সূরা الشورى শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা الشورى শব্দে শব্দে
الشورى (الشورى) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 53টি আয়াত, 860টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
860টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা الشورى আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 5 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা الشورى: 1 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
حمٓ
হা-মীম।
আয়াত 2 - সূরা الشورى: 1 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
عٓسٓقٓ
আইন, সীন ক্বা-ফ।
▶
عٓسٓقٓ
ain-seen-qaf
আইন - সীন-ক্কাফ
আয়াত 3 - সূরা الشورى: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَذَٰلِكَ يُوحِىٓ إِلَيْكَ وَإِلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكَ ٱللَّهُ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
এমনিভাবে পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহ আপনার প্রতি ও আপনার পূর্ববর্তীদের প্রতি ওহী প্রেরণ করেন।
▶
كَذَٰلِكَ
kadhālika
এভাবে
▶
يُوحِىٓ
yūḥī
ওহী পাঠান (আল্লাহ)
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
وَإِلَى
wa-ilā
এবং প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَبْلِكَ
qablika
তোমার পূর্বে (নাবী-রাসূল ছিলো)
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمُ
l-ḥakīmu
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 4 - সূরা الشورى: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۖ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ
নভোমন্ডলে যা কিছু আছে এবং ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সমস্তই তাঁর। তিনি সমুন্নত, মহান।
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ ۖ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনিই
▶
ٱلْعَلِىُّ
l-ʿaliyu
সমুন্নত
▶
ٱلْعَظِيمُ
l-ʿaẓīmu
সুমহান
আয়াত 5 - সূরা الشورى: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تَكَادُ ٱلسَّمَـٰوَٰتُ يَتَفَطَّرْنَ مِن فَوْقِهِنَّ ۚ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِمَن فِى ٱلْأَرْضِ ۗ أَلَآ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ
আকাশ উপর থেকে ফেটে পড়ার উপক্রম হয় আর তখন ফেরেশতাগণ তাদের পালনকর্তার প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করে এবং পৃথিবীবাসীদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে। শুনে রাখ, আল্লাহই ক্ষমাশীল, পরম করুনাময়।
▶
تَكَادُ
takādu
(তাঁর সাথে শরিক করায়) উপক্রম হয়
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتُ
l-samāwātu
আকাশ
▶
يَتَفَطَّرْنَ
yatafaṭṭarna
ভেঙে পড়ার
▶
مِن
min
থেকে
▶
فَوْقِهِنَّ ۚ
fawqihinna
তাদের উপর
▶
وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ
wal-malāikatu
এবং ফেরেশতারা
▶
يُسَبِّحُونَ
yusabbiḥūna
পবিত্রতা ঘোষণা করে
▶
بِحَمْدِ
biḥamdi
প্রশংসাসহ
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَيَسْتَغْفِرُونَ
wayastaghfirūna
এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে
▶
لِمَن
liman
(তাদের) জন্যে যারা
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلْأَرْضِ ۗ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
أَلَآ
alā
জেনে রাখো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلْغَفُورُ
l-ghafūru
ক্ষমাশীল
▶
ٱلرَّحِيمُ
l-raḥīmu
পরম দয়ালু
আয়াত 6 - সূরা الشورى: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ ٱللَّهُ حَفِيظٌ عَلَيْهِمْ وَمَآ أَنتَ عَلَيْهِم بِوَكِيلٍۢ
যারা আল্লাহ ব্যতীত অপরকে অভিভাবক হিসাবে গ্রহণ করে, আল্লাহ তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখেন। আপনার উপর নয় তাদের দায়-দায়িত্ব।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ٱتَّخَذُوا۟
ittakhadhū
গ্রহণ করেছে
▶
مِن
min
ছাড়া
▶
دُونِهِۦٓ
dūnihi
তাঁকে
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
অভিভাবকরূপে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ-ই
▶
حَفِيظٌ
ḥafīẓun
সংরক্ষক
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
وَمَآ
wamā
এবং নও
▶
أَنتَ
anta
তুমি
▶
عَلَيْهِم
ʿalayhim
তাদের উপর (নিযুক্ত হয়েছে)
▶
بِوَكِيلٍۢ
biwakīlin
কর্ম বিধায়ক
আয়াত 7 - সূরা الشورى: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ قُرْءَانًا عَرَبِيًّۭا لِّتُنذِرَ أُمَّ ٱلْقُرَىٰ وَمَنْ حَوْلَهَا وَتُنذِرَ يَوْمَ ٱلْجَمْعِ لَا رَيْبَ فِيهِ ۚ فَرِيقٌۭ فِى ٱلْجَنَّةِ وَفَرِيقٌۭ فِى ٱلسَّعِيرِ
এমনি ভাবে আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি, যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ-পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে, যাতে কোন সন্দেহ নেই। একদল জান্নাতে এবং একদল জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
এবং এভাবে
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
আমরা ওহী করেছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
قُرْءَانًا
qur'ānan
কুরআনকে
▶
عَرَبِيًّۭا
ʿarabiyyan
আরবী (ভাষায়)
▶
لِّتُنذِرَ
litundhira
সতর্ক করো তুমি যেনো
▶
أُمَّ
umma
কেন্দ্রকে
▶
ٱلْقُرَىٰ
l-qurā
জনপদসমূহের (অর্থাৎ মাক্কাবাসীদেরকে)
▶
وَمَنْ
waman
এবং যারা
▶
حَوْلَهَا
ḥawlahā
তার চার পাশে (আছে)
▶
وَتُنذِرَ
watundhira
এবং সতর্ক করো তুমি (যেনো)
▶
يَوْمَ
yawma
দিন (সম্পর্কে)
▶
ٱلْجَمْعِ
l-jamʿi
সমবেত হওয়ার (অর্থাৎ ক্বিয়ামাতের)
▶
لَا
lā
নেই
▶
رَيْبَ
rayba
কোনো সন্দেহ
▶
فِيهِ ۚ
fīhi
তার মধ্যে
▶
فَرِيقٌۭ
farīqun
একদল (সেদিন হবে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْجَنَّةِ
l-janati
জান্নাতের
▶
وَفَرِيقٌۭ
wafarīqun
এবং একদল (হবে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلسَّعِيرِ
l-saʿīri
জাহান্নামের
আয়াত 8 - সূরা الشورى: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَجَعَلَهُمْ أُمَّةًۭ وَٰحِدَةًۭ وَلَـٰكِن يُدْخِلُ مَن يَشَآءُ فِى رَحْمَتِهِۦ ۚ وَٱلظَّـٰلِمُونَ مَا لَهُم مِّن وَلِىٍّۢ وَلَا نَصِيرٍ
আল্লাহ ইচ্ছা করলে সমস্ত লোককে এক দলে পরিণত করতে পারেন। কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমতে দাখিল করেন। আর যালেমদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী নেই।
▶
وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
شَآءَ
shāa
চাইতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
لَجَعَلَهُمْ
lajaʿalahum
তাদেরকে অবশ্যই করতেন
▶
أُمَّةًۭ
ummatan
জাতি
▶
وَٰحِدَةًۭ
wāḥidatan
একই
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
يُدْخِلُ
yud'khilu
প্রবেশ করান
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন (আল্লাহ)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
رَحْمَتِهِۦ ۚ
raḥmatihi
তাঁর অনুগ্রহের
▶
وَٱلظَّـٰلِمُونَ
wal-ẓālimūna
এবং সীমালঙ্ঘনকারীদের (অবস্থা হলো)
▶
مَا
mā
নেই
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
وَلِىٍّۢ
waliyyin
অভিভাবক
▶
وَلَا
walā
আর নেই
▶
نَصِيرٍ
naṣīrin
কোনো সাহায্যকারী
আয়াত 9 - সূরা الشورى: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمِ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ ۖ فَٱللَّهُ هُوَ ٱلْوَلِىُّ وَهُوَ يُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ
তারা কি আল্লাহ ব্যতীত অপরকে অভিভাবক স্থির করেছে? পরন্তু আল্লাহই তো একমাত্র অভিভাবক। তিনি মৃতদেরকে জীবিত করেন। তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।
▶
أَمِ
ami
তবে কি
▶
ٱتَّخَذُوا۟
ittakhadhū
তারা গ্রহণ করেছে
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
دُونِهِۦٓ
dūnihi
তাঁকে ছাড়া
▶
أَوْلِيَآءَ ۖ
awliyāa
অভিভাবকরূপে (অন্যান্যদেরকে)
▶
فَٱللَّهُ
fal-lahu
অথচ আল্লাহ
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلْوَلِىُّ
l-waliyu
অভিভাবক
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনিই
▶
يُحْىِ
yuḥ'yī
জীবিত করেন
▶
ٱلْمَوْتَىٰ
l-mawtā
মৃতদেরকে
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছুরই
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
সর্বশক্তিমান
আয়াত 10 - সূরা الشورى: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا ٱخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِن شَىْءٍۢ فَحُكْمُهُۥٓ إِلَى ٱللَّهِ ۚ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبِّى عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ
তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর, তার ফয়সালা আল্লাহর কাছে সোপর্দ। ইনিই আল্লাহ আমার পালনকর্তা আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তাঁরই অভিমুখী হই।
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
ٱخْتَلَفْتُمْ
ikh'talaftum
তোমরা মতভেদ করো
▶
فِيهِ
fīhi
সেক্ষেত্রে
▶
مِن
min
কোনো
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছু
▶
فَحُكْمُهُۥٓ
faḥuk'muhu
তার অতঃপর মীমাংসা (হবে)
▶
إِلَى
ilā
কাছে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহ্র
▶
ذَٰلِكُمُ
dhālikumu
তিনিই
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ-ই
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রব
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তাঁর উপর
▶
تَوَكَّلْتُ
tawakkaltu
আমি নির্ভর করি
▶
وَإِلَيْهِ
wa-ilayhi
এবং তাঁরই দিকে
▶
أُنِيبُ
unību
মুখ ফিরিয়েছি আমি
আয়াত 11 - সূরা الشورى: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَاطِرُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ جَعَلَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَٰجًۭا وَمِنَ ٱلْأَنْعَـٰمِ أَزْوَٰجًۭا ۖ يَذْرَؤُكُمْ فِيهِ ۚ لَيْسَ كَمِثْلِهِۦ شَىْءٌۭ ۖ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ
তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং চতুস্পদ জন্তুদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এভাবে তিনি তোমাদের বংশ বিস্তার করেন। কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন, সব দেখেন।
▶
فَاطِرُ
fāṭiru
(আল্লাহ-ই) সৃষ্টিকর্তা
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۚ
wal-arḍi
এবং পৃথিবীর
▶
جَعَلَ
jaʿala
তিনি সৃষ্টি করেছেন
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّنْ
min
মধ্য হ'তে
▶
أَنفُسِكُمْ
anfusikum
তোমাদের নিজেদের
▶
أَزْوَٰجًۭا
azwājan
জোড়া জোড়া
▶
وَمِنَ
wamina
এবং মধ্য হতে
▶
ٱلْأَنْعَـٰمِ
l-anʿāmi
গবাদি পশুর
▶
أَزْوَٰجًۭا ۖ
azwājan
জোড়া জোড়া
▶
يَذْرَؤُكُمْ
yadhra-ukum
তোমাদের বিস্তার করেন (বংশ)
▶
فِيهِ ۚ
fīhi
তার মধ্যে
▶
لَيْسَ
laysa
নেই
▶
كَمِثْلِهِۦ
kamith'lihi
তাঁর মতো
▶
شَىْءٌۭ ۖ
shayon
কোনো কিছুই
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
ٱلسَّمِيعُ
l-samīʿu
সবকিছু শুনেন
▶
ٱلْبَصِيرُ
l-baṣīru
সবকিছুই দেখেন
আয়াত 12 - সূরা الشورى: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَهُۥ مَقَالِيدُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقْدِرُ ۚ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌۭ
আকাশ ও পৃথিবীর চাবি তাঁর কাছে। তিনি যার জন্যে ইচ্ছা রিযিক বৃদ্ধি করেন এবং পরিমিত করেন। তিনি সর্ব বিষয়ে জ্ঞানী।
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই (নিয়ন্ত্রণে)
▶
مَقَالِيدُ
maqālīdu
চাবিসমূহ
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۖ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
يَبْسُطُ
yabsuṭu
প্রশস্ত করে দেন
▶
ٱلرِّزْقَ
l-riz'qa
জীবনের উপকরণ
▶
لِمَن
liman
(তার) জন্যে যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
وَيَقْدِرُ ۚ
wayaqdiru
এবং পরিমিত দেন (যাকে ইচ্ছে করেন)
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তিনি নিশ্চয়ই
▶
بِكُلِّ
bikulli
সম্পর্কে সব
▶
شَىْءٍ
shayin
কিছু
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
খুব অবহিত
আয়াত 13 - সূরা الشورى: 38 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ شَرَعَ لَكُم مِّنَ ٱلدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِۦ نُوحًۭا وَٱلَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِۦٓ إِبْرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ وَعِيسَىٰٓ ۖ أَنْ أَقِيمُوا۟ ٱلدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُوا۟ فِيهِ ۚ كَبُرَ عَلَى ٱلْمُشْرِكِينَ مَا تَدْعُوهُمْ إِلَيْهِ ۚ ٱللَّهُ يَجْتَبِىٓ إِلَيْهِ مَن يَشَآءُ وَيَهْدِىٓ إِلَيْهِ مَن يُنِيبُ
তিনি তোমাদের জন্যে দ্বীনের ক্ষেত্রে সে পথই নিধারিত করেছেন, যার আদেশ দিয়েছিলেন নূহকে, যা আমি প্রত্যাদেশ করেছি আপনার প্রতি এবং যার আদেশ দিয়েছিলাম ইব্রাহীম, মূসা ও ঈসাকে এই মর্মে যে, তোমরা দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং তাতে অনৈক্য সৃষ্টি করো না। আপনি মূশরেকদেরকে যে বিষয়ের প্রতি আমন্ত্রণ জানান, তা তাদের কাছে দুঃসাধ্য বলে মনে হয়। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা মনোনীত করেন এবং যে তাঁর অভিমুখী হয়, তাকে পথ প্রদর্শন করেন।
▶
۞ شَرَعَ
sharaʿa
তিনি বিধান দিয়েছেন
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে (একমাত্র)
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلدِّينِ
l-dīni
দ্বীনের
▶
مَا
mā
যা
▶
وَصَّىٰ
waṣṣā
আদেশ দিয়েছিলেন
▶
بِهِۦ
bihi
সে সম্পর্কে
▶
نُوحًۭا
nūḥan
নূহকে
▶
وَٱلَّذِىٓ
wa-alladhī
এবং (হে নাবী) যা
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
আমরা ওহী করেছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতিও
▶
وَمَا
wamā
এবং যা
▶
وَصَّيْنَا
waṣṣaynā
আমরা আদেশ দিয়েছি
▶
بِهِۦٓ
bihi
সে সম্পর্কে
▶
إِبْرَٰهِيمَ
ib'rāhīma
ইব্রাহীমকে
▶
وَمُوسَىٰ
wamūsā
ও মূসাকে
▶
وَعِيسَىٰٓ ۖ
waʿīsā
ও ঈসাকে
▶
أَنْ
an
(এ তাগিদসহ) যে
▶
أَقِيمُوا۟
aqīmū
তোমরা প্রতিষ্ঠিত করো
▶
ٱلدِّينَ
l-dīna
দ্বীনকে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَتَفَرَّقُوا۟
tatafarraqū
তোমরা মতবিরোধ করো
▶
فِيهِ ۚ
fīhi
তার মধ্যে
▶
كَبُرَ
kabura
বড় কঠিন হয়েছে
▶
عَلَى
ʿalā
কাছে
▶
ٱلْمُشْرِكِينَ
l-mush'rikīna
মুশরিকদের
▶
مَا
mā
যার
▶
تَدْعُوهُمْ
tadʿūhum
তুমি আহবান করছো তাদেরকে
▶
إِلَيْهِ ۚ
ilayhi
তাঁর দিকে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَجْتَبِىٓ
yajtabī
বেছে নেন
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁর দিকে
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
وَيَهْدِىٓ
wayahdī
এবং পথ দেখান
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁর দিকে
▶
مَن
man
যে
▶
يُنِيبُ
yunību
মুখ ফিরায় (তাঁর দিকে)
আয়াত 14 - সূরা الشورى: 30 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا تَفَرَّقُوٓا۟ إِلَّا مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلْعِلْمُ بَغْيًۢا بَيْنَهُمْ ۚ وَلَوْلَا كَلِمَةٌۭ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ إِلَىٰٓ أَجَلٍۢ مُّسَمًّۭى لَّقُضِىَ بَيْنَهُمْ ۚ وَإِنَّ ٱلَّذِينَ أُورِثُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ مِنۢ بَعْدِهِمْ لَفِى شَكٍّۢ مِّنْهُ مُرِيبٍۢ
তাদের কাছে জ্ঞান আসার পরই তারা পারস্পরিক বিভেদের কারণে মতভেদ করেছে। যদি আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকত, তবে তাদের ফয়সালা হয়ে যেত। তাদের পর যারা কিতাব প্রাপ্ত হয়েছে, তারা অস্বস্তিকর সন্দেহে পতিত রয়েছে।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
تَفَرَّقُوٓا۟
tafarraqū
তারা মতবিরোধ করেছে
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
مِنۢ
min
মধ্য হতে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
مَا
mā
যা
▶
جَآءَهُمُ
jāahumu
(কাছে) এসেছিলো তাদের
▶
ٱلْعِلْمُ
l-ʿil'mu
(অর্থাৎ) জ্ঞান
▶
بَغْيًۢا
baghyan
(এমন করেছে) বিদ্বেষ বশতঃ
▶
بَيْنَهُمْ ۚ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
وَلَوْلَا
walawlā
এবং যদি না
▶
كَلِمَةٌۭ
kalimatun
একটি বাণী (ফায়সালার)
▶
سَبَقَتْ
sabaqat
অতীতে সিদ্ধান্ত করা হতো
▶
مِن
min
পক্ষ হতে
▶
رَّبِّكَ
rabbika
তোমার রবের
▶
إِلَىٰٓ
ilā
পর্যন্ত
▶
أَجَلٍۢ
ajalin
সময় (অবকাশের)
▶
مُّسَمًّۭى
musamman
নির্ধারিত
▶
لَّقُضِىَ
laquḍiya
মীমাংসা অবশ্যই করে দেওয়া হতো
▶
بَيْنَهُمْ ۚ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যাদের
▶
أُورِثُوا۟
ūrithū
উত্তরাধিকারী করা হয়েছিলো
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাবের
▶
مِنۢ
min
মধ্য হতে
▶
بَعْدِهِمْ
baʿdihim
তাদের পরে
▶
لَفِى
lafī
অবশ্যই মধ্যে আছে
▶
شَكٍّۢ
shakkin
সন্দেহের
▶
مِّنْهُ
min'hu
তা সম্পর্কে
▶
مُرِيبٍۢ
murībin
বিভ্রান্তিকর
আয়াত 15 - সূরা الشورى: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَلِذَٰلِكَ فَٱدْعُ ۖ وَٱسْتَقِمْ كَمَآ أُمِرْتَ ۖ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَآءَهُمْ ۖ وَقُلْ ءَامَنتُ بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ مِن كِتَـٰبٍۢ ۖ وَأُمِرْتُ لِأَعْدِلَ بَيْنَكُمُ ۖ ٱللَّهُ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ ۖ لَنَآ أَعْمَـٰلُنَا وَلَكُمْ أَعْمَـٰلُكُمْ ۖ لَا حُجَّةَ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ ۖ ٱللَّهُ يَجْمَعُ بَيْنَنَا ۖ وَإِلَيْهِ ٱلْمَصِيرُ
সুতরাং আপনি এর প্রতিই দাওয়াত দিন এবং হুকুম অনুযায়ী অবিচল থাকুন; আপনি তাদের খেয়ালখুশীর অনুসরণ করবেন না। বলুন, আল্লাহ যে কিতাব নাযিল করেছেন, আমি তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমি তোমাদের মধ্যে ন্যায় বিচার করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ আমাদের পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তা। আমাদের জন্যে আমাদের কর্ম এবং তোমাদের জন্যে তোমাদের কর্ম। আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে বিবাদ নেই। আল্লাহ আমাদেরকে সমবেত করবেন এবং তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তণ হবে।
▶
فَلِذَٰلِكَ
falidhālika
(হে নাবী) এজন্যে
▶
فَٱدْعُ ۖ
fa-ud'ʿu
তাই আহবান করো
▶
وَٱسْتَقِمْ
wa-is'taqim
এবং অবিচল থাকো
▶
كَمَآ
kamā
যেমন
▶
أُمِرْتَ ۖ
umir'ta
তোমাকে আদেশ করা হয়েছে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَتَّبِعْ
tattabiʿ
অনুসরণ করো
▶
أَهْوَآءَهُمْ ۖ
ahwāahum
তাদের খেয়ালখুশীর
▶
وَقُلْ
waqul
এবং বলো
▶
ءَامَنتُ
āmantu
"আমি ঈমান এনেছি
▶
بِمَآ
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مِن
min
থেকে
▶
كِتَـٰبٍۢ ۖ
kitābin
(অর্থাৎ) কিতাব
▶
وَأُمِرْتُ
wa-umir'tu
এবং আমাকে আদেশ করা হয়েছে
▶
لِأَعْدِلَ
li-aʿdila
আমি যেন ন্যায় বিচার করি
▶
بَيْنَكُمُ ۖ
baynakumu
তোমাদের মাঝে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
رَبُّنَا
rabbunā
আমাদের রব
▶
وَرَبُّكُمْ ۖ
warabbukum
ও তোমাদের রব
▶
لَنَآ
lanā
আমাদের জন্যে
▶
أَعْمَـٰلُنَا
aʿmālunā
আমাদের কাজসমূহ
▶
وَلَكُمْ
walakum
ও তোমাদের জন্যে
▶
أَعْمَـٰلُكُمْ ۖ
aʿmālukum
তোমাদের কাজসমূহ
▶
لَا
lā
নেই
▶
حُجَّةَ
ḥujjata
কোনো বিবাদ
▶
بَيْنَنَا
baynanā
আমাদের মাঝে
▶
وَبَيْنَكُمُ ۖ
wabaynakumu
ও তোমাদের মাঝে
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَجْمَعُ
yajmaʿu
একত্র করবেন
▶
بَيْنَنَا ۖ
baynanā
আমাদেরকে
▶
وَإِلَيْهِ
wa-ilayhi
এবং তাঁরই দিকে
▶
ٱلْمَصِيرُ
l-maṣīru
প্রত্যাবর্তন (হবে সবার)"
আয়াত 16 - সূরা الشورى: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ يُحَآجُّونَ فِى ٱللَّهِ مِنۢ بَعْدِ مَا ٱسْتُجِيبَ لَهُۥ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌۭ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ شَدِيدٌ
আল্লাহর দ্বীন মেনে নেয়ার পর যারা সে সম্পর্কে বিতর্কে প্রবৃত্ত হয়, তাদের বিতর্ক তাদের পালনকর্তার কাছে বাতিল, তাদের প্রতি আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
يُحَآجُّونَ
yuḥājjūna
বিতর্ক করে
▶
فِى
fī
সম্পর্কে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ্র দ্বীনের
▶
مِنۢ
min
মধ্য হতে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরেও
▶
مَا
mā
যা
▶
ٱسْتُجِيبَ
us'tujība
সাড়া দেওয়া হয়েছে (অর্থাৎ দ্বীন গ্রহণের পরেও)
▶
لَهُۥ
lahu
তাকে
▶
حُجَّتُهُمْ
ḥujjatuhum
তাদের যুক্তিতর্ক
▶
دَاحِضَةٌ
dāḥiḍatun
নিরর্থক
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَعَلَيْهِمْ
waʿalayhim
এবং তাদের উপর
▶
غَضَبٌۭ
ghaḍabun
অভিসম্পাত
▶
وَلَهُمْ
walahum
এবং তাদের জন্যে
▶
عَذَابٌۭ
ʿadhābun
শাস্তি (রয়েছে)
▶
شَدِيدٌ
shadīdun
কঠিন
আয়াত 17 - সূরা الشورى: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ ٱلَّذِىٓ أَنزَلَ ٱلْكِتَـٰبَ بِٱلْحَقِّ وَٱلْمِيزَانَ ۗ وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ ٱلسَّاعَةَ قَرِيبٌۭ
আল্লাহই সত্যসহ কিতাব ও ইনসাফের মানদন্ড নাযিল করেছেন। আপনি কি জানেন, সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটবর্তী।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
(তিনিই) আল্লাহ্
▶
ٱلَّذِىٓ
alladhī
যিনি
▶
أَنزَلَ
anzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
কিতাব
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
সত্যসহ
▶
وَٱلْمِيزَانَ ۗ
wal-mīzāna
এবং মীযান
▶
وَمَا
wamā
এবং কিসে
▶
يُدْرِيكَ
yud'rīka
তোমাকে জানাবে
▶
لَعَلَّ
laʿalla
সম্ভবতঃ
▶
ٱلسَّاعَةَ
l-sāʿata
ক্বিয়ামাত
▶
قَرِيبٌۭ
qarībun
আসন্ন
আয়াত 18 - সূরা الشورى: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
يَسْتَعْجِلُ بِهَا ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِهَا ۖ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مُشْفِقُونَ مِنْهَا وَيَعْلَمُونَ أَنَّهَا ٱلْحَقُّ ۗ أَلَآ إِنَّ ٱلَّذِينَ يُمَارُونَ فِى ٱلسَّاعَةِ لَفِى ضَلَـٰلٍۭ بَعِيدٍ
যারা তাতে বিশ্বাস করে না তারা তাকে তড়িৎ কামনা করে। আর যারা বিশ্বাস করে, তারা তাকে ভয় করে এবং জানে যে, তা সত্য। জেনে রাখ, যারা কেয়ামত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা দূরবর্তী পথ ভ্রষ্টতায় লিপ্ত রয়েছে।
▶
يَسْتَعْجِلُ
yastaʿjilu
তাড়াহুড়া করে
▶
بِهَا
bihā
তা সম্পর্কে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারাই) যারা
▶
لَا
lā
না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
ঈমান আনে
▶
بِهَا ۖ
bihā
তা সম্পর্কে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
কিন্তু যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
مُشْفِقُونَ
mush'fiqūna
তারা ভয় করে
▶
مِنْهَا
min'hā
তা থেকে
▶
وَيَعْلَمُونَ
wayaʿlamūna
এবং তারা জানে
▶
أَنَّهَا
annahā
তা যে
▶
ٱلْحَقُّ ۗ
l-ḥaqu
মহাসত্য
▶
أَلَآ
alā
জেনে রাখো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُمَارُونَ
yumārūna
কুতর্ক করে
▶
فِى
fī
সম্পর্কে
▶
ٱلسَّاعَةِ
l-sāʿati
ক্বিয়ামাতের
▶
لَفِى
lafī
অবশ্যই মধ্যে
▶
ضَلَـٰلٍۭ
ḍalālin
বিভ্রান্তির
▶
بَعِيدٍ
baʿīdin
বহুদূরে (চলে গিয়েছে)
আয়াত 19 - সূরা الشورى: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ لَطِيفٌۢ بِعِبَادِهِۦ يَرْزُقُ مَن يَشَآءُ ۖ وَهُوَ ٱلْقَوِىُّ ٱلْعَزِيزُ
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়ালু। তিনি যাকে ইচ্ছা, রিযিক দান করেন। তিনি প্রবল, পরাক্রমশালী।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ্
▶
لَطِيفٌۢ
laṭīfun
অতি দয়ালু
▶
بِعِبَادِهِۦ
biʿibādihi
তার দাসদের উপর
▶
يَرْزُقُ
yarzuqu
তিনি জীবিকা দান করেন
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۖ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
ٱلْقَوِىُّ
l-qawiyu
প্রবল শক্তিমান
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
পরাক্রমশালী
আয়াত 20 - সূরা الشورى: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَن كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ ٱلْـَٔاخِرَةِ نَزِدْ لَهُۥ فِى حَرْثِهِۦ ۖ وَمَن كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ ٱلدُّنْيَا نُؤْتِهِۦ مِنْهَا وَمَا لَهُۥ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ مِن نَّصِيبٍ
যে কেউ পরকালের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্যে সেই ফসল বাড়িয়ে দেই। আর যে ইহকালের ফসল কামনা করে, আমি তাকে তার কিছু দিয়ে দেই এবং পরকালে তার কোন অংশ থাকবে না।
▶
مَن
man
যে
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
يُرِيدُ
yurīdu
কামনা করে
▶
حَرْثَ
ḥartha
ফসল
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
পরকালের
▶
نَزِدْ
nazid
বাড়িয়ে দিই আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
حَرْثِهِۦ ۖ
ḥarthihi
তার ফসলের
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
يُرِيدُ
yurīdu
কামনা করে
▶
حَرْثَ
ḥartha
ফসল
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
দুনিয়ার
▶
نُؤْتِهِۦ
nu'tihi
তাকে দিই আমরা
▶
مِنْهَا
min'hā
তা থেকে কিছু
▶
وَمَا
wamā
এবং নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
পরকালের
▶
مِن
min
কোনো
▶
نَّصِيبٍ
naṣībin
অংশ
আয়াত 21 - সূরা الشورى: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ لَهُمْ شُرَكَـٰٓؤُا۟ شَرَعُوا۟ لَهُم مِّنَ ٱلدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَنۢ بِهِ ٱللَّهُ ۚ وَلَوْلَا كَلِمَةُ ٱلْفَصْلِ لَقُضِىَ بَيْنَهُمْ ۗ وَإِنَّ ٱلظَّـٰلِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ
তাদের কি এমন শরীক দেবতা আছে, যারা তাদের জন্যে সে ধর্ম সিদ্ধ করেছে, যার অনুমতি আল্লাহ দেননি ? যদি চুড়ান্ত সিন্ধান্ত না থাকত, তবে তাদের ব্যাপারে ফয়সালা হয়ে যেত। নিশ্চয় যালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
▶
أَمْ
am
তবে কি
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে আছে
▶
شُرَكَـٰٓؤُا۟
shurakāu
(কতক) শরিক
▶
شَرَعُوا۟
sharaʿū
(যারা) বিধান দিয়েছে
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে (ভিন্ন কিছু)
▶
مِّنَ
mina
থেকে
▶
ٱلدِّينِ
l-dīni
ধর্মের
▶
مَا
mā
যার
▶
لَمْ
lam
না
▶
يَأْذَنۢ
yadhan
অনুমতি দেন নি
▶
بِهِ
bihi
সে সম্পর্কে
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَلَوْلَا
walawlā
এবং যদি না (নির্ধারিত হতো)
▶
كَلِمَةُ
kalimatu
একটি কথা
▶
ٱلْفَصْلِ
l-faṣli
মীমাংসার
▶
لَقُضِىَ
laquḍiya
চুড়ান্ত করে দেওয়া হতো অবশ্যই
▶
بَيْنَهُمْ ۗ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
وَإِنَّ
wa-inna
এবং নিশ্চয়ই
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীরা
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে (রয়েছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
যন্ত্রণাদায়ক
আয়াত 22 - সূরা الشورى: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تَرَى ٱلظَّـٰلِمِينَ مُشْفِقِينَ مِمَّا كَسَبُوا۟ وَهُوَ وَاقِعٌۢ بِهِمْ ۗ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فِى رَوْضَاتِ ٱلْجَنَّاتِ ۖ لَهُم مَّا يَشَآءُونَ عِندَ رَبِّهِمْ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَضْلُ ٱلْكَبِيرُ
আপনি কাফেরদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে ভীতসন্ত্রস্ত দেখবেন। তাদের কর্মের শাস্তি অবশ্যই তাদের উপর পতিত হবে। আর যারা মুমিন ও সৎকর্মী, তারা জান্নাতের উদ্যানে থাকবে। তারা যা চাইবে, তাই তাদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। এটাই বড় পুরস্কার।
▶
تَرَى
tarā
দেখবে তুমি
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে
▶
مُشْفِقِينَ
mush'fiqīna
ভীত অবস্থায়
▶
مِمَّا
mimmā
ঐ বিষয়ে যা
▶
كَسَبُوا۟
kasabū
তারা কামাই করেছে
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তা
▶
وَاقِعٌۢ
wāqiʿun
পতিত হবেই
▶
بِهِمْ ۗ
bihim
তাদের উপর
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
فِى
fī
মধ্যে (হবে)
▶
رَوْضَاتِ
rawḍāti
বাগানসমূহের
▶
ٱلْجَنَّاتِ ۖ
l-janāti
জান্নাতের
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে রয়েছে
▶
مَّا
mā
যা
▶
يَشَآءُونَ
yashāūna
তারা ইচ্ছে করবে
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ ۚ
rabbihim
তাদের রবের
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটাই
▶
هُوَ
huwa
সেই
▶
ٱلْفَضْلُ
l-faḍlu
অনুগ্রহ
▶
ٱلْكَبِيرُ
l-kabīru
মহা
আয়াত 23 - সূরা الشورى: 29 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ذَٰلِكَ ٱلَّذِى يُبَشِّرُ ٱللَّهُ عِبَادَهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ ۗ قُل لَّآ أَسْـَٔلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِلَّا ٱلْمَوَدَّةَ فِى ٱلْقُرْبَىٰ ۗ وَمَن يَقْتَرِفْ حَسَنَةًۭ نَّزِدْ لَهُۥ فِيهَا حُسْنًا ۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ شَكُورٌ
এরই সুসংবাদ দেন আল্লাহ তার সেসব বান্দাকে, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে। বলুন, আমি আমার দাওয়াতের জন্যে তোমাদের কাছে কেবল আত্নীয়তাজনিত সৌহার্দ চাই। যে কেউ উত্তম কাজ করে, আমি তার জন্যে তাতে পুণ্য বাড়িয়ে দেই। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, গুণগ্রাহী।
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটাই
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যার
▶
يُبَشِّرُ
yubashiru
সুসংবাদ দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عِبَادَهُ
ʿibādahu
তাঁর দাসদেরকে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করেছে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ ۗ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
قُل
qul
(হে নাবী) বলো
▶
لَّآ
lā
"না
▶
أَسْـَٔلُكُمْ
asalukum
তোমাদের কাছে চাই আমি
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
أَجْرًا
ajran
কোনো পারিশ্রমিক
▶
إِلَّا
illā
কিন্তু
▶
ٱلْمَوَدَّةَ
l-mawadata
ভালোবাসা
▶
فِى
fī
আছে
▶
ٱلْقُرْبَىٰ ۗ
l-qur'bā
আত্মীয়ের"
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
يَقْتَرِفْ
yaqtarif
অর্জন করবে
▶
حَسَنَةًۭ
ḥasanatan
ভালো কাজ
▶
نَّزِدْ
nazid
বাড়িয়ে দিই আমরা
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
فِيهَا
fīhā
তার মধ্যে
▶
حُسْنًا ۚ
ḥus'nan
কল্যাণ
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَفُورٌۭ
ghafūrun
ক্ষমাশীল
▶
شَكُورٌ
shakūrun
গুণগ্রাহী
আয়াত 24 - সূরা الشورى: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًۭا ۖ فَإِن يَشَإِ ٱللَّهُ يَخْتِمْ عَلَىٰ قَلْبِكَ ۗ وَيَمْحُ ٱللَّهُ ٱلْبَـٰطِلَ وَيُحِقُّ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَـٰتِهِۦٓ ۚ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ
নাকি তারা একথা বলে যে, তিনি আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করেছেন? আল্লাহ ইচ্ছা করলে আপনার অন্তরে মোহর এঁটে দিতেন। বস্তুতঃ তিনি মিথ্যাকে মিটিয়ে দেন এবং নিজ বাক্য দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নিশ্চয় তিনি অন্তর্নিহিত বিষয় সম্পর্কে সর্বিশেষ জ্ঞাত।
▶
أَمْ
am
তবে কি
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
(এই লোকেরা) বলে
▶
ٱفْتَرَىٰ
if'tarā
"সে রচনা করেছে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
كَذِبًۭا ۖ
kadhiban
মিথ্যা"
▶
فَإِن
fa-in
তবে যদি
▶
يَشَإِ
yasha-i
ইচ্ছে করতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
يَخْتِمْ
yakhtim
সীল করে দিতেন
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
قَلْبِكَ ۗ
qalbika
তোমার অন্তরের
▶
وَيَمْحُ
wayamḥu
আর মুছে দেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْبَـٰطِلَ
l-bāṭila
অসত্যকে
▶
وَيُحِقُّ
wayuḥiqqu
এবং প্রতিষ্ঠিত করেন
▶
ٱلْحَقَّ
l-ḥaqa
সত্যকে
▶
بِكَلِمَـٰتِهِۦٓ ۚ
bikalimātihi
তাঁর বাণী দিয়ে
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তিনি নিশ্চয়ই
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
খুব অবহিত
▶
بِذَاتِ
bidhāti
অবস্থা সম্পর্কে
▶
ٱلصُّدُورِ
l-ṣudūri
অন্তরসমূহের
আয়াত 25 - সূরা الشورى: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَهُوَ ٱلَّذِى يَقْبَلُ ٱلتَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِۦ وَيَعْفُوا۟ عَنِ ٱلسَّيِّـَٔاتِ وَيَعْلَمُ مَا تَفْعَلُونَ
তিনি তাঁর বান্দাদের তওবা কবুল করেন পাপসমূহ মার্জনা করেন এবং তোমাদের কৃত বিষয় সম্পর্কে অবগত রয়েছেন।
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনিই (আল্লাহ)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
يَقْبَلُ
yaqbalu
কবুল করেন
▶
ٱلتَّوْبَةَ
l-tawbata
তওবা
▶
عَنْ
ʿan
থেকে
▶
عِبَادِهِۦ
ʿibādihi
তাঁর দাসদের
▶
وَيَعْفُوا۟
wayaʿfū
এবং মোচন করেন
▶
عَنِ
ʿani
থেকে
▶
ٱلسَّيِّـَٔاتِ
l-sayiāti
পাপসমূহ
▶
وَيَعْلَمُ
wayaʿlamu
অথচ তিনি জানেন
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
تَفْعَلُونَ
tafʿalūna
তোমরা করছো
আয়াত 26 - সূরা الشورى: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَسْتَجِيبُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ وَيَزِيدُهُم مِّن فَضْلِهِۦ ۚ وَٱلْكَـٰفِرُونَ لَهُمْ عَذَابٌۭ شَدِيدٌۭ
তিনি মুমিন ও সৎকর্মীদের দোয়া শোনেন এবং তাদের প্রতি স্বীয় অনুগ্রহ বাড়িয়ে দেন। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।
▶
وَيَسْتَجِيبُ
wayastajību
এবং তিনি ডাকে সাড়া দেন
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান আনে
▶
وَعَمِلُوا۟
waʿamilū
ও কাজ করে
▶
ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ
l-ṣāliḥāti
সৎ
▶
وَيَزِيدُهُم
wayazīduhum
এবং বৃদ্ধি করেন তাদেরকে
▶
مِّن
min
হ'তে
▶
فَضْلِهِۦ ۚ
faḍlihi
তাঁর অনুগ্রহ
▶
وَٱلْكَـٰفِرُونَ
wal-kāfirūna
এবং কাফেরদের (অবস্থা হলো)
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে রয়েছে
▶
عَذَابٌۭ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
شَدِيدٌۭ
shadīdun
কঠিন
আয়াত 27 - সূরা الشورى: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَلَوْ بَسَطَ ٱللَّهُ ٱلرِّزْقَ لِعِبَادِهِۦ لَبَغَوْا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَـٰكِن يُنَزِّلُ بِقَدَرٍۢ مَّا يَشَآءُ ۚ إِنَّهُۥ بِعِبَادِهِۦ خَبِيرٌۢ بَصِيرٌۭ
যদি আল্লাহ তাঁর সকল বান্দাকে প্রচুর রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। কিন্তু তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছা সে পরিমাণ নাযিল করেন। নিশ্চয় তিনি তাঁর বান্দাদের খবর রাখেন ও সবকিছু দেখেন।
▶
۞ وَلَوْ
walaw
এবং যদি
▶
بَسَطَ
basaṭa
প্রচুর দিতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلرِّزْقَ
l-riz'qa
জীবিকা
▶
لِعِبَادِهِۦ
liʿibādihi
তাঁর দাসদের জন্যে
▶
لَبَغَوْا۟
labaghaw
তারা অবশ্যই বিপর্যয় সৃষ্টি করতো
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
يُنَزِّلُ
yunazzilu
দেন
▶
بِقَدَرٍۢ
biqadarin
একটি পরিমাণ মত
▶
مَّا
mā
যা
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
بِعِبَادِهِۦ
biʿibādihi
তাঁর দাসদের সম্পর্কে
▶
خَبِيرٌۢ
khabīrun
খুব অবহিত
▶
بَصِيرٌۭ
baṣīrun
সবকিছুই দেখেন
আয়াত 28 - সূরা الشورى: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَهُوَ ٱلَّذِى يُنَزِّلُ ٱلْغَيْثَ مِنۢ بَعْدِ مَا قَنَطُوا۟ وَيَنشُرُ رَحْمَتَهُۥ ۚ وَهُوَ ٱلْوَلِىُّ ٱلْحَمِيدُ
মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পরে তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন। তিনিই কার্যনির্বাহী, প্রশংসিত।
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনিই(আল্লাহ)
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
يُنَزِّلُ
yunazzilu
বর্ষণ করেন
▶
ٱلْغَيْثَ
l-ghaytha
বৃষ্টি
▶
مِنۢ
min
মধ্য হতে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
مَا
mā
যখন
▶
قَنَطُوا۟
qanaṭū
তারা নিরাশ হয়
▶
وَيَنشُرُ
wayanshuru
এবং বিস্তার করেন
▶
رَحْمَتَهُۥ ۚ
raḥmatahu
তাঁর করুণা
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনিই
▶
ٱلْوَلِىُّ
l-waliyu
অভিভাবক (ওলী)
▶
ٱلْحَمِيدُ
l-ḥamīdu
প্রশংসিত
আয়াত 29 - সূরা الشورى: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنْ ءَايَـٰتِهِۦ خَلْقُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَثَّ فِيهِمَا مِن دَآبَّةٍۢ ۚ وَهُوَ عَلَىٰ جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَآءُ قَدِيرٌۭ
তাঁর এক নিদর্শন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি যখন ইচ্ছা এগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম।
▶
وَمِنْ
wamin
এবং মধ্য হ'তে (রয়েছে)
▶
ءَايَـٰتِهِۦ
āyātihi
তাঁর নিদর্শনাবলীর
▶
خَلْقُ
khalqu
সৃষ্টি
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
بَثَّ
batha
ছড়িয়ে দিয়েছেন
▶
فِيهِمَا
fīhimā
তার উভয়ের মধ্যে
▶
مِن
min
(বিভিন্ন) ধরণের
▶
دَآبَّةٍۢ ۚ
dābbatin
জীবজন্তু
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
جَمْعِهِمْ
jamʿihim
তাদের একত্রিত করার
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
يَشَآءُ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করবেন
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
সক্ষম
আয়াত 30 - সূরা الشورى: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَآ أَصَـٰبَكُم مِّن مُّصِيبَةٍۢ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُوا۟ عَن كَثِيرٍۢ
তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।
▶
وَمَآ
wamā
এবং যা
▶
أَصَـٰبَكُم
aṣābakum
তোমাদের পৌঁছে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
مُّصِيبَةٍۢ
muṣībatin
বিপদ
▶
فَبِمَا
fabimā
তা এ কারণে যা
▶
كَسَبَتْ
kasabat
কামাই করেছে
▶
أَيْدِيكُمْ
aydīkum
তোমাদের হাতগুলো
▶
وَيَعْفُوا۟
wayaʿfū
এবং তিনি ক্ষমা করেন
▶
عَن
ʿan
থেকে
▶
كَثِيرٍۢ
kathīrin
অনেককিছু (নিজের থেকে)
আয়াত 31 - সূরা الشورى: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَآ أَنتُم بِمُعْجِزِينَ فِى ٱلْأَرْضِ ۖ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ مِن وَلِىٍّۢ وَلَا نَصِيرٍۢ
তোমরা পৃথিবীতে পলায়ন করে আল্লাহকে অক্ষম করতে পার না এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন কার্যনির্বাহী নেই, সাহায্যকারীও নেই।
▶
وَمَآ
wamā
এবং নও
▶
أَنتُم
antum
তোমরা
▶
بِمُعْجِزِينَ
bimuʿ'jizīna
অক্ষমকারী (আল্লাহকে)
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ ۖ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
وَمَا
wamā
আর নেই (আছে)
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّن
min
থেকে
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
مِن
min
কোনো
▶
وَلِىٍّۢ
waliyyin
অভিভাবক
▶
وَلَا
walā
আর নেই
▶
نَصِيرٍۢ
naṣīrin
কোন সাহায্যকারী
আয়াত 32 - সূরা الشورى: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمِنْ ءَايَـٰتِهِ ٱلْجَوَارِ فِى ٱلْبَحْرِ كَٱلْأَعْلَـٰمِ
সমুদ্রে ভাসমান পর্বতসম জাহাজসমূহ তাঁর অন্যতম নিদর্শন।
▶
وَمِنْ
wamin
এবং মধ্যে রয়েছে
▶
ءَايَـٰتِهِ
āyātihi
তাঁর নিদর্শনাবলী
▶
ٱلْجَوَارِ
l-jawāri
নৌযানসমূহ
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْبَحْرِ
l-baḥri
সাগরের
▶
كَٱلْأَعْلَـٰمِ
kal-aʿlāmi
পাহাড়ের মতো
আয়াত 33 - সূরা الشورى: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن يَشَأْ يُسْكِنِ ٱلرِّيحَ فَيَظْلَلْنَ رَوَاكِدَ عَلَىٰ ظَهْرِهِۦٓ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّكُلِّ صَبَّارٍۢ شَكُورٍ
তিনি ইচ্ছা করলে বাতাসকে থামিয়ে দেন। তখন জাহাজসমূহ সমুদ্রপৃষ্ঠে নিশ্চল হয়ে পড়ে যেন পাহাড়। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক সবরকারী, কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
▶
إِن
in
যদি
▶
يَشَأْ
yasha
ইচ্ছে করেন তিনি
▶
يُسْكِنِ
yus'kini
(থামিয়ে দিবেন) ধরে রাখবেন
▶
ٱلرِّيحَ
l-rīḥa
বাতাসকে
▶
فَيَظْلَلْنَ
fayaẓlalna
ফলে তা হয়ে যাবে
▶
رَوَاكِدَ
rawākida
নিশ্চল
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
ظَهْرِهِۦٓ ۚ
ẓahrihi
তার উপরিভাগের
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে রয়েছে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَـَٔايَـٰتٍۢ
laāyātin
অবশ্যই নিদর্শনাবলী
▶
لِّكُلِّ
likulli
জন্যে প্রত্যেক
▶
صَبَّارٍۢ
ṣabbārin
পূর্ণ ধৈর্য্যশীলের
▶
شَكُورٍ
shakūrin
কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারীর
আয়াত 34 - সূরা الشورى: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ يُوبِقْهُنَّ بِمَا كَسَبُوا۟ وَيَعْفُ عَن كَثِيرٍۢ
অথবা তাদের কৃতকর্মের জন্যে সেগুলোকে ধ্বংস করে দেন এবং অনেককে ক্ষমাও করে দেন।
▶
أَوْ
aw
বা
▶
يُوبِقْهُنَّ
yūbiq'hunna
সেগুলো (ডুবিয়ে দিতে) ধ্বংস করতে পারেন
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যা
▶
كَسَبُوا۟
kasabū
তারা কামাই করেছে
▶
وَيَعْفُ
wayaʿfu
এ অবস্থায় যখন মাফ করেও দেন
▶
عَن
ʿan
থেকে
▶
كَثِيرٍۢ
kathīrin
অনেক কিছু
আয়াত 35 - সূরা الشورى: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَعْلَمَ ٱلَّذِينَ يُجَـٰدِلُونَ فِىٓ ءَايَـٰتِنَا مَا لَهُم مِّن مَّحِيصٍۢ
এবং যারা আমার ক্ষমতা সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা যেন জানে যে, তাদের কোন পলায়নের জায়গা নেই।
▶
وَيَعْلَمَ
wayaʿlama
এবং (তখন) জানতে পারবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يُجَـٰدِلُونَ
yujādilūna
বিতর্ক করে
▶
فِىٓ
fī
সম্পর্কে
▶
ءَايَـٰتِنَا
āyātinā
আমাদের নিদর্শনাবলী
▶
مَا
mā
নেই
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
مَّحِيصٍۢ
maḥīṣin
আশ্রয়স্থল
আয়াত 36 - সূরা الشورى: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَمَآ أُوتِيتُم مِّن شَىْءٍۢ فَمَتَـٰعُ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَمَا عِندَ ٱللَّهِ خَيْرٌۭ وَأَبْقَىٰ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ
অতএব, তোমাদেরকে যা দেয়া হয়েছে তা পার্থিব জীবনের ভোগ মাত্র। আর আল্লাহর কাছে যা রয়েছে, তা উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী তাদের জন্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও তাদের পালনকর্তার উপর ভরসা করে।
▶
فَمَآ
famā
বস্তুতঃ যা
▶
أُوتِيتُم
ūtītum
তোমাদের দেওয়া হয়েছে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
شَىْءٍۢ
shayin
কিছু
▶
فَمَتَـٰعُ
famatāʿu
তা ভোগসামগ্রী
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا ۖ
l-dun'yā
পার্থিব
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছূ
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে আছে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
خَيْرٌۭ
khayrun
(তাই) উত্তম
▶
وَأَبْقَىٰ
wa-abqā
এবং অধিক স্থায়ী
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্যে যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
وَعَلَىٰ
waʿalā
এবং উপর
▶
رَبِّهِمْ
rabbihim
তাদের রবের
▶
يَتَوَكَّلُونَ
yatawakkalūna
তারা নির্ভর করে
আয়াত 37 - সূরা الشورى: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَـٰٓئِرَ ٱلْإِثْمِ وَٱلْفَوَٰحِشَ وَإِذَا مَا غَضِبُوا۟ هُمْ يَغْفِرُونَ
যারা বড় গোনাহ ও অশ্লীল কার্য থেকে বেঁচে থাকে এবং ক্রোধাম্বিত হয়েও ক্ষমা করে,
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
يَجْتَنِبُونَ
yajtanibūna
বেঁচে থাকে
▶
كَبَـٰٓئِرَ
kabāira
গুরুতর
▶
ٱلْإِثْمِ
l-ith'mi
পাপ
▶
وَٱلْفَوَٰحِشَ
wal-fawāḥisha
ও অশ্লীল কার্য সমূহ (হ'তে)
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
مَا
mā
যা
▶
غَضِبُوا۟
ghaḍibū
তারা রাগান্বিত হয়
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَغْفِرُونَ
yaghfirūna
মাফ করে দেয়
আয়াত 38 - সূরা الشورى: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ ٱسْتَجَابُوا۟ لِرَبِّهِمْ وَأَقَامُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ وَمِمَّا رَزَقْنَـٰهُمْ يُنفِقُونَ
যারা তাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য করে, নামায কায়েম করে; পারস্পরিক পরামর্শক্রমে কাজ করে এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে,
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ٱسْتَجَابُوا۟
is'tajābū
সাড়া দেয় ডাকে
▶
لِرَبِّهِمْ
lirabbihim
তাদের রবের
▶
وَأَقَامُوا۟
wa-aqāmū
প্রতিষ্ঠা করে
▶
ٱلصَّلَوٰةَ
l-ṣalata
সালাত
▶
وَأَمْرُهُمْ
wa-amruhum
এবং তাদের কাজ (সম্পন্ন করে)
▶
شُورَىٰ
shūrā
পরামর্শেরর মাধ্যমে
▶
بَيْنَهُمْ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
وَمِمَّا
wamimmā
এবং তা হতে যা
▶
رَزَقْنَـٰهُمْ
razaqnāhum
তাদের আমরা জীবিকা দিয়েছি
▶
يُنفِقُونَ
yunfiqūna
তারা ব্যয় করে
আয়াত 39 - সূরা الشورى: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ إِذَآ أَصَابَهُمُ ٱلْبَغْىُ هُمْ يَنتَصِرُونَ
যারা আক্রান্ত হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা (এমন যে)
▶
إِذَآ
idhā
যখন
▶
أَصَابَهُمُ
aṣābahumu
তাদের পৌঁছে
▶
ٱلْبَغْىُ
l-baghyu
নির্যাতন (বাড়াবাড়ি)
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَنتَصِرُونَ
yantaṣirūna
প্রতিশোধ গ্রহণ করে (মোকাবেলা করে)
আয়াত 40 - সূরা الشورى: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَجَزَٰٓؤُا۟ سَيِّئَةٍۢ سَيِّئَةٌۭ مِّثْلُهَا ۖ فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُۥ عَلَى ٱللَّهِ ۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلظَّـٰلِمِينَ
আর মন্দের প্রতিফল তো অনুরূপ মন্দই। যে ক্ষমা করে ও আপোষ করে তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে; নিশ্চয় তিনি অত্যাচারীদেরকে পছন্দ করেন নাই।
▶
وَجَزَٰٓؤُا۟
wajazāu
এবং প্রতিফল
▶
سَيِّئَةٍۢ
sayyi-atin
মন্দের
▶
سَيِّئَةٌۭ
sayyi-atun
মন্দ
▶
مِّثْلُهَا ۖ
mith'luhā
তার সমান
▶
فَمَنْ
faman
তবে যে
▶
عَفَا
ʿafā
ক্ষমা করবে
▶
وَأَصْلَحَ
wa-aṣlaḥa
ও আপোষ নিষ্পত্তি করবে
▶
فَأَجْرُهُۥ
fa-ajruhu
তবে তার পুরষ্কার (রয়েছে)
▶
عَلَى
ʿalā
কাছে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তিনি নিশ্চয়ই
▶
لَا
lā
না
▶
يُحِبُّ
yuḥibbu
ভালোবাসেন
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে
আয়াত 41 - সূরা الشورى: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَمَنِ ٱنتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهِۦ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ مَا عَلَيْهِم مِّن سَبِيلٍ
নিশ্চয় যে অত্যাচারিত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে, তাদের বিরুদ্ধেও কোন অভিযোগ নেই।
▶
وَلَمَنِ
walamani
এবং অবশ্য যে
▶
ٱنتَصَرَ
intaṣara
প্রতিশোধ নেয়
▶
بَعْدَ
baʿda
পরে
▶
ظُلْمِهِۦ
ẓul'mihi
তার নির্যাতনের
▶
فَأُو۟لَـٰٓئِكَ
fa-ulāika
তাদের তবে
▶
مَا
mā
নেই
▶
عَلَيْهِم
ʿalayhim
তাদের বিরুদ্ধে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
سَبِيلٍ
sabīlin
ব্যবস্থা
আয়াত 42 - সূরা الشورى: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّمَا ٱلسَّبِيلُ عَلَى ٱلَّذِينَ يَظْلِمُونَ ٱلنَّاسَ وَيَبْغُونَ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ
অভিযোগ কেবল তাদের বিরুদ্ধে, যারা মানুষের উপর অত্যাচার চালায় এবং পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে বিদ্রোহ করে বেড়ায়। তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
▶
إِنَّمَا
innamā
কেবল
▶
ٱلسَّبِيلُ
l-sabīlu
ব্যবস্থা গ্রহণ
▶
عَلَى
ʿalā
বিরুদ্ধে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
يَظْلِمُونَ
yaẓlimūna
অত্যাচার করে
▶
ٱلنَّاسَ
l-nāsa
মানুষের (উপর)
▶
وَيَبْغُونَ
wayabghūna
এবং বিদ্রোহ করে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ছাড়া
▶
ٱلْحَقِّ ۚ
l-ḥaqi
অহেতুক
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে (রয়েছে)
▶
عَذَابٌ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
أَلِيمٌۭ
alīmun
যন্ত্রণাদায়ক
আয়াত 43 - সূরা الشورى: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَمَن صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمِنْ عَزْمِ ٱلْأُمُورِ
অবশ্যই যে সবর করে ও ক্ষমা করে নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ।
▶
وَلَمَن
walaman
এবং যে অবশ্য
▶
صَبَرَ
ṣabara
ধৈর্য্য ধরে
▶
وَغَفَرَ
waghafara
ও মাফ করে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
لَمِنْ
lamin
অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত
▶
عَزْمِ
ʿazmi
দৃঢ়সংকল্পের (উচ্চমানের)
▶
ٱلْأُمُورِ
l-umūri
কাজসমুহের
আয়াত 44 - সূরা الشورى: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِن وَلِىٍّۢ مِّنۢ بَعْدِهِۦ ۗ وَتَرَى ٱلظَّـٰلِمِينَ لَمَّا رَأَوُا۟ ٱلْعَذَابَ يَقُولُونَ هَلْ إِلَىٰ مَرَدٍّۢ مِّن سَبِيلٍۢ
আল্লাহ যাকে পথ ভ্রষ্ট করেন, তার জন্যে তিনি ব্যতীত কোন কার্যনির্বাহী নেই। পাপাচারীরা যখন আযাব প্রত্যক্ষ করবে, তখন আপনি তাদেরকে দেখবেন যে, তারা বলছে আমাদের ফিরে যাওয়ার কোন উপায় আছে কি?
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يُضْلِلِ
yuḍ'lili
পথভ্রষ্ট করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَمَا
famā
তখন নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
مِن
min
কোনো
▶
وَلِىٍّۢ
waliyyin
অভিভাবক
▶
مِّنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِهِۦ ۗ
baʿdihi
পরে তাঁর
▶
وَتَرَى
watarā
এবং তুমি দেখবে
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে
▶
لَمَّا
lammā
যখন
▶
رَأَوُا۟
ra-awū
তারা দেখবে
▶
ٱلْعَذَابَ
l-ʿadhāba
শাস্তি
▶
يَقُولُونَ
yaqūlūna
তারা বলবে
▶
هَلْ
hal
"কি (আছে)
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
مَرَدٍّۢ
maraddin
ফেরার
▶
مِّن
min
কোনো
▶
سَبِيلٍۢ
sabīlin
উপায়"
আয়াত 45 - সূরা الشورى: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَتَرَىٰهُمْ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا خَـٰشِعِينَ مِنَ ٱلذُّلِّ يَنظُرُونَ مِن طَرْفٍ خَفِىٍّۢ ۗ وَقَالَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِنَّ ٱلْخَـٰسِرِينَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ أَلَآ إِنَّ ٱلظَّـٰلِمِينَ فِى عَذَابٍۢ مُّقِيمٍۢ
জাহান্নামের সামনে উপস্থিত করার সময় আপনি তাদেরকে দেখবেন, অপমানে অবনত এবং অর্ধ নিমীলিত দৃষ্টিতে তাকায়। মুমিনরা বলবে, কেয়ামতের দিন ক্ষতিগ্রস্ত তারাই, যারা নিজেদের ও তাদের পরিবার-পরিজনের ক্ষতি সাধন করেছে। শুনে রাখ, পাপাচারীরা স্থায়ী আযাবে থাকবে।
▶
وَتَرَىٰهُمْ
watarāhum
এবং তাদের দেখবে তুমি
▶
يُعْرَضُونَ
yuʿ'raḍūna
উপস্থিত করা হচ্ছে
▶
عَلَيْهَا
ʿalayhā
তার (অর্থাৎ জাহান্নামের) কাছে
▶
خَـٰشِعِينَ
khāshiʿīna
অবনত হয়ে থাকবে
▶
مِنَ
mina
কারণে
▶
ٱلذُّلِّ
l-dhuli
অপমানের
▶
يَنظُرُونَ
yanẓurūna
তারা দেখবে
▶
مِن
min
দিয়ে
▶
طَرْفٍ
ṭarfin
দৃষ্টি
▶
خَفِىٍّۢ ۗ
khafiyyin
গোপন
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوٓا۟
āmanū
ঈমান এনেছে
▶
إِنَّ
inna
"নিশ্চয়ই
▶
ٱلْخَـٰسِرِينَ
l-khāsirīna
ক্ষতিগ্রস্ত (তারাই)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
خَسِرُوٓا۟
khasirū
ক্ষতি সাধন করেছে
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদেরকে
▶
وَأَهْلِيهِمْ
wa-ahlīhim
এবং তাদের পরিবারকে (সঙ্গী-সাথীদেরকে)
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
أَلَآ
alā
জেনে রাখো
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱلظَّـٰلِمِينَ
l-ẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীরা
▶
فِى
fī
মধ্যে (থাকবে)
▶
عَذَابٍۢ
ʿadhābin
শাস্তির
▶
مُّقِيمٍۢ
muqīmin
স্থায়ী
আয়াত 46 - সূরা الشورى: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا كَانَ لَهُم مِّنْ أَوْلِيَآءَ يَنصُرُونَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ ۗ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِن سَبِيلٍ
আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না, যে তাদেরকে সাহায্য করবে। আল্লাহ তা’আলা যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন গতি নেই।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
كَانَ
kāna
হবে
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে
▶
مِّنْ
min
কোনো
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
অভিভাবক
▶
يَنصُرُونَهُم
yanṣurūnahum
তাদেরকে সাহায্য করতে
▶
مِّن
min
থেকে
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ ۗ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يُضْلِلِ
yuḍ'lili
পথভ্রষ্ট করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَمَا
famā
তখন নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
مِن
min
কোনো
▶
سَبِيلٍ
sabīlin
পথ
আয়াত 47 - সূরা الشورى: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱسْتَجِيبُوا۟ لِرَبِّكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌۭ لَّا مَرَدَّ لَهُۥ مِنَ ٱللَّهِ ۚ مَا لَكُم مِّن مَّلْجَإٍۢ يَوْمَئِذٍۢ وَمَا لَكُم مِّن نَّكِيرٍۢ
আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে অবশ্যম্ভাবী দিবস আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য কর। সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তা নিরোধকারী কেউ থাকবে না।
▶
ٱسْتَجِيبُوا۟
is'tajībū
তোমরা ডাকে সাড়া দাও (মেনে নাও)
▶
لِرَبِّكُم
lirabbikum
তোমাদের রবের (কথা)
▶
مِّن
min
থেকে
▶
قَبْلِ
qabli
(এর) পূর্বেই
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْتِىَ
yatiya
আসবে
▶
يَوْمٌۭ
yawmun
(এমন) দিন
▶
لَّا
lā
নেই
▶
مَرَدَّ
maradda
প্রতিরোধ
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
مِنَ
mina
থেকে
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مَا
mā
নেই
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
مَّلْجَإٍۢ
malja-in
আশ্রয়স্থল
▶
يَوْمَئِذٍۢ
yawma-idhin
সেদিন
▶
وَمَا
wamā
আর নেই
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّن
min
কোনো
▶
نَّكِيرٍۢ
nakīrin
প্রতিরোধকারী
আয়াত 48 - সূরা الشورى: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِنْ أَعْرَضُوا۟ فَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا ۖ إِنْ عَلَيْكَ إِلَّا ٱلْبَلَـٰغُ ۗ وَإِنَّآ إِذَآ أَذَقْنَا ٱلْإِنسَـٰنَ مِنَّا رَحْمَةًۭ فَرِحَ بِهَا ۖ وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌۢ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ فَإِنَّ ٱلْإِنسَـٰنَ كَفُورٌۭ
যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আপনাকে আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উল্লসিত, আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট ঘটে, তখন মানুষ খুব অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।
▶
فَإِنْ
fa-in
অতএব যদি
▶
أَعْرَضُوا۟
aʿraḍū
তারা মুখ ফেরায়
▶
فَمَآ
famā
তবে না
▶
أَرْسَلْنَـٰكَ
arsalnāka
তোমাকে আমরা পাঠিয়েছি
▶
عَلَيْهِمْ
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
حَفِيظًا ۖ
ḥafīẓan
রক্ষক করে
▶
إِنْ
in
নেই
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর (দায়িত্ব)
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
ٱلْبَلَـٰغُ ۗ
l-balāghu
পৌঁছানো
▶
وَإِنَّآ
wa-innā
এবং নিশ্চয়ই আমরা
▶
إِذَآ
idhā
যখন
▶
أَذَقْنَا
adhaqnā
আস্বাদন করাই
▶
ٱلْإِنسَـٰنَ
l-insāna
মানুষকে
▶
مِنَّا
minnā
আমাদের থেকে
▶
رَحْمَةًۭ
raḥmatan
অনুগ্রহ
▶
فَرِحَ
fariḥa
উৎফুল্ল হয়
▶
بِهَا ۖ
bihā
তা দ্বারা
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تُصِبْهُمْ
tuṣib'hum
তাদের পৌঁছে
▶
سَيِّئَةٌۢ
sayyi-atun
অনিষ্ট
▶
بِمَا
bimā
এ কারণে যা
▶
قَدَّمَتْ
qaddamat
আগে করেছে
▶
أَيْدِيهِمْ
aydīhim
তাদের হাতগুলো
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চয়ই তখন
▶
ٱلْإِنسَـٰنَ
l-insāna
মানুষ
▶
كَفُورٌۭ
kafūrun
অকৃতজ্ঞ হয়
আয়াত 49 - সূরা الشورى: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِّلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُ ۚ يَهَبُ لِمَن يَشَآءُ إِنَـٰثًۭا وَيَهَبُ لِمَن يَشَآءُ ٱلذُّكُورَ
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহ তা’আলারই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা-সন্তান এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন।
▶
لِّلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্যে
▶
مُلْكُ
mul'ku
সার্বভৌমত্ব
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۚ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
يَخْلُقُ
yakhluqu
তিনি সৃষ্টি করেন
▶
مَا
mā
যা
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
يَهَبُ
yahabu
তিনি দেন
▶
لِمَن
liman
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
إِنَـٰثًۭا
ināthan
কন্যাসমূহ
▶
وَيَهَبُ
wayahabu
এবং তিনি দেন
▶
لِمَن
liman
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
ٱلذُّكُورَ
l-dhukūra
পুত্রসমূহ
আয়াত 50 - সূরা الشورى: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًۭا وَإِنَـٰثًۭا ۖ وَيَجْعَلُ مَن يَشَآءُ عَقِيمًا ۚ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۭ قَدِيرٌۭ
অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, ক্ষমতাশীল।
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يُزَوِّجُهُمْ
yuzawwijuhum
তাদেরকে মিলিয়ে দেন
▶
ذُكْرَانًۭا
dhuk'rānan
পুত্রসমূহ
▶
وَإِنَـٰثًۭا ۖ
wa-ināthan
ও কন্যাসমূহ
▶
وَيَجْعَلُ
wayajʿalu
এবং করে দেন
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
عَقِيمًا ۚ
ʿaqīman
বন্ধ্যা
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তিনি নিশ্চয়ই
▶
عَلِيمٌۭ
ʿalīmun
সর্বজ্ঞ (সবকিছু জানেন)
▶
قَدِيرٌۭ
qadīrun
সর্বশক্তিমান
আয়াত 51 - সূরা الشورى: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَمَا كَانَ لِبَشَرٍ أَن يُكَلِّمَهُ ٱللَّهُ إِلَّا وَحْيًا أَوْ مِن وَرَآئِ حِجَابٍ أَوْ يُرْسِلَ رَسُولًۭا فَيُوحِىَ بِإِذْنِهِۦ مَا يَشَآءُ ۚ إِنَّهُۥ عَلِىٌّ حَكِيمٌۭ
কোন মানুষের জন্য এমন হওয়ার নয় যে, আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন। কিন্তু ওহীর মাধ্যমে অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে অথবা তিনি কোন দূত প্রেরণ করবেন, অতঃপর আল্লাহ যা চান, সে তা তাঁর অনুমতিক্রমে পৌঁছে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বোচ্চ প্রজ্ঞাময়।
▶
۞ وَمَا
wamā
এবং নয় (মর্যাদা)
▶
كَانَ
kāna
ছিল
▶
لِبَشَرٍ
libasharin
মানুষের জন্যে
▶
أَن
an
যে
▶
يُكَلِّمَهُ
yukallimahu
তার সাথে কথা বলবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
إِلَّا
illā
ছাড়া
▶
وَحْيًا
waḥyan
ওহী
▶
أَوْ
aw
বা
▶
مِن
min
থেকে
▶
وَرَآئِ
warāi
আড়াল
▶
حِجَابٍ
ḥijābin
পর্দার
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
يُرْسِلَ
yur'sila
প্রেরণ করেন
▶
رَسُولًۭا
rasūlan
দূত হিসেবে (ফেরেশতা)
▶
فَيُوحِىَ
fayūḥiya
অতঃপর ওহী করে
▶
بِإِذْنِهِۦ
bi-idh'nihi
তাঁর অনুমতিক্রমে
▶
مَا
mā
যা
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি ইচ্ছে করেন
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তিনি নিশ্চয়ই
▶
عَلِىٌّ
ʿaliyyun
মহান
▶
حَكِيمٌۭ
ḥakīmun
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 52 - সূরা الشورى: 27 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ رُوحًۭا مِّنْ أَمْرِنَا ۚ مَا كُنتَ تَدْرِى مَا ٱلْكِتَـٰبُ وَلَا ٱلْإِيمَـٰنُ وَلَـٰكِن جَعَلْنَـٰهُ نُورًۭا نَّهْدِى بِهِۦ مَن نَّشَآءُ مِنْ عِبَادِنَا ۚ وَإِنَّكَ لَتَهْدِىٓ إِلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍۢ
এমনিভাবে আমি আপনার কাছে এক ফেরেশতা প্রেরণ করেছি আমার আদেশক্রমে। আপনি জানতেন না, কিতাব কি এবং ঈমান কি? কিন্তু আমি একে করেছি নূর, যাদ্দ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করি। নিশ্চয় আপনি সরল পথ প্রদর্শন করেন-
▶
وَكَذَٰلِكَ
wakadhālika
এবং এভাবে
▶
أَوْحَيْنَآ
awḥaynā
আমরা ওহী পাঠিয়েছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
رُوحًۭا
rūḥan
রূহ (অর্থাৎ ওহী) বা কোরআন
▶
مِّنْ
min
থেকে
▶
أَمْرِنَا ۚ
amrinā
আমাদের নির্দেশ
▶
مَا
mā
না
▶
كُنتَ
kunta
তুমি
▶
تَدْرِى
tadrī
জানতে
▶
مَا
mā
কি
▶
ٱلْكِتَـٰبُ
l-kitābu
কিতাব
▶
وَلَا
walā
আর না (জানতে)
▶
ٱلْإِيمَـٰنُ
l-īmānu
ঈমান
▶
وَلَـٰكِن
walākin
কিন্তু
▶
جَعَلْنَـٰهُ
jaʿalnāhu
তাকে আমরা করেছি
▶
نُورًۭا
nūran
আলো'
▶
نَّهْدِى
nahdī
পথ দেখাই আমরা
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
مَن
man
যাকে
▶
نَّشَآءُ
nashāu
ইচ্ছে করি আমরা
▶
مِنْ
min
মধ্য হ'তে
▶
عِبَادِنَا ۚ
ʿibādinā
আমাদের দাসদের
▶
وَإِنَّكَ
wa-innaka
এবং তুমি নিশ্চয়ই
▶
لَتَهْدِىٓ
latahdī
পথ দেখাচ্ছো তুমি অবশ্যই
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
صِرَٰطٍۢ
ṣirāṭin
পথের
▶
مُّسْتَقِيمٍۢ
mus'taqīmin
সরল-সঠিক
আয়াত 53 - সূরা الشورى: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
صِرَٰطِ ٱللَّهِ ٱلَّذِى لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ أَلَآ إِلَى ٱللَّهِ تَصِيرُ ٱلْأُمُورُ
আল্লাহর পথ। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল যা কিছু আছে, সব তাঁরই। শুনে রাখ, আল্লাহ তা’আলার কাছেই সব বিষয়ে পৌঁছে।
▶
صِرَٰطِ
ṣirāṭi
পথ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি (এমন সত্ত্বা যে)
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁরই জন্যে
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَمَا
wamā
এবং যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ ۗ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
أَلَآ
alā
জেনে রাখো
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহরই
▶
تَصِيرُ
taṣīru
ফিরে যায়
▶
ٱلْأُمُورُ
l-umūru
সকল বিষয়
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে