রুকু 512 সূরা Al-Qiyama (আয়াত 1–30) থেকে নেওয়া। এতে 30টি আয়াত রয়েছে এবং এটি জুজ 29-এর অন্তর্ভুক্ত।
05 আগস্ট 2026 তারিখ 16h34 এ আপডেট করা হয়েছে
পুরো পৃষ্ঠা পড়ুন : কুরআনের রুকু 512 পড়ুন →
لَآ أُقْسِمُ بِيَوْمِ ٱلْقِيَـٰمَةِ ﴿١﴾
আমি শপথ করি কেয়ামত দিবসের,
وَلَآ أُقْسِمُ بِٱلنَّفْسِ ٱللَّوَّامَةِ ﴿٢﴾
আরও শপথ করি সেই মনের, যে নিজেকে ধিক্কার দেয়-
أَيَحْسَبُ ٱلْإِنسَـٰنُ أَلَّن نَّجْمَعَ عِظَامَهُۥ ﴿٣﴾
মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না?
بَلَىٰ قَـٰدِرِينَ عَلَىٰٓ أَن نُّسَوِّىَ بَنَانَهُۥ ﴿٤﴾
পরন্ত আমি তার অংগুলিগুলো পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।
بَلْ يُرِيدُ ٱلْإِنسَـٰنُ لِيَفْجُرَ أَمَامَهُۥ ﴿٥﴾
বরং মানুষ তার ভবিষ্যত জীবনেও ধৃষ্টতা করতে চায়
يَسْـَٔلُ أَيَّانَ يَوْمُ ٱلْقِيَـٰمَةِ ﴿٦﴾
সে প্রশ্ন করে-কেয়ামত দিবস কবে?
فَإِذَا بَرِقَ ٱلْبَصَرُ ﴿٧﴾
যখন দৃষ্টি চমকে যাবে,
وَخَسَفَ ٱلْقَمَرُ ﴿٨﴾
চন্দ্র জ্যোতিহীন হয়ে যাবে।
وَجُمِعَ ٱلشَّمْسُ وَٱلْقَمَرُ ﴿٩﴾
এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে-
يَقُولُ ٱلْإِنسَـٰنُ يَوْمَئِذٍ أَيْنَ ٱلْمَفَرُّ ﴿١٠﴾
সে দিন মানুষ বলবেঃ পলায়নের জায়গা কোথায় ?
كَلَّا لَا وَزَرَ ﴿١١﴾
না কোথাও আশ্রয়স্থল নেই।
إِلَىٰ رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ ٱلْمُسْتَقَرُّ ﴿١٢﴾
আপনার পালনকর্তার কাছেই সেদিন ঠাঁই হবে।
يُنَبَّؤُا۟ ٱلْإِنسَـٰنُ يَوْمَئِذٍۭ بِمَا قَدَّمَ وَأَخَّرَ ﴿١٣﴾
সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে সে যা সামনে প্রেরণ করেছে ও পশ্চাতে ছেড়ে দিয়েছে।
بَلِ ٱلْإِنسَـٰنُ عَلَىٰ نَفْسِهِۦ بَصِيرَةٌۭ ﴿١٤﴾
বরং মানুষ নিজেই তার নিজের সম্পর্কে চক্ষুমান।
وَلَوْ أَلْقَىٰ مَعَاذِيرَهُۥ ﴿١٥﴾
যদিও সে তার অজুহাত পেশ করতে চাইবে।
لَا تُحَرِّكْ بِهِۦ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِۦٓ ﴿١٦﴾
তাড়াতাড়ি শিখে নেয়ার জন্যে আপনি দ্রুত ওহী আবৃত্তি করবেন না।
إِنَّ عَلَيْنَا جَمْعَهُۥ وَقُرْءَانَهُۥ ﴿١٧﴾
এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমারই দায়িত্ব।
فَإِذَا قَرَأْنَـٰهُ فَٱتَّبِعْ قُرْءَانَهُۥ ﴿١٨﴾
অতঃপর আমি যখন তা পাঠ করি, তখন আপনি সেই পাঠের অনুসরণ করুন।
ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا بَيَانَهُۥ ﴿١٩﴾
এরপর বিশদ বর্ণনা আমারই দায়িত্ব।
كَلَّا بَلْ تُحِبُّونَ ٱلْعَاجِلَةَ ﴿٢٠﴾
কখনও না, বরং তোমরা পার্থিব জীবনকে ভালবাস
وَتَذَرُونَ ٱلْـَٔاخِرَةَ ﴿٢١﴾
এবং পরকালকে উপেক্ষা কর।
وُجُوهٌۭ يَوْمَئِذٍۢ نَّاضِرَةٌ ﴿٢٢﴾
সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে।
إِلَىٰ رَبِّهَا نَاظِرَةٌۭ ﴿٢٣﴾
তারা তার পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।
وَوُجُوهٌۭ يَوْمَئِذٍۭ بَاسِرَةٌۭ ﴿٢٤﴾
আর অনেক মুখমন্ডল সেদিন উদাস হয়ে পড়বে।
تَظُنُّ أَن يُفْعَلَ بِهَا فَاقِرَةٌۭ ﴿٢٥﴾
তারা ধারণা করবে যে, তাদের সাথে কোমর-ভাঙ্গা আচরণ করা হবে।
كَلَّآ إِذَا بَلَغَتِ ٱلتَّرَاقِىَ ﴿٢٦﴾
কখনও না, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে।
وَقِيلَ مَنْ ۜ رَاقٍۢ ﴿٢٧﴾
এবং বলা হবে, কে ঝাড়বে
وَظَنَّ أَنَّهُ ٱلْفِرَاقُ ﴿٢٨﴾
এবং সে মনে করবে যে, বিদায়ের ক্ষণ এসে গেছে।
وَٱلْتَفَّتِ ٱلسَّاقُ بِٱلسَّاقِ ﴿٢٩﴾
এবং গোছা গোছার সাথে জড়িত হয়ে যাবে।
إِلَىٰ رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ ٱلْمَسَاقُ ﴿٣٠﴾
সেদিন, আপনার পালনকর্তার নিকট সবকিছু নীত হবে।