النبإ · জুজ 30
যান
বুকমার্ক
কারি
প্লেব্যাক গতি
আয়াত পুনরাবৃত্তি
পুনরাবৃত্তি
স্বয়ংক্রিয় স্ক্রল
অনুবাদ

Muhiuddin Khan

আরবি ফন্ট
টেক্সট আকার
আরবি
অনুবাদ
মুখস্থ করার পরিসর
পুনরাবৃত্তি
প্রতি আয়াত
সম্পূর্ণ লুপ
প্রধান কারি
চলমান - A-B লুপ /

কুরআনের হিযব 59 পড়ুন

হিযব 59 জুজ 30-এর অংশ। এতে মুসহাফের 23টি পৃষ্ঠায় 276টি আয়াত রয়েছে।

10 জুলাই 2026 তারিখ 03h52 এ আপডেট করা হয়েছে

পৃষ্ঠা 582
হিযব 59
سورة النبإ
জুজ 30 0.0% (0/564)
হিযব 59 0.0% (0/276)

عَمَّ يَتَسَآءَلُونَ ﴿١﴾

তারা পরস্পরে কি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?

عَنِ ٱلنَّبَإِ ٱلْعَظِيمِ ﴿٢﴾

মহা সংবাদ সম্পর্কে,

ٱلَّذِى هُمْ فِيهِ مُخْتَلِفُونَ ﴿٣﴾

যে সম্পর্কে তারা মতানৈক্য করে।

كَلَّا سَيَعْلَمُونَ ﴿٤﴾

না, সত্ত্বরই তারা জানতে পারবে,

ثُمَّ كَلَّا سَيَعْلَمُونَ ﴿٥﴾

অতঃপর না, সত্বর তারা জানতে পারবে।

أَلَمْ نَجْعَلِ ٱلْأَرْضَ مِهَـٰدًۭا ﴿٦﴾

আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা

وَٱلْجِبَالَ أَوْتَادًۭا ﴿٧﴾

এবং পর্বতমালাকে পেরেক?

وَخَلَقْنَـٰكُمْ أَزْوَٰجًۭا ﴿٨﴾

আমি তোমাদেরকে জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছি,

وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًۭا ﴿٩﴾

তোমাদের নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী,

وَجَعَلْنَا ٱلَّيْلَ لِبَاسًۭا ﴿١٠﴾

রাত্রিকে করেছি আবরণ।

وَجَعَلْنَا ٱلنَّهَارَ مَعَاشًۭا ﴿١١﴾

দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়,

وَبَنَيْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعًۭا شِدَادًۭا ﴿١٢﴾

নির্মান করেছি তোমাদের মাথার উপর মজবুত সপ্ত-আকাশ।

وَجَعَلْنَا سِرَاجًۭا وَهَّاجًۭا ﴿١٣﴾

এবং একটি উজ্জ্বল প্রদীপ সৃষ্টি করেছি।

وَأَنزَلْنَا مِنَ ٱلْمُعْصِرَٰتِ مَآءًۭ ثَجَّاجًۭا ﴿١٤﴾

আমি জলধর মেঘমালা থেকে প্রচুর বৃষ্টিপাত করি,

لِّنُخْرِجَ بِهِۦ حَبًّۭا وَنَبَاتًۭا ﴿١٥﴾

যাতে তদ্দ্বারা উৎপন্ন করি শস্য, উদ্ভিদ।

وَجَنَّـٰتٍ أَلْفَافًا ﴿١٦﴾

ও পাতাঘন উদ্যান।

إِنَّ يَوْمَ ٱلْفَصْلِ كَانَ مِيقَـٰتًۭا ﴿١٧﴾

নিশ্চয় বিচার দিবস নির্ধারিত রয়েছে।

يَوْمَ يُنفَخُ فِى ٱلصُّورِ فَتَأْتُونَ أَفْوَاجًۭا ﴿١٨﴾

যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে সমাগত হবে।

وَفُتِحَتِ ٱلسَّمَآءُ فَكَانَتْ أَبْوَٰبًۭا ﴿١٩﴾

আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।

وَسُيِّرَتِ ٱلْجِبَالُ فَكَانَتْ سَرَابًا ﴿٢٠﴾

এবং পর্বতমালা চালিত হয়ে মরীচিকা হয়ে যাবে।

إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًۭا ﴿٢١﴾

নিশ্চয় জাহান্নাম প্রতীক্ষায় থাকবে,

لِّلطَّـٰغِينَ مَـَٔابًۭا ﴿٢٢﴾

সীমালংঘনকারীদের আশ্রয়স্থলরূপে।

لَّـٰبِثِينَ فِيهَآ أَحْقَابًۭا ﴿٢٣﴾

তারা তথায় শতাব্দীর পর শতাব্দী অবস্থান করবে।

لَّا يَذُوقُونَ فِيهَا بَرْدًۭا وَلَا شَرَابًا ﴿٢٤﴾

তথায় তারা কোন শীতল এবং পানীয় আস্বাদন করবে না;

إِلَّا حَمِيمًۭا وَغَسَّاقًۭا ﴿٢٥﴾

কিন্তু ফুটন্ত পানি ও পূঁজ পাবে।

جَزَآءًۭ وِفَاقًا ﴿٢٦﴾

পরিপূর্ণ প্রতিফল হিসেবে।

إِنَّهُمْ كَانُوا۟ لَا يَرْجُونَ حِسَابًۭا ﴿٢٧﴾

নিশ্চয় তারা হিসাব-নিকাশ আশা করত না।

وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا كِذَّابًۭا ﴿٢٨﴾

এবং আমার আয়াতসমূহে পুরোপুরি মিথ্যারোপ করত।

وَكُلَّ شَىْءٍ أَحْصَيْنَـٰهُ كِتَـٰبًۭا ﴿٢٩﴾

আমি সবকিছুই লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষিত করেছি।

فَذُوقُوا۟ فَلَن نَّزِيدَكُمْ إِلَّا عَذَابًا ﴿٣٠﴾

অতএব, তোমরা আস্বাদন কর, আমি কেবল তোমাদের শাস্তিই বৃদ্ধি করব।

পৃষ্ঠা 583
হিযব 59
سورة النبإ
জুজ 30 5.3% (30/564)
হিযব 59 10.9% (30/276)

إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا ﴿٣١﴾

পরহেযগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য।

حَدَآئِقَ وَأَعْنَـٰبًۭا ﴿٣٢﴾

উদ্যান, আঙ্গুর,

وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًۭا ﴿٣٣﴾

সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী।

وَكَأْسًۭا دِهَاقًۭا ﴿٣٤﴾

এবং পূর্ণ পানপাত্র।

لَّا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًۭا وَلَا كِذَّٰبًۭا ﴿٣٥﴾

তারা তথায় অসার ও মিথ্যা বাক্য শুনবে না।

جَزَآءًۭ مِّن رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابًۭا ﴿٣٦﴾

এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে যথোচিত দান,

رَّبِّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ٱلرَّحْمَـٰنِ ۖ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًۭا ﴿٣٧﴾

যিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা, দয়াময়, কেউ তাঁর সাথে কথার অধিকারী হবে না।

يَوْمَ يَقُومُ ٱلرُّوحُ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ صَفًّۭا ۖ لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحْمَـٰنُ وَقَالَ صَوَابًۭا ﴿٣٨﴾

যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দিবেন, সে ব্যতিত কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে সত্যকথা বলবে।

ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمُ ٱلْحَقُّ ۖ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ مَـَٔابًا ﴿٣٩﴾

এই দিবস সত্য। অতঃপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরী করুক।

إِنَّآ أَنذَرْنَـٰكُمْ عَذَابًۭا قَرِيبًۭا يَوْمَ يَنظُرُ ٱلْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ ٱلْكَافِرُ يَـٰلَيْتَنِى كُنتُ تُرَٰبًۢا ﴿٤٠﴾

আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে প্রেরণ করেছে এবং কাফের বলবেঃ হায়, আফসোস-আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।

وَٱلنَّـٰزِعَـٰتِ غَرْقًۭا ﴿١﴾

শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,

وَٱلنَّـٰشِطَـٰتِ نَشْطًۭا ﴿٢﴾

শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;

وَٱلسَّـٰبِحَـٰتِ سَبْحًۭا ﴿٣﴾

শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,

فَٱلسَّـٰبِقَـٰتِ سَبْقًۭا ﴿٤﴾

শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং

فَٱلْمُدَبِّرَٰتِ أَمْرًۭا ﴿٥﴾

শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।

يَوْمَ تَرْجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ ﴿٦﴾

যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,

تَتْبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ ﴿٧﴾

অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;

قُلُوبٌۭ يَوْمَئِذٍۢ وَاجِفَةٌ ﴿٨﴾

সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল হবে।

أَبْصَـٰرُهَا خَـٰشِعَةٌۭ ﴿٩﴾

তাদের দৃষ্টি নত হবে।

يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِى ٱلْحَافِرَةِ ﴿١٠﴾

তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই-

أَءِذَا كُنَّا عِظَـٰمًۭا نَّخِرَةًۭ ﴿١١﴾

গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?

قَالُوا۟ تِلْكَ إِذًۭا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌۭ ﴿١٢﴾

তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!

فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌۭ وَٰحِدَةٌۭ ﴿١٣﴾

অতএব, এটা তো কেবল এক মহা-নাদ,

فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ ﴿١٤﴾

তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।

هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ ﴿١٥﴾

মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?

পৃষ্ঠা 584
হিযব 59
سورة النازعات
জুজ 30 9.8% (55/564)
হিযব 59 19.9% (55/276)

إِذْ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًى ﴿١٦﴾

যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,

ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ ﴿١٧﴾

ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।

فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ ﴿١٨﴾

অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?

وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ ﴿١٩﴾

আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।

فَأَرَىٰهُ ٱلْـَٔايَةَ ٱلْكُبْرَىٰ ﴿٢٠﴾

অতঃপর সে তাকে মহা-নিদর্শন দেখাল।

فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ ﴿٢١﴾

কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।

ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ ﴿٢٢﴾

অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।

فَحَشَرَ فَنَادَىٰ ﴿٢٣﴾

সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,

فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلْأَعْلَىٰ ﴿٢٤﴾

এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।

فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلْـَٔاخِرَةِ وَٱلْأُولَىٰٓ ﴿٢٥﴾

অতঃপর আল্লাহ তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।

إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةًۭ لِّمَن يَخْشَىٰٓ ﴿٢٦﴾

যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।

ءَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُ ۚ بَنَىٰهَا ﴿٢٧﴾

তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?

رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّىٰهَا ﴿٢٨﴾

তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَىٰهَا ﴿٢٩﴾

তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।

وَٱلْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ ﴿٣٠﴾

পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।

أَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَمَرْعَىٰهَا ﴿٣١﴾

তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,

وَٱلْجِبَالَ أَرْسَىٰهَا ﴿٣٢﴾

পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,

مَتَـٰعًۭا لَّكُمْ وَلِأَنْعَـٰمِكُمْ ﴿٣٣﴾

তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।

فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلْكُبْرَىٰ ﴿٣٤﴾

অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।

يَوْمَ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَـٰنُ مَا سَعَىٰ ﴿٣٥﴾

অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে

وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ ﴿٣٦﴾

এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,

فَأَمَّا مَن طَغَىٰ ﴿٣٧﴾

তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;

وَءَاثَرَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا ﴿٣٨﴾

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,

فَإِنَّ ٱلْجَحِيمَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ ﴿٣٩﴾

তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।

وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفْسَ عَنِ ٱلْهَوَىٰ ﴿٤٠﴾

পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,

فَإِنَّ ٱلْجَنَّةَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ ﴿٤١﴾

তার ঠিকানা হবে জান্নাত।

يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَىٰهَا ﴿٤٢﴾

তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?

فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَىٰهَآ ﴿٤٣﴾

এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?

إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ ﴿٤٤﴾

এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।

إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَىٰهَا ﴿٤٥﴾

যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।

كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوٓا۟ إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَىٰهَا ﴿٤٦﴾

যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।

পৃষ্ঠা 585
হিযব 59
سورة عبس
জুজ 30 15.2% (86/564)
হিযব 59 31.2% (86/276)

عَبَسَ وَتَوَلَّىٰٓ ﴿١﴾

তিনি ভ্রূকুঞ্চিত করলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন।

أَن جَآءَهُ ٱلْأَعْمَىٰ ﴿٢﴾

কারণ, তাঁর কাছে এক অন্ধ আগমন করল।

وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّهُۥ يَزَّكَّىٰٓ ﴿٣﴾

আপনি কি জানেন, সে হয়তো পরিশুদ্ধ হত,

أَوْ يَذَّكَّرُ فَتَنفَعَهُ ٱلذِّكْرَىٰٓ ﴿٤﴾

অথবা উপদেশ গ্রহণ করতো এবং উপদেশ তার উপকার হত।

أَمَّا مَنِ ٱسْتَغْنَىٰ ﴿٥﴾

পরন্তু যে বেপরোয়া,

فَأَنتَ لَهُۥ تَصَدَّىٰ ﴿٦﴾

আপনি তার চিন্তায় মশগুল।

وَمَا عَلَيْكَ أَلَّا يَزَّكَّىٰ ﴿٧﴾

সে শুদ্ধ না হলে আপনার কোন দোষ নেই।

وَأَمَّا مَن جَآءَكَ يَسْعَىٰ ﴿٨﴾

যে আপনার কাছে দৌড়ে আসলো

وَهُوَ يَخْشَىٰ ﴿٩﴾

এমতাবস্থায় যে, সে ভয় করে,

فَأَنتَ عَنْهُ تَلَهَّىٰ ﴿١٠﴾

আপনি তাকে অবজ্ঞা করলেন।

كَلَّآ إِنَّهَا تَذْكِرَةٌۭ ﴿١١﴾

কখনও এরূপ করবেন না, এটা উপদেশবানী।

فَمَن شَآءَ ذَكَرَهُۥ ﴿١٢﴾

অতএব, যে ইচ্ছা করবে, সে একে গ্রহণ করবে।

فِى صُحُفٍۢ مُّكَرَّمَةٍۢ ﴿١٣﴾

এটা লিখিত আছে সম্মানিত,

مَّرْفُوعَةٍۢ مُّطَهَّرَةٍۭ ﴿١٤﴾

উচ্চ পবিত্র পত্রসমূহে,

بِأَيْدِى سَفَرَةٍۢ ﴿١٥﴾

লিপিকারের হস্তে,

كِرَامٍۭ بَرَرَةٍۢ ﴿١٦﴾

যারা মহৎ, পূত চরিত্র।

قُتِلَ ٱلْإِنسَـٰنُ مَآ أَكْفَرَهُۥ ﴿١٧﴾

মানুষ ধ্বংস হোক, সে কত অকৃতজ্ঞ!

مِنْ أَىِّ شَىْءٍ خَلَقَهُۥ ﴿١٨﴾

তিনি তাকে কি বস্তু থেকে সৃষ্টি করেছেন?

مِن نُّطْفَةٍ خَلَقَهُۥ فَقَدَّرَهُۥ ﴿١٩﴾

শুক্র থেকে তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে সুপরিমিত করেছেন।

ثُمَّ ٱلسَّبِيلَ يَسَّرَهُۥ ﴿٢٠﴾

অতঃপর তার পথ সহজ করেছেন,

ثُمَّ أَمَاتَهُۥ فَأَقْبَرَهُۥ ﴿٢١﴾

অতঃপর তার মৃত্যু ঘটান ও কবরস্থ করেন তাকে।

ثُمَّ إِذَا شَآءَ أَنشَرَهُۥ ﴿٢٢﴾

এরপর যখন ইচ্ছা করবেন তখন তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন।

كَلَّا لَمَّا يَقْضِ مَآ أَمَرَهُۥ ﴿٢٣﴾

সে কখনও কৃতজ্ঞ হয়নি, তিনি তাকে যা আদেশ করেছেন, সে তা পূর্ণ করেনি।

فَلْيَنظُرِ ٱلْإِنسَـٰنُ إِلَىٰ طَعَامِهِۦٓ ﴿٢٤﴾

মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক,

أَنَّا صَبَبْنَا ٱلْمَآءَ صَبًّۭا ﴿٢٥﴾

আমি আশ্চর্য উপায়ে পানি বর্ষণ করেছি,

ثُمَّ شَقَقْنَا ٱلْأَرْضَ شَقًّۭا ﴿٢٦﴾

এরপর আমি ভূমিকে বিদীর্ণ করেছি,

فَأَنۢبَتْنَا فِيهَا حَبًّۭا ﴿٢٧﴾

অতঃপর তাতে উৎপন্ন করেছি শস্য,

وَعِنَبًۭا وَقَضْبًۭا ﴿٢٨﴾

আঙ্গুর, শাক-সব্জি,

وَزَيْتُونًۭا وَنَخْلًۭا ﴿٢٩﴾

যয়তুন, খর্জূর,

وَحَدَآئِقَ غُلْبًۭا ﴿٣٠﴾

ঘন উদ্যান,

وَفَـٰكِهَةًۭ وَأَبًّۭا ﴿٣١﴾

ফল এবং ঘাস

مَّتَـٰعًۭا لَّكُمْ وَلِأَنْعَـٰمِكُمْ ﴿٣٢﴾

তোমাদেরও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপাকারার্থে।

فَإِذَا جَآءَتِ ٱلصَّآخَّةُ ﴿٣٣﴾

অতঃপর যেদিন কর্ণবিদারক নাদ আসবে,

يَوْمَ يَفِرُّ ٱلْمَرْءُ مِنْ أَخِيهِ ﴿٣٤﴾

সেদিন পলায়ন করবে মানুষ তার ভ্রাতার কাছ থেকে,

وَأُمِّهِۦ وَأَبِيهِ ﴿٣٥﴾

তার মাতা, তার পিতা,

وَصَـٰحِبَتِهِۦ وَبَنِيهِ ﴿٣٦﴾

তার পত্নী ও তার সন্তানদের কাছ থেকে।

لِكُلِّ ٱمْرِئٍۢ مِّنْهُمْ يَوْمَئِذٍۢ شَأْنٌۭ يُغْنِيهِ ﴿٣٧﴾

সেদিন প্রত্যেকেরই নিজের এক চিন্তা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে।

وُجُوهٌۭ يَوْمَئِذٍۢ مُّسْفِرَةٌۭ ﴿٣٨﴾

অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে উজ্জ্বল,

ضَاحِكَةٌۭ مُّسْتَبْشِرَةٌۭ ﴿٣٩﴾

সহাস্য ও প্রফুল্ল।

وَوُجُوهٌۭ يَوْمَئِذٍ عَلَيْهَا غَبَرَةٌۭ ﴿٤٠﴾

এবং অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে ধুলি ধূসরিত।

تَرْهَقُهَا قَتَرَةٌ ﴿٤١﴾

তাদেরকে কালিমা আচ্ছন্ন করে রাখবে।

أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْكَفَرَةُ ٱلْفَجَرَةُ ﴿٤٢﴾

তারাই কাফের পাপিষ্ঠের দল।

পৃষ্ঠা 586
হিযব 59
سورة التكوير
জুজ 30 22.7% (128/564)
হিযব 59 46.4% (128/276)

إِذَا ٱلشَّمْسُ كُوِّرَتْ ﴿١﴾

যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে,

وَإِذَا ٱلنُّجُومُ ٱنكَدَرَتْ ﴿٢﴾

যখন নক্ষত্র মলিন হয়ে যাবে,

وَإِذَا ٱلْجِبَالُ سُيِّرَتْ ﴿٣﴾

যখন পর্বতমালা অপসারিত হবে,

وَإِذَا ٱلْعِشَارُ عُطِّلَتْ ﴿٤﴾

যখন দশ মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীসমূহ উপেক্ষিত হবে;

وَإِذَا ٱلْوُحُوشُ حُشِرَتْ ﴿٥﴾

যখন বন্য পশুরা একত্রিত হয়ে যাবে,

وَإِذَا ٱلْبِحَارُ سُجِّرَتْ ﴿٦﴾

যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,

وَإِذَا ٱلنُّفُوسُ زُوِّجَتْ ﴿٧﴾

যখন আত্মাসমূহকে যুগল করা হবে,

وَإِذَا ٱلْمَوْءُۥدَةُ سُئِلَتْ ﴿٨﴾

যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে,

بِأَىِّ ذَنۢبٍۢ قُتِلَتْ ﴿٩﴾

কি অপরাধে তাকে হত্য করা হল?

وَإِذَا ٱلصُّحُفُ نُشِرَتْ ﴿١٠﴾

যখন আমলনামা খোলা হবে,

وَإِذَا ٱلسَّمَآءُ كُشِطَتْ ﴿١١﴾

যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হবে,

وَإِذَا ٱلْجَحِيمُ سُعِّرَتْ ﴿١٢﴾

যখন জাহান্নামের অগ্নি প্রজ্বলিত করা হবে

وَإِذَا ٱلْجَنَّةُ أُزْلِفَتْ ﴿١٣﴾

এবং যখন জান্নাত সন্নিকটবর্তী হবে,

عَلِمَتْ نَفْسٌۭ مَّآ أَحْضَرَتْ ﴿١٤﴾

তখন প্রত্যেকেই জেনে নিবে সে কি উপস্থিত করেছে।

فَلَآ أُقْسِمُ بِٱلْخُنَّسِ ﴿١٥﴾

আমি শপথ করি যেসব নক্ষত্রগুলো পশ্চাতে সরে যায়।

ٱلْجَوَارِ ٱلْكُنَّسِ ﴿١٦﴾

চলমান হয় ও অদৃশ্য হয়,

وَٱلَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ ﴿١٧﴾

শপথ নিশাবসান ও

وَٱلصُّبْحِ إِذَا تَنَفَّسَ ﴿١٨﴾

প্রভাত আগমন কালের,

إِنَّهُۥ لَقَوْلُ رَسُولٍۢ كَرِيمٍۢ ﴿١٩﴾

নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের আনীত বাণী,

ذِى قُوَّةٍ عِندَ ذِى ٱلْعَرْشِ مَكِينٍۢ ﴿٢٠﴾

যিনি শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাশালী,

مُّطَاعٍۢ ثَمَّ أَمِينٍۢ ﴿٢١﴾

সবার মান্যবর, সেখানকার বিশ্বাসভাজন।

وَمَا صَاحِبُكُم بِمَجْنُونٍۢ ﴿٢٢﴾

এবং তোমাদের সাথী পাগল নন।

وَلَقَدْ رَءَاهُ بِٱلْأُفُقِ ٱلْمُبِينِ ﴿٢٣﴾

তিনি সেই ফেরেশতাকে প্রকাশ্য দিগন্তে দেখেছেন।

وَمَا هُوَ عَلَى ٱلْغَيْبِ بِضَنِينٍۢ ﴿٢٤﴾

তিনি অদৃশ্য বিষয় বলতে কৃপনতা করেন না।

وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَيْطَـٰنٍۢ رَّجِيمٍۢ ﴿٢٥﴾

এটা বিতাড়িত শয়তানের উক্তি নয়।

فَأَيْنَ تَذْهَبُونَ ﴿٢٦﴾

অতএব, তোমরা কোথায় যাচ্ছ?

إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌۭ لِّلْعَـٰلَمِينَ ﴿٢٧﴾

এটা তো কেবল বিশ্বাবাসীদের জন্যে উপদেশ,

لِمَن شَآءَ مِنكُمْ أَن يَسْتَقِيمَ ﴿٢٨﴾

তার জন্যে, যে তোমাদের মধ্যে সোজা চলতে চায়।

وَمَا تَشَآءُونَ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ﴿٢٩﴾

তোমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অভিপ্রায়ের বাইরে অন্য কিছুই ইচ্ছা করতে পার না।

পৃষ্ঠা 587
হিযব 59
سورة الإنفطار
জুজ 30 27.8% (157/564)
হিযব 59 56.9% (157/276)

إِذَا ٱلسَّمَآءُ ٱنفَطَرَتْ ﴿١﴾

যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

وَإِذَا ٱلْكَوَاكِبُ ٱنتَثَرَتْ ﴿٢﴾

যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,

وَإِذَا ٱلْبِحَارُ فُجِّرَتْ ﴿٣﴾

যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,

وَإِذَا ٱلْقُبُورُ بُعْثِرَتْ ﴿٤﴾

এবং যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে,

عَلِمَتْ نَفْسٌۭ مَّا قَدَّمَتْ وَأَخَّرَتْ ﴿٥﴾

তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কি অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কি পশ্চাতে ছেড়ে এসেছে।

يَـٰٓأَيُّهَا ٱلْإِنسَـٰنُ مَا غَرَّكَ بِرَبِّكَ ٱلْكَرِيمِ ﴿٦﴾

হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল?

ٱلَّذِى خَلَقَكَ فَسَوَّىٰكَ فَعَدَلَكَ ﴿٧﴾

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সুষম করেছেন।

فِىٓ أَىِّ صُورَةٍۢ مَّا شَآءَ رَكَّبَكَ ﴿٨﴾

যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত আকৃতিতে গঠন করেছেন।

كَلَّا بَلْ تُكَذِّبُونَ بِٱلدِّينِ ﴿٩﴾

কখনও বিভ্রান্ত হয়ো না; বরং তোমরা দান-প্রতিদানকে মিথ্যা মনে কর।

وَإِنَّ عَلَيْكُمْ لَحَـٰفِظِينَ ﴿١٠﴾

অবশ্যই তোমাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত আছে।

كِرَامًۭا كَـٰتِبِينَ ﴿١١﴾

সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ।

يَعْلَمُونَ مَا تَفْعَلُونَ ﴿١٢﴾

তারা জানে যা তোমরা কর।

إِنَّ ٱلْأَبْرَارَ لَفِى نَعِيمٍۢ ﴿١٣﴾

সৎকর্মশীলগণ থাকবে জান্নাতে।

وَإِنَّ ٱلْفُجَّارَ لَفِى جَحِيمٍۢ ﴿١٤﴾

এবং দুষ্কর্মীরা থাকবে জাহান্নামে;

يَصْلَوْنَهَا يَوْمَ ٱلدِّينِ ﴿١٥﴾

তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ করবে।

وَمَا هُمْ عَنْهَا بِغَآئِبِينَ ﴿١٦﴾

তারা সেখান থেকে পৃথক হবে না।

وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا يَوْمُ ٱلدِّينِ ﴿١٧﴾

আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?

ثُمَّ مَآ أَدْرَىٰكَ مَا يَوْمُ ٱلدِّينِ ﴿١٨﴾

অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?

يَوْمَ لَا تَمْلِكُ نَفْسٌۭ لِّنَفْسٍۢ شَيْـًۭٔا ۖ وَٱلْأَمْرُ يَوْمَئِذٍۢ لِّلَّهِ ﴿١٩﴾

যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কতৃꦣ2468;্ব হবে আল্লাহর।

وَيْلٌۭ لِّلْمُطَفِّفِينَ ﴿١﴾

যারা মাপে কম করে, তাদের জন্যে দুর্ভোগ,

ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكْتَالُوا۟ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسْتَوْفُونَ ﴿٢﴾

যারা লোকের কাছ থেকে যখন মেপে নেয়, তখন পূর্ণ মাত্রায় নেয়

وَإِذَا كَالُوهُمْ أَو وَّزَنُوهُمْ يُخْسِرُونَ ﴿٣﴾

এবং যখন লোকদেরকে মেপে দেয় কিংবা ওজন করে দেয়, তখন কম করে দেয়।

أَلَا يَظُنُّ أُو۟لَـٰٓئِكَ أَنَّهُم مَّبْعُوثُونَ ﴿٤﴾

তারা কি চিন্তা করে না যে, তারা পুনরুত্থিত হবে।

لِيَوْمٍ عَظِيمٍۢ ﴿٥﴾

সেই মহাদিবসে,

يَوْمَ يَقُومُ ٱلنَّاسُ لِرَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ﴿٦﴾

যেদিন মানুষ দাঁড়াবে বিশ্ব পালনকর্তার সামনে।

পৃষ্ঠা 588
হিযব 59
سورة المطففين
জুজ 30 32.3% (182/564)
হিযব 59 65.9% (182/276)

كَلَّآ إِنَّ كِتَـٰبَ ٱلْفُجَّارِ لَفِى سِجِّينٍۢ ﴿٧﴾

এটা কিছুতেই উচিত নয়, নিশ্চয় পাপাচারীদের আমলনামা সিজ্জীনে আছে।

وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا سِجِّينٌۭ ﴿٨﴾

আপনি জানেন, সিজ্জীন কি?

كِتَـٰبٌۭ مَّرْقُومٌۭ ﴿٩﴾

এটা লিপিবদ্ধ খাতা।

وَيْلٌۭ يَوْمَئِذٍۢ لِّلْمُكَذِّبِينَ ﴿١٠﴾

সেদিন দুর্ভোগ মিথ্যারোপকারীদের,

ٱلَّذِينَ يُكَذِّبُونَ بِيَوْمِ ٱلدِّينِ ﴿١١﴾

যারা প্রতিফল দিবসকে মিথ্যারোপ করে।

وَمَا يُكَذِّبُ بِهِۦٓ إِلَّا كُلُّ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ ﴿١٢﴾

প্রত্যেক সীমালংঘনকারী পাপিষ্ঠই কেবল একে মিথ্যারোপ করে।

إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ ءَايَـٰتُنَا قَالَ أَسَـٰطِيرُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿١٣﴾

তার কাছে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হলে সে বলে, পুরাকালের উপকথা।

كَلَّا ۖ بَلْ ۜ رَانَ عَلَىٰ قُلُوبِهِم مَّا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ ﴿١٤﴾

কখনও না, বরং তারা যা করে, তাই তাদের হৃদয় মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে।

كَلَّآ إِنَّهُمْ عَن رَّبِّهِمْ يَوْمَئِذٍۢ لَّمَحْجُوبُونَ ﴿١٥﴾

কখনও না, তারা সেদিন তাদের পালনকর্তার থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে।

ثُمَّ إِنَّهُمْ لَصَالُوا۟ ٱلْجَحِيمِ ﴿١٦﴾

অতঃপর তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

ثُمَّ يُقَالُ هَـٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ ﴿١٧﴾

এরপর বলা হবে, একেই তো তোমরা মিথ্যারোপ করতে।

كَلَّآ إِنَّ كِتَـٰبَ ٱلْأَبْرَارِ لَفِى عِلِّيِّينَ ﴿١٨﴾

কখনও না, নিশ্চয় সৎলোকদের আমলনামা আছে ইল্লিয়্যীনে।

وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا عِلِّيُّونَ ﴿١٩﴾

আপনি জানেন ইল্লিয়্যীন কি?

كِتَـٰبٌۭ مَّرْقُومٌۭ ﴿٢٠﴾

এটা লিপিবদ্ধ খাতা।

يَشْهَدُهُ ٱلْمُقَرَّبُونَ ﴿٢١﴾

আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগণ একে প্রত্যক্ষ করে।

إِنَّ ٱلْأَبْرَارَ لَفِى نَعِيمٍ ﴿٢٢﴾

নিশ্চয় সৎলোকগণ থাকবে পরম আরামে,

عَلَى ٱلْأَرَآئِكِ يَنظُرُونَ ﴿٢٣﴾

সিংহাসনে বসে অবলোকন করবে।

تَعْرِفُ فِى وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ ٱلنَّعِيمِ ﴿٢٤﴾

আপনি তাদের মুখমন্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের সজীবতা দেখতে পাবেন।

يُسْقَوْنَ مِن رَّحِيقٍۢ مَّخْتُومٍ ﴿٢٥﴾

তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে।

خِتَـٰمُهُۥ مِسْكٌۭ ۚ وَفِى ذَٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ ٱلْمُتَنَـٰفِسُونَ ﴿٢٦﴾

তার মোহর হবে কস্তুরী। এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত।

وَمِزَاجُهُۥ مِن تَسْنِيمٍ ﴿٢٧﴾

তার মিশ্রণ হবে তসনীমের পানি।

عَيْنًۭا يَشْرَبُ بِهَا ٱلْمُقَرَّبُونَ ﴿٢٨﴾

এটা একটা ঝরণা, যার পানি পান করবে নৈকট্যশীলগণ।

إِنَّ ٱلَّذِينَ أَجْرَمُوا۟ كَانُوا۟ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ يَضْحَكُونَ ﴿٢٩﴾

যারা অপরাধী, তারা বিশ্বাসীদেরকে উপহাস করত।

وَإِذَا مَرُّوا۟ بِهِمْ يَتَغَامَزُونَ ﴿٣٠﴾

এবং তারা যখন তাদের কাছ দিয়ে গমন করত তখন পরস্পরে চোখ টিপে ইশারা করত।

وَإِذَا ٱنقَلَبُوٓا۟ إِلَىٰٓ أَهْلِهِمُ ٱنقَلَبُوا۟ فَكِهِينَ ﴿٣١﴾

তারা যখন তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরত, তখনও হাসাহাসি করে ফিরত।

وَإِذَا رَأَوْهُمْ قَالُوٓا۟ إِنَّ هَـٰٓؤُلَآءِ لَضَآلُّونَ ﴿٣٢﴾

আর যখন তারা বিশ্বাসীদেরকে দেখত, তখন বলত, নিশ্চয় এরা বিভ্রান্ত।

وَمَآ أُرْسِلُوا۟ عَلَيْهِمْ حَـٰفِظِينَ ﴿٣٣﴾

অথচ তারা বিশ্বাসীদের তত্ত্বাবধায়করূপে প্রেরিত হয়নি।

فَٱلْيَوْمَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مِنَ ٱلْكُفَّارِ يَضْحَكُونَ ﴿٣٤﴾

আজ যারা বিশ্বাসী, তারা কাফেরদেরকে উপহাস করছে।

পৃষ্ঠা 589
হিযব 59
سورة المطففين
জুজ 30 37.2% (210/564)
হিযব 59 76.1% (210/276)

عَلَى ٱلْأَرَآئِكِ يَنظُرُونَ ﴿٣٥﴾

সিংহাসনে বসে, তাদেরকে অবলোকন করছে,

هَلْ ثُوِّبَ ٱلْكُفَّارُ مَا كَانُوا۟ يَفْعَلُونَ ﴿٣٦﴾

কাফেররা যা করত, তার প্রতিফল পেয়েছে তো?

إِذَا ٱلسَّمَآءُ ٱنشَقَّتْ ﴿١﴾

যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

وَأَذِنَتْ لِرَبِّهَا وَحُقَّتْ ﴿٢﴾

ও তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং আকাশ এরই উপযুক্ত

وَإِذَا ٱلْأَرْضُ مُدَّتْ ﴿٣﴾

এবং যখন পৃথিবীকে সম্প্রসারিত করা হবে।

وَأَلْقَتْ مَا فِيهَا وَتَخَلَّتْ ﴿٤﴾

এবং পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শুন্যগর্ভ হয়ে যাবে।

وَأَذِنَتْ لِرَبِّهَا وَحُقَّتْ ﴿٥﴾

এবং তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে এবং পৃথিবী এরই উপযুক্ত।

يَـٰٓأَيُّهَا ٱلْإِنسَـٰنُ إِنَّكَ كَادِحٌ إِلَىٰ رَبِّكَ كَدْحًۭا فَمُلَـٰقِيهِ ﴿٦﴾

হে মানুষ, তোমাকে তোমরা পালনকর্তা পর্যন্ত পৌছতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে।

فَأَمَّا مَنْ أُوتِىَ كِتَـٰبَهُۥ بِيَمِينِهِۦ ﴿٧﴾

যাকে তার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে

فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًۭا يَسِيرًۭا ﴿٨﴾

তার হিসাব-নিকাশ সহজে হয়ে যাবে

وَيَنقَلِبُ إِلَىٰٓ أَهْلِهِۦ مَسْرُورًۭا ﴿٩﴾

এবং সে তার পরিবার-পরিজনের কাছে হৃষ্টচিত্তে ফিরে যাবে

وَأَمَّا مَنْ أُوتِىَ كِتَـٰبَهُۥ وَرَآءَ ظَهْرِهِۦ ﴿١٠﴾

এবং যাকে তার আমলনামা পিঠের পশ্চাদ্দিক থেকে দেয়া, হবে,

فَسَوْفَ يَدْعُوا۟ ثُبُورًۭا ﴿١١﴾

সে মৃত্যুকে আহবান করবে,

وَيَصْلَىٰ سَعِيرًا ﴿١٢﴾

এবং জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

إِنَّهُۥ كَانَ فِىٓ أَهْلِهِۦ مَسْرُورًا ﴿١٣﴾

সে তার পরিবার-পরিজনের মধ্যে আনন্দিত ছিল।

إِنَّهُۥ ظَنَّ أَن لَّن يَحُورَ ﴿١٤﴾

সে মনে করত যে, সে কখনও ফিরে যাবে না।

بَلَىٰٓ إِنَّ رَبَّهُۥ كَانَ بِهِۦ بَصِيرًۭا ﴿١٥﴾

কেন যাবে না, তার পালনকর্তা তো তাকে দেখতেন।

فَلَآ أُقْسِمُ بِٱلشَّفَقِ ﴿١٦﴾

আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লাল আভার

وَٱلَّيْلِ وَمَا وَسَقَ ﴿١٧﴾

এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে

وَٱلْقَمَرِ إِذَا ٱتَّسَقَ ﴿١٨﴾

এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে,

لَتَرْكَبُنَّ طَبَقًا عَن طَبَقٍۢ ﴿١٩﴾

নিশ্চয় তোমরা এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়িতে আরোহণ করবে।

فَمَا لَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٢٠﴾

অতএব, তাদের কি হল যে, তারা ঈমান আনে না?

وَإِذَا قُرِئَ عَلَيْهِمُ ٱلْقُرْءَانُ لَا يَسْجُدُونَ ۩ ﴿٢١﴾

যখন তাদের কাছে কোরআন পাঠ করা হয়, তখন সেজদা করে না।

بَلِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يُكَذِّبُونَ ﴿٢٢﴾

বরং কাফেররা এর প্রতি মিথ্যারোপ করে।

وَٱللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا يُوعُونَ ﴿٢٣﴾

তারা যা সংরক্ষণ করে, আল্লাহ তা জানেন।

فَبَشِّرْهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٍ ﴿٢٤﴾

অতএব, তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।

إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ لَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍۭ ﴿٢٥﴾

কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।

পৃষ্ঠা 590
হিযব 59
سورة البروج
জুজ 30 42.0% (237/564)
হিযব 59 85.9% (237/276)

وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلْبُرُوجِ ﴿١﴾

শপথ গ্রহ-নক্ষত্র শোভিত আকাশের,

وَٱلْيَوْمِ ٱلْمَوْعُودِ ﴿٢﴾

এবং প্রতিশ্রুত দিবসের,

وَشَاهِدٍۢ وَمَشْهُودٍۢ ﴿٣﴾

এবং সেই দিবসের, যে উপস্থিত হয় ও যাতে উপস্থিত হয়

قُتِلَ أَصْحَـٰبُ ٱلْأُخْدُودِ ﴿٤﴾

অভিশপ্ত হয়েছে গর্ত ওয়ালারা অর্থাৎ,

ٱلنَّارِ ذَاتِ ٱلْوَقُودِ ﴿٥﴾

অনেক ইন্ধনের অগ্নিসংযোগকারীরা;

إِذْ هُمْ عَلَيْهَا قُعُودٌۭ ﴿٦﴾

যখন তারা তার কিনারায় বসেছিল।

وَهُمْ عَلَىٰ مَا يَفْعَلُونَ بِٱلْمُؤْمِنِينَ شُهُودٌۭ ﴿٧﴾

এবং তারা বিশ্বাসীদের সাথে যা করেছিল, তা নিরীক্ষণ করছিল।

وَمَا نَقَمُوا۟ مِنْهُمْ إِلَّآ أَن يُؤْمِنُوا۟ بِٱللَّهِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَمِيدِ ﴿٨﴾

তারা তাদেরকে শাস্তি দিয়েছিল শুধু এ কারণে যে, তারা প্রশংসিত, পরাক্রান্ত আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল,

ٱلَّذِى لَهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ شَهِيدٌ ﴿٩﴾

যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের ক্ষমতার মালিক, আল্লাহর সামনে রয়েছে সবকিছু।

إِنَّ ٱلَّذِينَ فَتَنُوا۟ ٱلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَـٰتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا۟ فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ ٱلْحَرِيقِ ﴿١٠﴾

যারা মুমিন পুরুষ ও নারীকে নিপীড়ন করেছে, অতঃপর তওবা করেনি, তাদের জন্যে আছে জাহান্নামের শাস্তি, আর আছে দহন যন্ত্রণা,

إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ لَهُمْ جَنَّـٰتٌۭ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ ۚ ذَٰلِكَ ٱلْفَوْزُ ٱلْكَبِيرُ ﴿١١﴾

যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আছে জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় নির্ঝরিণীসমূহ। এটাই মহাসাফল্য।

إِنَّ بَطْشَ رَبِّكَ لَشَدِيدٌ ﴿١٢﴾

নিশ্চয় তোমার পালনকর্তার পাকড়াও অত্যন্ত কঠিন।

إِنَّهُۥ هُوَ يُبْدِئُ وَيُعِيدُ ﴿١٣﴾

তিনিই প্রথমবার অস্তিত্ব দান করেন এবং পুনরায় জীবিত করেন।

وَهُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلْوَدُودُ ﴿١٤﴾

তিনি ক্ষমাশীল, প্রেমময়;

ذُو ٱلْعَرْشِ ٱلْمَجِيدُ ﴿١٥﴾

মহান আরশের অধিকারী।

فَعَّالٌۭ لِّمَا يُرِيدُ ﴿١٦﴾

তিনি যা চান, তাই করেন।

هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ٱلْجُنُودِ ﴿١٧﴾

আপনার কাছে সৈন্যবাহিনীর ইতিবৃত্ত পৌছেছে কি?

فِرْعَوْنَ وَثَمُودَ ﴿١٨﴾

ফেরাউনের এবং সামুদের?

بَلِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فِى تَكْذِيبٍۢ ﴿١٩﴾

বরং যারা কাফের, তারা মিথ্যারোপে রত আছে।

وَٱللَّهُ مِن وَرَآئِهِم مُّحِيطٌۢ ﴿٢٠﴾

আল্লাহ তাদেরকে চতুর্দিক থেকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন।

بَلْ هُوَ قُرْءَانٌۭ مَّجِيدٌۭ ﴿٢١﴾

বরং এটা মহান কোরআন,

فِى لَوْحٍۢ مَّحْفُوظٍۭ ﴿٢٢﴾

লওহে মাহফুযে লিপিবদ্ধ।

পৃষ্ঠা 591
হিযব 59
سورة الطارق
জুজ 30 45.9% (259/564)
হিযব 59 93.8% (259/276)

وَٱلسَّمَآءِ وَٱلطَّارِقِ ﴿١﴾

শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর।

وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلطَّارِقُ ﴿٢﴾

আপনি জানেন, যে রাত্রিতে আসে সেটা কি?

ٱلنَّجْمُ ٱلثَّاقِبُ ﴿٣﴾

সেটা এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।

إِن كُلُّ نَفْسٍۢ لَّمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌۭ ﴿٤﴾

প্রত্যেকের উপর একজন তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে।

فَلْيَنظُرِ ٱلْإِنسَـٰنُ مِمَّ خُلِقَ ﴿٥﴾

অতএব, মানুষের দেখা উচিত কি বস্তু থেকে সে সৃজিত হয়েছে।

خُلِقَ مِن مَّآءٍۢ دَافِقٍۢ ﴿٦﴾

সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে।

يَخْرُجُ مِنۢ بَيْنِ ٱلصُّلْبِ وَٱلتَّرَآئِبِ ﴿٧﴾

এটা নির্গত হয় মেরুদন্ড ও বক্ষপাজরের মধ্য থেকে।

إِنَّهُۥ عَلَىٰ رَجْعِهِۦ لَقَادِرٌۭ ﴿٨﴾

নিশ্চয় তিনি তাকে ফিরিয়ে নিতে সক্ষম।

يَوْمَ تُبْلَى ٱلسَّرَآئِرُ ﴿٩﴾

যেদিন গোপন বিষয়াদি পরীক্ষিত হবে,

فَمَا لَهُۥ مِن قُوَّةٍۢ وَلَا نَاصِرٍۢ ﴿١٠﴾

সেদিন তার কোন শক্তি থাকবে না এবং সাহায্যকারীও থাকবে না।

وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلرَّجْعِ ﴿١١﴾

শপথ চক্রশীল আকাশের

وَٱلْأَرْضِ ذَاتِ ٱلصَّدْعِ ﴿١٢﴾

এবং বিদারনশীল পৃথিবীর

إِنَّهُۥ لَقَوْلٌۭ فَصْلٌۭ ﴿١٣﴾

নিশ্চয় কোরআন সত্য-মিথ্যার ফয়সালা।

وَمَا هُوَ بِٱلْهَزْلِ ﴿١٤﴾

এবং এটা উপহাস নয়।

إِنَّهُمْ يَكِيدُونَ كَيْدًۭا ﴿١٥﴾

তারা ভীষণ চক্রান্ত করে,

وَأَكِيدُ كَيْدًۭا ﴿١٦﴾

আর আমিও কৌশল করি।

فَمَهِّلِ ٱلْكَـٰفِرِينَ أَمْهِلْهُمْ رُوَيْدًۢا ﴿١٧﴾

অতএব, কাফেরদেরকে অবকাশ দিন, তাদেরকে অবকাশ দিন, কিছু দিনের জন্যে।

بسم الله الرحمن الرحيم শুক্র 24 মুহাররম
الجمعة 24 محرّم
هلال متناقص কমন্ত অর্ধচন্দ্র দিন 25.1 / 29.5
আলোকিতকরণ 21%
4 দিনে অমাবস্যা
الحمد لله সকল প্রশংসা আল্লাহর