সূরা الزمر শব্দে শব্দে
ইসলাম > Bn > কুরআন > Quran_wbw > সূরা الزمر শব্দে শব্দে
الزمر (الزمر) শব্দে শব্দে, সম্পূর্ণভাবে: মক্কী, মক্কাতে নায়িল, 75টি আয়াত, 1,172টি শব্দ। প্রতিটি আয়াত আরবিতে বাংলা অনুবাদসহ দেখানো হয়, তারপর শব্দে শব্দে ভাগ করা হয়, প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ও অর্থসহ।
1,172টি শব্দ শেখার সঙ্গে সূরা الزمر আরবি পড়তে না জানলেও সহজ হয়ে ওঠে: উচ্চারণ সাহায্য করে, অর্থ বুঝিয়ে দেয়। প্রতিটি শব্দ পুনরাবৃত্তি করুন, তারপর পুরো আয়াত আবার পড়ুন: এই সূরা মুখস্থ করার, নামাজের তিলাওয়াত বোঝার ও কুরআনি শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
30 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 04h42 এ আপডেট করা হয়েছে
📖 6 মিনিটের পাঠ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
আয়াত 1 - সূরা الزمر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
تَنزِيلُ ٱلْكِتَـٰبِ مِنَ ٱللَّهِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَكِيمِ
কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে।
▶
تَنزِيلُ
tanzīlu
অবতীর্ণ করা
▶
ٱلْكِتَـٰبِ
l-kitābi
(এই) কিতাব
▶
مِنَ
mina
পক্ষ হ'তে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ٱلْعَزِيزِ
l-ʿazīzi
( যিনি) পরাক্রমশালী
▶
ٱلْحَكِيمِ
l-ḥakīmi
প্রজ্ঞাময়
আয়াত 2 - সূরা الزمر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّآ أَنزَلْنَآ إِلَيْكَ ٱلْكِتَـٰبَ بِٱلْحَقِّ فَٱعْبُدِ ٱللَّهَ مُخْلِصًۭا لَّهُ ٱلدِّينَ
আমি আপনার প্রতি এ কিতাব যথার্থরূপে নাযিল করেছি। অতএব, আপনি নিষ্ঠার সাথে আল্লাহর এবাদত করুন।
▶
إِنَّآ
innā
নিশ্চয়ই আমরা
▶
أَنزَلْنَآ
anzalnā
আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
(এই) কিতাবকে
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
সত্যসহকারে
▶
فَٱعْبُدِ
fa-uʿ'budi
সুতরাং ইবাদাত করো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
مُخْلِصًۭا
mukh'liṣan
একনিষ্ঠভাবে
▶
لَّهُ
lahu
তাঁরই জন্যে
▶
ٱلدِّينَ
l-dīna
আনুগত্যে (নির্দিষ্ট করে)
আয়াত 3 - সূরা الزمر: 33 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَا لِلَّهِ ٱلدِّينُ ٱلْخَالِصُ ۚ وَٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُونَآ إِلَى ٱللَّهِ زُلْفَىٰٓ إِنَّ ٱللَّهَ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ فِى مَا هُمْ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى مَنْ هُوَ كَـٰذِبٌۭ كَفَّارٌۭ
জেনে রাখুন, নিষ্ঠাপূর্ণ এবাদত আল্লাহরই নিমিত্ত। যারা আল্লাহ ব্যতীত অপরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে রেখেছে এবং বলে যে, আমরা তাদের এবাদত এ জন্যেই করি, যেন তারা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে দেয়। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের মধ্যে তাদের পারস্পরিক বিরোধপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করে দেবেন। আল্লাহ মিথ্যাবাদী কাফেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
▶
أَلَا
alā
জেনে রাখো
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহরই জন্যে
▶
ٱلدِّينُ
l-dīnu
আনুগত্য
▶
ٱلْخَالِصُ ۚ
l-khāliṣu
একনিষ্ঠ
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ٱتَّخَذُوا۟
ittakhadhū
গ্রহণ করেছো
▶
مِن
min
ছাড়া
▶
دُونِهِۦٓ
dūnihi
তাঁকে
▶
أَوْلِيَآءَ
awliyāa
অভিভাবকরূপে (অন্যদেরকে)
▶
مَا
mā
"(এবং বলে) না
▶
نَعْبُدُهُمْ
naʿbuduhum
তাদের পূজা করি আমরা
▶
إِلَّا
illā
এ ব্যতীত
▶
لِيُقَرِّبُونَآ
liyuqarribūnā
আমাদের নিকটে করে দেয় যেন
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
زُلْفَىٰٓ
zul'fā
(তাঁর) কাছাকাছি"
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَحْكُمُ
yaḥkumu
মীমাংসা করে দিবেন
▶
بَيْنَهُمْ
baynahum
তাদের মাঝে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
مَا
mā
(ঐ বিষয়ে) যা
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
فِيهِ
fīhi
যাতে
▶
يَخْتَلِفُونَ ۗ
yakhtalifūna
মতভেদ করছে
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَهْدِى
yahdī
সৎপথে পরিচালনা করেন
▶
مَنْ
man
তাকে
▶
هُوَ
huwa
যে
▶
كَـٰذِبٌۭ
kādhibun
মিথ্যাবাদী
▶
كَفَّارٌۭ
kaffārun
কট্টর কাফির
আয়াত 4 - সূরা الزمر: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّوْ أَرَادَ ٱللَّهُ أَن يَتَّخِذَ وَلَدًۭا لَّٱصْطَفَىٰ مِمَّا يَخْلُقُ مَا يَشَآءُ ۚ سُبْحَـٰنَهُۥ ۖ هُوَ ٱللَّهُ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّارُ
আল্লাহ যদি সন্তান গ্রহণ করার ইচ্ছা করতেন, তবে তাঁর সৃষ্টির মধ্য থেকে যা কিছু ইচ্ছা মনোনীত করতেন, তিনি পবিত্র। তিনি আল্লাহ, এক পরাক্রমশালী।
▶
لَّوْ
law
যদি
▶
أَرَادَ
arāda
ইচ্ছে করতেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
أَن
an
যে
▶
يَتَّخِذَ
yattakhidha
গ্রহণ করবেন
▶
وَلَدًۭا
waladan
কোনো পুত্র সন্তান
▶
لَّٱصْطَفَىٰ
la-iṣ'ṭafā
মনোনীত করতেন অবশ্যই
▶
مِمَّا
mimmā
তা হ'তে যা
▶
يَخْلُقُ
yakhluqu
তিনি সৃষ্টি করেন
▶
مَا
mā
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি চাইতেন
▶
سُبْحَـٰنَهُۥ ۖ
sub'ḥānahu
(কিন্তু তা হ'তে) তিনি পবিত্র/মহান
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْوَٰحِدُ
l-wāḥidu
এক
▶
ٱلْقَهَّارُ
l-qahāru
প্রবল পরাক্রমশালী
আয়াত 5 - সূরা الزمر: 23 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ ۖ يُكَوِّرُ ٱلَّيْلَ عَلَى ٱلنَّهَارِ وَيُكَوِّرُ ٱلنَّهَارَ عَلَى ٱلَّيْلِ ۖ وَسَخَّرَ ٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ ۖ كُلٌّۭ يَجْرِى لِأَجَلٍۢ مُّسَمًّى ۗ أَلَا هُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفَّـٰرُ
তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে। তিনি রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং তিনি সুর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিযুক্ত করেছেন প্রত্যেকেই বিচরণ করে নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত। জেনে রাখুন, তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।
▶
خَلَقَ
khalaqa
তিনি সৃৃষ্টি করেছেন
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশকে
▶
وَٱلْأَرْضَ
wal-arḍa
ও পৃথিবীকে
▶
بِٱلْحَقِّ ۖ
bil-ḥaqi
সুপরিকল্পিতভাবে
▶
يُكَوِّرُ
yukawwiru
তিনি ঢেকে রাখেন
▶
ٱلَّيْلَ
al-layla
রাতকে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلنَّهَارِ
l-nahāri
দিনের
▶
وَيُكَوِّرُ
wayukawwiru
এবং ঢেকে রাখেন
▶
ٱلنَّهَارَ
l-nahāra
দিনকে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلَّيْلِ ۖ
al-layli
রাতের
▶
وَسَخَّرَ
wasakhara
এবং নিয়ন্ত্রিত করেছেন
▶
ٱلشَّمْسَ
l-shamsa
সূর্যকে
▶
وَٱلْقَمَرَ ۖ
wal-qamara
ও চাঁদকে
▶
كُلٌّۭ
kullun
প্রত্যেকেই
▶
يَجْرِى
yajrī
আবর্তন করে
▶
لِأَجَلٍۢ
li-ajalin
একটি কাল পর্যন্ত
▶
مُّسَمًّى ۗ
musamman
নির্দিষ্ট
▶
أَلَا
alā
জেনে রেখো
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلْعَزِيزُ
l-ʿazīzu
মহাপরাক্রমশালী
▶
ٱلْغَفَّـٰرُ
l-ghafāru
পরম ক্ষমাশীল
আয়াত 6 - সূরা الزمر: 36 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍۢ وَٰحِدَةٍۢ ثُمَّ جَعَلَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَأَنزَلَ لَكُم مِّنَ ٱلْأَنْعَـٰمِ ثَمَـٰنِيَةَ أَزْوَٰجٍۢ ۚ يَخْلُقُكُمْ فِى بُطُونِ أُمَّهَـٰتِكُمْ خَلْقًۭا مِّنۢ بَعْدِ خَلْقٍۢ فِى ظُلُمَـٰتٍۢ ثَلَـٰثٍۢ ۚ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْ لَهُ ٱلْمُلْكُ ۖ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ فَأَنَّىٰ تُصْرَفُونَ
তিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে একই ব্যক্তি থেকে। অতঃপর তা থেকে তার যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তোমাদের জন্যে আট প্রকার চতুষ্পদ জন্তু অবতীর্ণ করেছেন। তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের মাতৃগর্ভে পর্যায়ক্রমে একের পর এক ত্রিবিধ অন্ধকারে। তিনি আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা, সাম্রাজ্য তাঁরই। তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব, তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ?
▶
خَلَقَكُم
khalaqakum
তোমাদের তিনি সৃষ্টি করেছেন
▶
مِّن
min
থেকে
▶
نَّفْسٍۢ
nafsin
ব্যক্তি
▶
وَٰحِدَةٍۢ
wāḥidatin
একই
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
جَعَلَ
jaʿala
সৃষ্টি করেছেন
▶
مِنْهَا
min'hā
তার থেকে
▶
زَوْجَهَا
zawjahā
তার জোড়া
▶
وَأَنزَلَ
wa-anzala
ও দিয়েছেন
▶
لَكُم
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
مِّنَ
mina
মধ্যে হতে
▶
ٱلْأَنْعَـٰمِ
l-anʿāmi
গবাদি পশুদের
▶
ثَمَـٰنِيَةَ
thamāniyata
আট
▶
أَزْوَٰجٍۢ ۚ
azwājin
জোড়া
▶
يَخْلُقُكُمْ
yakhluqukum
তোমাদেরকে সৃষ্টি করেন
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
بُطُونِ
buṭūni
পেটসমূহের
▶
أُمَّهَـٰتِكُمْ
ummahātikum
তোমাদের মায়েদের
▶
خَلْقًۭا
khalqan
সৃষ্টির
▶
مِّنۢ
min
থেকে
▶
بَعْدِ
baʿdi
পরে
▶
خَلْقٍۢ
khalqin
সৃষ্টি
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ظُلُمَـٰتٍۢ
ẓulumātin
অন্ধকারসমূহের
▶
ثَلَـٰثٍۢ ۚ
thalāthin
তিনটি (আবরণের)
▶
ذَٰلِكُمُ
dhālikumu
তিনিই তোমাদের
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
رَبُّكُمْ
rabbukum
তোমাদের রব
▶
لَهُ
lahu
তাঁরই
▶
ٱلْمُلْكُ ۖ
l-mul'ku
সার্বভৌমত্ব
▶
لَآ
lā
নেই
▶
إِلَـٰهَ
ilāha
কোনো ইলাহ
▶
إِلَّا
illā
ব্যতীত
▶
هُوَ ۖ
huwa
তিনি
▶
فَأَنَّىٰ
fa-annā
সুতরাং কোথায়
▶
تُصْرَفُونَ
tuṣ'rafūna
তোমাদের ফিরানো হচ্ছে
আয়াত 7 - সূরা الزمر: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِن تَكْفُرُوا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَنِىٌّ عَنكُمْ ۖ وَلَا يَرْضَىٰ لِعِبَادِهِ ٱلْكُفْرَ ۖ وَإِن تَشْكُرُوا۟ يَرْضَهُ لَكُمْ ۗ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌۭ وِزْرَ أُخْرَىٰ ۗ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّكُم مَّرْجِعُكُمْ فَيُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ ۚ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ
যদি তোমরা অস্বীকার কর, তবে আল্লাহ তোমাদের থেকে বেপরওয়া। তিনি তাঁর বান্দাদের কাফের হয়ে পড়া পছন্দ করেন না। পক্ষান্তরে যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে তিনি তোমাদের জন্যে তা পছন্দ করেন। একের পাপ ভার অন্যে বহন করবে না। অতঃপর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ফিরে যাবে। তিনি তোমাদেরকে তোমাদের কর্ম সম্বন্ধে অবহিত করবেন। নিশ্চয় তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কেও অবগত।
▶
إِن
in
যদি
▶
تَكْفُرُوا۟
takfurū
তোমরা অকৃতজ্ঞ হও
▶
فَإِنَّ
fa-inna
নিশ্চযই তবুও়
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
غَنِىٌّ
ghaniyyun
অমুখাপেক্ষী
▶
عَنكُمْ ۖ
ʿankum
তোমাদের থেকে
▶
وَلَا
walā
কিন্তু না
▶
يَرْضَىٰ
yarḍā
পছন্দ করেন তিনি
▶
لِعِبَادِهِ
liʿibādihi
তাঁর দাসদের জন্যে
▶
ٱلْكُفْرَ ۖ
l-kuf'ra
অকৃতজ্ঞতাকে
▶
وَإِن
wa-in
এবং যদি
▶
تَشْكُرُوا۟
tashkurū
তোমরা কৃতজ্ঞ হও
▶
يَرْضَهُ
yarḍahu
তা তিনি পছন্দ করেন
▶
لَكُمْ ۗ
lakum
তোমাদের জন্যে
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
تَزِرُ
taziru
বহন করবে
▶
وَازِرَةٌۭ
wāziratun
কোনো বোঝাবহনকারী
▶
وِزْرَ
wiz'ra
বোঝা
▶
أُخْرَىٰ ۗ
ukh'rā
অন্যের
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
رَبِّكُم
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
مَّرْجِعُكُمْ
marjiʿukum
তোমাদের প্রত্যাবর্তন হবে
▶
فَيُنَبِّئُكُم
fayunabbi-ukum
তোমাদেরকে অতঃপর তিনি জানিয়ে দিবেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ বিষয়ে যা
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تَعْمَلُونَ ۚ
taʿmalūna
কাজ করতেছিলে
▶
إِنَّهُۥ
innahu
তিনি নিশ্চয়ই
▶
عَلِيمٌۢ
ʿalīmun
ভালোভাবেই জানেন
▶
بِذَاتِ
bidhāti
অবস্থা সম্পর্কে
▶
ٱلصُّدُورِ
l-ṣudūri
অন্তরসমূহের
আয়াত 8 - সূরা الزمر: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ وَإِذَا مَسَّ ٱلْإِنسَـٰنَ ضُرٌّۭ دَعَا رَبَّهُۥ مُنِيبًا إِلَيْهِ ثُمَّ إِذَا خَوَّلَهُۥ نِعْمَةًۭ مِّنْهُ نَسِىَ مَا كَانَ يَدْعُوٓا۟ إِلَيْهِ مِن قَبْلُ وَجَعَلَ لِلَّهِ أَندَادًۭا لِّيُضِلَّ عَن سَبِيلِهِۦ ۚ قُلْ تَمَتَّعْ بِكُفْرِكَ قَلِيلًا ۖ إِنَّكَ مِنْ أَصْحَـٰبِ ٱلنَّارِ
যখন মানুষকে দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে একাগ্রচিত্তে তার পালনকর্তাকে ডাকে, অতঃপর তিনি যখন তাকে নেয়ামত দান করেন, তখন সে কষ্টের কথা বিস্মৃত হয়ে যায়, যার জন্যে পূর্বে ডেকেছিল এবং আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করে; যাতে করে অপরকে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে। বলুন, তুমি তোমার কুফর সহকারে কিছুকাল জীবনোপভোগ করে নাও। নিশ্চয় তুমি জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত।
▶
۞ وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
مَسَّ
massa
স্পর্শ করে
▶
ٱلْإِنسَـٰنَ
l-insāna
মানুষকে
▶
ضُرٌّۭ
ḍurrun
কোনো দুঃখদৈন্য
▶
دَعَا
daʿā
সে ডাকে
▶
رَبَّهُۥ
rabbahu
তার রবকে
▶
مُنِيبًا
munīban
একাগ্রচিত্তে
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁর দিকে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
خَوَّلَهُۥ
khawwalahu
তাকে দান করেন
▶
نِعْمَةًۭ
niʿ'matan
অনুগ্রহ
▶
مِّنْهُ
min'hu
তাঁর পক্ষ হতে
▶
نَسِىَ
nasiya
সে ভুলে যায়
▶
مَا
mā
যার(জন্য)
▶
كَانَ
kāna
সে
▶
يَدْعُوٓا۟
yadʿū
ডাকছিলো
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তার দিকে (একনিষ্ঠভাবে)
▶
مِن
min
হ'তে
▶
قَبْلُ
qablu
পূর্বে
▶
وَجَعَلَ
wajaʿala
এবং দাঁড় করায়
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর জন্যে
▶
أَندَادًۭا
andādan
সমকক্ষ
▶
لِّيُضِلَّ
liyuḍilla
বিভ্রান্ত করে যেন
▶
عَن
ʿan
হ'তে
▶
سَبِيلِهِۦ ۚ
sabīlihi
তাঁর পথ
▶
قُلْ
qul
(হে নাবী) বলো
▶
تَمَتَّعْ
tamattaʿ
"উপভোগ করো
▶
بِكُفْرِكَ
bikuf'rika
তোমার অকৃতজ্ঞ অবস্থার (স্বাদ)
▶
قَلِيلًا ۖ
qalīlan
কিছুক্ষণ
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
مِنْ
min
অন্তর্ভুক্ত
▶
أَصْحَـٰبِ
aṣḥābi
অধিবাসীদের
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
জাহান্নামের"
আয়াত 9 - সূরা الزمر: 24 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمَّنْ هُوَ قَـٰنِتٌ ءَانَآءَ ٱلَّيْلِ سَاجِدًۭا وَقَآئِمًۭا يَحْذَرُ ٱلْـَٔاخِرَةَ وَيَرْجُوا۟ رَحْمَةَ رَبِّهِۦ ۗ قُلْ هَلْ يَسْتَوِى ٱلَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَٱلَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ ۗ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَـٰبِ
যে ব্যক্তি রাত্রিকালে সেজদার মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে এবাদত করে, পরকালের আশংকা রাখে এবং তার পালনকর্তার রহমত প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে এরূপ করে না; বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা বুদ্ধিমান।
▶
أَمَّنْ
amman
সে কি সমান
▶
هُوَ
huwa
যে
▶
قَـٰنِتٌ
qānitun
আনুগত্য প্রকাশকারী
▶
ءَانَآءَ
ānāa
বেলায়
▶
ٱلَّيْلِ
al-layli
রাতের
▶
سَاجِدًۭا
sājidan
অথবা সিজদারত অবস্হায়
▶
وَقَآئِمًۭا
waqāiman
দাঁড়ানো অবস্হায়
▶
يَحْذَرُ
yaḥdharu
ভয় করে
▶
ٱلْـَٔاخِرَةَ
l-ākhirata
পরকালকে
▶
وَيَرْجُوا۟
wayarjū
ও প্রত্যাশা করে
▶
رَحْمَةَ
raḥmata
অনুগ্রহের
▶
رَبِّهِۦ ۗ
rabbihi
তার রবের
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
هَلْ
hal
"কি
▶
يَسْتَوِى
yastawī
সমান হয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
জানে
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
ও যারা
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ ۗ
yaʿlamūna
জানে"
▶
إِنَّمَا
innamā
প্রকৃতপক্ষে
▶
يَتَذَكَّرُ
yatadhakkaru
শিক্ষা গ্রহণ করে
▶
أُو۟لُوا۟
ulū
সম্পন্নরাই
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বোধ-বুদ্ধি
আয়াত 10 - সূরা الزمر: 21 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ يَـٰعِبَادِ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ رَبَّكُمْ ۚ لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا۟ فِى هَـٰذِهِ ٱلدُّنْيَا حَسَنَةٌۭ ۗ وَأَرْضُ ٱللَّهِ وَٰسِعَةٌ ۗ إِنَّمَا يُوَفَّى ٱلصَّـٰبِرُونَ أَجْرَهُم بِغَيْرِ حِسَابٍۢ
বলুন, হে আমার বিশ্বাসী বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর। যারা এ দুনিয়াতে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে রয়েছে পুণ্য। আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত। যারা সবরকারী, তারাই তাদের পুরস্কার পায় অগণিত।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
يَـٰعِبَادِ
yāʿibādi
"হে আমার দাসগণ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ءَامَنُوا۟
āmanū
ঈমান এনেছো
▶
ٱتَّقُوا۟
ittaqū
তোমরা ভয় করো
▶
رَبَّكُمْ ۚ
rabbakum
তোমাদের রবকে
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্যে যারা
▶
أَحْسَنُوا۟
aḥsanū
উত্তম কাজ করেছে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
هَـٰذِهِ
hādhihi
এই
▶
ٱلدُّنْيَا
l-dun'yā
পৃথিবীতে
▶
حَسَنَةٌۭ ۗ
ḥasanatun
কল্যাণ (রয়েছে)
▶
وَأَرْضُ
wa-arḍu
এবং পৃথিবী
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وَٰسِعَةٌ ۗ
wāsiʿatun
প্রশস্ত
▶
إِنَّمَا
innamā
মূলতঃ
▶
يُوَفَّى
yuwaffā
পূর্ণ দেওয়া হবে
▶
ٱلصَّـٰبِرُونَ
l-ṣābirūna
ধৈর্য্যশীলদেরকে
▶
أَجْرَهُم
ajrahum
প্রতিফল তাদের
▶
بِغَيْرِ
bighayri
ব্যতীতই
▶
حِسَابٍۢ
ḥisābin
কোনো হিসাব"
আয়াত 11 - সূরা الزمر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ إِنِّىٓ أُمِرْتُ أَنْ أَعْبُدَ ٱللَّهَ مُخْلِصًۭا لَّهُ ٱلدِّينَ
বলুন, আমি নিষ্ঠার সাথে আল্লাহর এবাদত করতে আদিষ্ট হয়েছি।
▶
قُلْ
qul
(হে নাবী) বলো
▶
إِنِّىٓ
innī
"নিশ্চয়ই আমি
▶
أُمِرْتُ
umir'tu
আমি আদিষ্ট হয়েছি
▶
أَنْ
an
যে
▶
أَعْبُدَ
aʿbuda
আমি (যেন) ইবাদত করি
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
مُخْلِصًۭا
mukh'liṣan
একনিষ্ঠভাবে
▶
لَّهُ
lahu
তাঁরই জন্যে
▶
ٱلدِّينَ
l-dīna
আনুগত্যকে (নির্দিষ্ট করে)
আয়াত 12 - সূরা الزمر: 5 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأُمِرْتُ لِأَنْ أَكُونَ أَوَّلَ ٱلْمُسْلِمِينَ
আরও আদিষ্ট হয়েছি, সর্ব প্রথম নির্দেশ পালনকারী হওয়ার জন্যে।
▶
وَأُمِرْتُ
wa-umir'tu
এবং আমি আদিষ্ট হয়েছি
▶
لِأَنْ
li-an
এজন্যেও যে
▶
أَكُونَ
akūna
আমি হই (যেন)
▶
أَوَّلَ
awwala
প্রথম
▶
ٱلْمُسْلِمِينَ
l-mus'limīna
মুসলমানদের"
আয়াত 13 - সূরা الزمر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ إِنِّىٓ أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّى عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍۢ
বলুন, আমি আমার পালনকর্তার অবাধ্য হলে এক মহাদিবসের শাস্তির ভয় করি।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
إِنِّىٓ
innī
"আমি নিশ্চয়ই
▶
أَخَافُ
akhāfu
ভয় করি
▶
إِنْ
in
যদি
▶
عَصَيْتُ
ʿaṣaytu
আমি অবাধ্য হই
▶
رَبِّى
rabbī
আমার রবের
▶
عَذَابَ
ʿadhāba
শাস্তির
▶
يَوْمٍ
yawmin
দিনের
▶
عَظِيمٍۢ
ʿaẓīmin
কঠিন"
আয়াত 14 - সূরা الزمر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلِ ٱللَّهَ أَعْبُدُ مُخْلِصًۭا لَّهُۥ دِينِى
বলুন, আমি নিষ্ঠার সাথে আল্লাহ তা’আলারই এবাদত করি।
▶
قُلِ
quli
বলো
▶
ٱللَّهَ
l-laha
"আল্লাহকে
▶
أَعْبُدُ
aʿbudu
"ইবাদাত করি আমি
▶
مُخْلِصًۭا
mukh'liṣan
একনিষ্ঠভাবে
▶
لَّهُۥ
lahu
তাঁরই জন্যে
▶
دِينِى
dīnī
আমার আনুগত্যকে (নির্দিষ্ট করে)
আয়াত 15 - সূরা الزمر: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَٱعْبُدُوا۟ مَا شِئْتُم مِّن دُونِهِۦ ۗ قُلْ إِنَّ ٱلْخَـٰسِرِينَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ أَلَا ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْخُسْرَانُ ٱلْمُبِينُ
অতএব, তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার ইচ্ছা তার এবাদত কর। বলুন, কেয়ামতের দিন তারাই বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যারা নিজেদের ও পরিবারবর্গের তরফ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জেনে রাখ, এটাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।
▶
فَٱعْبُدُوا۟
fa-uʿ'budū
তোমরা দাসত্ব করো
▶
مَا
mā
যাকে
▶
شِئْتُم
shi'tum
তোমরা চাও
▶
مِّن
min
"
▶
دُونِهِۦ ۗ
dūnihi
তাঁকে ছাড়া"
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
إِنَّ
inna
"নিশ্চয়ই
▶
ٱلْخَـٰسِرِينَ
l-khāsirīna
ক্ষতিগ্রস্ত হবে (তারাই)
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
خَسِرُوٓا۟
khasirū
ক্ষতিগ্রস্ত করেছে
▶
أَنفُسَهُمْ
anfusahum
তাদের নিজেদেরকে
▶
وَأَهْلِيهِمْ
wa-ahlīhim
ও তাদের পরিবারকে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۗ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
أَلَا
alā
জেনে রাখো
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটাই
▶
هُوَ
huwa
সেই
▶
ٱلْخُسْرَانُ
l-khus'rānu
ক্ষতি
▶
ٱلْمُبِينُ
l-mubīnu
সুস্পষ্ট"
আয়াত 16 - সূরা الزمر: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَهُم مِّن فَوْقِهِمْ ظُلَلٌۭ مِّنَ ٱلنَّارِ وَمِن تَحْتِهِمْ ظُلَلٌۭ ۚ ذَٰلِكَ يُخَوِّفُ ٱللَّهُ بِهِۦ عِبَادَهُۥ ۚ يَـٰعِبَادِ فَٱتَّقُونِ
তাদের জন্যে উপর দিক থেকে এবং নীচের দিক থেকে আগুনের মেঘমালা থাকবে। এ শাস্তি দ্বারা আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে সতর্ক করেন যে, হে আমার বান্দাগণ, আমাকে ভয় কর।
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে (রয়েছে)
▶
مِّن
min
হ'তে
▶
فَوْقِهِمْ
fawqihim
তাদের উপর (দিক)
▶
ظُلَلٌۭ
ẓulalun
আচ্ছাদন
▶
مِّنَ
mina
তৈরী
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
▶
وَمِن
wamin
ও হ'তে
▶
تَحْتِهِمْ
taḥtihim
তাদের নীচ
▶
ظُلَلٌۭ ۚ
ẓulalun
(আগুনের) আচ্ছাদন
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
يُخَوِّفُ
yukhawwifu
সতর্ক করেন (ভয় দেখান)
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِهِۦ
bihi
এ দিয়ে
▶
عِبَادَهُۥ ۚ
ʿibādahu
তাঁর দাসদেরকে
▶
يَـٰعِبَادِ
yāʿibādi
"হে আমার দাসগণ
▶
فَٱتَّقُونِ
fa-ittaqūni
তাই তোমরা আমাকে ভয় করো"
আয়াত 17 - সূরা الزمر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِينَ ٱجْتَنَبُوا۟ ٱلطَّـٰغُوتَ أَن يَعْبُدُوهَا وَأَنَابُوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ لَهُمُ ٱلْبُشْرَىٰ ۚ فَبَشِّرْ عِبَادِ
যারা শয়তানী শক্তির পূজা-অর্চনা থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহ অভিমুখী হয়, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ। অতএব, সুসংবাদ দিন আমার বান্দাদেরকে।
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ٱجْتَنَبُوا۟
ij'tanabū
দূরে থাকে
▶
ٱلطَّـٰغُوتَ
l-ṭāghūta
তাগুত (থেকে)
▶
أَن
an
যে
▶
يَعْبُدُوهَا
yaʿbudūhā
দাসত্ব করে তারা তার
▶
وَأَنَابُوٓا۟
wa-anābū
এবং অনুরাগী হয়
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لَهُمُ
lahumu
তাদের জন্যে (রয়েছে)
▶
ٱلْبُشْرَىٰ ۚ
l-bush'rā
সুসংবাদ
▶
فَبَشِّرْ
fabashir
সুতরাং সুসংবাদ দাও
▶
عِبَادِ
ʿibādi
আমার দাসদেরকে
আয়াত 18 - সূরা الزمر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱلَّذِينَ يَسْتَمِعُونَ ٱلْقَوْلَ فَيَتَّبِعُونَ أَحْسَنَهُۥٓ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ هَدَىٰهُمُ ٱللَّهُ ۖ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمْ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَـٰبِ
যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে, অতঃপর যা উত্তম, তার অনুসরণ করে। তাদেরকেই আল্লাহ সৎপথ প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান।
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
يَسْتَمِعُونَ
yastamiʿūna
মনোযোগ দিয়ে শুনে
▶
ٱلْقَوْلَ
l-qawla
কথা
▶
فَيَتَّبِعُونَ
fayattabiʿūna
অতঃপর অনুসরণ করে
▶
أَحْسَنَهُۥٓ ۚ
aḥsanahu
তার উত্তম (সবদিকগুলোর)
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐ সবলোক
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারাই) যাদেরকে
▶
هَدَىٰهُمُ
hadāhumu
সৎপথে পরিচালনা করেন তাদের
▶
ٱللَّهُ ۖ
l-lahu
আল্লাহ
▶
وَأُو۟لَـٰٓئِكَ
wa-ulāika
এবং ঐ সবলোক
▶
هُمْ
hum
তারাই
▶
أُو۟لُوا۟
ulū
সম্পন্ন
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
বিবেক বুদ্ধি
আয়াত 19 - সূরা الزمر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَمَنْ حَقَّ عَلَيْهِ كَلِمَةُ ٱلْعَذَابِ أَفَأَنتَ تُنقِذُ مَن فِى ٱلنَّارِ
যার জন্যে শাস্তির হুকুম অবধারিত হয়ে গেছে আপনি কি সে জাহান্নামীকে মুক্ত করতে পারবেন?
▶
أَفَمَنْ
afaman
তবে কি যে
▶
حَقَّ
ḥaqqa
অবধারিত হয়েছে
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
كَلِمَةُ
kalimatu
বাণী
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তির (পরিত্রাণ পেতে পারে?)
▶
أَفَأَنتَ
afa-anta
তবে কি তুমি
▶
تُنقِذُ
tunqidhu
উদ্ধার করতে পারবে
▶
مَن
man
যে
▶
فِى
fī
মধ্যে (পড়েছে)
▶
ٱلنَّارِ
l-nāri
আগুনের
আয়াত 20 - সূরা الزمر: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَـٰكِنِ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ رَبَّهُمْ لَهُمْ غُرَفٌۭ مِّن فَوْقِهَا غُرَفٌۭ مَّبْنِيَّةٌۭ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ ۖ وَعْدَ ٱللَّهِ ۖ لَا يُخْلِفُ ٱللَّهُ ٱلْمِيعَادَ
কিন্তু যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে, তাদের জন্যে নির্মিত রয়েছে প্রাসাদের উপর প্রাসাদ। এগুলোর তলদেশে নদী প্রবাহিত। আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ প্রতিশ্রুতির খেলাফ করেন না।
▶
لَـٰكِنِ
lākini
কিন্তু
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
ٱتَّقَوْا۟
ittaqaw
ভয় করে
▶
رَبَّهُمْ
rabbahum
তাদের রবকে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে (রয়েছে)
▶
غُرَفٌۭ
ghurafun
প্রাসাদ
▶
مِّن
min
থেকে
▶
فَوْقِهَا
fawqihā
তার উপর
▶
غُرَفٌۭ
ghurafun
প্রাসাদ
▶
مَّبْنِيَّةٌۭ
mabniyyatun
নির্মিত
▶
تَجْرِى
tajrī
বইবে
▶
مِن
min
থেকে
▶
تَحْتِهَا
taḥtihā
তার নীচ
▶
ٱلْأَنْهَـٰرُ ۖ
l-anhāru
ঝর্ণাসমূহ
▶
وَعْدَ
waʿda
প্রতিশ্রুতি
▶
ٱللَّهِ ۖ
l-lahi
আল্লাহর
▶
لَا
lā
না
▶
يُخْلِفُ
yukh'lifu
ভঙ্গ করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْمِيعَادَ
l-mīʿāda
প্রতিশ্রুতি
আয়াত 21 - সূরা الزمر: 31 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ أَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ فَسَلَكَهُۥ يَنَـٰبِيعَ فِى ٱلْأَرْضِ ثُمَّ يُخْرِجُ بِهِۦ زَرْعًۭا مُّخْتَلِفًا أَلْوَٰنُهُۥ ثُمَّ يَهِيجُ فَتَرَىٰهُ مُصْفَرًّۭا ثُمَّ يَجْعَلُهُۥ حُطَـٰمًا ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَذِكْرَىٰ لِأُو۟لِى ٱلْأَلْبَـٰبِ
তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, অতঃপর সে পানি যমীনের ঝর্ণাসমূহে প্রবাহিত করেছেন, এরপর তদ্দ্বারা বিভিন্ন রঙের ফসল উৎপন্ন করেন, অতঃপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তোমরা তা পীতবর্ণ দেখতে পাও। এরপর আল্লাহ তাকে খড়-কুটায় পরিণত করে দেন। নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশ রয়েছে।
▶
أَلَمْ
alam
তুমি কি
▶
تَرَ
tara
দেখো না
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
أَنزَلَ
anzala
বর্ষণ করেন
▶
مِنَ
mina
হ'তে
▶
ٱلسَّمَآءِ
l-samāi
আকাশ
▶
مَآءًۭ
māan
পানি
▶
فَسَلَكَهُۥ
fasalakahu
তা অতঃপর প্রবাহিত করেন
▶
يَنَـٰبِيعَ
yanābīʿa
স্রোতধারা
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
ভূমির
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يُخْرِجُ
yukh'riju
বের করেন
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
زَرْعًۭا
zarʿan
ফসল
▶
مُّخْتَلِفًا
mukh'talifan
বিভিন্ন প্রকার
▶
أَلْوَٰنُهُۥ
alwānuhu
তার রংসমূহও
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يَهِيجُ
yahīju
শুকিয়ে যায়
▶
فَتَرَىٰهُ
fatarāhu
তা তখন তুমি দেখো
▶
مُصْفَرًّۭا
muṣ'farran
হলুদবর্ণ
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
يَجْعَلُهُۥ
yajʿaluhu
তা পরিণত করেন
▶
حُطَـٰمًا ۚ
ḥuṭāman
খড়কুটায়
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
(রয়েছে) এর
▶
لَذِكْرَىٰ
ladhik'rā
শিক্ষা অবশ্যই
▶
لِأُو۟لِى
li-ulī
সম্পন্নদের জন্যে
▶
ٱلْأَلْبَـٰبِ
l-albābi
জ্ঞান-বুদ্ধির
আয়াত 22 - সূরা الزمر: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَمَن شَرَحَ ٱللَّهُ صَدْرَهُۥ لِلْإِسْلَـٰمِ فَهُوَ عَلَىٰ نُورٍۢ مِّن رَّبِّهِۦ ۚ فَوَيْلٌۭ لِّلْقَـٰسِيَةِ قُلُوبُهُم مِّن ذِكْرِ ٱللَّهِ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ فِى ضَلَـٰلٍۢ مُّبِينٍ
আল্লাহ যার বক্ষ ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দিয়েছেন, অতঃপর সে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত আলোর মাঝে রয়েছে। (সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়) যাদের অন্তর আল্লাহ স্মরণের ব্যাপারে কঠোর, তাদের জন্যে দূর্ভোগ। তারা সুস্পষ্ঠ গোমরাহীতে রয়েছে।
▶
أَفَمَن
afaman
তবে কি যার
▶
شَرَحَ
sharaḥa
খুলে দিয়েছেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
صَدْرَهُۥ
ṣadrahu
তার হৃদয়কে
▶
لِلْإِسْلَـٰمِ
lil'is'lāmi
ইসলামের জন্যে
▶
فَهُوَ
fahuwa
অতঃপর সে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
(চলে)উপর
▶
نُورٍۢ
nūrin
আলোর
▶
مِّن
min
পক্ষ হ'তে
▶
رَّبِّهِۦ ۚ
rabbihi
তার রবের (সে অন্যদের মতো কি?)
▶
فَوَيْلٌۭ
fawaylun
সুতরাং দুর্ভোগ
▶
لِّلْقَـٰسِيَةِ
lil'qāsiyati
(সেই লোকদের) জন্যে পাষাণের
▶
قُلُوبُهُم
qulūbuhum
যাদের অন্তরসমূহ
▶
مِّن
min
হ'তে
▶
ذِكْرِ
dhik'ri
স্মরণ
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
فِى
fī
মধ্যে (রয়েছে)
▶
ضَلَـٰلٍۢ
ḍalālin
বিভ্রান্তির
▶
مُّبِينٍ
mubīnin
সুস্পষ্ট
আয়াত 23 - সূরা الزمر: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ نَزَّلَ أَحْسَنَ ٱلْحَدِيثِ كِتَـٰبًۭا مُّتَشَـٰبِهًۭا مَّثَانِىَ تَقْشَعِرُّ مِنْهُ جُلُودُ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ ثُمَّ تَلِينُ جُلُودُهُمْ وَقُلُوبُهُمْ إِلَىٰ ذِكْرِ ٱللَّهِ ۚ ذَٰلِكَ هُدَى ٱللَّهِ يَهْدِى بِهِۦ مَن يَشَآءُ ۚ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِنْ هَادٍ
আল্লাহ উত্তম বাণী তথা কিতাব নাযিল করেছেন, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ, পূনঃ পূনঃ পঠিত। এতে তাদের লোম কাঁটা দিয়ে উঠে চামড়ার উপর, যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে, এরপর তাদের চামড়া ও অন্তর আল্লাহর স্মরণে বিনম্র হয়। এটাই আল্লাহর পথ নির্দেশ, এর মাধ্যমে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। আর আল্লাহ যাকে গোমরাহ করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ
▶
نَزَّلَ
nazzala
অবতীর্ণ করেছেন
▶
أَحْسَنَ
aḥsana
উত্তম
▶
ٱلْحَدِيثِ
l-ḥadīthi
বাণী (সম্বলিত)
▶
كِتَـٰبًۭا
kitāban
কিতাব
▶
مُّتَشَـٰبِهًۭا
mutashābihan
সুসামঞ্জস্যপূর্ণ
▶
مَّثَانِىَ
mathāniya
পুনরাবৃত্ত
▶
تَقْشَعِرُّ
taqshaʿirru
রোমাঞ্চিত হয়
▶
مِنْهُ
min'hu
তা থেকে
▶
جُلُودُ
julūdu
দেহ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
يَخْشَوْنَ
yakhshawna
ভয় করে
▶
رَبَّهُمْ
rabbahum
তাদের রবকে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
تَلِينُ
talīnu
নরম হয়
▶
جُلُودُهُمْ
julūduhum
তাদের দেহ (সারা দেহ)
▶
وَقُلُوبُهُمْ
waqulūbuhum
ও তাদের মনগুলো
▶
إِلَىٰ
ilā
প্রতি
▶
ذِكْرِ
dhik'ri
স্মরণের
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
هُدَى
hudā
পথনির্দেশ
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
يَهْدِى
yahdī
সৎপথে চালান তিনি
▶
بِهِۦ
bihi
এ দিয়ে
▶
مَن
man
যাকে
▶
يَشَآءُ ۚ
yashāu
তিনি চান
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يُضْلِلِ
yuḍ'lili
বিভ্রান্ত করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَمَا
famā
তখন নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
هَادٍ
hādin
পথ প্রদর্শক
আয়াত 24 - সূরা الزمر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَفَمَن يَتَّقِى بِوَجْهِهِۦ سُوٓءَ ٱلْعَذَابِ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۚ وَقِيلَ لِلظَّـٰلِمِينَ ذُوقُوا۟ مَا كُنتُمْ تَكْسِبُونَ
যে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন তার মুখ দ্বারা অশুভ আযাব ঠেকাবে এবং এরূপ জালেমদেরকে বলা হবে, তোমরা যা করতে তার স্বাদ আস্বাদন কর,-সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়?
▶
أَفَمَن
afaman
তবে কি যে
▶
يَتَّقِى
yattaqī
ঠেকাতে চাইবে
▶
بِوَجْهِهِۦ
biwajhihi
তার চেহারা দিয়ে
▶
سُوٓءَ
sūa
কঠিন
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তিকে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۚ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের (বাঁচতে পারবে?)
▶
وَقِيلَ
waqīla
এবং বলা হবে
▶
لِلظَّـٰلِمِينَ
lilẓẓālimīna
সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে
▶
ذُوقُوا۟
dhūqū
"তোমরা স্বাদ নাও
▶
مَا
mā
যা
▶
كُنتُمْ
kuntum
তোমরা
▶
تَكْسِبُونَ
taksibūna
অর্জন করেছিলে"
আয়াত 25 - সূরা الزمر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَأَتَىٰهُمُ ٱلْعَذَابُ مِنْ حَيْثُ لَا يَشْعُرُونَ
তাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যারোপ করেছিল, ফলে তাদের কাছে আযাব এমনভাবে আসল, যা তারা কল্পনাও করত না।
▶
كَذَّبَ
kadhaba
মিথ্যারোপ করেছিলো
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা (ছিলো)
▶
مِن
min
পূর্বেও
▶
قَبْلِهِمْ
qablihim
তাদের
▶
فَأَتَىٰهُمُ
fa-atāhumu
তাদের উপর অতঃপর এসেছিলো
▶
ٱلْعَذَابُ
l-ʿadhābu
শাস্তি
▶
مِنْ
min
(এমনদিক) হ'তে
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেদিকে
▶
لَا
lā
না
▶
يَشْعُرُونَ
yashʿurūna
তারা কল্পনাও করে
আয়াত 26 - সূরা الزمر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَذَاقَهُمُ ٱللَّهُ ٱلْخِزْىَ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَكْبَرُ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনার স্বাদ আস্বাদন করালেন, আর পরকালের আযাব হবে আরও গুরুতর, যদি তারা জানত!
▶
فَأَذَاقَهُمُ
fa-adhāqahumu
তাদেরকে ফলে আস্বাদন করালেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلْخِزْىَ
l-khiz'ya
অপমানের
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلْحَيَوٰةِ
l-ḥayati
জীবনের
▶
ٱلدُّنْيَا ۖ
l-dun'yā
পার্থিব
▶
وَلَعَذَابُ
walaʿadhābu
আর শাস্তি অবশ্যই
▶
ٱلْـَٔاخِرَةِ
l-ākhirati
আখিরাতের
▶
أَكْبَرُ ۚ
akbaru
কঠিন
▶
لَوْ
law
(হায়) যদি
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
জানতো
আয়াত 27 - সূরা الزمر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِى هَـٰذَا ٱلْقُرْءَانِ مِن كُلِّ مَثَلٍۢ لَّعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ
আমি এ কোরআনে মানুষের জন্যে সব দৃষ্টান্তই বর্ণনা করেছি, যাতে তারা অনুধাবন করে;
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
ضَرَبْنَا
ḍarabnā
আমরা পেশ করেছি
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
লোকদের জন্যে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
هَـٰذَا
hādhā
এই
▶
ٱلْقُرْءَانِ
l-qur'āni
কোরআনের
▶
مِن
min
থেকে
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক রকম
▶
مَثَلٍۢ
mathalin
দৃষ্টান্ত
▶
لَّعَلَّهُمْ
laʿallahum
তারা যাতে
▶
يَتَذَكَّرُونَ
yatadhakkarūna
উপদেশ গ্রহণ করে
আয়াত 28 - সূরা الزمر: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُرْءَانًا عَرَبِيًّا غَيْرَ ذِى عِوَجٍۢ لَّعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
আরবী ভাষায় এ কোরআন বক্রতামুক্ত, যাতে তারা সাবধান হয়ে চলে।
▶
قُرْءَانًا
qur'ānan
(এই) কোরআন
▶
عَرَبِيًّا
ʿarabiyyan
আরবী (ভাষায়)
▶
غَيْرَ
ghayra
(তা) মুক্ত
▶
ذِى
dhī
আছে
▶
عِوَجٍۢ
ʿiwajin
বক্রতা বিশিষ্ট
▶
لَّعَلَّهُمْ
laʿallahum
তারা যাতে
▶
يَتَّقُونَ
yattaqūna
সতর্ক হয়
আয়াত 29 - সূরা الزمر: 19 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلًۭا رَّجُلًۭا فِيهِ شُرَكَآءُ مُتَشَـٰكِسُونَ وَرَجُلًۭا سَلَمًۭا لِّرَجُلٍ هَلْ يَسْتَوِيَانِ مَثَلًا ۚ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ۚ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ
আল্লাহ এক দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেনঃ একটি লোকের উপর পরস্পর বিরোধী কয়জন মালিক রয়েছে, আরেক ব্যক্তির প্রভু মাত্র একজন-তাদের উভয়ের অবস্থা কি সমান? সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।
▶
ضَرَبَ
ḍaraba
পেশ করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
مَثَلًۭا
mathalan
একটি দৃষ্টান্ত
▶
رَّجُلًۭا
rajulan
এক ব্যক্তির
▶
فِيهِ
fīhi
তার আছে
▶
شُرَكَآءُ
shurakāu
অনেক অংশীদার (মনিব)
▶
مُتَشَـٰكِسُونَ
mutashākisūna
পরস্পরকে দেখতে পারে না
▶
وَرَجُلًۭا
warajulan
এবং এক ব্যক্তি
▶
سَلَمًۭا
salaman
সম্পূর্ণরূপে
▶
لِّرَجُلٍ
lirajulin
এক(জনের) (মালিকানায়)
▶
هَلْ
hal
কি
▶
يَسْتَوِيَانِ
yastawiyāni
দু'জনের (অবস্থা) সমান
▶
مَثَلًا ۚ
mathalan
দৃষ্টান্তে
▶
ٱلْحَمْدُ
l-ḥamdu
সব প্রশংসাই
▶
لِلَّهِ ۚ
lillahi
আল্লাহর জন্যে
▶
بَلْ
bal
কিন্তু
▶
أَكْثَرُهُمْ
aktharuhum
অধিকাংশই তাদের
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
জানে
আয়াত 30 - সূরা الزمر: 4 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّكَ مَيِّتٌۭ وَإِنَّهُم مَّيِّتُونَ
নিশ্চয় তোমারও মৃত্যু হবে এবং তাদেরও মৃত্যু হবে।
▶
إِنَّكَ
innaka
তুমি নিশ্চয়ই
▶
مَيِّتٌۭ
mayyitun
মৃত্যুবরণ করবে
▶
وَإِنَّهُم
wa-innahum
এবং তারা নিশ্চয়ই
▶
مَّيِّتُونَ
mayyitūna
মৃত্যুবরণ করবে
আয়াত 31 - সূরা الزمر: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ عِندَ رَبِّكُمْ تَخْتَصِمُونَ
অতঃপর কেয়ামতের দিন তোমরা সবাই তোমাদের পালনকর্তার সামনে কথা কাটাকাটি করবে।
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
إِنَّكُمْ
innakum
তোমরা নিশ্চয়ই
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
تَخْتَصِمُونَ
takhtaṣimūna
তর্কাতর্কি করবে
আয়াত 32 - সূরা الزمر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن كَذَبَ عَلَى ٱللَّهِ وَكَذَّبَ بِٱلصِّدْقِ إِذْ جَآءَهُۥٓ ۚ أَلَيْسَ فِى جَهَنَّمَ مَثْوًۭى لِّلْكَـٰفِرِينَ
যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা বলে এবং তার কাছে সত্য আগমন করার পর তাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করে, তার চেয়ে অধিক যালেম আর কে হবে? কাফেরদের বাসস্থান জাহান্নামে নয় কি?
▶
۞ فَمَنْ
faman
অতঃপর কে
▶
أَظْلَمُ
aẓlamu
বড় সীমালঙ্ঘনকারী (হতে পারে)
▶
مِمَّن
mimman
(তার) চেয়ে যে
▶
كَذَبَ
kadhaba
মিথ্যা বলে
▶
عَلَى
ʿalā
সম্পর্কে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
وَكَذَّبَ
wakadhaba
ও প্রত্যাখ্যান করে
▶
بِٱلصِّدْقِ
bil-ṣid'qi
পরম সত্যকে
▶
إِذْ
idh
যখন
▶
جَآءَهُۥٓ ۚ
jāahu
তার কাছে এসেছে
▶
أَلَيْسَ
alaysa
নয় কি
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
مَثْوًۭى
mathwan
আবাসস্থল
▶
لِّلْكَـٰفِرِينَ
lil'kāfirīna
(এমন সব) কাফেরদের জন্যে
আয়াত 33 - সূরা الزمر: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱلَّذِى جَآءَ بِٱلصِّدْقِ وَصَدَّقَ بِهِۦٓ ۙ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُتَّقُونَ
যারা সত্য নিয়ে আগমন করছে এবং সত্যকে সত্য মেনে নিয়েছে; তারাই তো খোদাভীরু।
▶
وَٱلَّذِى
wa-alladhī
এবং যে
▶
جَآءَ
jāa
এসেছে
▶
بِٱلصِّدْقِ
bil-ṣid'qi
পরম সত্যসহ
▶
وَصَدَّقَ
waṣaddaqa
এবং (যারা) সত্য বলে মেনে নিয়েছে
▶
بِهِۦٓ ۙ
bihi
তাঁকে
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْمُتَّقُونَ
l-mutaqūna
মুত্তাকী
আয়াত 34 - সূরা الزمر: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَهُم مَّا يَشَآءُونَ عِندَ رَبِّهِمْ ۚ ذَٰلِكَ جَزَآءُ ٱلْمُحْسِنِينَ
তাদের জন্যে পালনকর্তার কাছে তাই রয়েছে, যা তারা চাইবে। এটা সৎকর্মীদের পুরস্কার।
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে
▶
مَّا
mā
(থাকবে) যা
▶
يَشَآءُونَ
yashāūna
তারা ইচ্ছে করবে
▶
عِندَ
ʿinda
কাছে
▶
رَبِّهِمْ ۚ
rabbihim
তাদের রবের
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এটা
▶
جَزَآءُ
jazāu
পুরস্কার
▶
ٱلْمُحْسِنِينَ
l-muḥ'sinīna
সৎকর্মপরায়ণদের
আয়াত 35 - সূরা الزمر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لِيُكَفِّرَ ٱللَّهُ عَنْهُمْ أَسْوَأَ ٱلَّذِى عَمِلُوا۟ وَيَجْزِيَهُمْ أَجْرَهُم بِأَحْسَنِ ٱلَّذِى كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ
যাতে আল্লাহ তাদের মন্দ কর্মসমূহ মার্জনা করেন এবং তাদের উত্তম কর্মের পুরস্কার তাদেরকে দান করেন।
▶
لِيُكَفِّرَ
liyukaffira
মোচন করেন যেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
عَنْهُمْ
ʿanhum
তাদের থেকে
▶
أَسْوَأَ
aswa-a
মন্দকাজ
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যা
▶
عَمِلُوا۟
ʿamilū
তারা কাজ করেছিলো
▶
وَيَجْزِيَهُمْ
wayajziyahum
এবং তাদের প্রতিফল দেন (যেন)
▶
أَجْرَهُم
ajrahum
পুরস্কার তাদের
▶
بِأَحْسَنِ
bi-aḥsani
উত্তমভাবে
▶
ٱلَّذِى
alladhī
(ঐ বিষয়ের) যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা
▶
يَعْمَلُونَ
yaʿmalūna
কাজ করেছিলো
আয়াত 36 - সূরা الزمر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِكَافٍ عَبْدَهُۥ ۖ وَيُخَوِّفُونَكَ بِٱلَّذِينَ مِن دُونِهِۦ ۚ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِنْ هَادٍۢ
আল্লাহ কি তাঁর বান্দার পক্ষে যথেষ্ট নন? অথচ তারা আপনাকে আল্লাহর পরিবর্তে অন্যান্য উপাস্যদের ভয় দেখায়। আল্লাহ যাকে গোমরাহ করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।
▶
أَلَيْسَ
alaysa
কি নন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِكَافٍ
bikāfin
যথেষ্ট
▶
عَبْدَهُۥ ۖ
ʿabdahu
তাঁর দাসের (জন্যে)
▶
وَيُخَوِّفُونَكَ
wayukhawwifūnaka
এবং তোমাকে তারা ভয় দেখায়
▶
بِٱلَّذِينَ
bi-alladhīna
অন্যদের সম্পর্কে
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
دُونِهِۦ ۚ
dūnihi
তিনি ছাড়া
▶
وَمَن
waman
অথচ যাকে
▶
يُضْلِلِ
yuḍ'lili
পথভ্রষ্ট করেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَمَا
famā
অতঃপর নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
مِنْ
min
কোনো
▶
هَادٍۢ
hādin
পথ প্রদর্শক
আয়াত 37 - সূরা الزمر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَن يَهْدِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِن مُّضِلٍّ ۗ أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِعَزِيزٍۢ ذِى ٱنتِقَامٍۢ
আর আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই। আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী নন?
▶
وَمَن
waman
এবং যাকে
▶
يَهْدِ
yahdi
পথ দেখান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
فَمَا
famā
তখন নেই
▶
لَهُۥ
lahu
তার জন্যে
▶
مِن
min
কোনো
▶
مُّضِلٍّ ۗ
muḍillin
বিভ্রান্তকারী
▶
أَلَيْسَ
alaysa
নন কি
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِعَزِيزٍۢ
biʿazīzin
মহাপরাক্রমশালী
▶
ذِى
dhī
আছে
▶
ٱنتِقَامٍۢ
intiqāmin
প্রতিশোধ গ্রহণকারী
আয়াত 38 - সূরা الزمر: 36 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَرَءَيْتُم مَّا تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ إِنْ أَرَادَنِىَ ٱللَّهُ بِضُرٍّ هَلْ هُنَّ كَـٰشِفَـٰتُ ضُرِّهِۦٓ أَوْ أَرَادَنِى بِرَحْمَةٍ هَلْ هُنَّ مُمْسِكَـٰتُ رَحْمَتِهِۦ ۚ قُلْ حَسْبِىَ ٱللَّهُ ۖ عَلَيْهِ يَتَوَكَّلُ ٱلْمُتَوَكِّلُونَ
যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, আসমান ও যমীন কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে-আল্লাহ। বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি আল্লাহ আমার অনিষ্ট করার ইচ্ছা করেন, তবে তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদেরকে ডাক, তারা কি সে অনিষ্ট দূর করতে পারবে? অথবা তিনি আমার প্রতি রহমত করার ইচ্ছা করলে তারা কি সে রহমত রোধ করতে পারবে? বলুন, আমার পক্ষে আল্লাহই যথেষ্ট। নির্ভরকারীরা তাঁরই উপর নির্ভর করে।
▶
وَلَئِن
wala-in
এবং অবশ্যই যদি
▶
سَأَلْتَهُم
sa-altahum
তাদের তুমি প্রশ্ন করো
▶
مَّنْ
man
কে
▶
خَلَقَ
khalaqa
সৃষ্টি করেছে
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশকে
▶
وَٱلْأَرْضَ
wal-arḍa
ও পৃথিবীকে
▶
لَيَقُولُنَّ
layaqūlunna
অবশ্যই তারা বলবে
▶
ٱللَّهُ ۚ
l-lahu
"আল্লাহ"
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
أَفَرَءَيْتُم
afara-aytum
"তবে তোমরা (ভেবে) দেখেছো কি
▶
مَّا
mā
যাদেরকে
▶
تَدْعُونَ
tadʿūna
তোমরা ডাকো
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
إِنْ
in
যদি
▶
أَرَادَنِىَ
arādaniya
আমাকে চান
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
بِضُرٍّ
biḍurrin
কোনো অনিষ্ট (করতে)
▶
هَلْ
hal
কি
▶
هُنَّ
hunna
তারা
▶
كَـٰشِفَـٰتُ
kāshifātu
রক্ষাকারী (হতে পারবে)
▶
ضُرِّهِۦٓ
ḍurrihi
তার অনিষ্ট (হ'তে)
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
أَرَادَنِى
arādanī
তিনি আমাকে চান
▶
بِرَحْمَةٍ
biraḥmatin
অনুগ্রহ (করতে)
▶
هَلْ
hal
কি
▶
هُنَّ
hunna
তারা
▶
مُمْسِكَـٰتُ
mum'sikātu
বাধাদানকারী (হতে পারবে)
▶
رَحْمَتِهِۦ ۚ
raḥmatihi
তার অনুগ্রহকে"
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
حَسْبِىَ
ḥasbiya
"আমার জন্যে যথেষ্ট
▶
ٱللَّهُ ۖ
l-lahu
"আল্লাহ
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তাঁরই উপর
▶
يَتَوَكَّلُ
yatawakkalu
নির্ভর করে থাকে
▶
ٱلْمُتَوَكِّلُونَ
l-mutawakilūna
নির্ভরকারীরা"
আয়াত 39 - সূরা الزمر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ يَـٰقَوْمِ ٱعْمَلُوا۟ عَلَىٰ مَكَانَتِكُمْ إِنِّى عَـٰمِلٌۭ ۖ فَسَوْفَ تَعْلَمُونَ
বলুন, হে আমার কওম, তোমরা তোমাদের জায়গায় কাজ কর, আমিও কাজ করছি। সত্ত্বরই জানতে পারবে।
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
يَـٰقَوْمِ
yāqawmi
"হে আমার জাতি
▶
ٱعْمَلُوا۟
iʿ'malū
তোমরা কাজ করো
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
مَكَانَتِكُمْ
makānatikum
তোমাদের অবস্থার
▶
إِنِّى
innī
নিশ্চয়ই আমি
▶
عَـٰمِلٌۭ ۖ
ʿāmilun
কাজ করে যাচ্ছি
▶
فَسَوْفَ
fasawfa
শীঘ্রই অতঃপর
▶
تَعْلَمُونَ
taʿlamūna
তোমরা জানবে
আয়াত 40 - সূরা الزمر: 8 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
مَن يَأْتِيهِ عَذَابٌۭ يُخْزِيهِ وَيَحِلُّ عَلَيْهِ عَذَابٌۭ مُّقِيمٌ
কার কাছে অবমাননাকর আযাব এবং চিরস্থায়ী শাস্তি নেমে আসে।
▶
مَن
man
কার উপর
▶
يَأْتِيهِ
yatīhi
আসবে
▶
عَذَابٌۭ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
يُخْزِيهِ
yukh'zīhi
তাকে লাঞ্ছিত করবে
▶
وَيَحِلُّ
wayaḥillu
ও আপতিত হবে
▶
عَلَيْهِ
ʿalayhi
তার উপর
▶
عَذَابٌۭ
ʿadhābun
শাস্তি
▶
مُّقِيمٌ
muqīmun
স্থায়ী"
আয়াত 41 - সূরা الزمر: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
إِنَّآ أَنزَلْنَا عَلَيْكَ ٱلْكِتَـٰبَ لِلنَّاسِ بِٱلْحَقِّ ۖ فَمَنِ ٱهْتَدَىٰ فَلِنَفْسِهِۦ ۖ وَمَن ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيْهَا ۖ وَمَآ أَنتَ عَلَيْهِم بِوَكِيلٍ
আমি আপনার প্রতি সত্য ধর্মসহ কিতাব নাযিল করেছি মানুষের কল্যাণকল্পে। অতঃপর যে সৎপথে আসে, সে নিজের কল্যাণের জন্যেই আসে, আর যে পথভ্রষ্ট হয়, সে নিজেরই অনিষ্টের জন্যে পথভ্রষ্ট হয়। আপনি তাদের জন্যে দায়ী নন।
▶
إِنَّآ
innā
নিশ্চয়ই আমরা
▶
أَنزَلْنَا
anzalnā
আমরা অবতীর্ণ করেছি
▶
عَلَيْكَ
ʿalayka
তোমার উপর
▶
ٱلْكِتَـٰبَ
l-kitāba
(এই) কিতাব
▶
لِلنَّاسِ
lilnnāsi
মানুষের জন্যে
▶
بِٱلْحَقِّ ۖ
bil-ḥaqi
সত্যসহ
▶
فَمَنِ
famani
অতঃপর যে
▶
ٱهْتَدَىٰ
ih'tadā
সৎপথ গ্রহন করে
▶
فَلِنَفْسِهِۦ ۖ
falinafsihi
তা তার নিজের জন্যে
▶
وَمَن
waman
এবং যে
▶
ضَلَّ
ḍalla
পথভ্রষ্ট হয়
▶
فَإِنَّمَا
fa-innamā
মূলতঃ তখন
▶
يَضِلُّ
yaḍillu
সে বিপথে চলে
▶
عَلَيْهَا ۖ
ʿalayhā
তার নিজের বিরুদ্ধে
▶
وَمَآ
wamā
এবং নও
▶
أَنتَ
anta
তুমি
▶
عَلَيْهِم
ʿalayhim
তাদের উপর
▶
بِوَكِيلٍ
biwakīlin
তত্ত্বাবধায়ক
আয়াত 42 - সূরা الزمر: 26 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ يَتَوَفَّى ٱلْأَنفُسَ حِينَ مَوْتِهَا وَٱلَّتِى لَمْ تَمُتْ فِى مَنَامِهَا ۖ فَيُمْسِكُ ٱلَّتِى قَضَىٰ عَلَيْهَا ٱلْمَوْتَ وَيُرْسِلُ ٱلْأُخْرَىٰٓ إِلَىٰٓ أَجَلٍۢ مُّسَمًّى ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّقَوْمٍۢ يَتَفَكَّرُونَ
আল্লাহ মানুষের প্রাণ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে না, তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার প্রাণ ছাড়েন না এবং অন্যান্যদের ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাই
▶
يَتَوَفَّى
yatawaffā
হরণ করেন
▶
ٱلْأَنفُسَ
l-anfusa
প্রাণসমূহকে (রূহগুলোকে)
▶
حِينَ
ḥīna
সময়
▶
مَوْتِهَا
mawtihā
তার মৃত্যুর
▶
وَٱلَّتِى
wa-allatī
এবং তারও (যে)
▶
لَمْ
lam
নাই
▶
تَمُتْ
tamut
মরে (কিন্তু)
▶
فِى
fī
মধ্যে (থাকে)
▶
مَنَامِهَا ۖ
manāmihā
তার ঘুমের
▶
فَيُمْسِكُ
fayum'siku
অতঃপর প্রাণকে ধরে রাখেন
▶
ٱلَّتِى
allatī
যার
▶
قَضَىٰ
qaḍā
অবধারিত হয়েছে
▶
عَلَيْهَا
ʿalayhā
তাদের উপর
▶
ٱلْمَوْتَ
l-mawta
মৃত্যু
▶
وَيُرْسِلُ
wayur'silu
এবং ফিরিয়ে দেন
▶
ٱلْأُخْرَىٰٓ
l-ukh'rā
অন্যদের (রূহগুলোকে)
▶
إِلَىٰٓ
ilā
পর্যন্ত
▶
أَجَلٍۢ
ajalin
একটি মেয়াদ
▶
مُّسَمًّى ۚ
musamman
নির্দিষ্ট
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَـَٔايَـٰتٍۢ
laāyātin
অবশ্যই নিদর্শনাবলী
▶
لِّقَوْمٍۢ
liqawmin
লোকদের জন্যে
▶
يَتَفَكَّرُونَ
yatafakkarūna
(যারা) চিন্তা ভাবনা করে
আয়াত 43 - সূরা الزمر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَمِ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ شُفَعَآءَ ۚ قُلْ أَوَلَوْ كَانُوا۟ لَا يَمْلِكُونَ شَيْـًۭٔا وَلَا يَعْقِلُونَ
তারা কি আল্লাহ ব্যতীত সুপারিশকারী গ্রহণ করেছে? বলুন, তাদের কোন এখতিয়ার না থাকলেও এবং তারা না বুঝলেও?
▶
أَمِ
ami
কি
▶
ٱتَّخَذُوا۟
ittakhadhū
তারা গ্রহণ করেছে
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
دُونِ
dūni
ছাড়া
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
شُفَعَآءَ ۚ
shufaʿāa
(অন্যান্যদেরকে) সুপারিশকারী রূপে
▶
قُلْ
qul
বলো
▶
أَوَلَوْ
awalaw
"যদিও তবুওকি
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা হলো (এমন যে)
▶
لَا
lā
না
▶
يَمْلِكُونَ
yamlikūna
ক্ষমতা রাখে
▶
شَيْـًۭٔا
shayan
কোনো কিছুরই
▶
وَلَا
walā
এবং না
▶
يَعْقِلُونَ
yaʿqilūna
তারা বুঝেও"
আয়াত 44 - সূরা الزمر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُل لِّلَّهِ ٱلشَّفَـٰعَةُ جَمِيعًۭا ۖ لَّهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
বলুন, সমস্ত সুপারিশ আল্লাহরই ক্ষমতাধীন, আসমান ও যমীনে তাঁরই সাম্রাজ্য। অতঃপর তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।
▶
قُل
qul
বলো
▶
لِّلَّهِ
lillahi
"আল্লাহরই (এখতিয়ারভুক্ত)
▶
ٱلشَّفَـٰعَةُ
l-shafāʿatu
সুপারিশ
▶
جَمِيعًۭا ۖ
jamīʿan
সকল
▶
لَّهُۥ
lahu
তাঁরই
▶
مُلْكُ
mul'ku
সার্বভৌমত্ব
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۖ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
إِلَيْهِ
ilayhi
তাঁরই দিকে
▶
تُرْجَعُونَ
tur'jaʿūna
তোমাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে"
আয়াত 45 - সূরা الزمر: 18 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَإِذَا ذُكِرَ ٱللَّهُ وَحْدَهُ ٱشْمَأَزَّتْ قُلُوبُ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ وَإِذَا ذُكِرَ ٱلَّذِينَ مِن دُونِهِۦٓ إِذَا هُمْ يَسْتَبْشِرُونَ
যখন খাঁটিভাবে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়, আর যখন আল্লাহ ব্যতীত অন্য উপাস্যদের নাম উচ্চারণ করা হয়, তখন তারা আনন্দে উল্লসিত হয়ে উঠে।
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
ذُكِرَ
dhukira
উল্লেখ করা হয়
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহর
▶
وَحْدَهُ
waḥdahu
তাঁর একারই
▶
ٱشْمَأَزَّتْ
ish'ma-azzat
সংকুচিত হয় বিতৃষ্ণায়
▶
قُلُوبُ
qulūbu
অন্তরসমূহ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
لَا
lā
না
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
বিশ্বাস করে
▶
بِٱلْـَٔاخِرَةِ ۖ
bil-ākhirati
পরকালের উপর
▶
وَإِذَا
wa-idhā
এবং যখন
▶
ذُكِرَ
dhukira
উল্লেখ করা হয়
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(অন্যদেরকে) যারা (আছে)
▶
مِن
min
ছাড়া
▶
دُونِهِۦٓ
dūnihi
তিনি
▶
إِذَا
idhā
তখন
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَسْتَبْشِرُونَ
yastabshirūna
আনন্দে উল্লসিত হয়
আয়াত 46 - সূরা الزمر: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلِ ٱللَّهُمَّ فَاطِرَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ عَـٰلِمَ ٱلْغَيْبِ وَٱلشَّهَـٰدَةِ أَنتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِى مَا كَانُوا۟ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ
বলুন, হে আল্লাহ আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আপনিই আপনার বান্দাদের মধ্যে ফয়সালা করবেন, যে বিষয়ে তারা মত বিরোধ করত।
▶
قُلِ
quli
বলো
▶
ٱللَّهُمَّ
l-lahuma
"হে আল্লাহ
▶
فَاطِرَ
fāṭira
স্রষ্টা
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
عَـٰلِمَ
ʿālima
খুব অবহিত
▶
ٱلْغَيْبِ
l-ghaybi
অদৃশ্যের
▶
وَٱلشَّهَـٰدَةِ
wal-shahādati
ও দৃশ্যের
▶
أَنتَ
anta
তুমিই
▶
تَحْكُمُ
taḥkumu
মীমাংসা করে দিও
▶
بَيْنَ
bayna
মাঝে
▶
عِبَادِكَ
ʿibādika
তোমার দাসদের
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
مَا
mā
(ঐ বিষয়ের) যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিলো
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
يَخْتَلِفُونَ
yakhtalifūna
মতভেদ করতো"
আয়াত 47 - সূরা الزمر: 25 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَوْ أَنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مَا فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًۭا وَمِثْلَهُۥ مَعَهُۥ لَٱفْتَدَوْا۟ بِهِۦ مِن سُوٓءِ ٱلْعَذَابِ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۚ وَبَدَا لَهُم مِّنَ ٱللَّهِ مَا لَمْ يَكُونُوا۟ يَحْتَسِبُونَ
যদি গোনাহগারদের কাছে পৃথিবীর সবকিছু থাকে এবং তার সাথে সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে অবশ্যই তারা কেয়ামতের দিন সে সবকিছুই নিস্কৃতি পাওয়ার জন্যে মুক্তিপন হিসেবে দিয়ে দেবে। অথচ তারা দেখতে পাবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন শাস্তি, যা তারা কল্পনাও করত না।
▶
وَلَوْ
walaw
এবং (এমন) যে
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
لِلَّذِينَ
lilladhīna
(তাদের) জন্যে যারা
▶
ظَلَمُوا۟
ẓalamū
সীমালঙ্ঘন করেছে
▶
مَا
mā
যা কিছু
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সবই (তাদের মালিকানায়)
▶
وَمِثْلَهُۥ
wamith'lahu
এবং তারও সমপরিমাণ
▶
مَعَهُۥ
maʿahu
তার সাথে
▶
لَٱفْتَدَوْا۟
la-if'tadaw
তারা অবশ্যই মুক্তিপণ দিতে চাইতো
▶
بِهِۦ
bihi
তা দিয়ে
▶
مِن
min
হ'তে
▶
سُوٓءِ
sūi
কঠিন
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তি (বাঁচতে)
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ ۚ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
وَبَدَا
wabadā
এবং প্রকাশিত হবে
▶
لَهُم
lahum
তাদের জন্যে
▶
مِّنَ
mina
পক্ষ হ'তে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
مَا
mā
যা
▶
لَمْ
lam
নি
▶
يَكُونُوا۟
yakūnū
তারা করেছিল
▶
يَحْتَسِبُونَ
yaḥtasibūna
তারা ধারনাও করে
আয়াত 48 - সূরা الزمر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَبَدَا لَهُمْ سَيِّـَٔاتُ مَا كَسَبُوا۟ وَحَاقَ بِهِم مَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ
আর দেখবে, তাদের দুস্কর্মসমূহ এবং যে বিষয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তা তাদেরকে ঘিরে নেবে।
▶
وَبَدَا
wabadā
এবং প্রকাশ হয়ে যাবে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদের জন্যে
▶
سَيِّـَٔاتُ
sayyiātu
মন্দ (ফল) সমূহ
▶
مَا
mā
যা
▶
كَسَبُوا۟
kasabū
তারা কামাই করতো
▶
وَحَاقَ
waḥāqa
এবং ঘিরে রাখবে
▶
بِهِم
bihim
তাদেরকে
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা ছিলো
▶
بِهِۦ
bihi
সে সম্পর্কে
▶
يَسْتَهْزِءُونَ
yastahziūna
ঠাট্রা বিদ্রুপ করতো
আয়াত 49 - সূরা الزمر: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَإِذَا مَسَّ ٱلْإِنسَـٰنَ ضُرٌّۭ دَعَانَا ثُمَّ إِذَا خَوَّلْنَـٰهُ نِعْمَةًۭ مِّنَّا قَالَ إِنَّمَآ أُوتِيتُهُۥ عَلَىٰ عِلْمٍۭ ۚ بَلْ هِىَ فِتْنَةٌۭ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ
মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে, এরপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষ থেকে নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে, এটা তো আমি পূর্বের জানা মতেই প্রাপ্ত হয়েছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।
▶
فَإِذَا
fa-idhā
অতঃপর যখন
▶
مَسَّ
massa
স্পর্শ করে
▶
ٱلْإِنسَـٰنَ
l-insāna
মানুষকে
▶
ضُرٌّۭ
ḍurrun
কোনো দুঃখদৈন্য
▶
دَعَانَا
daʿānā
আমাদেরকে ডাকে
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
خَوَّلْنَـٰهُ
khawwalnāhu
তাকে আমরা দিয়েছি
▶
نِعْمَةًۭ
niʿ'matan
অনুগ্রহ
▶
مِّنَّا
minnā
আমাদের পক্ষ হ'তে
▶
قَالَ
qāla
সে বলে
▶
إِنَّمَآ
innamā
"মূলতঃ
▶
أُوتِيتُهُۥ
ūtītuhu
তা দেওয়া হয়েছিলো আমাকে
▶
عَلَىٰ
ʿalā
কারণে
▶
عِلْمٍۭ ۚ
ʿil'min
জ্ঞানের"
▶
بَلْ
bal
বরং
▶
هِىَ
hiya
এটা
▶
فِتْنَةٌۭ
fit'natun
একটি পরীক্ষা
▶
وَلَـٰكِنَّ
walākinna
কিন্তু
▶
أَكْثَرَهُمْ
aktharahum
তারা অধিকাংশই
▶
لَا
lā
না
▶
يَعْلَمُونَ
yaʿlamūna
জানে
আয়াত 50 - সূরা الزمر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قَدْ قَالَهَا ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَمَآ أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ
তাদের পূর্ববর্তীরাও তাই বলত, অতঃপর তাদের কৃতকর্ম তাদের কোন উপকারে আসেনি।
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
قَالَهَا
qālahā
তা বলেছিলো
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তারাও) যারা
▶
مِن
min
পূর্বে (ছিলো)
▶
قَبْلِهِمْ
qablihim
তাদের
▶
فَمَآ
famā
কিন্তু না
▶
أَغْنَىٰ
aghnā
কাছে এসেছে
▶
عَنْهُم
ʿanhum
তাদের জন্যে
▶
مَّا
mā
যা
▶
كَانُوا۟
kānū
তারা
▶
يَكْسِبُونَ
yaksibūna
অর্জন করতেছিলো
আয়াত 51 - সূরা الزمر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
فَأَصَابَهُمْ سَيِّـَٔاتُ مَا كَسَبُوا۟ ۚ وَٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مِنْ هَـٰٓؤُلَآءِ سَيُصِيبُهُمْ سَيِّـَٔاتُ مَا كَسَبُوا۟ وَمَا هُم بِمُعْجِزِينَ
তাদের দুস্কর্ম তাদেরকে বিপদে ফেলেছে, এদের মধ্যেও যারা পাপী, তাদেরকেও অতি সত্ত্বর তাদের দুস্কর্ম বিপদে ফেলবে। তারা তা প্রতিহত করতে সক্ষম হবে না।
▶
فَأَصَابَهُمْ
fa-aṣābahum
তাদের উপর এরপর আপতিত হয়েছে
▶
سَيِّـَٔاتُ
sayyiātu
মন্দ ফলসমূহ
▶
مَا
mā
যা
▶
كَسَبُوا۟ ۚ
kasabū
তারা কামাই করেছিলো
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
ظَلَمُوا۟
ẓalamū
সীমালঙ্ঘন করেছে
▶
مِنْ
min
মধ্য হ'তে
▶
هَـٰٓؤُلَآءِ
hāulāi
এদের
▶
سَيُصِيبُهُمْ
sayuṣībuhum
তাদের উপর এসে পড়বে শীঘ্রই
▶
سَيِّـَٔاتُ
sayyiātu
মন্দ ফলসমূহ
▶
مَا
mā
যা
▶
كَسَبُوا۟
kasabū
তারা কামাই করেছে
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
هُم
hum
তারা
▶
بِمُعْجِزِينَ
bimuʿ'jizīna
(আমাকে) অক্ষম করতে পারবে
আয়াত 52 - সূরা الزمر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوَلَمْ يَعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقْدِرُ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّقَوْمٍۢ يُؤْمِنُونَ
তারা কি জানেনি যে, আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা রিযিক বৃদ্ধি করেন এবং পরিমিত দেন। নিশ্চয় এতে বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
▶
أَوَلَمْ
awalam
কি না
▶
يَعْلَمُوٓا۟
yaʿlamū
তারা জানে
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَبْسُطُ
yabsuṭu
প্রশস্ত করে দেন
▶
ٱلرِّزْقَ
l-riz'qa
জীবনের উপকরণ
▶
لِمَن
liman
(তার) জন্যে যাকে
▶
يَشَآءُ
yashāu
ইচ্ছে করেন
▶
وَيَقْدِرُ ۚ
wayaqdiru
এবং সংকীর্ণ করেন (যাকে চান)
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ذَٰلِكَ
dhālika
এর
▶
لَـَٔايَـٰتٍۢ
laāyātin
অবশ্যই নিদর্শনাবলী
▶
لِّقَوْمٍۢ
liqawmin
লোকদের জন্যে
▶
يُؤْمِنُونَ
yu'minūna
(যারা) ঈমান আনে
আয়াত 53 - সূরা الزمر: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
۞ قُلْ يَـٰعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ أَسْرَفُوا۟ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا۟ مِن رَّحْمَةِ ٱللَّهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَغْفِرُ ٱلذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ
বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
▶
۞ قُلْ
qul
বলো
▶
يَـٰعِبَادِىَ
yāʿibādiya
"হে আমার দাসরা
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
যারা
▶
أَسْرَفُوا۟
asrafū
বাড়াবাড়ি করেছো
▶
عَلَىٰٓ
ʿalā
উপর
▶
أَنفُسِهِمْ
anfusihim
তাদের নিজেদের
▶
لَا
lā
না
▶
تَقْنَطُوا۟
taqnaṭū
তোমরা নিরাশ হয়ো
▶
مِن
min
হ'তে
▶
رَّحْمَةِ
raḥmati
অনুগ্রহ
▶
ٱللَّهِ ۚ
l-lahi
আল্লাহর
▶
إِنَّ
inna
নিশ্চয়ই
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
يَغْفِرُ
yaghfiru
মাফ করেন
▶
ٱلذُّنُوبَ
l-dhunūba
পাপসমূহকে
▶
جَمِيعًا ۚ
jamīʿan
সমস্তই
▶
إِنَّهُۥ
innahu
নিশ্চয়ই তিনি
▶
هُوَ
huwa
তিনিই
▶
ٱلْغَفُورُ
l-ghafūru
ক্ষমাশীল
▶
ٱلرَّحِيمُ
l-raḥīmu
পরম দয়ালু
আয়াত 54 - সূরা الزمر: 13 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَنِيبُوٓا۟ إِلَىٰ رَبِّكُمْ وَأَسْلِمُوا۟ لَهُۥ مِن قَبْلِ أَن يَأْتِيَكُمُ ٱلْعَذَابُ ثُمَّ لَا تُنصَرُونَ
তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও তোমাদের কাছে আযাব আসার পূর্বে। এরপর তোমরা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না;
▶
وَأَنِيبُوٓا۟
wa-anībū
এবং তোমরা অভিমুখী হও
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
رَبِّكُمْ
rabbikum
তোমার রবের
▶
وَأَسْلِمُوا۟
wa-aslimū
এবং তোমরা আত্মসমর্পণ করো
▶
لَهُۥ
lahu
তাঁর কাছে
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَبْلِ
qabli
(এর) পূর্বে
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْتِيَكُمُ
yatiyakumu
তোমাদের উপর আসবে
▶
ٱلْعَذَابُ
l-ʿadhābu
শাস্তি
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
لَا
lā
না
▶
تُنصَرُونَ
tunṣarūna
তোমাদের সাহায্য করা হবে
আয়াত 55 - সূরা الزمر: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَٱتَّبِعُوٓا۟ أَحْسَنَ مَآ أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِيَكُمُ ٱلْعَذَابُ بَغْتَةًۭ وَأَنتُمْ لَا تَشْعُرُونَ
তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ উত্তম বিষয়ের অনুসরণ কর তোমাদের কাছে অতর্কিতে ও অজ্ঞাতসারে আযাব আসার পূর্বে,
▶
وَٱتَّبِعُوٓا۟
wa-ittabiʿū
এবং অনুসরণ করো
▶
أَحْسَنَ
aḥsana
উত্তম
▶
مَآ
mā
যা
▶
أُنزِلَ
unzila
অবতীর্ণ করা হয়েছে
▶
إِلَيْكُم
ilaykum
তোমাদের প্রতি
▶
مِّن
min
পক্ষ হ'তে
▶
رَّبِّكُم
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
مِّن
min
থেকে
▶
قَبْلِ
qabli
(এর) পূর্বে
▶
أَن
an
যে
▶
يَأْتِيَكُمُ
yatiyakumu
তোমাদের উপর আসবে
▶
ٱلْعَذَابُ
l-ʿadhābu
শাস্তি
▶
بَغْتَةًۭ
baghtatan
হঠাৎ
▶
وَأَنتُمْ
wa-antum
যখন তোমরা
▶
لَا
lā
না
▶
تَشْعُرُونَ
tashʿurūna
টেরই পাবে
আয়াত 56 - সূরা الزمر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَن تَقُولَ نَفْسٌۭ يَـٰحَسْرَتَىٰ عَلَىٰ مَا فَرَّطتُ فِى جَنۢبِ ٱللَّهِ وَإِن كُنتُ لَمِنَ ٱلسَّـٰخِرِينَ
যাতে কেউ না বলে, হায়, হায়, আল্লাহ সকাশে আমি কর্তব্যে অবহেলা করেছি এবং আমি ঠাট্টা-বিদ্রুপকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলাম।
▶
أَن
an
(এমন না হয়) যে
▶
تَقُولَ
taqūla
বলে
▶
نَفْسٌۭ
nafsun
কেউ
▶
يَـٰحَسْرَتَىٰ
yāḥasratā
"হায়!
▶
عَلَىٰ
ʿalā
(এর) উপর
▶
مَا
mā
যা
▶
فَرَّطتُ
farraṭtu
আমি অবহেলা করেছি
▶
فِى
fī
ক্ষেত্রে
▶
جَنۢبِ
janbi
কর্তব্যের
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর (প্রতি)
▶
وَإِن
wa-in
এবং নিশ্চয়ই
▶
كُنتُ
kuntu
আমি ছিলাম
▶
لَمِنَ
lamina
অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلسَّـٰخِرِينَ
l-sākhirīna
বিদ্রুপকারীদের"
আয়াত 57 - সূরা الزمر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ تَقُولَ لَوْ أَنَّ ٱللَّهَ هَدَىٰنِى لَكُنتُ مِنَ ٱلْمُتَّقِينَ
অথবা না বলে, আল্লাহ যদি আমাকে পথপ্রদর্শন করতেন, তবে অবশ্যই আমি পরহেযগারদের একজন হতাম।
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تَقُولَ
taqūla
কেউ বলে
▶
لَوْ
law
"যদি (এমন হতো)
▶
أَنَّ
anna
"যে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহ
▶
هَدَىٰنِى
hadānī
আমাকে পথপ্রদর্শন করতেন
▶
لَكُنتُ
lakuntu
অবশ্যই আমি হতাম
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْمُتَّقِينَ
l-mutaqīna
মুত্তাকীদের"
আয়াত 58 - সূরা الزمر: 12 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
أَوْ تَقُولَ حِينَ تَرَى ٱلْعَذَابَ لَوْ أَنَّ لِى كَرَّةًۭ فَأَكُونَ مِنَ ٱلْمُحْسِنِينَ
অথবা আযাব প্রত্যক্ষ করার সময় না বলে, যদি কোনরূপে একবার ফিরে যেতে পারি, তবে আমি সৎকর্মপরায়ণ হয়ে যাব।
▶
أَوْ
aw
অথবা
▶
تَقُولَ
taqūla
কেউ বলে
▶
حِينَ
ḥīna
যখন
▶
تَرَى
tarā
দেখবে
▶
ٱلْعَذَابَ
l-ʿadhāba
শাস্তি
▶
لَوْ
law
"যদি (সম্ভব হতো)
▶
أَنَّ
anna
যে
▶
لِى
lī
আমার জন্যে
▶
كَرَّةًۭ
karratan
একবার প্রত্যাবর্তন
▶
فَأَكُونَ
fa-akūna
হতাম আমি তবে
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْمُحْسِنِينَ
l-muḥ'sinīna
সৎকর্মপরায়ণদের"
আয়াত 59 - সূরা الزمر: 10 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَلَىٰ قَدْ جَآءَتْكَ ءَايَـٰتِى فَكَذَّبْتَ بِهَا وَٱسْتَكْبَرْتَ وَكُنتَ مِنَ ٱلْكَـٰفِرِينَ
হাঁ, তোমার কাছে আমার নির্দেশ এসেছিল; অতঃপর তুমি তাকে মিথ্যা বলেছিলে, অহংকার করেছিলে এবং কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গিয়েছিলে।
▶
بَلَىٰ
balā
"(বলা হবে) কেন নয়
▶
قَدْ
qad
নিশ্চয়ই
▶
جَآءَتْكَ
jāatka
তোমার কাছে এসেছিলো
▶
ءَايَـٰتِى
āyātī
আমার নিদর্শনাবলী
▶
فَكَذَّبْتَ
fakadhabta
তুমি তখন মিথ্যা বলেছিলে
▶
بِهَا
bihā
তা
▶
وَٱسْتَكْبَرْتَ
wa-is'takbarta
এবং তুমি অহংকার করেছিলে
▶
وَكُنتَ
wakunta
এবং তুমি হয়েছিলে
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফেরদের
আয়াত 60 - সূরা الزمر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ تَرَى ٱلَّذِينَ كَذَبُوا۟ عَلَى ٱللَّهِ وُجُوهُهُم مُّسْوَدَّةٌ ۚ أَلَيْسَ فِى جَهَنَّمَ مَثْوًۭى لِّلْمُتَكَبِّرِينَ
যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, কেয়ামতের দিন আপনি তাদের মুখ কাল দেখবেন। অহংকারীদের আবাসস্থল জাহান্নামে নয় কি?
▶
وَيَوْمَ
wayawma
এবং দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
تَرَى
tarā
তুমি দেখবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
كَذَبُوا۟
kadhabū
মিথ্যারোপ করেছে
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
وُجُوهُهُم
wujūhuhum
তাদের মুখগুলো
▶
مُّسْوَدَّةٌ ۚ
mus'waddatun
কালো (হয়ে গিয়েছে)
▶
أَلَيْسَ
alaysa
নয় কি
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
مَثْوًۭى
mathwan
আবাসস্থল (যথেষ্ঠ)
▶
لِّلْمُتَكَبِّرِينَ
lil'mutakabbirīna
অহংকারকারীদের জন্যে
আয়াত 61 - সূরা الزمر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَيُنَجِّى ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ بِمَفَازَتِهِمْ لَا يَمَسُّهُمُ ٱلسُّوٓءُ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
আর যারা শিরক থেকে বেঁচে থাকত, আল্লাহ তাদেরকে সাফল্যের সাথে মুক্তি দেবেন, তাদেরকে অনিষ্ট স্পর্শ করবে না এবং তারা চিন্তিতও হবে না।
▶
وَيُنَجِّى
wayunajjī
এবং উদ্ধার করবেন
▶
ٱللَّهُ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
ٱتَّقَوْا۟
ittaqaw
আত্মরক্ষা করেছিলো
▶
بِمَفَازَتِهِمْ
bimafāzatihim
তাদের সাফল্যসহ
▶
لَا
lā
না
▶
يَمَسُّهُمُ
yamassuhumu
তাদেরকে স্পর্শ করবে
▶
ٱلسُّوٓءُ
l-sūu
অমঙ্গল
▶
وَلَا
walā
আর না
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
يَحْزَنُونَ
yaḥzanūna
চিন্তিত হবে
আয়াত 62 - সূরা الزمر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
ٱللَّهُ خَـٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍۢ ۖ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ وَكِيلٌۭ
আল্লাহ সর্বকিছুর স্রষ্টা এবং তিনি সবকিছুর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
▶
ٱللَّهُ
al-lahu
আল্লাহ
▶
خَـٰلِقُ
khāliqu
স্রষ্টা
▶
كُلِّ
kulli
প্রত্যেক
▶
شَىْءٍۢ ۖ
shayin
জিনিসের
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
عَلَىٰ
ʿalā
উপর
▶
كُلِّ
kulli
সব
▶
شَىْءٍۢ
shayin
জিনিসের
▶
وَكِيلٌۭ
wakīlun
কর্মবিধায়ক
আয়াত 63 - সূরা الزمر: 11 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
لَّهُۥ مَقَالِيدُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۗ وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِ ٱللَّهِ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْخَـٰسِرُونَ
আসমান ও যমীনের চাবি তাঁরই নিকট। যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।
▶
لَّهُۥ
lahu
তাঁরই (কাছে রক্ষিত)
▶
مَقَالِيدُ
maqālīdu
চাবিসমূহ
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَٱلْأَرْضِ ۗ
wal-arḍi
ও পৃথিবীর
▶
وَٱلَّذِينَ
wa-alladhīna
এবং যারা
▶
كَفَرُوا۟
kafarū
অমান্য করেছে
▶
بِـَٔايَـٰتِ
biāyāti
আয়াতগুলোকে
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহর
▶
أُو۟لَـٰٓئِكَ
ulāika
ঐসব লোক
▶
هُمُ
humu
তারাই
▶
ٱلْخَـٰسِرُونَ
l-khāsirūna
ক্ষতিগ্রস্ত
আয়াত 64 - সূরা الزمر: 7 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قُلْ أَفَغَيْرَ ٱللَّهِ تَأْمُرُوٓنِّىٓ أَعْبُدُ أَيُّهَا ٱلْجَـٰهِلُونَ
বলুন, হে মুর্খরা, তোমরা কি আমাকে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের এবাদত করতে আদেশ করছ?
▶
قُلْ
qul
(হে নাবী) বলো
▶
أَفَغَيْرَ
afaghayra
"তবে কি ব্যতীত
▶
ٱللَّهِ
l-lahi
আল্লাহ
▶
تَأْمُرُوٓنِّىٓ
tamurūnnī
আমাকে তোমরা নির্দেশ দিচ্ছো (যে)
▶
أَعْبُدُ
aʿbudu
ইবাদাত করবো আমি (অন্যকে)
▶
أَيُّهَا
ayyuhā
ও হে
▶
ٱلْجَـٰهِلُونَ
l-jāhilūna
অজ্ঞ লোকেরা"
আয়াত 65 - সূরা الزمر: 14 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَلَقَدْ أُوحِىَ إِلَيْكَ وَإِلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ ٱلْخَـٰسِرِينَ
আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের পতি প্রত্যাদেশ হয়েছে, যদি আল্লাহর শরীক স্থির করেন, তবে আপনার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের একজন হবেন।
▶
وَلَقَدْ
walaqad
এবং নিশ্চয়ই
▶
أُوحِىَ
ūḥiya
ওহী করা হয়েছে
▶
إِلَيْكَ
ilayka
তোমার প্রতি
▶
وَإِلَى
wa-ilā
এবং প্রতি
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদের) যারা
▶
مِن
min
মধ্য হতে
▶
قَبْلِكَ
qablika
তোমার পূর্বে (ছিলো)
▶
لَئِنْ
la-in
অবশ্য যদি
▶
أَشْرَكْتَ
ashrakta
তুমি শরিক করো
▶
لَيَحْبَطَنَّ
layaḥbaṭanna
বিনষ্ট হবে যাবেই
▶
عَمَلُكَ
ʿamaluka
তোমার কৃতকর্ম
▶
وَلَتَكُونَنَّ
walatakūnanna
এবং তুমি অবশ্যই হয়ে যাবে
▶
مِنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلْخَـٰسِرِينَ
l-khāsirīna
ক্ষতিগ্রস্তদের
আয়াত 66 - সূরা الزمر: 6 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
بَلِ ٱللَّهَ فَٱعْبُدْ وَكُن مِّنَ ٱلشَّـٰكِرِينَ
বরং আল্লাহরই এবাদত করুন এবং কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত থাকুন।
▶
بَلِ
bali
বরং
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহরই
▶
فَٱعْبُدْ
fa-uʿ'bud
তুমি তাই ইবাদাত করো
▶
وَكُن
wakun
এবং হয়ে যাও
▶
مِّنَ
mina
অন্তর্ভুক্ত
▶
ٱلشَّـٰكِرِينَ
l-shākirīna
কৃতজ্ঞদের
আয়াত 67 - সূরা الزمر: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَمَا قَدَرُوا۟ ٱللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِۦ وَٱلْأَرْضُ جَمِيعًۭا قَبْضَتُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ وَٱلسَّمَـٰوَٰتُ مَطْوِيَّـٰتٌۢ بِيَمِينِهِۦ ۚ سُبْحَـٰنَهُۥ وَتَعَـٰلَىٰ عَمَّا يُشْرِكُونَ
তারা আল্লাহকে যথার্থরূপে বোঝেনি। কেয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোতে এবং আসমান সমূহ ভাঁজ করা অবস্থায় থাকবে তাঁর ডান হাতে। তিনি পবিত্র। আর এরা যাকে শরীক করে, তা থেকে তিনি অনেক উর্ধ্বে।
▶
وَمَا
wamā
এবং না
▶
قَدَرُوا۟
qadarū
তারা সম্মান করে
▶
ٱللَّهَ
l-laha
আল্লাহর
▶
حَقَّ
ḥaqqa
যথোচিত
▶
قَدْرِهِۦ
qadrihi
তাঁর সম্মান
▶
وَٱلْأَرْضُ
wal-arḍu
অথচ পৃথিবী
▶
جَمِيعًۭا
jamīʿan
সবটাই
▶
قَبْضَتُهُۥ
qabḍatuhu
তাঁরই মুঠিতে হবে
▶
يَوْمَ
yawma
দিনে
▶
ٱلْقِيَـٰمَةِ
l-qiyāmati
ক্বিয়ামাতের
▶
وَٱلسَّمَـٰوَٰتُ
wal-samāwātu
ও আকাশ (থাকবে)
▶
مَطْوِيَّـٰتٌۢ
maṭwiyyātun
গুটানো অবস্থায়
▶
بِيَمِينِهِۦ ۚ
biyamīnihi
তাঁর ডান হাতের মধ্যে
▶
سُبْحَـٰنَهُۥ
sub'ḥānahu
তিনি মহান পবিত্র
▶
وَتَعَـٰلَىٰ
wataʿālā
ও বহু ঊর্ধ্বে
▶
عَمَّا
ʿammā
তা হ'তে যা
▶
يُشْرِكُونَ
yush'rikūna
তারা শরিক করে
আয়াত 68 - সূরা الزمر: 22 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَنُفِخَ فِى ٱلصُّورِ فَصَعِقَ مَن فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَن فِى ٱلْأَرْضِ إِلَّا مَن شَآءَ ٱللَّهُ ۖ ثُمَّ نُفِخَ فِيهِ أُخْرَىٰ فَإِذَا هُمْ قِيَامٌۭ يَنظُرُونَ
শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, ফলে আসমান ও যমীনে যারা আছে সবাই বেহুঁশ হয়ে যাবে, তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন। অতঃপর আবার শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে দেখতে থাকবে।
▶
وَنُفِخَ
wanufikha
এবং ফুঁ দেওয়া হবে
▶
فِى
fī
মধ্যে
▶
ٱلصُّورِ
l-ṣūri
শিংগার
▶
فَصَعِقَ
faṣaʿiqa
অতঃপর মূর্ছা যাবে
▶
مَن
man
যারা
▶
فِى
fī
মধ্যে (আছে)
▶
ٱلسَّمَـٰوَٰتِ
l-samāwāti
আকাশের
▶
وَمَن
waman
ও যারা
▶
فِى
fī
মধ্যে আছে
▶
ٱلْأَرْضِ
l-arḍi
পৃথিবীর
▶
إِلَّا
illā
এ ছাড়া
▶
مَن
man
যাদেরকে
▶
شَآءَ
shāa
ইচ্ছে করবেন
▶
ٱللَّهُ ۖ
l-lahu
আল্লাহ
▶
ثُمَّ
thumma
এরপর
▶
نُفِخَ
nufikha
ফুঁ দেওয়া হবে
▶
فِيهِ
fīhi
তার মধ্যে
▶
أُخْرَىٰ
ukh'rā
আবার
▶
فَإِذَا
fa-idhā
ফলে তখন
▶
هُمْ
hum
তারা
▶
قِيَامٌۭ
qiyāmun
দাঁড়িয়ে
▶
يَنظُرُونَ
yanẓurūna
দেখতে থাকবে
আয়াত 69 - সূরা الزمر: 15 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَأَشْرَقَتِ ٱلْأَرْضُ بِنُورِ رَبِّهَا وَوُضِعَ ٱلْكِتَـٰبُ وَجِا۟ىٓءَ بِٱلنَّبِيِّـۧنَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَقُضِىَ بَيْنَهُم بِٱلْحَقِّ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ
পৃথিবী তার পালনকর্তার নূরে উদ্ভাসিত হবে, আমলনামা স্থাপন করা হবে, পয়গম্বরগণ ও সাক্ষীগণকে আনা হবে এবং সকলের মধ্যে ন্যায় বিচার করা হবে-তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
▶
وَأَشْرَقَتِ
wa-ashraqati
এবং উদ্ভাসিত হবে
▶
ٱلْأَرْضُ
l-arḍu
পৃথিবী
▶
بِنُورِ
binūri
দিয়ে আলো (আলোতে)
▶
رَبِّهَا
rabbihā
তাঁর রবের
▶
وَوُضِعَ
wawuḍiʿa
এবং উপস্হিত করা হবে
▶
ٱلْكِتَـٰبُ
l-kitābu
আমলনামা
▶
وَجِا۟ىٓءَ
wajīa
এবং উপস্থিত করা হবে
▶
بِٱلنَّبِيِّـۧنَ
bil-nabiyīna
নাবী (রাসূল)গণকে
▶
وَٱلشُّهَدَآءِ
wal-shuhadāi
ও সাক্ষীদেরকে
▶
وَقُضِىَ
waquḍiya
এবং মীমাংসা করে দেওয়া হবে
▶
بَيْنَهُم
baynahum
তাদের মাঝে
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
ন্যায়ভাবে
▶
وَهُمْ
wahum
এবং তাদের (উপর)
▶
لَا
lā
না
▶
يُظْلَمُونَ
yuẓ'lamūna
অবিচার করা হবে
আয়াত 70 - সূরা الزمر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَوُفِّيَتْ كُلُّ نَفْسٍۢ مَّا عَمِلَتْ وَهُوَ أَعْلَمُ بِمَا يَفْعَلُونَ
প্রত্যেকে যা করেছে, তার পূর্ণ প্রতিফল দেয়া হবে। তারা যা কিছু করে, সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবগত।
▶
وَوُفِّيَتْ
wawuffiyat
এবং পূর্ণ (প্রতিফল) দেওয়া হবে
▶
كُلُّ
kullu
প্রত্যেক
▶
نَفْسٍۢ
nafsin
ব্যক্তিকে
▶
مَّا
mā
যা
▶
عَمِلَتْ
ʿamilat
সে কর্মে করেছে
▶
وَهُوَ
wahuwa
এবং তিনি
▶
أَعْلَمُ
aʿlamu
খুব জানেন
▶
بِمَا
bimā
ঐ সম্পর্কে যা
▶
يَفْعَلُونَ
yafʿalūna
তারা করে
আয়াত 71 - সূরা الزمر: 34 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَسِيقَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِلَىٰ جَهَنَّمَ زُمَرًا ۖ حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءُوهَا فُتِحَتْ أَبْوَٰبُهَا وَقَالَ لَهُمْ خَزَنَتُهَآ أَلَمْ يَأْتِكُمْ رُسُلٌۭ مِّنكُمْ يَتْلُونَ عَلَيْكُمْ ءَايَـٰتِ رَبِّكُمْ وَيُنذِرُونَكُمْ لِقَآءَ يَوْمِكُمْ هَـٰذَا ۚ قَالُوا۟ بَلَىٰ وَلَـٰكِنْ حَقَّتْ كَلِمَةُ ٱلْعَذَابِ عَلَى ٱلْكَـٰفِرِينَ
কাফেরদেরকে জাহান্নামের দিকে দলে দলে হাঁকিয়ে নেয়া হবে। তারা যখন সেখানে পৌছাবে, তখন তার দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বর আসেনি, যারা তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করত এবং সতর্ক করত এ দিনের সাক্ষাতের ব্যাপারে? তারা বলবে, হঁ্যা, কিন্তু কাফেরদের প্রতি শাস্তির হুকুমই বাস্তবায়িত হয়েছে।
▶
وَسِيقَ
wasīqa
এবং তাড়িয়ে নেওয়া হবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
كَفَرُوٓا۟
kafarū
অস্বীকার করেছে
▶
إِلَىٰ
ilā
দিকে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
زُمَرًا ۖ
zumaran
দলে দলে
▶
حَتَّىٰٓ
ḥattā
শেষ পর্যন্ত
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
جَآءُوهَا
jāūhā
তার (কাছে) আসবে
▶
فُتِحَتْ
futiḥat
খুলে দেওয়া হবে
▶
أَبْوَٰبُهَا
abwābuhā
তার ফটকগুলো
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলবে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
خَزَنَتُهَآ
khazanatuhā
তার রক্ষীরা
▶
أَلَمْ
alam
"নি কি
▶
يَأْتِكُمْ
yatikum
তোমাদের কাছে আসে
▶
رُسُلٌۭ
rusulun
রাসূলগণ
▶
مِّنكُمْ
minkum
তোমাদের মধ্য হ'তে
▶
يَتْلُونَ
yatlūna
তারা আবৃত্তি করে শুনাতো
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের কাছে
▶
ءَايَـٰتِ
āyāti
আয়াতসমূহ
▶
رَبِّكُمْ
rabbikum
তোমাদের রবের
▶
وَيُنذِرُونَكُمْ
wayundhirūnakum
ও তোমাদেরকে সতর্ক করতো
▶
لِقَآءَ
liqāa
সাক্ষাতের
▶
يَوْمِكُمْ
yawmikum
তোমাদের দিনের
▶
هَـٰذَا ۚ
hādhā
এই"
▶
قَالُوا۟
qālū
তারা বলবে
▶
بَلَىٰ
balā
"অবশ্যই (এসেছিলো)"
▶
وَلَـٰكِنْ
walākin
কিন্তু
▶
حَقَّتْ
ḥaqqat
অবধারিত হয়েছিলো
▶
كَلِمَةُ
kalimatu
বাণী
▶
ٱلْعَذَابِ
l-ʿadhābi
শাস্তির
▶
عَلَى
ʿalā
উপর
▶
ٱلْكَـٰفِرِينَ
l-kāfirīna
কাফেরদের
আয়াত 72 - সূরা الزمر: 9 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
قِيلَ ٱدْخُلُوٓا۟ أَبْوَٰبَ جَهَنَّمَ خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۖ فَبِئْسَ مَثْوَى ٱلْمُتَكَبِّرِينَ
বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের দরজা দিয়ে প্রবেশ কর, সেখানে চিরকাল অবস্থানের জন্যে। কত নিকৃষ্ট অহংকারীদের আবাসস্থল।
▶
قِيلَ
qīla
বলা হবে
▶
ٱدْخُلُوٓا۟
ud'khulū
"তোমরা প্রবেশ করো
▶
أَبْوَٰبَ
abwāba
দরজাসমূহে
▶
جَهَنَّمَ
jahannama
জাহান্নামের
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
চিরস্থায়ী হবে
▶
فِيهَا ۖ
fīhā
তার মধ্যে
▶
فَبِئْسَ
fabi'sa
অতঃপর কত নিকৃষ্ট
▶
مَثْوَى
mathwā
আবাসস্থল
▶
ٱلْمُتَكَبِّرِينَ
l-mutakabirīna
অহংকারীদের"
আয়াত 73 - সূরা الزمر: 20 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَسِيقَ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوْا۟ رَبَّهُمْ إِلَى ٱلْجَنَّةِ زُمَرًا ۖ حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءُوهَا وَفُتِحَتْ أَبْوَٰبُهَا وَقَالَ لَهُمْ خَزَنَتُهَا سَلَـٰمٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَٱدْخُلُوهَا خَـٰلِدِينَ
যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা উম্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নাতে পৌছাবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখে থাক, অতঃপর সদাসর্বদা বসবাসের জন্যে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর।
▶
وَسِيقَ
wasīqa
এবং নিয়ে যাওয়া হবে
▶
ٱلَّذِينَ
alladhīna
(তাদেরকে) যারা
▶
ٱتَّقَوْا۟
ittaqaw
বেঁচে থাকতো
▶
رَبَّهُمْ
rabbahum
তাদের রবের
▶
إِلَى
ilā
দিকে
▶
ٱلْجَنَّةِ
l-janati
জান্নাতের
▶
زُمَرًا ۖ
zumaran
দলে দলে
▶
حَتَّىٰٓ
ḥattā
শেষ পর্যন্ত
▶
إِذَا
idhā
যখন
▶
جَآءُوهَا
jāūhā
তার (কাছে) আসবে
▶
وَفُتِحَتْ
wafutiḥat
এবং খুলে দেওয়া হবে
▶
أَبْوَٰبُهَا
abwābuhā
তার দরজাগুলো
▶
وَقَالَ
waqāla
এবং বলবে
▶
لَهُمْ
lahum
তাদেরকে
▶
خَزَنَتُهَا
khazanatuhā
তার রক্ষীরা
▶
سَلَـٰمٌ
salāmun
"সালাম
▶
عَلَيْكُمْ
ʿalaykum
তোমাদের উপর
▶
طِبْتُمْ
ṭib'tum
তোমরা সুখী হও
▶
فَٱدْخُلُوهَا
fa-ud'khulūhā
তাতে তোমরা অতঃপর প্রবেশ করো
▶
خَـٰلِدِينَ
khālidīna
তোমরা চিরস্থায়ী হবে (সেখানে)."
আয়াত 74 - সূরা الزمر: 16 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَقَالُوا۟ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى صَدَقَنَا وَعْدَهُۥ وَأَوْرَثَنَا ٱلْأَرْضَ نَتَبَوَّأُ مِنَ ٱلْجَنَّةِ حَيْثُ نَشَآءُ ۖ فَنِعْمَ أَجْرُ ٱلْعَـٰمِلِينَ
তারা বলবে, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের প্রতি তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন এবং আমাদেরকে এ ভূমির উত্তরাধিকারী করেছেন। আমরা জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা বসবাস করব। মেহনতকারীদের পুরস্কার কতই চমৎকার।
▶
وَقَالُوا۟
waqālū
এবং তারা বলবে
▶
ٱلْحَمْدُ
l-ḥamdu
"সব প্রশংসা (ও শোকর)
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর জন্যে
▶
ٱلَّذِى
alladhī
যিনি
▶
صَدَقَنَا
ṣadaqanā
আমাদেরকে সত্য করে দেখিয়েছেন
▶
وَعْدَهُۥ
waʿdahu
তাঁর প্রতিশ্রুতি
▶
وَأَوْرَثَنَا
wa-awrathanā
এবং আমাদেরকে অধিকারী করেছেন
▶
ٱلْأَرْضَ
l-arḍa
এ-স্হানের
▶
نَتَبَوَّأُ
natabawwa-u
বসবাস করবো আমরা
▶
مِنَ
mina
মধ্য হ'তে
▶
ٱلْجَنَّةِ
l-janati
জান্নাতের
▶
حَيْثُ
ḥaythu
যেখানে
▶
نَشَآءُ ۖ
nashāu
ইচ্ছে করবো আমরা
▶
فَنِعْمَ
faniʿ'ma
অতএব কত উত্তম
▶
أَجْرُ
ajru
পুরস্কার
▶
ٱلْعَـٰمِلِينَ
l-ʿāmilīna
সৎকর্মসম্পাদনকারীদের"
আয়াত 75 - সূরা الزمر: 17 শব্দ
▶ আয়াত শব্দে শব্দে
وَتَرَى ٱلْمَلَـٰٓئِكَةَ حَآفِّينَ مِنْ حَوْلِ ٱلْعَرْشِ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ ۖ وَقُضِىَ بَيْنَهُم بِٱلْحَقِّ وَقِيلَ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ
আপনি ফেরেশতাগণকে দেখবেন, তারা আরশের চার পাশ ঘিরে তাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষনা করছে। তাদের সবার মাঝে ন্যায় বিচার করা হবে। বলা হবে, সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর।
▶
وَتَرَى
watarā
এবং দেখবে তুমি
▶
ٱلْمَلَـٰٓئِكَةَ
l-malāikata
ফেরেশতাদেরকে
▶
حَآفِّينَ
ḥāffīna
ঘিরে থাকতে
▶
مِنْ
min
থেকে
▶
حَوْلِ
ḥawli
পাশ
▶
ٱلْعَرْشِ
l-ʿarshi
আরশের
▶
يُسَبِّحُونَ
yusabbiḥūna
তারা মহিমা ঘোষণা করতে থাকবে
▶
بِحَمْدِ
biḥamdi
প্রশংসাসহ
▶
رَبِّهِمْ ۖ
rabbihim
তাদের রবের
▶
وَقُضِىَ
waquḍiya
এবং বিচার করে দেওয়া হবে
▶
بَيْنَهُم
baynahum
তাদের মাঝে
▶
بِٱلْحَقِّ
bil-ḥaqi
ন্যায়ভাবে
▶
وَقِيلَ
waqīla
এবং বলা হবে
▶
ٱلْحَمْدُ
l-ḥamdu
"সকল প্রশংসা
▶
لِلَّهِ
lillahi
আল্লাহর জন্যে
▶
رَبِّ
rabbi
(যিনি) রব
▶
ٱلْعَـٰلَمِينَ
l-ʿālamīna
বিশ্বজগতের"
আরও দেখুন
সব সূরা শব্দে শব্দে