখন তোমরা কাফের হয়ে যেতে যখন তার সাথে শরীককে ডাকা হত তখন তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করতে। এখন আদেশ তাই, যা আল্লাহ করবেন, যিনি সর্বোচ্চ, মহান।
▶
ذَٰلِكُم
dhālikum
"(বলা হবে) তোমাদের এ (অবস্থা)
▶
بِأَنَّهُۥٓ
bi-annahu
এ কারণে যে
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
دُعِىَ
duʿiya
ডাকা হতো
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহর (দিকে)
▶
وَحْدَهُۥ
waḥdahu
তাঁর একত্বের (প্রতি)
▶
كَفَرْتُمْ ۖ
kafartum
তোমরা অস্বীকার করতে
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
يُشْرَكْ
yush'rak
শরিক করা হতো
▶
بِهِۦ
bihi
তাঁর সাথে (অন্য কাউকে)
▶
تُؤْمِنُوا۟ ۚ
tu'minū
তোমরা ঈমান আনতে
▶
فَٱلْحُكْمُ
fal-ḥuk'mu
বস্তুতঃ কর্তৃত্ব
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই
▶
ٱلْعَلِىِّ
l-ʿaliyi
(যিনি) সমুচ্চ
▶
ٱلْكَبِيرِ
l-kabīri
মহান"
আয়াত 13 - সূরা غافر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُوَ ٱلَّذِى يُرِيكُمْ ءَايَـٰتِهِۦ وَيُنَزِّلُ لَكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ رِزْقًۭا ۚ وَمَا يَتَذَكَّرُ إِلَّا مَن يُنِيبُ
তিনিই তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনাবলী দেখান এবং তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে নাযিল করেন রুযী। চিন্তা-ভাবনা তারাই করে, যারা আল্লাহর দিকে রুজু থাকে।
▶
هُوَ
huwa
তিনিই (আল্লাহ)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
يُرِيكُمْ
yurīkum
তোমাদেরকে দেখান
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
নিদর্শনাবলী তাঁর
▶
وَيُنَزِّلُ
wayunazzilu
ও নামান
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّنَ
mina
হ'তে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
رِزْقًۭا ۚ
riz'qan
জীবনের উপকরণ
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَتَذَكَّرُ
yatadhakkaru
শিক্ষাগ্রহণ করে
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
مَن
man
যে
▶
يُنِيبُ
yunību
মুখ করে (আল্লাহর দিকে)
আয়াত 14 - সূরা غافر: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱدْعُوا۟ ٱللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْكَـٰفِرُونَ
অতএব, তোমরা আল্লাহকে খাঁটি বিশ্বাস সহকারে ডাক, যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে।
▶
فَٱدْعُوا۟
fa-id'ʿū
সুতরাং তোমরা ডাকো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহকে
▶
مُخْلِصِينَ
mukh'liṣīna
একনিষ্ঠ হয়ে
▶
لَهُ
lahu
তাঁরই জন্যে
▶
ٱلدِّينَ
l-dīna
আনুগত্যকে (নির্দিষ্ট করে)
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদিও
▶
كَرِهَ
kariha
অপছন্দ করে
▶
ٱلْكَـٰفِرُونَ
l-kāfirūna
কাফেররা
আয়াত 15 - সূরা غافر: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
رَفِيعُ ٱلدَّرَجَـٰتِ ذُو ٱلْعَرْشِ يُلْقِى ٱلرُّوحَ مِنْ أَمْرِهِۦ عَلَىٰ مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ لِيُنذِرَ يَوْمَ ٱلتَّلَاقِ
তিনিই সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী, আরশের মালিক, তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা তত্ত্বপূর্ণ বিষয়াদি নাযিল করেন, যাতে সে সাক্ষাতের দিন সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করে।
▶
رَفِيعُ
rafīʿu
সমুচ্চ
▶
ٱلدَّرَجَـٰتِ
l-darajāti
মর্যাদাসমুহের (অধিকারী)
▶
ذُو
dhū
অধিপতি
▶
ٱلْعَرْشِ
l-ʿarshi
আরশের
▶
يُلْقِى
yul'qī
প্রেরণ করেন
▶
ٱلرُّوحَ
l-rūḥa
রূহকে (অর্থাৎ ওহী)
▶
مِنْ
min
মধ্য হতে
▶
أَمْرِهِۦ
amrihi
তাঁর নির্দেশে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
مِنْ
min
মধ্য হ'তে
▶
عِبَادِهِۦ
ʿibādihi
তাঁর দাসদের
▶
لِيُنذِرَ
liyundhira
যেন সতর্ক করে
▶
يَوْمَ
yawma
দিন (সম্পর্ক)
▶
ٱلتَّلَاقِ
l-talāqi
সাক্ষাতের
আয়াত 16 - সূরা غافر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ هُم بَـٰرِزُونَ ۖ لَا يَخْفَىٰ عَلَى ٱللَّهِ مِنْهُمْ شَىْءٌۭ ۚ لِّمَنِ ٱلْمُلْكُ ٱلْيَوْمَ ۖ لِلَّهِ ٱلْوَٰحِدِ ٱلْقَهَّارِ
যেদিন তারা বের হয়ে পড়বে, আল্লাহর কাছে তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। আজ রাজত্ব কার? এক প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহর।
▶
يَوْمَ
yawma
সেদিন
▶
هُم
hum
তারা
▶
بَـٰرِزُونَ ۖ
bārizūna
বের হয়ে পড়বে
▶
لَا
lā
না
▶
يَخْفَىٰ
yakhfā
গোপন থাকবে
▶
عَلَى
ʿalā
কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مِنْهُمْ
min'hum
তাদের মধ্যে হ'তে
▶
شَىْءٌۭ ۚ
shayon
কোনো কিছুই
▶
لِّمَنِ
limani
(জিজ্ঞেস করা হবে) কার
▶
ٱلْمُلْكُ
l-mul'ku
কর্তৃত্ব
▶
ٱلْيَوْمَ ۖ
l-yawma
আজ
▶
لِلَّهِ
lillahi
(সবাই বলবে) আল্লাহরই
▶
ٱلْوَٰحِدِ
l-wāḥidi
(যিনি) এক ও একক
▶
ٱلْقَهَّارِ
l-qahāri
পরাক্রমশালী
আয়াত 17 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلْيَوْمَ تُجْزَىٰ كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ ۚ لَا ظُلْمَ ٱلْيَوْمَ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ سَرِيعُ ٱلْحِسَابِ
আজ প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের প্রতিদান পাবে। আজ যুলুম নেই। নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
▶
ٱلْيَوْمَ
al-yawma
(বলা হবে) আজ
▶
تُجْزَىٰ
tuj'zā
প্রতিফল দেওয়া হবে
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۭ
nafsin
ব্যক্তিকে
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ের যা
▶
كَسَبَتْ ۚ
kasabat
সে কামাই করেছে
▶
لَا
lā
নেই
▶
ظُلْمَ
ẓul'ma
অত্যাচার
▶
ٱلْيَوْمَ ۚ
l-yawma
আজ
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
سَرِيعُ
sarīʿu
তৎপর
▶
ٱلْحِسَابِ
l-ḥisābi
হিসাব গ্রহণে
আয়াত 18 - সূরা غافر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ ٱلْـَٔازِفَةِ إِذِ ٱلْقُلُوبُ لَدَى ٱلْحَنَاجِرِ كَـٰظِمِينَ ۚ مَا لِلظَّـٰلِمِينَ مِنْ حَمِيمٍۢ وَلَا شَفِيعٍۢ يُطَاعُ
আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে।
▶
وَأَنذِرْهُمْ
wa-andhir'hum
এবং (হে নাবী) তাদেরকে সতর্ক করো
▶
يَوْمَ
yawma
সেই দিন (সম্পর্কে)
▶
ٱلْـَٔازِفَةِ
l-āzifati
(যা) আসন্ন
▶
إِذِ
idhi
যখন
▶
ٱلْقُلُوبُ
l-qulūbu
অন্তরসমূহ (কলিজাসমূহ)
▶
لَدَى
ladā
নিকট (আসবে)
▶
ٱلْحَنَاجِرِ
l-ḥanājiri
কন্ঠসমূহের
▶
كَـٰظِمِينَ ۚ
kāẓimīna
দুঃখ-কষ্টে
▶
مَا
mā
না
▶
لِلظَّـٰلِمِينَ
lilẓẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্যে (থাকবে)
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
حَمِيمٍۢ
ḥamīmin
অন্তরঙ্গ
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
شَفِيعٍۢ
shafīʿin
কোনো সুপারিশকারী
▶
يُطَاعُ
yuṭāʿu
মেনে নেওয়া হবে (যার কথা)
আয়াত 19 - সূরা غافر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَعْلَمُ خَآئِنَةَ ٱلْأَعْيُنِ وَمَا تُخْفِى ٱلصُّدُورُ
চোখের চুরি এবং অন্তরের গোপন বিষয় তিনি জানেন।
▶
يَعْلَمُ
yaʿlamu
(আল্লাহ) জানেন
▶
خَآئِنَةَ
khāinata
প্রতারণা
▶
ٱلْأَعْيُنِ
l-aʿyuni
চোখের (অর্থাৎ চোখের চুরিও)
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
تُخْفِى
tukh'fī
গোপন করে রাখে
▶
ٱلصُّدُورُ
l-ṣudūru
অন্তরসমূহ
আয়াত 20 - সূরা غافر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱللَّهُ يَقْضِى بِٱلْحَقِّ ۖ وَٱلَّذِينَ يَدْعُونَ مِن دُونِهِۦ لَا يَقْضُونَ بِشَىْءٍ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ
আল্লাহ ফয়সালা করেন সঠিকভাবে, আল্লাহর পরিবর্তে তারা যাদেরকে ডাকে, তারা কিছুই ফয়সালা করে না। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।
▶
وَٱللَّهُ
wal-lahu
এবং আল্লাহ
▶
يَقْضِى
yaqḍī
মীমাংসা করবেন
▶
بِٱلْحَقِّ ۖ
bil-ḥaqi
সঠিকভাবে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যাদেরকে
▶
يَدْعُونَ
yadʿūna
তারা ডাকে
▶
مِن
min
ছাড়া
▶
دُونِهِۦ
dūnihi
তাঁকে
▶
لَا
lā
না
▶
يَقْضُونَ
yaqḍūna
মীমাংসা করবে তারা
▶
بِشَىْءٍ ۗ
bishayin
কোনো কিছুরই
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلسَّمِيعُ
l-samīʿu
সবকিছু শুনেন
▶
ٱلْبَصِيرُ
l-baṣīru
সবকিছু দেখেন
আয়াত 21 - সূরা غافر: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ أَوَلَمْ يَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَـٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ كَانُوا۟ مِن قَبْلِهِمْ ۚ كَانُوا۟ هُمْ أَشَدَّ مِنْهُمْ قُوَّةًۭ وَءَاثَارًۭا فِى ٱلْأَرْضِ فَأَخَذَهُمُ ٱللَّهُ بِذُنُوبِهِمْ وَمَا كَانَ لَهُم مِّنَ ٱللَّهِ مِن وَاقٍۢ
তারা কি দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে না, যাতে দেখত তাদের পূর্বসুরিদের কি পরিণাম হয়েছে? তাদের শক্তি ও কীর্তি পৃথিবীতে এদের অপেক্ষা অধিকতর ছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে তাদের গোনাহের কারণে ধৃত করেছিলেন এবং আল্লাহ থেকে তাদেরকে রক্ষাকারী কেউ হয়নি।
▶
۞ أَوَلَمْ
awalam
কি নি
▶
يَسِيرُوا۟
yasīrū
তারা ভ্রমণ করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
فَيَنظُرُوا۟
fayanẓurū
তাহ'লে তারা দেখতে পেতো
▶
كَيْفَ
kayfa
কেমন
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
عَـٰقِبَةُ
ʿāqibatu
পরিণাম
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
كَانُوا۟
kānū
ছিলো
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَبْلِهِمْ ۚ
qablihim
তাদের পূর্বে
▶
كَانُوا۟
kānū
ছিলো
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
أَشَدَّ
ashadda
প্রবল
▶
مِنْهُمْ
min'hum
এদের চেয়েও
▶
قُوَّةًۭ
quwwatan
শক্তিতে
▶
وَءَاثَارًۭا
waāthāran
ও কীর্তিসমূহে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
فَأَخَذَهُمُ
fa-akhadhahumu
তাদেরকে অতঃপর পাকড়াও করলেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِذُنُوبِهِمْ
bidhunūbihim
তাদের পাপসমূহের কারণে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে
▶
مِّنَ
mina
হ'তে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
مِن
min
কোনো
▶
وَاقٍۢ
wāqin
রক্ষাকারী
আয়াত 22 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ كَانَت تَّأْتِيهِمْ رُسُلُهُم بِٱلْبَيِّنَـٰتِ فَكَفَرُوا۟ فَأَخَذَهُمُ ٱللَّهُ ۚ إِنَّهُۥ قَوِىٌّۭ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ
এর কারণ এই যে, তাদের কাছে তাদের রসূলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আগমন করত, অতঃপর তারা কাফের হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তাদের ধৃত করেন। নিশ্চয় তিনি শক্তিধর, কঠোর শাস্তিদাতা।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
بِأَنَّهُمْ
bi-annahum
এ কারণে যে তারা
▶
كَانَت
kānat
কাছে আসতো
▶
تَّأْتِيهِمْ
tatīhim
তাদের
▶
رُسُلُهُم
rusuluhum
তাদের রাসূলগণ
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ
bil-bayināti
নিদর্শনাবলীসহ
▶
فَكَفَرُوا۟
fakafarū
কিন্তু তারা অস্বীকার করতো
▶
فَأَخَذَهُمُ
fa-akhadhahumu
তখন তাদেরকে শাস্তি দিলেন
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তিনি নিশ্চয়ই
▶
قَوِىٌّۭ
qawiyyun
শক্তিশালী
▶
شَدِيدُ
shadīdu
কঠোর
▶
ٱلْعِقَابِ
l-ʿiqābi
শাস্তিদানে
আয়াত 23 - সূরা غافر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِـَٔايَـٰتِنَا وَسُلْطَـٰنٍۢ مُّبِينٍ
আমি আমার নিদর্শনাবলী ও স্পষ্ট প্রমাণসহ মূসাকে প্রেরণ করেছি।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা পাঠিয়েছি
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসাকে
▶
بِـَٔايَـٰتِنَا
biāyātinā
আমাদের নিদর্শনাবলীসহ
▶
وَسُلْطَـٰنٍۢ
wasul'ṭānin
ও প্রমাণ (সহ)
▶
مُّبِينٍ
mubīnin
সুস্পষ্ট
আয়াত 24 - সূরা غافر: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَهَـٰمَـٰنَ وَقَـٰرُونَ فَقَالُوا۟ سَـٰحِرٌۭ كَذَّابٌۭ
ফেরাউন, হামান ও কারুণের কাছে, অতঃপর তারা বলল, সে তো জাদুকর, মিথ্যাবাদী।
▶
إِلَىٰ
ilā
নিকটে
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
وَهَـٰمَـٰنَ
wahāmāna
ও হামানের
▶
وَقَـٰرُونَ
waqārūna
ও কারূনের
▶
فَقَالُوا۟
faqālū
তারা কিন্তু বলেছিলো
▶
سَـٰحِرٌۭ
sāḥirun
"(সে একজন) যাদুকর
▶
كَذَّابٌۭ
kadhābun
মিথ্যাবাদী"
আয়াত 25 - সূরা غافر: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَمَّا جَآءَهُم بِٱلْحَقِّ مِنْ عِندِنَا قَالُوا۟ ٱقْتُلُوٓا۟ أَبْنَآءَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مَعَهُۥ وَٱسْتَحْيُوا۟ نِسَآءَهُمْ ۚ وَمَا كَيْدُ ٱلْكَـٰفِرِينَ إِلَّا فِى ضَلَـٰلٍۢ
অতঃপর মূসা যখন আমার কাছ থেকে সত্যসহ তাদের কাছে পৌঁছাল; তখন তারা বলল, যারা তার সঙ্গী হয়ে বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তাদের পুত্র সন্তানদেরকে হত্যা কর, আর তাদের নারীদেরকে জীবিত রাখ। কাফেরদের চক্রান্ত ব্যর্থই হয়েছে।
▶
فَلَمَّا
falammā
পরে যখন
▶
جَآءَهُم
jāahum
তাদের কাছে নিয়ে এলো
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
প্রকৃত সত্যসহ
▶
مِنْ
min
হ'তে
▶
عِندِنَا
ʿindinā
আমাদের নিকট
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বললো
▶
ٱقْتُلُوٓا۟
uq'tulū
"তোমরা হত্যা করো
▶
أَبْنَآءَ
abnāa
পুত্র সন্তানদেরকে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
مَعَهُۥ
maʿahu
তার সাথে
▶
وَٱسْتَحْيُوا۟
wa-is'taḥyū
এবং তোমরা জীবিত রাখো
▶
نِسَآءَهُمْ ۚ
nisāahum
তাদের নারীদেরকে"
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
كَيْدُ
kaydu
ষড়যন্ত্র
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফেরদের
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ضَلَـٰلٍۢ
ḍalālin
ভ্রান্তির
আয়াত 26 - সূরা غافر: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ فِرْعَوْنُ ذَرُونِىٓ أَقْتُلْ مُوسَىٰ وَلْيَدْعُ رَبَّهُۥٓ ۖ إِنِّىٓ أَخَافُ أَن يُبَدِّلَ دِينَكُمْ أَوْ أَن يُظْهِرَ فِى ٱلْأَرْضِ ٱلْفَسَادَ
ফেরাউন বলল; তোমরা আমাকে ছাড়, মূসাকে হত্যা করতে দাও, ডাকুক সে তার পালনকর্তাকে! আমি আশংকা করি যে, সে তোমাদের ধর্ম পরিবর্তন করে দেবে অথবা সে দেশময় বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বললো
▶
فِرْعَوْنُ
fir'ʿawnu
ফিরআউন
▶
ذَرُونِىٓ
dharūnī
"আমাকে ছাড়ো
▶
أَقْتُلْ
aqtul
আমি হত্যা করে ফেলি
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসাকে
▶
وَلْيَدْعُ
walyadʿu
এবং সে ডাকে যেন
▶
رَبَّهُۥٓ ۖ
rabbahu
তাঁর রবকে
▶
إِنِّىٓ
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
أَخَافُ
akhāfu
আমি আশংকা করি
▶
أَن
an
যে
▶
يُبَدِّلَ
yubaddila
সে পাল্টে দিবে
▶
دِينَكُمْ
dīnakum
তোমাদের ধর্মকে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
أَن
an
যে
▶
يُظْهِرَ
yuẓ'hira
সৃষ্টি করবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
দেশের
▶
ٱلْفَسَادَ
l-fasāda
বিপর্যয়"
আয়াত 27 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ مُوسَىٰٓ إِنِّى عُذْتُ بِرَبِّى وَرَبِّكُم مِّن كُلِّ مُتَكَبِّرٍۢ لَّا يُؤْمِنُ بِيَوْمِ ٱلْحِسَابِ
মূসা বলল, যারা হিসাব দিবসে বিশ্বাস করে না এমন প্রত্যেক অহংকারী থেকে আমি আমার ও তোমাদের পালনকর্তার আশ্রয় নিয়ে নিয়েছি।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বললো
▶
مُوسَىٰٓ
mūsā
মূসা
▶
إِنِّى
innī
"নিশ্চয়ই আমি
▶
عُذْتُ
ʿudh'tu
আমি আশ্রয় চাই
▶
بِرَبِّى
birabbī
আমার রবের কাছে
▶
وَرَبِّكُم
warabbikum
ও তোমাদের রবের (কাছে)
▶
مِّن
min
হ'তে
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক
▶
مُتَكَبِّرٍۢ
mutakabbirin
অহংকারী ব্যক্তি
▶
لَّا
lā
(যে) না
▶
يُؤْمِنُ
yu'minu
বিশ্বাস করে
▶
بِيَوْمِ
biyawmi
দিনের প্রতি
▶
ٱلْحِسَابِ
l-ḥisābi
বিচারের"
আয়াত 28 - সূরা غافر: 39 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ رَجُلٌۭ مُّؤْمِنٌۭ مِّنْ ءَالِ فِرْعَوْنَ يَكْتُمُ إِيمَـٰنَهُۥٓ أَتَقْتُلُونَ رَجُلًا أَن يَقُولَ رَبِّىَ ٱللَّهُ وَقَدْ جَآءَكُم بِٱلْبَيِّنَـٰتِ مِن رَّبِّكُمْ ۖ وَإِن يَكُ كَـٰذِبًۭا فَعَلَيْهِ كَذِبُهُۥ ۖ وَإِن يَكُ صَادِقًۭا يُصِبْكُم بَعْضُ ٱلَّذِى يَعِدُكُمْ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى مَنْ هُوَ مُسْرِفٌۭ كَذَّابٌۭ
ফেরাউন গোত্রের এক মুমিন ব্যক্তি, যে তার ঈমান গোপন রাখত, সে বলল, তোমরা কি একজনকে এজন্যে হত্যা করবে যে, সে বলে, আমার পালনকর্তা আল্লাহ, অথচ সে তোমাদের পালনকর্তার নিকট থেকে স্পষ্ট প্রমাণসহ তোমাদের নিকট আগমন করেছে? যদি সে মিথ্যাবাদী হয়, তবে তার মিথ্যাবাদিতা তার উপরই চাপবে, আর যদি সে সত্যবাদী হয়, তবে সে যে শাস্তির কথা বলছে, তার কিছু না কিছু তোমাদের উপর পড়বেই। নিশ্চয় আল্লাহ সীমালংঘনকারী, মিথ্যাবাদীকে পথ প্রদর্শন করেন না।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বললো
▶
رَجُلٌۭ
rajulun
এক ব্যক্তি
▶
مُّؤْمِنٌۭ
mu'minun
মু'মিন
▶
مِّنْ
min
মধ্যে হ'তে
▶
ءَالِ
āli
সম্প্রদায়ের
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
يَكْتُمُ
yaktumu
যে গোপন রেখেছিলো
▶
إِيمَـٰنَهُۥٓ
īmānahu
তার ঈমান
▶
أَتَقْتُلُونَ
ataqtulūna
"তোমরা হত্যা করবে কি
▶
رَجُلًا
rajulan
এক ব্যক্তিকে
▶
أَن
an
(এ কারণে) যে
▶
يَقُولَ
yaqūla
সে বলে
▶
رَبِّىَ
rabbiya
"আমার রব
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ"
▶
وَقَدْ
waqad
অথচ নিশ্চয়ই
▶
جَآءَكُم
jāakum
তোমাদের কাছে এসেছে
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ
bil-bayināti
সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে
▶
مِن
min
পক্ষ হ'তে
▶
رَّبِّكُمْ ۖ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
يَكُ
yaku
সে হয়
▶
كَـٰذِبًۭا
kādhiban
মিথ্যাবাদী
▶
فَعَلَيْهِ
faʿalayhi
তবে তার উপর (বর্তিবে)
▶
كَذِبُهُۥ ۖ
kadhibuhu
তার মিথ্যার দায়
▶
وَإِن
wa-in
কিন্তু যদি
▶
يَكُ
yaku
সে হয়
▶
صَادِقًۭا
ṣādiqan
সত্যবাদী
▶
يُصِبْكُم
yuṣib'kum
তোমাদের উপর আপতিত হবে
▶
بَعْضُ
baʿḍu
(তার) কিছু
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যা
▶
يَعِدُكُمْ ۖ
yaʿidukum
তোমাদেরকে সে ভয় দেখাচ্ছে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَهْدِى
yahdī
পথ দেখান
▶
مَنْ
man
(এমন) কাউকে
▶
هُوَ
huwa
যে
▶
مُسْرِفٌۭ
mus'rifun
সীমালংঘনকারী
▶
كَذَّابٌۭ
kadhābun
ডাহা মিথ্যাবাদী
আয়াত 29 - সূরা غافر: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰقَوْمِ لَكُمُ ٱلْمُلْكُ ٱلْيَوْمَ ظَـٰهِرِينَ فِى ٱلْأَرْضِ فَمَن يَنصُرُنَا مِنۢ بَأْسِ ٱللَّهِ إِن جَآءَنَا ۚ قَالَ فِرْعَوْنُ مَآ أُرِيكُمْ إِلَّا مَآ أَرَىٰ وَمَآ أَهْدِيكُمْ إِلَّا سَبِيلَ ٱلرَّشَادِ
হে আমার কওম, আজ এদেশে তোমাদেরই রাজত্ব, দেশময় তোমরাই বিচরণ করছ; কিন্তু আমাদের আল্লাহর শাস্তি এসে গেলে কে আমাদেরকে সাহায্য করবে? ফেরাউন বলল, আমি যা বুঝি, তোমাদেরকে তাই বোঝাই, আর আমি তোমাদেরকে মঙ্গলের পথই দেখাই।
▶
يَـٰقَوْمِ
yāqawmi
হে আমার জাতি
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদেরই
▶
ٱلْمُلْكُ
l-mul'ku
রাজত্ব
▶
ٱلْيَوْمَ
l-yawma
আজ
▶
ظَـٰهِرِينَ
ẓāhirīna
তোমরা বিজয়ী
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
দেশের
▶
فَمَن
faman
কিন্তু কে
▶
يَنصُرُنَا
yanṣurunā
আমাদেরকে সাহায্য করবে
▶
مِنۢ
min
হ'তে
▶
بَأْسِ
basi
শাস্তি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِن
in
যদি
▶
جَآءَنَا ۚ
jāanā
আমাদের উপর (তা) আসে"
▶
قَالَ
qāla
বললো
▶
فِرْعَوْنُ
fir'ʿawnu
ফিরআউন
▶
مَآ
mā
"না
▶
أُرِيكُمْ
urīkum
তোমাদেরকে মতামত দিচ্ছি
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَرَىٰ
arā
আমি ভালো মনে করি
▶
وَمَآ
wamā
আর না
▶
أَهْدِيكُمْ
ahdīkum
তোমাদেরকে আমি পরিচালনা করছি
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
سَبِيلَ
sabīla
পথে
▶
ٱلرَّشَادِ
l-rashādi
সঠিক"
আয়াত 30 - সূরা غافر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ ٱلَّذِىٓ ءَامَنَ يَـٰقَوْمِ إِنِّىٓ أَخَافُ عَلَيْكُم مِّثْلَ يَوْمِ ٱلْأَحْزَابِ
সে মুমিন ব্যক্তি বললঃ হে আমার কওম, আমি তোমাদের জন্যে পূর্ববর্তী সম্প্রদায়সমূহের মতই বিপদসঙ্কুল দিনের আশংকা করি।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বললো
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
যে
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান এনেছিলো
▶
يَـٰقَوْمِ
yāqawmi
"হে আমার জাতি
▶
إِنِّىٓ
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
أَخَافُ
akhāfu
আমি ভয় করছি
▶
عَلَيْكُم
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
مِّثْلَ
mith'la
মতো
▶
يَوْمِ
yawmi
(শাস্তির) দিনের
▶
ٱلْأَحْزَابِ
l-aḥzābi
(অতীতের দল বা) জাতিসমূহের
আয়াত 31 - সূরা غافر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مِثْلَ دَأْبِ قَوْمِ نُوحٍۢ وَعَادٍۢ وَثَمُودَ وَٱلَّذِينَ مِنۢ بَعْدِهِمْ ۚ وَمَا ٱللَّهُ يُرِيدُ ظُلْمًۭا لِّلْعِبَادِ
যেমন, কওমে নূহ, আদ, সামুদ ও তাদের পরবর্তীদের অবস্থা হয়েছিল। আল্লাহ বান্দাদের প্রতি কোন যুলুম করার ইচ্ছা করেন না।
▶
مِثْلَ
mith'la
মতো
▶
دَأْبِ
dabi
কর্মপন্থা
▶
قَوْمِ
qawmi
জাতির
▶
نُوحٍۢ
nūḥin
নূহের
▶
وَعَادٍۢ
waʿādin
ও আ'দের
▶
وَثَمُودَ
wathamūda
ও সামূদের
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা (ছিলো)
▶
مِنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِهِمْ ۚ
baʿdihim
পরে তাদের
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يُرِيدُ
yurīdu
চান
▶
ظُلْمًۭا
ẓul'man
অত্যাচার
▶
لِّلْعِبَادِ
lil'ʿibādi
দাসদের জন্যে
আয়াত 32 - সূরা غافر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَـٰقَوْمِ إِنِّىٓ أَخَافُ عَلَيْكُمْ يَوْمَ ٱلتَّنَادِ
হে আমার কওম, আমি তোমাদের জন্যে প্রচন্ড হাঁক-ডাকের দিনের আশংকা করি।
▶
وَيَـٰقَوْمِ
wayāqawmi
এবং হে আমার জাতি
▶
إِنِّىٓ
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
أَخَافُ
akhāfu
আমি ভয় করছি
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
يَوْمَ
yawma
দিনের
▶
ٱلتَّنَادِ
l-tanādi
আর্তনাদের
আয়াত 33 - সূরা غافر: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ تُوَلُّونَ مُدْبِرِينَ مَا لَكُم مِّنَ ٱللَّهِ مِنْ عَاصِمٍۢ ۗ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِنْ هَادٍۢ
যেদিন তোমরা পেছনে ফিরে পলায়ন করবে; কিন্তু আল্লাহ থেকে তোমাদেরকে রক্ষাকারী কেউ থাকবে না। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।
▶
يَوْمَ
yawma
যেদিন
▶
تُوَلُّونَ
tuwallūna
তোমরা পালাবে
▶
مُدْبِرِينَ
mud'birīna
পিছনে
▶
مَا
mā
না (থাকবে)
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّنَ
mina
হ'তে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
عَاصِمٍۢ ۗ
ʿāṣimin
রক্ষাকারী
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يُضْلِلِ
yuḍ'lili
পথভ্রষ্ট করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَمَا
famā
তখন নাই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
هَادٍۢ
hādin
পথ প্রদর্শক
আয়াত 34 - সূরা غافر: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ جَآءَكُمْ يُوسُفُ مِن قَبْلُ بِٱلْبَيِّنَـٰتِ فَمَا زِلْتُمْ فِى شَكٍّۢ مِّمَّا جَآءَكُم بِهِۦ ۖ حَتَّىٰٓ إِذَا هَلَكَ قُلْتُمْ لَن يَبْعَثَ ٱللَّهُ مِنۢ بَعْدِهِۦ رَسُولًۭا ۚ كَذَٰلِكَ يُضِلُّ ٱللَّهُ مَنْ هُوَ مُسْرِفٌۭ مُّرْتَابٌ
ইতিপূর্বে তোমাদের কাছে ইউসুফ সুস্পষ্ট প্রামাণাদিসহ আগমন করেছিল, অতঃপর তোমরা তার আনীত বিষয়ে সন্দেহই পোষণ করতে। অবশেষে যখন সে মারা গেল, তখন তোমরা বলতে শুরু করলে, আল্লাহ ইউসুফের পরে আর কাউকে রসূলরূপে পাঠাবেন না। এমনিভাবে আল্লাহ সীমালংঘনকারী, সংশয়ী ব্যক্তিকে পথভ্রষ্ট করেন।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
جَآءَكُمْ
jāakum
কাছে এসেছিলো তোমাদের
▶
يُوسُفُ
yūsufu
ইউসুফ
▶
مِن
min
পূর্বে
▶
قَبْلُ
qablu
ইতি
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ
bil-bayināti
সুস্পষ্ট প্রমাণসহ
▶
فَمَا
famā
কিন্তু
▶
زِلْتُمْ
zil'tum
তোমরা ছিলে সর্বদা
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
شَكٍّۢ
shakkin
সন্দেহের
▶
مِّمَّا
mimmā
ঐ বিষয়ে যা
▶
جَآءَكُم
jāakum
তোমাদের কাছে এনেছিলো
▶
بِهِۦ ۖ
bihi
সে সম্পর্কে
▶
حَتَّىٰٓ
ḥattā
অবশেষে
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
هَلَكَ
halaka
সে মারা গেলো
▶
قُلْتُمْ
qul'tum
তোমরা বলেছিলে
▶
لَن
lan
"কখনও না
▶
يَبْعَثَ
yabʿatha
পাঠাবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِنۢ
min
পরে
▶
بَعْدِهِۦ
baʿdihi
তার
▶
رَسُولًۭا ۚ
rasūlan
কোনো রাসূল"
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُضِلُّ
yuḍillu
বিভ্রান্ত করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَنْ
man
তাকে
▶
هُوَ
huwa
যে
▶
مُسْرِفٌۭ
mus'rifun
সীমালংঘন
▶
مُّرْتَابٌ
mur'tābun
সংশয়বাদী"
আয়াত 35 - সূরা غافر: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يُجَـٰدِلُونَ فِىٓ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ بِغَيْرِ سُلْطَـٰنٍ أَتَىٰهُمْ ۖ كَبُرَ مَقْتًا عِندَ ٱللَّهِ وَعِندَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ۚ كَذَٰلِكَ يَطْبَعُ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ قَلْبِ مُتَكَبِّرٍۢ جَبَّارٍۢ
যারা নিজেদের কাছে আগত কোন দলীল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের একজন আল্লাহ ও মুমিনদের কাছে খুবই অসন্তোষজনক। এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহংকারী-স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُجَـٰدِلُونَ
yujādilūna
তর্কে লিপ্ত হয়
▶
فِىٓ
fī
ক্ষেত্রে
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
নিদর্শনাবলীর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ব্যতীত
▶
سُلْطَـٰنٍ
sul'ṭānin
কোনো প্রমাণ (যা)
▶
أَتَىٰهُمْ ۖ
atāhum
তাদের কাছে এসেছে
▶
كَبُرَ
kabura
অতিশয় হয়েছে
▶
مَقْتًا
maqtan
ঘৃণা
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَعِندَ
waʿinda
ও কাছে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
ءَامَنُوا۟ ۚ
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يَطْبَعُ
yaṭbaʿu
সীল মেরে দেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক
▶
قَلْبِ
qalbi
অন্তরের (উপর)
▶
مُتَكَبِّرٍۢ
mutakabbirin
(যা) অহংকারী
▶
جَبَّارٍۢ
jabbārin
স্বৈরাচারী"
আয়াত 36 - সূরা غافر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ فِرْعَوْنُ يَـٰهَـٰمَـٰنُ ٱبْنِ لِى صَرْحًۭا لَّعَلِّىٓ أَبْلُغُ ٱلْأَسْبَـٰبَ
ফেরাউন বলল, হে হামান, তুমি আমার জন্যে একটি সুউচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ কর, হয়তো আমি পৌঁছে যেতে পারব।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বললো
▶
فِرْعَوْنُ
fir'ʿawnu
ফিরআউন
▶
يَـٰهَـٰمَـٰنُ
yāhāmānu
"হে হামান
▶
ٱبْنِ
ib'ni
নির্মাণ করো
▶
لِى
lī
আমার জন্যে
▶
صَرْحًۭا
ṣarḥan
সুউচ্চ প্রাসাদ
▶
لَّعَلِّىٓ
laʿallī
যাতে
▶
أَبْلُغُ
ablughu
আমি পৌঁছি
▶
ٱلْأَسْبَـٰبَ
l-asbāba
পথসমূহে
আয়াত 37 - সূরা غافر: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَسْبَـٰبَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ فَأَطَّلِعَ إِلَىٰٓ إِلَـٰهِ مُوسَىٰ وَإِنِّى لَأَظُنُّهُۥ كَـٰذِبًۭا ۚ وَكَذَٰلِكَ زُيِّنَ لِفِرْعَوْنَ سُوٓءُ عَمَلِهِۦ وَصُدَّ عَنِ ٱلسَّبِيلِ ۚ وَمَا كَيْدُ فِرْعَوْنَ إِلَّا فِى تَبَابٍۢ
আকাশের পথে, অতঃপর উঁকি মেরে দেখব মূসার আল্লাহকে। বস্তুতঃ আমি তো তাকে মিথ্যাবাদীই মনে করি। এভাবেই ফেরাউনের কাছে সুশোভিত করা হয়েছিল তার মন্দ কর্মকে এবং সোজা পথ থেকে তাকে বিরত রাখা হয়েছিল। ফেরাউনের চক্রান্ত ব্যর্থ হওয়ারই ছিল।
▶
أَسْبَـٰبَ
asbāba
পথসমূহ
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
فَأَطَّلِعَ
fa-aṭṭaliʿa
আমি অতঃপর উঁকি মেরে দেখি
▶
إِلَىٰٓ
ilā
কাছে
▶
إِلَـٰهِ
ilāhi
ইলাহর
▶
مُوسَىٰ
mūsā
মূসার
▶
وَإِنِّى
wa-innī
এবং নিশ্চয়ই আমি
▶
لَأَظُنُّهُۥ
la-aẓunnuhu
আমি অবশ্যই তাকে মনে করি
▶
كَـٰذِبًۭا ۚ
kādhiban
মিথ্যাবাদী"
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
এবং এভাবে
▶
زُيِّنَ
zuyyina
শোভন করা হয়েছিলো
▶
لِفِرْعَوْنَ
lifir'ʿawna
ফিরআউনের জন্যে
▶
سُوٓءُ
sūu
খারাপ
▶
عَمَلِهِۦ
ʿamalihi
তার কাজ কর্ম
▶
وَصُدَّ
waṣudda
ও বিরত রাখা হয়েছিলো তাকে
▶
عَنِ
ʿani
হ'তে
▶
ٱلسَّبِيلِ ۚ
l-sabīli
(সঠিক) পথ
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَيْدُ
kaydu
ষড়যন্ত্র (কাজে লাগলো)
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
تَبَابٍۢ
tabābin
ধংসের (পতিত হলো)
আয়াত 38 - সূরা غافر: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ ٱلَّذِىٓ ءَامَنَ يَـٰقَوْمِ ٱتَّبِعُونِ أَهْدِكُمْ سَبِيلَ ٱلرَّشَادِ
মুমিন লোকটি বললঃ হে আমার কওম, তোমরা আমার অনুসরণ কর। আমি তোমাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করব।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বললো
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
যে
▶
ءَامَنَ
āmana
ঈমান এনেছিলো
▶
يَـٰقَوْمِ
yāqawmi
"হে আমার জাতি
▶
ٱتَّبِعُونِ
ittabiʿūni
আমাকে তোমরা অনুসরণ করো
▶
أَهْدِكُمْ
ahdikum
তোমাদেরকে আমি পরিচালিত করবো
▶
سَبِيلَ
sabīla
পথে
▶
ٱلرَّشَادِ
l-rashādi
সঠিক
আয়াত 39 - সূরা غافر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَـٰقَوْمِ إِنَّمَا هَـٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَا مَتَـٰعٌۭ وَإِنَّ ٱلْـَٔاخِرَةَ هِىَ دَارُ ٱلْقَرَارِ
হে আমার কওম, পার্থিব এ জীবন তো কেবল উপভোগের বস্তু, আর পরকাল হচ্ছে স্থায়ী বসবাসের গৃহ।
▶
يَـٰقَوْمِ
yāqawmi
হে আমার জাতি
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলতঃ
▶
هَـٰذِهِ
hādhihi
এই
▶
ٱلْحَيَوٰةُ
l-ḥayatu
জীবন
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পার্থিব
▶
مَتَـٰعٌۭ
matāʿun
উপভোগের বস্তু (অস্থায়ী)
▶
وَإِنَّ
wa-inna
আর নিশ্চয়ই
▶
ٱلْـَٔاخِرَةَ
l-ākhirata
পরকাল
▶
هِىَ
hiya
তা
▶
دَارُ
dāru
ঘর (স্থায়ী)
▶
ٱلْقَرَارِ
l-qarāri
অবস্থানের
আয়াত 40 - সূরা غافر: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَنْ عَمِلَ سَيِّئَةًۭ فَلَا يُجْزَىٰٓ إِلَّا مِثْلَهَا ۖ وَمَنْ عَمِلَ صَـٰلِحًۭا مِّن ذَكَرٍ أَوْ أُنثَىٰ وَهُوَ مُؤْمِنٌۭ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ يَدْخُلُونَ ٱلْجَنَّةَ يُرْزَقُونَ فِيهَا بِغَيْرِ حِسَابٍۢ
যে মন্দ কর্ম করে, সে কেবল তার অনুরূপ প্রতিফল পাবে, আর যে, পুরুষ অথবা নারী মুমিন অবস্থায় সৎকর্ম করে তারাই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তথায় তাদেরকে বে-হিসাব রিযিক দেয়া হবে।
▶
مَنْ
man
যে
▶
عَمِلَ
ʿamila
কাজ করবে
▶
سَيِّئَةًۭ
sayyi-atan
মন্দ
▶
فَلَا
falā
অতঃপর না
▶
يُجْزَىٰٓ
yuj'zā
প্রতিফল দেওয়া হবে
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
مِثْلَهَا ۖ
mith'lahā
তার সমান
▶
وَمَنْ
waman
আর যে
▶
عَمِلَ
ʿamila
কাজ করবে
▶
صَـٰلِحًۭا
ṣāliḥan
সৎ
▶
مِّن
min
মধ্যে
▶
ذَكَرٍ
dhakarin
পুরুষের
▶
أَوْ
aw
বা
▶
أُنثَىٰ
unthā
নারীর
▶
وَهُوَ
wahuwa
এমতাবস্হায় সে
▶
مُؤْمِنٌۭ
mu'minun
মু'মিনও
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
অতঃপর ঐ সব লোক
▶
يَدْخُلُونَ
yadkhulūna
প্রবেশ করবে
▶
ٱلْجَنَّةَ
l-janata
জান্নাতে
▶
يُرْزَقُونَ
yur'zaqūna
তাদের জীবনোপকরণ দেয়া হবে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ছাড়াই
▶
حِسَابٍۢ
ḥisābin
কোন হিসাব
আয়াত 41 - সূরা غافر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَيَـٰقَوْمِ مَا لِىٓ أَدْعُوكُمْ إِلَى ٱلنَّجَوٰةِ وَتَدْعُونَنِىٓ إِلَى ٱلنَّارِ
হে আমার কওম, ব্যাপার কি, আমি তোমাদেরকে দাওয়াত দেই মুক্তির দিকে, আর তোমরা আমাকে দাওয়াত দাও জাহান্নামের দিকে।
▶
۞ وَيَـٰقَوْمِ
wayāqawmi
এবং (সে বললো) হে আমার জাতি
▶
مَا
mā
(এটা)
▶
لِىٓ
lī
আমার সাথে কেমন আচরণ
▶
أَدْعُوكُمْ
adʿūkum
আমি তোমাদের ডাকছি
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلنَّجَوٰةِ
l-najati
পরিত্রাণের
▶
وَتَدْعُونَنِىٓ
watadʿūnanī
অথচ আমাকে তোমরা ডাকছো
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
জাহান্নামের
আয়াত 42 - সূরা غافر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تَدْعُونَنِى لِأَكْفُرَ بِٱللَّهِ وَأُشْرِكَ بِهِۦ مَا لَيْسَ لِى بِهِۦ عِلْمٌۭ وَأَنَا۠ أَدْعُوكُمْ إِلَى ٱلْعَزِيزِ ٱلْغَفَّـٰرِ
তোমরা আমাকে দাওয়াত দাও, যাতে আমি আল্লাহকে অস্বীকার করি এবং তাঁর সাথে শরীক করি এমন বস্তুকে, যার কোন প্রমাণ আমার কাছে নেই। আমি তোমাদেরকে দাওয়াত দেই পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল আল্লাহর দিকে।
▶
تَدْعُونَنِى
tadʿūnanī
আমাকে তোমরা ডাকছো
▶
لِأَكْفُرَ
li-akfura
যেন আমি অস্বীকার করি
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
প্রতি আল্লাহর
▶
وَأُشْرِكَ
wa-ush'rika
ও শরিক করি (যেন) আমি
▶
بِهِۦ
bihi
তাঁর সাথে
▶
مَا
mā
যা
▶
لَيْسَ
laysa
নেই
▶
لِى
lī
আমার কাছে
▶
بِهِۦ
bihi
সে সম্পর্কে
▶
عِلْمٌۭ
ʿil'mun
কোনো জ্ঞান
▶
وَأَنَا۠
wa-anā
এবং আমি
▶
أَدْعُوكُمْ
adʿūkum
ডাকছি তোমাদেরকে
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلْعَزِيزِ
l-ʿazīzi
পরাক্রমশালীর
▶
ٱلْغَفَّـٰرِ
l-ghafāri
(যিনি) পরম ক্ষমাশীলও
আয়াত 43 - সূরা غافر: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَا جَرَمَ أَنَّمَا تَدْعُونَنِىٓ إِلَيْهِ لَيْسَ لَهُۥ دَعْوَةٌۭ فِى ٱلدُّنْيَا وَلَا فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ وَأَنَّ مَرَدَّنَآ إِلَى ٱللَّهِ وَأَنَّ ٱلْمُسْرِفِينَ هُمْ أَصْحَـٰبُ ٱلنَّارِ
এতে সন্দেহ নেই যে, তোমরা আমাকে যার দিকে দাওয়াত দাও, হইকালে ও পরকালে তার কোন দাওয়াত নেই! আমাদের প্রত্যাবর্তন আল্লাহর দিকে এবং সীমা লংঘকারীরাই জাহান্নামী।
▶
لَا
lā
নেই
▶
جَرَمَ
jarama
কোনো সন্দেহ
▶
أَنَّمَا
annamā
মূলতঃ
▶
تَدْعُونَنِىٓ
tadʿūnanī
আমাকে তোমরা ডাকছো
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
যার দিকে
▶
لَيْسَ
laysa
নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
دَعْوَةٌۭ
daʿwatun
কোনো আহবান
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
পরকালের
▶
وَأَنَّ
wa-anna
এবং (এও) যে
▶
مَرَدَّنَآ
maraddanā
আমাদের প্রত্যাবর্তন হবে
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَأَنَّ
wa-anna
এবং (এও সত্য) যে
▶
ٱلْمُسْرِفِينَ
l-mus'rifīna
সীমালংঘনকারী
▶
هُمْ
hum
তারাই
▶
أَصْحَـٰبُ
aṣḥābu
অধিবাসী
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
জাহান্নামের
আয়াত 44 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَسَتَذْكُرُونَ مَآ أَقُولُ لَكُمْ ۚ وَأُفَوِّضُ أَمْرِىٓ إِلَى ٱللَّهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ بَصِيرٌۢ بِٱلْعِبَادِ
আমি তোমাদেরকে যা বলছি, তোমরা একদিন তা স্মরণ করবে। আমি আমার ব্যাপার আল্লাহর কাছে সমর্পণ করছি। নিশ্চয় বান্দারা আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে।
▶
فَسَتَذْكُرُونَ
fasatadhkurūna
তোমরা অতঃপর শীঘ্রই স্মরণ করবে
▶
مَآ
mā
যা
▶
أَقُولُ
aqūlu
আমি বলছি
▶
لَكُمْ ۚ
lakum
তোমাদেরকে
▶
وَأُفَوِّضُ
wa-ufawwiḍu
এবং সমর্পণ করছি আমি
▶
أَمْرِىٓ
amrī
আমার ব্যাপারে
▶
إِلَى
ilā
কাছে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
بَصِيرٌۢ
baṣīrun
সবিশেষ দৃষ্টি রাখেন
▶
بِٱلْعِبَادِ
bil-ʿibādi
প্রতি দাসদের"
আয়াত 45 - সূরা غافر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَوَقَىٰهُ ٱللَّهُ سَيِّـَٔاتِ مَا مَكَرُوا۟ ۖ وَحَاقَ بِـَٔالِ فِرْعَوْنَ سُوٓءُ ٱلْعَذَابِ
অতঃপর আল্লাহ তাকে তাদের চক্রান্তের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করলেন এবং ফেরাউন গোত্রকে শোচনীয় আযাব গ্রাস করল।
▶
فَوَقَىٰهُ
fawaqāhu
অতঃপর তাকে বাঁচালেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
سَيِّـَٔاتِ
sayyiāti
অনিষ্টসমূহ হ'তে
▶
مَا
mā
যা
▶
مَكَرُوا۟ ۖ
makarū
তারা চক্রান্ত করেছিলো
▶
وَحَاقَ
waḥāqa
এবং ঘিরে ফেললো
▶
بِـَٔالِ
biāli
সম্প্রদায়কে
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
سُوٓءُ
sūu
কঠিন
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তিতে
আয়াত 46 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلنَّارُ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا غُدُوًّۭا وَعَشِيًّۭا ۖ وَيَوْمَ تَقُومُ ٱلسَّاعَةُ أَدْخِلُوٓا۟ ءَالَ فِرْعَوْنَ أَشَدَّ ٱلْعَذَابِ
সকালে ও সন্ধ্যায় তাদেরকে আগুনের সামনে পেশ করা হয় এবং যেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন আদেশ করা হবে, ফেরাউন গোত্রকে কঠিনতর আযাবে দাখিল কর।
▶
ٱلنَّارُ
al-nāru
(দোজখের) আগুন
▶
يُعْرَضُونَ
yuʿ'raḍūna
তাদের পেশ করা হয়
▶
عَلَيْهَا
ʿalayhā
তার উপর
▶
غُدُوًّۭا
ghuduwwan
সকালে
▶
وَعَشِيًّۭا ۖ
waʿashiyyan
ও সন্ধ্যায়
▶
وَيَوْمَ
wayawma
এবং যে দিন
▶
تَقُومُ
taqūmu
ঘটবে
▶
ٱلسَّاعَةُ
l-sāʿatu
ক্বিয়ামাত
▶
أَدْخِلُوٓا۟
adkhilū
"(তখন বলা হবে) প্রবেশ করাও
▶
ءَالَ
āla
সম্প্রদায়কে
▶
فِرْعَوْنَ
fir'ʿawna
ফিরআউনের
▶
أَشَدَّ
ashadda
কঠিন
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তিতে"
আয়াত 47 - সূরা غافر: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذْ يَتَحَآجُّونَ فِى ٱلنَّارِ فَيَقُولُ ٱلضُّعَفَـٰٓؤُا۟ لِلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوٓا۟ إِنَّا كُنَّا لَكُمْ تَبَعًۭا فَهَلْ أَنتُم مُّغْنُونَ عَنَّا نَصِيبًۭا مِّنَ ٱلنَّارِ
যখন তারা জাহান্নামে পরস্পর বিতর্ক করবে, অতঃপর দূর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, আমরা তোমাদের অনুসারী ছিলাম। তোমরা এখন জাহান্নামের আগুনের কিছু অংশ আমাদের থেকে নিবৃত করবে কি?
▶
وَإِذْ
wa-idh
এবং (ভেবে দেখো) যখন
▶
يَتَحَآجُّونَ
yataḥājjūna
তারা তর্কাতর্কি করবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
▶
فَيَقُولُ
fayaqūlu
তখন বলবে
▶
ٱلضُّعَفَـٰٓؤُا۟
l-ḍuʿafāu
দুর্বলেরা
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের)-কে যারা
▶
ٱسْتَكْبَرُوٓا۟
is'takbarū
অহংকার করে (বড় বনে) ছিলো
▶
إِنَّا
innā
"নিশ্চয়ই আমরা
▶
كُنَّا
kunnā
ছিলাম
▶
لَكُمْ
lakum
তোমাদের
▶
تَبَعًۭا
tabaʿan
অনুসারী
▶
فَهَلْ
fahal
কি এখন
▶
أَنتُم
antum
তোমরা
▶
مُّغْنُونَ
mugh'nūna
কাজে আসবে
▶
عَنَّا
ʿannā
আমাদের জন্যে
▶
نَصِيبًۭا
naṣīban
কিছু অংশ (কমাতে)
▶
مِّنَ
mina
হ'তে
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
(দোযখের) আগুনের"
আয়াত 48 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالَ ٱلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوٓا۟ إِنَّا كُلٌّۭ فِيهَآ إِنَّ ٱللَّهَ قَدْ حَكَمَ بَيْنَ ٱلْعِبَادِ
অহংকারীরা বলবে, আমরা সবাই তো জাহান্নামে আছি। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ফয়সালা করে দিয়েছেন।
▶
قَالَ
qāla
বলবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱسْتَكْبَرُوٓا۟
is'takbarū
অহংকার করে (বড় বনে) ছিলো
▶
إِنَّا
innā
"নিশ্চয়ই আমরা
▶
كُلٌّۭ
kullun
সবাই
▶
فِيهَآ
fīhā
তার মধ্যে (একই অবস্থায়)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়
▶
حَكَمَ
ḥakama
মীমাংসা করে দিয়েছেন
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
ٱلْعِبَادِ
l-ʿibādi
দাসদের"
আয়াত 49 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ ٱلَّذِينَ فِى ٱلنَّارِ لِخَزَنَةِ جَهَنَّمَ ٱدْعُوا۟ رَبَّكُمْ يُخَفِّفْ عَنَّا يَوْمًۭا مِّنَ ٱلْعَذَابِ
যারা জাহান্নামে আছে, তারা জাহান্নামের রক্ষীদেরকে বলবে, তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে বল, তিনি যেন আমাদের থেকে একদিনের আযাব লাঘব করে দেন।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
فِى
fī
মধ্যে (থাকবে)
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
▶
لِخَزَنَةِ
likhazanati
প্রহরীদেরকে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
ٱدْعُوا۟
id'ʿū
"তোমরা প্রার্থনা করো
▶
رَبَّكُمْ
rabbakum
তোমাদের রবের কাছে
▶
يُخَفِّفْ
yukhaffif
কমিয়ে দেন (যেন)
▶
عَنَّا
ʿannā
আমাদের থেকে
▶
يَوْمًۭا
yawman
একদিন
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তির"
আয়াত 50 - সূরা غافر: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَالُوٓا۟ أَوَلَمْ تَكُ تَأْتِيكُمْ رُسُلُكُم بِٱلْبَيِّنَـٰتِ ۖ قَالُوا۟ بَلَىٰ ۚ قَالُوا۟ فَٱدْعُوا۟ ۗ وَمَا دُعَـٰٓؤُا۟ ٱلْكَـٰفِرِينَ إِلَّا فِى ضَلَـٰلٍ
রক্ষীরা বলবে, তোমাদের কাছে কি সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ তোমাদের রসূল আসেননি? তারা বলবে হঁ্যা। রক্ষীরা বলবে, তবে তোমরাই দোয়া কর। বস্তুতঃ কাফেরদের দোয়া নিস্ফলই হয়।
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বলবে
▶
أَوَلَمْ
awalam
"নি কি
▶
تَكُ
taku
"
▶
تَأْتِيكُمْ
tatīkum
তোমাদের কাছে আসে
▶
رُسُلُكُم
rusulukum
তোমাদের রাসূলগণ
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ ۖ
bil-bayināti
সুস্পষ্ট প্রমাণসহ"
▶
قَالُوا۟
qālū
(দোযখীরা) বলবে
▶
بَلَىٰ ۚ
balā
"হ্যাঁ"
▶
قَالُوا۟
qālū
(প্রহরীরা) বলবে
▶
فَٱدْعُوا۟ ۗ
fa-id'ʿū
"তোমরাই প্রার্থনা করো তাহ'লে
▶
وَمَا
wamā
এবং নয়
▶
دُعَـٰٓؤُا۟
duʿāu
প্রার্থনা
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফেরদের
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ضَلَـٰلٍ
ḍalālin
ব্যর্থতার"
আয়াত 51 - সূরা غافر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّا لَنَنصُرُ رُسُلَنَا وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَيَوْمَ يَقُومُ ٱلْأَشْهَـٰدُ
আমি সাহায্য করব রসূলগণকে ও মুমিনগণকে পার্থিব জীবনে ও সাক্ষীদের দন্ডায়মান হওয়ার দিবসে।
▶
إِنَّا
innā
নিশ্চয়ই আমরা
▶
لَنَنصُرُ
lananṣuru
অবশ্যই সাহায্য করবো
▶
رُسُلَنَا
rusulanā
আমাদের রাসূলগণকে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে (তাদেরকে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পার্থিব
▶
وَيَوْمَ
wayawma
এবং যেদিনে
▶
يَقُومُ
yaqūmu
দাঁড়াবে
▶
ٱلْأَشْهَـٰدُ
l-ashhādu
সাক্ষীরা
আয়াত 52 - সূরা غافر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَوْمَ لَا يَنفَعُ ٱلظَّـٰلِمِينَ مَعْذِرَتُهُمْ ۖ وَلَهُمُ ٱللَّعْنَةُ وَلَهُمْ سُوٓءُ ٱلدَّارِ
সে দিন যালেমদের ওযর-আপত্তি কোন উপকারে আসবে না, তাদের জন্যে থাকবে অভিশাপ এবং তাদের জন্যে থাকবে মন্দ গৃহ।
▶
يَوْمَ
yawma
সেদিন
▶
لَا
lā
না
▶
يَنفَعُ
yanfaʿu
উপকার দিবে
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদের (জন্য)
▶
مَعْذِرَتُهُمْ ۖ
maʿdhiratuhum
অযুহাত তাদের
▶
وَلَهُمُ
walahumu
আর তাদের জন্যে রয়েছে
▶
ٱللَّعْنَةُ
l-laʿnatu
অভিশাপ
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্যে
▶
سُوٓءُ
sūu
নিকৃষ্ট
▶
ٱلدَّارِ
l-dāri
আবাস (হবে জাহান্নাম)
আয়াত 53 - সূরা غافر: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْهُدَىٰ وَأَوْرَثْنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱلْكِتَـٰبَ
নিশ্চয় আমি মূসাকে হেদায়েত দান করেছিলাম এবং বনী ইসরাঈলকে কিতাবের উত্তরাধিকারী করেছিলাম।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
ءَاتَيْنَا
ātaynā
আমরা দিয়েছি
▶
مُوسَى
mūsā
মূসাকে
▶
ٱلْهُدَىٰ
l-hudā
পথের দিশা
▶
وَأَوْرَثْنَا
wa-awrathnā
ও আমরা উত্তরাধিকারী করেছিলাম
▶
بَنِىٓ
banī
সন্তানদেরকে
▶
إِسْرَٰٓءِيلَ
is'rāīla
ইসরাঈলের
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাবের
আয়াত 54 - সূরা غافر: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُدًۭى وَذِكْرَىٰ لِأُو۟لِى ٱلْأَلْبَـٰبِ
বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশ ও হেদায়েত স্বরূপ।
▶
هُدًۭى
hudan
পথ নির্দেশ
▶
وَذِكْرَىٰ
wadhik'rā
ও উপদেশ স্বরূপ
▶
لِأُو۟لِى
li-ulī
সম্পন্নদের জন্যে
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বুদ্ধি-বিবেক
আয়াত 55 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱصْبِرْ إِنَّ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقٌّۭ وَٱسْتَغْفِرْ لِذَنۢبِكَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ بِٱلْعَشِىِّ وَٱلْإِبْكَـٰرِ
অতএব, আপনি সবর করুন নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আপনি আপনার গোনাহের জন্যে ক্ষমা প্রর্থনা করুন এবং সকাল-সন্ধ্যায় আপনার পালনকর্তার প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
▶
فَٱصْبِرْ
fa-iṣ'bir
সুতরাং ধৈর্য্য ধরো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
وَعْدَ
waʿda
প্রতিশ্রুতি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
حَقٌّۭ
ḥaqqun
সত্য
▶
وَٱسْتَغْفِرْ
wa-is'taghfir
এবং ক্ষমা চাও
▶
لِذَنۢبِكَ
lidhanbika
তোমার পাপের জন্যে
▶
وَسَبِّحْ
wasabbiḥ
ও পবিত্রতা ঘোষণা করো
▶
بِحَمْدِ
biḥamdi
প্রশংসাসহ
▶
رَبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
بِٱلْعَشِىِّ
bil-ʿashiyi
সন্ধ্যাসমূহে
▶
وَٱلْإِبْكَـٰرِ
wal-ib'kāri
ও সকালসমূহে
আয়াত 56 - সূরা غافر: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلَّذِينَ يُجَـٰدِلُونَ فِىٓ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ بِغَيْرِ سُلْطَـٰنٍ أَتَىٰهُمْ ۙ إِن فِى صُدُورِهِمْ إِلَّا كِبْرٌۭ مَّا هُم بِبَـٰلِغِيهِ ۚ فَٱسْتَعِذْ بِٱللَّهِ ۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ
নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে তাদের কাছে আগত কোন দলীল ব্যতিরেকে, তাদের অন্তরে আছে কেবল আত্নম্ভরিতা, যা অর্জনে তারা সফল হবে না। অতএব, আপনি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُجَـٰدِلُونَ
yujādilūna
তর্ক করে
▶
فِىٓ
fī
আছে
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
আয়াতসমূহে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ব্যতীত
▶
سُلْطَـٰنٍ
sul'ṭānin
কোনো প্রমাণ
▶
أَتَىٰهُمْ ۙ
atāhum
তাদের কাছে (যা) এসেছে
▶
إِن
in
নেই
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
صُدُورِهِمْ
ṣudūrihim
তাদের অন্তরসমূহের
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
كِبْرٌۭ
kib'run
(বড়ত্বের) অহংকার
▶
مَّا
mā
(যাতে) না
▶
هُم
hum
তারা
▶
بِبَـٰلِغِيهِ ۚ
bibālighīhi
পৌঁছিবে
▶
فَٱسْتَعِذْ
fa-is'taʿidh
সুতরাং আশ্রয় চাও
▶
بِٱللَّهِ ۖ
bil-lahi
আল্লাহর (কাছে)
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلسَّمِيعُ
l-samīʿu
সবকিছু শুনেন
▶
ٱلْبَصِيرُ
l-baṣīru
সবকিছু দেখেন
আয়াত 57 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَخَلْقُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ أَكْبَرُ مِنْ خَلْقِ ٱلنَّاسِ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ
মানুষের সৃষ্টি অপেক্ষা নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের সৃষ্টি কঠিনতর। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ বোঝে না।
▶
لَخَلْقُ
lakhalqu
অবশ্যই সৃষ্টি
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
أَكْبَرُ
akbaru
অনেক কঠিন
▶
مِنْ
min
চেয়েও
▶
خَلْقِ
khalqi
সৃষ্টি
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
أَكْثَرَ
akthara
অধিকাংশ
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষই
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
তারা জানে
আয়াত 58 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا يَسْتَوِى ٱلْأَعْمَىٰ وَٱلْبَصِيرُ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ وَلَا ٱلْمُسِىٓءُ ۚ قَلِيلًۭا مَّا تَتَذَكَّرُونَ
অন্ধ ও চক্ষুষ্মান সমান নয়, আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং কুকর্মী। তোমরা অল্পই অনুধাবন করে থাক।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
يَسْتَوِى
yastawī
সমান হয়
▶
ٱلْأَعْمَىٰ
l-aʿmā
অন্ধ
▶
وَٱلْبَصِيرُ
wal-baṣīru
আর চক্ষুষ্মান
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ (তারা)
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
ٱلْمُسِىٓءُ ۚ
l-musīu
দুষ্কৃতিকারীরা (সমান হয়)
▶
قَلِيلًۭا
qalīlan
(খুব) কমই
▶
مَّا
mā
যা
▶
تَتَذَكَّرُونَ
tatadhakkarūna
তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো
আয়াত 59 - সূরা غافر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّ ٱلسَّاعَةَ لَـَٔاتِيَةٌۭ لَّا رَيْبَ فِيهَا وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يُؤْمِنُونَ
কেয়ামত অবশ্যই আসবে, এতে সন্দেহ নেই; কিন্ত অধিকাংশ লোক বিশ্বাস স্থাপন করে না।
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلسَّاعَةَ
l-sāʿata
ক্বিয়ামাত
▶
لَـَٔاتِيَةٌۭ
laātiyatun
আসবে অবশ্যই
▶
لَّا
lā
নেই
▶
رَيْبَ
rayba
কোনো সন্দেহ
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
أَكْثَرَ
akthara
অধিকাংশ
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষই
▶
لَا
lā
না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
ঈমান আনে
আয়াত 60 - সূরা غافر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالَ رَبُّكُمُ ٱدْعُونِىٓ أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِى سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ
তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে।
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলেন
▶
رَبُّكُمُ
rabbukumu
তোমাদের রব
▶
ٱدْعُونِىٓ
id'ʿūnī
"তোমরা ডাকো আমাকে
▶
أَسْتَجِبْ
astajib
সাড়া দিবো আমি
▶
لَكُمْ ۚ
lakum
তোমাদেরকে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَسْتَكْبِرُونَ
yastakbirūna
অহংকার করে (বিমুখ থাকে)
▶
عَنْ
ʿan
হ'তে
▶
عِبَادَتِى
ʿibādatī
আমার ইবাদাত
▶
سَيَدْخُلُونَ
sayadkhulūna
অবশ্যই তারা প্রবেশ করবে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামে
▶
دَاخِرِينَ
dākhirīna
অপমানিত হয়ে"
আয়াত 61 - সূরা غافر: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلَّيْلَ لِتَسْكُنُوا۟ فِيهِ وَٱلنَّهَارَ مُبْصِرًا ۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى ٱلنَّاسِ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَشْكُرُونَ
তিনিই আল্লাহ যিনি রাত্র সৃষ্টি করেছেন তোমাদের বিশ্রামের জন্যে এবং দিবসকে করেছেন দেখার জন্যে। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
(তিনিই) আল্লাহ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
جَعَلَ
jaʿala
সৃষ্টি করেছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্যে
▶
ٱلَّيْلَ
al-layla
রাতকে
▶
لِتَسْكُنُوا۟
litaskunū
তোমরা যেন শান্তি পাও
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
وَٱلنَّهَارَ
wal-nahāra
এবং দিনকে
▶
مُبْصِرًا ۚ
mub'ṣiran
উজ্জ্বল (বানিয়েছেন)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَذُو
ladhū
অবশ্যই
▶
فَضْلٍ
faḍlin
অনুগ্রহশীল
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষের
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
أَكْثَرَ
akthara
অধিকাংশ
▶
ٱلنَّاسِ
l-nāsi
মানুষই
▶
لَا
lā
না
▶
يَشْكُرُونَ
yashkurūna
তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে
আয়াত 62 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْ خَـٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍۢ لَّآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ فَأَنَّىٰ تُؤْفَكُونَ
তিনি আল্লাহ, তোমাদের পালনকর্তা, সব কিছুর স্রষ্টা। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ?
▶
ذَٰلِكُمُ
dhālikumu
তিনিই তোমাদের
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহই
▶
رَبُّكُمْ
rabbukum
তোমাদের রব
▶
خَـٰلِقُ
khāliqu
স্রষ্টা
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুর
▶
لَّآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোনো ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ ۖ
huwa
তিনি
▶
فَأَنَّىٰ
fa-annā
তাহ'লে কোথায়
▶
تُؤْفَكُونَ
tu'fakūna
তোমাদের ফিরানো হচ্ছে
আয়াত 63 - সূরা غافر: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَذَٰلِكَ يُؤْفَكُ ٱلَّذِينَ كَانُوا۟ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ يَجْحَدُونَ
এমনিভাবে তাদেরকে বিভ্রান্ত করা হয়, যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে।
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবেই
▶
يُؤْفَكُ
yu'faku
ফিরানো হয়েছে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
كَانُوا۟
kānū
ছিলো
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
নির্দেশনাবলীকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
يَجْحَدُونَ
yajḥadūna
অস্বীকার করতো
আয়াত 64 - সূরা غافر: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ قَرَارًۭا وَٱلسَّمَآءَ بِنَآءًۭ وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ وَرَزَقَكُم مِّنَ ٱلطَّيِّبَـٰتِ ۚ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْ ۖ فَتَبَارَكَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلْعَـٰلَمِينَ
আল্লাহ, পৃথিবীকে করেছেন তোমাদের জন্যে বাসস্থান, আকাশকে করেছেন ছাদ এবং তিনি তোমাদেরকে আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন এবং তিনি তোমাদেরকে দান করেছেন পরিচ্ছন্ন রিযিক। তিনি আল্লাহ, তোমাদের পালনকর্তা। বিশ্বজগতের পালনকর্তা, আল্লাহ বরকতময়।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
(তিনিই) আল্লাহ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
جَعَلَ
jaʿala
বানিয়েছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্যে
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
পৃথিবীকে
▶
قَرَارًۭا
qarāran
বাসস্থান
▶
وَٱلسَّمَآءَ
wal-samāa
ও আকাশকে
▶
بِنَآءًۭ
bināan
এবং (চাঁদোয়ার মত) ছাদ
▶
وَصَوَّرَكُمْ
waṣawwarakum
তোমাদেরকে আকৃতি দিয়েছেন
▶
فَأَحْسَنَ
fa-aḥsana
অতঃপর সুন্দর করেছেন
▶
صُوَرَكُمْ
ṣuwarakum
তোমাদের আকৃতিসমূহ
▶
وَرَزَقَكُم
warazaqakum
এবং তোমাদের জীবিকা দিয়েছেন
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلطَّيِّبَـٰتِ ۚ
l-ṭayibāti
পবিত্র জিনিস সমূহের
▶
ذَٰلِكُمُ
dhālikumu
তিনিই তোমাদের
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহই
▶
رَبُّكُمْ ۖ
rabbukum
তোমাদের রব
▶
فَتَبَارَكَ
fatabāraka
অতএব কত মহান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
رَبُّ
rabbu
রব
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
বিশ্ব জগতের
আয়াত 65 - সূরা غافر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُوَ ٱلْحَىُّ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ فَٱدْعُوهُ مُخْلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ ۗ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ
তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব, তাঁকে ডাক তাঁর খাঁটি এবাদতের মাধ্যমে। সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহর।
▶
هُوَ
huwa
তিনি
▶
ٱلْحَىُّ
l-ḥayu
চিরঞ্জীব
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোনো ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
هُوَ
huwa
তিনি
▶
فَٱدْعُوهُ
fa-id'ʿūhu
সুতরাং তাঁকেই ডাকো
▶
مُخْلِصِينَ
mukh'liṣīna
একনিষ্ঠ হয়ে
▶
لَهُ
lahu
তাঁরই জন্যে
▶
ٱلدِّينَ ۗ
l-dīna
আনুগত্যকে (নির্দিষ্ট করে)
▶
ٱلْحَمْدُ
l-ḥamdu
সব প্রশংসা
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর জন্যে
▶
رَبِّ
rabbi
রব
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
বিশ্বজগতের
আয়াত 66 - সূরা غافر: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ قُلْ إِنِّى نُهِيتُ أَنْ أَعْبُدَ ٱلَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ لَمَّا جَآءَنِىَ ٱلْبَيِّنَـٰتُ مِن رَّبِّى وَأُمِرْتُ أَنْ أُسْلِمَ لِرَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ
বলুন, যখন আমার কাছে আমার পালনকর্তার পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণাদি এসে গেছে, তখন আল্লাহ ব্যতীত তোমরা যার পূজা কর, তার এবাদত করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে। আমাকে আদেশ করা হয়েছে বিশ্ব পালনকর্তার অনুগত থাকতে।
▶
۞ قُلْ
qul
(হে নাবী) বলো
▶
إِنِّى
innī
"নিশ্চয়ই আমাকে
▶
نُهِيتُ
nuhītu
নিষেধ করা হয়েছে
▶
أَنْ
an
যেন (না)
▶
أَعْبُدَ
aʿbuda
ইবাদত করি আমি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যাদের
▶
تَدْعُونَ
tadʿūna
তোমরা ডাকো
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
لَمَّا
lammā
যখন
▶
جَآءَنِىَ
jāaniya
আমার কাছে এসেছে
▶
ٱلْبَيِّنَـٰتُ
l-bayinātu
সুস্পষ্ট নিদর্শন
▶
مِن
min
থেকে
▶
رَّبِّى
rabbī
আমার রবের
▶
وَأُمِرْتُ
wa-umir'tu
এবং আমাকে আদেশ করা হয়েছে
▶
أَنْ
an
যে
▶
أُسْلِمَ
us'lima
আত্মসমর্পণ করি আমি
▶
لِرَبِّ
lirabbi
রবের কাছে
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
বিশ্বজগতের
আয়াত 67 - সূরা غافر: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُوَ ٱلَّذِى خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍۢ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍۢ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍۢ ثُمَّ يُخْرِجُكُمْ طِفْلًۭا ثُمَّ لِتَبْلُغُوٓا۟ أَشُدَّكُمْ ثُمَّ لِتَكُونُوا۟ شُيُوخًۭا ۚ وَمِنكُم مَّن يُتَوَفَّىٰ مِن قَبْلُ ۖ وَلِتَبْلُغُوٓا۟ أَجَلًۭا مُّسَمًّۭى وَلَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
তিনি তো তোমাদের সৃষ্টি করেছেন মাটির দ্বারা, অতঃপর শুক্রবিন্দু দ্বারা, অতঃপর জমাট রক্ত দ্বারা, অতঃপর তোমাদেরকে বের করেন শিশুরূপে, অতঃপর তোমরা যৌবনে পদর্পণ কর, অতঃপর বার্ধক্যে উপনীত হও। তোমাদের কারও কারও এর পূর্বেই মৃত্যু ঘটে এবং তোমরা নির্ধারিত কালে পৌঁছ এবং তোমরা যাতে অনুধাবন কর।
▶
هُوَ
huwa
তিনিই (আল্লাহ)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
خَلَقَكُم
khalaqakum
তোমাদের সৃষ্টি করেছেন
▶
مِّن
min
থেকে
▶
تُرَابٍۢ
turābin
মাটি
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
مِن
min
থেকে
▶
نُّطْفَةٍۢ
nuṭ'fatin
শুক্রবিন্দু
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
عَلَقَةٍۢ
ʿalaqatin
জমাট রক্ত
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يُخْرِجُكُمْ
yukh'rijukum
তোমাদের বের করেন
▶
طِفْلًۭا
ṭif'lan
শিশুরূপে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর (বৃদ্ধি দেন)
▶
لِتَبْلُغُوٓا۟
litablughū
তোমরা যেন উপনীত হও
▶
أَشُدَّكُمْ
ashuddakum
তোমাদের যৌবনে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لِتَكُونُوا۟
litakūnū
তোমরাও যেন হও
▶
شُيُوخًۭا ۚ
shuyūkhan
বৃদ্ধ
▶
وَمِنكُم
waminkum
এবং তোমাদের মধ্য থেকে
▶
مَّن
man
কেউ
▶
يُتَوَفَّىٰ
yutawaffā
মৃত্যুবরণ করে (বৃদ্ধ হওয়ার)
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَبْلُ ۖ
qablu
পূর্বেই
▶
وَلِتَبْلُغُوٓا۟
walitablughū
আর (এসব এজন্যে) যেন উপনীত হও
▶
أَجَلًۭا
ajalan
একটি মেয়াদে
▶
مُّسَمًّۭى
musamman
নির্দিষ্ট
▶
وَلَعَلَّكُمْ
walaʿallakum
এবং যাতে তোমরা
▶
تَعْقِلُونَ
taʿqilūna
অনুধাবন করো
আয়াত 68 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
هُوَ ٱلَّذِى يُحْىِۦ وَيُمِيتُ ۖ فَإِذَا قَضَىٰٓ أَمْرًۭا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ
তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দেন। যখন তিনি কোন কাজের আদেশ করেন, তখন একথাই বলেন, হয়ে যা’-তা হয়ে যায়।
▶
هُوَ
huwa
তিনিই (আল্লাহ)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
يُحْىِۦ
yuḥ'yī
জীবন দেন
▶
وَيُمِيتُ ۖ
wayumītu
ও মৃত্যু ঘটান
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
قَضَىٰٓ
qaḍā
সিদ্ধান্ত নেন
▶
أَمْرًۭا
amran
কোনো ব্যাপারে
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
শুধু তখন
▶
يَقُولُ
yaqūlu
বলেন
▶
لَهُۥ
lahu
তাকে
▶
كُن
kun
"হও"
▶
فَيَكُونُ
fayakūnu
তখনই তা হয়ে যায়
আয়াত 69 - সূরা غافر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ يُجَـٰدِلُونَ فِىٓ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ أَنَّىٰ يُصْرَفُونَ
আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা কোথায় ফিরছে?
▶
أَلَمْ
alam
নি কি
▶
تَرَ
tara
তুমি দেখো
▶
إِلَى
ilā
প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
يُجَـٰدِلُونَ
yujādilūna
বিতর্ক করে
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
নিদর্শনাবলীর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أَنَّىٰ
annā
কোথায়
▶
يُصْرَفُونَ
yuṣ'rafūna
তাদেরকে ফিরানো হচ্ছে (অর্থাৎ বিভ্রান্ত করা হচ্ছে)
আয়াত 70 - সূরা غافر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ كَذَّبُوا۟ بِٱلْكِتَـٰبِ وَبِمَآ أَرْسَلْنَا بِهِۦ رُسُلَنَا ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
যারা কিতাবের প্রতি এবং যে বিষয় দিয়ে আমি পয়গম্বরগণকে প্রেরণ করেছি, সে বিষয়ের প্রতি মিথ্যারোপ করে। অতএব, সত্বরই তারা জানতে পারবে।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
كَذَّبُوا۟
kadhabū
মিথ্যারোপ করে
▶
بِٱلْكِتَـٰبِ
bil-kitābi
(এই) কিতাবের প্রতি
▶
وَبِمَآ
wabimā
এবং ঐ বিষয়ে যা
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা পাঠিয়েছি
▶
بِهِۦ
bihi
যাসহ (অন্যান্য কিতাব)
▶
رُسُلَنَا ۖ
rusulanā
আমাদের রাসূলগণকে
▶
فَسَوْفَ
fasawfa
শীঘ্রই
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
তারা জানতে পারবে
আয়াত 71 - সূরা غافر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِذِ ٱلْأَغْلَـٰلُ فِىٓ أَعْنَـٰقِهِمْ وَٱلسَّلَـٰسِلُ يُسْحَبُونَ
যখন বেড়িও শৃঙ্খল তাদের গলদেশে পড়বে। তাদেরকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে।
▶
إِذِ
idhi
যখন
▶
ٱلْأَغْلَـٰلُ
l-aghlālu
বেড়িসমূহ (পরানো হবে)
▶
فِىٓ
fī
মধ্যে
▶
أَعْنَـٰقِهِمْ
aʿnāqihim
তাদের গলায়
▶
وَٱلسَّلَـٰسِلُ
wal-salāsilu
এবং শিকল (গলায় দেওয়া হবে)
▶
يُسْحَبُونَ
yus'ḥabūna
তাদের টেনে নিয়ে যাওয়া হবে
আয়াত 72 - সূরা غافر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فِى ٱلْحَمِيمِ ثُمَّ فِى ٱلنَّارِ يُسْجَرُونَ
ফুটন্ত পানিতে, অতঃপর তাদেরকে আগুনে জ্বালানো হবে।
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْحَمِيمِ
l-ḥamīmi
ফুটন্ত পানির
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
▶
يُسْجَرُونَ
yus'jarūna
তাদেরকে পোড়ানো হবে
আয়াত 73 - সূরা غافر: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ قِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ تُشْرِكُونَ
অতঃপর তাদেরকে বলা হবে, কোথায় গেল যাদেরকে তোমরা শরীক করতে।
▶
ثُمَّ
thumma
পরে
▶
قِيلَ
qīla
বলা হবে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
أَيْنَ
ayna
"কোথায় (এখন)
▶
مَا
mā
(তারা) যাদের
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تُشْرِكُونَ
tush'rikūna
শরিক করছিলে
আয়াত 74 - সূরা غافر: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مِن دُونِ ٱللَّهِ ۖ قَالُوا۟ ضَلُّوا۟ عَنَّا بَل لَّمْ نَكُن نَّدْعُوا۟ مِن قَبْلُ شَيْـًۭٔا ۚ كَذَٰلِكَ يُضِلُّ ٱللَّهُ ٱلْكَـٰفِرِينَ
আল্লাহ ব্যতীত? তারা বলবে, তারা আমাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে গেছে; বরং আমরা তো ইতিপূর্বে কোন কিছুর পূজাই করতাম না। এমনি ভাবে আল্লাহ কাফেরদেরকে বিভ্রান্ত করেন।
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহ"
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলবে
▶
ضَلُّوا۟
ḍallū
"তারা উধাও হয়েছে
▶
عَنَّا
ʿannā
আমাদের থেকে
▶
بَل
bal
বরং
▶
لَّمْ
lam
না
▶
نَكُن
nakun
আমরা ছিলাম
▶
نَّدْعُوا۟
nadʿū
আমরা ডাকতাম
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَبْلُ
qablu
পূর্বে
▶
شَيْـًۭٔا ۚ
shayan
কোনো কিছুকেই"
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُضِلُّ
yuḍillu
বিভ্রান্ত করবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফেরদেরকে
আয়াত 75 - সূরা غافر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكُم بِمَا كُنتُمْ تَفْرَحُونَ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ وَبِمَا كُنتُمْ تَمْرَحُونَ
এটা একারণে যে, তোমরা দুনিয়াতে অন্যায়ভাবে আনন্দ-উল্লাস করতে এবং এ কারণে যে, তোমরা ঔদ্ধত্য করতে।
▶
ذَٰلِكُم
dhālikum
"তোমাদের এ অবস্থা
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যে
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تَفْرَحُونَ
tafraḥūna
উল্লাস করছিলে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ছাড়া
▶
ٱلْحَقِّ
l-ḥaqi
(অন্যায় ভাবে)
▶
وَبِمَا
wabimā
এবং এ কারণে যে
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تَمْرَحُونَ
tamraḥūna
দেমাক করছিলে
আয়াত 76 - সূরা غافر: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱدْخُلُوٓا۟ أَبْوَٰبَ جَهَنَّمَ خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۖ فَبِئْسَ مَثْوَى ٱلْمُتَكَبِّرِينَ
প্রবেশ কর তোমরা জাহান্নামের দরজা দিয়ে সেখানে চিরকাল বসবাসের জন্যে। কত নিকৃষ্ট দাম্ভিকদের আবাসস্থল।
▶
ٱدْخُلُوٓا۟
ud'khulū
(এখন যাও) তোমরা প্রবেশ করো
▶
أَبْوَٰبَ
abwāba
দরজা দিয়ে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তোমরা স্থায়ী হবে
▶
فِيهَا ۖ
fīhā
তার মধ্যে
▶
فَبِئْسَ
fabi'sa
অতএব কত নিকৃষ্ট
▶
مَثْوَى
mathwā
বাসস্থান
▶
ٱلْمُتَكَبِّرِينَ
l-mutakabirīna
অহংকারীদের (জন্যে)"
আয়াত 77 - সূরা غافر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱصْبِرْ إِنَّ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقٌّۭ ۚ فَإِمَّا نُرِيَنَّكَ بَعْضَ ٱلَّذِى نَعِدُهُمْ أَوْ نَتَوَفَّيَنَّكَ فَإِلَيْنَا يُرْجَعُونَ
অতএব আপনি সবর করুন। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। অতঃপর আমি কাফেরদেরকে যে শাস্তির ওয়াদা দেই, তার কিয়দংশ যদি আপনাকে দেখিয়ে দেই অথবা আপনার প্রাণ হরণ করে নেই, সর্বাবস্থায় তারা তো আমারই কাছে ফিরে আসবে।
▶
فَٱصْبِرْ
fa-iṣ'bir
(হে নাবী) তাই ধৈর্য্য ধরো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
وَعْدَ
waʿda
প্রতিশ্রুতি
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
حَقٌّۭ ۚ
ḥaqqun
সত্য
▶
فَإِمَّا
fa-immā
সুতরাং হয়
▶
نُرِيَنَّكَ
nuriyannaka
তোমাকে দেখাবো আমরা
▶
بَعْضَ
baʿḍa
কিছুটা
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যা
▶
نَعِدُهُمْ
naʿiduhum
প্রতিশ্রুতি দিই আমরা তাদেরকে
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
نَتَوَفَّيَنَّكَ
natawaffayannaka
তোমাকে মৃত্যু ঘটাই আমরা
▶
فَإِلَيْنَا
fa-ilaynā
তবে আমাদের দিকে
▶
يُرْجَعُونَ
yur'jaʿūna
তাদের ফিরিয়ে আনা হবে
আয়াত 78 - সূরা غافر: 32 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلًۭا مِّن قَبْلِكَ مِنْهُم مَّن قَصَصْنَا عَلَيْكَ وَمِنْهُم مَّن لَّمْ نَقْصُصْ عَلَيْكَ ۗ وَمَا كَانَ لِرَسُولٍ أَن يَأْتِىَ بِـَٔايَةٍ إِلَّا بِإِذْنِ ٱللَّهِ ۚ فَإِذَا جَآءَ أَمْرُ ٱللَّهِ قُضِىَ بِٱلْحَقِّ وَخَسِرَ هُنَالِكَ ٱلْمُبْطِلُونَ
আমি আপনার পূর্বে অনেক রসূল প্রেরণ করেছি, তাদের কারও কারও ঘটনা আপনার কাছে বিবৃত করেছি এবং কারও কারও ঘটনা আপনার কাছে বিবৃত করিনি। আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কোন নিদর্শন নিয়ে আসা কোন রসূলের কাজ নয়। যখন আল্লাহর আদেশ আসবে, তখন ন্যায় সঙ্গত ফয়সালা হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে মিথ্যাপন্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
أَرْسَلْنَا
arsalnā
আমরা পাঠিয়েছি
▶
رُسُلًۭا
rusulan
(অনেক) রাসূলকে
▶
مِّن
min
থেকে
▶
قَبْلِكَ
qablika
তোমার পূর্বে
▶
مِنْهُم
min'hum
তাদের মধ্যে
▶
مَّن
man
কারও (অবস্থা)
▶
قَصَصْنَا
qaṣaṣnā
আমরা বর্ণনা করেছি
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার কাছে
▶
وَمِنْهُم
wamin'hum
আবার তাদের মধ্যে
▶
مَّن
man
কারও (অবস্থা)
▶
لَّمْ
lam
নি
▶
نَقْصُصْ
naqṣuṣ
আমরা বর্ণনা করি
▶
عَلَيْكَ ۗ
ʿalayka
তোমার কাছে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
(সম্ভব) ছিলো
▶
لِرَسُولٍ
lirasūlin
কোনো রাসূলের জন্যে
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْتِىَ
yatiya
আসবে
▶
بِـَٔايَةٍ
biāyatin
নিয়ে কোন নিদর্শন
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
بِإِذْنِ
bi-idh'ni
অনুমতি
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
جَآءَ
jāa
আসলো
▶
أَمْرُ
amru
আদেশ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
قُضِىَ
quḍiya
মীমাংসা করে দেওয়া হলো
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
ন্যায়ভাবে
▶
وَخَسِرَ
wakhasira
এবং ক্ষতিগ্রস্ত হলো
▶
هُنَالِكَ
hunālika
সেখানে
▶
ٱلْمُبْطِلُونَ
l-mub'ṭilūna
মিথ্যাশ্রয়ীরা (দুষ্কৃতিকারীরা)
আয়াত 79 - সূরা غافر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَنْعَـٰمَ لِتَرْكَبُوا۟ مِنْهَا وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ
আল্লাহ তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছেন, যাতে কোন কোনটিই বাহন হিসাবে ব্যবহার কর এবং কোন কোনটিকে ভক্ষণ কর।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
(তিনিই) আল্লাহ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
جَعَلَ
jaʿala
সৃষ্টি করেছেন
▶
لَكُمُ
lakumu
তোমাদের জন্যে
▶
ٱلْأَنْعَـٰمَ
l-anʿāma
গবাদি পশুগুলো
▶
لِتَرْكَبُوا۟
litarkabū
তোমরা আরোহণ করতে পারো যেন
▶
مِنْهَا
min'hā
তার মধ্যে হ'তে (কোনটির উপর)
▶
وَمِنْهَا
wamin'hā
এবং তার মধ্যে হ'তে
▶
تَأْكُلُونَ
takulūna
তোমরা খাও (কোনটির গোশত)
আয়াত 80 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَكُمْ فِيهَا مَنَـٰفِعُ وَلِتَبْلُغُوا۟ عَلَيْهَا حَاجَةًۭ فِى صُدُورِكُمْ وَعَلَيْهَا وَعَلَى ٱلْفُلْكِ تُحْمَلُونَ
তাতে তোমাদের জন্যে অনেক উপকারিতা রয়েছে আর এজন্যে সৃষ্টি করেছেন; যাতে সেগুলোতে আরোহণ করে তোমরা তোমাদের অভীষ্ট প্রয়োজন পূর্ণ করতে পার। এগুলোর উপর এবং নৌকার উপর তোমরা বাহিত হও।
▶
وَلَكُمْ
walakum
এবং তোমাদের জন্যে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে (রয়েছে)
▶
مَنَـٰفِعُ
manāfiʿu
(অনেক) উপকার
▶
وَلِتَبْلُغُوا۟
walitablughū
এবং তোমরা মেটাতে পারো যেন
▶
عَلَيْهَا
ʿalayhā
তার সাহায্যে
▶
حَاجَةًۭ
ḥājatan
প্রয়োজন (বোধ করলে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
صُدُورِكُمْ
ṣudūrikum
তোমাদের মনের
▶
وَعَلَيْهَا
waʿalayhā
এবং তার উপর
▶
وَعَلَى
waʿalā
এবং উপর
▶
ٱلْفُلْكِ
l-ful'ki
নৌযানের
▶
تُحْمَلُونَ
tuḥ'malūna
তোমাদের বহন করা হয়
আয়াত 81 - সূরা غافر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيُرِيكُمْ ءَايَـٰتِهِۦ فَأَىَّ ءَايَـٰتِ ٱللَّهِ تُنكِرُونَ
তিনি তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনাবলী দেখান। অতএব, তোমরা আল্লাহর কোন কোন নিদর্শনকে অস্বীকার করবে?
▶
وَيُرِيكُمْ
wayurīkum
এবং তোমাদের দেখান তিনি
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
তাঁর নিদর্শনাবলী
▶
فَأَىَّ
fa-ayya
সুতরাং কোন
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
নিদর্শনাবলী
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
تُنكِرُونَ
tunkirūna
তোমরা অস্বীকার করবে
আয়াত 82 - সূরা غافر: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَلَمْ يَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَـٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۚ كَانُوٓا۟ أَكْثَرَ مِنْهُمْ وَأَشَدَّ قُوَّةًۭ وَءَاثَارًۭا فِى ٱلْأَرْضِ فَمَآ أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ
তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি? করলে দেখত, তাদের পূর্ববর্তীদের কি পরিণাম হয়েছে। তারা তাদের চেয়ে সংখ্যায় বেশী এবং শক্তি ও কীর্তিতে অধিক প্রবল ছিল, অতঃপর তাদের কর্ম তাদেরকে কোন উপকার দেয়নি।
▶
أَفَلَمْ
afalam
নি তবে কি
▶
يَسِيرُوا۟
yasīrū
তারা ভ্রমণ করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
فَيَنظُرُوا۟
fayanẓurū
তারা অতঃপর দেখে (নি কি)
▶
كَيْفَ
kayfa
কেমন
▶
كَانَ
kāna
ছিলো
▶
عَـٰقِبَةُ
ʿāqibatu
পরিণতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَبْلِهِمْ ۚ
qablihim
তাদের পূর্বে (ছিলো)
▶
كَانُوٓا۟
kānū
তারা ছিলো
▶
أَكْثَرَ
akthara
(সংখ্যায়) বেশী
▶
مِنْهُمْ
min'hum
এদের চেয়েও
▶
وَأَشَدَّ
wa-ashadda
ও প্রবল
▶
قُوَّةًۭ
quwwatan
শক্তিতে
▶
وَءَاثَارًۭا
waāthāran
ও কীর্তিতে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
فَمَآ
famā
অতঃপর না
▶
أَغْنَىٰ
aghnā
কাজে আসলো
▶
عَنْهُم
ʿanhum
তাদের জন্যে
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা
▶
يَكْسِبُونَ
yaksibūna
অর্জন করেছিলো
আয়াত 83 - সূরা غافر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَمَّا جَآءَتْهُمْ رُسُلُهُم بِٱلْبَيِّنَـٰتِ فَرِحُوا۟ بِمَا عِندَهُم مِّنَ ٱلْعِلْمِ وَحَاقَ بِهِم مَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ
তাদের কাছে যখন তাদের রসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ আগমন করেছিল, তখন তারা নিজেদের জ্ঞান-গরিমার দম্ভ প্রকাশ করেছিল। তারা যে বিষয় নিয়ে ঠাট্টাবিদ্রুপ করেছিল, তাই তাদেরকে গ্রাস করে নিয়েছিল।
▶
فَلَمَّا
falammā
অতঃপর যখন
▶
جَآءَتْهُمْ
jāathum
তাদের কাছে আসলো
▶
رُسُلُهُم
rusuluhum
তাদের রাসূলগণ
▶
بِٱلْبَيِّنَـٰتِ
bil-bayināti
সুস্পষ্ট প্রমাণসহ
▶
فَرِحُوا۟
fariḥū
তারা খুশীতে মগ্ন রইলো
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা (ছিলো)
▶
عِندَهُم
ʿindahum
তাদের কাছে
▶
مِّنَ
mina
অংশ বিশেষ
▶
ٱلْعِلْمِ
l-ʿil'mi
(নিজস্ব) জ্ঞানের
▶
وَحَاقَ
waḥāqa
এবং ঘিরে ফেললো
▶
بِهِم
bihim
তাদেরকে
▶
مَّا
mā
তাই
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিলো
▶
بِهِۦ
bihi
যে সম্পর্কে
▶
يَسْتَهْزِءُونَ
yastahziūna
ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতো
আয়াত 84 - সূরা غافر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَمَّا رَأَوْا۟ بَأْسَنَا قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَحْدَهُۥ وَكَفَرْنَا بِمَا كُنَّا بِهِۦ مُشْرِكِينَ
তারা যখন আমার শাস্তি প্রত্যক্ষ করল, তখন বলল, আমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করলাম এবং যাদেরকে শরীক করতাম, তাদেরকে পরিহার করলাম।
▶
فَلَمَّا
falammā
অতঃপর যখন
▶
رَأَوْا۟
ra-aw
তারা দেখলো
▶
بَأْسَنَا
basanā
আমাদের শাস্তি
▶
قَالُوٓا۟
qālū
তারা বললো
▶
ءَامَنَّا
āmannā
"আমরা ঈমান এনেছি
▶
بِٱللَّهِ
bil-lahi
আল্লাহর উপর
▶
وَحْدَهُۥ
waḥdahu
তাঁর একারই
▶
وَكَفَرْنَا
wakafarnā
এবং আমরা অস্বীকার করছি
▶
بِمَا
bimā
তা সবকে
▶
كُنَّا
kunnā
আমরা ছিলাম
▶
بِهِۦ
bihi
যার সাথে
▶
مُشْرِكِينَ
mush'rikīna
শরিককারী"
আয়াত 85 - সূরা غافر: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلَمْ يَكُ يَنفَعُهُمْ إِيمَـٰنُهُمْ لَمَّا رَأَوْا۟ بَأْسَنَا ۖ سُنَّتَ ٱللَّهِ ٱلَّتِى قَدْ خَلَتْ فِى عِبَادِهِۦ ۖ وَخَسِرَ هُنَالِكَ ٱلْكَـٰفِرُونَ
অতঃপর তাদের এ ঈমান তাদের কোন উপকারে আসল না যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করল। আল্লাহর এ নিয়মই পূর্ব থেকে তাঁর বান্দাদের মধ্যে প্রচলিত হয়েছে। সেক্ষেত্রে কাফেররা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
▶
فَلَمْ
falam
অতঃপর
▶
يَكُ
yaku
পারে নি
▶
يَنفَعُهُمْ
yanfaʿuhum
তাদের উপকার করতে
▶
إِيمَـٰنُهُمْ
īmānuhum
তাদের ঈমান
▶
لَمَّا
lammā
যখন
▶
رَأَوْا۟
ra-aw
তারা দেখলো
▶
بَأْسَنَا ۖ
basanā
আমাদের শাস্তি
▶
سُنَّتَ
sunnata
বিধান
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (নির্ধারিত)
▶
ٱلَّتِى
allatī
যা
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
خَلَتْ
khalat
(চলে এসেছে)অতীত হয়েছে
▶
فِى
fī
ব্যাপারে
▶
عِبَادِهِۦ ۖ
ʿibādihi
তাঁর দাসদের
▶
وَخَسِرَ
wakhasira
এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
▶
هُنَالِكَ
hunālika
এমন অবস্হায়
▶
ٱلْكَـٰفِرُونَ
l-kāfirūna
কাফেররা
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে