Muhiuddin Khan
হিযব 60 জুজ 30-এর অংশ। এতে মুসহাফের 13টি পৃষ্ঠায় 288টি আয়াত রয়েছে।
10 জুলাই 2026 তারিখ 03h52 এ আপডেট করা হয়েছে
coran.read_full_page : কুরআনের হিযব 60 পড়ুন →
بَلْ تُؤْثِرُونَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا ﴿١٦﴾
বস্তুতঃ তোমরা পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দাও,
وَٱلْـَٔاخِرَةُ خَيْرٌۭ وَأَبْقَىٰٓ ﴿١٧﴾
অথচ পরকালের জীবন উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী।
إِنَّ هَـٰذَا لَفِى ٱلصُّحُفِ ٱلْأُولَىٰ ﴿١٨﴾
এটা লিখিত রয়েছে পূর্ববতী কিতাবসমূহে;
صُحُفِ إِبْرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ ﴿١٩﴾
ইব্রাহীম ও মূসার কিতাবসমূহে।
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ٱلْغَـٰشِيَةِ ﴿١﴾
আপনার কাছে আচ্ছন্নকারী কেয়ামতের বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি?
وُجُوهٌۭ يَوْمَئِذٍ خَـٰشِعَةٌ ﴿٢﴾
অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে লাঞ্ছিত,
عَامِلَةٌۭ نَّاصِبَةٌۭ ﴿٣﴾
ক্লিষ্ট, ক্লান্ত।
تَصْلَىٰ نَارًا حَامِيَةًۭ ﴿٤﴾
তারা জ্বলন্ত আগুনে পতিত হবে।
تُسْقَىٰ مِنْ عَيْنٍ ءَانِيَةٍۢ ﴿٥﴾
তাদেরকে ফুটন্ত নহর থেকে পান করানো হবে।
لَّيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٍۢ ﴿٦﴾
কন্টকপূর্ণ ঝাড় ব্যতীত তাদের জন্যে কোন খাদ্য নেই।
لَّا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِى مِن جُوعٍۢ ﴿٧﴾
এটা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং ক্ষুধায়ও উপকার করবে না।
وُجُوهٌۭ يَوْمَئِذٍۢ نَّاعِمَةٌۭ ﴿٨﴾
অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে, সজীব,
لِّسَعْيِهَا رَاضِيَةٌۭ ﴿٩﴾
তাদের কর্মের কারণে সন্তুষ্ট।
فِى جَنَّةٍ عَالِيَةٍۢ ﴿١٠﴾
তারা থাকবে, সুউচ্চ জান্নাতে।
لَّا تَسْمَعُ فِيهَا لَـٰغِيَةًۭ ﴿١١﴾
তথায় শুনবে না কোন অসার কথাবার্তা।
فِيهَا عَيْنٌۭ جَارِيَةٌۭ ﴿١٢﴾
তথায় থাকবে প্রবাহিত ঝরণা।
فِيهَا سُرُرٌۭ مَّرْفُوعَةٌۭ ﴿١٣﴾
তথায় থাকবে উন্নত সুসজ্জিত আসন।
وَأَكْوَابٌۭ مَّوْضُوعَةٌۭ ﴿١٤﴾
এবং সংরক্ষিত পানপাত্র
وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌۭ ﴿١٥﴾
এবং সারি সারি গালিচা
وَزَرَابِىُّ مَبْثُوثَةٌ ﴿١٦﴾
এবং বিস্তৃত বিছানো কার্পেট।
أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى ٱلْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ ﴿١٧﴾
তারা কি উষ্ট্রের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে?
وَإِلَى ٱلسَّمَآءِ كَيْفَ رُفِعَتْ ﴿١٨﴾
এবং আকাশের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে উচ্চ করা হয়েছে?
وَإِلَى ٱلْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ ﴿١٩﴾
এবং পাহাড়ের দিকে যে, তা কিভাবে স্থাপন করা হয়েছে?
وَإِلَى ٱلْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ ﴿٢٠﴾
এবং পৃথিবীর দিকে যে, তা কিভাবে সমতল বিছানো হয়েছে?
فَذَكِّرْ إِنَّمَآ أَنتَ مُذَكِّرٌۭ ﴿٢١﴾
অতএব, আপনি উপদেশ দিন, আপনি তো কেবল একজন উপদেশদাতা,
لَّسْتَ عَلَيْهِم بِمُصَيْطِرٍ ﴿٢٢﴾
আপনি তাদের শাসক নন,
إِلَّا مَن تَوَلَّىٰ وَكَفَرَ ﴿٢٣﴾
কিন্তু যে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও কাফের হয়ে যায়,
فَيُعَذِّبُهُ ٱللَّهُ ٱلْعَذَابَ ٱلْأَكْبَرَ ﴿٢٤﴾
আল্লাহ তাকে মহা আযাব দেবেন।
إِنَّ إِلَيْنَآ إِيَابَهُمْ ﴿٢٥﴾
নিশ্চয় তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট,
ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا حِسَابَهُم ﴿٢٦﴾
অতঃপর তাদের হিসাব-নিকাশ আমারই দায়িত্ব।
وَٱلْفَجْرِ ﴿١﴾
শপথ ফজরের,
وَلَيَالٍ عَشْرٍۢ ﴿٢﴾
শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার,
وَٱلشَّفْعِ وَٱلْوَتْرِ ﴿٣﴾
যা জোড় ও যা বিজোড়
وَٱلَّيْلِ إِذَا يَسْرِ ﴿٤﴾
এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে
هَلْ فِى ذَٰلِكَ قَسَمٌۭ لِّذِى حِجْرٍ ﴿٥﴾
এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে।
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ ﴿٦﴾
আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন,
إِرَمَ ذَاتِ ٱلْعِمَادِ ﴿٧﴾
যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং
ٱلَّتِى لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِى ٱلْبِلَـٰدِ ﴿٨﴾
যাদের সমান শক্তি ও বলবীর্যে সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃজিত হয়নি
وَثَمُودَ ٱلَّذِينَ جَابُوا۟ ٱلصَّخْرَ بِٱلْوَادِ ﴿٩﴾
এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল।
وَفِرْعَوْنَ ذِى ٱلْأَوْتَادِ ﴿١٠﴾
এবং বহু কীলকের অধিপতি ফেরাউনের সাথে
ٱلَّذِينَ طَغَوْا۟ فِى ٱلْبِلَـٰدِ ﴿١١﴾
যারা দেশে সীমালঙ্ঘন করেছিল।
فَأَكْثَرُوا۟ فِيهَا ٱلْفَسَادَ ﴿١٢﴾
অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল।
فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ ﴿١٣﴾
অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন।
إِنَّ رَبَّكَ لَبِٱلْمِرْصَادِ ﴿١٤﴾
নিশ্চয় আপনার পালকর্তা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন।
فَأَمَّا ٱلْإِنسَـٰنُ إِذَا مَا ٱبْتَلَىٰهُ رَبُّهُۥ فَأَكْرَمَهُۥ وَنَعَّمَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّىٓ أَكْرَمَنِ ﴿١٥﴾
মানুষ এরূপ যে, যখন তার পালনকর্তা তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর সম্মান ও অনুগ্রহ দান করেন, তখন বলে, আমার পালনকর্তা আমাকে সম্মান দান করেছেন।
وَأَمَّآ إِذَا مَا ٱبْتَلَىٰهُ فَقَدَرَ عَلَيْهِ رِزْقَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّىٓ أَهَـٰنَنِ ﴿١٦﴾
এবং যখন তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর রিযিক সংকুচিত করে দেন, তখন বলেঃ আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন।
كَلَّا ۖ بَل لَّا تُكْرِمُونَ ٱلْيَتِيمَ ﴿١٧﴾
এটা অমূলক, বরং তোমরা এতীমকে সম্মান কর না।
وَلَا تَحَـٰٓضُّونَ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلْمِسْكِينِ ﴿١٨﴾
এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।
وَتَأْكُلُونَ ٱلتُّرَاثَ أَكْلًۭا لَّمًّۭا ﴿١٩﴾
এবং তোমরা মৃতের ত্যাজ্য সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে কুক্ষিগত করে ফেল
وَتُحِبُّونَ ٱلْمَالَ حُبًّۭا جَمًّۭا ﴿٢٠﴾
এবং তোমরা ধন-সম্পদকে প্রাণভরে ভালবাস।
كَلَّآ إِذَا دُكَّتِ ٱلْأَرْضُ دَكًّۭا دَكًّۭا ﴿٢١﴾
এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে
وَجَآءَ رَبُّكَ وَٱلْمَلَكُ صَفًّۭا صَفًّۭا ﴿٢٢﴾
এবং আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন,
وَجِا۟ىٓءَ يَوْمَئِذٍۭ بِجَهَنَّمَ ۚ يَوْمَئِذٍۢ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَـٰنُ وَأَنَّىٰ لَهُ ٱلذِّكْرَىٰ ﴿٢٣﴾
এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
يَقُولُ يَـٰلَيْتَنِى قَدَّمْتُ لِحَيَاتِى ﴿٢٤﴾
সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম!
فَيَوْمَئِذٍۢ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهُۥٓ أَحَدٌۭ ﴿٢٥﴾
সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিবে না।
وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُۥٓ أَحَدٌۭ ﴿٢٦﴾
এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না।
يَـٰٓأَيَّتُهَا ٱلنَّفْسُ ٱلْمُطْمَئِنَّةُ ﴿٢٧﴾
হে প্রশান্ত মন,
ٱرْجِعِىٓ إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِيَةًۭ مَّرْضِيَّةًۭ ﴿٢٨﴾
তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।
فَٱدْخُلِى فِى عِبَـٰدِى ﴿٢٩﴾
অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও।
وَٱدْخُلِى جَنَّتِى ﴿٣٠﴾
এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।
لَآ أُقْسِمُ بِهَـٰذَا ٱلْبَلَدِ ﴿١﴾
আমি এই নগরীর শপথ করি
وَأَنتَ حِلٌّۢ بِهَـٰذَا ٱلْبَلَدِ ﴿٢﴾
এবং এই নগরীতে আপনার উপর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।
وَوَالِدٍۢ وَمَا وَلَدَ ﴿٣﴾
শপথ জনকের ও যা জন্ম দেয়।
لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَـٰنَ فِى كَبَدٍ ﴿٤﴾
নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রমনির্ভররূপে সৃষ্টি করেছি।
أَيَحْسَبُ أَن لَّن يَقْدِرَ عَلَيْهِ أَحَدٌۭ ﴿٥﴾
সে কি মনে করে যে, তার উপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না ?
يَقُولُ أَهْلَكْتُ مَالًۭا لُّبَدًا ﴿٦﴾
সে বলেঃ আমি প্রচুর ধন-সম্পদ ব্যয় করেছি।
أَيَحْسَبُ أَن لَّمْ يَرَهُۥٓ أَحَدٌ ﴿٧﴾
সে কি মনে করে যে, তাকে কেউ দেখেনি?
أَلَمْ نَجْعَل لَّهُۥ عَيْنَيْنِ ﴿٨﴾
আমি কি তাকে দেইনি চক্ষুদ্বয়,
وَلِسَانًۭا وَشَفَتَيْنِ ﴿٩﴾
জিহবা ও ওষ্ঠদ্বয় ?
وَهَدَيْنَـٰهُ ٱلنَّجْدَيْنِ ﴿١٠﴾
বস্তুতঃ আমি তাকে দু’টি পথ প্রদর্শন করেছি।
فَلَا ٱقْتَحَمَ ٱلْعَقَبَةَ ﴿١١﴾
অতঃপর সে ধর্মের ঘাঁটিতে প্রবেশ করেনি।
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْعَقَبَةُ ﴿١٢﴾
আপনি জানেন, সে ঘাঁটি কি?
فَكُّ رَقَبَةٍ ﴿١٣﴾
তা হচ্ছে দাসমুক্তি
أَوْ إِطْعَـٰمٌۭ فِى يَوْمٍۢ ذِى مَسْغَبَةٍۢ ﴿١٤﴾
অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে অন্নদান।
يَتِيمًۭا ذَا مَقْرَبَةٍ ﴿١٥﴾
এতীম আত্বীয়কে
أَوْ مِسْكِينًۭا ذَا مَتْرَبَةٍۢ ﴿١٦﴾
অথবা ধুলি-ধুসরিত মিসকীনকে
ثُمَّ كَانَ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلصَّبْرِ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلْمَرْحَمَةِ ﴿١٧﴾
অতঃপর তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যারা ঈমান আনে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় সবরের ও উপদেশ দেয় দয়ার।
أُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلْمَيْمَنَةِ ﴿١٨﴾
তারাই সৌভাগ্যশালী।
وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا هُمْ أَصْحَـٰبُ ٱلْمَشْـَٔمَةِ ﴿١٩﴾
আর যারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে তারাই হতভাগা।
عَلَيْهِمْ نَارٌۭ مُّؤْصَدَةٌۢ ﴿٢٠﴾
তারা অগ্নিপরিবেষ্টিত অবস্থায় বন্দী থাকবে।
وَٱلشَّمْسِ وَضُحَىٰهَا ﴿١﴾
শপথ সূর্যের ও তার কিরণের,
وَٱلْقَمَرِ إِذَا تَلَىٰهَا ﴿٢﴾
শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে,
وَٱلنَّهَارِ إِذَا جَلَّىٰهَا ﴿٣﴾
শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে,
وَٱلَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰهَا ﴿٤﴾
শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে,
وَٱلسَّمَآءِ وَمَا بَنَىٰهَا ﴿٥﴾
শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর।
وَٱلْأَرْضِ وَمَا طَحَىٰهَا ﴿٦﴾
শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর,
وَنَفْسٍۢ وَمَا سَوَّىٰهَا ﴿٧﴾
শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন, তাঁর,
فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَىٰهَا ﴿٨﴾
অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন,
قَدْ أَفْلَحَ مَن زَكَّىٰهَا ﴿٩﴾
যে নিজেকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়।
وَقَدْ خَابَ مَن دَسَّىٰهَا ﴿١٠﴾
এবং যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়।
كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِطَغْوَىٰهَآ ﴿١١﴾
সামুদ সম্প্রদায় অবাধ্যতা বশতঃ মিথ্যারোপ করেছিল।
إِذِ ٱنۢبَعَثَ أَشْقَىٰهَا ﴿١٢﴾
যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগ্য ব্যক্তি তৎপর হয়ে উঠেছিল।
فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ ٱللَّهِ نَاقَةَ ٱللَّهِ وَسُقْيَـٰهَا ﴿١٣﴾
অতঃপর আল্লাহর রসূল তাদেরকে বলেছিলেনঃ আল্লাহর উষ্ট্রী ও তাকে পানি পান করানোর ব্যাপারে সতর্ক থাক।
فَكَذَّبُوهُ فَعَقَرُوهَا فَدَمْدَمَ عَلَيْهِمْ رَبُّهُم بِذَنۢبِهِمْ فَسَوَّىٰهَا ﴿١٤﴾
অতঃপর ওরা তার প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল এবং উষ্ট্রীর পা কর্তন করেছিল। তাদের পাপের কারণে তাদের পালনকর্তা তাদের উপর ধ্বংস নাযিল করে একাকার করে দিলেন।
وَلَا يَخَافُ عُقْبَـٰهَا ﴿١٥﴾
আল্লাহ তা’আলা এই ধ্বংসের কোন বিরূপ পরিণতির আশংকা করেন না।
وَٱلَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰ ﴿١﴾
শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে,
وَٱلنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّىٰ ﴿٢﴾
শপথ দিনের, যখন সে আলোকিত হয়
وَمَا خَلَقَ ٱلذَّكَرَ وَٱلْأُنثَىٰٓ ﴿٣﴾
এবং তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন,
إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّىٰ ﴿٤﴾
নিশ্চয় তোমাদের কর্ম প্রচেষ্টা বিভিন্ন ধরনের।
فَأَمَّا مَنْ أَعْطَىٰ وَٱتَّقَىٰ ﴿٥﴾
অতএব, যে দান করে এবং খোদাভীরু হয়,
وَصَدَّقَ بِٱلْحُسْنَىٰ ﴿٦﴾
এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে,
فَسَنُيَسِّرُهُۥ لِلْيُسْرَىٰ ﴿٧﴾
আমি তাকে সুখের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।
وَأَمَّا مَنۢ بَخِلَ وَٱسْتَغْنَىٰ ﴿٨﴾
আর যে কৃপণতা করে ও বেপরওয়া হয়
وَكَذَّبَ بِٱلْحُسْنَىٰ ﴿٩﴾
এবং উত্তম বিষয়কে মিথ্যা মনে করে,
فَسَنُيَسِّرُهُۥ لِلْعُسْرَىٰ ﴿١٠﴾
আমি তাকে কষ্টের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।
وَمَا يُغْنِى عَنْهُ مَالُهُۥٓ إِذَا تَرَدَّىٰٓ ﴿١١﴾
যখন সে অধঃপতিত হবে, তখন তার সম্পদ তার কোনই কাজে আসবে না।
إِنَّ عَلَيْنَا لَلْهُدَىٰ ﴿١٢﴾
আমার দায়িত্ব পথ প্রদর্শন করা।
وَإِنَّ لَنَا لَلْـَٔاخِرَةَ وَٱلْأُولَىٰ ﴿١٣﴾
আর আমি মালিক ইহকালের ও পরকালের।
فَأَنذَرْتُكُمْ نَارًۭا تَلَظَّىٰ ﴿١٤﴾
অতএব, আমি তোমাদেরকে প্রজ্বলিত অগ্নি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছি।
لَا يَصْلَىٰهَآ إِلَّا ٱلْأَشْقَى ﴿١٥﴾
এতে নিতান্ত হতভাগ্য ব্যক্তিই প্রবেশ করবে,
ٱلَّذِى كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ ﴿١٦﴾
যে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।
وَسَيُجَنَّبُهَا ٱلْأَتْقَى ﴿١٧﴾
এ থেকে দূরে রাখা হবে খোদাভীরু ব্যক্তিকে,
ٱلَّذِى يُؤْتِى مَالَهُۥ يَتَزَكَّىٰ ﴿١٨﴾
যে আত্নশুদ্ধির জন্যে তার ধন-সম্পদ দান করে।
وَمَا لِأَحَدٍ عِندَهُۥ مِن نِّعْمَةٍۢ تُجْزَىٰٓ ﴿١٩﴾
এবং তার উপর কারও কোন প্রতিদানযোগ্য অনুগ্রহ থাকে না।
إِلَّا ٱبْتِغَآءَ وَجْهِ رَبِّهِ ٱلْأَعْلَىٰ ﴿٢٠﴾
তার মহান পালনকর্তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ ব্যতীত।
وَلَسَوْفَ يَرْضَىٰ ﴿٢١﴾
সে সত্বরই সন্তুষ্টি লাভ করবে।
وَٱلضُّحَىٰ ﴿١﴾
শপথ পূর্বাহ্নের,
وَٱلَّيْلِ إِذَا سَجَىٰ ﴿٢﴾
শপথ রাত্রির যখন তা গভীর হয়,
مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَىٰ ﴿٣﴾
আপনার পালনকর্তা আপনাকে ত্যাগ করেনি এবং আপনার প্রতি বিরূপও হননি।
وَلَلْـَٔاخِرَةُ خَيْرٌۭ لَّكَ مِنَ ٱلْأُولَىٰ ﴿٤﴾
আপনার জন্যে পরকাল ইহকাল অপেক্ষা শ্রেয়।
وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَىٰٓ ﴿٥﴾
আপনার পালনকর্তা সত্বরই আপনাকে দান করবেন, অতঃপর আপনি সন্তুষ্ট হবেন।
أَلَمْ يَجِدْكَ يَتِيمًۭا فَـَٔاوَىٰ ﴿٦﴾
তিনি কি আপনাকে এতীমরূপে পাননি? অতঃপর তিনি আশ্রয় দিয়েছেন।
وَوَجَدَكَ ضَآلًّۭا فَهَدَىٰ ﴿٧﴾
তিনি আপনাকে পেয়েছেন পথহারা, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন।
وَوَجَدَكَ عَآئِلًۭا فَأَغْنَىٰ ﴿٨﴾
তিনি আপনাকে পেয়েছেন নিঃস্ব, অতঃপর অভাবমুক্ত করেছেন।
فَأَمَّا ٱلْيَتِيمَ فَلَا تَقْهَرْ ﴿٩﴾
সুতরাং আপনি এতীমের প্রতি কঠোর হবেন না;
وَأَمَّا ٱلسَّآئِلَ فَلَا تَنْهَرْ ﴿١٠﴾
সওয়ালকারীকে ধমক দেবেন না।
وَأَمَّا بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ ﴿١١﴾
এবং আপনার পালনকর্তার নেয়ামতের কথা প্রকাশ করুন।
أَلَمْ نَشْرَحْ لَكَ صَدْرَكَ ﴿١﴾
আমি কি আপনার বক্ষ উম্মুক্ত করে দেইনি?
وَوَضَعْنَا عَنكَ وِزْرَكَ ﴿٢﴾
আমি লাঘব করেছি আপনার বোঝা,
ٱلَّذِىٓ أَنقَضَ ظَهْرَكَ ﴿٣﴾
যা ছিল আপনার জন্যে অতিশয় দুঃসহ।
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ ﴿٤﴾
আমি আপনার আলোচনাকে সমুচ্চ করেছি।
فَإِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا ﴿٥﴾
নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।
إِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًۭا ﴿٦﴾
নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।
فَإِذَا فَرَغْتَ فَٱنصَبْ ﴿٧﴾
অতএব, যখন অবসর পান পরিশ্রম করুন।
وَإِلَىٰ رَبِّكَ فَٱرْغَب ﴿٨﴾
এবং আপনার পালনকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করুন।
وَٱلتِّينِ وَٱلزَّيْتُونِ ﴿١﴾
শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) ও যয়তুনের,
وَطُورِ سِينِينَ ﴿٢﴾
এবং সিনাই প্রান্তরস্থ তূর পর্বতের,
وَهَـٰذَا ٱلْبَلَدِ ٱلْأَمِينِ ﴿٣﴾
এবং এই নিরাপদ নগরীর।
لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَـٰنَ فِىٓ أَحْسَنِ تَقْوِيمٍۢ ﴿٤﴾
আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে।
ثُمَّ رَدَدْنَـٰهُ أَسْفَلَ سَـٰفِلِينَ ﴿٥﴾
অতঃপর তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি নীচ থেকে নীচে।
إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فَلَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍۢ ﴿٦﴾
কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে অশেষ পুরস্কার।
فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِٱلدِّينِ ﴿٧﴾
অতঃপর কেন তুমি অবিশ্বাস করছ কেয়ামতকে?
أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِأَحْكَمِ ٱلْحَـٰكِمِينَ ﴿٨﴾
আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্টতম বিচারক নন?
ٱقْرَأْ بِٱسْمِ رَبِّكَ ٱلَّذِى خَلَقَ ﴿١﴾
পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
خَلَقَ ٱلْإِنسَـٰنَ مِنْ عَلَقٍ ﴿٢﴾
সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।
ٱقْرَأْ وَرَبُّكَ ٱلْأَكْرَمُ ﴿٣﴾
পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহা দয়ালু,
ٱلَّذِى عَلَّمَ بِٱلْقَلَمِ ﴿٤﴾
যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন,
عَلَّمَ ٱلْإِنسَـٰنَ مَا لَمْ يَعْلَمْ ﴿٥﴾
শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।
كَلَّآ إِنَّ ٱلْإِنسَـٰنَ لَيَطْغَىٰٓ ﴿٦﴾
সত্যি সত্যি মানুষ সীমালংঘন করে,
أَن رَّءَاهُ ٱسْتَغْنَىٰٓ ﴿٧﴾
এ কারণে যে, সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।
إِنَّ إِلَىٰ رَبِّكَ ٱلرُّجْعَىٰٓ ﴿٨﴾
নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার দিকেই প্রত্যাবর্তন হবে।
أَرَءَيْتَ ٱلَّذِى يَنْهَىٰ ﴿٩﴾
আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করে
عَبْدًا إِذَا صَلَّىٰٓ ﴿١٠﴾
এক বান্দাকে যখন সে নামায পড়ে?
أَرَءَيْتَ إِن كَانَ عَلَى ٱلْهُدَىٰٓ ﴿١١﴾
আপনি কি দেখেছেন যদি সে সৎপথে থাকে।
أَوْ أَمَرَ بِٱلتَّقْوَىٰٓ ﴿١٢﴾
অথবা খোদাভীতি শিক্ষা দেয়।
أَرَءَيْتَ إِن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰٓ ﴿١٣﴾
আপনি কি দেখেছেন, যদি সে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।
أَلَمْ يَعْلَم بِأَنَّ ٱللَّهَ يَرَىٰ ﴿١٤﴾
সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন?
كَلَّا لَئِن لَّمْ يَنتَهِ لَنَسْفَعًۢا بِٱلنَّاصِيَةِ ﴿١٥﴾
কখনই নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি মস্তকের সামনের কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই-
نَاصِيَةٍۢ كَـٰذِبَةٍ خَاطِئَةٍۢ ﴿١٦﴾
মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ।
فَلْيَدْعُ نَادِيَهُۥ ﴿١٧﴾
অতএব, সে তার সভাসদদেরকে আহবান করুক।
سَنَدْعُ ٱلزَّبَانِيَةَ ﴿١٨﴾
আমিও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে
كَلَّا لَا تُطِعْهُ وَٱسْجُدْ وَٱقْتَرِب ۩ ﴿١٩﴾
কখনই নয়, আপনি তার আনুগত্য করবেন না। আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন।
إِنَّآ أَنزَلْنَـٰهُ فِى لَيْلَةِ ٱلْقَدْرِ ﴿١﴾
আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا لَيْلَةُ ٱلْقَدْرِ ﴿٢﴾
শবে-কদর সমন্ধে আপনি কি জানেন?
لَيْلَةُ ٱلْقَدْرِ خَيْرٌۭ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍۢ ﴿٣﴾
শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
تَنَزَّلُ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍۢ ﴿٤﴾
এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।
سَلَـٰمٌ هِىَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ ٱلْفَجْرِ ﴿٥﴾
এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
لَمْ يَكُنِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ وَٱلْمُشْرِكِينَ مُنفَكِّينَ حَتَّىٰ تَأْتِيَهُمُ ٱلْبَيِّنَةُ ﴿١﴾
আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের ছিল, তারা প্রত্যাবর্তন করত না যতক্ষণ না তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসত।
رَسُولٌۭ مِّنَ ٱللَّهِ يَتْلُوا۟ صُحُفًۭا مُّطَهَّرَةًۭ ﴿٢﴾
অর্থাৎ আল্লাহর একজন রসূল, যিনি আবৃত্তি করতেন পবিত্র সহীফা,
فِيهَا كُتُبٌۭ قَيِّمَةٌۭ ﴿٣﴾
যাতে আছে, সঠিক বিষয়বস্তু।
وَمَا تَفَرَّقَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ إِلَّا مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَتْهُمُ ٱلْبَيِّنَةُ ﴿٤﴾
অপর কিতাব প্রাপ্তরা যে বিভ্রান্ত হয়েছে, তা হয়েছে তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পরেই।
وَمَآ أُمِرُوٓا۟ إِلَّا لِيَعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ حُنَفَآءَ وَيُقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤْتُوا۟ ٱلزَّكَوٰةَ ۚ وَذَٰلِكَ دِينُ ٱلْقَيِّمَةِ ﴿٥﴾
তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْ أَهْلِ ٱلْكِتَـٰبِ وَٱلْمُشْرِكِينَ فِى نَارِ جَهَنَّمَ خَـٰلِدِينَ فِيهَآ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمْ شَرُّ ٱلْبَرِيَّةِ ﴿٦﴾
আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمْ خَيْرُ ٱلْبَرِيَّةِ ﴿٧﴾
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।
جَزَآؤُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّـٰتُ عَدْنٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًۭا ۖ رَّضِىَ ٱللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا۟ عَنْهُ ۚ ذَٰلِكَ لِمَنْ خَشِىَ رَبَّهُۥ ﴿٨﴾
তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে তাদের প্রতিদান চিরকাল বসবাসের জান্নাত, যার তলদেশে নির্ঝরিণী প্রবাহিত। তারা সেখানে থাকবে অনন্তকাল। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। এটা তার জন্যে, যে তার পালনকর্তাকে ভয় কর।
إِذَا زُلْزِلَتِ ٱلْأَرْضُ زِلْزَالَهَا ﴿١﴾
যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে,
وَأَخْرَجَتِ ٱلْأَرْضُ أَثْقَالَهَا ﴿٢﴾
যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।
وَقَالَ ٱلْإِنسَـٰنُ مَا لَهَا ﴿٣﴾
এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ?
يَوْمَئِذٍۢ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا ﴿٤﴾
সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,
بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَىٰ لَهَا ﴿٥﴾
কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন।
يَوْمَئِذٍۢ يَصْدُرُ ٱلنَّاسُ أَشْتَاتًۭا لِّيُرَوْا۟ أَعْمَـٰلَهُمْ ﴿٦﴾
সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়।
فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًۭا يَرَهُۥ ﴿٧﴾
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে
وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍۢ شَرًّۭا يَرَهُۥ ﴿٨﴾
এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।
وَٱلْعَـٰدِيَـٰتِ ضَبْحًۭا ﴿١﴾
শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের,
فَٱلْمُورِيَـٰتِ قَدْحًۭا ﴿٢﴾
অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের
فَٱلْمُغِيرَٰتِ صُبْحًۭا ﴿٣﴾
অতঃপর প্রভাতকালে আক্রমণকারী অশ্বসমূহের
فَأَثَرْنَ بِهِۦ نَقْعًۭا ﴿٤﴾
ও যারা সে সময়ে ধুলি উৎক্ষিপ্ত করে
فَوَسَطْنَ بِهِۦ جَمْعًا ﴿٥﴾
অতঃপর যারা শক্রদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে-
إِنَّ ٱلْإِنسَـٰنَ لِرَبِّهِۦ لَكَنُودٌۭ ﴿٦﴾
নিশ্চয় মানুষ তার পালনকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ।
وَإِنَّهُۥ عَلَىٰ ذَٰلِكَ لَشَهِيدٌۭ ﴿٧﴾
এবং সে অবশ্য এ বিষয়ে অবহিত
وَإِنَّهُۥ لِحُبِّ ٱلْخَيْرِ لَشَدِيدٌ ﴿٨﴾
এবং সে নিশ্চিতই ধন-সম্পদের ভালবাসায় মত্ত।
۞ أَفَلَا يَعْلَمُ إِذَا بُعْثِرَ مَا فِى ٱلْقُبُورِ ﴿٩﴾
সে কি জানে না, যখন কবরে যা আছে, তা উত্থিত হবে
وَحُصِّلَ مَا فِى ٱلصُّدُورِ ﴿١٠﴾
এবং অন্তরে যা আছে, তা অর্জন করা হবে?
إِنَّ رَبَّهُم بِهِمْ يَوْمَئِذٍۢ لَّخَبِيرٌۢ ﴿١١﴾
সেদিন তাদের কি হবে, সে সম্পর্কে তাদের পালনকর্তা সবিশেষ জ্ঞাত।
ٱلْقَارِعَةُ ﴿١﴾
করাঘাতকারী,
مَا ٱلْقَارِعَةُ ﴿٢﴾
করাঘাতকারী কি?
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْقَارِعَةُ ﴿٣﴾
করাঘাতকারী সম্পর্কে আপনি কি জানেন ?
يَوْمَ يَكُونُ ٱلنَّاسُ كَٱلْفَرَاشِ ٱلْمَبْثُوثِ ﴿٤﴾
যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত
وَتَكُونُ ٱلْجِبَالُ كَٱلْعِهْنِ ٱلْمَنفُوشِ ﴿٥﴾
এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।
فَأَمَّا مَن ثَقُلَتْ مَوَٰزِينُهُۥ ﴿٦﴾
অতএব যার পাল্লা ভারী হবে,
فَهُوَ فِى عِيشَةٍۢ رَّاضِيَةٍۢ ﴿٧﴾
সে সুখীজীবন যাপন করবে।
وَأَمَّا مَنْ خَفَّتْ مَوَٰزِينُهُۥ ﴿٨﴾
আর যার পাল্লা হালকা হবে,
فَأُمُّهُۥ هَاوِيَةٌۭ ﴿٩﴾
তার ঠিকানা হবে হাবিয়া।
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا هِيَهْ ﴿١٠﴾
আপনি জানেন তা কি?
نَارٌ حَامِيَةٌۢ ﴿١١﴾
প্রজ্জ্বলিত অগ্নি!
أَلْهَىٰكُمُ ٱلتَّكَاثُرُ ﴿١﴾
প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে গাফেল রাখে,
حَتَّىٰ زُرْتُمُ ٱلْمَقَابِرَ ﴿٢﴾
এমনকি, তোমরা কবরস্থানে পৌছে যাও।
كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ ﴿٣﴾
এটা কখনও উচিত নয়। তোমরা সত্ত্বরই জেনে নেবে।
ثُمَّ كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ ﴿٤﴾
অতঃপর এটা কখনও উচিত নয়। তোমরা সত্ত্বরই জেনে নেবে।
كَلَّا لَوْ تَعْلَمُونَ عِلْمَ ٱلْيَقِينِ ﴿٥﴾
কখনই নয়; যদি তোমরা নিশ্চিত জানতে।
لَتَرَوُنَّ ٱلْجَحِيمَ ﴿٦﴾
তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে,
ثُمَّ لَتَرَوُنَّهَا عَيْنَ ٱلْيَقِينِ ﴿٧﴾
অতঃপর তোমরা তা অবশ্যই দেখবে দিব্য প্রত্যয়ে,
ثُمَّ لَتُسْـَٔلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ ٱلنَّعِيمِ ﴿٨﴾
এরপর অবশ্যই সেদিন তোমরা নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।
وَٱلْعَصْرِ ﴿١﴾
কসম যুগের (সময়ের),
إِنَّ ٱلْإِنسَـٰنَ لَفِى خُسْرٍ ﴿٢﴾
নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত;
إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلْحَقِّ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلصَّبْرِ ﴿٣﴾
কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে তাকীদ করে সত্যের এবং তাকীদ করে সবরের।
وَيْلٌۭ لِّكُلِّ هُمَزَةٍۢ لُّمَزَةٍ ﴿١﴾
প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,
ٱلَّذِى جَمَعَ مَالًۭا وَعَدَّدَهُۥ ﴿٢﴾
যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে
يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُۥٓ أَخْلَدَهُۥ ﴿٣﴾
সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে!
كَلَّا ۖ لَيُنۢبَذَنَّ فِى ٱلْحُطَمَةِ ﴿٤﴾
কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে।
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْحُطَمَةُ ﴿٥﴾
আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি?
نَارُ ٱللَّهِ ٱلْمُوقَدَةُ ﴿٦﴾
এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি,
ٱلَّتِى تَطَّلِعُ عَلَى ٱلْأَفْـِٔدَةِ ﴿٧﴾
যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে।
إِنَّهَا عَلَيْهِم مُّؤْصَدَةٌۭ ﴿٨﴾
এতে তাদেরকে বেঁধে দেয়া হবে,
فِى عَمَدٍۢ مُّمَدَّدَةٍۭ ﴿٩﴾
লম্বা লম্বা খুঁটিতে।
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَـٰبِ ٱلْفِيلِ ﴿١﴾
আপনি কি দেখেননি আপনার পালনকর্তা হস্তীবাহিনীর সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছেন?
أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِى تَضْلِيلٍۢ ﴿٢﴾
তিনি কি তাদের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দেননি?
وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ ﴿٣﴾
তিনি তাদের উপর প্রেরণ করেছেন ঝাঁকে ঝাঁকে পাখী,
تَرْمِيهِم بِحِجَارَةٍۢ مِّن سِجِّيلٍۢ ﴿٤﴾
যারা তাদের উপর পাথরের কংকর নিক্ষেপ করছিল।
فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍۢ مَّأْكُولٍۭ ﴿٥﴾
অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন।
لِإِيلَـٰفِ قُرَيْشٍ ﴿١﴾
কোরাইশের আসক্তির কারণে,
إِۦلَـٰفِهِمْ رِحْلَةَ ٱلشِّتَآءِ وَٱلصَّيْفِ ﴿٢﴾
আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের।
فَلْيَعْبُدُوا۟ رَبَّ هَـٰذَا ٱلْبَيْتِ ﴿٣﴾
অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার
ٱلَّذِىٓ أَطْعَمَهُم مِّن جُوعٍۢ وَءَامَنَهُم مِّنْ خَوْفٍۭ ﴿٤﴾
যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।
أَرَءَيْتَ ٱلَّذِى يُكَذِّبُ بِٱلدِّينِ ﴿١﴾
আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচারদিবসকে মিথ্যা বলে?
فَذَٰلِكَ ٱلَّذِى يَدُعُّ ٱلْيَتِيمَ ﴿٢﴾
সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয়
وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلْمِسْكِينِ ﴿٣﴾
এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না।
فَوَيْلٌۭ لِّلْمُصَلِّينَ ﴿٤﴾
অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর,
ٱلَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ ﴿٥﴾
যারা তাদের নামায সম্বন্ধে বে-খবর;
ٱلَّذِينَ هُمْ يُرَآءُونَ ﴿٦﴾
যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে
وَيَمْنَعُونَ ٱلْمَاعُونَ ﴿٧﴾
এবং নিত্য ব্যবহার্য্য বস্তু অন্যকে দেয় না।
إِنَّآ أَعْطَيْنَـٰكَ ٱلْكَوْثَرَ ﴿١﴾
নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنْحَرْ ﴿٢﴾
অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।
إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ ٱلْأَبْتَرُ ﴿٣﴾
যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।
قُلْ يَـٰٓأَيُّهَا ٱلْكَـٰفِرُونَ ﴿١﴾
বলুন, হে কাফেরকূল,
لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ ﴿٢﴾
আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।
وَلَآ أَنتُمْ عَـٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ ﴿٣﴾
এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌۭ مَّا عَبَدتُّمْ ﴿٤﴾
এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।
وَلَآ أَنتُمْ عَـٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ ﴿٥﴾
তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ ﴿٦﴾
তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।
إِذَا جَآءَ نَصْرُ ٱللَّهِ وَٱلْفَتْحُ ﴿١﴾
যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়
وَرَأَيْتَ ٱلنَّاسَ يَدْخُلُونَ فِى دِينِ ٱللَّهِ أَفْوَاجًۭا ﴿٢﴾
এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন,
فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَٱسْتَغْفِرْهُ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ تَوَّابًۢا ﴿٣﴾
তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।
تَبَّتْ يَدَآ أَبِى لَهَبٍۢ وَتَبَّ ﴿١﴾
আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,
مَآ أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُۥ وَمَا كَسَبَ ﴿٢﴾
কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।
سَيَصْلَىٰ نَارًۭا ذَاتَ لَهَبٍۢ ﴿٣﴾
সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
وَٱمْرَأَتُهُۥ حَمَّالَةَ ٱلْحَطَبِ ﴿٤﴾
এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে,
فِى جِيدِهَا حَبْلٌۭ مِّن مَّسَدٍۭ ﴿٥﴾
তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।
قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ﴿١﴾
বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ ﴿٢﴾
আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾
তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ ﴿٤﴾
এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ﴿١﴾
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾
অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّـٰثَـٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ﴿٤﴾
গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ ﴿١﴾
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,
مَلِكِ ٱلنَّاسِ ﴿٢﴾
মানুষের অধিপতির,
إِلَـٰهِ ٱلنَّاسِ ﴿٣﴾
মানুষের মা’বুদের
مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ﴿٤﴾
তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ ﴿٥﴾
যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে
مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ ﴿٦﴾
জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।