কুরআনের রুকু 460 পড়ুন

রুকু 460 সূরা An-Najm (আয়াত 1–25) থেকে নেওয়া। এতে 25টি আয়াত রয়েছে এবং এটি জুজ 27-এর অন্তর্ভুক্ত।

05 আগস্ট 2026 তারিখ 16h34 এ আপডেট করা হয়েছে

কুরআনে রুকু 460

25
আয়াত
1
সূরা
27
জুজ
v.1 – v.25
আয়াত

রুকু 460-এ সূরা

النجم · জুজ 27
পৃষ্ঠা 526
রুকু 460
سورة النجم
জুজ 27 19.8% (79/399)
হিযব 53 40.3% (79/196)

وَٱلنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ ﴿١﴾

নক্ষত্রের কসম, যখন অস্তমিত হয়।

مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَىٰ ﴿٢﴾

তোমাদের সংগী পথভ্রষ্ট হননি এবং বিপথগামীও হননি।

وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلْهَوَىٰٓ ﴿٣﴾

এবং প্রবৃত্তির তাড়নায় কথা বলেন না।

إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْىٌۭ يُوحَىٰ ﴿٤﴾

কোরআন ওহী, যা প্রত্যাদেশ হয়।

عَلَّمَهُۥ شَدِيدُ ٱلْقُوَىٰ ﴿٥﴾

তাঁকে শিক্ষা দান করে এক শক্তিশালী ফেরেশতা,

ذُو مِرَّةٍۢ فَٱسْتَوَىٰ ﴿٦﴾

সহজাত শক্তিসম্পন্ন, সে নিজ আকৃতিতে প্রকাশ পেল।

وَهُوَ بِٱلْأُفُقِ ٱلْأَعْلَىٰ ﴿٧﴾

উর্ধ্ব দিগন্তে,

ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّىٰ ﴿٨﴾

অতঃপর নিকটবর্তী হল ও ঝুলে গেল।

فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ ﴿٩﴾

তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম।

فَأَوْحَىٰٓ إِلَىٰ عَبْدِهِۦ مَآ أَوْحَىٰ ﴿١٠﴾

তখন আল্লাহ তাঁর দাসের প্রতি যা প্রত্যাদেশ করবার, তা প্রত্যাদেশ করলেন।

مَا كَذَبَ ٱلْفُؤَادُ مَا رَأَىٰٓ ﴿١١﴾

রসূলের অন্তর মিথ্যা বলেনি যা সে দেখেছে।

أَفَتُمَـٰرُونَهُۥ عَلَىٰ مَا يَرَىٰ ﴿١٢﴾

তোমরা কি বিষয়ে বিতর্ক করবে যা সে দেখেছে?

وَلَقَدْ رَءَاهُ نَزْلَةً أُخْرَىٰ ﴿١٣﴾

নিশ্চয় সে তাকে আরেকবার দেখেছিল,

عِندَ سِدْرَةِ ٱلْمُنتَهَىٰ ﴿١٤﴾

সিদরাতুলমুন্তাহার নিকটে,

عِندَهَا جَنَّةُ ٱلْمَأْوَىٰٓ ﴿١٥﴾

যার কাছে অবস্থিত বসবাসের জান্নাত।

إِذْ يَغْشَى ٱلسِّدْرَةَ مَا يَغْشَىٰ ﴿١٦﴾

যখন বৃক্ষটি দ্বারা আচ্ছন্ন হওয়ার, তদ্দ্বারা আচ্ছন্ন ছিল।

مَا زَاغَ ٱلْبَصَرُ وَمَا طَغَىٰ ﴿١٧﴾

তাঁর দৃষ্টিবিভ্রম হয় নি এবং সীমালংঘনও করেনি।

لَقَدْ رَأَىٰ مِنْ ءَايَـٰتِ رَبِّهِ ٱلْكُبْرَىٰٓ ﴿١٨﴾

নিশ্চয় সে তার পালনকর্তার মহান নিদর্শনাবলী অবলোকন করেছে।

أَفَرَءَيْتُمُ ٱللَّـٰتَ وَٱلْعُزَّىٰ ﴿١٩﴾

তোমরা কি ভেবে দেখেছ লাত ও ওযযা সম্পর্কে।

وَمَنَوٰةَ ٱلثَّالِثَةَ ٱلْأُخْرَىٰٓ ﴿٢٠﴾

এবং তৃতীয় আরেকটি মানাত সম্পর্কে?

أَلَكُمُ ٱلذَّكَرُ وَلَهُ ٱلْأُنثَىٰ ﴿٢١﴾

পুত্র-সন্তান কি তোমাদের জন্যে এবং কন্যা-সন্তান আল্লাহর জন্য?

تِلْكَ إِذًۭا قِسْمَةٌۭ ضِيزَىٰٓ ﴿٢٢﴾

এমতাবস্থায় এটা তো হবে খুবই অসংগত বন্টন।

إِنْ هِىَ إِلَّآ أَسْمَآءٌۭ سَمَّيْتُمُوهَآ أَنتُمْ وَءَابَآؤُكُم مَّآ أَنزَلَ ٱللَّهُ بِهَا مِن سُلْطَـٰنٍ ۚ إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا ٱلظَّنَّ وَمَا تَهْوَى ٱلْأَنفُسُ ۖ وَلَقَدْ جَآءَهُم مِّن رَّبِّهِمُ ٱلْهُدَىٰٓ ﴿٢٣﴾

এগুলো কতগুলো নাম বৈ নয়, যা তোমরা এবং তোমাদের পূর্ব-পুরুষদের রেখেছ। এর সমর্থনে আল্লাহ কোন দলীল নাযিল করেননি। তারা অনুমান এবং প্রবৃত্তিরই অনুসরণ করে। অথচ তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে পথ নির্দেশ এসেছে।

أَمْ لِلْإِنسَـٰنِ مَا تَمَنَّىٰ ﴿٢٤﴾

মানুষ যা চায়, তাই কি পায়?

فَلِلَّهِ ٱلْـَٔاخِرَةُ وَٱلْأُولَىٰ ﴿٢٥﴾

অতএব, পরবর্তী ও পূর্ববর্তী সব মঙ্গলই আল্লাহর হাতে।

بسم الله الرحمن الرحيم মঙ্গল 18 রবিউল আউয়াল
الثلاثاء 18 ربيع الأول
أحدب متناقص কমন্ত কুঁজো দিন 19.2 / 29.5
আলোকিতকরণ 79%
10 দিনে অমাবস্যা
حسبنا الله ونعم الوكيل আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, কতই না উত্তম অভিভাবক